<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289</id><updated>2026-03-11T05:55:41.368+06:00</updated><category term="বাংলা ইরোটিক"/><category term="চটি"/><category term="গৃহবধূর চোদন কাহিনী"/><category term="কামদেব"/><category term="কামিনী"/><category term="উপন্যাস"/><category term="জীবনের সুখের জন্য"/><category term="erotic novel"/><category term="পরভৃত"/><category term="Desi Wife Become Girl Friend For Rich Man"/><category term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><category term="শয়তান"/><category term="অবদমিত মনের কথা"/><category term="বজ্রাঘাত"/><category term="মিলি তুই কোথায় ছিলি"/><category term="যুবতি গৃহবধুর যৌন কাহিনী"/><category term="পরিবর্তন"/><category term="চোরাবালি"/><category term="খেলোয়াড়"/><category term="যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়"/><category term="রমনা"/><category term="মিশ্র"/><category term="নিশিতপুর রাজ্য"/><category term="পরকীয়া প্রেমের রহস্য"/><category term="সাময়িক সমাধান"/><category term="দূরদর্শন"/><category term="তোমায় যেমন করে চাই তুমি তাই"/><category term="চরিত্র"/><category term="অনাকাঙ্খিত অতিথি"/><category term="রাত্রি যখন গভীর হয়"/><category term="গহীনের পথে"/><category term="বউ থেকে নায়িকা"/><category term="big choti"/><category term="মীরা বৌদি"/><category term="bangla erotic"/><category term="পরমার পরাজয়"/><category term="সুখ (ছোট গল্প)"/><category term="Desi Dance"/><category term="Indian dance"/><category term="JOKES"/><category term="Video"/><category term="প্রতিনিধি পিতা"/><category term="ধর্মের ভাই"/><category term="পরকীয়া"/><category term="ভাড়াটে স্বামী"/><category term="Adultery"/><category term="bengali erotic"/><category term="ভণ্ড তান্ত্রিক"/><category term="ভাবিজানের ভোদা"/><category term="English"/><category term="বউ নিয়ে বাজী"/><title type='text'>A Unique Collection </title><subtitle type='html'>This is an erotic story site. Here you will get all kind of erotic story or novel.</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default?redirect=false'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default?start-index=26&amp;max-results=25&amp;redirect=false'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>969</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-4299728152372721109</id><published>2025-07-13T19:22:00.004+06:00</published><updated>2025-07-13T19:22:35.143+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 67</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; আসন্ন বিব্রতকর পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে এবারে মাথা ঝাঁকিয়ে খোলা পশ্চাৎদেশ দুলিয়ে দুলিয়ে উঠানের দিকে হাঁটা দেয় রূম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুশ্রী যোনিদেশ বিস্ফারিত করে শেফালির মতই বসেছে রূম্পা। কামিজটা নাভির উপর তুলে বসেছে যেন অপবিত্র পানির ছিঁটে না লাগে। শুভ্র ফোয়রারাধারার উৎসের দিকে ভালভাবে তাকায় ডেইজি। উত্তেজিত শেফালির মত লাল পাপড়ি দেখা যাচ্ছেনা। ফর্সা লম্বা চেরাটা আংশিকভাবে ঢেকে রেখেছে বেড়ে ওঠা কোঁকড়া কালো যোনিকেশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরুষ সংসর্গ সৎ বাবার পর আর কারো সাথে না ঘটলেও ক্ষুধা নিবারনে বিকল্প পথ আরো আগেই বেছে নিয়েছে ডেইজি। কিলবিলে নিষিদ্ধ পরিকল্পনাটা প্রথম আসে এই ঘরে বসেই, সে যখন পাশের বাড়ির মেয়েটাকে পড়াচ্ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সীমা দেখতে শুনতে ভালই। গেঞ্জির উপর দিয়ে উঁচিয়ে থাকা কুঁড়ির দিকে তার বা তার বাবা-মার কারোরই নজর পড়েনি। ডানপিটে মেয়েটাকে পড়ানোর দায়িত্ব অনেকটা জোর করেই ডেইজিকে দেয় সীমার মা। পড়তে এসে এটা ওটা নিয়ে দুষ্টূমিতে মেতেই থাকে মেয়েটা। ক্লাস সিক্সের পড়ালেখা নেহাৎ কম নয়। আন্টি বলে দিয়েছে মেয়েকে বাগে আনতে পিটিয়ে পাছার চামড়া তুলে ফেলতে। তবে কোন কিছুতেই কোন কাজ না হওয়ায় একবার এক অপমানজনক শাস্তি আবিষ্কার করে বসে ডেইজি। একদিন পড়া শেষ হবার পর কড়া গলায় বলে দেয়, আগামীকাল বাড়ির কাজ না করে আসলে ল্যাংটো করে পেটাবো। জবাবে ফিক করে হেসে চলে যায় সীমা। পরের দিন যথারীতি কাজ না করেই হাজির দুষ্টের শিরোমনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রীতিমত মাথা খারাপ হয়ে যাবার যোগাড় ডেইজির। গতকালকের জানিয়ে দেয়া শাস্তির কথা বলতে গাঁইগুঁই শুরু করে সীমা। মেয়েটা প্রথমবারের মত ভড়কে গেছে। ডেইজিও কম যায় না। তার কঠোরতায় শেষমেষ হার মানতে বাধ্য হল পুঁচকে শয়তান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপু, তাইলে দরজাটা লাগায়ে দেন, প্লিইজ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই পেন্ট খোল। পরে আমি দরজা লাগাইতেছি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আন্টি দেইখা ফেলব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, দেখবনা, আম্মা কাম করে রান্দাঘরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সলাজ চোখে দরজার বাইরে উঁকিঝুঁকি দিয়ে ধীরে ধীরে হাফপ্যান্ট হাঁটুর নিচ পর্যন্ত গলিয়ে আনে । দরজা লাগিয়ে দিয়ে ডেইজি ভীত হরিণীর চোখে চোখ রেখে বলে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- লাগাইছি, গেঞ্জি খোল এহন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপু, কালকা থিকা লিইখা নিয়া আসব। প্লিইজ আপু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, কালকারটা কালকা। এহন লেংটা হবি। আজকা তোর পাছা লাল বানামু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভয়ে ভয়ে মাথা গলিয়ে টি শার্টটা খুলে ফেলে সীমা। বাদামী বাড়ন্ত স্তনবৃন্ত তীক্ষ হয়ে বেরিয়ে আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পেন্ট খুইলা থুইয়া দে বিছনার উপরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পা থেকে প্যান্ট নামিয়ে গেঞ্জির উপর রেখে দেয় সীমা। চেয়ার ছেড়ে ছাত্রীর দিকে এগিয়ে গিয়ে সমস্ত দেহ পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করে ডেইজি। শুকনোমত দেহে তলপেট থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে নেমে যাওয়া গোপানাঙ্গের ইঞ্চি দুয়েক দৈর্ঘ্যসম্পন্ন সঙ্গম এলাকাটা টিউমারের মত উঁচু হয়ে আছে। সেদিকে তাকিয়ে মাথায় বিদ্যুত খেলে যায় ডেইজির। বুক ঢিপঢিপ করতে শুরু করে। থ্যালথ্যালে ডান হাত কি মনে হতে সোজা মেয়েটির যৌনাঙ্গের উপর নিয়ে রাখে। খোলা নিতম্বে কাঠের স্কেলের প্রহার প্রত্যাশা করছিল সীমা। আপুর এই কান্ডে অবাক হয়ে যায় সে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওইহ, আপু, কি করেন, সুরসুরি লাগে.. হিহহহ ইহ ইহহি..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- খাড়া ছেড়ি, আজকা অন্য শাস্তি দেই। নাকি মাইর খাবি? দেখ আরাম লাগে নাকি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না না, মাইর খামুনা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্রুত জবাব দেয় সীমা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে ল, বিছনায় গিয়া সোজা হইয়া শুইয়া পড়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিনা বাক্যব্যয়ে বিছানায় সোজা হয়ে শুয়ে পড়ে ছাত্রী। হার্টবীট বাড়ছে ডেইজির। মাথার নিচে বালিশ টেনে ছাত্রীর সাথেই শুয়ে পড়ে। এক হাত আবার যোনিকেশহীন মসৃণ, মেদহীন চেরাটায় বুলাতে শুরু করে। নিজের সাথে এই খেলা খেলে অসম্ভব রকমের মজা পায় ডেইজি। তাই বলে অন্য মেয়েদের আদর করাতেও যে নিজের মানসিক তৃপ্তি মেটে তা আগে চিন্তাও করেনি । মিনিট পাঁচেক সুড়সুড়ি দেয়ার মত করে দৃঢ়ভাবে আটকে থাকা চেরায় আলতো করে আঙুল বোলানোর পর তর্জনী দিয়ে চেরার একেবারে নিচের দিকটায় আলতো করে চাপ দিতে শুরু করল। আবেশে সীমার চোখ বুজে গেছে। বাদামী বোঁটা চিমসে গেছে শক্ত হয়ে। অনুন্নত বুকের রোমকূপ স্পষ্ট হয়ে দেখা দিচ্ছে। ধীরে ধীরে চাপ দিয়ে কাজ হচ্ছেনা দেখে হতাশ হয়ে পড়ে ডেইজি। পায়ুছিদ্রের খানিকটা উপরে, ছোট্ট চেরার শেষ প্রান্তে তর্জনী ঠেকিয়ে এক চাপ দিতে অনামিকা সোজা ভেতরে ঢুকে যায়। গলা ফাটিয়ে চিৎকার শুরু করার আগেই খপ করে সীমার মুখটা চেপে ধরে কামজ্বালায় চঞ্চল কিশোরী। হাতের কাছেই ড্রেসিং টেবিল থাকা তিব্বিত স্নোর কৌটোটা তুলে নেয়। তেলতেলে আঙুলে কিছুক্ষণ আঙলি করে সীমার বিদ্ধস্ত যোনির উপর আলতো করে হাত বুলিয়ে বলে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভাল হইতেছে, নারে? আরাম পাসনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, কিন্তু এক্ষন ব্যাথা পাইছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- খাড়া, আর পাইতিনা ব্যাথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে নিজের ফোলা ফোলা মধ্যমায় আরো বেশ খানিকটা সাদা স্নো মেখে তেলতেলে করে নেয়। এবারে খানিকটা জ্বলুনি অনুভূত হলেও উফফ আফহহহহ ছাড়া আর কোন শব্দ করেনি সীমা। প্রথম কয়েকবার পিচ্ছিল দেয়াল আনাহূত আঙুল ঠেলে বের করে দিতে চায়। তবে ধীরে ধীরে সহজ হয়ে আসে। ভেতরটা অনুভব করার চেষ্টা করে ডেইজি । উষ্ণ রসালো নবীনা যোনিগহ্বরের স্পর্শে নিজের দেহেও উত্তাপ বেড়ে গেল। হঠাৎ করেই ইশশশ.. ইছহহহহহ.. আপুগোহহহ.... বলে শীৎকার করে নেতিয়ে পড়ল সীমা। ডেইজিকে অবাক করে দিয়ে ছড়ছড় শব্দে উষ্ণ তরলে ডেইজির হাত, বিছানার চাদর, ডেইজির জামা, সব ভিজে গেল। সীমা যেন আরো ভড়কে গেল। নির্ঘাৎ এবারে আপু পেটাবে! কিন্তু, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ঘটনার স্বাভবিকতা বিবেচনা করে সীমাকে কিছু বলেনা ডেইজি। সীমার সাথে সমকামী সম্পর্কের হাতেখড়ি নিয়ে বছর দুয়েক পর রীতিমত নারীশিকারিতে পরিণত হয় ডেইজি। এবারে হাতে এসেছে তার সবচাইতে প্রিয় মেয়েগুলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পাও যাতে অভুতপূর্ব রসক্ষরণের তাড়নায় বিছানা ভিজিয়ে না ফেলে তাই তাকেও উঠোনে পাঠিয়েছে তলপেট হালকা করে ফেলতে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/4299728152372721109/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-67.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4299728152372721109'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4299728152372721109'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-67.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 67'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-4334676505289198885</id><published>2025-07-13T19:21:00.009+06:00</published><updated>2025-07-13T19:21:55.686+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 66</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; দেখতে সুন্দরী হওয়ায় কৈশোরে পদার্পণের পর থেকেই অসংখ্য ছেলে তার পেছনে ঘুরঘুর করেছে। বাবা-মায়ের অবস্থার কথা চিন্তা করে কখনোই এসবে পাত্তা দেয়নি সে। ছোট শহরে প্রেম পীরিতের খবর খুব দ্রুত ছড়ায় এবং বেশ খারাপ চোখেই দেখা হয়। তাছাড়া কর্মচারীর মেয়ে বলে কলেজের সবাই তাকে চেনে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার আগে এক ছেলের সাথে সখ্যতা হয় রুম্পার। কেন যেন ছেলেটাকে খুব ভাল লাগে তার। ছেলেটাও ভালই ছিল। তবে সুখস্বপ্নে হানা দেয় তার পরিচিতিই। সেদিন এক পার্কে বসে দুজনে গল্প করছিল। কোনভাবে এলাকার এক চাচা দৃশ্যটা দেখে ফেলে। সোজা রুম্পাদের কোয়ার্টারে চলে যায় তার বাবাকে জানাতে। বিকেলে রূম্পা বাসায় ফিরেই দেখে বাবা-মা দুজনে গোমরামুখে বসে আছে। ছোটভাই খাটের উপর কাত হয়ে বসে পেন্সিলে খসখস শব্দ তুলে কিছু লিখছে। বাবা-মায়ের দুঃশ্চিন্তা নিয়ে তার কোন মাথাব্যাথা নেই। রূম্পা কিছু আন্দাজ করার আগেই কড়া গলায় মা জানতে চায়,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কই ছিলি আজকে কলেজ ছুটির পরে, অ্যাঁ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভদ্র পরিবেশে থেকে তার মায়ের মধ্যেও এক ধরণের গাম্ভীর্য এসেছে। ভাষায় আছে শুদ্ধ টান। তবে রেগে গেলে এমন সব কান্ড করে যে সবাই ত্টস্থ হয়ে যায়। ভারী ফ্রেমের চশমার ওপাশের তীব্র চাহনির বিপরীতে মিথ্যে বলার সাহস পায়না সে। তাছাড়া কাঁচাপাকা চুলের সেই চাচাও একটা চেয়ারে বসে ইতস্তত করছে দেখে যা বোঝার বুঝে গেল সে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে মাগী, জবাব দেস না কেন? হারামজাদী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ের নীরবতায় রেগেমেগে বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। ফর্সা দুই গালে কষে দুটো চড় মারতে আহা আহা করে উঠল চেয়ারে বসা লোকটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভাবীসাব, মারামারির দরকার নাই। মেয়ে বড় হইছে। না মাইরা বরং ভাতিজিরে বুঝান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মহিলা তখন কোন বোঝাবুঝির মধ্যে নেই। মেয়েকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে শেষমেষ নিজের সর্বোচ্চ আশঙ্কার কথা মেয়েকে জিজ্ঞেস করতে রূম্পা না না করে মায়ের ধারণা যে ভুল তা বোঝাতে চাইল। কিন্তু ততক্ষণে আর মাথা ঠিক নেই রগচটা গুলবাহারের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছিনাইলা মাগি, খাড়া তুই, দেহি কি কি রঙ তামশা করছস তুই!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হ্যাঁচকা টানে মেয়ের সালোয়ার খুলে ফেললেন। মেয়ের কর্মকান্ডে এমনিতেই মুখ শুকিয়ে ছিল বাবার। এখন স্ত্রীর কান্ড দেখে লজ্জ্বায় মাথা হেঁট করে ফেললেন। অন্তর্বাসটা খুলতে যেতে বাধা দেয় রূম্পা। ভ্যা করে কেঁদে ফেলে ভেতরের ঘরে চলে যেতে চায়। কিন্তু মা তার নাছোড়বান্দা। মেয়ে যতই বলে সে খারাপ কিছুই করেনি, মা ততই জোরে চেঁচিয়ে ওঠে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই যদি ভালাই হস তাইলে চুপ কইরা খাড়া। আমি দেইখা লই। ঠিক কইরা খাড়া। লরবি না। ঐ, তুমি বইয়া রইছ ক্যান! মাইয়ারে ধর, ছেড়ি হাত মুচড়ায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ত্রীর হুংকারে মাথা হেঁট করে এগিয়ে এসে রুম্পার দুই হাত পেছন থেকে চেপে ধরে বাবা। অসহায় মেয়েকে অর্ধনগ্ন করে কুমারীত্বের পরীক্ষা নিচ্ছে মা। ব্যাথায় কুঁচকে যাওয়া চোখে কাঁদতে কাঁদতে এদিক ওদিক তাকায় রূম্পা। ছোটভাই পড়া বাদ দিয়ে চোখ বড় বড় করে পেন্সিলের মাথা চিবুতে চিবুতে এদিকে চেয়ে আছে। মায়ের রাগ, নাকি বোনের কান্না, কি যে এত মনযোগ নিয়ে দেখছে, তা বোঝা গেলনা। মাঝবয়েসি চাচা হাঁ করে ভাতিজির নিম্নাঙ্গের দিকেই তাকিয়েছিল। রুম্পার চোখে চোখ পড়তেই অন্যদিকে তাকানোর ভান করল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা কিছুক্ষণ পর আঙুল বের করে ঘাড় উঠিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে স্বস্তিকর কন্ঠে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ঠিক আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ের চেপে ধরা হাত ছেড়ে দিল বাবা। মুখে যেন আবার রক্ত ফিরে এসেছে তার। কাঁদতে কাঁদতে কোনরকমে সালোয়ারটা উঠিয়ে ভেতরের ঘরে টলতে টলতে গিয়ে ঢুকল রূম্পা। এই ঘটনার পর আর সম্পর্কটা বেশি দূর গড়ায়নি। আজ ডেইজির সাহসিকতায় দ্বীতিয়বারের মত কারো সামনে নগ্ন হচ্ছে রূম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উম্মাহ ইসছ ইহ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পার কোলে বসে মোচড় দিয়ে ওঠে শেফালি। বান্ধবীর মৃদু চিৎকারে বাস্তবে ফিরে আসে রুম্পা।শেফালির মাথার পেছন থেকে ঘাড় সরিয়ে সামনে উঁকি দেয়। চিৎকারের কারণ অনুসন্ধানে উৎসুক রূম্পা তাকিয়ে দেখে বান্ধবীর উরুসন্ধিতে মুখ ডুবিয়ে দিয়েছে ডেইজি। ঘন কালো চুলে ঢাকা বিরাট মাথাটা তালে তালে উপর-নিচে উঠানামা করছে। চোখ মুদে ঠোঁটে ঠোঁট কামড়াচ্ছে শেফালি। মাঝে মাঝে জিভ দিয়ে কিছু চাটার মত চকাস চকাস শব্দ বেড়ে আবার কমে যাচ্ছে।হঠাৎ গা ঝাড়া দিয়ে রুম্পার উপর থেকে নেমে গেল সে। হাঁসফাস করতে করতে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, পরসাপ করমু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি ঘাড় উঁচু করে শেফালির দিকে তাকালো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- টয়লেট তো হেইপাশে। এত রাইতে হেদিক যাবি? আয়, দুয়ারে এক কোনায় কইরা ফালা। কেউ দেখতনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গোলগাল ফর্সা মুখ অক্সিজেনের অভাবে লাল আপেলের বর্ণ ধারণ করেছে। ঘেমে জবজবে হয়ে গেছে ডেইজি। শেফালির মতামতের অপেক্ষা না করে নিজেই উঠে গিয়ে ঘরের দরজা খুলে দিল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- যা, ছেড়ি, দরজার সাইডে মুত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঝিমঝিমে মাথায় ট্রাউজারটা হাতে তুলে নিতেই খেকিয়ে উঠে ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ঐ মাগী, কাপড় পিনবি ক্যান এহন আবার! যা, তাড়াতাড়ি মুতগা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধমক খেয়ে দ্রুতপায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজিদের বাড়ি পুরানো ধাঁচে করা। বাড়ির টয়লেট-গোসলখানা দুটোই সব ঘরের জন্যে কমন। নিচতলায় ডেইজির ঘরের অপর পাশে, যেখানে তার বাবা-মা ঘুমায় সেপাশে একতলার একমাত্র টয়লেটটি। সেখানে যেতে হলে বিশাল উঠোন পার হয়ে যেতে হবে। ডেইজির কথামত ঘর থেকে বেরিয়ে দরজা বরাবর সামনে বসে পড়ে শেফালি। ডেইজি আর রূম্পা আগ্রহ নিয়ে নগ্ন বান্ধবীর দিকে তাকিয়ে থাকে। খোলা দরজা দিয়ে বাল্বের আলো উঠোনে পড়ে। সেই এক চিলতে আলোতেই খানিকটা দূরে তাদের দিকে পিঠ দিয়ে বসে পড়ে শেফালি। সাথে সাথে বিরক্ত হয়ে ডেইজি আস্তে করে হাঁক দেয়,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছিনাইলা মাগী, পচ্চিম দিক মাং পাইত্তা কেউ মুতে রে! এই দিক ঘুইরা ব ছেড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে ছিপছিপে বান্ধবীর স্ত্রী অঙ্গ প্রস্ফুটিত ফুলের মত ভেসে উঠে দুজনের চোখের সামনে। খালি পায়ে বেলে মাটির ঠান্ডা উঠোন রক্তে শীতলতা বইয়ে দিচ্ছে। হাঁটু ভাঁজ করে দুদিকে প্রশস্ত করে নিজের ভেজা যোনিদেশে একদৃষ্টে তাকিয়ে কোথ দিচ্ছে শেফালি। কালো আবরণে ঢাকা লাল অভ্যন্তর ছড়িয়ে আছে। আসাধারণ এই দৃশ্য দেখে একদৃষ্টে সেদিকে তাকিয়ে রইল রূম্পা। ছড়ছড় করে সবেগে তরল বর্জ্য বেরিয়ে যাওয়া শুরু করতে হালকা জ্বলুনির সাথে সাথে প্রচন্ড প্রশান্তি শেফালির সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ল। গত বেশ কিছুক্ষণের ঘটনাপ্রবাহে, বিশেষ করে ডেইজির রাক্ষুসে জিভের চাতুরতায় সারা দেহে জমে যাওয়া উত্তাপ এখন বেরিয়ে যাচ্ছে। বাইরের ঠান্ডা বাতাসে কোমল নিতম্ব বরফ শীতল হয়ে যাচ্ছে উপলদ্ধি করে দ্রুত মূত্রনালী খালি করে হনহন করে ঘরে চলে এল শেফালি। শেফালি ঘরে ঢুকতে ডেইজি রুম্পার দিকে তাকিয়ে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, মুতে ধরসে না তুমারে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, লাগেনাই&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিধাগ্রস্থ কন্ঠে জবাব দেয় রুম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বুইঝো কিন্তু, এহন না করলে পরে বিছনা ভিজাইয়া ফেলবা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হেইত, কি বলিস, আমি কি পোলাপান নাকি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হে হে, দেখছনা শেফু কেমনে দৌড় দিছে? তুমি কিন্তু দৌড় দেবার সুযোগ নাও পাইতে পার হে হে হে..</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/4334676505289198885/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-66.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4334676505289198885'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4334676505289198885'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-66.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 66'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-8116438039668313445</id><published>2025-07-13T19:21:00.006+06:00</published><updated>2025-07-13T19:21:35.489+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 65</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - ইয়াল্লা, আপু, কি করতাছ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালির কন্ঠে অবিশ্বাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই এদিক আগায় আইসা শুইয়া পড়..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোনরুপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ঠান্ডা গলায় শেফালিকে কথাটা বলে জবাবের প্রতীক্ষা না করেই শক্ত হাতে বান্ধবীকে নিজের দেহের সাথে চেপে শুইয়ে দেয় ডেইজি। একহারা গড়নের শেফালি প্রতিবাদ করার সুযোগই পেলনা। ডেইজির ভারী বাম পায়ের চাপে শেফালি কোমর নাড়াতে পারছেনা। পরমুহূর্তে উষ্ণ হাতের স্পর্শ ট্রাউজার ভেদ করে ভেতরে ঢুকে গেল। এতক্ষণে রা ফুটল হতবাক হয়ে যাওয়া শেফালির মুখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইছ! কি করস, ছাড়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- চুপ কইরা থাক ছেড়ী, দেখ কেমন লাগে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভাল লাগবেরে শেফা, চুপ করে থাক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসবে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই বলে প্রতিবাদ করতে যাচ্ছিল শেফালি। কিন্তু রুম্পার এমন সাফাই গাওয়াতে একটু শান্ত হল। আসলেই কি খুব ভাল? হয়তোবা! ভাল না হলে সে চুপচাপ ডেইজির&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মত নির্লজ্জ্বের কর্মকান্ডে বাধা না দিয়ে চুপচাপ শুয়ে ছিলই বা কেন? হৃৎস্পন্দন ধীরে ধীরে কমে আসে। বান্ধবীর মোচড়ামোচড়ি থামতে সন্তর্পনে নিজের উরু সরিয়ে নিল ডেইজি। খোঁচা খোঁচা গুপ্তকেশের মাঝে আলতো করে আঙুল বুলাচ্ছে নরম হাতে। আরো নিচে হাত নামাতে ট্রাউজারের ইলাস্টিক বাধা দেয়। বিরক্ত হয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে রুম্পাকে অনুরোধ করে সাহায্য করতে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপু, টাউজারটা খুইলা দেওনা ওর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পা হাঁটুতে ভর দিয়ে খাটের নিচে নামে। শেফালির উপর থেকে কম্বল সরিয়ে ট্রাউজারের দুই পা ধরে হ্যাঁচকা টান দিতে খুলে আসে। শেফালির নিম্নাঙ্গ এখন সম্পূর্ণ অনাবৃত। এদিকে ফিতা না লাগানোয় শেফালির ট্রাউজার হাতে নিয়ে ফ্লোরে দাঁড়িয়ে থাকা রুম্পার ঢলঢলে সালোয়ার হড়কে গেছে। আবছায়ায় শুয়ে শুয়ে চুপচাপ রুম্পার ফর্সা উরুর দিকে তাকিয়ে আছে শেফালি। সেদিকে চোখ পড়তে রা করে ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, তুমার সালোয়ার খুইলা হালাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শীতের মাঝেও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে ঘামছে রুম্পা। মন্ত্রমুগ্ধের মত কোন কথা না বলে পা গলিয়ে পাতলা সালোয়ারটা খুলে ফেলে বিছানায় এসে উঠল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রসিয়ে রসিয়ে ডেইজি যখন কুমারীত্ব হারানোর গল্প করছিল, রুম্পার মাথাও শেফালির মত দপদপ করছে। আচমকা ডেইজির হাতের স্পর্শ পেয়ে চমকে গেলেও তখন অবশ বোধ করে। ডেজির বর্ণনা নিজের চোখের সামনে ভেসে উঠতে উঠতে সালোয়ারের ভেতরটা আগেই তেতে ছিল। মোটাসোটা নরম আঙুলের ছোয়ায় শিল্পীর মত দক্ষভাবে বান্ধবীর স্পর্শকাতর অঙ্গে কাগজে অলিগিলির মানচিত্র আঁকার মত করে ঘষছিল ডেইজি। ভাললাগাটা দেহে ছড়িয়ে পড়তে আর বাধা দেয়ার কোন আগ্রহ বোধ করেনি। শেফালি এমন লজ্জ্বাজনক দৃশ্য আবিষ্কার করে ফেলায় যারপরনাই বিব্রত রুম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে প্রবল উৎসাহে কৃশকায় বান্ধবীর শরীরে হাত বুলিয়ে চলেছে ডেইজি। অভ্যাসটা যে সমাজে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, এতে কোন সন্দেহ নেই তার। কিন্তু কামনার আগুন তো কারো বাধা-নিষেধ মানেনা। সৎ বাবার অবহেলা নিজেকে পুরুষ জাতির কাছ থেকে আরেক ধাপ দূরে ঠেলে দিয়েছে। বাবা-মায়ের হুট করে একটা অজানা অচেনা ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে সহবাসের লাইসেন্স না এনে দেয়া পর্যন্ত আর কোন পুরুষের সান্নিধ্য পাবার আশা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু মেয়েরা তাকে পছন্দ করে। নোংরা বুলি, মজার বাচনভঙ্গি, বন্ধুবাৎসল্যতা তাকে খুব কাছের কিছু বান্ধবী এনে দিয়েছে। মোটামোটি শান্ত করা গেছে দুজনকেই। রুম্পাকে ম্যানেজ করা নিয়েই যত দুঃশ্চিন্তা ছিল। এখন দেখা যাচ্ছে ক্ষুধার জ্বালায় মানুষ আসলে সবই খায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, লাইটটা জ্বালাইয়া দেও। কিসু দেহা যায়না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পা বাধ্য মেয়ের মত ঘাড় ঘুরিয়ে বিছানার উপর, দেয়ালে লাগানো সুইচবোর্ড টিপে বাতি জ্বালায়। ক্লক! শব্দে সুইচ স্থান পরিবর্তন করে, ঘর ভরে ওঠে সাদা আলোয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুজনেরই চোখ যায় অর্ধনগ্ন হয়ে শুয়ে থাকা শেফালির দিকে। তার কাজল কালো হরিনী চোখ নিজের গোপনাঙ্গের দিকে চেয়ে আছে। রুম্পা গলা বাড়িয়ে সেদিকে তাকায়। শুকনোমত হলেও শেফুর পাছাটা সবসময় আকর্ষণীয় বলেই মনে হয়েছে ডেইজির। এখন দেখে শুনে নিজের অশ্লীল কল্পনার তারিফ করতে ইচ্ছে করছে। তামাটে মুখের মেয়েটির খয়েরি যোনিদেশ এই মুহূর্তে ঢেকে রাখতে ব্যর্থ খোঁচা খোঁচা চকচকে গুপ্তকেশ। পুরুষ্ট যৌনাঙ্গের মুখটা ঠেলে বেরিয়ে আসছে। আরো গাঢ় সেই রং, সিক্ত কফির বর্ণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেখতে দেখতে কামিজটাও শেফালির গা থেকে খুলে নেয়া হল। একেবারে উলঙ্গ অবস্থায় নিজেকে আবিষ্কার করেও খুব একটা প্রতিক্রিয়া তার মধ্যে নেই। ডেইজির হাতেই যেন সব নিয়ন্ত্রণ। দু দুটো মেয়ের সামনে বিবসনা অবস্থায় নিজেকে কখনো কল্পনাও করতে পারেনি সে। কি ধরণের উদ্ভট সম্পর্কে তারা তিনজনে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে তা স্বপ্নেও কল্পনা করেনি শেফালি। ডেইজির নির্দেশমত তিনজনেই এদিক ওদিক সরছে। কাঠের খাট মেয়েদের নড়াচড়ায় ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কে কি করছে তা মোটেই মাথায় ঢুকছেনা শেফালির। বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর ডেইজির কথায় সম্বিৎ ফিরল তার। দেয়াল ঘেষা খাটে ডেইজির নির্দেশমত পিঠে ঠেস দিয়ে বসেছে রূম্পা। হালকা পাতলা শেফালিকে নিজের উরুতে বসিয়ে নিয়েছে। বান্ধবীর ছোট্ট ব্যাসার্ধের কালো বোঁটায় আনমনে আঙুল ঘোরাচ্ছে রূম্পা। বোঁটা শক্ত হয়ে বেড়ে ওঠায় আঙুলের ডগায় অনুভূতি আরো তীক্ষ্ম হতে লাগল। তার মাথার ভেতরটাও ভনভন করে উঠল।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/8116438039668313445/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-65.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8116438039668313445'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8116438039668313445'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-65.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 65'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-2429788222003438803</id><published>2025-07-13T19:21:00.003+06:00</published><updated>2025-07-13T19:21:15.182+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 64</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; হাঁটু ভাঁজ করে চৌকির উপর বসে থাকায় উরুর মাংসপেশী টানটান হয়ে আছে মুকুল মিয়ার। ডেইজি নড়াচড়া বন্ধ করে দিতে মুখ থেকে হাতটা সরাল সে। কোমরটা একটু পিছিয়ে নিয়ে ভালভাবে জায়গাটা লক্ষ্য করল । কালো গুপ্তকেশের মাঝে চেরাটার সাথে নিজের তলপেট একেবারে লেগে থাকতে দেখে ভেবেছিল পুরোটাই বুঝি গেছে। এখন দেখা গেল কিছুটা গেলেও বাকীটা কুঁচকে গিয়ে বেঁকে আছে। ধীরে ধীরে বের করে নিতেই তীব্র জ্বলুনীটা আবার ছেঁকে ধরল ডেইজির নিম্নাঙ্গে। চৌকি্তে ক্যাঁচক্যাঁচ আওয়াজ তুলে এক ছন্দে কোমর দুলাচ্ছে বাবা। কন্যার এখন আর কোন প্রতিবাদ নেই। জ্বলুনীটা সেরে গেছে এমন নয়, তবে দেহের দুলুনিতে মাথাটা হালকা হালকা লাগছে। পাছার বিশাল খাঁজে ঝুলে থাকা অন্ডকোষের নিয়মিত ছান্দিক আঘাতে সুড়সুড়ি লাগছে। ঠোঁট প্রসারিত করে নিঃশ্বব্ধে হাসছে সে চোখ বন্ধ করে। মাথার ঝিমঝিমানি কমলে সারা দেহে মাখানো তেলের আবেশে আবার ঘুম ঘুম অনুভূতি এসে জেঁকে ধরল। হঠাৎ করেই জ্বলুনি ছাপিয়ে যোনিতে কিসের যেন প্রবল চাপ অনুভব করল ডেইজি। ওহ হো, বাথরুম বোধহয়, বাবাকে বলতে হবে... কিন্তু, এই চাপ যেন ঝট করে সারা দেহেই ঝড় তুলল। আর আটকে রাখতে পারলনা ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আব্বু, ওইহ, সরতো... আমার... ওফস... হোহহওহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলতে না বলতেই ঝট করে লাফিয়ে সরে গেল মুকুল। অবাক চোখে সৎ মেয়ের কান্ড দেখছে। এমন কিছু সে জীবনেও দেখেনি। ছড়ছড় শব্দে আধ মিনিট ধরে পুরো চৌকি ভিজিয়ে শরীর ঢিলে হল মেয়েটার। সারা দেহে রাজ্যের প্রশান্তি যেন ভর করেছে। চৌকির অন্যপাশে মেয়েকে শুইয়ে দিয়ে লুঙ্গি নিয়ে শরির মুছিয়ে দিল বাবা। ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আবারো থ্যাচাৎ থ্যাচাৎ শব্দে কোমর দুলতে লাগল। এবারে জ্বলুনি নেই খুব বেশি। তবে কোমরটা হালকা কাঁপছে ডেইজির। আরো কিছু বুঝে ওঠার আগেই যৌনাঙ্গে আঠালো পদার্থের আধিক্য অনুভব করল সে। কেউ বলে দেয়নি, তবু সে বুঝতে পারে এইমাত্র কি হল। বড় বড় শ্বাস ফেলে কিছুক্ষণ পরেই তার ভারী দেহের উপর নেতিয়ে পড়ল বাবা। আঁশটে গন্ধটা নাকে লাগার সাথে সাথে সে অনুভব করল অভূতপূর্ব এক জিনিস। চুম্বন। আদর করে ঠোঁটে চুষে, চেটে, চুক চুক করে চুমু খাচ্ছে তার সৎ বাবা। আবেগে চোখে পানি চলে এল ডেইজির। হু হু করে কেঁদে ফেলল। চুমুয় চুমুয় ভরে যেতে লাগল তৈলাক্ত দেহ…&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন নবীনা যুবতীর দেহের উত্তাপে কম্বলের ভেতর তাপমাত্রা বাড়ছে। ঘেমে যাচ্ছে শেফালির পা। আড়ষ্টতা কাটাতে পায়ের সাথে পা ঘষে মোচড়াচ্ছে। ডান হাতের কনুই ভাঁজ করে তাতে ঠেস দিয়ে ডেইজির দিকে আধো অন্ধকারে তাকিয়ে তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা শুনছে। দাঁত কিমড়মিড়ে ঠান্ডার মাঝেও কানের লতি গরম হয়ে গেছে। রক্ত চলাচল বেড়ে গেছে সমগ্র দেহে। হঠাৎ চুপ করে গেছে ডেইজি। ওপাশে কম্বলটা খসখস শব্দ করছে। আরো শুনতে মরিয়া হয়ে আছে শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, পরে কি অইছে? কাকায় পরে কি করছেরে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুঁ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কম্পিত গলায় আওয়াজ করল ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরে, তোর বাপে করার পরে কি অইল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আব্বায় দিল। হেরপর আমারে ধোয়াইয়া মুছাইয়া কাপড় পিন্দায় দিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভিত্রে ফালায় দিল? কিছু অয়নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক কন্ঠে জানতে চায় শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুঁহ। না, কিছু অয়নাইগা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিসফিসে গলায় দায়সারা জবাব দেয় ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে উত্তেজনার বশে সেদিন মুকুল মিয়া কাজটা করে ফেললেও পরে খুব দুঃশ্চিন্তায় ভুগেছে। হয়তো মেয়েটা মায়ের কাছে বলে দেবে। অথবা খারাপ কিছু হয়ে যেতে পারে। ঘটনার পর মাস দুয়েক মেয়ের শারীরিক অবস্থার দিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে। খারাপ কিছু যে ঘটে যায়নি তা নিশ্চিত হয়ে শান্তি পায় মুকুল। বাস্তব জীবনে খুব ভীতু হওয়ায় আর এরকম কিছু করার সাহস হয়নি। ডেইজির প্রত্যাশা এই ঘটনার পর অনেক বেড়ে গেলেও সে হতাশ হয় বাবার দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ হয়ে। সেদিন কামোত্তেজক বাবার চোখে প্রেমের যে আগুন লক্ষ্য করেছিল, তা আর নেই। ভীতি আর এড়িয়ে যাবার ইচ্ছা এখন সেই কামুক চোখে। খালি বাড়িতে বাবার কাছে গিয়ে গা ঘষে, বাথরুমের দরজা খুলে দিগম্বর হয়ে গোসল করে। চোখ তুলে তাকালেও তাকে আর উৎসাহী মনে হয়না। নিজের ভারী অনাকর্ষক অবয়বের প্রতি আবার ঘৃণা জন্মাতে থাকে। তীব্র কামজ্বালার উপশম হয় নিজের সাথে নিজের প্রেম প্রেম খেলায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু অবহেলার গল্প কাউকে বলতে চায়না সে। শেফালির কথার আর জবাব দেয়না। আধো অন্ধকারের নীরবতায় কম্বলের নিচের খসখসানি আরো বাড়ে। ডেইজি চুপচাপ। রুম্পা ডেইজির গা ঘেষে শুয়ে আছে, কথা বলছেনা। বিরিক্ত হয় শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এ্যই, খানকির ঝি, পরে কি অইছে, তোর বাপে আর করেনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উম্মম্ম ম..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অষ্পষ্ট ধরা গলা ডেইজির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুইত মাগী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই এক ঝটকায় কম্বলটা ওপাশ থেকে সরিয়ে দেয় শেফালি। ডিম লাইটের নীল আলোয় দৃশ্যটা দেখে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেনা। কয়েক মুহূর্ত চেয়ে থেকে আর কোন সন্দেহ থাকেনা। অবচেতন মনেই গলায় কথা ফুটে ওঠে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়ক! ছি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারো সত্যিকারের সহবাসের গল্প এই প্রথম শোনা শেফালীর। বান্ধবীদের অনেকেই নিয়মিত ভালবাসার মানুষের সাথে শোয়। ক্লাসের কয়েকজন মেয়ে তো বিবাহিতাও আছে। তাদের কথা তো বাদই দেয়া যায়। তবু কেউ এভাবে রগরগে বর্ণনায় রতিলীলার অভিজ্ঞতা শোনায়নি। কিন্তু, এবারে ডেইজির কান্ড দেখে একেবারে থ হয়ে যায় শেফু। ডেইজির গোবদা গোবদা ঘাড়ে মাথা গুঁজে দিয়েছে রুম্পা। বাকী দেহটা সোজা করে রাখা। ডেইজির বাম হাত নিজের পাজামার ভেতর গোঁজা। সেখানটা আস্তে আস্তে নড়ছে। এ আর এমন কি। শেফুর নিজেরো এখন তাই করতেই মনে চাইছিল। কিন্তু ডানপাশে নীরবে চলছে সেই কুৎসিত দৃশ্য। রুম্পার ঢিলেঢালা সালোয়ার অনেক নিচে নামান। ফি্তার গিঁট কোনরকমে ঢিলে করে টেনে নামানো হয়েছে। কামিজটা তুলে রাখা ফর্সা পেট অনাবৃত করে। ছোটখাট নাভীর গর্ত রাত্রির চাইতে কৃষ্ণবর্ণে রুপ নিয়েছে। ডেইজির ফোলা ফ্যাকাশে হাত রুম্পার তলপেটের নিচেটায় দ্রুতবেগে নড়াচড়া করছে। ডেইজির মুখ লালচে হয়ে আছে। নরম ঘাড়ে মুখ গুঁজে থাকায় রুম্পার প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেনা। আচমকা কম্বল সরে যাওয়ায় রুম্পা অবাক হয়ে ঘাড় তুলে তাকিয়েই লজ্জ্বায় দ্রুত সালোয়ার কোমরের উপর উঠিয়ে ফেলে এক ঝটকায়। ডেইজির মধ্যে খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখা না গেলেও ছোট বোনের মত বান্ধবীর সামনে এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে থতমত খেয়ে উঠে বসে রুম্পা।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/2429788222003438803/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-64.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2429788222003438803'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2429788222003438803'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-64.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 64'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-2912126894338044489</id><published>2025-07-13T19:21:00.000+06:00</published><updated>2025-07-13T19:21:00.249+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 63</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; বলতে বলতে মাঝবয়েসি শ্যামলা, স্বাস্থ্যবান গড়নের মুকুলের চকচকে শরীরটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে ডেইজির। বিয়ের পর থেকেই তার উপর খারাপ নজর ছিল মুকুলের। এসব সে বোঝে। মা অফিসে গেলেই খালি বাড়িতে নানা ছুতোয় গায়ে হাত দেয় মুকুল। হাজার হোক সৎ বাপ হলেও বাপ তো! তাছাড়া সংসারে কখনো টাকা পয়সার দিক থেকে কার্পণ্য করেনি সে। মায়ের সাথেও ঝগড়া-ঝাটি নেই। প্রথম প্রথম রাগ হত। বয়সটা বাড়তেই ক্ষুধা বাড়তে লাগল। কিন্তু স্বাস্থ্যের ভারে ছেলেদের দিকে এগোতে সাহস হয়না তার। অথচ ছোঁক ছোঁক স্বভাবের বলে সব জ্ঞান এদিক সেদিক থেকে আহরণ করে বাস্তব সুখের নেশায় পাগল কিশোরী ডেইজি। একদিন সকালে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে রাস্তার পাশের মাঠে ছেলেদের ক্রিকেট খেলা দেখছিল, হঠাৎ দুপ করে একটা হাত এসে পাছার ওপর পড়ে। হাতটা পুরো ছড়িয়ে দিয়েও বিশাল পশ্চাৎদেশ কাভার করতে পারেনা মুকুল। হাত পাছায় রেখেই পাশে এসে দাঁড়ায় ডেইজির সৎ বাবা। লোকটার পরনে কালো চেকের লুঙ্গি। মেদহীন দেহ, খালি গা। আজ আর কোমর সরিয়ে নেয়না ডেইজি। অবাক হয়ে মেয়ের দিকে তাকায় মুকুল। তারপর মুখে হাসির রেখা টেনে হাতটা ট্রাউজারের ভেতর পুরে দেয়। লোকটা পাগলের মত এদিক সেদিক হাতড়াচ্ছিল। ডেইজির মনে হচ্ছিল হাঁটু ভেঙে আবেশে ফ্লোরে বসে পড়বে যেন। চোখের সামনে খেলার মাঠ ধূসর... লোকটা হাতড়ে হাতড়ে কিছু খুঁজে পাবার আগেই... মা চেঁচাতে চেঁচাতে এদিকে আসছে বুঝতে পেরে হাত সরিয়ে ফেলে সৎ বাবা। শাওয়ারের শীতল পানিতে মাথা, শরীর ঠান্ডা করে কলেজে গেল সেদিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটা সম্ভবত খুব একটা সাহসী না। একটু আধটু হাতালেও বড় কিছু করতে সাহস হয়না। সেদিন দুপুরে অবশ্য একটু সাহস করেই ফেলেছিল সে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুপুরে খেয়েদেয়ে কি মনে হতে ছাদে উঠল ডেইজি। ছাদের উপর পাতা চৌকিতে একটা তেল চিটচিটে বালিশ মাথার নিচে দিয়ে উদাসী চোখে ছাদের দরজার দিকে তাকিয়ে ছিল মুকুল। ক্যাঁচক্যাঁচ করে দরজা খুলে যেতে মুখে মেকি হাসি ফুটিয়ে তুলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরে, ডেইজি, আম্মু, আস, আস। বস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাত দিয়ে নিজের পাশের জায়গাটা নির্দেশ করল সৎ বাবা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টানটান হয়ে থাকা ট্রাউজারটা হাত দিয়ে মোলায়েমভাবে ঘষতে ঘষতে হঠাৎ কি যেন মনে হয় মুকুলের,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু, তোমারে মালিশ করে দেই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আদুরে গলায় কথাটা বলতে বাবার দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করে সে। হাত, পা, মাথা, চুল.. লুঙ্গির ভেতরে ছাড়া সবই রোদে তামাটে বর্ণ ধারণ করে চকচক করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, আমি গোসল করে ফেলছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আররে, গসল করেই তো তেল দিতে হয়। পিওর মাস্টার্ড অয়েল। বডি স্ট্রং হবে। দেখনা, আমি কি ফিট!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, আমার লাগবনা..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারা গায়ে চিটচিটে সর্ষের তেল মাখার আইডিয়াটা খুব একটা পছন্দের নয় ডেইজির। কিন্তু একমাত্র সম্ভাব্য পুরুষের হাতের ছোঁয়ার লোভে রাজি হয়ে যায়। ট্রাউজার আর টি-শার্ট খুলে উলঙ্গ করতে মুকুলের কয়েক মুহূর্ত লাগে। লজ্জ্বায় লাল হয়ে যায় ডেইজি। আশেপাশের উঁচু ছাদগুলো থেকে তাদের দোতলার ছাদ স্পষ্ট দেখা যায়। বুঝতে পেরে অভয় দেয় মুকুল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পোলাপান লেংটা থাকে, অসুবিধা নাই। এখন দুপুর বেলা। কেউ ছাদে উঠেনা। আর তুমিতো আমার মেয়ে, নাকি? বাপের কাছে কন্যার শরম নাই কোন! ঠিক বলছিনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোনরকমে বলে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাংসল উরু, অগণিত ভাঁজ পড়া তলপেট আর বড়সড় থলথলে স্তন দেখে বাবার চোখেমুখে কোন হতাশা বা ঘৃণার চিহ্ন ফুটে উঠলনা। তার নিজের কাছেই নিজের দেহটা আকর্ষণীয় মনে হয়নি কখনো। অথচ লোকটা দিব্যি হাসিমুখে দুহাতের চেটোয় তেল মেখে দেহের সংবেদশীল বাঁকগুলোর রন্ধ্রে রন্ধ্রে উষ্ণতার পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে। উপুড় হয়ে শুয়ে আছে ডেইজি। পিঠের উপর সুদক্ষ আঙুলে আবেশী এক পরিবেশ তৈরি করছে বাবা। ঘাড়ের সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে যাচ্ছে। তেল থেকে সুন্দর একটা গন্ধও আসছে। মাথা্য ঝিম ধরে গেল পাছার ফুটোয় ঠান্ডা স্পর্শে। পিচ্ছিল শীতল আঙুলের অগ্রভাগ ধীরে ধীরে খোঁচা দিচ্ছে অনাবশ্যক এক খাঁজে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবেশে চোখ বন্ধ করে ফেলল ডেইজি। এমনকি উল্টো করে শুইয়ে যখন উঁচুনিচু চামড়ার ভাঁজে ভাঁজে, বিশাল স্তনের এদিক সেদিক মোহনীয় আঙুলের কাজ করে যাচ্ছে মুকুল, তখনো অন্য জগতে পড়ে আছে ডেইজি। মগজে বয়ে চলেছে হাজার আলোর বন্যা.... অনুভব করল হাত দুটো এবারে পা দুপাশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। পিচ্ছিল আঙুলটা যখন চটচটে খাঁজে নড়াচড়া শুরু করল, মুখ চেপে রাখলেও নাক দিয়ে দ্রুত গতির নিঃশ্বাস নেওয়ার শব্দ মুকুল স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে। এক আঙুলের পর যখন দুই আঙুল ঢুকল, &quot;ইশ.. শব্দটা মেয়ের ঠোঁট গোল করে বেরিয়ে এল। জ্বলুনিটা খুব একটা বেশি নয় বোধহয়। এখনো চোখ বন্ধ ডেইজির। পাছাটা একটু উঁচু করে দিয়েছে। চারপাশটা শেষ বারের মত ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে নিতে গিয়ে গলা শুকিয়ে গেল মুকুল মিয়ার। দু-বাড়ি পরের চারতলার ছাদে এক মহিলা! ভেজা কাপড় শুকাতে দিচ্ছে। এদিকে চোখ পড়ে গেলেই কেলেঙ্কারি কান্ড... ধ্যাৎ! এই মহিলা কে না কে, কে জানে! একে তো আগে দেখেওনি। তাছাড়া এখন মেয়েটাকে এলার্ট করে সুযোগটা মাটি করার কোন মানেই হয়না। ভদ্রমহিলা হলে দিন দুপুরে নেংটা পুরুষমানুষের দিকে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকবেনা, ঘরে ঢুকবে দৌড় দিয়ে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজের নিঃশ্বাসের শব্দে লুঙ্গি খুলে পড়ার শব্দটা টের পেলনা ডেইজি। এবারে মনে হল যেন তিন আঙুলে চাপ আসছে.. কিন্তু, কিন্তু.. আঙুলে নখ নেই নাকি?... এত নরম, উষ্ণ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হোওঁয়াক!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শব্দটা মুখ চিরে বেরোবার আগেই তেলমাখা পিচ্ছিল একটা হাত ডেইজির মুখ চেপে ধরল। ঘটনার তীব্রতায় ভারী শরীরটা আপনা থেকেই কাঠের চৌকিতে ধ্যাপ! শব্দে আছাড় খেল। চোখদুটো বিস্ফারিত হয়ে একবার ঠোঁটে ঠোঁট চেপে মাংসপেশি টানটান করে রাখা সৎ বাবার দিকে তাকিয়ে পর মুহূর্তে ব্যাথার উৎসের দিকে তাকাল। বাবাও সেদিকে তাকিয়ে আছে। পেটের ভাঁজগুলো বেসামালভাবে উঠছে-নামছে, লোমকূপ খাড়া হয়ে পাথরের মত শক্ত হয়ে থাকা স্তনের মতই লালচে পশ্চাৎদেশের ফুটো অক্টপাসের মুখের মত ভেতর-বাহির করছে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/2912126894338044489/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-63.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2912126894338044489'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2912126894338044489'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-63.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 63'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-7688970915166436901</id><published>2025-07-13T19:20:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:20:42.851+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 62</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - কেমনে রে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অশ্লীলতার আঁচ পেয়ে দুজনেই দুপাশ থেকে ডেইজির গা ঘেঁষে শোয়। ভারী খাট ক্যাঁচক্যাঁচ করে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- খাড়া কইরা, হেরপরে হাত দিয়া উপরে নিচে দিতে থাহে, দিতে দিতে কতুক্ষণ পরে আডা আডা বাইর অয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কষ বাইর অয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিসফিস করে বলে শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, আইষ্টা আইষ্টা। সাদা। যেডি দিয়া বাচ্চা অয়। নাকি এইডাও যানসনা?!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খোঁচা মেরে শেফালির বাহুতে ঘুসি মারে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুরু মাগী! হুনছিতো। কিন্তু অইডাতো ছেড়ি মাইনষেরটার মইদ্দে ভইরা করন লাগে। হাত দিয়া অয় কেমনে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে বিরাট বিরক্ত হয় ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- জানিনা, তুইতো দেহা যায় এক্কেরে বেক্কল রে! বিয়ার পরে জামাই তরে ধরবার আইলে তো বাসর ঘর ভাইঙ্গা পলাইবি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো সবাই হো হো করে হাসতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, ডেজি, স্যারেরটা কেমন রে? বড় হইলে কি কি পার্থক্য? মনে কর, আমার ছোট ভাইয়ের কি নাই যা সারের আছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পার্থক্য আর কি, যেমন, সবকিছু বড় অয়, করনের সময় নুনু শক্ত অয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম বারের মত পুরুষাঙ্গের নামবাচক বিশেষ্যের ব্যাবহারে সবাই ফিক করে হেসে ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আর?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আর, ঐযে, করা শেষ অইলে যেইডা বাইর অয়, যেইডা দিয়া ওয়া ওয়া অয়... বিছি দুইডা ইয়া বড় বড় অয়, বলের মতন, এইযে তুমার দুদ যেমুন অইছে.. হেহেহে হে হে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হঠাৎ করেই কাত হয়ে ঝুঁকে থাকা রুম্পার ডান স্তনে বিশাল হাতের থাবা বসিয়ে মুচড়ে দেয় ডেইজি। জর্জেটের ওড়নাটা গলার উপর পেঁচিয়ে রাখায় হাত পিছলে যায় তার। রুম্পার গলা দিয়ে &quot;আওচচ..&quot; ধ্বনি বেরিয়ে আসে। নীলাভ ডিম লাইটের আলোয় দৃশ্যটি দেখে হো হো করে হেসে ফেলে শেফালি আর ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আকস্মিক আক্রমণে কিছুক্ষণ চুপ থাকে রুম্পা। শক্ত হাতের চাপে একটু ব্যাথার অনুভূতি হচ্ছে। আচ্ছামত মেয়েটাকে বকে দিতে মুখ খুলতে যাবে, এমন সময় হাসি থামিয়ে ডেইজি জিজ্ঞেস করে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপু, তুমি ব্রা পিন্দ নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুখ দিয়ে আর কথা বেরোয় না রুম্পার। আমতা আমতা করে বলে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরে, তোর বাসায় আসছি, এগুলা পইরা আসা লাগবে নাকি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে তো তুমি নিচ্চেও কিচ্ছু পরনাই!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই এক ঝটকায় হাত বাড়িয়ে সালোয়ারের উপর দিয়েই শক্ত ত্রিকোণাকার জায়গাটা চেপে ধরে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছ্যাহ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজির হাসি উপেক্ষা করে মুখ বেঁকিয়ে আওয়াজ করে শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পা এবারে কিছু বলেনা। নিজ থেকেই ধীরে ধীরে হাত সরিয়ে নেয় ডেইজি। খসখসে কাপড়ের সাথে গুপ্তাঙ্গের ঘর্ষণে মাথাটা ছ্যাৎ করে ওঠে রুম্পার। শুকনো গলাটা শুধু খড়খড় করে তার। কিছুই বলেনা। ডেইজি হাত সরিয়ে নিতেই কুঁচকে যাওয়া সালোয়ারটা টেনে সোজা করে রুম্পা। পুরো ব্যাপারটা দেখে শেফালির গা রি রি করে ওঠে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই একটা আস্তা খবিস রে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ক্যান! হা আহাহা হেহে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুমি পোলা মানুষের সব জানো, সারের শরম দেখ, আবার বড় আপুর কই কই হাত দেও, আস্তা খাইষ্টা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুর মাগী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, সত্যি কইরা একটা কথা কবি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কসম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালি সিরিয়াস, বুঝতে পেরে হাসি থামায় ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি জিগাবি, কসনা ক্যান?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই কারো লগে করছস, ঠিকনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হেইত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমারো মনে হয়, কার সাথে করছিস রে? তুই অনেক কিছু জানিস!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে রুম্পাও সন্দেহ করছে দেখে একটু হতাশ হয় ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না আপু, সত্যি, আমি কোন সময় এগুলা করিনাই। কসম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাহইলে এত কিছু জান কেমনে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এম্নি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সত্যি বল, আমরা আমরা, আর কেউ জানবনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কসম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সন্দেহের সুরে বলে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কসম!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালি আর রুম্পা অতি উৎসাহে একত্রে চেঁচিয়ে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি শুধু একজনেরটাই দেখছি..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কারটা রে? সার বাদ, আর কারটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বিশ্বাস করবিনা তোরা। থাউক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুৎ! আমরা অবিশ্বাস করুম? এইডা একটা কথা কইলি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আব্বারটা দেখছি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছ্যাহ, মাগী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গা ঘিনঘিন করে ওঠে শেফালির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরে, আমার আব্বা না, নতুন আব্বা। মুকুল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়াল্লা! কি কি করছস তরা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গলাটা একটা নিচু হয় শেফালির, তবুও গা রি রি করতে থাকে তার। সৎ বাপ হলেও তো বাপ, নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেখ, তোরা এমন করলে কইতাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিধাগ্রস্থ গলায় বলে রুম্পা। তার হার্টবীট বাড়ছে। নিষিদ্ধ যৌনতার গল্প শোনার জন্যে পেটে কেমন যেন মোচড় দিচ্ছে। মুখে ডেইজির কৃতকর্মের জন্যে দুয়ো দিলেও মনে মনে যে উত্তেজনা অনুভর কররছে সেটা কাউকে বুঝতে দিতে চায়না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেখ, তোরা তো জানসই, মুকুল আব্বায় কিরকম ছ্যাচ্ছড়। আরো কয়েক বছর আগে, তহন আম্মার নতুন বিয়া অইছে, আমরা এই বাড়িতে উঠছি। দুপুরে ইকলেজ থাইকা আইসা আমি ভাত খাইয়া ছাদে গেছি, আম্মায় গেছে অপিসে.........</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/7688970915166436901/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-62.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7688970915166436901'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7688970915166436901'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-62.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 62'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-8297198308436762969</id><published>2025-07-13T19:20:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:20:25.660+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 61</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - ছিনাল মাগী কসনা স্যারের হেইডা কেমন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুখ টিপে হাসতে থাকা ডেইজিকে তাগাদা দেয় শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কেমন হয় জানসনা রে, পোলা মানুষ দেখস নাই লেংটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাহ! তুই কইত্তে দেখলি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক প্রতিক্রিয়া শিউলির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, তুমি দেখনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শিউলির কথার জবাব না দিয়ে রুম্পাকে প্রশ্ন করে ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি দেখমু?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচকিত হয়ে জিজ্ঞেস করে সে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পোলাগো ঐডা হে হেহেহে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, কত্ত দেখছি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হেইত, কেমনে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালি লাফিয়ে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ক্যান, আমার ছোট ভাইরে আমি এখনো গোসল করায়ে দেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুরু, পোলাপাইনের কথা কে কইছে! স্যারের মত বড় বেডাগোডা দেখছনি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হতাশ গলা ডেইজির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাহ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খানিকক্ষণ ভেবে ঘাড় নেড়ে বলে রুম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আফসার মিয়ারটা কিরকম রে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কালাহ, কালা কুচকুচা হে হেহ এহেহে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছ্যাহ, সারে দেহি কি সুন্দর মানুষ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সন্দিহান অভিমত শেফালির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওরে ছেমড়ি, বেডাগো ঐডা কালাই অয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই কইত্তে জানস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালির বিশ্বাস হয়না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তোর মাতা জানি। কালকা সাররে কইস আপনের হেডা কালা নাকি সাদা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুইত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সকলেই হো হো করে হেসে ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সারের ঐডা বড় আছে, বেডারা আন্ডারপেন কিল্লিগা পিন্দে আজকা বুজছিগো রুম্পাপু। নাইলে পেন ছিড়া বাইরইয়া যাইব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজির কথার ধরণে না হেসে পারেনা অন্য দুজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, সত্যি কতা কইবা একটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালি প্রশ্ন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিহ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুমি করছ কোনসময় ছেড়াগো লগে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাহ! হাহা।.. ক্যান? তুই করবি নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, তুমি বড় এল্লিগা জিগাইলাম। আচ্ছা, করলে বলে মজা লাগে অন্নেক?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে! না লাগলে কি মাইনষে বিয়া করে রে ছেড়ি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাঝখান থেকে বলে ওঠে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সারের বউ তাইলে মজা করে রে ডেইলি রাইতে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে ডেইজিকে জাপটে ধরে হাসতে থাকে শিউলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মনে হয়না। সারের সাথে ম্যাডামের সম্পর্ক খারাপ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাই নি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু। মহিলা একটা বিরাট খারাপ। আমার তো লাগে সার এই মহিলার সাথে জীবনেও করেনাই! যেই বেয়াদপ মাগী একটা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পা স্যারের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে নিজের জ্ঞান জাহির করতে থাকে, অন্যদুজনে স্যারের অভুক্ত থাকা নিয়ে আফসোস করতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথা বলতে বলতে ডেইজির বাসার সামনে চলে আসে তিনজনে। হঠাৎই ডেইজি প্রস্তাব করে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, শেফা, আয় আজকা আমার বাসায় থাক। কালকা তো কলেজ নাই। বাসায় গিয়া বইলা আয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রস্তাবটা দুজনেরই পছন্দ হয়। সবেমাত্র অশ্লীল কথাগুলো জমে উঠছিল, এমন সময় জ্বলন্ত আগুনে পানি ঢেলে দেয়াটা খুব হতাশাজনক হবে। কিন্তু, একটা ব্যাপারে দুজনেই ইতস্তত করছে। বুঝতে পেরে অভয় দেয় ডেইজি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আব্বায় নোয়াখালী গেছে। আজকা খালি আম্মায় বাসায়। ডরাইছ না, যা যা বাসায় গিয়া কইয়া আয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি একটু ঝগড়াটে আর খুব দুষ্টু, কিন্তু খুব ভাল মেয়ে। সবার সাথেই সহজে মিশতে পারে। তবে, তার সৎ বাবা মুকুল মিয়াকে তার বান্ধবীরা খুব একটা পছন্দ করেনা। বেশ ঠান্ডা প্রকৃতির লোক। মেয়েদের সাথে আলাপ জমাতে চান, তবে খুব একটা সুবিধা করতে পারেন না। তার চরিত্রও খুব একটা সুবিধার না। তবে ওর মা খুব ভাল মানুষ। মেয়ের বান্ধবীরা একরাত থাকবে, এতে রাগ করার কিছুই নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সন্ধ্যার পরপর খেয়েদেয়ে ডেইজির রুমে চলে যায় মেয়েরা। শীত গত হতে চলেছে। তবে রাত এখনো শীতল। ডেইজির বিছানাটা বড়সড়। তবু তিনজনের পক্ষে একটু গাদাগাদিই হচ্ছে। কম্বলের উষ্ণতায় সবার রক্ত চলাচল আবার স্বাভাবি হল, ফাজলামো শুরু করল শেফালিই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, কওতো ডেজির মায়ে এত্ত বড় খাট বানাইছে কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বিয়ার পরে খাটটা জামাইরে দিয়া দিব। দুই ভুটকা-ভুটকি মিল্লা শুইলে পুরা খাট ভইরা যাইব ! হে হেহেহে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি রেগে গিয়ে গালাগাল দিতে থাকলেও কেউই হাসি আটকাতে পারেনা। তারপর আবার কিছুক্ষণ পিনপতন নিরবতা বিরাজ করে ঠান্ডা কামরায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বেডা মাইনষে নাকি এইডি না কইরা থাকতে পারেনা বেশিদিন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেফালির চিকন গলা চিঁচিঁ করে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিহ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পা কথার ধার খুঁজে পায়না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, আফসার সারে, বউয়ের লগে না করলে থাকে কেমনে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাত দিয়া করে বেক্কল!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি জবাব দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাত দিয়া কি করে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ফালায় !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফ্যাঁচ শব্দে হাসি আটকায় ডেইজি।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/8297198308436762969/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-61.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8297198308436762969'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8297198308436762969'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-61.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 61'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-3358609854982896302</id><published>2025-07-13T19:19:00.008+06:00</published><updated>2025-07-13T19:19:44.963+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 60</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - কিরে, আসিস না ক্যান!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- লাগবনা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাজুক গলায় দাঁত দিয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির নখ কামড়াতে কামড়াতে বলে ডেইজি। এবারে মুটকীটাকে পচানোর সুযোগ পেয়ে হাঁক ছাড়ে শেফালী,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- যাসনা ক্যান? রুম্পাপু ওরে ঠেইলা পাঠাও!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পাও এই আদি রসাত্মক পরিস্থিতি বেশ উপভোগ করছে। ডেইজির ভারী দেহে ধাক্কা মারে সে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেইক্ষা আয়, ছেড়ি... হিহি.. হাহাহ..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পার ঠেলা খেয়ে উঠে আসে ডেইজি। কান গরম হয়ে যায় তার। কি দেখে আসতে বলছে স্যার? এখানে দেখাদেখির কিই বা আছে। স্যারকে মিথ্যুক বলে কি রাগিয়ে দিল নাকি সে। ভাবতে ভাবতে চেয়ারে বসা স্যারের সোজাসোজি একেবারেই কাছে এসে দাঁড়ায় ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি করুম এহন..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠোঁট ফুলিয়ে স্যারের চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেখ, আমি হাপ্পেন পরছি নাকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেখা যায়না তো.. হেহেহে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নামাইয়া দেইখা নে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই পায়ের উপর ভর দিয়ে পাছাটা উঁচু করে ধরেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে স্যারের কথার মানে বুঝতে পেরে না না করে ঊঠে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইচ্ছিহ, কি কন, স্যার। লাগবনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- যা বলছি কর..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধমকে ওঠেন হাসতে থাকা নরম গলার প্রিন্সিপাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভয় পেয়ে যায় ছাত্রী। পেটের সাথে চেপে বসা পাজামার ফিতে খুলতে থাকে নিচু হয়ে কাঁপা হাতে। এরপর আস্তে আস্তে দুহাতে পাজামাটা নামিয়ে আনে খানিকটা। আসন্ন দৃশ্যের কথা পাজামার নাড়া খুলতে খুলতে কল্পনা করছিল ডেইজি, কিন্তু এইরকম অভিজ্ঞতা একেবারে অভূতপূর্ব। বাইরে থেকে দিনের আলো আসছে দরজা দিয়ে। মাংসল উরুতে যে পাছা দোলানোর শক্তি এখনো বিদ্যমান, তা কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই বুঝতে পারে কিশোরীর চোখ। নাভীর অনেকটা নীচে বহু কল্পনায় দেখা সেই বস্তটি বাস্তবে দেখা দিচ্ছে। মন্ত্রমুগ্ধের মত সেদিকে তাকিয়ে গলা শুকিয়ে আসে তার। জ্ঞান হবার পর থেকে প্রাপ্তবয়ষ্ক কোন পুরুষকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখেছে বলে মনে পড়েনা। দু&#39;য়েক বছর আগে একদিন এক ঝলক কি যেন চোখে পড়ল, তা ধরার মধ্যে পরেনা। তবুও এতদিন কল্পনায় নগ্ন পুরুষের যত অবয়ব দেখেছে, তার মধ্যে সেই ঝাপসা অবয়বটাই ছিল। বড়সড় শরীর নিয়ে আত্মসংকোচে থাকে বলে ছেলেদের সাথে যেচে পরে কথা বলতে যায়না। ছেলেরাও শুধু সুন্দরী শুটকীগুলোর পেছনেই কুকুরের মত ছোটে। কিন্তু, তাই বলে তো আর নবযৌবনের জোয়ার থেমে থাকেনা! বান্ধবীদের কেউ কেউ ইঁচড়ে পাকা। রসিয়ে রসিয়ে পুরুষ মানুষ নিয়ে যত অভিজ্ঞতা আছে তা প্রচার করে। শুনতে শুনতে শরীর কেমন কেমন করে। কিন্তু কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়নি - ছেলেদের ওটা দেখতে কেমন? পুরুষাঙ্গ নিয়ে ভাল কোন ধারণা তার নেই। আকস্মিক অভিজ্ঞতায় বুকটা ছাৎ করে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, দেখছিস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যারের চোখে আর তাকাতে পারেনা সে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- যা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই পাজামা ঠিক করতে শুরু করেন স্যার। মেয়েরা সবাই চুপচাপ। মটু বান্ধবীর কি অভিজ্ঞতা হল, তা অন্য দুজনে দেখতে পেলনা মোটেও। তবে, কিছুটা তো আন্দাজ করতে পারছেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেদিন পড়ানোটা শেষ হল গম্ভীরভাবে। সবাই বেশ থমথমে। রূম্পা আর শেফালির মনে তখন একটাই প্রশ্ন খচখচ করছে। কি দেখাল স্যার ডেইজীকে? কি হতে পারে তা তো বোঝাই যাচ্ছে। তবু বর্ণনাটা শুনতে মন আকুল হয়ে আছে। আচ্ছা, স্যারই বা আজ এরকম করল কেন? স্যার কি খুব রেগে গেলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, কি দেখলি রে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেজ থেকে বেরিয়ে একসাথে হাঁটতে হাঁটতে উৎসুক কন্ঠে ডেইজিকে প্রশ্ন করে শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি দেখুম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এড়িয়ে যেতে চাইছে এমন সুরে পাল্টা প্রশ্ন করে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মাগী, স্যারে কি দেখাইল হেইটা ক!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুরু, কি দেহাইছে বুঝস নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সত্যি দেখাইছে রে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, মিছা মিছা দেখাইছে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভেঙচি কেটে বলে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, আসলেই কি স্যার নিচে কিছু পরেনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমনিতে কলেজ শেষে রুম্পা সবসময়ই সোজা কোয়ায়ার্টারে নিজেদের রুমে চলে যায়, কিন্তু আজ ডেইজির কাছ থেকে কথা পাড়ার জন্যে ব্যাগটা গলায় আড়াআড়িভাবে ঝুলিয়ে রাস্তার ধার ঘেঁষে বান্ধবীদের সাথে হাঁটছে প্রবল আগ্রহ নিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- জ্বিই না, রুম্পাপু। আমি মনে করছিলাম স্যারে ফাইজলামি করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যারেরটা কিরকম রে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতস্তত করতে করতে প্রশ্নটা করেই ফেলে রুম্পা। ডেইজির ফর্সা ফোলা ফোলা মুখের দিকে তাকায় আগ্রহভরে। এমনিতে সে কলেজ ড্রেস পরে রাস্তায় বের হয়না। পুরানো আঁটোসাটো কামিজে বাড়ন্ত শরীর শেলাই ছিঁড়ে যে বেরিয়ে যেতে চাইছে, তা লুলোপ চোখগুলোর দুই সমকোণে বেঁকে যাওয়া দেখলেই বোঝা যায়। ফুটপাত ঘেঁষে ফটোকপির দোকানের পাশে একটা বিশাল ফার্মেসি। পড়ন্ত বিকেলে কোন রোগী নেই। চুল দাঁড়ি পেকে যাওয়া বুড়োটা লালচে ঠোঁটে পান চিবুতে চিবুতে কাউন্টারের উপর ভর দিয়ে ধীর পায়ে হাসাহাসি করতে করতে হেঁটে যাওয়া মেয়েগুলোর দিকে একদৃষ্টে চেয়ে আছে। সেদিকে রুম্পার চোখ পড়তে লোকটা লাল ঠোঁট ছড়িয়ে হাসির মত ভঙ্গি করে। রুম্পার মনে হয় সার্কাসের বানর ছাড়া পেয়ে ওষুধ বেচা শুরু করেছে। স্কার্ফটা টেনে মাথা ঢেকে ঘাড় নিচু করে জোর পায়ে এগিয়ে চলে সে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/3358609854982896302/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-60.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/3358609854982896302'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/3358609854982896302'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-60.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 60'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-5571588538952278842</id><published>2025-07-13T19:19:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:19:25.529+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 59</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - নাহ, তোরে আজকে দুইটা দেয়াই লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে খাতাটা বাম হাতে চালান করে দিয়ে ডান হাতটা আচমকা যেই শেফালির কোমরের কাছে পায়জামার পেছন দিকটার ইলাস্টিকে টান দিয়ে ধরে চাপড় দিতে গেছেন, &quot;হেইৎ&quot; বলে শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে কোমর সরিয়ে নিল মেয়েটা। কিন্তু সেই সময়ই দুই আঙুলে চাপ দিয়ে পাজামাটা ধরে ফেলেছিলেন আফসার সাহেব। এক পলকে ঘরের দেয়ালে দুহাতে ভর দিয়ে টাল সামলালো শেফালি। কিন্তু পা দুটো যে জায়গায় ছিল সেখানেই রয়ে গেছে। টান খেয়ে স্যারের হাতটা নেমে গেছে শেফালির হাঁটু সমান উচ্চতায়। হাতে তখনো পায়জামার কোমরের কাছটা ধরা। সেদিকে তাকিয়ে বুকটা ধ্বক করে উঠল আফসার সাহেবের। পাজামাটা হ্যাঁচকা টানে হাঁটু অবধি নেমে যাওয়ায় গোলগাল শ্যামলা-সোনালী পাছাটা যেমন উদোম হয়ে তার সামনে লোভ দেখাচ্ছে, মেয়েরাও সামনে বসে নিশ্চয়ই সামনেটা দেখতে পাচ্ছে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবচে জোরে হাসতে শুরু করল ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শালী এহনে হইছে না মজা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বেশি হাসলে কান্দা লাগে হে হেহেহে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জিভে কামড় দিয়ে হেসে ফেলল রূম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটু বেশিই হয়ে গেল মনে হয়। ভয় পেলেন আফসার সাহেব। হাতটা জমে গেল পাজামার ইলাস্টিকে, ছোখদুটো একত্রে লেপ্টে রইল গভীর পাছার খাঁজে। ছাত্রী টাল সামলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হাত ছেড়ে দিলেন। উবু হয়ে পাছা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে পাজামাটা তুলে, কামিজের গিঁট খুলে ভদ্র মেয়ের মত বেঞ্চে গিয়ে বসল। কান্নার কোন লক্ষণ দেখা না গেলেও চকচকে গালটা যে চড় খাওয়ার পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার মত লাল হয়ে আছে, তা বোঝা গেল। বই খুলে গভীর মনোযোগের ভান করতে আবার সব শান্ত হয়ে এল। বয়ষ্ক হার্টের ঢিপ ঢিপ কমতে লাগল আস্তে আস্তে। ডেইজির বিদ্রুপ অবশ্য এখনো বাকীই আছে। বেঞ্চের অন্য মাথা থেকে ঘাড় ঘুরিয়ে শেফালিকে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে ছেড়ী, নিচে কিচ্ছু পরছনা কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পরতামনা, তর কী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাথা নিচু রেখেই জবাব দেয় শেফু।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি হয় দেখলিনা এখন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই রূম্পা ফিক করে হেসে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু বলেনা শেফালি। একটু পর মাথা তুলে জিজ্ঞেস করে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুমি পর, রুম্পাপু?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সিনিয়র হওয়ায় সবাই রুম্পাকে আপু বলে সম্বোধন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু। সবাই পরে। তুই কোনসময় পরিসনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ন্যা। গরম লাগে যেই..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিধগ্রস্থ কন্ঠ শেফালির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমারো তো লাগে গরম, আমিও পিন্দি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গলা চড়িয়ে বলে ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, দেখ শেফু, হাত্তিও পিন্দে। আর তুই পিন্দসনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজিকে এবার খোঁচা দেয় রূম্পা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রুম্পাপু, শয়তান কোনহানকার!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পার পিঠে আলতো করে একটা ঘুষি বসিয়ে দেয় ডেইজি। হো হো করে আবারো হেসে উঠে সবাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পোলারাও পিন্দে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কৌতূহলী হয়ে ওঠে শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে! ওরা আরো বেশি পিন্দে। কোনসময় খাড়ায়া যায় হে হেহহে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি হাসতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সত্যি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুম্পার দিকে জিজ্ঞাসার দৃষ্টিতে তাকায় শেফালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু। দেখগা স্যারেও পিন্দে। স্যার, আপনে পরেন না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতক্ষণ মেয়েলি কুচুরমুচুর কান পেতে শুনছিলেন আফসার সাহেব। রুম্পার মুখে এরকম প্রশ্ন শুনে একটু বিব্রত হলেন। আসলে তিনিও প্রায়ই একটু বাতাস লাগানোর আশায় জাঙ্গিয়াটা বাসায় ফেলে আসেন। আজওতো কলেজে আসার সময় শায়লা মাগীটা খেঁকিয়ে উঠেছিল, তুমি কাপড়-চোপর ঠিকমত পরনা, ইকলেজে যাও নাকি ঢং করতে যাও! মোটেও কেয়ার করেন না তিনি। বেটী ইদানিং তার দিকে সন্দেহের নজরে তাকায়। সবসময় স্বামীকে এত প্রাণবন্ত আর সতেজ দেখে মনে হয় ঈর্ষা হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের জৌলুস হাসিয়ে যাচ্ছে। এখন আর মাঝরাতে মোবাইল বাজলে বারান্দায় যেতে হয়না। শেষমেষ চোখটা স্বামীর দিকেই পড়ছে মনে হয়। তবুও আর ওসবে মাথাব্যাথা নেই স্যারের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, রূম্পা। মানে, আসলে, কয়দিন ধরে গরম খুব পড়ছে তো...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যারের শুকনো মুখ দেখে হি হি করে হেসে ফেলল মেয়েরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মিছা কথা। আপনে শেফালিরে লেংটা কইরা দিছেন দেইখা এখন ওর মন ভালা করতে চাইতাছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কনফিডেন্স ঝরে পড়ে ডেইজির কথায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই দিনের ছেমড়ি দেখি তাকে মিথ্যাবাদি বলে! কিছুটা রাগ হয়, আবার কিছুটা অশ্লীলতাও মাথায় চাপে হঠাৎ করে। খুব ভালই তো জমে উঠছে এদের সাথে। এদের বয়সের যাদের সাথে বিছানায় গেছে, তাদের ধারেকাছেও কেউ নেই। কিন্ত মাথাটা এখটু খাটিয়ে দেখা যাকনা, কতদূর যাওয়া যায়! রেক্সিনের গদিতে মোড়া হাতলওয়ালা রিভলভিং চেয়ারে সামনে এগিয়ে বসে ছিলেন পায়ের উপর পা রেখে। নিজেই নিজের হার্টবীট আরেকবার বাড়িয়ে তুলে সোজা হয়ে বসে পড়লেন। গলা গম্ভীর করে ডেইজির দিকে তাকিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে বেদ্দপ, আমি মিথ্যা কথা বলি নাকি? আয়, আইসা দেইখা যা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে পা দুটো সোজা করে পাঞ্জাবীটা উপর দিকে তুলে ফেললেন। ঘটনার আকস্মিকতায় মেয়েরা অবাক হয়ে গেল। শেফালিও মাথা উঁচু করে স্যারের দিকে তাকিয়ে আছে। ঢোলা ঘিয়ে রঙের পাজামা উরুর দিকটায় টানটান হয়ে আছে। পেশীবহুল পায়ের মাসলগুলো বোঝা যাচ্ছে। তবে মেয়েরা তাকিয়ে আছে স্যারের লোমশ পেটের দিকে। মেদমুক্ত ভাঁজহীন তলপেট শ্বাস প্রশ্বাসের তালে তালে নড়ছে। লোমে ঢাকা কালচে নাভীর দিয়ে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে ওরা।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/5571588538952278842/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-59.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/5571588538952278842'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/5571588538952278842'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-59.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 59'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-2774453171588349130</id><published>2025-07-13T19:19:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:19:10.036+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 58</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; দেহের বাঁকে বাঁকে মাংস লেগেছে, কিন্ত কাপড় তো আর বাড়েনি! বুকের ওপর থেকে স্কার্ফটা সরলেই টানটান হয়ে থাকা স্তনদুটোর দিকে চোরাচোখে তাকান আর অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা করেন। অন্য দুটোর দিকে তাকানোর ইচ্ছে জাগেনা খুব একটা। ডেইজি একটা ফুলের নাম। তা সে ফুল দেখতে কতটা সুন্দর, তা জানা নেই আফসার সাহেবের। কিন্তু ডেইজি নামের মেয়েটি যে কোনভাবেই সুন্দরী নয় তা বলাই যায়। ফর্সা হলেও মুখটা গোলআলুর মত। শরীরে অতিরিক্ত মেদ। ভালর মধ্যে ছাত্রী ভাল, আর খুব হাসাহাসি করতে পারে। শেফালীর চুলগুলো খুব সুন্দর। সে স্কার্ফটা গার্ল গাইডের মেয়েদের মত মাথায় না রেখে গলায় গেঁচিয়ে রাখে। তবে চিকন কালো দেহের উপর দেখার মত উঁচু পাছাটা ছাড়া আর কিছু নেই। চেহারাটা মিষ্টি বটে, তবে দেখলে ভাল লাগবে এমন চেহারা নয়। কিন্তু মেয়েটা ক্লাসে, ঘরে-বাইরে ভেজা বেড়াল হলেও স্যারের কোচিংয়ে খুব দুষ্টুমি করতে পারে। ও না থাকলে চারজনের এই অশ্লিল রসিকতার আসরটা বোধহয় বসত না। এই মেয়েটা সেই রুমানার মত ফ্রী। তবে এতটা নাদান না। ইচ্ছে করলে একে এতদিনে কয়েক ডোজ দিয়ে দেয়া যেত, তবে স্যারের রুচিতে ধরেনা। হঠাৎই সেদিন ভয়েজ পড়ানোর সময় বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, একটা জিনিস হইছে.. হুম্ম..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওই শয়তান্নী, চুপ ছেমড়ী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাঁত খিঁচিয়ে শেফালীকে বাধা দিতে যায় ডেইজি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার কিচ্ছুনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি বলে তাড়াহুড়ো করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, শেফালি, আমার সাথে ফাইযলামি করস? তাড়াতাড়ি বল। একলা তোরা হাসতে্ছিস। আমিও হাসি, বল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, ডেইজির বাসায় তেলের বোতল পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই হো হো করে হেসে দেয় শেফালি। রূম্পা আর শেফালি একে অপরের গায়ে ঢলে পড়ে। আদিরসাত্মক কিছুর গন্ধ পেয়ে মরিয়া হয়ে ওঠেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কামের ছেড়িরা, কথা বলবি, নাকি পাছায় লাগামু দুইটা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ে তিনটির সাথে খুবই ফ্রী হয়ে গেছেন তিনি। নানা আপত্তিকর নামে একে ওকে ডাকাডাকি করেন। মেয়েরাও প্রায়ই আফসার ভাই, বুইড়া জামাই, টাকলা আপছার... এসব নামে ডাকে। বাইরের কেউ শুনলে চোয়াল থুতনিতে পড়ে যাবে। কিন্তু তারা হয়ে গেছেন বন্ধুর মত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দ্যান দুইট্টা শেফির হোগা পাছায়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজির থলথলে দেহ কেঁপে উঠে হাসির দমকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজকাল আবার বহু বছর আগের মত পড়া না পারলে পাছায় থাপড়ানো শুরু করেছেন। এখন অবশ্য আলতো করে কামিজের উপর দিয়েই মারেন। আগের মত ভেতরে হাত ঢুকিয়ে সালোয়ারের উপর দিয়ে টপাটেপি করার দুঃসাহস দেখান না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হইছে কি আগে বল!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি হইব, কিছু না। আমি আজকা বাসায় শোকেজের মধ্যে দেখি একটা প্লাস্টিকের বোতল। বাইরে বাইর কইরা দেখি তেল তেল। কভার পইড়া বুঝলাম দুদ বড় করার লাগি মাখায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চারজন একত্রে খ্যাক খ্যাক করে হেসে উঠল একত্রে। হাসি নিয়ন্ত্রণ করতে করতে স্যার বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কে মাখেরে ঐটা? তোর বড় আপু নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুর মিয়া, আপুর বিয়া হইছে কবে। বাসায় থাকে নি এহনো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো একদফা হাসাহাসি চলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাইলে তোর আম্মায় মাখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ঐ মিয়া কি কন, আম্মায় কি করব এডি দিয়া!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জিভে কামড় দিয়ে প্রতিবাদ করে ডেইজি। যদিও সবার মুখেই হাসি লেগে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাঝখানে ফোঁড়ন কাটে শেফালি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তো কে মাখাইব রে? নাকি তুই নিজেই লাগাস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই কি এগুলা মাখায়া বানাইছস নি পাহাড় দুইটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হো হো করে হেসে দিল সবাই স্যারের কথা শুনে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দুই ধলা পাহাড়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অল্প কথায় রূম্পাও যোগ দেয় রসিকতায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শয়তান্নীরা, চুপ কর এহন। বেশি করিস না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডেইজি বইয়ে মনযোগ দেয়ার চেষ্টা করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবাই বেশ গম্ভীর হয়ে বাংলা গদ্য অংশ দেখছে, হঠাৎ করেই শেফালি আর রুম্পা মুখ টিপে হাসতে হাসতে খাতায় কি যেন দেখছে। একই সাথে কৌতূহল আর বিরক্তি দুটোই হল আফসার সাহেবের,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, তোরা দুইটায় কি পড়বিনা আজকা? খাতায় কিরে? খাতা এইটা কার, শেফালি, খাতা নিয়া এইদিক আয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধরা পরে গিয়ে ভুশ করে হাসি বেরিয়ে পড়ল শেফালির মুখ থেকে। বেঞ্চ থেকে হাসতে হাসতে খাতাটা হাতে নিয়ে চেয়ারে বসা স্যারের কাছে নিয়ে এল। নেভী ব্লু হাঁটু সমান কামিজটা পুরানো দিনের ফিল্মস্টারদের মত কোমরে দুপাশ থেকে গিট্টু দিয়ে রেখেছে। পাজামার সামনের দিকের ঢোলা কুঁচিগুলো দেখা যাচ্ছে, দেহের তুলনায় রসালো উরু সাদা সালোয়ারে বেশ ফুটে উঠেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, পড়তে আইসা মডেলিং শুরু করছিস নাকি ... হাহা.. হাহহাহহ..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুহ, মডেল হমু আমি.. হিহি..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খাতাটা হাতে নিয়েই আবারো হো হো করে হেসে দিলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, শেফু, আর্টিস্ট হবি নাকি? কিন্তু এইসব আঁকলে তো মাইনষে জুতাইব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হোমওয়ার্কের হোয়াইটপ্রিন্টের পাতায় একটা বোতলের ছবি আঁকা বলপেন দিয়ে। পাশে দুটো গোল গোল বলের মত। তীর চিহ্ন এঁকে লিখে রাখা - ডেইজির দুধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, আমি ছবি আঁকুম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাথা ঝাঁকায় শেফু।।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/2774453171588349130/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-58.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2774453171588349130'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/2774453171588349130'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-58.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 58'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-7988006299512860000</id><published>2025-07-13T19:18:00.008+06:00</published><updated>2025-07-13T19:18:55.726+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 57</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; কলেজের কাছেই মোড়ে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ড্রাইভার.. ফোন করছে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনির সাথে পড়ালেখা বিষয়ক আলাপ করতে করতে গেটের কাছে পৌঁছালেন। ফ্লাডলাইটের আলোয় সেই নীল ঢলঢলে পাজামায় শিরিনকে দেখে একবার পাছাটা আচ্ছামত টিপে দিলেন। পেছন ফিরে প্রথমে অবাক হলেন শিরিন ম্যাম। তারপর হো হো করে হাসতে হাসতে বেরিয়ে গেলেন মেয়ের হাত ধরে। অনি একবার পেছন ফিরে দাঁত বের করে হাসি দিয়ে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বাই, স্যার। গুড নাইট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ। গুড বাই। সী ইউ এগেইন...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়েটাকে আরেকদিন পেলে ভাল হত, কিন্ত শুধু সুধু মায়া বাড়িয়ে লাভ নেই, তার চেয়ে বরং পিচ্চি আবালটার টিসি ঠেকানোয় মনোযোগ দেয়া যাক কাল থেকে......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*************************&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেজের সেকেন্ড ব্যাচটা নিয়ে আবারো ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রিন্সিপাল সাহেব। আগেরবারের চাইতে এবারে স্টুডেন্ট কিছুটা বেশি। নিম্নমাধ্যমিক পাশ করে কয়েকশ ছেলে-মেয়ে। কিন্তু কলেজের বেলায় সব সিটির দিকে ছোটে। নতুন কলেজ হিসেবে গত বছর ভালই রেজাল্ট এসেছে। এবারেও হাবিজাবি বুঝিয়ে বিশেষ করে দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ধরে-বেঁধে রেখে দিয়েছেন। গাধা থেকে জ্ঞানী বানানোর প্রকল্পে টিচারদের মত আফসার সাহেব নিজেও প্রচুর খাটছেন। এক্সাম সামনে চলে আসায় ঝটিকা রাউন্ডে বেরিয়ে পড়েন। হঠাৎ করে কোন এক ক্লাসরুমে ঢুকে পড়েন। টিচার কেমন বোঝাচ্ছে তা খেয়াল করেন। নিজে ইংরেজির ক্লাস নেন আর্টসের। এরা একটু বেশিই দুর্বল। দুয়েকজন ব্রিলিয়ান্ট আছে, ওদের ওপরে ভর করে যদি পার পেয়ে যায়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসবের মাঝে অবৈধ এডভ্যাঞ্চারের খোঁজখবর খুব একটা রাখা হয়নি। আর্টসের ক্লাসটাও নিয়েছিলেন সুযোগ করে - যদি লাস্ট ইয়ারের রুমানার মত দু একটা বের করে আনা যায়... তাহলে এই স্ট্রেসের সময়টাতে একটু মজা করা যাবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ক্লাসে ঢুকে পড়াতে পড়াতেই সময় শেষ। কারোদিকে মনযোগ দিয়ে তাকানোরও সময় নেই। এবারেও মেয়ের সংখ্যা বেশি। বাপ-মাকে ভুংভাং বুঝিয়ে মেয়েদের রেখে দেয়াটা তুলনামূলক সহজ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;মেয়েকে এত দূরে দিবেন, বাসা থেকে আসতে যাইতেই তো টাইম শেষ! পড়বে কখন? মেয়ে তো খারাপ হয়ে যাইব শহরের পোলাপানের সাথে মিইশা। &quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এত মেয়ে নিয়েও কিছু করতে পারছেন না দেখে হা হুতাশ করারো সময় নেই। এর উপর আরেক ঝামেলা এসে জুটল। কমিটি থেকে সিদ্ধান্ত হল, এবারে সব টীচারকে কয়েকজন করে স্টুডেন্ট দেয়া হবে, তাদের সার্বিক পড়ালেখার অগ্রগতি নিয়মিত চেক করার জন্য। সব টীচারের কাছেই আট-দশজন করে পড়ল। পদ্ধতিটা ভালই। টেস্টের পরের সময়টাতেই বেশি জোর দেয়া উচিত। এখন আর ইচ্ছে করেও কেউ ফাঁকি দিতে পারবেনা। যথারীতি প্রিন্সিপালের ভাগ্যেও কয়েকজন পড়ল। তবে কমিটি তাকে এই দায়িত্ব দিয়ে সময় নষ্ট করতে চাইলনা স্টুডেন্ট লিস্ট হয়ে যাবার ক&#39;দিন পর। ইতোমধ্যে দশজনের ব্যাচটাকে পড়ানোও শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে কিছু স্টুডেন্ট অবশ্য আবদার করল আফসার স্যারের কাছেই পড়বে। শেষমেষ স্যার নিজে তিনজকে রেখে দিলেন। এই তিনজনেরই ফার্স্ট ক্লাসের সম্ভাবনা বেশী। ঘটনাক্রমে তিনজনই মেয়ে। আর্টসের ডেইজি, সায়েন্সের শেফালী আর - রূম্পা। হুম, গুলবাহার মালীর মেয়ে। গতবছর রুমানাদের সাথে মাধ্যমিক দিয়ে পাশও করেছে। অল্পের জন্যে ফার্স্টক্লাস মিস করায় সবাই শকড হয়েছিল। শেষে রুম্পার বাবাকে আফসার সাহেব নিজেই বলেছিলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কাকা, ওরে এইবার ইম্প্রুভ দেওয়ান। শিওর ভাল করবে। এইবার ভার্সিটি কোচিং করুক। এইচ.এস.সির জন্যে বাসায় পড়ুক, আর আমি তো আছিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে লজ্জ্বা লাগে রুম্পার। তবে টেস্টের পর স্যারের চাপে সপ্তাহে তিনদিন ক্লাস করে সে। ঐ তিনদিনই তিন ছাত্রীকে নিয়ে পড়তে বসেন সচেতন প্রিন্সিপাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাপারটার ফ্রয়েডীয় ব্যাখ্যা আছে কিনা কে জানে, তবে সব স্টুডেন্টেরই বিপরীত লিঙ্গের টিচারদের প্রতি দুর্বলতা থাকে। সেটা ছেলে হোক আর মেয়ে। সবচাইতে হট ম্যাডাম থেকে শুরু করে আনস্মার্ট, অপেক্ষাকৃত অসুন্দর ম্যাডামদের প্রতিও ছাত্রদের আকর্ষণ কাজ করে। মোটা চশমা পরা, গম্ভীর, কদাকার ম্যাডামটিরও অনেক আকাঙ্খী আছে। হয়তো সিল্কি চুলের কিউট চেহারার তরুণী আপাটির মত সবাই তার দিকে অন্য দৃষ্টিতে তাকায় না, তবু তাকে নিয়ে কল্পনায় বাসর-হানিমুন করে ফেলে অনেকে। ব্যাপারটা সমানভাবে মেয়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। ইয়াং, হ্যান্ডসাম টীচারটির প্রতি যেমনি অনেক মেয়ে বিমান এয়ারলাইন্সের মত বেপরোয়া ক্রাশ খায়, ভুড়িওয়ালা খিটিখিটে গলার পানখোর টীচারটিকেও কেউ না কেউ মনে মনে কামনা করে। ক্লাসে মেয়েরা যেভাবে তার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে, এই বয়সেও সুযোগ নেয়ার আত্মবিশ্বাসটা ওখান থেকেই আসে আফসার সাহেবের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব টীচারেরা সপ্তাহে তিনদিন ক্লাস শুরুর আগে তাদের এক্সট্রা ক্লাস নিয়ে নেয়। কিন্ত সকালে ব্যস্ত থাকায় আফসার সাহেব তার তিন সম্ভাবনাময়ী ছাত্রীকে পড়ান কলেজ ছুটির পর - রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহস্পতিবার কলেজ ছুটি হয়ে যাবার পর অনেক সময় থাকে। বেশি সময় নিয়ে সেদিন মেয়েদের পড়াতে পারেন। কলেজ বিল্ডিংযের নিচতলায় ছোট্ট একটা রুমে কার্যক্রম চলে। তিন চারটি বেঞ্চ আর একটি চেয়ার। বৃহস্পতিবার পড়াশোনা যেমন বেশি হয় দুষ্টুমিও চলে বেশি বেশি। ছেলেমেয়েদের পছন্দের টিচার হতে পারার অন্যতম রহস্য হল তাদের সাথে প্রচুর মজা করা। তিন ছাত্রীও হল তার অন্ধ ভক্তদের মধ্যে অন্যতম। প্রায়ই চারজনে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে। প্রথম প্রথম জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে লজ্জ্বা পেত রূম্পা। তবে দুই মজার বান্ধবী পেয়ে এখন নিয়মিত ক্লাস করছে। তারপরো অন্যদের চাইতে একটু গম্ভীর হয়ে থাকারই চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে ওর দিকে তাকান আফসার সাহেব। গায়ে গতরে বেড়ে উঠেছে এই কয়মাসে। আগে তো নিয়মিত গোসল করা দেখতেন। এখন স্টাফদের জন্য বাথরুমের ব্যবস্থা হয়ে যাওয়ায় কিছুই দেখা যায়না। গত বছরের ড্রেস পড়েই কলেজে আসা যাওয়া করে। </content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/7988006299512860000/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-57.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7988006299512860000'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7988006299512860000'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-57.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 57'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-9100260868790914572</id><published>2025-07-13T19:18:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:18:38.755+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 56</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; মহিলা পকাচ করে ধোনটা খুলে উঠে পড়ল বেঞ্চ থেকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আফসার সাহেব পাছাটা ধরে জায়গামত ধোন সেট করতে যাচ্ছেন, ডাক দিল শিরিন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভাই...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জবাব না দিয়ে একটানে কন্ডমটা খুলে নিল মহিলা। কিছু বুঝতে না পেরে প্রশ্ন করতে গেলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহ, আপনি না বললেন...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, তা ঠিক আছে। কিন্ত এইটা দিয়ে আমি করলাম এতক্ষণ। তার চেয়ে খালিই করেন। কালকে ডক্টর আঙ্কেলের কাছে নিয়ে যাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহাচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যারের মুন্ডিতে খানিকটা ঠান্ডা ক্রীম মেখে দিল শিরিন। কয়েকটা ছোটখাট চিৎকার দিলেও এবারে পুশ-পুলটা ঠিকমত করায় অনেকটাই ভেতরে ঢুকে গেল। তাছাড়া এতক্ষণের ব্যস্ততায় ক্লান্ত মাঝবয়েসি পুরুষাঙ্গ পুরোটা প্রস্হে ফুটে ওঠতে পারছেনা। বেশ খানিকটা ভেতরে যেতেই নরম শতশত মাংশপেশি জাপটে ধরল যেন। ঠান্ডা ক্রীমের আমেজ নষ্ট করে দিল চুল্লীর তাপমাত্রা। এতটা চাপ তিনি কখনো অনুভব করেননি। ক্রীমটা ভেতরে ছড়িয়ে যেতেই গতি বাড়িয়ে দিলেন। তবুও খুব ধীরেই করতে হচ্ছে যদিও। সামনে-পেছনের প্রান্তে পৌছাতে রি রি রি করে উঠছে অনি। সেই সাথে কোমরটা এদিক ওদিক দোলাচ্ছে যেন ছাড়িয়ে নিতে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মুউউ... ইহহহ.... উহাহহহহ..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ব্যাথা পাস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে জানতে চয় শিরিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একটু জ্বলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরাম লাগে একটু?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- লাগে.. এহ.. একটু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম্মু..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পুসিতে চুলকাইতেছে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাত দিয়ে দেখলেন মেয়ের ভোদা আবারো ভিজে উঠেছে। যাক, একেবারে খারাপ না তাহলে ফার্স্ট এনাল এক্সপেরিয়েন্স। ভেবে স্বস্তি পেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দাঁড়া। দেখি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে ক্লিটটা নিয়ে নাড়াচাড়া করে দিতে লাগলেন আস্তে আস্তে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহুহহহ... স্যার... একটু জোরে... আম্মুউ... ভিতরেও দেওনা... ইহাহহহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, কিরকম হল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এইত্তো আরেকটু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘেমে দুর্বল হয়ে পড়ছেন আফসার সাহেব। নিজের পাছার ফুটোই কাঁপছে তার। কনরকমে জবাব দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাহলে পুসিতে দেনতো ইকটু। ও আবার ওয়েট হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কির অনি, পুসিতে দিতে বল স্যারকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার.. আহফ... শিহ্যাহহহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বলহ... মামনি বল.. উফ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একটু সোনাতে দেন.. প্লীজ।।. অফস... আহহহ..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, মামনি। দাঁড়াও, নুনুটা বের করে নিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাছার উষ্ণতা ছেড়ে বেরোতেই ঠান্ডা লাগতে শুরু করল। ডগি পজিশন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল অনি স্যারের দিকে মুখ করে। স্যারের বাড়িয়ে দেয়া হাতের দিকে পাছা এগিয়ে দিয়ে কোলে উঠে পড়ল। এই বয়সে এত ওজন নিয়ে চোদা সম্ভব না। এক দৌড়ে দেয়ালের সাথে অনির পিঠ চেপে দাঁড়ালেন। নোংরা ধোনটাই ঢুকিয়ে পাগলের মত ঠাপাতে লাগলেন। দুজনের মখ থেকেই জোর শিৎকার বেরিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনিগো, আম্মুনিগো, সোনাটা নাড়াও ... ওহ... একটা কিস দাও ঠোঁটে... ওহ... পাছাটা একটু ঝাঁকাও.. ইহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইহ... স্যার... ইহাহহহ... হুপাহহহ.. ইক্কক্ক... জোরে.. জোরেহ.. ইশ... জ্বলে.... ইহ, আম্মু, জ্বলতেছেহ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুক্ষণ অন্ডকোষের থাপ লেগে আনিকার পাছায় টাশ.. টাশ... শব্দ হল.. তারপর অনির কোমরটা একটু ওপরে তুলতে দেয়ালের সাথে বাড়ি খেতে লাগল। ককিয়ে উঠলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওম্মাগোহ... শিরি.. ম্যাম...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি, বলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একটু বলসগুলা...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেদিকে তাকিয়ে ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ঝুলে থাকা চামড়াটা ধরে রাখলেন ম্যাডাম শিরি। হালকা হালকা চাপ দিচ্ছেন, আর হাপরের মত চলতে থাকা ধোনের গোড়ায় ভিজে চটচটে হয়ে যাওয়া লম্বা লম্বা বালগুলো আলতো করে টেনে দিতে লাগলেন। এবারে আর কিছুতেই আটকে রইলনা বীর্যধারা। মাথায় চিলিক দিয়ে উঠতেই গায়ের পুরো শক্তি দিয়ে ধাক্কা দিলেন। ওম্মাগো.. ওক... ওফ... চিৎকার করে উঠল অনি। কয়েকবার ঠাপ মারাতে মনে হল ব্যারেল খালি হয়ে এসেছে। নিচে লক্ষ্য করে দেখলেন, শেষমেষ একেবারে পুরোটাই গেঁথে আছে ভেতরে। অনির অর্গাজম হল কিনা বোঝা গেলনা, তবে গরম তরলের স্পর্শ পাবার পর স্যারের গলা জড়িয়ে ধরে নেতিয়ে পড়ল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয়বার কষ ছাড়ার পর ঘন্টা দুয়েক পেরিয়েছে। এবারে ভালই নিঃসরণ হয়েছে। অনি সোজা হয়ে দাঁড়াতে গলগল করে ঘন বীর্য গড়িয়ে পড়তে শুরু করল। নিচতলা পর্যন্ত নামতে নামতে তা হাঁটুর নিচ পর্যন্ত নেমে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নতুন কলেজ বিল্ডিংয়ের টীচার্স রুমে শাওয়ার আছে। তিনজন একসাথে সাফ সুতরো হয়ে বের হলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবাই নিজ নিজ কাপড় পরতে পরতে অনির সেই চিরচেনা নাকি আবদার আবার শুনতে পেল শিরিন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু, লেগিংস পরায় সেও.. উম্মম..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা বিরক্তি নিয়ে কিছু বলার আগেই আফসার সাহেব এগিয়ে গেলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি পড়ায়ে দিব, মামনি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্লান্ত হেসে বলে আনিকা। লেফট-রাইট করে করে পাজামাটা পরিয়ে দিতে দিতে ভোদার চেরাটার উপর চুক করে একটা চুমু খেলেন। ফর্সা ত্রিভুজের মাঝে লাল টকটকে হয়ে থাকা বদ্ধ চেরাটায় যেন চুমুর স্পর্শেও ব্যাথা গেল অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উহ..</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/9100260868790914572/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-56.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/9100260868790914572'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/9100260868790914572'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-56.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 56'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-1262716495938526839</id><published>2025-07-13T19:18:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:18:21.647+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 55</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - থাক, কাল কাকার ওখানে যাওয়া যাবে। সমস্যা নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাবনাটা বিদেয় করে দিয়ে আবার ঘড়ি দেখলেন। মেয়েকে তাগাদা দিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাড়াতাড়ি ওঠ। ডগি হয়ে বোস। আমি ড্রাইভারকে ফোন দিচ্ছি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হ্যাঁ, লতিফ, তুমি বাসায় আছ তো? আচ্ছা, বারোটার সময় কলেজ রোডের মোড়ে গাড়ি নিয়ে আসবা। হ্যাঁ, হাফ ঘন্টা পরে। না না, কলেজ গেটে না। আমি ঐ রোডে অনির বান্ধবীর বাসায় আসছি। হু, আমি আর অনি ম্যাডাম। আচ্ছা, যদি ঘুমায়ে না পড়ে, তুমনকে নিয়া আইসো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফোন কেটে মেয়ের আনকোরা পাছার দিকে নজর দেন দায়িত্বশীলা জননী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু, এগুলা না রেড হয়? এই দুইটা ইয়েলো কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যারকে দ্বিতয়বাবের মত পরিয়ে দিতে দিতে কন্ডমের কথা জিজ্ঞেস করছে অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এগুলা বানানা ফ্লেভার মামনি। কলার টেস্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কই, কিভাবে বুঝলা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুই সাক করে দেখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগ্রহ নিয়ে মিনিটখানেক চাটাচাটি করল অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কচুর ফ্লেভার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, ঐরকমই। নে, ডগি হয়ে বোস। সোনাটা উঁচু করে ধর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমারটা পুসি। তুমনেরটা ঐটা। স্যারের মত। হি ই হিহ ইহহিহি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাকে ভেংচি কেটে বলল অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, বুঝছি। এখন পুসিতে নুনু দিবে স্যার। কনুইয়ে ভর দাও। বালিশটা নিয়া নাও। আরো উপরে তোল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হিহিহি, আবার পুসিতে দিবেন স্যার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘাড় ঘুরিয়ে আফসার সাহেবের তাকিয়ে হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করে অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দেখি কোথায় দেয়া যায় এতিম নুনুটা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমার পুসিতে রাখতে দিবা আবার অরফান নুনুটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম... দিবতো.. হাহাহা হু হিই.. হিহি..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনজনেই নোংরা রসিকতায় হাসতে শুরু করল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রচন্ড ভয় করছে আনিকার। মেয়ের পাছার দাবনা দুটো চেপে দু&#39;দিকে ধরে আছেন শিরিন ম্যাম। একদৃষ্টিতে পেছনে তাকিয়ে গোলাপী সূক্ষ ছিদ্রের দিকে খেয়াল করছেন। আফসার সাহেব মনে মনে বেশ নার্ভাস বোধ করছেন। এক আঙুলে যতটুকু সম্ভব চাপ দিয়ে ইজি করে নিচ্ছেন। এবারে ধোনের গোড়া চেপে ধরে চাপ দিতে লাগলেন। কন্ডমের চোখা মাথাটাও ভেতরে যায়নি, এর মধ্যেই অপক্ক পায়ুতে আঘাত পেয়ে ককিয়ে উঠেছে আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু, ইট হার্টস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বোকা মেয়ে, ফার্স্ট ফার্স্ট এরকম হবে। ভ্যাজিনাতে প্রথম যখন করেছিলি, ব্যাথা পাস নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাগ ঘেটে কোল্ড ক্রীমের কৌটো বের করে এক খাবলা সাদা বরফের মত ঠান্ডা ক্রীম লেপ্টে দিলেন। গোলাপী-কালচে আভা শুভ্রতার আড়ালে ঢাকা পড়ে গেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইশ, লুব নিয়ে আসা উচিত ছিল। অনেকদিন ইউজ হয়না। ভুলেই গেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আফসোস করছেন মেয়ের কথা ভেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, সোনা আমার, রিলাক্স কর। টয়লেট করতে যেভাবে পুশ-পুল করিস, ঐভাবে। আস্তে আস্তে। একটু ওপেন কর, তাহলেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবুজ সংকেত পেয়ে কোমর উঁচিয়ে আবার চেষ্টা শুরু করলেন আফসার সাহেব। সাদা থকথকে পিচ্ছিল ক্রীমের মধ্যে কয়েকবার এদিক ওদিক ঘষটে ঘষটে কুঁচকানো ছিদ্রের সন্ধান পেলেন। ধীরে ধীরে চাপ দিয়ে কোমর সামনে আনলেন। ধনুষ্টঙ্কার রোগীর মত বেঁকে গেল মোটাসোটা ধোন। কিছুটা যেন ভেতরে ঢুকেছে বলে মনে হল। দুই ঠোঁট এক করে অতি কষ্টে চিৎকার ঠেকিয়ে রেখেছে আনিকা। রিলাক্স করে মাথা ঠান্ডা রাখতে চাইছে। নিজেকে বলছে, বী কুল, বী কুল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঝড়ের মাঝে জাহাজের মাস্তল ভাঙার আওয়াজের মত কড়কড় শব্দ তুলে হলদে প্লাস্টিক সমেত শিশ্নটা কিছু জায়গা করে নিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মুহ... আরনা... ইহ... লাগে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুখ বিকৃত করে সোজা হয়ে বসে পড়ল অনি। পাছায় লেপ্টে দেয়া ক্রীমে বেঞ্চ মাখামাখি হয়ে গেল। মেয়ের অসহিষ্ণুতায় হতাশ শিরিন। মাথা ঠান্ডা রেখে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, তুই দেখ। দেখে আবার করিস। নাম এখন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে নিজে বেঞ্চের উপর সোজা হয়ে বসে পড়লেন। পেছন দিকে কাত হয়ে হাতে ভর দিলেন। পা দুইদিকে ছড়িয়ে ফর্সা পাছার খাঁজে কালচে বালে ভরা মরুদ্ব্যান সামনে মেলে ধরলেন। তাড়াতাড়ি অনির ভোদা যেভাবে ঠাপাচ্ছিলেন, সেভাবে পা দুদিকে ছড়িয়ে বেঞ্চের উপর বসলেন আফসার সাহেব। কন্ডমের মাথা দিয়ে নাড়াচাড়া করে বাদামী কুঁচকে থাকা ফুটোটা খুঁজে পেলেন। মেয়েকে ডাকলেন শিরিন আপা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এই, এদিকে আয়। দেখ। দেখ কিভাবে করতেছি। দেখছিস? এভাবে নিজে নিজে সামনে পিছে করবি। দেখ.. আফসার ভাই, তাড়াতাড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তেলতেলে ক্রীম লেগে পিচ্ছিল হয়েই ছিল, হুক করে গুতো দিতেই আস্তে আস্তে ঢুকতে শুরু করল। প্রথমবার মোটাসোটা লিঙ্গের ঠাপ খেয়ে তার মুখও কুঁচকে উঠল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইহাহ... অপ্স.... ছ্যাক... অপ... আপনের হেডটা এক্সট্রা.. লার্জ .. হাহা.. হেহে.. ওহস...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিভাবে কামড়ে ধরতে হয়, কিভাবে ছাড়তে হয়, মেয়েকে দেখাতে লাগলেন। সংকুচন-প্রসারণের নীতি মেনে ক্যাচক্যাচ আওয়াজ তুলে ঠাপ চলতে থাকে। মোক্ষম চাপ খেয়ে উষ্ণতার পরশে আফসার সাহেবের নার্ভাসনেসও কেটে যায়। আবারো মুন্ডিটা জ্বালা করতে শুরু করে দিয়েছে.... এমন সময় শিরিন আপা মেয়েকে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, পারবি এবার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শিওর?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা, বুঝছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আয়, ডগি করবি আবার।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/1262716495938526839/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-55.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1262716495938526839'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1262716495938526839'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-55.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 55'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-4086692375451273830</id><published>2025-07-13T19:17:00.008+06:00</published><updated>2025-07-13T19:17:49.128+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 54</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - কিছু হবেনা। অনেকদিন করনাই তো। দাদুর কথা বল। তুমি মুভি দেখতেছিলা। তারপর?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এরপর আধা ঘন্টার মত হইছে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনির কথায় মনযোগ দিচ্ছেন কান দিয়ে, চোখ দিয়ে গভীর দৃষ্টিতে চেরাটা লক্ষ্য করছেন। ইঞ্চিদুয়েক ভেতরে ঢোকাতেই আঁটোসাটো হয়ে লেগে থাকা চেরার উপরটা চোখা হয়ে সরে গেল। গাঢ় গোলাপী ঝিল্লীর রেখা দেখা গেল। মুখের লালা দিয়ে আঙুল ভিজিয়ে সেখানটায় আলতো করে ডলে দিতে শীৎকার ধ্বনি শোনা গেল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইহহ... উম্মহহহহ.. তারপর হঠাৎ দেখি আম্মু আমাকে ডাকে। দাদুর রুমে গিয়ে দেখি দাদু সোজা হয়ে বিছানায় শোয়া... উহহ.. একটু উপরে করেন... হ্যাঁ, আহাহা... ইহহ... আম্মু তাড়াতাড়ি ডক্টর আঙ্কেলকে ফোন দিল। দাদু তখন নেংটু। কাপড় পড়ানো হল। আম্মু বলল, দাদুর পেনিসটা সাক করে রান্নাঘরে গেছেন। ক্লিন হবার পানি পানি গরম হয়েছে, সেটা বলতেই এসেছিলেন... ডাক্তার আঙ্কেল এসে বললেন, আর কিছু করার ইহহ.. ইউউউ... ইহাহাহহ... নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথা জড়িয়ে যাচ্ছে অনির। দাদুর তুলনায় কালচে মোটা ধোনটা যে এত বেশি জায়গা নেবে, ভাবতে পারেনি সে। কথা চালিয়ে গেলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুমি না একটু আগেই সাক করে দিলা, দাদুকে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উঁহু। দাদু ডগি করেছিল ঐদিন। আমি ক্লিন করে দিইনাই। ডগি করলে আমি সাক করে দিতামনা। কেন জানি ভাল লাগত না। এইজন্য আম্মু সাক করে দিয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ, আচ্ছা। আচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মায়ের মত মেয়েও শিশ্নে কামড় বসাচ্ছে। তবে এবার রাস্তা অনেক দীর্ঘ হবে। সবে তো শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে এক নাগাড়ে ঠাপানোর পর বের করে আনলেন। ভিজে চুপচুপে হয়ে আছে ধোনটা। টুক করে অনির ওড়নাটা তুলে মুছে নিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুন্ডিটা দিয়ে পুরোটা চেরায় জোরে জোরে উপর নিচ করতে লাগলেন। অনির পাছা আপনা থেকেই তালে তালে সামনে পেছনে করছে। এবারে এক ধাক্কায়ই অনেকটা ঢুকে গেল। ইঞ্চি চারেক ঢুকছে। বেশি চাপলে চিৎকার দিচ্ছে দেখে আর জাঁতাজাঁতি করলেন না। আবারো কনভার্সেশন চালিয়ে নিতে লাগলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তোমার ভাইয়ের নাম যেন কি আম্মু?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তুমন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, আম্মু ওকে কিছু শিখায়নাই এখনো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ.. ওফ... আহ.... হি ইহ হিইই, নাহ, ও তো এখনো ছোট। নুনু হার্ড হয়না। হাহাহ হিহি হ... ইক.. আহহহহা...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাই নাকি? তুমি জানলা কিভাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু গোসল করায় তো। হার্ড হয়না। বলছে আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা হা। ম্যাডাম, ছেলেকে শেখাবেন না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ, ওর আরো কয়েক বছর পরে দেখা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিব্রত বোধ করছেন বোঝা গেল। হাতে খোলা কন্ডমটা নিয়ে অপেক্ষা করছেন বীর্যপাতের জন্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনিই টীচ করবেন নাকি অনি করবে? অনি, মামনি, তুমি শিখাবা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নরম মুন্ডিতে আস্তে আস্তে জ্বালা অনুভব করতে পারছেন আফসার সাহেব। দুই হাত অনির স্তনের উপর রেখে গতি বাড়িয়ে দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহা হিহি, জানিনা। কিন্তু, ওরে না শিখালে চলবেনা। ও একটা যা ভোদাই... ইহহ.. আহহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শিরিন আপা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জোড়ে জোরে শ্বাস ফেলতে ফেলতে ডাক দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ। হইছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আর একটু। আচ্ছা, ওর বাবার সাথে করান নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, ওর বাবার এসবের ব্যাপারে কোন আইডিয়া নাই। দাদুর সাথে... সেটাতো .... বাইচান্স.. বুঝেনইতো.. হে এহ হেহে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাক, চোদনা ফ্যামিলিতে অন্তত একটা অনর্থ কম আছে। এইবারে অনেকক্ষন ধরে রাগমোচনের আনন্দ পাচ্ছেন। পুরো ধোনেই শিহরণের জ্বালা ছরিয়ে পড়েছে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি ইইইইইহহহ, মামনিইহ, তোমার হইছেহ হাহ... ইহা...হ...?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইহ... ইশ... ইকটু, ইকটু উপর দিকে করেন.... ইহহহ... মাহ... অমাহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাছাটা আরো নামায় আনেন... নুনুটা আরো নিচে এহহ.. ওফস... আনেন, উপর দিকে খোঁচা দেন আরেকটুওহ.. ইহ..ওফ..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটু একটু ব্যাথা পাচ্ছে অনি, কিন্তু সারা দেহ বলছে ব্যাথা উপেক্ষা করতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উম্মাহ.... আম্মাহ... ইহাহহহহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জোরে জোরে কয়েকবার চিৎকার দিয়ে কোমর দুলিয়ে শূণ্যে উঠিয়ে কয়েক দফা তলঠাপ দিয়ে হাঁপানি রোগীর মত নেতিয়ে পড়ল আনিকা। ধোনটা খুলে যেতে পাগলের মত আবার ঢুকিয়ে কয়েকটা রামঠাপ লাগাতে মাথাটা ঝনঝন করে উঠল স্যারের। মনে হল কি যেন হারিয়ে গেল দেহ থেকে। কিছুক্ষণ অনির উপর নিস্তেজ হয়ে শুয়ে থেকে ধীরে ধীরে ঠাপ দিলেন কয়েকটা। এবারে মাথা ঠান্ডা হলেও বাবু ঠান্ডা হয়নি। যদিও এ যাত্রায় কিছু বেরোবার কথা না, তবু অনির শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক হলে উঠে দাঁড়ালেন। শিশ্নে ঘন কিছু লেগে আছে বলে মনে হলনা। যোনিমুখ এখনো কিছুটা হাঁ করে আছে। মুখটা চিরে ধরে একটু কোথ দিতে কয়েক ফোঁটা ফ্যাকাশে তরল গড়িয়ে পড়ল। খাঁজ বেয়ে পশ্চাৎদেশের ফুটোর দিকে গড়িয়ে যাচ্ছে। উদ্বিগ্ন মা ইশারায় অবস্থা জানতে চাইলে আফসার সাহেব কাঁচুমাচু হয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একদম অল্প। মোটামোটি ওয়াটারি।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/4086692375451273830/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-54.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4086692375451273830'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4086692375451273830'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-54.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 54'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-7694132294564972525</id><published>2025-07-13T19:17:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:17:28.787+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 53</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - সেবার আমার খুব জ্বর হল। হা হা, হাসবেন না। আমি এমনিতে খুব ফিট মেয়ে। বাবার পাগলামোতে কখনো অসুস্থ হইনি। জ্বরটা এমনি এসেছিল। অনি কলেজে। ওর বাবা কাজে আটকে আছে ঢাকায়। ডাক্তার সাহেব এলেন। আমি তাকে ঐ প্রথমই দেখেছি। জ্বরের ঘোরে খুব ফানি লাগছিল দেখতে। কালো করে চিকন লোকটা। গায়ে নীল কোট। ইয়া বড় গোঁফ। অবস্থা দেখে বললেন, সাপোজিটরি দেয়া লাগবে। ফার্মেসি থেকে আব্বা নিয়ে এল। ডাক্তার সাহেব বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;-- নার্স কাউকে পাইনি। তুই লাগাতে পারবি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘাড় নাড়লেন বাবা। তার এসবে অভিজ্ঞতা নেই। লেপ-কাঁথা সরিয়ে সুড়ুৎ করে সালোয়ার খুলে ফেললেন ডাক্তার কাকা। লজ্জ্বায় গরম শরীর আরো তেতে গেল। কান দিয়ে মনে হল আরো ধোঁয়া বেরুচ্ছে। কোনরকমে কাঁপা গলায় বললাম,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;-- চাচা, লাগবেনা। আমি নিজেই নিয়ে নিতে পারব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাত নেড়ে হেসে দিয়ে বললেন, পারবেনা তুমি বৌমা। কাত করে একটা রেকটামে ঢুকিয়ে দিয়ে কি মনে হতে যেন ভ্যাজিনার লিপসে চাপ দিলেন। ঠাট্টা করে বাবাকে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;-- হারামজাদা, ঢিলে করে দিচ্ছিস তো। ভাতিজা কিছু পায়, নাকি পুরোটাই নিজে মেরে দিস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপ্রস্তত হয়ে শুধু হাসলেন বাবা। যা বোঝার বুঝে গেছিলাম। অনির ব্যাপারটাও তার জানা। ওরও কন্ডমে অভ্যেস নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শালার বুড়োটা মাগীখোর বাদশাদের চাইতে ভাল সময় কাটিয়েছে। আরব্য রজনীর গল্পেও এত চোদার ধরণ নেই মনে হয়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনিকা রুমে এসে ঢুকল। চুপ করে গেলেন শিরিন আপা। লম্বা চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে। রবার ব্যান্ডটা হাতে। চোখেমুখে, ভোদার কাছটায় পানির ঝাপটা। মেয়ে ফিরতেই তাগাদা দিল মা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, হারি আপ, হারি আপ। এদিকে আসো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই মেয়েকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করলেন। দুজনে ঠোঁট চুষছে পালা করে, মেয়েকে আঙলি করে দিচ্ছেন খুব দ্রুত। শক খাবার যে আরো কিছু বাকি থাকতে পারে, তা আফসার সাহেবের মাথায়ই আসেনি। নিজেও আর অপেক্ষা না করে দুই নারীর লেপ্টে থাকা স্তন পাশ থেকে টিপতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পরই অনির মুখ থেকে হিস.. হিহ.. শব্দ আসতে শুরু করল। মেয়েকে ছেড়ে দিয়ে তাড়াহুড়ো কন্ঠে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মুনি, যাও, বেঞ্চে শুয়ে পড়। .. ওহ দাঁড়াও একটু। .. আফসার ভাই এগুলো কি? .. আম্মু, স্যারকে একটু ক্লিন করে দাওতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধোনে আটকে থাকা মাল ফেটে ভাতের মাড়ের মত হয়ে লেগে আছে। অনি চেটে দিতে দিতে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, আপনার রগ এইভাবে বাইর হয়ে আছে কেন? হি ইহি হিহি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ক্যান, তোমার দাদুর থাকত না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরে, ওর দাদুর বয়স হবে আপনার ডাবল। তার জিনিসপাতি ছিল পেরকের সাইজ। রগ ও দেখব কিভাবে। একটু খেয়াল করে কইরেন। পরে ভ্যা ভ্যা কইরা কানবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবশিষ্ট কন্ডমের প্যাকেটটা খুলতে খুলতে জবাব দেয় জননী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি কান্দিনা আম্মু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো কাঁদার কথা বলায় দ্বিগুণ ঝাঁঝের সাথে জবাব দেয় অষ্টাদশী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওকে মামনি, তুমি কাঁদবানা আমি শিওর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা দেখব কাঁদিস কিনা। স্টারফিশ ফাটাইলে কি করিস দেখব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহা, ভয় দেখাইয়েন না তো। লক্ষী অনি। এগুলা ওর কাছে কিচ্ছুনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে শুয়ে থাকা কিশোরীর ঠোঁটে আলতো করে চুমু খান। মৃদু হেসে সম্মতি জানায় অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাড়োয়ানের শক্ত বালিশটা মাথার নিচে দিয়ে দেন। কোমর বেঞ্চের বাইরে কিছুটা বের করে আনলেও সুবিধা করতে পারেন না।বিছানার তুলনায় বেঞ্চগুলো খুব নিচু। হাঁটু ভেঙে না চেষ্টা করলে ভোদার চাইতে অনেক উঁচুতে থেকে যায়। শেষমেষ অনির পাছাটা একটু পেছনে ঠেলে নিজেই দুদিকে পা ছড়িয়ে বেঞ্চে বসে গেলেন। এবারে দু&#39;পায়ে ভর দিয়ে নিজের কোমরটা উঁচু করতে চেরাটা শিশ্নে ঘষা খেল। পুরোপুরি কমফোর্টেবল হবার জন্যে আনিকাকে গাইড দিতে লাগলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আনি, মামনি, তোমার পা গুলা দুইপাশে রাখ, নাহলে আমার কাঁধে উঠাও। .. আচ্ছা, আরো ছড়াও। পুসিটা আরো সামনে আনো। .. হ্যাঁ, এইতো লক্ষী আম্মু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনির লালায় ধোনটা এখনো পিচ্ছিল হয়েই আছে। আঙুল দিয়ে একবার ভোদাটা চিরে দেখে নিলেন, চটচটে হয়ে আছে। উপর থেকে নিচে আলতো করে চাপ দিচ্ছেন। ঠাপের প্রস্ততি নেবার ফাঁকে অনির সাথে কথা বলছেন। মেয়েটাকে একটু অন্যমনষ্ক করা দরকার। দাদুর আলপিনের খোঁচা খেয়ে নিজেকে কি মনে করছে কে জানে! আসলে তার শিক্ষা এখনো পুরো বই বাকি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, সোনা, তোমার দাদু মারা গেল কিভাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিজানি, দাদু তো বিকালে আমার সাথে করল। বলল বুকে ব্যাথা করছে। তুই যা, ক্লিন হয়ে নে। আমি কাপড় পরে টিভিতে মুভি দেখছি আর .... উহহ... উম্মমাআ, আহ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফুটোটা পেয়ে যেতেই কোমরটা সামনে পেছনে দুবার দুলিয়ে ক্যাঁক করে চাপ দিলেন। মুন্ডিটা সোজা ভেতরে ঢুকে গেল। বেশ ভালই আটকেছে। ঘটনার শকে অনি পাছাটা পেছনে সরিয়ে নিলেও খুলে গেলনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ব্যাথা হয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাতর গলায় জবাব দিল অনি।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/7694132294564972525/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-53.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7694132294564972525'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7694132294564972525'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-53.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 53'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-4414227776446938862</id><published>2025-07-13T19:17:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:17:07.204+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 52</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; চোদন দেয়ায় কেয়ারিং! বলে কি! হেশমাস্টার হবার পর নানা জনে নানা প্রশংসা করেছে বটে। কিন্ত এরকম উদ্ভট প্রশংসা কেউ বলেছে বলে মনে পড়েনা। স্যারের কপাশে সংশয় দেখে আস্বস্ত করতে কৈফিয়ত দিতে লাগলেন মহিলা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আসলে স্যার, বাবা একটা ভয় ঢুকিয়ে দিয়ে রেখে গেছে। এটা ভাঙানো দরকার। তাই আপনাকে বলছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ, তা ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আসলে ও যা জেদি হয়েছে, দেখা গেল বিয়ের পর হাজবেন্ডকে করতে দিচ্ছেনা। এখনকার দিনে সব মেয়েই দিচ্ছে। এত ছোতটখাট ব্যাপার নিয়ে মনোমালিন্য না হওয়াটাই বেটার। তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ, তা অবশ্য ঠিক। আপনি আসলেই মেয়ের ব্যাপারে খুব কেয়ারিং। ইউর ডটার ইজ ভেরি লাকি টু হ্যাভ এ মাদার লাইক ইউ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গদগদ হয়ে মহিলার প্রশংসা করতে করতে পাছার খাঁজে হাতটা আবার রাখলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমারো তাই মনে হয়। মায়েদের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকাই ভাল। দেখুন না, আমরা এতটা ফ্রী বলেই না আমি ওর সবকিছুতে নজর রাখতে পারছি। লেখাপড়া, রিলেশন্স, সব কিছুই কন্ট্রোলে রাখতে পেরেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দ্যাটস ভেরি গুড। মায়েরা ফ্রী হলে ছেলেমেয়েদের লাইনে রাখা সোজা হয় অবশ্যই। তা, ওকে এই কলেজে রাখলেন না কেন? দুই বাচ্চাকে দুই জায়গায় দিলেন...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সেটা আরেক কাহিনী। দুটোকেই এখানে দিয়েছিলাম। এসএসসি পর্যন্ত অনিকে এখানেই রেখেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাই নাকি? আমি অনেস্টলি ওকে দেখিই নাই। তা ওকে সরালেন কেন? আমাদের কলেজটা নতুন হলেও এবারে কিন্তু খুব ভাল রেজাল্ট হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, সেটা ব্যাপার নয়। আসলে হয়েছে কি, নাইনে থাকতে একদিন বাসায় এল খুব মুখ ভার করে। জিজ্ঞেস করলাম, কি হল? কেউ টিজ ফিজ করল কিনা। এমনি এসব কিছু আমাকে বলে দেয়। কিন্তু সেদিন বললনা। এমনি বাসায় এসেই বলে, আম্মু কলেজড্রেস খুলে দাও। সেদিন নিজেই খুলল। গোসল করতে চাইলনা। দাদু জোর করে নিয়ে বাথরুমে ঢোকাল। একটু পর আব্বা ডাক দিয়ে বলল, দেখে যাও শিরি। কি হল কি হল ভেবে দৌড়ে গেলাম। দেখি পাছায় দুইটা লাল লাল দাগ। চামড়া কেটে বসেছে। এখনো দাগ আছে। আসুক, দেখাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হোয়াট? আপনি আমাকে বললেন না কেন তখন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোন স্যার মেরেছে, কিছুই বলেনা। আমি তখন কমিতিতে আছি। এসব কথা জানাজানি হলে ওর নাকি লজ্জ্বা লাগবে। তাই বলেনা। শুধু বলল, এই কলেজে আর পড়বেনা। বাবা অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করাল একটা বছর পড়তে। এসএসসি কম্পলিট হলে কলেজ চেঞ্জ করে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ, আই এম ভেরি সরি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুখে সরি বললেও বর্ণনা শুনে ধোনটা আরো ঠাটিয়ে উঠছে। তিনি নিজেও যে খুব দুধের ধোয়া তা না। সরকার আইন পাশ করার আগ পর্যন্ত বেতের প্রচলন ছিল কলেজে কলেজে। তবে, অন্যদের মার খাবার চাইতে মেয়েরা তার হাতে শাস্তি পেতেই বেশি পছন্দ করত। ম্যারাথন সেক্সের গেমটা কদিন হল শুরু করেছেন। কিন্তু কামুক তিনি বহু আগে থেকেই। পড়া পারলে মেয়েদের পিঠ চাপড়ে দিতেন, আয়েশ করে হাত বুলানোও চলত। আসল মজাটা হত পড়া না পারলে। যেখানে অন্যান্য শিক্ষকেরা জালিবেত নিয়ে কোমল হাতে, নরম পাছায় পেটাতেন - আফসার সাহেব শুধু আলতো করে চাপড় দিতেন। তখন মেয়েরা এখনকার মত এত সচেতন ছিলনা। তবুও বড় মেয়েদের সাথে এই পদ্ধতি ট্রাই করে রিস্ক নেননি। সিক্স-সেভেনের মেয়েরা পড়া না পারলে বা দুষ্টুমি করে ধরা পড়লে শুধু কামিজের নিচ দিয়ে হাত গলিয়ে হালকা করে চাপড় দিতেন। নরম মাংসের অনুভূতিটাই অন্যরকম। যারা প্রাইভেটে আসত তাদের সাথে আরো ভালভাবে মজা নিতে পারতেন। মেয়েগুলো ছিল তার ভক্তের মত। মেয়েরা তখনো অন্তর্বাস পড়া শুরু করেনি। পায়জামার ওপর দিয়ে পাছার খাঁজটা চেপে ধরে রগড়ে দিতেন। যে শাস্তিটা পেত, সে তো বটেই, যারা দেখত তারাও হো হো করে হেসে উঠত। ব্যাপারটা এরকম সহজ করে নিয়েছিলেন যে, কোন ফ্যাসাদে কখনো পড়তে হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অতীতের কল্পনার জাল ছিঁড়ে গেল শিরিনের ডাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনার অর্গাজম হতে এবারে কতক্ষণ লাগতে পারে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বলা মুশকিল। তবে বেশ অনেক্ষণই লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সেকেন্ড টাইমে ইজাকুলেন কেমন হয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কৌতুহল শিরিনের কন্ঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়েহ, বয়স হয়েছে তো, বলতে পারেন ওয়াটারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাহলে অনির ভ্যাজিনাল করুন কন্ডম ছাড়া। দুটোই এনেছি। এনাল করতে কন্ডম মাস্ট। ওখানটায় অনেক রিস্ক থেকে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি কিন্ত সেফ। আমি নিয়িমিত চেক আপের মধ্যেই আছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতস্তত করে বললেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না না, সেটা বলছিনা। মানে ওখান থেকে হতে পারে তো নানা ইনফেকশান। আমাদের নাহয় বয়স হয়েছে। ও ছোট মানুষ, রিস্ক ফ্রী থাকাই ভাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাফাই দিচ্ছেন মহিলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একটু সেফলি করতে পারবেন না ভ্যাজিনায়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অ্যাঁ, হ্যাঁ, পারব আশা করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মিনমিন করে জবাব দিলেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, চেষ্টা করবেন। না পারলেও প্রবলেম নেই খুব একটা। আমাদের ফ্যামেলি ডক্টর আছেন। দেখে দেবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহ, এসব কেউ পারিবারিক ডাক্তারকে বলে নাকি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হলেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা হা, অবাক হবার কিছু নেই। বাবার ফ্রেন্ড লোকটা। আগে তো আমার ধারণা ছিল, আমাদের রিলেশনের কথা শুধু দুজনেই জানি। পরে ভুল ভাঙে একবার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তা কিভাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কৌতুহল হল স্যারের।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/4414227776446938862/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-52.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4414227776446938862'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4414227776446938862'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-52.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 52'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-3308086251837400662</id><published>2025-07-13T19:16:00.008+06:00</published><updated>2025-07-13T19:16:47.642+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 51</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - এখন তো মনে থাকবেই না। আরো কয়েকবছর আগে। এখন তো মনে হয় পারবি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলতে বলতে মেয়ের পশ্চাৎদেশের দিকে তাকায় শিরিন। শক্ত আঙুলগুলো বেশ নড়াচড়া করছে ওখানটায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই ফুটোতে একসাথে খিঁচছেন আফসার সাহেব। ভোদার ভেতরটা আঠালো আঠালো মনে হচ্ছে ক্রমশ। এমন সময় নিম্নাঙ্গে চাপ অনুভব করলেন । অনির পাছায় উপর দিকে চাপ দিয়ে বালিশটা মাথার নিচে নিলেন। মাঝখানের ফাঁকাটা দিয়ে দেখা যাচ্ছে শিরিন আপা তার তলপেটে এসে বসেছে। দুদিকে পাছা ছড়িয়ে দিয়ে এক হাতে হলদে ধোনের গোড়াটা ধরে ভোদার মুখটায় ঘষছেন। খানিকটা ভেতরে সেধিয়ে যেতেই হাপরের মত কোমর দুলাতে আরম্ভ করলেন। লাল টকটকে স্যান্ডেলগুলো উঠানামার তালে তালে মেঝের সাথে বাড়ি খেয়ে টাস টাস শব্দ করে চলেছে। দুই দফা চোষা খেয়ে এমনিতেই হয়ে যায় হয়ে যায় অবস্থা, তার উপর মহিলা যেভাবে ইচ্ছে করে একটু পর পর কামড়ে ধরে ঠাপ দিচ্ছে, ইচ্ছে করেও আটকিয়ে রাখতে পারলেন না। মুখ থেকে ইশশা... ওহ... হাহ..... শব্দ বেরিয়ে এল। অনির যোনিতে তার দ্রুত গরম নিঃশ্বাস পড়তে লাগল। সেদিকে অবশ্য শিরিনের খেয়াল নেই। চোখ বুজে দুই ঠোঁট চেপে রেখে ঠাপিয়েই চলেছে। নরম অনুভব হতে কিছুটা অবাক হলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হয়ে গেল নাকি আফসার ভাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথাটায় যেন বিদ্রুপের সুর বাজছে। স্যার রেখে ভাই ডাকাও শুরু করে দিয়েছে! অনেক কষ্টে খোঁচাটা আমলে না নিয়ে স্মিত হেসে জবাব দিলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বেশ কিছুদিন হয়নি, প্রথমবার একটু তাড়াতাড়িই হয়ে গেল। তাছাড়া ইউ আর টু গুড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহা, স্বীকার করতেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজয়িনীর সুরে বললেন প্রাক্তন অভিবাভক সদস্যা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- টেকনিকগুলা আব্বাকে ঠান্ডা করার জন্য বের করেছিলাম। বুড়া নাহলে সারাদিন নষ্ট করত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- খুব ভাল হয়েছে আপা, সত্যিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, আম্মু, উঠে আস। কুইক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাধ্য মেয়ের মত স্যারের মুখের সামনে থেকে উঠে নেমে যায় আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমার ব্যাগে দেখ, টিস্যু আছে। নিয়া আস। .. হ্যাঁ, একটা নাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উঠে পড়লেন শিরিন আপা। গুদটা এখনো হাঁ করে আছে। মেয়ের হাত থেকে কাগজটা নিয়ে ভোদা মুছে ফেললেন। কন্ডমটা ততক্ষণে আপনা থেকেই খুলে আসব আসব করছে। মেয়েকে সেদিক নির্দেশ করতে সেটা খুলে নিল। পাশের হাইবেঞ্চে রেখে দিল। মুখ গলে ফোঁটা ফোঁটা তরল বেঞ্চের উপর পড়ছে। নেতিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ বীর্‍্যে চুপচুপে হয়ে আছে। অনির কোমল মুখের উষ্ণতায় দ্রুত ছোটখোকা মাথা তুলে দাঁড়াতে লাগল। মনে মনে স্বস্তি পেলেন আফসার সাহেব। এই বয়সে সময়মত দ্বিতীয়বার উত্থান হয় কিনা তা নিয়ে সব সময়ই শঙ্কায় থাকতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***************************************&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন বিবস্ত্র নর-নারী দাঁড়িয়ে আছে। আফসার সাহেবের মাথা এখনো হালকা ঝিম ঝিম করছে। ঝড়ে হেলে পড়া বাঁশের মত শক্ত হয়ে আছে ক্লান্ত পুরুষাঙ্গ। পাতলা চামড়ার উপর দিয়ে শিরাগুলো টানটান হয়ে ফুটে উঠছে। শিরিন আপার হাতঘড়ির কাঁটাগুলো দ্রুত দৌড়ে চলেছে। বেশি সময় নষ্ট করা ঠিক হবেনা। কথাটা কিভাবে বলবেন বুঝতে পারছেন না। শেষমেষ দ্বিধা কাটিয়ে ফিসফিস করে বলেই ফেললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আফসার ভাই..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এনাল করবেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যা ভাবছিলেন ঠিক সেই সাজেশন। মনে মনে খুশি হলেন প্রিন্সিপাল সাহেব। খপ করে হাতের কাছের দাবনাটা খামছে ধরে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শিওর ম্যাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শিরিনের মুখ দেখে মনে হল ঠিক যা বোঝাতে চেয়েছে তা পারেনি। অনি তখন টিস্যু দিয়ে ডলে ডলে মুখের বাইরে লেগে থাকা বীর্য পরিষ্কার করছে। আড়চোখে সেদিকে চেয়ে মেয়েকে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, সোনা, ওয়াশরুমে যাবা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু আম্মু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মায়ের কথাতে খুশিই হল সে। অনেকদিন পর এই আঠালো জিনিসটা মুখে ঢুকেছে। জিভ গিয়ে ভেতরটা যতই চাটে তবু অস্বস্তি থেকেই যায়। তাছাড়া নিচের দিকেও চাপ আসছে....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নিচতলায় গেটের সাথে দেখ ওয়াশরুম আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বললেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পোটলা হয়ে থাকা পাজামাটা ঠিক করতে নিতেই ধমকে উঠল মেজাজী মা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিরে, ঐটা নিচ্ছিস কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি বলো আম্মু, নেংটা হয়ে ঘুরব নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তো কি হবে? এখন কে আসবে দেখতে? আবার ঐ জোঁক ছাড়ানোর ভেজাল করতে পারবনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিক করে হেসে দিয়ে বারান্দা ধরে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল অনি। গায়ে একটি সুতাও নেই। হাতে আঠা মাখা টিস্যুটা তখনো ধরা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কন্যা বেরিয়ে যেতেই শিরিনের দিকে ফিরলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তা কি যেন বলছিলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মানে, বলছিলাম, ওর সাথে এনাল করবেন কিনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথাটায় বেশ অবাক হলেন আফসার সাহেব। মাগী বলে কি! নিজে তো পুটকি মারা খাবে, আবার মেয়েকেও খাওয়াবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়ে, হ্যাঁ। অসুবিধা নেই। কিন্তু, ঐ যে, বলছিলেন, ও নাকি কাঁদে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুরো, ওটা আরো আগের কথা। তাছাড়া আব্বা ছিল পাঁঠার মত, পাগল। কোন ধীর-স্থির নেই। আপনি খুব কেয়ারিং।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/3308086251837400662/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-51.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/3308086251837400662'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/3308086251837400662'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-51.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 51'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-1283038226220591165</id><published>2025-07-13T19:16:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:16:29.901+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 50</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; নরম প্যান্টিটা খুলে নেয়া হয়েছে ইতোমধ্যেই। হাঁটু ভেঙে দুপাশে বেঞ্চের তক্তার উপর ভর দিয়ে স্যারের মুখের কাছটায় এসে বসেছে অনি। মহিলা এসে মেয়ের কামিজ, ব্রেসিয়ার খুলে নিয়েছেন।। চোখের সামনে দৃশ্যটা স্থায়ী হতে অনতিউচ্চ স্তনদুটি খপ করে লুফে নিলেন আফসার সাহেব। বিচিতে ভরা শিমুল তুলার বালিশের মত গজগজ করছে কিশোরি স্তন। বাদামী বোঁটায় আলতো স্পর্শ পড়তে উমম.. ইহ.. করে উঠল অনি। মুখের কয়েক ইঞ্চি সামনে ক্লিন শেভ করে রাখা পরিপাটি ভোদা। মেয়েটার শরীরে বাড়তি কোন মেদ নেই। মসৃণ তলপেটের উপর নাভীটা একেকবারে ভরাট। সেখানে আঙুল ঘুরিয়ে খেললেন কিছুক্ষণ। তাপপর মনযোগ দিলেন কচি গুপ্তাঙ্গের দিকে। মেয়েটা কামুক দাদুর কবলে পড়ে অসময়ে বেশি পেকে গেছে, স্ত্রী-অঙ্গটি দেখে তা ভালই বোঝা যাচ্ছে। যোনির চেরাটা খুব একটা বড় নয়। কচ্ছপের পিঠের মত উঁচু নিম্নাঙ্গ। একটা টিলার মত বেড়ে ওঠা এলাকার উপরে ঘন গুপ্তকেশের অস্তিত্ব টের পেলেন হাত বুলিয়ে। দু-একদিন আগেই হয়ত চেঁছেছে। টিলার নিচের প্রান্তে তেরছাভাবে সরু খাঁজটা নিচে নেমে গেছে। দু&#39;আঙুলে ঠেলে ছড়িয়ে দিতে ভেতরকার ছোট্ট পাতাগুলোর গাঢ় গোলাপী আভা দেখা গেল। কিশোরির কোমর জড়িয়ে ধরে আরো কাছে টেনে আনলেন। চেপে বসা পাছার সাথে ঘন লোমশ বুকের ঘর্ষণে জ্বালা করে উঠল আফসার সাহেবের মাঝবয়সী শরীরটা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উঁচু হয়ে থাকা টিলায় নরম নাক দিয়ে কয়েকটা ঘষা দিলেন আফসার সাহেব। সূক্ষ্ণ বালের খোঁচা ভালই লাগছে। মেয়েরা যেমনি পুরুষের খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে গাল ঘষে আরাম নেয়, তেমনি বোধ হচ্ছে তার। জিভটা বের করে ক্রমশ ঢালু চেরাটায় লম্বা করে চাটা দিলেন। ইহহ.... করে উঠল অনি। শিহরণের ঠেলায় পাছাটা আরেকটু এগিয়ে আনল নিজ থেকে। কয়েক মিনিটেই আফসার সাহেবের বুক গরম হয়ে উঠেছিল। ভারী পাছাটা সরে যেতে ঠান্ডা লাগতে লাগল সেখানটায়। মেয়েকে সতর্ক করে দিয়ে শিরিন বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, মামনি, স্যারের উপর চাপ দিওনা কিন্ত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু আমি পায়ে ভয় দিয়ে বসছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, খেয়াল রেখো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে পাছাটা আরো উঁচু করে বসে আনিকা। প্রৌঢ় প্রিন্সিপালের মনে হল, বুক থেকে যেন পাথর নেমে গেছে। এক প্যাটার্নে বদ্ধ চেরাটার উপর থেকে নিচে চেটে যাচ্ছেন, মাঝে মাঝে চাপ দিয়ে ভেতরে জিভ ঢোকানোর চেষ্টা করছেন। যখনই ভেতরে নরম কিছুতে জিভ ঠেকছে, মেয়েটা উপর থেকে ইহহহ... হিহহহ... করে উঠছে। পরিষ্কার জায়গাটায় কেমন যেন সুন্দর পারফিউম আর কাপড়ের গন্ধ। আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে তুলছে। দুই হাতে উদোম পাছা হাতানো বাদ দিয়ে এক হাত সামনে নিয়ে এলেন। চেরাটার উপর তর্জনী ঠেকিয়ে চেপে চেপে দেখতে লাগলেন। বারবার খোঁচা খেয়ে ইহ... ইশ... ধ্বনি বের হচ্ছে অনির মুখ থেকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, কি করেন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নখের খোঁচা খেয়ে নরম মাংসে জ্বালা করছে তার। খানিকটা বিরক্তি নিয়ে প্রশ্ন করল অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তোমার পুসির মুখটা খুঁজি মামনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরো নিচে তো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কই, এখানে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, না, আরো নিচে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি পাইনা তো, তুমি দেখায় দাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অগত্যা নিজের আঙুল দিয়েই স্থানটা নির্দেশ করে দিল অনি। বার কয়েক জায়গামত ঘষটাতেই আঙুলটা তরতর করে ঢুকে গেল। ইয়াহ... আম... আওয়াজ এল উপর থেকে। শিহরণে কোমর কিছুটা উপরে উঠে আবার নেমে গেল। উপরে চেয়ে দেখলেন খানিকটা ঝুলে থাকা দুধের বোঁটাগুলো শক্ত হয়ে আছে। প্লাস্টিকে মোড়ানো ধোনটা ক্রমেই আবরণ ছিঁড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছে। কৌতূহলবশত একটা হাত হাঁ করে থাকা পাছার চেরাটায় বুলাতে লাগলেন। কিছুটা লোমশ বলে মনে হল যেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পাছার লোম পরিষ্কার করনা কেন সোনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কন্যা কিছু বলার আগেই জননী জবাব দিল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আর বলবেননা স্যার, প্রতিবারই বলি আয়, সাফ করে দিই। রাজি হয়না মোটে। তার নাকি শরম লাগে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহা, লজ্জ্বার কি আছে? ক্লিন রাখবা, ভাল হবে। তা আপনিই কি দেন পরিষ্কার করে, পুসিটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁহ। ঐতো দাদু আদর করে করে মাথায় তুলেছে। এখনো আমারি করে দেয়া লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শালার বুড়ো পুরো বাড়িটাই তাহলে রঙমহল বানিয়ে রেখেছিল। ভেবে ঈর্ষা হল আফসার সাহেবের। পয়সা হলে লোকে নাতনীর সাথেও শোয়। আবার আদর করে শেভ করিয়েও দেয়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাতটা পাছার খাঁজে সরু করে বুলাতে বুলাতে আঁটো করে আটকানো দরজায় ঠেলতে লাগলেন। আস্তে করে চাপ দিতেই খিলখিল করে হেসে ওঠে অনি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা হা হাহাহা, কি করেন স্যার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কেন, তোমার দাদু কিছু করেনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হি হি হা, কি করবে হাঁ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বুঝতে পারেনা অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দাদু তোমার স্টারফিশে করেনাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ছ্যাহ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুখ বিকৃত করে উদ্ভট একটা ভঙ্গি করল আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, আব্বার আবার ওর প্রতি কেয়ার ছিল খুব। একবার ট্রাই করছিল। এমন কান্না করল যে আর চেষ্টাই করেনাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি বল, কবে কান্না করলাম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবিশ্বাসের সুরে প্রতিবাদ করে অনি। লজ্জ্বায় গাল লাল হয়ে যায়।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/1283038226220591165/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-50.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1283038226220591165'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1283038226220591165'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-50.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 50'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-7471982972143875458</id><published>2025-07-13T19:16:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:16:08.160+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 49</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; সম্পূর্ণ দিগম্বর হয়ে মহিলার কথামত লো বেঞ্চ জড়ো করে বানানো বেডে গিয়ে পা ঝুলিয়ে বসলেন আফসার সাহেব। অনি চুপচাপ এসে স্যারের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল। বুঝতে পেরে কোমরটা আরো সামনে এগিয়ে দিলেন আফসার সাহেব। আলতো করে অর্ধ-উত্থিত লিঙ্গটা ধরে উপর নিচ করল কয়েকবার। তার চোখে কেমন যেন দ্বিধার চিত্র দেখতে পেলেন প্রিন্সিপাল সাহেব। খানিক ইতস্তত করে মাকে ডাক দিল অনি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্যাকেট থেকে হলদে বেলুন বের করতে করতে জবাব দিল মহিলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- টিস্যু দেও&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি করবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পেনিসটা ক্লিন করে নিই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তোমার ওড়নাটা নাও, ব্যাগে আছে। ট্যিসু পরে লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাগ থেকে ওড়না নিয়ে এসে আবার হাঁটু গেড়ে বসল অনি। মনে মনে রাগ হল আফসার সাহেবের। পুঁচকে মাগীটা ল্যাওড়া চোষার আগে আগে আবার মুছে নিচ্ছে, হাহ! বুড়ো হারামীরটা মনে হয় ধবল রোগীর মত ছিল, ব্লাক মামবা দেখে ঘেন্না হচ্ছে! চিন্তা করোনা, তোমার মা যেমন বলেছে গোসল করাতে, সেরকমই করাব, মুখটা যদি রসে ভরিয়ে না দিয়েছি....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাবনায় ছেদ পড়ল তার, স্পর্শকাতর মুন্ডিটায় জিভ দিয়ে বারংবার নাড়া দিচ্ছে আনিকা। মুখের খুব ভেতর নিচ্ছেনা। দ্রুত মাথায় সর্ষেফুল দেখার অনুভূতি হতে লাগল আফসার সাহেবের। সাহস করে দুই হাতে মাথাটা ধরে ভেতরে হালকাভাবে চেপে দিতে লাগলেন। নরম চামড়ায় কচি দাঁতের ছোঁয়া অন্যরকম অনুভূতি দিতে লাগল। টিপিক্যাল গ্লপ গ্লপ শব্দটাও জোরেসোরেই ওর গলা দিয়ে বের হচ্ছে। সরু ফ্রেমের চশমাটা স্যারের লোমশ পেটে টাস টাস শব্দে বাড়ি খাচ্ছে। সেদিকে তাকিয়ে মেয়েকে ডাক দিলেন শিরিন আপা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এই অনি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, আম্মু..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে ঘাড় তুলে মায়ের দিকে তাকাল আনিকা। ফর্সা মুখটা কয়েক মিনিটে লালচে হয়ে এসেছে। ঠোঁটের পাশে একটা কোঁকড়ানো গুপ্তকেশ লালা দিয়ে আঠার মত লেগে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- চশমাটা খুলে রাখ। ভেঙে যাবে। আর পাজামাটা খুলোনাই কেন? ফ্লোরের ময়লা লাগতেছে, বাসায় যাবা কিভাবে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাধ্য মেয়ের মত উঠে গিয়ে চশমা খুলে ব্যাগে রেখে আসে আনিকা। আদুরে গলায় মাকে বলে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু, লেগিংস খুলে দেও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নিজে খুলে নেও!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিরক্ত গলায় বলল কন্ডম নিয়ে ব্যস্ত মা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পারবনা। এইটা খুব টাইট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চোখেমুখে রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে সেদিকে এগিয়ে গেল আদুরে কন্যার জননী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধীরে ধীরে এপাশ ওপাশ করে টেনে টেনে পা কামড়ে থাকা গোলাপী পাজামাটা খুলছেন আর মেয়েকে বকছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পরিস কেন এগুলা? আমার মত ঢোলাগুলা পরবি। পরতেও আরাম, খুলতে, লাগাতেও কষ্ট নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভেজা উত্তপ্ত লিঙ্গ নিয়ে বসে থাকা আফসার সাহেবের দিকে তাকিয়ে অভিযোগের সুরে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মেয়ের অভ্যাস দেখলেন, আজকে বিয়া দিলে কালকে মা হয়ে যাবে, এখনো আমার কাপড় খুলে দেয়া লাগে। আব্বা আদর কইরা কইরা মাথায় তুইলা দিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা হা, বিয়ে টিয়ে হলে ঠিক হয়ে যাবে। তা ওর দাদু মনে হয় আসলেই খুব আদর টাদর করত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাহলে আর কি বলি! কলেজে যাওয়ার সময়, আসার পরে - ছোটোবেলা থেকেই তো আব্বা ওর কাপড়চোপর পড়ায়ে দিত। সেই থেকে অভ্যাস হইছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পজামাটা খুলতে শর্ট কামিজের নিচে সাদা কলেজপ্যান্টিটা দেখা গেল। রবারের লাইনিং করা বেশ বড়সড় প্যান্টিতে নানা রংয়ে হ্যালো কিটির ছবি। সেটি ধরে টান দিতে গিয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- খুলব এটা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘাড় নেড়ে মানা করল অনি। আফসার সাহেব সম্মতি দিয়ে বলনে, থাকনা এখন। মেয়েটা লজ্জ্বা পাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আচ্ছা, যাও। স্যারের বলসগুলা সাক করে দেও ভাল করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে অন্যরকম সুখ পেতে শুরু করেছেন প্রিন্সিপাল সাহেব। বিচি চোষায় খুব ভালই ট্রেনিং আছে দেখছি! মাঝে মাঝে জিভ দিয়ে চাটতে চাটতে রেকটামের ধার পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। আধশোয়া হয়ে যেন অন্য জগতে চলে গেলেন কয়েকমুহূর্তের জন্যে। এর মধ্যে মহিলা এসে মেয়েকে সরিয়ে দিল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হলদে বস্তটি মেয়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পরিয়ে দাওতো মামণি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘোর কাটতে উঠে বসলেন আফসার সাহেব। ততক্ষণে জর্জেটের ওড়না দিয়ে খসখসিয়ে ভেজা ধোন মুছে গভীর মনোযোগের সাথে মায়ের নির্দেশনামত উলঙ্গ বাবুটাকে কাপড় পরানোয় ব্যস্ত সে। ধোনের গোড়ায় পৌছতেই বলে উঠলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভেরি গুড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, ভাল হইছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুজনের প্রশংসা শুনে খুশি হয় আনিকা। এবারে প্রিন্সিপালকে অনুরোধ করেন শিরিন আপা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, একে একটু সাক করে দেন। নাহলে ময়েস্ট হতে ওর অনেক টাইম লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনন্দে গদগদ হয়ে সম্মতি প্রকাশ করলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, সিউর। অনি, আসো এদিকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কোথায় বসব স্যার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমার বুকের উপরে বসে পড়, পুসিটা আমার গলার কাছে রাখবা। পা দুইপাশে দিবা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি ব্যাথা পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ধুর পাগলী, তোমার ওজনে ব্যাথা পেলে ক্যামনে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হাসলেন তিনি।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/7471982972143875458/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-49.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7471982972143875458'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7471982972143875458'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-49.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 49'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-4176876534041080549</id><published>2025-07-13T19:15:00.008+06:00</published><updated>2025-07-13T19:15:51.335+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 48</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; একটানা ঠোঁট আর জিভ চেটেচুটে সাফ করে দিয়ে দম নেয়ার জন্যে থামলেন প্রিন্সিপাল। হাঁপাতে হাঁপাতে শিরিন ম্যাডাম মেয়ের দিকে বিরক্ত চোখে তাকিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ঐখানে বইসা আছ কেন? হেল্প কর আমাদের!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি করব?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আনক্লথ মী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উঠে আসে আনিকা। তখনো নিজের বুকের সাথে মহিলাকে চেপে ধরে আছেন আফসার সাহেব। কি করবে বুঝতে না পেরে আনিকা মাকে বলল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি খুলব?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- পায়জামা খোল আগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুঁতির কাজ করা ভারী কামিজের নিচে হাতড়ে হাতড়ে মায়ের চওড়া কোমরের দুপাশে কেটে বসা আঁটো সালোয়ারের প্রান্ত ধরে দুপাশ থেকে টেনে নামিয়ে দিতে লাগল অনি। সাদা টিউব লাইটের আলোয় মায়ের গোলগাল পাছার নিচের দিকের কালচে অংশটা চকচক করছে। চওড়া কোমর, উন্নত পশ্চাৎদেশ, গভীর ভাঁজ - ঢলঢলে কাপড়ের ভেতর থেকেও ঠিকই পুরুষের চোখে ধরা দেয়। অন্যান্য মেয়েদের মত অন্তর্বাস পরাটা শিরিনেরও অভ্যাস ছিল, যতদিন না শ্বশুর বাধা দেয়। টানতে টানতে ঢলঢলে সালোয়ার খুলে বেঞ্চের উপর রেখে আবার মায়ের পেছনে এসে দাঁড়াল আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাদু তাদের কাউকেই পেন্টি পরতে দিতে চাইত না। মা দাদুর কথা শুনতে শুনতে অভ্যাসে পরিণত করে ফেললেও সে দাদূর নিষেধ খুব একটা শুনত না। আফসার সাহেব শিরিনের কামিজ খুলে দিল। চেপে বসা ভারী আবরণ সরাতেই বাদামী ব্রেসিয়ারের ভেতর থলথলে দুধ উথলে উঠল। এবারে শিরিন ম্যাডাম স্যারের পাঞ্জাবি খুলে দিল। বিশাল কামরার এক কোণে দুজন বয়ষ্ক নগ্ন পুরুষ-মহিলা পড়ন্ত যৌবনের শেষটুকু শুষে নিতে উন্মত্ত, পাশে দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য অপলকে দেখছে অন্য প্রজন্মের এক কিশোরি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***********************************************&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খোলা চামড়ার স্পর্শে আফসার সাহেবের মাথা খারাপ হয়ে যাবার যোগার। পাগলের মত ঠোঁট চুষতে চুষতে ভাদ্র মাসের তালের সাইজের স্তন সর্বশক্তি দিয়ে চেপে চলেছেন। মায়ের ব্রেসিয়ার হাতে নিয়ে চুপচাপ সেই দৃশ্য দেখছে আনিকা। মাথা ঠান্ডা করে এবারে স্টেপ বাই স্টেপ এগোনোর সিদ্ধান্ত নিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ম্যাডাম, আপনি বেঞ্চে শুয়ে পড়েন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে নিজেই পাঁজাকোলা করে শিরিন ম্যামকে লো বেঞ্চ জড়ো করে বানানো বিছানায় শুইয়ে দিলেন। কোমর থেকে নিচের অংশটুকু বেঞ্চের একেবারে কোণায় এনে পা ছড়িয়ে গলার নিচ থেকে দু পায়ের মধ্যে পর্যন্ত একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন। গোলগাল স্তনের কালচে বাদামী বোঁটা শক্ত, উর্ধমুখী হয়ে আছে। তলপেটে কিঞ্চিৎ মেদ জমেছে। ভরাট কোমর। সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হালকা গুপ্তকেশের রেখা নিচ থেকে উপর দিকে উঠে গেছে। কোঁকড়ানো মাঝারি সাইজের গুপ্তকেশের মাঝে ভোদা খানিকটা হাঁ করে চেয়ে আছে। লালচে হয়ে আছে ঠোঁট দুটো। পানপাতার মত চোখা হয়ে সুন্দরভাবে লালচে সরু চেরার চারপাশে গভীর বর্ডার লাইন তৈরি হয়েছে। এর বাইরে মাঝারি ঘনত্বে বাল জন্মেছে কিছু। মন্ত্রমুগ্ধের মত লম্বা চেরাটার দিকে চেয়ে রইলেন আফসার সাহেব। মহিলা তখন ঘাড় উঁচু করে মাস্টারের দিকে চেয়ে আছে। সেদিকে তাকিয়ে আফসার সাহেব বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপা, আপনার মনে হয় আনইজি ফিল হচ্ছে। আমি বালিশ এনে দিচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলেই দ্রুতপায়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন তিনি। পরনে শুধু লম্বা পাঞ্জাবি। হাঁটার তালে তালে ঝুলে পড়া অন্ডকোষ উন্মুক্ত উরুর দুইপাশে থ্যাপ থ্যাপ শব্দে আছড়ে পড়ছে। নেতিয়ে পড়েছে পুরুষাঙ্গ। নিচতলার দাড়োয়ানের রুম থেকে বালিশ নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে অবস্থাটা ভেবে মনে মনে হাসি পেল তার। কলেজের ভেতর হেডমাস্টার দিগম্বর হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এর চাইতে ড্রীম কাম ট্রু মুহূর্ত আর কি হতে পারে। এ তো স্বপ্নের চেয়েও বেশি! আস্তে আস্তে সব হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দরজাটা যেভাবে হাট করে খুলে রেখে গেছিলেন, সেভাবেই আছে। ভেতরে গিয়ে দেখলেন, রুমের পেছনটায় দাঁড়িয়ে আছেন শিরিন আপা। গলা উঁচু করে মিনারেল ওয়াটারের বোতল থেকে পানি খাচ্ছেন আর ফিসফাস করে মেয়ের সাথে কথা বলছেন। কুঁচকে থাকা কোমর, ভরাট পাছা, খোঁপা বাধা চুলের নিচে গলার সরু গোল্ডেন চেইন, সব দেখে পুরুষাঙ্গে রক্ত চলাচল বাড়তে লাগল তার। কাছে গিয়ে সেই লো বেঞ্চে বালিশখানি রাখলেন। ধুপ করে শব্দ হতে অপ্রস্তুতভাবে পেছন ফিরে চাইলেন শিরিন আপা। সেদিকে তাকিয়ে আফসার সাহেব দেখলেন আনিকার চোখে চশমা। হাতে কি নিয়ে যেন তা মনযোগ দিয়ে পড়ছে। সেদিকে নির্দেশ করে কিছুটা জোর করেই হেসে দিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কন্ডমের প্যাক। প্রোটেকশানের জন্য নিয়ে আসা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ, হ্যাঁ, ভালতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হাসার ভান করলেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইনস্ট্রাকশন পড়তে দিলাম। না জানা থাকলে তো অসুবিধা। মেয়ে বড় হচ্ছে তো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ, তাই। কিন্তু ও যে বলল, দাদুর সাথে ভালই....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভ্রু কুঁচকে কথাটা বলতে যাচ্ছেন আফসার সাহেব, এমন সময় তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন শিরিন আপা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা হা হা, কিজানি কি বলেছে আপনাকে, দাদু ওকে খুব আদর করত। তাছাড়া বাবা তো সেকেলে মানুষ ছিলেন, প্লাস্টিকে তার কোন আস্থা ছিলনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অসুবিধা নেই, আজ প্র্যাকটিকালি বুঝে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিবেশ সহজ করতে দুজনেই হাসলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ের হাত থেকে হার্ডপেপারে মোড়ানো প্যাকেটটা নিয়ে মুখ খুললেন শিরিন আপা। ভেতর থেকে দুটো চকচকে প্যাক বেরিয়ে এল। একটা হাই বেঞ্চে রেখে অন্যাটা হাতে নিয়ে মেয়ের দিকে ফিরলেন তিনি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, যাও, স্যারের বাবুটাকে গোসল করায় দাও। স্যার পাঞ্জাবিটা খুলে ফেলেন।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/4176876534041080549/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-48.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4176876534041080549'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/4176876534041080549'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-48.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 48'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-7061676284986957206</id><published>2025-07-13T19:15:00.005+06:00</published><updated>2025-07-13T19:15:35.158+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 47</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; স্থান নির্বাচন করতে অনেক মাথা ঘামাতে হয়েছে আফসার সাহেবকে। বুদ্ধি একটা এসে যাবে চিন্তা করে আগের দিনই দপ্তরির কাছ থেকে সব রুমের চাবি চেয়ে নিয়েছিলেন। তেমন কোন সুবিধাজনক স্থান শেষ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে না পেরে কোন ক্লাসরুমেই সেরে ফেলবেন ঠিক করেছেন। দাড়োয়ানের থাকার রুমটাতে একটা চৌকি আছে বটে, তবে সেটা খুবই ছোট। তাছাড়া ঘরটা এতই গুমোট যে গরমে দম বন্ধ হয়ে আসে। তাও নাহয় করা যেত, এখন দুই রমণী এসে সমস্যা দ্বিগুণ করে দিয়েছে। মনে মনে আপাতত বেস্ট সল্যুশন ঠিক করে সিঁড়ি ধরে উপরে হাঁটা দিলেন। পিছনে মা-মেয়ে তাকে অনুসরণ করে স্যান্ডেলের ঠক ঠক শব্দ তুলে আসছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনতলার কোনার বড় রুমটার সামনে এসে থামলেন। তালা আগেই খোলা ছিল। লোহার শক্ত ছিটকিনি ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ তুলে খুলে গেল। স্তব্ধ রাতের নীরবতায় এতটুকু শব্দও এত বিকট মনে হল যে, এখনি বোধহয় আশেপাশের ঘরবাড়ির সবাইকে জাগিয়ে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুমের ভেতর কালিগোলা অন্ধকার। হাট করে খোলা দরজার পাশে হাতড়ে হাতড়ে সুইচবোর্ড টিপে লাইট ফ্যান চালিয়ে দিলেন আফসার সাহেব। তার পেছন পেছন দুজনে ভেতরে ঢুকতেই দরজা চাপিয়ে দিলেন। এত রাতে বাইরে থেকে আলো দেখা গেলে উৎসুক হয়ে কেউ ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। তার উপর আবার গেটটাও ভেতর থেকে লাগানো হয়নি। ফুল স্পীডে চার চারটি ফ্যান ঘুরছে। তবু গুমোট ব্যাপারটা কাটছেনা। চকের ধূলা ব্লাকবোর্ড থেকে নাকে এসে ঢুকছে। ক্লাস টেনের বিশাল রুমটির পেছন দিকটা খালি। অনেকটা জায়গা জুড়ে কোন বেঞ্চ পাতা নেই। সেদিকে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে দুটো জানালা খুলে দিলেন। হুড়হুড় করে শীতল বাতাস বুক ভরিয়ে দিল। স্যারকে অনুসরণ করে মহিলারা পেছনে চলে এলেন। স্থান নির্বাচন হয়ে গেছে বুঝতে পেরে একটা লো বেঞ্চে নিজের ভ্যানিটি ব্যাগ আর মেয়ের হ্যান্ডব্যাগ নামিয়ে রাখলেন শিরিন আপা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আফসার সাহেব ইতোমধ্যে ভয়-দ্বিধা কাটিয়ে উঠেছেন। কিন্তু, কিভাবে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না। বারবার চোখটা অষ্টাদশী আনিকার দিকে চলে যাচ্ছে। ঘিয়ে রঙের লম্বা ফুল স্লীভ কামিজে ফুল-পাতার নকশা আঁকা। আধো আঁধারে এতক্ষণ গোলাপী স্কীন টাইট পাজামা লক্ষ্য করেননি। অন্যদিকে জানালা দিয়ে বারিয়ে তাকিয়ে চাঁদের ঘোলা আলোয় প্রকৃতি দেখছে আপাদমস্তক নীলে ঢাকা শিরিন আক্তার। আকর্ষণের পাল্লাটা কলেজ পড়ুয়ার নতুন শরীরের দিকেই ভারি। তবে বয়ষ্ক মাকে ফেলে রেখে মেয়ের দিকে হাত বাড়ানোটা মহিলার পছন্দ নাও হতে পারে। সমস্যার সমাধান করতেই যেন মাথায় পেঁচিয়ে রাখা ওড়না খুলে হাতে নিয়ে নিল আনিকা। সেদিকে তাকিয়ে আবার শিরিনের দিকে চাইছেন আফসার সাহেব। স্যার এগোতে ভয় পাচ্ছেন দেখে মৃদু স্বরে আনিকা মাকে ডাক দিল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানালা থেকে চোখ সরিয়ে মেয়ের দিকে চাইলেন ম্যাডাম। বক্ষাবরণ সরিয়ে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনি। একবার মাথা থেকে পা পর্যন্ত চোখ বুলিয়ে বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- চশমাটা খুলে রাখ। ঐ ব্যাগের ভেতর রেখে দেও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হুম, এই বেঞ্চে বস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে মেয়েকে ধরে শেষ মাথার লম্বা লো বেঞ্চের সরু দিকটায় মুখ করে বসিয়ে দিলেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনে বসেন ওর সাথে, কয়েকটা লো বেঞ্চ একসাথে করে নেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শিরিনের কথা বুঝতে পেরেছেন আফসার সাহেব। কয়েকটা লো বেঞ্চ একসাথে করে বিছানার মত করে নিলেন। তারপর অনির সাথে একইভাবে গা ঘেষে বসে পড়লেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মামনি, স্যারকে একটা কিস দেও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীল ছবির পরিচালকের মত নির্দেশনা দিচ্ছেন শিরিন আপা। এভাবেই বোধহয় দাদুর সাথে করতে পাঠাতেন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মায়ের কথা মত চোখ বন্ধ করে ঘাড় উঁচু করে স্যারের ঠোঁটে চুমু দিতে লাগল অনি। সাড়া পেয়ে আফসার সাহেব খপ করে নরম ঠোঁট নিজের মুখে পুরে নিলেন। দুহাতে গলা আঁকড়ে ধরে নিচের ঠোঁট চুষছেন। এরি মধ্যে বুঝতে পারলেন কেউ তার পাজামা ধরে টানছে। প্রথমে ভাবলে আনিকা। পরে নিচের দিকে চোখ ঘুরিয়ে দেখলেন শিরিন আপা। নীল ওড়না রেখে ফ্লোরে হাঁটু ভাঁজ করে বসে তার পাজামা খোলার চেষ্টা করছে। লো কাট কামিজের গলার দিকটা দিয়ে বড়সড় স্তনের খাঁজ দেখা যাচ্ছে। একপাশে হাতা সরে গিয়ে বাদামী বক্ষবন্ধনীর ফিতে চোখে পরছে। কয়েকবার পাজামায় টান পড়ায় পায়ের উপর ভর দিয়ে পশ্চাতদেশ উঁচু করলেন। ইলাস্টিকের পাজামা ঝটকা টানে নামিয়ে আনল শিরিন। স্যারের পা থেকে স্যান্ডেল খুলে পাজামা বেঞ্চের উপর রেখে ঝুলে থাকা পাঞ্জাবির নিচে পুরুষাঙ্গ খপ করে ধরে ফেলল। মোটাসোটা লিঙ্গখানি কামারের লোহা পোড়ানো হাপরের মত উত্তপ্ত হয়ে আছে। ঠান্ডা হাত গরম অঙ্গে পরতে আফসার সাহেব মুখ নামিয়ে তাকালেন। আরামে চোখ বন্ধ করে দু পা মেলে দিলেন। ডান পা আনিকার কোলে রেখে কামিজের উপর দিয়ে ছোট্ট শক্ত স্তন পালা করে টেপা ধরলেন। শিরিন আপা এক হাতে শক্ত করে ধোনটা মুঠ করে ধরে এদিক ওদিক নেড়েচেড়ে দেখছেন। বেশ কয়েকদিন হয়েছে ওতে কাঁচি বা ক্ষুর ধরেনি। কোঁকড়া চুলে মাঝবয়েসি সুঠাম লিঙ্গ আরো পৌরষদীপ্ত হয়ে উঠেছে। শরীরের অন্যান্য অংশের মত উরুসন্ধির চামড়ায়ও কোঁচকানো ভাব ধরেছে। ফ্যাকাশে মুন্ডির পাতলা চামড়া সাদা ক্রিস্টালের মত টিউব লাইটের আলোয় জ্বলছে। হাত বুলাতেই খসখস শব্দ কানে লাগে। উপরে তাকালেন একবার। চুমু বন্ধ করে স্যার অনির সালোয়ারের ভেতর হাত গলিয়ে দিয়েছে। স্যারের চিতানো বুকে মাথা গুঁজে সে একমনে ধোনটা দেখছে। এখন পর্যন্ত সে শুধু দাদুরটাই দেখেছে। দাদুর চামড়াও কুঁচকানো ছিল। তবে, বয়স অনুসারে আরো বেশি। ধোনের চামড়া ধরে হাত মারলে মনে হত ভেতরটা খুলে বেরিয়ে আসবে বুঝি। তবে দাদুর অঙ্গ এরকম গোঁয়াড় ষাঁড়ের মত ছিলনা দেখতে। আবার নিজের কাজে মন দিলেন শিরিন ম্যাডাম। ধোনের গোড়ায় চেপে পেছনে টেনে যতটা সম্ভব টানটান করে মুখ ঢুকিয়ে দিলেন। পুরোটা যাওয়ার আগেই গলায় বেঁধে গেল বলাই বাহুল্য। খক খক করে কয়েকবার কেশে এবারে আস্তে আস্তে এগোলেন। আদ্রতা পেয়ে মুন্ডিটা ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে। জিভ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথাটাই চাটছেন। ছোট্ট ফুটোয় জিভের আগা ঠেকিয়ে বার কয়েক ঘোরাতেই প্রিন্সিপাল সাহেবের মাথা ছ্যাৎ করে উঠল। সপ্তাহ দুয়েক নারী সংসর্গ হয়নি তার। হঠাৎ এতটা সাড়া পেয়ে পাইপলাইন খালি হয়ে যেতে চাইছে। আসন্ন বিব্রতকর অবস্থা এড়াতে আনিকাকে ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। শিরিনকে দাঁড় করিয়ে একসাথে পুরোদমে চুমু আর বুক টেপা আরম্ভ করে দিলেন। ছোটখাট দেহ তার, স্বাস্থ্যবান কামোদ্দীপ্ত পুরুষের ধস্তাধস্তিতে টাল সামলাতে পারছিলেন না। আনিকা কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে স্যারের সাথে মায়ের চুম্বন-মর্দন দৃশ্য দেখছিল। দাদুর পর দ্বীতিয়বারের মত কারো সাথে মাকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখছে সে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/7061676284986957206/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-47.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7061676284986957206'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/7061676284986957206'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-47.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 47'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-8033867339581511786</id><published>2025-07-13T19:15:00.002+06:00</published><updated>2025-07-13T19:15:17.419+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 46</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; খাবারের প্যাকেট হাতে নিচ তলায় এসে দাঁড়িয়েছেন শিরিন ম্যাম। এদিক ওদিক খুঁজে দুজনের কাউকে না পেয়ে টেবিলের উপর প্যাকেটগুলো রেখে অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ করেই মাকে দেখতে পেয়ে আনিকা আফসার সাহেবকে বলল তাদের এখন নিচে নামা উচিত। কিছু না বলে কিশোরির পেছন পেছন সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামতে শুরু করলেন। নিজেকে সেয়ানা ঘুঘু মনে করতেন এতদিন। এখন দেখছেন বয়সে অর্ধেক হয়নি এমন পোলাপানের অভিজ্ঞতার মাত্রা তার পক্ষে ছোঁয়া কোন কালেও সম্ভব না। নামতে নামতে আনিকা জিজ্ঞেস করল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হা, বল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি তো জানতেই চাইলেন না আমি আম্মুর সাথে এখানে কেন এলাম?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- জানিনা। কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি তো তুমনের এডমিশন টা বাঁচিয়ে দেবেন, তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ। সেরকমই তো কথা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিন্তু সেকেন্ড সেমিস্টারে তো ও আবার ডাব্বা মারবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হলেন আফসার সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কেন? এমন হবে কেন! তোমার মা তো বললেন ভাল টিউশন করাবেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হহুম, তা করাবে। তবুও ওর পক্ষে পাশ করা পসিবল হবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কি বল! তাহলে তো বোর্ড এক্সামেও ফেল করবে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়েস। তা হলে তো আপনার কলেজের র‍্যাঙ্কিং অনেক পেছনে চলে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্ট্রেইঞ্জ! তুমি এসব বলছ কেন? এখন যদি আমি কাজটা না করি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহা, করবেন না কেন? শুধু এখনি না, নেক্সট এক্সাম এবং বোর্ড এক্সামেও আপনি রেজাল্ট পাল্টে দেবেন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আ&#39;ম নট ম্যাড। প্রশ্নই আসেনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম। ইউ উইল বি ম্যাড। আমার একটা প্রপোজাল আছে। সেটা শুনে ডিসিশান দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হোয়াট?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপন হয়ত ভাবছেন, তুমন কেন পাশই করতে পারবেনা বললাম? আসলে ও কোন কালেই পাশ করেনি। কয়েক বছর আম্মুই ওর রেজাল্ট প্রভাবিত করেছে। আপনি হয়ত টের পাননি। আপনার ক্ষমতা তখন আরো কম ছিল। এবারে আর আম্মু সামাল দিতে পারেনি। আম্মু যখন প্র্যাগন্যান্ট ছিল, দাদু তখনো খুব রাফ সেক্স চালিয়ে গেছে। যার ফলে ওর ব্রেইনে কিছুটা ডিফেক্ট তৈরি হয়েছে। বাবাকে সেটা জানানো হয়নি। তাই ওকে কোন স্পেশাল কলেজে এতদিন দেয়া হয়নি। নেক্সট ইয়ারে তাই করা হবে। বাবা তো এমনকি এও জানেনা, তুমন তার ছেলে কম, ভাই বেশি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হোয়াআট!?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, দাদু একবার মুখ ফসকে আমাকে বলে ফেলেছিল। আম্মু চেয়েছিল এবরশন করিয়ে ফেলতে। কিন্তু দাদু করাতে দেয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হোলি শিট!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাই হোক, ওকে একবার পাশ দেখাতেই আমার আত্মা বেরিয়ে যাবার যোগার হয়েছে। আরো দুবার করা সম্ভব হবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি জানি। কিন্তু, এমন যদি হয়, আপনি আম্মুর সাথে যা যা করবেন, আমিও তা এলাও করলাম। নিচ তলার সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে আচমকা থেমে গিয়ে পেছন দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে আফসার সাহেবের চোখে চোখ রেখে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো গলার কাছে শূন্যতা অনুভব করছেন তিনি। কয়েক সেকেন্ড পর বললেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওকে। কিন্তু, তোমার মা রাজি হবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আম্মুকে নিয়ে আপনার ভাবা লাগবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে অট্টহাসি দিয়ে সোজা বারান্দা ধরে টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খেতে খেতে পরিবেশটা আবার সহজ হয়ে এল। আনিকার কথাগুলো একরকম ভুলে গেছিলেন আফসার সাহেব। হঠাৎ করেই শিরিন ম্যাম মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অনি, তোমার স্যারকে বলছ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইঙ্গিত বুঝতে পারল বুদ্ধিমতি অনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হু, আম্মু, চিন্তা করার কিছু নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক লাইনের এই কথোপকথনের মানে বুঝতে কয়েক ঢোক কোল্ড ড্রিংক্স ব্য্যয় করতে হল প্রিন্সিপাল স্যারের। কোনরকমে বিষম খাওয়া থেকে রেহাই পেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খাওয়া দাওয়া সেরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে নিতে সাড়ে নয়টা বেজে গেল। উপজেলা শহরের ব্যস্ত রাস্তাও শান্ত হয়ে এসেছে। গাড়ির হর্ণ থেমে গেছে। দশটা বাজার আগে রিকশার টুংটাং পর্যন্ত বিলীন হয়ে যাবে। নড়েচড়ে উঠলেন শিরিন ম্যাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এবার তাহলে কাজের ব্যাপারে আসি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ও, হ্যাঁ, রাত বেড়ে যাচ্ছে। আপনাদের কি রিকশা করে দেব?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, আমরা যে কাজে এসেছি তার কথাই বলছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বেশি রাত হয়ে গেলে সমস্যা হবেনা আবার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, বাসায় আমাদের জন্যে তো আর কেউ পথ চেয়ে বসে নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষ কথাটা সখেদে বললেন শিরিন ম্যাম।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/8033867339581511786/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-46.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8033867339581511786'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/8033867339581511786'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-46.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 46'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-5117195908427735582</id><published>2025-07-13T19:14:00.010+06:00</published><updated>2025-07-13T19:14:59.193+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 45</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; পুরো ঘটনাটা শুনে গলা শুকিয়ে গেল আফসার সাহেবের। কিছুই বললেন না। বলতে লাগল আনিকা,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি ভাবছেন না আমি আজকে এখানে কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি এখন আর কিছুই ভাবছিনা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্লান্ত গলা প্রিন্সিপালের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হিহি হি। আম্মুর কথাটা বিশ্বাস করতে পারছেন না বলে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমার মনে হচ্ছে ইউ আর জাস্ট এন এক্সট্রিমলি নটি গার্ল। তোমার মায়ের সাথে দাদার এরকম রিলেশন থাকলে কেউ জানলনা কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কে জানবে বলেন? আমি তো ছোট ছিলাম। আমাকে সমস্যাই মনে করেনি। বাবা মাসে ছয়দিনও বাসায় থাকেনা। গ্রান্ডমার মৃত্যুর পর আর কেউ ছিলনা সাসপেক্ট করার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এজন্যেই তোমরা এত ক্লোজ? টু কিপ মমিস লিটল সিক্রেট হিডেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তা না কিন্তু। সেটা অন্য কারণে..&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- শুনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দাদুর রিলেশনটা মনে হয় খুব পুরানো হয়ে গেছিল, কম হলেও টুয়েলভ ইয়ারস। এক সময় আমিও বড় হতে শুরু করলাম। দাদুর এথিকস-মরাল যেহেতু আগেই শেষ হয়ে গেছে, আমার দিকেও হাত বাড়াতে লাগল। বিশ্রি আদর করার হার বেড়ে গেল। গাড়ি দিয়ে কলেজে যাই, সেও সাথে আসে। বলে, কোলে বস। কোলে বসিয়ে এখানে সেখানে হাত দেয়, চাপচাপি করে। আন্ডারগার্মেন্টস নিয়ে কুৎসিত কমেন্ট করে। ডার্টি জোকস বলে আর খ্যাক খ্যাক করে হাসে। মা সবই জানে, কিছুই বলেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- দ্যান?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একদিন মাকে বলল, আমি ঠিকমত শাওয়ার নিইনা। ভালমত বডি ওয়াশ করিনা। তার নাতনী দিন দিন স্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতন হয়ে পড়ছে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম্মু সোজা বলে দিল, এখন থেকে তোমার গ্রান্ডপা গোসল করিয়ে দেবে। মা তখন একটা কলেজে জব করছে। তাই দাদু সুযোগটা ভালই পেয়েছে। দাদু তখন থেকে আমাকে গোসল করানো শুরু করল। বাথরুমের ফার্স্ট রুল হল আই হ্যাভ টু বি ন্যাকেড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- বল কি! তোমার মম কিছুই বললনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাহ, আমার মনে হয় এটা দুজনের প্ল্যানই ছিল। বাট আমি কখনোই তার সামনে কাপড় খুলতাম না, সে রাগ করত, তাও না। সে জাস্ট হাত দিয়ে ঘষাঘষি করতে পারত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুমমমম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এটাই কিন্তু শেষ না, শেষ ধাক্কাটা খেলাম কিছুদিন পর। কয়েকদিন ধরেই দাদু আম্মুকে কিছু একটা বলে মানাতে চাইছিল, আম্মু মানছিলনা। একদিন কলেজ থেকে এসে দেখি আম্মু ড্রইং রুমে বসে আছে। দাদু নেই আশেপাশে। আম্মু খুব সফট বিহেভ করছিল,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ক্লাস কেমন হল অনি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভাল, আম্মু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম্মু কলেজব্যাগ নামিয়ে আমার চুলের ক্লিপ খুলে দিল। জুতা মোজা খুলে জিজ্ঞেস করল, এই মাসে আমার পিরিয়ড হয়েছে কিনা। বললাম এক সপ্তাহ আগে হয়েছে। ঘাড় ঝাঁকিয়ে আম্মু বলল তার সাথে দাদুর রুমে যেতে হবে। ড্রেস চেঞ্জ করার আগেই হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল। গিয়ে দেখি দাদু লুঙ্গি পরে খালি গায়ে বিছানায় বসে আছে। মনে হল যেন আমার অপেক্ষায়ই ছিল। আম্মু বলল বিছানায় বসতে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নে, বিছানায় বস দাদুর সাথে। পায়জামাটা খোলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি খুব ভড়কে গেছিলাম আম্মুর কথা শুনে। আমাকে অবশ্য এর পর আর কিছুই করতে হয়নি। আম্মুই স্কার্টের বেল্ট খুলে পাজামা নামিয়ে দিল। তখন শুধু নতুন নতুন ব্রেসিয়ার পড়ি, পায়জামার নিচে কিছু নেই। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই যা হবার হয়ে গেল। আম্মু আমার পা শক্ত করে ধরল। দাদু লুঙ্গি খুলে সোজা আমার উপর উঠে এল। লোমশ পেট আর যৌনাঙ্গ দেখে আমার মাথা ঘুরতে শুরু করল। ব্যাথায় চোখ দিয়ে পানি পড়ছে, আম্মু মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর বলছে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আর একটু থাক সোনামনি, আর একটু লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম্মুর রুমে সব সময় একটা অলিভ অয়েলের ক্যান থাকত। কি করত সেদিন বুঝলাম। ব্যাথা পাচ্ছি দেখে আম্মু তেল দিয়ে স্লিপারি করে দিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাদু শুধু ঘোৎ ঘোৎ করে কোমর দুলাচ্ছে আর মুখের ঘাম মুছছে। ফিনিশ করে যখন দাদু উঠে গেল, মনে হল নরক থেকে ছাড়া পেয়ে দুনিয়ায় আসলাম পুনরায়। আম্মু টিপে টিপে কাম বের করে নিল। দাদু যতদিনই করেছে, আমার সাথে কখনো প্রোটেকশান ইউজ করেনি। আম্মু শুধু ওয়াশ করে দিত। আজব ব্যাপার হল আমি কখনো কনসিভ করিনি। যদিও আমার ধারণা আম্মু আমাকে দুধের সাথে মিশিয়ে কিছু খাওয়াত। হার্বাল কিছু মেবি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি হয়ত ভাবছেন আম্মু কেন দাদুকে হেল্প করল? তাইনা? আসলে, দাদুর সাথে রিলেশানে জড়িয়ে পড়ার পর আম্মু সেটা এনজয় করতে শুরু করেছিল। সত্যি বলতে কি, দাদু বিছানায় খুব ভাল ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম্মু যেমনি একসময় দাদুকে ভালবেসে ফেলেছিল, আমারো তাই হল। পরের কয়েকমাস দাদুর জীবনের সবচে এক্সাইটিং সময়গুলো কেটেছে। আমাদের নিয়ে কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, ঢাকা - সবজায়গায় ঘুরলেন আর প্রচুর সেক্স করলেন। দেখা গেল, আজ আম্মু কাল আমি, দাদুর স্ট্যামিনা বেশি থাকলে সকালে আম্মু, কলেজ থেকে ফিরে বিকালে আমি। কখনো কখনো একসাথেই দুজনসের সাথে করেছেন। যেদিন সন্ধ্যায় দাদু মারা গেল, সেদিন আধঘন্টা আগেও আমার সাথে করেছে। যে দাদুকে গোসল করাচ্ছিল, সেও আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিল ওনার ঐখানটায় আঠা আঠা কেন! দাদুর কোন ডিজিজ ছিল কিনা। হাহাহা।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/5117195908427735582/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-45.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/5117195908427735582'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/5117195908427735582'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-45.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 45'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-1899634012553212124</id><published>2025-07-13T19:14:00.007+06:00</published><updated>2025-07-13T19:14:41.358+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 44</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; এবারে কিছুটা বোধগম্য ঠেকছে। তবু মেয়েকে নিয়ে আসাটা কিছুতেই মাথায় ঢুকছেনা। সবকিছু শেয়ার করলেও পরপুরুষের সাথে রাত কাটাতে যাওয়ার প্ল্যান কেউই তো নিজের মেয়েকে বলবেনা। যা বোঝা যাচ্ছে, আজ কোন ঠেকায় পড়ে মেয়েকে সাথে নিয়ে আসতে হয়েছে এবং আজকে খোশোগল্প করা ছাড়া কিছুই হবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওহ, আই সী, আপনি খুব লাকী বলতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ, তা বলতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ম্যাম, ডিনারের সময় তো হয়ে এল, আপনারা সময় নিয়ে এসেছেন নিশ্চই? কি খাবেন বলুন আনিয়ে নিচ্ছি।হ্যাঁ, সময় আছে হাতে। ডিনার হলে মন্দ হয়না। এক কাজ করি, আমিই যাই - আপনি বরং আনিকার সাথে একটু কথাবার্তা বলুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্তব্ধ রাত, ঝিঁ ঝিঁ পোকার আওয়াজ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। নিরবতা ভাঙলেন আফসার সাহেব,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মামনি, কোন গ্রুপে পড়ছ তুমি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সায়েন্স&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, ভেরি গুড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হ্যাঁ, বল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কলেজটা ঘুরে দেখা যাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইয়েস, শিওর। আসো তোমাকে ঘুরে দেখাই&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হাঁটতে হাঁটতে দুজনে তিনতলা পর্যন্ত উঠে গেলেন। সায়েন্স বিল্ডিংযের বায়োলজি ল্যাবের জানালার কাচ দিয়ে ফ্লাডলাইটের আলো ভেতরে গিয়ে পড়ছে। সেই আলোয় ভেতরের কঙ্কালটা ঝকমক করে উঠছে। এক হাত নেই প্লাস্টিকের কাঠামোটির। হঠাৎ দেখেই ভয়ে আঁতকে উঠল আনিকা। খপ করে আফসার সাহেবের হাত চেপে ধরল। এর মধ্যেই কথা বলতে বলতে অনেকটা ফ্রী হয়ে এসেছেন দুজনে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি একটা কঠিন প্রবলেমে আছেন, তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাতো, তোমার কেন তাই মনে হল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হলেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি বুঝতে পারছেন না আম্মু কেন আমাকে এখানে আনল, তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহা, আরে না, তা হবে কেন, তুমিতো আসতেই পার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, আম্মু এখানে কেন এসেছে বলেন তো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এইত্তো, ফ্রেন্ডলি ভিজিট বলতে পার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উঁহু, আমাকে ভুল বলে লাভ নাই। আমি ঠিকই জানি। আম্মুই বলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মেবি ইউ আর গেসিং সামথিং রং?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- জ্বী না, আম্মু এসেছে আমার ছোট ভাইয়ের এডমিশন সেভ করতে। সেজন্যে আপনার সাথে খারাপ খারাপ কাজ করতে হবে। আমি জানি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এসব তোমাকে কে বলল? কি যা তা ভাবছ তুমি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হবার ভান করতে হলনা, আসলেই অবাক হয়েছে বুড়ো প্রিন্সিপাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাহা, আম্মু যে বলল আমরা অনেক ক্লোজ, একেবারে ক্লোজ ফ্রেন্ডের চেয়েও ক্লোজ। এটা শুনে কিছুই বোঝেন নি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মেবি ইউ আর থিংকিং টু ওয়াইল্ড!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওকে, নো আর্গুইং। আচ্ছা, বলেন তো আম্মু কিভাবে মাস্টার্স কম্পলিট করল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- উনি তো বললেনই, তোমার গ্রান্ডপ্যারেন্টস এগ্রি করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, কিন্তু আমার বাবা চায় নাই মা পড়ুক। আসলে কি জানেন, বাবা, দাদা-দাদু, নানা-নানু কেউই চায় নি আম্মু আরো পড়ুক ।বিয়ের পর পড়ার দরকার কি! এই যুক্তিতে সবাই ছিল একজোট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তাই নাকি! তাহলে এই পরিস্থিতে আরো ছয় সাত বছর পড়লেন কিভাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, সেটাই তো সিক্রেট। আমার বাবা অনেক বছর থেকেই ঢাকায় দাদুর বিজনেস দেখেন। দাদুর উপরে কথা বলার সুযোগই নেই। হঠাৎ করেই দাদু রাজি হয়ে গেলেন, সবাই অবাক হলেও সত্যি কথা হল আম্মু আরো পড়তে পারল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ভেরি স্ট্রেইঞ্জ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আমি কিন্তু সিক্রেট ব্রেক করে ফেললাম। আমার বয়স যখন দশ, দাদী ক্যান্সারে মারা যান। আগে থেকেই দেখতাম আম্মুকে দাদু খুব আদর করে। দাদীর ডেথের পর আদর আরো বেড়ে গেল। আমি বড় হয়ে গেছি এই অযুহাতে আমাকে আলাদা রুম দেয়া হল। আম্মু কিন্তু একা ঘুমাত না। শোবার সময় হলেই দাদু চলে যেত আম্মুর রুমে। যখন এসব বুঝতে শিখলাম ততদিনে বুঝতে পারলাম দাদুর সাথে আম্মুর রিলেশনটা অস্বাভাবিক। আরো বড় হলে ধরে নিলাম এটাই ছিল আম্মুর সেক্রিফাইজ, পড়াশোনা চালিয়ে নেবার জন্যে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/1899634012553212124/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-44.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1899634012553212124'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1899634012553212124'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-44.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 44'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6274850923837279289.post-1304001760071954621</id><published>2025-07-13T19:14:00.004+06:00</published><updated>2025-07-13T19:14:24.109+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="সুযোগের সদ্ধ্যবহার"/><title type='text'>সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 43</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; - আমি কবে আসবো? কোথায়? কতক্ষণ সময় লাগবে বলে দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ডিসিশান যখন নিয়েই ফেলেছেন তাহলে টাইম ওয়েস্ট করে লাভ নাই। কাল ফ্রাইডে, কলেজ বন্ধ। আপনি দশটার দিকে চলে আসুন। দুপরের আগেই ছেড়ে দেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কলেজে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- অ্যাঁ, হাঁ, আমাকে শহরে বহুলোকে চেনে। একসাথে দেখে ফেললে আপনারো সমস্যা হতে পারে। তার চাইতে কলেজেই চলে আসুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কিন্তু, তবু, আই মিন, অফ ডে তে আমি গেলে কারো সন্দেহ হবেনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- না, সেই ভয় নাই। শুধু দাড়োয়ান আছে। গেটে বসে থাকে, সন্ধ্যা হলে তালা মেরে চলে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রাতে কেউ থাকেনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- নাহ, এলাকার সিকিউরিটি গার্ড আছে, কলেজে আলাদা কেউ থাকেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সরি, স্যার, বাট রাতে যদি কেউ না থাকে তবে সেই টাইমটা নিলে ভাল হয়&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওকে, আপনি যা বলেন। এন্ড আর একটা রিকোয়েস্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- জ্বী, বলুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনি মাঝে মাঝে একসেট ব্লু সালোয়ার কামিজ পড়ে কলেজে আসেন। কাইন্ডলি সেটা পড়ে আসবেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আহ, আচ্ছা, তাই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ওকে, রাখুন তাহলে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*********&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেলে রাখা কাজগুলো করে রাখলেন আফসার সাহেব। সেইসাথে আসন্ন রাতের পরিকল্পনাটা ঠিকঠাক করে নিলেন নিখুঁতভাবে। দাড়োয়ানকে আকাশ কালো হবার আগেই ছুটি দিয়ে দিলেন। বলে দিলেন, আজ রাতে একটু বেশি সময় কলেজে থাকবেন। ফেলে রাখা কাজ গুলো সেরে ফেলতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশাল গেটের পেছনে দাঁড়িয়ে উজ্জ্বল ফ্লাডলাইটের আলোয় হাতঘড়ি দেখছেন। চিন্তার ভ্রুকূটিগুলো বেড়ে চলেছে। শিরিন আপার আসার সময় হয়ে গেছে। এখনো কাজটা কোথায় সম্পন্ন করবেন তা-ই ঠিক করতে পারেননি। আজকে কোয়ার্টারে কর্মচারীরা আছে, সেখানে মেয়েমানুষ নিয়ে গেলে ইজ্জ্বত থাকবেনা। ভাবনায় ছেদ পড়ল গাড়ির তীক্ষ্ম হর্ণের শব্দে। বিশাল গেটের মধ্যে ছোট পকেট গেটখানি হাট করে খোলা। সেখান দিয়ে হেডলাইটের আলো কলেজের মাঠে এসে পড়ছে। কয়েক মুহূর্ত পর পাকা বাহির বারান্দায় ঠক ঠক শব্দ শুনতে পেয়ে বোঝা গেল, আগন্তক একজন মহিলা। গাড়ির আলো নিভে যেতেই শব্দ দূরে মিলিয়ে গেল। আফসার সাহেব একটু পিছিয়ে গিয়ে বারান্দায় রাখা প্লাস্টিকের চেয়ারে হাসি হাসি মুখ করে বসে পরলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমে মনে হল দৃষ্টিভ্রম হয়েছে। বুড়ো চোখদুটোকে বিশ্বাস করতে আজকাল মাঝে মাঝেই কষ্ট হয়। বায় কয়েক পলক ফেলে নিশ্চিত হলেন, মহিলা এসেছেন ঠিকই - তবে একা নয়! সাথে আরো একজন আছে। সেও একজন স্ত্রীলোক। ঘটনাটা খুব অবাক করল প্রিন্সিপাল স্যারকে। অন্ধকার প্যাসেজ বেয়ে বারান্দার কোণে আলোতে আসতেই দুজনকে চোখে পড়ল। বামে ছোটখাট শিরিন আক্তার, পরনে সেই নীল সালোয়ার কামিজ, নীল সুতোর কাজ করা ওড়না দিয়ে মাথায় প্যাচানো। চুলগুলো সিঁথি করে পেছনে বাঁধা। আজ তাকে কালকের চাইতে অনেক বেশি কনফিডেন্ট দেখাচ্ছে। এমনকি চোখের সেই স্টীল রিমড চশমাটাও নেই। সেই চশমার স্থান বদল হয়েছে অপর ললনার সাথে! শিরিনের ছায়া এসে পড়ায় অন্য মহিলাকে ঠিক দেখতে পাচ্ছেন না। সে এদিক ওদিক তাকিয়ে বিশাল কলেজটা দেখছে। একেবারে সামনে আসতে ভালভাবে দেখতে পেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মহিলা না বলে মেয়ে বলাই ভাল। উচ্চতায় শিরিন আপার চেয়ে দু ইঞ্চি লম্বা হবে। ফর্সা গোলগাল মুখ, মুখের নার্ভাস ভঙ্গি কাটিয়ে চশমাটা একটা আলাদা গাম্ভীর্য এনে দিয়েছে। প্রতিদিন বিকেলেই মাঠে টি টেবিলে আড্ডা বসে। আজ কাউকে ডাকেননি আফসার সাহেব। এই শুধু তার একার। খালি পড়ে থাকা দুটো চেয়ার নিয়ে দুজনে বসলেন। শিরিনের সাথে হাই হ্যালো করে নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বারবার মেয়েটার দিকে তাকাচ্ছেন, বুঝতে পেরে সে যেন আরো নার্ভাস হয়ে গেল। মাথা নিচু করে দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কাটছে ক্রমাগত। অস্বস্তিকর পরিবেশটা হালকা করতে গলা ছাড়লেন শিরিন ম্যাডামই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- স্যার, এ হচ্ছে আমার মেয়ে -- আনিকা ।। আনিকা, ইনিই প্রিন্সিপাল সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হাও আর ইউ স্যার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খড়খড়ে গলায় ঘাড় উঁচু করে জিজ্ঞেস করল আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আঁ, ইসেস, আ&#39;ম ডোয়িং ফাইন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়ের পরিচয় শুনে তব্দা খেয়ে গেছেন আফসার সাহেব। বলে কি! এই মহিলার মেয়ে? আগে তো কখনোই শুনেননি। তাছাড়া এই মেয়ের বয়স ও তো কম হয়নি। আর, হলইবা নিজের মেয়ে, সেক্ষেত্রে এরকম লজ্জ্বাজনক কাজে মেয়েক আবার কে নিয়ে আসে! মহিলার মতলবটা কি? মনে মনে যতটা না অবাক হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছেন। তার মনে অবস্থা বুঝতে পেরেই বোধহয় শিরিন আপা মৃদু শব্দে হেসে বলে উঠলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আসলে স্যার আপনি বোধহয় আমার মেয়েকে এখানে আশা করেননি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আ, হ্যাঁ, তাই। তাছাড়া আপনার মেয়ের কথা কখনো শুনিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হুম, ও কখনো এই কলেজে পড়েনি, তাই অনেকেই জানেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আসলে জানেন কি, আপনাকে দেখে মনে হয়না আপনার এরকম বয়েসি একটা চাইল্ড থাকতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- রং আইডিয়া, আমার ম্যারেজের এজ বিশ বছর হয়ে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে কি! মহিলার বয়স তাহলে কত? অন্তঃত চল্লিশ। নাহ, দেখে তো সেরকম মনে হয়না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তা, মামনি তুমি কোন ক্লাসে পড়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- ইন্টার, ফার্স্ট ইয়ার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারে একটু কমফোর্ট ফিল করছে আনিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আপনার মনে হয় এখনো বিশ্বাস হচ্ছেনা। আমার বিয়ে হয়ে গেছিল অল্প বয়সে। এক বছর পর ওর জন্ম হয়। শুধু শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাপোর্ট থাকায় স্টাডি কম্পলিট করতে পেরেছিলাম। যদিও ওনারা আর বেঁচে নেই। আপনার মনে হয় মেয়েকে নিয়ে আসাটা বেখাপ্পা ঠেকছে। আসলে আমরা মা-মেয়ে একে অপরের সাথে খুব ফ্রী। দুঃশ্চিন্তার কিছু নাই। ওর বাবা বছরের পর বছর ঢাকায় আছে, ব্যবসা করছে। টাকা পাঠাচ্ছে। আমরা দুজনেই সবকিছু শেয়ার করি একে অপরের সাথে।</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/feeds/1304001760071954621/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-43.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1304001760071954621'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/6274850923837279289/posts/default/1304001760071954621'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://uniquecollection24.blogspot.com/2025/07/by-riddle-page-43.html' title='সুযোগের সদ্ধ্যবহার by riddle Page:- 43'/><author><name>Choti Baba</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14028779552903279492</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhEojjeAJpm4zcnjiAt_oCf42X-EvLLGY3Yluw6kqSI5JWU6oPgh93tf879L71tyaP92ZYyXzCG3Wp2c2m97niwna4gdJRSp0bPqkJGtQbrmP9TNid7gQuhm8twFY8QTN0/s220/12-19-48-images.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry></feed>