<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-580247098166922605</id><updated>2024-12-18T19:32:03.523-08:00</updated><title type='text'>Technology Social Bangla Blog</title><subtitle type='html'>মন মাতানো প্রযুক্তি</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://snapwall.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default?redirect=false'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>NoBody</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00797999921940359650</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>4</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-580247098166922605.post-7503409933825061528</id><published>2017-12-14T03:33:00.000-08:00</published><updated>2017-12-14T03:33:03.125-08:00</updated><title type='text'>বাঘ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhH93v-tLRdBYk9_kd6sroaO2M4zpebtjYlqIZ_yh8mENP3FHQSFksHYeR5I-DrrncGmhdgJZkLLrfFO_fAl8l8dW-tgGIfXB1MRgN2wLLNIvJV-MH0I7kTcpqOOe05QiVHdKRzyETm9MAU/s1600/68_tigress-picsay-1180x520.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;520&quot; data-original-width=&quot;1180&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhH93v-tLRdBYk9_kd6sroaO2M4zpebtjYlqIZ_yh8mENP3FHQSFksHYeR5I-DrrncGmhdgJZkLLrfFO_fAl8l8dW-tgGIfXB1MRgN2wLLNIvJV-MH0I7kTcpqOOe05QiVHdKRzyETm9MAU/s1600/68_tigress-picsay-1180x520.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&amp;nbsp;বড় বিড়াল বা বাঘকে বলা হয় ‘জঙ্গলের শাসক’। বাঘই হচ্ছে এমন বন্যপ্রাণী, যাকে নিয়ে বিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি আলোচনা করা হয়, যাকে নিয়ে বিস্ময়ের ও প্রশংসারও শেষ নেই। বাঘ এমন একটি প্রাণী, যাকে ভালোও বাসা হয়, আবার যমের মতো ভয়ও পাওয়া হয়। তবে মূলত বাঘ তাদের বন্য ও হিংস্র রূপের জন্যই বেশি পরিচিত। বিশ্বে প্রায় বিভিন্ন ধরনের বাঘ দেখতে পাওয়া যায়। সবচাইতে বিখ্যাত হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার; আরো রয়েছে সাইবেরিয়ান টাইগার, মালায়ান টাইগার ইত্যাদি। পাশাপাশি এই ভয়ংকর-সুন্দর প্রাণীটি কিন্তু একটি-দুটি দেশের জাতীয় পশু নয়; মোট ৬টি দেশের জাতীয় পশু হিসেবে বাঘ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মায়ানমার এবং সাইবেরিয়া। চলুন আজ বাঘ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা যাক, যেগুলো হয়তো অনেকেরই অজানা।&lt;br /&gt;
বাঘের চামড়াও ডোরাকাটা হয়&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘের গায়ের পশমে স্বতন্ত্র ও শোভামণ্ডিত ডোরাকাটা দাগ থাকে। কিন্তু এই ডোরাকাটা দাগ শুধু তাদের গায়ের লোমেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তা পশমের নিচের দেহেও দেখতে পাওয়া যায়। দেহের চামড়ায় এই ডোরাকাটা দাগটি হলো আসলে তাদের চামড়ার স্বাভাবিক রঙ। তাই বাঘের দেহের পশম চেঁছে ফেললে তাদের চামড়াতেও ডোরাকাটা দাগ দেখতে পাওয়া যায়। তবে পশমের তুলনায় তাদের চামড়ায় অপেক্ষাকৃত কম দাগ থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiAUo5s4tA8mfvhSohDNwRjILxYkaC9DGbqw1KG09OLfHF4c-yQJ5jj4ZawNsvYKmfqC6hNMzbOy9plMUmG0yjyb1HNiQE2bU8UG5flN79ilGxinstVofzWWLPaVX0KgsFSysIiRYgQdaED/s1600/gplus-1588850808-701x535.png&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;535&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiAUo5s4tA8mfvhSohDNwRjILxYkaC9DGbqw1KG09OLfHF4c-yQJ5jj4ZawNsvYKmfqC6hNMzbOy9plMUmG0yjyb1HNiQE2bU8UG5flN79ilGxinstVofzWWLPaVX0KgsFSysIiRYgQdaED/s1600/gplus-1588850808-701x535.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
বাঘের চামড়াও ডোরাকাটা; Source: lh3.googleusercontent.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যেকটি মানুষের যেমন স্বতন্ত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকে তেমনি প্রত্যেকটি বাঘের ডোরাকাটা দাগেও রয়েছে ভিন্নতা। একই প্যাটার্নের ডোরাকাটা দাগের বাঘ প্রাণীজগতে দুটি নেই। যার ফলে বাঘেরা খুব সহজেই একে অপরকে শনাক্ত করতে পারে।&lt;br /&gt;
বাঘের জিহ্বা প্রচণ্ড ধারালো ও রুক্ষ হয়&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একটি বাঘের জিহ্বা এতোটাই রুক্ষ বা অমসৃণ হয় যে তারা খুব সহজেই যেকোনো হাড়ে লেগে থাকা মাংস চেটে তুলে আনতে পারে। বাঘের জিহ্বায় ধারালো এবং ছোট ছোট কাঁটার মত তন্ত্রী থাকে, যেগুলোকে ‘প্যাপিলা‘ বলা হয়। শুধু জিহ্বার অগ্রভাগই নয়, বাঘের পুরো জিভ জুড়েই এই ক্ষুদ্রাকার, শক্ত এবং হুকের মত প্যাপিলাগুলো থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh8VTGwiE4PqKTD7JXPidkw6QcbbkPdICVpfKiNX1EZRkm-6Xcf4qhq4Ct-qMNpa6xHDTJVfAoayaDeAHGC_NyS8Lz9NEy0uHNVzts9g6pZIB0MnKr6hBn3jE5pAHEcf-uJGyMiImu-WSdz/s1600/Tigers-tongue.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;396&quot; data-original-width=&quot;750&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh8VTGwiE4PqKTD7JXPidkw6QcbbkPdICVpfKiNX1EZRkm-6Xcf4qhq4Ct-qMNpa6xHDTJVfAoayaDeAHGC_NyS8Lz9NEy0uHNVzts9g6pZIB0MnKr6hBn3jE5pAHEcf-uJGyMiImu-WSdz/s1600/Tigers-tongue.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
বাঘের জিহ্বার প্যাপিলা; Source: quebracabecas.com.br&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্যাপিলাগুলো বাঘের জিহ্বাকে এতোটাই রুক্ষ ও কর্কশ করে যে, যদি একটি বাঘ কয়েকবার কোনো মানুষের চামড়া চেটে দেয়, তাহলে সেই চামড়া ছিলে রক্ত বের হয়ে আসবে। এগুলো বাঘকে তার শিকারের মাংস ছিঁড়তে এবং শিকারের শরীরে পালক থেকে থাকলে সেগুলো তুলে ফেলতেও সাহায্য করে।&lt;br /&gt;
বাঘের গর্জনেই শিকার মাঝেমাঝে প্যারালাইজড হয়ে যায়&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একটি বাঘের গর্জন প্রায় বজ্রধ্বনির সমতুল্য। শিকারকে সাময়িক অসাড় এবং নিষ্ফল করে দিতে বাঘের কয়েকটি গর্জনই যথেষ্ট। এই বড় বিড়ালদের স্বরতন্ত্রী বা ভোকাল কর্ডের নিচে একধরনের ‘ভোকাল ফোল্ড‘ থাকে। এই ভোকাল ফোল্ডের কম্পনজাত ধ্বনিই মূলত বাঘের গগনবিদারী গর্জনের মূল কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘেরা প্রধানত দু’ধরনের গর্জনের সৃষ্টি করে। এক ধরনের গর্জন মানুষ শুনতে পায়, অপরটি মানুষ শুনতে পায় না। স্বল্প মাত্রা ও কম্পাংকের গর্জন মানুষ সাধারণত শুনতে পায় না। আর এ ধরনের গর্জনই অনেক দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে, যেগুলো বিভিন্ন ভবন, ঘন বন, পাহাড়-পর্বত, এমনকি হাড় ভেদ করেও চলে যায়। শিকারের দেহের অভ্যন্তর দিয়ে ভ্রমণের সময় এই গর্জন একধরনের হিম বা শীতলতার সৃষ্টি করে, যা শিকারকে জমিয়ে ফেলা বা অসাড় করে ফেলার মতোও ক্ষমতা রাখে। আর ঠিক এভাবেই বাঘ তার স্বল্প দৈর্ঘ্যের এবং কম্পাংকের গর্জন ব্যবহার করে শিকার অবশ করে ফেলে।&lt;br /&gt;
একটি বাঘের ওজন একটি সিংহের থেকে ১০০ কেজিরও বেশি হয়ে থাকে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাইরে থেকে পর্যালোচনা করলে মনে হয়, শারীরিক দিক দিয়ে একটি বাঘ ও একটি সিংহ প্রায় একই আকারের এবং ভাবা হয় তারা সমান শক্তিশালী। কিন্তু সত্যিকার অর্থে সিংহের থেকে বাঘ বেশি হিংস্র হয়ে থাকে। গড়ে একটি বাঘের ওজন হয়ে থাকে ৩৬০ কেজি, যেখানে একটি আফ্রিকান সিংহের ওজন হয় ২৫০ কেজির কাছাকাছি। পাশাপাশি পেশিবহুল এবং চর্বিহীন দেহ থাকার কারণে বাঘেরা সিংহদের তুলনায় বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে। চর্বিযুক্ত দেহ হওয়ায় দেখা গেছে, সিংহরা প্রায় সবসময়ই বাঘেদের সাথে লড়াইয়ে হেরে গেছে। একবার তো এমনও দেখা গেছে, বাঘ শুধু একটি থাবা মেরেই সিংহের ঘাড় মটকে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9FMD0z_EnIg9zFf2DbVlAntPZApAoDioNL3sH9tLC8uhyphenhyphenOfLvB5r6uyja9Kgc1xgW_HDGdhLYviN3tdnUnaiqtBhYy3Pr4CAGO-iEyovyRk-ikF70eIy5Sh3GGyTrY2O1K2djmBVy6oWz/s1600/leone-e-tigre.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;364&quot; data-original-width=&quot;500&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9FMD0z_EnIg9zFf2DbVlAntPZApAoDioNL3sH9tLC8uhyphenhyphenOfLvB5r6uyja9Kgc1xgW_HDGdhLYviN3tdnUnaiqtBhYy3Pr4CAGO-iEyovyRk-ikF70eIy5Sh3GGyTrY2O1K2djmBVy6oWz/s1600/leone-e-tigre.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
বাঘ বনাম সিংহ; Source: aldoricci.files.wordpress.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে বাঘ ও সিংহের লড়াইয়ের ধরন একরকম নয়। বাঘেরা সুপরিচিত তাদের যথাযথ ও দ্রুতগতির আক্রমণের জন্য। তাদের উদ্দেশ্যই থাকে হত্যা করার। অন্যদিকে সিংহরা আক্রমণের থেকে তর্জন গর্জন এবং শিকারকে তাড়িয়ে ও খুঁচিয়ে মারতেই বেশি পছন্দ করে।&lt;br /&gt;
বাঘেরা রাতে মানুষের তুলনায় ৬ গুণ বেশি স্পষ্ট দেখে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘেদের রয়েছে অনেক শক্তিশালী নাইট-ভিশন। অধিকাংশ প্রাণীরই রাতে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। যার ফলে বাঘ খুব সহজেই সেসব প্রাণীদের রাতে শিকার করে থাকে। তাদের চোখে তুলনামূলকভাবে বেশি ‘রড কোষ’ (Rod, যা রাতে দেখতে পারার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে) রয়েছে কিন্তু অপরদিকে অল্প ‘কোন কোষ’ (Cone, যা দিনের বেলা বা উজ্জ্বল আলোয় দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে এবং রঙিন বস্তু দেখতে সাহায্য করে) আছে। যার ফলে একটি বাঘ রাতে স্পষ্ট দেখতে পেলেও দিনের বেলা মানুষের তুলনায় চোখে কম দেখে।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiCm2atUcCrApKvElxmIVMaG1zGmmbVL3irB-nhmV4KNmGa0zLV1QVoRGlAdJpHraBvT3OUotQUSIesd6o3l8IZq236z8UNNS7iuQkANL0Wo6Qs15oEWNXGFjFzKKnaSJHKEnGbdtnwuBwA/s1600/tiger-at-night-701x473.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;474&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiCm2atUcCrApKvElxmIVMaG1zGmmbVL3irB-nhmV4KNmGa0zLV1QVoRGlAdJpHraBvT3OUotQUSIesd6o3l8IZq236z8UNNS7iuQkANL0Wo6Qs15oEWNXGFjFzKKnaSJHKEnGbdtnwuBwA/s1600/tiger-at-night-701x473.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
রাতের বেলা বাঘ; Source: redorbit.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাছাড়াও বাঘের চোখ অন্য যেকোনো বন্য প্রাণীর থেকে বেশি উজ্জ্বল। তাদের চোখে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের মেমব্রেন, যা রেটিনার মধ্যে দিয়ে অত্যাধিক পরিমাণে আলো প্রতিফলিত করে। মানুষের মতোই বাঘের চোখ দুটি তাদের মাথার অগ্রভাগে অবস্থিত, যা তাদেরকে ত্রিমাত্রিক দৃষ্টি প্রদান করে থাকে। এটি তাদেরকে শিকার করার ক্ষেত্রেও সুবিধা প্রদান করে।&lt;br /&gt;
ভাল্লুক শিকারের জন্যও সাইবেরিয়ান বাঘেরা বিখ্যাত&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইবেরিয়ার বাঘেরা সাধারণত ৩ ফুট লম্বা এবং ৩৬০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। তবে ভাল্লুকরা বাঘেদের থেকেও আকারে বিশাল হয়। তারা ৪ ফুট লম্বা এবং ওজনে ৪৫০-৬০০ কেজি হয়ে থাকে। কিন্তু আকার এবং ওজনে ছোট হলেও সাইবেরিয়ার বাঘেরা সেখানকার বাদামি এবং কালো ভাল্লুক শিকারের জন্যও সুপরিচিত। যদিও উভয় প্রাণীই লড়াইয়ের সময় তাদের সর্বশক্তি ব্যবহার করে থাকে, তবুও বাঘেরা তাদের দক্ষতা এবং লড়াই কৌশলের জন্য এগিয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘ ও ভাল্লুকের লড়াই করার ধরন প্রায় একই। দুজনেই তাদের পেছনের পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ায় এবং সামনের পা দিয়ে ক্ষিপ্রগতিতে আঘাত করে। তবে ভাল্লুকের দেহে আঘাত হানাটা অনেকখানিই কষ্টসাধ্য ও বিপদজনক। কারণ তাদের বিশালাকৃতির দেহটা প্রায় সবধরনের শক্তিশালী আঘাতের বিরুদ্ধে ঢালস্বরূপ কাজ করে। কিন্তু বাঘেরা চটপটে এবং চালাক হওয়ায় একসময় ভাল্লুকদের ঠিকই নাস্তানাবুদ করে ফেলে।&lt;br /&gt;
বাঘেরা একা সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘেরা একাকিত্ব পছন্দ করে। তারা মোটেই সামাজিক জীব নয়। বাঘকে মূলত দেখাই যায় তার নিজস্ব এলাকা পাহারা দিতে ও সেখানেই একা জীবন কাটাতে। এই নির্জনতাপ্রিয় হওয়ার কারণেই সিংহের কাছে বাঘ ‘বনের রাজা‘ উপাধিটা হারিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জন্মের পর বাঘের বাচ্চারা তাদের মায়ের আশ্রয়ে প্রথম ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ থাকে। এই একটা সময়েই তারা একসাথে বসবাস করে। যখন তারা নিজেরা চলাফেরা শিখে যায়, তখন তারা তাদের মাকে ছেড়ে চলে যায় এবং নিজেদের মতো করে একটা এলাকা বেছে নিয়ে বসবাস করা শুরু করে। পুরুষ বাঘেরা&amp;nbsp; নতুন এলাকার পাশাপাশি বাঘিনীর খোঁজেও বের হয়। অন্যদিকে বাঘিনীগুলো নিজেদের এলাকাতেই আজীবন কাটিয়ে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘেরা যে শুধু বাঘদের সাথেই সম্পর্ক করে, তা নয়। সিংহের সাথেও তাদের সম্পর্ক করতে দেখা গেছে। বাঘ এবং সিংহীর সাথে সম্পর্কের ফলে ‘টাইগন’ এবং সিংহ এবং বাঘিনীর সাথে সম্পর্কের ফলে ‘লিগার’ নামের সংকর প্রাণীরও দেখা মিলেছে।&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://snapwall.blogspot.com/feeds/7503409933825061528/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/7503409933825061528'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/7503409933825061528'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_14.html' title='বাঘ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য'/><author><name>NoBody</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00797999921940359650</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhH93v-tLRdBYk9_kd6sroaO2M4zpebtjYlqIZ_yh8mENP3FHQSFksHYeR5I-DrrncGmhdgJZkLLrfFO_fAl8l8dW-tgGIfXB1MRgN2wLLNIvJV-MH0I7kTcpqOOe05QiVHdKRzyETm9MAU/s72-c/68_tigress-picsay-1180x520.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-580247098166922605.post-1316986059009933698</id><published>2017-12-13T21:27:00.000-08:00</published><updated>2017-12-13T21:27:21.768-08:00</updated><title type='text'>কেমন হতো যদি পৃথিবীটা সমতল হতো?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
কেমন হতো যদি আমাদের পৃথিবীটা বর্তুলাকার না হয়ে সমতল চাকতির মতো হতো? যেরকমটি ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটির সদস্যরা বিশ্বাস করে থাকে? আমাদের জীবনে এই সমতল চাকতির মতো পৃথিবীর প্রভাব কীরকম হতো? আমরা যদি হাঁটতে হাঁটতে সেই চাকতির একেবারে প্রান্তে পৌঁছে যেতাম, তাহলে কি সেখান থেকে বাইরের মহাশূন্যে ছিটকে পড়ে যেতাম?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী বা অন্য কোনো গ্রহের পক্ষেই আসলে সমতল হওয়া সম্ভব না। মহাকর্ষ শক্তির প্রভাবেই গ্রহ-নক্ষত্রগুলো প্রায় বৃত্তাকার হতে বাধ্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গ্রহ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভ স্টিভেনসনের মতে, এই মুহূর্তে যদি পৃথিবীকে জোর করে প্যানকেকের মতো সমতল করে দেওয়া হয়, তাহলে যা ঘটবে তা হচ্ছে, মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এটি আবার গোলকে রূপান্তরিত হওয়ার চেষ্টা করবে। সমতল বানিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সাথে সাথেই পৃথিবী এত প্রবলভাবে গোলক রূপে ফিরে যেতে চাইবে যে, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। এমন কোনো পদার্থ নেই, যা দিয়ে পৃথিবীর পুনরায় গোলকে রূপান্তরিত হওয়ার প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে রাখা যাবে। তার মতে, মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবী গোলকে রূপান্তরিত হতে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমতল পৃথিবীর প্রান্ত থেকে বাইরে পড়ে যাওয়ার ধারণা @ Antar Dayal / Getty&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লন্ডনের রয়্যাল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী ম্যারেক কুকুলাও স্টিভেনসনের মতো একই ধারণা পোষণ করেন। তার মতে, পৃথিবীকে যদি সমতল অবস্থায় রাখতে হয়, তাহলে এমন একটি সুইচের প্রয়োজন হবে, যার মাধ্যমে মহাকর্ষকে গায়েব করে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডল বলে কিছু থাকবে না; বায়ুমণ্ডল সহ পৃথিবীর সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত নয়, এমন সব কিছুই ভাসতে ভাসতে মহাশূন্যে উড়ে যাবে। তাছাড়া বায়ুমণ্ডল না থাকায় অক্সিজেনের অভাবে সেখানে কোনো প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকাও সম্ভব হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া হয় যে, কোনো অলৌকিক ক্ষমতা বলে পৃথিবীকে সমতল করে ফেলা হলো এবং এর আকর্ষণ শক্তিও বজায় রাখা হলো, সেক্ষেত্রে কী ঘটতে পারে?&lt;br /&gt;
মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রকৃতি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গোলাকার পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দিক; Source: TheHUB&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমতল পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দিক; Source: TheHUB&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমতল পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কেন্দ্র হবে চাকতিটির পৃষ্ঠের কেন্দ্রবিন্দুতে। ফলে আপনি যদি চাকতির মতো আকৃতি বিশিষ্ট পৃথিবী পৃষ্ঠের কেন্দ্রে বা এর আশেপাশে অবস্থান করেন, তাহলে অনেকটা এখনকার মতোই আকর্ষণ অনুভব করবেন। কিন্তু কেন্দ্র থেকে যত দূরে যেতে থাকবেন, পৃথিবী সমতল হওয়ার কারণে মাধ্যাকর্ষণ বল আপনাকে তত তীর্যকভাবে আকর্ষণ করতে থাকবে। ফলে আপনার হাঁটতে কষ্ট হবে এবং মনে হবে, আপনি বুঝি ঢালু পথ বেয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করছেন। কেন্দ্র থেকে যত বেশি প্রান্তের দিকে যেতে থাকবেন, আপনার কাছে ঘর-বাড়ি, পাহাড়-পর্বত সব কিছুকে তীর্যকভাবে তৈরি বলে মনে হতে থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী পৃষ্ঠের পুরুত্বের উপর নির্ভর করে কেন্দ্রের দিকে অভিকর্ষের মান মোটামুটি স্বাভাবিক হতে পারে। চাকতিটির পুরুত্ব কীরকম হতে পারে, সেটি নিয়ে অবশ্য বিতর্ক আছে। তবে এর পুরুত্ব বর্তমান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ প্রায় ২,১২৩ কিলোমিটার ধরে নেওয়া যায়। এর কারণ হচ্ছে, গোলকের পৃষ্ঠকে যদি ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ব্যাসার্ধের এক-তৃতীয়াংশ পুরুত্ব নিলেই কেবল গোলকের সমান আয়তন পাওয়া সম্ভব। সেক্ষেত্রে পৃথিবীর কেন্দ্র অভিকর্ষের মান বর্তমানের তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হতে পারে। তবে কেন্দ্র থেকে দূরে যেতে থাকলে এই মান ক্রমশ হ্রাস পেতে থাকবে।&lt;br /&gt;
পৃথিবীর প্রান্ত থেকে ছিটকে পড়ে যাওয়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরে যেতে থাকলে পথগুলোকে ঢালু মনে হবে; Source: VSauce/YouTube&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবীর একেবারে প্রান্তে পৌঁছানো আপনার পক্ষে অসম্ভব না হলেও খুবই কঠিন একটি কাজ হবে। কারণ, একেবারে প্রান্তে পৃথিবীর অভিকর্ষ বল প্রায় ভূমির সমান্তরালে কাজ করবে। ফলে আপনি যদি প্রান্তের কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, তাহলে আপনার কাছে মনে হবে, আপনি বুঝি একেবারে খাড়া পাহাড় বেয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদি কোনোভাবে আপনি পৃথিবী নামক চাকতিটির একেবারে প্রান্তে পৌঁছে যেতে পারেন, তাহলে আপনি তো বাইরের মহাশূন্যে ছিটকে পড়বেনই না, বরং সম্ভাবনা আছে কেন্দ্রের দিক থেকে ভূমির সমান্তরাল আকর্ষণ শক্তির প্রভাবে আপনি ভেতরের দিকেই পড়ে যাবেন। আর একবার যদি চাকতির প্রান্তের ধারের উপর উঠে যেতে পারেন, তাহলে আপনার কাছে সেটিকেই স্বাভাবিক মাটি বলে হবে। সেখানে আপনি খুবই স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারবেন, অনেকটা এখনকার মতোই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবীর প্রান্তে পৌঁছালে ভেতর দিকে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে; Source: VSauce/YouTube&lt;br /&gt;
দিবারাত্রির পরিবর্তন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী গোলক হওয়ায় নিজ অক্ষের উপর আবর্তের ফলে দিবারাত্রি সংঘটিত হয়। কিন্তু পৃথিবী যদি সমতল হয়, তাহলে দিন বা রাত বলে পৃথক কিছু থাকবে না। সবসময় সমগ্র পৃথিবী একই রকমের আলো পাবে। অবশ্য আমরা যদি কল্পনা করে নেই যে, পৃথিবী না, বরং সূর্যই পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে, সেক্ষেত্রে অবশ্য ভিন্ন কথা। সেক্ষেত্রে দিন এবং রাত সংঘটিত হবে ঠিকই, কিন্তু সমগ্র পৃথিবীতে একই সাথে দিন হবে, আবার একই সাথে রাত হবে।&lt;br /&gt;
ঋতু পরিবর্তন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী তার অক্ষের উপর তীর্যকভাবে হেলে থাকা অবস্থায় সূর্যের চারদিকে আবর্তন করার ফলে দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়। কিন্তু পৃথিবী সমতল হলে ঋতুর কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। পুরো বছর জুড়ে পৃথিবীর সকল স্থান একই রকম সূর্যের আলো পাবে। ফলে গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল বা শীতকাল বলে পৃথক পৃথক কোনো ঋতু থাকবে না। সমগ্র পৃথিবীর তাপমাত্রা মোটামুটি একই রকম থাকবে। উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু নামে কিছু না থাকায় কোথাও কোনো বরফও থাকবে না।&lt;br /&gt;
সাগর-মহাসাগরের অবস্থান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গোলাকার পৃথিবী বনাম সমতল পৃথিবী; Source: TheHUB/ Youtube&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেহেতু পৃথিবী নামক চাকতিটি সবকিছুকে তার কেন্দ্র বরাবর আকর্ষণ করবে, তাই পৃথিবীর সব সাগর-মহাসারের অবস্থান হবে পৃথিবীর কেন্দ্রে। অন্য কোথাও কোনো জলাধারের অস্তিত্ব থাকবে না। অর্থাৎ পুরো পৃথিবীর শুধুমাত্র যে দুটো জায়গায় স্বাভাবিক মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বিরাজ করবে, তার একটি (কেন্দ্র) হবে মহাসাগর, আর অন্যটি (চাকতির প্রান্তের ধারের উপর) হবে পানিবিহীন সম্পূর্ণ মরুময়।&lt;br /&gt;
দৃষ্টিসীমা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী গোল হওয়ার কারণে আমরা মাটিতে থাকা অবস্থায় যতদূর পর্যন্ত দেখতে পারি, উঁচু স্থানে উঠলে তার চেয়ে আরো অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পারি। কিন্তু পৃথিবী সমতল হলে পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে খুব বেশি লাভ হবে না। পৃথিবী গোল বলেই সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়ালে দূর থেকে কোনো জাহাজ যখন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়, তখন আমরা প্রথমে তার মাস্তুলের চূড়াটি দেখি, এরপর পুরো জাহাজটির বিভিন্ন অংশ উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে। কিন্তু সমতল পৃথিবীর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ জাহাজ একসাথে আমাদের চোখের সামনে ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকবে। এখন যেরকম প্লেনে চড়লে আমরা পৃথিবীর বক্রতা বুঝতে পারি, তখন সেরকম ঘটবে না। প্লেন থেকেও দিগন্তকে সমতল বলে মনে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্লেন থেকে দেখলে পৃথিবীর বক্রতা বোঝা যায়: Source: TheHUB&lt;br /&gt;
চন্দ্রগ্রহণ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী যদি একই সমান্তরালে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়লে সেটাকে আমরা চন্দ্রগ্রহণ বলি। পৃথিবী গোলাকার বলেই পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে দিন বা রাতের যেকোনো সময় চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করার সময় চাঁদের উপর গোলাকার পৃথিবীর ছায়া পড়তে দেখা যায়। কিন্তু যদি পৃথিবী সমতল হয়, তাহলে চাঁদের উপর গোলাকার ছায়া পড়ার ঘটনাটি, অর্থাৎ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে খুবই বিরল ঘটনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কারণ, অধিকাংশ সময়ই পৃথিবী-চন্দ্র-সূর্য একই সমান্তরালে আসার পরেও দেখা যাবে, পৃথিবীর সাথে তাদের অবস্থান এমন এক কৌণিক তলে যে, চাঁদের উপর গোলাকার পৃথিবীর ছায়া পড়া পড়ছে না, কেবলমাত্র একটি সরু দাগ দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে পূর্ণ গ্রহণ কেবলমাত্র তখনই ঘটবে, যখন এদের অবস্থান একই সমান্তরালে অবস্থিত হবে এবং একইসাথে সূর্যের অবস্থান হবে পৃথিবীর উপরি পৃষ্ঠের ঠিক বিপরীত দিকে। অর্থাৎ পূর্ণগ্রহণ হবে শুধুমাত্র মাঝরাতে।&lt;br /&gt;
খেলাধুলার উপর প্রভাব&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরে যেতে থাকলে অভিকর্ষ তীর্যকতর হতে থাকবে; Source: VSauce/YouTube&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবী সমতল হলে খেলাধুলার উপরেও বিশাল প্রভাব পড়বে। ফুটবল খেলার সময় বল যেদিকেই নিক্ষেপ করা হোক না কেন, মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সেটি সব সময়ই গড়িয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠের কেন্দ্রের দিকে ছুটে চলে আসতে চাইবে। কাজেই মাঠগুলোর দিক যদি হয় পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে এর প্রান্তের মধ্যবর্তী ব্যাসার্ধের অভিমুখে, তাহলে যে দল প্রান্তের দিকে থাকে থাকবে, তারা বেশি সুবিধা পাবে। ফলে সবগুলো মাঠের দিক হতে হবে ব্যাসার্ধের সাথে লম্ব অভিমুখে।&lt;br /&gt;
গাছপালার বৃদ্ধি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পৃথিবীতে গাছপালা বৃদ্ধি পায় মাধ্যাকর্ষণ বলের বিপরীত দিক অভিমুখে। ঋণাত্মক গ্র্যাভিট্রোপিজম নামক এক প্রকার বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ঘটে থাকে। পৃথিবী সমতল হলে কেবলমাত্র কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত গাছপালার বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে হবে। কেন্দ্র থেকে দূরত্ব যত বেশি হবে, গাছপালা তত তীর্যকভাবে বেড়ে উঠতে থাকবে।&lt;br /&gt;
ফিচার ইমেজ- Scienceabc.com&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://snapwall.blogspot.com/feeds/1316986059009933698/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_48.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/1316986059009933698'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/1316986059009933698'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_48.html' title='কেমন হতো যদি পৃথিবীটা সমতল হতো?'/><author><name>NoBody</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00797999921940359650</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-580247098166922605.post-5580675054855769363</id><published>2017-12-13T03:25:00.001-08:00</published><updated>2017-12-13T03:28:42.118-08:00</updated><title type='text'>ফিল্টার বাবল: প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যেভাবে আমাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgEE0WQRvOJz50GyeVmzNdUKsuWqIzrv7rRpx5WA5SBwFniXfkcGzBKMcosO0EfAJkeTYToh2k4sU-2ED57_wjjFY3qUHszGsjdLBOxxZ4TbBqv3glGYLuZTtLdnS8VZXLMnBFnnpvgzMMS/s1600/filter-bubble-v2-1180x520.png&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;520&quot; data-original-width=&quot;1180&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgEE0WQRvOJz50GyeVmzNdUKsuWqIzrv7rRpx5WA5SBwFniXfkcGzBKMcosO0EfAJkeTYToh2k4sU-2ED57_wjjFY3qUHszGsjdLBOxxZ4TbBqv3glGYLuZTtLdnS8VZXLMnBFnnpvgzMMS/s1600/filter-bubble-v2-1180x520.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্টারনেটকে নানান ধরনের কাজে ব্যবহার করা হলেও শুরু থেকেই আমরা একে পুরো পৃথিবীব্যাপী আন্তঃযোগাযোগের স্বাধীন মাধ্যম হিসেবে জানি। বিশ্বায়নের মতো বহু পরিচিত বিষয়টিকে আরো সহজভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেও ইন্টারনেটের ভূমিকা বর্ণনা করা হয়। বিভিন্ন বিষয়াদি সম্পর্কে জানার সবচাইতে তথ্যবহুল মাধ্যম হিসেবে ইন্টারনেট পুরো পৃথিবীর কাছে জনপ্রিয়। বিভিন্ন দল, মত, সংস্কৃতি, সভ্যতার সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগাযোগ স্থাপনও ইন্টারনেটের কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে। তবে মাঝখানে বাধ সাধছে ইন্টারনেটের কল্যাণে এগিয়ে যাওয়া গুগল, ফেসবুকের মতো বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোম্পানিগুলো নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থে তাদের প্রযুক্তিগুলোতে এমন সব অ্যালগরিদম ব্যবহার করছে, যেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে আমরা ইন্টারনেটে যা সার্চ করছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত যেসব জিনিসের সাথে সংযুক্ত থাকছি, বৈশ্বিক অবস্থান, জেন্ডার, বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় ব্যবহার করা তথ্য সহ নানান জিনিস বিশ্লেষণ করে আমাদের শ্রেণীভুক্ত করে ফেলে এবং সে অনুযায়ী আমাদের জন্য শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ফিল্টার করা তথ্য সরবরাহ করে। অর্থাৎ, ঐ সকল অ্যালগরিদমগুলো আমাদের আগোচরেই ইন্টারনেটে আমাদের করা কর্মকান্ডের উপর চোখ রাখে এবং পরবর্তীতে আমাদের জন্য কী ধরনের নিউজ বা সার্চ রেজাল্ট ভালো হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে পুরো ধারণাটি ‘ফিল্টার বাবল’ নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://d1n8ako6j8wa9t.cloudfront.net/wp-content/uploads/2017/12/11223055/d70edc27839965.5636b96751621.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;400&quot; data-original-width=&quot;600&quot; src=&quot;https://d1n8ako6j8wa9t.cloudfront.net/wp-content/uploads/2017/12/11223055/d70edc27839965.5636b96751621.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt; &lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
টেড টকসে ‘ফিল্টার বাবল’ নিয়ে আলোচনা করার সময় এলি প্যারিসার; Image Source: behance.net&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
‘ফিল্টার বাবল’ ধারণাটি সবার নজরে আনে আমেরিকান অনলাইন এক্টিভিস্ট ‘এলি প্যারিসার’। তিনি ২০১১ সালে টেড টকসে সর্বপ্রথম এটি নিয়ে আলোচনা করেন এবং একই বছরে ‘দ্য ফিল্টার বাবল: হ্যোয়াট দ্য ইন্টারনেট ইজ হাইডিং ফ্রম ইউ’ নামে একটি বই বের করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিল্টার বাবল ধারণাটিকে আরো সহজভাবে উপস্থাপন করতে গিয়ে এলি প্যারিসার একটি পরীক্ষার ফলাফল বর্ণনা করেন, যেখানে তিনি তার কিছু বন্ধুকে ‘Egypt’ কি-ওয়ার্ডটি দিয়ে গুগল করে ফলাফলগুলোর স্ক্রিনশট পাঠাতে বলেন। তিনি স্কট এবং ডেনিয়েলস নামের দুজন বন্ধুর স্ক্রিনশটের মাঝে পার্থক্য করে দেখান যে, স্কটের সার্চ রেজাল্টে সেই সময়কার ইজিপ্টের রাজনৈতিক সঙ্কট, প্রটেস্ট, সাউথ আফ্রিকান জার্নালিস্ট ‘লারা লোগান’ নিয়ে তথ্য এসেছে। অপরদিকে ডেনিয়েলসের সার্চ রেজাল্টে ইজিপ্টে ট্রাভেল, ইজিপ্টের ডেইলি নিউজ আর সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির ফ্যাক্টবুক শিরোনামে নিয়ে তথ্য এসেছে, যেগুলো আশ্চর্যজনকভাবে একে অপরের বিপরীত।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjClO6FA2SuST6P36ZtPxJnbhNA3gTt3V2gM5s5mF3hOrx_pItIrOyD34lv6yzFZOLoL8pl3GHx4PZz3AlFreqJDHVjMlk337tsE-pS0bGo1js3OorGnc348IJ8L7SnOR0iWagYn_4MDsPA/s1600/screen-shot-2013-10-30-at-1-37-07-pm-701x345.png&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;345&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjClO6FA2SuST6P36ZtPxJnbhNA3gTt3V2gM5s5mF3hOrx_pItIrOyD34lv6yzFZOLoL8pl3GHx4PZz3AlFreqJDHVjMlk337tsE-pS0bGo1js3OorGnc348IJ8L7SnOR0iWagYn_4MDsPA/s1600/screen-shot-2013-10-30-at-1-37-07-pm-701x345.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
স্কট এবং ডেনিয়েলসের সার্চ রেজাল্ট; Image Source: vialogue.wordpress.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ থেকে অনেকাংশেই ধারণা পাওয়া যায় যে, অ্যালগরিদমগুলো প্রত্যেককে কীভাবে আলাদা আলাদাভাবে চিহ্নিত করে প্রত্যেকের জন্য নিজেদের ইচ্ছেমতো সার্চ রেজাল্ট উপস্থাপন করছে। ফিল্টার বাবল সম্পর্কে আরো সুস্পষ্টভাবে ধারণা প্রদানের জন্য এলি প্যারিসার বলেন,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; “Your filter bubble is your own personal, unique universe of information that you live in online. What’s in your filter bubble depends on who you are, and it depends on what you do. But you don’t decide what gets in – and more importantly, you don’t see what gets edited out.”&lt;/blockquote&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমান পৃথিবীতে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। এমনকি নির্বাচনের সময় কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো, সে ব্যাপারে ধারণা তৈরির জন্যও আমরা ইন্টারনেটে খোঁজ করি। এমনকি, ‘কোন প্রার্থীকে কেন ভোট দেওয়া উচিত নয়’ সে ব্যাপারে ধারণা পেতেও আমরা ইন্টারনেটের শরণাপন্ন হই। ইন্টারনেট থেকে প্রচুর পরিমাণে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে গবেষণা করার পর সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে তেমন বেগ পেতে হয় না। কিন্তু সত্যিই কি আমরা সঠিক সিদ্ধান্তটি নিয়েছি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধরুন, আপনি একজন ডেমোক্র্যাট। আপনার পূর্ববর্তী সার্চ হিস্টোরি, অনলাইনে খোঁজাখুঁজি, সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখিত পলিটিকাল স্ট্যাটাস, বিভিন্ন ফোরামে নিজের দল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা নিয়ে কথা বলার দরুন খুব সহজেই আপনার সম্পর্কে সবসময় ব্যবহার করা সার্চ ইঞ্জিনটির অ্যালগরিদমগুলো পর্যাপ্ত ধারণা তৈরি করে নিলো। অর্থাৎ, আপনাকে অ্যালগরিদমগুলো একজন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করে ফেললো। এখন যদি ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবস্থাপকেরা রিপাবলিকানদের সমর্থন করে বা তাদের প্রচার মাধ্যম হিসেবে বেতনভুক্ত হয়, তাহলে কী হবে ভাবুন একবার! আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃপক্ষ এমন এক বাবলের আওতায় নিয়ে আসবে, যেখানে ডেমোক্র্যাট নিয়ে নেতিবাচক সার্চ রেজাল্ট আসবে। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর হয়তো আপনি আপনার ভোট অন্য কোনো দল বা রিপাবলিকানদের দেওয়ার ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। পুরো ব্যাপারটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও অনেক গবেষকদের মতে, ২০১৬ সালে আমেরিকার নির্বাচনে ঠিক এটিই ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgYjusAbMSsxF6aLzii8STn1MoYuHmJJ2om7SEuUarHXzn6FlEIqv7rKqDr4sZhMKS61vb4KNOaI0pLcgW7kxp6vdq958yGrPmnLY9cGKdVGOYlt7uc2NZnagzqHCi6ZM2AZVIZVsGGYVWe/s1600/bubble2-750x480-701x449.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;449&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgYjusAbMSsxF6aLzii8STn1MoYuHmJJ2om7SEuUarHXzn6FlEIqv7rKqDr4sZhMKS61vb4KNOaI0pLcgW7kxp6vdq958yGrPmnLY9cGKdVGOYlt7uc2NZnagzqHCi6ZM2AZVIZVsGGYVWe/s1600/bubble2-750x480-701x449.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
যেভাবে অ্যালগরিদমগুলো গ্রাহকদের তথ্য সরবরাহ করে থাকে; Image Source: ioix.com.ua&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্টারনেটের কল্যাণে যেখানে আমাদের পুরো পৃথিবীর সকল কিছুর সাথে সংযুক্ত থাকার কথা, সেখানে ফিল্টার বাবল আমাদের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলছে। যাকে এলি প্যারিসার ‘পার্সোনাল ইকো-সিস্টেম অফ ইনফরমেশন’ হিসেবে উল্লেখ্য করেছেন। এই ইকো-সিস্টেমে আপনি শুধুমাত্র আপনার পছন্দের জিনিসগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবেন। যেমন, দিন দিন সংবাদ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুকের ব্যবহার বেড়েই চলছে। এখন যদি আপনি শুধুমাত্র বিনোদনের সংবাদ দেখে, লাইক দিয়ে, শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা সময়গুলো অতিবাহিত করতে থাকেন, তাহলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর আপনার নিউজ ফিডে শুধুমাত্র বিনোদনের খবরই আসতে থাকবে। যার ফলে চলমান বিশ্বের সাথে আপনার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। অপ্রয়োজনীয় জিনিসের ভিড়ে আপনি প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো হারিয়ে ফেলবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াও ইয়াহু নিউজ, হাফিংটন পোস্ট, ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউ ইয়র্ক টাইমস সহ আরো জনপ্রিয় নিউজ পোর্টালগুলোও ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পছন্দের উপর নির্ভর করে সংবাদ প্রদান করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhJxXwTKf78v78_pdadqfu8yVS98EtH1VFjDoJN988Wfeq_5_ETrevzThkXv-q2dktlwniMsA0KKbf2hLKL86sbrtTgG-ln3Iw_gnZQMszY-ore_OzUwq9biUduEBvgsf7J6m1WlPY8_-IB/s1600/thefilterbubble1.png&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;281&quot; data-original-width=&quot;500&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhJxXwTKf78v78_pdadqfu8yVS98EtH1VFjDoJN988Wfeq_5_ETrevzThkXv-q2dktlwniMsA0KKbf2hLKL86sbrtTgG-ln3Iw_gnZQMszY-ore_OzUwq9biUduEBvgsf7J6m1WlPY8_-IB/s1600/thefilterbubble1.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
Image Source: brainpickings.org&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একটা সময় ছিল যখন ওপরওয়ালাদের নির্দেশে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য সংবাদ বাছাই করা হতো। ক্ষমতাসীনদের নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, প্রবন্ধগুলোকে প্রকাশ করা হতো না। যার ফলে প্রয়োজনীয় অসংখ্য সংবাদ, প্রবন্ধ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যেতো। অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর কল্যাণে অনেকাংশে এই সমস্যার লাঘব হলেও, আমরা বর্তমানে নিজেদের পছন্দ, অপছন্দের মাঝে আটকে গেছি। অ্যালগরিদমগুলো অতিরিক্ত সময় নিয়ে পড়া, শেয়ার করা সংবাদ, প্রবন্ধগুলোতে উল্লেখিত বিষয়াদিই আমাদের প্রদান করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; “If you are not paying for it, you’re not the customer; you’re the product being sold.” – Andrew Lewis&lt;/blockquote&gt;
&lt;br /&gt;
আমরা প্রত্যেকদিন নিজেদের অজান্তেই নানান ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে শেয়ার করছি। আমাদের প্রত্যেকটি ক্লিক আমাদের ব্যাপারে নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহে বিভিন্ন কোম্পানিকে সাহায্য করে। বিশেষ করে গুগল, ফেসবুক সহ এ ধরনের কোম্পানিগুলো যেহেতু অনেকাংশেই বিজ্ঞাপন ব্যবসা থেকে মুনাফা অর্জন করে থাকে, সেহেতু ধরেই নেয়া যায় আমাদের তথ্যগুলো তাদের কাছে সুরক্ষিত থাকে না। আমাদের পছন্দ, অপছন্দ, সাম্প্রতিক খোঁজ করা কোনো নির্দিষ্ট পণ্য সহ বিভিন্ন জিনিস ফিল্টার করে আমাদের আমাদের একটি নির্দিষ্ট ধরনের পণ্যের ভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং সেই তথ্য সংশ্লিষ্ট কোনো কোম্পানির কাছে বিক্রয় করে দেওয়া হয়। আর এভাবেই ফেসবুক, গুগল, টুইটারের বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে আমরা নিজেদের তথ্য দিচ্ছি। আর তারা সেগুলো বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করছে। অর্থাৎ, আমাদের সুকৌশলে পণ্য হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। পুরো ব্যাপারটি তেমন সুখকর নয়!&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjMNJjoH0F0Ln-IuG18A0x9gsDd6nGw5jiTy11WgANCCtfG0gR1pRc8McX4OE6dJTC1kB1ygKNSYm8FhIgbej3dIC3hUovVSO9KIEI8ep9eIEoNpNFvwiDe7w17KV_7NUN-ynMERr8Ru-S6/s1600/11388052.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;400&quot; data-original-width=&quot;265&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjMNJjoH0F0Ln-IuG18A0x9gsDd6nGw5jiTy11WgANCCtfG0gR1pRc8McX4OE6dJTC1kB1ygKNSYm8FhIgbej3dIC3hUovVSO9KIEI8ep9eIEoNpNFvwiDe7w17KV_7NUN-ynMERr8Ru-S6/s1600/11388052.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
এলি প্যারিসারের বই ‘দ্য ফিল্টার বাবল: হ্যোয়াট দ্য ইন্টারনেট ইজ হাইডিং ফ্রম ইউ’; Image Source: gr-assets.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্য ফিল্টারিংয়ে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে না পারলেও কিছু সতর্কতার মাধ্যমে অনেকাংশেই রক্ষা পেতে পারি। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, দল, মত বা স্পর্শকাতর বিষয়াদি নিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে গবেষণার প্রয়োজন হলে এমন কিছু সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারি, যেগুলো ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সংরক্ষণ করার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যেমন: DuckDuckGo, WolframAlpha, Startpage। তাছাড়া, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এর সময় ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলো থেকে বের হয়ে থাকা উত্তম। সব সময় ব্রাউজার কুকিজ যেন মুছে ফেলা হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা উচিত। এছাড়াও, সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবে যেন শুধুমাত্র বিনোদনের কন্টেন্টগুলোতেই পড়ে না থাকি। সর্বোপরি, অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমগুলোকে অনুসরণ করার পূর্বে আমরা যেন নিশ্চিত হয়ে নিই যে, সংবাদ মাধ্যমটি সব ধরনের সংবাদ পরিবেশন করে। এর মাধ্যমে যেমন নিজেদের ইন্টারনেট ভিত্তিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবো, তেমনি নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্যের ইকো-সিস্টেম থেকে বের হয়ে পুরো পৃথিবীর ব্যাপারে সব সময় ওয়াকিবহাল থাকতে পারবো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিচার ছবি- found.co.uk&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://snapwall.blogspot.com/feeds/5580675054855769363/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_13.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/5580675054855769363'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/5580675054855769363'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post_13.html' title='ফিল্টার বাবল: প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যেভাবে আমাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে'/><author><name>NoBody</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00797999921940359650</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgEE0WQRvOJz50GyeVmzNdUKsuWqIzrv7rRpx5WA5SBwFniXfkcGzBKMcosO0EfAJkeTYToh2k4sU-2ED57_wjjFY3qUHszGsjdLBOxxZ4TbBqv3glGYLuZTtLdnS8VZXLMnBFnnpvgzMMS/s72-c/filter-bubble-v2-1180x520.png" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-580247098166922605.post-4334100406952047106</id><published>2017-12-13T03:21:00.001-08:00</published><updated>2017-12-13T03:22:58.361-08:00</updated><title type='text'>পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী কিছু দেশের উত্থান-পতনের গল্প</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
পৃথিবীতে অনেক দেশ ও রাজত্ব শতাব্দীর পর শতাব্দী নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে সগৌরবে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই এমন কিছু রাষ্ট্র আছে, যাদের ভাগ্য এত সুপ্রসন্ন ছিল না। এমন অনেক রাষ্ট্র আছে যেগুলোর আয়ুষ্কাল ছিল এক বছর বা কয়েক মাস, এমনকি কয়েক দিন। একদিন স্থায়ী রাষ্ট্রের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। এর বেশিরভাগের নামই আমরা হয়ত জানি না, সৃষ্টি ও ধ্বংসের কাহিনী দূরে থাকুক। সংখ্যায় প্রায় একশ’ এমন রাষ্ট্রের পেছনের কাহিনী বলাও বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই ক্ষণস্থায়ী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেগুলো সময়ের হিসেবে বেশিদিন স্থায়ী ছিল, তাদের নেপথ্যের কিছু ঘটনা জেনে নেওয়া যাক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
তাঙ্গানিকা (২ বছর ১৩৭ দিন)&lt;/h3&gt;
দশম শতাব্দীর দিকে এলাকাটিতে বসতি স্থাপনের প্রমাণ মিললেও ১৮৮০ সালের দিকে জার্মান উপনিবেশে এবং ১৮৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হয় এটি। এটি ছিল মূলত জার্মান-পূর্ব আফ্রিকার অংশ, বর্তমানে যা রুয়ান্ডা, তানজানিয়ার মূল ভূখণ্ড এবং মোজাম্বিকের কিছু অংশ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূখণ্ডটি বর্তমান জার্মানির চেয়ে প্রায় তিনগুণ বড় ছিল। জার্মান ঔপনিবেশিক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিদ্রোহের কারণে জার্মানরা এসে আনুষ্ঠানিকভাবে এলাকাটির দায়িত্ব গ্রহণ করে। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ব্রিটেন দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। তারাই ১৯২০ সালে এটিকে তাঙ্গানিকা রাজ্য নাম দেয়। এই নতুন রাজ্যের নামকরণ হয়েছিল সোয়াহিলি শব্দ ‘জাহাজযাত্রা’ (sail) ও ‘জনহীন প্রান্তর’ (wilderness) থেকে, যা সম্ভবত ঐ রাজ্যে যে হ্রদটি আংশিকভাবে পড়েছে, তার উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9wxahyPTYezzgo2iIc0a-KLacC5kkvQNnmJfrRiS6wdb9Hik2NiChyphenhyphenb6f8ebOQuzXMH-RMRIwQzk_3BntfYL48g7lG1cgEUlngvDTW1_mz155nlRqyMzSmzUbTkZFn3_Y56EsYdkf7gRF/s1600/1.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;241&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9wxahyPTYezzgo2iIc0a-KLacC5kkvQNnmJfrRiS6wdb9Hik2NiChyphenhyphenb6f8ebOQuzXMH-RMRIwQzk_3BntfYL48g7lG1cgEUlngvDTW1_mz155nlRqyMzSmzUbTkZFn3_Y56EsYdkf7gRF/s1600/1.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
লেক তাঙ্গানিকা; source: tanzaniatourism.go.tz&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটেন তাঙ্গানিকার স্বাধীনতাও মঞ্জুর করে, যেমনটা করেছিল তার পূর্ববর্তী বেশ কিছু উপনিবেশের ক্ষেত্রে। তবে এই নতুন প্রজাতন্ত্র বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সরকার তৎকালীন জানজিবারের সাথে যুক্ত হবার সিদ্ধান্ত নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র গঠন করতে, যা বর্তমানে তানজানিয়া নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjLhBnysYzBV0OJXPIkJc8VXzypM5hERfZgM9ERL8Wk0aQOo_765qbjevwn4YZoXIl0oUd30EFU3qYhvH0MVUm6kS_pjABLpJqmiWhX9uIPcIXDIixUuISXMi7-fbwH6nga8tmkr1HpIgHh/s1600/2.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;639&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjLhBnysYzBV0OJXPIkJc8VXzypM5hERfZgM9ERL8Wk0aQOo_765qbjevwn4YZoXIl0oUd30EFU3qYhvH0MVUm6kS_pjABLpJqmiWhX9uIPcIXDIixUuISXMi7-fbwH6nga8tmkr1HpIgHh/s1600/2.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে তাঙ্গানিকার পূর্ণ স্বাধীনতা চেয়ে ব্যানার; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
ইতালিয়ান রিজেন্সি অফ কার্নারো (১ বছর ১০৯ দিন)&lt;/h3&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালে বর্তমানে ক্রোয়েশিয়ার অন্তর্গত ফিউম শহরে অরাজকতা বিরাজ করছিল, কেননা প্যারিস শান্তি সম্মেলনে ইতালি, হাঙ্গেরি ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ভূখণ্ডটির অধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। ফিউম ইতালিকে না দিতে চাওয়ায় ইংরেজ, ফরাসি ও আমেরিকানদের উপর রাগান্বিত হয়ে গ্যাব্রিয়েল দা’ন্নুন্সিও নামে এক ইতালীয় কবি কিছু দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর সাহায্যে শহরটি দখল করতে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiDvTFi4-ih1eo9Yo80LU6wPPhrlSe8otP3iQHFNZR_YjbJqGGSNEbxckxH_y1hyfPwGByawPY_LqCmvLAWVBgwOJjiGG70ToENLVtb2w5XHL7_vBQecUlc9S_AeZy1xo026sB0n5lkWTea/s1600/3.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;374&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiDvTFi4-ih1eo9Yo80LU6wPPhrlSe8otP3iQHFNZR_YjbJqGGSNEbxckxH_y1hyfPwGByawPY_LqCmvLAWVBgwOJjiGG70ToENLVtb2w5XHL7_vBQecUlc9S_AeZy1xo026sB0n5lkWTea/s1600/3.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;
&lt;br /&gt;
গ্যাব্রিয়েল দা’ন্নুন্সিও; source: italcult.net&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরদিন গ্যাব্রিয়েল ইংরেজ, ফরাসি ও আমেরিকান সৈন্যদের কাছ থেকে শহরটির দখল নেয়। ফিউম শহরকে ইতালিয়ান রিজেন্সি অফ কার্নারো নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে এবং একটি ভোটের আয়োজন করে, যাতে দেশটির ইতালির অন্তর্ভুক্ত থাকার পক্ষে ব্যাপক ভোট পড়ে। কিন্তু ইতালি তার মিত্র দেশগুলোর চাপের মুখে এই অন্তর্ভুক্তিকরণ বাতিল ঘোষণা করে ও প্রক্রিয়াটিকে রদ করে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg62SLb9nGTUmb7nYkrhyvoAp76OWULFBaDgA09DSyhb95BZFo8D87KB80JbJzx7hX99I24TVUp4nP76Zrvn4J3zfcMaswo0BVfcp05pa3ViK9beTtobM4cEVvRa5AipXcgFZxrhsQIxELT/s1600/4.png&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1081&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg62SLb9nGTUmb7nYkrhyvoAp76OWULFBaDgA09DSyhb95BZFo8D87KB80JbJzx7hX99I24TVUp4nP76Zrvn4J3zfcMaswo0BVfcp05pa3ViK9beTtobM4cEVvRa5AipXcgFZxrhsQIxELT/s1600/4.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
ইতালিয়ান রিজেন্সি অফ কার্নারোর পতাকা; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯২০ সালের সেপ্টেম্বরে গ্যাব্রিয়েল দেশটির সংবিধান উন্মোচন করেন। যাতে দেশটিকে কর্পোরেট ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার রূপরেখা টানা হয়, যেমন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল মুসোলিনি। রাষ্ট্রের পতন আসে ১২ই নভেম্বর র‍্যাপেলোর চুক্তির সাথে, যখন ইতালি ও যুগোস্লাভিয়া ফিউমকে পৃথক রাষ্ট্র নয় বরং একটি শহর হিসেবে চিহ্নিত করে। রাগান্বিত হয়ে ডিসেম্বরের ৩ তারিখ দা’ন্নুন্সিও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবং খুব দ্রুতই সেই মাসের ৩০ তারিখ পরাজিত হন। এর সাথে বিলুপ্তি ঘটে তার রাষ্ট্রেরও।&lt;br /&gt;
মারকোভ প্রজাতন্ত্র (২৪৮ দিন)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম রাশিয়ান বিপ্লবটি ১৯০৫-০৭ সাল পর্যন্ত রাশিয়ান সাম্রাজ্যকে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার দিকে পরিচালিত করে। সেই সময়ে মস্কো থেকে ১০০ মাইল দূরে মারকোভ গ্রামের লেখক সারজেই সেমেনোভ মস্কো সরকারকে তাদের দাবি দাওয়া সংক্রান্ত একটি চিঠি লিখে পাঠান। কিন্তু সরকারের তরফ থেকে সেই চিঠির কোনো উত্তর আসেনি। ফলশ্রুতিতে কৃষক সংঘ নামে একটি রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় মারকোভ গ্রামে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh8zOSyDeeyLlM9K-wb6kOZPIrBm5POwYzjycnRSPCu0iI3QzHxmeoPDqYLqPV7qimDGOh1XLCdHq3TTZFW5sG9_RZ-y7IZGLR4jbcWfqR34U0pWTzkWJ0Ub-1g2sjDZRWYDJ_eC9g2ANDj/s1600/5.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;510&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh8zOSyDeeyLlM9K-wb6kOZPIrBm5POwYzjycnRSPCu0iI3QzHxmeoPDqYLqPV7qimDGOh1XLCdHq3TTZFW5sG9_RZ-y7IZGLR4jbcWfqR34U0pWTzkWJ0Ub-1g2sjDZRWYDJ_eC9g2ANDj/s1600/5.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
মারকোভ গ্রামের কৃষক সংঘ; source: toptenz.net&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯০৫ সালের ৩১ অক্টোবর তারা নিজেদের মারকোভ প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা দেয়। পি এ বারশিন নামে গ্রামের এক বয়োজ্যেষ্ঠকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। নতুন এই রাষ্ট্র রাশিয়ার সার্বভৌম সরকারের কর্তৃত্ব অস্বীকার করে এবং গণতান্ত্রিক পরিষদের মাধ্যমে ছোট আরও কিছু গ্রামের প্রতিনিধিত্ব করে। মাত্রই জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রটিকে সাহায্য করতে শিকাগো থেকে একজন অধ্যাপক আসেন। তার সাথে সার্বভৌম সরকারকে প্রতিরোধ ও গণতন্ত্র দাবি করায় প্রজাতন্ত্রটি দ্রুতই খ্যাতি অর্জন করে। ১৯০৬ সালের জুলাইয়ে দেশজুড়ে চলা বিপ্লব সামগ্রিকভাবে পরাজিত হলে সার্বভৌম সরকারের বাহিনী মারকোভ প্রজাতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হয়। সরকার ভেঙে, নেতাদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে প্রজাতন্ত্রকে আবার রাশিয়ান সাম্রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
লিথুয়ানিয়া রাজ্য (১৯৪ দিন)&lt;/h3&gt;
১৯১৮ সালে ব্রেস্ট-লিটভস্কের চুক্তির পর জার্মানি যখন লিথুয়ানিয়ার নিয়ন্ত্রণ পায়, তখন স্থানীয় সরকার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল। জার্মানি চেয়েছিল লিথুয়ানিয়া ও প্রুশিয়াকে একত্র করে একটি বৃহৎ রাষ্ট্র গঠন করতে। তাই লিথুয়ানিয়ার স্থানীয় সরকার নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় দ্বিতীয় কাইজার ভিলহেল্মের নিয়ন্ত্রাধীন জার্মান সাম্রাজ্যকে শান্ত করার প্রক্রিয়া খুঁজতে থাকে। সরকারের একটি বড় অংশের আপত্তির বিরুদ্ধে গিয়ে লিথুনিয়ার মন্ত্রীপরিষদ ‘তারিবা’ উরাখের ডিউক ভিলহেল্মকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjzXn9gmXZFdPwMNUNPmsioEXOj-WNgt6Ri3NayI__oYhYSUPBDUGk2zR5G8fWO5vVmc_fVKLC9DfOB1enc8ax9f4K0Zznudog7F3t0rhWLFdf_12tOhFAaDtl9ZccJR0uAa-wzOzbpQEub/s1600/6.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;947&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjzXn9gmXZFdPwMNUNPmsioEXOj-WNgt6Ri3NayI__oYhYSUPBDUGk2zR5G8fWO5vVmc_fVKLC9DfOB1enc8ax9f4K0Zznudog7F3t0rhWLFdf_12tOhFAaDtl9ZccJR0uAa-wzOzbpQEub/s1600/6.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
উরাখের ডিউক ভিলহেল্ম; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাকে ১২ দফার একটি প্রস্তাব দেওয়া হয় রাজা হওয়ার জন্য এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র গঠন করা হয়। নবীন এই রাজা কখনো লিথুয়ানিয়ায় পা রাখেননি, কেবল গ্রীষ্মকালীন অবকাশের সময়টায় তিনি লিথুয়ানিয়ান ভাষা শিখতেন। কেননা সেটি তার রাজা হবার প্রস্তাবের একটি আবশ্যিক শর্ত ছিল। উপরন্তু জার্মানির একটি নিজস্ব ধারণা ছিল যে, দেশ তার নিজস্ব নেতা নির্বাচন করতে পারবে না। তাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ স্তিমিত হবার সময়েও লিথুয়ানিয়ার স্বাধীন প্রাদেশিক সরকারের ধারণায় জার্মানীর পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত ছিল। এসবের প্রেক্ষিতে ১৯১৮ সালের ২ নভেম্বর তারিবা, উরাখের ডিউকের প্রতি তাদের নিমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিয়ে সরকারের বিলুপ্তি ঘটায় এবং এভাবেই ১৯৪ দিনের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
ইজো প্রজাতন্ত্র (১৮৪ দিন)&lt;/h3&gt;
&lt;br /&gt;
১৮৫০ সালে জাপান যাওয়ার পর কমোডর ম্যাথু পেরি প্রথম আমেরিকান কর্মকর্তা হিসেবে জাপানের লোকদের সাথে প্রকৃতপক্ষে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। এমনকি আমেরিকান ও জাপানিজ সরকারের মধ্যে বাণিজ্য শুরুর পেছনেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যেখানে বেশিরভাগ আমেরিকানের চোখে ম্যাথু পেরির এই কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল সাফল্য, সেখানে আদান-প্রদানের ব্যাপারগুলোয় তোকুগাওয়া সরকারের অবস্থান নিয়ে জাপানের জনসাধারণের একটি বড় অংশের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। এর সূত্র ধরে প্রায় এক দশক পরে যে সকল শক্তি ক্ষমতা দখলের চেষ্টায় ছিল তারা বংশানুক্রমিক সম্রাট ‘তোকুগাওয়া শোগুনেট’ (জাপানের সামরিক সরকার, যার প্রধানকে ‘শোগুন’ বলা হত) উৎখাতের একটি পরিকল্পনা করে। এর সূত্র ধরে একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের সূচনা হয় (বশিন যুদ্ধ), যেটি শেষ হয় সম্রাট-বিরুদ্ধ বাহিনীর জাপানের অধিকাংশ নিজেদের দাবি করা ও তোকুগাওয়ার শোগুনকে রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে অপসারণ করার মাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তোকুগাওয়ার প্রাক্তন শোগুনের নৌবাহিনীর একটি অংশ অ্যাডমিরাল এনোমোটো টাকিয়াকি ও তার ফরাসি সামরিক উপদেষ্টাগণের নেতৃত্বে প্রধান দ্বীপ থেকে পালিয়ে, ইজো নামক (বর্তমানে যা হোক্কাইডো নামে পরিচিত) জনবিরল ও অনুন্নত দ্বীপে বসতি স্থাপন করে। এনোমোটো তৎকালীন সার্বভৌম আদালতের কাছে হোক্কাইডোকে উন্নত করে সামুরাইদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য একটি আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার আর্জি খারিজ করে দেয়। এরপর ১৮৬৯ সালে টাকিয়াকি ইজো প্রজাতন্ত্র নামে একটি পৃথক রাষ্ট্রের ঘোষণা দেন। এই নতুন দেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল পুরনো সামুরাই পদ্ধতিগুলো সংরক্ষণ এবং সমাধিকারে বিশ্বাসী সরকার গঠন করা।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEigwFFMeM8P1RRKXtIKgSPdE5MPLzkgrrmPP0JGlrWhRydYsQzSylX5anDabFX-gbj4vxXOnKyNZvcBTMI9tu4Vc85Zah2olrg8JQgN5Cr1De8KspODlCKIUDxB4pTpgc2joMwvURaMHPbq/s1600/7.png&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;467&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEigwFFMeM8P1RRKXtIKgSPdE5MPLzkgrrmPP0JGlrWhRydYsQzSylX5anDabFX-gbj4vxXOnKyNZvcBTMI9tu4Vc85Zah2olrg8JQgN5Cr1De8KspODlCKIUDxB4pTpgc2joMwvURaMHPbq/s1600/7.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
ইজো প্রজাতন্ত্রের পতাকা; source: althistory.wikia.com&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইজো সরকারই সর্বপ্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আয়োজন করে, যেখানে তাদের সরকারের পরিকল্পনাগুলো ছিল ফরাসি ও আমেরিকান দর্শনের উপর ভিত্তি করে। তবে শান্তি বেশিদিন ছিল না। শীঘ্রই সার্বভৌম সরকারের বাহিনী দ্বীপে তাদের জায়গা দৃঢ় করতে লাগল। আধুনিক জাপানি বহর ব্যবহার করে তারা সামুরাইদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত যুদ্ধে জয়লাভ করে। এক সপ্তাহের মধ্যে সামরিক বাহিনী গোরিওকাকুর প্রধান দুর্গ ঘিরে ফেলে এবং টাকিয়াকিকে তার বাহিনীসহ আত্মসমর্পণ করতে বলে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjXG0umpoaSSURs_cX-wdGGMmbr_XHjD-gwYI8ILyYxv8GmwL73s8MMb9gln8EY0VKi_MzhDjLhem16-n-uQoKW_gxH8_wHv8PVJtrLuVhtCDXlU6MWXKrQV3eRZ-MRqJjr0TqUcoWLXX2T/s1600/8.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;437&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjXG0umpoaSSURs_cX-wdGGMmbr_XHjD-gwYI8ILyYxv8GmwL73s8MMb9gln8EY0VKi_MzhDjLhem16-n-uQoKW_gxH8_wHv8PVJtrLuVhtCDXlU6MWXKrQV3eRZ-MRqJjr0TqUcoWLXX2T/s1600/8.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
গোরিওকাকুর দুর্গ; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইজো প্রজাতন্ত্র ভেঙে যায়, সেই সাথে সামুরাই ঐতিহ্যের সমাপ্তি ঘটে। এই ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি ক্ষণস্থায়ী হলেও জাপানের উপর এর বেশ প্রভাব ছিল। যে গণতান্ত্রিক আদর্শ ইজোতে অনুশীলন করা হয়েছিল, তা পরবর্তীতে জাপান সাম্রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখনো পর্যন্ত সেই প্রজাতন্ত্রকে জাপানি সংস্কৃতিতে সামুরাই উপাখ্যানের শেষ গৌরব মনে করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
সাসকাচেওয়ানের প্রাদেশিক সরকার (৬২ দিন)&lt;/h3&gt;
&lt;br /&gt;
কানাডাকে যদিও গৎবাঁধা চিন্তায় শান্তিপ্রিয় ও কারো সাতে-পাঁচে না থাকা দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবু তাদের ইতিহাসও একদম সাদা নয়। কম পরিচিত কিন্তু বেশ প্রভাব বিস্তারকারী যুদ্ধগুলোর মধ্যে একটি ছিল ১৮৮৫’র সংক্ষিপ্ত উত্তর-পশ্চিমা বিদ্রোহ। বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব লিউ রিয়েলের নেতৃত্বে স্থানীয় ‘মেটিস’ ও ‘ক্রি’ জাতির লোকজনের দুর্দশার প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধ শুরু হয়। ইউরোপিয়ান এবং পূর্ব-উত্তর আমেরিকাবাসীর বিরুদ্ধে স্থানীয়দের খেপিয়ে তোলার ব্যাপারে রিয়েল আগে থেকেই সচেষ্ট ছিল। রিয়েল তার সবচেয়ে বড় বিদ্রোহটি শুরু করেন ১৮৮৫ সালে। তার মতে, এই বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল স্থানীয় জনগণকে তাদের মূল জীবনধারা ফেরত দেওয়া ও কানাডীয় সরকারের আধিপত্য হ্রাস করা। বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ক্ষুদ্র কিছু খণ্ডযুদ্ধের মাধ্যমে, কিন্তু ১৮৮৫ এর মার্চেই রিয়েল তার বড় চালটি চালেন বাটোচের সাসকাচেওয়ানে প্রাদেশিক সরকার গঠনের মাধ্যমে একে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিয়ে।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgA4xZxjAenWwlFn0fPXbBX7HO6LXFzSMauFySzuRPy6VKkePGNMgdieoBS3jToPQb3hDmp_mmNtfgdW_mXY3hPzkN6sz_tEqlMxjdRQaNqxrEb5djIBWsoRQlZe8OeGXJemPeKx1o6h9JT/s1600/9.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;416&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgA4xZxjAenWwlFn0fPXbBX7HO6LXFzSMauFySzuRPy6VKkePGNMgdieoBS3jToPQb3hDmp_mmNtfgdW_mXY3hPzkN6sz_tEqlMxjdRQaNqxrEb5djIBWsoRQlZe8OeGXJemPeKx1o6h9JT/s1600/9.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাদেশিক সরকারের সদস্যদের সাথে লুই রিয়েল (মাঝখানে); source: thecanadianencyclopedia.ca&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রিয়েল চেয়েছিলেন সাসকাচেওয়ানের স্থানীয় লোকজন এবং সেখানে বসবাসকারী শ্বেতাঙ্গ অধিবাসীদের তার নতুন সরকারের পতাকাতলে আনতে। দুর্ভাগ্যবশত রিয়েলের পরিকল্পনা কখনোই বাস্তবায়িত হতো না, কারণ, কানাডীয় সরকার রাজ্যের মাঝে বিশেষ প্রদেশের স্বাধীনতা কখনোই মঞ্জুর করতো না। সরকারের নির্দেশে ফ্রেডরিক মিডেল্টনের নেতৃত্বে প্রায় এক হাজার মিলিশিয়া এবং সাধারণ সৈন্য বাটোচের রাজধানী ঘিরে ফেলে এবং টানা দু’দিন একের পর এক আক্রমণ পরিচালনা করে। প্রায় তিন-চতুর্থাংশ লোকের পলায়ন, আহত হওয়া ও মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে বাটোচের প্রতিরক্ষা এই আক্রমণের কারণে দুর্বল হয়ে পড়ে। ১২ই মে মিডেলটন, রিয়েলকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ এবং বিদ্রোহের সমাপ্তি টানেন। নভেম্বরে রিয়েলকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;h3 style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
আইসল্যান্ড ভূখণ্ড (৫৮ দিন)&lt;/h3&gt;
&lt;br /&gt;
নেপোলীয় যুগের ড্যানিশ অনুসন্ধানকারী জর্জেন জরগেন্সনের বৈচিত্র্যময় ও বিপজ্জনক অ্যাডভেঞ্চারে ভরা জীবন-গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অধ্যায় সম্ভবত প্রায় দুই মাসের জন্য আইসল্যান্ডের একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের শাসক হওয়া। নেপোলীয় যুদ্ধে কোপেনহেগেনের উপর ব্রিটিশ বোমারুদের হামলার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। ক্ষোভে জর্জেন নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ‘এডমিরাল হাল’ নামে শত্রু জাহাজ আক্রমণকারী বেসরকারি জাহাজের নেতৃত্বে নিযুক্ত হন।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEin1C0qZz9nbCIeVl6MZoEBlVHugVzEoCx_81P0UGhfjV-Z2-UXsfX2zLFqIgiBOTVlQV7Dx65GlhckcD0TBpuHQkIXB-Z4CLXYTgZ5Bc7v0s0U7fkLZ09OW_eam2j0JbZ707D1jpZkj9I_/s1600/10.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;911&quot; data-original-width=&quot;701&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEin1C0qZz9nbCIeVl6MZoEBlVHugVzEoCx_81P0UGhfjV-Z2-UXsfX2zLFqIgiBOTVlQV7Dx65GlhckcD0TBpuHQkIXB-Z4CLXYTgZ5Bc7v0s0U7fkLZ09OW_eam2j0JbZ707D1jpZkj9I_/s1600/10.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
জর্জেন জরগেন্সন; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরপর কয়েকটি সফল অভিযানের পর এইচ.এম.এস স্যাফোর (ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির চারটি জাহাজকে একত্রে এই নামে ডাকা হতো) কাছে ধরা পড়ে এবং আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। ইংরেজ নৌবাহিনী তাকে লন্ডনে নিয়ে যায় এবং বেশ কয়েক মাস কারাগারে রাখে। প্যারোলে বের হয়ে জর্জেন জাহাজের একজন ইংরেজ ক্যাপ্টেনকে আইসল্যান্ডে বাণিজ্য অভিযানের জন্য রাজি করান, যা ড্যানিশ বাণিজ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যাপক খাদ্য সংকটে ভুগছিল। ১৮০৯ এর মার্চে জর্জেন আইসল্যান্ডে যান এবং সেখানকার অধিবাসীদের সাথে ডেনমার্কের শাসকগোষ্ঠীর ব্যবহার দেখে ব্যথিত হন। এর কয়েক মাস পর জর্জেন আবার আইসল্যান্ডে যান আরেকটি বাণিজ্য অভিযানে, তবে এবার স্থানীয় সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা নিয়ে। আইসল্যান্ডের নগরাধ্যক্ষকে গ্রেফতারে তাকে সাহায্য করতে তিনি ইংরেজ নাবিকদের রাজি করিয়ে ফেলেন। নগরাধ্যক্ষকে রাস্তা থেকে সরিয়ে জর্জেন আইসল্যান্ডের রক্ষক হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি আইসল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ঐতিহাসিক আইসল্যান্ডীয় সংসদ ‘অলটিং’ পুনঃনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj9H0WT8462nduxfEjaWtNsBSFsc-qtPcynVZ2KtbjPHq3z-SsPu4ptxOGerMxtX2T8sd-uQNOFu_dIMIsSCD9g-8irG7ddkAWNmCs7OZ8YTzGMjp8f3EwGWtknh-XzvXQNdkeRLNoZ5FRL/s1600/11.png&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;576&quot; data-original-width=&quot;800&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj9H0WT8462nduxfEjaWtNsBSFsc-qtPcynVZ2KtbjPHq3z-SsPu4ptxOGerMxtX2T8sd-uQNOFu_dIMIsSCD9g-8irG7ddkAWNmCs7OZ8YTzGMjp8f3EwGWtknh-XzvXQNdkeRLNoZ5FRL/s1600/11.png&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
জর্জেন জরগেন্সনের পতাকা; source: Wikimedia Commons&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জর্জেনের বেশ কিছু বড় পরিকল্পনা ছিল আইসল্যান্ডবাসীদের নিয়ে, কিন্তু যখনই ড্যানিশ সরকারের কানে এই ঘটনার খবর পৌঁছে, তারা পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ইংরেজ সরকারের সাহায্য প্রার্থনা করেন। দু’মাস আইসল্যান্ডে শাসন করার পর এইচ.এম.এস তালবট সেখানে পৌঁছায় এবং জর্জেনের রাজত্ব উৎখাত করে। ভাবলেশহীন আইসল্যান্ডিক জনতা তাদের স্ব-ঘোষিত রক্ষকের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। আইসল্যান্ড আবার ড্যানিশ শাসনের অধিভুক্ত হয়। তবে জর্জেনের এই কর্মকাণ্ডগুলো পরবর্তীতে আইসল্যান্ডের স্বাধীনতা লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখনও পর্যন্ত জর্জেন ‘ডগ-ডে’স কিং’ বা ‘দুঃসময়ের রাজা’ নামে পরিচিত।&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://snapwall.blogspot.com/feeds/4334100406952047106/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/4334100406952047106'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/580247098166922605/posts/default/4334100406952047106'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://snapwall.blogspot.com/2017/12/blog-post.html' title='পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী কিছু দেশের উত্থান-পতনের গল্প'/><author><name>NoBody</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00797999921940359650</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9wxahyPTYezzgo2iIc0a-KLacC5kkvQNnmJfrRiS6wdb9Hik2NiChyphenhyphenb6f8ebOQuzXMH-RMRIwQzk_3BntfYL48g7lG1cgEUlngvDTW1_mz155nlRqyMzSmzUbTkZFn3_Y56EsYdkf7gRF/s72-c/1.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry></feed>