<?xml version="1.0"?>
<rss version="2.0" xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:yt="http://gdata.youtube.com/schemas/2007" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
   <channel>
      <title>Ashik Iqbal</title>
      <description>www.ashik.info</description>
      <link>http://pipes.yahoo.com/pipes/pipe.info?_id=90b88aff1cc9f239520c7a26234a20f5</link>
      <atom:link rel="next" href="http://pipes.yahoo.com/pipes/pipe.run?_id=90b88aff1cc9f239520c7a26234a20f5&amp;_render=rss&amp;page=2"/>
      <pubDate>Thu, 01 Oct 2015 23:23:06 +0000</pubDate>
      <generator>http://pipes.yahoo.com/pipes/</generator>
      <item>
         <title>সচেতন অভিভাবকদের মনে রাখা ও পালন করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/10/tips-for-guardians.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-cHXk5AZ7aEo/VE5fvnrdfvI/AAAAAAAAuMc/Zul7wKxWDuc/s1600/children.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-cHXk5AZ7aEo/VE5fvnrdfvI/AAAAAAAAuMc/Zul7wKxWDuc/s1600/children.jpg&quot; height=&quot;281&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;ol&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কারো কোলে বসা (এমনকি চাচা, মামা ইত্যাদি) থেকে আপনার শিশু কন্যাকে বিরত রাখুন বা সাবধানতা বজায় রাখুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সন্তান ২ বছর বয়স হলে (ছেলে/মেয়ে) তার সামনে নিজের পোশাক পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কোন বয়স্ক ব্যক্তি (সে যতই নিকটাত্মীয় হোক না কেন) যেন আপনার সন্তানকে ‘আমার বউ’ বা ‘আমার বর’ বলে সম্বোধন না করে, সে ব্যপারে কঠোর ও অনমনীয় থাকবেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;যখনই আপনার সন্তান বাইরে (আপনার চোখের আড়ালে) খেলতে যাবে, জানার চেষ্টা করুন তারা কোন ধরনের খেলা খেলে এবং কার সাথে ও কোন বয়সী বাচ্চাদের সাথে খেলে?&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কারো কাছে থাকার জন্য কক্ষনই আপনার বাচ্চাকে (ছেলে/মেয়ে) বাধ্য বা জোর করবেন না, বিশেষ করে সে (বাচ্চা) যদি থাকতে না চায় বা অস্বস্তির ভাব দেখায়। এমনকি, হঠাৎ করেই যদি আপনার সন্তান কোন বিশেষ কারো সাথে থাকতে চায় বা তার প্রতি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী অনুরক্ত আচরণ করে তবে বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কোন প্রাণবন্ত বা খুবই হাসিখুশি বাচ্চা যদি হঠাৎ করে খুব বিমর্ষ বা চুপচাপ অথবা সব কাজেই অনাগ্রহ দেখায়, তাহলে সময় ও ধৈর্যশীলতার সাথে এর কারণ অনুসন্ধান করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;শিশু যখন ধীরে ধীরে বড় হতে থাকবে তখন নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক (right values of sex) সম্মন্ধে সঠিক শিক্ষা দিন। যদি আপনি সেটা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার পারিপার্শ্বিক সমাজ ও বন্ধুরা তাকে সেই শিক্ষা দেবে; এবং সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুল বা বিকৃত শিক্ষা হবে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার শিশুর জন্য যদি কোন ভিডিও বা কার্টুন কিনে আনেন, তবে সে (শিশু) দেখার আগে আপনারা দুজন (বাবা-মা) দেখে নিবেন এটা আসলেই তার দেখার উপযোগী কি না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার বাসায় যদি ক্যাবল টিভি থাকে তাহলে সেটি কঠোর প্যারেনটাল কন্ট্রোলের আওতায় আনুন, যেন আপনার অনুপস্থিতিতে শিশুর টিভিতে কোন ধরনের অশালীন- অপ্রীতিকর দৃশ্য দেখার সম্ভবনা না থাকে। আপনার শিশুর যারা খেলার সাথী, তাদের অভিভাবকদেরকেও এই ব্যপারে পরামর্শ দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার তিন বছরের সন্তানকে ভালভাবে তার লজ্জাস্থানসমূহ পরিষ্কার করা শেখান। এবং সতর্ক করে দিন যেন কেউ তার সেই সব স্থান স্পর্শ না করে বা করার চেষ্টা না করে। (এমনকি আপনিও পারতপক্ষে এটি থেকে বিরত থাকবেন)&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার সন্তানের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য কিছু জিনিস এমনকি কিছু ব্যক্তিকেও ব্ল্যাকলিস্টের অন্তর্ভুক্ত করুন (বিনোদনমুলক অনুষ্ঠান [গান, মুভি, সিরিয়াল, কার্টুন], ভিডিও গেইম, ক্ষতিকর আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি)।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার সন্তানকে নৈতিকতায় স্বতন্ত্র বা লাখে একজন (the value of standing out of the crowd) হওয়ার আবশ্যকতা শেখান।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার সন্তান যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কে অভিযোগ করবে (যতই অবাস্তব/ অসম্ভব/অকল্পনীয় সেই অভিযোগ হোক না কেন), অবশ্যই জরুরী ভিত্তিতে বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন। এবং সবসময় আপনার সন্তানের পাশে থাকবেন। আপনার সন্তান জানু্ক যে, আপনি তাকে রক্ষা করার ক্ষমতা ও সাহস রাখেন। মনে রাখবেন, আপনি হয় অভিভাবক অথবা ভবিষ্যৎ।&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-2443177608862708772</guid>
         <pubDate>Mon, 27 Oct 2014 21:08:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-cHXk5AZ7aEo/VE5fvnrdfvI/AAAAAAAAuMc/Zul7wKxWDuc/s72-c/children.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>লিউ, তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ী</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/10/ancient-chinese-woman.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://2.bp.blogspot.com/-4-uQPTqXRkU/VE0ctRa77MI/AAAAAAAAuDY/3VmUQiAuXgw/s1600/chunzhuangnei1.jpg&quot;/&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অনেক দিন আগে, চীন দেশে লিউ নামে এক মেয়ে বিয়ে করে বাস করতে লাগল তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীর সাথে।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;খুব অল্পসময়েই লিউ দেখল যে তার শ্বাশুড়ীর সাথে বাস করাটা প্রায় অসম্ভব।ক্রমশ তাদের মধ্যে মতনক্য আর ঝগড়া শুরু হয়। শাশুরি প্রায়শ লিউকে কটাক্ষ করতো বিভিন্ন কাজে।পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপ করল যে দিকটা সেটা হল, চাইনিজ পরম্পরা অনুয়ায়ী লিউ তার শ্বাশুড়ীকে সবসময়েই মাথা নুইয়ে সন্মান জানাতে হতো এবং শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মেনে নিতে হতো।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অনেক দিন এবং সপ্তাহ পার হয়ে গেল কিন্তু তাদের বিবাদ না কমে দিন দিন বাড়তেই থাকল।এ সমস্ত ঘটনা ক্রমেই লিউর স্বামীকেকে হতাশাগ্রস্থ করে তুলল।লিউ কোনভাবেই তার শ্বাশুড়ীর এই খারাপ আচরন বরদাস্ত করতে পারছিলনা, এবং সে সিদ্ধান্ত নিল যে কিছু একটা করতেই হবে।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;একদিন লিউ তার বাবার এক বন্ধু মি: হং এর কাছে গেল যার একটা ফার্মেসি রয়েছে। লিউ তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললো এবং তার কাছে কিছু বিষ চাইল যা দিয়ে তার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলে এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করা যায়।মি: হং কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন,&quot; লিউ, আমি তোমাকে সাহায্য করবো তোমার সমস্যার সমাধান করবার জন্য, কিন্তু আমি তোমাকে যা যা বলবো তাই তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।লিউ খুশিমনে তার কথায় রাজী হয়ে গেলো।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মি: হং পেছনের রুমে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন একটা ঔষধের প্যাকেট নিয়ে।তিনি লিউকে বললেন,&quot; তোমার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলবার জন্য এমন কোন বিষ দেয়া উচিৎ হবেনা যা তাৎনিক ভাবে তাকে মেরে ফেলবে। এতে লোকের সন্দেহ তোমার উপর পরবে।তাই আমি তোমাকে এমন একটা ঔষধ দিচ্ছি যা তোমার শ্বাশুড়ীর শরীরে ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া করবে। প্রতিদিন তার খাবারের সাথে এটা অল্প করে মিশিয়ে দিবে। এটার কার্যকারীতা শুরু হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে, আর তাই তুমি তোমার শ্বাশুড়ীর সাথে এ কদিন ভাল ব্যবহার করতে থাক যাতে লোকের সন্দেহ কোনক্রমেই তোমার উপর না পরে।কখনই তার সাথে তর্ক করবেনা, তার প্রতিটি ইচ্ছা পুরণ করবে এবং তার সাথে রানীর মতো আচরণ করবে।&quot;লিউ খুবই খুশী হল।সে মি: হংকে ধন্যবাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এল তার শ্বাশুরীকে হত্যা করবার কাজ শুরু করবার জন্য।সপ্তাহ পার হয়ে মাস পার হয়ে গেল, লিউ তার ঔষধটা শ্বাশুড়ীকে নিয়ম করে খাওয়াতে লাগল।সে সবার সন্দেহের উর্দ্ধে থাকবার জন্য মি: হং এর উপদেশও অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে লাগলো। সে তার বাজে রাগকে প্রশমিত করলো, তার শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে পালন করতো এবং তার সাথে আচরণ করত তার নিজের মায়ের মতই।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ছয়মাস পর পুরো ঘরের দৃশ্যপট পাল্টে গেল।লিউ তার রাগকে এতটাই দমন করা শিখে গেল যে, সে আর তেমন করে উত্তেজিতই হতে পারত না।তার সাথে তার শ্বাশুড়ীর এই ছয়মাসে কোন তর্কই বাধল না, আর এখন লিলি তার শ্বাশুড়ীর সাথে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল।লিউর প্রতি তার শ্বাশুড়ীর আচরণেরও পরিবর্তন হল, এবং তিনি লিউকে তার মেয়ের মতই ভালবাসতে শুরু করলেন।তিনি তার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদেরকে বলতে লাগলেন যে, পৃথিবীতে যত বৌমা আছে তার মধ্যে লিউ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট।লিউ এবং তার শ্বাশুড়ী, মেয়ে এবং মা এর মতই বাস করতে লাগল।সবকিছু দেখে লিউর হাসবেন্ডও খুব খুশি হয়ে উঠল।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;একদিন লিউ আবারও মি: হং এর কাছে সাহায্যের জন্য আসল। সে মি: হংকে বলল, &quot; প্রিয় মি: হং, আপনার বাকি ঔষধ আপনি ফিরিয়ে নিন এবং যতটুকু ক্ষতি আমার শ্বাশুড়ীর হয়েছে তা কাটাবার কোন ঔষধ দিন। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তাকে আমি আমার মায়ের মতই ভালবাসি।&quot;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মি: হং হেসে সামান্য মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, &quot; লিউ, ভয় পাবার কোন কারন নেই, আমি তোমাকে কোন বিষ দেইনি। যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একপ্রকার ভিটামিন। যা তোমার শ্বাশুড়ীর স্বাস্থ্য ভাল হতে সাহায্য করেছে।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;একমাত্র বিষ ছিল তোমার মনে এবং তার প্রতি তোমার আচরণে, যেটা তুমি পুরোপুরি ধুয়ে ফেলেছ তাকে ভালবেসে।&quot;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মনে রাখবেন,&quot; যে যাকে যতটা ভালবাসা দেবে, প্রতিদানে ততটা ভালবাসাই পাবে। আপনি যেমন ব্যাবহার করবেন, তার থেকে ভালো ব্যাবহার আপনি আশা করতে পারেন কি?? ভালো ব্যাবহারই মানুষকে সুন্দর ও সুখী পথের নির্দেশনা দেয়&quot;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-1998342153999008614</guid>
         <pubDate>Sun, 26 Oct 2014 22:11:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-4-uQPTqXRkU/VE0ctRa77MI/AAAAAAAAuDY/3VmUQiAuXgw/s72-c/chunzhuangnei1.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>স্বামীর ভালবাসা অর্জনের উপায়</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/04/earn-his-love.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-opSafMs_ohk/U1fqTQM2xrI/AAAAAAAAjBU/TiXdVH_F9tQ/s1600/mohids-2282515.jpg&quot;/&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;নারীসুলভ আচরণ করুন (যেমনঃ কোমল হওয়া), স্বামীরা তাদের স্ত্রীর জায়গায় কোন পুরুষ চায় না!&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সুন্দর/আকর্ষণীও পোশাক পরুন। আপনি যদি গৃহিণী হন, সারাদিন ধরে রাতের পোশাক (ঢিলাঢালা আরামদায়ক পোশাক) পরে থাকবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ঘাম/মশলা জাতীয় গন্ধ থেকে পরিচ্ছন্ন ও সুরভিত থাকুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপানর স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সাথে সাথে আপানার যাবতীয় সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;বার বার জিজ্ঞেস করবে না, ‘কি ভাবছ?’&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অনবরত দোষারোপ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ আপনাকে আসলেই সত্যিকার অর্থে অভিযোগ করার মত কিছু দেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অন্যের কাছে নিজেদের স্বামী-স্ত্রীর সমস্যার কথা বর্ণনা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন; এমনকি সাহায্য বা পরামর্শ চাওয়ার অজুহাতেও না! আপনি যদি মনে করেন আপনার বৈবাহিক সমস্যার আইনানুগ সমাধান প্রয়োজন, তাহলে এমন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে যান যেঃ&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কোন অন্যায়ের ব্যপারে ভুল সংশোধনের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করে দিতে পারে, যাতে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আবার সুন্দর সমন্বয়ে মিল হয়ে যায়, অথবা&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;উভয়পক্ষের সম্মতিতে সৌহার্দপূর্ণভাবে বিচ্ছেদ করাতে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপানর শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন, যেমনটি আপনি চান আপানার স্বামী আপানার মায়ের সাথে করুক।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ইসলামে স্বামী স্ত্রীর অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানুন। অধিকার আদায়ের চেয়ে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে সম্পাদনের ব্যপারে আগে সজাগ হন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;যখন সে ঘরে আসে, দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। হাসিমুখে তাকে সালাম দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার বাসস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন; অন্তত আপনার স্বামী যতটুকু পরিচ্ছন্ন দেখতে পছন্দ করে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন (যেমন, চেহারা, বা বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি)। এটা তার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে বলুন, স্বামী হিসেবে তিনি শ্রেষ্ঠ।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তার পরিবার পরিজনের সাথে প্রায়ই যোগাযোগ করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে সহজ কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। মাঝে মাঝে তাকে প্রশ্নও করুন যাতে সে বুঝতে পারে আপনি তার কথা আগ্রহ নিয়ে শুনছেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে ভাল কাজে উৎসাহিত করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তার মেজাজ খারাপ থাকে, তাকে কিছুটা সময় একা থাকতে দিন। ইনশাআল্লাহ, একসময় তার মেজাজ ঠিক হয়ে যাবে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপানাকে খাদ্য ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। এটি অনেক বড় ব্যপার।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সে যদি আপানার সাথে রেগে গিয়ে চেঁচাতে থাকে, আপনি চুপ থেকে তাকে চেঁচাতে দিন। দেখবেন আপনাদের বিবাদ অনেক দ্রুত থেমে গেছে। পরে যখন সে শান্ত হবে, তখন আপনি আপনার কথা বোঝাবেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;যখন আপনি তার উপর রেগে যান, তখন বলবেন না যে তিনি আপনাকে রাগিয়েছেন, বরং বলুন তার কাজে আপনি আপসেট হয়েছেন। আপনার রাগকে তার দিকে নির্দেশ না করে তার কাজ বা উদ্ভুত পরিস্থিতির দিকে নির্দেশ করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মনে রাখবেন, আপনার স্বামীরও আবেগ অনুভুতি আছে, কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে তার বন্ধুদের সাথে কোন রকম অপরাধবোধ ছাড়া কিছু সময় কাটাতে দিন, বিশেষতঃ যদি তারা ভাল মানুষ হয়। তাকে বাইরে যেতে উৎসাহ দিন যাতে সে নিজেকে ঘরের ভেতর ‘আবদ্ধ’ বোধ না করে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;স্বামী যদি আপনার কোন সামান্য কাজে বা অভ্যাসে বিরক্ত হয় (যেটি আপনি সহজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারেন), সেটি করা বন্ধ করে দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার মনের কথা তাকে খোলাখুলি বলতে শিখুন; সে সবসময় বুঝে নেবে বা অনুমান করতে পারবে এমন চিন্তা করবেন না। আপনার অনুভূতি প্রকাশ করা শিখুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ছোট ছোট বিষয়ে রেগে যাবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তার সাথে হাসি মশকরা করুন, যাতে আপনাদের দুই জনের মনই প্রফুল্ল হয়।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাকে বলুন, আপনি স্ত্রী হিসাবে সেরা, এবং এমন বিষয়ে নিজের উল্লেখ করুন যেটা আপনি জানেন আসলেই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু অহংকার করে নয়, বিনয় এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে- &quot;The way to a man's heart is through his stomach&quot; তাই তার পছন্দের খাবার তৈরি করা শিখুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার পরিচিত বা আত্মীয় স্বজনের কাছে কক্ষনও তার বদনাম করবেন না। তারা যদি একথা মেনে নেয় ও বিশ্বাস করা শুরু করে, তাহলে তা আপানকেই পাল্টা আহত করবে। আপনি নিজেই তখন হীনমন্যতায় ভুগবেন এই ভেবে যে আপনার স্বামী খারাপ, আবার অন্যরাও ভাববে যে আপনার স্বামী খারাপ।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;বুদ্ধিমত্তার সাথে আপনার সময়টাকে কাজে লাগান, এবং আপনার দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পাদন করুন। এতে আপনিও খুশি হবেন, আপনার স্বামীরও ভাল লাগবে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;উপরের &amp;nbsp;সবগুলো কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করুন; দেখবেন আপনি যা করছেন আল্লাহ তায়ালা তাতে বরকত দেবেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;স্বামী স্ত্রী একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ, করণীও-বর্জনীয় বিষয়গুলো বিজ্ঞতার সাথে আলোচনা করবেন। স্বামীকে এমন ভাবে আদেশ বা নির্দেশ দেবেন না যেন মনে হয় সে আপনার 'অধীনস্ত'।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে কত ভালোবাসেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার স্বামীর সাথে খেলাধুলায় প্রতিযোগিতা করুন, এবং তাকে জিততে দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সুস্থ থাকুন, এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, যাতে বলিষ্ঠ ভাবে একজন মা, স্ত্রী ও গৃহিণীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ এতে আপনি মোটা হবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আচার-আচরনে মার্জিত থাকুন (যেমনঃ ঘ্যানঘ্যান করা, অতি উচ্চস্বরে হাসা বা কথা বলা, থপথপ করে সশব্দে হাঁটাচলা করা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন।)&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;খেয়াল রাখুন তার পরিধেয় কাপড়গুলো যেন নিয়মিত পরিষ্কার থাকে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;জরুরি অথবা বিতর্কিত বিষয়ে তার সাথে এমন সময় আলোচনা করবেন না যখন সে ক্লান্ত অথবা তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। সঠিক সময়ে সঠিক আলোচনা করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। এতে তার কাজের স্পৃহা বাড়বে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার চুল সব সময় আঁচড়ানো রাখুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মাঝে মাঝে উপহার দিন। উপহার স্বরূপ তাকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসও দিতে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তার আগ্রহ ও শখের ব্যপারে আপনিও আগ্রহী হওয়ার চেষ্টা করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অতিরিক্ত কেনাকাটা করবেন না...তার সমস্ত টাকা খরচ করে ফেলবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তার জন্য নিজেকে আকর্ষণীও করে সাজান, তার সাথে খুনসুটি করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার ত্বকের যত্ন নিন, বিশেষতঃ চেহারার। চেহারাই আকর্ষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অন্তরঙ্গ ব্যপারে যদি আপনার কোন অসন্তুষ্টি থাকে, তাকে জানান, তার সাথে কথা বলুন। তাকে বুঝতে সাহায্য করুন। নীরব থেকে পরিস্থিতি খারাপ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;প্রতিদিন, প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;কক্ষনো নিজের স্বামীর সাথে অন্যদের স্বামীর তুলনা করবেন না। যেমনঃ কখনও বলবেন না, 'অমুকের স্বামী তো এমন করে না, তুমি কেন এমন কর...'&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার স্বামী যেমন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন। কারণ, কেউ নিখুঁত নয়, আপনিও নন। আর যদি, ত্রুটিহীন, নিখুঁত সঙ্গী চান তাহলে জান্নাতে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ইনশাআল্লাহ সেখানে আপনি এবং আপনার স্বামী দু’জনেই হবেন নিখুঁত ও ত্রুটিহীন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। আর মনে রাখবেন, আল্লাহ যদি আপনার উপর সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে ফেরেশতারা আপানাকে ভালবাসবে, সমস্ত সৃষ্টি আপনাকে ভালবাসবে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আল্লাহ যেন সকল স্বামী স্ত্রীর বন্ধনকে হেফাজত করেন, এবং দ্বীনের শ্রেষ্ঠ আদব সমূহ বোঝার এবং তা কাজে লাগিয়ে সংসার জীবনকে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করার তৌফিক দেন। আমীন।&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-6530238325753992183</guid>
         <pubDate>Wed, 23 Apr 2014 22:43:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-opSafMs_ohk/U1fqTQM2xrI/AAAAAAAAjBU/TiXdVH_F9tQ/s72-c/mohids-2282515.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>কর্মক্ষেত্রে ৩টি সেরা উপহার যা আপনি দিতে পারেন</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/02/3-best-gifts.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-uZSEuZFB8HI/UxBYuzqWzDI/AAAAAAAAe04/NoTIQ6k8sb8/s1600/5-Best-Christmas-Gifts-Ideas-2013-0024.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-uZSEuZFB8HI/UxBYuzqWzDI/AAAAAAAAe04/NoTIQ6k8sb8/s1600/5-Best-Christmas-Gifts-Ideas-2013-0024.jpg&quot; height=&quot;250&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;b&gt;তারিফ করা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন, এমন সময় আপনার একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসে আপনাকে বলল যে সে আপনার কাজের নীতির ভক্ত এবং তার মতে আপনি প্রতিষ্ঠানে অনেক ভাল করতে পারবেন। এই কথাটি আপনার কিন্তু সব সময় মনে দাগ কেটে থাকবে। তার সেই তারিফের ফলে আপনি কাজের জন্য প্রেরণা পাবেন এবং হয়ত ভবিষ্যতে প্রমোশনও পেয়ে যেতে পারেন। উপযুক্ত সময় ও স্থানে কোন তারিফ করলে সেটার আমেজ সব সময়ই থেকে যায়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সম্মান দেওয়া&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অনেক বিনয়ী মানুষই আছে যারা নিজেরা যতটা সম্মান পেয়েছে তার থেকে অন্যদেরকে বেশি সম্মান দিতে পছন্দ করে। কোন আইডিয়া বা অর্জন যদি তাদের হয়েও থাকে, তাদের দল বা অন্য কাউকেই তারা এর কৃতিত্ব দিয়ে থাকে। এটি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা স্বরূপ। প্রতিটি ভাল আইডিয়া বা স্ট্র্যাটেজিই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। পুরোপুরি প্রাপ্য না হলেও যে কাউকে তার কাজ বা অর্জনের জন্য কৃতিত্ব দিন এবং হয়ত আপনার ব্যবসার পরবর্তী বড় আইডিয়াটি তার মাথা থেকেই আসতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সাহস দেওয়া&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;চাপের সময় মানুষ স্থিতিশীলতা খোঁজে। বর্তমানে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। এছাড়াও অন্য আরো অনাকাংখিত ঘটনা ঘটেই চলছে। এই সময়েই কিন্তু নেতাদেরকে সামনে এগিয়ে এসে অন্যদেরকে সাহস দিয়ে বলতে হবে যে, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কারণ এখনই সাহস দেওয়ার সময়। আপনার দেওয়া সাহসেই অন্যরা এগিয়ে যাবে এবং ভরসা পাবে যা তাদের মনোবল দৃঢ় করে তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-4964128329063678249</guid>
         <pubDate>Fri, 28 Feb 2014 15:37:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-uZSEuZFB8HI/UxBYuzqWzDI/AAAAAAAAe04/NoTIQ6k8sb8/s72-c/5-Best-Christmas-Gifts-Ideas-2013-0024.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>১৩টি প্রতিজ্ঞা যা আপনাকে আরও বেশী উদ্দীপ্ত করবে</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/02/13-propositions-to-make-you-incited.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://3.bp.blogspot.com/-5akVYkRnk7Y/UxBV2ntYuXI/AAAAAAAAe0s/oCNxKfZvsa0/s1600/flying.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://3.bp.blogspot.com/-5akVYkRnk7Y/UxBV2ntYuXI/AAAAAAAAe0s/oCNxKfZvsa0/s1600/flying.jpg&quot; height=&quot;300&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;ol&gt;&lt;li&gt;সৃজনশীলতাঃ প্রতিজ্ঞা করুন আজ নতুন এবং ভিন্ন ধর্মী কিছু করে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্ষমতাবান হাওয়াঃ প্রতিজ্ঞা করুন আজ আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে অধ্যবসায় ও নমনীয়তা দিয়ে সকল বাঁধা দূর করা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উদ্দীপনা: আজ কি হতে পারে তা ভেবে নিজেকে উদ্দীপ্ত করা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বোঝার ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ আজ কুসংস্কারমুক্ত অবস্থায় চিন্তা করে তা দেখা যায় যা এতদিন দেখা হয়নি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উপলব্ধিঃ আজ অবশ্যই তার সচেতন অস্তিত্বের উপস্থিতি উপলব্ধি করা যায় যা বিস্ময়ের সৃষ্টি করে এবং যা দ্রুতই শেষ হচ্ছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সংবেদনশীলতাঃ আজ অনুভূতি গুলোর ব্যাপারে সচেতন থেকে বুঝতে চেষ্টা করা যায় তা নিজস্বতার উপর কতটুকু প্রভাব বিস্তার করে আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চিত্তবিনোদনঃ দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টা নিজেকে আনন্দ দেবার জন্য কিছু করা চাই।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সুখানুভবঃ এই মুহূর্তে যাই হোক না কেন তাই করা উচিত যা ভাল থাকতে সাহায্য করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কর্মশক্তিঃ আজ নিজের ক্ষমতা বলে অন্যদের কল্যাণের জন্য কিছু করা উচিত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্বাস্থ্যঃ সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু করতে হবে যাতে গতকাল বা তার আগের দিনের চেয়ে একটু বেশি ভাল থাকা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বিস্ময়ঃ পিছন ফিরে দেখে, জীবনের সেই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তি নিয়ে বিস্ময়বোধ করা, যা আজ জীবনের জন্য আবশ্যক।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চাঞ্চল্যঃ দিনে একবারের জন্য হলেও ভিতরের শিশুটাকে জাগিয়ে তোলা দরকার।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কৃতজ্ঞতাঃ জীবন, পরিবার, বন্ধু, কাজ সর্বোপরি সব কিছুর জন্য আজ কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রতিজ্ঞা করুন ।&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-5102477359898193418</guid>
         <pubDate>Fri, 28 Feb 2014 15:25:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://3.bp.blogspot.com/-5akVYkRnk7Y/UxBV2ntYuXI/AAAAAAAAe0s/oCNxKfZvsa0/s72-c/flying.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>সন্তানকে প্রথম যে দশটি জিনিস শেখানো উচিৎ</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/02/tips-for-children.html</link>
         <description>&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-tUF9Cjhjj60/UxBTH6Wmt1I/AAAAAAAAe0g/fqWaWWsai8I/s1600/children.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-tUF9Cjhjj60/UxBTH6Wmt1I/AAAAAAAAe0g/fqWaWWsai8I/s1600/children.jpg&quot; height=&quot;360&quot; width=&quot;640&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;ol&gt;&lt;li&gt;আপনার শিশুর স্কুলের প্রথম বছরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে যদি আপনার শিশুকে তাঁর নিজের জুতার ফিতে বাঁধা শিখিয়ে দিতে পারেন তাহলে তাঁর যে মানুষিক দৃঢ়তা তৈরি হবে তা হয়তো আপনি বা আমরা কেউই কল্পনাও করতে পারব না। একবার ভাবতে পারেন স্কুলে কখনো তার জুতার ফিতে খুলে গেলে সে যদি আর দশটা শিশুর সামনে নিজে নিজেই তার ফিতে বাঁধতে পারে তাহলে তার নিজের উপর আত্মবিশ্বাস কোথায় গিয়ে ঠেকবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্কুলের পড়ার ব্যাগ আপনি নিজে না গুছিয়ে আপনার শিশুকে করতে দিন। আপনি শুধু খেয়াল রাখুন সে ঠিক ঠাক বই খাতা নিচ্ছে কি না এতে ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গোছানো হয়ে গড়ে উঠবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্লাসে ফার্স্ট বা সেকেন্ড হলো কি না সেটা আসলে শিশুর জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার না,তাই সে ক্লাসে কি পারলো আর কি পারল না সেটা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন না হয়ে সে তার স্কুলটা উপভোগ করছে কিনা সে দিকে নজর দেওয়া তার শারীরিক এবং মানসিক উভয়ের জন্যই ভালো।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বাচ্চারা তার খেলনা নষ্ট করবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য তাকে বকাঝকা না করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি তার ভিতরে খেলনাগুলোর যত্ন নেওয়ার বোধ সৃষ্টি করা যায়।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্বামী স্ত্রী এর মধ্যে দাম্পত্যে কলহ হবে এটাই স্বাভাবিক তবে লক্ষ্য রাখবেন আপনার শিশুটি যেন এর বলি না হয়। তার বাবা-মা এর মধ্যকার সম্পর্ক সে যেন সব সময় উপলব্ধি করে মধুর ,যা তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিগত জীবনে সুখের ছায়া ফেলবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভিক্ষুক বা কোথাও কোন কিছু দান করার সময় যতটা পারেন আপনার শিশুকে সাথে রাখতে,এতে তার মন উদার হবে। পৃথিবীকে সে আরও বেশী ভালবাসতে শিখবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আপনার শিশুর মতামতকে তার সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করে এমনভাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন যেন সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।এতে তার আত্মশ্রদ্ধা বাড়বে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সপ্তাহে অন্তত একটি দিন এবং ছুটির দিনগুলোতে আপনার শিশুকে একটু প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যান। তাকে ছেড়ে দিন খোলা হাওয়ায়,স্পর্শ করান মাটিকে।ধরতে দিন ফুলের উপর বসা রঙ্গিন প্রজাপ্রতিটি। দৌড় দিতে দিন,দিতে দিন ঝাঁপ।দেখবেন প্রকৃতির সান্নিধ্য আপনার শিশুর মাঝে এক অপূর্ব ভালো লাগার স্নিগ্ধতার ছাপ ফেলে যাবে যা আপনি হাজার বা লক্ষ টাকা খরচ করেও কোন সুপার শপে পাবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মোটামুটি পড়তে এবং লিখতে পারলে তাকে তার ব্যক্তিগত ডায়েরি লেখার বা আঁকার ব্যাপারে উৎসাহিত করুন।এতে সে নিজেকে নিয়ে ভাবতে শিখবে,অনুভব করতে শিখবে। নিজের কাছে আত্মসমালোচনার দ্বার হবে উন্মুক্ত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পাঠ্যপুস্তকের বাইরে মজার মজার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে সে পুরো পৃথিবী নতুন করে চিনতে শিখবে।আপনার শিশু আপনারই অস্তিত্ব,আপনার সত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয়,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পূণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে উত্থানে মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানে&lt;br /&gt;হে স্নেহার্ত বঙ্গভূমি, তব গৃহক্রোড়ে চিরশিশু করে আর রাখিয়ো না ধরে।&lt;br /&gt;দেশদেশান্তর-মাঝে যার যেথা স্থান খুঁজিয়া লইতে দাও করিয়া সন্ধান।&lt;br /&gt;পদে পদে ছোটো ছোটো নিষেধের ডোরে বেঁধে বেঁধে রাখিয়ো না ভালোছেলে করে।&lt;br /&gt;প্রাণ দিয়ে, দুঃখ সয়ে, আপনার হাতে সংগ্রাম করিতে দাও ভালোমন্দ-সাথে।&lt;br /&gt;শীর্ণ শান্ত সাধু তব পুত্রদের ধরে দাও সবে গৃহছাড়া লক্ষ্মীছাড়া করে।</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-7895296356072287991</guid>
         <pubDate>Fri, 28 Feb 2014 15:14:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-tUF9Cjhjj60/UxBTH6Wmt1I/AAAAAAAAe0g/fqWaWWsai8I/s72-c/children.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>নারীরা যে ৬টি মাইন্ড গেম খেলে পুরুষের সাথে</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/02/6-mind-games-played-by-girls.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-5fGNUq0sF4Q/UxBQHNq_TGI/AAAAAAAAe0U/gJeav3xxk_0/s1600/7-New-Brain-Studies-That-Fascinated-Us.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-5fGNUq0sF4Q/UxBQHNq_TGI/AAAAAAAAe0U/gJeav3xxk_0/s1600/7-New-Brain-Studies-That-Fascinated-Us.jpg&quot; height=&quot;355&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;কথায় আছে সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। শুধু সংসার কেন, যে কোন সম্পর্কের ভালো মন্দটাই ছেলেদের চাইতে মেয়েদের মানসিকতার ওপর নির্ভর করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, কেননা সহজাত ভাবেই সম্পর্ক নিয়ে নারীরা খেলে থাকেন কিছু মাইন্ড গেম! একটি সম্পর্ক কোন দিকে যাবে তা একজন পুরুষের ওপর যতটুকু নির্ভর করে, ঠিক ততোটুকুই একজন নারীর ওপরেও করে। কোন কোন ক্ষেত্রে এইসব মাইন্ড গেমের কারণে, নারীর ভূমিকাটা বরং যেন একটু বেশি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেউ স্বীকার করুক আর না করুক, নারীরা অদ্ভুত কিছু খেলা খেলে থাকেন পছন্দের পুরুষের সাথে। খেলা না বলে বাজিয়ে দেখা বললে মনে হয় বেশি ভালো শোনায়। সব নারী নন, তবে কিছু নারী অবশ্যই এই কাজটি করে থাকেন। কেন? পছন্দের পুরুষকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা, বাড়তি মনযোগ পাওয়া, চাপ প্রয়োগ করে বিয়ে বা কমিটমেনটে রাজি করানো,নিজের অধিকার ফলানো সহ নানান রকম অদ্ভুত কারণ আছে এর নেপথ্যে। পুরুষের সাথে নারীদের মনস্তাত্ত্বিক এই খেলাকে মাইন্ড গেইম বলা যেতে পারে। দেখে নেয়া যাক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা যে মাইন্ড গেমগুলো খেলে থাকেন, সেগুলো আসলে কী!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;বোকা ও অসহায় সেজে থাকা:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;বেশিরভাগ পুরুষ ভাবেন মেয়েরা বোকা। বিশেষ করে নিজের প্রেমিকা বা স্ত্রীর ক্ষেত্রে এই ধারণা আরও অনেক বেশি পোক্ত। তবে জেনে রাখুন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ধারণা মেয়েটি স্বয়ং তৈরি করে থাকে! কেননা তাতে চোখের অলক্ষ্যেই সম্পর্কের নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় নিজের হাতে। এটা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত যে সম্পর্ক ও সামাজিকতার সুক্ষ্ম চালগুলো মেয়েরা অনেক বেশি ভালো বোঝে। ফলে বেশিরভাগ নারীই তার পছন্দের পুরুষের সামনে বোকা ও অসহায় সেজে থাকার এক প্রকারের নাটক করে, যে নাটক পুরুষটির সাথে তার সম্পর্ককে করে তোলে অনেক বেশি পোক্ত। আর এই জন্যই বন্ধু মহলে অনেক মারকুটে স্বভাবের একটি মেয়েই নিজের প্রেমিকের সামনে দেখা যাচ্ছে একদম পরনির্ভরশীল একজন মানুষে পরিণত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু কেন করে এমন?&lt;br /&gt;এর কারন হিসেবে সাইকোলজিক্যাল এক্সপার্টরা পুরুষের বোকামিকেই দায়ী মনে করেন। অনেক ছেলেই বোকা মেয়েদেরকে বেশি পছন্দ করে। কথাটি ঘুরিয়ে বলতে গেলে বলতে হয়, অনেক ছেলেই চান না তার সঙ্গী তার থেকে বেশি বুঝুক বা বেশি বুদ্ধিমতী হোক। সঙ্গিনী আত্মনির্ভর হওয়ার চাইতে তার প্রতি নির্ভরশীল হওয়াটাই অধিক পছন্দ করেন বেশিরভাগ পুরুষ। এবং পৃথিবীতে কোন পুরুষই চান না যে স্ত্রী বা প্রেমিকা তার চাইতে বেশি সফল বা বেশি স্মার্ট হোক। পছন্দের পুরুষের এই চাওয়া পূরণ করতেই বা চাওয়া পূরণের মাধ্যমে পুরুষটিকে আপন করে পেতেই মেয়েরা খেলে থাকে এই বোকা ও অসহায় সাজার মাইন্ড গেম!একজন পুরুষ তাকে সারাক্ষণ দেখেশুনে রাখছেন কিংবা তার সমস্ত খুঁটিনাটি ভালোমন্দের দিকে খেয়াল দিচ্ছেন-এই ব্যাপারটি নারীরা রীতিমত উপভোগ করেন ও এটাই কামনা করেন সম্পর্কে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;অপেক্ষা করানো:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;অপেক্ষা করানো নারীদের স্বভাব-এ কথা সহজেই স্বীকার করে নেবেন বেশিরভাগ পুরুষ। তবে জেনে রাখুন,এটা নারীর সভাব নয়, বরং তার মাইন্ড গেমের সূক্ষ্ম একটা চাল। খুব সাধারণ একটি উদাহরণ দেই- ডেটিং এর ক্ষেত্রে বেশির সময় ছেলেটিকেই অপেক্ষা করতে হয়। দেখা গেল প্রেমিক নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর পর প্রেমিকা বাসা থেকে বের হচ্ছে। এসব ছাড়াও প্রেমের প্রস্তাবে &quot;হ্যাঁ&quot; বলতে দেরি করা সহ নানান বিষয়ে নারীরা প্রেমিককে অপেক্ষা করান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু নারীরা কেন এই কাজটি করেন?&lt;br /&gt;অনেকে ভাবেন মেয়েরা এই কাজটি করে বেশ মজা পান। কিন্তু সাইকোলজিস্টদের মতে মেয়েরা মনস্তাত্ত্বিক কারনে এই কাজটি করে থাকেন। তারা বলেন এই কাজটির মাধ্যমে মেয়েরা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বলে ভাবতে পারেন। এবং সম্পর্কে তার নিজের একটি ভালো অবস্থান গড়ে নেয়ার জন্য এই কাজটি মেয়েরা করেন। এতে আবার ছেলেরা ভেবে বসবেন না যে এখন থেকে আর সঙ্গীর জন্য অপেক্ষা করব না। না করলে কিন্তু হারাতে হবে সঙ্গিনীকে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কথার সূক্ষ্ম প্যাঁচে ফেলা:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;একটি কাজ মেয়েরা হরহামেশাই করে থাকেন আর তা হলো, কোন বিশেষ পোশাকে কিংবা মেকআপে তাকে কেমন দেখাচ্ছে তা সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করা। এটা আরেকটি প্যাঁচালো মাইন্ড গেম। কারণ সঙ্গী ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক যাই উত্তর দিক না কেন, মেয়েরা নিজেদের মনে দুইটি উত্তরের জন্যই জবাব তৈরি করে রাখে। যেমন, যদি সঙ্গী বলেন ভালো দেখাচ্ছে না, তাহলে কী হবে সেটা বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যদি বলেন ভালো দেখাচ্ছে, সঙ্গিনী তখন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেশ করবেন যে- কোনটা ভালো দেখাচ্ছে? এতদিন কি তবে ভালো দেখাত না? ভালো না লাগলে আগে বলেনি কেন? ইত্যাদি আরও নানান কথার মারপ্যাঁচ। সুতরাং এই মাইন্ড গেমে পুরুষ যাই বলুন না কেন, বিপদে পড়া এক প্রকার অনিবার্য। ছেলেদের জন্য বলছি মিষ্টি হেসে সোজা করে উত্তর দিন-”তোমাকে সব কিছুতেই ভালো লাগে”, কেননা নারী এই জবাবটিই শুনতে চান। নিশ্চিত হতে চান যে আপনার চোখে তিনিই সেরা সুন্দরী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;নিজেকে দুষ্প্রাপ্য করে তোলা:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;বেশিরভাগ নারীই নিজেকে দুষ্প্রাপ্য করে রাখতে ভালোবাসেন। এমন একটি অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে ভালোবাসেন, যেখানে পৌঁছাতে হলে পুরুষটিকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। যেমন, প্রেমিককে সময় না দেয়া কিংবা নানান বাহানায় সময় দেয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পারিবারিক বাহানাই দিয়ে থাকেন নারীরা এই দুষ্প্রাপ্য করে তোলার কৌশলে। একজন পুরুষ তাকে পাবার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করছে, কিংবা যে কোন পরিস্থিতিতে তাকে পাবার জন্য ব্যাকুল-এই ব্যাপারটি নিয়ে নারীরা এক রকম অহংকার বোধ করে থাকেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;অন্য পুরুষ সম্পর্কে ঈর্ষা তৈরি করা:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এই খেলাটিও বেশিরভাগ নারী খেলে থাকেন। বিশেষ করে পছন্দের পুরুষটি যখন তাকে অবহেলা করে বা খারাপ ব্যবহার করে,তখন নারীর মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে অন্য একজন পুরুষ। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় নারীরা ইচ্ছা করেই অন্য একজন পুরুষের দিকে মনযোগী হচ্ছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই পুরুষটি হয়ে থাকে প্রেমিকেরই কোন বন্ধু বা নারীটির প্রাক্তন প্রেমিক। অনেক নারী আবার কাল্পনিক পুরুষ চরিত্র তৈরি করে প্রেমিককে নানান রকম মনগড়া কাহিনী শুনিয়ে থাকেন। সবমিলিয়ে ব্যাপার আর কিছুই নয়, প্রেমিকের মনে এক রকমের ঈর্ষা তৈরি করা। এই ঈর্ষা পুরুষের মাঝে এত প্রবল হয় যে পছন্দের নারী অন্য কারো দিকে মনযোগী হচ্ছে এটা চিন্তা করেই তারা আবার প্রেমিকার দিকে মনযোগী হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আগ্রহ না দেখানো:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এই খেলাটি অনেক মেয়েরাই সম্পর্কের শুরুতে করে থাকেন। সঙ্গীর কাছে সে কতোটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা পরীক্ষা করার জন্য। মেয়েরা জন্মগতভাবেই খুব কৌতূহলী স্বভাবের হয়ে থাকে। সব ব্যাপারেই খুঁটিনাটি মেয়েদের জানার আগ্রহ বেশি থাকে। কিন্তু সম্পর্কের শুরুতে একটি মেয়ে তার সঙ্গীর কাছে কোন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে জানার ব্যাপারে উদাসীনতা দেখায়, কিংবা সঙ্গীর কোন ব্যাপারেই বিশেষ গুরুত্ব বা আগ্রহ দেখান না। এর পিছনে কারন রয়েছে। এর কারন হলো মেয়েটি জানতে চান ছেলেটির কাছে তিনি কতোটুকু গুরুত্ব পাচ্ছেন। কারন মেয়েটি ভেবে নেয়,” আমি যদি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হই তাহলে সে নিজেই আমাকে সব বলবে, আর তাই নিশ্চিত থাকুন যে তাদের অনাগ্রহ প্রকাশ আসলে ভেতরে ভেতরে অতি আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ।</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-7344994383658073550</guid>
         <pubDate>Fri, 28 Feb 2014 15:00:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-5fGNUq0sF4Q/UxBQHNq_TGI/AAAAAAAAe0U/gJeav3xxk_0/s72-c/7-New-Brain-Studies-That-Fascinated-Us.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>Read before your Marriage</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/02/read-before-your-marriage.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-Slq0g7xz-3U/UwwuPx8NFEI/AAAAAAAAeqo/GzHSs6Ao780/s1600/1920144_10152327499268140_402844660_n.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-Slq0g7xz-3U/UwwuPx8NFEI/AAAAAAAAeqo/GzHSs6Ao780/s1600/1920144_10152327499268140_402844660_n.jpg&quot; height=&quot;398&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;Dear Brother,&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;The day you marry your wife, is the day ALLAH places a trust and responsibility on you to give her the rights as a wife and she becomes your family, your comforter, the mother of your children.. So fear ALLAH in regards to your duties as a husband.&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;Dear Sister,&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;When you marry your husband you leave your birth home and you become a real woman. Your husband becomes your family, your maintainer and protector, the father of children, your friend and lover so treat him well and follow him to the ends of the earth.. Fear ALLAH in regards to how you treat him.&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;Marriage in Islam completes half of your deen. Do not be swayed by good looks or money as these will come and go. Marry a man who Truly fears and loves ALLAH.. Who puts Islam 1st before anything. Learn and walk in deen together. Go in a marriage with the purpose in getting closer to ALLAH and In sha’ ALLAH it will be a blessed marriage!&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-926226497503035099</guid>
         <pubDate>Tue, 25 Feb 2014 12:15:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-Slq0g7xz-3U/UwwuPx8NFEI/AAAAAAAAeqo/GzHSs6Ao780/s72-c/1920144_10152327499268140_402844660_n.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>জেনে নিন ইংরেজী শব্দের মজার মজার কিছু তথ্য</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2014/01/interesting-info.html</link>
         <description>&lt;br /&gt;&lt;ol&gt;&lt;li&gt;Mozambique এমন একটি দেশের নাম যাতে সবগুলো vowel আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“a quick brown fox jumps over the lazy dog” বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“Education” ও “Favourite” শব্দে সবগুলো vowel আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“Abstemious ও Facetious ” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো ক্রমানুসারে (a-e-i-o-u) আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে Qএ পরে u আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Rhythm সবচেয়ে দীঘ ইংরেজি শব্দ যার মধ্যে vowel নাই।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Floccinaucinihilipilification সবচেয়ে বেশি vowel সমৃদ্ধ শব্দ যাতে ১৮টি vowel আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হল A (একটি) ও I (আমি) ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;vowel বিহীন সবচেয়ে ছোট শব্দ হল By।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Assassination মনে রাখার সহজ উপায়হল গাধা-গাধা-আমি-জাতি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Lieutenant শব্দের উচ্চারণ লেফট্যান্যান্ট বানান মনে রাখার সহজ উপায় হল মিথ্যা-তুমি-দশ-পিপড়া।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“Uncomplimentary” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হলশব্দের vowel গুলো উল্টো ক্রমানুসারে ( u-o-i-e-a) আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“Exclusionary” ৫টি vowel সমৃদ্ধ এমন একটি শব্দ যার মধ্যে কোন অক্ষরের পূনারাবৃত্তি নাই।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“study, hijak, nope, deft” শব্দগুলোর প্রথম ৩ টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;“Executive ও Future”&amp;nbsp;এমন দুটি শব্দ যাদের এক অক্ষর পর পর vowel আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;80 কে letter marks বলা হ্য় কারণ L=12, E=5, T=20, T=20, E=5, R=18 (অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা) সুতরাং 12 5 20 20 5 18=80&lt;/li&gt;&lt;li&gt;A1 একমাত্র শব্দ যাতে ইংরেজী অক্ষর ও সংখ্যা আছে।&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-599050216486462196</guid>
         <pubDate>Mon, 06 Jan 2014 14:59:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>হতাশ মানুষকে যা বলবেন আর যা বলবেন না</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/11/say-and-not-say-to-desperate-people.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/--EGqNKJdeS0/UpDI2xtW05I/AAAAAAAAMB0/jveQ9IOELHw/s1600/Desparate+People.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/--EGqNKJdeS0/UpDI2xtW05I/AAAAAAAAMB0/jveQ9IOELHw/s1600/Desparate+People.jpg&quot; height=&quot;185&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;আমাদের সবার চার পাশে অনেক মানুষ আছে যারা&amp;nbsp;নানা কারণে&amp;nbsp;হতাশায় ভোগে। তাদের সাথে কথা বলার সময় কি কি মাথায় রাখা উচিৎ আসুন তা জেনে নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. পাশে থাকার কথা জানান।&lt;br /&gt;যা বলবেন: তুমি একা নও, পাশে আছি।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: তোমার চেয়ে অনেকেই খারাপ অবস্থায় আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. তাকে জানান, সে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;যা বলবেন: আমার কাছে তোমার গুরুত্ব অবশ্যই আছে।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: কেউ বলতে পারবেনা তাদের জীবনে সমস্যা নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. তাকে সাহায্য করুন।&lt;br /&gt;যা বলবেন: বুকে জড়াবো তোমায়?&lt;br /&gt;যা বলবেন না: নিজের জন্য দুঃখ করা বন্ধ কর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. হতাশা একটি কঠিন বাস্তবতা।&lt;br /&gt;যা বলবেন: তুমি স্বাভাবিকই আছ।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: তুমি তো সব সময়ই হতাশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. আশার কথা শুনান।&lt;br /&gt;যা বলবেন: খুঁজে দেখ এখনো অনেক পথ খোলা।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: হতাশ চেহারা নিয়ে ঘুরে বেড়িও না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. হতাশা অতিক্রমের পথ দেখান।&lt;br /&gt;যা বলবেন: যদি তোর ডাক শুনে কেই না আসে, তাবে একলা চল রে...&lt;br /&gt;যা বলবেন না: তোমার নিজের দোষেই কিছু হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭. তাকে বোঝান যে, আপনি তাকে বোঝেন।&lt;br /&gt;যা বলবেন: তোমার কষ্টটা আমি অনুভব করতে পারছি না সত্যি, কিন্তু খুব ভাবে বুঝি কষ্টটা কোথায়।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: বিশ্বাস কর, আমি তোমার কষ্ট অনুভব করছি, আমারও একই সমস্যা হয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮. আস্থা অর্জন করুন।&lt;br /&gt;যা বলবেন: আমি তোমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছি না।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: তোমার যন্ত্রণা আর নিতে পারছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯. তার প্রতি যত্নশীল হোন।&lt;br /&gt;যা বলবেন: তোমাকে সত্যি ভালবাসি (যদি সত্যি তা হয়)&lt;br /&gt;যা বলবেন না: তোমার নিজের কথা বলতে বলতে বিরক্তি আসেনি এখনো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০. এক সাথে অর্জন কারা উপায় দেখান।&lt;br /&gt;যা বলবেন: তোমার আচরণ বা কথায় আমি কষ্ট পাই না।&lt;br /&gt;যা বলবেন না: মাতাল হইছো?</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-3439342840739367964</guid>
         <pubDate>Sat, 23 Nov 2013 21:25:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/--EGqNKJdeS0/UpDI2xtW05I/AAAAAAAAMB0/jveQ9IOELHw/s72-c/Desparate+People.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>Meaning of Wife</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/11/wife.html</link>
         <description>&lt;div&gt;Worries Invited For Ever&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Who Irritates For Everything&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Wonderful Instrument For Enjoyment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Women's Institute for Financial Education&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Washing, Ironing, Feeding, Etc.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Worries Inherited For Ever&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Worship, Instruction, Fellowship, Evangelism&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Wonderful Item For Enjoyment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Washing Ironing Fun And Entertainment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Washing, Ironing, Feeding, Enjoyment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Wash, Iron, Fold, and Entertain&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Washing, Ironing, Feeding, and Entertainment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Wonderful Instrument For Entertainment&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Wholely Idiot and Funny Entertainer&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Without Information Fighting Everytime&lt;/div&gt;&lt;div&gt;With Idiot For Ever&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-4274074333337326535</guid>
         <pubDate>Sat, 23 Nov 2013 20:15:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>খাঁটি মধু চেনার উপায়</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/08/how-to-detect-original-honey.html</link>
         <description>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-GUa0ydMZgoE/UhndaAYwB0I/AAAAAAAAL10/Ccxgb4jWMgU/s1600/honey-41.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;300&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-GUa0ydMZgoE/UhndaAYwB0I/AAAAAAAAL10/Ccxgb4jWMgU/s400/honey-41.jpg&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;খাঁটি মধু সম্পর্কে নিশ্চত হওয়ার সবচেয়ে ভাল উপায় যদি আপনি নিজে উপস্থিত থেকে মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করে আনতে পারেন। কিন্তু সেই সুযোগ ক'জনেরই বা আছে। তাই আসুন জেনে নিই কিছু সহজ পরীক্ষা যার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হবেন মধুটি কি খাঁটি নাকি নকল।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;এক টুকরা কাগজের মধ্যে কয়েক ফোঁটামধু নিন। তারপর যেখানে পিঁপড়া আছে সেখানে রেখে দিন। পিঁপড়া যদি মধুর ধারে কাছে না ঘেসে তবে তা খাঁটি মধু। আর পিঁপড়া যদি তা পছন্দ করে তবে মধুতে ভেজাল আছে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মধুকে ফ্র্রিজের মধ্যে রেখে দিন। খাঁটি মধু জমবে না। ভেজাল মধু পুরাপুরি না জমলেও জমাট তলানী পড়বে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;এক গ্লাস পানি নিয়ে এর মধ্যে এক টেবিল চামচপরিমাণ মধু নিন। খুব ধীরে ধীরে গ্লাসটি শেক করুন। যদি মধু পানিতে পুরাপুরি দ্রবীভূত হয়ে যায় তবে তা ভেজাল মধু। আর মধু যদি পানিতে ছোট ছোট পিন্ডের আকারে থাকে তবে তা খাঁটি মধু।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;একটুকরা সাদা কাপড়ের উপর সামান্য পরিমাণ মধু নিন এবং এবং কিছুক্ষন পর কাপড়টি ধৌত করুন। ধোয়ার পর কাপড়টিতে যদি কোন দাগ থাকে তবে মধুতে ভেজাল আছে। আর যদি কোন দাগ না থাকে তবে মধু খাঁটি।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-5306352711418410468</guid>
         <pubDate>Sun, 25 Aug 2013 16:33:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-GUa0ydMZgoE/UhndaAYwB0I/AAAAAAAAL10/Ccxgb4jWMgU/s72-c/honey-41.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>জাতীয় পরিচয়পত্র বাংলাদেশ : নম্বরের গোপন সংকেত</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/06/code-of-national-id-card-bangladesh.html</link>
         <description>বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত:&lt;br /&gt;বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকেরই&amp;nbsp;জাতীয় পরিচয় পত্র আছে।&lt;br /&gt;অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড&amp;nbsp;হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল।&lt;br /&gt;এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র। &lt;br /&gt;আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল&amp;nbsp;কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;প্রথম ২ সংখ্যা: জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পরবর্তী ১ সংখ্যা: এটা আর এম ও (RMO) কোড।&lt;/li&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;সিটি কর্পোরেশনের জন্য: ৯&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্যান্টনমেন্ট: ৫&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পৌরসভা&quot; ২&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পল্লী এলাকা: ১&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা: ৩&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অন্যান্য: ৪&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;li&gt;পরবর্তী ২ সংখ্যা: এটা উপজেলা বা থানা কোড&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পরবর্তী ২ সংখ্যা: এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;শেষ ৬ সংখ্যা: আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্ম সাল।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-2451791375589821396</guid>
         <pubDate>Wed, 12 Jun 2013 10:36:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>নারী-পুরুষের পার্থক্য</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/05/male-female.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://3.bp.blogspot.com/-pzitw1DV1RU/UZjK1-KlBVI/AAAAAAAALjQ/BjcU9xdn7aI/s1600/male-female-sign.jpg&quot;/&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;হাতের লেখা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : লেখা কোনো রকমে পড়া গেলেই হলো। কাকের ঠ্যাং-বকের ঠ্যাং কী হচ্ছে তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নারী : লেখা হতে হবে মুক্তোর মতো ঝরঝরে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;কেনাকাটা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লিস্ট বানিয়ে বাজারে গিয়ে সেগুলো কিনে আনে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : যতক্ষণ না বাড়ির চাল-ডাল সব শেষ বলে বউ চেঁচাতে শুরু করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাজারে যেতে চায় না। বাজারে গিয়ে যা পছন্দ হয় তা-ই কিনতে চায়। কখনো কখনো দাম দিতে গিয়ে দেখে, সে মানিব্যাগ আনতে ভুলে গেছে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;মিতব্যয়িতা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : এক টাকা দামের জিনিসের জন্য কখনোই দুই টাকা খরচ করবে না। তা সে যত পছন্দসই হোক না কেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : যা পছন্দ হবে তা কিনতেই হবে। জিতে কিংবা ঠকে যেভাবেই হোক।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;তর্ক&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : তর্কাতর্কির শেষ কথাটি হবে নারীর।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : নারীর পর পুরুষের কথা বলা মানে নতুন তর্কের শুরু।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;প্রেম&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;পুরুষ: প্রতিটি পুরুষই চায় কোনো নারীর প্রথম প্রেম হতে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নারী: নারীরা চায় তারা তাদের ভালোবাসার পুরুষটির শেষ প্রেম হোক।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;b&gt;ব্রেকআপ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : সম্পর্ক ভেঙে গেলে কাছের কোনো বান্ধবীকে জড়িয়ে হাপুস নয়নে কাঁদতে থাকে। কিংবা ‘পুরুষ বড় নির্বোধ’ জাতীয় কবিতা লেখা শুরু করে এবং নতুনভাবে জীবনটা শুরু করার চেষ্টা করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : ব্রেকআপ হওয়ার ছয় মাস পরও সাবেক প্রেমিকাকে রাতবিরেতে ফোন করে ‘ডাইনি, তুই আমার জীবনটা শেষ করে দিলি’—এ জাতীয় ডায়ালগ ঝাড়তে থাকে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;বিয়ে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : মনে করে বিয়ের পর হাজব্যান্ড বদলে যাবে, কিন্তু তা হয় না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : মনে করে প্রেমিকা স্ত্রী হওয়ার পরও একই রকম থাকবে। কিন্তু স্ত্রী বদলে যায়।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;স্মৃতি&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে চায় তাকে সারা জীবন মনে রাখে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : সেসব নারীকে মনে রাখে যাদের সে বিয়ে করেনি।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;বাথরুম&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : সাধারণত ছয়টি জিনিস থাকে। সাবান, সেভিং ক্রিম, রেজর, টুথব্রাশ, আর তোয়ালে (ক্ষেত্রবিশেষে কোনো হোটেল থেকে চুরি করা)।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নারী : সাবান, টুথব্রাশ, টুথপেস্ট তো আছেই সেই সঙ্গে শ্যাম্পু, চিরুনি, লিপস্টিক….আরও কত কী! বেশির ভাগ জিনিস পুরুষেরা চিনবেই না।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;জুতো&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : গরমের দিনে অফিস ডেস্কের নিচে পা ঢুকিয়ে জুতো খুলে রাখে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : সারা দিন এক জুতা-মোজাই পায়ে দিয়ে রাখে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;পশু-পাখি&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : পশু-পাখি ভালোবাসে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : পশু-পাখিকে কষ্ট দিতে ভালোবাসে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;সন্তান&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : নারীরা তাদের সন্তানদের পুরোপুরি চেনে। তাদের সুখ, দুঃখ, স্বপ্ন, বন্ধু, গোপন ভয় এমনকি গোপন প্রেম সম্পর্কেও তারা জানে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : নিজের বাড়িতে মোট কয়জন মানুষ আছে তা-ও সব সময় মনে রাখতে পারে না।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;অলংকার&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : যেকোনো ধরনের অলংকার পরলেই নারীদের সুন্দর দেখায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : বড়জোর একটা আংটি কিংবা ব্রেসলেট। এর চেয়ে বেশি কিছু পরলেই লোকে মন্দ বলতে শুরু করে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;বন্ধু&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : বান্ধবীরা মিলে আড্ডা দিতে গেলে নিজেদের সুখ-দুঃখের আলাপেই ব্যস্ত থাকে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : পুরুষদের আড্ডায় ‘দোস্ত তোর লাইটারটা দে তো’ জাতীয় কথাবার্তাই বেশি শোনা যায়।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;বাইরে খাওয়া&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : ভাগাভাগি করে বিল দেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : সবাই চায় অন্যের ওপর বিল চাপিয়ে দিতে। কারও কাছেই ভাংতি থাকে না।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;কাপড় ধোয়া&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;নারী : প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত কাপড় কাচে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরুষ : চিমটি কাটলে ময়লা বের না হওয়া পর্যন্ত কাপড়ে সাবান ছোঁয়ায় না।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-5008274569436208506</guid>
         <pubDate>Sun, 19 May 2013 18:52:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://3.bp.blogspot.com/-pzitw1DV1RU/UZjK1-KlBVI/AAAAAAAALjQ/BjcU9xdn7aI/s72-c/male-female-sign.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>আবহাওয়ায় বিপদ সংকেতের অর্থ</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/05/weather-warning-signals.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে৷ (একটি লাল পতাকা )&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ বন্দর দমকা হাওয়ার সম্মুখীন৷ (দুইটি লাল পতাকা)&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে, তবে বিপদের আশঙ্কা এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৫ নম্বর বিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৬ নম্বর বিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৭&amp;nbsp;&lt;b&gt;নম্বর&amp;nbsp;&lt;/b&gt;বিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷(তিনটি লাল পতাকা)&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৮&amp;nbsp;&lt;b&gt;নম্বর&lt;/b&gt;&amp;nbsp;মহাবিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;b&gt;১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এর অর্থ ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েগিয়েছে এবং স্থানীয় অধিকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-1366515068911759432</guid>
         <pubDate>Tue, 14 May 2013 19:10:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>ভুমিকম্পের কবলে পড়লে করনীয়</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/05/earth-quake-tips.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-uzwESSILxjQ/UYVcTh8-CtI/AAAAAAAALgc/06TFOdSIwDk/s1600/earthquakelarge2.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;242&quot; src=&quot;http://4.bp.blogspot.com/-uzwESSILxjQ/UYVcTh8-CtI/AAAAAAAALgc/06TFOdSIwDk/s400/earthquakelarge2.jpg&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ভুমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির সাথে-সাথে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;যদি ঘর থেকে বের হতে না পারেন তবে, ইটের গাথুনির পাকা ঘর হলে- ঘরের কোনায়, কলাম ও বিমের তৈরী ভবন হলে- কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আপনার বাসস্থান আধাপাকা বা টিনের তৈরী হলে খাটের নিচে আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ভুমিকম্প রাতের বেলায় হলে কিংবা দ্রুত বের হতে না পারলে সজাগ হওয়ার সাথে... সাথে ঘরের কোনে, কলামের গোড়ায় কিংবা শক্ত খাট বা টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ঘরে হেলমেট জতীয় কিছু থাকলে দ্রুত নিজের মাথায় পরুন ও অন্যদের পরতে বলুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;রাতে ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি না করে গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। খেয়াল রাখবেন যেন বিচানার নীচে চলে না যান, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে বলা হয় সেফটি জোন বা ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা সাত নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ইন্ড্রাষ্টি কিংবা কারখানায় থাকলে দ্রুত বৈদ্যুতিক সুইচ ও গ্যাস লাইন বন্ধ করে দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;টাকা-পয়সা, সোনা-দানা কোন কিছু সংগে নেওয়ার লোভে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;এই সময় কোনমতেই লিফট ব্যবহার করবেন না। কেননা বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে লিফট বন্ধ হয়ে আপনি সেখানে আটকা পড়তে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;বৈদ্যুতিক,গ্যাস চালিত সব ধুরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহারে বিরত থাকুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;যদি বহুতল ভবনের ওপরের দিকে কোনো তলায় আটকা পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথই না থাকে, তবে সাহস হারাবেন না। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। আপনি এখানে আছেন সেটা উদ্ধারকারি দলের কাছে আওয়াজ পৌছানোর চেষ্টা করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ভুমিকম্পের কারণে যদি আপনি আহত হন বা বিম, দেয়াল, স্লাব বা কংক্রিটের তৈরী কোন অংশে আপনার শরীর আটকে গেলে বা চাপা পড়লে বের হবার সুয়োগ যদি না-ই থাকে তবে বেশী টানা-হেচড়া করবেন না এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হয়ে আপনার দ্রুত মৃত্যু হতে পারে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;রেডিও থাকলে দূর্যোগ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য পাবার জন্য সেটি চালু রাখুন। টেলিফোন,মোবাইল চালু থাকলে প্রয়োজনীয় সাহায্য চাওয়ার জন্য এবং ক্ষয়ক্ষতি রিপোর্ট করার জন্য সেটি ব্যবহার করুন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ম্যাচ জ্বালাবেন না। দালান ধ্বসে পড়লে গ্যাস লিক হয়ে থাকতে পারে।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;ছোটখাট আঘাতে সম্ভব হলে নিজের পরিধেয় বস্ত্র ছিড়ে ক্ষতস্থান বেধে দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;চিৎকার করে ডাকাডাকি শেষ অপশন হিসেবে বিবেচনা করুন। কারণ, চিৎকারের সময় মুখে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে। পাইপে বা ওয়ালে বাড়ি দিয়ে বা মুখে শিস বাজিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতে পারেন। তবে ভাল হয় সাথে যদি একটা রেফারির বাঁশি বা হুইসেল থাকে, তার প্রিপারেশন নিয়ে রাখুন আগেই।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আহত লোকদের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করুন। কেউ আটকা পড়লে চেস্টা করুন উদ্ধারের। না পারলে তাকে বা তাদেরকে পানি ও খাবার দিন এবং অভয় দিন।&lt;/li&gt;&lt;li style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;মনে রাখবেন আপনার উত্তেজনা কিংবা ভয় আপনার জন্য সবচেয়ে বেশী ক্ষতির কারন হবে তাই যত বিপদেই পড়ুন না কেন কখনোই সাহস হারাবেন না।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-293723173360554844</guid>
         <pubDate>Sun, 05 May 2013 01:10:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-uzwESSILxjQ/UYVcTh8-CtI/AAAAAAAALgc/06TFOdSIwDk/s72-c/earthquakelarge2.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>Reasons of Drinking Lemon Water</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/04/reasons-of-drinking-lemon-water.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://2.bp.blogspot.com/-GIuDwWhGoso/UVnGti4wyoI/AAAAAAAALWE/_vGXf5q323Q/s1600/kiwi_lemon_water_ice_wallpaper.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;300&quot; src=&quot;http://2.bp.blogspot.com/-GIuDwWhGoso/UVnGti4wyoI/AAAAAAAALWE/_vGXf5q323Q/s400/kiwi_lemon_water_ice_wallpaper.jpg&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;Here is the top 10, among a lot, benefits of drinking lemon water, and I know after reading them you will want make it a regular habit, check them out:&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;ol&gt;&lt;li&gt;Boosts your immune system: Lemons are high in vitamin C and potassium, which stimulates brain and nerve function. Potassium also helps control blood pressure.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Balances pH: Lemon is one of the most alkaline foods around. Yes, lemon has citric acid but it does not create acidity in the body once metabolized, so, you’ll reduce your body’s overall acidity.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Helps with weight loss: To fight hunger cravings maintain a more alkaline diet, this is because lemons are high in pectin fiber.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Aids digestion: It encourages the liver to produce bile which is an acid that required for digestion, which reduces heartburn and constipation.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Is a diuretic: Lemons increase the rate of urination in the body, which helps purify it from toxins, therefore, helps keep your urinary tract healthy.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Clears skin: Lemon water purges toxins from the blood which helps keep skin clear as well, this is thanks to the vitamin C component helps decrease wrinkles and blemishes.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Freshens breath: The citric acid can erode tooth enamel, so it can help relieve tooth pain and gingivitis.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Relieves respiratory problems: Warm lemon water helps get rid of chest infections and halt those pesky coughs.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Keeps you zen: Vitamin C is one of the first things depleted when you subject your mind and body to stress.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Helps kick the coffee habit: Normally after a glass of hot lemon water, you don’t crave coffee in the morning. Try it yourself!&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-8789235526167235552</guid>
         <pubDate>Mon, 01 Apr 2013 23:41:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-GIuDwWhGoso/UVnGti4wyoI/AAAAAAAALWE/_vGXf5q323Q/s72-c/kiwi_lemon_water_ice_wallpaper.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
      <item>
         <title>দুঃখ-কষ্ট আল্লাহ ভালোর জন্যই দেন</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/reason-of-sad.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আমাদের মাঝে অনেককেই দেখি যারা খুব আরাম আয়েশে জীবন কাটায়। আবার কারো কারো জীবনে দুঃখ কষ্ট লেগেই থাকে। এমন হয় কেন ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;আমাদের নবী (সাঃ) বলেন, আল্লাহ যার ভালো চান তাকে দুঃখ কষ্টে ফেলেন।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;[বুখারী, ৫৬৪৫]&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;অপর এক হাদিসে তিনি বলেন, যদি কারো উপর কোন কষ্ট আসে আল্লাহ তা'আলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন, যেমনভাবে গাছ হতে পাতা ঝরে পড়ে।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;[বুখারী, ৫৬৮৪]&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;তাই আমাদের কারো জীবনে যদি কোন কষ্ট আসে তবে বুঝে নিতে হবে আল্লাহ এর মাধ্যমে আমাকে সঠিক&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align:justify;&quot;&gt;পথে আনতে চান। আর একই সাথে আমার গুনাহ সমূহ মিটিয়ে দিয়ে আমাকে নিশ্পাপ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে চান। সুবহান আল্লাহ।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-9005384167274180661</guid>
         <pubDate>Fri, 29 Mar 2013 15:35:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>ধূমপান ছাড়ার ১৩ উপায়!</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/13-way-to-leave-smoking.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার উল্লেখিত ১৩টি উপায় অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব।&amp;nbsp;এই ১৩টি উপায় হচ্ছে-&lt;br /&gt;&lt;ol style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;li&gt;প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি কামাতে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিক নয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অ্যালকোহল পরিহার করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্কার করতে চেষ্টা করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিয়মিত ব্যায়াম করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আর ধূমপান ছাড়ুন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই টা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-2386900159755976848</guid>
         <pubDate>Fri, 22 Mar 2013 22:20:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>সফল বিবাহিত জীবনের জন্য যেই ব্যাপারগুলো প্রয়োজনীয়</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/successful-marriage-life.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;ul style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;li&gt;দুইজন একই সাথে একই সময়ে রাগ করে থাকা যাবে না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বাসায় একমাত্র সত্যিকারের আগুন লেগে গেলেই শুধুমাত্র একই সাথে দুজনই চিল্লাচিল্লি করুন। অন্যথায় নয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যদি আপনাদের দুজনের মধ্যে একজনকে ঝগড়ায় জিততে হয় তবে চেষ্টা করুন সেটি যেন আপনার জীবন সঙ্গী/সঙ্গিনী হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;তিরস্কার যদি করতেই হয়, তবে এমনভাবে করুন যাতে ভালোবাসা থাকে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পিছনের ভুলগুলো টেনে আনা উচিত নয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিজেদের দুইজনকে পৃথিবীর বাকি সবকিছু থেকে অগ্রাধিকার দিন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;একটি ঝামেলা খুব বেড়ে গেলে সেটি সমাধান না করা পর্যন্ত ঘুমাতে যাবেন না। সমস্যা সমাধান করেই তবে ঘুমাতে যান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও আপনার জীবন সঙ্গী/­সঙ্গিনীকে তার সম্পর্কে সুন্দর সুন্দর কথা বলুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আপনার দ্বারা কোনো ভুল হয়ে গেলে তা স্বীকার করার ক্ষমতা রাখুন, এবং এর জন্য বিনীতভাবে ক্ষমা চান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মনে রাখবেন, ঝগড়া করার জন্য সবসময় দুজন মানুষের প্রয়োজন হয় এবং যার ভুল বেশি, সেই&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সবসময় বেশি কথা বলার মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-9174362292414515373</guid>
         <pubDate>Fri, 22 Mar 2013 22:18:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>কম্পিউটার আবিস্কারের আগে শব্দগুলোকে যেভাবে জানতাম</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/blog-post_846.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;ul style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;li&gt;Windows ছিলো ঘরের জানালা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Application মানে বুঝতাম&amp;nbsp;হেডমাস্টারের কাছে দেওয়া চিঠি&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Mouse বলতে ইদুরকে বুঝতাম&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Keyboard মানে ছিলো পিয়ানো&lt;/li&gt;&lt;li&gt;File ব্যাপারটা শুধু সরকারী অফিসেই ঘুষ দিয়ে ছাড়ানো কাগজ জানতাম&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hard Drive মানে চরম মজার একটা গাড়ির journey.&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Cut শুধুমাত্র ছুরি দিয়েই করা যেত&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Web জন্মাতো আমাদের ঘরের&amp;nbsp;কোনায়&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Virus ছিলো একটা ফ্লু&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Apple and Blackberry&amp;nbsp;ছিলো দুটি ফলের নাম।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-6530442722757010168</guid>
         <pubDate>Thu, 14 Mar 2013 11:01:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>মেয়েদের অপছন্দের তালিকায় যে ছেলেরা</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/blog-post_14.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;যেসব পুরুষ শিশুসুলভ আচরণ করে। যারা যেকোনো ছোট সমস্যায়ও নিজেরা সমাধান না করে মায়েদের পরামর্শে চলে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যারা ধূমপান ও মদ্যপান করেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা সবকিছুতেই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা কখনোই অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা নিজেদের প্রেমিকা নিয়ে গর্ববোধ করেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা প্রেমিকার অবস্থান মূল্যায়ন করতে পারেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা প্রেমিকার অবস্থান মূল্যায়ন করতে পারেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;গত্বাঁধা পোশাকেই যাঁরা মেয়েদের দেখতে চান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা অর্থ ব্যয় করে নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে চান এবং অন্যের ওপর প্রভাব খাটাতে চান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা মেয়েদের সঙ্গে রাজনীতি, ব্যবসা ও খেলাধুলা নিয়ে আলোচনা করেন না। ভাবেন যে মেয়েরা কিছুই জানেন না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যাঁরা কখনোই কথা শোনেন না, শুধু বলেই যান।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-8197996856496101152</guid>
         <pubDate>Thu, 14 Mar 2013 10:57:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>২০২০ সালের ফেসবুক</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2013/03/blog-post.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;গিন্নির স্ট্যাটাস- আজ করল্লা আর লইট্যা শুটকি দিয়ে গরুর&amp;nbsp;মাংসের দো পেয়াজি কর্ছি।&lt;br /&gt;কর্তা অফিসে বসে- লাইক।কমেন্টস এ- ওয়াও! লাবু জানু,আই&amp;nbsp;উইল বি হোম সুন ;) খ্যান্ট উয়েঠ :)&lt;br /&gt;বাসার পিচ্চি- ডিসলাইক ,আমি বার্গার খামু।&lt;br /&gt;বান্ধবি- এই রেসিপি টা লিখে শেয়ার দে না রে !আমিও&amp;nbsp;রাধঁবো ওর জন্য&lt;br /&gt;পাশের বাসার ভাবি-লাইক,এন্ড আমাকে এক বাটি দিয়েন&amp;nbsp;তো আপা :)&lt;br /&gt;বউয়ের আপন মা- আহারে আমার মেয়টা শশুর&amp;nbsp;বাড়ি গিয়ে কি কষ্টেই না আছে,এখনি চুলো গুতাচ্ছে :( সবাই তোকে শুধু পোক করে নারে?&lt;br /&gt;শাশুড়ি- কি যে রাধোঁ না তুমরা ? আমারে এই আইটেম&amp;nbsp;থেকে আনট্যাগ করো,আজ আমি সাগুদানা আর দুধ খাবো।&lt;br /&gt;ননদ- স্ট্যাটাসে লাইক ও না,ডিসলাইক ও না।বয় ফ্রেন্ডের&amp;nbsp;সাথে চ্যাটে-জানু আমাকে কিন্তু আজকে তুমি চাইনিজে নিয়ে যাবা,ভাবি আজকেও ছাইঁপাশ&amp;nbsp;রাধঁছে :(&lt;br /&gt;দেবর- ফ্রেন্ডের সাথে চ্যাটে ।দোস্ত তোর&amp;nbsp;মেসে বুয়ারে চাউল এক পট বাড়ায়া দিতে ক!&amp;nbsp;আমি আইতাছি,দুপুরে খামু।&lt;br /&gt;দাড়োয়ান- ম্যাডাম দর্জা জানলা বন কৈরা রান্ধেন&amp;nbsp;ফিলিজ,অলরেডি পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন গন্ধের চোটে রিপোর্ট বাটনে কিলিক মারছে।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;জরিনা খাতুন'স রেসিপি পেজ- আপনি আমাদের রেসিপি নিজের&amp;nbsp;নামে চলানোয় আপনাকে আনফ্রেন্ড কর্তে বাধ্য হলাম।&lt;br /&gt;বুয়া- কমেন্টস এ - ইসটেটাস পরে দিয়েন আগে শপিং মল&amp;nbsp;থাইকা আইসা রান্না বওয়ান খালাম্মা।&lt;br /&gt;অতঃপর মান ইজ্জত খাওনের দুষে একটু পরেই বুয়ারে ব্লক :-( :P:P:P&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-5304432456101553356</guid>
         <pubDate>Thu, 14 Mar 2013 10:47:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>হে আমার মেয়ে!</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2012/12/o-my-girl.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://3.bp.blogspot.com/-U8AZAfvEAyY/ULy9rhWZ7_I/AAAAAAAALIE/VC4ugm2bLuw/s1600/O+My+Girl.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;640&quot; src=&quot;https://lh3.ggpht.com/-U8AZAfvEAyY/ULy9rhWZ7_I/AAAAAAAALIE/VC4ugm2bLuw/s1600/O+My+Girl.jpg&quot; width=&quot;418&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে আমার মেয়ে!&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! আমি চল্লিশের জগৎ পার হয়ে পঞ্চাশের পথে পা রেখেছি। যৌবনকে বিদায় দিতে যাচ্ছি, সেও আমার কাছ থেকে বিদায় নিতে চায়। নতুন কোন স্বপ্ন এবং উচ্চ আকাঙ্খা আর নেই। আমি অনেক দেশ ও শহর ভ্রমণ করেছি, বহু জাতির সাহচর্য লাভ করেছি এবং জীবন ও জগৎ সম্পর্কে অনেক ধারণা অর্জন করেছি। আজ আমার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শুন! কথাগুলো সঠিক ও সুস্পষ্ট। এগুলো আমার বয়স ও অভিজ্ঞতার আলোকেই তোমাকে বলছি। আমি ছাড়া &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর কেউ তোমাকে এগুলো বলবে না। আমি অনেক লিখেছি, মিম্বারে ও সমাবেশে দাঁড়িয়ে অনেক ভাষণ দিয়েছি, অনেক নসীহত পেশ করেছি। উত্তম চরিত্র অর্জনের আহবান জানিয়েছি, অশ্লীলতা বর্জন ও সকল প্রকার অন্যায় কাজ বর্জনের ডাক দিয়েছি। নারীদেরকে ঘরে ফিরতে ও কুরআনের সুপ্রসিদ্ধ বিধান পর্দার আবরণে আবৃত হওয়ার আহবান জানিয়েছি, তাদের সৌন্দর্য্যরে স্থানগুলো ঢেকে রাখতে বলেছি। লিখতে লিখতে কলম এখন দুর্বল হতে চলছে, কথা বলার সময় মুখে তা আটকে যাচ্ছে। এত কিছু করার পরও আমি মনে করি না যে, আমরা কোন অশ্লীল কাজ সমাজ থেকে দূর করতে পেরেছি। বেহায়াপনা দিন দিন বেড়েই চলছে, পাপাচারিতা দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে এবং অশ্লীলতা দেশ থেকে দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ছে। আমার মনে হয় কোন ইসলামী দেশই এর আক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। মিশর, সিরিয়া তথা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের সীমা পার হয়ে পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ সমগ্র এশিয়ায় এর আক্রমণ বেড়েই চলছে। মহিলারা বের হচ্ছে পর্দাহীন হয়ে, সৌন্দর্যের স্থানগুলো প্রকাশ করে, মুখমন্ডল, বক্ষদেশ এবং কেশ উন্মুক্ত করে। আমার ধারণা, নসীহত করে আমরা সফল হই নি। হে আমার কন্যা! তুমি কি জান কেন আমরা সফল হই নি? সম্ভবতঃ আমরা এখনও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নসীহত করতে পারি নি এবং সংশোধনের দরজায় পৌঁছতে পারি নি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! আমরা তোমার দ্বীনী বোনদেরকে আল্লাহর ভয় দেখিয়েছি, কিন্তু কাজ হয় নি। অতঃপর অবৈধ সম্পর্ক ও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার কারণে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছি, কিন্তু কোন ফল হই নি। এ বিষয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে, বহু বক্তৃতা দেয়া হয়েছে, তাও ব্যর্থ হয়েছে। এখন আমি ক্লান্ত শরীরে পরাজিত সৈনিকের ন্যায় ময়দান ছেড়ে বিদায় নিতে চাচ্ছি। আমরা বিদায় নিয়ে তোমার দ্বীনি বোনদের ইজ্জত-সম্ভ্রম ও সতীত্ব রক্ষার দায়িত্ব তোমার হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি, তোমার বিপথগামী বোনদেরকে উদ্ধার ও সংশোধনের বিষয়টি তোমার উপরই রেখে দিয়ে তোমার সফলতার দিকে চেয়ে আছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! যদি তুমি জেনে রেখো, তোমার হেফাজত তোমার হাতেই। এ কথা সঠিক যে, পাপের পথে অগ্রসর হওয়াতে পুরুষকেই প্রথম দায়ী করা যায়। নারীগণ কখনই প্রথমে এ পথে অগ্রসর হয় না। তবে তাদের সম্মতি ব্যতীত কখনই তারা অগ্রসর হতে পারে না, নারীগণ নরম না হলে পুরুষেরা শক্ত হয় না। মহিলাগণ দরজা খুলে দেয় আর পুরুষেরা তাতে প্রবেশ করে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি যদি চোরের জন্য ঘরের দরজা খুলে দাও আর চোর চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তুমি যদি চিৎকার করে বলঃ হে লোক সকল! আমাকে সাহায্য কর আমাকে সাহায্য কর, তাহলে তোমার চেচামেচি করা কি ঠিক হবে? তোমার কান্নাকাটিতে কি লাভ হবে? তোমার সাহায্যের জন্য কেউ কি এগিয়ে আসবে? &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার কন্যা! তুমি যদি জানতে পার যে, পুরুষেরা হচ্ছে নেকড়ে, আর তুমি হচ্ছ ভেড়া, তাহলে কিন্তু তুমি নেকড়ের আক্রমণ থেকে ভেড়ার ন্যায় পলায়ন করবে। তুমি যদি জানতে পার যে, সকল পুরুষই চোর তাহলে কৃপণের ন্যায় তুমি তোমার সকল মূল্যবান সম্পদ পুরুষদের থেকে হেফজত করার জন্যে সিন্দুকে লুকিয়ে রাখতে। মনে রেখো! নেকড়ে কিন্তু ভেড়ার গোশত ছাড়া অন্য কিছু চায় না। আর পুরুষ তোমার কাছ থেকে যা ছিনিয়ে নিতে চায় তা কিন্তু ভেড়ার গোশতের চেয়ে অনেক মূল্যবান। তা যদি তোমার কাছ থেকে চলে যায়, তাহলে জেনে রাখবে তা হারিয়ে তোমার বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল। সে তোমার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটি নষ্ট করতে চায়, তোমার সম্মানের বিষয়টি ছিনিয়ে নিতে চায় এবং তোমার অমূল্য রতœটি অপহরণ করতে চায়। সেটি হচ্ছে তোমার সতীত্ব ও পবিত্রতা, যাতে রয়েছে তোমার সম্মান, যা নিয়ে তুমি গর্ব কর এবং যা নিয়ে তুমি বেঁচে থাকতে চাও। আল্লাহর শপথ! পুরুষ তোমার এটিই নিয়ে নিতে চায়। এটি ছাড়া অন্য কথা কেউ বললে তুমি তা বিশ্বাস করো না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টি দেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ! হে আমার মেয়ে! এ ছাড়া সে অন্য কিছু চিন্তা করে না। তোমাকে যদি কেউ বলে, সে তোমার উত্তম চরিত্রে মুগ্ধ, তোমার আচার-ব্যবহারে আকৃষ্ট এবং সে কেবল তোমার সাথে সাধারণ একজন বন্ধুর মতই আচরণ করে এবং সে হিসাবেই তোমার সাথে কথা বলতে চায় তাহলে তুমি তা বিশ্বাস করো না। আল্লাহর শপথ! সে মিথ্যুক। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! যুবকেরা তোমাদের আড়ালে যে সমস্ত কথা বলে তা যদি তোমরা শুনতে, তাহলে এক ভীষণ ভীতিকর বিষয় জানতে পারতে। কোন যুবক তোমার সাথে যে কথাই বলুক, যতই হাসুক, যত নরম কণ্ঠেই বলুক ও যত কোমল শব্দই ব্যবহার করুক, সেটি তার আসল চেহারা নয়; বরং সেটি তার অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ভূমিকা ও ফাঁদ ব্যতীত অন্য কিছু নয়। সুকৌশলে সে যতই তোমার সামনে তা গোপন রাখুক। আল্লাহর শপথ! এ ছাড়া তার উদ্দেশ্য অন্য কিছু নয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! সে যদি তোমাকে তার ষড়যন্ত্রের জালে আটকাতে পারে তাহলে কি হবে? কি হবে তোমার অবস্থা? তোমার কি তা জানা আছে? একটু চিন্তা কর। কোন নারী যদি এমন কোন দুষ্ট পুরুষের কবলে পড়ে যায়, তখন সে হয়ত সেই পুরুষের সাথে মিলে কয়েক মিনিট কল্পিত স্বাদ উপভোগ করবে। তারপর কি হবে? তুমি কি তা জান? পরক্ষণই সে তাকে ভুলে যাবে। সে তাকে দ্বিতীয়বার পাওয়ার আশা পোষণ করবে। হয়ত কয়েকবারের জন্য তাকে পেলে পেতেও পারে; তবে স্বামী হিসাবে তার সাথে চির দিন বসবাস করার জন্যে এবং স্বীয় যৌবন পার করার জন্যে নয়। সে অচিরেই তাকে ভুলে যাবে। এটিই সত্য। কিন্তু সেই মহিলাটি চির দিন সেই স্বল্প সময় উপভোগের জ্বালা ভোগ করতে থাকবে, যা কখনও শেষ হবে না। এও হতে পারে যে, সে তার পেটে এমন কলঙ্ক রেখে যাবে, যা থেকে কখনই সে পরিত্রাণ পাবে না। চির দিন তার কপালে হতাশার ছাপ থাকবে, চেহারায় দুশ্চিন্তার ছায়া পড়বে। সে তাকে ছেড়ে দিয়ে আরেকটি শিকার খুঁজতে থাকবে এবং নতুন নতুন সতীদের সতীত্ব ও সম্ভ্রম হরণ করার অনুসন্ধানে বের হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! এভাবে একটি যুবক অগণিত নারীকে নষ্ট করলেও আমাদের জালেম সমাজ তাকে একদিন ক্ষমা করে দিবে। সমাজ বলবেঃ একটি যুবক পথ হারা ছিল। সে সুপথে ফিরে এসেছে। এই অজুহাতে সে হয়ত সমাজের কাছে গৃহীত হবে এবং সকলেই তাকে গ্রহণ করে নিবে। আর তুমি অপমানিত, লাঞ্জিত হয়ে চিরদিন পড়ে থাকবে। আজীবন তোমার জীবনে কালিমা লেগে থাকবে, কোন দিন তা বিচ্ছিন্ন হবে না। আমাদের জালেম সমাজ কখনই তোমাকে ক্ষমা করবে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তোমার সম্মান তোমার হাতেই রেখে দিলাম এবং তোমার ইজ্জত-আভ্রু ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব তোমার উপরই ছেড়ে দিলাম। সুতরাং তোমার বোনদেরকে উপদেশ দাও, বিপথগামীদেরকে সংশোধন কর এবং সুপথে ফিরিয়ে আন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি তাদেরকে বলঃ হে আমার বোন! পথ চলার সময় কোন পুরুষ যদি তোমার দিকে তাকিয়ে দেখে তবে তুমি তার থেকে বিমুখ হয়ে যাও এবং তোমার চেহারা অন্য দিকে ঘুরিয়ে ফেল। এর পরও যদি তার কাছ থেকে সন্দেহ জনক কোন আচরণ অনুভব কর কিংবা সে তোমার গায়ে হাত দিতে চায় অথবা কথার মাধ্যমে তোমাকে বিরক্ত করতে উদ্যত হয় তাহলে তোমার পা থেকে জুতা খুলে তার মাথায় আঘাত কর। তুমি যদি এ কাজটি করতে পার তাহলে দেখবে পথের সকলেই তোমার পক্ষ নিবে, তোমাকেই সাহায্য করবে। সে আর কখনও তোমার মত অন্য কোন নারীর উপর অসৎ দৃষ্টি দিবে না। সে যদি সত্যিই তোমাকে পছন্দ করে থাকে, তাহলে তোমার এই আচরণে তার হুঁশ ফিরবে, তাওবা করবে এবং তোমার সাথে হালাল সম্পর্ক গড়ার জন্যে বৈধ পন্থা অবলম্বনের দিকে অগ্রসর হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! শুন! নারীগণ যত উচ্চ মর্যাদাই অর্জন করুক, শিক্ষা ও জ্ঞানে যতই অগ্রগতি লাভ করুক এবং ধন-সম্পদ ও সুখ্যাতি যতই আয়ত্ত করুক, এতে তাদের প্রকৃত প্রত্যাশা পূর্ণ হবে না, তাদের মান-মর্যাদা, প্রসিদ্ধতা, সুখ্যাতি, ধন-সম্পদ তাদের মনকে শান্ত করবে না। বিবাহ ও স্বামীর সান্নিধ্যই কেবল দিতে পারে তাদেরকে অনাবিল শান্তি, এর মাধ্যমেই পূরণ হতে পারে তাদের প্রত্যাশা। নারীগণ তখনই প্রকৃত শান্তি খুঁজে পায়, যখন সে একজন সৎ ও আদর্শ স্ত্রী হতে পারে, সম্মানিত একজন মা হতে পারে এবং একটি বাড়ি ও পরিবারের পরিচালক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে একজন সাধারণ নারী থেকে শুরু করে রাণী, রাজকন্যা, অভিনেত্রী, বিশ্ব সুন্দরীর মাঝে কোন পার্থক্য নেই। সকলের ক্ষেত্রেই একই কথা। এ ক্ষেত্রে আমি নাম উল্লেখ না করে দু’জন নারীর উদাহরণ দিতে চাই। আমি তাদেরকে চিনি ও জানি। তারা উচ্চ শিক্ষিতা, ধনবতী ও সুসাহিত্যিক। স্বামী হারা হয়ে তাঁরা প্রায় পাগল অবস্থায় বেঁচে আছেন। কয়েক দিন আগেও তাদের জীবন ছিল স্বাভাবিক, মুখে ছিল হাসি আর আনন্দে ছিল ভরপুর তাদের জীবন। তাদের সবই আছে। হারিয়েছে শুধু স্বামী। বিবাহ হচ্ছে প্রতিটি নারীর সর্বোচ্চ কামনা। এটিই তাদের মনের বাসনা। এটি দিয়েই তাদের মহান প্রভু তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। সে যদি পার্লামেন্টের সদস্যও হয়ে যায় কিংবা কোন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টও হয়ে যায় তথাপিও তাদের মনের প্রকৃত বাসনা পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না একজন বউ হয়ে স্বামীর ঘরে প্রবেশ করতে পারবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! জেনে রেখো! একবার যদি কোন মেয়ের জীবনে কলঙ্ক নেমে আসে এবং তার সমাজ যদি তা জেনে ফেলে তবে কেউ তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করবে না। এমন কি যেই পুরুষ তাকে নষ্ট করেছে সেও তাকে বিয়ে করে নিজের সংসার গড়তে রাজী হবে না। অথচ সে বিয়ের মিথ্যা ওয়াদা করে তার সতীত্ব ও সম্ভ্রম নষ্ট করেছে এবং মনের চাহিদা পূরণ করে কেটে পড়েছে। বরং সে যখন বিয়ের মাধ্যমে কোন নারীকে ঘরে উঠাতে চাইবে তখন তাকে বাদ দিয়ে অন্য একটি সম্ভ্রান্ত, সম্মানিত, ভদ্র, সতী ও পবিত্র নারীকেই খুঁজবে। কেননা সে কখনই চাইবে না যে, তার স্ত্রী হোক একজন নষ্ট নারী, ঘরের পরিচালক হোক একজন নিকৃষ্ট মহিলা এবং তার সন্তানদের মাতা হোক একজন ব্যভিচারীনী। নিজে ফাসেক ও পাপী হয়েও সে চাইবে তার স্ত্রীটি হোক ফুলের মত পবিত্র। এমন কি যখন সে নিজের পাপ ইচ্ছা পূর্ণ করার জন্য পাপের বাজারে কোন পাপীষ্ট মহিলাকে খুঁজে পাবে না এবং বিয়ে ছাড়া নিজের যৌন চাহিদা পূর্ণ করার কোন রাস্তা খুঁজে পাবে না তখন সে ইসলামের সুন্নাত অনুযায়ী বিয়ের মাধ্যমে কাউকে নিজের স্ত্রী বানানোর সন্ধানে বের হবে। সে কোন পতিতাকে বা নষ্ট মহিলাকে কখনই ঘরের স্ত্রী বানাতে রাজী হবে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি তোমার বোনদেরকে বলঃ হে বোন! তুমি কি জান পুরুষেরা কেন তোমার কাছে আসতে চায়? কেন তোমাকে নিয়ে ভাবে? কারণ তুমি খুব সুন্দরী এবং যুবতী। সে তোমার সৌন্দর্য্যরে পাগল। তাই সে তোমার চারপাশে ঘুরে এবং তোমাকে নিয়েই ভাবে। এখন আমার প্রশ্ন হল, তোমার এই যৌবন ও সৌন্দর্য্য কি চিরকাল থাকবে? দুনিয়াতে কোন জিনিস কি চিরস্থায়ী হয়েছে? শিশুর শিশুকাল কি শেষ হয় না? সুন্দরীর সৌন্দর্য্য কি আজীবন থাকে? তোমার বোন যদি বিবাহের মাধ্যমে পরিবার গঠনে আত্মনিয়োগ না করে এবং ইসলামের শত্র“দের ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়ে ইসলামী পারিবারিক জীবনের গণ্ডির বাইরে চলে যেতে চায় তাহলে তাকে প্রশ্ন করঃ হে বোন! তুমি যখন বৃদ্ধ হবে, যখন তোমার পিঠ ও কোমর বাঁকা হবে এবং দেহের সৌন্দর্য্য বিলীন হবে তখন কে তোমার দায়িত্ব নিবে? তোমার পরিচর্যাই বা করবে কে? তা কি তোমার জানা আছে? যারা তার সেবা করবে, তারা হচ্ছে তার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি। আর সে রাণীর মত সিংহাসনে বসে পরিবারের অন্যদেরকে পরিচালনা করবে। এখন তুমি চিন্ত কর, তুমি কি করবে? বিবাহের মাধ্যমে তুমি কি এক নির্মল শান্তির সংসার রচনা করবে? না ব্যভিচারীনী হয়ে স্বল্প সময় উপভোগ করে তোমার ভবিষ্যৎ জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিবে? স্থায়ী সুখের বিনিময়ে অস্থায়ী সুখ ক্রয় করা কি কোন বুদ্ধিমানের কাজ হবে? যুবক বয়সের সামান্য বিলাসিতা কি শেষকালের করুণ পরিণতির সমান হবে? কখনই হবে না। ইউরোপ ভ্রমণকারী এক পর্যকট বলেনঃ আমি বেলজিয়ামের কোন এক শহরের রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েছিলাম। এমন সময় পথচারী পারাপারের জন্য সিগন্যাল খুলে দেয়া হলে দেখলাম একজন বৃদ্ধা রাস্তা পার হতে চাচ্ছে। সে এতই দুর্বল ছিল যে, তার হাত-পা কাঁপছিল। গাড়িগুলো প্রায় তার উপর দিয়ে উঠে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছিল। কেউ তার হাত ধরছিল না। আমার সাথের একজন যুবককে মহিলাটির হাত ধরে সাহায্য করতে বললাম। তখন ৪০ বছর যাবৎ বেলজিয়ামে বসবাসকারী আমার এক বন্ধু বললেনঃ এই মহিলাটি এক সময় এই শহরের অন্যতম সুন্দরী হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত ছিল। পুরুষেরা তার উপর দৃষ্টি ফেলার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হত, তার সংষ্পর্শ পেতে পকেটের অর্থ খরচ করত এবং তার সাথে একবার হলেও করমর্দন করার প্রচেষ্টা করত। এই মহিলাটির যখন যৌবন ও সৌন্দর্য্য চলে গেল, তখন তার হাত ধরে একটু সাহায্য করার জন্য একজন লোকও সে পাচ্ছে না! এ রকম ঘটনা একটি নয়; শত শত পাওয়া যাবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তোমার পথহারা বোনদেরকে এ সব কথা বলে উপদেশ দাও, তাদেরকে মর্মান্তিক করুণ পরিণতির কথা শুনাও। ইউরোপ-আমেরিকার যুবতীদের পথ ধরা থেকে তোমার ঈমানদার বোনদেরকে সতর্ক কর এবং রোগে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই তাদের মধ্যে প্রতিষেধক রোপন কর। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! আমি এ কথা বলছি না যে, তোমার প্রচেষ্টায় মুসলিম রমনীগণ এক লাফে প্রথম যামানার মুসলিম নারীদের মত হয়ে যাবে। এটি অসম্ভব। কারণ বর্তমানে মুসলিম নারীগণ যে অবস্থায় এসে পৌঁছেছে, তা এক লাফে এসে পৌঁছে নি। তারা প্রথমে মাথার চুলের একাংশ খুলেছে, তারপর পুরোটাই। অতঃপর কাপড় ছোট করতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে দীর্ঘ দিনের ব্যবধানে তারা জাতির পুরুষদের গাফিলতির সুযোগে বর্তমানের দুঃখজনক পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। তারা হয়ত কল্পনাও করতে পারে নি যে, বিষয়টি এ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছবে। তুমি যদি ছোট একটি ঘড়ির কাটার দিকে তাকাও তাহলে দেখবে, সেটি নড়ছে না; বরং আপন স্থানেই অবস্থান করছে। তুমি যদি দুই ঘন্টা পর পুনরায় ঘড়ির কাছে ফেরত আস, তাহলে দেখবে ঘড়ির কাটা এখন আগের স্থানে নেই। দেখবে সেটি অনেক অগ্রসর হয়েছে। এমনিভাবে শিশু জন্মগ্রহণ করে একদিনেই যুবক হয়ে যায় না এবং যুবক হয়ে এক লাফে বৃদ্ধে পরিণত হয় না; বরং দিনের পর রাত, রাতের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অতিক্রম করার মাধ্যমে সে বিভিন্ন অবস্থা অতিক্রম করে। এমনিভাবেই জাতির অবস্থা পরিবর্তন হয় এবং ভালো থেকে মন্দ ও মন্দ থেকে ভালোর দিকে ধাবিত হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অশ্লীল পত্রিকা, নিকৃষ্ট ম্যাগাজিন, উলঙ্গ সিনেমা, বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, ইন্টারন্টে, ফাসেক ও পাপিষ্ঠদের প্ররোচনা সর্বোপরি মুসলিম রমনীদেরকে নষ্ট করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ইসলামের শত্র“দের অবিরাম প্রচেষ্টার ফলে বর্তমান মুসলিম নারীদের অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, যা ইসলাম ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করে। টিভি চ্যানেলে দেখা যায় একজন পুরুষ একজন যুবতী মেয়েকে হাত ধরে নাচাচ্ছে, পরস্পর জড়িয়ে ধরছে, গালে গাল ও বুকে বুক লাগাচ্ছে। টিভির পর্দার সামনে কি সেই মহিলার পিতা-মাতা ও যুবক-যুবতী ভাই-বোন থাকে না? এ ধরণের পিতা-মাতা কি তাদের এই নায়িকা মেয়েটিকে চিনতে পারে না? তারা কি মুসলিম নয়? কোন মুসলিম কি তার মেয়েকে এই অবস্থায় দেখতে পছন্দ করতে পারে? এই দৃশ্য কি চোখ খুলে দেখতে পারে? তার মেয়েকে নিয়ে অন্য একজন পুরুষ এভাবে খেলা করবে আর সে তা উপভোগ করবে- এটি কোন মুসলিম কি সমর্থন করতে পারে? ইসলাম তো দূরের কথা, এমনকি খ্রষ্টান ও অগ্নিপূজকদের ধর্মও তা সমর্থন করে না। তাদের ইতিহাস পাঠ করলেই এ কথার প্রমাণ মিলে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ও বেশ কিছু মুসলিম দেশে মুসলিম নারী-পুরুষের চারিত্রিক অবস্থা এই পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে যে, মানুষ তো দূরের কথা; পশুরাও তা গ্রহণ করতে পারে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দু’টি মোরগ যখন একটি মুরগীর নিকটবর্তী হয়, তখন মুরগীটিকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেওয়ার জন্য মোরগ দু’টি পরস্পর ঝগড়া করে এবং একটি অন্যটিকে তাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তুমি দেখবে যে, মিশর, লেবানন ও বাংলাদেশের কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতসমূহে এবং ঢাকার পার্কসমূহে মুসলিম নারীদের অবস্থা খুবই শোচনীয়। তাদের মুখ, মাথা, পেট, পিঠ এমন কি সবই উন্মুক্ত। শুধু তাই নয়; অবস্থা এ পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দু’জন পুরুষ মিলে একজন মহিলাকে ভাগাভাগি করে উপভোগ করছে। এই অবস্থা কি কোন পশু সমর্থন করে? একটি মোরগ কি চায় যে, তার আয়ত্তের মুরগীটির উপর আরেকটি মোরগ এসে আরোহন করুক? &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যভিচার শুধু মানব জাতির কাছেই ঘৃণীত নয়, কিছু কিছু বন্য পশুও এই অপরাধকে ঘৃণা করে। সহীহ বুখারীতে এই মর্মে আমর বিন মায়মুন থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেনঃ “ইয়ামানে থাকাবস্থায় আমি একদা একটি উঁচু স্থানে ছাগল চরাচ্ছিলাম। দেখলাম একটি পুরুষ বানর একটি নারী বানরের হাতের উপর মাথা রেখে শুয়ে আছে। পুরুষ বানরটির চেয়ে কম বয়সের আরেকটি বানর এসে স্ত্রী বানরটিকে খোঁচা মারল। এতে স্ত্রী বানরটি পুরুষ বানরের মাথার নীচ থেকে চুপচাপ হাত বের করে আগত বানরটির পিছে চলতে থাকল। কিছু দূর গিয়ে বানরটি স্ত্রী বানরের সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হল। তারপর স্ত্রী বানরটি ফিরে এসে ধীরে ধীরে তার যুগলের (স্বামীর) গালের নীচে হাত রাখার চেষ্টা করতেই সে পেরেশান হয়ে জেগে উঠল। স্ত্রী বানরটির শরীরের গন্ধ পেয়েই চিৎকার করতে শুরু করল। এতে একদল বানর একত্রিত হল। পুরুষ বানরটি চিৎকার করে হাতের মাধ্যমে স্ত্রী বানরটির দিকে ইঙ্গিত করে ব্যভিচারের কথাটি অপরাপর বানরকে বুঝাতে লাগল। বানরগুলো ডানে বামে খোঁজা-খুঁজি করে অপরাধী বানরটি ধরে নিয়ে আসল। আমর বিন মায়মুন বলেনঃ আমি সেই বানরটিকে চিনে রেখেছিলাম। তারা উভয়ের জন্য গর্ত খনন করলো এবং তারা উভয়কেই রজম করলো। আমর বিন মায়মুন বলেনঃ আমি বনী আদম ছাড়াও অন্যান্য সৃষ্টির মধ্যেও রজম দেখেছি। অন্য বর্ণনায় আমর বিন মায়মুন বলেনঃ বানরগুলোর পাথর মারার দৃশ্য দেখে আমি ধৈর্যধারণ করতে না পেরে আমিও তাদের সাথে পাথর মারলাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুসলিম দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মুসলিম যুবকরা মুসলিম মুসলিম যুবতী মেয়েদের পাশেই মাথা, মুখ ও বুক খুলে বসছে। মুসলিম পিতা-মাতাগণ স্বেচ্ছায় তাদের কন্যাদের জন্য এটিকেই বেছে নিচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! মুসলিম মেয়েদের এই অবস্থা একদিনে পরিবর্তন হবে না। এক লাফে তারা পূর্বেই সেই আসল অবস্থায় ফিরে যাবে না; বরং আমরা সেভাবেই তাদেরকে ধীরে ধীরে পূর্বের অবস্থায় ফেরত নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব, যেভাবে পর্যায়ক্রমে তারা বর্তমানের করুণ ও দুঃখজনক অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। আমাদের সামনে পথ অনেক দীর্ঘ। পথ যদি অনেক দীর্ঘ হয়, আর তার বিকল্প সংক্ষিপ্ত অন্য কোন পথ না থাকলে যে ব্যক্তি পথ দীর্ঘের অভিযোগ করে যাত্রা শুরু করবে না, সে কখনও তার গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে পারবে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি প্রথমে মুসলিম নারীদেরকে পুরুষদের সাথে খোলামেলা উঠা-বসা, চলাফেরা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বেপর্দা হয়ে সহ শিক্ষায় প্রবেশ করতে নিষধ কর। সেই সাথে সহ শিক্ষার খারাপ দিকগুলো তুলে ধর। তুমি তাদেরকে মুখ ঢেকে রাখতে বল। যদিও ফিতনার আশঙ্কা না থাকলে আমি মুখ ঢাকাকে ওয়াজিব মনে করি না। মুখ খুলে রাস্তায় চলার চেয়ে নির্জনে মুখ ঢেকে পুরুষের সাক্ষাৎ করা অধিক বিপদজনক, স্বামীর অনুপস্থিতে তার ঘরে স্বামীর বন্ধুর সামনে বসে গল্প করা, আপ্যায়ন করা আর পাপের দরজা খুলে দেয়া একই কথা। ভার্সিটিতে সহপাঠীর সাথে মুসাফাহা করা অন্যায়, তার সাথে অবিরাম কথা ও টেলিফোন চালিয়ে যাওয়া ক্ষতিকর, এক সাথে বিদ্যালয়ে যাওয়া অনুচিত, বান্ধবীর সাথে গৃহ শিক্ষকের রুমে একত্রিত হওয়া অপরাধ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি এ বিষয়টি ভুলে যেয়ো না যে, আল্লাহ্ তোমাকে নারী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমার সহপাঠীকে বানিয়েছেন পুরুষ। তোমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই এমন উপাদান যুক্ত করা হয়েছে, যার কারণে তোমাদের একে অপরের দিকে ঝুকে পড়ে। সুতরাং তোমাদের কেউই এমন কি পৃথিবীর সকল মানুষ মিলে চেষ্টা করলেও আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন পরিবর্তন আনয়ন করতে সক্ষম নয়। তারা কখনই নারী-পুরুষের ব্যবধান উঠিয়ে দিয়ে উভয়কে সমান করতে পারবে না এবং নারী-পুরুষের পরস্পরের দিকে আকর্ষণকে ঠেকাতে পারবে না। যারা সভ্যতার নামে নারী-পুরুষের মধ্যকার ব্যবধান উঠিয়ে দিতে চায় এবং উভয় শ্রেণীর জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবী জানিয়ে কর্মক্ষেত্রে মিশ্রিত হয়ে যাওয়ার আহবান জানায় তারা মিথ্যুক। কারণ এর মাধ্যমে তারা নিজেদের মনের চাহিদা মেটাতে চায় এবং অন্যের স্ত্রী-কন্যাকে পাশে বসিয়ে নারীদের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে চায়। সেই সাথে আরও কিছু করার সুযোগ পেলে তাও করতে চায়। কিন্তু এ কথাটি এখনও তারা খোলাসা করে বলার সাহস পাচ্ছে না। সুতরাং তারা নারীদের সম অধিকার প্রতিষ্ঠা, সভ্যতা ও উন্নয়নের যে সুর তুলছে তা নিছক সস্তা বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। এ সমস্ত কথার পিছনে তাহাজীব-তামাদ্দুন, সভ্যতা, উন্নতি অর্জন আদৌ তাদের উদ্দেশ্য নয়। তারা যে মিথ্যুক তার আরেকটি কারণ হল, যেই ইউরোপ-আমেরিকাকে তারা নিজেদের আদর্শ মনে করে এবং যাদেরকে তারা সভ্যতা, সংস্কৃতি ও উন্নতির পথ প্রদর্শক মনে করে মূলত তারা প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করতে পারে নি। তারা যেটিকে সভ্যতা ও সংস্কৃতি মনে করছে, তা মূলতঃ সত্য ও সভ্যতা নয়; বরং সেটি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকা থেকে আমদানীকৃত সত্য ও সভ্যতা। তাদের ধারণায় নাচ, গান, বেহায়াপনা, উলঙ্গ অর্ধউলঙ্গ হওয়া, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষায় অংশ নেওয়া, নারীদের খেলার মাঠে নামা এবং সমুদ্র সৈকতে গিয়ে বস্ত্রহীন হয়ে গোসল করাই সভ্যতা ও সংস্কৃতির মানদন্ড। আর প্রাচ্যের দেশ তথা মুসলিমদের মসজিদ, মাদরাসা, মদীনা, দামেস্ক এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ইসলামী প্রতিষ্ঠানে যে উন্নত চরিত্র, সুশিক্ষা, নারী-পুরুষের বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীন পবিত্রতার প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তাদের ধারণায় তা মুসলিমদের পশ্চাদমুখী হওয়ার এবং সভ্যতা ও সংস্কৃতির দিক থেকে পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ঘুরে আসা বা সেখানে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবার নারী-পুরুষের খোলামেলা চলাফেরাতে সন্তুষ্ট নয় এবং এটি তাদেরকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আজ তারা বিকল্পের সন্ধান করছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! ইউরোপ-আমেরিকায় এমন অসংখ্য পিতা-মাতা আছে, যারা তাদের যুবতী মেয়েদেরকে যুবক পরুষদের সাথে চলাফেরা করতে ও মিশতে দেয় না। তারা তাদের সন্তানদেরকে সিনেমায় যেতে দেয় না। শুধু তাই নয়; তারা তাদের ঘরে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনামুক্ত চ্যানেল ব্যতীত অন্য কিছু ঢুকায় না। অথচ পরিতাপের বিষয় হচ্ছে আজ অধিকাংশ মুসলিম দেশের মসুলিমদের ঘর এগুলো থেকে মুক্ত নয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবির কথা হচ্ছে, সহশিক্ষা প্রবল যৌন আকাঙ্খাকে দমন করে, চরিত্র সংশোধন করে এবং দেহ থেকে বাড়তি যৌন চাহিদাকে দূর করে দেয়। আমি তাদের জবাবে বলতে চাই যে, আপনারা কি রাশিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখেন না? যেই রাশিয়া কোন ধর্মে বিশ্বাস করে না, কোন পাদ্রীর উপদেশে কর্ণপাত করে না, তারা কি সহশিক্ষা ও নারী-পুরুষের সহ অবস্থানের খারাপ পরিণামের শিকার হয়ে তা থেকে ফেরত আসার ঘোষণা দেয় নি? &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমেরিকার প্রসঙ্গে আসি। পত্র-পত্রিকার রিপোর্টে প্রকাশ হচ্ছে যে, অবিবাহিত ছাত্রীদের মধ্যে গর্ভবতীর সংখ্যা সেখানে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি তাদের অন্যতম একটি বিরাট সমস্যা। আপনারা কি মুসলিম দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এমন সমস্যা দেখতে চান? বর্তমান সময়ে আমেরিকা এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য যৌন সচেতনতা বা সেক্স শিক্ষা নামে একটি বিষয় সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত করে তা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পাঠ দান করছে। আমি মনে করি এর মাধ্যমে তারা আগুনের মধ্যে পেট্রোল ঢালছে। অল্প বয়স্ক নির্দোষ বালিকার মধ্যে লুকায়িত যৌন স্পৃহাকেই তারা জাগিয়ে তুলছে। স্কুল পর্যায়ের ছাত্রীদেরকে তারা কন্ডম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এবং একজন পুরুষ নির্জনে একজন মহিলার সাথে কি করে তারা উঠতি বয়সের বালিকাদেরকে তাও শিক্ষা দিচ্ছে। আমাদের মধ্যে বসবাসকারী এক ধরণের মানুষ নামধারী শয়তান আমাদেরকেও তাদের কর্মকান্ডের অনুসরণ করার আহবান জানাচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! আমি এ কথা বলছি না যে, যুবকেরা তোমার কথা অবনত মস্তকে মেনে নিবে। আমি জানি তারা তোমার কথা প্রত্যাখ্যান করবে এবং তোমাকে বোকা বলবে। কারণ তারা মনে করবে যে, তুমি তাদেরকে যৌবনের স্বাদ উপভোগ করতে বাধা দিচ্ছ এবং তাদেরকে ভোগের সমুদ্রে সাঁতার কাটতে মানা করছ। সুতরাং তুমি যুবকদেরকে এটা বলতে যাবে না; বরং তুমি উপদেশ দিবে তোমার মুমিন-মুসলিম বোনদেরকে, মেয়েদেরকে। সতর্ক করবে আমার স্নেহের কন্যাদেরকে। কেননা ইবলীসের ফাঁদে পড়ে তোমার বোনেরাই পথভ্রষ্ট হয় এবং তারাই ভিকটিমে পরিণত হয়। সুতরাং তোমাদের কেউ যেন এমন কাজে অগ্রসর না হয়, যার পরিণাম শুভ হয় না। যারা নারীর স্বাধীনতার গান গায়, তাদের উন্নয়নের কথা বলে, তাদেরকে সহশিক্ষা ও পর্দাহীন মেলামেশার আহবান জানায় তোমরা তাদের কথায় কর্ণপাত করো না। কারণ এ সমস্ত শয়তানদের অধিকাংশের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার নেই। তারা কেবল তোমাদেরকে উপভোগ করতে চায়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! তুমি তোমার বোনদেরকে বলঃ আমি তোমাদেরকে যে উপদেশ দিচ্ছি, তার বিনিময়ে আমি কিছুই চাই না। শুধু তোমাদেরকে অধঃপতনের হাত থেকে রক্ষা করতে চাই, তোমাদের কল্যাণ চাই, পবিত্র জীবনের সন্ধান দিতে এবং আমি নিজের জন্য যা ভালবাসি, তোমাদের জন্যও তাই কামনা করি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হে আমার মেয়ে! এদের কবলে পড়ে কোন নারী যদি তার অমূল্য সম্পদ হারায়, তার মর্যাদা নষ্ট হয় এবং সম্ভ্রম ও সতীত্ব চলে যায়, তাহলে তার হারানো সম্মান দুনিয়ার কেউ পুনরায় ফেরত দিতে পারবে না। কোন নারী যদি স্বীয় ইজ্জত হারা হয়ে সমাজ থেকে ছিটকে পড়ে কেউ তার হাত ধরবে না এবং তার দিকে সাহায্যের হাত প্রসারিত করবে না। অথচ যত দিন সেই নারীর শরীরে যৌবন অবশিষ্ট ছিল ততদিন পাপিষ্ঠরা তার সৌন্দর্য্যরে চারপাশে ঘুর ঘুর করেছে এবং তার প্রশংসা করেছে। যৌবন চলে যাওয়ার সাথে সাথেই কুকুর যেমন মৃত জন্তুর মাংশ ভক্ষণ করে হাড্ডীগুলো ফেলে রেখে চলে যায় ঠিক তেমনি তারা তাকে রেখে দূরে চলে যায়। হে আমার মেয়ে! এই ছিল তোমার প্রতি আমার সংক্ষিপ্ত উপদেশ। তোমাকে যা বললাম, তাই সত্য। এটি ছাড়া কেউ যদি তোমাকে অন্য কথা বলে, তুমি তা বিশ্বাস করো না। জেনে রেখো! তোমার হাতেই তোমাদের ও পুরুষদের সংশোধনের চাবিকাঠি; আমাদের হাতে নয়। তুমি চাইলে নিজেকে, তোমার বোনদেরকে এবং সমগ্র জাতিকে সংশোধন করতে পার। তোমার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমার পিতা, ৮ / ৬ / ১৪৩৩ হিজরী&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-2201774722947549324</guid>
         <pubDate>Mon, 03 Dec 2012 20:58:00 +0000</pubDate>
      </item>
      <item>
         <title>A woman's du'a for her future husband</title>
         <link>http://blog.ashik.info/2012/04/womans-dua-for-her-future-husband.html</link>
         <description>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align:left;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear:both;text-align:center;&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; href=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-WDQ0zDov1Aw/T4r0kw26P9I/AAAAAAAAH6Y/Rq23MOzaBQA/s1600/Muslim-woman-praying-REUTERS-640x480.jpg&quot; style=&quot;margin-left:1em;margin-right:1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;300&quot; src=&quot;http://1.bp.blogspot.com/-WDQ0zDov1Aw/T4r0kw26P9I/AAAAAAAAH6Y/Rq23MOzaBQA/s400/Muslim-woman-praying-REUTERS-640x480.jpg&quot; width=&quot;400&quot;/&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;O Allah! Please grant me the one&lt;br /&gt;Who will be the garment for my soul&lt;br /&gt;Who will satisfy half of my deen&lt;br /&gt;And in doing so make me whole&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Make him righteous and on your path&lt;br /&gt;In all he'll do and say&lt;br /&gt;And sprinkle water on me at Fajr&lt;br /&gt;Reminding me to pray&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;May he earn from halal sources&lt;br /&gt;And spend within his means&lt;br /&gt;May he seek Allah's guidance always&lt;br /&gt;To fulfill all his dreams&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;May he always refer to Qur'an&lt;br /&gt;and the Sunnah as his moral guide&lt;br /&gt;May he thank and appreciate Allah&lt;br /&gt;For the woman at his side&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;May he be conscious of his anger&lt;br /&gt;And often fast and pray&lt;br /&gt;Be charitable and sensitive&lt;br /&gt;In every possible way&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;May he honor and protect me&lt;br /&gt;And guide me in this life&lt;br /&gt;And please Allah! Make me worthy&lt;br /&gt;to be his loving wife&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;And finally, O Allah!&lt;br /&gt;Make him abundant in love and laughter&lt;br /&gt;In taqwa and sincerity&lt;br /&gt;In striving for the hereafter!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;May Allah grant all the Muslim sisters with such husbands...&lt;br /&gt;Ameen ya rab! :)&amp;nbsp;&lt;/div&gt;</description>
         <author>Ashik Iqbal</author>
         <guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-6423143862381631539.post-799348700493068864</guid>
         <pubDate>Sun, 15 Apr 2012 22:18:00 +0000</pubDate>
         <media:thumbnail height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-WDQ0zDov1Aw/T4r0kw26P9I/AAAAAAAAH6Y/Rq23MOzaBQA/s72-c/Muslim-woman-praying-REUTERS-640x480.jpg" width="72" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"/>
      </item>
   </channel>
</rss>
<!-- fe6.yql.bf1.yahoo.com compressed/chunked Thu Oct  1 23:23:06 UTC 2015 -->
