<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361</id><updated>2020-02-08T01:48:07.141-08:00</updated><category term="Ali"/><title type='text'>মানবতার মুক্তির ইস্টিশন </title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default?start-index=26&amp;max-results=25'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>106</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-7518528868151245147</id><published>2020-01-19T12:27:00.000-08:00</published><updated>2020-01-19T12:27:00.804-08:00</updated><title type='text'> ধর্মকে সমুন্নত রাখতে এইসব বাটপারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। হতে হবে</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;এদের থামাবে কে? ধর্মকে বালখিল্য উপস্থাপন করার যেই অসুস্থ রেওয়াজ উনারা শুরু করেছেন তাদের রাশ টানবে কারা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশের জনপ্রিয় আলেম আযহারীর বক্তব্য অনুযায়ী কেওতো নিজেকে আল্লামা দাবী করতে পারেন না। আল্লামা হলেন আল্লাহ, মানুষ নিজে নিজেই আল্লামা ইউজ করে। সেই একই আযহারী পরের ওয়াজেই আহবান জানান, &quot;ঘরে ঘরে আল্লামা সাইদী দাও।&quot; - কি অদ্ভত সেল্ফ কনট্রাডিকশান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজন ইসলামী স্কলার দুনিয়ার সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানীদের ব্যাপারে বলছেন, আইনস্টাইন বাটপার, নিউটন আরো বড়ো বাটপারের নাম। ঠিক উনিই আবার মসজিদে দাড়িয়ে অন্য বক্তব্যে বলছেন নিউটনকে নিয়ে। আইজ্যাক নিউটন আমাদেরিই ছাত্র, মুসলিম বিজ্ঞানীদেরই ছাত্র। উনার আসল নাম ইসহাক নিউটন! কি অদ্ভুত বৈপরীত্য, এক ওয়াজে নিউটন ইহুদী নাসারা বাটপার, আরেক ওয়াজে উনি ইসহাক নিউটন, ইসলামের সৈনিক!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইডসের জীবানু গোল গোল, পাথর মেরে হত্যা করার নিয়ম যেহেতু জেনা কারিদের ঠিক সে কারনেই এইডসের জীবানু পাথরের মতো গোল গোল। আবার টাইটানিকের ডুবে যাওয়া রহস্য নিয়ে দারুন কনফিডেন্সের সাথে উনারা মনগড়া ব্যাক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আরেক স্কলার অষ্টম মহাদেশে হিটলারের তার দুই মিলিয়ন লোক নিয়ে লুকিয়ে থাকার গল্প শোনালেন! সেই মহাদেশে যেতে হয় এন্টারকটিক মহাদেশ দিয়ে, এর রাজধানীর নাম আম্বালা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আযহারীর গুরু আরেক ইসলামী স্কলারের নাম তারেক মনোয়ার। উনার বক্তব্য রিতীমত প্যাথলজিক্যাল লাই। এক বয়ানে উনি বলেন, &quot;দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো পয়সা আলা বিল গ্রেড (গেটস), আইফোনের মালিক। দেখা হয়েছিলো আমার সাথে, আমার কাছে মনে হয়েছে টিকটিকি।&quot; এই বক্তব্যের মিথ্যাগুলো নিম্নরুপ -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। বিল গেটস সবচেয়ে পয়সা আলা না&lt;br /&gt;২। উনি আইফোনের মালিক না।&lt;br /&gt;৩। বিল গেটসের সাথে তার দেখা হয়নি&lt;br /&gt;৪। টিকটিকি বলাটা কতোটা ইসলামসম্মত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারেক মনোয়ারের আরেক দাবী, উনি দারুন প্লেয়ার ছিলেন। ঢাকায় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। ১৯৯০ এ ইংল্যান্ড লীগে উনি ফুটবল খেলেছেন এবং অনেক পয়সা দিয়ে উনাকে নিয়ে যেতো খেলার জন্য। - এর পুরোটাই মিথ্যা মিথ্যা এবং মিথ্যা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারেক মনোয়ার কতো বড়ো মিথ্যাবাদী সেটি বোঝা যায় অক্সফোর্ড নিয়ে তার বক্তব্য নিয়ে। উনি তিনবার অক্সফোর্ডের শ্রেষ্ট টিচার ছিলেন! হুট করে বলে ফেললেন মজলিশে, কেও নাকি জানেনা। উনার পরিবারও জানে না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;NASA নিয়ে মনোয়ারের বক্তব্য রীতিমতো প্রলাপ, &quot;নাসা বলেছে ৭৫ বছরের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। সুর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হতে পারে। আই হ্যাভ ভিজিটেড সো ম্যানি টাইমস ইন নাসা। অনেকবার নাসাতে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে।&quot; - কি ভয়ংকর প্যাথলজিক্যাল মিথ্যাবাদী! উনি কোথায় কবে কিভাবে নাসাতে গেছেন সেই প্রমান দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব না। নাসা কবে এসব বলেছে সেই প্রমান চাওয়া অর্থহীন।&amp;nbsp; মিথ্যারো সীমা পরিসীমা থাকা উচিৎ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুর্য পশ্চিম দিকে উঠবে এই বিশ্বাস আপ্নি রাখতেই পারেন। আমি শ্রদ্ধা করি আপ্নার এই বিশ্বাসকে। কিন্তু আপ্নার এই বিশ্বাসকে আপ্নি যখোন নাসা&#39;র মিথ্যা রেফারেন্স দিয়ে স্টাবলিশ করবেন তখোনি আপ্নি বাটপার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মকে সমুন্নত রাখতে এইসব বাটপারদের বিরুদ্ধে সোচ্চারএদের থামাবে কে? ধর্মকে বালখিল্য উপস্থাপন করার যেই অসুস্থ রেওয়াজ উনারা শুরু করেছেন তাদের রাশ টানবে কারা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশের জনপ্রিয় আলেম আযহারীর বক্তব্য অনুযায়ী কেওতো নিজেকে আল্লামা দাবী করতে পারেন না। আল্লামা হলেন আল্লাহ, মানুষ নিজে নিজেই আল্লামা ইউজ করে। সেই একই আযহারী পরের ওয়াজেই আহবান জানান, &quot;ঘরে ঘরে আল্লামা সাইদী দাও।&quot; - কি অদ্ভত সেল্ফ কনট্রাডিকশান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজন ইসলামী স্কলার দুনিয়ার সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানীদের ব্যাপারে বলছেন, আইনস্টাইন বাটপার, নিউটন আরো বড়ো বাটপারের নাম। ঠিক উনিই আবার মসজিদে দাড়িয়ে অন্য বক্তব্যে বলছেন নিউটনকে নিয়ে। আইজ্যাক নিউটন আমাদেরিই ছাত্র, মুসলিম বিজ্ঞানীদেরই ছাত্র। উনার আসল নাম ইসহাক নিউটন! কি অদ্ভুত বৈপরীত্য, এক ওয়াজে নিউটন ইহুদী নাসারা বাটপার, আরেক ওয়াজে উনি ইসহাক নিউটন, ইসলামের সৈনিক!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইডসের জীবানু গোল গোল, পাথর মেরে হত্যা করার নিয়ম যেহেতু জেনা কারিদের ঠিক সে কারনেই এইডসের জীবানু পাথরের মতো গোল গোল। আবার টাইটানিকের ডুবে যাওয়া রহস্য নিয়ে দারুন কনফিডেন্সের সাথে উনারা মনগড়া ব্যাক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আরেক স্কলার অষ্টম মহাদেশে হিটলারের তার দুই মিলিয়ন লোক নিয়ে লুকিয়ে থাকার গল্প শোনালেন! সেই মহাদেশে যেতে হয় এন্টারকটিক মহাদেশ দিয়ে, এর রাজধানীর নাম আম্বালা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আযহারীর গুরু আরেক ইসলামী স্কলারের নাম তারেক মনোয়ার। উনার বক্তব্য রিতীমত প্যাথলজিক্যাল লাই। এক বয়ানে উনি বলেন, &quot;দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো পয়সা আলা বিল গ্রেড (গেটস), আইফোনের মালিক। দেখা হয়েছিলো আমার সাথে, আমার কাছে মনে হয়েছে টিকটিকি।&quot; এই বক্তব্যের মিথ্যাগুলো নিম্নরুপ -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। বিল গেটস সবচেয়ে পয়সা আলা না&lt;br /&gt;২। উনি আইফোনের মালিক না।&lt;br /&gt;৩। বিল গেটসের সাথে তার দেখা হয়নি&lt;br /&gt;৪। টিকটিকি বলাটা কতোটা ইসলামসম্মত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারেক মনোয়ারের আরেক দাবী, উনি দারুন প্লেয়ার ছিলেন। ঢাকায় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। ১৯৯০ এ ইংল্যান্ড লীগে উনি ফুটবল খেলেছেন এবং অনেক পয়সা দিয়ে উনাকে নিয়ে যেতো খেলার জন্য। - এর পুরোটাই মিথ্যা মিথ্যা এবং মিথ্যা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারেক মনোয়ার কতো বড়ো মিথ্যাবাদী সেটি বোঝা যায় অক্সফোর্ড নিয়ে তার বক্তব্য নিয়ে। উনি তিনবার অক্সফোর্ডের শ্রেষ্ট টিচার ছিলেন! হুট করে বলে ফেললেন মজলিশে, কেও নাকি জানেনা। উনার পরিবারও জানে না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;NASA নিয়ে মনোয়ারের বক্তব্য রীতিমতো প্রলাপ, &quot;নাসা বলেছে ৭৫ বছরের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। সুর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হতে পারে। আই হ্যাভ ভিজিটেড সো ম্যানি টাইমস ইন নাসা। অনেকবার নাসাতে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে।&quot; - কি ভয়ংকর প্যাথলজিক্যাল মিথ্যাবাদী! উনি কোথায় কবে কিভাবে নাসাতে গেছেন সেই প্রমান দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব না। নাসা কবে এসব বলেছে সেই প্রমান চাওয়া অর্থহীন।&amp;nbsp; মিথ্যারো সীমা পরিসীমা থাকা উচিৎ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুর্য পশ্চিম দিকে উঠবে এই বিশ্বাস আপ্নি রাখতেই পারেন। আমি শ্রদ্ধা করি আপ্নার এই বিশ্বাসকে। কিন্তু আপ্নার এই বিশ্বাসকে আপ্নি যখোন নাসা&#39;র মিথ্যা রেফারেন্স দিয়ে স্টাবলিশ করবেন তখোনি আপ্নি বাটপার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মকে সমুন্নত রাখতে এইসব বাটপারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। হতে হবে&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-V-QLzTXWZG4/XiS7bsB1iPI/AAAAAAAAEW8/3a8TBfeZmdYOtxGM2jD5b0I8_pMf9k7TgCLcBGAsYHQ/s1600/Screenshot_20200119-212556_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;586&quot; data-original-width=&quot;1025&quot; height=&quot;363&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-V-QLzTXWZG4/XiS7bsB1iPI/AAAAAAAAEW8/3a8TBfeZmdYOtxGM2jD5b0I8_pMf9k7TgCLcBGAsYHQ/s640/Screenshot_20200119-212556_Facebook.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/7518528868151245147/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2020/01/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7518528868151245147'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7518528868151245147'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2020/01/blog-post.html' title=' ধর্মকে সমুন্নত রাখতে এইসব বাটপারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। হতে হবে'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-V-QLzTXWZG4/XiS7bsB1iPI/AAAAAAAAEW8/3a8TBfeZmdYOtxGM2jD5b0I8_pMf9k7TgCLcBGAsYHQ/s72-c/Screenshot_20200119-212556_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-2607489954059350431</id><published>2019-11-29T23:00:00.000-08:00</published><updated>2019-11-29T23:00:18.998-08:00</updated><title type='text'>‘সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;‘সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি আরব থেকে ধর্ষণসহ নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এবছর ৯০০ জনের মতো বাংলাদেশী নারী গৃহকর্মী দেশে ফেরত এসেছেন। বেড়েছে নারী শ্রমিকদের মৃতদেহ দেশে আসার সংখ্যাও। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বলা হয় স্ট্রোক বা আত্মহত্যা তাদের মৃত্যুর কারণ। কিন্তু প্রবাসী শ্রমিকদের লাশ দেশে আসার পর ময়নাতদন্তের যেমন কোন সরকারি উদ্যোগ থাকেনা, তেমনি পরিবারগুলোর মনে মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, থাকেনা প্রয়োজনীয় অর্থ। অনেক সময় মৃত্যুর পর লাশ দেশে আসতেই লেগে যায় ৫-৬ মাস। আর ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক নয় জানলেই বা কী প্রতিকার! তাই, আমাদের ২৫-৪০ এর নারী পুরুষ অভিবাসীরা হরহামেশাই মরে ফেরেন আর কেউ জানতে চাননা ঠিক কেন এই বয়সী নারী পুরুষের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে কাজে গেলেই স্ট্রোকের হিড়িক পড়ে যায়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৯ থেকে ২০১৪ এই পাঁচ বছর বাংলাদেশের প্রধান শ্রম বাজার সৌদি আরবে কর্মী পাঠানো বন্ধ থাকার পর ২০১৫ সালে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর শর্তে পুরুষ শ্রমিকের বাজার খোলে। সৌদি আরবে গৃহকর্মীর বিপুল চাহিদা। কিন্তু ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়ার মত যে দেশগুলো অদক্ষ ক্যাটাগরির এই গৃহ শ্রমিকদের সৌদিতে পাঠাতো, সে দেশগুলো সেসময় থেকেই সৌদি সমাজে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে গেলে অল্প বেতনে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি এবং শারিরীক- মানসিক নির্যাতনের ব্যাপক অভিযোগ সম্পর্কে কথা তুলে সৌদি সরকারকে নানা শর্ত দিতে শুরু করে। গার্মেন্টসে যেমন, জনশক্তি রপ্তানি খাতেও আমাদের মূল বিক্রয়যোগ্যতা বা ইউনিক সেলিং পয়েন্ট (ইউএসপি) কিন্তু সেই এক, সবচেয়ে কম দাম, এবং অনেক অনেক যোগান দেওয়ার ক্ষমতা। কাজেই, সৌদি সরকারের সেই প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারের গ্রহণ না করার কোন কারণ ছিলনা। ২০১৫ সালের সেই চুক্তির পর চার বছরে প্রায় তিন লাখ নারী গৃহকর্মী সৌদি আরবে গেছে। একদম প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে দালাল দিয়ে ধরে এনে, দুয়েকদিনের টুকটাক প্রশিক্ষণ দিয়ে অপরিচিত ভাষা, সংস্কৃতি, খাবারের দেশের বাড়িগুলোতে জনশক্তি রপ্তানিকারকেরা পাঠিয়ে দিচ্ছেন নারীদের। এই নারীরা কোনদিন মরুর দেশের ছবিও দেখেন নাই, জানেননা ঐ দেশে চাইলেই নারী ঘর থেকে বের হতে পারেননা, জানেননা বাংলা ভাষায় সুখ দুঃখের কথা বলার আরেকটা মানুষের দেখা যে মিলবেনা ঐ মুলুকের বাড়িতে, খেতে হবে রুটি, মিলবেনা ভাত। বাঙ্গালীর জান শক্ত! মরুর দেশের তীব্র গরমে শরীর পুড়িয়ে কাজ করে বাঙ্গালী পুরুষ শ্রমিকরা যেমন চারজন থাকার ঘরে ৪০ জন চিতকাত হয়ে শুয়ে কোনরকমে টিঁকে যান, সৌদি যাওয়া তিন লাখ নারীর মধ্যে তেমনি সরকারি হিসেবে ফিরেছেন আট হাজারের মতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেরত আসার সংখ্যাটা বেশি নয় বলে সরকারি কর্মকর্তারা যুক্তি দেওয়ায় অনেকে খুব খেপে গিয়ে বাংলাদেশের নারীর ‘সম্ভ্রমের’ বিনিময়ে এই রেমিট্যান্স চাইনা, নারীর সৌদি যাত্রা বন্ধ হোক -এসব বলতে শুরু করেছেন। আপাত দৃষ্টিতে আমাদেরকে ‘সম্ভ্রমে’র বিষয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে মনে হয়। কিন্তু, আমি ভাবি, আমরা কী সত্যি বুঝতে পারিনা, যে দেশের ভেতর আমাদের এই লাখ লাখ নারী পুরুষের জন্যে সম্মানের সাথে কাজ করে বেঁচে থাকার সুযোগ আসলেই এখনো সৃষ্টি করা যায়নি? এও নিশ্চয়ই আমরা জানি যে, বাংলাদেশ থেকেই সারা পৃথিবীতে এখনো সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অদক্ষ শ্রমিক যায়? ১৭ কোটির দেশ, প্রতি বছর ২২ লাখ কর্মক্ষম মানুষ তৈরি করে। সরকারি হিসেবেই বলছে, দেশে ১ কোটির বেশি ছদ্মবেকার আর ২১ লাখ কর্মক্ষম মানুষ সপ্তাহে এক ঘন্টার কাজও পাননা। আবার প্রতি বছর দেশে যে সাড়ে ৯ লাখের মত কাজ সৃষ্টি হয়, তার সঙ্গে সবসময় দেশের বেকারদের দক্ষতা মেলেনা। তাহলে এদের নিয়ে কী করে বাংলাদেশ? বাংলাদেশ বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। কিন্তু গত দশ বছর ধরে অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর জায়গা কিন্তু কমতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা, অনেক দেশে যুদ্ধ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দরজা বন্ধ সেই ২০১৩ সাল থেকে। ‘টাকা চাই, দুবাই যামু’র দিন শেষ। এই অবস্থায় খোলা আছে একটা মাত্র দরজা, সেটা সৌদি আরবের। এ বছরেও, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই গেছেন প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার জন। অর্থাৎ, এ বছর বিদেশ যাওয়াদের ৫৭ শতাংশের বেশি গেছেন ঐ এক দেশেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০১৮ সালে আড়াই লাখের বেশি শ্রমিক গিয়েছিলেন সৌদিতে আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রায় দুই লাখ মালয়েশিয়ায়। বাংলাদেশ আর মালয়েশিয়ার ভেতরের সিন্ডিকেট দুর্নীতিতে এবার এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ৪০০ লোকও পাঠানো যায়নি। হাইকোর্টের তাগাদার পরেও সেই দুর্নীতির তদন্তের কূলকিনারাতে কারো আগ্রহ নাই। ২০১৮ সালেও এই প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্সের পয়সায় দেশের রিজার্ভ আরো শক্তিশালী হয়েছে। দেশের অর্থনীতির এই উন্নতিতে আমাদের মত সুবিধাশালী গোষ্ঠীর সরকারি বেসরকারি খাতে সৎ রোজগারও গত এক দেড় দশকে দ্বিগুণ তিনগুণ হয়ে এ দেশে মধ্যবিত্তের সংখ্যা ফুলে ফেঁপে উঠেছে। আমাদের অনেকেই তাই মনে করছেন, আজই ঘোষণা আসা দরকার আমরা আর নারীদের কাজে পাঠাবোনা। আমাদের আঁতে ঘা লাগছে, সৌদি বাড়িতে আমাদের নারীর সঙ্গে এমন আচরণে। কিন্তু, তার আগে অনেক বেশি প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন কী কাজ, কী সম্মানের ব্যবস্থা আমরা দেশে রেখেছি এই জনগোষ্ঠীর জন্যে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের পুরুষ কর্মীরা তো বহু দশক হল মিসকিন ডাক শুনে, মিসকিনের মত ব্যবহার পেয়েই কাজ করছেন মধ্যপ্রাচ্যে! এর মধ্যে আবার এ বছরের শুরু থেকে পুরুষ শ্রমিকদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার কাফেলা দীর্ঘতর হচ্ছে। ‘স্ট্রোকে’ মরে দেশে ফিরলে তবু সরকারি বেসরকারি তালিকায় ঠাঁই পাওয়া যায়, কিন্তু, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করে বিদেশে যেয়ে কপর্দকশূন্য অবস্থায় বিরাট ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে যারা আধাপাগল হয়ে দেশে ফিরছেন তাদের জন্যে কিন্তু কোন তালিকা নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইন্টারনেট, বিদেশ যাত্রার সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক টেলিভিশন দর্শন এমন নানা কিছুর কারণে আমাদের হয়তো আজকাল নিজেদের বিশ্ব নাগরিক কিংবা ইউরোপ- আমেরিকার বাসিন্দা মনে হয়। আমাদের এক মন্ত্রী মহোদয় সম্প্রতি বলেছেন ঢাকাকে ‘প্যারিস’ মনে হয় তাঁর। ভ্রম হতেই পারে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশের বাসিন্দা। আরো স্পষ্ট করে বললে, আপনি সবচেয়ে বড় অদক্ষ জনশক্তির দেশের বাসিন্দা। কাজেই আজ গোমর দেখিয়ে বিদেশ যাওয়ার দরকার নেই বলে, দরজা বন্ধ করে এই নিরুপায় মানুষের স্রোত আটকে দিলে তারা ভাতের চিন্তায়, ভবিষ্যত চিন্তায় ফ্রিজে করে, ভেলায় ভেসে মহাদেশ, সাগর পাড়ি দিয়ে ভাগ্যান্বেষণে রওনা হবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি পরিবারে আমাদের মেয়েরা গেলেই বাবা পুত্রের সম্মিলিত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে এ ধরণের ঢালাও মন্তব্যকে আমি ক্ষতিকর বলে মনে করি। এই যে সৌদি সমাজের বিষয়ে আমাদের একরকম অবজ্ঞা, আমাদের উচ্চতর মানসিক-সামাজিক অবস্থান নিয়ে আমাদের গৌরব, সেটা একটু ভেঙ্গে দেওয়া জরুরি বলে আমার বোধ হয়। আমি বুঝি, আমরা কেন নিজেদের অগ্রসর ভাবি। প্রায় অর্ধশতক আগে, স্বাধীনতা লাভের পরেই আমরা যে সংবিধান নিয়েছিলাম তাতে লিখেছি, লিঙ্গ, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এই মাটিতে সমান অধিকার পাবে। বাংলায় আমরা মেয়েরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আবহমানকালের সংগ্রামে- সংসারে থেকেছি। আর সৌদি সমাজে ২০১৫ সালে মেয়েরা প্রথম ভোট দিতে পেরেছে আর ২০১৭ সালে প্রথম গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছে। এখন আমার প্রশ্ন, আমাদের এই ‘অগ্রসর’ সমাজে ৮ বছর বয়সে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক প্রকৌশলীর বাড়িতে কাজে আসা জান্নাতি নামের শিশু মেয়েটিকে যখন পিটিয়ে মারা হল এই অক্টোবরের শেষে, ওর ১২ বছর বয়সে, তখন ময়নাতদন্তে ধর্ষণের প্রমাণও মিলল কেন? ঐ বাড়িতে প্রকৌশলী বাবা ছাড়াও তার ক্লাস সেভেনে পড়া কিশোর পুত্র ছিল। আমি জানতে চাই, আপনার কী মনে হয়? জান্নাতিকে পিটিয়ে মারার দায়ে যেই গৃহকর্ত্রী একা ধরা পড়েছেন পুলিশের কাছে, যার স্বামী পলাতক, তিনি কেন এখনো ধর্ষণের কথা শিকার করছেননা? তার বাড়িতে ঠিক কী ঘটছিল? ঐ বাড়িতে কে বা কারা ধর্ষণ করছিল সেই বিষয়টি নিয়ে আলাপ না করলে শিশু মেয়েটিকে পিটিয়ে মারার পেছনের বিষাক্ত ক্ষমতা কাঠামোর মূলে কী পৌঁছানো যাবে? নাকি বোঝা যাবে এই সমাজের একটি সাধারণ শিক্ষিত পরিবারের ভেতরকার অত্যাচারী মানস? পত্রিকার পাতা ঘাঁটলে দেখবেন, গত কয়েকবছরে সেসব বাড়ির গৃহকর্মীর মৃত্যুর খবরই মনোযোগ পেয়েছে যেগুলোতে গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রী কোন পরিচিত সরকারি বেসরকারি সংস্থায় বড় পদে কাজ করেন। এসবের মধ্যে একটি বিরাট সংখ্যকের বাড়িতে কাজ করতে থাকা ৮-১৪ বছরের মেয়েগুলো ধর্ষণের শিকার হয়েছিল বলে পরবর্তী ময়নাতদন্তে বেরিয়ে আসার পরেও কখনো রিকশাওয়ালা, কখনো গ্রামের ভূমিহীন, কখনো অসুখে শয্যাশায়ী বাবা মা মামলাও করেননি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এসব ‘বিশিষ্ট’ পরিবারের বাইরের গৃহকর্মী হত্যা- ধর্ষণের খবর পত্রিকার পাতায় জায়গাও করতে পারছেনা। এমন সমাজ বাস্তবতায় সৌদিতে কাজ করা মেয়েদের জন্যে কান্নায় আমি তো কোন সার খুঁজে পাইনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি আরবের অত্যাচারে আপনার হৃদয় বিদীর্ণ অথচ, আপনি কী করেন যখন, পাশের বাসার ৯-১০ বছর বয়সী কাজের মেয়েটা প্রায়ই মার খেয়ে চিৎকার করে কাঁদে, তারপর গোঙ্গায়, তারপর একদম চুপ মেরে যায়? বা তখন আপনি কী করেন, যখন পাশের বাসার ভাবীর গালে, হাতে প্রায়ই দাগ দেখেন, আর উনি নানারকম ব্যথা পাওয়ার গল্প ফাঁদেন? সরকারী জরিপ বলে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশের বেশি বিবাহিত নারী নির্যাতনের শিকার হন। আর মেয়েরা নির্যাতনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় জায়গা বলে মনে করে স্বামীর বাড়িকেই! স্বামীর বাড়ির নামই না আমরা সংসার দিয়েছিলাম! আর যে শিশু কাজে যায়না, বাড়িতেই থাকে, সেই কী নিরাপদ থাকে এই সমাজে? শতকরা ৭৫ ভাগ যৌন হয়রানির ঘটনাই ঘটে পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু বা আত্মীয়দের মাধ্যমে৷&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি সমাজ নিয়ে আলোচনার আগে আসুন আমরা নিজেদের দিকে তাকাই। আমাদের ঘরের ভেতরে ক্ষমতার কোন খেলা, নির্যাতনের কোন চর্চা আর দুর্বল সবলের কোন সমীকরণ চলে সেসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে আজ ঘুমাতে যাই। আপনার আমার ঘরের ভেতরে কিন্তু ছাত্রলীগ নাই, সৌদি রাষ্ট্রের মত মধ্যযুগীয় সংবিধান নাই, মন্ত্রী এমপি নাই, নাই কোন ক্যসিনোবাজ। নাহ, আমার মনে হয় সেভাবে ভেবে দেখার, বুঝে দেখার সাহস থাকলে আজ বোধহয় আমাদের অনেকের ঘুমই হবেনা। না হওয়াই বোধহয় উচিত। ‘দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি, সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি’!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;কপি পোস্ট নবনীতা চৌ:&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-2pa4N0xX7eg/XeITTeFiX6I/AAAAAAAAEVM/mlI3MLdP-8YXSvxagM7UJouH-fV2ZK1gwCLcBGAsYHQ/s1600/FB_IMG_1575096085279.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1527&quot; data-original-width=&quot;1080&quot; height=&quot;640&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-2pa4N0xX7eg/XeITTeFiX6I/AAAAAAAAEVM/mlI3MLdP-8YXSvxagM7UJouH-fV2ZK1gwCLcBGAsYHQ/s640/FB_IMG_1575096085279.jpg&quot; width=&quot;452&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/2607489954059350431/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post_29.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2607489954059350431'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2607489954059350431'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post_29.html' title='‘সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-2pa4N0xX7eg/XeITTeFiX6I/AAAAAAAAEVM/mlI3MLdP-8YXSvxagM7UJouH-fV2ZK1gwCLcBGAsYHQ/s72-c/FB_IMG_1575096085279.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-4651216931869551252</id><published>2019-11-25T10:24:00.002-08:00</published><updated>2019-11-25T10:24:47.820-08:00</updated><title type='text'>মানুষ যদি বানর থেকে আসে তাহলে  এখন </title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;প্রশ্ন:&amp;nbsp; মানুষ যদি বানর থেকে আসে তাহলে&amp;nbsp; এখন কার বাদর কেন মানুষ হচ্ছে না?&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-7jvWqOsmSQ8/XdwcT0PzbuI/AAAAAAAAEUk/k5Wfk4yd3Xg8iaIIMJSls42FaCmxiGI3gCLcBGAsYHQ/s1600/Screenshot_20191125-191947_Chrome.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;288&quot; data-original-width=&quot;497&quot; height=&quot;370&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-7jvWqOsmSQ8/XdwcT0PzbuI/AAAAAAAAEUk/k5Wfk4yd3Xg8iaIIMJSls42FaCmxiGI3gCLcBGAsYHQ/s640/Screenshot_20191125-191947_Chrome.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;বিবর্তন নিয়ে যাদের চুলকানি আছে তারা ভদ্রভাবে পোস্টটি এড়িয়ে যেতে পারেন । এই পোস্ট কারো বিশ্বাসকে আঘাত করার জন্য না ! জ্যোতির্বিদ্যার এমার্জিং শাখা হিসেবে Astrobiology বা জ্যোতিঃজৈববিদ্যার পথ চলা শুরু হয়েছে । যার মৌলিক বিষয় হল বিবর্তন ও সুপার আর্থ বা পৃথিবী সদৃশ গ্রহে প্রাণের উদ্ভব । তাই এটি অত্যান্ত গুরত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয় ]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের পরিচিত বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন অনেককেই এ প্রশ্নটি করতে শোনা যায়। ছোট্ট এ প্রশ্ন থেকেই আঁচ করা যায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিবর্তন সম্বন্ধে অজ্ঞতার পরিমাপটুকু। যে ভুলটি প্রায়শই তারা করে থাকেন, তা হল, তারা বোধ হয় ভাবেন যে জঙ্গলে গাছের ডালে বা চিড়িয়াখানার খাঁচার রড ধরে ঝুলে থাকা বাঁদর-শিম্পাঞ্জী গুলো থেকেই বুঝি মানুষের উদ্ভব হয়েছে। আসলে তো ব্যাপারটা তা নয়। আমরা আধুনিক বানরগুলোর সাথে সম্পর্কযুক্ত হলেও সরাসরি উত্তরসূরী নই। আমরা আসলে এসেছি বহুদিন আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এক ধরনের সাধারণ পূর্বপুরুষ হিসেবে কথিত প্রাইমেট থেকে, মাঙ্কি থেকে না । মানুষের উৎপত্তি বানর থেকে হলে প্রকৃতিতে এখনও বানর আছে কীভাবে - এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন খ্যাতনামা ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষ আর পৃথিবীর বুকে চড়ে বেড়ানো মানুষ এবং অন্যান্য বনমানুষগুলো অনেক অনেককাল আগে একই পূর্বপুরুষ (common ancestor) হতে উদ্ভুত হয়ে বিবর্তিত হয়ে আলাদা আলাদা প্রজাতির ধারা (lineage) তৈরি করেছে। এর মানে কিন্তু এই নয় পৃথিবীতে বিদ্যমান সব শিম্পাঞ্জিগুলো মানুষ হয়ে যাবে বা সব মানুষগুলো শিম্পাঞ্জি হয়ে যাবে। প্রাণের বিকাশ এবং বিবর্তনকে একটা বিশাল গাছের সাথে তুলনা করা যায়। একই পূর্বপূরুষ থেকে উদ্ভুত হয়ে বিবর্তনের ওই গাছটির (জাতিজনি বৃক্ষ) বিভিন্ন ডাল পালা তৈরি হয়েছে । এর কোন ডালে হয়তো শিম্পাঞ্জির অবস্থান, কোন ডালে হয়ত গরিলা আবার কোন ডালে হয়ত মানুষ ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অর্থাৎ, একসময় তাদের সবার এক সাধারণ পূর্বপুরুষ ছিলো, ১.৪ কোটি বছর আগে তাদের থেকে একটি অংশ বিবর্তিত হয়ে ওরাং ওটাং প্রজাতির উদ্ভব ঘটে। তখন, যে কারণেই হোক, এই পূর্বপুরুষের বাকি জনপুঞ্জ নতুন প্রজাতি ওরাং ওটাং এর থেকে প্রজননগতভাবে আলাদা হয়ে যায় এবং তার ফলে এই দুই প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে শুরু করে তাদের নিজস্ব ধারায়। আবার প্রায় ৯০ লক্ষ বছর আগে সেই মুল প্রজাতির জনপুঞ্জ থেকে আরেকটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে এবং পরবর্তিতে ভিন্ন ধারায় বিবর্তিত হয়ে গরিলা প্রজাতির উৎপত্তি ঘটায়। একইভাবে দেখা যায় যে, ৬০ লক্ষ বছর আগে এই সাধারণ পুর্বপুরুষের অংশটি থেকে ভাগ হয়ে মানুষ এবং শিম্পাঞ্জির বিবর্তন ঘটে। তারপর এই দু’টো প্রজাতি প্রজননগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন থেকেই একদিকে স্বতন্ত্র গতিতে এবং নিয়মে মানুষের প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে শুরু করে, আর ওদিকে আলাদা হয়ে যাওয়া শিম্পাঞ্জির সেই প্রজাতিটি ভিন্ন গতিতে বিবর্তিত হতে হতে আজকের শিম্পাঞ্জিতে এসে পৌঁছেছে। সুতরাং কোন এক সাধারণ পুর্বপুরুষ থেকে দু’টো প্রজাতির উৎপত্তি ঘটলেই যে তাদের একটিকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে হবে বা এক প্রজাতির সবাইকে অন্য প্রজাতিতে রূপান্তরিত হয়ে যেতে হবে এমন কোন ধরাবাঁধা নিয়ম প্রকৃতিতে নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানুষ যদি বানর থেকে বিবর্তিত হবে তাহলে বানরগুলো এখনও পৃথিবীতে রয়ে গেলো কি করে? - এ প্রশ্নটি অনেকটা এরকম শোনায় - “যদি আমেরিকান এবং অস্ট্রেলিয়ানরা ইউরোপিয়ানদের থেকে এসে থাকে তবে এখনো ইউরোপিয়ান দেখা যায় কেন?” কিংবা “শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে আসলে এখনও কেন প্রাপ্তবয়স্ক দেখা যায়?”। এ ধরণের হাস্যকর প্রশ্নগুলোর মধ্যেই কিন্তু উত্তর লুকিয়ে আছে। আসলে নতুন প্রজাতি বিদ্যমান প্রজাতি থেকেই উদ্ভব হয়। কোন জনগোষ্ঠি যখন আলাদা হয়ে পড়ে, তখন কালের প্রবাহে তাদের পরিবর্তনগুলো একসময় পুঞ্জীভুত হয়ে আলোচ্য জনগোষ্ঠীকে তাদের মূল জনপুঞ্জ থেকে আলাদা করে ফেলে। তাদের পুর্বসূরী কোন কারণে বিলুপ্ত যেমন হয়ে যেতে পারে, তেমনি আবার বেঁচে থাকাটাও অস্বাভাবিক কোন ব্যাপার নয়। উভচর প্রানী বিবর্তিত হয়ছে জলজ মৎস জাতীয় প্রানী হতে। তার মানে এই নয় যে, সব মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আবার সরিসৃপ বিবর্তিত হয়েছে উভচর প্রানী থেকে, আর স্তন্যপায়ী প্রানী বিবর্তিত হয়েছে সরিসৃপ থেকে। স্তন্যপায়ী প্রানীর বিবর্তন ঘটেছে বলেই এটা মনে করা ঠিক নয় যে, উভচর কিংবা সরীসৃপদের সবাইকে নিমেষেই মারা যেতে পারে।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/4651216931869551252/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post_25.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/4651216931869551252'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/4651216931869551252'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post_25.html' title='মানুষ যদি বানর থেকে আসে তাহলে  এখন '/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-7jvWqOsmSQ8/XdwcT0PzbuI/AAAAAAAAEUk/k5Wfk4yd3Xg8iaIIMJSls42FaCmxiGI3gCLcBGAsYHQ/s72-c/Screenshot_20191125-191947_Chrome.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-2760700958819109220</id><published>2019-11-11T14:26:00.000-08:00</published><updated>2019-11-11T14:26:20.675-08:00</updated><title type='text'>পৃথিবীতে কিভাবে ধর্মের শুরু বা  কিংবা উৎপত্তি কি করে হলো </title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;ধর্মের উৎপত্তি কিভাবে হলো!&lt;br /&gt;☪☪☪✝✝✝ॐॐॐ卐卐卐☪☪☪✝✝✝ॐॐॐ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পৃথিবীতে কিভাবে ধর্মের শুরু কিংবা উৎপত্তি&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-qdhRW9Csroc/Xcnfy48EDjI/AAAAAAAAET8/uXHQZmnDDQU_rXWG2sprvupiHOmjrDTywCLcBGAsYHQ/s1600/FB_IMG_1573510833466.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;228&quot; data-original-width=&quot;221&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-qdhRW9Csroc/Xcnfy48EDjI/AAAAAAAAET8/uXHQZmnDDQU_rXWG2sprvupiHOmjrDTywCLcBGAsYHQ/s1600/FB_IMG_1573510833466.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;হয়েছিল তার ব্যাখ্যা ও ইতিহাস বিস্তর। এনিয়ে শত শত পুস্তক লিখা যাবে। কিন্তু মূল সত্যকে জানতে হলে থাকতে হবে গভীর ও তীক্ষ্ণ অনুমান। থাকতে হবে কল্পনার প্রখর শক্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন {ইমাজিনেশন ইজ মোওর ইমপরটেন্ট দ্যান নলেইজ} কারণ আজ থেকে হাজার হাজার বৎসর আগে মানুষ যে ‘প্রাকৃতিক পরিবেশে’ বসবাস করতো, সেই পরিবেশটাকে বুঝতে হবে কল্পনা ও অনুমানের কঠিন সত্য দিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন না ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, না ছিল নির্দিষ্ট কোনো ভাষা, না ছিল উত্তম বাসগৃহ, না ছিল চলাফেরা করার মত উত্তম রাস্তা-ঘাট। যা ছিল তা হলো গোষ্ঠীবদ্ধ ভাবে বসবাসের প্রয়োজনীয়তা, ছিল নিরাপত্তার চরম অভাব, আর ছিল খাদ্য অন্বেষণের জন্য শিকার ও চাষবাসের নানাবিধ প্রচেষ্টা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আধুনিক যুগের মানুষ পৃথিবীর ইতিহাস ও জাগতিক বহুমুখী শিক্ষা থেকে নিঃসন্দেহে বুঝতে পারে “মানুষ জাতির অগ্রগতি ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ” ঘটেছে শতাব্দি ও সহস্রাব্দির ধাপে ধাপে। তৎসঙ্গে মানুষের ভাষা ও বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ ঘটেছে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর শতাব্দির চাকায়। এই সভ্যতার ক্রমবিকাশের জন্য কোনো ইশ্বর কিংবা মহাপ্রভু মাটির পৃথিবীতে নেমে এসে প্রকাশ্যে মানুষকে দিয়ে যাননি কোন অলৌকিক ক্ষমতা কিংবা কোনো সংবিধান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানুষ আদিম যুগ থেকে নিরাপত্তার কারণে ও বাঁচার তাগিদে নানাবিদ প্রচেষ্টা করেছে নিজ বুদ্ধিবলে। এই বুদ্ধি হচ্ছে প্রাকৃতিক। মানুষের এই প্রচেষ্টা ও বুদ্ধির প্রয়োগ আজ পর্যন্ত টিকে আছে অব্যাহত গতিতে। প্রতিকুল পরিবেশে আত্মরক্ষা, শিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য দুর্বলের উপর আক্রমণ, বুদ্ধির বলে নানাবিধ কৌশল দ্বারা অপরকে পরাজিত করা, ভাষার সুন্দর প্রয়োগ দ্বারা শান্তি, ঐক্য ও ভালবাসা স্থাপন করা, এসমস্ত মানুষ আয়ত্ত্ব করেছে নিজেদের বিবেক বুদ্ধির প্রয়োগ এবং তা থেকে সঞ্চিত অভিজ্ঞতার দ্বারা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা যদি ধর্মের উৎপত্তি বিষয়ে নানা গবেষণা চালাই ও ইতিহাসের পাতা উল্টাই তা হলে দেখতে পাবো ভয়, বুদ্ধি, স্বপ্ন, ভাষা, এবং কৌশল প্রয়োগের মধ্য দিয়ে ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে।&lt;br /&gt;এর পেছনে ইশ্বরের কোনো হাত নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানুষ আদিম কাল থেকে নানাবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতো। যেমন: ঝড় তুফান, খরা, বন্যা, ভূমিকম্প, বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি, ফসলের উপর পঙ্গপালের আক্রমণ এবং নানাবিধ ভয়ানক রোগ ব্যাধি। এসব ছিল মানুষের জন্য অত্যাধিক আতঙ্ক ও জীবন হুমকির ব্যাপার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানুষ ঐ সমস্ত দুর্যোগ থেকে আত্মরক্ষার জন্য নানাবিধ প্রাকৃতিক শক্তির কাছে প্রকাশ্যে বিনয়ের সাথে আত্মসমর্পন করে কান্নাকাটি করতো এবং খুশি করার জন্য পূজো ও দিতো।&lt;br /&gt;প্রধান প্রধান শক্তিগুলো হলো: বিক্ষুব্ধ বাতাস, সাগর, তারপর পাহাড়, চন্দ্র, সূর্য, অন্ধকারের ভূত প্রেত, ভয়ঙ্কর বন্যজন্তু , আগুন ও পানি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একারণে সুদূর অতীত কাল থেকে কোনো কোনো সম্প্রদায় কিংবা কোনো কোনো এলাকায় কল্পিত পানির রাজাকে (বা দেবতাকে) খুশি করার জন্য পানিতে পূজো দেয়ার ব্যবস্থা করে। তাই সাগর, হ্রদ, দীঘি ও নদীর জলের মধ্যে সুগন্ধিযুক্ত ফুল ছড়ানো, মিষ্টি ফল বিতরণ করা ছাড়াও উপঢৌকন হিসেবে নানাবিধ অলঙ্কার ও কাপড় চোপড় ইত্যাদি দেয়া হতো, যা আজো পৃথিবীর বিভিন্ন আদি সমাজ ও বিজ্ঞান শিক্ষায় বঞ্চিত দেশগুলোর আনাচে কানাচে হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসব ব্যবস্থাপনা শুরু হয় পরিবার ও গোষ্ঠীর ক’জন মিলে, নানাবিধ পরামর্শের পর। এভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বাতাস যখন প্রবল বেগে বইতে শুরু করে তখন আদিম মানুষ বাতাসকে ক্রোধান্বিত না হওয়ার জন্য নানা রকমের ছড়া কাটতে কাটতে বাতাসের মধ্যে ছড়িয়ে দিতো সুগন্ধিফুল, শস্য দানা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূর্য যখন উদয় হয় তখন সমস্ত আঁধার কেটে যায়। অন্তর থেকে দূর হয় বন্যপ্রাণীর আক্রমনের ভয়, ভূত প্রেতের ভয়। শিকার, কাজকর্ম ও চলাফেরা করতে হয় সুবিধে। সূর্যের আলো দ্বারা হয় শীত নিবারণ। অতএব সূর্য হচ্ছে এক বিশাল উপকারি দেবতা। সুতরাং সূর্যকে খুশী না করলে ওটা মাঝে মাঝে রাগ করে বসে। সব কিছু পুড়িয়ে দিতে চায় (খরা) আবার বৃষ্টির সময়ে গর্জন করে (বিদ্যুৎ ও বজ্রপাত দ্বারা) নানা বিপত্তি ঘটায়।&lt;br /&gt;অতএব সূর্য দেবতা ভীষণ শক্তিশালী, ওকে খুশি রাখা খুবই জরুরি। এরকম মানসিক ধারণা থেকে সূর্যকে মানুষ নানা ভাবে পূজো দিতে শুরু করে। অনেক আদিম সম্প্রদায় আগুনকে সূর্যের প্রতিনিধি মনে করে অগ্নিপূজা করতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে ভয়ের কারণে আত্মরক্ষার তাগিদে শুরু হয়েছে প্রকৃতিপূজা বা ধর্মীয় আচরণ। তদ্রূপ নানা যুক্তি তর্কের মধ্যে শক্তিমান প্রাণী হিসেবে হাতি, সিংহ ও ঈগলকে, আবার উপকারি জন্তু হিসেবে গরু, ঘোড়া ও ভেড়াকে অনেক আদিম শ্রেণীর মানুষ পূজো দিতে আরম্ভ করে। কোন কোন সম্প্রদায় ধর্মীয় পুণ্যের জন্য এই নিরীহ প্রাণীগুলোর রক্ত মাংস দেব-দেবী কিংবা ইশ্বরের নামে উৎসর্গ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে বিভিন্ন রোগে মানুষ যখন আক্রান্ত হতো তখন সে ভাবতো যে ‘প্রকৃতি’ বা যে ‘প্রাণী’ বেশী শক্তিশালী তার কাছে গিয়ে অনুনয় বিনয় করতে হবে। তার গুণ-কীর্তন করতে হবে। কোন কোন গোষ্ঠীপতিরা ভাবতো নদী বা পানি শক্তিশালী, কেউ ভাবতো আগুন, কেউ ভাবতো সূর্য, কেউ ভাবতো বাতাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে একেক শক্তিকে নিজ নিজ বুদ্ধিমত্তার বলে দেয়া হত পূজো। কেউ পূজো দিতে গিয়ে গান, নাচ এবং ছড়া কাটার ও প্রবর্তন করে।&lt;br /&gt;আবার কোন কোন গোষ্ঠীর ভক্তরা পূজো দিতে গিয়ে চুপি চুপি ছড়া কাটতো, যাকে আমরা মন্ত্রপাঠ হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধরে নিতে পারি। তারা মনে করতো এতে “শক্তির” অধিকারী অদৃশ্য দেবতা বা রাজা খুশি হয়ে তাদের মঙ্গল করবে বা বিপদ আপদ থেকে মুক্ত করবে।&lt;br /&gt;এসব করতে গিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাসকারী মানবগোষ্ঠি গুলোর মধ্যে পূজোর (ওরশিপ রিচুয়েলের) আচার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রকম ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। যদিও তাদের মৌলিক উদ্দেশ্য এক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে সময়ের ধাপে ধাপে বিভিন্ন গোষ্ঠী বা কওমের মধ্যে তুলনামুলকভাবে কিছু কিছু বুদ্ধিমান লোকের আর্বিভাব হয়। তারা গোষ্ঠী বা কওমের মধ্যে নিজেকে নেতা বা অভিভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এসব নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ ওরসিপ বা পূজো-প্রার্থণার দায়িত্ব একাই নিতো। তারা মুরব্বী বা অভিভাবক হিসেবে নিজেদের কওমের মধ্যে নানাবিধ দাবি খাটাতো। নিজ বুদ্ধি বলে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের অসুখ বিসুখ, জীন, ভূত ডাইনীদের নজর না লাগার জন্য নানাবিধ পথ্যাদি ও উপায় বাৎলে দিতো। জীবনের অভিজ্ঞতায় ঝড়, বৃষ্টি, খরা ইত্যাদির ইঙ্গিত ও কিছু কিছু ভবিষ্যদ্বাণী খয়রাত করে গোষ্ঠীর মধ্যে একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে সম্মান পেতো। এছাড়া বিপদ আপদ না আসার জন্য নানাবিদ তন্ত্র মন্ত্র, পূজো প্রার্থনা এসব ছিল তাদের মৌলিক দায়িত্ব। কোন গোষ্ঠীর সাথে কোন ঝগড়া বিবাদ হলে তার মীমাংশা কিংবা জোর পূর্বক কোন কিছু দখল করতে হলে (যেমন পানির উৎস, ফসলের ভূমিসত্ত্ব ইত্যাদি) তার আদেশ নির্দেশ সবাই মেনে নিত নির্দ্বিধায়। এভাবে যুগ ও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এরা হয়ে উঠলো এক শ্রেণীর অঘোষিত “সমাজ সর্দার”। কোনো দেবতার দ্বারা সাহায্য লাভ কিংবা কোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে কখন কি ভাবে মোকাবেলা করতে হবে তার দায়ভাগ তাদের উপর গুরু দায়িত্ব হিসেব অর্পিত হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিনিময়ে সেই ব্যক্তি সমাজের নানাবিধ সুযোগ সুবিধাও হাতিয়ে নিতে থাকলো। অতএব বিভিন্ন দৈবশক্তি কিংবা ঐশী শক্তির একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে লোকটি সমাজে এভাবেই একক প্রতিষ্ঠা পেয়ে যেতো। প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর একখানা উপাসনালয় বা দেবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আর কোন বাধা থাকবেনা। কোন কাজে পাপ, কোন কাজে পুণ্য, কোন কাজ না হলে শক্তিমান দেবতা বিপদ দেবেন এবং কি কি কাজে তিনি খুশি হয়ে পুরস্কার দেবেন তার সব অনুশীলন এই দেবালয় থেকে শুরু হলো। কেউ কেউ পাহাড়ের গুহাকে ধ্যানের উপাসনা হিসেবে বেছে নিতেন। এভাবে নিজ বুদ্ধি বলে শুরু হলো আরেকটি নীরব সাম্রাজ্যের জয় যাত্রা। কালক্রমে এই উপাসনালয় বা দেবালয়ের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। অবতার নামের সমাজ সর্দারগণ এখন প্রকাশ্যে তাদের মতবাদ প্রকাশ করতে থাকে। কারণ এখন তাদের দলে বিশ্বাসী লোকের সংখ্যা যথেষ্ট। এসব দেবালয়ে কিংবা উপাসনালয়ে এখন সাহায্যকারি কর্মের মানুষ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে কুমারী বালিকারা এর মধ্যে প্রধান। তারাও গুরুর আদেশে উপদেশে নানাবিধ সেবা শ্রম দেবে। যে নারী সন্তান পাচ্ছেনা সেও নির্দিষ্ট সময়ে এসে গুরুর পরামর্শ অনুযায়ী নানাবিধ সেবাশ্রম দেবে। তাদের কাজ কর্মের কোন কৈফিয়ত বা জবাবদিহিতা কাউকে দিতে হবে না। দিতে পারবেনা কেউ কোন অভিযোগ। তারা কেবল উপাসনালয়ের কর্তৃত্ব যার হাতে, তার কাছে এবং অদৃশ্য ইশ্বর কিংবা দেবতাদের কাছে নিজেদের ভুল ত্রুটির কৈফিয়ত দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে লোকটি (পুরোহিত, যাজক, মংক, মোল্লা, ব্রাম্মণ ইত্যাদি) এখন এই দেবালয়ের সর্বেসর্বা, ভবিষ্যতে তার পুত্র প্রপৌত্ররা হবে এর দায়িত্ববান মালিক। যদি উপযুক্ত কেউ না থাকে তবে নিজ গোষ্ঠীর বা আত্মীয়ের মধ্য থেকে কেউ এসে ধরবে এর হাল। এখন কেউ যদি এসে লোকটিকে বলে “ওহে দয়ার ঠাকুর আমি তো ঠিক মতো আরতি যোগে ফুল দিলাম, প্রণাম দিলাম, যজ্ঞ দিলাম তবু কেনো আমার ক্ষেতে ফসল হলোনা?” লোকটি তখন চোখ বন্ধ করে বলে” শোনো গো মা, ফুলতো ঠিকই দিয়েছিলে কিন্তু ফুলটিতে কোন এক সময় ঋতুবতী মহিলার স্পর্শে হয়েছে অপবিত্র, এ কারণে ফসল ভাল হয়নি”। এভাবে নিজ বুদ্ধি বলে একটা ত্রুটি বের করে এরা মানুষদের বোকা বানিয়ে রাখতো। কেউ হয়তো এসে বললো আপনি আপনার শক্তিমান গো দেবতাকে বলুন “কেন দশ মাস থেকে আমার গাভীটা ভাল দুধ দিচ্ছেনা?” একথা শুনে পুরোহিত ভদ্রতা ও সামাজিকতার খাতিরে তার সাথে নানাবিধ আলাপ করতে থাকলো। কথা প্রসঙ্গে পুরোহিত হয়তো বললো, আচ্ছা বাবা তার আগে বল দেখি তোমার পরিবারে কে কে আছে? তোমার সংসার চলে কি ভাবে? পরিবারের কে কি করে? এরকম মামুলী কয়েকটি প্রশ্নের পর পুরোহিত লোকটি বললো “তৃতীয়া নক্ষত্রের রাত্রিতে (না হয় অমাবশ্যার রাত্রিতে) আমি এক নতুন প্রার্থণা বা জপতপ শেষে তোমার গাভী ও দুধের জবাব জেনে নেব।”&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটি খুশি মনে চলে গেল। কয়দিন পর যখন লোকটি পুণরায় তার গাভীর দুধ সম্পর্কীত জবাবটি জানতে চাইলো তখন পুরোহিত হাসতে হাসতে জবাব দিলেন ‘দেখ বাবা জীবিশ্বরের (জীব জানোয়ারের ইশ্বর) কত দয়া।’ তুমি একে একে তিনটি মেয়ে যখন পেলে, তখন মন থেকে শুধু ছেলে সন্তানের জন্য হাহাকার করেছিলে। দিয়েছিলে পূজো, করেছিলে প্রার্থণা। সে কারণে ইশ্বর তোমার ভাগ্য থেকে দুধের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে বিনিময়ে ছেলে সন্তান করেছেন দান। কারণ তিনি জানেন দুধ অপেক্ষা তোমার ছেলে সন্তানের প্রয়োজন বেশী, সে কারণে তিনি তোমার প্রার্থণা কবুল করেছেন। পুরোহিতের কথা শুনে লোকটি খুশিতে বাগ বাগ হয়ে পরদিন নিয়ে এলো কিছু মূল্যবান উপঢৌকন। এভাবে বিবেক বুদ্ধি প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন কওমের মধ্য থেকে বুদ্ধিমান লোকগুলো ধীরে ধীরে সমাজের মধ্যমণি হয়ে উঠলো। তারা এখন সাধারণ মানুষের আরও সমর্থন পাওয়ার জন্য নানাবিধ চেষ্টার কৌশল চালিয়ে যেতে লাগলো। বিনিময়ে তারা কিছুই চায়না। তারা চায় মানুষের আন্তরিক আশীর্বাদ ও কর্মের আন্তরিক সমর্থন। আর এই সমর্থনটা হচ্ছে তাদের সবচেয়ে বড় মুলধন যা নিরাপত্তার জন্য এক বিশাল হাতিয়ার। এ উদ্দেশ্যে তারা শোষিত মানুষদের মুক্তির জন্য করেছে নানাবিধ প্রচেষ্টা। অত্যাচারী রাজাদের তারা ভয় দেখিয়েছে পরকালের। অপর দিকে শোষিত মানুষদেরকে বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘটিয়েছে ঐক্য এবং ইশ্বরের দাবি হিসেবে নায্য পাওনার দাবি করেছে শাসকবর্গদের কাছে। এতে অনেক দাবি আদায় হয়েছে। আবার কোথাও তা নিয়ে বেঁধেছে যুদ্ধ। এসব যুদ্ধের ফলে অনেক শাসকদের জ্ঞানচক্ষু খুলেছে, তারা বুঝতে পেরেছে নির্যাতীতেরাও ধর্মের ডাকে ঐক্য স্থাপিত করে মানুষের অধিকার আদায় করতে জানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যারা অতি মাত্রায় ধূর্ত তারা ‘ধর্মের প্রতিনিধি’ হিসেবে বিলাস বহুল জীবনকে ঘৃণা করেছে। প্রকাশ্যে নারীর সান্নিধ্য কে পাপের চোখে উপেক্ষা করেছে । যার ফলে তারা সাধারণ দাসদের ও শ্রমজীবি মানুষের স্তরে নেমে এসে একাত্ম হয়েছে। প্রত্যেক মানুষ পৃথিবীতে তার বংশধর কিংবা কর্মের স্মৃতি অক্ষুন্ন রেখে চিরকাল বেঁচে থাকতে চায়। এটা মানুষের প্রাকৃতিক স্বভাব। এই স্বভাবের ভিত্তিতে ধর্মীয় নেতাগণের প্রবল আকাঙ্খা ও সবুজনক্সা ছিল এরকম যেমন: (ক) একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করে গেলে চিরজীবন তার নাম অক্ষুন্ন থাকবে (খ) ইশ্বরের গুণকীর্তন করার সাথে তার নিজের যশ খ্যাতির গুণকীর্তন ও করা হবে নিঃসন্দেহে (গ) ধর্মের সমর্থকরা তাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করবে আজীবন (ঘ) তার নিজের গোষ্ঠীর গৌরব উজ্জ্বল দিক ইতিহাসে অঙ্কিত হবে আর রক্ত পঙ্কিল দিক কালের গহব্বরে হারিয়ে যাবে। এভাবে গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত (কিংবা স্বঘোষিত) ইশ্বরের প্রতিনিধিরা কালের স্রোতে নিজেদেরকে সমাজসেবী হিসেবে করেছে প্রতিষ্ঠিত। প্রথমে তা করা হয়েছে নিজ এলাকায়, নিজের সমাজে। যেখানে সামাজিক অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলায় ছিল ভরপুর। এই সমাজ সেবা করতে গিয়ে পৃথিবীর মানুষের মাথায় নানাবিধ আইন কানুন বাধ্যতামুলক ভাবে বেধে দেয়া হয়। এটা অবশ্যই একটি গোপনীয় স্বেচ্চাচারিতা। ইশ্বরের নামে নিজের মগজ থেকে তৈরি করা আইন ‘সব সমাজের জন্য’ ‘সব যুগে’ কখন ও উপযোগি হতে পারেনা। এটা মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতার উপরে পরাধীনতার একটি শৃঙ্খল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পৃথিবীর সবকিছু যেমন চলমান, সমাজ ও তেমনি চলমান। সমাজ কখনও স্থবির নয়। হাজার হাজার বৎসরের পুরানো সামাজিক অবস্থার সাথে বর্তমান সামাজিক অবস্থার মিল কখনও এক হয় না। তাই যদি হতো তাহলে মানব সমাজে “সভ্যতার ক্রমবিকাশ” বলে যে শব্দটি আছে এবং ক্রমবিকাশের ধারায় আমরা বর্তমানে যে অবস্থানে পৌঁছেছি তা কখনও সম্ভব হতো না। সুতরাং ধর্ম সর্বরোগের মহৌষধ হিসেবে ধারণা দেয়া কিংবা ‘কমপ্লিট কোড অব লাইফ’ আখ্যা দিয়ে মানুষকে “নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল” এই প্রবচনটি প্রয়োগ করে মানুষদের বুঝ দেয়া একটি ভুল ধারণা। তাই যদি হয় তাহলে গোটা পৃথিবীর মানুষ কি এত বোকা যে তারা এত আধুনিক শিক্ষা, এত গবেষণা, এত বিশ্ববিদ্যালয়, এত সমাজতত্ত্ব, এত সংগঠন, এত আইন শাস্ত্র, এত কোর্ট-কাছারী নিয়ে বেহুদা ঘাটাঘাটি করছে ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মের ইতিহাস থেকে জানা যায় পৃথিবীতে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশী ধর্মের উৎপত্তি হয়েছিল। এতদ্ব্যতীত ভারতে এবং ইউরোপের গ্রীস ও ইতালীতে ধর্মের প্রবল প্রতাপ ছিল। মধ্য প্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি গোত্রেই কেউ না কেউ সময়ের স্রোতে ইশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে। এর কারণ এবং অনুসন্ধান হিসেবে যে সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় তা হলো,’ (১) কয়েক বৎসর পর পর পৃথিবীতে একজন ইশ্বর প্রতিনিধি আসবেন’ এরকম একটি ধারণা মানুষের মনের মধ্যে সর্বদাই বিদ্যমান থাকতো’। (২) ‘মানুষের নিদ্রাজাত স্বপ্ন’। এর দু’টি ব্যাখ্যা আছে। প্রথমটি হলো সেই আদি যুগে মানুষ যখন স্বপ্নের মধ্যে নানাবিধ বিষয়বস্তু দেখতো তখন সে বিশ্বাস করতো ঘটনাটির মধ্যে সে নিজেই জড়িত। সে নিজেই বিভিন্ন যায়গায় ছিল। অথচ সজাগ হয়ে বুঝতে পারে সে তার গুহার মধ্যে অথবা কুড়ে ঘরে ঠিকই শুয়ে আছে। তাহলে সে বাইরে গেল ক্যামনে? এত কিছু দেখলো ক্যামন করে? বিষয়টি তৎকালীন আদিম মানুষদের দারুন দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়। তারা তখন ভাবতে থাকে তাহলে মানুষের মধ্যে খুব সম্ভব দু’টি আত্মা আছে। একটি আত্মা রাত্রি বেলা ঘুমের মধ্যে যাওয়া আসা করে, ঘুরে বেড়ায়। আর অপর আত্মাটি সব সময়ে সঙ্গে থাকে। সব সময় যে আত্মাটি থাকে সেটি একবার বেরিয়ে গেলে আর ফেরত আসেনা। অর্থাৎ মানুষের মৃত্যুর সাথে সাথে অদৃশ্যে উদাও হয়ে যায়। মানুষের মৃত্যুকালীন সময়ে মুখ ও বুকের যে অবস্থা হয় এতে অতীতের মানুষ অনুমান করেছিল আত্মা জিনিসটি বুকের ভেতর থাকে। আর মৃত্যুর সময়ে সেটি মুখ দিয়ে অতি কষ্টের সাথে বের হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেকালে হার্ট বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সম্বন্ধে মানুষের উন্নত ধারণা ছিলনা। তৎকালীন আদিম সমাজের শুরু থেকে বুদ্ধিমান যাজক বা পুরোহিত সম্প্রদায় মানুষকে এই ধারণা দিয়ে আসছে যে আত্মার মৃত্যু হয় না। যে ধারণা আজো বহাল তবিয়তে টিকে আছে সারা পৃথিবীতে। অতএব যাজক বা পুরোহিত সম্প্রদায় নিজেদের (ঐশ্বরিক) প্রতিনিধিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য বলে বেড়ালো যে পৃথিবীতে তুমি যত কিছু গোপনে কিংবা অন্যায় ভাবে করে থাকো তা সকল দৈব শক্তির অধিকারী ইশ্বর বা ইশ্বরগণ জানেন। এজন্য মৃত্যুর পরে শাস্তি হিসেবে তা তোমার আত্মার উপর আরোপিত হবে। তারা উদাহরণ স্বরূপ স্বপ্নের মধ্যে নানাবিধ কষ্ট পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। কেউ কেউ সেই আত্মা থেকে আবার দেহ সৃষ্টি করে দেহের উপর শাস্তি আরোপ করা হবে বলে নিশ্চয়তা দেন। কেউ কেউ মৃত্যুর পর আত্মা থেকে পুনর্জন্ম লাভ করে নিকৃষ্ট শ্রেণীর পশুতে পরিণত হবার কথা উল্লেখ করেন। কেউ কেউ বলেন সেই আত্মা ভূত প্রেত বা পিশাচ হিসাবে পৃথিবীর অন্ধকারে ঘুরে বেড়াবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম ধর্মের হাদীসে বলা হয়েছে মৃত্যুর পর যখন মানুষকে কবরে রাখা হবে। তারপর আত্মীয় স্বজনগণ চল্লিশ কদম (পদক্ষেপ) দুরে সরে আসার পর, কবরস্থানে দু’জন অদৃশ্য ফেরেশতা এসে সেই মৃত মানুষের ভেতরে রূহ বা আত্মার সংযোজন ঘটাবেন। মৃত মানুষটি তখন জেগে উঠবে এবং ভয়ানক চিৎকার করবে। সেই চিৎকার কেবল মাত্র কিছু পশু পক্ষী ছাড়া কেউ শুনবেনা। তারপর সেই মানুষটিকে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে। সেই পাঁচটি প্রশ্নের জবাব যারা দিতে পারবে তারা শান্তির সাথে পুনরায় ঘুমিয়ে পড়বে শেষ বিচারের দিন পর্যন্ত। আর যারা সঠিক জবাব দিতে পারবেনা তাদের আজাব (শাস্তি) শুরু হয়ে যাবে। সেই আজাব হতে পারে আত্মার উপর কিংবা দেহের উপর। তবে অধিকাংশের মতামত হলো দেহের উপর। এই আজাবের কোন ক্রন্দন বা চিৎকার কোন মানবজাতি শুনতে পাবেনা। এই গল্পের শেষে আমি একজন মৌলভী সাহেবকে হাস্যমুখে বলেছিলাম তাহলে ইসলাম ধর্ম আর্বিভাবের পূর্বে পৃথিবী থেকে যে কোটি কোটি মানুষ মারা গেলো তারা কেউতো এই পাঁচটি প্রশ্ন সম্পর্কে কোন প্রস্তুতি নিয়ে মারা যায়নি। অতএব তারা নিশ্চয়ই ফেল করবে এবং তাদের অবস্থা তখন কি হবে? মৌলভী সাহেব তখন জবাব দিয়েছিলেন ‘যেহেতু ইসলাম ধর্ম তখন আসেনি সেজন্য সেই সময়কার ধর্ম অনুযায়ী তাদেরকে প্রশ্ন করা হবে’। এরকম তৈরি করা জবাব দানে তারা সর্বদাই ওস্তাদ। জানিনা পৃথিবীর ইশ্বরের প্রতিনিধিগণ তাদের লোকদের সেই পাঁচটি প্রশ্ন ও জবাবের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন কিনা ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘নিন্দ্রাজাত স্বপ্নের’ দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটির প্রতি আমার বিশ্বাস হল এই, মধ্যপ্রাচ্যের লোকেরা প্রবল উষ্ণ আবহাওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণ খেজুর, আঙ্গুর, বেদানা ও এই জাতীয় ফলের রস পান ও ভক্ষণ করতেন। পান করতেন বকরী ও উটের দুধ। এতে নিদ্রা হতো বড়ই গভীর ও স্বপ্নময়। মধ্যপ্রাচ্যে সবুজ গাছ-গাছালি, সবুজ মাঠ প্রান্তর ও নদ নদীর বড় অভাব ছিল। অভাব ছিল পাখির কল-কাকলী ও মেঘ বৃষ্টির। যে কারণে রাত্রিকালিন স্বপ্নের আমেজ ভোরবেলা তাদের মন থেকে হারিয়ে যেতনা। কারণ ওখানে সবুজ দৃশ্যাবলী ও নদ নদীর বদলে বিদ্যমান ছিল গনগনে সূর্যের তপ্ত আকাশ আর নীচে ছিল উত্তপ্ত মরুভূমির বালুরাশি। সুতরাং দিনের বেলাতে ও তারা বিগত রাত্রির স্বপ্নটি নিয়ে ভাববার অবকাশ পেতেন। এই স্বপ্ন কেন দেখলো? স্বপ্নের রহস্য কি? তা হলে নিশ্চয়ই কোন অদৃশ্য শক্তি তাকে আভাসে ইঙ্গিতে কিছু বলতে চাইছে। এরকম শত শত প্রশ্ন তার মনকে ভাবিয়ে তুলতো। সে ভাবতো নিশ্চয়ই সেটা অদৃশ্য শক্তির সাথে তার অদৃশ্য আত্মার খেলা। অতএব সেই ব্যক্তিটি মানুষের ভাল মন্দ, বিপদ আপদ ইত্যাদি জাগতিক বিষয় আসয়ের সাথে স্বপ্নের কাল্পনিক অঙ্ক মিলাতে চেষ্টা করে। কিছু কিছু মিলে ও যায়। এতে তার সাহস এবং উৎসাহ উভয়ই বাড়তে থাকে। যার ফলে সে নিজে ‘অদৃশ্য শক্তির প্রতিনিধি হতে যাচ্ছে বলে মনের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে’। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে এবং তৎকালীন প্রচলিত কিছু কিছু ঔষধ পত্রকে অনুকরণ করে রোগীদের সেবা ও পথ্য বাৎলে দিতে থাকে নিজ বুদ্ধির জোরে। এতে কিছু কিছু কৃতকার্যতা আসে। তার সাথে পানি পড়া, ঝাড় ফুক, এটা ওটা মন্ত্র আওড়িয়ে মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য নানাবিধ ফন্দি ফিকিরের চেষ্টাও চলতে থাকে অব্যাহত গতিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাতৃভাষায় কথা বলার মধ্যে বিনয় ও বাকপটুতা তাদেরকে করে তুলে অতি আত্মবিশ্বাসী। ধীরে ধীরে দুর দুরান্ত থেকে মানুষ আসতে থাকে আরোগ্য লাভের আশায়। কেউ আসে চুরির উট বকরী ফিরে পাবার আশায়। সন্তানহীনা নারী আসে সন্তান পাবার কামনায়। কেউ আসে ভাল ফল ও শস্যতে বরকত হবার আশায়। কেউ কেউ আসে ঝগড়া বিবাদের একটা ফয়সালা করার জন্য মধ্যস্ততা হিসেবে ভূমিকা নেয়ার। কেউ কেউ আসে বুদ্ধি পরামর্শ নেয়ার প্রয়োজনীয়তায়। এভাবে লোকটি যখন জনপ্রিয় হতে শুরু করে তখন একদিন সুযোগ বুঝে নিজেকে অদৃশ্য শক্তির প্রতিনিধি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে দেয়। শুরু হয় তার কথায় ও কাজে কৌশল প্রয়োগের নানাবিধ সুযোগ ও সতর্কতা। তখন নিজ কওমের বা গোষ্ঠীর লোকেরা গর্বিত হয়। তাকে তখন সকল প্রকার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এভাবে ধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে একজন মানুষের গোড়া পত্তন হয় পৃথিবীর বিভিন্ন সমাজে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতিহাস আমাদের সাক্ষী দেয় হাজার হাজার কাল ও শতাব্দীর সিড়ি বেয়ে বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে মানুষের ভয়, কৌতুহল ও আপন অস্তিত্বকে জানার প্রয়োজনে। ইশ্বরের প্রয়োজনে নয়। “বিজ্ঞান ও ধর্ম, সংঘাত নাকি সমন্বয়” এর একটি সিদ্ধান্তে যাবার আগে আর ও কিছু কথা না বলে সিদ্ধান্তে যেতে পারছিনা । এ জন্য প্রিয় পাঠকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটিয়ে সামান্য বিরক্ত করবো বলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কথা হল পৃথিবীতে এত গবেষণাগার, এত বিশ্ববিদ্যালয়, এত আবিষ্কার, এত আমূল পরিবর্তন সাধিত হওয়া সত্ত্বেও অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে আদম ও ইভ নামক দু’জন মানুষের স্বর্গ বিচ্যুতি থেকে পৃথিবীতে মানুষ ও ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু এর পেছনে বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রমাণ কই? এতে এটাই প্রমাণিত হয় পৃথিবীর মানুষ এখনও বিজ্ঞান বুঝেনা। ইতিহাস ও বিজ্ঞানের আবিস্কার গুলোকে তারা মানুষের এক ধরণের কারসাজি হিসেবে বিশ্বাস করে। এই কারসাজি দ্বারা তারা বাণিজ্যিক পণ্য উৎপাদন করে মুনাফায় ধন-দৌলত আয়ত্ব করে। তারা আরও বিশ্বাস করে এসমস্ত তথ্য ও আবিষ্কারের সাথে ইশ্বরের কিংবা পরলৌকিকতার কোন সম্পর্ক নেই। যদি ওগুলোকে বিশ্বাস করা হয় তাহলে সে নাস্তিক হয়ে যাবে না হয় মুরতাদ হয়ে যাবে। বিজ্ঞান মানুষকে পৃথিবীতে শোষণ, অত্যাচার ও যু্দ্ধ বাধিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করে। বিজ্ঞান ইহ জগতে ভোগ-বিলাসের মদতদানকারী এক বিশাল দানব। কিন্তু ধর্মের উৎপত্তি প্রচার ও বিশ্বাস নিয়ে শুরু থেকেই যে রক্তপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করে মানুষে মানুষে হিংসা বিদ্বেষ ও প্রতিপ্রত্তি তথা জয়লাভের নেশায় (ধর্মীয় আইন কায়েম করার জন্য) রক্তপাত চালিয়ে যাচ্ছে এই সত্যটুকু তারা মানতে নারাজ। এই সত্যকে তারা দেখেও দেখেনা, শুধুই অপর পক্ষকে দোষারোপ করে যাওয়াই তাদের অনড় সিদ্ধান্ত ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞানের এই বিশাল অবদান মানব সমাজের জন্য রোগ ক্ষুধা ও উন্নত জীবন যাপনের যে কত বড় আর্শীবাদ তা তারা এখনও বুঝতে চান না। একটা ছাতা কিংবা একটা তুচ্ছ সেলাই করার সুচ পর্যন্ত ধর্ম প্রচারকদের দ্বারা তৈরি হয়নি সে কথাটা তারা হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনা। ধর্মীয় গল্পগুলো বা অলৌকিক কেচ্ছা কাহিনীগুলো সব সময়েই যে অতিরঞ্জিত অর্থাৎ তিলকে তাল করা কিংবা মানুষকে বিশ্বাসী বানানোর জন্য খোঁড়া যুক্তির সমাবেশ তা তাদেরকে বুঝানো যায় না। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বা তাদের মনোবল ভেঙ্গে দেয়ার জন্য হয়তো এসব গল্পের সৃষ্টি হতে পারে, তা তাদের কিছুতেই বোধগম্য করানো যায় না। হাতের লাঠি সাপ হয়ে যাওয়া, বিশাল তিমি মাছের পেটে বেঁচে থাকা, মৃত মানুষকে জীবিত করে তুলা, সাত আসমান ভ্রমন ইত্যাদি গল্প গুলোর সাথে বিজ্ঞানের যে ছাত্র বায়োলজী, কেমিষ্ট্রি ও ফিজিক্স পুঙ্খানুপুঙ্খু ভাবে বুঝতে পারে, সেই ছাত্রটিও তার বিবেক থেকে কখনও এসব বিশ্বাস করতে পারেনা। এসবে বিশ্বাসী না হলে সমাজে এবং পরিবারে তার খাদ্য ও বাসস্থান মিলবেনা। একারণেই সে তা বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়। তা ছাড়া বাল্যকাল থেকে ধর্মীয় প্রভাবের কারণে সে মগজ ধুলাইয়ের শিকার। নিরপেক্ষ চিন্তা ভাবনা নিয়ে এসব ধর্মীয় গল্পের সমালোচনা লিখলে এটা “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত” অপবাদ দিয়ে রক্ষণশীলরা মহা হুলস্তুল কাণ্ড ঘটাতে চান। ধর্মের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের চিন্তা ভাবনা সর্বদাই দুর্বল এবং পরনির্ভরশীল। তাদের নিজস্ব স্বাধীন যুক্তি সর্বদাই পাপের ভয়ে হয় মৃত নয়তো ম্রিয়মান। সেই যে হাজার হাজার বৎসর আগে ধর্মীয় অবতারগণ যা বলেছিলেন সেটাই তারা আচ্ছা করে গাঁট বেধে মনের ভেতর পুঁতে রেখেছেন। সেই গাঁট তারা কখনও খুলে দেখতে চান না ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয়ে। ধর্মীয় কেতাবগুলোতে উল্লেখ আছে পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদমকে সৃষ্টি করার পূর্বে স্বয়ং বিধাতা তার ফেরেশতাগণের সাথে যুক্তি করেছিলেন পৃথিবীতে মানুষ পাঠানো হবে কি হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে বিষয়টি আলোচনা করলে দেখা যাবে ওখানে স্বয়ং বিধাতা ফেরেশতাগণের মতামত নিয়ে ‘গণতন্ত্রের’ সুচনা করেছিলেন। অথচ পৃথিবীতে তারা গণতন্ত্র মানতে চান না। তারা ধর্মীয় কিতাবের একনায়কতন্ত্রী আইন কায়েম করতে চান। ধর্মীয় উক্তি বা হাদীসগুলোকে বিধাতার আইন হিসেবে মেনে নিয়ে মানুষের স্বাধীনতা ও মানুষের সময় এ দুটো কে নির্মূল করতে অতিশয় উৎসাহী। নিরপেক্ষ মনোভাব নিয়ে বলছি কোন দেশের গণতন্ত্রের অনুকরণ নয়, বরং যা একটি দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর তার উপর জনগণের অধিকাংশের মতামতে বিল পাশ করে যদি আইন তৈরি হয় তবে সেটি ধর্মীয় আইনের চেয়ে উত্তম হবেনা কেন? এতে কি আল্লাহর মহা ক্ষতি হয়ে যাবে? বিষয়টি আমি পাঠক সমাজকে বিবেচনা করতে অনুরোধ করি। উপরোক্ত নিবন্ধের আলোচনা শেষে আমি এটা বলতে চাই বিজ্ঞান পরীক্ষা নিরীক্ষার যুক্তি প্রমাণে ও বাস্তববাদিতায় প্রতিষ্ঠিত। কোন কিছু মিথ্যা প্রমাণিত হলে বিজ্ঞান ও সেটাকে মেনে নেয়। তার পূর্ব পরীক্ষিত সত্যকে বাতিল ঘোষণা দিতে রাজী থাকে। জোর পূর্বক মেনে নেয়ার জন্য বিজ্ঞান মানুষের মুণ্ড কিংবা রগ কাটার আদেশ জারি করেনা। আর ধর্ম জীবন যুক্তির কল্পনা ও অদৃশ্যের বিশ্বাস নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। ধর্ম নগদ অপেক্ষা বাকিতে অধিক বিশ্বাসী। সুতরাং এ দুয়ের সমন্বয় সাধন একটি কঠিন ব্যাপার। তবে আদব কায়দা, শ্রদ্ধা, সম্মান, সৎ ব্যবহার, ক্ষমা, মানবতা ইত্যাদি নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে (এথিক্স) বিষয়গুলো যে কোন প্রচলিত সামাজিক আচরণের উত্তম দিক হিসেবে বিবেচিত ও গ্রহণযোগ্য। এসব উত্তম আচরণগুলো পৃথিবীর সকল আদি-গোষ্ঠীতেই কম বেশি দেখা যায়, যা পরবর্তীতে ধর্ম প্রচারকগণ ধর্মের মধ্যে টেনে নিয়ে ধর্মকে মজবুত করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(Courtesy: নিউরো ট্রান্সমিটার)&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/2760700958819109220/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2760700958819109220'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2760700958819109220'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/11/blog-post.html' title='পৃথিবীতে কিভাবে ধর্মের শুরু বা  কিংবা উৎপত্তি কি করে হলো '/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-qdhRW9Csroc/Xcnfy48EDjI/AAAAAAAAET8/uXHQZmnDDQU_rXWG2sprvupiHOmjrDTywCLcBGAsYHQ/s72-c/FB_IMG_1573510833466.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-9098409028727575852</id><published>2019-10-20T01:05:00.000-07:00</published><updated>2019-10-20T01:05:31.691-07:00</updated><title type='text'>সজ্ঞানে যৌনপুরির বাসিন্দা হইতে চাইতে পারে</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;কোনো নারীর মৃত্যু সংবাদ শুনিলে ইসলাম বিশ্বাসী মানুষ যখন বলে &#39;আল্লাহ তাহাকে বেহেশত নসিব করুন&#39;, তখনই আমার বমি পায়। ঘেন্নায় শরীর রিরি করিয়া ওঠে। কোনো সচেতন নারী কি সজ্ঞানে যৌনপুরির বাসিন্দা হইতে চাইতে পারে&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-NPmcy0r2Uqk/XawVQ-bAjaI/AAAAAAAAETI/rZrlGKZhYT4BeUbADIqpiVV2msaM-CZfQCLcBGAsYHQ/s1600/FB_IMG_1571558576700.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;450&quot; data-original-width=&quot;800&quot; height=&quot;180&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-NPmcy0r2Uqk/XawVQ-bAjaI/AAAAAAAAETI/rZrlGKZhYT4BeUbADIqpiVV2msaM-CZfQCLcBGAsYHQ/s320/FB_IMG_1571558576700.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;? একজন পিতা কি তাহার কন্যাকে যৌনপুরিতে পাঠাইতে পারে? কোনো ব্যক্তি কি তাহার মা কে বেশ্যালয়ের বাসিন্দা হওয়ার জন্য দোয়া করিতে পারে? তাহা হইলে বলুন দেখি আপনি কোন জ্ঞানে আপনার মৃত আম্মাকে বেহেশতে পাঠানোর জন্য আল্লাহর কাছে আবেদন করেন? বেহেশত নামক যৌনপুরিতে নারীর অবস্থান কেমন হইবে তাহা কি জানেন? পুরুষরা বেহেসতে হুর আর গেলমান পাইবে! নারীরা সেখানে কি পাইবে অথবা কাহার সঙ্গিনী হইবে? নারীরা কি বেহেশতে গিয়াও পুরুষের দাসী হইবে? তাহারা কি মরণের পরেও পুরুষের মনোরঞ্জনের বস্তু হইবে? নাকি বেহেশতে গিয়া নারীরা পুরাপুরি স্বাধীন হইয়া যাইবে? সেখানে কি তাহাদের সেক্স লাইফ বলিয়া কিছুই থাকিবে না? যাহারা হিজরা, সমকামী বা উভকামী তাহারা বেহেশতে গিয়া কি পাইবে? এই বিষয়গুলা আপনার জানা থাকা দরকার কিনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার নিচের কয়েকটি প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেন এমন কোনো আলেম, মাওলানা বা ইসলাম বিশেষজ্ঞ আছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. নারীরা কি বেহেশতে গিয়া তাহাদের স্বামীকেই যৌন সঙ্গী হিসাবে পাইবে, না পছন্দের কাউকে বাছিয়া নিতে পারিবে? নাকি তাহাদের সেখানে যৌনজীবন বলিয়া কিছুই থাকিবে না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. ধরেন নারীরা বেহেশতে গিয়ে এই ইহজগতের স্বামীকেই সঙ্গি হিসাবে পাইবে। একজন নেককার নারীর স্বামী খারাপ হইলে সেই স্বামীরতো বেহেশতে যাওয়ার কথা নয়। তাহা হহলে ঐ নেককার নারী বেহেশতে গিয়া কাহাকে পাইবে? সেই নারী কি সেখানে সেক্স না করিয়াই থাকিবে? নাকি তাহাকে অন্য কোনো পুরুষ দেওয়া হহবে সেক্স করার জন্য?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. একজন নারী তাহার বর্তমান স্বামীকে ভালবাসেনা। কারণ তাহার স্বামী তাহার উপর খুব অত্যাচার করে। স্বামীকে ঘৃণা করিলেও বাবা, মায়ের চাপে এবং সামাজিক কারণে তাহার সঙ্গেই সে বসবাস করিতেছে। মারা যাওয়ার পর বেহেশতে গিয়া তাহাকে কি ঐ নির্যাতনকারী অপছন্দের স্বামীর সাঙ্গেই থাকিতে হইতে হবে? ইহার নাম কি সুখের বেহেশত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. পুরুষ মানুষ তার অবস্থান অনুযায়ী সুন্দরী, সুশিক্ষিতা, সংস্কৃতিবান, দক্ষ এবং প্রেমিক নারী কামনা করে। নারীরাও সুন্দর, স্মার্ট, সুশিক্ষিত, মর্যাদাপূর্ণ প্রেমিক পুরুষকে স্বামী হিসাবে পাইতে চায়? কোনো নারীর স্বামী কুৎসিত, মুর্খ এবং অসামাজিক হইলে বেহেশতে যাওয়ার পর সে কি একজন ভাল স্বামী পাওয়ার অধিকার রাখেনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. পচার বাপের প্রতি সখিনার মহব্বত আছে। সুখে দু:খে তাহারা একে অপরের সঙ্গি। তবে বিয়ার আগে সখিনার ইচ্ছা ছিল জমিরকে বিয়া করিবে। বাবায় রাজী হয় নাই তাই সে মানিয়া নিয়েছে। কিন্তু জমিরের উপর মনের টান যায় নাই। জমির এখন অনেক টাকা পয়সার মালিক এবং সমাজে তাহার অনেক নামডাক।সখিনা জমিরকে দেখে আর মনে মনে কষ্ট পায়। কিন্তু ফেরিওয়ালা পচার বাপকে ছাড়িতে পারেনা। পচার বাপের উপর তাহার অনেক টান। কিন্তু জমিরকে দেখিলে তাহার মনে হয় তাহার নিজের জিবনটাও এমন হইতে পারিত। সখিনা মারা যাওয়ার পরে সঙ্গি হিসাবে পচার বাপকে পাইবে নাকি জমিরকে পাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. মৃত্যুর পর ইহজগতের কুৎসিত মানুষগুলাকে কি রাখা হইবে না? তাহাদের চেহারা কি বদল করিয়া দেওয়া হইবে এবং সবাইকে অতি সুন্দর ও স্মার্ট করিয়া দেওয়া হবে? এই দুনিয়াতে যাহাদের চেহারা অতীব সুন্দর এবং দেখতে ফিল্মের নায়কের মত, বেহেশতে যাওয়ার পর শুধুমাত্র তাহারাই অরিজিনাল থাকিবে এবং কুৎসিত এবং দুর্বল পুরুষগুলাকে বদল করিয়া দেওয়া হইবে? নারীদের আকাঙ্খা অনুযায়ী পুরুষদের রুপবান করিয়া দেওয়া হইবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭. ইহজগতে যে নারীর তালাক হইয়া গিয়াছে এবং ভাগ্যের ফেরে দুই অথবা তিনবার তিনজন পুরুষের সহিত শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হইয়াছে, সেই নারী নেককার হইলে বেহেশতে যাওয়ার পর কত নাম্বার পুরুষটাকে পাইবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮. বিধবাদের বিবাহে শরিয়তে কোনো বাধা নাই। নেককার বিধবারা মৃত্যুর পর কোন স্বামীকে বেহেশতের সঙ্গি হিসাবে পাইবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯. ইসলামে দাসীদের সঙ্গে সহবাস করিতে কোনো বাধা নাই। মোহাম্মদ এবং তাহার সাহাবীরা দাসীদের সহিত সেক্স করিতেন। মৃত্যুর পর দাসীরা কাহাকে সঙ্গি হিসাবে পাইবে? তাহাদের এইকালের স্বামীদেরকে বেহেশতে গিয়া সঙ্গি হিসাবে পাইবে নাকি তাহাদের মনিবদেরকে- যাহাদের সঙ্গে তাহারা ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সেক্স করিতে বাধ্য হইয়াছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০. সে সকল দাসীর বিবাহ করার সৌভাগ্য হয়নাই তাহারা বেহেশতে গিয়াও কি তাহাদের মনিবদের সেবায় নিয়োজিত হইবে? তাহারা কি বেহেশতে গিয়াও মুক্ত জীবন পাইবে না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১১. যে সকল মেয়ে যৌনস্বাদ লাভ করিবার আগে শিশু অথবা কুমারী অবস্থায় মারা যায় তাহারা কি বেহেশতে গিয়াও যৌনসুখ হইতে বঞ্চিত হবে? নাকি তাহারা বেহেশতে গিয়া কোনো পুরুষের অধিন হইয়া যাবে? কে সেই পুরুষ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৩. বেহেশতে হিজড়াদের কি গতি হইবে? তাহারা কি যৌনসুখ আস্বাদন করিতে পারিবে না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নারীদের আত্মসম্মান থাকিলে বেহেশত নামক বেশ্যালয়ের বাসিন্দা হহতে চাইবেনা। কোনো সভ্য পুরুষ মানুষও হুরপুরীর বাসিন্দা হইতে চাইবেনা। বেশ্যালয়ে বাস করা প্রেমহীন, মুর্খ ও নিম্নরুচীর মানুষের কামনা হইতে পারে। নারীদের উচিত বেহেশতকে ঘেন্না করা এবং বেহেশত বয়কটের জন্য আন্দোলন করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিখেছেনঃ @Nasima Akter&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/9098409028727575852/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/10/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/9098409028727575852'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/9098409028727575852'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/10/blog-post_20.html' title='সজ্ঞানে যৌনপুরির বাসিন্দা হইতে চাইতে পারে'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-NPmcy0r2Uqk/XawVQ-bAjaI/AAAAAAAAETI/rZrlGKZhYT4BeUbADIqpiVV2msaM-CZfQCLcBGAsYHQ/s72-c/FB_IMG_1571558576700.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-6838354921645146584</id><published>2019-10-13T00:53:00.000-07:00</published><updated>2019-10-13T00:53:32.825-07:00</updated><title type='text'>প্রকৃতি, ঈশ্বর/ সৃষ্টিকর্তা/ আল্লাহ এক জিনিস নয়</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;প্রকৃতি, ঈশ্বর/ সৃষ্টিকর্তা/ আল্লাহ এক জিনিস নয়। প্রকৃতির সাথে ঈশ্বরের যে পার্থক্য আলোচনায় যুক্তি প্রিয় মোঃ ইমরান হোসেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমে আমি আপনাদের কাছে প্রকৃতি এবং প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য প্রকৃতি কি নিয়মে চলে আমি উপস্থাপন করবো,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূলত প্রকৃতি হল একটি বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনে অন্য একটি বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;প্রকৃতি কারো হুকুমে চলে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে বৈশিষ্ট্য না পাবে ততক্ষণ সে কোন কিছুই সৃষ্টি করবে না,&lt;br /&gt;তার অবস্থানে থাকবে। প্রকৃতি একটি পাওয়ার থেকে সকল কিছু পরিবর্তনশীল হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;অথবা একটি এনার্জি থেকে অথবা একটি শক্তি থেকে এক কথায় এনার্জি এবং পদার্থ একই বস্তু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে,&lt;br /&gt;&amp;nbsp;ই = mc2&lt;br /&gt;এই সূত্রটি নির্ভুলভাবে প্রমাণিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অতএব যত পদার্থ দেখতেছেন সবগুলি পাওয়ার অথবা&amp;nbsp; এনার্জি সমন্বয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এনার্জি পরিবর্তন হয়ে থাকে কারো হুকুমে নয়,&lt;br /&gt;কোন বুদ্ধিমান প্রাণীর প্রচেষ্টায় নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এনার্জি পরিবর্তন হয়ে, বৈশিষ্ট্যগত কারণে এবং সেই ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেলেই সে একটি বস্তু থেকে অন্য একটি বস্তুতে সৃষ্টি করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদাহরণস্বরূপ একটি সিমের বিচি যে কোন কারনে যদি আগুনে পড়ে যায়,&lt;br /&gt;&amp;nbsp;তাহলে সেটা, কয়লা হয়ে যাবে অথবা ছাই হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একেই সিমের বিচি মাটিতে পড়লে সেটা হবে সিম গাছ,&lt;br /&gt;আর কোন কারনে কোন পশু পাখি খেয়ে ফেললে সেটা মল,&lt;br /&gt;হয়ে বের হয়ে , সেখানে আরও এক ধরনের বস্তু সৃষ্টি হতে পারে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এইভাবে প্রকৃতি একটি বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;,, এটি হলো প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইবার আলোচনা করি ঈশ্বর /ভগবান /সৃষ্টিকর্তা/ আল্লাহ এদের কাজ এবং বৈশিষ্ট্য কিভাবে মানুষ প্রকাশ করে বা ধর্মবাদীরা প্রকাশ করে,,&amp;nbsp; আলোচনায় আসি,,,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈশ্বর হলো একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি যে কিনা সকল কিছু তার হুকুমে পরিচালনা করে,&lt;br /&gt;ঈশ্বর যাই বলে তাই&amp;nbsp; তাই হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে মানুষের মতো একজন বুদ্ধিমান প্রাণী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এমনও হতে পারে মানুষের থেকেও বুদ্ধি বেশি,ধর্মবাদী এবং ঈশ্বর বাদীরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈশ্বর এবং সৃষ্টিকর্তাকে এভাবে প্রকাশ করে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;আমরা মূলত বাস্তবে অথবা প্রমাণস্বরূপ দেখেছি এই মহাবিশ্ব কারো হুকুমের অথবা কোন বুদ্ধিমান প্রাণীর ইশারা-ইঙ্গিতে পরিচালিত হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;সবকিছু একটি বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী চলতেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;প্রত্যেক বস্তুর সাথে মহাশক্তি, মহাজাগতিক জড়িত।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এই ব্যাপারগুলি বুঝতে পারলে কোন ব্যক্তি তথাকথিত ধার্মিক ভগবানকে বিশ্বাস করত না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;অনেক ক্ষেত্রে তারা বলে&amp;nbsp; আপনারা যেটা প্রকৃতি বলেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেটাই ঈশ্বর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এবং প্রকৃতি&amp;nbsp; ঈশ্বর এর মধ্যে পার্থক্য কি আমি,, বুঝাতে চেষ্টা করেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp; প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য এবং&amp;nbsp; ঈশ্বর দ্বারা নিয়ন্ত্রণকারী এক একেই ব্যাপার নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;প্রত্যেকটা ব্যাপারে আলাদা আলাদা একটি ব্যাপার সমস্ত কিছু জ্ঞান দ্বারা অনুধাবন করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp; এবং কোন বস্তুকে উপাসনা করলে পরিবর্তিত হয়ে যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;প্রকৃতি তার নিজ গতিতে চলে এখানে।&lt;br /&gt;অনেক ক্ষেত্রে আমরা প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে অনেক কিছু সৃষ্টি করতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;তবে যেটুকু আমাদের জ্ঞানের পরিসীমায় থাকে, সেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পরিবর্তন করে থাকি। এই মহাবিশ্ব অনেক বৈশিষ্ট্য অনেক ব্যতিক্রম অনেক মেকানিজম আছে যেটুকু আমাদের মানুষের মাথায় নাই,&lt;br /&gt;&amp;nbsp;শুধু প্রকৃতি বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;কোন উপসনার প্রয়োজন নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অথচ ধর্মবাদীরা ঈশ্বরের ক্ষেত্রে উপসনা অথবা অনেক ধরনের গুজব ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;যেগুলো আসলে প্রকৃতির সাথে কোন মিল নেই,&lt;br /&gt;এবং অযুক্তিক ব্যাপার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আলোচনায় যুক্তি আর যুক্তি&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/6838354921645146584/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/10/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/6838354921645146584'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/6838354921645146584'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/10/blog-post.html' title='প্রকৃতি, ঈশ্বর/ সৃষ্টিকর্তা/ আল্লাহ এক জিনিস নয়'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-1411335459399507005</id><published>2019-09-12T10:48:00.000-07:00</published><updated>2019-09-12T10:56:54.635-07:00</updated><title type='text'>এগুলো শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব  ‘পুলিশের এসআই খায়রুল</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;এগুলো শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব!!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘পুলিশের এসআই খায়রুল&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-FOLfnTOwYnQ/XXqG35qs0xI/AAAAAAAAER0/-iy-L6_ZvAUEsT5Xi9XzgvgI-4AZ0VihACLcBGAsYHQ/s1600/20190912_195603.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;459&quot; data-original-width=&quot;909&quot; height=&quot;161&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-FOLfnTOwYnQ/XXqG35qs0xI/AAAAAAAAER0/-iy-L6_ZvAUEsT5Xi9XzgvgI-4AZ0VihACLcBGAsYHQ/s320/20190912_195603.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;, তাঁর সোর্স কামারুল ও আরও তিন থেকে চারজন বাড়িতে এসে ডাকাডাকি করেন। এত রাতে দরজা খুলতে না চাইলে তাঁরা আমার স্বামীর নামে মামলা দেবেন বলে হুমকি দেন। তখন আমি দরজা খুলে দিই। এ সময় খায়রুল আবারও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা না দিলে ৫৪ ধারায় মামলা করার হুমকি দেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে খায়রুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি ও কামরুল দুজন মিলে আমাকে ধর্ষণ করেন। আর বাকি দুজন বাইরে পাহারা দেয়’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরের ঘটনাটি যশোরের শার্শা উপজেলায় গত সপ্তাহে&amp;nbsp; সংগঠিত হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্যাতিত সেই নারী এক সন্তানের মা। ধর্ষনের পর সেই একাকী নারী যার স্বামী জেলে সে কোলের বাচ্চা নিয়ে অনেক সাহস সঞ্চয় করে হাসপাতালে যান। কিন্তু ডাক্তার তাকে পরীক্ষা করতে অস্বীকৃতি জানায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে বছরের পর বছর ধরে খুব অদ্ভুত এক রেওয়াজ চলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি কোন নারী ধর্ষিত হয়ে হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয় না যতক্ষন পর্যন্ত থানা থেকে সেই নারী অভিযোগ পত্র নিয়ে আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাহ, এর কোন রাষ্ট্রীয় আইনানুগ ভিত্তি নেই, এমন কোন কিছুই আইনে বলা নেই কিন্তু বছরের পর বছর এভাবেই চলে আসছে। কেন চলে আসছে কারো কাছে এর কোন জবাবও নেই। এইটাই রীতি, এভাবেই হয়ে আসছে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;থানা থেকে যদি অভিযোগ পত্র না আসে তবে হাসপাতাল ধর্ষনের পরীক্ষা করে না, করলেও থানা আবার সেটি আমলে নেয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাবুন একবার, যেই নারীটি সারারাত ধর্ষন হয়েছে সেই নারী পরদিন সেই ধর্ষকের কাছে গিয়েই বলছে, আপনার নামে অভিযোগ করব, পরীক্ষা হবে, আলামত নিব, আমাকে রিপোর্ট লিখে দিন।&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাবতে পারছেন বিষয়টা কতটা অযৌক্তিক আর রসিকতায় ভরা?&amp;nbsp; এ তো একজন ধর্ষিতার সাথে সারাসরি প্রহসন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভয়াবহ এ রীতির বলি যশোরের এই ধর্ষিত নারী। একজন পুলিশের এসআইয়ের নামে তার অভিযোগ কিন্তু মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে হলে সেই পুলিশের কাছে থাকেই তাকে অনুমতি নিয়ে আস্তে হবে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবচাইতে কষ্টের বিষয়, যশোরের ঐ নারী একা হাসপাতালে গেলেও তাকে পরীক্ষা করা হয়নি, তাকে দীর্ঘক্ষন বসিয়ে রাখা হয়। শেষ বিকেলে অভিযোগ পেয়ে যখন পরীক্ষা&amp;nbsp; করা হয় তখন হাসপাতালের ডিউটি শেষ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজন নারীর জন্য সমগ্র বিষয়টি কতোটা অপ্রীতিকর এবং অসহযোগিতামূলক বুঝতে পারছেন তো?&amp;nbsp; এর জন্যই এই দেশে ধর্ষনের অভিযোগ কম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিভাবে করবে? সমাজের এত এত বাধা পেরিয়ে কয়জনের আর মানসিক জোর থাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন মেডিক্যাল রিপোর্টে&amp;nbsp; সেই নারীর শরীরে ধর্ষনের আলামত পাওয়া গেছে, সিমেনের অস্তিত্ব মিলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু প্রসহন এখনও শেষ হয়নি, ধর্ষণের অভিযুক্ত&amp;nbsp; সেই এসআই খাইরুলকে বাদ দিয়ে অজ্ঞাতনামা একজনসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বুধবার দুপুরে যশোরের সংবাদকর্মীরা নির্যাতিত ওই নারীর বাড়ি গিয়ে জানতে পারেন, কিছু সময় আগে পুলিশ সদস্যরা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। কিন্তু এরপর থেকেই ওই নারীকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। পুরো গ্রাম খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসব বিষয়ে ওই নারীর প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা পুলিশের হয়রানির ভয়ে কথা বলতে চাননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি&lt;br /&gt;#ThisisBangladesh&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Information legacy: Rafiuzzaman Sifat.&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/1411335459399507005/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/09/thisisbangladesh-information-legacy.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1411335459399507005'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1411335459399507005'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/09/thisisbangladesh-information-legacy.html' title='এগুলো শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব  ‘পুলিশের এসআই খায়রুল'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-FOLfnTOwYnQ/XXqG35qs0xI/AAAAAAAAER0/-iy-L6_ZvAUEsT5Xi9XzgvgI-4AZ0VihACLcBGAsYHQ/s72-c/20190912_195603.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-541803959258607936</id><published>2019-09-09T07:03:00.000-07:00</published><updated>2019-09-09T07:03:12.538-07:00</updated><title type='text'>শিক্ষার সুযোগ রাখে নি কেন বাংলাদেশ</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&lt;div&gt;রোহিঙ্গারা অসভ্য কারণ মিয়ানমার তাদের জন্য শিক্ষার সুযোগ রাখে নি।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-zGVSn1WRMwo/XXZbl9k3OCI/AAAAAAAAERo/KSVTNP9ntSEd9d1QrPStdWNVGBqjWtbVACLcBGAs/s1600/FB_IMG_1568037382466.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;422&quot; data-original-width=&quot;750&quot; height=&quot;180&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-zGVSn1WRMwo/XXZbl9k3OCI/AAAAAAAAERo/KSVTNP9ntSEd9d1QrPStdWNVGBqjWtbVACLcBGAs/s320/FB_IMG_1568037382466.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিশাল বোঝা কারণ তারা শিক্ষিত নয়,&amp;nbsp; নেতৃত্ব নেই।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রোহিঙ্গাদের শিক্ষিত করে, নেতৃত্ব গড়ার সুযোগ সৃস্টি করেই কেবলমাত্র সমস্যার সমাধান সূত্র পাওয়া যাবে।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;খুশি নামের মেয়েটা রোহিঙ্গা পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হ হতেই পারতো না তাই পরিচয় গোপন করতে হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেই মেয়ের লেখাপড়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয়াটা বিরাট অন্যায়।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা সব কিছু উলটো করছি কেন?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;খুশি - তোমার আনন্দ,&amp;nbsp; স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে যারা তারা রাজাকার,&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/541803959258607936/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/09/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/541803959258607936'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/541803959258607936'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/09/blog-post.html' title='শিক্ষার সুযোগ রাখে নি কেন বাংলাদেশ'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-zGVSn1WRMwo/XXZbl9k3OCI/AAAAAAAAERo/KSVTNP9ntSEd9d1QrPStdWNVGBqjWtbVACLcBGAs/s72-c/FB_IMG_1568037382466.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-8153919746098104111</id><published>2019-08-30T12:06:00.001-07:00</published><updated>2019-08-30T12:06:05.138-07:00</updated><title type='text'>ইসলামিক সারিয়া অনুযায়ী স্ত্রীকে পিটানোর কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে। সহিহ ইসলামিক</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;ইসলাম মতে স্ত্রী প্রহারের সহিহ তারিকা&lt;br /&gt;-------------------------------------------------&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৫ সালে বিবিসি’র খবরে দুনিয়া শিউরে উঠেছিল যখন ইরাণের কোর্টে স্ত্রী আবেদন করেছিল তার স্বামীকে আদেশ দিতে যাতে সে তাকে প্রতিদিন না মেরে সপ্তাহে একদিন মারে, স্বামী দাবি করেছিল এ তার ইসলামি অধিকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম স্ত্রী প্রহারের অনুমতি দেয়। কিন্তু অনেকেই স্ত্রী প্রহারের সহিহ তারিকা জানেন না। কি কি কারণে এবং কি কি ভাবে কোথায়, স্ত্রীদের প্রহার করা যাবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা কোরান ও হাদিসে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামিক সারিয়া অনুযায়ী স্ত্রীকে পিটানোর কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে। সহিহ ইসলামিক&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-_NqAC5xRCx4/XWlzhfs-m7I/AAAAAAAAERI/PCGaycyrf6kmYxNVVJPZ2sBR2Kd9eRX7wCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190830-210246_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;646&quot; data-original-width=&quot;1045&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-_NqAC5xRCx4/XWlzhfs-m7I/AAAAAAAAERI/PCGaycyrf6kmYxNVVJPZ2sBR2Kd9eRX7wCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190830-210246_Facebook.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;তারিকায় বউ পিটালে বউয়ের গায়ে কোন দাগ ফেলা যাবেনা, এবং বউয়ের মুখে মারা যাবেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিভাবে মারলে স্ত্রীর গায়ে দাগ পড়বে না সেই &quot;বৈজ্ঞানিক’ পদ্ধতির&quot; ওপর নামকরা মওলানার লেখা কেতাবও আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ত্রী-প্রহারের সুস্পষ্ট আয়াত আছে সুরা ছোয়াদ ৪৪-এ। এতে হজরত আয়ুবকে (আঃ) বলা হয়েছে গাছের কাঁচা ডাল দিয়ে স্ত্রীকে প্রহার করতে (কেউ কেউ অনুবাদ করেছেন ‘তৃণ-শলাকা’ − এটা ঠিক নয়)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আল্লাহ কোরানে পরিষ্কার ভাবে বলেছেন যে পুরুষরা নারীর উপর কর্তৃত্ব শীল তাই নারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পুরুষরা নারীদের প্রহার করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুরা নিসা, আয়াত ৩৪ (৪:৩৪):&lt;br /&gt;&quot;পুরুষরা নারীর উপর কর্তৃত্ব শীল। এ জন্য যে আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সেমতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগত এবং আল্লাহ যা হেফাজত যোগ্য করে দিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাজত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশংকা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করোনা।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার মানে স্ত্রীরা যদি স্বামীর বাধ্য না হয় তাহলে তাদের প্রহার করা যাবে। কিন্তু এই আয়াতে প্রহার বলতে কি বুঝানো হয়েছে তা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক আছে। তবে স্ত্রী অবাধ্য কি না তা ওই স্বামীই ঠিক করবে। এবং সে কখন কি-কারণে কিভাবে কতটা মারপিট করছে তা দেখার কেউ নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরুষের কর্তৃত্বশীলতা বলেই দেয়া হল এখানে। কারণ তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। যে কর্তৃত্ব করে, আর যার ওপরে কর্তৃত্ব করা হয়, এ দু’জন কখনো সমান হয় না, হতে পারে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি আপনি জিজ্ঞাসা করেন যে আল্লাহ্‌ পুরুষদের অনুমতি দেয় তাদের স্ত্রীদের পিটানোর কিন্তু স্ত্রীদের কেন তাদের স্বামীদের পিটানোর অনুমতি দেয় না? এতে উত্তর পাবেন যে কারণ স্বামীদের শারীরিক শক্তি বেশি। অথবা স্বামীরা ইনকাম করে তাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু তাহলে কি আল্লাহ্‌ শবলের পক্ষে আর দুর্বলের বিপক্ষে কথা বলেন? আর শারীরিক শক্তি দিয়ে যদি শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করা হত তাহলে আফ্রিকার গরিলারাই সর্বশ্রেষ্ঠ হত। আর যেসব নারীরা ইনকার করে তারা কি পুরুষদের পিটাতে পারবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান বিশ্বে শারীরিক শক্তি দিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করা একেবারেই হাস্য কর। আর টাকা দিয়েও কাউকে মহৎ ভাবা যায় না। যদি তাই হত তাহলে মানুষ টাকা কে সম্মান করতো, মানবতা কে নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ তাদের বউ পেটায় না সত্যি, কিন্তু কিন্তু কথাটা আসলে নীতির, নারী-অধিকারের ও সম্মানের। একজন মানুষ যদি আরেকজন মানুষের গায়ে হাত তোলার অধিকার পায়, তাহলে সমাজ ও সভ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাচ্চাদের সামনে বাবা তাদের মা’কে ধরে পেটানোর দৃশ্য অত্যন্ত কুৎসিত এবং বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর। এ হিংস্রতা ও নোংরামিকে ইসলাম বৈধ করতে পারে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু কোরান হাদিসে কোথাও স্ত্রীকে মারার ব্যাপারে নিষেধ নেই। বরং আয়শার একটি হাদিসে আছে যে মোহাম্মাদ নিজেই আয়শার বুকে ঘুষি মেরেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাদিসে আছে নবীজী মেসওয়াক করার সময় লোকেরা তাঁকে বৌ-পেটানোর পদ্ধতি জিজ্ঞেস করলে তিনি নাকি মেসওয়াকটা ঠুস করে গায়ে লাগিয়ে বলেছিলেন − ‘এভাবে।’ এ-সব হাদিস নারীর মর্যাদার খেলাফ কারণ বিষয়টা কিভাবে মারছে বা কি দিয়ে মারছে , বিষয়টা নীতির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নবীজী নাকি বলেছেন, “যেমন ভাবে দাস- দাসীদের প্রহার কর তেমন ভাবে কখনো স্ত্রীদের মারবে না। তারপর রাতে তাদের সাথে শোবে” (সহি বুখারি হাফেজ আব্দুল জলিলের অনুবাদ হাদিস নং ২৪৬৮)। “রোজ হাশরে কোন স্বামীকে জিজ্ঞেস করা হবে না কেন সে স্ত্রীকে মেরেছিল” (হাদিস নং ২১৪২ ইণ্টারনেটে সহি আবু দাউদ),&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনারা আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন - এটা ধর্মের নামে অসভ্যতা নয় কি?&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/8153919746098104111/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_30.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/8153919746098104111'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/8153919746098104111'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_30.html' title='ইসলামিক সারিয়া অনুযায়ী স্ত্রীকে পিটানোর কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে। সহিহ ইসলামিক'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-_NqAC5xRCx4/XWlzhfs-m7I/AAAAAAAAERI/PCGaycyrf6kmYxNVVJPZ2sBR2Kd9eRX7wCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190830-210246_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-9209874496379117540</id><published>2019-08-27T14:48:00.000-07:00</published><updated>2019-08-27T14:48:10.491-07:00</updated><title type='text'>ছেলেদেরকে ধর্ষণ করবার ঘটনা মেয়েদের চাইতে কম না</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;প্রতিবেশির হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলো নয় বছর বয়সী রাকিব (ছদ্মনাম)। এরপর থেকেই তার আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে যায়। সারাদিন চুপচাপ থাকে। অপরিচিত কাউকে দেখলেই ভয় পায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার তিন মাস পর রাকিবের বাবার সঙ্গে যখন কথা হয়, তখনো তার চিকিৎসা চলছিলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাকিবের বাবা বলছিলেন, তার আরেকটি কন্যা সন্তান আছে। যাকে নিয়ে তার পরিবার সবসময়ই সচেতন থাকতো।&lt;br /&gt;কিন্তু তার ছেলেরও যে বিপদ হতে পারে সে বিষয়ে কোন ধারণাই ছিলো না তার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;ঘটনার দিন আমার ছেলেটাকে এক প্রতিবেশি তার বাড়িতে ডাইকা নিয়া যায়। আমরা জানতাম না। লোকটা তারে খাবারের লোভ দেখাইছিলো। সারাদিন ছেলেটার কোন খোঁজ পাই নাই। সন্ধ্যায় যখন ছেলেটা বাড়িতে আইলো তখন কেমন জানি করতেছিলো। চুপচাপ ছিলো। কিন্তু ওর প্যান্টের পিছনে রক্ত দেখে সন্দেহ হয় ওর নানির।&quot; বলছিলেন রাকিবের বাবা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;ওরে আমরা জিগাইছি কী হইছে? কোন কথা বলে না। পরে যখন মাইরের ভয় দেখাইছে, তখন সে নির্যাতনের কথা কইছে&quot;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;লোকটা ওরে মাইরা ফেলার ডর দেখাইছে। সেইজন্যে সে কথা কইতে চায় নাই। কিন্তু আমরা ওর প্যান্টে রক্ত দেইখ্যাই ঘটনা বুঝতে পারছিলাম।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় একটি মামলা করেছিলো। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে।&lt;br /&gt;কিন্তু এরকম অনেক যৌন নির্যাতন কিংবা ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়া দূরে থাক অনেক সময় ঘটনা প্রকাশই হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকমই একজন সুমন আহমেদ (ছদ্মনাম)। ১৪ বছর বয়সে যৌন নির্যাতনের শিকার হলেও পরবর্তী ১৫ বছর ধরে সে ঘটনা তিনি গোপনেই রেখেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;আমার বয়স তখন ১৪ বছর। বেড়াতে গিয়েছিলাম কাজিনের বাসায়। সেখানে রাতে আমাকে থাকতে দেয়া হয় আমার চেয়ে ১৫ বছরের বড় একজনের সঙ্গে। রাতে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়, দেখতে পাই ফিজিক্যালি আমি তার পুরো কন্ট্রোলে। সে প্রচণ্ড জোরে কিস করছিলো, শরীরের বিভিন্ন অংশে টাচ করছিলো। আমি চেষ্টা করেও তার কব্জা থেকে বের হতে পারছিলাম না। ভয়ে আমি কোন চিৎকারও করতে পারিনি।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;এই ঘটনার কথা আমি কখনোই কাউকে বলিনি। আমার বা তার পরিবারকেও না। কারণ, পরিবারে তার একটা ভালো অবস্থান ছিলো। আর এ ধরণের ঘটনা যে ঘটতে পারে বা ঘটলে কি করতে হবে সে বিষয়েও আমার কোন ধারণা ছিলো না।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে এরকম ছেলেশিশুর উপর যৌন র্নিযাতনের ঘটনা বিভিন্ন সময়ই শোনা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের হিসেবে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ১১ জন ছেলেশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ২০১৮ সালে সংখ্যাটি ছিলো ৯ জন। আর ২০১৭ সালে ১৫ জন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু বাস্তব চিত্র আরো ভয়াবহ বলেই মনে করে শিশু অধিকার সংগঠনগুলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বেসরকারি শিশু সংগঠন &#39;ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সে&#39;র নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানা মনে করেন, বাংলাদেশে সামাজিকভাবেই ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতন বা ধর্ষণের বিষয়ে একধরণের নিরবতা কিংবা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&quot;বাংলাদেশে ছেলেশিশুদের উপরও যে যৌন নির্যাতন হয়, সেটাই তো আমাদের সমাজ এখনো গ্রহণ করতে পারেনি। এখানে পথশিশুরা নির্যাতনের শিকার হয়, আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এধরণের ঘটনা আমরা পেয়েছি। তবে সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতনের ঘটনা হয় পরিবারে। কারণ, সেখানে অপরাধীদের জন্য শিশুদের কাছে পাওয়াটা সহজ। ছেলেশিশুদের কাছে পাওয়াটা আরো সহজ। আমরা এখনো শুধু মেয়েশিশুদের নিয়েই সচেতন, ছেলেশিশুর যৌন নিরাপত্তা আমাদের মাথাতেই নেই। এমনকি এরকম ঘটনা ঘটলেও সেটা গোপন করার প্রবণতা বেশি।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাকিবের বাবা তার ছেলেশিশুর ধর্ষণের ঘটনায় থানায় যে মামলাটি করেছিলেন সে মামলাটি দায়ের হয়েছিলো দণ্ডবিধির-৩৭৭ ধারায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অথচ মামলাটি হওয়ার কথা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারণ ৩৭৭ ধারায় শিশুর উপর যৌন নির্যাতনের বিষয়ে কোন বক্তব্য নেই। ধারাটি মূলত: প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে স্বেচ্ছায় যৌন সঙ্গম বা সমকামিতার অপরাধ বিষয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি বলছিলেন, &quot;২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন হওয়ার আগে ছেলে শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনের ঘটনায় মামলা দায়ের হতো দণ্ডবিধিতে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির কারণে কোন কোন পুলিশ কর্মকর্তা অসাবধানতাবশতঃ এখনো দণ্ডবিধিতেই মামলা নিচ্ছেন। তবে এ ধরণের ঘটনা খুবই কম। এবং অভিযোগপত্র তৈরির সময় এই ভুল সংশোধন করা হয়।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি বলছিলেন, &quot;২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন হওয়ার আগে ছেলে শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনের ঘটনায় মামলা দায়ের হতো দণ্ডবিধিতে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির কারণে কোন কোন পুলিশ কর্মকর্তা অসাবধানতাবশতঃ এখনো দণ্ডবিধিতেই মামলা নিচ্ছেন। তবে এ ধরণের ঘটনা খুবই কম। এবং অভিযোগপত্র তৈরির সময় এই ভুল সংশোধন করা হয়।&quot;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দণ্ডবিধি&#39;র ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের সংজ্ঞা দেয়া আছে। এই সংজ্ঞাটিই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রহণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবেই পুরুষের মাধ্যমে নারী&#39;র ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে &#39;শিশু&#39;র কথা বলা হলেও সেটা যে ছেলেশিশুর নির্যাতনকেও অন্তর্ভূক্ত করছে সেটা বুঝতে পারেন না অনেকেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফলে আইনে কিছু পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন ঢাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক তাসলিমা ইয়াসমীন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফলে আইনে কিছু পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন ঢাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক তাসলিমা ইয়াসমীন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;BBC বাংলা&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/9209874496379117540/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/9209874496379117540'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/9209874496379117540'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_27.html' title='ছেলেদেরকে ধর্ষণ করবার ঘটনা মেয়েদের চাইতে কম না'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-3982619912144955930</id><published>2019-08-22T02:18:00.000-07:00</published><updated>2019-08-22T02:18:07.535-07:00</updated><title type='text'>নারী তুমি হাজার ফেরেস্তার অভিশাপ</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি কী???&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি বিষাক্ত সাপ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&amp;nbsp;নারী তুমি পুরুষের মেরুদণ্ড ভাঙ্গার হাতুড়ি।।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি ফেতনা সৃষ্টির পথ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি মোমিনের চরিত্র নষ্ট করার মাধ্যম।।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি হাজার ফেরেস্তার অভিশাপ।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি শস্য ক্ষেতের রুপালী সোনালী ফসল।।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি সমাজের বিশৃঙ্খলা এক সাগরউনি&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,,নারী তুমি পান থেকে চুন খসলে কথা শোনার ফুলঝুরি।।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি এপার উপারের অবহেলিত সাঁকো।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;নারী তুমি আরেক টা নারীর কষ্ট।।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি বুদ্ধি হীনমন্যতা&amp;nbsp; নিকৃষ্ট প্রাণী।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী তুমি চাঁদের মত কলঙ্কি,আলোতে ঝলমলে পবিত্র প্রাণী।।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যারা নারী কে এই সব ভেবে মন কে করেছে নোংরামি। তারা হলো&amp;nbsp; ড্রাজবিনের নোংরা চেও নিকৃষ্ট প্রাণী।&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-gNk65UVp8Cc/XV5dgzQHMJI/AAAAAAAAEQg/A4_WreHEWH8VGrpjSzLd6JPeHP7XwreDgCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190822-110327_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1340&quot; data-original-width=&quot;1065&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-gNk65UVp8Cc/XV5dgzQHMJI/AAAAAAAAEQg/A4_WreHEWH8VGrpjSzLd6JPeHP7XwreDgCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190822-110327_Facebook.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;------&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/3982619912144955930/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3982619912144955930'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3982619912144955930'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_22.html' title='নারী তুমি হাজার ফেরেস্তার অভিশাপ'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-gNk65UVp8Cc/XV5dgzQHMJI/AAAAAAAAEQg/A4_WreHEWH8VGrpjSzLd6JPeHP7XwreDgCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190822-110327_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-266426069620073446</id><published>2019-08-11T11:55:00.002-07:00</published><updated>2019-08-11T11:55:53.793-07:00</updated><title type='text'>একটা শকুনের বাচ্চা তার বাবাকে বললো বাবা আমি মানুষের মাংস খাবো।</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;একটা শকুনের বাচ্চা তার বাবাকে বললো বাবা আমি মানুষের মাংস খাবো।&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-D1uhaineH44/XVBknoX6SnI/AAAAAAAAEP0/tiZHR3Vw9z0ffn1rtrJVIIvKLfafC9ZdQCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190811-205347_Chrome.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;730&quot; data-original-width=&quot;456&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-D1uhaineH44/XVBknoX6SnI/AAAAAAAAEP0/tiZHR3Vw9z0ffn1rtrJVIIvKLfafC9ZdQCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190811-205347_Chrome.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;তখন শকুনটা বলল ঠিক আছে আমি আর তোর জন্য মানুষের মাংস নিয়ে আসছি। এই বলে শকুনটা বেরিয়ে গেল আর রাতে আসার সময় একটা শুকর নিয়ে এলো।বাচ্চাটা শুকরের মাংস দেখে রেগে গিয়ে তার বাবাকে বলল, আমি তোমার কাছে মানুষের মাংস খেতে চেয়েছি কিন্তু তুমি আমাকে শুকরের মাংস দিলে? আমি এই মাংস খাব না। আমি মানুষের মাংস খাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই কথা শকুনটা আবার বেরিয়ে পরলো। মানুষের মাংস খুঁজতে খুঁজতে অনেক দূরে চলে গেছে। তারপরও সে মানুষের মাংস পায়নি। কিন্তু বাচ্চাটাকে খুশি করাতেই হবে সেই চিন্তায় সে আরো খুঁজতে লাগল।আরো কিছু দূর যাওয়ার পর শকুনটা একটা মরা গরু দেখতে পেল। সে ওখান থেকে কিছু মাংস নিজেও খেল আর কিছু মাংস তার বাচ্চার জন্য নিয়ে এলো।এসে সে বাচ্চা কে বলল, এই নে বাবা আমি তোর জন্য এবার মানুষের মাংস নিয়ে এসেছি। এই মাংসটা খেয়ে তুই তোর মনের আশা পূরণ কর। বাচ্চাটা মাংস গুলো দেখে বুঝতে পারল এগুলো গরুর মাংস। তাই বাচ্চা শকুনটা তার বাবাকে বলল, বাবা এগুলোও মানুষের মাংস না। এটা হল গরুর মাংস। আমি তোমার কাছে মানুষের মাংস চেয়েছি আর&amp;nbsp; তুমি আমাকে মানুষের মাংস এনে দাও। আমি মানুষের মাংস খাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন শকুনটা মস্ত বিপদে পড়লো আর মনে মনে ভাবতে লাগল কি করা যায়। তখন হঠাৎ করে শকুনের মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। সে গরুর মাংস টা নিয়ে একটা মন্দিরে এবং শুকরের মাংস টা নিয়ে একটা মসজিদে ফেলে দিয়ে এল। একটু পরে যখন সকাল হলো তখন হিন্দুরা মন্দিরে গিয়ে দেখতে পেল মন্দিরে কেউ গরুর মাংস ফেলে দিয়ে গেছে আবার মুসলিমরা মসজিদে গিয়ে দেখতে পেল মসজিদে কেউ শুকরের মাংস ফেলে গেছে। এই দেখে হিন্দু মুসলিম দুই পক্ষের মধ্যে দাঙ্গা বেঁধে গেল। সেই দাঙ্গায় অনেক মানুষ মারা গেল। এরপর শকুনটা তার বাচ্চাটাকে নিয়ে সেখানে এল।তারা বাপ বেটা মিলে ইচ্ছে মতো মানুষের মাংস খেয়ে তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খাওয়া শেষে বাচ্চাটা তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করল, এতগুলো মানুষ এখনে কিভাবে মরল? তখন শকুনটা পুরো ঘটনাটা তার বাচ্চা কে বলল এবং সাথে এটাও বলল যে পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ প্রাণী মানুষ। কারণ এরা কল্পিত ঈশ্বরের জন্য নিজের জীবন দিতেও ভয় করো না আবার অন্যের জীবন নিতেও ভয় করে না।এর পর শকুনটা তার বাচ্চাকে একটা উপদেশ দিলো। সেটা হলো,তোমরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এই মানুষদের থেকে দূরে থাকবে এবং তোমাদের বাচ্চাদের কে এই কথাটা বলে দেবে।আর এটাও বলবে তারাও যেন তাদের বাচ্চাদেরকে এই কথাগুলো বলে। তানাহলে তোমরাও&amp;nbsp; মানুষের মত হয়ে যাবে।তোমরাও নিজেদের মধ্যে মারামারি করবে।আর সেই জন্যই শকুনরা সবসময় মানুষদের থেকে অনেক দূরে থাকে এবং তারা নিজেদের মধ্যে মারামারিও করে না।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/266426069620073446/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_95.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/266426069620073446'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/266426069620073446'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_95.html' title='একটা শকুনের বাচ্চা তার বাবাকে বললো বাবা আমি মানুষের মাংস খাবো।'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-D1uhaineH44/XVBknoX6SnI/AAAAAAAAEP0/tiZHR3Vw9z0ffn1rtrJVIIvKLfafC9ZdQCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190811-205347_Chrome.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-7040150558367464059</id><published>2019-08-11T11:28:00.000-07:00</published><updated>2019-08-11T11:30:52.190-07:00</updated><title type='text'>প্রাণী হত্যা করে ভালবাসার প্রমাণ দেয়া যায় নাকি প্রাণী বাঁচিয়ে</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;হে মুসল্মান,&lt;br /&gt;জানার চেষ্টা করুন স্বপ্ন অলৌকিক বিষয় নাকি পুরোপুরি নিজের অবচেতন মনের কল্পনা যা পুরোপুরি আপনার অতীতলব্ধ অভিজ্ঞতার সাথেই জড়িত?&lt;br /&gt;জানার চেষ্টা করুন ইহুদিদের ধার করা প্রথা কীভাবে আপনার ধর্মীয় প্রথা হয়ে গেল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজেকে প্রশ্ন করুন,&lt;br /&gt;আপনার সবচাইতে প্রিয় বস্তুটি কী এবং কাল কোরবানি করতে চলেছেন কী?&lt;br /&gt;আরো প্রশ্ন করুন,&lt;br /&gt;প্রাণ হত্যা/স্যাক্রিফাইস করে ভালবাসার প্রমাণ দেয়া যায় নাকি প্রাণ বাঁচিয়ে বা ফুল, কবিতা, উপহার, সারপ্রাইজ দিয়ে বা নিজের খারাপ স্বভাব, কাজ স্যাক্রিফাইস করে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই সাথে ভাবুন,&lt;br /&gt;১। ঈশ্বর দয়ালু হলে আপনাকে প্রাণী হত্যার অনুমতি দিত না, আপন সন্তান তো দূরের কথা। বরং আপনাকে একটা কবিতা লিখতে বলত বা একটি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বলত। তার চাইতে বড় কথা অভাব, অশান্তি, হত্যা এগুলো কোনো দয়ালু ঈশ্বরের পরিকল্পনা হতেই পারে না!&lt;br /&gt;২। ঈশ্বর সর্বজ্ঞ সবজান্তা হলে আপনার পরীক্ষা নিত না।&lt;br /&gt;৩। কোনো প্রাণ হত্যা করে আপনার কিছুই কুরবান/বলি/ত্যাগ হয়না। বরং আপনি সস্তাদরে মাংস খেতে পারেন।&lt;br /&gt;৪। দুই চার পাঁচশ টাকা বা দুই চার কেজি মাংস দিয়ে একটা পরিবারের ভাগ্য বদলায় না। সবার এক বারের দানের পয়সা দিয়ে একটা পরিবারের অবস্থা বদলে দিলে তবেই সম্ভব অর্থনৈতিক মুক্তি।&lt;br /&gt;৫। ঈশ্বরের নৈকট্য লাভ করতে প্রাণী হত্যা নয়, ঈশ্বরকে বলুন আপনার কাছে আসতে।&lt;br /&gt;৬। বেঁচে থাকার জন্য মাংস খাওয়া (তাও আবার বিকল্প না পাওয়ায়) আর উৎসব করে খাওয়া এক জিনিস নয়।&lt;br /&gt;৭। কুরবানির ইদ/খুশি নয়, পারলে কুরবানির কষ্ট/বর্বরতা বলুন এটাকে।&lt;br /&gt;৮। বাচ্চাদের এসবের মধ্যে জড়াবেন না, দয়া করে তাদের দূরে রাখুন। এই হত্যায় মানুষের পশুত্ব কুরবানি তো হয়ই না বরং মানুষ আরও বর্বর হয়, অনুভূতিহীন হয়ে যায় একটা প্রাণের প্রতি। জঙ্গিবাদের মূল ভিত্তিও এটাই, ঈশ্বর হুকুম করলে প্রাণ দিতে বা নিতে দ্বিধা করতে নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথাগুলো কে বলছে তা না ভেবে কী বলা হল তা পড়ুন, আবার পড়ুন, আবার পড়ুন।&lt;br /&gt;প্রশ্ন করুন, ভাবুন, জানার চেষ্টা করুন যদি বেহেশতের নেশায় নিজের মস্তিষ্ক পুরোপুরি বন্ধক না দিয়ে থাকেন।&lt;br /&gt;শুভকামনা রইল।&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-1DPo_gQYaX8/XVBdt2KW7BI/AAAAAAAAEPo/AtywKGV6ClINotqlV8x_BadlfovZa-a_QCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190811-200943_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;749&quot; data-original-width=&quot;1079&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-1DPo_gQYaX8/XVBdt2KW7BI/AAAAAAAAEPo/AtywKGV6ClINotqlV8x_BadlfovZa-a_QCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190811-200943_Facebook.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/7040150558367464059/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_11.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7040150558367464059'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7040150558367464059'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_11.html' title='প্রাণী হত্যা করে ভালবাসার প্রমাণ দেয়া যায় নাকি প্রাণী বাঁচিয়ে'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-1DPo_gQYaX8/XVBdt2KW7BI/AAAAAAAAEPo/AtywKGV6ClINotqlV8x_BadlfovZa-a_QCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190811-200943_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-261185704732781141</id><published>2019-08-08T13:03:00.001-07:00</published><updated>2019-08-08T13:03:17.765-07:00</updated><title type='text'> রাতভর ধর্ষনের পরদিন ওই গৃহবধূকে পাঁচ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&#39;স্যার আমার ছেলে মাদরাসায় পড়ে। আমাকে এভাবে শেষ করে দিবেন না। এ সময় খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশ ওসি অট্রহাসি দিয়ে বলে-‘তোর এখনও ভরা যৌবন, এ দিয়েই তো চলে’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই বলে সে আমাকে বিবস্ত্র করে ফেলে তার রুমের মধ্যে ধর্ষণ করে। সে চলে যাবার পরে থানার গৌতম দারোগাসহ চারজন পুলিশ রাতভর আমার উপর নির্যাতন চালায়।&#39;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে তিন সন্তানের মা ঐ গৃহবধূ খুলনা রেলওয়ে থানার পাঁচ পুলিশের হাতে ধর্ষনের বিবরণ তুলে ধরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার সূত্রপাত,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত শুক্রবার (২ আগস্ট) ঐ গৃহবধূ যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে ধরে থানায় ধরে নিয়ে যায়। রাত গভীর হলে জিআরপি পুলিশের ওসি ওসমান গনি পাঠান ঐ গৃহবধূকে থানায় ধর্ষন করে এবং পরে আরও ৪ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাতভর ধর্ষনের পরদিন ওই গৃহবধূকে পাঁচ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-ROyKLhtLWgo/XUx_6fbSzJI/AAAAAAAAEO0/61XkURH1dwMb7apzpoytEtlMjG7rTPKcgCLcBGAs/s1600/FB_IMG_1565294363266.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;377&quot; data-original-width=&quot;645&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-ROyKLhtLWgo/XUx_6fbSzJI/AAAAAAAAEO0/61XkURH1dwMb7apzpoytEtlMjG7rTPKcgCLcBGAs/s1600/FB_IMG_1565294363266.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;গৃহবধূর ভাই মো. সেলিম হাওলাদার জানান, আমাকে পুলিশ বলে, তোমার বোনকে মোবাইল চুরির জন্য ধরে নিয়ে আসছি। আমি বলেছি, স্যার আমার বোনতো এসব করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ বলে, এই তুমি বেশি জানো? এই একে ধরো। বোনের সঙ্গে ভাইরেও লকআপে ভরো। আমি বলি স্যার কি বলছেন? তিনি বলে, এই বেশি কথা বলবি না। যা বাসা থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে আয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি বলি, আমরা গরিব মানুষ টাকা পাব কই? তিনি বলেন, টাকা পাবি কই আমি জানি না। তুই টাকা নিয়ে আয়। তা না হলে ওরে ছাড়ব না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত আমি ওইখানে বসে থাকি। আমাকে অনেক ভয়-ভীতি দেখাইছে। ‘ফেনসি দিমু নয় বাবা দিয়া চালান দিয়া দিমু।’ যাও বাসায় যাও, ভালো লোক হয়ে থাকলে বাসায় যাও। আমি ভয়ে চলে আসছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবার ভোর ৬টায় গেছি। যাওয়ার পরে বলে, এদিকে এসো, টাকা আনছো? আমি বলি স্যার আমরা গরিব মানুষ, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না। ঠিক আছে এখন ৭ বছর জেল খাটলে.. এরপর আমাকে বলে এই ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি করে আনো। আমি আনছি, আনার পরে এবার আমার ছোট বোনকে বের করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাকে ফটোকপি আনতে দিয়ে ফেনসিডিল দিয়ে ওরে বের করছে। আমি বলি স্যার এই আনছি। এরপর আমার বোন আমারে জড়িয়ে ধরে বলে, ভাইয়া আমারে পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়েছে ব্যাগে। আমি বলি আমাকে ফটোকপি আনতে দিলেন, এখন পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়ে চালান দিলেন। এরপর পুলিশ বলে, ‘এই বেডা বেশি কথা কবি না। আমি তখন একা ছিলাম। ভয়ে আমি আর তখন কিছু বলিনি।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বোন হোসনে আরা বলে, জিআরপি থানার ওসি দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করতে বলছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমনকি আমার পা পর্যন্ত ধরতে চেয়েছিল। মেডিকেল টেস্ট করার পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে আমার কাছে লোক পাঠানো হচ্ছে।সমঝোতার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন মহল থেকেও চাপ আসছে। মনে হচ্ছে, মেডিকেল রিপোর্ট পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।&#39;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্ষিতার ৭ ও আড়াই বছরের দু’টি কন্যা সন্তান নিয়ে গৃহবধূর বৃদ্ধা মা আম্বিয়া বেগম প্রশাসনের ভয়ে এখন দিন কাটাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/261185704732781141/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_8.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/261185704732781141'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/261185704732781141'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_8.html' title=' রাতভর ধর্ষনের পরদিন ওই গৃহবধূকে পাঁচ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-ROyKLhtLWgo/XUx_6fbSzJI/AAAAAAAAEO0/61XkURH1dwMb7apzpoytEtlMjG7rTPKcgCLcBGAs/s72-c/FB_IMG_1565294363266.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-2184657197928371390</id><published>2019-08-05T07:48:00.003-07:00</published><updated>2019-08-05T07:48:35.479-07:00</updated><title type='text'>কাশ্মীর প্রশ্নে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে ভারত</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;কাশ্মীর প্রশ্নে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে ভারত&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-vISobUSwY1s/XUhBpJ3HOOI/AAAAAAAAEOQ/RlA9BtGGmtg1t-tO3tcaDhZl6hQnmboEwCLcBGAs/s1600/FB_IMG_1565016388237.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;463&quot; data-original-width=&quot;662&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-vISobUSwY1s/XUhBpJ3HOOI/AAAAAAAAEOQ/RlA9BtGGmtg1t-tO3tcaDhZl6hQnmboEwCLcBGAs/s1600/FB_IMG_1565016388237.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;*******&lt;br /&gt;মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীরকে স্বাধীনতা দেয়ার পরিবর্তে ভারত এখন বরং কাশ্মীরের বিদ্যমান স্বায়ত্তশাসনটুকুও কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। কাশ্মীরকে স্বাধীন হতে না দিয়ে ভারত এটাও প্রমাণ করছে যে,&amp;nbsp; একাত্তরে ভারত বাংলাদেশকে সাহায্য করেনি ; বাংলাদেশকে সাহায্য করার অজুহাতে বা ছদ্মবেশে ভারত আসলে নিজেকেই সাহায্য করেছিলো। অর্থাৎ বাংলাদেশকে স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিলো না। এখানে তাদের স্বার্থ জড়িত ছিলো। যদি নিঃস্বার্থভাবে বঙ্গ নামক কোনো ভূখণ্ডকে স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করা তাদের উদ্দেশ্য হতো তবে কাশ্মীরের স্বাধীনতাকে তারা হরণ করতো না। যদি ভারত বিশ্বাস করতো পুব বাঙলার স্বাধীনতাকামী জনগণের স্বাধীনতা লাভের অধিকার আছে তবে তাদের বিশ্বাস করার কথা ছিলো কাশ্মীরী জনগণেরও নিজস্ব ভূখণ্ড, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব লাভের অধিকার রয়েছে। পুব বাঙলাও মুসলিম অধ্যুষিত স্বাধীনতাকামী অঞ্চল ছিলো একসময়। কাশ্মীরও এখন মুসলিম অধ্যুষিত স্বাধীনতাকামী অঞ্চল। যেকোনো স্বাধীনতাকামী জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা লাভের অধিকার আছে। কিন্তু ভারত কাশ্মীরী মুসলিমদের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে, তাদের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিয়ে, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে, মাত্রাতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক পরিমাণ সেনা মোতায়েন করে বেসামরিক কাশ্মীরী জনবসতিকে&amp;nbsp; একটি বৃহত্তর ভারতীয় ক্যান্টনমেন্টে পরিণত করে ভারত সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। বলে রাখা ভালো ধর্মের প্রবল বিষে অন্য অনেক অঞ্চলের মতো কাশ্মীর ৪৭ বা তার পূর্ববর্তী সময় থেকে ঐতিহাসিকভাবে জ্বলছে। এ&amp;nbsp; জ্বালা জ্বলবে যতদিন মানবহৃদয় ধর্ম মানক বিষে আক্রান্ত হবে। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ যথার্থই বলেছেন, &quot;ধর্ম সেতো হেমলক বিষ&quot;। বলে রাখা ভালো আমি হিন্দু নই। এমনকি বাংলাদেশীও নই যদিও আমি বাংলাদেশী। আমি জাতীয়তাবাদ বিরোধী, যদিও জাতীয়তাবাদ পৃথিবীতে এক নির্মম বাস্তবতা।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/2184657197928371390/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_5.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2184657197928371390'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2184657197928371390'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_5.html' title='কাশ্মীর প্রশ্নে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে ভারত'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-vISobUSwY1s/XUhBpJ3HOOI/AAAAAAAAEOQ/RlA9BtGGmtg1t-tO3tcaDhZl6hQnmboEwCLcBGAs/s72-c/FB_IMG_1565016388237.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-3171212594309255207</id><published>2019-08-04T08:57:00.001-07:00</published><updated>2019-08-04T08:57:22.298-07:00</updated><title type='text'>ঝুলন্ত মেয়েটা খাদিজা</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;লাভলী রহমান, একজন নারীবাদী সংগঠনের নেত্রী ও মানবাধিকার কর্মী। তার বাড়ির পনের তলার গ্রিলের বাহিরে গ্রিল ধরে ঝুলে ছিল&amp;nbsp; তের চৌদ্দ বছরের এক কিশোরী। তালাবদ্ধ গ্রিলের দরজা। লাভলী রহমান বারবার বারান্দায় এসে দৃশ্যটা দেখে কিসব বলছেন আবার চলে যান ভিতরে। পুলিশ ও সাংবাদিক রুমে ঢুকতেই তাদের দেখা হল লাভলী রহমানের সাথে। পরিচয় দিলেন তিনি মানবাধিকারকর্মী। জানালেন ঝুলন্ত মেয়েটা খাদিজা&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-MAqq3RTXz-0/XUcASOv1NsI/AAAAAAAAEOA/jD6zfTC8Dlszxr4VBa5HKH3uE29dAbV7ACLcBGAs/s1600/Screenshot_20190804-175633_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;578&quot; data-original-width=&quot;1037&quot; height=&quot;178&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-MAqq3RTXz-0/XUcASOv1NsI/AAAAAAAAEOA/jD6zfTC8Dlszxr4VBa5HKH3uE29dAbV7ACLcBGAs/s320/Screenshot_20190804-175633_Facebook.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;। তার কাজের মেয়ে। লাভলী রহমান সবার সামনেই খাদিজাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করছিলেন। খাদিজার বয়স ১৪ কি ১৫ বছর হবে। খাদিজাকে সোফায় বসতে বললে লাভলী রহমান বাধা দিয়ে বলেন, ‘ও আমার চাকর ও কেন বসবে! ও দাঁড়িয়েই থাকবে।’ খাদিজা মাথা নত করে দাঁড়িয়েই থাকল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটাই আমাদের মানবাধিকার। এটাই আমাদের মানবাধিকার সংগঠনের প্রকৃত চিত্র। নারী অধিকার আদায়ে উচ্চকণ্ঠ নারীবাদীর বাড়িতেই বেশি নির্যাতিতা হয় নারী গৃহকর্মী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একটি কুকুর কিংবা ছোট ছোট প্রাণীও যদি কোনো গর্তে পড়ে যায়, তাকে সেখান থেকে তুলে আনার জন্য বহু মানুষ এগিয়ে যায়। প্রয়োজনবোধে ডেকে নিয়ে আসে বিভিন্ন সংস্থাকে। আর আমাদের দেশে আমরা অনেক মানুষকেই এগিয়ে দিই মৃত্যুর দিকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানি না কোন মানবাধিকার বা নারীবাদী সংঘঠন এগিয়ে আসবে কি না এই নিরীহ কিশোরী খাদিজার নিগ্রহের প্রতিবাদে। লাভলী রহমান যা করেছেন তা শত শত মানুষ দেখেছে।&amp;nbsp; তাকে যে এতদিনেও গারদে ভরা হয়নি এটা শুধু বিস্ময়করই নয় বরং মানুষ আইন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরই আস্তা হারাবে এতে। লেখকঃ Razik Hasan&lt;br /&gt;---------------------------------------------&lt;br /&gt;ছবি: আবদুস সালাম&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/3171212594309255207/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_4.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3171212594309255207'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3171212594309255207'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post_4.html' title='ঝুলন্ত মেয়েটা খাদিজা'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-MAqq3RTXz-0/XUcASOv1NsI/AAAAAAAAEOA/jD6zfTC8Dlszxr4VBa5HKH3uE29dAbV7ACLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190804-175633_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-2668137817337978400</id><published>2019-08-02T01:34:00.001-07:00</published><updated>2019-08-02T01:35:51.147-07:00</updated><title type='text'>সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় ব্যবসার নাম!</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;সৌদি আরবের প্রধান ব্যবসা কি, এটা যদি কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি নির্ঘাত তেলের কথাই বলবেন। মধ্যপ্রাচ্য যে তেলের ভাণ্ডার, আর&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://egiye-cholo.com/saudi-arabia-change/&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #dd3333; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px; text-decoration-line: none; transition: all 0.15s ease 0s;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: red; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;সৌদি আরবে&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;র সমৃদ্ধির পেছনেও যে এই তেলের একটা বড় অবদান আছে, সেটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। কিন্ত তেলের মজুদ ফুরিয়ে আসছে ধীরে ধীরে, আগামী দশ-পনেরো বছর পরে হয়তো আর তেল বিক্রি করার মতো অবস্থায় সৌদি আরব থাকবে না।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;সেকারণেই দেশটার সরকার এখন সৌদি আরবকে বিদেশী ট্যুরিস্টদের কাছে সহজলভ্য এবং আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করছে। সিনেমা হল নির্মাণ করা হচ্ছে,&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://egiye-cholo.com/bikini-beach-saudi/&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #dd3333; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px; text-decoration-line: none; transition: all 0.15s ease 0s;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: red; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;বিকিনি বিচ বানানোর&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&amp;nbsp;অনুমতি দেয়া হয়েছে সৌদি আরবে, যেটা হয়তো পাঁচ বছর আগেও কেউ কল্পনা করতে পারতো না। ট্যুরিজম কোনদিন সৌদি আরবের এক নম্বর ব্যবসা হতে পারবে কিনা, সেটা সময় বলে দেবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;কিন্ত আরও একটা ব্যবসা আছে, যেটার ওপর ভর করে সৌদি আরবের বর্তমান ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে। সেই ব্যবসাটার নাম সৌদি সরকার কখনও উচ্চারণ করে না, অনেকটা নাম বললে চাকরী থাকবে না অবস্থা। সেটার ব্যাপারে লিখতে গেলে আমাকেও হয়তো কেউ কেউ নাস্তিক-মুরতাদ আখ্যা দিয়ে বসতে পারেন। কিন্ত সত্যিটা হচ্ছে, গত কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে হজ ব্যবসার ওপরে। এটা আমি বলছি না, বলছে বিবিসি, রয়টার্স, আরব নিউজ বা দ্য গার্ডিয়ানের মতো প্রখ্যাত সংবাদমাধ্যমগুলো!&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে হজ। প্রত্যেক সামর্থ্যবান সুস্থ মুসলিমের ওপর জীবনে অন্তত একবার হজব্রত পালন করা ফরজ, ইসলাম ধর্মে বলা আছে এমনটাই। জ্ঞান অর্জনের জন্যে সুদূর চীনদেশে যেতে বলেছিলেন মহানবী (সা), আর হজ পালনের জন্যে যেতে হয় নবীজির দেশে, সৌদি আরবে। প্রতিবছর হজের মৌসুমে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মুসলমান সৌদি আরবে পাড়ি জমান হজ পালন করে খোদার সন্তুষ্টি লাভের আশায়। হজ করতে আসা মানুষের সংখ্যাটা গড়ে পঁচিশ থেকে ত্রিশ লক্ষের মধ্যে থাকে প্রতিবছর, কখনও এরচেয়ে বেশিও হয়। ২০১৬ সালে সৌদি আরবে হজ আর উমরাহ করতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল ৮৩ লক্ষ! বাংলাদেশ থেকেই প্রতিবছর সরকারী ও বেসরকারীভাবে প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ হজ করতে সৌদি আরবে পাড়ি জমান।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;হজ, হজ ব্যবসা, সৌদি আরব, উমরাহ&quot; class=&quot;size-full wp-image-31995 aligncenter&quot; height=&quot;434&quot; sizes=&quot;(max-width: 650px) 100vw, 650px&quot; src=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-4.jpg&quot; srcset=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-4.jpg 650w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-4-300x200.jpg 300w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-4-20x13.jpg 20w&quot; style=&quot;border: 0px none; box-sizing: border-box; clear: both; display: block; height: auto; list-style: none; margin: 6px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; text-align: center;&quot; width=&quot;650&quot; /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;হজ বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে করা গেলেও, সারা বছর ধরেই উমরাহ করতে যাওয়া যায়। যেমন গত বছরই প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ উমরাহ করতে গিয়েছিলেন সৌদিতে। বিশ্বের নানা দেশ থেকে যারা সৌদি আরবে গেছেন, তাঁদের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই উমরাহ করতে গিয়েছিলেন। সাত বছর আগে উমরাহ করতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল ৪০ লক্ষের কাছাকাছি। এখন বছরে ৬০-৭০ লক্ষ মানুষ উমরাহ করছেন, আর সৌদি আরবের হিসাব অনুযায়ী আগামী চার বছরের মধ্যে এই সংখ্যাটাই বেড়ে এক কোটি ২০ লক্ষ হয়ে যাবে!&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;stream-item stream-item-in-post stream-item-inline-post aligncenter&quot; style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; clear: both; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; list-style: none; margin: 6px auto; outline: none; padding: 0px; position: relative; text-align: center; z-index: 2;&quot;&gt;&lt;ins class=&quot;adsbygoogle&quot; data-ad-client=&quot;ca-pub-9620690561069746&quot; data-ad-format=&quot;auto&quot; data-ad-slot=&quot;6351013561&quot; data-adsbygoogle-status=&quot;done&quot; data-full-width-responsive=&quot;true&quot; style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; display: block; height: 0px; list-style: none; margin: 0px 0px 0px -15px; outline: none; padding: 0px; width: 360px; z-index: 30;&quot;&gt;&lt;ins id=&quot;aswift_2_expand&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: none; box-sizing: border-box; display: inline-table; height: 0px; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px; position: relative; visibility: visible; width: 360px;&quot;&gt;&lt;ins id=&quot;aswift_2_anchor&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: none; box-sizing: border-box; display: block; height: 0px; list-style: none; margin: 0px; opacity: 0; outline: none; overflow: hidden; padding: 0px; position: relative; visibility: visible; width: 360px;&quot;&gt;&lt;iframe allowfullscreen=&quot;true&quot; allowtransparency=&quot;true&quot; frameborder=&quot;0&quot; height=&quot;300&quot; hspace=&quot;0&quot; id=&quot;aswift_2&quot; marginheight=&quot;0&quot; marginwidth=&quot;0&quot; name=&quot;aswift_2&quot; scrolling=&quot;no&quot; style=&quot;border-style: initial; border-width: 0px; box-sizing: border-box; height: 300px; left: 0px; list-style: none; margin: 0px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; position: absolute; top: 0px; width: 360px;&quot; vspace=&quot;0&quot; width=&quot;360&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;হজযাত্রীদের জন্যে সৌদি সরকার নির্ধারিত একটা কোটা ঠিক করে দেয়। যেমন মোট হজযাত্রীদের আট শতাংশ বাংলাদেশ থেকে যাবেন। ইন্দোনেশিয়া হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলমানের দেশ, হজযাত্রীদের শতকরা চৌদ্দ শতাংশ সেখান থেকে যান। ভারত এবং পাকিস্তান থেকে যান এগারো শতাংশ করে। এরকম বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশের জন্যেই কোটা সিস্টেম করে দেয়া আছে, চাইলেও কোন দেশ থেকে এই সংখ্যার বেশি হজযাত্রী যেতে পারবেন না।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;এবার চলুন, ব্যবসাটা কোথায় হয় সেটা নিয়ে আলোচনা করা যাক। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ হজে যান বৃদ্ধ বয়সে। চাকরী শেষ করে, ছেলেমেয়ে মানুষ করে, সংসারের দায়িত্ব পালন করে তারপর খোদার ডাকে সাড়া দিতে ছোটেন তারা। কেউ কেউ সারা জীবনের আয় থেকে অল্প-স্বল্প করে জমিয়ে রাখেন হজে যাবেন বলে, কেউবা জায়গা-জমি বিক্রি করে যাত্রা করেন মক্কার উদ্দেশ্যে। অথচ এই নীরিহ ধর্মপ্রাণ(সবাই নন) মানুষগুলো জানতেও পারেন না, কত ধাপে কত জনের কাছে ব্যবসার পণ্য হতে যাচ্ছেন তারা!&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;হজ, হজ ব্যবসা, সৌদি আরব, উমরাহ&quot; class=&quot;size-full wp-image-31992 aligncenter&quot; height=&quot;337&quot; sizes=&quot;(max-width: 600px) 100vw, 600px&quot; src=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-1.jpg&quot; srcset=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-1.jpg 600w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-1-300x169.jpg 300w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-1-390x220.jpg 390w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-1-20x11.jpg 20w&quot; style=&quot;border: 0px none; box-sizing: border-box; clear: both; display: block; height: auto; list-style: none; margin: 6px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; text-align: center;&quot; width=&quot;600&quot; /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;হজের ব্যবসাটা মূলত দুই ধাপে হয়। ধরুন আপনি বাংলাদেশী হজযাত্রী। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক যোগাযোগ না থাকলে সরকারীভাবে হজে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম আপনার। যেতে হবে বেসরকারীভাবে, কোন ট্রাভেল এজেন্সি বা হজ কাফেলার সঙ্গে। গলা কাটার শুরু এখান থেকেই। তবে এই অংশটার কথা অন্য একদিন বলবো, কারন এখানে বলার মতো অনেক কিছুই আছে। লিখতে গেলে রাত শেষ হয়ে যাবে আজ শুধু হজকে কিভাবে সৌদি আরব ব্যবসা বানিয়ে ফেলেছে, সেটা নিয়েই লিখবো।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;বাংলাদেশ থেকে যদি এক লক্ষ হজযাত্রী হজে যাওয়ার অনুমতি পান, তাহলে সেসব যাত্রীদের মধ্যে অর্ধেককে যেতে হবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থার মাধ্যমে! এটাই নাকি নিয়ম! বাকি অর্ধেক যাত্রী বহন করবে বাংলাদেশ বিমান। মানে দেড় লক্ষ হজযাত্রী যদি হজ পালনের জন্যে সৌদি আরব যান, সেক্ষেত্রে অন্তত পঁচাত্তর হাজার যাত্রীকে যেতে হবে সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে! তাদের ফ্লাইট তুলনামূল কম থাকুক, তাদের সার্ভিস খারাপ হোক বা অন্য কিছু হলেও যেতে হবে তাদের বিমানে চড়েই!&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;মক্কার চেম্বার অব কমার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাইরের দেশ থেকে হজের জন্যে সৌদিতে আসা মুসলমানরা মাথাপিছু ব্যয় করেন ৪৬০০-৫০০০ ডলার। তবে একেক দেশ থেকে আসা হজযাত্রীদের জন্য আবার একেক রকম খরচ। যেমন ইরান থেকে আসা মানুষদের মাথাপিছু প্রায় ৩৫০০ ডলার খরচ হয়। এর মধ্যে যাত্রা, খাওয়া, কেনাকাটা সব খরচই ধরা হয়। বাংলাদেশের যাত্রীদেরও মোটামুটি একইরকম খরচ হয়, তবে ট্রাভেল এজেন্সি বা হজ কাফেলাগুলো হজ যাত্রীদের কাছ থেকে এরচেয়ে অনেক বেশি টাকা নিয়ে থাকে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; class=&quot;size-full wp-image-31993 aligncenter&quot; height=&quot;368&quot; sizes=&quot;(max-width: 700px) 100vw, 700px&quot; src=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-2.jpg&quot; srcset=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-2.jpg 700w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-2-300x158.jpg 300w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-2-20x11.jpg 20w&quot; style=&quot;border: 0px none; box-sizing: border-box; clear: both; display: block; height: auto; list-style: none; margin: 6px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; text-align: center;&quot; width=&quot;700&quot; /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;এই হজযাত্রীরা মাসব্যাপী সৌদি আরবে হোটেল থাকছেন, খাওয়াদাওয়া করছেন, হজের রীতিনীতি পালনের জন্যে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাচ্ছেন, পশু কুরবানী দিচ্ছেন, ব্যক্তিগত কেনাকাটাও করছেন। বাংলাদেশী হজযাত্রীরা সাধারণ হোটেলেই থাকেন, তবে মক্কা এবং মদীনায় এমনও হোটেল আছে, যেগুলোর একটি কক্ষে একরাত কাটাতে গেলেও গুণতে হয় প্রায় পাঁচ হাজার ডলার, যেটা বাংলাদেশী একজন হজযাত্রীর পুরো হজযাত্রার খরচ! তিউনিসিয়া, মরক্কো বা ইউরোপ-আমেরিকা থেকে আসা হজযাত্রীরা এসব হোটেলে থাকেন। পাশাপাশি যাওয়া আসার বিমানভাড়া তো আছেই। আর এই টাকাটা সরাসরি যুক্ত হচ্ছে সৌদি আরবের অর্থনীতিতে। গত বছর শুধু হজ থেকে সৌদি আরবের আয় ছিল পনেরো বিলিয়ন ডলারেরও বেশি!&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;stream-item stream-item-in-post stream-item-inline-post aligncenter&quot; style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; clear: both; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; list-style: none; margin: 6px auto; outline: none; padding: 0px; position: relative; text-align: center; z-index: 2;&quot;&gt;&lt;ins class=&quot;adsbygoogle&quot; data-ad-client=&quot;ca-pub-9620690561069746&quot; data-ad-format=&quot;auto&quot; data-ad-slot=&quot;6351013561&quot; data-adsbygoogle-status=&quot;done&quot; data-full-width-responsive=&quot;true&quot; style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; display: block; height: 0px; list-style: none; margin: 0px 0px 0px -15px; outline: none; padding: 0px; width: 360px; z-index: 30;&quot;&gt;&lt;ins id=&quot;aswift_3_expand&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: none; box-sizing: border-box; display: inline-table; height: 0px; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px; position: relative; visibility: visible; width: 360px;&quot;&gt;&lt;ins id=&quot;aswift_3_anchor&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: none; box-sizing: border-box; display: block; height: 0px; list-style: none; margin: 0px; opacity: 0; outline: none; overflow: hidden; padding: 0px; position: relative; visibility: visible; width: 360px;&quot;&gt;&lt;iframe allowfullscreen=&quot;true&quot; allowtransparency=&quot;true&quot; frameborder=&quot;0&quot; height=&quot;300&quot; hspace=&quot;0&quot; id=&quot;aswift_3&quot; marginheight=&quot;0&quot; marginwidth=&quot;0&quot; name=&quot;aswift_3&quot; scrolling=&quot;no&quot; style=&quot;border-style: initial; border-width: 0px; box-sizing: border-box; height: 300px; left: 0px; list-style: none; margin: 0px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; position: absolute; top: 0px; width: 360px;&quot; vspace=&quot;0&quot; width=&quot;360&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/ins&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;আরব নিউজের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১২ সালে হজ ও উমরাহ মিলিয়ে সৌদি আরবের অন্তত এক হাজার ৬৫০ কোটি ডলার আয় হয়েছিল। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রকৃত আয় আরও অনেক বেশি। সৌদি আরবের জিডিপির শতকরা প্রায় সাত শতাংশ আসে হজ ব্যবসা থেকে! মক্কা-মদীনা-জেদ্দা বা তায়েফের মতো শহরগুলোর অর্থনীতি পরিচালিত হয় হজকে কেন্দ্র করে। হজের মৌসুমে শুধু জেদ্দায় বাদশাহ আবদুল আজিজ বিমানবন্দরে যে পরিমাণ বিমান ওঠা-নামা করে, তা পুরো বিশ্বের অন্য কোনো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে হয় না। এই বিমানবন্দরের পরিসরও ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে যেন ২০৩৫ সাল নাগাদ এখানে বছরে আট কোটি যাত্রী ওঠা-নামা করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;এত বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা, এত এত প্রাপ্তির পরেও হজের ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখার ব্যাপারে খুব বেশি তৎপর হতে দেখা যায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষকে। কয়েক বছর আগেই পদদলিত হয়ে শতাধিক হজযাত্রীর নিহত হওয়ার ঘটনাটা এখনও তরতাজা। এত বিশাল একটা ধর্মীয় জমায়েতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটতেই পারে, কিন্ত সেটা যখন কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ঘটে, সৌদি যুবরাজকে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যখন বিদেশ থেকে আসা হাজীদের মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়, তখন সেটার চেয়ে অমানবিক আর কিছুই হতে পারে না।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;হজ, হজ ব্যবসা, সৌদি আরব, উমরাহ&quot; class=&quot;size-full wp-image-31994 aligncenter&quot; height=&quot;434&quot; sizes=&quot;(max-width: 650px) 100vw, 650px&quot; src=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-3.jpg&quot; srcset=&quot;https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-3.jpg 650w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-3-300x200.jpg 300w, https://egiye-cholo.com/wp-content/uploads/2018/08/hajj-3-20x13.jpg 20w&quot; style=&quot;border: 0px none; box-sizing: border-box; clear: both; display: block; height: auto; list-style: none; margin: 6px auto; max-width: 100%; outline: none; padding: 0px; text-align: center;&quot; width=&quot;650&quot; /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;আর&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://egiye-cholo.com/yemen-school-bus-attack/&quot; style=&quot;background-color: transparent; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #dd3333; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px; text-decoration-line: none; transition: all 0.15s ease 0s;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: red; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;আঞ্চলিক রাজনীতিতে মোড়লগিরি&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&amp;nbsp;করার একটা হাতিয়ার হিসেবেও হজকে ব্যবহার করে সৌদি আরব। ইরানের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হজ করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে না শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে ইরানকে শায়েস্তা করার জন্যে। এর আগে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মুসলমানদের হজে যাওয়ার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছিল। সৌদি আরবের বাদশাহ বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, বাংলাদেশের নাম বদলে যদি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ’ রাখা হয়, তাহলে অনুমতি দেয়ার কথা ভেবে দেখা যেতে পারে। কিন্ত ধর্মনিরপেক্ষ একটা রাষ্ট্রের প্রধান হয়ে বঙ্গবন্ধু সেই অন্যায্য দাবীর কাছে মাথানত করেননি। প্রশ্ন হচ্ছে, সৌদি আরব এই কাজটা করতে পারে কিনা। কে হজ করবে, কার হজ করার অধিকার আছে, কার নেই, সেটা ঠিক করার ভার তো মহান সৃষ্টিকর্তা সৌদি সরকারকে দেননি।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;দিনশেষে হজ আমাদের কাছে ধর্মীয় একটা অনুসঙ্গ, স্রষ্টার নৈকট্য লাভের একটা পথ। আর সৌদি আরবের কাছে সেটা একটা লাভজনক ব্যবসা মাত্র! সেই ব্যবসা দিয়েই ক্রমশ ফুলেফেঁপে উঠছে সৌদি অর্থনীতি।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #2c2f34; font-family: -apple-system, BlinkMacSystemFont, &amp;quot;Segoe UI&amp;quot;, Roboto, Oxygen, Oxygen-Sans, Ubuntu, Cantarell, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 26px; list-style: none; margin-bottom: 25px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: black; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; font-weight: 600; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;তথ্যসূত্র-&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; color: red; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;em style=&quot;border: 0px; box-sizing: border-box; list-style: none; margin: 0px; outline: none; padding: 0px;&quot;&gt;বিবিসি, দ্য টেলিগ্রাফ, আরব নিউজ, রয়টার্স।&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/2668137817337978400/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2668137817337978400'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/2668137817337978400'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/08/blog-post.html' title='সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় ব্যবসার নাম!'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-3236032498025757923</id><published>2019-07-28T13:55:00.001-07:00</published><updated>2019-07-28T13:55:52.292-07:00</updated><title type='text'>জেলগেটে ৪ মিনিটের সাক্ষাত, মিন্নি বললেন ‘বাঁচব না বাবা’</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সঙ্গে শনিবার জেলগেটে দেখা করেছেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;ব্যাপক নজরদারির মাঝে মা-মেয়ের মধ্যে কথা হয়েছে মাত্র ৪ মিনিট।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;মেয়ের সঙ্গে মাত্র ৪ মিনিট কথা বলতে পেরে ক্ষুব্ধ তার বাবা। তিনি বলেন, ‘মিন্নি কয়, আব্বু, আমি আর বাঁচব না।’ এ সময় কিশোরের সঙ্গে ছিলেন মিন্নির মা জিনাত জাহান মনি, চাচা মহিউদ্দিন দুলাল ও আবু সালেহ।&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;মেয়ের সাথে কথা বলার মিন্নির বাবা সাংবাদিকদের জানান, ‘আমার মেয়ে খুবই অসুস্থ। মেয়েকে দেখে চিনতে পারিনি। আমার মেয়ের দিক চাওন যায় না। মেয়ের সঙ্গে একটু কথা কমু তাও পারি না। গোয়েন্দারা গায়ের সঙ্গে দাঁড়াইয়া থাকে। মিনিট চারেক কথা কইয়া রাগ করিয়া চইলা আসি। মিন্নি কয়, ‘আব্বু আমি আর বাঁচব না।’ আমার সন্দেহ, আমার মাইয়াডারে জীবিত বাইর করতে পারুম কিনা জানি না।’&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;কিশোর বলেন, ‘মিন্নি একেবারে কাহিল হইয়া গেছে। ও বলেছে, তার মাথায় ও বুকে ব্যথা। সারা শরীরে ব্যথা। মিন্নি খুবই দুর্বল।’&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipiNormal, Helvetica, Arial, SolaimanLipi, sans-serif; font-size: 18px; margin-bottom: 10px; text-align: justify; text-shadow: none;&quot;&gt;মিন্নির কী হয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে কিশোর বলেন, ‘আপনারা বোঝেন না? রিমান্ডে নিয়ে কী করে। কেন আমার মেয়ের শরীরে ব্যথা হয়েছে। খালি খালি কি ব্যথা হতে পারে। তিনি বলেন, মিন্নি কিছু আমাকে বলতে চায়। কিন্তু গোয়েন্দা দাঁড়াইয়া থাকে, তাদের জন্য কিছু বলতে পারে না।’&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-VAQ1l11bPUk/XT4LprslVSI/AAAAAAAAEF8/oZN_AGYZo8QgibMsl8NDZIll7q9iXhK5QCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190728-225305_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;608&quot; data-original-width=&quot;994&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-VAQ1l11bPUk/XT4LprslVSI/AAAAAAAAEF8/oZN_AGYZo8QgibMsl8NDZIll7q9iXhK5QCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190728-225305_Facebook.jpg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/3236032498025757923/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_28.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3236032498025757923'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3236032498025757923'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_28.html' title='জেলগেটে ৪ মিনিটের সাক্ষাত, মিন্নি বললেন ‘বাঁচব না বাবা’'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-VAQ1l11bPUk/XT4LprslVSI/AAAAAAAAEF8/oZN_AGYZo8QgibMsl8NDZIll7q9iXhK5QCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190728-225305_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-4960603964851607008</id><published>2019-07-18T09:10:00.001-07:00</published><updated>2019-07-18T09:10:26.722-07:00</updated><title type='text'>সাধারণ মানুষের গল্প</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশে যখন সর্বস্তরের মানুষ আবার ফুঁসে উঠেছে রিফাত হত্যা আর হত্যামামলায় ক্ষমতাবানদের প্রভাবে একটা গোটা জেলা বার এসোসিয়েশনের উকিলরা মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী না দেবার সিদ্ধান্ত নেয় তখন বিচাবিভাগ সহ পুরো মন্ত্রীপরিষদের ব্যর্থতা প্রতিয়মান হয়।&lt;br /&gt;নুসরাতের পক্ষে মামলায় আছে একজন উকিল, বিপরীতে আছে ১৬ জন, মিতুর বিরুদ্ধে আইনজীবীরাও মানববন্ধন করেছিল, তাহলে কখনও আর নারী অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলতে এসো না। এটা আমাদের ব্যর্থতা, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতো ক্ষোভ আর প্রতিবাদের পরেও আজ আবার আমার &#39;সাধারণ মানুষের গল্প&#39; বলি, সেখানেও এক পরিশ্রমী নারীর গল্প আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঢাকায় মিরপুর, বনানী তে থাকতেন বড়ভাই ও ভাবি, ভাই রিটায়ার্ড জীবন কাটাচ্ছিলেন তাঁরা ভাড়ার বাসায় থাকতেন, ইনজ্ঞিনিয়ার হিসেবে বড় বড় চাকুরি করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে জেনারেল ওসমানীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার ছিলেন, কোলকাতায় জেনারেল ওসমানীর রুমের পাশের রুমেই উনি কাজ করতেন, গর্বকরেই সেসব দিনের কথা বলতেন তিনি, একই রুমে শেখ কামাল, চরমপত্রের লেখক, এম আর আখতার মুকুল আর আমার বড়ভাই একসাথেই কাজ করতেন, আর সেই ভাইটি আমার রিটায়ারের পরে ৩ রুমের ভাড়ার বাসায় থাকতেন, নিজের কোনো বড়ি নেই ঢাকায়। দুই ছেলেমেয়ে থাকে ক্যানাডা আর অস্ট্রেলিয়ায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাক সেসবকথা, &#39;সাধারণ মানুষের গল্প&#39; তে আসি। বড়ভাইয়ের বাসায় এক মহিলা কাজ করতো, তার নিত্যদিনের সংগ্রাম অন্যের বাসায় কাজ করে নিজের পরিবার চালাতো এই&amp;nbsp; নারী গৃহকর্মী। তারার&#39;মা বলে ডাকতেন ভাইভাবি, সকালে দু&#39;ঘন্টা আর বিকেলে তিন ঘন্টা, এই ৫ ঘন্টা চুক্তিতে কাজকরাটা আমার কাছে নতুন মনেহয়নি, কারণ ইউরোপে প্রথমে এসে সপ্তাহে একদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে সারা সপ্তাহের খর্চা ও লেখাপড়া চালাতাম, তাই ঘন্টাচুক্তির কাজেই বরঞ্চ বেশি শুবিধা দু&#39;পক্ষেরই, নিদৃষ্ঠ সময় আর নিদৃষ্ঠ কাজ আর নিদৃষ্ঠ পেমেন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১২ বছর হয় তারার&#39;মাকে প্রতিবছর দেখি দেশে গেলেই, আমরা ছুটিতে গেলেই একটু বেশি কাজ পরে যায়, ফিরে আসার সময় কিছু টাকা হাতে গুঁজে দিতো মালিহা তারার&#39;মা এর হাতে, খুশিতে পায়ে সালামও করতো, তবে প্রথমবারেই মানা করে দিয়েছিলাম কদমবুসি না করতে। তারার&#39;মা এর&amp;nbsp; বয়স খুব বেশি ছিলোনা হয়তো ৩০/৩৫ বছর আমাদেরকে খালু- খালামা ডাকতো, বড় মেয়েটির নাম তারা, সেই দুবাদেই &quot;তারার&#39;মা&quot; ছোট আর এক ছেলে ছিলো। ওর কাজের স্বাধীনতা ছিলো, নিজেই বাজার করে সকলের জন্যে খাবার রান্না করতো বাসন কোসন পরিস্কার ইত্যাদি করতেই সকালের দু&#39;ঘন্টা শেষ হয়ে যেতো। আমরা ইউরোপের গেস্ট দেশি খাবার অনেকদিন খাইনা, তারার&#39;মা ঠিকই বুঝতে পেরে পছন্দমতো খাবার বানাতো, পুঁইশাক, সজনেডাঁটা, উচ্ছেভাজি আরো কতকি। একবার গিয়ে শুনি, তারার বিয়ে হয়ে গেছে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের সাথে আর তারা&#39;ও চাকরি করে মানিকগঞ্জের এক গার্মেন্টসে, বয়স হয়তো ১৫/১৬ হয়েছিলো মেয়েটির, বললাম এতো তাড়াতাড়ি বিয়ে দিলে কেনো, বলে &#39;খালু, কি আর করা গরীব মানুষ&#39; বলে তারার&#39;মা, একটা ভালো শাড়ি কিনে দিলাম সেবার তারার জন্যে, কদিন পরে মেয়ে আর নতুন জামাইকে এনে আমাদের সাথে পরিচয় করে দিলো, কি সুন্দর লাগছিলো ওদেরকে। এমনি করে আরো কয়েক বছর, প্রতিবারই দেশে যাই, একবার বলছিলো তারার&#39;মা, এবার ছোট ছেলেটা এসএসসি পরিক্ষা দেবে, সেবার বেশ কিছু বেশি টাকা দিলাম তারার&#39;মার হাতে। এমনি করেই আরো কয়েক বছর ছোট ছেলেটি তখন কলেজে পড়ে, বেশ বড় হয়েছে বলছিলো ছেলেটি &#39;দাদু আমারও ইনজ্ঞিনিয়ার পড়ার ইচ্ছা&#39; সেবার আরো বেশ কিছু টাকা দিয়ে সহায়তা করেছি। গত ১২ বছরে তারার&#39;মার পরিবারও কিভাবেই যে এতো আপন হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না। তার প্রতিদিনের সংগ্রাম ৫ ঘন্টা অন্যের বাসায় কাজ করার পরেও নিজের ঝুপড়ি বাসায় গিয়ে নিজের সংসার দেখা, এমনি করেই শত শত কাজের &#39;বুয়া&#39;রা এক রাজধানী শহরের ১০ লাখ পরিবারের সেবা শ্রম দিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন দুবছর হয় আর দেশে যাইনি, আমার ভাবি মারা গেলেন গতবছর আর বড়ভাইও ঢাকায় ভাড়ার বাসাটা ছেরে দিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। জানিনা এখন তারার&#39;মা কি করছে তার ছেলেটাই বা কি করছে? তারার&#39;মা হয়তো অন্য একটা কাজ জুটিয়ে নিয়েছে, এটাই নিয়োম, এক কর্মাস্থল শেষ হলেই আর এক কর্মক্ষেত্রে তৈরী হয়ে যায়, কেউ কারো জন্যে ঠেকে থাকেনা। তারার&#39;মায়েরাও এমনি করেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে দক্ষিন এশিয়ার একটি দেশের রাজধানী শহরের কোটি কোটি জনগোষ্ঠীকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style=&quot;color: #38761d;&quot;&gt;Mir Monaz Haque&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/4960603964851607008/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_23.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/4960603964851607008'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/4960603964851607008'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_23.html' title='সাধারণ মানুষের গল্প'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-3293797515591344206</id><published>2019-07-18T08:57:00.003-07:00</published><updated>2019-07-18T08:57:51.560-07:00</updated><title type='text'>বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পরীক্ষার আগের রাতে তার এক টিচারকে বলেছিলেন:</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাই বুঝি&lt;br /&gt;মনটা ভীষন খারাপ ।&lt;br /&gt;আরে বোকা, মন খারাপের কী আছে ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পরীক্ষার আগের রাতে তার এক টিচারকে বলেছিলেন:&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-aAegaMqeuzA/XTCWyOyn-uI/AAAAAAAADo8/yhqR7MbKdBg81CGf0fG1WxeAnYaT-RQwgCLcBGAs/s1600/FB_IMG_1563465176867.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;320&quot; data-original-width=&quot;480&quot; height=&quot;426&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-aAegaMqeuzA/XTCWyOyn-uI/AAAAAAAADo8/yhqR7MbKdBg81CGf0fG1WxeAnYaT-RQwgCLcBGAs/s640/FB_IMG_1563465176867.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&quot;কাল আমার পরীক্ষা,অথচ এটা আমার কাছে তেমন কিছু না।&lt;br /&gt;কারন পরীক্ষার খাতার কয়েকটি পাতা&lt;br /&gt;আমার ভবিষ্যত নির্ধারন করতে পারে না।&lt;br /&gt;তুমি পাশ করতে পারো নাই তো কি হয়েছে ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিউটন,আইনস্টাইন,আব্রাহাম লিংকন,&lt;br /&gt;বিল গেটস,রবীন্দ্রনাথ, মহাত্না গান্ধী এদের মত অনেক বিখ্যাত মনিষী এসব কাগজ কলমের পরীক্ষায়&lt;br /&gt;&amp;nbsp;পাশ করতে পারে নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের জাতীয় কবি নজরুল তো কলেজে পড়ার সুযোগ পাননি।&lt;br /&gt;অথচ আজ নজরুলের লেখা কবিতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে। আবার অনেকেই কলেজে ভর্তি হয়ে পাশ করতে পারে নাই (যেমন বিল গেটস)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পদার্থ বিজ্ঞানের বরপুত্র&lt;br /&gt;স্যার আলবার্ট আইনস্টান এন্টাস(বর্তমান SSC)পাশ&lt;br /&gt;করেছিলেন তিনবার পরীক্ষা দিয়ে ।&lt;br /&gt;ছোটবেলায় আইনস্টাইনের এক শিক্ষক তার বাবাকে দেওয়া এক চিঠিতে লিখেছিলেন;&lt;br /&gt;&quot;আপনার টমি(আইনস্টাইনের বাবা&lt;br /&gt;তাকে আদর করে টমি নামে ডাকতেন)&lt;br /&gt;এতটা বোকা যে ওকে&lt;br /&gt;পড়ানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়&quot;।&lt;br /&gt;বাবার খুব ইচ্ছা ছিল টমিকে&lt;br /&gt;ইন্জিনিয়ারিং পড়াবেন।&lt;br /&gt;কিন্তু&lt;br /&gt;আইনস্টাইন গনিতে এত দুর্বল ছিলেন বাবার শখের&lt;br /&gt;ইন্জিনিয়ারিং পড়তে পারেন নি।&lt;br /&gt;কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ছয় বছর পরিশ্রমে&lt;br /&gt;এই বোকা টম হয়েছিলেন&lt;br /&gt;পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন ।&lt;br /&gt;.&lt;br /&gt;লুকা ডি প্যাসিওলি কে তার&lt;br /&gt;মা প্রায় সময় বাজার করার জন্য পাঠাতেন।&lt;br /&gt;লুকা এতটাই কম হিসাব জানতেন&lt;br /&gt;মাকে ঠিকমত বাজারের&lt;br /&gt;হিসাব দিতে পারতেন না।&lt;br /&gt;এজন্য প্রতিদিন মায়ের মার খেতেন । কিন্তু পরবর্তীতে বাজারের হিসাব দিতে না পারা ছেলেটি আধুনিক হিসাব বিজ্ঞানের জনক ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;.ছোট্ট একটি ছেলে&lt;br /&gt;&amp;nbsp;ভর্তি হয়েছিল গ্রামের পার্শ্ববর্তী কোন স্কুলে ।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষ ছেলেটিকে অন্য সকল ছেলেদের তুলনায় কম মেধাবী হওয়ার কারণে তাদের স্কুল থেকে টিসি দিতে বাধ্য হয়।&lt;br /&gt;আর সেই ছেলে হলো,&lt;br /&gt;বর্তমান পৃথিবীকে আলোকিত করার জনক,&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&quot;টমাস আলভা এডিসন&quot;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;(বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক)&lt;br /&gt;সে হয়তো পরীক্ষার খাতা কে আলোকিত করতে পারিনি সে আলোকিত করেছে গোটা বিশ্বকে।&lt;br /&gt;.&lt;br /&gt;হয়তবা তোমার ব্যর্থতার মাঝে লুকিয়ে আছে সাফল্যের বীজ।&lt;br /&gt;শোককে শক্তিতে পরিনত কর ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একদিন তুমি পারবে জয় করতে&quot;&quot;&lt;br /&gt;আজ যারা তোমাকে নিয়ে নিন্দা করছে,&lt;br /&gt;&amp;nbsp;দেখবে তারাই তোমার সাফল্য দেখে&lt;br /&gt;কাল হাত তালি দিবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;__কন্ট্রোল সি&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/3293797515591344206/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_18.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3293797515591344206'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/3293797515591344206'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_18.html' title='বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পরীক্ষার আগের রাতে তার এক টিচারকে বলেছিলেন:'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-aAegaMqeuzA/XTCWyOyn-uI/AAAAAAAADo8/yhqR7MbKdBg81CGf0fG1WxeAnYaT-RQwgCLcBGAs/s72-c/FB_IMG_1563465176867.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-1535334737300816671</id><published>2019-07-05T14:50:00.002-07:00</published><updated>2019-07-05T14:50:44.813-07:00</updated><title type='text'>পরকীয়ায় জড়িয়ে নিজের বউ বাচ্চার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;😥😥&lt;br /&gt;বর্নালি আমার সিটি কলেজের ক্লাসমেট ছিল। বর্নালির যার সাথে বিয়ে হয়,এই ছেলের অন্য এক মেয়ের সাথে রিলেশন ছিল।বাট সেই মেয়ের ফ্যামিলি ভাল ছিল না বলে ছেলে কে জোর করে বর্নালির সাথে বিয়ে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিয়ের পর নাকি কিছুদিন ভালই ছিল তারপর এই জানোয়ারটা ওই ex এর সাথে আবার যোগাযোগ করে আর পরকিয়ায় লিপ্ত হয়।তখন থেকে জানোয়ার টা বর্নালি কে মারধর করা শুরু করে অনেক টর্চার করে।সবাই সিদ্ধান্ত নেয় ডিভোর্স দেয়ার কিন্তু পরে সবাই বলে baby নিলে হয়ত ঠিক হয়ে যাবে।কিন্তু baby হওয়ার পর কিছুূদিন ভাল ছিল তারপর আবার সেই পরকিয়া ex এর সাথে।তারপর সেই ঝগড়াঝাটি মারামারি টর্চার শুরু।অবশেষে গতকাল সকালে মেয়েটার লাশ উদ্ধার হয় রুম থেকে।. বর্নালির বাচ্চাটার বয়স দেড় বছর..🥺🥺🥺&lt;br /&gt;আসল কথা হল সব ছেলেদের না, কিছু ছেলেদের জন্য,,,,, ভাই জিএফ এর সাথে যদি কোনোদিন আপনার বিয়ে ঠিক না হয়ে অন্য কোনো মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক হয়...তাহলে বিয়ে করে অন্য একটা মেয়ের জীবন টাকে নষ্ট করবেন না। পারলে ফ্যামিলি কে মানিয়ে বিয়ে করার চেষ্টা করবেন। আর যদি অন্য কারোর সাথে বিয়ে হয়েই যায় তাহলে তার সাথেই সংসার করুন। মনে প্রানে তাকে ভালবাসার চেষ্টা করুন। দেখবেন সুখ নামক পাখি টা আপনার সাথেই থাকবে। পরকীয়ায় জড়িয়ে নিজের বউ বাচ্চার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-SZtmoONMkyc/XR_Fq3jo5sI/AAAAAAAADoU/93x2OHycqSQGfHvh7gikeBL7yBcqgxgZgCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190705-234738_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;691&quot; data-original-width=&quot;1027&quot; height=&quot;430&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-SZtmoONMkyc/XR_Fq3jo5sI/AAAAAAAADoU/93x2OHycqSQGfHvh7gikeBL7yBcqgxgZgCLcBGAs/s640/Screenshot_20190705-234738_Facebook.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;। এখানে কারও কিছুই হয় নি। মেয়েটা মারা গেল। আর বাচ্চাটা মাকে তো হারালোই। এতিম হয়ে ওকে এখন সারা জীবন কাটিয়ে দিতে হবে। দুই নৌকায় পা দিয়ে কেউ কোনোদিন চলে নি চলতে পারে না আর পারবেও না😡😡😡😡😡😡😡&lt;br /&gt;আর আপুদের বলি,, নিজের ভালবাসার মানুষের সাথে&lt;br /&gt;বিয়ে না হলে যার যার জায়গা থেকে সরে যান। অনেক অনেক ভাল থাকবেন। সুখে থাকবেন। কিন্তু কারোর জীবন নষ্ট করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয় নাই😥😥&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-7g4OiwgdO9c/XR_GDmqpbUI/AAAAAAAADoc/k_ihm8IVVbkythHcFggRxHmefEARF12fgCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190705-234757_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1401&quot; data-original-width=&quot;1079&quot; height=&quot;640&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-7g4OiwgdO9c/XR_GDmqpbUI/AAAAAAAADoc/k_ihm8IVVbkythHcFggRxHmefEARF12fgCLcBGAs/s640/Screenshot_20190705-234757_Facebook.jpg&quot; width=&quot;492&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;লেখা: লিমা ইসলাম&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/1535334737300816671/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_5.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1535334737300816671'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1535334737300816671'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_5.html' title='পরকীয়ায় জড়িয়ে নিজের বউ বাচ্চার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-SZtmoONMkyc/XR_Fq3jo5sI/AAAAAAAADoU/93x2OHycqSQGfHvh7gikeBL7yBcqgxgZgCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190705-234738_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-957362176507166800</id><published>2019-07-04T15:24:00.001-07:00</published><updated>2019-07-04T15:24:14.887-07:00</updated><title type='text'>  সবাই মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করবে একদিন  আমরা তার ব্যতিক্রম নই।</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;আজ আর কান্না পায় না।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;শুকিয়ে গিয়েছে সকল চোখের জল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এক রক্ষণশীল ফ্যামিলির নারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;আমার হিসেবে সেই নুসরাত আজ মুক্তি পেয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার বিজ্ঞানের যুক্তিতে, সে যে কোন একটি পদার্থের রূপ ধারণ করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;যেখানে দুঃখ কষ্ট কান্না অনুভব করা যায় না। প্রাণহীন এক অজানা পদার্থ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এটি একটি মুক্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;সবাই মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করবে একদিন&lt;br /&gt;আমরা তার ব্যতিক্রম নই।&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-WHeSFP85myU/XR58gPIh3gI/AAAAAAAADoI/hYaVs9huhuY6nGnb-rF-JH9GlM_XIqB5gCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190705-002334_Chrome.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;566&quot; data-original-width=&quot;903&quot; height=&quot;200&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-WHeSFP85myU/XR58gPIh3gI/AAAAAAAADoI/hYaVs9huhuY6nGnb-rF-JH9GlM_XIqB5gCLcBGAs/s320/Screenshot_20190705-002334_Chrome.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;আমরা শুধু, তার জন্য শুভ কামনা করবো। যুক্তিগত&lt;br /&gt;&lt;span style=&quot;color: #38761d;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;color: #38761d;&quot;&gt;লেখক ইম&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;color: #38761d;&quot;&gt;রান হোসেন&lt;/span&gt;।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/957362176507166800/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_51.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/957362176507166800'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/957362176507166800'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_51.html' title='  সবাই মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করবে একদিন  আমরা তার ব্যতিক্রম নই।'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-WHeSFP85myU/XR58gPIh3gI/AAAAAAAADoI/hYaVs9huhuY6nGnb-rF-JH9GlM_XIqB5gCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190705-002334_Chrome.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-7694470965920893573</id><published>2019-07-04T14:26:00.002-07:00</published><updated>2019-07-04T14:26:13.500-07:00</updated><title type='text'> আতঙ্কের নাম চাদনীঘাট সিএনজি স্টেশন মৌলভিবাজার</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;মৌলভীবাজার চাদনীঘাট বহু পরিচিত একটা জায়গার নাম।কুলাউড়া,রাজনগর,মুন্সিবাজার এই রোডে মৌলভীবাজার শহরে আসতে হলে তারা অবশ্যই চাদনীঘাট হয়ে আসতে হয়। চাদনীঘাট বাসস্ট্যান্ড,সিএনজি স্ট্যান্ড মৌলভীবাজারের অনেক প্রাচীন ও পুরাতন স্টেশন।জেলা শহরে সরকারি -বেসরকারি নামি দামি স্কুল কলেজ থাকায় রাজনগরের আশে-পাশের অনেকই সেখানে লেখাপড়া করে থাকেন,শত শত ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন চাদনীঘাট হয়ে জেলা শহরে আসা যাওয়া করে,তখন তাদের প্রতিনিয়ত সিএনজি ড্রাইভার দ্বারা&lt;br /&gt;ইভটিজিং এর শিকার হতে হয়ে,লাঞ্ছিত হয়ে থাকে অনেক মেয়েরাই।এখন তাদের আতঙ্কের নাম চাদনীঘাট সিএনজি স্টেশন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মৌলভীবাজার মহিলা কলেজের এক ছাত্রী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার প্রতিদিন লাঞ্ছিত হওয়ার বর্ণনা হুবহু তোলে ধরা হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এবং আমার সহপাঠীরা আমরা মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজে পড়ি।আমরা রাজনগর থেকে প্রতিদিন কলেজে আসি।সে ক্ষেত্রে চাঁদনীঘাট ব্রীজ হয়েই আমাদের আসতে হয়। আমরা বাড়ি থেকে যখন চাঁদনীঘাট এসে সিএনজি করে নামি তখন অনেক সময় দাড়িয়ে থেকে আমাদের অটোরিক্সা চাইতে হয়। তখন আমাদের দাড়িয়ে থেকে সেখানে থাকা অনেক ড্রাইবারদের কাছ থেকে ইভটিজিং / অশ্লিল কথাবার্তার শিকার হতে হয়। অনেক ড্রাইবারেরা আমাদের শরিরের সাথে ঘেষাঘেষি করার চেষ্টা করেন। মাঝে মধ্যে সেখানের কিছু বকাটে যুবকেরা আমাদের এভাবেই মানসিক/শারিরিক টর্চার করে। কিছু ড্রাইবারদের গাড়ি ভাড়া দিতে গেলে বলে আপনার ভাড়া লাগবেনা আপনার ফোন নাম্বার দেন আপনাকে আমার ভালো লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-ulNQv6SyhlI/XR5trMX5zRI/AAAAAAAADn8/KwVmGxiU9MQFnP5fEurLDzwZvik389YawCEwYBhgL/s1600/Screenshot_20190704-231955_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;679&quot; data-original-width=&quot;1006&quot; height=&quot;431&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-ulNQv6SyhlI/XR5trMX5zRI/AAAAAAAADn8/KwVmGxiU9MQFnP5fEurLDzwZvik389YawCEwYBhgL/s640/Screenshot_20190704-231955_Facebook.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা যেহেতু ছাত্রী সে কারনে মাঝে মধ্যে আমাদের কাছে গাড়ি ভাড়া থাকেনা। তাই আমাদের চাঁদনীঘাট হয়ে হেটে হেটেই কলেজে যেতে হয়। তাই মাঝে মাঝে আরোও বড় বড় পরিস্থিতীর শিকার হতে হয়। তাছাড়া পৌরসভার পাশে যে কার স্টেন্ড সেখানের ছেলেরাও আমাদের সাথে এইভাবেই আচরন করেন। শুধু আমাদের নয় কলেজ পড়ুয়া সব মেয়েদের একি অভিযোগ। সামনে আমাদের পরীক্ষা সময় ( ২টা থেকে ৫টা ) সে ক্ষেত্রে আমাদের বাড়ি পৌছতে পৌছতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। আমাদের নিরাপত্তা আছে কি??? মেয়ে বলে কি আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই??? আমরা ত বোরকা পড়েও বের হই তাইলে কেনো???? আমাদের প্রতিদিন ভয়ের উপর যাত্রা করতে হয়।&lt;br /&gt;আমরা সামাজিক / শারিরিক/ মানসিক অত্যাচারে আছি।। আমাদের সাহায্য করোন। মুরব্বিরাও দেখেন কিন্তু তারা এড়িয়ে যান।&lt;br /&gt;আমরা কি পড়াশোনা বন্ধ করে দিবো??&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তরটা আপনাদের কাছে……?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style=&quot;color: #741b47;&quot;&gt;এখন এইতো সময় রুখে দাঁড়ানোর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-2x8cb_vF-3Q/XR5t6doYutI/AAAAAAAADn4/G56yI2I0_9k5iv1qEmmh7cSos3O-bIr4gCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190704-231332_Facebook.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;496&quot; data-original-width=&quot;1078&quot; height=&quot;292&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-2x8cb_vF-3Q/XR5t6doYutI/AAAAAAAADn4/G56yI2I0_9k5iv1qEmmh7cSos3O-bIr4gCLcBGAs/s640/Screenshot_20190704-231332_Facebook.jpg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color: #0000ee;&quot;&gt;&lt;u&gt;&amp;nbsp;আতঙ্কের নাম চাদনীঘাট&lt;/u&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/7694470965920893573/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_4.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7694470965920893573'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/7694470965920893573'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_4.html' title=' আতঙ্কের নাম চাদনীঘাট সিএনজি স্টেশন মৌলভিবাজার'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-ulNQv6SyhlI/XR5trMX5zRI/AAAAAAAADn8/KwVmGxiU9MQFnP5fEurLDzwZvik389YawCEwYBhgL/s72-c/Screenshot_20190704-231955_Facebook.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-429276626175783286</id><published>2019-07-03T09:32:00.000-07:00</published><updated>2019-07-03T09:32:15.863-07:00</updated><title type='text'>এই চেয়ারম্যানেরাই খুনীদের তৈরি করে ও সময় পেলে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় </title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;আমি বেশ কয়েক বছর আগে হুমায়ুন আহমেদ স্যারের একটা নাটক দেখেছিলাম। সেখানে এরকম একটা ঘটনা ছিল, গ্রামের এক চেয়ারম্যান তার প্রতিপক্ষকে হত্যা করার জন্য এক পেশাদার খুনী টাকা দিয়ে ভাড়া করে নিয়ে আসে। কিন্তু চেয়ারম্যানের বউ তার স্বামীর এমন অন্যায্য কাজের ঘোরতর বিরোধী ছিল। তাই চেয়ারম্যানের স্ত্রী সেই পেশাদার খুনীকে স্বামীর থেকে দ্বিগুণ টাকার অফার দিয়ে নির্ধারিত খুনটি না করে বরং তাকে ফিরে যেতে বলে। এমনকি খুনীকে তিনি ভাই বলে সম্বোধন করে নানা আবেগী কথা ও নৈতিক জ্ঞান দিয়ে খুনীকে তার খুন করা থেকে বিরত রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু অবশেষে খুনী স্ত্রীলোকটির কথায় কান না দিয়ে তার বায়নাকৃত খুনটি করে ফেলে এবং যাবার সময় খুনী চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে বলে যায় &#39;আমি কেউ না&#39;,&#39;আমি কেউ না&#39;,&#39;আমাকে প্রতিনিয়ত তৈরি করা হচ্ছে&#39;। খুনীর তার ভাষ্য মতে বোঝাতে চেয়েছিল যে, খুনী চলে গেলেও উক্ত চেয়ারম্যান আরও বেশি টাকা দিয়ে অন্য কাউকে না কাউকে ভাড়া করে নিয়ে আসবে কিন্তু খুনটা হবেই। অর্থাৎ খুনের মূল উৎস সে নয় বরং চেয়ারম্যান। এই চেয়ারম্যানেরাই খুনীদের তৈরি করে ও সময় পেলে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় &lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-8OTTOEOpT9c/XRzYhuehNkI/AAAAAAAADnY/lQAF2Ucm6uMwVRPrX0TDbxfvhNBLZCt1gCLcBGAs/s1600/Screenshot_20190703-183136_Chrome.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;341&quot; data-original-width=&quot;584&quot; height=&quot;186&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-8OTTOEOpT9c/XRzYhuehNkI/AAAAAAAADnY/lQAF2Ucm6uMwVRPrX0TDbxfvhNBLZCt1gCLcBGAs/s320/Screenshot_20190703-183136_Chrome.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;এবং বলে ওদের চিনিনা। তখন ক্রসফায়ার, অস্ত্র উদ্ধার বা গুম গুম খেলা চলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে সাধারণত কোনো অঘটন ঘটলে তার কোপটা পড়ে মূলত চ্যালা গুন্ডাদের উপর। কিন্তু আসল রথী-মহারথীরা থেকে ধরাছোঁয়া থেকে যোজন যোজন দূরে।&lt;br /&gt;এসব অঘটনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত মন্ত্রী, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান বা স্থানীয় প্রভাবশালীদের একটাকে ক্রসফায়ারে দিলে বোঝা যেত প্রশাসন বা সরকারের সদিচ্ছা। গতো কয়েক বছরে হাজার-হাজার নির্মম হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ বা গুম বাংলাদেশ ঘটেছে বা ঘটছে তার প্রত্যেকটি ঘটনার সাথে ক্ষমতাসীনদের উচ্চ পর্যায়ের লোকজন জড়িত কিছু তাঁদের কেশাগ্র স্পর্শ করার ক্ষমতা কারও নেই। শুধুমাত্র বস্তি থেকে 2/3 ইয়াবাসেবী ধরে এনে ক্রসফায়ারে নামে ঘটনার মূল সাক্ষীদের সরিয়ে দেওয়া বৈ অন্যকিছু নয়।&lt;br /&gt;অপরদিকে আবেগপ্রবণ ও সরলপ্রাণের বাংলাদেশীরা মনে করে,বটেরে ! খুব হয়েছে! 2 টা মরেছে ক্রসফায়ারে। কত্তো খুশির সংবাদ! মিষ্টি বিলাও! অর্থাৎ সরকার জনগণের নাকের ডগায় একটা মূলা ঝুলিয়ে দিল, পারলে এখন খেয়ে বোঝ!&lt;br /&gt;ক্ষমতাবানেরা সুযোগ বুঝে মুরগি মিলন, টুকাই সাগর বা নয়ন বন্ডদের তৈরি করে, সুযোগ শেষে ক্রস ফায়ার বা জজ মিয়া নাম দিয়ে বিশেষ চরিত্রে চিত্রায়িত করে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে স্বজন হারানোর বেদনা বুঝি সবসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একার, তিনি এখনও সময় পেলে পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য প্রচুর কান্না করেন। কিন্তু&amp;nbsp; একরামুল হকের মেয়ে, ইলিয়াস আলীর মেয়ে, সাগর-রুনির ছেলে মেঘ, বিশ্বজিৎ বা তনু-লিমনদের মায়ের কথা একটিবারের জন্য ভুল করেও ভাবেন না। যেহেতু বাংলাদেশে তাঁর হুকুম ছাড়া একটা পাখি ও কিচিরমিচির করতে পারে না।&lt;br /&gt;আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশের সরকার বা প্রশাসন অনেক ভাগ্যবান কেননা তাঁরা আমাদের মতো হোমোসেপিয়ান্স গোত্রের নিরীহ মানুষজন পেয়েছে, যাদের যুব সমাজের একটা বড় অংশ ক্রিকেট বা কম্পিউটার গেমসের আফিম খেয়ে ভারত বা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অকারনে ঘৃণা ছড়ানোতে ব্যস্ত সময় পার করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেকে বিভিন্ন বিচারকার্যে সৌদি আরব বা ইরানের শরিয়া আইনের যুক্তি তুলে ধরেন কিন্তু তাদের হয়তো পরিষ্কারভাবে জানা নেই এই দেশগুলো শরিয়তের নাম করে প্রতিপক্ষকে হত্যা থেকে শুরু করে অমানুষিক নির্যাতন করে। অর্থাৎ তারা শরিয়া আইনকে তাদের অবৈধ কার্যক্রমের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূল কথা হলো প্রতিটি ঘটনার মূলে গিয়ে তার সাথে সম্পৃক্ত মূল হোতাসহ জড়িত অন্যদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত এবং এই শাস্তি কোনোভাবেই আইনি প্রক্রিয়া বা ন্যায়বিচারের বাইরে গিয়ে হওয়া উচিত নয়।&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/429276626175783286/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_3.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/429276626175783286'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/429276626175783286'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post_3.html' title='এই চেয়ারম্যানেরাই খুনীদের তৈরি করে ও সময় পেলে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় '/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-8OTTOEOpT9c/XRzYhuehNkI/AAAAAAAADnY/lQAF2Ucm6uMwVRPrX0TDbxfvhNBLZCt1gCLcBGAs/s72-c/Screenshot_20190703-183136_Chrome.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7324987469608304361.post-1632662239254478938</id><published>2019-07-01T03:47:00.002-07:00</published><updated>2019-07-01T03:47:42.734-07:00</updated><title type='text'>এই মাত্র পাওয়াঃ– দেশে ফিরলেন সৌদিতে বিক্রি করে নির্যাতিত ৩৩ নারী শ্রমিক!</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;&amp;nbsp;রিপোর্ট :&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;দেশে ফিরলেন সৌদিতে বিক্রি- বিনা খরচে চাকরি দেবার নামে সৌদি আরব পাঠিয়ে বাংলাদেশি নারী শ্রমিদের বিক্রি করে দিচ্ছে এক শ্রেণীর দালাল চক্র। দিনের পর দিন বন্দি করে তাদের ওপরে চালানো হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার।এরকম নির্যাতনের শিকার ৩৩ নারী শ্রমিককে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শুক্রবার রাতে হযরত শাহজালাল আর্ন্তাতিক বিমানবন্দরে নামার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নির্যাতিত নারীরা। একটি বেসরকারি সংস্থা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভুক্তভোগীরা জানান, প্রথমে দালালরা তাদের সৌদি আরবে পাঠায় বিনা খরচে। সেখানে নেওয়ার পর তাদের পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাজপত্র কেড়ে নিয়ে পরে তাদের অন্য দালালদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।তারপর তাদের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে আটকে রেখে নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হয়। মাসের পর মাস বেতন না দিয়ে বাসাবাড়িতে বাজ করতে বাধ্য করা হয় তাদের।&lt;br /&gt;ব্যাংকের তথ্য কর্মকর্তা আল আমিন নয়ন বলেছেন, প্রবাসী নারী শ্রমিক সকলেরই অভিযোগ তাদেরকে অনেক টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। সে কারনেই তাদেরকে যে ধরনের কাজ করতে বলা হতো তারা সেই ধরনের কাজ করতে বাধ্য হতো।দেশে ফেরা প্রবাসী নারীরা জানান, সেখানে এখনো শত শত নারী শ্রমিককে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-zb9Ajbzhxeo/XRnks6RLYdI/AAAAAAAADm8/7iEOp1DcqG0P7l1iR_pd2rjO293f1m8NwCLcBGAs/s1600/20190701_123255.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;602&quot; data-original-width=&quot;1063&quot; height=&quot;181&quot; src=&quot;https://1.bp.blogspot.com/-zb9Ajbzhxeo/XRnks6RLYdI/AAAAAAAADm8/7iEOp1DcqG0P7l1iR_pd2rjO293f1m8NwCLcBGAs/s320/20190701_123255.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://www.manobtermuktir.com/feeds/1632662239254478938/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1632662239254478938'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7324987469608304361/posts/default/1632662239254478938'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://www.manobtermuktir.com/2019/07/blog-post.html' title='এই মাত্র পাওয়াঃ– দেশে ফিরলেন সৌদিতে বিক্রি করে নির্যাতিত ৩৩ নারী শ্রমিক!'/><author><name>www.Manobtermuktir.com</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18087578621103002500</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//2.bp.blogspot.com/-KfNCi_l6Dc0/XKsVTC_MVQI/AAAAAAAAB_M/xq4gJWWRTzsHZs_SGGRLwJF_F9LkHT1FQCK4BGAYYCw/s113/IMG-20180829-WA0192.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://1.bp.blogspot.com/-zb9Ajbzhxeo/XRnks6RLYdI/AAAAAAAADm8/7iEOp1DcqG0P7l1iR_pd2rjO293f1m8NwCLcBGAs/s72-c/20190701_123255.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><gd:extendedProperty name="commentSource" value="1"/><gd:extendedProperty name="commentModerationMode" value="FILTERED_POSTMOD"/></entry></feed>