<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:foaf="http://xmlns.com/foaf/0.1/" xmlns:og="http://ogp.me/ns#" xmlns:rdfs="http://www.w3.org/2000/01/rdf-schema#" xmlns:schema="http://schema.org/" xmlns:sioc="http://rdfs.org/sioc/ns#" xmlns:sioct="http://rdfs.org/sioc/types#" xmlns:skos="http://www.w3.org/2004/02/skos/core#" xmlns:xsd="http://www.w3.org/2001/XMLSchema#" version="2.0" xml:base="https://www.amibangladeshi.org/">
  <channel>
    <title>আমি বাংলাদেশী - Ami Bangladeshi</title>
    <link>https://www.amibangladeshi.org/</link>
    <description/>
    <language>en</language>
    
    <item>
  <title>সোলাইমান মিয়ার গল্প!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1883</link>
  <description>&lt;span&gt;সোলাইমান মিয়ার গল্প!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;ঘুম ভাঙ্গল সোলাইমান মিয়ার (ছদ্মনাম) ফোনে। এক সপ্তাহর ছুটিতে আছি তাই  রাত জেগে নেটফ্লিক্সে Pieces of Her সিরিজটা শেষ করতে বাধা ছিলনা। ভোর ৪টার দিকে ঘুমিয়ে  ৮টার দিকে ঘুম ভাঙ্গলে মেজাজ এমনিতেই খারাপ হওয়ার কথা। তার উপর তা যদি হয় নিউ ইয়র্কের স্বল্প পরিচিত একজন বাংলাদেশির ফোনে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;- ভাই কি করেন? ভোট দিছেন নি?&lt;br /&gt;
আজ ভোট। প্রতিবারের মত এবারও আগাম ভোট দিয়ে এ পর্ব সেরে নিয়েছি সপ্তাহ খানেক আগে। এ নিয়ে কারও সাথে কথা বলা্র ইচ্ছা হলোনা।&lt;br /&gt;
- না ভাই, ভোট দেই নাই। সকাল এখানে ৮টা, ভোটকেন্দ্র খুলবে আরও দুই ঘণ্টা পর (ভুল তথ্য)। তা আপনার কি খবর? ভাল আছেন তো?&lt;br /&gt;
- জ্বি অয় ভাই, ভাল আছি। আল্লাহর রহমতে ভোট দিয়া মাত্র ঘরে ফিরলাম। আপ্নের ভাবি পরোটা বানাইছে, লগে বুটের ডাইল। নাস্তা করুম।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এই লোকের ঘরের খবর নিয়ে আমার কোন আগ্রহ ছিলনা। তবে একজন কঠিন আওয়ামী লীগার মার্কিন ভোট নিয়ে কি ভাবছে তা জানার একটা সূক্ষ্ম আগ্রহ ছিল তাই ফোনালাপ এখানেই শেষ করতে গেলাম না।&lt;br /&gt;
- তা ভোট কারে দিলেন?&lt;br /&gt;
- এই ব্যপারে কারও কোন সন্দেহ থাকা উচিৎ না। ভাই আমরা সবাই ট্রাম্প সেনা, তার বাস্কোতেই (বাক্সকে তিনি বাস্কো বলতে অভ্যস্ত) গেছে আমাদের ভোট।&lt;br /&gt;
- নিউ ইয়র্কে তো ট্রাম্প গো-হারা হারবে, হারু পার্টিকে ভোট দিলে আপনার কি লাভ?&lt;br /&gt;
- ভাই বোধহয় বাংলাদেশের রাজনীতির উপর খোজ খবর রাখেন না। ট্রাম্পের সাথে আমার নেত্রীর চুক্তি হয়ে গেছে। তিনি পাশকরা মাত্র নেত্রীকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসিয়ে দিবেন। এইবার কোন বাইনচু*ত সমন্বয়কে ছাড় দেয়া হবেনা। ইউনুস সুদখোরকে  হাতির ঝিল লেইকে চুবিয়ে মারার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গেছে। সজীব ওয়াজেদ জয় ট্রাম্পের সাথে হটলাইনে যোগাযোগ রাখছেন। চান্দা দিয়েছেন বড় অংকের।&lt;br /&gt;
- না ভাই, আসলেই বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আমি কোন খবর রাখিনা। আমি তো শুনেছি আপনার নেত্রী ইতিমধ্যে গণভবনে নতুন করে মাছের চাষাবাদ শুরু করে দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
- ঠাট্টা কইরেন না। রেডি থাইকেন ভাল খবরের।&lt;br /&gt;
- তা যাওজ্ঞা, আপনার বাকি খবর কি? আপ্নের মা'র ইমিগ্রেশন কি ফয়সালা হইছে? কবে আসতাছেন এই দেশে?&lt;br /&gt;
- আর কইয়েন না, বাটপার উকিলের পাল্লায় পইরা আমার মেলা ডলার লোসকান (লোকসানকে তিনি লোসকান বলতে অভ্যস্ত) হইয়া গেছে। তয় অপেক্ষায় আছি। আশা করছি আল্লাহর রহমতে ৬ মাসের ভেতর সব ফাইনাল হইবো।&lt;br /&gt;
- কন কি? আরও ৬ মাস? ট্রাম্প পাশ করলে তিনি তো ঘোষণা দিয়েছেন ওভাল অফিসে বসে প্রথম দিনই এক্সিকিউটিভ অর্ডারের মাধ্যমে সব ধরণের ইমিগ্রেশন বাতিল করবেন। বিশেষকরে পরিবারের মা-বাবা ও ভাই-বোনদের ইমিগ্রেশন।&lt;br /&gt;
- এইসব সুদখোরি কথাবার্তা বইলা আমাদের দমাইতে পারবেন না। আমাদের শুভদিন আসতাছে, আমরা রেডি। ট্রাম্প জিতবে এবং আমার নেত্রী দেশে ফিরে ক্ষমতায় বসবেন।&lt;br /&gt;
- সব ঠিক আছে, তয় ট্রাম্প জিতলে আপ্নের মা যে এই দেশে আসতে পারবে না, তা লিখ্যা রাইখেন।&lt;br /&gt;
এইবার নীরব হয়ে গেলেন সোলাইমান মিয়া। আমার দেয়া তথ্য সত্য কি মিথ্যা তা নিয়ে দ্বিধায় পরে গেলেন। আপন মা, নাকি নেত্রী মা, এই সমীকরণ মেলাতে তিনি হয়ত তেনার বাটপার উকিলের কাছে দৌঁড়াবেন এ ব্যপারে কোন সন্দেহ রইলনা।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/experience" hreflang="en"&gt;অভিজ্ঞতা&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:25:32 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1883 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>আহ ছাত্রলীগ!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1882</link>
  <description>&lt;span&gt;আহ ছাত্রলীগ!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;ছাত্রলীগ গভীর রাতে কোথাও মিছিল করছে, সংখ্যায় ছিল তারা ১০/১৫ জন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা তুফান তুলছে...এবং তাতেই অনেকে উত্তেজিত! যে কোন সময় এয়ারপোর্টে যাওয়ার ডাক আসতে পারে, এমন বক্তব্য দিয়ে পলাতক একদল রাষ্ট্রীয় চোরের মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা চলছে। একটা বাস্তবতা পতিত আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগকে বুঝতে হবে, পুলিশ বাহিনী এখন আরা তাদের সাথে নাই যাদের দিয়ে ছাত্র-জনতাকে জুতা-পেটা করা যাবে। যারা ক্ষমতা হারানোর শোক নিয়ে দিন পার করছেন তাদের বলবো ধৈর্য ধরতে, কম করে হলেও ১০/১৫ বছরের ধৈর্য। বিএনপিকে যেমন আপনারা হামলা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর বাড়ি ছাড়া করে রেখেছিলেন, হাটে-মাঠে-ঘাটে পশুর মত পিটিয়েছিলেন আপনাদেরও সে পথ পাড়ি দিতে হবে। গায়ের চামড়া মোটা করতে হবে পাপের প্রায়শ্চিত্য করার জন্যে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;হুট করে দেশে ঢুকে যিনি গণভবনে ফিরে গিয়ে হাস-মুরগী পালনের স্বপ্ন দেখছিলেন তেনাকে দিল্লি হতে উত্তর প্রদেশের মীরাট এলাকার সুরক্ষিত এক দুর্গে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। দিল্লি অথবা মীরাট অনেক দূর, হুট করে বাংলাদেশে ঢুকে পরার কোন সম্ভাবনা নেই। তাই আওয়ামী প্রেমীদের অনুরোধ করবো, লোটা-বাটি কম্বল নিয়ে লম্বা সময়ের শোকের জন্যে প্রস্তুত হতে।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:23:18 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1882 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>দালাল চরিত্র!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1881</link>
  <description>&lt;span&gt;দালাল চরিত্র!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;জুলাই-আগষ্টের আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাষী হিসাবে আখ্যা দিয়ে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লালমনিরহাটের জনৈকা মেজিষ্ট্রেট জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশে যে কারও সমালোচনা করা নাগরিকদের জন্মগত অধিকার। এ অধিকার হতে গেল ১৬ বছর শেখ হাসিনা গং আমাদের বঞ্চিত করেছিলেন। অধুনা বিশ্বের নিকৃষ্টতম স্বৈরাচার এখন পলাতক। আশ্রয় খুঁজছেন দেশে দেশে। আর দেশে আমরা ফেলছি স্বস্তির নিঃশ্বাস। বুক ফুলিয়ে দাবি করছি আমরা এখন স্বাধীন। বলছি কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছি। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমরা যদি নিজেদের স্বৈরাচার মুক্ত স্বাধীন জাতি হিসাবে দাবি করি তাহলে তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির বক্তব্য সহজভাবে নেয়ায় অসুবিধা কোথায়? তিনি কি মিথ্যা কিছু বলেছেন? &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নিশ্চয় মিথ্যা বলেছেন।  শেখ হাসিনার গণহত্যা স্মৃতির বয়স ২ মাসও পেরোয়নি। এরই মধ্যে এ মহিলা দাবি করছেন হাজার খানেক মানুষ হত্যা প্রমান সাপেক্ষ ঘটনা। প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিতে হবে এ ধরণের গণহত্যা দেশে ঘটেনি। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ভদ্রমহিলার কথায় যুক্তি আছে। আছে আইনগত বৈধতা। কারণ গণহত্যার অপরাধে কাউকে এ পর্যন্ত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। শাস্তি আরও পরের ব্যপার। তবে মুক্ত পরিবেশে নাগরিকদের সবাই ফেরেস্তা বনে সদা সত্য কথা বলতে শুরু করে এমনটা বিশ্বাস করার কোন কারণ নেই। মিথ্যা বলা আমাদের জীবনেরই অংশ। তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিও মিথ্যা বলছেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সরকারী চাকরি পাওয়া আমাদের দেশে অনেক বিবেচনায় আকাশের চাঁদ পাওয়ার মত ঘটনা। কোটার বেড়াজাল হতে  চাকরির এ বাজারকে মুক্ত করার জন্যেই ছাত্ররা আন্দোলন করেছিল। জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি সে চাকরি ইতিমধে পেয়ে গেছেন। এবং নিশ্চয় উপভোগ করছেন চাঁদের ফুটফুটে জোৎস্না।&lt;br /&gt;
তাহলে তিনি এমনটা করতে গেলেন কেন?&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একজনের লেখায় দেখলাম এই মহিলা মেজিষ্ট্রেট বিদেশে যাওয়ার রাস্তায় আছেন। এবং প্রেক্ষাপট তৈরি করছেন পলিটিক্যাল এসাইলেমের। যদি এমন উদ্দেশ্যের সামন্যতম বাস্তবতা থাকে ধরে নিতে হবে হিজাবের আড়ালে এই মহিলা একজন অসৎ মানুষকেই বড় করছেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ভদ্রমহিলার যে কোন বক্তব্যকে স্বাভাবিকভাবে নেয়ার মত মন-মানষিকতা আমার আছে। তবে আমার সমস্যাটা অন্য জায়গায়। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি সরকারী চাকরি করেন। ওনার মাসিক বেতন আসে সরকারী তহবিল হতে। এবং সে সরকারের প্রধান এখন ডক্টর মোহম্মদ ইউনুস। আমি সরকারী চাকরি করে একই সরকারের প্রধানের গ্রহনযোগ্যতা ও বৈধতা নিয়ে যদি প্রশ্ন তুলি তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন আমি এমন 'অবৈধ' সরকারের চাকরি করছি? আমার প্রথম কাজ হবে সরকারী চাকরি হতে ইস্তেফা দেয়া এবং কেবল তারপর একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এসব বক্তব্য অনেকের কাছে গ্রহনযোগ্য নাও হতে পারে। একটা মুক্ত গণতান্ত্রিক দেশে সবার বক্তব্য আমার চিন্তাধারার সাথে মিলে যাবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। কেবল স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে সবাই কথা বলে এক স্বরলিপিতে। যেমনটা আমরা বলতাম গেল ১৬ বছর।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সরকারের অংশ হয়ে জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি সরকার প্রধান সহ অনেকের বিরুদ্ধে এমন সব কথা বলেছেন যা যে কোন বিচারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কেবল এই গ্রাউন্ডেই ভদ্রমহিলাকে বিচারের আওতায় আনা যায় বলে বিশ্বাস করি। সরকারের অবস্থান পোক্ত করতে চাইলে এসব কর্মাচারী হতে সরকারকে মুক্ত করা খুবই জরুরি।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/politics" hreflang="en"&gt;রাজনীতি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:20:47 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1881 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>আমেরিকান রাজনীতি...</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1880</link>
  <description>&lt;span&gt;আমেরিকান রাজনীতি...&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;ভরদুপুরে কলিং বেলের আওয়াজ পেয়ে একটু বিচলিত হলাম। আজ রোববার, কাউকে দাওয়াত দেইনি, কেউ আসার কোন পূর্ব পরিকল্পনাও নেই। তাহলে অসময়ে কে এলো?&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;যা ভেবেছিলাম তাই, নির্বাচনী প্রচারণা। মধ্যবয়সী খুবই আকর্ষণীয়া এক মহিলা হাতে কিছু কাগজপত্র নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে নক করছেন।&lt;br /&gt;
আমার নাম ধরেই স্বাগত জানালেন। অবাক হলাম না অপরিচিত কারও মুখে নিজের নাম শুনে। হয়ত পার্টি অফিস হতে তথ্য নিয়েই হাজির হয়েছে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;প্রথমেই জানতে চাইলন দলীয় কার্যক্রম হতে কেন নিজকে দূরে রাখছি। প্রতিবারের মত আর্থিক কন্ট্রিবিউশনে এবার আমার নাম নেই সে প্রসঙ্গও সামনে আনলেন।&lt;br /&gt;
তারপর সব প্রশ্নের আসল প্রশ্ন করে বসলেন, নভেম্বরের নির্বাচনে কাকে ভোট দিতে যাচ্ছি?&lt;br /&gt;
আমি একজন রেজিষ্ট্যার্ড ডেমোক্রেট। নির্বাচন নিয়ে সবসময়ই সরব ছিলাম। কিন্তু এবারর বাস্তবতা ভিন্ন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ভোট আমি ডেমোক্রেটদেরই দেবো, তবে এ নিয়ে আমার বাড়তি কোন উৎসাহ নেই তা খোলাস করতে দ্বিধা করলামনা।&lt;br /&gt;
কামালা হারিসকে ভোট দেবো শুধু এক কারণে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঠেকানোর জন্যে।&lt;br /&gt;
ভদ্রমহিলা অবাক হয়ে জানতে চাইলেন এর কারণ।&lt;br /&gt;
আমার উত্তর ছিল খুব খোলামেলা।&lt;br /&gt;
৪১ হাজার গাজা-বাসী হত্যার দোসর আমাদের বাইডেন ও হারিস। যার মধ্যে আছে প্রায় ১২ হাজার শিশু।&lt;br /&gt;
 নিজেদের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা হিসাবে দাবি করার অধিকার তাদের যে নেই তা অত্যন্ত কর্কশ ভাষায় জানিয়ে দিলাম। আমার ভোট এ দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চাইতে ইসরায়েলের হাতকে যে শক্তিশালী করবে তাও লুকাতে গেলাম না। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ভদ্রমহিলা হতাশ হলেন, দুঃখ প্রকাশ করলেন এবং যাবার সময় পার্লামেন্টের দুই কক্ষে ডেমোক্রেটদের সমর্থন দেয়ার অনুরোধ করলেন। সিনেটর মার্টিন হাইনরেখ ও হাউস রিপ্রেজেনটেটিভ ডেইভ ভাসকেসের সাথে আমার সরাসরি যোগাযোগ আছে এবং নির্বাচনে তাদের ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেই হাসিমুখে বিদায় নিলেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;দরজা বন্ধ করার আগে বুকে ঝুলানো তার নামের ব্যাজটা দেখে  যা বুঝার বুঝে নিলাম। একজন পিওর ইহুদি।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/world" hreflang="en"&gt;আন্তর্জাতিক / বিশ্ব&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:19:02 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1880 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1879</link>
  <description>&lt;span&gt;ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;কর্ম সূত্রেই শহরের পাবলিক স্কুল অথরিটির (APS) সাথে আমার দহরম মহরম। ওদের সবকটা এলেমেন্টারি, মিডল ও হাইস্কুলে আমাদের ভয়েস ও ডাটা সার্ভিস ব্যবহার করে।&lt;br /&gt;
APS'এর আইটি ডিরেক্টর ব্রায়ানের সাথ পরিচয় অনেকদিনের। স্কুলের ভয়েস ও ডাটা সার্ভিসে কোন সমস্যা দেখা দিলে আমি তাদের মূল কন্টাক্ট। আমার বাড়ির পাশে নতুন একটা মিডল স্কুল হতে যাচ্ছে এবং সেখানে আমাকে জয়েন্ট সার্ভের জন্য ইনভাইট জানাতে ব্রায়ান আমাকে ফোন করলো। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;উপরের ঘটনা ৭ বছর আগের। শহরের পশ্চিম দিকে আমাদের বাড়ি। পূব দিকের তুলনায় বেশ উঁচুতে। নির্ধারিত স্থানে হাজির হয়ে বিস্মিত হয়েছিলাম। চারদিকের দৃশ্য হৃদয় কেড়ে নেয়ার মত। ৩৬০ ডিগ্রীর সবটাই ছবির মত। পূব দিকে পাহাড়। পশ্চিম দিকে দিগন্ত বিস্মৃত মাঠ। মাঠের শেষ প্রান্তে আদিবাসী আমেরিকানদের একটা পুয়বলো।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমার দুই সন্তানই ঐ স্কুলের ছাত্র। অন্য একটা স্কুল হতে ট্রান্সফার নিয়ে এ বছর তাদের প্রথম যাত্রা। বাসা হতে ৪/৫ মিনিটের ড্রাইভ। একটাও ট্রাফিক লাইট পরে না যাত্রা পথে। সকালে ওদের মা ড্রপ করে আসে আর দুপুর ৩টার দিকে আমি পিক করি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;গেল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে স্কুল হতে জরুরি একটা ফোন পেলাম। একটিভ শুটারের আশংকা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ কেউ একজন বন্ধুক দিয়ে স্কুলে ঢুকেছে এবং গুলি চালাচ্ছে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;স্কুল হতে আমার মেয়ে তার স্মার্ট ঘড়ি হতে ফোন করে জানালো তারা ক্লাসরুম অন্ধকার করে গোপন জায়গায় লুকিয়ে আছে। ফুঁপিয়ে কাঁদছে আর না দেখলেও বুঝতে পারছি থর থর করে কাঁপছে। আমার সমস্ত শরীর মুহূর্তের মধ্যে জমে বরফ হয়ে গেল। যে বর্বরতা এতদিন মিডিয়াতে দেখতে অভ্যস্ত তা-কি শেষ পর্যন্ত নিজ দুয়ারে হাজির হল!&lt;br /&gt;
দিশেহারা হয়ে গাড়ি নিয়ে ঝড়ো গতিতে বেরিয়ে গেলাম।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;৩ মিনিটেই পৌঁছে গেলাম।&lt;br /&gt;
আশংকা করছিলাম হয়ত গণ্ডায় গণ্ডায় পুলিশের গাড়ির ব্যারিকেড পেরিয়ে পার্কিংলটে যাওয়া সম্ভব হবেনা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;না, তেমন কিছু চোখে পরলনা। চারদিকে একধরণের বিষণ্ণ নীরবতা কেবল। আমার মত আরও কিছু মা-বাবা উৎকণ্ঠার সাথে মূল ফটকের বাইরে অপেক্ষা করছে। একটিভ শুটিং বলতে তেমন কিছু যে ঘটছে না তা নিশ্চিত হয়ে গেলাম। বুকের দাপাদাপি কিছুটা হলেও স্তিমিত হয়ে এলো। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এবার আসল ঘটনা বের করার পালা।&lt;br /&gt;
খলনায়ক হিসাবে দৃশ্যপটে হাজির হলো সোশ্যাল মিডিয়া। ফেইসবুকে কেউ একজন হুমকি দিয়েছে শহরের কোন একটা স্কুলে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালানোর। এবং তাতেই শহরজুড়ে রেড-এলার্ট জারি করেছে APS। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;প্রথমবারের স্কুলের জন্যে নির্ধারিত জায়গায় দাঁড়িয়ে কিছুটা হলেও অবাক হয়েছিলাম এমন একটা নির্জন জায়গায় নতুন একটা স্কুলের কথা ভেবে। ব্রায়ান বলেছিল এটা হবে আমাদের অঙ্গরাজ্যের অন্যতম নিরাপদ মিডল স্কুল। স্কুলে প্রবেশের জন্যে থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা। বাইরের দিকে মুখ-করা দরজা ও জানালাগুলো হবে বুলেটপ্রুফ কাঁচের।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এবং বাস্তবেও স্কুলটার নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ করার অবকাশ নেই। রেগুলার স্কুল-ডে'তে বাইরের কারও ভেতরে ঢুকার অনুমতি নেই। এমনকি পিতা-মাতারও না। প্রবেশের জন্যে কেবল একটা দরজা। আকারে বেশ বড়। ইন্টার-কমে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স পেলেই কেবল অফিসে যাওয়া যায়। ওখান হতে ক্লাসরুমে যেতে চাইলে আরাও একধাপ নিরাপত্তা বলয় পেরোতে করতে হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ওদের দুজনকে তুলে দিল আমার হাতে। কয়েক জায়গায় স্বাক্ষর দিতে হলো প্রস্থানের আগে।&lt;br /&gt;
মেয়ে তখনো ভয়ে কাঁপছে। ছেলে তার হাইড-আউট এডভেঞ্চারের বর্ণনা দিয়ে গিয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠলো। প্রতিমাসেই তাদের স্কুলে একটিভ শুটারের ড্রিল থাকে। ছাত্রদের হাতে-কলমে শেখানো হয় বাস্তবে এমনকিছু ঘটলে তা কিভাবে মোকাবেলা করতে হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র চাদরে আবৃত এ স্কুলের সমস্যা একটাই; সকালে ছাত্ররা যখন স্কুলে প্রবেশ করে তাদের ব্যাক-প্যাক পরখ করার কোন ব্যবস্থা নেই। চাইলে যে কোন ছাত্র ব্যাগে বন্দুক নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে কোন বাধা পাবেনা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমেরিকার প্রায় প্রতি ঘরেই অস্ত্র আছে। অনেক বাড়িতে আছে অস্ত্রের ভাণ্ডার। যেনতেন একটা আইডি থাকলে দোকানে গিয়ে ১০ মিনিটের ভেতর বন্দুক কিনে তা ব্যবহার করতে কোন বাধা পেরোতে হয়না।  অনেক মা-বাবা তার ৮/১০ বছরের সন্তানদের জন্মদিনে বন্দুক উপহার  দেয়। বন্দুক কালচার আমেরিকানদের রক্তে। এ হতে ফেরানোর কোন রাস্তা নেই। মা-বাবা স্কুল শুটিংয়ে নিজ সন্তান হারালেও নিজের বন্দুকের ভাণ্ডার হারাতে রাজি না। আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বের ইমিগ্রেন্ট তাদের জন্যে এ এক বিরাট ধাঁধা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;চাঁদের এ অন্ধকার দিক নিয়েই আমাদের বাস করতে হয়। প্রতিদিন বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে উৎকণ্ঠায় থাকতে হয়। শপিং মল, মুভি থিয়েটার সহ যে কোন পাবলিক গেদারিংয়ে গেলে বন্দুক আতংক পিছু ছাড়ে না। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;মাঝে মধ্যে মনে হয় ছেড়ে দেই এ দেশ! চলে যাই তাসমান পারে আমার আরেক দেশ অস্ট্রেলিয়ায়। কিন্তু চাইলেই যে পারবো তা-ও না। জীবনের হিসাব অনেক লম্বা, অনেক জটিল।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:16:27 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1879 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>খুলে দে মা লুটেপুটে খাই!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1878</link>
  <description>&lt;span&gt;খুলে দে মা লুটেপুটে খাই!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;কিভাবে নেবেন খবরটা তা আপনার নিজের ব্যপার। তবে আমার জন্যে এমন একটা খবর ইউনিক ও বিস্ময়কর। দুর্নীতির বিশ্বে এমন খবর অদ্বিতীয় ও বিরল।&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে এখন গ্যাস সংকট প্রকট। চুলায় রান্নার জন্যে গ্যাস থাকেনা ঘণ্টার পর ঘণ্টা। গ্যাস ভিত্তিক শিল্প কারখানাগুলো নিয়মিত ধুকছে গ্যাস সংকটে।&lt;br /&gt;
চারদিকে হরেক রমকম সংকটের মাঝে এমন একটা খবর জাতিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারতো। আলো জ্বালাতে পারতো অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। কিন্তু বিশেষ কারণে তা হতে পারেনি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বিশেষ কারণ না বলে বিশেষ একজনের জন্যে তা হয়নি বললে হয়ত সত্যের কাছাকাছি যাওয়া হবে। আসুন কিছুটা ভেতরে ঢুকে জানার চেষ্টা করি খবরের ভেতর খবরের।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ভোলায় অনেকদিন ধরেই গ্যাস আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে সাংঘর্ষিক অনেক খবর বাজারে প্রচলিত আছে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এ লাইনের সর্বশেষ খবর হচ্ছে, ঐ দ্বীপে নতুন ৫ দশমিক ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘণফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন  (পেট্রোবাংলা) ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির (বাপেক্সে) সঙ্গে যৌথ চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি গ্যাজপ্রম চার বছর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে এই মজুত গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বিশেষ একটা কারণে নতুন গ্যাস আবিস্কারের খবর প্রকাশ করা হতে বিরত থেকেছে ৫ই আগস্টের পলাতক সরকার। খবর বেরিয়েছে পলাতক আওয়ামী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বিদেশ হতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানীর সুবিধা দিয়ে বিশেষ একটা গুষ্টি হতে কোটি কোটি টাকা আয় করছিলেন। এই আয়ের পথ মসৃণ ও দীর্ঘায়িত করার কুট-কৌশল হিসাবে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কারের খবর প্রকাশ করতে বাধ সাধেন।&lt;br /&gt;
মধ্য জুনে সরকারী সংস্থাগুলো একটা প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সুখবর দেশবাসীর সাথে শেয়ার করার সিদ্ধন্ত নিয়েছিল। কিন্তু তাত বাধ সাধেন প্রতিমন্ত্রী।&lt;br /&gt;
বলা হচ্ছে আবিস্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র হতে গ্যাস উত্তোলন করে আগামী ৫ বছর দেশের গ্যাস চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:13:41 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1878 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>আলবার্তো ফুজিমোরে...he was good...he was bad!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1877</link>
  <description>&lt;span&gt;আলবার্তো ফুজিমোরে...he was good...he was bad!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;১৯৯০ সাল হতে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর প্রেসিডেন্ট। আলবার্তো কেনিয়া ফুজিমোরে ইনোমতো'র পিতা জাপান হতে পেরুতে মাইগ্রেট করে স্থায়ী হয়েছিলেন সেখানে । ফুজিমোরে পেশায় ছিলেন একজন কৃষি প্রকৌশলী এবং ছিলেন স্থানীয় এক বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাক্টর।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;১৯৯০ সালে তিনি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করেন পেরুর জন্যে সময়টা ছিল অন্ধকারময়। বামপন্থি সাইনিং পাথ গেরিলা ও টুপাক আমারু বিদ্রোহী গুষ্টির সন্ত্রাসী তৎপরতার কাছে জনজীবন ছিল প্রায় স্থবির। বিদ্যুৎ, গ্যাস সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুর সংকটে ততদিনে নাভিশ্বাস উঠে গেছে পেরুভিয়ানদের জীবনে। ধ্বস নেমেছিলে দেশটার পর্যটন শিল্পে। পর্যটকদের লীলাভূমি মাচু পিচু পরিণত হয়েছিল বিরানভূমিতে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ফুজিমোরে ক্ষমতায় এসে জাতিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাইনিং পাথ গেরিলা গুষ্টিকে নির্মূল করার। এবং কথা রেখেছিলেন তিনি। কঠিন হস্তে দমন করেছিলেন বাম-চক্রের সবাইকে। স্বস্তি নেমে এসেছিল পেরুভিয়ানদের দৈনন্দিন জীবনে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt; শেষটার্ম নির্বাচনে হেরে গিয়েও চেয়েছিলেন জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে। কারণ ইতিমধ্যে দুর্নীতির করাল গ্রাসে আক্রান্ত হয়ে হয়ে পরেছিলেন জন-বিচ্ছিন্ন। গণতান্ত্রিক পেরু তাকে আর মেনে নেয়নি। প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে ফেটে পরে জনগণ। অবস্থা আঁচ করতে পেরে পিতৃভূমি জাপানে পালিয়ে যান ফুজিমোরে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;স্বেচ্ছা নির্বাসন হতে অবসর নিতে চলে যান পেরুর প্রতিবেশী দেশ চিলিতে। ওখানে তাকে গ্রেফতার করে দেশটার সরকার। এবং পেরুর অনুরোধে ফেরত পাঠায় নিজ দেশে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;গেরিলা দমনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্যে তাকে আদালতে তোলা হয়। ২০০৯ সালে শেষ হওয়া বিচারে ২৫ বছরের জেল দেয়া হয় তাকে।&lt;br /&gt;
১৬ বছর একনাগাড়ে জেল খাটার পর গেল ডিসেম্বরে মানবিক কারণে মুক্তি দেয়া হয় তাকে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গতকাল (১১ই সেপ্টেম্বর) ৮৬ বছর বয়সে মারা যান ফুজিমোরে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;পেরুর বর্তমান সরকার দেশটায় ৩ দিনের  শোক পালন করার ঘোষণা দিয়েছে বিতর্কিত এই প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;অবাক করা বিষয় হচ্ছে যে সাইনিং পাথ গেরিলাদের নির্মূল করতে গিয়ে ফুজিমোরে জেল খেটেছিলেন তাদের নেতা Abimael Guzmán একই দিনে অর্থাৎ ১১ই সেপ্টেম্বর মারা যান। মৃত্যুকালে তারও বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আলবার্তো ফুজিমোরেকে নিয়ে পেরুতে অনেক বিতর্ক আছে। অনেকের কাছে তিনি নতুন পেরুর জন্মদাতা আবার অনেকের কাছে তিনি ছিলেন জাতীয় সম্পদ লুটপাটের চৌকস খেলোয়াড়।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একটা দেশে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম হয় সে দেশ পরাজিত হয়না অন্যায় অবিচার ও লুটপাটের কাছে। পেরু তার উদাহরণ। দেশটার বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন। নেই কোন সরকারী নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ। ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসনে বসে অপরাধ করার দায়ে জেলে গেছেন দেশটার একাধিক প্রেসিডেন্ট। অনেকে এখনও জেল খাটছেন। এবং সামনে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারাও জানেন দেশটায় অপরাধ ও শাস্তি পাশাপাশি বাসকরে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;চাইলে বাংলাদেশ পেরুকে উদাহরণ হিসাবে নিতে পারে। দেশটার অর্থনৈতিক ভিত্তি আজ কেবল লাতিন আমেরিকা নয়, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের চাইতে শক্ত।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/world" hreflang="en"&gt;আন্তর্জাতিক / বিশ্ব&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:11:34 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1877 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>রাষ্ট্রীয় অপরাধ!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1876</link>
  <description>&lt;span&gt;রাষ্ট্রীয় অপরাধ!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;আপনি বলবেন একজন ধনী মানুষের জন্য আমার হিংসা হচ্ছে। আসলে ধনীর সংজ্ঞা কি তা একসাথে করতে কিছুটা হিমসিম খাচ্ছি। কত অর্থ-কড়ির মালিক হলে একজনকে ধনী বলা যাবে তা আমার অভিধানে না থাকায় হিংসা হওয়ার কোন কারণ দেখিনা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;তবে দরবেশ বাবা খ্যাত সালমান ফজলুর রহমান যে ধনী সে ব্যপারে কোন সন্দেহ নাই। নিজেদেরও একসময় ধনী ভাবতাম। কারণ সেই পাকিস্তান আমল হতে আমাদের বড় আকারের একটা বাড়ি ছিল। সাথে ছিল ২টা গাড়ি। লক্কড় ঝক্কর হলেও তা চলাচল করতো এবং আমরা ভাই-বোনরা মাথা উঁচু করেই সমাজে চলাফেরা করতাম। আমাদের শহরে যেদিন টেলিফোন ও গ্যাসের সাথে বাসিন্দাদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় আমরা ছিলাম প্রথম দিকের গ্রাহক। সম্পদের তালিকায় যেদিন জুটমিল যোগ হয় সেদিন ধরেই নিয়েছিলাম আমরা আসলেই ধনী।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমার বুঝাপড়ায় প্রথম ধাক্কাটা লাগে আব্বার মৃত্যুর পর। নগদ বলতে আমাদের তেমন কিছুই ছিলনা। জুটমিল ততদিনে জয়বাংলার দখলে। ব্যবসা বাণিজ্যের সবকটা দরজা বন্ধ। সম্পদ বলতে একটা ক্যালেন্ডার মিল সাথে কিছু জায়গা-জমি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমরা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিলাম আবারও। তবে তা স্বল্প সময়ের জন্যে। দুর্নীতির ছোবল আবারও আমাদের গ্রাস করে নেয়। হারাতে হয় অনেক কিছু।&lt;br /&gt;
আব্বা ছিলেন পাকিস্তান আমলের পার্লামেন্ট মেম্বার। প্রতিষ্ঠিত হয়ে রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছিলেন। এবং সে রাজনীতির কারণেই হাতছাড়া হয় অর্জিত সম্পদ। সময়ের ভারে নুয়ে পরা আমাদের জীর্ণ বাড়িটায় গেলে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এখানে একজন পার্লামেন্ট সদস্য বাস করতেন।  অথবা পরবর্তী জীবনে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;দরবেশ বাবা খ্যাত সালমান এফ রহমানের সম্পদের কিছু তথ্য আজ প্রকাশ করেছে এক মাস আগে তাদেরই পদ-লেহনকারী পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাক।&lt;br /&gt;
বিশ্বধনী ইলন মাস্ক, জেফ বেজস, বিল গেইটস, মার্ক জুকেরবার্গ ও ওয়ারেন বাফেট সহ অনেকের সম্পদের তালিকা দেখেছি। জেনেছি এসব সম্পদ আহরণে তাদের ডেডিকেশনের কিচ্ছা-কাহিনী।&lt;br /&gt;
তাদের আয়-রোজগার আমাদের প্রেরণা যোগায়। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে ক্যাটালিস্ট হিসাবে কাজ করে। আজ সালমান এফ রহমান পরিবার ও তাদের দ্বিতীয় প্রজন্মের কাহিনী পড়ে নিজকে হতভাগা বৈ অন্যকিছু মনে হয়নি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান এফ রহমানের বয়স কত তার হদিস করতে পারিনি। তবে জেনেছি তিনি লন্ডনে গ্রোসভেনর (অভিজাত পাড়া) ২৬.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের ফ্লাটে বাস করেন। বাংলা টাকায় যার মূল্য ৪৩০ কোটি টাকা। T7-SFR ব্যান্ডের একটা প্রাইভেট জেট আছে যা অনেকটাই পুরানো। এ নিয়ে বন্ধু মহলে ট্রলের শেষ নেই। কেন আধুনিক একটা জেট কিনছেন এ প্রশ্ন অনেকের।&lt;br /&gt;
লন্ডনের আহমেদ শায়ানের একাধিক ফ্লাট আছে। তালিকায় আছে ৮৪৬ কোটি টাকায় কেনা ৬টি ফ্ল্যাট। কথিত আছে নিজের বিবাহ বার্ষিকী পালনের জন্যে ওমানে গিয়ে সালমানপুত্র ব্যায় করেছিলেন ১.৫ মিলিয়ন ডলার। বালাই বাহুল্য  ভাই সোহেল রহমান সহ রহমান পরিবারের বাকি সবাই ব্রিটিশ নাগরিক।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একটা সত্য খুব অবাক করার মত।  রহমান পরিবারের সবার আয়ের উৎস সেই বাংলাদেশ। এখান হতে কেবল লুটপাটই না, মানিলন্ড্রিং করে নিয়মিত তা নিয়ে যান পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ হয়ে ব্রিটেন ও আমেরিকায়। আয়-রোজগার বৈধ করার জন্যে খুলেছেন একাধিক কোম্পানি। এসব কোম্পানি নিবন্ধন ক্যারিবিয়ান দ্বীপের অনেক দেশে। বাংলাদেশের সবকটা কমার্শিয়াল ব্যাংক ছিল দরবেশ বাবার দখলে। খোদ বাংলাদেশ ব্যাংক হতে যে অংক চুরি হয়েছে তাতেও নাকি হাত ছিল রহমান ও শেখ পরিবারের। শেখ পরিবারের দিক হতে আবারও উঠে আসছে শেখ রেহানার নাম।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমরা আসলে কোন শতাব্দীতে বাস করছি তার হিসাব অনেকের কাছেই ঘোলাটে হয়ে গেছে। একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে এমন লুটপাট ও ডাকাতি কেবল হাজার রজনীর আরব্য উপন্যাসেরই আধুনিক সংস্করণ বলে মনে হবে। শেখ পরিবারের ঘোর যতদিন না কাটবে ততদিন এসব তথ্য ও সংখ্যা হজম করতে অনেকেরই কষ্ট হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসলেই কি পারবে এমন সব বাঘা ডাকাতদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে? বিশ্বাস করতে কেন জানি কষ্ট হয়। ওরা টাকা দিয়ে দেশের সবাইকে কিনতে পারে, এ তালিকা হতে বিচার বিভাগও বাদ যায়না। সন্দেহটা সেখানেই।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বয়সের ভারে নুয়ে পরা আমাদের বাড়ির মুল দেয়ালটায় কান পাতলে আজও শোনা যাবে আওয়ামী দানবের উল্লাস। ১৯৬৯ সালে ওরা ঘেরাও করেছিল আমাদের বাড়ি। দলবেঁধে লাথি মেরেছিল দেয়ালের সবকটা ইটে।&lt;br /&gt;
কিশোর বয়স হলেও স্পষ্ট মনে আছে সময়গুলো। দানবীয় এসব উল্লাসের কারণ কেউ কোনদিন বলতে পারেনি। শুধু বলেছিল উপরের নির্দেশ। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমি 'মব' জাস্টিস, অর্থাৎ গণধোলাইয়ে বিশ্বাস করিনা। কিন্তু এখন কেন জানি মনে হচ্ছে কিছু আওয়ামী লীগারদের এ ধরণের পাওনা হতে বঞ্চিত করা  রাষ্ট্রীয় অপরাধ।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:10:02 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1876 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>রাদোভান কারাদিচ, রাতকো ম্লাদিচ হয়ে শেখ হাসিনা...</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1875</link>
  <description>&lt;span&gt;রাদোভান কারাদিচ, রাতকো ম্লাদিচ হয়ে শেখ হাসিনা...&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;এই লেখাটার মূল বিষয়ে যাওয়ার আগে  হাতে সময় থাকলে চলুন কিছুটা সময় ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে ব্যায় করি। ১৯৯২ সালে হয়ত পাঠকদের অনেকের হয়ত জন্মই হয়নি। অন্তত কিছু বিষয়ের সাথে সচেতন পাঠকের পরিচিত হওয়াটা খুবই জরুরি। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একই সালের ৩রা এপ্রিল মধ্য ইউরোপে দেশ যুগোস্লাভিয়ায় গৃহযুদ্ধের দামামা বেজে উঠে। এক বছর আগে ১৯৯১ সালের ২৫শে ডিসেম্বর সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়েছে কেবল।  ইউনিয়ন হতে বেরিয়ে গিয়ে বাকি ১৪টি প্রজাতন্ত্র আলাদা দেশ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে। এই পতনের প্রভাব ফেলতে শুরু করে পূর্ব ইউরোপের সবকটা দেশে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রীয় কাঠামো সোভিয়েত কাঠামোর সাথে অনেকটাই মিল ছিল। সার্বিয়া, বসনিয়া হারজোগভিনা, উত্তর মেসিডোনিয়া, মন্টেনিগ্রো, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভানিয়া এবং আংশিকভাবে স্বীকৃত কসোভা নিয়ে গঠিত হয়েছিল যুগোশ্লাভ ফেডারেশন।&lt;br /&gt;
বর্তমান রাশিয়ার মত loosing end'এ ছিল অধুনা সার্বিয়া। সার্বিয়ার লৌহ বলয় হতে বেরিয়ে গিয়ে একে একে বাকি ৬টি ফেডারেশন স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। স্বভাবতই সার্বিয়ান নেতৃত্ব সহজে হজম করতে পারেনি নিজেদের এ দুর্দশা। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সোভিয়েত ও যুগোশ্লাভ পতনের একটা মৌলিক পার্থক্য ছিল; সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র ধ্বসে যাওয়ার পর রাশিয়া এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করেনি। অন্যদিকের স্লোভোদান মিলোশভিচের নেতৃত্বে সার্বিয়ান সরকার হজম করতে পারেনি নিজেদের পরাজয়।&lt;br /&gt;
ক্রোয়েশিয়া ও বসনিয়ায় পুতুল সরকার বসিয়ে তাদের সাহায্যের নামে নিজেদের সৈন্য পাঠায় সার্বিয়া। কসোভার স্বাধীনতা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেনি তারা। শুরু হয় অল-আউট গৃহযুদ্ধ। শক্তিমান সার্বিয়া রুশদের সমর্থন নিয়ে শুরু করে হত্যাযজ্ঞ। এই যজ্ঞের মূল শিকার হয়ে দাঁড়ায় মুসলিম অধ্যুষিত বসনিয়া হার্জেগোভিনা ও কসোভা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;রাদোভান কারাদিচ পেশায় ছিলেন একজন ডাক্তার। যুগোশ্লাভ ফেডারেশন হতে বেরিয়ে গিয়ে বসনিয়া হার্জেগোভিনা স্বাধীনতা ঘোষণা করলে সে অঞ্চলের সার্বরা নাম লেখায় সংখ্যালঘুর তালিকায়। কারাদিচ মেনে নিতে পারেননি এ বাস্তবতা। প্রতিশোধ নিতে গঠন করে সার্ব ডেমোক্রেটিক পার্টি। এবং দেশটার সার্ব অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে গঠন করেন নতুন দেশ Republika Srpska। নিজকে দেশটার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা দেন। এবং গোটা বসনিয়ায় সার্বদের আধিপত্য কায়েমের লক্ষ্য  শুরু করেন গণহত্যা। এ কাজে তার ডানহাত হিসাবে যোগ দেন জেনারেল রাতকো ম্লাদিচ। স্বাভবতই সীমান্তের ওপার হতে সমর্থন পান সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোভোদান মিলশোভিচের। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সেব্রেনিতসিয়া। বসনিয়া হার্জেগোভিনার মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রাম। ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে এ গ্রামে হাজির হয় কারাদিচ-ম্লা্দিচ সেনারা।&lt;br /&gt;
আগমনের প্রথম প্রহরে গ্রামের পুরুষদের আলাদা করে ফেলে বাকি জনসংখ্যা হতে । পুরুষ তালিকা হতে রেহাই দেয়া হয়নি বালকদেরও। ৮ হাজার পুরুষ ও বালকদের বন্দুকের নলের মুখে বাধ্য করে তাদের নিজেদের কবর খুড়তে। কবর খোরা শেষ হলে ব্রাশ ফায়ার করে সবাই হত্যা করে। এবং মাটি চাপা দিয়ে চলে যায় অন্যদের সন্ধানে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমেরিকার নেতৃত্বে ন্যাটো বাহিনীর হস্তক্ষেপে যুদ্ধের অবসান ঘটে ১৯৯৫ সালের ১৪ই ডিসেম্বর। পরাজিত হয় Republika Srpska'র সার্ব বাহিনী। কারাদিচ-ম্লাদিচ চক্র পালিয়ে আশ্রয় নেয় সার্বিয়ার মূল ভূখণ্ডে। তাদের পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের অন্যতম আর্কিটেক্ট স্লোভোদান মিলোশোভিচ লুফে নেয় এই কসাইদের। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সেব্রেনেতসিয়ায় ঘটে যাওয়া গণহত্যার নির্মমতা সামনে আসতে থাকে একে একে। গোটা বিশ্ব শিউরে উঠে হত্যাযজ্ঞের নির্মমতার বিস্তারিত জেনে। আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা হয় মিলোশভিচ, কারাদিচ ও ম্লাদিচের বিরুদ্ধে। ওদের সবাইকে গ্রেফতার করে ভরা হয় আন্তর্জাতিক জেলে। শুরু হয় বিচার পর্ব।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নেদারল্যান্ডের হেগ আদালতে বিচার চলাকালীন সময় হার্ট এটাকে মারা যান এক সময়ের সার্বিয়ান লৌহমানব স্লোভোদান মিলোশভিচ। Republika Srpska'র স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট রাদোভান কারাদিচ ও তার পার্টনার ইন ক্রাইম জেনারেল রাতকো ম্লাদিচকে দেয়া হয় যাবত জীবন কারাদণ্ড। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এবার আসি লেখার মূল প্রসঙ্গে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;জুলাই মাসের অগ্নিঝরা দিনগুলোর একদিন বাংলাদেশের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা গণভবনে বসে তার দোসরদের আহবান জানিয়েছিলেন যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রাস্তার আন্দোলনকারীদের মোকাবেলা করার জন্যে।&lt;br /&gt;
আশাহত করেনি স্বৈরাচারের দোসররা। ওরা মাঠে ঘাটে পশুর মত মানুষ হত্যা করেছিল। এবং স্বপক্ষে সাক্ষী হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে অসংখ্য প্রমাণাদি। সাভারের কোথাও ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড ও এর ভিডিও তার চাক্ষুষ প্রমাণ।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার করার জন্যে তার নিজের করা ভিডিওতে যার যা আছে তা নিয়ে তৈরি থাকার ডাক এবং  এর পরপর সাভার গণহত্যা ও তার ভিডিও এভিডেন্স হেগ আদালতে বিচার ও শাস্তির জন্যে যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বাংলাদেশের বর্তমান ইন্টেরিম সরকার কাজটা করবে কিনা জানিনা, তবে সামনে নির্বাচিত কোন সরকার চাইলে শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক আদালতে হাজির করতে পারবে। ঐ আদলতে শাস্তিযোগ্য অপরাধের একাধিক প্রমাণ থাকবে তাদের হাতে।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:07:33 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1875 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>
<item>
  <title>শেখ রেহানা...ছায়াহীন দানব!</title>
  <link>https://www.amibangladeshi.org/blog/1874</link>
  <description>&lt;span&gt;শেখ রেহানা...ছায়াহীন দানব!&lt;/span&gt;

            &lt;div&gt;&lt;p&gt;বলা হতো ক্ষমতার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। শেখ হাসিনার কিছু হলে সামনে আসার জন্যে সদা প্রস্তুত ছিলেন। ছায়ার মত সর্বত্র ঘুরে বেড়িয়েছেন। সরকারী কোন পদে না থাকলেও ঘুরে বেড়ানোর সব খরচ বহন করেছে রাষ্ট্র। শেখ বংশের সব চাইতে লাভবান ও ভাগ্যবান ব্যক্তি শেখ রেহানা। অনেকে বলেন প্রথমে বাপের নাম, পরে বোনের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোগ করে গেছেন নিজের জীবন। কেউ তাতে বাধ সাধেনি। কোথাও কোন সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়নি। কন্যার বদৌলতে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করলেও ঐ দিকে খুব একটা পা বাড়াতেন না নিজের হিস্যা আদায়ের সমীকরণ মেলানোর জন্যে। সব বিচারে তিনি ছিলেন ধরি মাছ না ছুঁই পানি টাইপের ভাগ্যবতীদের একজন। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বলাহয় শেখ রেহানা বড় বোন শেখ হাসিনার চাইতেও ধনী। দেশে বড় বড় প্রকল্প প্রনয়নে তার আগ্রহ ছিল সবার চাইতে বেশী। বড় বোনের সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগির শর্ত হিসাবে তাকে দেয়া হয়েছিল আয়-রোজগারের আলাদিনের চেরাগ। লুটপাট হতে শেখ হাসিনার প্রাপ্য অংশ তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেলেও শেখ রেহানার ৫০ শতাংশ তার নিজের নামেই জমা হতো। এভাবেই গেল ১৬ বছরে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের আলিশান সাম্রাজ্য। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;শুরুটা কিন্তু এরকম ছিলনা। পিতা সহ পরিবারের বাকি সবাই নিহত হওয়ার পর অনেকটা নিঃস্ব হয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে লুকিয়ে ছিলেন। ১৯৮০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সবুজ সংকেত পেয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন অনেকটা উদ্বাস্তু হয়ে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;স্বামী শফিক আহমেদ সিদ্দিকীর হঠাৎ করেই ব্রেইন টিউমার ধরা পরে। ভাল চিকিৎসা করানোর মত অর্থ শেখ পরিবারের কারও হাতেই ছিলনা।  বাধ্য হয়ে শেখ রেহানা বিত্তশালীদের দুয়ারে  ধর্ণা দেয়া শুরু করেন।&lt;br /&gt;
সব দুয়ার হতে রিক্ত হাতে ফিরে এলেও দুঃসময়ে আশার আলো নিয়ে এগিয়ে আসেন ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান ফজলুর রহমান। এবং এখানেই শুরু হয় শেখ পরিবারের সাথে বেক্সিমকো গ্রুপের প্রণয়।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আওয়ামী লীগের অন্দর মহলে সবার জানা ছিল সালমান এফ রহমান শেখ রেহানার লোক। প্রকল্পে বিনিয়োগের নামে বেক্সিমকো যে লাখ লাখ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তার একটা মোটা অংশ গেছে শেখ রেহানার পকেটে। শেখ রেহানার ব্রেইন হতেই নাকি জন্ম নিতো সরকারী সম্পদ লুটপাটের রোডম্যাপ। এসব কাজে কারিগরী সহায়তা দিতো শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। অংশিদার বনে আঠার মত লেগে থাকতেন হাসিনা কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ছিল শেখ পরিবারের অন্যতম লাভজনক প্রকল্প। লাভের মাত্রা এতটাই বেশী ছিল যার কারণে দ্বিতীয় স্যাটেলাইট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এনার্জি খাতের লুটপাট নিয়ে জয় ও শেখ রেহানার মাঝে দ্বন্ধ দেখা দিলে সে দ্বন্ধ মেটাতে মধ্যস্থতা করতে আবারও এগিয়ে আসেন দরবেশ বাবা খ্যাত সালমান রহমান। এই খাতের দুর্নীতির কিছু প্রমাণ সাংবাদিক পরিবার সাগর-রুনির হাতে আসার কারণেই নাকি তাদের খুন করা হয়। এই কাজে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেন এটিএন টিভির মালিক ও স্বঘোষিত গায়ক মাহফুজুর রহমান। এখানেও নাকি খুঁজলে শেখ রেহানার হাত পাওয়া যাবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভাগাভাগি নিয়ে কথা উঠলেও এর পক্ষে এখনও কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে যে অংকের কথা বলা হচ্ছে তার সামান্যতম অংশ সত্য হলে তা বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। পদ্মা সেতুর অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে যে কাহিনী বাজারে চালু আছে তার বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই তা অনেকেরই জানা। তারপরও শেখ হাসিনার প্রতিশোধের ভয়ে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম ছিল নীরব। বাস্তবতা হচ্ছে প্রকল্পের শুরুতে বাকি দশটা প্রকল্পের মতই বিশ্বব্যাংকে একটা তালিকা পাঠানো হয়েছিল। এ তালিকায় এমন কজনের নাম ছিল যার আড়ালে ছিলেন শেখ পরিবারের সদস্য। এমনকি নিক্সন চৌধুরি নামের শেখ পরিবারের জনৈক রাজনীতিবিদ নিজের হিস্যার দাবি নিয়ে স্বশরীরে হাজির হয়েছিলেন বিশ্বব্যাংকের দরবারে। প্রফেসর মোহম্মদ ইউনুসকে বলি বানিয়ে ধামাচাপা দেয়া হয় শেখ পরিবারের এ কলংক। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;কমিশন বাণিজ্যের কেলেংকারি প্রকাশিত হওয়ার পর পদ্মাসেতু প্রকল্প হতে কেবল বিশ্বব্যাংকই না এডিবিও সরে যায়। বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবিত ১২০ কোটি ও এডিবির ৬১ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ছিল নাম মাত্র সুদে (০.৭০%)। সেই একই প্রকল্পের চীনা বিনিয়োগের সুদ এখন পরিশোধ করা হচ্ছে উচ্চ হারে। সবই শুরু হয়েছিল যেদিন শেখ হাসিনা দম্ভভরে সংসদে ঘোষণা দিয়েছিলেন সেতুর অর্থায়নের এক বাংলাদেশই যথেষ্ট!&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;একটা বাস্তবতা আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা  শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, জয় ও পুতুল ওয়াজেদ গংদের লুটপাটের মূল উৎস ছিলে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ও পোশাক শিল্পের বৈদেশিক মুদ্রা। বিদেশে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে র‍্যামিটেন্স পাঠায় তা লুটপাটের অপর নামই হচ্ছে শেখ হাসিনার উন্নয়ন। আর এই কথিত উন্নয়নের নীরব বেনিফিসিয়ারী হচ্ছেন শেখ রেহানা। কথিত আছে গাফফার চৌধুরির প্ররোচনায় একবার শেখ রেহানা বিকল্প আওয়ামী লীগ তৈরি করে ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা করেছিলেন। বোন শেখ হাসিনা খবর পেয়ে তার দফারফা করেন ছোট বোনকে আরও অধিক আর্থিক সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সোশ্যাল মিডিয়াতে একটা লোমহর্ষক ভিডিও ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাভার এলাকায়  পুলিশ তাদের গুলিতে নিহত একদল আন্দোলনকারীর লাশ গ্রোসারী মালামালের মত গাড়িতে উঠাচ্ছে। এবং উঠানোর পর ঐ ভ্যানগাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার তথ্যও সামনে আসছে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না এসব হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের আসল বেনিফিসিয়ারী কারা ছিল। ভুলে গেলে চলবে না কাদের স্বার্থ রক্ষার জন্যে এমন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিশ্চয় শেখ হাসিনার পাশাপাশি শেখ রেহানার নামও আসবে এ তালিকায়। &lt;/p&gt;
&lt;p&gt;হাসিনা গংদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত না করা গেলে বাংলাদেশের ইতিহাস কোনদিনও সম্পূর্ণ হবেনা।&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
      &lt;span&gt;&lt;span lang="" about="https://www.amibangladeshi.org/users/watchdog" typeof="schema:Person" property="schema:name" datatype="" xml:lang=""&gt;WatchDog&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span&gt;Thursday, December 5, 2024&lt;/span&gt;

      &lt;div&gt;
              &lt;div&gt;&lt;a href="https://www.amibangladeshi.org/blog/crime-punishment" hreflang="en"&gt;অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
          &lt;/div&gt;
  </description>
  <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:05:38 +0000</pubDate>
    <dc:creator>WatchDog</dc:creator>
    <guid isPermaLink="false">1874 at https://www.amibangladeshi.org</guid>
    </item>

  </channel>
</rss>
