<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Page not found &#8211; Md Nur Ullah&#039;s Analytics</title>
	<atom:link href="https://politicsandprofit.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://politicsandprofit.com</link>
	<description>Politics and Profit</description>
	<lastBuildDate>Wed, 30 Jun 2021 17:48:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=5.4.10</generator>

<image>
	<url>https://politicsandprofit.com/wp-content/uploads/2020/08/cropped-n-32x32.jpg</url>
	<title>Page not found &#8211; Md Nur Ullah&#039;s Analytics</title>
	<link>https://politicsandprofit.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশটাকে লুটে চলেছে প্রতিনিয়ত</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/618/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/618/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 Jan 2021 21:33:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ চিন্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=618</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী সন্ত্রাসী ও লুটারেদের মাধ্যমে দেশে কি চলছে সেটা সকলেই জানে। নতুন করে আর কি বলব?সাম্প্রতিক সময়ে আশুগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে হয়েছে হরিলুটের মচ্ছব। কিন্তু ভেতরে রাঘব বোয়ালেরা কে কে রয়েছে সেটি বেরিয়ে আসছে না এখনও। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) ৪৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্পেনের দুটি কম্পানির কাছ থেকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>আওয়ামী সন্ত্রাসী ও লুটারেদের মাধ্যমে দেশে কি চলছে সেটা সকলেই জানে। নতুন করে আর কি বলব?সাম্প্রতিক সময়ে আশুগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে হয়েছে হরিলুটের মচ্ছব। কিন্তু ভেতরে রাঘব বোয়ালেরা কে কে রয়েছে সেটি বেরিয়ে আসছে না এখনও।</p>
<p>আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) ৪৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্পেনের দুটি কম্পানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তা ৬৪ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তাঁরা হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেন ও এপিএসসিএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী নূরুল আলম। ঘুষের টাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় কেনা হয়েছে দুটি বাড়ি, একটি ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি। গড়ে তোলা হয়েছে দুটি কম্পানি।</p>
<p>ঘুষের টাকা স্পেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী সাইফুল ইসলাম নামের ওই প্রবাসীকে দেওয়ার কথা ছিল মোট টাকার ৫ শতাংশ (প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ টাকা)। তবে যুক্তরাষ্ট্রে টাকা নেওয়ার পর তাঁকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি। তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ চলছে।</p>
<p>আমার তদন্তের মাধ্যমে জানতে পারি যে, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিষ্ঠান এপিএসসিএল ২০১২ সালের জুলাইয়ে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র আহ্বান করে। যৌথভাবে তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকার কাজটি পায় স্পেনের দুই কম্পানি টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে ইলেকট্রনিক। স্পেনের এই দুই কম্পানিকে যৌথভাবে কাজ দেওয়ার জন্য অনিয়মের আশ্রয় নেন বিদ্যুৎ বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম সচিব ও এপিএসসিএলের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও এপিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী নূরুল আলম। বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকের কাছ থেকে তাঁরা পেয়েছেন ৮০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৪ কোটি টাকা)। আইনি জটিলতা এড়াতে সেই টাকা তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রবাসী সাইফুল ইসলামের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়।</p>
<p>বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাওয়া দুই স্প্যানিশ কম্পানি ২০১৪ সালের মার্চে ঘুষের অর্থ স্পেনের মাদ্রিদ থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরের ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে পাঠানো শুরু করে। ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৮ ডলারের প্রথম চালানটি সেখানে পৌঁছে ওই বছরের ১০ মার্চ। সানফ্রান্সিসকোতে ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকের লাদেরা ল্যাঞ্চ শাখায় এপিএসসিএলের তৎকালীন এমডি নূরুল আলমের ছেলে মাহফুজ আলমের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠানো হয়। মাহফুজ আলম সে সময় সেখানে পড়াশোনা করতেন। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ৫২৮৩৩১৬৬৮৪, যার সুইফট কোড নম্বর ছিল ডঋইওটঝ৬ঝ। এ অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ লাখ ডলারের প্রথম চালানটি পাঠানো হয়েছে স্পেনের ভিলাও ভিজকা ব্যাংকের মাধ্যমে। লেনদেনের চেক নম্বরটি যুক্তরাষ্ট্র ব্যাংক চেক রাউটিং নম্বর হিসেবে পরিচিত, এর নম্বর ছিল ১২১০০০২৪৮।</p>
<p>চালানটি আসে মাদ্রিদের ১৩-এরাপ্লিস, ২৮০১৫-এ ঠিকানা থেকে। ঠিকানাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পাওয়া স্পেনের প্রতিষ্ঠান টেকনিকাস রিইউনিডাসের প্রধান দপ্তরের। টিএসকের প্রধান দপ্তরও স্পেনের মাদ্রিদে। ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকে মাহফুজ আলমের আরেকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ঘুষ নেওয়া দুই কর্মকর্তার পক্ষে মাহফুজ আলম স্পেন ও বাংলাদেশ থেকে ৮০ লাখ ডলার যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর অ্যাকাউন্টে নেওয়ার জন্য ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ওই চুক্তি করেন। টাকা আনতে পারলে মোট অর্থের ৫ শতাংশ তাঁকে কমিশন হিসেবে দেওয়ার চুক্তি হয়। তবে স্পেন থেকে অর্থের প্রথম চালানটি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর থেকেই সাইফুলের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন মাহফুজ। এরপর সাইফুল অর্থ চেয়ে বারবার যোগাযোগ করেও মাহফুজের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাননি। পরে পাওনা প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ টাকা চেয়ে গত বছরের ২৭ মে সাইফুল উকিল নোটিশ দিয়েছেন মাহফুজ আলম ও তাঁর বাবা নূরুল আলমকে। সেই নোটিশেরও কোনো জবাব আসেনি।</p>
<p>অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘুষের টাকা লেনদেন করতে মাহফুজকে প্রধান করে ক্যালিফোর্নিয়ায় এমজেডএ নামে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে স্পেনের দুই কম্পানি আশুগঞ্জের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেখিয়ে অর্থ পাঠিয়েছে। স্পেনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালত থেকে ঘুষ লেনদেনের অপরাধ থেকে রেহাই পেতে টেকনিকাস রিইউনিডাস ও টিএসকে এই কৌশল নেয়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ‘নূরুল আলম যেহেতু এপিএসসিএলের এমডি, সে কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়নকাজের পরামর্শক তাঁর ছেলের হওয়ার সুযোগ নেই। এটি বেআইনি।’</p>
<p>এটি নিয়ে এখন তদন্ত কার্যক্রম খুবই স্থবির। কথাও বলছেন না কেউ। তদন্ত কমিটির কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য এনার্জি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আহমেদ কায়কাউস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রধান আরাস্তু খান অবসরে যাওয়ায় কিছু সমস্যা হয়েছে। নূরুল আলম পলাতক থাকায় তাঁকেও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে পুলিশের কাছে বিষয়টি জানানোর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, পুলিশের বিশেষ শাখা খতিয়ে দেখছে নূরুল আলম দেশে আছেন না দেশের বাইরে।’</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/618/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বাংলাদেশের অন্যান্য আন্দোলনের উৎসাহকে উদ্বুদ্ধ করবে</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/615/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/615/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Dec 2020 19:21:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=615</guid>

					<description><![CDATA[বছর খানেক আগে নিরাপদ সড়কের দাবীতে বাংলাদেশে এক অভাবনীয় অভিনব শক্তিশালী ছাত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছিলো। স্কুলের ছাত্ররা স্কুল ব্যাগ কাঁধে-পিঠে নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তাদের দুই সহপাঠীর হত্যার বিচার চাইতে রাজপথে নেমে আসে। এই আন্দোলন তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ফ্যাসিস্ট শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় ড্রাইভারদের লাইসেন্স চেক করতে শুরু করে। অবাক হয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>বছর খানেক আগে নিরাপদ সড়কের দাবীতে বাংলাদেশে এক অভাবনীয় অভিনব শক্তিশালী ছাত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছিলো। স্কুলের ছাত্ররা স্কুল ব্যাগ কাঁধে-পিঠে নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তাদের দুই সহপাঠীর হত্যার বিচার চাইতে রাজপথে নেমে আসে।</p>
<p>এই আন্দোলন তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ফ্যাসিস্ট শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় ড্রাইভারদের লাইসেন্স চেক করতে শুরু করে। অবাক হয়ে সবাই দেখতে পায় পুলিশের বড় কর্তা, এমপি, মন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর অফিসাররা কীভাবে লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় যানবাহন চালায়। ছোট ছোট বাচ্চারা এই বিস্ময়কর সত্য আবিস্কার করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা এই রাষ্ট্রের মেরামতের দাবীও তোলে। সারা দুনিয়ায় এই আন্দোলনের খবর ছড়িয়ে পড়ে সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে।</p>
<p>স্কুল ছাত্রদের এই অহিংস শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেয়া স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নির্মমভাবে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের গুণ্ডাবাহিনী পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেয়।</p>
<p>এই আন্দোলন নিয়ে আল জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য নন্দিত ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমকে গভীর রাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশেরা পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।</p>
<p>আমাকেও ৫ আগস্ট ঢাকাতে ডিজিএফ আই অফিসে দেখা করতে যাওয়ার জন্য ফোন কল করে চাপ দেয়া হয়। সেদিন থেকেই আমি আমার স্বাভাবিক জীবন হারাই।</p>
<p>ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন গত বছর থেমে গেলেও পরাজিত হয়নি। ঝরা পাতা মাটিতে মিশে যেমন ভবিষ্যতের মহীরুহের জন্য অযাচিত সার রেখে যায়, ঠিক তেমনি এই নিরাপদ সড়কের আন্দোলন সারা দুনিয়ার কর্তৃত্ববাদী শাসকদের বিরুদ্ধে জনগণের নুতন লড়াইয়ে প্রেরণা যোগাবে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/615/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাষ্ট্র তার প্রাথমিক কর্তব্য সম্পাদন করছে না এবং উন্নয়নের বোগাস গল্প বুনছে</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/613/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/613/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2020 16:31:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=613</guid>

					<description><![CDATA[রাষ্ট্র একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য বা মুখ্য উদ্দেশ্য ও কাজ হল নাগরিক রাজনৈতিক অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বাকী সব কাজ রাষ্ট্রের গৌণ। আমরা রাষ্ট্রের যে মুখ্য কাজ তা সম্পাদনের জন্যই রাষ্ট্র গঠন করি। সেই অর্থে তথাকথিত “উন্নয়ন” রাষ্ট্রের জন্য একটা গৌণ কাজ। আদতেই উন্নয়ন বলে কিছু হয়েছে কিনা সেটা অন্য আরেক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>রাষ্ট্র একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য বা মুখ্য উদ্দেশ্য ও কাজ হল নাগরিক রাজনৈতিক অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বাকী সব কাজ রাষ্ট্রের গৌণ। আমরা রাষ্ট্রের যে মুখ্য কাজ তা সম্পাদনের জন্যই রাষ্ট্র গঠন করি। সেই অর্থে তথাকথিত “উন্নয়ন” রাষ্ট্রের জন্য একটা গৌণ কাজ। আদতেই উন্নয়ন বলে কিছু হয়েছে কিনা সেটা অন্য আরেক আলাপ।</p>
<p>রাষ্ট্র যদি তার মুখ্য কাজ না করে বা অপারগ হয়, তাহলে সে রাষ্ট্র অপ্রয়োজনীয়, খামোখা। অবাক হলেও সত্য, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, যোগাযোগ বা বানিজ্যের উন্নতি রাষ্ট্রের গৌণ কাজ। মুখ্য কাজ না করে এই গৌণ কাজ করা রাষ্ট্রের জন্য অভিপ্রেত নয়। উন্নয়নের নাম করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করাটা তাই সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতা।</p>
<p>রাষ্ট্র নামের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য ও মুখ্য কাজকে ধ্বংস করে “উন্নয়ন” নামের রাষ্ট্রের গৌণ কাজের বায়বীয় প্রতিশ্রুতি তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার শ্লোগান। এই অখাদ্য রাজনীতিবিদদের রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার খায়েসের বদলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান হওয়া উচিত ছিলো।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/613/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ধর্ষণ ও আত্মহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবকদের আশ্রয় দেয় পুলিশ</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/610/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/610/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2020 16:30:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=610</guid>

					<description><![CDATA[প্রহসনের নির্বাচনে যে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো রাতে আওয়ামী লীগের হয়ে ব্যালট বাক্স ভরেছে তারা এখন বাধাহীন হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগেরও নৈতিক শক্তি নাই এই বাহিনীগুলোর উপরে নৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার। ইদানিং কালে পুলিশের বড় কর্তাদের নামে বীভৎস সব অভিযোগ সামনে আসছে। সেমন্তীকে ধর্ষণ আর আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার পিছনেও আছে নীলফামারীতে কর্মরত এনএসআই কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলামের ছেলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>প্রহসনের নির্বাচনে যে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো রাতে আওয়ামী লীগের হয়ে ব্যালট বাক্স ভরেছে তারা এখন বাধাহীন হয়ে উঠেছে।</p>
<p>আওয়ামী লীগেরও নৈতিক শক্তি নাই এই বাহিনীগুলোর উপরে নৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার। ইদানিং কালে পুলিশের বড় কর্তাদের নামে বীভৎস সব অভিযোগ সামনে আসছে। সেমন্তীকে ধর্ষণ আর আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার পিছনেও আছে নীলফামারীতে কর্মরত এনএসআই কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলামের ছেলে ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ভাতিজা আবির আহমেদ। এই রাষ্ট্রীয় বাহিনীই শুধু নয় তাদের ছেলেপিলে ভাই ভাতিজারাও দুর্বিনীত এবং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কারণ তারা জানে তাদের কিছুই হবেনা।</p>
<p>সেমন্তীর বাবা যখন অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলো বগুড়া পুলিশের কাছে, তখন তাদের পেশাগত সাথীদের ছেলে ভাতিজার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে সেমন্তীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে। ফেসবুকে ভাইরাল না হলে এই ঘটনা চাপা পরে যেত।</p>
<p>বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তীর কথা লক্ষ্য করেন। তিনি বলেছেন, “সেমন্তির বাবা প্রথমে শাহরিয়ার অন্তর নামে একজনের নাম বলেছিলেন; তিন দিন পর আবিরের নাম বলেছেন। পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশনা আছে, আত্মহত্যার সহযোগিতার মামলা নিতে হলে প্রত্যক্ষ প্রমাণ থাকতে হবে। আসলে এ ব্যাপারে তদন্তে কিছু পাওয়া যাবে না।”</p>
<p>এই সনাতন চক্রবর্তীই আসলে অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। ভিকটিমের পরিবার দুইবার দুই নাম বললে সনাতন চক্রবর্তীর সমস্যা কোথায়? তার কর্তব্য অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করা। সে তদন্তের আগেই বলে দিচ্ছে তদন্ত করে কিছু পাওয়া যাবেনা। সনাতন চক্রবর্তীদের প্রশ্রয়ে ক্ষমতার ছাতার নিচে থাকা অপরাধীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/610/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শেখ মুজিব লাল বাহিনীকে ব্যবহার করেছিলেন নাগরিকদের ভয় দেখানোর জন্য</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/608/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/608/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Aug 2020 01:01:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ চিন্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=608</guid>

					<description><![CDATA[মুজিব আমলে ফ্যাসিস্ট বাহিনীর আদলে গড়া আলোচিত সংগঠন ছিল ‘লালবাহিনী’। এই লালবাহিনী মারমুখী শক্তি হিসেবে গড়ে উঠেছিল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী শ্রমিক লীগের নেতৃত্বে। এই বাহিনীর নেতা ছিলেন শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান। লাল বাহিনীর ক্যাডাররা লাল জামা পরতো। মাথায় লাল একটি শিরস্ত্রাণও থাকতো তাদের। শেখ মুজিব স্বয়ং জনগণ ও বিভিন্ন বিরোধী সংগঠনকে এই বাহিনীর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>মুজিব আমলে ফ্যাসিস্ট বাহিনীর আদলে গড়া আলোচিত সংগঠন ছিল ‘লালবাহিনী’। এই লালবাহিনী মারমুখী শক্তি হিসেবে গড়ে উঠেছিল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী শ্রমিক লীগের নেতৃত্বে। এই বাহিনীর নেতা ছিলেন শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান।</p>
<p>লাল বাহিনীর ক্যাডাররা লাল জামা পরতো। মাথায় লাল একটি শিরস্ত্রাণও থাকতো তাদের।</p>
<p>শেখ মুজিব স্বয়ং জনগণ ও বিভিন্ন বিরোধী সংগঠনকে এই বাহিনীর ভয় দেখাতেন। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে এক বিরাট জনসভায় ‘লালবাহিনী দিয়ে দাবড়ানো’র ভয় দেখান জনগণকে। এই লালবাহিনী আসলে ছিলো তাঁর নিজস্ব মিলিশিয়া।</p>
<p>লালবাহিনীর তৎপরতার কেন্দ্র ছিল দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল। প্রতিদ্বন্দ্বী বাম সংগঠনগুলোকে উৎখাত করা এবং সর্বগ্রাসী হয়ে চাঁদাবাজি করা ছিল এই লাল বাহিনীর মূল কাজ। বিরোধীদলগুলোর সমর্থক প্রায় সব সিবিএ-ইউনিয়নকে হাইজ্যাক করে এরা। তবে পোশাকিভাবে ‘রাজাকার ও সমাজবিরোধীদের নির্মূল’-এর নামেই এসব গুন্ডামি বৈধ করে নেয়া হচ্ছিল। লালবাহিনী বিশেষভাবে ‘বিহারী’ নামে পরিচিত উর্দুভাষীদের ওপর আক্রমণাত্মক ছিল। ঢাকায় বাহাত্তরের ‘মে দিবস’-এর সমাবেশে আবদুল মান্নান ঘোষণা দেন, ‘সরকার যদি বিহারীদের আটক ও বিচার না করে তাহলে তার সংগঠনই সেই কাজটি করবে।’</p>
<p>১৯৭২-এর মার্চ মাসে খুলনায় শ্রমিকদের আন্দোলন বন্ধ করতে গিয়ে এই লাল বাহিনী রীতিমতো তাণ্ডব ঘটায়। তাদের গুলিতে সরকারি হিসেব মতে নিহত হন ৩৬ জন শ্রমিক, আহত হন ৮০ জন। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে নিহত হয়েছিলেন দুই হাজারের বেশি লোক।</p>
<p>১৯৭২-এর জুন থেকে লালবাহিনী ঘোষণা দিয়ে কথিত সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরু করে। এমনকি অভিযানকালে আটককৃতদের ‘শাস্তি’ প্রদানের আইনগত ক্ষমতার আবদারও তারা করেছিল।</p>
<p>১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি বাকশাল গঠন প্রশ্নে শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক উদ্যোগের বিরোধিতা করলে এই লালবাহিনীর প্রধান আবদুল মান্নানকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>ছবিতে লাল বাহিনীর কমাণ্ডার আব্দুল মান্নানকে মাথায় সামরিক ক্যাপ পরা অবস্থায় ঢাকায় তার আশি হাজার লাঠিয়াল বাহিনীর সমাবেশে শেখ মুজিবের পাশে থেকে অভিবাদন গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/608/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেসবুকে মতামত প্রকাশের কারনে এক্টিভিস্টদের উপর আওয়ামী সরকারের হামলা</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/605/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/605/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Jul 2020 16:26:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ চিন্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=605</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট সরকার যা দশ মাস আগে এক প্রহসনের নৈশ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রেখেছে তার এজেন্সিগুলো ফেইসবুকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছে। তারা বাংলাদেশের ব্লগার, লেখক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, বুদ্ধিজীবি যারাই সরকারের সমালোচনা করে তাদের ফেইসবুকের উপস্থিতি আর লেখালেখি বন্ধ করে দিতে চাইছে।। ফ্যাসিস্ট সরকারের একটা আইটি সেল করেছে সেই আই টি সেলের কাজ হচ্ছে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট সরকার যা দশ মাস আগে এক প্রহসনের নৈশ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রেখেছে তার এজেন্সিগুলো ফেইসবুকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছে। তারা বাংলাদেশের ব্লগার, লেখক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, বুদ্ধিজীবি যারাই সরকারের সমালোচনা করে তাদের ফেইসবুকের উপস্থিতি আর লেখালেখি বন্ধ করে দিতে চাইছে।।</p>
<p>ফ্যাসিস্ট সরকারের একটা আইটি সেল করেছে সেই আই টি সেলের কাজ হচ্ছে, সরকার সমালোচক ও বিরোধীদের প্রোফাইলে গালাগালি হুমকি দেয়ার পাশাপশি ম্যাস রিপোর্টিং করে আইডি ব্যান করে দেয়ার ঘটনাগুলো ঘটানো। সরকারি এজেন্সিগুলো যেহেতু মোবাইল আলাপ এবং এস এম এস পড়তে পারে তাই তারা ফেইসবুকে যুক্ত মোবাইলে রিকোভারি এস এম পাঠিয়ে আইডির নিয়ন্ত্রন নিয়ে সেই আইডি পার্মানেন্টলি রিমুভ করে দেয়।</p>
<p>আমার মনে হয় ফেইসবুক তার ইউজারদের নিরাপত্তার স্বার্থে ম্যাস রিপোর্টিং আর এস এম এস রিকোভারি কোডের বিষয়ে পর্যালোচনা করে ইউজারদের অধিকতর নিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনা করতে পারে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/605/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/602/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/602/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Jun 2020 15:24:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=602</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলাটা এই মুহুইর্তে বোধকরি সবচাইতে ঝুঁকির একটি বিষয়। কিন্তু ঝুঁকি যতই হোক বলতে হবেই এবং লেখা লেখি জারি রাখতে হবেই। আর এটি না করলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা মনে করে নিবে সকলেই ভয় পেয়ে চুপ হয়ে গেছে ফলে সে তার ফ্যাসিস্ট শাষন কায়েম রাখতে পারবে। আমরা একটি সমাজের বাক স্বাধীনতার স্বাধীনতার প্রতটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলাটা এই মুহুইর্তে বোধকরি সবচাইতে ঝুঁকির একটি বিষয়। কিন্তু ঝুঁকি যতই হোক বলতে হবেই এবং লেখা লেখি জারি রাখতে হবেই। আর এটি না করলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা মনে করে নিবে সকলেই ভয় পেয়ে চুপ হয়ে গেছে ফলে সে তার ফ্যাসিস্ট শাষন কায়েম রাখতে পারবে।</p>
<p>আমরা একটি সমাজের বাক স্বাধীনতার স্বাধীনতার প্রতটি ব্যারোমিটার যদি বিবেচনা করে দেখি কিংবা মনে করবার চেষ্টা চালাই ঠিক কিভাবে বা কবে থেকে এই বাক স্বাধীনতার উপরে এম স্তীম রোলার চাপানোর পদ্ধতি তৈরী হোলো। এটি দেখতে গেলে আসলে আরেক স্বৈরাচার বপ্ররতমান প্রধানমন্ত্রীর পিতার দিকেই আলো নিক্ষেপ করতে হয়। যাই হোক আজকে আমরা মূল আলোচনাতে ফিরে আসি।</p>
<p>বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদের নামকে দুইভাবে ভাগ করা যায়: ১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, ২) বাক স্বাধীনতা। ‘ভাব-প্রকাশের স্বাধীনতা’ এবং ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ দুটোকে বাক-স্বাধীনতার মধ্যেই ফেলে দেয়া যায়।</p>
<p>সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের প্রথমেই কোনো বিধিনিষেধ বা ‘সাপেক্ষে’ ছাড়াই ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান’ করা হয়েছে। কিন্তু বাকস্বাধীনতা, ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে এভাবে নির্বিঘ্নে ছেড়ে দেয়া হয়নি। বরঞ্চ একটা বিরাট বাক্যের অধীনে এই স্বাধীনতাগুলোকে শর্তায়িত করে রাখা হয়েছে। শর্তগুলো হলো, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে…’</p>
<p>এই অনুচ্ছেদ খেয়াল করে পড়লে বোঝা যাচ্ছে, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেয়া হলেও বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বেড়াজালে আটকে রাখা হয়েছে। কিন্তু মুশকিল হলো, বাক স্বাধীনতা ছাড়া চিন্তার স্বাধীনতা আদৌ কি কোনো অর্থ বহন করে? ধরেন, আমি একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করছি, কিন্তু যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই চিন্তাকে ভাষার মাধ্যমে হাজির করতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত সেই চিন্তা কি আদৌ ‘চিন্তা’ হয়ে উঠতে পারবে? বা পেরেছে বলে কি আমি নিশ্চিত হতে পারি? উদাহরণস্বরূপ এই লেখাটার কথাই ধরা যাক। আমি সংবিধানের একটা ধারার প্যারাডক্স নিয়ে চিন্তা করছি, কিন্তু আমি যদি সেটা মৌখিক বা লিখিত রূপে ভাষার মধ্যে দিয়ে হাজির করতে না পারি তাহলে সেই চিন্তার অস্তিত্ব তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই চিন্তার থাকা বা না থাকাটা কি তখন তাৎপর্য বহন করে? চিন্তা বা চিন্তার বিষয়বস্তু পরীক্ষিত বা পরিশীলিত বা যুক্তির কঠিন ময়দানে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য বা এমনকি ভুল প্রমাণিত হওয়ার জন্যও সেই চিন্তাকে প্রকাশ ঘটাতে হবে। সংবিধানের যে বিষয়টা আমার কাছে প্যারাডক্স মনে হচ্ছে, সেটা আমার বুঝতে ভুলও হতে পারে, সেটা নিয়ে বিস্তর তর্ক-বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু সেই তর্ক-বিতর্ক তো হবে চিন্তার প্রকাশ ঘটার পর। মানে, মত প্রকাশের পর।</p>
<p>জে. বি. বিউরি যখন ‘চিন্তার স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস’ লিখা শুরু করেন, তখন একেবারে গোড়াতেই ঘোষণা দেন, চিন্তার স্বাধীনতার ইতিহাস আসলে বাক স্বাধীনতারও ইতিহাসও বটে। ‘কথা বলার স্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া চিন্তার স্বাধীনতা কোনো অর্থ বহন করে না’।</p>
<p>বিষয়টা তাহলে দাঁড়ালো এই, আমাদের সংবিধান বলছে আপনি চিন্তা করতে পারবেন স্বাধীনভাবে, কিন্তু সেই চিন্তার প্রকাশ করার বেলায় আপনি পরাধীন, শর্তায়িত। এখন, যে শর্তগুলোর কথা সংবিধানে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে, মানে যেসব ব্যাপারে আপনার বাকস্বাধীনতা সীমিত সেগুলো হচ্ছে, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা’, ‘বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’ , ‘জনশৃঙ্খলা’, ‘শালীনতা’ বা ‘নৈতিকতা’ ইত্যাদি। একটা উদাহরণের কথা ভাবা যাক। একজন গবেষক চিন্তা করলেন তিনি ভারতের সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটা গবেষণা করবেন। তিনি সেই গবেষণার চিন্তা করতেই পারেন, কেননা তিনি চিন্তায় স্বাধীন। কিন্তু, এখন ভারত যেহেতু আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র গবেষকের সেই চিন্তার বহিঃপ্রকাশ বা গবেষণা প্রকাশিত হলে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। বা, কোনো সংবাদপত্রে এমন কোনো রিপোর্টের বেলায় আমাদের রাষ্ট্র মনে করতেই পারে যে, এই রিপোর্ট প্রকাশিত হলে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে। তখন আপনি সংবিধানের বেড়াজালে আটকা পড়ে গেলেন, আপনার গবেষণা তখন অ-সংবিধানিক। তো, এখন আপনি অনেক চিন্তা করলেন, গবেষণাও করলেন, কিন্তু যদি সেটা প্রকাশ করতে না পারেন তাহলে সেই ‘চিন্তা’র তাৎপর্য কি? এই প্রকাশ করাটাই হচ্ছে বাক স্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা।</p>
<p>‘শালীনতা’ বা ‘নৈতিকতা’ ধারণাগুলোর ব্যাখ্যা এত বিস্তৃত এবং ক্ষমতা ও সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তনযোগ্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিছুদিন পূর্বে একজন বাউলের বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছিল, বা সিরাজাম মুনিরার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে, তারা যে সংবিধান বরখেলাপ করেছেন, তা শালীনতা বা নৈতিকতার বিস্তৃত ব্যাখ্যা দিয়ে প্রমাণ দেয়া সম্ভব বলে মনে হয়।</p>
<p>বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তাতে অনেকেই এই আইনকে সংবিধানের পরিপন্থী বলে দাবি করছেন। এটা যে সংবিধানের পরিপন্থী তা প্রমাণের জন্য তারা কেবল সংবিধানের ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা’র কথা উল্লেখ করেন, এবং তারা আসলে এটাকেই বুঝিয়ে থাকেন বলে বিশ্বাস করি। কিন্তু, খেয়াল করে দেখবেন, সংবিধান চিন্তার স্বাধীনতা দিলেও সেই চিন্তাকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা বিভিন্ন বেড়াজালে আটকে দিয়েছে। সে অনুযায়ী, ‘সংবিধান পরিপন্থী’ কথাটা পুরোপুরি কোনো অর্থ বহন করে না।</p>
<p>তো, এই ‘চিন্তা’র সাথে ‘চিন্তাকে হাজির করা’র মধ্যে যে দেয়াল তুলে দেয়া হয়েছে সেটা আসলে একটা জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত চিন্তাকে, চিন্তার সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দেয়। চিন্তা আসলে কোনো ‘ব্যক্তি’র বিষয় নয়, এটা আসলে ‘কালেক্টিভ’ বিষয়। তাই জ্ঞান উৎপাদন ও চর্চাও আসলে ‘কালক্টিভ’ বিষয়। আমার চিন্তা বহু জনের চিন্তার সাথে মিলবে, বহুজনের চিন্তা আমার চিন্তার সাথে মিলবে, মোলাকাত করবে, পরীক্ষা দিবে, খারিজ হবে, গৃহীত হবে – এমন বহু যৌথ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই আসলে চিন্তাচর্চা এগিয়ে যায়। কিন্তু এই সব ‘কর্মকাণ্ড’ কেবল তখনই সম্ভব হবে যখন সেই চিন্তাকে হাজির করার স্বাধীনতা বজায় থাকবে। এটাই আসলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। এটাই আসলে বাক স্বাধীনতা। এটাই এর ফজিলত।</p>
<p>কিন্তু, বাংলাদেশের সংবিধান ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা’র সাথে ‘বাক স্বাধীনতা’র একটা প্যারাডক্স হাজির করেছে। এখন আমার এই অনুমান বা সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হতে পারে, কিন্তু আমি যদি সেটা প্রকাশ করতে নাই পারি, তাহলে কি আমার এই অনুমান (চিন্তা) কোনো অর্থ বহন করে?</p>
<div class="jeg_post_tags"></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/602/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার রাজনীতি</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/600/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/600/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 16 May 2020 13:56:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=600</guid>

					<description><![CDATA[আমরা এখন এমন এক সময়ের মধ্যে আছি যখন দেশ ও দেশের মানুষ এক চরম সংকটের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা চাইলেও এর থেকে পরিত্রান মিলছে না। দেশের সাধারণ মানুষ আজ এই অবৈধ সরকারের কাছে জিম্মি। গণতন্ত্র আজ বিলুপ্ত, জনগনের বাক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করা হয়েছে, দেশের সমস্ত ক্ষেত্র আজ দুর্নীতিগ্রস্থ, সুদ-ঘুষের বানিজ্য, বেকার সমস্যা, লাগামহীন বাজারদর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>আমরা এখন এমন এক সময়ের মধ্যে আছি যখন দেশ ও দেশের মানুষ এক চরম সংকটের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা চাইলেও এর থেকে পরিত্রান মিলছে না। দেশের সাধারণ মানুষ আজ এই অবৈধ সরকারের কাছে জিম্মি। গণতন্ত্র আজ বিলুপ্ত, জনগনের বাক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করা হয়েছে, দেশের সমস্ত ক্ষেত্র আজ দুর্নীতিগ্রস্থ, সুদ-ঘুষের বানিজ্য, বেকার সমস্যা, লাগামহীন বাজারদর মানে সবদিক দিয়েই জন সাধারণ এক সীমাহীন অস্থিরতার ম মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যার আশু সমাধান প্রয়োজন। দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্র&#x200d;শোজন যেখানে  জনগন শান্তিতে ভোট দিয়ে যোগ্য সরকার নির্বাচিত করতে পারে। যে সরকার গনতান্ত্রিকভাবে দেশ পপরিচালনা করবে এবং জনগনের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে।</p>
<p>দেশজুড়ে বিভিন্নরকম সমস্যা থাকলেও এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ক্ষমতা-কেন্দ্রীক নির্বাচন, আর তাই শুধু নির্বাচন সংকটের সমাধান দিতে পারবেনা। এজন্য রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের লক্ষ্যে কিছু মৌলিক ক্ষেত্রে ঐক্যমত্য অর্জন অপরিহার্য। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির প্রর্বতন, এছাড়াও না-ভোটের পূন:প্রর্বতন এবং নির্বাচনী জোটের রাজনীতি বন্ধ করা উচিৎ। তবে সবথেকে বড় কথা প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার পূর্নবিন্যাস, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতার সীমারেখা নির্ধারণ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। এর মানে হলো অন্যান্য প্রশাসনের কোন ভূমিকা নেই। থাকলেও তারা সক্রিয় নয়। এছাড়াও দুই মেয়াদের বেশী এক ব্যাক্তি সরকার প্রধান হতে পারবেন না এমন নীতিমালা প্রনয়ণ করা প্রয়োজন। দলীয় প্রধান হয়েও একই সাথে সরকার প্রধানের পদাসীন হবার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। সংসদ বর্জনের সংষ্কৃতি আইন করে বন্ধ করতে হবে, একইসাথে সংসদ সদস্যদের নৈতিক আচরণবিধি প্রনয়ণ ও কার্যকর করতে হবে। দেশ এখন বিরোধী দলশুন্য। তাই সরকারও স্বেচ্ছাচারিতার চরম সীমায় গিয়ে জনগনকে জিম্মি করে রেখেছে। সংসদে বিরোধী দলের অংশগ্রহণের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এমনকি বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে হবে। তাছাড়া সংবিধানের ৭০নং অনুচ্ছেদের সংশোধনীসহ রাজনৈতিক দলে গণতান্ত্রিক চর্চা বিকাশের পথ প্রশস্ত করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক কার্যক্রম ও আন্দোলনের আচরণবিধি প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ণ করতে হবে যেন এরূপ কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার অপসংস্কৃতির অবসান হয়। সর্বোপরি ক্ষমতার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যে গগণচূম্বী সম্পদাহরণের সুযোগ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করছে তা নির্মূল করা।প্রয়োজন খুব শীগ্রই।</p>
<p>প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও নির্বাচন কমিশনের মত প্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে হবে। এই সংস্কারের তালিকা যত দীর্ঘই হোক, এবং আপাত দৃষ্টিতে যত অবাস্তবই মনে হোক না কেন,গণতন্ত্র ও জনস্বার্থে শুরু করতে হবে এখনই।কালক্ষেপনের সময় নেই। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থা, একনায়কতন্ত্র, প্রতিহিংসার রাজনীতি বেশিদিন চলতে পারেনা। জনগনকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। আর এজন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিকল্প নেই।</p>
<p>রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সমাধান যে অবশ্যই সম্ভব এটা সকলেই জানে। এজন্য বিশেষজ্ঞ মতামতের কোন প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই কোন বিদেশীদের পরামর্শের কিংবা হহস্তক্ষেপের। দেশের যেকোন একজন সাধারন নাগরিকের দাবীই এরজন্য যথেষ্ট। আর তাই জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশাকে অন্য সব কিছুর উর্ধ্বে স্থান দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতার এই নোংরা রাজনীতি যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/600/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সরকার ও সরকারী দলের কর্মীদের বেপরোয়া আচরণ</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/598/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/598/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Apr 2020 09:35:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=598</guid>

					<description><![CDATA[সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি সরকার ও সরকারী দলের প্রতিনিয়ত ক্রমবর্ধমান বেপরোয়া আচরণ এবং অসঙ্গতি দেখে  রাষ্ট্র এবং তার অধিকর্তাদের উপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। প্রতিমূহুর্তে তারা ধুর্ততার আশ্রয় নিয়ে বলে চলেছে তারা দেশ বাসীকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছে দিয়েছে। শুধুমাত্র আত্নতৃপ্তি পাওয়া ছাড়া এতে তেমন কোন ফায়দা হচ্ছে বলে তো মনে হয়না। সামাজিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি সরকার ও সরকারী দলের প্রতিনিয়ত ক্রমবর্ধমান বেপরোয়া আচরণ এবং অসঙ্গতি দেখে  রাষ্ট্র এবং তার অধিকর্তাদের উপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। প্রতিমূহুর্তে তারা ধুর্ততার আশ্রয় নিয়ে বলে চলেছে তারা দেশ বাসীকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছে দিয়েছে। শুধুমাত্র আত্নতৃপ্তি পাওয়া ছাড়া এতে তেমন কোন ফায়দা হচ্ছে বলে তো মনে হয়না।</p>
<p>সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির আড়ালে দেশে দুর্নীতি চলছে। ব্যাংকের টাকা লুটপাট হচ্ছে। সোনা তামা হচ্ছে। কয়লার খনি চুরির খনিতে পরিণত হয়েছে। সর্বত্র সরকারের বেপরোয়া আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা কায়েম করছে। দেশের মানুষ এখন শান্তিতে নেই। এভাবে দেশ চলতে পারে না। দেশের শান্তি ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে বিএনপির বিকল্প নেই।</p>
<p>গণতন্ত্র বিসর্জন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকতে পারে না। আমাদের এখনই সোচ্চার হতে হবে গণতন্ত্র রক্ষায়। গণতন্ত্রের অভাবে দেশে আজ অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মুক্তিযুদ্ধসহ সব আন্দোলন সংগ্রামে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো।  অথচ এখন গণমাধ্যমের গলা চেপে ধরা হয়েছে। সরকার এবং সরকারী দলের গুনগান ছাড়া আর কিছুই তারা করতে পারবে না। মত প্রকাশের কিংবা স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের মতো অবস্থা নেই গনমাধ্যমের। তারাও সরকারের কাছে আজ জিম্মি। এভাবে চলতে থাকলে গণমাধ্যমের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যাবে না। গণতন্ত্রই স্বাধীনতার রক্ষাকবজ। গণমাধ্যম দলীয়ভাবে কাজ করবে সেটা জাতি আশা করে না।  গণতন্ত্র না থাকলে দেশ টিকে থাকবে না, আমাদের অস্তিত্বও খুজে পাওয়া যাবে না।</p>
<p>দেশের অন্যান্য সব ক্ষেত্রের মতো আইন ও বিচার বিভাগেও হস্তক্ষেপ করছে সরকার। সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের কোন বিচার হয়না অথচ প্রতিহিংসার দরুন বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে।  আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষার্থে আইন পেশায় সংশ্লিষ্টদেরই এগিয়ে আসতে হবে। দেশে বিচার বিভাগে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাকে অরাজকতা বলা যেতে পারে। আইনজীবীরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা না করতে পারেন, তবে সামনে বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। বেগম খালেদা জিয়াকে সরকারের ইশারায় অন্যায়ভাবে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে তিনি অবশ্যই মুক্তি পাবেন।</p>
<p>সরকার দলীয় রাজনীতি আজ এত বেশী বেপরোয়া এবং দুর্নীতিগ্রস্থ যেকারনে দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না। বিচার বিভাগ আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের মানুষকে সব ধরনের অবিচারের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য এবং দেশের মানুষ যাতে দলমত নির্বিশেষে ন্যায়বিচার পায় তার জন্য আইনজীবীদের এখানে ভূমিকা রাখার সময় এসেছে। দেশ এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। গণতন্ত্রকে প্রতিনিয়ত হত্যা করা হচ্ছে। দেশে অবৈধ সরকার চেপে বসেছে। এখন গণ-আন্দোলনে যেতে হবে। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের লুটপাট, জনগণের ভোট ডাকাতি, অধিকার হরণ, দেশব্যাপী ভয়াবহ সন্ত্রাস, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। কিন্তু জাতি এ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে হরিলুট হয়েছে তাতো ইতিহাসে সেরা। ৬ হাজার টাকার বালিশ- এর আগে কোন কোন প্রকল্পে কেনা হয়েছে তা জাতি জানতে চায়।  ২৫০ টাকার বাজার মূল্যে বালিশ ৬ হাজার টাকা-এ এক মহা তুঘলকি কাণ্ড। সর্বত্র সীমাহীন লুটপাট চলছে। শুধু দুর্নীতি-ই নয়, বেড়ে চলেছে বেকারের সংখ্যা ও কৃষকের হাহাকার। এ জন্য সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। নির্বিচারে সরকারের এহেন বেপরোয়া আচরণ কখনোই মেনে নেওয়া যাবেনা। তারা জবাবদিহিতার উর্ধ্বে নয়। তাদেরকে অবশ্যই জনগনের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।</p>
<p>দেশব্যাপি সরকারের এই দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। এখনই প্র&#x200d;য়োজন কঠোর হস্তে সরকার ও সরকারের মদদপুষ্ঠদের দমন করা। অন্যথায় দেশ ক্রমশ সংকটময় পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাবে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/598/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপির রাজনীতি প্রতিহিংসার নয়</title>
		<link>https://politicsandprofit.com/596/</link>
					<comments>https://politicsandprofit.com/596/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md Nur Ullah]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2020 16:19:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://politicsandprofit.com/?p=596</guid>

					<description><![CDATA[মিথ্যাচার আর প্রতিহিংসার রাজনীতি কখনই বিএনপির রাজনীতি ছিল না। হবেও না। আজ ইকবাল-কবির-মামুন গং সর্বত্র প্রচার করে বেড়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে নাকি শেখ মুজিবুর রহমানের নাম নেয়া নিষিদ্ধ ছিল। কোথাও নাকি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু লেখা যেত না। কোন পত্রিকায় নাকি সাত মার্চ, পনের আগস্ট নিয়ে লেখা প্রকাশ করা হতো না। এই পেপার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="content-inner ">
<p>মিথ্যাচার আর প্রতিহিংসার রাজনীতি কখনই বিএনপির রাজনীতি ছিল না। হবেও না।</p>
<p>আজ ইকবাল-কবির-মামুন গং সর্বত্র প্রচার করে বেড়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে নাকি শেখ মুজিবুর রহমানের নাম নেয়া নিষিদ্ধ ছিল। কোথাও নাকি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু লেখা যেত না। কোন পত্রিকায় নাকি সাত মার্চ, পনের আগস্ট নিয়ে লেখা প্রকাশ করা হতো না।</p>
<p>এই পেপার কাটিংটা ১৯৮০ সালের মূলধারার পত্রিকা দৈনিক সংবাদের প্রথম পাতা থেকে নেয়া। এই সংবাদটা কয়েকটা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>০১) জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সাতই মার্চে শেখ মুজিবুর রহমানের ২ কলাম-জুড়ে ছবি ছাপানো যেত;</p>
<p>০২) প্রতিবেদনটা প্রায় ৫০০ শব্দের। এইটা সেই যুগের পত্রিকা যখন পুরো পত্রিকা ছিল ৮ পৃষ্ঠার;</p>
<p>০৩) পত্রিকায় খেয়াল করুন “বঙ্গবন্ধু পরিষদ” নামে একটা সাব-হেডিং আছে, অর্থাৎ যেসময় নাকি শেখ মুজিবুর রহমানের নাম নেয়া নিষিদ্ধ ছিল এবং তাঁকে বঙ্গবন্ধু ডাকা যেত না তখন “বঙ্গবন্ধু পরিষদ” গঠন করে রীতিমত ঘটা করে উৎসব পালন করা হতো সাতই মার্চ;</p>
<p>০৪) আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এমনকি মুক্তিযোদ্ধা সংসদও সাতই মার্চ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য উৎসব আয়োজন করতে পারতো।</p>
<p>এবং শুধু ১৯৮০ সালেই না, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত, এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ধুমধাম করে অনুষ্ঠান উদযাপন করেছে, পার্টির কর্মকান্ড চালিয়েছে। কেউ কোথাও বাঁধা দেয়নি। শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছে, তাঁকে নিয়ে বই প্রকাশ করা হয়েছে, কেউ বাঁধা দেয়নি। বেগম জিয়া সরকারের অনুদানে তৈরি “আগুনের পরশমণি” চলচ্চিত্রে সাতই মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়েছে, কোন সেন্সর বোর্ড তা আটকায়নি।</p>
<p>অথচ আজকে ২০১৮ সালে বিএনপির নামে অপবাদ দেয়া হয়। বিএনপিকে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করতে দেয়া হয় না। শহীদ জিয়াকে নিয়ে কোন টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারে না। তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার করলে সেই টিভি চ্যানেলের মালিককে কারাগারে ভরা হয়।</p>
<p>আসলে এই ইকবাল-কবীর-মামুন গং বর্তমান সরকারের দমননীতির কারণে একটা হীনমন্যতায় ভোগে। তাঁরা জানে জিয়ার সময় তাঁরা যেই স্বাধীনতা ভোগ করতো তাঁর ১০০০ ভাগের একভাগ স্বাধীনতাও এখন নাই এই দেশের মানুষের।</p>
<p>তাই এই নোংরামিকে জাস্টিফাই করার জন্য তাঁরা এইসব গল্প ফেঁদে তরুণ প্রজন্ম যাদের তখনও জন্ম হয় নাই তাদের বোকা বানায়। তাঁরা বলে এখন যেমন করা হয়, আগে আমাদের সাথেও এমন হত। শোধ-বোধ হচ্ছে। আর আমাদের বোকা তরুণ প্রজন্ম এই যুক্তি নিয়ে বগল বাজায়।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://politicsandprofit.com/596/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
