<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614</id><updated>2025-02-02T05:40:52.972+05:30</updated><category term="India-Pakistan Dialogue"/><category term="NAM Summit"/><title type='text'>Blog of Prasun Maitra</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default?redirect=false'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default?start-index=26&amp;max-results=25&amp;redirect=false'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>280</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-1044810489120219773</id><published>2024-06-06T09:08:00.003+05:30</published><updated>2024-06-06T09:08:31.928+05:30</updated><title type='text'>বঙ্গ বিজেপির বিধি বাম</title><content type='html'>&lt;p&gt;বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি, বুঝে নিক দুর্বৃত্ত!&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হ্যাঁ, বাংলার মানুষ সেটা বুঝে নিয়েছে বলেই ২৩টা আসনে লড়াই করে ২১টা আসনেই জামানত জব্দ হয়েছে সিপিএমের। যারা এককালে মনে করতো যে সিপিএম সাম্রাজ্যের সূর্য কখনও অস্ত যেতে পারেনা আজ তাদেরই এই ভোট-ভিখিরির দশা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই কারণেই সিপিএমের নেতা-কর্মীরা মমতা ব্যানার্জীর উপর চরম ক্ষুব্ধ। নন্দনে স্কচে চুমুক দিয়ে &#39;সংস্কৃতি চর্চা&#39; করা আঁতেলরা কখনও ভাবতে পারেনি যে আটপৌরে শাড়ি ও হাওয়াই চটি পরা কেউ তাদের শুধু ক্ষমতা থেকে ছুঁড়েই ফেলবেনা, বঙ্গ রাজনীতিতেও অপাংতেয় করে দেবে। এই কারণেই মমতার প্রতি তাদের রাগ, ঘৃণা ও বিদ্বেষ শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগতও বটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে গত এক যুগে তারা এটাও বুঝেছে দমনের রাজনীতিতে মমতা ব্যানার্জী তাদের গুরু আর তাকে সরানোর ক্ষমতা তাদের নেই। তাই অধিকাংশ বামই তলায় পুটকি লাগিয়ে রাম হয়েছে যাতে বিজেপি&#39;কে দিয়ে মমতাকে সরানো যায়। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক কিন্তু বাস্তব যে বর্তমানে রাজ্য বিজেপির তথাকথিত ইন্টেলেকচুয়াল গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ সেই বাম থেকে রাম হওয়াদেরই হাতে। এরা মমতা ব্যানার্জী&#39;র বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও মজার কথা হচ্ছে এদের অধিকাংশেরই বুদো ভটচাযের নাম শুনলে এখনও চোখের কোনটা চিকচিক করে আর বুকের বাম দিকটা চিনচিন করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মমতা ব্যানার্জী &#39;লক্ষ্মীর ভান্ডার&#39;-এর মতন কোন জনপ্রিয় প্রকল্পে ভর দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে গেলে এরা জনগণের চোদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে দেয় কারণ জনগণ তাদের প্রাক্তন গুরুঠাকুরদের জামানত জব্দ করে দিয়েছে কিন্তু &#39;শাদী শগুন&#39; বা &#39;লাডলি বহেনা&#39; নিয়ে টুঁশব্দ করেনা পাছে এখনকার বাঁধা বাবুদের গোঁসা হয়। এদের মমতা বিদ্বেষ রাজ্য বিজেপি&#39;কেও বিপথে চালিত করছে আর তাদের প্রভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেয়ার জন্যে জনগণকে &#39;ভিক্ষাজীবী&#39; জাতীয় কথা বলে নিজেদের জনগণ থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিচ্ছে বঙ্গ বিজেপি।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/1044810489120219773/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/06/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1044810489120219773'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1044810489120219773'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/06/blog-post.html' title='বঙ্গ বিজেপির বিধি বাম'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-1487094191493194503</id><published>2024-04-25T13:57:00.004+05:30</published><updated>2024-04-25T13:57:49.697+05:30</updated><title type='text'>চাকরি বাতিল ও ন্যায় বিচার</title><content type='html'>&lt;p&gt;ইংল্যান্ড ও আমেরিকার আইনের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ভারতীয় বিচারব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হল ইংল্যান্ডের বিখ্যাত আইনজ্ঞ স্যার উইলিয়াম ব্ল্যাকস্টোনের বিখ্যাত উক্তি-&amp;nbsp; &quot;It is better that ten guilty persons escape than that one innocent suffer মানে একজন নিরপরাধ&#39;কে শাস্তি দেয়ার থেকে দশজন অপরাধীর মুক্তি বেশী ভাল। অর্থাৎ, আইনের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নিরপরাধ&#39;কে সুরক্ষা দেয়া।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি দুঃখিত কিন্তু আমার মনে হচ্ছে যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার রায় দিতে গিয়ে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট সেই মাপদন্ডকে উপেক্ষা করেছেন। অযোগ্য প্রার্থীদের সাথে যোগ্য প্রার্থীদেরও চাকরি খারিজ করার এবং প্রদেয় বেতন সুদ সহ ফেরত দেয়ার যে নির্দেশ আদালত দিয়েছেন সেটাকে আর যাই হোক, ন্যায় বলা যায়না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রয়োজনীয় তথ্যের অপর্যাপ্ততা হোক বা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির অসহযোগিতা - আদালত যদি যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথক করতে অপারগ হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব ছিল অসহযোগী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে এদের প্রদেয় বেতন পুনরুদ্ধার করা। আইনের মূল ভিত্তিই হলো Justice should not only be done but also appears to be done মানে ন্যায় শুধু হওয়াটাই যথেষ্ট নয়, সেটার অনুভূতিটাও থাকা দরকার। কিন্তু তথ্যের অভাবে পুরো প্যানেলই বাতিল করার এই সিদ্ধান্ত সেই মাথা ব্যাথা কমাতে মাথা কেটে ফেলারই নামান্তর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিচারপতিরা তাদের কলমের এক খোঁচায় প্রায় পঁচিশ হাজার লোকের চাকরি নিষিদ্ধ করে দিলেন যার মধ্যে বহু যোগ্য প্রার্থীও আছেন কিন্তু মজার কথা হলো যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এতবড় দুর্নীতি হলো তাদের বিরুদ্ধে সেই বিচারপতিরা কোন শাস্তি ঘোষণা করলেননা কারণ সেটা আইনের অন্য ধারায়, অন্য আদালতে বিচার্য। সেই পৃথক বিচারপ্রক্রিয়াতে কি ধরণের দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রহসন চলছে সেটা সাধারণ মানুষ দেখলেও আইনের দেবী চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছেন। প্যানেলের যথার্থতা নির্ধারণ করা নিয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট সময়সীমা বেঁধে দিলেও বেআইনি প্যানেল তৈরীতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কোন সময়সীমা নেই। প্রশাসন ও শাসকদলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের ইচ্ছা ও সহযোগিতা ছাড়া যে এতবড় দুর্নীতি সম্ভব নয় এটা জেনেও অন্যান্য রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে সেই তদন্ত বিশ বাঁও জলে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপরেও যদি আপনি আমাকে বিচার বিভাগের ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত হতে বলেন তাহলে আমি নাচার। বিচার বিভাগের দায়িত্ব ন্যায় বিচার করা। ভোটের ইস্যু বানিয়েই তার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়না।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/1487094191493194503/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post_25.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1487094191493194503'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1487094191493194503'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post_25.html' title='চাকরি বাতিল ও ন্যায় বিচার'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-3692707777785047191</id><published>2024-04-05T14:26:00.004+05:30</published><updated>2024-04-05T14:26:33.462+05:30</updated><title type='text'>চিনি গো চীনি তোমারে</title><content type='html'>&lt;p&gt;ছোটবেলায়, সম্ভবত চাঁদমামা&#39;তে, একটা গল্প পড়েছিলাম। পাটালিপুত্রে তখন প্রবল ক্ষমতাশালী সম্রাট ধননন্দের শাসন। তার প্রতাপ এতটাই ছিল যে তার সৈন্যদলের সাথে লড়াই করতে হবে শুনে বিশ্বজয় করতে বেরোনো আলেকজান্ডারের সৈন্যদলেও ভীতির সঞ্চার হয় এবং বিদ্রোহ দেখা দেয়। চন্দ্রগুপ্ত তাকে হারিয়ে ক্ষমতা দখলের আপ্রাণ চেষ্টা করছেন কিন্তু ধননন্দের সাথে এঁটে উঠতে পারছেননা। বারবার লড়াই করে বিপর্যস্ত চন্দ্রগুপ্ত তখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কপর্দকহীন এরূপ অবস্থায় তিনি নিজের পরিচয় গোপন করে একদিন খাবার ও বিশ্রামের জন্যে একটি সাধারণ নাগরিকের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। সেই গৃহস্থের বাড়িতে কেবল একজন মা তার দুই ছেলে&#39;কে নিয়ে থাকতেন। রাত্রিবেলায় সেই মা তাঁর দুই ছেলের সাথে চন্দ্রগুপ্তকেও পঙতি ভোজনে বসিয়ে খিচুড়ি পরিবেশন করেছেন। খিচুড়িতে হাত দিয়েই চন্দ্রগুপ্ত হাত সরিয়ে নেন কারণ সেটা অত্যন্ত গরম ছিল। তার এই আচরণ দেখে পরিবেশনকারী মা বলেন, &quot;বাছা, তোমার তো দেখছি চন্দ্রগুপ্তের মত অবস্থা।&quot;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;খাওয়া মাথায় উঠলো চন্দ্রগুপ্তের। সে সচকিত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন, &quot;মা, আপনি এই কথা বললেন কেন?&quot; উত্তরে সেই মহিলা বলেন, &quot;খিচুড়ি গরম হলে সরাসরি মাঝখানে হাত দিতে নেই, বিভিন্ন পাশ থেকে ঠান্ডা হওয়া খিচুড়ি আস্তে আস্তে খেয়ে মাঝের দিকে এগোতে হয়। চন্দ্রগুপ্তও সেই গরম খিচুড়ির মত ধননন্দের সাম্রাজ্যকে সরাসরি আক্রমণ করে ভুল করছেন।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গল্পটির ঐতিহাসিক সত্যতা কতখানি তা জানিনা তবে তারপরই নাকি চন্দ্রগুপ্ত আবার নতুন উদ্যমে সেনা যোগাড় করেন এবং ধননন্দের সাম্রাজ্যের সীমান্ত অঞ্চলগুলি দখল করতে করতে পাটালিপুত্রে পৌছে ধননন্দকে পরাজিত করেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে শিবাজি মহারাজও একই পদ্ধতিতে মোঘল সাম্রাজ্যের খন্ড খন্ড অংশ জয় করে হিন্দুপদপাদশাহী প্রতিষ্ঠা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চীন অরুণাচলের কয়েকটি যায়গার নাম বদলে দেয়া নিয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়ায় যাদের রক্ত গরম হচ্ছেনা তাদের মনে রাখা উচিত যে মোদীও চীনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের আগে তাকে বিভিন্ন যায়গায় দুর্বল করতে চাইবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের জন্যে জার্মানি, ব্রাজিল&#39;কে নিয়ে লবি করা হোক বা চীনের মদতপুষ্ট সোমালিয়ার জলদস্যুদের থেকে প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের মুক্ত করানো, শ্রীলঙ্কার বন্দরে চীনের জাহাজের অবস্থানে বারণ করাই হোক বা অস্ট্রেলিয়া আর জাপানকে কূটনৈতিক সঙ্গী করে দক্ষিণ চীন সাগরে ভারসাম্য বজায় রাখা- কাজ কিন্তু চলছেই। আর এরমধ্যে চীন সীমান্ত পার করার চেষ্টা করলে খালিহাতেই তাদের বেধড়ক মার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা। গল্পের সেই চন্দ্রগুপ্তের ভুল মোদী করবেন না।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/3692707777785047191/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post_5.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3692707777785047191'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3692707777785047191'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post_5.html' title='চিনি গো চীনি তোমারে'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-51603573254087434</id><published>2024-04-03T19:55:00.005+05:30</published><updated>2024-04-03T19:55:44.278+05:30</updated><title type='text'>গণতন্ত্র ও কালোপযোগী সিদ্ধান্ত </title><content type='html'>&lt;p&gt;কোন জাতির উত্থান বা পতনের ক্ষেত্রে বংশগরিমা একটা বড় ভূমিকা পালন করে। আধুনিক বিশ্বের প্রাচীণতম গনতন্ত্র, আমেরিকা তার বংশপরিচয় দক্ষিণ ডাকোটা রাজ্যের রাশমোর পাহাড়ে খোদাই করে রেখেছে আর সেখানে উজ্জ্বল হয়ে আছে তাদের চার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন ও থিওডর রুজভেল্টের মুখ। অ্যান্টনি হোপসের কাহিনী অবলম্বনে ঝিন্দের বন্দী রচনার সময় শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন লিখেছিলেন যে &quot;নাম দ্বারাই বংশপরিচয় স্বীকার করিলাম&quot; তেমনি এই চার রাষ্ট্রপতির দ্বারাই আমেরিকা স্বীকার করেছে তার পরিচয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভারতের মত সুবিশাল ও ঐতিহ্যবাহী দেশের ক্ষেত্রে মাত্র চারটি নাম বাছা মুশকিল আর তাই আমি, ব্যক্তিগতভাবে, অন্তত দশ&#39;টি নাম নেবো যারা আমাদের দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পরিচায়ক। শ্রী রাম, শ্রীকৃষ্ণ, বুদ্ধদেব, চৈতন্যদেব, গুরু গোবিন্দ সিং, শিবাজি, নেতাজী, বাবাসাহেব আম্বেদকর এবং সর্দার প্যাটেল।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শ্রীরাম ও শ্রীকৃষ্ণ নিঃসন্দেহে আমাদের সাংস্কৃতিক পরম্পরার প্রতীক। হিন্দুদের নবম অবতার বলে স্বীকৃত বুদ্ধদেব এতটাই প্রভাবশালী যে তার মহিমা ব্যাখ্যা করা এই অধমের সাধ্যের বাইরে। পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাঁর মতবাদের ব্যপ্তিই তার পরিচায়ক। এরপর আসে ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা চৈতন্যদেব- যার মহিমায় সনাতন ধর্ম পরিচিত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। গুরু গোবিন্দ সিং ও শিবাজি স্বাভাবিকভাবেই আসবেন তাদের স্বাধীনচেতা মনোভাব ও জাত্যাভিমানের কারণে। আর আধুনিক যুগে নেতাজী থাকবেন একটি পরাধীন জাতিকে শুধুমাত্র স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখানো নয়, সেটাকে প্রাপ্তির উপায় দেখিয়ে দেয়ার জন্যে। বাবাসাহেব থাকবেন তার দূরদর্শিতা ও স্বজাতিপ্রীতির কারণে যা শত প্রলোভন সত্ত্বেও তাঁকে ও তাঁর অনুগামীদের কোন বিদেশী মতবাদের প্রতি আকৃষ্ট করেনি এবং সবশেষে থাকবে সর্দার প্যাটেলের নাম যিনি বিভিন্ন রাজন্যবর্গকে ভারতের অঙ্গীভূত হওয়ার দিশা দেখিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এতদিন স্বদেশী ঠাকুর ছেড়ে বিদেশী কুকুরের গুণগান করে গিয়েছি। ১০০০ বছরের পরাধীনতাকে মাত্র ২০০ বছরের পরাধীনতা ভেবে নিয়েছি যেখানে বাস্তব হলো যে ইসলামিক শাসনেও ভারতবর্ষ ততটাই পরাধীন ছিল যতটা ইংরেজ শাসনে। কতিপয় ধান্ধাবাজ লোক ইসলামের বদলে ইংরেজকে বাছার জন্যে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়&#39;কে খলনায়ক হিসাবে দেখাতেই পারেন কিন্তু বাস্তবে সিরাজোদৌল্লার মত লম্পট ও স্বেচ্ছাচারী শাসকের থেকে মুক্তির জন্যে শুধু রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নয়, তার সাথে রাণী ভবানী, জগৎশেঠ, রায়বল্লভ প্রমুখরাও সাথ দিয়েছিলেন কারণ সেই সময় বাঙালী সমাজ আজকের মত মানসিক স্থবিরতায় ভুগতোনা।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শত অভিযোগ সত্ত্বেও বাম শাসনকে ছুঁড়ে ফেলার জন্যে বর্তমান বাঙালী সমাজের তিন দশকের বেশী সময় লেগেছিল এবং একইভাবে বর্তমান শাসককে ছুঁড়ে ফেলতেও বাঙালী সমাজের দ্বিধা স্পষ্ট। সৌভাগ্যক্রমে, সেই যুগের শাসকবর্গের মধ্যে এই দ্বিধা ছিলনা আর তাই তাঁরা যথাসময়ে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছিলেন।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/51603573254087434/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/51603573254087434'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/51603573254087434'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/04/blog-post.html' title='গণতন্ত্র ও কালোপযোগী সিদ্ধান্ত '/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-1717296387005011115</id><published>2024-03-30T23:05:00.004+05:30</published><updated>2024-03-30T23:05:34.222+05:30</updated><title type='text'>বিজেপির রণনীতি </title><content type='html'>&lt;p&gt;কিছুদিন আগেও এই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে তারা সাধারণ মানুষের বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পর্যন্ত দ্বিধা করছিল পাছে সেখান থেকে &#39;চোর&#39; আর &#39;তোষণকারী&#39; বলে ভাগিয়ে দেয়। বিজেপি&#39;র জন্যে খোলা মাঠ পড়ে ছিল কিন্তু রাখে মোদী মারে কে? জনগণ যাতে বিকল্প হিসাবে বেছে না নেয় তাই ফর্মুলা২১ মানে ২০২১ সালের নীতি মেনে এবারেও অর্জুন সিং বা তাপস রায়ের মত দলবদলুদের মাথায় তুলে নেয়া হলো। পবন সিং-এর মত বাঙালী বিদ্বেষী মুখকে প্রার্থী করা হলো। প্যারাসুট দিয়ে অনির্বাণ গাঙ্গুলীর পরজীবি নেতাদের আসরে নামানো হলো। দুধ কুমার মন্ডলের মত জননেতাকে বঞ্চিত করে হালে যোগ দেয়া জনৈক অবসরপ্রাপ্ত IPS অফিসারকে বীরভূমের প্রার্থী করে দেয়া হলো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরসাথে যোগ করুন চার বছরের বেশী সময় ধরে অপেক্ষার পর নির্বাচনের ঠিক আগে CAA প্রণয়ন করা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেসকে তার বিরোধিতা করার সুযোগ করে দেয়া। সেদিন এক TV শো&#39;তে দেখলাম তৃণমূলের জনৈক মুখপাত্র, কৃশানু মিত্র, CAA সংক্রান্ত আলোচনায় বর্ধমানের জৌগ্রামের (যদিও এলাকার নামটা মুখপাত্রের মনে ছিলনা) পলাশ অধিকারীর পরিবারের বেঙ্গালুরুতে আটক হওয়া নিয়ে সোচ্চার হলেন এবং তদানীন্তন বিজেপি সরকারকে বাঙালী বিদ্বেষী বলে প্রচার করলেন। মজার কথা হলো যে তার প্রতিপক্ষ হিসাবে আলোচনায় থাকা বিজেপি&#39;র প্রতিনিধি, শঙ্কুদেব পান্ডা, এর উত্তরে কোন যুৎসই উত্তর দিতে না পেরে চিৎকার করে &#39;তৃণমূল রোহিঙ্গাদের এই রাজ্যে বসাতে চায়&#39; বুলি আউড়ে গেলেন। শঙ্কুদেব হয়তো জানেইনা যে পলাশ অধিকারীর কেসটা কি আর সেটাতে এই রাজ্যের প্রশাসন কি ভূমিকা নিয়েছিল। আসলে দলে শক্ত খুঁটি ধরা থাকলে তথ্যের জ্ঞান আজকাল আর খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বিবেচিত হয়না নাহলে শঙ্কুদেব বলতে পারতো যে কর্ণাটক পুলিশ যখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে পলাশদের বিষয়ে তথ্য চেয়েছিল তখন কিভাবে প্রশাসন বর্ধমানের গ্রামে, তার বিদ্যালয়ে এমনকি হাবড়া&#39;তে তার জন্মস্থানের তথ্যও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিল। পলাশের প্রথম উকিল যখন হাল ছেড়ে দিয়েছিল তখন আত্মদীপ কিভাবে সেই কেসের নতুন ওকালতনামা নেয় এবং দিব্যা নামের এক উকিল নতুন করে কেস সাজিয়ে তাদের মুক্তি পেতে সাহায্য করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এইসব ঘটনাপ্রবাহ দেখে আমি সন্দিহান যে মোদী এখনই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে চুড়ান্ত ধাক্কা দিতে কতটা আগ্রহী। প্রথম তালিকা প্রকাশের পরে শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে কৃষ্ণনগর গিয়ে &#39;রাজমাতা&#39; বা &#39;রানীমা&#39;কে এলাকার প্রার্থী হতে রাজী করালেন সেটা দেখে এটা মনে হওয়া স্বাভাবিক যে ২০২৪ এ যে গোটা দেশের সাথে এই রাজ্যেও লোকসভা নির্বাচন হবে সেটা বিজেপির কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের হয়তো জানা ছিলনা। এই কারণে হোমওয়ার্ক করে রাখতে পারেনি। এখনও রাজ্যের দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি। সমর্থকেরা হয়তো অন্য রাজ্যের উদাহরণ টেনে বলবেন যে সেগুলিতেও বাকি আছে কিন্তু দলের মতে যে রাজ্যে সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে এবং যারা সেই ভাঙার দায়ে অভিযুক্ত তারা যেখানে সমস্ত আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে সেখানে প্রার্থী নির্বাচনে এই গড়িমসি সমর্থক ও ভোটার - কাউকেই পজিটিভ বার্তা দেয়না।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/1717296387005011115/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post_30.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1717296387005011115'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1717296387005011115'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post_30.html' title='বিজেপির রণনীতি '/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-7365970309953291911</id><published>2024-03-29T13:15:00.004+05:30</published><updated>2024-03-29T13:15:58.399+05:30</updated><title type='text'>দশ বছরের পার্থক্য</title><content type='html'>&lt;p&gt;&quot;এবার কেন্দ্র ভারতবর্ষ&quot;- এক শতাব্দীরও বেশী সময় আগে এই স্বপ্ন দেখেছিলেন এক নরেন্দ্র আর এই বিরাট কালখণ্ড পার করে এসে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করছেন আরেক নরেন্দ্র। ভাবুন, আজ থেকে দশ বছর আগে ভারতীয়দের মধ্যে আত্মপরিচয় নিয়ে গর্ববোধ কতটা ছিল, হিন্দু হিসাবে জাত্যাভিমান কতটা ছিল, ধর্মপালনের প্রবৃত্তি কতটা ছিল আর আজ কতটা আছে। আগে সিনেমাতে নায়ক ৭৮৬ এর বিজ্ঞাপন করতো, মৌলবীর দেয়া তাবিজ গুলি থেকে তার প্রাণ বাঁচাতো আর এখন যুবসমাজ স্বেচ্ছায় হাতের ট্যাটুতে ত্রিশূল বা ওম চিহ্ন বানায়। বাইকে বজরঙবলীর পতাকা লাগিয়ে ঘোরে। এটাই পার্থক্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ISRO নতুন গজিয়ে ওঠা কোন সংস্থা নয়, সে আগেও বিভিন্ন মিশন পরিচালনা করেছে কিন্তু ভাবুন তো দশ বছর আগে দেশের ক&#39;টা লোক ISRO এর কার্যকলাপ নিয়ে গর্ব করা তো দূরের কথা, তার খোঁজখবর অবধি রাখতো? চন্দ্রযান বা মঙ্গলযান নিয়ে দেশজুড়ে উন্মাদনা দশ বছর আগে কেউ কল্পনায় আনতে পারতো? HAL, DRDO, মাজেগাঁও ডক ইয়ার্ড বা BEL এর নাম অবধি জানতো? অগ্নি, তেজস, ব্রহ্মস ইত্যাদির সাফল্য নিয়ে পারিবারিক আলোচনা এক দশক আগেও ভাবা গিয়েছিল? গোটা দেশের মধ্যে আজ যে আত্মীকরণ দেখা যাচ্ছে এটাই দশ বছরের প্রাপ্তি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এলাকার নেতাদের ঘুষ না দিয়েও সরকারি প্রকল্পের টাকা সরাসরি নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে কতজনের ধারণা ছিল বা ঘরে বসেই লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেয়া যাবে কতজন ভাবতে পেরেছিলেন? রক্তাক্ত কাশ্মীরে যে ট্রেন ছুটবে আর ভ্রমণপিয়াসী বাঙালী সপরিবারে সেই ট্রেনে ঘোরার ছবি ফেসবুকে দেবে এটা দশ বছর আগে কারুর আন্দাজ ছিল? ইউক্রেন থেকে ইন্দোনেশিয়া যে কূটনৈতিকভাবে ভারতের সাহায্যপ্রার্থী হবে কেউ ভাবতে পেরেছিলেন? এটাই বা কার কল্পনা ছিল যে একের পর এক আরব দেশগুলিতে যে হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে সনাতন ধর্মের বিস্তার ঘটবে? ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা চলাকালীন ইতালিয় নাবিকদের নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়া দেখে অভ্যস্ত ভারতীয়রা কখনও ভাবতে পেরেছিল যে কাতারের সর্বোচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পরেও আটজন ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরে আসবে?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে দেশে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে একটা শক্তিশালী সরকার আছে বলে। এমন একজন ব্যক্তি যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটা টিম যেখানে জয়শঙ্কর, অশ্বিনী বৈষ্ণব, নীতিন গডকরি, রাজীব চন্দ্রশেখর প্রমূখ লোকেরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করছেন। চাল চুরি, ত্রিপল চুরি, রেশন চুরি&#39;র মত ছেঁদো বিষয়ে এরা ভাবিত নন কারণ তাদেরও স্বপ্ন হলো &quot;ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে&quot; আর সেই লক্ষ্য পূরণের দিকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এক ও অদ্বিতীয় - নরেন্দ্র মোদী।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/7365970309953291911/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post_29.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7365970309953291911'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7365970309953291911'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post_29.html' title='দশ বছরের পার্থক্য'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-6470683327374218500</id><published>2024-03-20T21:46:00.001+05:30</published><updated>2024-03-20T21:46:09.793+05:30</updated><title type='text'>গণতন্ত্র ও নির্বাচন </title><content type='html'>&lt;p&gt;যেকোন &#39;তন্ত্র&#39; সফল হওয়ার জন্যে যার নামে তন্ত্র, তার শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। যেমন, রাজতন্ত্রে যদি রাজা দুর্বল হয়ে যায় তাহলে দেশে মাৎস্যন্যায় দেখা দেয়। একনায়কতন্ত্রে যদি সেই একনায়ক দুর্বল হয়ে যায় তাহলে তার দশা কি হয় তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ চেসেস্কু। দলতন্ত্রে যদি দল দুর্বল হয়ে যায় তাহলে তার পরিণতি কি হয় তার প্রমাণ পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একইভাবে, গণতন্ত্র সফল হওয়ার জন্যে জনগণের শক্তিশালী হওয়া আবশ্যক। সেটা না হলে শাসক রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার করবেই। শুধু পাঁচ বছর অন্তর ভোট দেয়াই গণতন্ত্র নয়, প্রকৃত গণতন্ত্র হল শাসকের উপর জনগণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। আধুনিক যুগের ইতিহাসে পৃথিবীর প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকাতে জনগণ এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে বলেই প্রবল প্রতাপান্বিত আমেরিকার রাষ্ট্রপতি, নিক্সনকে নিছক ফোনের বার্তালাপ বিনা অনুমতিতে রেকর্ড করার জন্যে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারিতে ইস্তফা দিতে হয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমেরিকার দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সাপেক্ষে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাস নেহাতই শিশু তাই আমরা প্রায়শই ভুলে যাই যে কেন্দ্র বা রাজ্যের শাসকদলের প্রশংসা করা জনগণের দায়িত্ব নয়, সে কাজের জন্যে তাদের যথেষ্ট সক্ষম ও শক্তিশালী মিডিয়া টিম আছে। জনগণের দায়িত্ব তাদের ত্রুটি, বিশেষত সেগুলো যেগুলোকে তারা অর্থ ও জনবল দ্বারা ঢাকতে চায়, প্রকাশ করা। তাদের যে কাজের ফলে তাদের রাজনৈতিক লাভ হলেও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেগুলিকে তুলে ধরা। কিন্তু তারপরেও পাঁচ বছর পর আসে সেই একটা দিন যেদিন জনগনকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে তারা কার হাতে পরবর্তী পাঁচ বছরের দায়িত্ব তুলে দেবে। আগামী ১৯শে এপ্রিল থেকে ১লা জুন অবধি দেশের বিভিন্ন অংশে খন্ডে খন্ডে আসবে সেই দিন যখন জনগণকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে দেশের দায়িত্ব কার হাতে দেবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রশ্ন যখন সার্বিকভাবে দেশের তখন আমি কখনোই কোন আঞ্চলিক দলকে সেই দায়িত্বভার দেবনা। কারণ যেকোন আঞ্চলিক দল খুব স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে তাদের ক্ষুদ্র অঞ্চল নিয়ে এতটা সংবেদনশীল থাকে যে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে তারা উপেক্ষা করে। তাছাড়া একাধিক রাজনৈতিক দল একজোট হয়ে যদি কেন্দ্রে কোন সরকার গঠন করে তাহলে তাদের স্থায়িত্ব যে কতটা ক্ষণস্থায়ী হয় তার দৃষ্টান্ত দেবেগৌড়া বা গুজরাল সরকারের পরিণতি হিসাবে আমাদের সামনেই আছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জাতীয় দল হিসাবে কংগ্রেসকেও আমি বেছে নেবনা তার কারণ জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাদের আপোষের ইতিহাস। নেহেরুর সময় চীন আগ্রাসন হোক বা নৌসেনা ও উপকূল রক্ষী বাহিনীকে সরিয়ে নিয়ে দাউদ ইব্রাহিমকে বম্বেতে বিস্ফোরক প্রবেশে সাহায্য - সবই হয়েছে কংগ্রেস আমলে। তাদের না বাছার আরেকটা কারণ হলো তাদের জিনে থাকা হিন্দুবিদ্বেষ। গভীর রাতে শঙ্করাচার্যকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হোক বা ওয়াকফ আইন, ধর্মস্থান সংক্রান্ত আইন - সব ক্ষেত্রেই তাদের নেতৃত্বের হিন্দু বিদ্বেষ ফুটে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নোটা কখনোই আমার পছন্দ হবেনা কারণ বর্তমান প্রেক্ষিতে সেটা ভোট নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু নয়। নোটা&#39;তে এক লক্ষ ভোট পড়লেও সেটা হাজার ভোট পাওয়া প্রার্থীকে হারাতে পারবেনা যদি সেটা বাকি প্রার্থীদের মধ্যে সর্বাধিক হয়। তাছাড়া সামাজিক কাজে আমাদের নিয়মিত যাদের সাথে সাংস্কৃতিক সংঘাত হয় এবং ভবিষ্যতেও হবে তারা কখনোই নোটা&#39;তে ভোট দেবেনা, দেবে কৌমের স্বার্থে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমতাবস্থায় আমারও কর্তব্য স্বজাতির স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্যে ভোট দেয়া। আর সেটা করতে গিয়ে আমি কখনোই কোন দলকে &quot;অতটা হিন্দুত্ববাদী নয়&quot; বলে হিন্দুবিদ্বেষী কোন দলকে নিজের মূল্যবান ভোট দেবনা। হ্যাঁ, ভোট দেয়ার আগে অবধি নিজের ভোটের মূল্য উসুল করতে সেই দলকে দেশের ও স্বজাতির স্বার্থ রক্ষার জন্যে বাধ্য করাটাও আমারই দায়িত্ব আর সেই কাজ করার দায়িত্ব আমি অন্য কাউকে ইজারা দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারিনা কারণ দেশও আমার আর সংস্কৃতিটাও আমার। এর রক্ষা আমার দায়িত্ব।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/6470683327374218500/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/6470683327374218500'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/6470683327374218500'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/03/blog-post.html' title='গণতন্ত্র ও নির্বাচন '/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-7969948545633152913</id><published>2024-02-10T09:53:00.004+05:30</published><updated>2024-02-10T09:53:46.857+05:30</updated><title type='text'>নরসিংহ রাও ও ভারতরত্ন</title><content type='html'>&lt;p&gt;পি ভি নরসিংহ রাও&#39;কে ভারতরত্ন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক। বাবরি মসজিদ ভাঙার সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বিরত রাখা (দৈনন্দিন পূজা উপলক্ষে) আর মনমোহন সিংহ&#39;কে মুক্ত অর্থনীতি প্রণয়নের স্বাধীনতা নেয়া দেয়া ছাড়া জাতীয় স্বার্থে তার আর খুব বেশী অবদান নেই। যদিও সেই সময় সঙ্ঘ পরিবার মুক্ত অর্থনীতির তুমুল বিরোধিতা করেছিল। স্বদেশী জাগরণ মঞ্চ নামে একটা অভিযান শুরু করেছিল। আমার মনে আছে, ১৯৯২ সালে কল্যাণী শিবিরের সান্ধ্যকালীন বৈঠকে RSS-এর তদানীন্তন সহঃ সরকার্যবাহ, মদন দাস দেবী, এই নিয়ে বিশেষ প্রবচনও দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নরসিংহ রাওয়ের আমলেই পাশ হয় Places of Worship Act (1991) যা অনুসারে ভারতের সব ধর্মস্থানের স্থিতাবস্থা ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট অনুযায়ী বহাল রাখতে হবে। ওয়াকফ অ্যাক্ট (১৯৯৫) যা অনুসারে ওয়াকফ বোর্ড যেকোন সম্পত্তিকে নিজেদের বলে দাবী করতে পারে আর সেটা অপ্রমাণের দায় প্রতিবাদীর। হর্ষদ মেহতার থেকে ১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ হোক বা সংসদে আস্থা ভোটে জেতার জন্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সদস্যদের টাকা দেয়ার মামলা হোক, নরসিংহ রাওয়ের ইমেজ মোটেই নিষ্কলুষ নয়। তার দুর্বল মেরুদন্ডের আরেকটা বড় দৃষ্টান্ত হলো সব ব্যবস্থা হয়ে যাওয়ার পরেও আমেরিকার চাপে পারমাণবিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যাওয়া। পরে বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হবার পরে তাকে বলেছিলেন যে &quot;আমি সব ব্যবস্থা করে গেলাম, আপনি প্রয়োগ করবেন&quot;। তবে তার একটা বড় কৃতিত্ব হলো গান্ধী পরিবারের বাইরে, প্রথম কংগ্রেসী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে, সাফল্যের সাথে পাঁচ বছর সংখ্যালঘু সরকার চালানো।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি মনে করি যে কোন অন্যায় সিদ্ধান্ত যদি ভাল উদ্দেশ্য সাধন করার জন্যে নেয়া হয় তাহলে সেই সিদ্ধান্ত মোটেই অন্যায় নয় মানে End justifies the means। সত্য, শিব আর সুন্দর পরস্পর সম্পৃক্ত। কোন অসুন্দর পথে শিবে উপনীত হওয়া যায়না আর শিবে উপনীত হওয়ার কোন পথই অসুন্দর হতে পারেনা। এই কারণেই আমি ব্যক্তিগতভাবে নরসিংহ রাওকে ভারতরত্ন সম্মানের যোগ্য মনে না করলেও তাকে এই সম্মান প্রদানের নরেন্দ্র মোদীর এই সিদ্ধান্তের সাথে সহমত। এই সম্মান দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে মোদীর গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। কংগ্রেসে থেকে, গান্ধী পরিবারের স্তাবক না হয়েও যে আলাদা উচ্চতায় ওঠা যায় সেটা মনে করিয়ে দেবে এবং একইসাথে RSS কেও তাদের চিন্তাভাবনার সীমাবদ্ধতা বুঝিয়ে দেবে।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/7969948545633152913/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/02/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7969948545633152913'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7969948545633152913'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/02/blog-post_10.html' title='নরসিংহ রাও ও ভারতরত্ন'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-330976255734760972</id><published>2024-02-06T09:23:00.006+05:30</published><updated>2024-02-06T09:23:41.052+05:30</updated><title type='text'>সম্প্রদান</title><content type='html'>&lt;p&gt;ইদানীং কিছু যাদবপুরী বিজ্ঞ কন্যাদানে আপত্তি জানাচ্ছে। তাদের মতে কন্যা কোন বস্তু নয় যে তাকে দান করা যাবে। এই বিজ্ঞরা হয়তো কালকে &#39;জীবনদান&#39; বা &#39;মতদান&#39; নিয়েও একই আপত্তি তুলবে। কিন্তু এই হঠাৎ বিজ্ঞদের জানা নেই যে বিবাহ একটা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া আর কন্যা সম্প্রদান তার একটা অংশ বিশেষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&quot;ওঁ এতস্যৈ সবস্ত্রায়ৈ সালঙ্কারায়ৈ কন্যায়ৈ নমঃ&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মন্ত্র বলে যে কন্যাকে সম্প্রদান করা হয় সে কতটা অসাধারণ তার বর্ণনা রয়েছে পরবর্তী আচার গ্রন্থিবন্ধনে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&quot;সাবিত্রী সত্যভামা হিমগিরিতনয়াহুরুন্ধতী জহ্নূকন্যা লোপামুদ্রা সুভদ্রাহদিতি রতি কমলা রুক্মিনী রেবতী চ। রম্ভা মেনা যশোদা সুরূপতিবনিতা কৈটভি বানপুত্রী, সৌভাগ্যং পুত্রলাভং সকলশুভকরং মঙ্গলং বো দিশ্ম।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হ্যাঁ, কন্যা, যার উৎপত্তি কম ধাতু অর্থাৎ কামনা থেকে, হলো মা-বাবার শ্রেষ্ঠ কামনার ধন তথা কাম্য অভিজ্ঞান। আর সেই ঐশ্বর্যকে আরও মহিমান্বিত করা হয় সে কোন সংস্কৃতির প্রতিনিধি সেই বিবৃতি দ্বারা। সাবিত্রী, সত্যভামা, পার্বতী, অরুন্ধতী সহ অন্যান্য মহীয়সীদের সার্থক উত্তরসূরী এই কন্যাকে দান করার মত উদারতা দাতার থাকতে হয় আর সেই দান গ্রহণ করে, তাকে রক্ষা করার যোগ্যতা গ্রহীতার থাকতে হয়। তাই বলা হয় -&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&quot;দূর্বাপুষ্পং ফলঞ্চৈব বস্ত্রং তাম্বুলমেবচ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এভি কন্যা ময়া দত্তা রক্ষণং পোষণং কুরু।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই মহার্ঘ দান গ্রহণ করার পর গ্রহীতার যাতে কোন হীনমন্যতা না আসে তাই পরবর্তী মন্ত্রই হচ্ছে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&quot;ওঁ যথেন্দ্রানী মহেন্দ্রস্য; স্বাহা চৈব বিভাবসোঃ। রোহিনী চ যথা চন্দ্রে, দময়ন্তী যথা নলে। যথা বৈশ্রবনেভদ্রা, বশিষ্টে চাপ্যরুন্ধতী। সীতা চ রামচন্দ্রে, গৌরীশঙ্কর এব চ, যথা- নারায়নে লক্ষী স্তথাত্বং ভব ভর্ত্তারি।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একের পর এক পারফেক্ট কাপলের উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে যে সম্পর্কটা ঠিক কেমন হবে। দান ও গ্রহীতা যাতে পরস্পরের পরিপূরক হয়ে উঠতে পারে সেই লক্ষ্যেই হয় গ্রন্থিবন্ধন।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/330976255734760972/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/330976255734760972'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/330976255734760972'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/02/blog-post.html' title='সম্প্রদান'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-4870121609679799324</id><published>2024-01-16T18:51:00.003+05:30</published><updated>2024-01-16T18:59:43.134+05:30</updated><title type='text'>হাইকোর্টে অ-ইংরেজি ভাষার ব্যবহার</title><content type='html'>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhyEH_5wk_O9f1XdwHUQgE9LIK1SVuFMJikglIbXn5K0zSYKK9AHcynx1EiFYOC6rNK4fTOdy45MquwvOnmXQOjYsTRzRjT4_z50StqUxN345QimuyW75hQwfPX_KfQH728Big9uWZAC_ci9YZceUef6_8yTZG2nzfvStdAySQmTelc17kOLiABa1zgJPAK/s1170/IMG_0525.PNG&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;378&quot; data-original-width=&quot;1170&quot; height=&quot;103&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhyEH_5wk_O9f1XdwHUQgE9LIK1SVuFMJikglIbXn5K0zSYKK9AHcynx1EiFYOC6rNK4fTOdy45MquwvOnmXQOjYsTRzRjT4_z50StqUxN345QimuyW75hQwfPX_KfQH728Big9uWZAC_ci9YZceUef6_8yTZG2nzfvStdAySQmTelc17kOLiABa1zgJPAK/s320/IMG_0525.PNG&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। হিন্দি বলয়ে যখন আদালতের কাজকর্ম হিন্দি ভাষায় হয়, পশ্চিমবঙ্গে সেটা বাংলায় বা তামিলনাড়ু&#39;তে তামিল ভাষায় হলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়ে যাবেনা। আর নেহাতই যদি কোর্ট ল্যাঙ্গুয়েজ সংক্রান্ত ৩৪৮(১)(এ) ধারা বা ২১শে মে, ১৯৬৫ সালের ক্যাবিনেট কমিটির সিদ্ধান্ত যা অনুসারে কোন হাইকোর্টে ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির অনুমতি আবশ্যক হওয়া অশুদ্ধ হয়, সেক্ষেত্রে উপযুক্ত সংশোধন অবিলম্বে করা উচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে তামিলনাড়ু, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিসগড় এবং কর্ণাটক সরকার বছরখানেক আগেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের হাইকোর্টে যথাক্রমে তামিল, গুজরাটি, বাংলা, হিন্দি ও কন্নড় ভাষা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল যা কেন্দ্র সরকার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের ফুল বেঞ্চ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন যদিও ১৯৫০ সালে সংবিধানের ৩৪৮(২) অনুসারে&amp;nbsp; রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ (১৯৬৯), মধ্যপ্রদেশ (১৯৭১) বা বিহারের (১৯৭২) ক্ষেত্রে হিন্দি ভাষায় কোর্টের কার্যাবলী পরিচালনের অনুমতি দিতে সুপ্রিম কোর্ট আপত্তি করেনি। ঔপনিবেশিক দাসত্ব থেকে মুক্তির পর্যায় হিসাবে মোদী সরকার IPC, CrPC ও Evidence Act-এর বদলে নতুন আইন প্রনয়ন করছেন। এমতাবস্থায়, হাইকোর্টের কার্যাবলী শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় পরিচালনা সেই ঔপনিবেশিক দাসত্বের পরিচায়ক হয়ে থাকবে ঠিক যেমন আরেকটি দাসত্বের পরিচায়ক হলো ভারতের মত গ্রীষ্মপ্রধান দেশে কালো কোট, গাউন ও গলাবন্ধ পরে উকিলদের সওয়াল করা।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/4870121609679799324/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/01/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/4870121609679799324'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/4870121609679799324'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2024/01/blog-post.html' title='হাইকোর্টে অ-ইংরেজি ভাষার ব্যবহার'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhyEH_5wk_O9f1XdwHUQgE9LIK1SVuFMJikglIbXn5K0zSYKK9AHcynx1EiFYOC6rNK4fTOdy45MquwvOnmXQOjYsTRzRjT4_z50StqUxN345QimuyW75hQwfPX_KfQH728Big9uWZAC_ci9YZceUef6_8yTZG2nzfvStdAySQmTelc17kOLiABa1zgJPAK/s72-c/IMG_0525.PNG" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-9148994520755831574</id><published>2023-11-29T13:37:00.006+05:30</published><updated>2023-11-29T13:37:44.980+05:30</updated><title type='text'>লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠের আগে কোরান পড়ুন</title><content type='html'>&lt;p&gt;&#39;হিন্দুত্ববাদী&#39;দের উদ্যোগে ব্রিগেড ময়দানে &#39;লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠ&#39;-এর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী থাকলেও এই অনুষ্ঠান, আমার কাছে, কোনও হিন্দুত্ববাদী কর্মসূচি নয়। এর পিছনে যশ, অর্থ, রাজনৈতিক স্বার্থ সহ একাধিক বিষয় থাকতে পারে কিন্তু ধর্ম রক্ষা বা হিন্দু স্বার্থ রক্ষা একেবারেই নেই। আমার এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে হিন্দুত্বের সার্টিফিকেটধারীরা আমাকে &#39;পতিত হিন্দু&#39; বলে দাগাতে পারেন কিন্তু আমি মনে করি, লক্ষ কেন, কোটি কন্ঠেও গীতার বাছাই করা কয়েকটি অধ্যায় পাঠ করলে হিন্দুদের কোন উপকার হবে। কেন? এবার সেটাই বলছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথমত, গীতা, যোগ বা আয়ুর্বেদের মত বিষয়গুলি হিন্দুদের proprietary নয়, বরং এগুলো সমগ্র বিশ্বকে সনাতন সংস্কৃতির উপহার। গীতা পাঠ ও তার উপলব্ধি একজন ইহুদি বা ফরাসি&#39;কে ততটাই অনুপ্রাণিত করবে যতটা একজন হিন্দুকে। শ্রীমৎভগবতগীতা&#39;র শিক্ষা সার্বজনীন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দ্বিতীয়ত, আমি মনে করি গীতা&#39;র কয়েকটি বাছাই অধ্যায় পাঠের পরিবর্তে যদি কোরান শরীফের বাছাই কয়েকটি অধ্যায় পাঠ করা হতো তাহলে সেটা অনেক বেশী কার্যকর হতো। কারণ, গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে গীতার মাহাত্ম্য ও সনাতন ধর্মের গরিমার কথা শুনে একদল ভাববে যে সনাতন ধর্ম এত মহান, সে নিশ্চয়ই অবিনশ্বর কিন্তু তারা ভুলে যাবে যে সনাতন ধর্ম এত মহান হওয়া সত্ত্বেও তার ধারণকারী ভূমির পরিমান কালেকালে কিভাবে সঙ্কুচিত হয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসেছে এবং এখনও সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তৃতীয়ত, গীতার এই বাছাই কয়েকটি অধ্যায় পাঠের পরিণতিতে অন্যদল ভেবে নেবে যে গীতার মত অন্য ধর্মগ্রন্থগুলিতেও নিশ্চয়ই একই কথা বলা হয়েছে। তারা কোনদিন অন্যদের ধর্মগ্রন্থের একটা পাতা না উল্টেও, অন্ধের হস্তীদর্শনের মত, সেগুলি সম্পর্কে মনগড়া ধারণা তৈরী করে নেবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হিন্দুদের যদি গীতাপাঠ করতেই হয় তাহলে সেটা তারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করুক, সাংগঠনিকভাবে নয়। কোন ব্যক্তি নিজের চরিত্রের কতটা বিকাশ করতে চায় বা পারে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। যদি এরকম উদ্যোগ সাংগঠনিকভাবে নেয়া হয় তাহলে সেক্ষেত্রে আমি কোরান পাঠের আয়োজনকে স্বাগত জানাবো। সেক্ষেত্রে হিন্দুদের &#39;সব ধর্মে একই কথা বলা আছে&#39; এই ভ্রান্ত ধারণার অবসান হবে এবং তারা আশু বিপদ থেকে সতর্ক থাকতে পারবে। আর সেই কাজ যদি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে হয় তাহলে সেটা বিরাট সাফল্য।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/9148994520755831574/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/11/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/9148994520755831574'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/9148994520755831574'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/11/blog-post.html' title='লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠের আগে কোরান পড়ুন'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-5499745161592194998</id><published>2023-09-27T09:28:00.003+05:30</published><updated>2023-09-27T09:28:42.533+05:30</updated><title type='text'>হিজাব সংস্কৃতি</title><content type='html'>&lt;p&gt;শরীর এবং সমাজ - উভয়েরই একটা নিজস্ব গঠনতত্ত্ব থাকে, সেখানে কোন ফরেন এলিমেন্ট খুব সহজে গ্রহণযোগ্য হয়না। এই কারণেই হাজারটা ফ্যাক্টর মিলিয়ে কারুর লিভার বা হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট হলেও অনেকক্ষেত্রেই গ্রহীতার শরীর সেটা মানিয়ে নিতে পারেনা। রোগীর মৃত্যুও হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একইভাবে, সমাজ, জাতি সবারই একটা গঠনতন্ত্র আছে। বিদেশী সংস্কৃতি বা প্রথা সেখানে খুব সহজে প্রবেশাধিকার পায়না। এরকমই একটা বিদেশী সংস্কৃতি হলো হিজাব। মেয়েদের পর্দানশীন রাখা ভারতের সংস্কৃতি নয়। হিন্দুসমাজে পর্দাপ্রথার প্রচলন হয় মুসলিম আক্রমনের পরে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে ভারতের যেসব অঞ্চলগুলি দীর্ঘদিন মুসলিমদের অধীনে ছিল, সেখানেই এই পর্দাপ্রথার প্রচলন ঘটেছে। উত্তর ও পূর্বভারতেই তা প্রধানতঃ সীমাবদ্ধ। স্থানভেদে তার রুপ আলাদা – পাঞ্জাবে দোপাট্টা তো বাংলায় ঘোমটা।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;“এ দেশে মেয়েদের পর্দা নেই, কোনদিনও ছিলনা। উত্তর ভারতের এই ম্লেচ্ছ বর্বরতা মারাঠা দেশ কখনও স্বীকার করে নেয়নি।“ – না, এই কথাগুলি বালাসাহেব ঠাকরে বা কোন তথাকথিত উগ্রহিন্দুনেতার নয়। এ দাবী বাঙলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাণপুরুষ শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের। তিনি তাঁর মধুমালতী কাহিনীতে বামন রাওকে দিয়ে এই সত্য প্রকাশ করেছেন। এতে যদি কেউ শরদিন্দুবাবুকে উগ্রবাদী ভাবতে চান তো ভাবতেই পারেন, কিন্তু এতে সত্য বদলাবেনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইসলামে নারীর অবস্থান শুধু ভোগ্যপন্য হিসাবে। নারীদের স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্রতার কোন স্থান সেখানে নেই। তাই নিজের ভোগের জিনিসকে অন্যের থেকে লুকিয়ে রাখার জন্যেই বোরখা ও হিজাবের প্রচলন। তার সৌন্দর্য্য যাতে অন্য কারুর দৃষ্টি আকর্ষন না করে তাই তাকে পর্দানশীন করার চেষ্টা। আর সম্প্রতি কর্ণাটক সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিজাব বিতর্কের সময় এই সাংস্কৃতিক বিভাজন&#39;টা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খোদ এই রাজ্যে বহু তথাকথিত &#39;সেকুলার&#39;ও হিজাব মেনে নিতে পারেনি আর তাই হিজাব আজও ফরেন এলিমেন্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই &#39;ফরেন এলিমেন্ট&#39; তকমা ঘুচিয়ে, হিজাব&#39;কে বাঙালীর পরিচিত ও &#39;ঘরের জিনিস&#39; করে তোলার লক্ষ্যেই নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যার প্রমাণ নীচের ছবিতে স্পষ্ট। দোকানে, বাড়িতে বাঙালী যখন নিয়মিত এই শব্দটা দেখবে, সেই শাড়ি কিনবে, পরবে, তখন সেটা নিয়ে তার মানসিক জড়তা স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে। ঠিক যেভাবে সত্যনারায়ণ&#39;কে সত্যপীর বানিয়ে তার ব্রতকথার শেষে &quot;আমীন&quot; ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে বা বনদেবী&#39;কে বনবিবি বানিয়ে দেয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এগুলো হলো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। আপনার অজ্ঞাতেই আপনার মননশক্তি&#39;কে প্রভাবিত করার প্রয়াস। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বিক্রিত (বিকৃতও বটে) পত্রিকাগোষ্ঠীর পোষ্য সাহিত্যিকরা দীর্ঘদিন ধরেই &#39;এ বাড়ির সিন্নির সাথে ও বাড়ির ফিরনি&#39;কে মিলিয়ে এসেছেন কিন্তু এতকিছুর পরেও এপারে কালিয়াচক, ধুলাগড়, তেলেনিপাড়া, বাদুড়িয়া এবং ওপারে ব্রাহ্মণবেড়িয়া, নাসিরনগর ইত্যাদি বন্ধ হয়নি। কারণ শরীর হোক সমাজ, ফর্মুলাটা এক - গ্রহীতার মানিয়ে না নিয়ে মৃত্যু অবধারিত।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/5499745161592194998/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/09/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5499745161592194998'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5499745161592194998'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/09/blog-post_27.html' title='হিজাব সংস্কৃতি'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-3407278751699877486</id><published>2023-09-21T13:21:00.001+05:30</published><updated>2023-09-21T13:21:06.950+05:30</updated><title type='text'>মহিলা সংরক্ষণ আইন - উৎসাহ না অপমান?</title><content type='html'>&lt;p&gt;🔴 ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;🟡 ভারতে দু&#39;জন মহিলা, প্রতিভা দেবীসিং পাটিল ও দ্রৌপদী মূর্মু দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;🟢 ভারতের ২৪ জন মহিলা বিভিন্ন রাজ্য/কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের রাজ্যপাল/লেঃ গভর্নর পদে আসীন ছিলেন অথবা আছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;🔵 ভারতে ১৬ জন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন -&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. &amp;nbsp; &amp;nbsp;সুচেতা কৃপালনী (উঃ প্রঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. &amp;nbsp; &amp;nbsp;শশিকলা কাকোদকর (গোয়া)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. &amp;nbsp; &amp;nbsp;আনয়ারা তৈমুর (আসাম)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. &amp;nbsp; &amp;nbsp;নন্দিনী সতপথী (ওড়িশা)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. &amp;nbsp; &amp;nbsp;মেহবুবা মুফতি (জঃ ও কাঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬. &amp;nbsp; &amp;nbsp;শীলা দীক্ষিত (দিল্লি)&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৭. &amp;nbsp; &amp;nbsp;মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (পঃ বঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৮. &amp;nbsp; &amp;nbsp;মায়াবতী (উঃ প্রঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৯. &amp;nbsp; &amp;nbsp;রাজিন্দর কৌর ভাট্টাল (পাঞ্জাব)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১০. &amp;nbsp;জানকী রামচন্দ্রন (তাঃ নাঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১১. &amp;nbsp;সুষমা স্বরাজ (দিল্লি)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১২. &amp;nbsp;রাবরী দেবী (বিহার)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৩. &amp;nbsp;বসুন্ধরা রাজে (রাজস্থান)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৪. &amp;nbsp;জয়ললিতা (তাঃ নাঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৫. &amp;nbsp;উমা ভারতী (মঃ প্রঃ)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৬. &amp;nbsp;অনাদিবেন প্যাটেল (গুজরাট)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;🟠 ভারতে ১০০ জনেরও বেশী মহিলা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ, বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক ও বিধান পরিষদে আসীন আছেন বা ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রায় এক দশক ক্ষমতাসীন থাকার পর হঠাৎ একদিন মনে হলো যে রাজনীতিতে মহিলাদের সাথে বৈষম্য করা হচ্ছে আর পেশ করা হলো &#39;নারীশক্তি বন্দন অধিনিয়ম&#39; বা মহিলা সংরক্ষণ আইন। শুধু পেশ হওয়া নয়, নতুন আইন প্রনয়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রথা ভেঙে, সেই বিল সিলেক্ট কমিটিতে না গিয়ে পাশও হয়ে গেল আর সেটাও কোন সংশোধনী ছাড়াই কারণ কোনও দলই লাভের গুড় ছাড়তে বা বিরাট সংখ্যক মহিলা ভোটারদের কাছে অপ্রিয় হতে রাজী নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংবিধানের এত বড় একটা সংশোধন হয়ে গেল কিসের ভিত্তিতে? এই সংশোধনী পেশ করার আগে সরকার কি রাজনীতিতে মহিলাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিয়ে কোন সার্ভে করিয়েছিল? ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোন দেশে কি রাজনীতিতে মহিলাদের এত ব্যপক অংশগ্রহণ দেখা যায়? দু&#39;টি প্রশ্নেরই উত্তর হলো - &quot;না&quot;। আধুনিক গণতন্ত্রের পীঠস্থান বলে পরিচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও পর্যন্ত কোন মহিলাকে নিজেদের রাষ্ট্রপ্রধান বলে নির্বাচন করতে পারেনি কিন্তু ভারত সেটা হেলায় একাধিকবার করেছে আর তার একমাত্র কারণ হলো ভারত হিন্দুবহুল দেশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হ্যাঁ, কেবলমাত্র হিন্দুবহুল দেশ বলেই রাজনীতিতে মহিলাদের এই অংশগ্রহণ দেশবাসী খোলা মনে মেনে নিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে বহুগুণ বেশী মহিলারা রাজনীতিতে সক্রিয় ও প্রশংসনীয় ভূমিকা নিয়েছেন। কারণ হিন্দুদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিক্ষা ও সংস্কার মানুষের লিঙ্গের ভিত্তিতে বিচার করতে শেখায়না। কিন্তু দেশবাসীর এত সদর্থক মানসিকতার পরেও, প্রায় এক দশক শাসন করার পর, শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে নরেন্দ্র মোদী সরকার যখন &quot;রাজনীতিতে মহিলাদের সাথে বৈষম্য&quot;র অজুহাত দিয়ে আইনে বদল করেন তখন সেটাকে হিন্দুদের উদার মানসিকতার প্রতি অপমান ছাড়া আর কিছুই মনে হয়না।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/3407278751699877486/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/09/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3407278751699877486'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3407278751699877486'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/09/blog-post.html' title='মহিলা সংরক্ষণ আইন - উৎসাহ না অপমান?'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-1352579651662306819</id><published>2023-07-10T22:30:00.004+05:30</published><updated>2023-07-10T22:30:48.611+05:30</updated><title type='text'>রাজনীতির সেফটি ভালব</title><content type='html'>&lt;p&gt;বাড়িতে প্রেসার কুকার তো প্রায় সবারই আছে কিন্তু সেটাতে যে সেফটি ভালব, যেটাকে সাদা বাংলায় আমরা &#39;সিটি&#39; বলি, থাকে সেটার উপযোগিতা কখনও খেয়াল করেছেন? এই &#39;সিটি&#39; বা সেফটি ভালব&#39;টা বানানো হয় প্রেসার কুকারের আয়ু ও নিরাপত্তার কথা ভেবে। নীচে থেকে আসা তাপে প্রেসার কুকারের ভিতর যে বাস্পের প্রবল চাপের সৃষ্টি হয় সেটা যদি জমতেই থাকে তাহলে কুকারটা ফেটে যাবে। কিন্তু রান্না সম্পূর্ণ করতে গেলে যতটা চাপের প্রয়োজন সেটা একবারে তৈরী হয়না। এই দ্বিমুখী চাহিদার কথা ভেবেই তৈরী হয়েছে সেফটি ভালব। কুকারের ভিতরে চাপ খুব বেড়ে গেলে কিছুটা বাস্প সেটা বের করে দেয়, ফলে কুকার নিরাপদ থাকে আর নীচের থেকে নিয়মিত তাপের ফলে পুনরায় যে বাস্পচাপ তৈরী হয় সেটা খাবারকে সুসিদ্ধ করে তোলে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই ফর্মুলা মেনেই অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ আমলা, অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। ১৮৫৭ সালে সিপাহীদের গুঁতো খাওয়ার পরে আরেকটা বিদ্রোহ ব্রিটিশ রাজ সামলাতে পারতনা। তাই তদানীন্তন ভাইসরয়, লর্ড ডাফরিনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি এমন একটা মঞ্চ তৈরী করেন যা সশস্ত্র সংগ্রামের বদলে, আবেদনের মাধ্যমে দেশের মানুষের ক্ষোভ প্রকাশ করবে। লালা-বাল-পালের অন্যতম লালা লাজপত রায়ও ২০১৬ সালে প্রকাশিত তার ইয়াং ইন্ডিয়া বইতে একই কথা বলেছেন। হিউমের দূরদৃষ্টি যে প্রখর ছিল সেটা নিয়ে সন্দেহ নেই। বিশেষত বাল গঙ্গাধর তিলকের পর যখন গান্ধীর হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ যায় তখন থেকেই কংগ্রেস বিপ্লবীদের - ভগৎ সিং হোক বা সুভাষ বোস - পিছন থেকে ছুড়ি মারতে শুরু করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রহসন দেখার পর আজ যারা শুভেন্দু অধিকারী&#39;র কিছু বক্তব্যে নিজেদের অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ বাড়াচ্ছেন তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে এটাই সেই সেফটি ভালব থিওরিরই একটা অংশ। ৩০৩ জন সাংসদ নিয়ে নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকা মোদী-শাহ&#39;র বিজেপি&#39;র বিরুদ্ধে সমর্থকদের জমে ওঠা ক্ষোভ প্রশমনের এটা একটা উপায় মাত্র। কারণ নেতারাও জানে যে এই ক্ষোভের আয়ু বেশীদিন নয়। তাই ক্ষোভ যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তাই শুভেন্দু&#39;র বাতেলা চলবে কিন্তু দিনের শেষে তারও ট্যুইটারে পিনড পোস্ট থাকবে মোদীর সাথে সাক্ষাতের ছবি। মেড়া তো তার খুঁটির জোরেই লড়ে, তাই না?&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/1352579651662306819/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1352579651662306819'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1352579651662306819'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/07/blog-post.html' title='রাজনীতির সেফটি ভালব'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-5828516372255761970</id><published>2023-06-24T22:45:00.006+05:30</published><updated>2023-06-24T22:45:53.473+05:30</updated><title type='text'>বাঙালীত্ব</title><content type='html'>&lt;p&gt;ভারতে, সঙ্ঘী আর কম্যুনিস্ট - উভয়ের কাছেই পৃথিবীটা দ্বিমাত্রিক। সঙ্ঘীদের কাছে &quot;মছলিখোর বংগালী&quot; সহী হিন্দু নয় আর ঠিক একইভাবে, কম্যুনিস্টদের কাছে, ভারতমাতার জয়ধ্বনি দেয়া বাঙালীরা আসল বাঙালী নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই কারণেই কিছু অমর্ত্য সেন বা সাগরিকা ঘোষের মত বাঙালীর দেশ বিরোধী কার্যকলাপের জন্যে সঙ্ঘীরা বাঙালী সমাজকে কাঠগড়ায় তুলতে পারে কিন্তু তিস্তা শীতলবাড় বা হেমন্ত কারকাড়ের জন্যে তারা সম্পূর্ন মারাঠা জাতিকে নিয়ে কদর্য মন্তব্য করেনা অথবা হর্ষদ মেহতা, কেতন পারেখ বা নীরব মোদীর জন্যে সব গুজরাটিকেই চোর বলেনা। আসলে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে সঙ্ঘীদের রাজনৈতিক অসাফল্য তাদের এই দুই জাতির বিরুদ্ধে আক্রোশের মূল কারণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উল্টোদিকে কম্যুনিস্টরা, যারা ভেনেজুয়েলাতে বৃষ্টি হলে কলকাতাতে ছাতা খুলে ঘোরে বা নিকারাগুয়ায় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির উত্থানে পশ্চিমবঙ্গে বনধ ডাকে তারা কিন্তু কাশ্মীরে হিন্দু পন্ডিতরা জেহাদি অত্যাচারের কারণে গৃহচ্যুত হলে কোন প্রতিবাদ করেনা কারণ তারা বাঙালী নয়। ঘরের পাশে বাংলাদেশে অসহায় হিন্দু বাঙালীদের ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় আক্রমণেও কম্যুনিস্টদের কোন বনধ ডাকতে দেখা যায়না। হয়ত নিকারাগুয়া বা কিউবার নাগরিকদের থেকে বাংলাদেশের হিন্দুরা কম বাঙালী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু সৌভ্যাগ্যের বিষয় হল যে এই দুই মতাদর্শের বাইরেও হিন্দু বাঙালীর অস্তিত্ব ছিল, আছে এবং তাদের সংখ্যাই প্রতিদিন বাড়ছে যারা মছলিও খায় আবার বজ্রনির্ঘোষ কন্ঠে ভারত মাতার জয়ধ্বনিও দেয়। যারা গঙ্গার পবিত্র জলে অবগাহন করে, মা কালীর মূর্তির সামনে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্যে জীবনদানের শপথ গ্রহণ করতো, যাদের কাছে &quot;বন্দেমাতরম&quot; এখনও একটা প্রেরণা। তাদের কাছে, শুধুমাত্র &quot;জয় শ্রী রাম&quot; বলাই হিন্দুত্বের পরিচায়ক নয়, &quot;জয় মা কালী&quot; হুঙ্কারও তাদের দেহে অ্যাড্রেনালিনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে। যাদের কাছে হিন্দুত্ব আর বাঙালিত্ব বিপ্রতীপ নয়, সমানুপাতিক ও পরিপূরক।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/5828516372255761970/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post_47.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5828516372255761970'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5828516372255761970'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post_47.html' title='বাঙালীত্ব'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-8467403399833778525</id><published>2023-06-24T22:44:00.002+05:30</published><updated>2023-06-24T22:44:16.550+05:30</updated><title type='text'>বকচ্ছপ</title><content type='html'>&lt;p&gt;সারা পৃথিবীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রেরণা মূলত দু&#39;টি - অর্থ ও ক্ষমতা। সাধারণ হিন্দুরা, বিশেষত বাঙালীরা, সেটার সাথে আদর্শ&#39;কে যোগ করে, &#39;রাজনৈতিক মতাদর্শ&#39; নামক এমন একটা বকচ্ছপ বানিয়েছে যেটা তাদের না যোগাতে পারে অর্থ, না দিতে পারে ক্ষমতা বরং লাভের মধ্যে কেড়ে নেয় তাদের সামাজিক নিরাপত্তা।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/8467403399833778525/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post_24.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/8467403399833778525'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/8467403399833778525'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post_24.html' title='বকচ্ছপ'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-5396598037636895475</id><published>2023-06-24T22:43:00.001+05:30</published><updated>2023-06-24T22:43:03.906+05:30</updated><title type='text'>সভ্যতা&#39;র মাপকাঠি</title><content type='html'>&lt;p&gt;সভ্যতার অগ্রগতি মানে শুধু উন্নত জীবনযাত্রা বা প্রযুক্তি নির্ভরশীলতা নয়, সভ্যতার অগ্রগতি মানে &#39;বিশ্বাস&#39; থেকে &#39;কৌতূহল&#39;-এ উপনীত হওয়া। সভ্যতা মানে নিজের অজ্ঞানতাকে স্বীকার করে, অজানাকে জানতে চাওয়া। সভ্যতা মানে আত্মকেন্দ্রীক মানসিকতা থেকে সার্বজনীন উন্নয়নে আগ্রহী হওয়া। সভ্যতা মানে স্মৃতি ও কল্পনার বশীভূত না হয়ে জীবন উপভোগ করা।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/5396598037636895475/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5396598037636895475'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/5396598037636895475'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2023/06/blog-post.html' title='সভ্যতা&#39;র মাপকাঠি'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-7479077078309915235</id><published>2022-08-09T21:29:00.007+05:30</published><updated>2022-08-09T21:29:51.878+05:30</updated><title type='text'>হর ঘর তিরঙ্গা</title><content type='html'>&lt;p&gt;স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে, দেশের অন্তত ২০ কোটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানোর জন্যে কেন্দ্র সরকার &#39;হর ঘর তিরঙ্গা&#39; প্রকল্প নিয়েছে। এই প্রকল্পের অঙ্গ হিসাবে সব ডাকঘর থেকে জাতীয় পতাকা বিক্রি করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের অধীনে পতাকা সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে সালাউদ্দিন মন্ডল। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্যে ফ্ল্যাগ কোডে পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র সরকার।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এখানে একটা কথা মনে রাখা দরকার যে প্রকল্পের সময়সীমা ১৩ থেকে ১৫ই আগস্ট হলেও জাতীয় পতাকার সম্মান কিন্তু চিরকালীন। তাই যারা এই প্রকল্পের অধীনে নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগাবেন তারা দয়া করে মাথায় রাখবেন যে ১৫ই আগস্টের পরেও যেন সেই পতাকা তার উপযুক্ত মর্যাদা পায়। বাড়ির উঠোনে বা রাস্তার পাশে পড়ে থাকা জাতীয় পতাকা শুধুমাত্র বিসদৃশ নয়, জাতির সম্মানের জন্যে যথেষ্ট অবমাননাকর।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রোফাইলে জাতীয় পতাকা লাগান, বাড়িতে পতাকা লাগান, ক্লাব, অফিস, দোকান - যেকোন যায়গাতেই জাতীয় পতাকা লাগান কিন্তু সেটা যেন কোন হুজুগের ফলে না হয়। জাতীয় পতাকা লাগানো তখনই সফল হবে যখন আপনার ভিতরে জাতীয় সত্ত্বার বিকাশ ঘটবে। জাতীয়তাবাদ জিনিসটা খুব একটা সস্তা নয়, এটা তাদেরই শোভা পায় যারা নিজেদের জাতীয় পরিচয় নিয়ে গর্বিত।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/7479077078309915235/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/08/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7479077078309915235'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7479077078309915235'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/08/blog-post.html' title='হর ঘর তিরঙ্গা'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-3597521391606879654</id><published>2022-07-17T19:16:00.005+05:30</published><updated>2022-07-17T19:16:40.013+05:30</updated><title type='text'>অতীত নির্ভরশীলতা</title><content type='html'>&lt;p&gt;অতীতের মৌতাতে কেবল তারাই বুঁদ হয়ে থাকতে পারে যারা ভবিষ্যতের ঝুঁকি নিয়ে ভয় পায়। ধীরুভাই কি করেছিলেন সেটা নিয়ে স্মৃতিমেদুর হয়ে থাকলে মুকেশ আম্বানি বিশ্বের অন্যতম ধনী হতেন না। শুধুমাত্র&amp;nbsp; সিনিয়র জর্জ বুশের শাসন নিয়ে গর্ব চালিয়ে গেলে জুনিয়র জর্জ বুশ আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হতেন না। বাজপেয়ীর প্রথম অকংগ্রেসী প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে মেতে থাকলে মোদী কখনই দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অতীত যত সুখের বা আনন্দেরই হোক না কেন ভুলে গেলে চলবেনা যে সেটা অতীত। বর্তমান যদি শুধুমাত্র অতীত নির্ভর হয়ে যায় তাহলে ভবিষ্যৎ বিপন্ন হতে বাধ্য। মাধ্যমিকে স্টার মার্কস পাওয়া কোন শিক্ষার্থী যদি সেই আনন্দে বুঁদ হয়ে থাকে তাহলে উচ্চমাধ্যমিকে তার ফল কি হবে সহজেই অনুমেয়। অতীত প্রেরণা হতে পারে, শিক্ষা হতে পারে কিন্তু বর্তমানের নির্ণায়ক হতে পারেনা কারণ অতীত থেকে বর্তমানের মধ্যে একটা বিরাট পার্থক্য আছে আর সেটা হলো মহাকাল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অতীত আঁকড়ে থেকে যারা সময়ের সাথে সাথে নিজেদের জীবনযাত্রা বা আচরণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে না পারে তারা নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারেনা। বিশালদেহী ডাইনোসর বা ম্যামথরা পারেনি, হিন্দুরাও পারবেনা। গান্ধার থেকে ব্রহ্মদেশ অবধি বিস্তৃত ভারতের গরিমায় ডগমগ হিন্দুরা প্রায়শই ভুলে যায় যে গান্ধার বা ব্রহ্মদেশ - কোনটাই আজ ভারতের অঙ্গ নয়। হিন্দুদের বোঝা উচিত যে অতীতে দেশের বিরাট বিস্তৃতি যেমন সত্য ঠিক তেমনই সত্য তাদের বিযুক্তি। তারমানে অতীতে এমন ভুল নিশ্চয়ই হয়েছে যার পরিণতিতে দেশের সীমা সঙ্কুচিত হয়েছে। এমতাবস্থায়, শুধু &quot;মা যা ছিলেন&quot; নিয়ে গর্ব যথেষ্ট নয়। একইসাথে, &quot;মা যা হয়েছেন&quot; সেটার কারণও মনে রাখা দরকার যাতে &quot;মা যা হইবেন&quot; স্বপ্ন সফল হতে পারে।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/3597521391606879654/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3597521391606879654'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/3597521391606879654'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/07/blog-post.html' title='অতীত নির্ভরশীলতা'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-2989241925676903509</id><published>2022-06-29T19:13:00.002+05:30</published><updated>2022-06-29T19:13:25.559+05:30</updated><title type='text'>অনিবার্য পরিণতি</title><content type='html'>&lt;p&gt;রাজস্থানে মুসলমান জনসংখ্যার হার ১০ শতাংশের কম আর পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ শতাংশ। প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের হাতে তুলে দেয়ার জন্যে রাজস্থানে কোন বিশেষ আইন নেই কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে OBC-A সংরক্ষণের মোড়কে প্রতিটি সরকারি নিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেয়া হচ্ছে মুসলমানদের। পুলিশ থেকে আমলা- সব পদেরই দখল চলে যাচ্ছে হিন্দুদের থেকে। এতদিন হিন্দু বহুল থাকার পরেও ক্রমাগত বঞ্চিত হয়ে আপনি এখনও নিশ্চিন্ত আছেন যে জেহাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে, প্রশাসনের ভরসায়, আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে আপনি খুব সুরক্ষিত পরিবেশ রেখে যাচ্ছেন, তাই না?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১০ শতাংশের কম জনসংখ্যা সত্ত্বেও মুসলমানরা নুপুর শর্মার গ্রেপ্তারির দাবীতে মিছিল করলে রাজস্থান সরকার তাদের বিরুদ্ধে নীরব থাকে আর হিন্দুরা নুপুর শর্মার সমর্থনে মিছিল করলে তাদের বিরুদ্ধে কেস ফাইল করা হয়। বাঙালীরা অবশ্য এই দৃশ্যের সাথে পরিচিত। তারা দেখেছে যে কিভাবে শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হওয়ার কারণে টিকিয়াপাড়া দাঙ্গায় পুলিশ&#39;কে লাথি মারা ব্যক্তির বাড়িতে সরকারি উদ্যোগে রেশন পৌছে যায় আর তেলেনিপাড়া দাঙ্গায় পুলিশের নিস্ক্রিয়তা প্রকাশ করার জন্যে, করোনা অতিমারীর সময় ত্রাণ বিতরণ করে আসার দিনই প্রসূন মৈত্র&#39;কে গ্রেপ্তার করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরেকটা বিষয় জানিয়ে রাখা দরকার যে ১৫ই জুন কানহাইয়া লালের পুলিশে দায়ের করা অভিযোগ অনুসারে তার প্রতিবেশী, নাজিম এবং তার পাঁচ জন সহযোগী বেশ কিছুদিন ধরে কানহাইয়া লাল&#39;কে দোকান খুলতেও বাধা দেয়। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কানহাইয়া লালের নাম ও ছবি দিয়ে প্রচারও করা হয় যে তাকে রাস্তায় বা দোকানে দেখলে যেন হত্যা করা হয়। পুলিশ, যথারীতি, তার অভিযোগকে কোন গুরুত্ব দেয়নি আর পরিণতিতে এই হত্যা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন যে আপনার প্রতিবেশীরা ওরকম নয়। কমলেশ তিওয়ারি, উমেশ কোলে, কানহাইয়া লালের মত পরিণতি আপনার হতেই পারেনা। তসলিমা&#39;র বেলায় ফোর্ট উইলিয়াম থেকে সেনা ডাকতে হলেও বা জাতীয় সড়ক ও রেল স্টেশনে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরী হলেও বা প্রকাশ্য দিবালোকে সেনা ও পুলিশ অফিসারদের হত্যা করে বা বেধড়ক পিটিয়ে অপরাধীরা প্রমাণাভাবে বেকসুর খালাস হয়ে গেলেও আপনি নিশ্চিত থাকুন যে আপনার পরিবারের কোন বিপদ নেই।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিটা হত্যার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিন দুয়েক হল্লা হবে আর তারপর আবার উঠে আসবে নতুন ইস্যু। আজ রবি, রুদ্রেশ, অঙ্কিত সক্সেনা, পালঘর, কমলেশ তিওয়ারি, টোটোন দাস, মৌসুমি বিশ্বাস, বিকাশ দাস&#39;দের কথা আর ক&#39;জনের মনে আছে! আমাদের ক্ষোভের মেয়াদ প্রশাসনও জানে আর তাই তারা সেটা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হননা। আর আমাদের গুরু সমাজ তো আরেক কাঠি উপরে। তারা মরার পর আমি বিষ্ণুলোকে যাবো না ব্রহ্মলোকে সেটা নিয়ে প্রবচন দিতে পারেন, পরলোক নিরাপদ করতে শান্তি স্বস্ত্যয়ন করাতে পারেন কিন্তু ইহলোকের বিপদ সম্পর্কে তাদের মুখে টুঁশব্দ শুনবেন না। তাই যতই OBC-A দিয়ে অনুপ্রবেশ হোক, আপনার ধর্মীয় দায়িত্ব দক্ষিণেশ্বর, তারকেশ্বর বা তারাপীঠে পুজো দিয়েই শেষ। মাফ করবেন, এরকম সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে নিস্পৃহ, আত্মকেন্দ্রিক সমাজের ধ্বংস হয়ে যাওয়াই উচিত।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/2989241925676903509/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post_29.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/2989241925676903509'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/2989241925676903509'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post_29.html' title='অনিবার্য পরিণতি'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-1700137469870570215</id><published>2022-06-20T13:29:00.001+05:30</published><updated>2022-06-20T13:29:55.954+05:30</updated><title type='text'>পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও কিছু ভাবনা</title><content type='html'>&lt;p&gt;আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে যারা &#39;পশ্চিমবঙ্গ দিবস&#39; নিয়ে মাতোয়ারা হয়ে আছেন তাদের মধ্যে ক&#39;জন এই দিনের পিছনের ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা নিয়েছেন সেটা নিয়ে আমি সন্দিহান। না, আমি শুধু হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিভেদের কথা বলছিনা বা তাদের একত্রে বসবাসের কল্পনার কথা বলছিনা। আজ যে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হচ্ছে সেটা বাস্তবায়িত হওয়ার কারণ কিন্তু আরও গভীরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯৪৭ সালে, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির যৌথ অধিবেশনে যখন প্রথম ভোটাভুটি হয় তখন ১২০-৯০ ভোটে সিদ্ধান্ত হয় যে বাংলা অবিভক্ত থাকবে। ১৯৪৬ সালের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংস-এর কুখ্যাত নায়ক, হাসান সোহরাওয়ার্দী এবং শরৎ চন্দ্র বোসের মত ব্যক্তিরা বঙ্গ বিভাজনের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে, সওয়াল করেন অখণ্ড বাংলার পক্ষে যা ভারত ও পাকিস্তান কোন দেশেই যোগ দেবেনা। ব্যাপারটা বোঝার জন্যে আজকে কাশ্মীরের মুসলমানরা যে দাবী করছে সেটার সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে তখন, আজকের হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় দুই কোটি জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ মুসলমান অর্থাৎ প্রায় ৩০% আর পূর্ববঙ্গের প্রায় চার কোটি জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু ছিল দেড় কোটির মতন যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৩%।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শরৎ চন্দ্র বোস বা সোহরাওয়ার্দী&#39;র মত কিছু নেতা বা কৃষক প্রজা পার্টির মত দল স্বতন্ত্র বাংলার প্রচার করলেও, যা আদতে আরেকটা কাশ্মীরের জন্ম দিতো এবং সেই দূরদর্শিতার কারণেই, মুসলিম লীগের দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগের দাবী সত্ত্বেও জিন্না কিন্তু সোহরাওয়ার্দীর দাবীকে সমর্থন করেছিলেন। এই দূরদর্শিতা ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়েরও ছিল তাই তিনি ভারত ভাগের সাথে বাংলা ভাগের দাবীতে সোচ্চার হয়েছিলেন আর পাশে পেয়েছিলেন ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়, নির্মল চন্দ্র চ্যাটার্জি, স্যার যদুনাথ সরকার, ডঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার, ডঃ মেঘনাদ সাহা, ডঃ শিশির মিত্র, ডঃ সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়, ডঃ সুরেন্দ্রনাথ মিত্র সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের যারা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে অবিভক্ত বাংলার ছয় কোটি জনসংখ্যার পঞ্চাশ শতাংশ মুসলমান হলে সেখানে হিন্দুদের পরিণতি কি হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এবার আসি সেই ঘটনায় যেখান থেকে শুরু করেছিলাম এবং সেই শিক্ষা হিন্দুরা কতটা নিতে পেরেছে সেটা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলাম। লক্ষ্য করে দেখুন, সেই সময় ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন হিন্দু মহাসভার প্রতিনিধি আর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের প্রাদেশিক আইনসভায় ছিল কংগ্রেসের আধিপত্য। এই ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান কিন্তু ডঃ মুখোপাধ্যায়ের নিজের জাতিকে রক্ষা করার প্রতি বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং তিনি এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা সম্মিলিতভাবে প্রাদেশিক সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে হিন্দুদের আলাদা হোমল্যান্ড তৈরী হয়। এরই পরিণতিতে, হিন্দু বহুল অঞ্চলগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত আইনসভাতে আলাদা হোমল্যান্ড গঠনের দাবী ৫৮-২১ ভোটে জয়ী হয় এবং জন্ম নেয় পশ্চিমবঙ্গ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজকে যারা &#39;পশ্চিমবঙ্গ দিবস&#39; পালন করছেন তাদের মধ্যে কতজনের মধ্যে জাতির স্বার্থে রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার ইচ্ছা বা ক্ষমতা আছে সেটা নিয়েই আমি সন্দিহান। সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখার কুফল বাংলাদেশের হিন্দুরা হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে। বাংলাদেশের হিন্দুদের সিংহভাগ বংশপরম্পরায় আওয়ামী লীগের সমর্থক। ফলে বিএনপি তাদের গুরুত্ব দেয়না তারা তাদের ভোটার নয় বলে আর আওয়ামী লীগের কাছে তো তারা হাতের পাঁচ। জাতির স্বার্থে রাজনীতিতে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন এবং আমাদের যাবতীয় উদযাপন তখনই সফল হবে যখন আমরা তার প্রদর্শিত পথে চলতে পারবো।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/1700137469870570215/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1700137469870570215'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/1700137469870570215'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post_20.html' title='পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও কিছু ভাবনা'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-955439754159114232</id><published>2022-06-17T18:31:00.001+05:30</published><updated>2022-06-17T18:31:03.023+05:30</updated><title type='text'>অগ্নিপথ</title><content type='html'>&lt;p&gt;দু&#39;দিন আগে যারা বলতো যে সেনা মানে চাকরি নয়, আবেগ আর তাই সেটার আলাদা সম্মান আজ তারাই অগ্নিপথের লাভ বুঝাতে মাত্র চার বছর চাকরি করে লাখ টাকা জমানোর স্বপ্ন দেখাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দু&#39;দিন আগে যারা বলতো যে ভারতীয় সেনা মানে ত্যাগ আর নিষ্ঠার প্রতীক আজ অগ্নিপথের লাভ বুঝাতে তারাই বলছে যে সেনায় একবার ঢুকে গেলেই আরামে জীবন কাটানোর দিন এবার শেষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দু&#39;দিন আগে যারা সারা বিশ্বে ভারতীয় সেনার শৌর্য নিয়ে, তাদের প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সম্মানের ইতিহাস নিয়ে আমাদের গর্ব করতে বলতো আজ অগ্নিপথ বুঝাতে গিয়ে তারাই বলছে যে সেনাতে এবার তরুণ রক্ত ঢুকে তার কর্মক্ষমতা বাড়বে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি গোলা লোক, বুঝিনা কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। তবে দেশের প্রতিরক্ষাও যখন পরিসেবা, থুড়ি, পরিষেবা হয়ে গেছে তখন দেশকে তো তার মূল্য দিতেই হবে।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/955439754159114232/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/955439754159114232'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/955439754159114232'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/blog-post.html' title='অগ্নিপথ'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-2449938989834276039</id><published>2022-06-05T12:10:00.003+05:30</published><updated>2022-06-05T12:10:29.919+05:30</updated><title type='text'>OBC-A মামলা থেকে অব্যাহতি</title><content type='html'>&lt;p&gt;আগেই বলেছিলাম যে আত্মদীপ-এর দায়িত্ব হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্বের প্রতি সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা আর সমাজ যদি সেই কাজে সহযোগিতা করে তাহলে এগিয়ে যাওয়া। এরকমই একটা বিষয় ছিল বৈষম্যমূলক OBC-A আইন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০১২ সালে পাশ হওয়া OBC-A আইন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সমালোচনা করলেও এটাকে বাতিল করার কোন উদ্যোগ নেয়নি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে আমরাই প্রথম এটাকে অসংবিধানিক বলে বাতিল করার দাবীতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা করি এবং গত আড়াই বছর ধরে সেরা উকিলদের দিয়ে এই মামলা চালাতে থাকি। বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে আবেদনের প্রেক্ষিতে বা কিছু ব্যক্তি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাহায্য করেছেন, আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। প্রবাসী ভারতীয়রা দু-একটি শুনানির টাকা দিয়েছেন আমরা তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু এইভাবে যে টাকা যোগার হয়েছে সেটা নিয়মিত মামলা চালানোর জন্যে যথেষ্ট নয়। ২৬শে এপ্রিলের পর পরবর্তী শুনানির তারিখ হিসাবে ১৪ জুন নির্ধারিত হয়েছে। এখন প্রতিটা শুনানির খরচ ২৫০০০ টাকা এবং বিশেষ শুনানির সময় সিনিয়র উকিল নিলে বাড়তি খরচ ১.৫ লক্ষ টাকা। এতবড় আর্থিক দায়ভার নেয়ার সামর্থ আমাদের এই মুহূর্তে নেই আর সমাজের বড় অংশ, যার মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও আছে, এই দায় নিতে অনাগ্রহী হওয়ার কারণে আমরা উপলব্ধি করেছি যে সমাজ এখনও এই আইনের বিপদ সম্পর্কে এবং ভবিষ্যতের ছবি সম্পর্কে সচেতন নয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমতাবস্থায়, আমাদের সংকল্প অনুযায়ী আমরা এই মামলা থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। ভবিষ্যতে সমাজ যদি আগ্রহী হয় আর তখন যদি পরিস্থিতি বিপদসীমা পার না করে গিয়ে থাকে তখন আবার এটা নিয়ে চিন্তা করবো।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/2449938989834276039/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/obc.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/2449938989834276039'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/2449938989834276039'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/06/obc.html' title='OBC-A মামলা থেকে অব্যাহতি'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-7831500398103636702</id><published>2022-05-20T10:30:00.001+05:30</published><updated>2022-05-20T10:30:14.454+05:30</updated><title type='text'>ধার্মিক</title><content type='html'>&lt;p&gt;জেহাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যে, হিন্দুদেরও মুসলমানদের অনুকরণ করা জরুরী নয়। প্রত্যেকটা জাতির মানসিকতা, অভ্যাস, গঠন আলাদা। এক জাতির কাঠামো, আরেকজনের উপর বসিয়ে দিলে সেটা খাপ খায়না। যারা ভাবেন যে হিন্দুরা গন্ডা গন্ডা বাচ্চা প্রসব করলে জেহাদি প্রতিরোধ গড়ে উঠবে, আমি তাদের সাথে সহমত নই। যারা মুসলমানদের কাছে অত্যাচারিত হিন্দুরা কেন তাদের অত্যাচার নিয়ে সোচ্চার হননা বলে প্রশ্ন তোলেন, আমি তাদের প্রতি করুণা প্রকাশ করি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আচ্ছা, বলুন তো, ভারত আর পাকিস্তানের লড়াই নিয়ে কত দিবস, কত সিনেমা তৈরী হয়েছে কিন্তু ভারত আর চীনের যুদ্ধ নিয়ে ক&#39;টা দিবস বা ক&#39;টা সিনেমা হয়েছে? না, ব্যর্থতাকে কেউ সেলিব্রেট করেনা। এই কয়েকদিন আগে, ডোকলাম নিয়ে চীনের সাথে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, সেটার সমাধানেরও কোন দিবস পালন করা হয় কি? না, সমঝোতার মাধ্যমে লব্ধ বিষয়ে উল্লাস করা যায়না। এই কারণেই মুসলমানদের কাছে অত্যাচারিত হিন্দুরা তাদের অত্যাচার নিয়ে নীরব। পরাজয়ের কথা বুক ফুলিয়ে বলা যায়না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একইভাবে, যারা মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে রোখার জন্যে হিন্দুদেরও গন্ডা গন্ডা বাচ্চা নিতে উৎসাহ দেন, তাদের সেই মানসিকতাকেও আমার অন্ধ অনুকরণ ছাড়া আর কিছু মনে হয়না। ভারতবর্ষ মুসলমানদের নয়, হিন্দুদের। মুসলমানরা এদেশে এসেছিল আক্রমণকারী হিসাবে, লুট করতে। তাই এই দেশের প্রতি তাদের কোন মমত্ব নেই। কিন্তু হিন্দুদের সেটা আছে। ভারতের বর্তমান জনসংখ্যা যেখানে ইতিমধ্যেই ১৩০ কোটি পার হয়ে গেছে আর রিসোর্স সীমিত - সেখানে, নেতাদের খিদে মেটানোর পর, নিয়ন্ত্রণহীন জনসংখ্যার প্রয়োজন কতটা মেটানো সম্ভব হবে?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইসলামি আগ্রাসনের সামনে হিন্দুদের ব্যাকফুটে থাকার একমাত্র কারণ হল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হিন্দুরা ইসলামকে বিপদ বলে মনে করেনা। যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা বেশী, সেখানে তারা মুসলমানদের ত্বাকিয়ার দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে থাকে আর এইভাবে আস্তে আস্তে যখন দুই পক্ষই সমান সমান অবস্থায় আসে, তখন তারা আপোষ করা শুরু করে আর মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেলেই, অনিবার্য পরিণতি হিসাবে এলাকা ত্যাগ করে। এই প্রবণতা দিনের পর দিন, এলাকার পর এলাকায় ঘটে চলেছে কারণ হেরে যাওয়ার গ্লানি সবাই লুকাতে চায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমতাবস্থায় যারা ভাবছেন যে শুধু সমাজের তথাকথিত নিম্নবর্গের মাধ্যমে এই আগ্রাসনকে প্রতিহত করা যাবে, তাঁরা, আমার মতে, বাস্তব সম্পর্কে অবহিত নন। ইসলামিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই মোটেই একমুখী নয় যে কুরুক্ষেত্রের মত এসপারওসপার হয়ে যাবে। এই লড়াই যতটা মাটিতে হবে, ঠিক ততটাই হবে বৌদ্ধিক জগতে। এই লড়াইয়ে রাজনৈতিক দলগুলি সহ তাদের নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনকে - নিজেদের স্বপক্ষে আনতে না পারলেও অন্তত নিস্ক্রিয় রাখতে হবে - যেটা ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার সময়, মোদী অনেকাংশেই করেছিলেন। আজ্ঞে হ্যাঁ, গুজরাট দাঙ্গার সময়, মোদী মোটেই গোধরাতে রেলের কামরা জ্বালিয়ে করসেবকদের পুড়িয়ে মারা এবং সেটাতে উল্লাস প্রকাশ করা জেহাদীদের উপর আক্রমণ করেননি, সেই কাজ গুজরাটের হিন্দুরাই করেছিল। মোদী শুধু কিছু সময়ের জন্যে প্রশাসনকে নিস্ক্রিয় করে রেখেছিলেন যাতে বিচারের সাম্যতা বজায় থাকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইসলামিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু &#39;ব্লু কলার&#39; বা &#39;কলারলেস&#39;দের দিয়ে হবেনা, এই লড়াই করার জন্যে সমাজের &#39;হোয়াইট কলার&#39;দের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা অনিবার্য। যারা এই সত্যকে অস্বীকার করে, শুধু তথাকথিত নিম্নবর্গের দ্বারা এই কাজ করতে চাইছেন, তাদের সাফল্য নিয়ে আমার সংশয় আছে। কারণ প্রশাসনিক জাড্যতা ও আইনি বাধার বিরুদ্ধে তাদের শক্তি এতটাই ক্ষয় পায় যে অনেক সময়ই মূল লক্ষ্য থেকে দৃষ্টি সরে যায়। সমাজ রক্ষার, ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় যে গোটা সমাজের, এই বোধ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যেই আসতে হবে। হিন্দুদের একজোট হওয়ার জন্যে ধর্ম ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। তাই সমাজ রক্ষার এই কাজ যে হিন্দুদের ধার্মিক কর্তব্য, এই উপলব্ধি হিন্দুদের মধ্যে আসা দরকার।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এখানে ধর্ম মানে রিলিজিয়ন নয়, ধর্ম মানে দায়িত্ব, কর্তব্য। ঈশ্বরে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস, যাগযজ্ঞাদি, পূজার্চনা করা বা না করার সাথে মানুষের সামাজিক কর্তব্যের বা ধর্ম পালনের কোন সম্পর্ক নেই। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, বাজপেয়ী&#39;র সৌজন্যে যেমন &#39;রাজধর্ম&#39; শব্দটি বহুল পরিচিতি লাভ করেছে এবং সেখানে রাজধর্ম মানে মোটেই শাসকের পূজার্চনার কথা বোঝানো হয়নি, বরং তার কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে। একইভাবে, পুত্রধর্ম, ছাত্রধর্ম, পিতাধর্ম, শিক্ষকধর্ম ইত্যাদি দ্বারাও প্রত্যেক ক্ষেত্রের ব্যক্তিদের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। ঠিক এইভাবেই থাকে নাগরিক দায়িত্ব যা তার ধর্ম আর এই ধর্ম যে ঠিকভাবে পালন করে সেই ধার্মিক।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/7831500398103636702/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/05/blog-post_20.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7831500398103636702'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/7831500398103636702'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/05/blog-post_20.html' title='ধার্মিক'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6170746557798440614.post-4651696085926412147</id><published>2022-05-18T18:17:00.003+05:30</published><updated>2022-05-18T18:17:41.953+05:30</updated><title type='text'>বাঙালীর অস্তিত্ব</title><content type='html'>&lt;p&gt;পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইদানীং যে বাঙালীবাদ অথবা বাঙালী জাতীয়তাবাদের ধুয়ো উঠছে সেটা &#39;অনুপ্রেরণা&#39; মূলত রাজনৈতিক। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানকে প্রতিহত করাই এই হঠাৎবাদের উৎস। প্রথমে এটা শুরু হয়েছিল তথাকথিত হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে, কিন্তু হিন্দির বিরুদ্ধে মুখর হয়ে, উর্দুর বিরুদ্ধে মৌন থাকার চালাকিটা রাজ্যের ঘরপোড়া মানুষ বুঝে ফেলতেই এখন হিন্দি আর উর্দু- উভয়কেই নিশানা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু এই তথাকথিত বাংলাপ্রেমীদের (অন্য অর্থে নেবেন না) মূল সমস্যা হল যে তাদের হিসাবে ভাষাই জাতির একমাত্র পরিচায়ক। তাই তাদের কাছে, দেশের পূর্বদিকের সীমান্তের পূর্ব ও পশ্চিমে বসবাসকারী উভয়েই বাঙালী। তাদের মনে কি কখনও প্রশ্ন জাগেনা যে উভয়পারের লোকের পরিচয় যদি বাঙালীই হবে তাহলে মাঝখানে সীমান্তটা আসলো কেন? হয়তো জাগে, কিন্তু রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা এবং কাঞ্চনমূল্যে সেই প্রশ্ন চাপা পড়ে যায়। তারা বোঝেনা বা বুঝতে চায়না যে ভাষা কখনও জাতির একমাত্র পরিচায়ক হতে পারেনা, কোন জাতির পরিচয় হল তার সংস্কৃতি। সীমান্তের পশ্চিমপারে বাঙালীদের সংস্কৃতি আর পূর্বপারে বাংলাভাষীদের সংস্কৃতি এখন আর এক নয়। সুজলা সুফলা পূর্বপারের অধিকাংশ মানুষ তাদের জন্যে এমন এক মরু সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেছেন যেটা অন্য কোন সংস্কৃতির অস্তিত্ব মেনে নিতে পারেনা। আর সেই কারণেই রামধনু হয়ে যায় রঙধনু আর বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তির মত, ঢাকাতেও ভাঙা হতে থাকে মন্দির, মূর্তি। কারণ সেটা সেই মরু সংস্কৃতি অনুসারে, হারাম।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগেই বলেছি যে এই হঠাৎবাদের অনুপ্রেরণা ও স্পনসর যেহেতু রাজ্যের বর্তমান শাসক দল এবং একমাত্র লক্ষ্য বিজেপির অগ্রগতি রোধ করা, তাই বাজারে আরও একটা নতুন তত্ত্ব আসছে আর সেটা হল বাঙালী জাতীয়তাবাদ। বিজেপি যেহেতু হিন্দু জাতীয়তাবাদকে পুঁজি করে আন্দোলন করছে, তাই সেই আন্দোলন থেকে বাঙালীদের আলাদা করা (পড়ুন ভোট কাটা) এই নতুন দলের লক্ষ্য। আর এই লক্ষ্যে মূলত তারাই কাজ করছে যারা এতদিন বিজেপির দুয়ারে হত্যে দিয়ে পড়েছিল আর এখন সেখানে পাত্তা না পাওয়াতে তাদের মনে হয়েছে যে বিজেপিকে দিয়ে কিছু হবেনা। ভাবটা এমন যেন বিগত দশ বছরে বিজেপিই এই রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল আর কাংলাপাহাড়িতে দুর্গাপূজা বন্ধ বা তেহট্ট হাই স্কুলে সরস্বতীপূজা বন্ধ বিজেপিই করেছে। মহরমের জন্যে বিসর্জন বন্ধ করা বা তোতোন দাস, রোহিত তাঁতিদের হত্যাও হয়েছে বিজেপি প্রশাসনের কারণে। সমুদ্রগড়ের নিরীহ ছেলেদের, শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে, গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে, তিন বছর ধরে আটকে রেখেছে বিজেপি প্রশাসন আর তারক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তারও করেছিল বিজেপি প্রশাসন। এরপর হয়তো শুনবো যে ইমামভাতা আর OBC-A সংরক্ষণ আইনও বিজেপিরই অবদান। সত্যি, মানুষকে এতটা বোকা ভাবেন? ভাবতে পারেন?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাসকদলের মদতপুষ্ট যে সংগঠনগুলি হিন্দির &#39;আগ্রাসন&#39;, বকলমে রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে সোচ্চার তাদের কিন্তু বাংলার সংস্কৃতি রক্ষায় আগ্রহ নেই। বাংলার ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরগুলি সংরক্ষণ করার বা বাংলার লৌকিক পরম্পরাকে তুলে ধরতে তারা বিমুখ। তাদের কাজ খালি রেলওয়ে স্টেশনের নামের বোর্ডে হিন্দির উপর কালি লাগিয়েই শেষ। যদিও একই হিন্দি আর উর্দু মমতা ব্যানার্জী&#39;র সরকারি লেটারহেডে থাকলে তাদের কোন আপত্তি নেই, প্রতিবাদ নেই। যার নুন খাচ্ছে তারই বদনাম করবে, এতটা &#39;নিমক হারাম&#39; তারা নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ বাংলা ভাষা যেভাবে এই রাজ্যে নিজের স্থান হারাচ্ছে তার জন্যে হিন্দি বা উর্দু দায়ী নয়, দায়ী বাঙালীরা। হিন্দির আগ্রাসন যদি সত্যিই বিপজ্জনক হতো তাহলে দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যগুলি এর প্রভাবমুক্ত থাকতে পারতনা। কিন্তু ঘটনা হলো যে অন্ধ্র, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক বা কেরালাতে হিন্দি মোটেই কোন বিপদ নয়। অনুকরণ প্রিয় বাঙালী নিজেদের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী ফুলের সাজের বদলে কুন্দন জুয়েলারি পরবে, ধুতি-পাঞ্জাবির বদলে শেরওয়ানি পরবে, রেড মিটের দোহাই দিয়ে মাংস-ভাত ছেড়ে চেটেপুটে মাটন বিরিয়ানি খাবে, আর তারপর কাঁদুনি গাইবে যে সংস্কৃতি বিপন্ন। বাংলা সিনেমা আর গানের কথা তো বাদই দিলাম। যে বাংলা চলচ্চিত্র আগে বম্বের সিনেমা জগতে ছড়ি ঘোরাতো আজ সেই বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতিনিধি হয়ে গেছে মোহতা&#39;&#39;রা। পরিচালকের রাজনৈতিক রঙ দেখে স্থির করা হচ্ছে কোন সিনেমা নন্দনে স্থান পাবে। হিন্দি বা ইংরেজি সিনেমার যেকোন সহ-অভিনেতা আজ অভিনয়ের মাপকাঠিতে বাংলা সিনেমার অধিকাংশ শিল্পীকে বলে বলে দশ গোল দেবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিছুদিন আগেই কেরালা ঘুরতে গিয়েছিলাম, সেখানে কাউকে খৈনী বা গুঠখা খেতে দেখলাম না। সাধারণ লোকেরা এখনও আপ্পাম, ইডলি বা ধোসা খুশি মনে খায়। ম্যাক ডি বা কেএফসি&#39;র আধিপত্য নেই। রাস্তার বিভিন্ন বিজ্ঞাপনেও স্থানীয় অভিনেতাদের ছবি। একটা জাতি এমনিতেই শ্রেষ্ঠ হয়ে যায়না, তার জন্যে কয়েকটা প্রজন্মকে স্বাভিমান বোধ বজায় রাখতে হয়। বাঙালী যেদিন সেটা বুঝবে, তাকে আর সস্তার রাজনীতি করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবেনা।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/feeds/4651696085926412147/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/05/blog-post_18.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/4651696085926412147'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6170746557798440614/posts/default/4651696085926412147'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://prasunmaitra.blogspot.com/2022/05/blog-post_18.html' title='বাঙালীর অস্তিত্ব'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry></feed>