<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379</id><updated>2026-03-22T09:43:22.865-07:00</updated><category term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><category term="মাসলা-মাসায়েল"/><category term="আল হাদীস"/><category term="রোজা"/><category term="আল কুরআন"/><category term="নীতি নৈতিকতা"/><category term="হযরত মুহাম্মদ (সা:)"/><category term="স্বামী-স্ত্রী"/><category term="কুরআনের অলৌকিক তথ্য"/><category term="আলোকিত জীবনাদর্শ"/><category term="কবীরা গুনাহ"/><category term="কোরআন ও বিজ্ঞান"/><category term="কোরবানি"/><category term="চলার পথে"/><category term="নামাজ"/><category term="বিদআত"/><category term="আধুনিক সমস্যা ও সমাধান"/><category term="ইসলামিক জীবন বিধান"/><category term="কেয়ামত"/><category term="জান্নাত"/><category term="প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পার্ট ১- আরিফ আজাদ"/><category term="যাকাত"/><category term="লাইলাতুল কদর"/><title type='text'>দীপ্তিময় ইসলাম - এসো ইসলামের পথে</title><subtitle type='html'>ShinyIslam ( দীপ্তিময় ইসলাম ) ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আপনি এখানে ইসলাম সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন। আপনার কোনো বিষয়ে জানার থাকলে আমাদের ইমেইল করতে পারেন। আমরা আপনার পরিচয় গোপন রেখে প্রশ্ন সহ সমাধান এই ব্লগে প্রকাশ করবো এবংআপনাকে তা ইমেইল এর মাধ্যমে নিশ্চিত করবো।</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default?start-index=26&amp;max-results=25'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>65</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-5555605626512155679</id><published>2023-06-05T22:17:00.000-07:00</published><updated>2023-06-05T22:17:18.699-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পার্ট ১- আরিফ আজাদ"/><title type='text'>একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস</title><content type='html'>&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEikelhvzUa2a2ddbDODaYK0zIW2HlcX_dqxy-0DwZ9IpBJMmSj2pxMOl47hnfEyRkuWoWegpJQpdB71SM0NwY1ZbhbboQaSQ1eXXZYCPq1heihBBxAv5DYGmWCK_30sdOXMVmF6zpmHza72PmuJpzM4QB9PtnA9EMJF0nyIdkO-VIogvj9iL4eFzJPo-Q/s1367/Screenshot_2023-06-06-10-54-11-76_e2d5b3f32b79de1d45acd1fad96fbb0f.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1367&quot; data-original-width=&quot;966&quot; height=&quot;320&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEikelhvzUa2a2ddbDODaYK0zIW2HlcX_dqxy-0DwZ9IpBJMmSj2pxMOl47hnfEyRkuWoWegpJQpdB71SM0NwY1ZbhbboQaSQ1eXXZYCPq1heihBBxAv5DYGmWCK_30sdOXMVmF6zpmHza72PmuJpzM4QB9PtnA9EMJF0nyIdkO-VIogvj9iL4eFzJPo-Q/s320/Screenshot_2023-06-06-10-54-11-76_e2d5b3f32b79de1d45acd1fad96fbb0f.jpg&quot; width=&quot;226&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি রুমে ঢুকেই দেখি সাজিদ কম্পিউটারের সামনে উবুঁ হয়ে বসে আছে। খটাখট কি যেন টাইপ করছে হয়তো। আমি জগ থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। প্রচন্ড রকম তৃষ্ণার্ত। তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাবার জোগাড়। সাজিদ কম্পিউটার থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,- ‘কি রে, কিছু হইলো?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি হতাশ গলায় বললাম,- ‘নাহ। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘তার মানে তোকে একবছর ড্রপ দিতেই হবে?’- সাজিদ জিজ্ঞেস করলো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘কি আর করা। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘তোদের এই এক দোষ,বুঝলি? দেখছিস পুওর এ্যাটেন্ডেন্সের জন্য এক বছর ড্রপ খাওয়াচ্ছে, তার মধ্যেও বলছিস, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। ভাই, এইখানে কোন ভালোটা তুই পাইলি,বলতো?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ সম্পর্কে কিছু বলে নেওয়া দরকার। আমি আর সাজিদ রুমমেট। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রো বায়োলজিতে পড়ে। প্রথম জীবনে খুব ধার্মিক ছিলো। নামাজ-কালাম করতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কিভাবে কিভাবে যেন এগনোষ্টিক হয়ে পড়ে। আস্তে আস্তে স্রষ্টার উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে এখন পুরোপুরি নাস্তিক হয়ে গেছে। ধর্মকে এখন সে আবর্জনা জ্ঞান করে। তার মতে পৃথিবীতে ধর্ম এনেছে মানুষ। আর ‘ইশ্বর’ ধারনাটাই এইরকম স্বার্থান্বেষী কোন মহলের মস্তিষ্কপ্রসূত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদের সাথে এই মূহুর্তে তর্কে জড়াবার কোন ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু তাকে একদম ইগনোর করেও যাওয়া যায়না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘আমার সাথে তো এর থেকেও খারাপ কিছু হতে পারতো,ঠিক না?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আরে, খারাপ হবার আর কিছু বাকি আছে কি?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;— ‘হয়তো। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘যেমন?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘এরকমও তো হতে পারতো,ধর, আমি সারাবছর একদমই পড়াশুনা করলাম না। পরীক্ষায় ফেইল মারলাম। এখন ফেইল করলে আমার এক বছর ড্রপ যেতো। হয়তো ফেইলের অপমানটা আমি নিতে পারতাম না। আত্মহত্যা করে বসতাম। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ হা হা হা হা করে হাসা শুরু করলো। বললো,- ‘কি বিদঘুটে বিশ্বাস নিয়ে চলিস রে ভাই। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই বলে সে আবার হাসা শুরু করলো। বিদ্রুপাত্মক হাসি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাতে সাজিদের সাথে আমার আরো একদফা তর্ক হোলো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সে বললো,- ‘আচ্ছা, তোরা যে স্রষ্টায় বিশ্বাস করিস, কিসের ভিত্তিতে?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘বিশ্বাস দু ধরনের। একটা হোলো, প্রমানের ভিত্তিতে বিশ্বাস। অনেকটা,শর্তারোপে বিশ্বাস বলা যায়। অন্যটি হোলো প্রমান ছাড়াই বিশ্বাস। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ হাসলো। সে বললো,- ‘দ্বিতীয় ক্যাটাগরিকে সোজা বাঙলায় অন্ধ বিশ্বাস বলে রে আবুল,বুঝলি?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি তার কথায় কান দিলাম না। বলে যেতে লাগলাম-&lt;/p&gt;&lt;p&gt;‘প্রমানের ভিত্তিতে যে বিশ্বাস, সেটা মূলত বিশ্বাসের মধ্যে পড়েনা। পড়লেও, খুবই ট্যাম্পোরেরি। এই বিশ্বাস এতই দূর্বল যে, এটা হঠাৎ হঠাৎ পালটায়। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ এবার নড়েচড়ে বসলো। সে বললো,- ‘কি রকম?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘এই যেমন ধর,সূর্য আর পৃথিবীকে নিয়ে মানুষের একটি আদিম কৌতূহল আছে। আমরা আদিকাল থেকেই এদের নিয়ে জানতে চেয়েছি, ঠিক না?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হু, ঠিক। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আমাদের কৌতূহল মেটাতে বিজ্ঞান আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছে, ঠিক?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হ্যাঁ। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আমরা একাট্টা ছিলাম। আমরা নির্ভুলভাবে জানতে চাইতাম যে, সূর্য আর পৃথিবীর রহস্যটা আসলে কি। সেই সুবাধে, পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা নানান সময়ে নানান তত্ব আমাদের সামনে এনেছেন। পৃথিবী আর সূর্য নিয়ে প্রথম ধারনা দিয়েছিলেন গ্রিক জ্যোতির বিজ্ঞানি টলেমি। টলেমি কি বলেছিলো সেটা নিশ্চয় তুই জানিস?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘হ্যাঁ। সে বলেছিলো সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘একদম তাই। কিন্তু বিজ্ঞান কি আজও টলেমির থিওরিতে বসে আছে? নেই। কিন্তু কি জানিস, এই টলেমির থিওরিটা বিজ্ঞান মহলে টিকে ছিলো পুরো ২৫০ বছর। ভাবতে পারিস? ২৫০ বছর পৃথিবীর মানুষ, যাদের মধ্যে আবার বড় বড় বিজ্ঞানি, ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার ছিলো, তারাও বিশ্বাস করতো যে, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই ২৫০ বছরে তাদের মধ্যে যারা যারা মারা গেছে, তারা এই বিশ্বাস নিয়েই মারা গেছে যে, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ সিগারেট ধরালো। সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বললো,- ‘তাতে কি? তখন তো আর টেলিস্কোপ ছিলো না, তাই ভুল মতবাদ দিয়েছে আর কি। পরে নিকোলাস কোপারনিকাস এসে তার থিওরিকে ভুল প্রমান করলো না?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হ্যাঁ। কিন্তু কোপারনিকাসও একটা মস্তবড় ভুল করে গেছে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ প্রশ্ন করলো,- ‘কি রকম?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘অদ্ভুত! এটা তো তোর জানার কথা। যদিও কোপারনিকাস টলেমির থিওরির বিপরীত থিওরি দিয়ে প্রমান করে দেখিয়েছিলেন যে, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে নয়, পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘোরে। কিন্তু, তিনি এক জায়গায় ভুল করেন। এবং সেই ভুলটাও বিজ্ঞান মহলে বীরদর্পে টিকে ছিলো গোটা ৫০ বছর। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘কোন ভুল?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘উনি বলেছিলেন, পৃথিবীই সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, কিন্তু সূর্য ঘোরে না। সূর্য স্থির। কিন্তু আজকের বিজ্ঞান বলে, – নাহ, সূর্য স্থির নয়। সূর্যও নিজের কক্ষপথে অবিরাম ঘূর্ণনরত অবস্থায়। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘সেটা ঠিক বলেছিস। কিন্তু বিজ্ঞানের এটাই নিয়ম যে, এটা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হবে। এখানে শেষ বা ফাইনাল বলে কিছুই নেই। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘একদম তাই। বিজ্ঞানে শেষ/ফাইনাল বলে কিছু নেই। একটা বৈজ্ঞানিক থিওরি ২ সেকেন্ডও টেকে না, আবার আরেকটা ২০০ বছরও টিকে যায়। তাই, প্রমান বা দলিল দিয়ে যা বিশ্বাস করা হয় তাকে আমরা বিশ্বাস বলিনা। এটাকে আমরা বড়জোর চুক্তি বলতে পারি। চুক্তিটা এরকম,- ‘তোমায় ততোক্ষণ বিশ্বাস করবো, যতক্ষণ তোমার চেয়ে অথেনটিক কিছু আমাদের সামনে না আসছে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ আবার নড়েচড়ে বসলো। সে কিছুটা একমত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘ধর্ম বা সৃষ্টিকর্তার ধারনা/অস্তিত্ব হচ্ছে ঠিক এর বিপরীত। দ্যাখ, বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মধ্যকার এই গূঢ় পার্থক্য আছে বলেই আমাদের ধর্মগ্রন্থের শুরুতেই বিশ্বাসের কথা বলা আছে। বলা আছে- ‘এটা তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করে। ‘ (সূরা বাকারা,০২)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদি বিজ্ঞানে শেষ বা ফাইনাল কিছু থাকতো, তাহলে হয়তো ধর্মগ্রন্থের শুরুতে বিশ্বাসের বদলে বিজ্ঞানের কথাই বলা হতো। হয়তো বলা হতো,- ‘এটা তাদের জন্যই যারা বিজ্ঞানমনষ্ক। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু যে বিজ্ঞান সদা পরিবর্তনশীল, যে বিজ্ঞানের নিজের উপর নিজেরই বিশ্বাস নেই, তাকে কিভাবে অন্যরা বিশ্বাস করবে?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘কিন্তু যাকে দেখিনা, যার পক্ষে কোন প্রমান নেই, তাকে কি করে আমরা বিশ্বাস করতে পারি?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘সৃষ্টিকর্তার পক্ষে অনেক প্রমান আছে, কিন্তু সেটা বিজ্ঞান পুরোপুরি দিতে পারেনা। এটা বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, সৃষ্টিকর্তার নয়। বিজ্ঞান অনেক কিছুরই উত্তর দিতে পারেনা। লিষ্ট করতে গেলে অনেক লম্বা একটা লিষ্ট করা যাবে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ রাগি রাগি গলায় বললো,- ‘ফাইজলামো করিস আমার সাথে?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি হাসতে লাগলাম। বললাম,- ‘আচ্ছা শোন, বলছি। তোর প্রেমিকার নাম মিতু না?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘এইখানে প্রেমিকার ব্যাপার আসছে কেনো?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আরে বল না আগে। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হ্যাঁ। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘কিছু মনে করিস না। কথার কথা বলছি। ধর, আমি মিতুকে ধর্ষণ করলাম। রক্তাক্ত অবস্থায় মিতু তার বেডে পড়ে আছে। আরো ধর, তুই কোনভাবে ব্যাপারটা জেনে গেছিস। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হু। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘এখন বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা কর দেখি, মিতুকে ধর্ষণ করায় কেনো আমার শাস্তি হওয়া দরকার?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘ক্রিটিক্যাল কোয়েশ্চান। এটাকে বিজ্ঞান দিয়ে কিভাবে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ব্যাখ্যা করবো?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হা হা হা। আগেই বলেছি। এমন অনেক ব্যাপার আছে, যার উত্তর বিজ্ঞানে নেই। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘কিন্তু এর সাথে স্রষ্টায় বিশ্বাসের সম্পর্ক কি?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘সম্পর্ক আছে। স্রষ্টায় বিশ্বাসটাও এমন একটা বিষয়, যেটা আমরা, মানে মানুষেরা, আমাদের ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য প্রমানাদি দিয়ে প্রমান করতে পারবো না। স্রষ্টা কোন টেলিষ্কোপে ধরা পড়েন না। উনাকে অণুবীক্ষণযন্ত্র দিয়েও খুঁজে বের করা যায়না। উনাকে জাষ্ট ‘বিশ্বাস করে নিতে হয়। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ এবার ১৮০ ডিগ্রি এঙ্গেলে বেঁকে বসলো। সে বললো,- ‘ধুর! কিসব বাল ছাল বুঝালি। যা দেখিনা, তাকে বিশ্বাস করে নেবো?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমি বললাম,- ‘হ্যাঁ। পৃথিবীতে অবিশ্বাসী বলে কেউই নেই। সবাই বিশ্বাসী। সবাই এমন কিছু না কিছুতে ঠিক বিশ্বাস করে, যা তারা আদৌ দেখেনি বা দেখার কোন সুযোগও নেই। কিন্তু এটা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলে না। তারা নির্বিঘ্নে তাতে বিশ্বাস করে যায়। তুইও সেরকম। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ বললো,- ‘আমি? পাগল হয়েছিস? আমি না দেখে কোন কিছুতেই বিশ্বাস করিনা, করবোও না। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘তুই করিস। এবং, এটা নিয়ে তোর মধ্যে কোনদিন কোন প্রশ্ন জাগে নি। এবং, আজকে এই আলোচনা না করলে হয়তো জাগতোও না। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো। বললাম,- ‘জানতে চাস?’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘হু। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আবার বলছি, কিছু মনে করিস না। যুক্তির খাতিরে বলছি। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘বল। ‘&lt;/p&gt;&lt;p&gt;– ‘আচ্ছা, তোর বাবা-মা’র মিলনেই যে তোর জন্ম হয়েছে, সেটা তুই দেখেছিলি? বা,এই মূহুর্তে কোন এভিডেন্স আছে তোর কাছে? হতে পারে তোর মা তোর বাবা ছাড়া অন্য কারো সাথে দৈহিক সম্পর্ক করেছে তোর জন্মের আগে। হতে পারে, তুই ঐ ব্যক্তিরই জৈব ক্রিয়ার ফল। তুই এটা দেখিস নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু কোনদিনও কি তোর মা’কে এটা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলি? করিস নি। সেই ছোটবেলা থেকে যাকে বাবা হিসেবে দেখে আসছিস, এখনো তাকে বাবা ডাকছিস। যাকে ভাই হিসেবে জেনে আসছিস, তাকে ভাই। বোনকে বোন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তুই না দেখেই এসবে বিশ্বাস করিস না? কোনদিন জানতে চেয়েছিস তুই এখন যাকে বাবা ডাকছিস, তুই আসলেই তার ঔরসজাত কিনা? জানতে চাস নি। বিশ্বাস করে গেছিস। এখনো করছিস। ভবিষ্যতেও করবি। স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসটাও ঠিক এমনই রে। এটাকে প্রশ্ন করা যায়না। সন্দেহ করা যায়না। এটাকে হৃদয়ের গভীরে ধারন করতে হয়। এটার নামই বিশ্বাস।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাজিদ উঠে বাইরে চলে গেলো। ভাবলাম, সে আমার কথায় কষ্ট পেয়েছে হয়তো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পরেরদিন ভোরে আমি যখন ফজরের নামাজের জন্য অযূ করতে যাবো, দেখলাম, আমার পাশে সাজিদ এসে দাঁড়িয়েছে।আমি তার মুখের দিকে তাকালাম।সে আমার চাহনির প্রশ্নটা বুঝতে পেরেছে। সে বললো,- ‘নামাজ পড়তে উঠেছি।’&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/5555605626512155679/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2023/06/httpsshinyislam.blogspot.comekjon-obissashir-bissash.html#comment-form' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5555605626512155679'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5555605626512155679'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2023/06/httpsshinyislam.blogspot.comekjon-obissashir-bissash.html' title='একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEikelhvzUa2a2ddbDODaYK0zIW2HlcX_dqxy-0DwZ9IpBJMmSj2pxMOl47hnfEyRkuWoWegpJQpdB71SM0NwY1ZbhbboQaSQ1eXXZYCPq1heihBBxAv5DYGmWCK_30sdOXMVmF6zpmHza72PmuJpzM4QB9PtnA9EMJF0nyIdkO-VIogvj9iL4eFzJPo-Q/s72-c/Screenshot_2023-06-06-10-54-11-76_e2d5b3f32b79de1d45acd1fad96fbb0f.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>2</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.810332 90.4125181</georss:point><georss:box>-4.4999018361788465 55.2562681 52.120565836178841 125.5687681</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-5225425152109369526</id><published>2021-04-07T02:44:00.003-07:00</published><updated>2021-04-07T02:44:37.588-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="ইসলামিক জীবন বিধান"/><title type='text'>তওবা ও ইস্তেগফার নাজাতের পথ</title><content type='html'>&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgZBepcz0w68OQgVzZihyphenhyphenjP5lu-i9f3z9sci1x4gFDaQyO8Kk-jE_HjjCSYrNFWIWwn7vuns_nNoHwEURq68v5bWR4yuDRj9qlWzTv4lbyGf26nuWQLpKVAa4uijnA-HwOjOqowV4aj4Ihd/&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; data-original-height=&quot;554&quot; data-original-width=&quot;554&quot; height=&quot;320&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgZBepcz0w68OQgVzZihyphenhyphenjP5lu-i9f3z9sci1x4gFDaQyO8Kk-jE_HjjCSYrNFWIWwn7vuns_nNoHwEURq68v5bWR4yuDRj9qlWzTv4lbyGf26nuWQLpKVAa4uijnA-HwOjOqowV4aj4Ihd/w320-h320/image.png&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;ইস্তিগফার মানে হলো ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহ হলেন ‘গাফির’ ক্ষমাকারী, ‘গফুর’ ক্ষমাশীল, ‘গফফার’ সর্বাধিক ক্ষমাকারী। ইস্তিগফার একটি স্বতন্ত্র ইবাদত; কোনো গুনাহ বা পাপ মাফ করার জন্য এই ইবাদত করা হয় না। যেমন: নামাজ, রোজা, হজ ইত্যাদি ইবাদত দ্বারা গুনাহ মাফ হয়; কিন্তু এসব ইবাদত করার জন্য গুনাহ করা শর্ত নয়। তওবা ও ইস্তিগফার আল্লাহ তাআলার অতি পছন্দের একটি ইবাদত। তাই প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বার তওবা ও ইস্তিগফার করতেন। অনুরূপ ইমানের পর নামাজ প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হওয়া সত্ত্বেও এই নামাজ আদায়ের পর তিনবার ইস্তিগফার পড়া সুন্নত। অর্থাৎ ইস্তিগফার শুধু পাপের পরে নয়, ইবাদতের পরেও করা হয়। যেমন হজের পর ইস্তিগফার করা বিষয়ে কোরআনে উল্লেখ আছে, ‘(হজ শেষে) তারপর তোমরা বেরিয়ে পড়ো, যেভাবে মানুষ চলে যাচ্ছে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৯৯)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;ই&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;স্তিগফার সম্বন্ধে কোরআনে আছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল।’ (সুরা-৭১ নূহ, আয়াত: ১০)। ‘অতঃপর তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।’ (সুরা-১১০ নাসর, আয়াত: ৩)। ‘আর আল্লাহ তাআলা আজাব দেবেন না তাদের, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায়; আর আল্লাহ তাদের আজাব দেবেন না, যখন তারা ইস্তিগফার করে।’ (সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩)। ইস্তিগফার সম্পর্কে হাদিসে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে যত মুমিন বান্দার জন্য ইস্তিগফার করবে, সে তাদের সবার সমপরিমাণ নেকি লাভ করবে।’ (সিয়ারে কাবির, তাবরানি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em; font-weight: bolder;&quot;&gt;ত&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em; font-weight: bolder;&quot;&gt;ওবা&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;তওবা অর্থ হলো ফিরে আসা। মানুষ যখন ভুল পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন সেখান থেকে সঠিক পথে বা ভালো পথে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়। তওবার পারিভাষিক অর্থ হলো লজ্জিত হওয়া। অর্থাৎ স্বীয় কৃতকর্মে লজ্জিত হয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা। তওবার জন্য করণীয় হলো, স্বীয় কৃতকর্মের প্রতি লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া, সেই অপরাধ আর না করার দৃঢ় প্রত্যয় ও সংকল্প গ্রহণ করা এবং নেক আমলের প্রতি বেশিমাত্রায় মনোযোগী হওয়া। তওবা সম্পর্কে কোরআনে রয়েছে, ‘হে ইমানদারেরা, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে ঝরনাসমূহ প্রবহমান।’ (সুরা-৬৬ তাহরিম, আয়াত: ৮)। ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২২২)। ‘(হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলুন, (আল্লাহ বলেন) হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের সত্তার প্রতি সীমাহীন জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন; নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা-৩৯ জুমার, আয়াত: ৫৩)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি।’ (মুসলিম)। তিনি আরও বলেন, ‘সকল আদম সন্তানই গুনাহগার, গুনাহগারদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো তওবাকারীরা। (তিরমিজি, ইবনে মাজা, দারেমি)। তওবার সুফল সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘গুনাহ থেকে তওবাকারী, বেগুনাহ ব্যক্তির মতো। (ইবনে মাজা, বায়হাকি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;উল্লেখ্য, আল্লাহর হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন; কিন্তু বান্দার হক বান্দা ক্ষমা না করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তাই তাওবা ইস্তিগফারের সঙ্গে সঙ্গে বান্দার হক পরিশোধ করা বা ক্ষমা চেয়ে নেওয়া অবশ্যকর্তব্য।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em; font-weight: bolder;&quot;&gt;তওবা ও ইস্তিগফারের দোয়া&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই দোয়া ইখলাছের সঙ্গে পাঠ করলে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গুনাহ থাকলেও তা মাফ হয়ে যাবে। ‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু, ওয়া আতুবু ইলাইহি।’ অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ব্যতীত কোনো মাবুদ নাই, তিনি চিরঞ্জীব ও চিরন্তন; এবং আমি তাঁর কাছে ফিরে আসি। (তিরমিজি, আবু দাউদ)। অথবা ‘আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি জাম্বিওঁ ওয়া আতুবু ইলাইহি; লা হাওলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।’ অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই আমার সব পাপের, আমি তাঁর কাছে ফিরে আসি। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া গুনাহ থেকে বাঁচার ও নেক কাজ করার কোনোই শক্তি নেই। (মুসলিম ও তিরমিজি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em; font-weight: bolder;&quot;&gt;সায়্যেদুল ইস্তিগফার&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; font-size: 1em;&quot;&gt;নবীজি (সা.) বলেন, ‘সায়্যেদুল ইস্তিগফার বা শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার হলো ‘আল্লাহুম্মা আন্তা রাব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, খলাকতানি ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাস্তাত তু। আউযু বিকা মিন শাররি মা ছনাতু। আবুউ লাকা বি-নিমাতিকা আলাইয়া ওয়া আবুউ বি-জাম্বি, ফাগফির লি, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ-জুনুবা ইল্লা আন্তা।’ অর্থ: হে আল্লাহ! আপনিই আমার প্রভু, আপনি ছাড়া আর কেউ মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর আমি আপনারই বান্দা, এবং আমি যথাসাধ্য আপনার নিকট প্রদত্ত অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর বহাল থাকব। আমি যত মন্দ কাজ করেছি, ওই সবের কুফল থেকে বাঁচার জন্য আপনার আশ্রয় চাই। আমার ওপর আপনার যে অসংখ্য নেয়ামত রয়েছে, তার শোকর গুজারি করি এবং আমার পাপের স্বীকৃতিও প্রদান করি; অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন; গুনাহ মাফ করার ক্ষমতা আপনি ছাড়া আর কারও নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি দিনে এই ইস্তিগফার পাঠ করবেন, সন্ধ্যার আগে তাঁর মৃত্যু হলে তিনি জান্নাতি; যে ব্যক্তি রাতে এই ইস্তিগফার পাঠ করবেন, সকালের আগে তাঁর মৃত্যু হলে তিনি জান্নাতি।’ (বুখারি)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;div class=&quot;primary-typeface story-element-text&quot; style=&quot;color: #424242; font-family: &amp;quot;Open Sans&amp;quot;, sans-serif; line-height: 24px; margin: 15px;&quot;&gt;&lt;p style=&quot;font-size: 1em; line-height: 30px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: bolder;&quot;&gt;মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/5225425152109369526/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2021/04/Taoba-and-istegfar.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5225425152109369526'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5225425152109369526'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2021/04/Taoba-and-istegfar.html' title='তওবা ও ইস্তেগফার নাজাতের পথ'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgZBepcz0w68OQgVzZihyphenhyphenjP5lu-i9f3z9sci1x4gFDaQyO8Kk-jE_HjjCSYrNFWIWwn7vuns_nNoHwEURq68v5bWR4yuDRj9qlWzTv4lbyGf26nuWQLpKVAa4uijnA-HwOjOqowV4aj4Ihd/s72-w320-h320-c/image.png" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-8326568960476370904</id><published>2020-08-29T00:26:00.001-07:00</published><updated>2020-08-29T00:26:14.777-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="আল হাদীস"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="বিদআত"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="রোজা"/><title type='text'>আশুরার গুরুত্ব, তাৎপর্য, শিক্ষা, করণীয় ও বর্জনীয়</title><content type='html'>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiNbQRR65f2Z6na6ScZESQ9W0Z9uAE01BDBkFs3ONyvDV43ymrA3krNBkzNVjf3WzYYBlpcbABHaQbymNd0TpcrUe-EM-HXxATPNGGvxk8oZaDsI6_0FHlENsS3-W3YwbL5ZgLkrzqTxo_6/s723/images.jpeg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;424&quot; data-original-width=&quot;723&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiNbQRR65f2Z6na6ScZESQ9W0Z9uAE01BDBkFs3ONyvDV43ymrA3krNBkzNVjf3WzYYBlpcbABHaQbymNd0TpcrUe-EM-HXxATPNGGvxk8oZaDsI6_0FHlENsS3-W3YwbL5ZgLkrzqTxo_6/s640/images.jpeg&quot; width=&quot;640&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;p&gt;হিজরী ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মুহাররম। এটি হারাম মাস তথা পবিত্র মাসের অন্তর্ভূক্ত। মুহাররমের ১০ তারিখকেই আশুরা বলা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রমজানের রোযা ফরয হওয়ার আগে আশুরার রোযা ফরয ছিল। যখন রমযানের রোযার বিধান নাযিল হয়, তখন থেকে আশুরার রোযাকে নফল করে দেয়া হয়েছে। [আবু দাউদ]&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুসা (আ:) ও বনি ঈসরাইলকে এই দিনে আল্লাহ তায়ালা ফিরআউনের অত্যাচারের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। [বুখারী]&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মদীনার ইহুদীরা শুকরিয়া স্বরুপ এই দিনে রোজা রাখত। আল্লাহর রাসুল (ﷺ‬) এই নেক আমলে নিজেদেরকে অধিক হকদার হিসেবে উল্লেখ করে, নিজেও সাহাবীদেরকে নিয়ে এই দিনে রোজা রাখেন। পাশাপাশি ইহুদীদের সাথে সামঞ্জস্য এড়াতে, পরবর্তী বছর থেকে আশুরার আগে বা পরে একটি অতিরিক্ত রোযা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। [মুসলিম]&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আশুরার দিনের সিয়াম পালনের মাধ্যমে, রাসুল (ﷺ‬) আল্লাহ তায়ালার নিকট বিগত বছরের গুনাহ মাফের প্রত্যাশা রেখেছেন। [মুসলিম]&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিক্ষা:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে- তাঁর প্রতি পরিপূর্ণ সমর্পিত হওয়া ও তাঁর আনুগত্যে নিজেকে উজাড় করে দেয়া। এর নমুনা স্বরুপ নফল রোজা পালন করা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আশুরার ব্যাপারে রাসুল (ﷺ‬) এর দিকনির্দেশনা থেকে আমাদের জন্য শিক্ষা হচ্ছে- ইগো পরিহার, অন্যের ভালো কাজের স্বীকৃতি এবং ইয়াহুদ নাসারাদের থেকে ব্যতিক্রম ও স্বতন্ত্র ঐতিহ্য লালন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আশুরার দিনে কারবালায় ইমাম হোসাইন (রা:) এর ঘটনা থেকে আমাদের জন্য শিক্ষা হচ্ছে- অন্যায় ও জুলুমের সাথে আপোষহীন মনোভাব বজায় রাখা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;করণীয়:&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নফল সিয়াম পালন ও ইমানী চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হওয়া।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বর্জনীয়:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাজিয়া, মার্সিয়া, শোক পালন, এই দিনে বিয়ে শাদীকে অমঙ্গলজনক মনে করা, এ দিনে ভালো খাবার দাবারের আয়োজন করলে বছর জুড়ে ভালো খাবার দাবারের ব্যবস্থা হবে ইত্যাদি ধারনা করা।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/8326568960476370904/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/08/Ashura-muharram-10.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/8326568960476370904'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/8326568960476370904'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/08/Ashura-muharram-10.html' title='আশুরার গুরুত্ব, তাৎপর্য, শিক্ষা, করণীয় ও বর্জনীয়'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiNbQRR65f2Z6na6ScZESQ9W0Z9uAE01BDBkFs3ONyvDV43ymrA3krNBkzNVjf3WzYYBlpcbABHaQbymNd0TpcrUe-EM-HXxATPNGGvxk8oZaDsI6_0FHlENsS3-W3YwbL5ZgLkrzqTxo_6/s72-c/images.jpeg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-2689198752256150096</id><published>2020-05-20T13:29:00.001-07:00</published><updated>2020-05-20T13:30:34.613-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="নামাজ"/><title type='text'>তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম</title><content type='html'>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEicn27k5vEi-dPf-36EwevYCiC7O_nS4cjj8rtttDz79__oxQrRYqt0b7e4oMYLAXkFcB0WnXaW6V7PAhqmVXSUG2wJM9AY3s_JYyY8MkGQkGXulSBeHA3BWaaTbfQE8Q_E1aSFOVByEg6E/&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;333&quot; data-original-width=&quot;500&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEicn27k5vEi-dPf-36EwevYCiC7O_nS4cjj8rtttDz79__oxQrRYqt0b7e4oMYLAXkFcB0WnXaW6V7PAhqmVXSUG2wJM9AY3s_JYyY8MkGQkGXulSBeHA3BWaaTbfQE8Q_E1aSFOVByEg6E/s320/islam-0398457-765x510.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সা্ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ফরজ নামাজের পর সব নফল নামাজের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো তাহাজ্জুদ নামাজ তথা রাতের নামাজ।’ (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;আল্লাহ তাআলা প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লামকে বিশেষভাবে রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;‘হে চাদর আবৃতকারী, রাতের সালাতে দাঁড়াও কিছু অংশ ছাড়া।’ (সুরা মুজাম্মিল : আয়াত ১-২)&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ইসলামের প্রাথমিক যুগে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে এ নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেন। প্রিয়নবির প্রতি কিছু সময় নামাজ পড়ার নির্দেশ ছিল না বরং রাতের কিছু অংশ ছাড়া সারারাত জেগে তাহাজ্জুদ আদায়ের নির্দেশ ছিল।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যেতে পারবেন, তাদের মধ্যে একশ্রেণির মানুষ হলেন তারা, যারা যত্নের সঙ্গে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। কুরআনের বিভিন্ন সুরায় এ নামাজের প্রতি তাগিদ দেয়া হয়েছে। তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে-তাবেয়িসহ সব যুগের ওলি ও বিদ্বানরা তাহাজ্জুদ নামাজে রাত কাটিয়ে দিয়েছেন&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333399;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333399;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333399;&quot;&gt;তাহাজ্জুদ নামাজের সময়, রাকাআত&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;- ইশার নামাজ আদায়ের পর থেকে সুবহে সাদেকের আগ পর্যন্ত সালাতুল লাইল বা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া যায়। তবে অর্ধ রাতের পর থেকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া ভালো। শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা সর্বোত্তম।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;- তাহাজ্জুদ নামাজ ২ থেকে ১২ রাকাআত পর্যন্ত পড়া বর্ণনা পাওযা যায়। সর্ব নিম্ন ২ রাকাআত আর সর্বোচ্চ ১২ রাকাআত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়তেন। তাই ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়াই ভালো। তবে এটা পড়া আবশ্যক নয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;সম্ভব হলে ১২ রাকাআত তাহাজ্জুদ আদায় করা। তবে ৮ রাকাআত আদায় করা উত্তম। সম্ভব না হলে ৪ রাকাআত আদায় করা। যদি তাও সম্ভব না হয় তবে ২ রাকাআত হলেও তাহাজ্জুদ আদায় করা ভালো। তবে তাহাজ্জুদ নামাজের কোনো কাজা নেই।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; color: green;&quot;&gt;তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ رَكَعَتِى التَّهَجُّدِ - اَللهُ اَكْبَر&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;অর্থ : দুই রাকাআত তাহাজ্জুদের নিয়ত করছি.. অতঃপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বেঁধে নামাজ পড়া।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; color: #003366;&quot;&gt;তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;- প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই দুই রাকাআত করে এ নামাজ আদায় করতেন। যে কোনো সুরা দিয়েই এ নামাজ পড়া যায়। তবে তিনি লম্বা কেরাতে নামাজ আদায় করতেন। তাই লম্বা কেরাতে তাহাজ্জুদ আদায় করা উত্তম।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;- তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাঁধা।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;- অতঃপর ছানা পড়া।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;- সুরা ফাতেহা পড়া।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;- সুরা মিলানো তথা কেরাত পড়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক লম্বা কেরাত পড়তেন। অতঃপর অন্যান্য নামাজের ন্যায় রুকু, সেজদা আদায় করা। এভাবেই দ্বিতীয় রাকাআত আদায় করে তাশাহহুদ, দরূদ ও দোয়া মাছুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;এভাবে দুই দুই রাকাআত করে ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা উত্তম।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;box-sizing: border-box; font-family: jagonewsFont, sans-serif; font-size: 19.2px; margin: 0px 0px 10px;&quot;&gt;আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে রাতের শেষ প্রহরে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/2689198752256150096/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/05/rules-of-tahazzud-namaz.html#comment-form' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2689198752256150096'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2689198752256150096'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/05/rules-of-tahazzud-namaz.html' title='তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEicn27k5vEi-dPf-36EwevYCiC7O_nS4cjj8rtttDz79__oxQrRYqt0b7e4oMYLAXkFcB0WnXaW6V7PAhqmVXSUG2wJM9AY3s_JYyY8MkGQkGXulSBeHA3BWaaTbfQE8Q_E1aSFOVByEg6E/s72-c/islam-0398457-765x510.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3143979732882319615</id><published>2020-04-26T11:14:00.001-07:00</published><updated>2020-04-26T11:14:53.385-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="হযরত মুহাম্মদ (সা:)"/><title type='text'>রাসুলুল্লাহ (সা:) এর রেখে যাওয়া কিছু নিদর্শন যেগুলো আমরা অনেকেই দেখিনি</title><content type='html'>&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জীবনী সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি, কিন্তু সেই জীবনীতে উল্লেখিত জায়গা সমুহ এবং তার ব্যাবহরিত অনেক জিনিস যেমন তার তরবারি, জুতা, পাগরী আমরা অনেকেই দেখিনাই। সেই সকল জায়গা এবং বস্তু সকলকে দেখাবার একটি ছোট চেস্টা করেছি মাত্র।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;মোহাম্মদ&amp;nbsp;সা:&amp;nbsp;এর&amp;nbsp;রওজা&amp;nbsp;মোবারক&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi3ABdvK3czAaAW-tYUP39MDAlsAmA_liT66zZtdjPx0j5hCSeDXihQG8dWQzhBpE6So7ayqJar__74GSnldItXOyQM50md-x69MzUT99KWuEQdcO_7zbrgx_79KHOmp8kZkY0lltCda85K/s1600/2Q%253D%253D.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;237&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi3ABdvK3czAaAW-tYUP39MDAlsAmA_liT66zZtdjPx0j5hCSeDXihQG8dWQzhBpE6So7ayqJar__74GSnldItXOyQM50md-x69MzUT99KWuEQdcO_7zbrgx_79KHOmp8kZkY0lltCda85K/w320-h237/2Q%253D%253D.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;নবী&amp;nbsp;করিম&amp;nbsp;সা:এর&amp;nbsp;পাগড়ি&amp;nbsp;মোবারক&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjUw5mssNawOAV9BMTGF6wJgbVR7u0PYSiQOrRi27xh56S7tHiTZArwLJ10dU_goxAFpuUG2bJthG-toXA1mwpo8Swy5M2qI4psWG2wbi_8DLhkM3w9czXsfpvo1hxT9P6u0MvQ_bLmZelz/s1600/No--7.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;208&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjUw5mssNawOAV9BMTGF6wJgbVR7u0PYSiQOrRi27xh56S7tHiTZArwLJ10dU_goxAFpuUG2bJthG-toXA1mwpo8Swy5M2qI4psWG2wbi_8DLhkM3w9czXsfpvo1hxT9P6u0MvQ_bLmZelz/w320-h208/No--7.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর তরবারি মোবারক&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023350_3-724e5b3068.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;195&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023350_3-724e5b3068.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;চার&amp;nbsp;খলীফার&amp;nbsp;তরবারি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023443_4-normal_From_top_to_bottom_the_Swords_of_the_4_Caliphs,_Abu-Bakr,_Omar,_Othman_and_Ali.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;214&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023443_4-normal_From_top_to_bottom_the_Swords_of_the_4_Caliphs,_Abu-Bakr,_Omar,_Othman_and_Ali.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;ছবিটিতে চারজন খলিফার তরবারি রাখা আছে, একেবারে উপরের টি হযরত আবু বকর (রাঃ) এর তার পরের টি হযরত ওমর (রাঃ) এর পরের টি হযরত ওসমান (রাঃ) এর এবং সব শেষের টি হযরত ওমর (রাঃ) এর তরবারি।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;যে বাড়ীতে নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) জন্ম গ্রহন করে ছিলেন বলে মনে করা হয় (সংস্করণ&amp;nbsp;করা&amp;nbsp;হয়েছে)&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023801_5-HouseOfProphet-CompleteView.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;240&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023801_5-HouseOfProphet-CompleteView.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;মুহাম্মদ (সা:)&amp;nbsp;এর&amp;nbsp;দুধমাতা&amp;nbsp;হালিমা (রা:)&amp;nbsp;এর&amp;nbsp;বাড়ি&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023893_6-untitled.JPG&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;230&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298023893_6-untitled.JPG&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href=&quot;https://draft.blogger.com/blogger.g?blogID=7037949147671480379&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;মুহাম্মদ&amp;nbsp;সা:&amp;nbsp;এর&amp;nbsp;পদ&amp;nbsp;চিহ্ন&amp;nbsp;মোবারক&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298022250_1-NAKSIKAD.JPG&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;320&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298022250_1-NAKSIKAD.JPG&quot; width=&quot;240&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এই বাড়ী টিতে তার সৈশবের অনেক গুল দিন কাটিয়ে ছিলেন, আর বাড়ী টি থেকে দুরে যে মাঠ দেখা যাচ্ছে সেখানে&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) মেষ চড়াতেন।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জুতা মোবারক&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298024131_7-54364382.JPG&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;320&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298024131_7-54364382.JPG&quot; width=&quot;211&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298024190_8-Nalain_Mubarak.jpg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;218&quot; src=&quot;http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/shohaghossain_1298024190_8-Nalain_Mubarak.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;clear: both;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3143979732882319615/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Some-ptterns-left-by-Hazrat-muhammod-Sa.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3143979732882319615'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3143979732882319615'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Some-ptterns-left-by-Hazrat-muhammod-Sa.html' title='রাসুলুল্লাহ (সা:) এর রেখে যাওয়া কিছু নিদর্শন যেগুলো আমরা অনেকেই দেখিনি'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi3ABdvK3czAaAW-tYUP39MDAlsAmA_liT66zZtdjPx0j5hCSeDXihQG8dWQzhBpE6So7ayqJar__74GSnldItXOyQM50md-x69MzUT99KWuEQdcO_7zbrgx_79KHOmp8kZkY0lltCda85K/s72-w320-h237-c/2Q%253D%253D.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-173715330968103542</id><published>2020-04-25T22:22:00.003-07:00</published><updated>2020-04-25T23:55:12.250-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="রোজা"/><title type='text'>যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং মাকরুহ হয়</title><content type='html'>&lt;table align=&quot;center&quot; cellpadding=&quot;0&quot; cellspacing=&quot;0&quot; class=&quot;tr-caption-container&quot; style=&quot;margin-left: auto; margin-right: auto;&quot;&gt;&lt;tbody&gt;&lt;tr&gt;&lt;td style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh2aANtTB36qlf1t99qWHggmBAJwbbDOyOtcrxkZTNoe8pDKs82cypajAWMM67qznegMz8ua1Son93DAjVsLOZW1w9gsBIS4radx5dZy51Vmk5b1T1oV7ccYwoUvQsgmsNmDt8BrkYOU92i/&quot; style=&quot;margin-left: auto; margin-right: auto;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;রোজা ভঙ্গের কারণ&quot; border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;400&quot; data-original-width=&quot;700&quot; height=&quot;183&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh2aANtTB36qlf1t99qWHggmBAJwbbDOyOtcrxkZTNoe8pDKs82cypajAWMM67qznegMz8ua1Son93DAjVsLOZW1w9gsBIS4radx5dZy51Vmk5b1T1oV7ccYwoUvQsgmsNmDt8BrkYOU92i/w320-h183/images+%25285%2529.jpeg&quot; title=&quot;Reasons-why-fasting-is-broken&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;tr-caption&quot; style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; text-align: left;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;বিনা-কারণে যদি কেউ এ রোজা ভঙ্গ করে, তার জন্যে রয়েছে দুনিয়া-আখিরাতে লাঞ্ছনা! তাই ইচ্ছাকৃত যদি কেউ রোজা ভঙ্গ করে, তার উপর কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়। আর অনিচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে কারো রোজা ভঙ্গ করতে হলে তার উপর কেবলই কাজা ওয়াজিব। উল্লেখ্য যে, কাজা হচ্ছে একটি রোজার পরিবর্তে অন্য মাসে একটি রোজা পালন করা। আর কাফফারা হচ্ছে একটির পরিবর্তে অন্য মাসে বিরতিহীন ৬০টি রোজা পালন করা। ফকিহ তথা দ্বীনের বিজ্ঞ বিচারকরা কুরআন হাদিসের গবেষণার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু কারণ নির্ধারণ করেছেন, যা সংঘটিত হলে রোজা ভেঙে যায়।&lt;/div&gt;&lt;/span&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/tbody&gt;&lt;/table&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&lt;br /&gt;জেনে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;নেবো&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;রোজা&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ভাঙ্গার&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;কারণসমূহ-&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;(১) পানাহার ও স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়; যদি রোজাদারের এ কথা মনে থাকে যে; সে রোজা রেখেছে। সুতরাং কেউ যদি রোজার কথা ভুলে গিয়ে পানাহার ও সঙ্গম করে, তবে তার রোজা ভাঙবে না। অবশ্য, স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে তা থেকে বিরত থাকতে হব। (রদ্দুল মুহতার, ৩য়খণ্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(২) হুক্কা, সিগারেট, চুরুট ইত্যাদি পান করলেও রোজা ভেঙে যায়; যদিও নিজে ধারণা করে যে, কণ্ঠনালী পর্যন্ত ধোঁয়া পৌঁছেনি। (বাহারে শরীয়ত, ৫ম খণ্ড, ১১৭ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৩) পান কিংবা তামাক খেলেও রোজা ভেঙে যায়; যদিও সেটার পিক বারবার ফেলে দেয়া হয়। কারণ কণ্ঠনালীতে সেগুলোর হালকা অংশ অবশ্যই পৌঁছে থাকে। (বাহারে শরীয়ত, ৫ম খণ্ড, ১১৭ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৪) চিনি জাতীয় খাদ্য; যা মুখে রাখলে গলে যায়, তা মুখে রেখে থুথু গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে। (বাহারে শরীয়ত, ৫ম খণ্ড, ১১৭ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৫) দাঁতের মধ্যভাগে কোন জিনিস ছোলা (চানাবুট) পরিমাণ কিংবা তার ছেয়ে বেশি আঁটকে থাকার পর তা খেয়ে ফেললে। কিংবা ঐ পরিমাণের চেয়ে কম; কিন্তু মুখ থেকে বের করে পুনরায় খেলে,রোজা ভেঙে যাবে। (দুররে মুখতার, ৩য় খণ্ড, ৩৯৪ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৬) দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে কণ্ঠনালীর নিচে নেমে গেলে এবং রক্ত যদি থুথু অপেক্ষা বেশি কিংবা সমান অথবা কম হয় এবং সেটার স্বাদ কণ্ঠে অনুভূত হলে রোজা ভেঙে যাবে। যদি কম থাকে, আর স্বাদও কণ্ঠে অনুভূত না-হয়, তাহলে এমতাবস্থায় রোজা ভাঙ্গবে না। (দুররে মুখতার, ৩য়খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৬৮)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৭) নাকের ছিদ্র দিয়ে ঔষধ প্রবেশ করালে রোজা ভেঙে যাবে। (আলমগীরী, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৪)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৮) কুলি করা অবস্থায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও পানি কণ্ঠনালী বেয়েনিচে নেমে গেলে কিংবা নাকে পানি দেওয়ার কারণে তা মগজে পৌঁছে গেলে রোজা ভেঙে যাবে। কিন্তু যদি রোজাদার হওয়ার কথা ভুলে যায়, তবে রোজা ভাঙবে না; যদিও তা ইচ্ছাকৃত হয়। অনুরূপভাবে রোজাদারের দিকে কেউ কোন কিছু নিক্ষেপ করলো, আর তা তার কণ্ঠে পৌঁছে গেলো; তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। (আল জাওয়াতুন নাইয়ারাহ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭৮)&lt;/p&gt;&lt;div class=&quot;kpod kpod-clearfix kpod-post-middle kpod-float-center kpod-align-center kpod-column-1&quot; style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; text-align: center; zoom: 1;&quot;&gt;&lt;div class=&quot;kpod-container kpod-type-code&quot; data-adid=&quot;497822&quot; data-type=&quot;code&quot; id=&quot;kpod-497822-1926023886&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; margin-bottom: 20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(৯) ঘুমন্ত অবস্থায় পানি পান করলে, কিছু খেয়ে ফেললে অথবা মুখ খোলা থাকায় পানির ফোটা কিংবা বৃষ্টি কণ্ঠে চলে গেলে রোজা ভেঙে যাবে। (আল-জাওয়াতুন নাইয়ারাহ, ১ম খণ্ড, ১৭৮ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(১০) অন্য কারো থুথু গিলে ফেললে কিংবা নিজেরই থুথু মুখ থেকে বের করার পর গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে। (আমলগীরী, ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠা) বি: দ্র: যতক্ষণ পর্যন্ত থুথু কিংবা কফ মুখের ভিতর বিদ্যমান থাকে। তা গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয় না। বারবার থুথু ফেলতে থাকা জরুরি নয়।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(১২) মুখে রঙিন সুতা অথবা এ জাতীয় কিছু রাখার ফলে থুথু রঙিন হয়ে গেলে, এবং ঐ রঙিন থুথু গিলে ফেললে রােজা ভেঙে যাবে। (আলমগীরী, ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(১৩) চোখের পানি মুখের ভিতর চলে গেলে আর সেটা গিলে ফেললে। যদি দুয়েক ফোটা হয়তবে রোজা ভাঙবে না। আর যদি বেশি হয়, যার ফলে সেটার লবণাক্ততা মুখে অনুভূত হয়। তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। ঘামের ক্ষেত্রেও একই বিধান। (আলমগীরী, ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(১৪) ইচ্ছাকৃত মুখভর্তি বমি করলে রেজা ভেঙে যাবে। কিন্তু অনিচ্ছাকৃত হলে ভাঙবে না। (দুররে মুখতার, ৩য় খণ্ড, ৩৯২ পৃষ্ঠা)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;(১৫) রক্তদান করলে রোজার ক্ষতি নেই; তবে গ্রহণ করলে রোজা ভেঙে যাবে। (ফতোয়ায়ে ফয়জুর রসুল)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যে সব কারণে রোজা মাকরুহ হয়&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;যাবতীয় হারাম-মন্দ কাজ; যেমন: মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরি, গালাগালের কারণে রোজা মাকরুহ হয়ে যায়। এসব কারণে রোজা সরাসরি ভঙ্গ না-হলেও সে রোজার কবুলিয়্যত কতটুক, তা যথেষ্ট ভাববার বিষয়। বিনা কারণে জিহ্বার মাধ্যমে কোনো জিনিসের স্বাদ অনুভব করা বা চিবানো মাকরুহ। অবশ্য বিশেষ প্রয়োজনে স্বাদ টেস্ট করার অনুমতি রয়েছে। তবে তা যেন কণ্ঠনালি অতিক্রম না-করে। করলে রোজা ভেঙে যাবে (দুররে মুখতার, ৩য় খণ্ড, ৩৯৫ পৃষ্ঠা)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;স্বামী-স্ত্রী পরস্পর চুম্বন করা মাকরুহ নয়; কিন্তু ঠোঁট ও জিহ্বা শোষণ করা মাকরুহ। এরূপ করার ফলে যদি পেটে কিছু চলে যায়; তবে রোজা ভেঙে যাবে (রদ্দুল মুখতার, ৩য় খণ্ড, ৩৯৬ পৃষ্ঠা)। এমন ভারী কাজ করা মাকরুহ; যার কারণে রোজাদার অত্যধিক ক্লান্ত হয়ে রোজা ভেঙে ফেলার অবস্থা সৃষ্টি হয়। সুতরাং কেউ যদি রক্তদানে অধিক ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে পারবে কি-না; এ ব্যাপারে সন্ধিহান হয়, তবে রক্ত দেয়া মাকরুহ (দুররে মুখতার, ৩য় খণ্ড, ৪০০ পৃষ্ঠা)।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;রোজার বিধান নামাজের মতোই ফরজ। অতএব, রোজাদারের উচিত রোজা পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা; যাতে রোজা ভঙ্গ কিংবা মাকরুহ না-হয়। ইচ্ছাকৃত ভঙ্গ করার কোনো অনুমতি তো নেই-ই, অনিচ্ছাসত্ত্বে যদি কারো রোজা ভেঙে যায়; তবে যেন সে অবশ্যই তার কাজা আদায় করে নেয়। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেছেন, রোজা তাঁর জন্যই, তিনিই রোজার বিশেষ প্রতিদান দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #363636; font-family: lato; font-size: 15px; margin: 0px 0px 17px; padding: 0px;&quot;&gt;প্রকৃত সোর্স-&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://www.channelionline.com/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE/&quot;&gt;ক্লিক করুন&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/173715330968103542/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Reasons-why-fasting-is-broken.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/173715330968103542'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/173715330968103542'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Reasons-why-fasting-is-broken.html' title='যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং মাকরুহ হয়'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh2aANtTB36qlf1t99qWHggmBAJwbbDOyOtcrxkZTNoe8pDKs82cypajAWMM67qznegMz8ua1Son93DAjVsLOZW1w9gsBIS4radx5dZy51Vmk5b1T1oV7ccYwoUvQsgmsNmDt8BrkYOU92i/s72-w320-h183-c/images+%25285%2529.jpeg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-8202469754050787022</id><published>2020-04-24T10:52:00.001-07:00</published><updated>2020-05-04T22:54:25.730-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="রোজা"/><title type='text'>সাহরী ও ইফতারের দোয়া এবং সময়সূচি 2020, মাহে রমজান 1441 হিজরী। </title><content type='html'>সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি 1441 হিজরী, 2020 খ্রিস্টাব্দ।&lt;br /&gt;
#ramadan2020&lt;br /&gt;
#মাহে_রমজান_2020&lt;br /&gt;
#রমজান_২০২০&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgmVzH1B_-Id-JwO1zsja6T2v8jt4kW2uO6bGJVVm0NIaeiNtjz-s-uMbmfZhtR2SueONhaUofCa41M_Uo1hdJ1mf7_1vXGH5CQouLG2oG-zwANryHh-0M0jlIUfQZ7fO96n4pCVKMOhl6D/s1600/FB_IMG_1587745785870-01.jpeg&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;1515&quot; data-original-width=&quot;1080&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgmVzH1B_-Id-JwO1zsja6T2v8jt4kW2uO6bGJVVm0NIaeiNtjz-s-uMbmfZhtR2SueONhaUofCa41M_Uo1hdJ1mf7_1vXGH5CQouLG2oG-zwANryHh-0M0jlIUfQZ7fO96n4pCVKMOhl6D/s1600/FB_IMG_1587745785870-01.jpeg&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;&lt;b&gt;রোজা রাখার/ সেহরীর নিয়ত:&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;(নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিং শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম)&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;অর্থ: হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 19px; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;&quot;&gt;&lt;b&gt;ইফতারের দোয়া:&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 19px; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://www.bd-pratidin.com/assets/archive/images/online/2017/May/if%20d.jpg&quot; style=&quot;border: none; margin: 10px; max-width: 100%; outline: 0px; padding: 0px;&quot; /&gt;(আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আ&#39;লা রিজক্বিকা ওয়া আফতারতু বি রাহমাতিকা ইয়া আর্ হামার রা-হিমীন।)&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 19px; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 19px; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;strong style=&quot;margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;&quot;&gt;ইফতারের বাংলা দোয়াঃ&lt;/strong&gt;&lt;br style=&quot;margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;&quot; /&gt;হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার আরম্ভ করছি। তারপর &quot;বিসমিল্লাহি ওয়া&#39;আলা বারাকাতিল্লাহ&quot; বলে ইফতার করা।&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;রোজার বাংলা নিয়তঃ&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;background-color: white; line-height: 30px; margin: 0px 0px 10px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font color=&quot;#333333&quot; face=&quot;SolaimanLipi&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 19px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/8202469754050787022/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Sehri-and-iftar-time-2020-ramadan.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/8202469754050787022'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/8202469754050787022'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2020/04/Sehri-and-iftar-time-2020-ramadan.html' title='সাহরী ও ইফতারের দোয়া এবং সময়সূচি 2020, মাহে রমজান 1441 হিজরী। '/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgmVzH1B_-Id-JwO1zsja6T2v8jt4kW2uO6bGJVVm0NIaeiNtjz-s-uMbmfZhtR2SueONhaUofCa41M_Uo1hdJ1mf7_1vXGH5CQouLG2oG-zwANryHh-0M0jlIUfQZ7fO96n4pCVKMOhl6D/s72-c/FB_IMG_1587745785870-01.jpeg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-9037431178672687499</id><published>2019-12-07T14:25:00.000-08:00</published><updated>2019-12-07T14:26:45.062-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><title type='text'>স্বামী স্ত্রীর কোন পাশে ঘুমাবে? এ নিয়ে ইসলামে কোন বিধি বিধান আছে কি না ?</title><content type='html'>&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjfNUcwV6rm9c88-cicscgbmbFZeUxkC5Foy3xWuxlg_R9VrnjM3J6NL0URHy11XWpNq7gCYn_xAdZphuZK8qUum1JPqRH5x55II24C6346x2MibZMRIMK_dJgfY9YSw4M1t68Oi9KL1wwA/s1600/10922779_552425528193273_6228997949530426707_n.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;808&quot; data-original-width=&quot;960&quot; height=&quot;269&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjfNUcwV6rm9c88-cicscgbmbFZeUxkC5Foy3xWuxlg_R9VrnjM3J6NL0URHy11XWpNq7gCYn_xAdZphuZK8qUum1JPqRH5x55II24C6346x2MibZMRIMK_dJgfY9YSw4M1t68Oi9KL1wwA/s320/10922779_552425528193273_6228997949530426707_n.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
প্রশ্ন:&amp;nbsp;&lt;em style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;Siyam Rupali&amp;quot;, serif; font-size: 14px; text-align: justify;&quot;&gt;স্বামী স্ত্রীর কোন পাশে ঘুমাবে? এ নিয়ে ইসলামে কোন বিধি বিধান আছে কি না ?&lt;/em&gt;&lt;br /&gt;
&lt;em style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;Siyam Rupali&amp;quot;, serif; font-size: 14px; text-align: justify;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/em&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;i&gt;উঃ&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;স্বামী -স্ত্রী কে কোন পাশে ঘুমাবে–এব্যাপারে কোন বিধি-নিষেধ নেই; বরং প্রত্যেক নারী-পুরুষের জন্য ডান কাতে ঘুমানো সুন্নাত। কেননা রাসূল&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;color: green; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;ﷺ&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;siyam rupali&amp;quot; , serif; font-size: 14px;&quot;&gt;বলেছেন, إِذَا أَتَيْتَ مَضْجَعَكَ فَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ ، ثُمَّ اضْطَجِعْ عَلَى شِقِّكَ الْأَيْمَنِ ‘যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন নামাযের ওযুর মত ওযু করবে। অতঃপর ডান কাত হয়ে ঘুমাও। (মুসলিম ২৭১০)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: #eeeeee; color: #333333; font-family: &amp;quot;Siyam Rupali&amp;quot;, serif; font-size: 14px; text-align: justify;&quot;&gt;
উপুড় হয়ে ঘুমানো মাকরূহ। কেননা রাসূল&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;color: green;&quot;&gt;ﷺ&lt;/span&gt;&amp;nbsp;বলেছেন, إنها ضجعة يبغضها الله عز وجل ‘এটি এমন শয়ন, যাকে আল্লাহ তাআলা &amp;nbsp;খুব অপছন্দ করেন।’ (আবু দাউদ ৫০০১)&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/9037431178672687499/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2019/12/Islamic-sleeping-style-for-husband-and-wife.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/9037431178672687499'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/9037431178672687499'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2019/12/Islamic-sleeping-style-for-husband-and-wife.html' title='স্বামী স্ত্রীর কোন পাশে ঘুমাবে? এ নিয়ে ইসলামে কোন বিধি বিধান আছে কি না ?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjfNUcwV6rm9c88-cicscgbmbFZeUxkC5Foy3xWuxlg_R9VrnjM3J6NL0URHy11XWpNq7gCYn_xAdZphuZK8qUum1JPqRH5x55II24C6346x2MibZMRIMK_dJgfY9YSw4M1t68Oi9KL1wwA/s72-c/10922779_552425528193273_6228997949530426707_n.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3731046518825434229</id><published>2019-05-17T02:52:00.000-07:00</published><updated>2019-05-17T03:01:37.055-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="আধুনিক সমস্যা ও সমাধান"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="চলার পথে"/><title type='text'>ইসলামের দৃষ্টিতে টেলিভিশন বা TV দেখা কি হারাম?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
আলহামদুলিল্লাহ ।&lt;br /&gt;
আমাদের ফেইসবুক পেজএ একজন বোন প্রশ্ন করেছেন, &lt;b&gt;&quot;টিভি দেখা জায়েজ নাকি&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;নাজায়েজ? যদি নাজায়েজ হয় তবে&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;b&gt;দলিলসহ&amp;nbsp;জানান? আয়াত, হাদিস &amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;b&gt;ফতোয়ার কিতাবের দলিল দারা&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;b&gt;উত্তর চাই।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEidmt4yDB-tqIgnxRBJkguhE2HAxonKev6bH1CPVqKkTwEvSwgCYnG_LR-_7ou0ne5UEN_VFqP5KVYOA-0Z4H9Nav3IKp7Z_H1TSnkAVkh6utqNqclZXXrUh5X63z09_BH3CAxjZHDCQKHB/s1600/images+%25283%2529.jpeg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;450&quot; data-original-width=&quot;682&quot; height=&quot;211&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEidmt4yDB-tqIgnxRBJkguhE2HAxonKev6bH1CPVqKkTwEvSwgCYnG_LR-_7ou0ne5UEN_VFqP5KVYOA-0Z4H9Nav3IKp7Z_H1TSnkAVkh6utqNqclZXXrUh5X63z09_BH3CAxjZHDCQKHB/s320/images+%25283%2529.jpeg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;উত্তরঃ&amp;nbsp;&lt;/b&gt;প্রথমে&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;১।&amp;nbsp;&lt;/b&gt;টিভি&amp;nbsp;দেখা&amp;nbsp;হায়েজ&amp;nbsp;নাকি&amp;nbsp;নাজায়েজ &amp;nbsp;এ&amp;nbsp;প্রশ্নের&amp;nbsp;উত্তর&amp;nbsp;হলো&amp;nbsp;হ্যাঁ&amp;nbsp;টিভি&amp;nbsp;দেখা&amp;nbsp;জায়েজ। (আগেই&amp;nbsp;মন্তব্য&amp;nbsp;না&amp;nbsp;করে নিচে বিস্তারিত&amp;nbsp;আলোচনা পড়ুন)&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;b&gt;২।&lt;/b&gt;&amp;nbsp; &quot;আয়াত ,&amp;nbsp;হাদিস,&amp;nbsp;ফতোয়া,&amp;nbsp;কিতাবের&amp;nbsp;দলিল&amp;nbsp;দ্বারা&amp;nbsp;উত্তর&amp;nbsp;চাই।&quot; এই&amp;nbsp;প্রশ্নের&amp;nbsp;উত্তর&amp;nbsp;হলো সরাসরি টিভি দেখা হালাল নাকি হারাম এসম্পর্কে &amp;nbsp;নির্দিষ্ট কোনো দলিল আছে বলে আমার জানা নাই। কারন রসূল পাক (সা:) এর সময়ে টিভি জাতীয় কিছু ছিল না। তাই এই সম্পর্কে হাদিসে কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে বিশিষ্ট আলেমদের মতে টিভি দেখা হারাম নয়। রাম নয় যখন আপনি ধর্মীয় শিক্ষামূলক কিছু দেখবেন। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, আমরা যখন টিভিতে ধর্মীয় কোনো আলোচনা বা অনুষ্ঠান দেখি হঠাৎ ই advertise শুরু হয়ে যায়। আর বেশিভাগ advertise গুলোতে নারী, পুরুষদের অশ্লীল, বেপর্দা পোশাকে দেখা যায়। আমি এখানে অশ্লীল বলতে হিজাববিহীন পোশাককে বুঝিয়েছি। আর ইসলাম ধর্মে হিজাববিহীন অবস্থায় বেগানা নারী বা পুরুষকে দেখা সম্পূর্ণ হারাম। আপনি যদি এই advertise বা দুনিয়াবী প্রোগ্রাম গুলোকে এড়িয়ে গিয়ে ধর্মীয় শিক্ষামূলক কোনো প্রোগ্রাম দেখতে পারেন তাহলে আপনি টিভি দেখতে পারেন। কিন্তু advertise গুলোকে এড়িয়ে গিয়ে ভালো কোনো প্রোগ্রাম দেখাও প্রায় অসম্ভব।&lt;br /&gt;
এক বালতি দুধ নষ্ট করতে যেমন একফোটা লেবুর রস যথেষ্ট ঠিক তেমনি আপনি টিভিতে ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠান দেখে যতটা নেকী অর্জন করবেন একটা অশ্লীল advertise ই যথেষ্ট আপনার সব নেকীগুলোকে পাপে পরিণত করার জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনাকে একটা সহজ উদহারণ দেই, মনে করেন আপনার সামনে এক গ্লাস ভালো দুধ রাখা আছে কিন্তু তার ভিতর সামান্য টুকু বিষ্ঠা ফেলে দেয়া হলো আপনি কি খাবেন? নিশ্চয়ই খাবেন না, বলবেন দুধ নষ্ট হয়ে গেছে । ঠিক এই ব্যাপারটিও তেমনি। আপনি যদি এমন কোনো অনুষ্ঠান বা টিভি চ্যানেল খুঁজে পান যাতে অশ্লীল কিছু চোখে পরার সম্ভবনা নেই সেক্ষেত্রে আপনি টিভি দেখতে পারেন।&lt;br /&gt;
আশা করি আমি আপনাকে বুঝতে পেরেছি।&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3731046518825434229/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2019/05/tv.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3731046518825434229'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3731046518825434229'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2019/05/tv.html' title='ইসলামের দৃষ্টিতে টেলিভিশন বা TV দেখা কি হারাম?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEidmt4yDB-tqIgnxRBJkguhE2HAxonKev6bH1CPVqKkTwEvSwgCYnG_LR-_7ou0ne5UEN_VFqP5KVYOA-0Z4H9Nav3IKp7Z_H1TSnkAVkh6utqNqclZXXrUh5X63z09_BH3CAxjZHDCQKHB/s72-c/images+%25283%2529.jpeg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-1300909461910069169</id><published>2017-12-14T22:00:00.000-08:00</published><updated>2017-12-14T22:00:08.519-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="আল হাদীস"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="নীতি নৈতিকতা"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="মাসলা-মাসায়েল"/><title type='text'>মাসিক চলাকালীন সময়ে কি স্ত্রী সহবাস করা যায়?</title><content type='html'>&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiiEUkZ2RDz3_4sFUFsgFsZGe0JGl6dRfjUyltxUlTq5dPRhQwXTSTwiJA8zMak49Q_5V_gi_rdvpBfVxPKQEK6r_hyphenhyphen8jBm4ywy2YB_Avi3JjdKukcZ7Sx49Da3BFPPQk_nH5I8ybkn9w/s1600/unnamed.png&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;320&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiiEUkZ2RDz3_4sFUFsgFsZGe0JGl6dRfjUyltxUlTq5dPRhQwXTSTwiJA8zMak49Q_5V_gi_rdvpBfVxPKQEK6r_hyphenhyphen8jBm4ywy2YB_Avi3JjdKukcZ7Sx49Da3BFPPQk_nH5I8ybkn9w/s320/unnamed.png&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* মাসিকের সময় জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না। তাই এটি খুব সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* মিলনের সময় এবং পরবর্তীতে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* রক্তপাত তুলনামূলক ভাবে বেশি হতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* দেহ অপবিত্র লাগে বিধায় মানসিক অরুচি সৃষ্টি হতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* পুরুষ লিঙ্গে রক্ত লেগে যৌনমিলনে তার অরুচি জন্মাতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* পুরুষের কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে এসময় অতিদ্রুত নারী যোনিতে ছড়িয়ে পড়ে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* তেমনি নারীদেহেও কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে পুরুষ দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
* জরায়ু মুখ ঘোরে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে মারাত্মক কুফল বয়ে আনতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
ইসলামের দৃষ্টিতে এসময় যৌন মিলন হারাম। ইসলামের দৃষ্টিতে মাসিকের সময় যৌন মিলনঃ&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
পবিত্র কুরআ’ন এ আল্লাহ তায়ালা বলেন- “আর আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয সম্পর্কে। বলে দেন, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগণ থেকে বিরত থাকো এবং যতক্ষন না তারা পবিত্র হয়ে যায় ততক্ষণ তাদের নিকটবর্তী হবে না। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তখন গমন কর তাদের কাছে, যে ভাবে আল্লাহ হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং যারা অপবিত্রতা হতে বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।” (বাকারা/আয়াত-২২২)&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
সুতরাং স্বামীর জন্য জায়েয হবে না স্ত্রী সহবাস করা যতক্ষন না স্ত্রী হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গোসল করে পবিত্র হয়।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস যে একটি গর্হিত ও হারাম কাজ রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাদিস থেকেও তার প্রমান পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
আমাদের প্রানপ্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) বলেছেন- “যে ব্যাক্তি হায়েয অবস্থায় সহবাস করে বা পিছনের রাস্তা দিয়ে স্ত্রীর সাথে মিলন করে কিংবা কোন গণকের কাছে গমন করে, তবে সে আমার নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করল।” [তিরমিযী]&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
বর্তমান চিকিতসা বিজ্ঞান বলছে যে, মাসিক অবস্থায় মেয়েদের জরায়ু থেকে যে স্রাব আসে, তাতে রয়েছে বিষাক্ত কিছু যৌগ। তাই পুরুষদের সিফিলিস, গোনোরিয়া, লিংগ ছোট হয়ে যাওয়া, লিংগ বিকৃতিসহ নানা রোগের কারন মাসিক অবস্থায় সহবাস করা।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
ডিম্বানু ভেঙ্গে তা মাসিকের স্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। মাসিকের সময় কোন ডিম্বানু থাকে না। যারা মনে করে মাসিকের সময় সহবাস না করলে সন্তান হয় না, এটা তাদের চরম মুর্খতা। তবে কখনো কখনো মাসিকের সময় ডিম্বানু গঠিত হয়, যদিও এটা বিরল।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
মাসিকের সময় একটি মেয়ে খুবই অসুস্থ থাকে, এর সাথে থাকে অসহ্যকর ব্যাথা-বেদনা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা। এই অবস্থায় তার সাথে সহবাস করা, তার উপর অমানবিক জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
রক্তস্রাব চলাকালীন স্ত্রী সহবাস করা স্বামীর জন্য যেমন হারাম ঠিক তেমনি ঐ অবস্থায় স্বামীকে মিলনের সুযোগ দেয়াও স্ত্রীর জন্য হারাম। এ হুকুমটি সরাসরি পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। মহান আল্লাহ বলেন:&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُواْ النِّسَاء فِي الْمَحِيضِ وَلاَ تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىَ يَطْهُرْنَ ২২২) سورة البقرة&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&quot;তারা তোমাকে হায়েয সম্পর্কে প্রশ্ন করে, তুমি বলে দাও যে, এটা কষ্টদায়ক বস্তু, কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাক এবং ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের নিকট যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা পবিত্র না হয়।&quot; [সূরা আল-বাকারাহ: ২২২]&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
উক্ত আয়াতে মাহীয) শব্দ দ্বারা হায়েযের সময় এবং লজ্জাস্থানকে বুঝানো হয়েছে। এভাবে হাদীস দ্বারাও বিষয়টি প্রমাণিত। প্রিয় নবী সা. বলেছেন: স্ত্রী সহবাস ছাড়া বাকী সব কিছু করতে পার।)) [মুসলিম]&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
সম্মানিত পাঠক-পাঠিকা! আমাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, রক্তস্রাব অবস্থায় স্ত্রী সহবাস হারাম হওয়ার ব্যাপারে সমস্ত মুসলমান একমত। এখানে কারো কোন রকম দ্বিমত নেই। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ তা&#39;আলা এবং পরকালের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্য এমন একটি অসৎ কাজে লিপ্ত হওয়া কোনভাবেই বৈধ হবে না, যার উপর কুরআন, সুন্নাহ এবং মুসলমানদের সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর পরও যারা এ অবৈধ কাজে লিপ্ত হবে তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ কারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং মু&#39;মিনদের মতাদর্শের পরিপন্থী পথের অনুসারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
আল-মাজমূ&#39; শারহুল মুহায্‌যাব ২য় খন্ডের ৩৭ নং পৃষ্ঠায় ইমাম শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে যে, ঋতুস্রাব চলাকালে যে ব্যক্তি স্ত্রী সঙ্গমে লিপ্ত হবে তার কবীরা গুনাহ হবে। আমাদের ওলামায়ে কেরাম যেমন ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি হায়েয অবস্থায় স্ত্রী মিলনকে হালাল মনে করবে সে কাফের হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা&#39;আলার যিনি পুরুষের জন্য ঋতুস্রাব চলাকালীন সঙ্গম ব্যতীত স্ত্রীর সাথে এমন সব কাজ করাকে জায়েয করে দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী আপন কামোত্তেজনা নির্বাপিত করতে পারে। যেমন চুমু দেয়া, আলিঙ্গন করা এবং লজ্জাস্থান ছাড়া অন্যান্য অঙ্গের মাধ্যমে যৈবিক চাহিদা পূর্ণ করা। তবে নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত অংশ ব্যবহার না করাই উত্তম। কাপড় বা পর্দা জড়িয়ে আড়াল করে নিলে অসুবিধা নেই। কেননা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: নবী করীম সা. ঋতুস্রাব চলাকালীন আমাকে আদেশ করলে আমি ইযার পরতাম। তখন তিনি আমাকে আলিঙ্গন করতেন।))&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
মাসিক অবস্থায়ঃ&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
১) মাসিক অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা হারাম।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
২) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা বা স্পর্শ করা হারাম।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৩) মাসিক অবস্থায় নামায পড়া যাবে না এবং তার কাযা মাফ।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৪) মাসিক অবস্থায় রোযা রাখা যাবে না, কিন্তু তার কাযা আদায় করতে হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৫) মাসিক অবস্থায় কুরআ’ন শরীফ স্পর্শ করা বা মুখে উচ্চারণ করা হারাম।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৬) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর সাথে শোয়া, তাকে চুম্বন কিংবা আলিঙ্গন করা জায়েয।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৭) মাসিক শেষ, কিন্তু গোসল করে নাই, এমতাবস্থায় সহবাস করা যাবে না।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৮) মাসিক তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশি হলে ইস্তিহাযা। ইস্তিহাযা অবস্থায় নামায পড়তে হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
৯) মাসিক অবস্থায় কাবা ঘর তাওয়াফ করা ছাড়া হজ্বের অন্যান্য কাজ করা যায়।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
এখানে খুবই সহজ কিছু মাসয়ালা দেয়া হলো। মাসিকের মাসয়ালার পরিসর অনেক বড়। মাসিকের মাসয়ালা সমূহ মনে রাখা অনেক কঠিন কাজ। শতকরা ৫ ভাগ মেয়েও সঠিক মাসয়ালা মানা দূরে থাক, জানেও না।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
তবে কেউ যদি ভুলে, অনিচ্ছাকৃত এবং না জেনে তাহলে তার কোন গুনাহ হবে না। আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে তাহলে কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পরিমাণ একদিনার বা অর্ধ দিনার। কোনো কনো ফিকাহ বিদের মতে স্বামী দুটির যে কোন একটি দিতে পারবে। আবার কেউ কেউ বলেন মাসিকের প্রথম দিকে করলে ১ দিনার, শেষের দিকে বা মাসিক শেষ কিন্তু গোসল করে নি এমতাবস্থায় করলে অর্ধ দিনার। [কিতাবুল কাবার/ পৃষ্ঠা-৫৫]&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/1300909461910069169/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/periodic-time-sex.html#comment-form' title='24টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1300909461910069169'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1300909461910069169'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/periodic-time-sex.html' title='মাসিক চলাকালীন সময়ে কি স্ত্রী সহবাস করা যায়?'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiiEUkZ2RDz3_4sFUFsgFsZGe0JGl6dRfjUyltxUlTq5dPRhQwXTSTwiJA8zMak49Q_5V_gi_rdvpBfVxPKQEK6r_hyphenhyphen8jBm4ywy2YB_Avi3JjdKukcZ7Sx49Da3BFPPQk_nH5I8ybkn9w/s72-c/unnamed.png" height="72" width="72"/><thr:total>24</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3597785647287646490</id><published>2017-12-08T06:31:00.000-08:00</published><updated>2017-12-08T06:31:10.072-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="মাসলা-মাসায়েল"/><title type='text'>দিনের বেলায় স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করার বিধান কি?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s1600/hqdefault_live.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;360&quot; data-original-width=&quot;480&quot; height=&quot;240&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s320/hqdefault_live.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 700;&quot;&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 700;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color: yellow;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-family: Calibri, Helvetica, sans-serif, EmojiFont, &amp;quot;Apple Color Emoji&amp;quot;, &amp;quot;Segoe UI Emoji&amp;quot;, NotoColorEmoji, &amp;quot;Segoe UI Symbol&amp;quot;, &amp;quot;Android Emoji&amp;quot;, EmojiSymbols; font-size: 16px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color: #545454; font-family: arial, sans-serif; font-size: 9pt;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: black; font-size: 9pt;&quot;&gt;ইসলাম ধর্মে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: black; font-size: 9pt;&quot;&gt;দিনের&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: black; font-size: 9pt;&quot;&gt;&amp;nbsp;বেলা স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের কোনো নিষেধ নেই।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color: yellow;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family: Calibri, Helvetica, sans-serif, EmojiFont, &amp;quot;Apple Color Emoji&amp;quot;, &amp;quot;Segoe UI Emoji&amp;quot;, NotoColorEmoji, &amp;quot;Segoe UI Symbol&amp;quot;, &amp;quot;Android Emoji&amp;quot;, EmojiSymbols; font-size: 16px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color: #545454; font-family: arial, sans-serif; font-size: 9pt;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: black; font-family: wf_segoe-ui_light, wf_segoe-ui_normal, Tahoma, Verdana, Arial, sans-serif; font-size: 10pt; text-align: justify;&quot;&gt;তবে&amp;nbsp;রমজান মাসে দিনের বেলায় যে ব্যক্তি যৌনমিলন করে তিনি মুকীম (নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী) রোযাদার হলে তার উপর বড়-কাফ্‌ফারা (আল কাফ্‌ফারাতুল মুগাল্লাযাহ) ওয়াজিব হয়। আর তা হল একজন দাস মুক্ত করা। যদি তা না পায় তাহলে একাধারে দুইমাস সিয়াম পালন করা। আর যদি তাও না পারে তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানো।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3597785647287646490/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/a-islamic-rule-of-sex-with-wife.html#comment-form' title='4টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3597785647287646490'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3597785647287646490'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/a-islamic-rule-of-sex-with-wife.html' title='দিনের বেলায় স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করার বিধান কি?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s72-c/hqdefault_live.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3283612579215659733</id><published>2017-12-08T06:21:00.000-08:00</published><updated>2017-12-08T06:21:40.239-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="মাসলা-মাসায়েল"/><title type='text'>স্ত্রীর স্তনে স্পর্শ করা,  স্তনে মুখ লাগানো কিংবা স্ত্রীর স্তনের দুধ পান করা যাবে কিনা?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s1600/hqdefault_live.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;360&quot; data-original-width=&quot;480&quot; height=&quot;240&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s320/hqdefault_live.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: bold; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family: &amp;quot;Droid Sans&amp;quot;, Arial, Verdana, sans-serif; font-size: 17px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;স্বামীর জন্য বৈধ তার স্ত্রীর স্তনবৃন্ত চোষণ করে উভয়ের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করা।&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;নিজের স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী স্বামীর উপর হারাম হয়না। কারণ সর্বোচ্চ ২বছর বয়সে দুধ পান করলে দুধ মায়ের সম্পর্ক স্থাপন হয়। এর পর পান করলে হয়না। তাই স্বীয় স্ত্রীর দুধ পান করার দ্বারা আপনার স্ত্রী আপনার উপর হারাম হয়ে যাবে না। কিন্তু স্ত্রী স্তনের দুধ পান করা একটি মারাত্মক গোনাহের কাজ। একাজ থেকে বিরত থাকুন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: yellow; font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;দলিল:&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;قوله تعالى- وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلاَدَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَن يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ (سورة البقرة-233&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px;&quot; /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;&amp;nbsp;وفى رد المحتار-( ولم يبح الإرضاع بعد مدته ) لأنه جزء آدمي والانتفاع به لغير ضرورة حرام على الصحيح (الدر المختار مع رد المحتار-كتاب النكاح، &amp;nbsp;باب الرضاع-4/397&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px;&quot; /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: yellow; font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;প্রামান্য গ্রন্থাবলী&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;১. সূরা বাক্বারা-২৩৩&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;২. সূরা আহকাফ-১৫&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;৩. ফাতওয়ায়ে শামী-৪/৩৯৭&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;৪. তাফসীরে মাযহারী-১/৩৫৬&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Podda, sans-serif; font-size: 16px; margin-bottom: 1em; padding: 0px;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-family: Arial, Helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;&quot;&gt;৫. কেফায়াতুল মুফতী-৫/১৬২&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3283612579215659733/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/islamic-lifestyle-can-anyone-touch-or-suck-his-wifes-breast.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3283612579215659733'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3283612579215659733'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/12/islamic-lifestyle-can-anyone-touch-or-suck-his-wifes-breast.html' title='স্ত্রীর স্তনে স্পর্শ করা,  স্তনে মুখ লাগানো কিংবা স্ত্রীর স্তনের দুধ পান করা যাবে কিনা?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7SevVdm9P86_Mjwgnr9Rrtnn_j6CfpG5yI_UvmGAhBx6PCkHpX8V03hzbHz9q5Nstj9rHvKB1tenR5qutRENH8aBUuPAJuhyphenhyphenvVNxwUal3t3mnF6IbZUwHvTz1w4wu9eBRw6MPHY7703XQ/s72-c/hqdefault_live.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-7089750185854733016</id><published>2017-08-13T15:56:00.001-07:00</published><updated>2017-08-13T15:56:47.019-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="আলোকিত জীবনাদর্শ"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কোরবানি"/><title type='text'>ঈদুল আযহার ইতিহাস, তাৎপর্য ও শিক্ষা</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgGIq-Yt19FEyuJjsQMyjG2z8Tzi9xxVfg9xuVRA6iCT94SkvSwf3SVa7YkXgRot3sgJL5NcyF_ZL6HEXRAsMW_A0I8_t43Nqap1xyzH5FGPDmaTp-bvue33bEjNVojpNqzmQOkC3TRJNM9/s1600/rkkjkj.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;360&quot; data-original-width=&quot;480&quot; height=&quot;240&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgGIq-Yt19FEyuJjsQMyjG2z8Tzi9xxVfg9xuVRA6iCT94SkvSwf3SVa7YkXgRot3sgJL5NcyF_ZL6HEXRAsMW_A0I8_t43Nqap1xyzH5FGPDmaTp-bvue33bEjNVojpNqzmQOkC3TRJNM9/s320/rkkjkj.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;মুসলমানদের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ উৎসব ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ। পবিত্র কুরআনে কুরবানীর বদলে ‘কুরবান’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। হাদীছেও ‘কুরবানী’ শব্দটি ব্যবহৃত না হয়ে এর পরিবর্তে ‘উযহিয়াহ’ ও ‘যাহিয়া’ প্রভৃতি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আর এজন্যই কুরবানীর ঈদকে ‘ঈদুল আযহা’ বলা হয়। আর আযহা শব্দটি আরবীতে ‘কুরবান’ (قربان) ফারসী বা ঊর্দূতে ‘কুরবানী’ রুপে পরিচিত হয়েছে, যার অর্থ ‘নৈকট্য’। পারিভাষিক অর্থে تَعَالَي القربانُ ماَ يُتقَرَبُ بِهِ إِلَ الَّلهِ ‘কুরবানী’ ঐ মাধ্যমকে বলা হয়, যার দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য হাছিল হয়। প্রচলিত অর্থে, ঈদুল আযহার দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে শারঈ তরীকায় যে পশু যবহ করা হয়, তাকে ‘কুরবানী’ বলা হয়। সকালে রক্তিম সূর্য উপরে ওঠার সময়ে ‘কুরবানী’ করা হয় বলে এই দিনটিকে ‘উয়াওমুল আযহা’ বলা হয়ে থাকে। যদিও কুরবানী সারাদিন ও পরের দুদিন করা য়ায়। আর কোরবানির শাব্দিক অর্থ ত্যাগ। জিলহজ্ব মাসের দশ তারিখে পরম ত্যাগের নির্দেশনা স্বরূপ বিশ্ব মুসলিম মহাসমারোহে হজের অন্যতম অংশ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে কোরবানি/ ঈদুল আযহা উৎসব পালন করে। সুতরাং ত্যাগের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে মুসলমান জাতি যে উৎসবে মিলিত হয় তাই ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ। কোরবানি মুসলিম জাতির একটি ঐতিহ্য হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ কারণেই রাসুল (সা) সব সময় কোরবানি করেছেন। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি বর্জনকারী ব্যক্তির প্রতি তিনি সতর্কবানী উচ্চারণ করেন। রাসুল(সা) বলেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করে না সে যেন আমাদের ঈদগাঁয়ে না আসে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;কুরবানীর ইতিহাস:&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;কুরবানীর ইতিহাস ততোটাই প্রাচীন যতোটা প্রাচীন মানব অথবা ধর্মের ইতিহাস। আল্লাহ রাহে কুরবানী মানব জাতির প্রতি আল্লাহ প্রদত্ত সকল শরীয়তেই কার্যকর ছিলো। সকল নবীর উম্মতকেই কুরবানী করতে হয়েছে। প্রত্যেক উম্মতের ইবাদতের এ ছিল একটা অপরিহার্য অংশ। আল্লাহতায়ালার এ বিধান মানব জাতির সৃষ্টি লগ্ন থেকেই কার্যকর হয়ে আসছে। মানব সভ্যতার সুদীর্ঘ ইতিহাস এটাই সাক্ষ্য দেয় যে, পৃথিবীর সব জাতি ও সম্প্রদায় কোন না কোন ভাবে আল্লাহর দরবারে নিজেদের প্রিয় বস্তু উৎসর্গ করে । এটাই মানুষের চিরন্তন স্বভাব বা ফিতরাত। এ ফিতরাতের স্বীকৃতি প্রদান করে মহান আল্লাহ তায়ালা সুস্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেছেন ঃ&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;وَلِـكُلِّ اُمَّةٍ جَعَـلْـنَا مَنْسَكًا لِّـيَـذْكُرُوْا اسْمَ اللهِ عَلى مَـا رَزَقَـهُمْ مِنْ بَـهِيـْمَةِ الْاَنْـعَـامِ&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;“আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কুরবানীর এক বিশেষ রীতি পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি, যেন তারা ওসব পশুর উপর আল্লাহর নাম নিতে পারে যে সব আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন”। (সূরা আল হজ্জ-৩৪)&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;মানব ইতিহাসের সর্ব প্রথম কুরবানী : মানব ইতিহাসের সর্বপ্রথম কুরবানী হযরত আদম আ. এর দু’পুত্র হাবিল ও কাবিলের কুরবানী। এ ঘটনাটি বিশুদ্ধ ও শক্তিশালী সনদ সহ বর্ণিত হয়েছে। ইবনে কাসীর একে ওলামায়ে মোতাকাদ্দেমীন ও ওলামায়ে মোতায়াখ্খেরীনের সর্ব সম্মত উক্তি বলে আখ্যা দিয়েছেন। ঘটনাটি এই : যখন আদম ও হাওয়া আ. পৃথিবীতে আগমন করেন এবং সন্তান প্রজনন ও বংশ বিস্তার আরম্ভ হয়, তখন প্রতি গর্ভ থেকে একটি পুত্র ও একটি কন্যা এরূপ যমজ সন্তান জন্ম গ্রহণ করত। তখন এক শ্রেণীর ভাই বোন ছাড়া হযরত আদমের আর কোন সন্তান ছিলনা। অথচ ভাই বোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না। তাই মহান আল্লাহ উপস্থিত প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে আদম আ. এর শরীয়তে বিশেষ ভাবে এ নির্দেশ জারি করেন যে, একই গর্ভ থেকে যে যমজ পুত্র ও কন্যা জন্ম গ্রহণ করবে, তারা পরস্পর সহোদর ভাই-বোন গণ্য হবে। সুতরাং তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হবে। কিন্তু পরবর্তী গর্ভ থেকে জন্ম গ্রহণকারী পুত্রের জন্য প্রথম গর্ভ থেকে কন্যা সহোদরা বোন গণ্য হবে না। তাই তাদের পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বৈধ হবে। কিন্তু ঘটনাক্রমে কাবিলের সহজাত সহোদরা বোনটি ছিল খুবই সুশ্রী-সুন্দরী তার নাম ছিল ‘আকলিমা’ আর হাবিলের সহজাত বোনটি ছিল তুলনামূলক কম সুন্দরী তার নাম ছিল ‘গাজা’। বিবাহের সময়ে হলে নিয়মানুযায়ী হাবিলের সহজাত অসুন্দরী কন্যা কাবিলের ভাগে পড়ল। এতে কাবিল অসন্তুষ্ট হয়ে হাবিলের শত্রু হয়ে গেল। সে জেদ ধরল যে, আমার সহজাত বোনকেই আমার সঙ্গে বিবাহ দিতে হবে। হযরত আদম আ. তাঁর শরীয়তের আইনের পরিপ্রেক্ষিতে কাবিলের আবদার প্রত্যাখ্যান করলেন। অতঃপর তিনি হাবিল ও কাবিলের মতভেদ দূর করার উদ্দেশ্যে বললেন, তোমরা উভয়েই আল্লাহর জন্য নিজ নিজ কুরবানী পেশ কর। যার কুরবানী গৃহিত হবে, সে-ই উক্ত কন্যার পানি গ্রহণ করবে। হযরত আদম আ. এর নিশ্চিত বিশ্বাস ছিল যে, যে সত্য পথে আছে, তার কুরবানীই গৃহিত হবে। তৎকালে কুরবানী গৃহিত হওয়ার একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন ছিল এই যে, আকাশ থেকে একটি অগ্নি শিখা এসে কুরবানীকে ভস্মীভূত করে আবার অন্তর্হিত হয়ে যেত। যেমন মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন ঃ بِـقُـرْبَـانٍ تَـأكُـلُـهُ الـنَّـارُ “ঐ কুরবানী যাকে আগুন গ্রাস করে নিবে”। (সূরা আলে ইমরান-১৮৩) আর যে কুরবানীকে অগ্নি ভস্মীভূত করত না, সেটাকে প্রত্যাখ্যাত গণ্য করা হত। কুরবানীর এ তরীকা খাতামুল আম্বিয়া হযরত মুহাম্মদ সা. এর যুগ পর্যন্ত সকল পূর্বেকার নবীর যুগে বলবৎ ছিল। হাবিল ভেড়া, দুম্মা ইত্যাদি পশু পালন করত। সে একটি উৎকৃষ্ট দুম্বা কুরবানী করল। কাবিল কৃষি কাজ করত। সে কিছু শস্য, গম ইত্যাদি কুরবানীর জন্যে পেশ করল। (তাফসীরে ইবনে কাসীর, সূত্র হযরত ইবনে আব্বাস রা. কর্তৃক বর্ণিত) অতঃপর নিয়মানুযায়ী আকাশ থেকে অগ্নি শিখা অবতরণ করে হাবিলের কুরবানীটি ভস্মীভূত করে দিল এবং কাবিলের কুরবানী যেমন ছিল তেমনি পড়ে রইল। এ অকৃতকার্যতায় কাবিলের দুঃখ ও ক্ষোভ বেড়ে গেল। সে আত্মসংবরণ করতে পারল না। তাই সে হাবিলকে হত্যা করার সংকল্প করল এবং এক পর্যায়ে তাকে হত্যা করে ফেলল।(মাআ’রেফুল কুরআন বাংলা সংস্করণ-৩২৪ পৃষ্ঠা) হাবিল ও কাবিলের কুরবানীর ঘটনা পবিত্র কুরআনে এ ভাবে বর্ণিত হয়েছে:&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;وَاتْلُ عَلَيْـهِمْ نَبَاَ ابْـنَـىْ ادَمَ بِـالْـحَـقِّ- اِذْ قَـرَّبَـا قُـرْبَانًا فَـتُـقُـبِّـلَ مِنْ اَحَدِهِمَا وَلَمْ يُـتَـقَبَّلْ مِنَ الْاخَرِ- قَالَ لَاَقْتُلَـنَّكَ- قَالَ اِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللهُ مِنَ الْمُتَّقِيْنَ- لَئِنْ بَسَطْتَّ اِلَىَّ يَدَكَ لِتَقْتُلَنِىْ مَا اَنَا بِبَاسِطٍ يَّدِىَ اِلَيْكَ لِاَ قْتُلَكَ- اِنِّىْ اَخَافُ اللهَ رَبَّ الْعلَمِيْنَ- اِنِّىْ اُرِيْدُ اَنْ تَبُـوْاَ بِـاِثْمِىْ وَاِثْمِكَ فَتَكُـوْنَ مِن اَصْحبِ النَـارِ- وَذلِكَ جَزؤُ الظّلِمِيْنَ- فَطَوَّعَتْ لَـهُ نَـفْسُه قَـتْلَ اَخِـيْـهِ فَقَـتَـلَهُ فَاَصْبَحَ مِنَ الْـخسِرِيْنَ- فَبَـعَـثَ اللهُ غُـرَابًا يَبْحَثُ فِى الْاَرْضِ لِيُرِيَهُ كَـيْـفَ يُـوَارِىْ سَـوْءَةَ اَخِيْهِ- قَالَ يـوَ يْلَتـى اَعَجَزْتُ اَنْ اَكُوْنَ مِـثْلَ هـذَا الْغُرَابِ فَاُوَارِىَ سَـوْءَةً– فَاَصْبَحَ مِنَ النّدِمِيْنَ&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;“আপনি তাদেরকে আদমের দু’পুত্রের ঘটনাটি ঠিকভাবে শুনিয়ে দিন। (তা হচ্ছে এই যে,) যখন তারা উভয়ে কুরবানী পেশ করলো, তখন তাদের একজনের কুরবানী গৃহিত হল আর অপর জনের কুরবানী গৃহিত হলোনা। তখন সে ভাইকে বলল- অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করব। সে উত্তরে বলল আল্লাহ তো মুত্তাকীদের কুরবানীই কবুল করেন। যদি তুমি আমাকে হত্যা করতে আমার দিকে হস্ত প্রসারিত কর, তবে আমি তোমাকে হত্যা করতে তোমার দিকে হস্ত প্রসারিত করব না। নিশ্চয়ই আমি বিশ্ব জগতের পালন কর্তা আল্লাহকে ভয় করি। আমি চাই যে, আমার পাপ ও তোমার পাপ তুমি নিজের মাথায় চাপিয়ে নাও। অত:পর তুমি দোযখীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাও। এটাই অত্যাচারীদের শাস্তি। অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃ হত্যায় উদ্বুদ্ধ করল। অনন্তর সে তাকে হত্যা করল। ফলে সে ক্ষতি গ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল। আল্লাহ এক কাক প্রেরণ করলেন। সে মাটি খনন করছিল যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ সে কিভাবে সমাহিত করবে। সে বললো, আফসোস! আমি কি এ কাকের সমতুল্যও হতে পারলাম না যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ সমাহিত করি! অত:পর সে অনুতাপ করতে লাগল”।(সূরা আল মায়িদাহ, ২৭-৩১ আয়াত)। উল্লেখ্য যে, হযরত আদম আ. এর পর সকল উম্মতের মধ্যেই অবিচ্ছন্ন ভাবে কুরবানীর ধারাবাহিকতা চলতে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;আমাদের কুরবানী সুন্নাতে ইবরাহীমী : কুরবানী ইবাদত হিসেবে যদিও আদম আ. এর যুগ হতে হয়ে আসছে কিন্তু পরবর্তীতে হযরত ইবরাহীম আ. এর এক ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বৈশিষ্ট্য নিয়ে শুরু হয়েছে। আমরা হযরত ইবরাহীম আ. এর মিল্লাতের উপর প্রতিষ্ঠিত আছি। এ মিল্লাতের প্রতিষ্ঠাতা ও মুসলিম জাতির পিতা হচ্ছেন হযরত ইবরাহীম আ.। তিনি যেমন আল্লাহর নির্দেশে জীবনের সবচাইতে প্রিয় বস্তু- পুত্র ইসমাঈলকে তাঁর উদ্দেশ্যে কুরবানী করতে প্রস্তুত ছিলেন, ঈদুল আয্হার দিন মুসলমানরাও তেমনি পশু কুরবানীর মাধ্যমে নিজেদের প্রিয়তম জান-মাল আল্লাহর পথে কুরবানী করার সাক্ষ্য প্রদান করেন। মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইবরাহীম আ. এর সেই মহত্ব ও মাকবুল কুরবানীকে শাশ্বত রূপদানের জন্যেই আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল সা. এই দিনে মুসলমানদেরকে ঈদুল আয্হা উপহার দিয়েছেন এবং এ কুরবানী করার নির্দেশ দিয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হযরত ইবরাহীম আ. কে আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন ধরনের কঠিন থেকে কঠিনতর পরীক্ষা করেছেন। তিনি প্রত্যেকটি পরীক্ষায় পূর্ণ সফলকাম প্রমাণিত হয়েছেন। এক. তাওহীদের হেফজতের প্রয়োজনে চিরদিনের জন্য প্রিয় জন্মভূমি ত্যাগ করে হিজরত করলেন। হযরত লূত আ. যিনি ইতিপূর্বে তাঁর উপর ঈমান এনেছিলেন তাকে সাথে নিয়ে নিজ জন্মভূমি ইরাক থেকে হিজরত করে ফিলিস্তিনের কেনানে অবস্থান নিলেন। ৮৬ বৎসর বয়সে সেখানে বসে আওলাদের জন্য দোয়া করলেন رَبِّ هَـبْ لِىْ مِـنَ الـصَّالِـحِيْـنَ “হে আল্লাহ আমাকে সৎ পুত্র দান করুন”। (সূরা আসসাফ্ফাত-১০০)। মহান আল্লাহ তায়ালা সুসংবাদ দিয়ে বললেন : فَـبَـشَّـرْنهُ بِـغُـلـمٍ حَـلِـيْـمٍ “ইবরাহীমকে এক ধৈর্যশীল পুত্রের (ইসমাঈল) সুসংবাদ দিলাম। ৯৯ বৎসরের সময় আরেক জন ছেলে হয়েছে তার নাম ইসহাক”। (সূরা আসসাফ্ফাত-১০১) দুই. নমরুদ কর্তৃক প্রজ্জ্বলিত অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়ে চরম ধৈর্যের ও আল্লাহ প্রেমের পরাকাষ্ঠ প্রদর্শন করেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর খলীলের জন্য আগুনকে ফুলবাগীচায় পরিণত করে দিয়েছিলেন।মহান আল্লাহ্ বলেন :&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;قُلْنَا يا نَارُ كُوْ نِىْ بَرْدًا وَ سَلَا مًا عَلى اِبْرَاهِيْمَ “আমি বললাম, হে আগুন, তুমি ইবরাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও”। (সূরা আল আম্বিয়া -৬৯) তিন. অতঃপর যখন তাঁর প্রিয় আদরের পুত্র ইসমাঈল ও প্রিয় স্ত্রী হযরত হাজেরা আ. কে মক্কার বিরাণ মরুভূমিতে রেখে আসার আদেশ হলো। সেটাও ছিল কঠিন পরীক্ষা। কেননা বার্ধক্য ও শেষ বয়সের বহু আকাংখার স্বপ্নসাধ, দিবা রাত্রির প্রার্থণার ফল এবং পরিবারের একমাত্র আশার আলো হযরত ইসমাঈল কে শুধু আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে পানি ও জনমানবহীন মরু প্রান্তরে রেখে এসেছেন। অথচ একবারও পিছনের দিকে ফিরেও তাকাননি। যেন এমন না হয় যে, পিতৃ¯েœহ উথলিয়ে উঠে এবং আল্লাহর আদেশ পালনে কোন প্রকার বিচ্যুতি ঘটে যায়। স্ত্রী ও পুত্রকে সেখানে রেখে এসে তিনি কেবল আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া করলেন:&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;رَبَّناَ اِنِّىْ اَسْكَنْتُ مِنْ ذُرِّيَّتِىْ بِوَادٍ غَيْرِ ذِىْ زَرْعٍ عِنْدَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ- رَبَّنَا لِيُقِيْمُوْا الصَّلوةَ فَا جْعَلْ اَفْئِدَةً مِّنَ النَّاسِ تَهْوِىْ اِلَيْهِمْ وَاَرْزُقْهُمْ مِّنَ الثَمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُوْنَ&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;“হে আল্লাহ! আমি নিজের এক বংশধরকে আপনার পবিত্র ঘরের নিকট অনাবাদ জায়গায় বসবাস করালাম। হে আল্লাহ ! যেন তারা নামায কায়েম করে। অত;পর আপনি কিছু লোকের অন্তর তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদের ফল ফলাদি দ্বারা রুজি দান করুন। আশা করি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে”। (সূরা আল ইবরাহীম -৩৭) চার. উপরোল্লিখিত পরক্ষিাগুলির কঠিন মঞ্জিল অতিক্রম করার পর হযরত ইবরাহীম আ. কে স্বপ্নের মাধ্যমে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন করা হয়। যা বিগত পরীক্ষাগুলির চেয়ে ও অধিক কঠিন, হৃদয় বিদারক ও আল্লাহ প্রেমের কঠিন পরীক্ষা। কোন কোন বর্ণনা মতে জানা যায় যে, এই স্বপ্ন তিনি পরপর তিন রাত্রি দেখেন। স্বপ্নে তিনি একমাত্র প্রিয় পুত্র ইসমাঈল কে কুরবানী করতে আদিষ্ট হন। প্রাণ প্রিয় পুত্রকে কুরবানী করার নির্দেশ তাঁকে এমন সময় দেয়া হয়েছিল, যখন অনেক দোয়া কামনা করে পাওয়া সন্তানকে লালন পালন করার পর পুত্র পিতার সাথে চলাফেরা করতে পারে এবং তাঁকে সাহায্য করার যোগ্য হয়েছে। তাফসীরবিদগণ লিখেছেন: এ সময় হযরত ইসমাঈলের বয়স ছিল তের বছর। কেউ কেউ বলেছেন তিনি তখন বয়প্রাপ্ত হয়ে গিয়েছিলেন (তাফরীরে মাযহারী)। তবে তাফসীরে রুহুল বয়ানে আছে ৯ বছরের কথা। এ কথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত সত্য যে, নবী রাসূলগণের স্বপ্নও ওহীর অর্ন্তভূক্ত। তাই এ স্বপ্নের অর্থ ছিল এই যে, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে হযরত ইবরাহীম আ. এর প্রতি একমাত্র পুত্রকে যবেহ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এ হুকুমটি স্বপ্নের মাধ্যমে দেয়ার কারণ হলো হযরত ইবরাহীম আ. এর আনুগত্যের বিষয়টি পূর্ণমাত্রায় প্রমাণিত করা। হযরত ইবরাহীম আ. মহান প্রতি পালকের নির্দেশ পালনের নিমিত্তে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন। কিন্তু এ পরীক্ষাটি যেহেতু ইবরাহীম আ. এর ব্যক্তিত্বের সাথে সাথে তার পুত্রও সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাই তিনি তার পুত্র ইসমাঈলকে লক্ষ্য করে বললেন : قَالَ يبُنَىَّ اِنِّىْ اَرى فِى الْمَنَـامِ اَنِّى اَذْ بَـحُـكَ فَـانْـظُـرْ مَـاذَا تَـرى “হে প্রাণ প্রিয় পুত্র আমার! আমি স্বপ্নে দেখি যে, তোমাকে যবেহ করছি। সুতরাং তুমি চিন্তা ভাবনা করে দেখ এবং এ স্বপ্নের ব্যাপারে তোমার অভিমত কি তা বল”( সূরা আস-সাফফাত-১০২)। যেমন বাপ, তেমন বেটা। পুত্রও ছিলেন যেন হযরত ইবরাহীম আ. এর ছাঁচে গড়া, কেননা তিনি ও ভাবী নবী। তাই তৎক্ষণাৎ আত্মসর্ম্পনে মস্তক অবনত করে পুত্র জবাবে বললেন : قَالَ يـاَبَتِ افْـعَـلْ مَا تُـؤْمَرُ- سَـتَـجِـدُ نِىْ اِنْ شَـاءَ اللهُ مِنَ الـصّـبِـرِيْـنَ “হে আমার পিতাজী! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশা আল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন” (সূরা আস সাফ্ফাত-১০২)। পুত্রের সাথে পরামর্শের হিকমত ছিল এই যে, প্রথমত: পুত্রের দৃঢ়তা, হিম্মত এবং আল্লাহর আনুগত্যের জয্বা সৃষ্টি হওয়ার পরীক্ষা স্বরূপ। দ্বিতীয়ত : সে আনুগত্য স্বীকার করলে সওয়াব ও প্রতিদানের অধিকারী হবে। কেননা সওয়াবের জন্য নিয়ত ও আগ্রহ জরুরী। তৃতীয়ত : যবেহের সময় মানুষ হিসেবে এবং স্বভাবজাত পিতৃ¯েœহের কারণে কোন ভূল ভ্রান্তি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থেকে অনেকটা মুক্ত থাকার প্রবল আশা সৃষ্টি হবে।(তাফসীরে রুহুল বয়ান)। পরামর্শ শেষে পিতা ও পুত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে কুরবানীর নির্দেশ পালনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন এবং এ কাজ সমাধার জন্য তারা মিনা প্রান্তরে গমন করেন। ইতিহাস ও তাফসীর ভিত্তিক কোন কোন রেওয়ায়াত থেকে জানা যায় যে, শয়তান কুরবানীর মহান একাজে বিভিন্নভাবে বাঁধার সৃষ্টি করে । সে প্রথমে মা হাজেরা ও ইসমাঈল আ. কে উল্টো বুঝিয়ে এ থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু তাঁরা শয়তানের প্ররোচনায় কোন পাত্তা দিলেন না। মরদুদ শয়তান হযরত হাজেরা আ. ও হযরত ইসমাঈল আ. কে ধোঁকা দেয়া থেকে নিরাশ হয়ে মিনা যাওয়ার পথে ‘জামরায়ে আকাবাহ’, ‘জামারায়ে উসত্বা’ এবং ‘জামরায়ে উলা’ এই তিন জায়গায় তিনবার হযরত ইবরাহীম আ. কে প্ররোচিত করার চেষ্টা করে এবং হযরত ইবরাহীম আ. প্রত্যেকবারই তাকে সাতটি করে কংকর নিক্ষেপের মাধ্যমে তাড়িয়ে দেন। অদ্যাবধি এ প্রশংসনীয় কাজের স্মৃতি স্বরূপ মিনায় ঐ তিনটি স্থানে কংকর নিক্ষেপ করার বিধান হাজীদের জন্য ওয়াজিব হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। অবশেষে পিতা-পুত্র উভয়ে যখন এই মহান কুরবানীর ইবাদত পালনের উদ্দেশ্যে কুরবানগাহে পৌঁছলেন এবং ইবরাহীম আ. কুরবানী করার জন্য ইসমাঈল আ. কে শোয়ালেন, তখন পুত্র ইসমাঈল আ. পিতা ইবরাহীম আ. কে বললেন আব্বাজান! আমার হাত পা খুব শক্ত করে বেঁধে নিন যাতে আমি নড়াচড়া করতে না পারি। আর আপনার পরিধেয় বস্ত্রাদি সামলে নিন, যাতে আমার রক্তের ছিটা না পড়ে। অন্যথায় এতে আমার ছওয়াব হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া রক্ত দেখলে আমার মা অধিক ব্যাকুল হবেন। আপনার ছুরিটি ধার দিয়ে নিন এবং আমার গলায় দ্রুত চালাবেন, যাতে আমার প্রাণ সহজে বের হয়ে যায়। কারণ, মৃত্যু বড় কঠিন ব্যাপার। আপনি আমার আম্মাজানের নিকট আমার শেষ বিদায়ের সালাম টুকু অনুগ্রহ পূর্বক পৌঁছে দিবেন। যদি আমার জামা তার নিকট নিয়ে যেতে চান, তবে নিয়ে যাবেন। একমাত্র আদরের সন্তানের মুখে এমন কথা শুনে পিতার মানসিক অবস্থা কি যে হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু হযরত ইবরাহীম আ. দৃঢ়তায় অটল পাহাড় হয়ে জবাব দিলেন, ওগো আমার প্রাণ প্রিয় বৎস! আল্লাহর নির্দেশ পালন করার জন্য তুমি আমার চমৎকার সহায়ক হয়েছ। অতঃপর তিনি পুত্রকে আদর করে চুম্বন করলেন এবং অশ্রু সজল নয়নে তাকে বেঁধে নিলেন । অতঃপর তাঁকে সোজা করে শুইয়ে দিয়ে তার গলায় ছুরি চালালেন। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার যে, বার বার ছুরি চালানো সত্বেও গলা কাটছে না। কেননা আল্লাহ তায়ালা স্বীয় কুদরতে পিতলের একটা টুকরা মাঝখানে অন্তরায় করে দিয়েছিলেন। তখন পুত্র নিজেই আবদার করে বললেন, আব্বাজী! আমাকে উপুড় করে শুইয়ে নিন। কারণ, আমার মুখমন্ডল দেখে আপনার মধ্যে পিতৃ ¯েœহ উথলে উঠে। ফলে গলা কাটা যাচ্ছে না। এ ছাড়া ছুরি দেখে আমি ঘাবড়ে যাই। সে মতে হযরত ইবরাহীম আ. তাকে উপুড় করে শুইয়ে দিলেন এবং পুনরায় সজোরে প্রাণপণে ছুরি চালালেন। কিন্তু তখন ও গলা কাটতেছেনা। হযরত ইবরাহীম আ. চেষ্টা করেই যাচ্ছেন। হযরত ইবরাহীম আ. এর এ প্রাণন্তর প্রচেষ্টা প্রত্যক্ষ করে মহান আল্লাহ সন্তুষ্ট হলেন এবং হযরত ইসমাঈলের বিনা যবেহেই তার কুরবানী কবুল করে নিলেন। এ ব্যাপারে হযরত ইবরাহীম আ. এর উপর ওহী নাযিল হলো। (তাফসীরে রুহুল মাআ’নী। সূত্র হযরত কাতাদাহ রা. হতে বর্নিত, তাফসিরে ইবনে কাসীর মসনদে আহমদ থেকে নকল করা হয়েছে। সূত্র হযরত ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত)। فَلَمَّا اَسْلَمَا وَتَلَّه لِلْجَبِيْنِ- وَنَادَيْنهُ اَنْ يَّا اِبْرَاهِيْمَ- قَدْ صَدَّقْتَ الرُّءْيَا- اِنَّا كَذلِكَ نَـجْـزِى الْـمُحْسِنِيْـنَ- اِنَّ هـذَا لَهُـوَ الْـبَلـؤُ الْمُبِيْـنُ- وَقَـدَيْنهُ بِـذِبْحٍ عَـظِـيْمٍ “অবশেষে যখন পিতা-পুত্র উভয়ে আল্লাহর কাছে নিজেদের কে সোপর্দ করলো এরং ইবরাহীম আ. পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলেন (যবেহ করার জন্যে), তখন আমরা তাকে সম্বোধন করে বললাম, হে ইবরাহীম! তুমি সপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখিয়েছ। আমরা সৎকর্মশীলদের এরূপ প্রতিদানই দিয়ে থাকি। বস্তুত এ এক সুস্পষ্ট কঠিন পরীক্ষা। আর আমরা বিরাট কুরবানী ফিদিয়া স্বরূপ দিয়ে তাকে (ইসমাঈলকে) উদ্ধার করেছি”। (সূরা আস-সাফ্ফাত ১২০-১০৭) অতঃপর আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিলেন এখন পুত্রকে ছেড়ে দিন এবং আপনার নিকট যে দুম্বাটি দাঁড়ানো রয়েছে, পুত্রের পরিবর্তে সেটাকে যবেহ করুন। তখন ইবরাহীম আ. পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখেন, একটি হৃষ্ট পুষ্ট দুম্বা দাঁড়ানো আছে। আল্লাহর শোকর আদায় করে তিনি সেই দুম্বাটিকে যবেহ করলেন। এটাই সেই কুরবানী যা আল্লাহর দরবারে এতই প্রিয় ও মাকবুল হয়েছিল যে, আল্লাহ তায়ালা পরবর্তী সকল উম্মতের মধ্যে তা অবিস্মরণীয় রূপে বিরাজমান রাখার ব্যবস্থা করে দিলেন। যার ফলে মিল্লাতে ইবরাহীমে তথা দ্বীন ইসলামে এক মহান ওয়াজিব ইবাদত ও শিয়ার প্রতীক হিসেবে এ কুরবানী আজও পালিত হয়ে আসছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তা পালিত হতে থাকবে। তাই মহান আল্লাহ বলেন : وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى الْا خِرِيْنَ “আর আমরা ভবিষ্যতের উম্মতের মধ্যে ইবরাহীমের এ সুন্নাত স্মরণীয় করে রাখলাম”। (সূরা আস আস সাফ্ফাত ১০৮)&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;উম্মতে মুহাম্মদীর প্রতি কুরবানীর নির্দেশ: আল কুরআনে নবী করীম সা. কে সালাত আদায় করার মতো কুরবানী করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে ঃ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ “তোমার রবের জন্য নামায পড় এবং কুরবানী করো”। (সূরা আল কাউসার -০২) মহান আল্লাহ কুরবানী ও জীবন দানের প্রেরণা ও চেতনা সমগ্র জীবনে জাগ্রত রাখার জন্যে নবী সা. কে আরো নির্দেশ দিয়ে বলেছেন :&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;قُلْ اِنَّ صَلوتِىْ وَنُسُكِىْ وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِىْ لِلّهِ رَبِّ الْعلَمِيْنَ– لَا َشَرِيْكَ لَه وَبِذ لِكَ اُمِرْتُ وَاَنَا اَوَّلُ الْمُسْلِمِيْنَ-&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;“বলুন! হে মুহাম্মদ! আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সব কিছুই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্যে। তাঁর কোন শরীক নেই। আমাকে তাঁরই নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং আমি সকলের আগে তাঁর অনুগত ও ফরমাবরদার”। (সূরা আল আনআম-১৬২) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সা. মদীনায় দশ বৎসর অবস্থান করেন। এ সময় তিনি প্রতি বছর কুরবানী করতেন।(সুনানে আত তিরমিযী)&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঈদুল আযহার গুরুত্ব : ঈদুল আযহার গুরুত্ব অপরিসীম। কুরআন-হাদীসে এ ব্যাপারে যথেষ্ট তাকীদ দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّنْ شَعَائِرِ اللهِ لَكُمْ فِيْهَا خَيْرٌ- ‘আর কুরবানীর পশু সমূহকে আমরা তোমাদের জন্য আল্লাহর নিদর্শন সমূহের অন্তর্ভুক্ত করেছি। এর মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে’ (হজ্জ ৩৬)। আল্লাহ আরও বলেন, وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيْمٍ- وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآخِرِيْنَ- ‘আর আমরা তাঁর (ইসমাঈলের) পরিবর্তে যবহ করার জন্য দিলাম একটি মহান কুরবানী। আমরা এটিকে পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিলাম’ (ছাফফাত ১০৭-১০৮)। আল্লাহ বলেন, فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ‘তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে ছালাত আদায় কর এবং কুরবানী কর’ (কাওছার ২)। কাফির-মুশরিকরা তাদের দেব-দেবী ও বিভিন্ন কবর ও বেদীতে পূজা দেয় এবং মূর্তির উদ্দেশ্যে কুরবানী করে থাকে। তার প্রতিবাদ স্বরূপ মুসলমানকে আল্লাহর জন্য ছালাত আদায়ের ও তাঁর উদ্দেশ্যে কুরবানী করার হুকুম দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন, مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةً وَلَمْ يُضَحِّ فَلاَ يَقْرِبَنَّ مُصَلاَّنَا ‘সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়’। এটি ইসলামের একটি ‘মহান নিদর্শন’ যা ‘সুন্নাতে ইবরাহীম’ হিসাবে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজে মদীনায় প্রতি বছর আদায় করেছেন এবং সাহাবীগণও নিয়মিতভাবে কুরবানী করেছেন। অতঃপর অবিরত ধারায় মুসলিম উম্মাহ সামর্থ্যবানদের মধ্যে এটি চালু আছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঈদুল আযহার তাৎপর্য : ঈদুল আযহা ইবরাহীম (আঃ), বিবি হাজেরা ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব। ইবরাহীম (আঃ)-কে আল-কুরআনে মুসলিম জাতির পিতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে (সূরা আল হজ্জ ৭৮)। এ পরিবারটি বিশ্ব মুসলিমের জন্য ত্যাগের মহত্তম আদর্শ। তাই ঈদুল আযহার দিন সমগ্র মুসলিম জাতি ইবরাহীমী সুন্নাত পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রাণপণ চেষ্টা করে। কুরবানীর স্মৃতিবাহী যিলহজ্জ মাসে হজ্জ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইবরাহীম (আঃ)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদীনায়। তাঁরা ইবরাহীমী আদর্শে আদর্শবান হওয়ার জন্য জীবনের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করেন। হজ্জ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ। যা প্রতি বছরই আমাদেরকে তাওহীদী প্রেরণায় উজ্জীবিত করে। আমরা নিবিড়ভাবে অনুভব করি বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব। ঈদের উৎসব একটি সামাজিক উৎসব, সমষ্টিগতভাবে আনন্দের অধিকারগত উৎসব। ঈদুল আযহা উৎসবের একটি অঙ্গ হচ্ছে কুরবানী। কুরবানী হ’ল চিত্তশুদ্ধির এবং পবিত্রতার মাধ্যম। এটি সামাজিক রীতি হ’লেও আল্লাহর জন্যই এ রীতি প্রবর্তিত হয়েছে। তিনিই একমাত্র বিধাতা প্রতিমুহূর্তেই যার করুণা লাভের জন্য মানুষ প্রত্যাশী। আমাদের বিত্ত, সংসার এবং সমাজ তাঁর উদ্দেশ্যেই নিবেদিত এবং কুরবানী হচ্ছে সেই নিবেদনের একটি প্রতীক। মানুষ কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হ’তে চায়। আল্লাহর জন্য মানুষ তার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস ত্যাগ করতে রাযী আছে কি-না সেটাই পরীক্ষার বিষয়। কুরবানী আমাদেরকে সেই পরীক্ষার কথাই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়। ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে আল্লাহর পরীক্ষাও ছিল তাই। আমাদেরকে এখন আর পুত্র কুরবানী দেওয়ার মত কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হ’তে হয় না। একটি ‘মুসিন্নাহ’ হালাল পশু কুরবানী করেই আমরা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হ’তে পারি।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;কুরবানীর ঈদ প্রসঙ্গে স্বভাবতই একটি প্রশ্ন এসে যায়। আমরা কি শুধু কুরবানীর সময়েই গরীব-দুঃখী মানুষ আহার করানোর কথা ভাবব? আর বছরের বাকি দিনগুলো কি তাদেরকে ভুলে থাকব? না, অবশ্যই না। কুরবানী একটি প্রতীকী ব্যাপার। আল্লাহর জন্য আত্মত্যাগের একটি দৃষ্টান্ত মাত্র। সারা বছরই আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রত্যাশায় নিজ সম্পদ অন্য মানুষের কল্যাণে ত্যাগ করতে হবে। এই ত্যাগের মনোভাব যদি গড়ে ওঠে। তবে বুঝতে হবে, কুরবানীর ঈদ স্বার্থক হয়েছে, কুরবানী স্বার্থক হয়েছে। নইলে এটি নামমাত্র একটি ভোগবাদী অনুষ্ঠানই থেকে যাবে চিরকাল। আল-কুরআনে আল্লাহ বারবার ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের উপার্জিত হালাল মালের কিছু অংশ এবং আমি যা তোমাদের জন্য যমীন হ’তে বের করেছি তার অংশ ব্যয় কর’ (সূরা আল বাক্বারাহ ২৬৭)। আমাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ মানবতার সেবায় ব্যয় করতে হবে। দরিদ্র মানুষের সহযোগিতায় সরকারের পাশাপাশি সকল বিত্তশালী লোককে এগিয়ে আসতে হবে। সারা বছর, সারা জীবন সাধ্যমত আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের কথা বিবেচনা করে মানুষকে সাহায্য করতে হবে। চিত্ত আর বিত্তের মিল ঘটানোর জন্যই আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বারবার মানুষকে আহবান করেছেন।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঈদুল আযহার লক্ষ্য হচ্ছে সকলের সাথে সদ্ভাব, আন্তরিকতা এবং বিনয়-ন¤্র আচরণ করা। মুসলমানদের জীবনে এই সুযোগ সৃষ্টি হয় বছরে মাত্র দু’বার। ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা একই কাতারে দাঁড়িয়ে পায়ে পা এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুই রাক‘আত ছালাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যায়। পরস্পরে কুশল বিনিময় করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং আন্তরিক মহানুভবতায় পরিপূর্ণ করে। মূলতঃ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে দৈন্য, হতাশা তা দূরীকরণের জন্য ঈদুল আযহার সৃষ্টি হয়েছে। যারা অসুখী এবং দরিদ্র তাদের জীবনে সুখের প্রলেপ দেওয়া এবং দারিদ্রের কষাঘাত দূর করা সামর্থ্যবান মুসলমানদের কর্তব্য।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;মানবপুত্রের কোন সৎ কর্মই আল্লাহর কাছে কুরবানীর দিনে রক্ত প্রবাহিত করার চাইতে অধিকতর প্রিয় নয়। ক্বিয়ামতের দিনে কুরবানীর পশুর শিং, লোম আর ক্ষুর সমূহ নিয়ে হাজির করা হবে। কুরবানীর রক্ত মাটি স্পর্শ করার পূর্বেই আল্লাহর কাছে তার ছওয়াব গ্রাহ্য হয়ে যায়। আল্লাহর কাছে কুরবানীর ছওয়াব গ্রাহ্য হওয়ার তাৎপর্য কি? যে অকুণ্ঠ ঈমান আর ত্যাগের মহিমায় উদ্দীপ্ত হয়ে ইবরাহীম খলীলুল্লাহ (আঃ) স্বীয় প্রাণাধিক পুত্রের স্কন্ধে ছুরি উত্তোলিত করেছিলেন, কুরবানীর পশুর গলায় ছুরি দেওয়ার সময়ে ইবরাহীমের মানস সন্তানদের হৃদয়তন্ত্রী সেই ঈমান ও ত্যাগের সুরে যদি অনুরণিত না হয়ে উঠে, তাদের দেহ আর মনের পরতে পরতে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের আকুল আগ্রহ যদি উদ্বেলিত না হয়, তাহ’লে তাদের এই কুরবানীর উৎসব গোশতখুরীর পর্বেই পর্যবসিত হবে। আল্লাহ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় কুরবানীদাতাদের সাবধান করে দিয়েছেন, ‘কুরবানীর পশুর রক্ত, গোশত কোন কিছুই আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, পৌঁছে কেবল তোমাদের তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি’ (সূরা আল হজ্জ ৩৭)। অর্থাৎ কুরবানীদাতা যেন আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই কুরবানী করে। পরিশেষে বলতে চাই, আল্লাহর রাহে জীবন উৎসর্গ করার জাযবা সৃষ্টি করা, ইবরাহীমের পুত্র কুরবানীর ন্যায় ত্যাগ-পূত আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করা ও তাঁর বড়ত্ব প্রকাশ করাই কুরবানী প্রকৃত তাৎপর্য।&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঈদুল আযহার শিক্ষা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় বলতে হয়, ‘তোরা ভোগের পাত্র ফেলরে ছুঁড়ে, ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ’। মানুষ আল্লাহর জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে, এই শিক্ষাই ইবরাহীম (আঃ) আমাদের জন্য রেখে গেছেন। মহানবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) আমাদের জন্য ঐ ত্যাগের আনুষ্ঠানিক অনুসরণকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। আর ঈদুল আযহার মূল আহবান হ’ল সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য প্রকাশ করা। সকল দিক হ’তে মুখ ফিরিয়ে এক আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া। সম্পদের মোহ, ভোগ-বিলাসের আকর্ষণ, সন্তানের স্নেহ, স্ত্রীর মুহাববত সবকিছুর ঊর্ধ্বে আল্লাহর সন্তুষ্টি প্রতি আত্মসমর্পণ করে দেওয়াই হ’ল ঈদুল আযহার মূল শিক্ষা। স্বামী, স্ত্রী ও শিশুপুত্রের গভীর আত্মবিশ্বাস, অতলান্তিক ঈমানী প্রেরণা, আল্লাহর প্রতি নিশ্চিন্ত নির্ভরতা ও অবশেষে আল্লাহকে খুশী করার জন্য তাঁর হুকুম মোতাবেক জীবনের সর্বাধিক প্রিয় একমাত্র সন্তানকে নিজ হাতে যবহ করার কঠিনতম পরীক্ষায় উত্তরণ-এসবই ছিল আল্লাহর প্রতি অটুট আনুগত্য, গভীর আল্লাহভীতি এবং নিজের তাওহীদ ও তাকওয়ার সর্বোচ্চ পরাকাষ্ঠা। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর হুকুমে পুত্র কুরবানী করেছিলেন। মূলতঃ তিনি এর দ্বারা পুত্রের মুহাববতকে কুরবানী করেছিলেন। আল্লাহর ভালোবাসার চাইতে যে পুত্রের ভালোবাসা বড় নয়, এটিই প্রমাণিত হয়েছে তাঁর আচরণে। আল্লাহ এটাই চেয়েছিলেন। আর এটাই হ’ল প্রকৃত তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি। ইবরাহীম (আঃ) তাঁর প্রিয়পুত্র ইসমাঈল (আঃ)-কে কুরবানী করে এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যাতে অনাগত ভবিষ্যতের অগণিত মানুষ আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণের বাস্তব শিক্ষা লাভ করতে পারে। প্রতি বছর যিলহজ্জ মাসে মুসলিম জাতি পশু কুরবানীর মাধ্যমে ইবরাহীম (আঃ)-এর স্মৃতি স্মরণ করে এবং পশু কুরবানীর সাথে সাথে নিজেদের পশুবৃত্তিকে কুরবানী দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে। ইসমাঈল নবীন বয়সেই বিশ্ববাসীকে আত্মসমর্পণের এক বাস্তব ও জ্বলন্ত শিক্ষা প্রদান করেন। মূলতঃ আল্লাহর রাহে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দেওয়ার নামই হ’ল আত্মসমর্পণ। পিতা-পুত্র আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের যে অনুপম আদর্শ স্থাপন করে গেছেন, তা যেমন অতুলনীয়, তেমনি চির অনুকরণীয়। আজকে ইবরাহীমী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পশু কুরবানীর সাথে সাথে আমাদের দৃপ্ত শপথ নিতে হবে যে, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জান, মালসহ যেকোন ত্যাগ স্বীকার করতে আমরা প্রস্ত্তত আছি। আর এটিই হ’ল কুরবানীর শিক্ষা। এই স্বর্ণোজ্জ্বল আদর্শ যুগে যুগে বিশ্ববাসীকে বারবার এই পরম সত্যটিকেই হৃদয়ঙ্গম করাতে চেয়েছে যে, আল্লাহই একমাত্র সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক, তাঁর ইচ্ছা ও সন্তুষ্টির প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনই প্রকৃত মুমিনের কাজ এবং তাতেই নিহিত রয়েছে অশেষ কল্যাণ ও প্রকৃত সফলতা। ইবরাহীম (আঃ) সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করেছিলেন, হয়েছিলেন স্বয়ং আল্লাহ ঘোষিত মানবজাতির ইমাম। তিনি মানবজাতির আদর্শ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যারা আল্লাহ ও পরকালের ভয় কর তাদের জন্যে ইবরাহীম ও তাঁর অনুসারীদের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ’ (সূরা মুমতাহিনা ৪-৬)।&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;আদম (আঃ)-এর সময় থেকেই চলে আসা কুরবানীর প্রথা পরবর্তীকালের সকল নবী-রাসূল, তাঁদের উম্মত আল্লাহর নামে, কেবল তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য কুরবানী করে গেছেন। এ কুরবানী কেবল পশু কুরবানী নয়। একদল কোরবানির ভাবাদর্শ না বোঝে একে ‘পশুবধ&#39; মনে করে বিভ্রান্তির পথে চলেছে, আরেক দল লোক দেখানোর জন্যে বড় বড় পশু কোরবানি করে নাম কামানোর চেষ্টা করছে। বাজারের সবচেয়ে দামি ও বিশাল পশুটিকে কিনে, সেটাকে সাজিয়ে মিছিল করে শহরময় প্রচার করলে কোরবানির অন্তর্নিহিত আদর্শ চরম অবমাননার মধ্যে নিপতিত হয়। কোরবানির উদ্দেশ্য আল্লাহ সোবহানাহু তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন, তাঁর প্রতি আনুগত্য ও মান্যতা প্রদর্শন-নিজের বড়াই নয়। ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্য মিশ্রিত হয়ে গেলে কোরবানির আমলই বরবাদ হয়ে যেতে পারে। নিজের পশুত্ব, নিজের ক্ষুদ্রতা, নীচতা, স্বার্থপরতা, হীনতা, দীনতা, আমিত্ব ও অহংকার ত্যাগের কুরবানী। নিজের ছালাত, কুরবানী, জীবন-মরণ ও বিষয়-আশয় সব কিছুই কেবল আল্লাহর নামে, শুধু তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য চূড়ান্তভাবে নিয়োগ ও ত্যাগের মানস এবং বাস্তবে সেসব আমল করাই হচ্ছে প্রকৃত কুরবানী। এই কুরবানীর পশু যবেহ থেকে শুরু করে নিজের পশুত্ব যবেহ বা বিসর্জন এবং জিহাদ-কিতালের মাধ্যমে আল্লাহর রাস্তায় শাহাদতবরণ পর্যন্ত সম্প্রসারিত। এই কুরবানী মানুষের তামান্না, নিয়ত, প্রস্ত্ততি, গভীরতম প্রতিশ্রুতি থেকে আরম্ভ করে তার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন পর্যন্ত সম্প্রসারিত। ঈদুল আযহার সময়, হজ্জ পালনকালে মুসলিমের পশু কুরবানী উপরোক্ত সমগ্র জীবন ও সম্পদের কুরবানীর তাওহীদী নির্দেশের অঙ্গীভূত এবং তা একই সঙ্গে আল-কুরআনে আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত মানব জাতির ইমাম ইবরাহীম (আঃ)-এর পুত্র কুরবানীর চরম পরীক্ষা প্রদান ও আদর্শ চেতনার প্রতীকী রূপ।&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;শেষকথা : মুসলিম পরিবারের প্রতিটি মানুষেরই একমাত্র আদর্শ হবে আল্লাহর হুকুমের কাছে মানা নত না করা। বরং আল্লাহর হুকুমের কাছে আত্মসমর্পণ করাই হবে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম (আঃ) এ শিক্ষাই দিয়ে গেছেন তাঁর সন্তানদের। পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষাই হচ্ছে আত্মত্যাগে উজ্জীবিত হওয়া, মানবিক কল্যাণ সাধন করা, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সৌভ্রাতৃত্বের বাঁধনকে আরো সুদৃঢ় করা। জনৈক উর্দূ কবি বলেন, ‘যদি আমাদের মাঝে ফের ইবরাহীমের ঈমান পয়দা হয়, তাহ’লে অগ্নির মাঝে ফের ফুলবাগানের নমুনা সৃষ্টি হ’তে পারে’। সুতরাং আমরা যেন নিছক লৌকিকতা, আত্মম্ভরিতা, বাহাদুরি ও প্রতিযোগিতামূলক রক্তক্ষরণ ও গোশত ভক্ষণ করে মহান ঈদুল আজহার তাৎপর্য ও শিক্ষাকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত না করি। ইবরাহীমী ঈমান ও ইসমাঈলী আত্মত্যাগের উত্থান যদি আবার জাগ্রত হয়, তবে আধুনিক জাহেলিয়াতের গাঢ় তমিশ্রা ভেদ করে পুনরায় মানবতার বিজয় নিশান উড্ডীন হবে। সমাজে শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরে আসবে। তাই কুরবানীর পশুর গলায় ছুরি দেওয়ার পূর্বে নিজেদের মধ্যে লুক্কায়িত পশুত্বের গলায় ছুরি দিতে হবে। মহান আল্লাহর দরবারে আত্মসমর্পণকারী ও আত্মত্যাগী হ’তে হবে। তাকওয়া ও আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমে প্রকৃত মুমিন বা মুত্তাকী হ’তে হবে। আমাদের ছালাত, কুরবানী, জীবন-মরণ সবকিছু আল্লাহর জন্যই উৎসর্গ হোক, ঈদুল আযহায় বিধাতার নিকট এই থাকুক প্রার্থনা। তাইতো আমাদের প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ‘কুরবানী’ কবিতায় লিখেছেন:&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;“ওরে হত্যা নয় আজ সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঐ খুনের খুঁটিতে কল্যাণকেতু লক্ষ্য ঐ তোরণ&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;আজি আল্লাহর নামে জান কোরবানে&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ঈদের পূত বোধন।&lt;/span&gt;&lt;br style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot; /&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px;&quot;&gt;ওরে হত্যা নয় আজ সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন॥”&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/7089750185854733016/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/08/Eid-Ul-Adha.html#comment-form' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/7089750185854733016'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/7089750185854733016'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/08/Eid-Ul-Adha.html' title='ঈদুল আযহার ইতিহাস, তাৎপর্য ও শিক্ষা'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgGIq-Yt19FEyuJjsQMyjG2z8Tzi9xxVfg9xuVRA6iCT94SkvSwf3SVa7YkXgRot3sgJL5NcyF_ZL6HEXRAsMW_A0I8_t43Nqap1xyzH5FGPDmaTp-bvue33bEjNVojpNqzmQOkC3TRJNM9/s72-c/rkkjkj.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-2729460220730914284</id><published>2017-05-26T05:52:00.000-07:00</published><updated>2017-05-26T05:52:01.751-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="রোজা"/><title type='text'>সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৭ + দোয়া</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: large;&quot;&gt;&lt;b&gt;সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৭&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: large;&quot;&gt;&lt;b&gt;Sehori and Iftar time 2017&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: x-small;&quot;&gt;(Collected from Islamic Foundation)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8MSJh_kGKd3EoPK8qdnPkL_re-DIm51TSsNK8NDS7P3HTA6047kW9vI1-CR_jBSIyQ5is7PiL1g7nHxeQH_mT81991IPR5npQwOkumBLL_dhixyEZc8PGWKb2_3NQzF_s-QbQ8MJ2miY4/s1600/Sehri-IfatarSchedule.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; data-original-height=&quot;899&quot; data-original-width=&quot;700&quot; height=&quot;640&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8MSJh_kGKd3EoPK8qdnPkL_re-DIm51TSsNK8NDS7P3HTA6047kW9vI1-CR_jBSIyQ5is7PiL1g7nHxeQH_mT81991IPR5npQwOkumBLL_dhixyEZc8PGWKb2_3NQzF_s-QbQ8MJ2miY4/s640/Sehri-IfatarSchedule.jpg&quot; width=&quot;498&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: x-small;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: x-small;&quot;&gt;&lt;b&gt;সেহরির দোয়া:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;&amp;nbsp;نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم.&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;বাংলায় উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদানাল মুবারাকি, ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহ ফাতাকাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;সামীউল আলীম। বাংলায় অর্থ: হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;** কেউ যদি ছুবহি ছাদিক্বের পূর্বে নিয়ত করতে ভুলে যায় তাহলে তাকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে নিয়ত করতে হবে। তখন এভাবে নিয়ত করবে: نويت ان اصوم اليوم من شهر رمضان المبارك فرضا لك يالله فتقبل منى انك انت السميع العليم. বাংলায় উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আছুমাল ইয়াওমা মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফা তাক্বাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;b&gt;ইফতারের দোয়া:&lt;/b&gt; اللهم لك صمت و على رزقك افطرت. বাংলায় উচ্চারণ: &quot;আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন&quot;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;background-color: white; color: #333333; font-family: &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 15px;&quot;&gt;বাংলায় অর্থ: হে আল্লাহ পাক! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোযা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/2729460220730914284/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/05/Sehori-and-Iftar-schedule-2017.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2729460220730914284'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2729460220730914284'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/05/Sehori-and-Iftar-schedule-2017.html' title='সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৭ + দোয়া'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8MSJh_kGKd3EoPK8qdnPkL_re-DIm51TSsNK8NDS7P3HTA6047kW9vI1-CR_jBSIyQ5is7PiL1g7nHxeQH_mT81991IPR5npQwOkumBLL_dhixyEZc8PGWKb2_3NQzF_s-QbQ8MJ2miY4/s72-c/Sehri-IfatarSchedule.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.810332 90.412518099999943</georss:point><georss:box>23.577844499999998 90.089794599999948 24.0428195 90.735241599999938</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3613146787656260525</id><published>2017-02-24T06:55:00.000-08:00</published><updated>2017-03-04T08:16:04.875-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="বিদআত"/><title type='text'>ইসলাম ধর্মে জন্মদিন পালনের বিধান কি?</title><content type='html'>&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhhxj1DZQml20rkqqCBczrtVePSBm2eSGctikPCfFFUwV8sL2IcUyYzTFaVsHFcCp4HuwmiMPJrixmf_ULrF_7OAitltSwMHhrJFMqVEMXLEccHT4PwEdtEV6tqmLijob02oMPDyIHC4Q/s1600/download.jpg&quot; style=&quot;clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;164&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhhxj1DZQml20rkqqCBczrtVePSBm2eSGctikPCfFFUwV8sL2IcUyYzTFaVsHFcCp4HuwmiMPJrixmf_ULrF_7OAitltSwMHhrJFMqVEMXLEccHT4PwEdtEV6tqmLijob02oMPDyIHC4Q/s320/download.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আসসালামু আলাইকুম!&amp;nbsp;&lt;div&gt;
আশা করি সবাই ভালো আছেন। মাঝে মাঝে কিছু ব্লগার ধর্মীয় ব্যপারে এমন কিছু পোষ্ট দেন যা সাধারনত সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্যে পরিনত করেন। এটা একটা বড় ধরনের গোনাহের কাজ, যদি ধর্ম সম্পর্কে সঠিক এবং সহীহ কোন দলীল খুঁজে না পাওয়া যায় তার প্রচার এবং প্রসার থেকে আমাদের অবশ্যই সাবধান থাকা উচিত। মনে রাখতে হবে যে ইসলাম পরিপূর্ণ ধর্ম এবং এখানে কোন কিছুর নতুন সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ নাই। সত্যের জয় সর্বদাই হবে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হবেই কারন মিথ্যা বিলুপ্ত হবার জন্যই।&lt;br /&gt;আসুন মিলাদ এবং ঈদে মিলাদুন্নবীর ইতিহাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। অতঃপর সিদ্ধান্ত নেই কোনটা সঠিক এবং বেঠিক। ইতিহাস না জানলে এই সিদ্ধান্তে আসা বড়ই কষ্টকর।আমাদের সমাজে বিদআ’ত এমন ভাবে ঢুকে গেছে যে তার বিরূদ্ধে কথা বললে আলিম সমাজ ‘অমুসলিম’ বলে গালি দিতে এবং ‘ইসলাম থেকে খারিজ’ করতে ডানে বায়ে তাকায় না। এসব বিদআ’ত শরীরে টিউমারের মতো জেগে উঠেছে আর আমাদের আলিম সমাজ এসকল টিউমার অপারেশনের পরিবর্তে স্বাস্থ্যের অংশ বলে প্রচার প্রসার করে বেড়াচ্ছেন, আর সাধারন মুসলমানগণ ভাবছেন ‘আরে তাইতো, নিশ্চই টিউমার সুস্বাস্থের অংশ!!”&lt;br /&gt;আল কুরআনের কোন আয়াত বা কোন হাদীস দ্বারা কারো জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কোনই প্রমাণ পাওয়া যায় না।&lt;br /&gt;রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে যাঁর সবচেয়ে বেশী ভালোবাসতেন সে সব সাহাবাগণ বিশ্বনবী (সাঃ) এর জীবিতকালে অথবা তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর জন্ম বা মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেননি। এমনকি রাসূল (সাঃ) এর একমাত্র পূত্র ইবরাহীম ছাড়া বাকী পুত্রগণ তাদের জন্মের এক বছরের মধ্যেই মারা যায়। শুধু মাত্র ইবরাহীম ষোল মাস বয়সে মারা যায়।এজন্য নাবী (সাঃ) এতই দুঃখিত হন যে, তাঁর চোখ দিয়ে পানি ঝরতে থাকে। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) কিন্তু এই আদরের ছেলেটির জন্মের দ্বিতীয় বছরে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার “মৃত্যু” অথবা “জন্মোৎসব পালন করেননি।&lt;br /&gt;ইসলামের দৃষ্টিতে জন্ম দিবস,মৃত্যু দিবস পালন করা এবং এ উপলক্ষে যে সমস্ত আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয় তা হারাম এবং বিদআত।জন্ম দিবস এবং মৃত্যু দিবস পালনের কোন প্রমাণ কিংবা চর্চা রাসুল সা. কিংবা তাঁর সাহাবী (রাঃ) দের মাধ্যমে হয়েছিল বলে কোন প্রমাণ নাই।&lt;br /&gt;ইসলামে সকল হুকুম আহকাম, আচার-অনুষ্ঠান সুনির্ধারিত ও কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস দ্বারা প্রমাণিত।কিন্তু নবী কারীম সা.এর জন্ম দিবস,মৃত্যু দিবস পালনের কথা কোথাও নেই। এমনকি নবী প্রেমের নজীরবিহীর দৃষ্টান স্থাপনকারি সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের কেহ এ ধরনের কাজ করেছেন বলে কোন প্রমাণ নেই।&lt;br /&gt;ইসলামে কম হলেও একলাখ চব্বিশ হাজার নবী, তারপরে খুলাফায়ে রাশেদীন ও অসংখ্য সাহাবা, মনীষি আওলিয়ায়ে কেরাম জন্ম গ্রহণ করেছেন ও ইন্তেকাল করেছেন। যদি তাদের জন্ম বা মৃত্যু দিবস পালন ইসলাম সমর্থিত হত বা সওয়াবের কাজ হত তাহলে বছরব্যাপী জন্ম-মৃত্যু দিবস পালনে ঘূর্ণাবর্তে আবদ্ধ হয়ে যেতে হত আমাদের সকল মুলমানদের।&lt;br /&gt;রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহাবাগন ছিলেন সত্যিকারার্থে নবীপ্রেমিক ও সর্বোত্তম অনুসারী। নবী প্রেমের নজীর ও দৃষ্টান্ত তারাই স্থাপন করেছেন। তারা কখনো নবী কারীম সা. এর জন্মদিনে অনুষ্ঠান পালন করেননি। যদি এটা করা ভাল হত ও মহব্বতের পরিচায়ক হত তবে তারা তা অবশ্যই করতেন। আর জন্মোৎসব পালন করার কালচার সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা ছিল না তা বলা যায় না। কেননা তাদের সামনেই তো খৃষ্টানরা ঈসা আলাইহিস সালাম-এর জন্মদিন ( বড়দিন) উদযাপন করত।&lt;br /&gt;তাছাড়া নবী কারীম সা. এর জন্মদিন পালনের প্রস্তাব সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। যেমন হিজরী ক্যালেন্ডার প্রবর্তিত হওয়া সময় উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন। কোন এক স্মরনীয় ঘটনার দিন থেকে একটি নতুন বর্ষগণনা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হবে বলে সিদ্ধান- নেয়া হয়। কেউ কেউ প্রস্তাব করলেন রাসূলুল্লাহ সা. এর জন্ম তারিখ থেকে সন গণনা শুরু করা যেতে পারে। উমর রাঃ এ প্রস্তাব বাতিল করে দিয়ে বললেন যে এ পদ্ধতি খৃষ্টানদের। উমার রাঃ এর এ সিদ্ধানে-র সাথে সকল সাহাবায়ে কেরাম একমত পোষণ করলেন। এবং রাসূলে কারীম সা. এর হিজরত থেকে ইসলামী সন গণনা আরম্ভ করলেন।&lt;br /&gt;যেহেতু রাসুল সা. এর জন্ম দিবস এবং মৃত্যু দিবস পালন করা জায়েয নয় সেহেতু অন্য কারো জন্মদিসবস,মৃত্যু দিবস পালন করা শরিয়ত সম্মত নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এগুলো ধর্মের নামে চালু করা হয়েছে কিন্তু এসব আনুস্থানিকতা পালনে ইসলামের কোন সমর্থন নেই।আমাদের সমাজে সমাজে পিতা-মাতা, দাদা-দাদী সন্তান-সন্ততি,নেতা নেত্রীর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী নানা আনুস্থানিকতা এবং অত্যন্ত জমজমাট ভাবে পালন করা হয়ে থাকে।সেখানে অনেক টাকা-পয়সা খরচ করে বিশাল খাবার-দাবারের আয়োজন ও অন্যান্য আনুস্থানিকতা করা হয়ে থাকে,কিন্তু আমরা কজনে জানি বা জানার চেষ্টা করি যে,জন্ম বার্ষিকী এবং মৃত্যুবার্ষিকী আনন্দ উৎসব বা শোক পালন করা ইসলামি চেতনার পরিপন্থি।&lt;br /&gt;জন্ম দিবস বা মৃত্যু দিবস কেন্দ্রিক আচার অনুষ্ঠান খৃষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য অমুসলিমদের ধর্মীয়রীতি।তাই এটা মুসলিমদের জন্য পরিত্যাজ্য। বিধর্মীদের ধর্মীয় রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠান যতই ভাল দেখা যাক না কখনো তা মুসলিমদের জন্য গ্রহণ করা জায়েয নয়।&lt;br /&gt;রাসূলে কারীম সা. বলেছেন –  “যে ব্যক্তি কোন জাতির সাদৃশ্যতা গ্রহণ করবে সে তাদের অনর্ভূক্ত বলে গণ্য হবে।”&lt;br /&gt;রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবিতকালে ওয়াহী দিবস, কুরআন নাযিল দিবস, পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আঃ) এর জন্ম বা মৃত্যু দিবস, মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম (আঃ) এর জন্ম বা মৃত্যু দিবস এসেছে কিন্তু রাসূল (সাঃ) এভাবে কোন নবীর স্মরণে বা কোন সাহাবার শাহাদাত দিবস অথবা কোন জিহাদের দিবস পালন করেন নাই এবং নির্দেশও দেন নাই। বরং তিনি বলে গেছেন , আমার পরে আমার শরীআ’তের মধ্যে যে সকল নতুন কাজকর্ম আবিষ্কার হবে, আমি তা হতে সম্পর্কহীন এবং ঐ সকল কাজকর্ম মারদূদ পরিত্যাজ্য ও ভ্রষ্ট। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) তাই মীলাদুন্নবী ও মৃত্যুবার্ষিকী কিংবা কোন জীবিত ও মৃত ব্যক্তির জন্মবার্ষিকী বা মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা কুরআন ও হাদীসের দৃষ্টিতে বিদ’আত তথা মনগড়া কাজ। আর ইতিহাসের দৃষ্টিতে ইয়াহুদী, খৃষ্টান ও অগ্নিপুজকদের অন্ধ অনুসরণ তথা ইসলাম বিরোধী কাজ। আর এসব জন্ম-মৃত্যু বার্ষিকী পালন কার তো বৈধ নয়ই বরং এগুলো থেকে অবশ্যই বিরত থাকা জরুরী।&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3613146787656260525/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/02/birthday-celebration-at-islam.html#comment-form' title='8টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3613146787656260525'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3613146787656260525'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2017/02/birthday-celebration-at-islam.html' title='ইসলাম ধর্মে জন্মদিন পালনের বিধান কি?'/><author><name>Unknown</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhhxj1DZQml20rkqqCBczrtVePSBm2eSGctikPCfFFUwV8sL2IcUyYzTFaVsHFcCp4HuwmiMPJrixmf_ULrF_7OAitltSwMHhrJFMqVEMXLEccHT4PwEdtEV6tqmLijob02oMPDyIHC4Q/s72-c/download.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>8</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.810332 90.412518099999943</georss:point><georss:box>23.5765875 90.088421599999947 24.0440765 90.736614599999939</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-7121457671447774916</id><published>2016-09-11T20:48:00.000-07:00</published><updated>2016-09-11T20:48:00.914-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কোরবানি"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="মাসলা-মাসায়েল"/><title type='text'>অংশীদারির ভিত্তিতে কোরবানি করার নিয়ম ও বিধান</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi5sXskeWyalX8GbasNnUlz2MA01q4MQp9LBIo0eGw7xeorqp95s6IwDwxutOQ1Wt6cw_uLr2K63RqcygTzrdJk4yJZVPGUb2X6gjqbYpHSoVcF_EQfJL7UX62FrT5-gS7S9EpxPo9Apv4j/s1600/images.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;196&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi5sXskeWyalX8GbasNnUlz2MA01q4MQp9LBIo0eGw7xeorqp95s6IwDwxutOQ1Wt6cw_uLr2K63RqcygTzrdJk4yJZVPGUb2X6gjqbYpHSoVcF_EQfJL7UX62FrT5-gS7S9EpxPo9Apv4j/s320/images.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;অংশীদারির ভিত্তিতে কোরবানি করা&lt;/strong&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;অংশীদারির ভিত্তিতে কোরবানি কারাকে ভাগে কোরবানি দেয়া বলা হয়। ভেড়া, দুম্বা, ছাগল দ্বারা এক পরিবারের পক্ষ থেকে একটা পশু কোরবানি করতে পারবেন। আর উট, গরু, মহিষ দ্বারা সাত জনের নামে সাতটি কোরবানি করা যাবে। তবে অংশীদারি ভিত্তিতে কোরবানি করার দুটি পদ্ধতি হতে পারে-&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
১.সওয়াবের ক্ষেত্রে অংশীদার হওয়া। যেমন-কয়েক জন মুসলিম মিলে একটি বকরি ক্রয় করল। অত:পর একজনকে ঐ বকরির মালিক বানিয়ে দিল। বকরির মালিক বকরিটি কোরবানি করল। যে কজন মিলে বকরি খরিদ করেছিল সকলে সওয়াবের অংশীদার হলো।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
২. মালিকানার অংশীদারির ভিত্তিতে কোরবানি। দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি একটি বকরি কিনে সকলেই মালিকানার অংশীদার হিসেবে কোরবানি করল। এ অবস্থায় কোরবানি শুদ্ধ হবে না। অবশ্য উট, গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি জায়েয কি নাজায়েয অর্থাৎ উট বা গরুর এক সপ্তাংশ একটি পরিবারের তরফ থেকে যথেষ্ট হবে কি? - সে ব্যাপারে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কেউ বলেন, যথেষ্ট নয়। কারণ, তাতে ৭ জনের অধিক ব্যক্তির শরীক হওয়া বৈধ নয়। তা ছাড়া পরিবারের তরফ থেকে একটি পূর্ণ দম (জান) যথেষ্ট হবে। আর ৭ ভাগের ১ ভাগ পূর্ণ দম নয়। (ফাতাওয়া শায়খ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম, ৬/১৪৯)। অনেকের মতে একটি মেষ বা ছাগের মতই এক সপ্তাংশ উট বা গরু যথেষ্ট হবে। (শুমাইমিরী, মাজালিসু আশরি যিলহাজ্জাহ, পৃ. ২৬; আল-মুমতে ইবনে উসাইমীন, ৭/৪৬২-৪৬৩)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
মূলত এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উলামাগণ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন:&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;১ম পক্ষ: মুসাফির ও মুক্বীম উভয় অবস্থায় ১টি উট বা গরু বা মহিষে ৭ জন বা ৭টি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানি করাকে যথেষ্ট মনে করেন।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
২য় পক্ষ: মুসাফির অবস্থায় উট বা গরু বা মহিষে ৭ জন বা ৭জনের পক্ষ থেকে কোরবানি করাকে যথেষ্ট মনে করেন। কিন্তু এ পক্ষ মুক্বীম উভয় অবস্থায় ১টি উট বা গরু বা মহিষে ৭টি পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানি করাকে যথেষ্ট মনে করেন না। এদের মতানুযায়ী, মুক্বীম অবস্থায় একটি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশুই কোরবানি করতে হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;কোরবানিতে অংশগ্রহণ ও সাত ভাগা প্রসংগে প্রথম পক্ষের প্রমাণাদি ও বক্তব্য&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;অন্যান্য ইবাদতের ন্যায় কোরবানিকেও আল্লাহ বিভিন্নভাবে আদায় করার বিধান দান করেছেন। ফলে আমরা উট, গরু, ছাগল ,ভেড়া, দুম্বার যেকোন একটা কোরবানি করতে পারি, আবার সবগুলো একসাথেও করতে পারি। আবার এককভাবে উট, গরু, মহিষ কোরবানি করতে না পারলেও সাত জন অংশগ্রহণ করতে পারি। কিন্তু একটি জন্তুতে সাত জনের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে নানাবিধ বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যেমন বলা হয়ে থাকে, শুধু সফরের অবস্থায় সাত জন অংশগ্রহণ করতে পারবে, তবে তাদের একই পরিবারের অন্তর্ভূক্ত হতে হবে, বিভিন্ন পরিবারের হলে নয়। এ বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখতে পাই- ইবনু আববাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (সা.)-এর সাথে এক সফরে ছিলাম । এমতাবস্থায় কোরবানির ঈদ উপস্থিত হলো। তখন আমরা সাতজনে একটি গরু ও দশজনে একটি উটে শরীক হলাম। (তিরমিযী নাসাঈ, ইবনু মাজাহ)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একটি গরু সাতজনের পক্ষ কোরবানি করা যাবে...। (তিরমিযী)&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
হাদিসে বর্ণিত সাতজনে একটি গরুতে শরীক হয়েছিলাম এ সাতজন শব্দের অর্থ বুঝতেই অনেকে ভূল করেছেন এবং মনে করেছেন একটি পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাতের অধিক হলে সেই পরিবারের জন্য একটি গরু বা উট যথেষ্ট নয়; অথচ একটি গরু বা উট শুধু এক পরিবার নয়, বরং সাতটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট । আর সেই পরিবারগুলোর সদস্য সংখ্যা যতই হোক না কেন। কারণ হাদিসে সাতজন বলতে সাতজন কর্তা ব্যক্তিকে বুঝানো হয়েছে যাদের প্রত্যেকে একেকটা পরিবারের মালিক। যেমন- আপনি এক পরিবারের কর্তা, সুতরাং আপনার উপরই কোরবানির বিধান বলবৎ হবে ।আপনার সন্তান ও স্এীর উপর এ বিধান বলবৎ হবে না। তবে হ্যাঁ তাদের কারো নামে যদি এ পরিমাণ সম্পদ থাকে যে, তারা কোরবানি দেয়ার সমর্থ্য রাখে। তবে কারো কারো মতে তাদের উপর কোরবানির বিধান বলবৎ হয়ে যাবে। তিরমিযী শরীফে লিখিত আবু আইয়ুব হতে বর্ণিত সহিহ হাদিস দ্বারা এ কথাই সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যা নিম্নরূপ:&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আতা বিন ইয়াসার বলেন, আমি আবু আইয়ুব (রা.) কে প্রশ্ন করলাম যে, নবী (সা.) এর যুগে কোরবানি কিভাবে করা হতো? তখন তিনি বললেন, এক ব্যক্তি তার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি একটি ছাগল কুরবনী করত, সেখান থেকে তারা খেত এবং অন্যদের খাওয়াত, আর মানুষ এভাবে আনন্দিত হতো ও গর্ববোধ করত। আর সে প্রথা বর্তমানকাল পর্যন্ত চলে আসছে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ইমাম শাওকানী (রাহ.) নায়লুল আওতার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, সঠিক কথা হচ্ছে যে, একটি ছাগল একটি পরিবারের থেকে যথেষ্ট হবে যদিও তারা ১০০ জনের পরিবার অথবা ততধিক হয়। নবী (সা.) এর সুন্নাতের এটাই ফায়সালা। (তুহফাতুল আহওয়াযী, ৫/৯২)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ইবনুল কাইয়িম (রাহ.) বলেন, নবী (সা.) এর তরীক্বা হচ্ছে যে, একটি ছাগল এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের সকল সদস্যের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে যদি তাদের সংখ্যা অনেক হয়। ( তুহফাতুল আহওয়াযী, ৫/৯১)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
নবী (সা.) এর যুগে এক ব্যক্তি যেহেতু একটি ছাগলের কোরবানিতে অংশগ্রহণ করত ও সাত ব্যক্তি একটি গরু কিংবা উটে অংশগ্রহণ করত, সুতরাং সাধারণ ভাবেই বুঝা যায় যে, একটি ছাগল এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের জন্য যখন যথেষ্ট ছিল, তখন সাত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি গরু কেন যথেষ্ট হবে না।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ইবনে আববাস (রা.) এর হাদিসে বর্ণিত যে সমস্ত সাহাবায়ে কেরামগণ সাতজন করে একটি গরুতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন পরিবারের লোক ছিলেন।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
জাবির (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন, গরু সাত জনের পক্ষ হতে এবং উট সাত জনের পক্ষ হতে কোরবানি করা যাবে। (মুসলিম, আবূ দাউদ)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ভারতবর্ষের মুহাদ্দিস আল্লামা আব্দুর রহমান মুবারকপুরী (রাহ.) বলেন, অবশ্যই উট এবং গরুর কোরবানিতে বিভিন্ন পরিবারের অংশগ্রহণ প্রমাণিত যেমন ছাগলে একই পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ প্রমাণিত। (তুহফাতুল আহওয়াযী, ৫/৯৩)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আল্লামা নবাব সিদ্দিক হাসান খান ভুপালী (রাহ.) বলেন, উট এবং গরুর কোরবানিতে সাত ব্যক্তির অংশগ্রহণ সঠিক যদিও তারা বিভিন্ন পরিবারের হয়ে থাকে। (আর-রওযাতুন নাদিয়াহ, পৃ. ১২৮)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আল্লামা ওবায়দুল্লাহ রহমানী মুবারকপুরী (রাহ.) বলেন, আর কোরবানি প্রসঙ্গে অধিকাংশ ইমামগণের মত হচ্ছে, কোরবানিতেও হাদি তথা হজ্জের পশুর ন্যায় অংশ গ্রহণ বৈধ যদিও অংশগ্রহণকারীগণ একই পরিবারের সদস্য হয়, কিংবা বিভিন্ন পরিবারের হয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে আত্মীয় হোক বা অনাত্মীয় হোক। তরে ইমাম আবু হানীফা (রাহ.) শর্তারোপ করেছেন যে, একই পশুতে বিভিন্ন জনের অংশগ্রহণ তখনই বৈধ যখন তারা পরস্পরের নিকটাত্মীয় হবে। (মিরআতুল মাফাতীহ, ৫/১৭৭)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ইমাম তিরমিযী (রাহ.) মন্তব্য করেন যে, ১টি জন্তুতে সাতজনের অংশগ্রহণের উপর বিজ্ঞ সাহাবা কেরামের আমল প্রমাণিত এবং পরবর্তীতে ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফেয়ী, আহমাদ ও ইসহাক এর উপর আমল করেছেন। (তুহফাতুল আহওয়াযী, পৃ৮৮)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
তাছাড়া, একটি গরু যে সাতটি ছাগলের সমান তা নবী (সা.) এর নিম্নোক্ত হাদিস দ্বারাও প্রমাণিত: ইবনু আববাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সা.) এর কাছে এসে বলল যে, আমার উপর একটি হজ্জের পশু কোরবানি করা ওয়াজিব হয়ে আছে কিন্তু আমি তা ক্রয় করতে পারছি না। তখন নবী (সা.) তাকে নির্দেশ প্রদান করলেন যেন সে সাতটি ছগল ক্রয় করে সেগুলোকে জবেহ করে। (আহমাদ, ইবনু মাজাহ)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
ইমাম নববী (রাহ.) মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যায় বলেন, একটি গরু সাতজনের পক্ষ যথেষ্ট হবে, আর প্রতিটা গরু সাতটি ছাগলের স্থলাভিষিক্ত হবে। লক্ষনীয় যে, আল্লামা আব্দুর রহমান মুবারকপুরী (রাহ.), ওবায়দুল্লাহ রহমানী মুবারকপুরী (রাহ.), নবাব সিদ্দিক হাসান খান (রাহ.) প্রমুখ উলামায়ে কিরাম কেউই কোরবানির ভাগাভাগিতে অংশগ্রহণের সাথে সফরের কোন শর্তের কথা উল্লেখ করেননি।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলাো পরিষদের স্থায়ী কমিটি নামক ফাতাওয়া বোর্ড ফাতাওয়া প্রদান করেছে যে, একটি পরিবারের হোক কিংবা বিভিন্ন পরিবারের হোক এবং তারা আত্মীয়ই হোক কিংবা অনাত্মীয় হোক। (ফাতাওয়া আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ, ১১/৪০১)। আল্লামা ইবনু উসাইমীন বলেন, একটি ছাগল একজনের পক্ষে যথেষ্ট এবং উট এবং গরুর সাত ভাগের এক ভাগ ঐ পরিমাণ যথেষ্ট যে পরিমাণের জন্য একটি ছাগল যথেষ্ট। (আহকামুল উযহিয়্যাহ ওয়ায যাকাত, পৃ. ৭)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;দ্বিতীয় পক্ষের প্রমাণাদি ও বক্তব্য:&lt;/strong&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;(ক) নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হতে একটি পশুই যথেষ্ট:&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;এ বিষয়ে বর্ণিত হাদিসে মা আয়িশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি শিংওয়ালা সুন্দর সাদা-কালো দুম্বা আনতে বললেন, .. অত:পর এ দুআ পড়লেন-&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
«بسم الله اللهم تقبل من محمد وأل محمد ومن أمة محمد»&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
(আল্লাহ নামে, হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজন এবং তার উম্মতের পক্ষ থেকে কবূল করে নিন। এরপর উক্ত দুম্বা কোরবানি করলেন। (সহিহ মুসলীম, হাদিস নং ১৯৬৭)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
বিদায় হজ্জে আরাফার দিনে সমবেত জনমন্ডলীকে উদ্দেশ্য করে রাসূলুল্লাহ ( সা.) বলেন, হে জনগণ! নিশ্চয়ই প্রত্যেক পরিবারের উপরে প্রতি বছর একটি করে কোরবানি ও আতীরাহ। ইমাম আবু দাউদ বলেন, আতীরাহ প্রদানের হুকুম পরে বহিত করা হয়। [তিরমিযী, আবু দাউদ প্রভৃতি, মিশকাত, হা/১৪৭৮; এ হাদিসটির সনদ শক্তিশালী (ইবনু হাজার, ফতহুল বারী, ১০/৬); সনদ হাসান, আলবানী, সহিহ নাসাঈ, হ/৩৯৪০; সহিহ আবু দাউদ, হা/২৪২১; সহিহ তিরমিযী, হা/১২২৫; সহিহ ইবনু মাজাহ, হা/২৫৩৩]।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে পরিবার পিছু একটি করে বকরী কোরবানি করার রেওয়াজ ছিল। যেমন- সাহাবী আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) বলেন, একজন লোক একটি বকরী দ্বারা নিজের ও নিজের পরিবারের পক্ষ হতে কোরবানি দিতেন। অত:পর তা খেতেন ও অন্যকে খাওয়াতেন এবং এভাবে লোকেরা বড়াই করত। এ নিয়ম রাসূলের যুগ হতে চলে আসছে যেমন তুমি দেখছ। (সহিহ তিরমিযী, হা/১২১৬; সহিহ ইবনু মাজাহ, হা/২৫৪৬; মিরআত, ২/৩৬৭, ৫/১১৪) ।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
একই মর্মে ধনাঢ্য সাহাবী আবু সারীহা (রা.) হতে সহিহ সনদে বর্ণিত ইবনু মাজার একটি হাদিস উদ্ধৃত করে ইমাম শাওকানী বলেন,সঠিক কথা হচ্ছে, একটি বকরি একটি পরিবারের পক্ষ হতে যথেষ্ট, যদিও সে পরিবারের সদস্য সংখ্যা শতাধিক হয় এবং এভাবেই নিয়ম চলে আসছে। (সহিহ ইবনু মাজাহ, হ/২৫৪৭; নায়লুল আওতার, ৬/১৪৪)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
মিশকাতের ভাষ্যকার ওবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী (রাহ.) বলেন, যারা একটি ছাগল একজনের জন্য নির্দিষ্ট বলেন এবং উক্ত হাদিসগুলোকে একক ব্যক্তির কোরবানিতে পরিবারের সওয়াবে অংশীদার হওয়ার তাবীল করেন বা খাস হুকুম মনে করেন কিংবা হাদিসগুলোকে মানসূখ বলতে চান, তাদের এ সব দাবী প্রকাশ্য সহিহ হাদিসের বিরোধী এবং তা প্রত্যাখ্যাত ও নিছক দাবী মাত্র । (মিরআত, ২/৩৫১, ৫/৭৬)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
রাসূল (সা.) মদীনায় মুক্বীম অবস্থায় নিজ পরিবার ও উম্মতের পক্ষ হতে দুটি করে খাসি এবং হজ্জের সফরে মিনায় গরু ও উট কোরবানি করেছেন। (মুত্তাফাক্বুন আলাইহ, মিশকাত, হা/১৪৫৩; বুখারি, ১/২৩১; সহিহ আবূ দাউদ, হা/১৫৩৯)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
&lt;strong style=&quot;box-sizing: border-box;&quot;&gt;কোরবানিতে শরীক হওয়া:&lt;/strong&gt;&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রা.) বলেন, আমরা রাসূল (সা.)-এর সাথে এক সফরে ছিলাম। এমতাবস্থায় কোরবানির ঈদ উপস্থিত হলো। তখন আমরা সাতজনে একটি গরু ও দশজনে একটি উটে শরীক হলাম। (তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত, হা/১৪৬৯; সনদ সহিহ)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
জাবির (রা.) বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (সা.) এর সাথে হজ্জ ও উমরার সফরে সাথী ছিলাম।..... তখন আমরা একটি গরু ও উটে সাতজন করে শরীক হয়েছিলাম। (সহিহ মুসলিম, হা/১৩১৮) সফরে সাত বা দশজন মিলে একটি পরিবারের ন্যায়, যাতে গরু ও উটের মতো বড় পশু জবেহ ও কুটাবাছা এবং গোশত বণ্টন সহজ হয়। জমহুর বিদ্বানগণের মতে হজ্জের হাদির ন্যায় কোরবানিতেও শরীক হওয়া চলবে। (মরআত, ২/৩৫৫, ৫/৮৪)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আনাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) হজ্জের সফরে মিনায় নিজ হাতে ৭টি উট (অন্য বর্ণনায় এরও অধিক) দাড়ানো অবস্থায় নহর করেছেন এবং মদীনায় (মুক্বীম অবস্থায়) দুটি সুন্দর শিংওয়ালা খাসি কোরবানি করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ (সা.) তার সফরসঙ্গী স্ত্রী ও পরিবারের পক্ষ হতে একটি গরু কোরবানি করেন। (বুখারি, ১/২৩১; সহিহ আবু দাউদ, হা/১৫৩৯) অবশ্য মক্কায় (মিনায়) নহরকৃত উটগুলো সাহাবীগণের পক্ষ থেকেও হতে পারে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আলোচনা: ইবনু আববাস (রা.) এর হাদিসটি নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহতে, জাবির (রা.) বর্ণিত হাদিসটি সহিহ মুসলিম ও আবুদাউদে এবং আনাস (রা.) বর্ণিত হাদিসটি সহিহ বুখারিতে সংকলিত হয়েছে। সহিহ মুসলিম ও সহিহ বুখারিতে যথাক্রমে হজ্জও মানসিক অধ্যায়ে এবং সুনানে কোরবানি অধ্যায়ে হাদিসগুলো এসেছে। যেমন-(১) তিরমিযী কোরবানিতে শরীক হওয়া অধ্যায়ে ইবনু আববাস, জাবির ও আলী (রা.) থেকে মোট তিনটি হাদি এনেছেন। (২) ইবনু মাজাহ উক্ত মর্মের শিরোনামে ইবনু আববাস,জাবির, আবূ হুরায়রা ও আয়েশা (রা.) হতে যে পাঁচটি হাদিস (৩১৩১-৩৪ নং) এনেছেন, তার সবগুলোই সফরে কোরবানি সংক্রান্ত। (৩৬) নাসাঈ কেবলমাত্র ইবনু আববাস ও জাবির (রা.) থেকে পূর্বের দুটি হাদিস (২৩৯৭-৯৮ নং) এনেছেন। (৪) আবু দাউদ শুধুমাত্র জাবির (রা.) এর পূর্ববর্ণিত সফরে কোরবানির হাদিসটি এনেছেন। তিনটি সহিহ সনদে (২৮০৭-৯ নং), যার মধ্যে ২৮০৮ নং হাদিরটিতে কোন ব্যাখ্যা নেই।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
বিভ্রাটের কারণ: মিশকাত শরীফে ইবনু আববাস (রা.) এর সফরের হাদিসটি (১৪৬৯ নং) এবং জাবির (রা.) বর্ণিত ব্যাখ্যাশুন্য হাদিসটি (১৪৫৮ নং ) সংকলিত হয়েছে। সম্ভবত জাবির (রা.) বর্ণিত মুত্বলাক্ব বা ব্যাখ্যাশুন্য হাদিসটিকে ভিত্তি করেই মুক্বীম অবস্থায় গরু বা মহিষে সাতভাগা কোরবানির নিয়ম চালু হয়েছে। অথচ, ভাগের বিষয়টি সফরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা ইবনু আববাস ও জাবির (রা.) বর্ণিত বিস্তারিত হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে। (মিশকাত, হা/১৪৬৯; মুসলিম , হা/১৩১৮; বুখারি, ১/২৩১) আর একই রাবীর বর্ণিত সংক্ষিপ্ত হাদিসের স্থলে বিস্তারিত ও ব্যাখ্যা সম্বলিত হাদিস দলীলের ক্ষেত্রে গ্রহণ করাই মুহাদ্দিসগণের সর্ববাদীসম্মত রীতি।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
তাছাড়া, মুক্বীম অবস্থায় মদীনায় রাসূল (সা.) বা সাহাবায়ে কেরাম কখনো ভাগে কোরবানি করেছেন বলেও জানা যায় না। ইমাম মালিক (রাহ.) কোরবানিতে শরীক হওয়ার বিষয়টিকে মাকরূহ মনে করতেন। (মুওয়াত্বা মালেক, পৃ. ২৯৯)।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
উভয় পক্ষের প্রদানকৃত দলীল সমূহের পর্যালোচনা: মুক্বীম অবস্থায় সাতটি পরিবারের সকল সদস্যের পক্ষ থেতে সাতটি ভাগ দিয়ে একটি উট বা গরু বা মহিষ ক্রয় করে করে কোরবানি করার ব্যাপারে উপরে উল্লেখিত উভয় পক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণিত প্রমাণাদিকে বিশ্লেষণমূলক পর্যলোচনা করলে যে বিষয়টি আমাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়, তা হচ্ছে, জাবির (রা.) বর্ণিত আবু দাউদদের ব্যাখ্যা শূন্য হাদিসটির কারণেই মুসাফির ও মুক্বীম অবস্থায় কোরবানিতে ভাগাভাগি নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
প্রথমত: এ হাদিসটিতে কেবল বলা হচ্ছে, গরুতে সাতজন আর উটে সাতজন। এখানে সফর না মুক্বীম তা বলা হয়নি। কিন্তু এটি যে সফরের হাদিস তা জাবির (রা.) বর্ণিত অন্যান্য হাদিসগুলো দ্বারা প্রমাণিত।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
দ্বিতীয়ত: জাবির (রা.) বর্ণিত সফরের হাদিসগুলো ইমাম আবূ দাউদ যে অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন এ ব্যাখ্যাশূন্য হাদিসটিও সে অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;সর্বোপরি, উভয় পক্ষের মতের স্বপক্ষে উপস্থাপিত দলীলাদি পর্যালোচনা করলে আমাদের সামনে তিনটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, তা হলে:&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;1. সফর ও মুক্বীম অবস্থায় একটি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কোরবানি করার ব্যাপারে উভয় পক্ষই একমত।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;2. ভাগে কোরবানি জায়েয।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;3. সফর ও মুক্বীম অবস্থায় সাত ব্যক্তির পক্ষ থেকে ভাগে একটি পশু কোরবানি করা যায়।&lt;br style=&quot;box-sizing: border-box;&quot; /&gt;একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কিছু কথা না বললেই নয়, তা হলো- হাদিসে বলা হয়েছে, সাতজনের পক্ষ থেকে (মুসলিম, মিশকাত, হা/১৪৫৮), কিন্তু আমাদের সমাজে কোরবানি করা হচ্ছে সাত পরিবারের পক্ষ থেকে। বলা যায়, সফর অবস্থাতেও সাত পরিবারের পক্ষ থেকে অনুমতি নেই। আরো স্পষ্ট হলো, সাত জনের প্রেক্ষাপট কেবল সফর অবস্থায় সৃষ্টি হয়। মুক্বীম অবস্থায় কোরবানি পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত, যেমন- রাসূল (সা.) করতেন। মূলত, এক্ষেত্রে সফরের হাদিসগুলোকে আম হিসেবে ধরা যাচ্ছে না। কারণ, এ হাদিসগুলো রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তার সাহাবীগণ (রা.) মুক্বীম অবস্থায় যে ভাগা কোরবানি করতেন, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন হাদিস নেই। রাসূল (সা.) প্রতি বছর দুটি করে খাসি কোরবানি করতেন। (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত, হা/১৪৫৩) অথচ, দঃখের বিষয় বর্তমানে কেবল সাত ব্যক্তির পক্ষ থেকে নয়; বরং মুক্বীম অবস্থায় সাত পরিবারের বর্তমানে কেবল সাত ব্যক্তির পক্ষ থেকে নয়; বরং মুক্বীম অবস্থায় সাত পরিবারের ৭-এর অধিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে একটি গরু কোরবানি দেওয়া হচ্ছে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #3f3f3f; font-family: Roboto, &amp;quot;Helvetica Neue&amp;quot;, Arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 20.44px; padding: 0px 0px 15px;&quot;&gt;
আজকাল পরিবারের পক্ষ থেকে একটি ছাগল কোরবানির সাথে একটি গরুর ভাগা নেওয়া হচ্ছে মূলত গোশত বেশী পাবার স্বার্থে। নিয়ত যখন গোশত খাওয়া, তখন কোরবানির উদ্দেশ্য কিভাবে হাছিল হবে? কোরবানি হলো পিতা ইবরাহীমের সুন্নাত, যা তিনি পুত্র ইসমাঈলের জীবনের বিনিময়ে করেছিলেন। আর তা ছিল আল্লাহর পক্ষ হতে পাঠানো একটি পশুর জীবন অর্থাৎ দুম্বা। অতএব ইবরাহীম ও মুহাম্মাদী সুন্নাতের অনুসরণে নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হতে আল্লাহর রাহে একটি জীবন তথা একটি পূর্ণাঙ্গ পশু কোরবানি দেওয়া উচিত, পশুর দেহের কোন খন্ডিত অংশ নয়। পরিশেষে, মনে রাখতে হবে কোরবানি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত ও আল্লাহ রাববুল আলামিনের নৈকট্য লাভের উপায়। তাই তা আদায় করতে হবে সময়, সংখ্যা ও পদ্ধতিগত দিক দিয়ে শরীয়ত অনুমোদিত নিয়মাবলি অনুসরণ বা শুধু সদকা (দান) নয়।। কোরবানির উদ্দেশ্য শুধু গোশত খাওয়া নয়, শুধু মানুষের উপকার করা নয় বা শুধু সদকা (দান) নয়। কোরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ রাববুল আলামীনের একটি মহান নিদর্শন তার রাসূলের নির্দেশিত পদ্ধতিতে আদায় করা।&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/7121457671447774916/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/09/Partnershipsacrifice.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/7121457671447774916'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/7121457671447774916'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/09/Partnershipsacrifice.html' title='অংশীদারির ভিত্তিতে কোরবানি করার নিয়ম ও বিধান'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi5sXskeWyalX8GbasNnUlz2MA01q4MQp9LBIo0eGw7xeorqp95s6IwDwxutOQ1Wt6cw_uLr2K63RqcygTzrdJk4yJZVPGUb2X6gjqbYpHSoVcF_EQfJL7UX62FrT5-gS7S9EpxPo9Apv4j/s72-c/images.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-207197789742237547</id><published>2016-09-04T22:25:00.000-07:00</published><updated>2016-09-04T22:25:42.928-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="মাসলা-মাসায়েল"/><title type='text'>কোরবানি ও কোরবানির পশু সম্পর্কে কিছু জরুরি মাসলা মাসায়েল</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&amp;nbsp;কোরবানি হলো মুসলিম সমাজের ত্যাগের উৎসব। এ দিনে গোটা বিশ্বের মুসলমান হযরত ইবরাহীমের আদর্শে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গরু, ছাগল, উট, দুম্বা ও মহিষ কোরবানি দিয়ে থাকে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
একজন মুমিন তার জীবনের সব কিছু আল্লাহর রাহে কোরবানি করার ওয়াদা করেন পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে। সে কারণে ঈদুল আযহার বৈশিষ্ট্য ঈদুল ফিতর থেকে কিছুটা ভিন্নতর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg4JyJ-j-iFfB89dV47B2hTBvRsCt8pUq5PbUOk6uLq8oKeIPxP43UPoR2XED2Zfcs3acTUz6mmFP0MQOMx8iLZDJLuQfWkpwxQ38rbungPn_CZyYQmQOQpE5irZADvsMe1-YR6uOW1hOAx/s1600/Cow_korbani.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;263&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg4JyJ-j-iFfB89dV47B2hTBvRsCt8pUq5PbUOk6uLq8oKeIPxP43UPoR2XED2Zfcs3acTUz6mmFP0MQOMx8iLZDJLuQfWkpwxQ38rbungPn_CZyYQmQOQpE5irZADvsMe1-YR6uOW1hOAx/s400/Cow_korbani.jpg&quot; width=&quot;400&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যেসব&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশু&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দিয়ে কো&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;রবানি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দেয়া&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যাবে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, দুম্বা, উট ইত্যাদি পশু কোরবানি দেয়া যাবে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে এই যে, গরু, মহিষ কমপক্ষে দুই বছরের হতে হবে। ছাগল, ভেড়া, দুম্বা কমপক্ষে এক বছরের হতে হবে। উট কমপক্ষে পাঁচ বছরের হতে হবে। অবশ্য ছয় মাসের ভেড়া যদি দেখতে মোটাতাজা হয় এবং এক বছর বয়সের মনে হয় তাহলে তা দিয়ে কোরবানি বৈধ।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
যে পশুই কোরবানি দেয়া হোক না কেন তা হতে হবে সুস্থ ও সবল। কোরবানির পশু চয়নের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, এই পশুটি আল্লাহর দরবারে উপহার দেয়া হচ্ছে। তাই উৎকৃষ্ট পশু উপহার দেয়া উচিত। দুনিয়াতে আমরা কোনো উচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তির নিকট যদি কোন উপহার পাঠাই, তাহলে সবচে’ ভাল এবং উৎকৃষ্ট জিনিসটি পাঠাই। তাহলে মহান আল্লাহর নিকট পাঠানো জিনিস কেন উৎকৃষ্ট হবে না?&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশুর&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;মধ্যে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যেসব&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ত্রুটি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;থাকলে কোর&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;বানি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দেয়া&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যাবে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;না&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(১) যে পশুর দৃষ্টিশক্তি নেই। (২) যে পশুর শ্রবণশক্তি নেই। (৩) এই পরিমাণ লেংড়া যে, জবাই করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না। (৪) লেজের অধিকাংশ কাটা। (৫) কানের অধিকাংশ কাটা। (৬) অত্যন্ত দুর্বল, জীর্ণ-শীর্ণ প্রাণী। (৭) গোড়াসহ শিং উপড়ে গেছে। (৮) পশু এমন পাগল যে, ঘাস পানি ঠিকমত খায় না। মাঠেও ঠিকমত চরানো যায় না। (৯) জন্মগতভাবে কান নেই। (১০) দাঁত মোটেই নেই বা অধিকাংশ নেই। (১১) স্তনের প্রথমাংশ কাটা। (১২) রোগের কারণে স্তনের দুধ শুকিয়ে গেছে। (১৩) ছাগলের দুটি দুধের যে কোন একটি কাটা। (১৪) গরু বা মহিষের চারটি দুধের যেকোন দুটি কাটা। (১৫) জন্মগতভাবে একটি কান নেই।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশুর&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;মধ্যে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যেসব&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ত্রুটি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;থাকলে কোর&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;বানি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দেয়া&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যাবে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(তবে উত্তম হচ্ছে পরিপূর্ণ সুস্থ পশু দেয়া, ত্রুটিযুক্ত প্রাণী না দেয়া) (১) পশু পাগল, তবে ঘাস-পানি ঠিকমত খায়। (২) লেজ বা কানের কিছু অংশ কাটা, তবে অধিকাংশ আছে। (৩) জন্মগতভাবে শিং নেই। (৪) শিং আছে, তবে ভাংগা। (৫) কান আছে, তবে ছোট। (৬) পশুর একটি পা ভাংগা, তবে তিন পা দিয়ে সে চলতে পারে। (৭) পশুর গায়ে চর্মরোগ। (৮) কিছু দাঁত নেই, তবে অধিকাংশ আছে। স্বভাবগত এক অন্ডকোষ বিশিষ্ট পশু। (১০) পশু বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে বাচ্চা জন্মদানে অক্ষম। (১১) পুরুষাঙ্গ কেটে যাওয়ার কারণে সঙ্গমে অক্ষম।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;কতজন&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;মিলে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;একটি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশু কো&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;রবানি&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দিতে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পারবে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পশু শুধু এক ব্যক্তি কোরবানি দিতে পারবে। গরু, মহিষ, উট সর্বোচ্চ সাত ব্যক্তি মিলে কোরবানি দিতে পারবে। অনেকে মনে করে থাকে, কোরবানির পশুতে একাধিক শরীক থাকলে অংশ নির্ধারণ করতে হবে বেজোড় সংখ্যা হিসেবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
শরীক হতে হবে তিনজন, পাঁচজন বা সাতজন- এই ধারণা ঠিক নয়। সঠিক বিষয় হচ্ছে এই যে, এক থেকে সাত পর্যন্ত যে কোন অংশে পশুটিকে ভাগ করা যাবে। তাই দু’জন, তিনজন, চারজন, পাঁচজন, ছয়জন ও সাত ব্যক্তি মিলে একটি পশু কোরবানি&amp;nbsp;দিতে পারবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;একাধিক&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;শরীক&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;থাকলে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;করণীয়&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;একাধিক শরীক থাকলে লক্ষণীয় বিষয় এই যে, অংশহিসেবে ভাগ যেন যথার্থ হয়। প্রাপ্য অংশের চেয়ে কেউ যেন কম বা বেশি না পায়। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, কারো যেন নিয়তে গড়মিল না থাকে। কোন অংশীদারের যদি শুধু মাংস খাওয়া উদ্দেশ্য হয় তাহলে কারো কোরবানি হবে না। এজন্য কুরবানি শুদ্ধ হওয়ার জন্য সবার নিয়ত শুদ্ধ হওয়া জরুরি।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ভাল&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশু&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ক্রয়ের&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পর&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ত্রুটিযুক্ত&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;হয়ে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;গেলে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;কোরবানির উদ্দেশ্যে ভাল পশু ক্রয়ের পর যদি তা এই পরিমাণ ত্রুটিযুক্ত হয়ে যায়, যা দ্বারা কোরবানি জায়েজ হবে না তাহলে দেখতে হবে ক্রেতা ধনী না দরিদ্র? ক্রেতা যদি দরিদ্র হয় তাহলে সেই ত্রুটিযুক্ত পশু দিয়েই সে কোরবানি দিবে। আর যদি ক্রেতা ধনী হয়, তাহলে দ্বিতীয় আরেকটি পশু কিনে কোরবানি দিতে হবে। প্রথমটি দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হবে না। (ফতোয়ায়ে শামী, ৫ম খন্ড, ২৮৪ পৃষ্ঠা)&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশু&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;জবাই&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;করার&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;জন্য&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যেসব&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;শর্তঃ&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;ইসলামী শরীয়তে পশু জবাই করার জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে। (১) জবাইকারী ব্যক্তি মুসলমান হতে হবে। (২) জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে হবে।&amp;nbsp; (৩) পশুর খাদ্যনালী, শ্বাসনালী ও গলায় অবস্থিত অন্যান্য রগ ভালভাবে কাটতে হবে। (জাওয়াহিরুল ফিকহ, ২য় খন্ড, ৩৭৫ পৃষ্ঠা।)&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;জবাই&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;সংক্রান্ত&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;হাদীস&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(১) হযরত শাদ্দাদ ইবনে আউস (রাঃ) বলেন, প্রিয় নবী&amp;nbsp; (সা.) এরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহপাক সব কাজের মধ্যে উত্তম পদ্ধতি অবলম্বন করাকে অপধারিত করে দিয়েছেন। তাই বিচারবিভাগ কোন অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড দিলে তা কার্যকর করবে। আর যখন কোন পশু জবাই করবে তখন উত্তম পদ্ধতিতে জবাই করবে। (উত্তম পদ্ধতি হলো) ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে দ্রুত জবাইয়ের কাজ সম্পন্ন করবে, যাতে মৃত্যুযন্ত্রণা থেকে সে রক্ষা পায়। (বুখারী শরীফ)। (২) এক সাহাবী পশু শোয়ানোর পর ছুরি ধার দিচ্ছেলেন। হুজুর (সা.) দেখলেন এবং বললেন, তুমি প্রাণীটিকে একাধিকবার মৃত্যু দিতে চাচ্ছো।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;জবাই&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;করার&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;নিয়মাবলী&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(১) জবাই করার পূর্বে পশুকে ঘাস, পানি ইত্যাদি ভালভাবে খাওয়াতে হবে। কোরবানির প্রাণীকে ক্ষুধার্থ বা পিপাসার্ত রাখা অন্যায়। (২)&amp;nbsp; পশুকে কোরবানি করার স্থানে টেনে&amp;nbsp; হিঁচেড়ে নেয়া অন্যায়। (৩) জবাই করার জন্য পশুকে শোয়াতে হবে সহজ সুন্দরভাবে। কঠোরভাবে নয়। (৪) কেবলার দিকে ফিরিয়ে শোয়াতে হবে, বাম পার্শ্বের উপর। (৫) পশুর চার পায়ের মধ্যে তিনটি বাঁধবে। (৬) আগে থেকেই ছুরি ধারা দিয়ে রাখবে। ভোঁতা ছুরি দিয়ে জবাই করবে না। (৭) ছুরি যদি ধরাতে হয় তাহলে পশুর সামনে ধারাবে না। আড়ালে ধারাবে। (৮) কোরবানির পশু শোয়ানোর পর ছুরি ধারানো অন্যায়। বরং আগে থেকেই ধার দিয়ে নিবে (ফতোয়ায়ে রহীমিয়া, ১ম খন্ড, ৯৮ পৃষ্ঠা) (৯) গলায় জবাই করতে হবে। (১০) এমনভাবে জবাই করা যাবে না যাতে গলা পুরাপুরি&amp;nbsp; আলাদা হযে যায়। (১১) জবাই করার সময় ‘বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার’ বলতে হবে। (১২) যাতে দ্রুত জবাই হয়ে যায় এবং পশুর কষ্ট কম হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। (১৩) একটি পশুকে আরেকটি পশুর সামনে জবাই না করা ভাল। (১৪) পশুর প্রাণ বের হওয়ার পূর্বে চামড়া খসানোর কাজ শুরু না করা।&amp;nbsp; (১৬) ঘাড়ের দিক থেকে জবাই করা যাবে না। (১৭) বিখ্যাত সাহাবী হযরত ইবনে আববাস রা. এর মত অনুযায়ী ঘাড়ের দিকে থেকে জবাইকৃত পশুর গোশত খাওয়া বৈধ নয়। (জাওয়াহিরুল ফিক্হ, ২য় খন্ড, ২৭৩ পৃষ্ঠা)&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;জবাইয়ের&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;সময়&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;বিভিন্ন&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দোয়া&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(১) কোরবানির পশু কেবলার দিকে ফিরিয়ে শোয়ানোর পর এই আয়াত পড়বে : ‘ইন্নি ওয়াজ জাহতু ওয়াজ হিয়া লিল্লাযি ফাতারাছ ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাও ওয়ামা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহ ইয়ায়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রাবিবল আলামিন। লা শারীকা লাহু ওয়া বিজালিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমিন’।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
অর্থ নিশ্চয় আমি দৃঢ়ভাবে সেই মহান সত্তার অভিমুখী হলাম, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই। নিশ্চয় আমার নামায, আমার কোরবানি, আমার জীবন, আমার মরণ সবই বিশ্ব প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্যে নিবেদিত। তার কোন শরীক নেই। আমি একাজের জন্য আদিষ্ট হয়েছি এবং (আল্লাহর কাছে) আত্মসমর্পণকারীদের একজন। (২) জবাই করার সময় এই দোয়া পড়বে : ‘আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা’ অর্থ : হে আল্লাহ! (এই কোরবানির পশু) তোমার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত এবং তোমারই জন্য উৎসর্গকৃত। এরপর ‘বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার’ পড়বে। (অর্থ : মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি। আল্লাহ সবচেয়ে বড়।) (৩) জবাই করার পর এই দোয়া পড়বে : ‘আল্লাহুম্মা তাকাববালহু মিন্নি কামা তাকাববালতা মিন হাবিবিকা মুহাম্মাদিন ওয়া খলিলিকা ইব্রাহিমা আলাইহিমাস সালাম’।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! এই কোরবানিটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন, আপনি যেরূপভাবে তা কবুল করেছিলেন আপনার প্রিয় বন্ধুদ্বয় মুহাম্মদ (সা.) ও ইব্রাহিম (আ.)-এর পক্ষ থেকে’ (মেশকাত শরীফ, ১ম খন্ড, ১২৮ পৃষ্ঠা)। প্রিয় পাঠ! পশু সংক্রান্ত যেসব বিষয় আমরা জানলাম, আল্লাহপাক যেন আমাদের সবাইকে এর ওপর আমল করার তৌফিক দান করেন। আমিন।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;কোরবানির&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশুর&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;গোস্ত&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;বণ্টন&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;ও&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;চামড়া&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;সম্পর্কিত&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;মাসায়েল&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;প্রতি বছর আমরা পশু কোরবানি করে থাকি। গোস্ত নিজেরা খাই এবং অন্যকে দেই। চামড়া বিক্রি করে গরীবদের মাঝে সে অর্থ বিলিয়ে দেই। এ বিষয়ে ইসলামের দিকনির্দেশনা পুরোপুরিভাবে আমরা অনেকেই জানি না। তাই প্রথমেই গোস্ত বণ্টন সম্পর্কে শরীয়তের বিধান জেনে নেই। এরপর চামড়া সংক্রান্ত বিষয়ে ইসলামের বিধান জেনে নেব।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
(১) কোরবানির পশুর গোস্ত তিন ভাগ করে এক ভাগ গরীব মানুষকে, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীকে দিবে। বাকি এক ভাগ নিজে খাবে। (২) আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশী গোস্ত নিতে আসবে এই অপেক্ষা না করে নিজ দায়িত্বে তাদের ঘরে গোস্ত পৌঁছে দেয়া উচিত। (৩) যদি একাধিক শরীক থাকে তাহলে গোস্ত ভাগ করবে ওজন করে। অনুমান বা আন্দাজ করে নয়। কারণ অনুমান করে ভাগ করলে বেশকম হতে পারে, যা গুণাহের কারণ। (৪) যে কসাই গোস্ত তৈরি করে দিবে তাকে আলাদাভাবে কাজের জন্য মজুরি দিতে হবে। মজুরি হিসেবে কোরবানির গোস্ত দেয়া জায়েজ নেই। তার প্রাপ্য মজুরি দেয়ার পর লিল্লাহ গোস্ত আলাদা দেবে। (৫) কারো ভাগে যদি পায়া, ক্ষুর, মাথা বা কোন হাড্ডি বেশি যায় তাহলে তার অংশ থেকে গোস্ত একটু কমিয়ে দিতে হবে। যেন গড়ে সমান হয়। (৬) কোরবানি যেহেতু আল্লাহর জন্য করা হয়, তাই এতে নিজে ভোগ করার চেয়ে গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা বেশি করা উচিত। (৭) কোরবানির গোস্ত নিজে খাবে, অন্যকে খাওয়াবে, যতদিন ইচ্ছা রেখে খাওয়া যায়, এতে কোন বাধা নেই। (৮) পশুর রশি ও গলার মালা ইত্যাদি দান করে দিতে হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;চামড়া&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;সংক্রান্ত&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;&amp;nbsp;(১) কোরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করতে পারবে। (২) গোস্তের মতো অন্যকে উপহারও দিতে পারবে। (৩) উত্তম হচ্ছে পশুর চামড়া কোন মাদরাসার পরিচালককে উপহার দিয়ে দেয়া। তাহলে তিনি এটা বিক্রি করে মাদরাসার যে কোন কাজে লাগাতে পারবেন। উল্লেখ্য, বর্তমান পৃথিবীতে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হলো মাদরাসা। তাই মাদরাসায় আর্থিক সহায়তা করা সব মুসলমানের দায়িত্ব। কোরবানির পশুর চামড়া দানের মাধ্যমে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারি। (৪) চামড়া যদি বিক্রি করা হয় তাহলে তার মূল্য অবশ্যই গরীব মানুষের মধ্যে দান করে দিতে হবে। নিজে ব্যবহার করা যাবে না। (৫) চেষ্টা করা উচিত চামড়ার টাকা পরিবর্তন না করে হুবহু দান করে দিতে। (৬) চামড়া সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির চেয়ে কোনো মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে বিক্রি করা উত্তম। কারণ তারা এ থেকে উপার্জিত সম্পূর্ণ অর্থ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;কোরবানির&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;সাথে&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;আকিকা&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;দেয়া&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;যায়&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;কিনা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;&amp;nbsp;:&lt;/span&gt;কোরবানির সাথে আকিকা দেয়া যায়। এতে কোন সমস্যা নেই। কোরবানির গোস্তের মতো আকিকার গোস্তও নিজে খেতে পারবে, অপরকে খাওয়াতে পারবে, দিতেও পারবে। ছেলের আকিকা হলে দুইটি ছাগল অথবা গরুতে দুই শরীক এবং মেয়ের আকিকা হলে একটি ছাগল অথবা গরুতে এক শরীক দিতে হবে। যেমন একটি হাদীসে এসেছে, বিখ্যাত সাহাবী হযরত আমর ইবনে শোয়াইব (রা.) বলেন, প্রিয় নবী (সা.) বলেন, যার সন্তান হয় সে যদি চায় আকিকা দিতে, তাহলে ছেলে সন্তান হলে দুটি ছাগল এবং মেয়ে সন্তান হলে একটি ছাগল আকিকা দিবে। আবু দাউদ, নাসায়ী।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
প্রিয় পাঠক! এখানে একটি ভুল ধারণার অবসান হওয়া উচিত। কেউ মনে করতে পারে, এখানে মেয়ে সন্তান হলে মাত্র একটি ছাগল দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আর ছেলে হলে দুটি। এতে করে ছেলেদের মর্যাদা বেশি দেয়া হয়েছে। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনভাবেই ছেলের মর্যাদা বেশি দেয়া হয়নি। কারণ, আকিকা দেয়া হয় সন্তানের উপর থেকে বিপদ আপদ যেন দূর হয়ে যায় এই উদ্দেশ্যে। সাধারণত ছেলে সন্তানের উপর বিপদ আপদ বেশি আসে এবং মেয়ে সন্তানের উপর কম আসে। তাই আল্লাহর রাসূল (সা.) ছেলের জন্য দুই এবং মেয়ের জন্য একটি ছাগল আকিকা দিতে বলেছেন। এখানে আরেকটি বিষয় জানা জরুরি। তা এই যে, যদি কারো ছেলে সন্তান হয় এবং তার দুটি ছাগল আকিকা দেয়ার সামর্থ না থাকে তাহলে একটি ছাগল দিলেই হবে। অনুরূপভাবে গরু-মহিষে দুই শরীক দিতে সক্ষম না হলে এক শরীক দিলেও চলবে।&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;background-color: white; box-sizing: border-box; color: #666666; font-family: kalpurushregular, arial, sans-serif; font-size: 14px; line-height: 19.6px; margin-bottom: 26px; padding: 0px; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;box-sizing: border-box; font-weight: 700;&quot;&gt;পশু কোরবানির সাথে পশুত্বের কোরবানি করতে হবে :&lt;/span&gt;&amp;nbsp;আমরা মানুষ। আমাদের মধ্যে যেমন ফেরেশতার স্বভাব আছে তেমনি পশুর স্বভাবও আছে। মানুষের মধ্যে যত ভালো গুণ রয়েছে, সেগুলো হলো-ফেরেশতার স্বভাব। আর হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, অন্যায়ভাবে কারো উপর আক্রমণ করা, মানুষের ধন-সম্পদ অবৈধভাবে দখল করা, কারো অধিকার কেড়ে নেয়া ইত্যাদি হলো পশুর স্বভাব। পবিত্র কোরবানি ঈদে আমরা পশু কোরবানী করে থাকি। কোরবানির মূল ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এই উপলক্ষে অর্জিত তাকওয়া বা আল্লাহভীতি দ্বারা নিজের পশু স্বভাবকে কোরবানি করি না। তাই আমাদের সমাজ থেকে অন্যায় অবিচার দূর হয় না। যদি পশু কোরবানির সাথে সাথে আমরা নিজেদের পশুস্বভাবকেও কোরবানি করতে পারি, তবেই আমাদের সমাজ হবে সুখময়, শান্তিময় ও আনন্দময়। আল্লাহর রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের আমলে মানুষ যেরূপ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে জীবন যাপন করেছে, অনুরূপ পবিত্র স্বভাবের অধিকারী হয়ে আজও সেরূপ শান্তি ও নিরাপত্তা আমরা লাভ করতে পারি। এ জন্যে আমাদেরকে সাহাবায়ে কেরামের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। তাদের মাঝে ছিল সব উত্তম গুণাবলী। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর মহা ত্যাগের মহা স্মৃতি পবিত্র কুরবানি অনুষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা দ্বারা আমরা যাতে নিজেদের চরিত্র গঠন করতে পারি, আল্লাহ আমাদের সেই তওফিক দিন। এটাই একমাত্র কামনা।&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/207197789742237547/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/09/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/207197789742237547'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/207197789742237547'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/09/blog-post.html' title='কোরবানি ও কোরবানির পশু সম্পর্কে কিছু জরুরি মাসলা মাসায়েল'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg4JyJ-j-iFfB89dV47B2hTBvRsCt8pUq5PbUOk6uLq8oKeIPxP43UPoR2XED2Zfcs3acTUz6mmFP0MQOMx8iLZDJLuQfWkpwxQ38rbungPn_CZyYQmQOQpE5irZADvsMe1-YR6uOW1hOAx/s72-c/Cow_korbani.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-2630173239286089155</id><published>2016-04-03T22:31:00.000-07:00</published><updated>2017-04-14T00:29:29.166-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><title type='text'>ইসলামের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখ তথা নববর্ষ পালন করা কি জায়েজ?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhRPvUSVt_jpc_IeP1oAtzsRvrVTmXHndS4krzH8AlmYYyE4AgmhCro_QQOC0O54qOt5eqpuo61s9USqiTmc-6OFlosPIfmHGhM6OvIo8h6RgTq8K0Ml2E_gl7bOeDjQY3AEzfNHMJuJg6Y/s320/Z.jpg&quot; /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
উৎসব ধর্ম পালনের অংশঃ&lt;/div&gt;
উৎসব সাধারণত একটি জাতির ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে সম্পৃক্ত হয়। উৎসবের উপলক্ষ্যগুলো খোঁজ করলে পাওয়া যাবে তাতে রয়েছে উৎসব পালনকারী জাতির ধমনীতে প্রবাহিত ধর্মীয় বিশ্বাস, ধর্মীয় অনুভূতি, ধর্মীয় সংস্কার ও ধর্মীয় ধ্যান-ধারণার ছোঁয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
উদাহরণস্বরূপ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বড় দিন তাদের বিশ্বাসমতে স্রষ্টার পুত্রের জন্মদিন। মধ্যযুগে ইউরোপীয় দেশগুলোতে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নববর্ষ পালিত হতো ২৫শে মার্চ, এবং তা পালনের উপলক্ষ্য ছিল, ঐ দিন খ্রিষ্টীয় মতবাদ অনুযায়ী মাতা মেরীর নিকট এ মর্মে ঐশী বাণী প্রেরিত হয় যে, মেরী ঈশ্বরের পুত্র জন্ম দিতে যাচ্ছেন। পরবর্তীতে ১৫৮২ সালে গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডারের সূচনার পর রোমক ক্যাথলিক দেশগুলো পয়লা জানুয়ারী নববর্ষ উদযাপন করা আরম্ভ করে। ঐতিহ্যগতভাবে এ দিনটি একটি ধর্মীয় উৎসব হিসেবেই পালিত হত। ইহুদীদের নববর্ষ ‘রোশ হাশানাহ’ ওল্ড টেস্টামেন্টে বর্ণিত ইহুদীদের ধর্মীয় পবিত্র দিন ‘সাবাত’ হিসেবে পালিত হয়। এমনিভাবে প্রায় সকল জাতির উৎসব-উপলরে মাঝেই ধর্মীয় চিন্তা-ধারা খুঁজে পাওয়া যাবে। আর এজন্যই ইসলামের নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরিষ্কারভাবে মুসলিমদের উৎসবকে নির্ধারণ করেছেন। ফলে অন্যদের উৎসব মুসলিমদের সংস্কৃতিতে প্রবেশের কোন সুযোগ নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
&quot;প্রত্যেক জাতির নিজস্ব উৎসব রয়েছে, আর এটা আমাদের ঈদ।” [বুখারী: ৯৫২; মুসলিম: ৮৯২]&amp;nbsp;&lt;/blockquote&gt;
বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. এ সম্পর্কে বলেন: “উৎসব-অনুষ্ঠান ধর্মীয় বিধান, সুস্পষ্ট পথনির্দেশ এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেরই একটি অংশ, যা সম্পর্কে আল্লাহ বলেন: &lt;br /&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
‘তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই আমি একটি নির্দিষ্ট বিধান এবং সুস্পষ্ট পথ নির্ধারণ করেছি।’ (সূরা আল-মায়িদাহ, ৫:৪৮) &lt;/blockquote&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
‘প্রতিটি জাতির জন্য আমি অনুষ্ঠান [সময় ও স্থান] নির্দিষ্ট করে দিয়েছি যা তাদেরকে পালন করতে হয়।’ (সূরা আল-হাজ্জ্ব, ২২:৬৭)&amp;nbsp;&lt;/blockquote&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
অতএব, অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া এবং তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার কোন সুযোগ কুরআন অনুসারী কোন মুসলমানের জন্য নেই। তাদের উৎসব-অনুষ্ঠানের সাথে একমত পোষণ করার অর্থ কুফরের সাথে একমত পোষণ করা। আর এসবের একাংশের সাথে একমত পোষণ করার অর্থ কুফরের শাখাবিশেষের সাথে একমত হওয়া। উৎসব-অনুষ্ঠানাদি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। উৎসব দ্বারা ধর্মগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়। নিঃসন্দেহে তাদের সাথে এসব অনুষ্ঠান পালনে যোগ দেয়া একজন মুসলমানকে কুফরের দিকে নিয়ে যেতে পারে। আর বাহ্যিকভাবে এগুলোতে অংশ নেয়া নিঃসন্দেহে পাপ। উৎসব অনুষ্ঠান যে প্রতিটি জাতির স্বকীয় বৈশিষ্ট্য, এর প্রতি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরিষ্কার ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেছেন: ‘প্রত্যেক জাতির নিজস্ব উৎসব রয়েছে। আর এটা আমাদের ঈদ।’ এছাড়া আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন [মদীনায়] আসলেন, তখন তাদের দুটো উৎসবের দিন ছিল। তিনি (সা.) বললেন, ‘এ দুটো দিনের তাৎপর্য কি?’ তারা বলল, ‘জাহিলিয়াতের যুগে আমরা এ দুটো দিনে উৎসব করতাম।’ রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘এ দিনগুলোর পরিবর্তে আল্লাহ তোমাদের উত্তম কিছু দিন দিয়েছেন: কুরবানীর ঈদ ও রোযার ঈদ ।’&amp;nbsp;(সূনান আবু দাউদ) এ হাদীস থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ইসলাম আগমনের পর ইসলাম বহির্ভূত সকল উৎসবকে বাতিল করে দেয়া হয়েছে এবং নতুনভাবে উৎসবের জন্য দুটো দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সাথে অমুসলিমদের অনুসরণে যাবতীয় উৎসব পালনের পথকে বন্ধ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
নববর্ষ উদযাপন সম্পর্কে ইসলামের চেতনাঃ&lt;br /&gt;
ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর দাদা তাঁর পিতাকে পারস্যের নওরোযের দিন (নববর্ষের দিন) আলী রা.-এর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং কিছু হাদিয়াও পেশ করেছিলেন। (হাদিয়াটি ছিল নওরোয উপল্েয। ফলে) আলী রা. বললেন, ‘‘নওরোযুনা কুল্লা ইয়াওম’’ মুমিনের প্রতিটি দিনই তো নববর্ষ। (আখবারু আবি হানিফা,সয়মারী) অর্থাৎ মুমিন প্রতিদিনই তার আমলের হিসাব নিকাশ করবে এবং নব উদ্যমে আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহ করবে। ইসলামের চতুর্থ খলীফা হযরত আলীর (র.) এ ফতোয়া দ্বারা সুস্পষ্ট ভাবে প্রতিয়মান হচ্ছে যে, নববর্ষ উপল্েয পরষ্পরে উপহার বা প্রেজেন্টশন আদান প্রদান এবং শুভেচ্ছা বিনিময় নাজায়িয।&lt;br /&gt;
নতুন বছর নতুন কল্যাণ বয়ে আনে, দূরীভূত হয় পুরোনো কষ্ট ও ব্যর্থতার গ্লানি – এধরনের কোন তত্ত্ব ইসলামে আদৌ সমর্থিত নয়, বরং নতুন বছরের সাথে কল্যাণের শুভাগমনের ধারণা আদিযুগের প্রকৃতি-পুজারী মানুষের কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধ্যান-ধারণার অবশিষ্টাংশ। এ ধরনের কুসংস্কারের কোন স্থান ইসলামে নেই। বরং মুসলিমের জীবনে প্রতিটি মুহূর্তই পরম মূল্যবান হীরকখন্ড, হয় সে এই মুহূর্তকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যয় করে আখিরাতের পাথেয় সঞ্চয় করবে, নতুবা আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়ে শাস্তির যোগ্য হয়ে উঠবে। তাই এক জন মুসলমানের কাছে বছরের প্রথম দিনের কোন বিশেষ কোন গুরুত্ব ও তাৎপর্য নেই। আর এ চেতনা ও বিশ্বাস থেকেই তো ইসলামে হিজরী নববর্ষ পালনের কোন প্রকার নির্দেশ দেয়া হয়নি। না কুরআনে এর কোন নির্দেশ এসেছে, না হাদীসে এর প্রতি কোন উৎসাহ দেয়া হয়েছে, না সাহাবীগণ এরূপ কোন উপল্য পালন করেছেন। এ থেকে বোঝা যায় যে, নববর্ষ ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা তাৎপর্যহীন। এর সাথে জীবনে কল্যাণ-অকল্যাণের গতিপ্রবাহের কোন দূরতম সম্পর্কও নেই। আর সেেেত্র বাংলা নববর্ষের কি-ই বা তাৎপর্য থাকতে পারে ইসলামে? কেউ যদি এ ধারণা পোষণ করে যে, নববর্ষের প্রারম্ভের সাথে কল্যাণের কোন সম্পর্ক রয়েছে, তবে সে শিরকে লিপ্ত হল, অর্থাৎ আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করল। যদি সে মনে করে যে, আল্লাহ এই উপল্য দ্বারা মানবজীবনে কল্যাণ বর্ষণ করেন, তবে সে ছোট শিরকে লিপ্ত হল। আর কেউ যদি মনে করে যে নববর্ষের আগমনের এই ণটি নিজে থেকেই কোন কল্যাণের অধিকারী, তবে সে বড় শিরকে লিপ্ত হল। সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে যে, তার এ শিরকী বিশ্বাস তাকে ইসলামের গন্ডীর বাইরে নিয়ে যাবে। আর শিরক এমন অপরাধ যে, শিরকের ওপর কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে চিরতরে হারাম করে দেবেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন:&lt;br /&gt;
&lt;blockquote class=&quot;tr_bq&quot;&gt;
“নিশ্চয়ই যে কাউকে&amp;nbsp;আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দিয়েছেন, আর তার বাসস্থান হবে অগ্নি।” (আল-মায়িদাহ, ৫:৭২)&amp;nbsp;&lt;/blockquote&gt;
&amp;nbsp;ইদানিং পহেলা বৈশাখ উদযাপনের পদ্ধতিগুলো দেখলে প্রতীয়মান হয়, তারা বিশ্বাস করে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সাথে মঙ্গলময়তার সম্পর্ক রয়েছে। যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়। মুসলিমদেরকে এ ধরনের কুসংস্কার ঝেড়ে ফেলে ইসলামের যে মূলতত্ত্ব সেই তাওহীদ বা একত্ববাদের ওপর পরিপূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হিন্দু ধর্মের বৈশিষ্ট্য ধারণঃ&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নামে যা যা হয়ে থাকে ওগুলো শত ভাগ হিন্দু ধর্ম চর্চা ছাড়া আর কিছু নয়। বৈশাখের ১তারিখ হিন্দুদের একটি মৌলিক ধর্মীয় উৎসবের দিন। এর আগের দিন তাদের চৈত্র সংক্রান্তি। আর পহেলা বৈশাখ হল ঘট পূজার দিন। তারা ঐ দিনে গণেশের পূজা করে। গণেশের বিভিন্ন মূর্তি তৈরি করে মঙ্গল শেভাযাত্রা করে। ভিন্ন ধর্মের উৎসবের দিনকে সার্বজনীনতার নামে এক জন মুসলমান কিভাবে নিজের উৎসবের দিন বানাতে পারে? গত ১৪ এপ্রিল ২০১৩ দৈনিক সমকালে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব ও প্রাবান্ধিক মুকুল দাসের একটি লেখা ছাপা হয়। লেখাটির শিরোনাম ছিল “বর্ণ-বিবর্ণ স্মৃতিরেখা”। তিনি এ লেখাতে তার শৈশবের পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে লিখেছেন। তিনি লিখেন, “ছেলেবেলার পহেলা বৈশাখের স্মৃতি এখনও ধূসর হয়ে ওঠেনি। … মনে পড়ে পহেলা বৈশাখের ভোরেই নতুন জামা-কাপড় গায়ে উঠত। … চৈত্রসংক্রান্তিতে হাটখোলায় বিরাট মেলা বসত। মেলা থেকে কেনা হতো সিদ্ধিদাতা গণেশের পট। সকাল ১০টা বাজার সমঙ্গ সঙ্গেই গণেশ পূজার আয়োজন করা হতো। পিএম বাগচীর পঞ্জিকা মতে, খেরো খাতায় পঞ্চম জর্জে মাথার সিঁদুররঞ্জিত ছাপ পড়ত। কাঁচা হলুদ দিয়ে লিখা হতো ‘শ্রী শ্রী সিদ্ধিদাতা গনেশায় নমঃ’। ফল-মিষ্টির উপচার সাজিয়ে পুরুত মশাই মন্ত্রোচ্চারণ করতেন। ঢাকি ঢাক বাজাত। পূজা শেষে প্রসাদ খেতাম।” উক্ত প্রবন্ধের শেষের দিকে এসে জনাব মুকুল দাস সাহেব তার বর্তমানের ১লা বৈশাখ উদযাপনের দৃশ্য লেখতে যেয়ে লিখেন, “জীবন থেকে হারিয়ে গেছে শৈশবের পহেলা বৈশাখ, যা আর কোন দিন ফিরে পাব না। … তবুও এখন পহেলা বৈশাখের … শোভাযাত্রা শেষ করে বাসায় ফিরে দেখি গৃহলী কালীবাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। হাতে পূজার থালা।” তার এ স্মৃতিচারণ মূলক লেখা থেকে সুষ্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বহুকাল থেকে এখনো পর্যন্ত হিন্দুদের কাছে ১লা বৈশাখ ধর্মীয় উৎসবের দিন।&lt;br /&gt;
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য যে সকল কর্মসূচি থাকে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালনো, মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা, ঢাক বাজানো, উলু ধ্বনি দেওয়া, বট গাছের তলায় জমায়েত। আবার এ শোভাযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ থাকে বিভিন্ন পশু-পাখির মূর্তি ও মুখোস। উল্লেখিত প্রতিটি কাজ হিন্দুদের ধর্ম বিশ্বাস ও ধর্ম চর্চার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কল্যাণ প্রার্থনার পদ্ধতিতে আমরা মুসলমানরাও কী কল্যাণ প্রার্থনা করব? তাদের ধর্ম মতে দেব-দেবীদের বিভিন্ন বাহন রয়েছে। যেমন: লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা, সরস্বতীর বাহন রাজহাঁস, গণেশের বাহন ইঁদুর, দুর্গার বাহন সিংহ, মনসার বাহন সাপ, কার্ত্তিকের বাহন ময়ূর, মহাদেবের বাহন ষাড়, যমরাজের বাহন কুকুর, ইন্দ্রের বাহন হাতি, ব্রক্ষ্মার বাহন পাতিহাঁস, বিশ্বকর্মার বাহন ঢেকি, শীতলার গাধা ইত্যাদি। আর যেহেতু যানবাহন ছাড়া দেব-দেবীদের আগমন-প্রস্থান সম্ভব নয়, অতএব, তাদের পূজাতে, তাদের শোভাযাত্রাতে দেব-দেবীদের যান-বাহনের পূজাও করতে হয়। আমরা মুসলমানরা কেন নববর্ষ উদযাপনের নামে ওদের দেব-দেবীর পিছনে ও দেব-দেবীদের যানবাহনের মূর্তির পিছনে পিছনে ঘোরব? আশরাফুল মাখলূকাত হয়ে পেঁচা, হনুমান, সিংহ, ষাঁড়, হাতি ইত্যাদি জান্তু-জানোয়ারের মুখোস আমাদের মুখে লাগিয়ে মানব জাতির অপমান কেন করব?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূর্যকে স্বাগত জানানো ও বৈশাখকে সম্বোধন করে স্বাগত জানানোঃ&lt;br /&gt;
নববর্ষ উদযাপনের আর এক কর্মসূচি থাকে বছরের প্রথম প্রহরে প্রথম সূর্যকে স্বাগত জানানো ও রবি ঠাকুর রচিত বৈশাখ গান গাওয়া। এ ধরনের কর্মকান্ড মূলত সূর্য-পূজারী ও প্রকৃতি-পূজারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুকরণ মাত্র। যা আধুনিক মানুষের দৃষ্টিতে পুনরায় শোভনীয় হয়ে উঠেছে। সূর্য ও প্রকৃতির পূজা বহু প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন জাতির লোকেরা করে এসেছে। যেমন খ্রিষ্টপূর্ব ১৪ শতকে মিশরীয় “অ্যাটোনিসম” মতবাদে সূর্যের উপাসনা চলত। এমনিভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় এবং মেসো-আমেরিকান সংস্কৃতিতে সূর্য পূজারীদেরকে পাওয়া যাবে। ১৯ শতাব্দীর উত্তর-আমেরিকায় কিছু সম্প্রদায় গ্রীষ্মের প্রাক্কালে পালন করত সৌর-নৃত্য এবং এই উৎসব উপলে পৌত্তলিক প্রকৃতি পূজারীরা তাদের ধর্মীয়-বিশ্বাসের পুনর্ঘোষণা দিত। মানুষের ভক্তি ও ভালবাসাকে প্রকৃতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টির প্রতি আবদ্ধ করে তাদেরকে শিরক বা অংশীদারিত্বে লিপ্ত করানো শয়তানের সুপ্রাচীন “কাসিকাল ট্রিক” বলা চলে। শয়তানের এই কূটচালের বর্ণনা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা কুরআনে তুলে ধরেছেন:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূর্যকে স্বাগত জানানো ও বৈশাখকে সম্বোধন করে স্বাগত জানানো:
নববর্ষ উদযাপনের আর এক কর্মসূচি থাকে বছরের প্রথম প্রহরে প্রথম সূর্যকে স্বাগত জানানো ও রবি ঠাকুর রচিত বৈশাখ গান গাওয়া। এ ধরনের কর্মকান্ড মূলত সূর্য-পূজারী ও প্রকৃতি-পূজারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুকরণ মাত্র। যা আধুনিক মানুষের দৃষ্টিতে পুনরায় শোভনীয় হয়ে উঠেছে। সূর্য ও প্রকৃতির পূজা বহু প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন জাতির লোকেরা করে এসেছে। যেমন খ্রিষ্টপূর্ব ১৪ শতকে মিশরীয় “অ্যাটোনিসম” মতবাদে সূর্যের উপাসনা চলত। এমনিভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় এবং মেসো-আমেরিকান সংস্কৃতিতে সূর্য পূজারীদেরকে পাওয়া যাবে। ১৯ শতাব্দীর উত্তর-আমেরিকায় কিছু সম্প্রদায় গ্রীষ্মের প্রাক্কালে পালন করত সৌর-নৃত্য এবং এই উৎসব উপলে পৌত্তলিক প্রকৃতি পূজারীরা তাদের ধর্মীয়-বিশ্বাসের পুনর্ঘোষণা দিত। মানুষের ভক্তি ও ভালবাসাকে প্রকৃতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টির প্রতি আবদ্ধ করে তাদেরকে শিরক বা অংশীদারিত্বে লিপ্ত করানো শয়তানের সুপ্রাচীন “কাসিকাল ট্রিক” বলা চলে। শয়তানের এই কূটচালের বর্ণনা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা কুরআনে তুলে ধরেছেন:
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
“আমি তাকে ও তার জাতিকে দেখেছি, তারা আল্লাহকে ছেড়ে সূর্যকে সিজদা করছে এবং শয়তান তাদের কার্যাবলীকে তাদের জন্য শোভনীয় করেছে…” (সূরা আল নামল, ২৭:২৪) &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
বাংলা নববর্ষ উদযাপনে গানগেয়ে বৈশাখী সূর্যকে স্বাগত জানানো, আর কুরআনে বর্ণিত প্রাচীন জাতির সূর্যকে সিজদা করা, আর উত্তর আমেরিকার আদিবাসীদের সৌর-নৃত্য এগুলোর মধ্যে চেতনা ও বিশ্বাসগত কোন পার্থক্য নেই, বরং এ সবই স্রষ্টার দিক থেকে মানুষকে অমনোযোগী করে সৃষ্টির আরাধনার প্রতি তার আকর্ষণ জাগিয়ে তোলার শয়তানী উদ্যোগ। বিশ্ব কবি তার ধর্ম বিশ্বাস থেকে তার বৈশাখ কবিতাতে ভৈরব রুদ্র বৈশাখের কাছে মিনতি করে অনেক কিছু চেয়েছেন। সেটা তার ধর্ম বিশ্বাস। কিন্তু এক জন মুসলমান কিভাবে নিজ ধর্ম বিশ্বাসকে এড়িয়ে যেয়ে কবির কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে কিছু চায়?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
নর-নারীর অবাধ মেলামেশাঃ&lt;br /&gt;
পহেলা বৈশাখ বা অন্য কোনো উপল্েয ছেলে-মেয়েদের বেপর্দা ও বেহায়পনার সুযোগ দিবেন না। অবাধ মেলামেশার সুযোগ দিবেন না। তাদেরকে বুঝান ও নিয়ন্ত্রণ করুন। আপনি মসজিদে নামায আদায় করছেন আর আপনার ছেলে-মেয়ে পহেলা বৈশাখের নামে বেহায়াভাবে শোভাযাত্রা, মিছিল বা উৎসব করে বেড়াচ্ছে। আপনার ছেলে-মেয়ের পাপের জন্য আপনার আমলনামায় গোনাহ জমা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়। অন্য পাপ আর অশ্লীলতার পার্থক্য হলো, যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-সন্তানদের বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার সুযোগ দেয় তাকে ‘‘দাইউস’’ বলে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা তিন ব্যক্তির জন্য জান্নাত হারাম করেছেন। মাদকাসক্ত, পিতা-মাতার অবাধ্য এবং দাইউস, যে তার পরিবারের মধ্যে ব্যভিচারকে প্রশ্রয় দেয়”। (মুসনাদে আহমাদ: ২/৬৯) ব্যবসায়িক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা সামাজিক কোনো স্বার্থে অনেক মুসলিম পহেলা বৈশাখ উপল্েয ছেলে-মেয়েদের অবাধ মেলা-মেশা ও বেহায়াপনার পথ খুলে দেওয়ার জন্য মিছিল, শোভাযাত্রা, মেলা ইত্যাদির পে অবস্থান নেন। মনে রাখবেন, আপনার দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য এরচেয়ে ভয়ঙ্কর আর কিছুই হতে পারে না। অশ্লীলতা প্রসারের ভয়ঙ্কর পাপ ছাড়াও ভয়ঙ্কর শাস্তির কথা শুনুনঃ ‘‘যারা চায় যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রচার ঘটুক তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর আল্লাহ জানেন যা তোমরা জান না।’’ (সূরা ২৪ নূর: ১৯ আয়াত) ব্যভিচারের প্রতি আহবান জানানো শয়তানের কাসিকাল ট্রিকগুলোর একটি। যেটাকে কুরআনে “ফাহিশাহ” শব্দের আওতায় আলোচনা করা হয়েছে। শয়তানের এ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:&amp;nbsp;“হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র বস্তু আছে তা থেকে তোমরা আহার কর আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্র“। সে তো তোমাদের নির্দেশ দেয় মন্দ ও অশ্লীল কাজ [ব্যভিচার, অবাধ মেলামেশা, মদ্যপান, হত্যা ইত্যাদি] করতে এবং আল্লাহ সম্বন্ধে (ইসলাম সম্বন্ধে) এমন সব বিষয় বলতে যা তোমরা জান না।” (সূরা বাক্বারাহ্, ২:১৬৮-১৬৯) এছাড়া যা কিছুই মানুষকে ব্যভিচারের দিকে প্রলুব্ধ ও উদ্যোগী করতে পারে, তার সবগুলোকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে কুরআনের নিম্নলিখিত আয়াতের দ্বারা: “তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। অবশ্যই এটা অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পন্থা।” (সূরা আল ইসরা, ১৭:৩২) ব্যভিচারকে উৎসাহিত করে এমন বিষয়, পরিবেশ, কথা ও কাজ এ আয়াত দ্বারা নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। আমাদের কর্তব্য অন্তর থেকে ব্যভিচারকে এবং ব্যাভিচারের প্রতি প্ররোচনা দানকারী সব কিছুর চর্চাকে ঘৃণা করা। এ ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন: “…চোখের যিনা হচ্ছে তাকানো, জিহ্বার যিনা হচ্ছে কথা বলা, অন্তর তা কামনা করে এবং পরিশেষে যৌনাঙ্গ একে বাস্তবায়ন করে অথবা প্রত্যাখ্যান করে।” [বুখারী:৬২৪৩; মুসলিম: ২৬৫৭] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেখা, ছোঁয়া, শোনা ও কথার দ্বারা সংঘটিত যিনাই মূল ব্যভিচার সংঘটিত হওয়াকে বাস্তব রূপ দান করে। তাই জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এমন সকল স্থান থেকে শতহাত দূরে থাকা কর্তব্য, যে সকল স্থানে দেখা, ছোঁয়া, শোনা ও কথার ব্যভিচারের সুযোগকে উন্মুক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
বাদ্য যন্ত্রের ব্যবহারঃ&lt;br /&gt;
নববর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত থাকে সংগীত ও বাদ্য। রাসূলুল্লাহ(সা.) বলেছেন: “আমার উম্মাতের মধ্যে কিছু লোক হবে যারা ব্যভিচার, রেশমী বস্ত্র, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল বলে জ্ঞান করবে।” [বুখারী:৫৫৯০]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহমান কালের বাঙালীর সংস্কৃতি(?)ঃ&lt;br /&gt;
আমাদের অনেক বন্ধু পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ, শোভাযাত্রা ইত্যাদিকে বাঙালীর আবহমান কালের সংস্কৃতি বলে চালানোর পায়তারা করে থাকেন। অথচ, বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা ১৯৬৭ সাল থেকে এবং শোভাযাত্রার সূচনা ১৯৮৯ সাল থেকে। তাহলে এ আয়োজনকে কিভাবে বাঙালীর সংস্কৃতি দাবি করা হয়? আজ থেকে ১০০ বছর আগের বাঙালী কোন মা, বধু, কণ্যা কী স্বপ্ন দেখতেন যে, কোন পর পুরুষ তার শরীরের লোভনীয় অঙ্গে আলপনা এঁকে দিবে, সে কোন পর পুরুষকে মুখে তোলে ইলিশ-পান্তা খাওয়াবে? বিগত হাজার বছরের বাঙালী নারী সমাজ পরপুরুষের সান্নিধ্যকে ঘৃণা করে এসেছে। বাঙালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য হচ্ছে পর্দা ও শালীনতা বোধের গর্বিত ইতিহাস। ছেলে-মেয়ে এক সাথ বটতলায় বসা বাঙালীর সংস্কৃতি নয়। হ্যাঁ, শরৎ চন্দ্রের ভাষায় ভাষা মিলিয়ে কেউ যদি বলেন, ‘আজ বিকেলে বাঙালী বনাম মুসলমান ছেলেদের মাঝে ফুটবল খেলা হবে’ তবে তিনি বর্ষবরণের প্রচলিত আয়োজনগুলোকে বলতে পারেন বাঙালী সংস্কৃতি। কিন্তু একজন মুসলমান কখনো বর্ষবরণের এ আয়োজনগুলোকে “আমাদের সংস্কৃতি” বলতে পারে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমরা ভাষায় বাঙালী, এ কথা সত্য। এর চেয়েও বড় সত্য কথা হচ্ছে, বিশ্বাস ও সংস্কৃতিতে আমরা মুসলমান। আমাদের সব চেয়ে বড় পরিচয় আমরা মুসলমান। আমাদের সব কিছুই অন্যদের থেকে আলাদা। জন্ম থেকে নিয়ে বিবাহ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের সকল কাজ-কর্ম, আচার-আচরণ, রীতি-রেওয়াজ ইসলামের আলোয় উদ্ভাসিত। ধর্ম ভেদে সংস্কৃতি ভিন্ন হবেই। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি ইসলামের বাইরে যেয়ে অন্য কিছুর চর্চা করবে তা কখনো গ্রহণ করা হবে না।” (আলে ইমরান ৩:৮৫) তাই সকল ধর্মের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য সার্বজনীন সংস্কৃতি বলতে উদ্ভট কোন কিছুর অস্তিত্ত্ব এ পৃথিবীতে নেই। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অন্য ধর্মাবলম্বীদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে সে তাদের অন্তুর্ভূক্ত।” (আবূ দাউদ:৪০৩৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপসংহারঃ&lt;br /&gt;
পহেলা বৈশাখকে উৎসব দিবসের মর্যাদা দিয়ে সার্বজনীন উৎসবের নামে ইদানিং যা হয়ে থাকে তা আমাদের ঈমান ও ইবাদাতের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ; কুফুর ও শিরিকে পরিপূর্ণ। আমরা হিন্দু ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারে সহনশীল। তারা তাদের ধর্ম স্বাধীন ভাবে পালন করবে, এতে আমাদের ও আমাদের ধর্মের কোন আপত্তি নেই। তবে আমাদর বক্তব্য হচ্ছে, মুসলমান তরুণ প্রজন্মের জন্য। সার্বজনীনতার নামে, সংস্কৃতির নামে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইসলাম থেকে দূরে সরানো হচ্ছে। “আমরা আল্লাহকে রব পেয়ে, ইসলামকে জীবনব্যাবস্থা পেয়ে ও মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নবী পেয়ে সন্তুষ্ট।” আমাদের উৎসবের জন্য ইসলামের বাইরে আর কোন দিবসের ও আয়োজনের প্রয়োজন নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/2630173239286089155/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/04/Is-it-legal-to-celebration-of--Pohela-Boishakh-to-the-outlook-of-Islam.html#comment-form' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2630173239286089155'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2630173239286089155'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/04/Is-it-legal-to-celebration-of--Pohela-Boishakh-to-the-outlook-of-Islam.html' title='ইসলামের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখ তথা নববর্ষ পালন করা কি জায়েজ?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhRPvUSVt_jpc_IeP1oAtzsRvrVTmXHndS4krzH8AlmYYyE4AgmhCro_QQOC0O54qOt5eqpuo61s9USqiTmc-6OFlosPIfmHGhM6OvIo8h6RgTq8K0Ml2E_gl7bOeDjQY3AEzfNHMJuJg6Y/s72-c/Z.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-2359923375023481631</id><published>2016-02-23T04:10:00.000-08:00</published><updated>2016-02-23T18:17:18.639-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কোরআন ও বিজ্ঞান"/><title type='text'>পৃথিবী সূর্যের চারদিকে নয় বরং সূর্যই পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;http://www.jjdin.com/admin/news_images/1074/image_1074_161457.gif&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://www.jjdin.com/admin/news_images/1074/image_1074_161457.gif&quot; height=&quot;200&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;b style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;b style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;প্রশ্ন:&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;পৃথিবী&amp;nbsp;কি&amp;nbsp;সূর্যের&amp;nbsp;চারদিকে&amp;nbsp;ঘোরে&amp;nbsp;নাকি&amp;nbsp;সূর্যই&amp;nbsp;পৃথিবীর&amp;nbsp;চারদিকে&amp;nbsp;ঘোরে?&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;b&gt;উত্তরঃ&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;আসুন এই উত্তরটি কোরআনের&amp;nbsp;আলোকে&amp;nbsp;ব্যাখ্যা&amp;nbsp;করা&amp;nbsp;যাক-&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
শরীয়তের প্রকাশ্য&amp;nbsp;দলীলগুলো প্রমাণ করে যে, &amp;nbsp;পৃথিবী সূর্যের চতুর্দিকে&amp;nbsp;নয় বরং সূর্যই পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘুরে।&amp;nbsp;এই ঘুরার কারণেই পৃথিবীতে&amp;nbsp;দিবা-রাত্রির আগমণ ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ তাআ’লা&amp;nbsp;বলেন,&lt;br /&gt;
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺄْﺗِﻲ ﺑِﺎﻟﺸَّﻤْﺲِ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤَﺸْﺮِﻕِ ﻓَﺄْﺕِ ﺑِﻬَﺎ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤَﻐْﺮِﺏِ&lt;br /&gt;
“আল্লাহ তাআ’লা সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন। তুমি&lt;br /&gt;
পারলে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর।” (সূরা বাকারাঃ ২৫৮)&lt;br /&gt;
সূর্য পূর্ব&amp;nbsp;দিক থেকে উঠার মাধ্যমে প্রকাশ্য দলীল পাওয়া যায় যে, সূর্য&amp;nbsp;পৃথিবীর উপর পরিভ্রমণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২) আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺭَﺃَﻯ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﺑَﺎﺯِﻏَﺔً ﻗَﺎﻝَ ﻫَﺬَﺍ ﺭَﺑِّﻲ ﻫَﺬَﺍ ﺃَﻛْﺒَﺮُ ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﻓَﻠَﺖْ ﻗَﺎﻝَ ﻳَﺎﻗَﻮْﻡِ ﺇِﻧِّﻲ&lt;br /&gt;
ﺑَﺮِﻱﺀٌ ﻣِﻤَّﺎ ﺗُﺸْﺮِﻛُﻮﻥَ&lt;br /&gt;
“অতঃপর যখন সূর্যকে চকচকে অব্সথায় উঠতে দেখলেন তখন&amp;nbsp;বললেনঃ এটি আমার পালনকর্তা, এটি বৃহত্তর। অতপর যখন তা ডুবে&amp;nbsp;গেল, তখন বলল হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা যেসব বিষয়ে&amp;nbsp;শরীক কর আমি ওসব থেকে মুক্ত।” (সূরা আনআ’মঃ ৭৮)&lt;br /&gt;
এখানে&amp;nbsp;নির্ধারণ হয়ে গেল যে, সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়। একথা বলা হয়নি যে,&amp;nbsp;সূর্য থেকে পৃথিবী ডুবে গেল। পৃথিবী যদি ঘূরত তাহলে&amp;nbsp;অবশ্যই তা বলা হত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩) আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﺇِﺫَﺍ ﻃَﻠَﻌَﺖْ ﺗَﺘَﺰَﺍﻭَﺭُ ﻋَﻦْ ﻛَﻬْﻔِﻬِﻢْ ﺫَﺍﺕَ ﺍﻟْﻴَﻤِﻴﻦِ ﻭَﺇِﺫَﺍ ﻏَﺮَﺑَﺖْ&lt;br /&gt;
ﺗَﻘْﺮِﺿُﻬُﻢْ ﺫَﺍﺕَ ﺍﻟﺸِّﻤَﺎﻝِ&lt;br /&gt;
“তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয়, তাদের গুহা থেকে পাশ&amp;nbsp;কেটে ডান দিকে চলে যায় এবং যখন অস- যায়, তাদের থেকে পাশ&amp;nbsp;কেটে বাম দিকে চলে যায়।” (সূরা কাহাফঃ ১৭)&lt;br /&gt;
পাশ কেটে ডান দিকে&amp;nbsp;বা বাম দিকে চলে যাওয়া প্রমাণ করে যে, নড়াচড়া সূর্য থেকেই&amp;nbsp;হয়ে থাকে। পৃথিবী যদিনড়াচড়া করত তাহলে অবশ্যই বলতেন সূর্য&amp;nbsp;থেকে গুহা পাশ কেটে যায়। উদয় হওয়া এবং অস্ত যাওয়াকে&amp;nbsp;সূর্যের দিকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায় যে,&amp;nbsp;সূর্যই ঘোরে। পৃথিবী নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪) আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻛُﻞٌّ ﻓِﻲ ﻓَﻠَﻚٍ&lt;br /&gt;
ﻳَﺴْﺒَﺤُﻮﻥَ&lt;br /&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
“এবং তিনিই দিবা-নিশি এবং চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি করেছেন। সবাই আপন আপন&amp;nbsp;কক্ষ পথে বিচরণ করে।” (সূরা আমবীয়াঃ ৩৩)&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;
ইবনে আব্বাস&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;বলেন, লাটিম যেমন তার কেন্দ্র বিন্দুর চার দিকে ঘুরতে থাকে,&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;সূর্যও তেমনিভাবে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;ঘো&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;রে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;span style=&quot;text-align: left;&quot;&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
৫) আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻳُﻐْﺸِﻲ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻳَﻄْﻠُﺒُﻪُ ﺣَﺜِﻴﺜًﺎ&lt;br /&gt;
“তিনি রাতকে আচ্ছাদিত করেন দিনের মাধ্যমে, দিন দৌড়ে দৌড়ে&amp;nbsp;রাতের পিছনে আসে।” (সূরা আ’রাফঃ ৫৪)&lt;br /&gt;
আয়াতে রাতকে দিনের&amp;nbsp;অনুসন্ধানকারী বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অনুসন্ধানকারী পিছনে&amp;nbsp;পিছনে দ্রুত অনুসন্ধান করে থাকে। এটা জানা কথা যে, দিবা-রাত্রি&amp;nbsp;সূর্যের অনুসারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽَ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻭَﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻋَﻠَﻰ&lt;br /&gt;
ﺍﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻛُﻞٌّ ﻳَﺠْﺮِﻱ ﻟِﺄَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ﺃَﻟَﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰُ&lt;br /&gt;
ﺍﻟْﻐَﻔَّﺎﺭ&lt;br /&gt;
অর্থঃ “তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি&amp;nbsp;রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা&amp;nbsp;আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত&amp;nbsp;করেছেন। প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত&amp;nbsp;জেনে রাখুন, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।” (সূরা যুমারঃ ৫)&lt;br /&gt;
আয়াতের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, পৃথিবীর উপরে দিবা-&amp;nbsp;রাত্রি চলমান রয়েছে। পৃথিবী যদি ঘুরতো তাহলে তিনি বলতেন,&amp;nbsp;দিবা-রাত্রির উপর পৃথিবীকে ঘূরান। আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “সূর্য এবং&amp;nbsp;চন্দ্রের প্রত্যেকেই চলমান”। এই সমস- দলীলের মাধ্যমে জানা&lt;br /&gt;
গেল যে, সুস্পষ্টভাবেই সূর্য ও চন্দ্র এক স্থান থেকে অন্য&amp;nbsp;স্থান চলাচল করছে। এ কথা সুস্পষ্ট যে, চলমান বস’কে বশীভুত&amp;nbsp;করা এবং কাজে লাগানো একস্থানে অবস্থানকারী বস্তুকে কাজে&amp;nbsp;লাগানোর চেয়ে অধিক যুক্তিসঙ্গত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭) আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲِ ﻭَﺿُﺤَﺎﻫَﺎ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮِ ﺇِﺫَﺍ ﺗَﻠَﺎﻫَﺎ&lt;br /&gt;
“শপথ সূর্যের ও তার কিরণের, শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের&amp;nbsp;পশ্চাতে আসে।” (সূরা আশ্-শামসঃ ১-২)&lt;br /&gt;
এখানে বলা হয়েছে যে,&amp;nbsp;চন্দ্র সূর্যের পরে আসে। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সূর্য এবং&amp;nbsp;চন্দ্র চলাচল করে এবং পৃথিবীর উপর ঘুরে। পৃথিবী যদি চন্দ্র বা&amp;nbsp;সূর্যের চার দিকে ঘুরত, তাহলে চন্দ্র সূর্যকে অনুসরণ করতনা। বরং&amp;nbsp;চন্দ্র একবার সূর্যকে, আর একবার সূর্য চন্দ্রকে অনুসরণ করত।&amp;nbsp;কেননা সূর্য চন্দ্রের অনেক উপরে। এই আয়াত দিয়ে পৃথিবী&amp;nbsp;স্থীর থাকার ব্যাপারে দলীল গ্রহণ করার ভিতরে চিন্তা-ভাবনার বিষয়&amp;nbsp;রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৮) মহান আল্লাহ বলেনঃ&lt;br /&gt;
ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲُ ﺗَﺠْﺮِﻱ ﻟِﻤُﺴْﺘَﻘَﺮٍّ ﻟَﻬَﺎ ﺫَﻟِﻚَ ﺗَﻘْﺪِﻳﺮُ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ ﺍﻟْﻌَﻠِﻴﻢِ , ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻗَﺪَّﺭْﻧَﺎﻩُ ﻣَﻨَﺎﺯِﻝَ&lt;br /&gt;
ﺣَﺘَّﻰ ﻋَﺎﺩَ ﻛَﺎﻟْﻌُﺮْﺟُﻮﻥِ ﺍﻟْﻘَﺪِﻳﻢِ , ﻟَﺎ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲُ ﻳَﻨْﺒَﻐِﻲ ﻟَﻬَﺎ ﺃَﻥْ ﺗُﺪْﺭِﻙَ ﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞُ&lt;br /&gt;
ﺳَﺎﺑِﻖُ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻭَﻛُﻞٌّ ﻓِﻲ ﻓَﻠَﻚٍ&lt;br /&gt;
ﻳَﺴْﺒَﺤُﻮﻥَ&lt;br /&gt;
“সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী,&amp;nbsp;সর্বজ্ঞ আল্লাহর নির্ধারণ। চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল&amp;nbsp;নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে&amp;nbsp;যায়। সূর্যের পক্ষে চন্দ্রকে নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়। রাতের&amp;nbsp;পক্ষেও দিনের অগ্রবতী হওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেকেই আপন&amp;nbsp;আপন কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে।” (সূরা ইয়াসীনঃ ৩৮-৪০)&lt;br /&gt;
সূর্যের&amp;nbsp;চলা এবং এই চলাকে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর নির্ধারণ বলে ব্যাখ্যা&amp;nbsp;করা এটাই প্রমাণ করে যে, সূর্য প্রকৃতভাবেই চলমান। আর এই&amp;nbsp;চলাচলের কারণেই দিবা-রাত্রি এবং ঋতুর পরিবর্তন হয়। চন্দ্রের জন্য&lt;br /&gt;
মনযিল নির্ধারণ করার অর্থ এই যে, সে তার মনযিলসমূহে স’ানান-রিত&amp;nbsp;হয়। যদি পৃথিবী ঘুরত, তাহলে পৃথিবীর জন্য মনযিল নির্ধারণ করা হত।&amp;nbsp;চন্দ্রের জন্য নয়। সূর্য কর্তৃক চন্দ্রকে ধরতে না পারা এবং দিনের&lt;br /&gt;
অগ্রে রাত থাকা সূর্য, চন্দ্র, দিন এবং রাতের চলাচলের প্রমাণ বহন&amp;nbsp;করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু&lt;br /&gt;
যরকে বলেছেনঃ&lt;br /&gt;
ﺃَﺗَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺗَﺬْﻫَﺐُ ﻗُﻠْﺖُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﻗَﺎﻝَ ﻓَﺈِﻧَّﻬَﺎ ﺗَﺬْﻫَﺐُ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﺴْﺠُﺪَ&lt;br /&gt;
ﺗَﺤْﺖَ ﺍﻟْﻌَﺮْﺵِ ﻓَﺘَﺴْﺘَﺄْﺫِﻥَ ﻓَﻴُﺆْﺫَﻥُ ﻟَﻬَﺎ ﻭَﻳُﻮﺷِﻚُ ﺃَﻥْ ﺗَﺴْﺠُﺪَ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﻘْﺒَﻞَ ﻣِﻨْﻬَﺎ&lt;br /&gt;
ﻭَﺗَﺴْﺘَﺄْﺫِﻥَ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﺆْﺫَﻥَ ﻟَﻬَﺎ ﻳُﻘَﺎﻝُ ﻟَﻬَﺎ ﺍﺭْﺟِﻌِﻲ ﻣِﻦْ ﺣَﻴْﺚُ ﺟِﺌْﺖِ ﻓَﺘَﻄْﻠُﻊُ ﻣِﻦْ ﻣَﻐْﺮِﺑِﻬَﺎ&lt;br /&gt;
“হে আবু যর! তুমি কি জান সূর্য যখন অস- যায় তখন কোথায় যায়? আবু&amp;nbsp;যার বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু&amp;nbsp;আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সূর্য অস- যাওয়ার সময় আরশের&amp;nbsp;নীচে গিয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি&amp;nbsp;চায়। অতঃপর তাকে অনুমতি দেয়া হয়। সে দিন বেশী দূরে নয়, যে&amp;nbsp;দিন অনুমতি চাবে কিন’ তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে&amp;nbsp;যেখান থেকে এসেছ, সেখানে ফেরত যাও। অতঃপর সূর্য পশ্চিম&amp;nbsp;দিক থেকেই উদিত হবে।” এটি হবে কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে।&amp;nbsp;আল্লাহ সূর্যকে বলবেন, যেখান থেকে এসেছ সেখানে&amp;nbsp;ফেরত যাও, অতঃপর সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার বিষয়টি&amp;nbsp;সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সূর্য পৃথিবীর উপরে ঘুরছে এবং&amp;nbsp;তার এই ঘুরার মাধ্যমেই উদয়-অস- সংঘটিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১০) অসংখ্য হাদীছের মাধ্যমে জানা যায় যে, উদয় হওয়া, অস- যাওয়া&amp;nbsp;এবং ঢলে যাওয়া এই কাজগুলো সূর্যের সাথে সম্পৃক্ত। এগুলো&amp;nbsp;সূর্য থেকে প্রকাশিত হওয়া খুবই সুস্পষ্ট। পৃথিবী হতে নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান যাই বলুক না কেন, আমরা যাই শিখি না কেন আমার&amp;nbsp;মনে&amp;nbsp;হয়&amp;nbsp;এই&amp;nbsp;কয়েকটি&amp;nbsp;আয়াতই&amp;nbsp;একজন&amp;nbsp;মুসলমানের&amp;nbsp;এটা&amp;nbsp;বোঝার&amp;nbsp;জন্য&amp;nbsp;যথেষ্ট&amp;nbsp;যে,&amp;nbsp;সূর্যই&amp;nbsp;পৃথিবীকে&amp;nbsp;প্রদক্ষিণ&amp;nbsp;করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর&amp;nbsp;যারা&amp;nbsp;বিজ্ঞানের&amp;nbsp;সকল&amp;nbsp;তত্ত্বকে&amp;nbsp;অন্ধের&amp;nbsp;মতো&amp;nbsp;বিশ্বাস&amp;nbsp;করেন&amp;nbsp;তারা&amp;nbsp;দয়া&amp;nbsp;করে&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;http://shinyislam.blogspot.com/2016/02/limitation-of-scientists-and-Quran-is-the-best-science.html&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;এখানে ক্লিক করে&lt;/a&gt;&amp;nbsp;প্রশ্নগুলোর&amp;nbsp;উত্তর&amp;nbsp;দিয়ে&amp;nbsp;যাবেন।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/2359923375023481631/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/the-sun-is-moving-round-the-earth.html#comment-form' title='9টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2359923375023481631'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/2359923375023481631'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/the-sun-is-moving-round-the-earth.html' title='পৃথিবী সূর্যের চারদিকে নয় বরং সূর্যই পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><thr:total>9</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-1207105319631594366</id><published>2016-02-23T03:03:00.000-08:00</published><updated>2016-02-23T03:09:58.660-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="প্রশ্ন এবং উত্তর"/><title type='text'>ইসলাম একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি দেয় কেন? অথবা ইসলামে বহু-বিবাহ অনুমোদিত কেন?</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;b&gt;&lt;u&gt;প্রশ্ন:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
ইসলাম একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি দেয় কেন? অথবা ইসলামে বহু-বিবাহ অনুমোদিত কেন?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;b&gt;&lt;u&gt;জবাব:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;b&gt;ক. বহু-বিবাহের সংজ্ঞা&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;font-weight: bold;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
‘বহু-বিবাহ’ মানে এমন একটি বিবাহ পদ্ধতি যেখানে এক ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকে। বহু-বিবাহ দুই ধরনের- একজন পুরুষ একাধিক নারীকে বিবাহ করে। আর একটি বহু স্বামী বরণ। অর্থাৎ একজন স্ত্রীলোক একাধিক পুরুষ বিবাহ করে। ইসলামে পুরুষের জন্য সীমিত সংখ্যক ‘বহু-বিবাহ’ অনুমোদিত। অপর দিকে নারীর জন্য একাধিক পুরুষ বিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ‘হারাম’।&amp;nbsp;এবার মূল প্রশ্নে আসা যাক। কেন একজন পুরুষ একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি পায়?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;খ. পৃথিবীতে কুরআ’নই একমাত্র ধর্ম-গ্রন্থ, যে বলে “বিবাহ করো মাত্র একজনকে”&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
ভূ-পৃষ্টের ওপরে কুরআনই একমাত্র ধর্ম-গ্রন্থ যা এই বাক্যাংশ ধারণ করে আছে-“বিবাহ করো মাত্র একজনকে” আর কোনো ধর্ম-গ্রন্থ নেই, যা পুরুষকে নির্দেশ একজন স্ত্রীতে সন্তুষ্ট থাকতে। অন্য কোনো ধর্ম-গ্রন্থ -হোক তা বেদ, রামায়ন,মহাভারত, গীতা, অন্যদিকে তালমুদ অথবা বাইবেল। এ সবের মধ্যে স্ত্রীদের সংখ্যার ওপর কোনো বিধিনিষেধ বের করতে পারবে কি কেউ? বরং এসব ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী একজন পুরুষ বিবাহ করতে পারে যতজন তার ইচ্ছা। এটা অনেক পরের কথা যে, হিন্দু ধর্ম গুরু এবং খ্রীস্টান চার্চ স্ত্রীর সংখ্যা ‘এক’ এ নিয়ন্ত্রিত করে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
অসংখ্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব তাদের ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী একাধিক স্ত্রী রেখেছে। যেমন রামের পিতা রাজা দশরথ। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের তো অনেক স্ত্রী ছিল!&lt;br /&gt;
বাইবেল যেহেতু স্ত্রীদের সংখ্যার ওপর কোনো বিধিনিষেধই নেই। সেহেতু আগের কালের খ্রীস্টান পুরুষরা যে-ক’জন খুশি স্ত্রী রাখতে পারত। মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে তাহাদের চার্চ্চ স্ত্রীর সংখ্যা ‘এক’ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। ইহুদীবাদে বহু বিবাহ অনুমোদিত। তাদের তালমুদিয় বিধান অনুযায়ী আব্রাহামের [ইব্রাহীম (আ)] তিনজন স্ত্রী ছিল এবং সলোমনের [সুলাইমান (আ)]-এর ছিল শতাধিক স্ত্রী। বহু-বিবাহের এই প্রথা চলে আসছিল তাদের “রাব্বাঈ” জারসম বিন ইয়াহুদাহ্‌ পর্যন্ত। (৯৬০ সি.ই থেকে ১০৩০ সি.ই) তিনিই এর বিরুদ্ধে একটি অনুশাসন জারি করেন। ইহুদীদের‘সেফারডিক’ সমাজ যারা প্রধানত মুসলমানদের দেশগুলোতে বসবাস করে তারা এই প্রথাকে নিকট অতীতের ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ধরে রাখে। অতঃপর ইসরাঈলের প্রধান রাব্বাঈ একাধিক স্ত্রী রাখার ওপর বিধিনিষেধ জারি করে দেয়।&lt;br /&gt;
একটি লক্ষণীয় বিষয়ঃ ১৯৭৫ সালের আদম-শুমারী অনুযায়ী ভারতীয় হিন্দুরা বহু বিবাহের ক্ষেত্রে মুসলমানদের চাইতে অগ্রগামী। কমিটি অফ দি স্টাটাস অফ ওমেন ইন ইসলাম (ইসলামে নারীর মর্যাদা কমিটি) নামে এ বইটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে। বইয়ের ৬৬ ও ৬৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৫১ থেকে ১৯৬১ পর্যন্ত একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, একাধিক স্ত্রী গ্রহণ-সংক্রান্ত বিবাহ, হিন্দুদের মধ্যে শতকরা পাঁচ দশমিক শূন্য ছয় (৫.০৬%) আর মুসলমানদের মধ্যে চার দশমিক তিন এক (৪.৩১%)। ভারতীয় আইন অনুযায়ী একাধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমোদন শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত। ভারতে যেকোনো অমুসলিমের জন্য একাধিক স্ত্রী রাখা অবৈধ। এটা অবৈধ হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানদের তুলনায় হিন্দুরাই একাধিক স্ত্রী বেশি রাখছে। এর আগে তো কোনো বিধিনিষেধই ছিলনা। এমনকি হিন্দু পুরুষদের ক্ষেত্রেও একাধিক স্ত্রী রাখা অনুমোদিত ছিল। এই তো সেদিন ১৯৫৮ সালে হিন্দু বিবাহ-বিধি অনুমোদিত হলো এভাবে যে, একজন হিন্দুর জন্য একাধিক স্ত্রী রাখা অবৈধ। বর্তমানে এটা একটা ভারতীয় রাষ্ট্রীয় আইন। যা নিয়ন্ত্রিত করেছে একজন হিন্দু পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখতে- “হিন্দু ধর্ম-গ্রন্থ” নয়।&lt;br /&gt;
আসুন এবার দেখা যাক ইসলাম কেন একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;গ. কুরআন একাধিক বিবাহের নিয়ন্ত্রিত রূপকে অনুমতি দেয়&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
আমি আগে যেমন বলে এসেছি ভূ-পৃষ্ঠের ওপরে কুরআনই একমাত্র ধর্মীয় গ্রন্থ যা বলে ‘বিবাহ করো মাত্র একজনকে’। কথাটি জ্যোতির্ময় কুরআনের সূরা নিসার নিম্নদ্ধৃত আয়াতের অংশ।&lt;br /&gt;
বিবাহ করো তোমাদের পছন্দের নারী- দু’জন অথবা তিনজন অথবা চারজন কিন্তু যদি আশঙ্কা করো যে, তোমরা (তাদের সাথে) ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ করতে না-ও পারতে পারো- তাহলে মাত্র একজন। (৪:৩)&lt;br /&gt;
কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে বহু-বিবাহের কোনো মাত্রা নির্ধারিত ছিল না এবং ক্ষমতাবান প্রায় প্রতিটি মানুষ এতে অভ্যস্ত ছিল। কেউ কেউ তো শ’ এর মাত্রা ছাড়ালে ক্ষান্ত হতো না। কুরআন সর্বোচ্চ চার জনের একটা মাত্রা নির্ধারণ করে দিল। ইসলাম একজন পুরুষকে দুজন, তিনজন অথবা চারজনের যে অনুমতি দিয়েছে তা কঠিন শর্তের মধ্যে আবদ্ধ যে, কেবলমাত্র তখনই তা সম্ভব যখন তাদের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সুবিচারমূলক আচরণ করতে পারবে।&lt;br /&gt;
একই সূরার ১২৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে&lt;br /&gt;
তুমি কষ্মিকালেও পেরে উঠবে না স্ত্রীদের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে। (৪:১২৯)&lt;br /&gt;
কাজেই ইসলামে বহু-বিবাহ কোনো বিধান নয় বরং ব্যতিক্রম। বহু মানুষ এই ভুল ধারণায় নিমজ্জিত যে, একজন মুসলিম পুরুষের জন্য একাধিক স্ত্রী রাখা বাধ্যতামূলক।&lt;br /&gt;
করা এবং না করার ক্ষেত্রে ইসলামের পাঁচটি শ্রেণী-বিন্যাস করা আছে।&lt;br /&gt;
১. ফরজ-অবশ্য করণীয় বা বাধ্যতামূলক।&lt;br /&gt;
২.মুস্তাহাব-অনুমোদিত অথবা উৎসাহিত।&lt;br /&gt;
৩.মুবাহ-অনুমোদন যোগ্য বা গ্রহণ যোগ্য।&lt;br /&gt;
৪.মাকরুহ- অনুমোদিত নয় বা নিরুৎসাহিত।&lt;br /&gt;
৫.হারাম- বে-আইনী বা নিষিদ্ধ।&lt;br /&gt;
এরমধ্যে বহু-বিবাহ মধ্যম শ্রেণীতে পড়ে। অর্থাৎ অনুমোদন যোগ্য এবং কোনো ভাবে এমন কথা বলা যাবে না যে,একজন মুসলিম, যার দুজন, তিনজন অথবা চারজন স্ত্রী আছে, সে তার তুলনায় ভালো মুসলিম যার স্ত্রী মাত্র একজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;ঘ. গড় আয়ুস্কাল পুরুষের তুলনায় নারীর বেশি&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিকভাবে নারী ও পুরুষের জন্মহার প্রায় সমান। একটি নারী শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরুষ শিশুর চাইতে বেশী। একটি নারী শিশু রোগ-জীবানু ও রোগ-ব্যাধির বিরুদ্ধে পুরুষ শিশুর চাইতে লড়াই করতে পারে। এ কারণে শিশুকালে নারীর তুলনায় পুরুষের মুত্যু হার বেশি।&lt;br /&gt;
যে কোনো যুদ্ধের সময় নারীর তুলনায় পুরুষ বেশি মারা যায়। সাধারণ দুর্ঘটনা ও রোগ-ব্যাধিতে নারীর তুলনায় পুরুষ বেশি মারা যায়। গড় আয়ুষ্কাল পুরুষের চাইতে নারীর বেশি। মহাকালে যে কোনো যুগে খুঁজে দেখলে দেখা যাবে-বিপত্নীকের চাইতে বিধবার পরিমাণ অনেক বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;ঙ. ভারতে পুরুষের জন্ম-সংখ্যা নারীর তুলনায় বেশি। এর কারণ নারী শিশুর ভ্রুণ-হত্যা ও নারী শিশু হত্যা।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
প্রতিবেশি কয়েকটি দেশের মধ্যে তুলনামুলক ভাবে ভারতীয় পুরুষ-জনসংখ্যা নারী-জন সংখ্যার চাইতে বেশি। এর নেপথ্য কারণ, নারী শিশু হত্যার উচ্চ হার। প্রতি বছর নুন্যতম দশলাখ ‘নারী-ভ্রূনের’ গর্ভপাত ঘটানো হয় এই দেশে যখনই মায়ের গর্ভে তাকে নারী হিসাবে সনাক্ত করা যায়। যদি এই অভিষপ্ত চর্চ্চা বন্ধ করা যায় তাহলে ভারতেও পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;চ. বিশ্বব্যাপী নারী জনসংখ্যা পুরুষের চাইতে অধিক&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
আমেরিকায় পুরুষের চাইতে সত্তুর লক্ষ আশি হাজার নারী বেশি। শুধু নিউইয়র্কে পুরুষের চেয়ে দশলাখ নারী। উপরন্তু নিউইয়র্কের এক তৃতীয়াংশ পুরুষ সমকামী। অর্থাৎ এই লোকেরা কোনা নারী-সঙ্গ বা বিবাহ করতে আদৌ আগ্রহী নয়। ইংল্যান্ডে পুরুষ জনসংখ্যার সমসংখ্যক নারী বাদ দিলে চল্লিশ লক্ষ অতিরিক্ত নারী। একই ভাবে জার্মানীতে পঞ্চাশ লাখ অতিরিক্ত নারী। রাশিয়ায় নব্বুই লাখ। এরপর শুধু আল্লাহই বলতে পারেন গোটা পৃথিবীতে একজন পুরুষের বিপরীতে একজন নারী ধরে নিলে তারপর কত নারী অতিরিক্ত থেকে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;ছ. প্রতিটি পুরুষের জন্য মাত্র একজন স্ত্রী এই নিয়ন্ত্রণ বাস্তবতা বিবর্জিত&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমেরিকার প্রতিটি পুরুষ যদি একজন করে নারীকে বিবাহ করে তারপরেও তিন কোটির বেশি নারী থেকে যাবে এমন,যারা তার জন্য কোনো স্বামী পাবে না। উপরন্তু মনে রাখতে হবে, সারা আমেরিকায় সমকামী পুরুষের সংখ্যা দুই কোটি পঞ্চাশ লাখের বেশী। এভাবে চল্লিশ লাখের বেশি নারী ইংল্যান্ডে। পঞ্চাশ লাখের বেশি জার্মানিতে এবং প্রায় এক কোটি নারী রাশিয়ায়- যারা কোনো স্বামী পাবে না।&lt;br /&gt;
ধরা যাক, আমার বোন আমেরিকা নিবাসী একজন অবিবাহিতা মহিলা অথবা আপনার বোন আমেরিকায় বসবাসকারী একজন অবিবাহিতা নারী। সেখানে তার জন্য দুটি বিকল্প পথ খোলা আছে- হয় সে এমন একজন পুরুষকে বিবাহ করবে যার একজন স্ত্রী আছে অথবা তাকে হতে হবে “জনগণের সম্পত্তি”-অন্য কিছুই হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে যারা রুচিশীলা তারা প্রথমটাই বেছে নেবে।&lt;br /&gt;
অধিকাংশ নারী অন্য নারীর সাথে তার স্বামীকে ভাগাভাগি করতে রাজি হবে না। কিন্তু ইসলামে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা-ই অপরিহার্য হয়ে ওঠে-“মুসলিম নারী তার যথার্থ ঈমানের কারণে এই সামান্য ক্ষতির বিনিময়ে অনেক বড় ক্ষতি ঠেকাতে তার আর এক মুসলিম বোনকে জনগণের সম্পত্তি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন”।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;জ. জনগনের সম্পত্তি হওয়ার চাইতে একজন বিবাহিতা পুরুষ বিয়ে করা শ্রেয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;
&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পশ্চিমা সমাজের একজন পুরুষের ‘মেয়ে-বন্ধু’ খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। অথবা একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। এক্ষেত্রে নারীরা যাপন করে মর্যাদাহীন এক অনিশ্চিত-অরক্ষিত জীবন। অথচ সেই একই সমাজ একজন পুরুষের জন্য একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করতে রাজি নয়। যেখানে নারী হতে পারতো একজন সম্মানিতা, মর্যাদাময় অবস্থানের অধিকারিণী এবং যাপন করতো নিরাপত্তাপূর্ণ নিরাপদ জীবন।&lt;br /&gt;
যেখানে নারীর সামনে দুটি পথ খোলা। যে স্বাভাবিকভাবে কোনো স্বামী পাবেনা তাকে হয় একজন বিবাহিত পুরুষকেই বিয়ে করতে হবে নতুবা হতে হবে জনগনের সম্পত্তি। ইসলাম পছন্দ করে নারীকে সম্মানজনক অবস্থান দিতে, প্রথম পথের অনুমোদন দিয়ে এবং ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করে দ্বিতীয়টিকে।&lt;br /&gt;
আরো কিছু রয়েছে যে সবের জন্য ইসলাম নিয়ন্ত্রিত বহু-বিবাহ অনুমোদন করে। কিন্তু প্রধানত নারীর সম্মান-মর্যাদা ও সম্ভ্রম সুরক্ষাই লক্ষ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আশা করি আলোচনা টি সকলের বোধগম্য হবে। এবং আপনারা বুঝতে পেরেছেন ইসলাম কেন বহু বিবাহকে সাপোর্ট করে।&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/1207105319631594366/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_2.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1207105319631594366'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1207105319631594366'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_2.html' title='ইসলাম একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি দেয় কেন? অথবা ইসলামে বহু-বিবাহ অনুমোদিত কেন?'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-5887630492861727193</id><published>2016-02-22T23:18:00.001-08:00</published><updated>2016-02-22T23:18:48.800-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কোরআন ও বিজ্ঞান"/><title type='text'>বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। কোরআনই সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEigdqaTJJTnGdcyOvKap3-GZvoRolw1em_ziCKd6I1_N-GGpO4Be9dTrtHDZeFCafbfV84hzaIAkpz6p5M0FOSbm0FsrASXAOB-PVdt3GZAiR5jgiB2pgeIFQL5Dox5eqUaRLTk86s__anh/s1600/%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%258C%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%2597%25E0%25A7%258E.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;199&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEigdqaTJJTnGdcyOvKap3-GZvoRolw1em_ziCKd6I1_N-GGpO4Be9dTrtHDZeFCafbfV84hzaIAkpz6p5M0FOSbm0FsrASXAOB-PVdt3GZAiR5jgiB2pgeIFQL5Dox5eqUaRLTk86s__anh/s320/%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%258C%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%2597%25E0%25A7%258E.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
&lt;u&gt;মধ্যাকর্ষন শক্তি কি ভূল ?&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;div&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
বিজ্ঞানের পরিভাষায় পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে প্রধানত: দিবা-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি ও ঋতু পরিবর্তন ঘটে। উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে পরিভ্রমণকালে পৃথিবী নিজ কক্ষতলের উপর সর্বদা ৬৬.৫ ডিগ্রী কোণে হেলে স্থান পরিবর্তন করছে। বিজ্ঞানের এ ধারণা সঠিক হলে মধ্যাকর্ষন শক্তির নিয়মানুযায়ী পৃথিবীর উপরদিকে অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর মেরু বা উত্তর গোলার্ধ নদী নালা, খাল-বিল বিহীন এক কথায় পানিশূন্য থাকবে। যেহেতু মধ্যাকর্ষন শক্তির নিয়ম হচ্ছে উপরের দিকের বস্তু নীচের দিকে পতিত হওয়া। কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরু বা উত্তর গোলার্ধ তো পানি শূন্য নয় বরং পানিতে ভরপুর। অপর দিকে বিজ্ঞানের ধারনা মতে পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময় ২১শে জুন থেকে ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত পৃথিবী ক্রমশ উত্তর দিকে&lt;br /&gt;
হেলতে থাকে। বিজ্ঞানের এ ধারনা সঠিক হলে মধ্যাকর্ষন শক্তির নিয়ম অনুসারে পৃথিবীর উত্তর মেরুতে বা উত্তর গোলার্ধে ২১শে জুন থেকে ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয়মাস একটানা জোয়ার হতে থাকবে। আবার বিজ্ঞানের ধারনা মতে পৃথিবী বার্ষিক গতির কারণে ২২শে ডিসেম্বর থেকে ২১শে জুন পর্যন্ত পৃথিবী ক্রমশ দক্ষিণ দিকে হেলতে থাকে। বিজ্ঞানের এ ধারনা সঠিক হলে মধ্যাকর্ষন শক্তির নিয়ম অনুসারে পৃথিবীর উত্তর মেরু বা উত্তর গোলার্ধে ২২শে ডিসেম্বর থেকে ২১শে জুন পর্যন্ত একটানা ছয়মাস ভাটা হতে থাকবে। কিন্তু আদৌ &amp;nbsp;পৃথিবীতে কোথাও একটানা ছয়মাস জোয়ার কিংবা একটানা ছয়মাস ভাটা হয় না। তাহলে পৃথিবীর মধ্যাকর্ষন শক্তি কি ভূল ?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;u&gt;বিজ্ঞানী নিউটনের সূত্র কি ভূল ?&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
বিজ্ঞানের ধারনায় প্রত্যেকটি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে অর্থাৎ সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। যে জন্য প্রত্যেকটি গ্রহ বিজ্ঞানী নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় আপন অক্ষের উপরও ঘুরছে। কিন্তু প্রত্যেকটি গ্রহ যেমনি দূরত্বের ব্যবধানে সামঞ্জস্যপূর্ণতার বা ধারাবাহিকতার সঙ্গে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে, তেমনি সামঞ্জস্যপূর্নতার সঙ্গে বা ধারাবাহিকতার সাথে আপন অক্ষের উপরও ঘুরছে না কেন ? যেমন পৃথিবী ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিটে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে কিন্তু বুধ গ্রহ সূর্যের একেবারে নিকটবর্তী গ্রহ হওয়া সত্ত্বেও ৫৯দিনে আপনার অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। আবার বৃহষ্পতি গ্রহ সূর্য থেকে বহুদূরে অবস্থান করেও মাত্র ৯ঘন্টা ৫৫মিনিটে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। পক্ষান্তরে বিজ্ঞান যেমনি পৃথিবী ৩৬৫দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করছে তার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় আপন অক্ষের উপরও ২৪ঘন্টায় একবার ঘুরছে বলে ধারনা করছে ঠিক তেমনি বিজ্ঞান চন্দ্রকে ২৭.৩৩ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করার কথা উল্লেখ করেছে কিন্তু বিজ্ঞানী নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী তার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া কি তা উল্লেখ করেনি। আবার বিজ্ঞান সূর্যকে আপন অক্ষের উপর ২৫দিনে একবার ঘুরছে বলে উল্লেখ করেছে কিন্তু তার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া কি তা বিজ্ঞান উল্লেখ করেনি। তাহলে বিজ্ঞানী নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি কি ভূল ?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;u&gt;বাস্তবক্ষেত্রেও কি ভূল ?&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
বিজ্ঞানের ধারনায় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে সূর্যকে গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ২১শে জুন উত্তর দিকে দেখা যায় এবং ২২শে ডিসেম্বর দক্ষিণ দিকে দেখা যায়। অথচ বাস্তবক্ষেত্রেও শীত গ্রীষ্মে শুধুমাত্র সূর্যকে ছাড়া অন্য কোন গ্রহ নক্ষত্রকে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন? শীত গ্রীষ্ম সব সময় সকল গ্রহ নক্ষত্রগুলো একই বরাবর দেখা যায় কেন? বাস্তক্ষেত্রেও তো চন্দ্রকে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ দিকে এবং শীতকালে উত্তর দিকে দেখা যায়। অথচ বিজ্ঞানের ধারণায় গ্রীস্মকালে সূর্যকে যে বরাবর দেখা যায় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারনে শীতকালে তার চেয়ে দক্ষিণ দিকে দেখা যায়। বিজ্ঞানের এ ধারণা সঠিক হলে সূর্যের মতই চন্দ্রকে গ্রীষ্মকালে যে বরাবরে দেখা যায় শীত কালে তার চেয়ে দক্ষিণ দিকে দেখা যাওয়ার কথা। ঠিক এমনিভাবে বাস্তবক্ষেত্রেও চন্দ্রকে শীতকালে যে বরাবর দেখা যায় বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে গ্রীস্মকালে চন্দ্রকে আরও উত্তর দিকে দেখা যাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রেও চন্দ্রকে গ্রীষ্মকালে যে বরাবর দেখা যায় শীতকালে দক্ষিণ দিকে দূরের কথা বরং উত্তর দিকে ই দেখা যায়। ঠিক এমনি ভাবে চন্দ্রকে শীতকালে যে বরাবর দেখা যায় গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকের পরিবর্তে আরও দক্ষিণ দিকে দেখা যায়। তাহলে বিজ্ঞানের ধারণা মোতাবেক বার্ষিক গতির সময় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে সূর্যকে যেমনি শীতকালে দক্ষিণ দিকে আর গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায় তেমনি চন্দ্রকেও একই তুলনায় শীতগ্রীষ্মে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? বরং শীত গ্রীষ্মে চন্দ্রকে বিপরীত দিকে দেখা যায় কেন? পান্তরে বিজ্ঞানের ধারনা মোতাবেক বার্ষিক গতির সময় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে সূর্যকে যেমনী শীতকালে দক্ষিণ দিকে এবং গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায় তেমনি আকাশের শত কোটি নক্ষত্র সহ কোন্ গ্রহটি পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে শীতকালে যে বরাবর দেখা যায় গ্রীষ্মকালে তার চেয়ে উত্তর দিকে দেখা যায়? অথবা গ্রীষ্মকালে যে বরাবর দেখা যায় শীতকালে তার চেয়ে দক্ষিণ দিকে দেখা যায় ? প্রকৃতপক্ষে বাস্তবক্ষেত্রেও একমাত্র সূর্য ছাড়া আকাশের কোন গ্রহ-নক্ষত্রকে শীতকালে দক্ষিণ দিকে আর গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায় না। বরং শীত-গ্রীষ্ম উভয় ঋতুতে প্রত্যেকটি গ্রহ-নক্ষত্রকে একই বরাবরে দেখা যায়। তাহলে বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে বার্ষিক গতির সময় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে &amp;nbsp;আকাশের সকল গ্রহ-নক্ষত্র ছাড়া কি শুধুমাত্র সূর্যকে শীতকালে দক্ষিণ দিকে আর গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যাবে? পক্ষান্তরে অনেক সময় রাতে আকাশে কখনো উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে, আবার কখনও দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে, আবার কখনো পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে দ্রুত গতিতে নক্ষত্র চলতে দেখা যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় তাকে কক্ষচ্যূত নক্ষত্র বলা হয়। মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের ভিতর এসব নক্ষত্র আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত অতিক্রম করে। তাহলে সূর্যের চেয়ে কোটি কোটি গুণ বড় এবং সূর্যের চেয়ে কোটি কোটি কিঃ মিঃ দূরের এসব কক্ষচ্যুত নক্ষত্র মাত্র ১০মিনিটের ভিতর আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত সহজে স্বাভাবিকভাবে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে দীর্ঘ ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টায় আকাশের প্রত্যেকটি গ্রহ-নক্ষত্র চন্দ্র, সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে সহজে ও স্বাভাবিক ভাবে অতিক্রম করতে পারবে না কেন ?&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;u&gt;সূর্য&amp;nbsp;আকর্ষণহীন:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
বিজ্ঞানের ধারনা সূর্যের প্রবল আকর্ষনে বিশাল বিশাল ভারী গ্রহ গুলো সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। পৃথিবীও নাকি একটা গ্রহ। পৃথিবী নাকি তার উপগ্রহ চন্দ্রকে নিয়ে সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সূর্য এক বিশাল অগ্নিপিন্ড। তাহলে আগুণেরও কি আকর্ষণ ক্ষমতা আছে? ধাতব পদার্থ ছাড়া কি স্থায়ী চৌম্বকত্ব বা আকর্ষন ক্ষমতা সম্ভব? সূর্যের যে প্রবল আকর্ষনে পৃথিবী বর্তমান অবস্থানে অবস্থান করছে চন্দ্র প্রত্যেক মাসে আমাবস্যার দিন ঐ প্রবল আকর্ষনের মধ্যে পতিত হচ্ছে। কিন্তু পৃথিবী সূর্যের প্রবল আকর্ষনকে উপেক্ষা করে আমাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত চন্দ্রকে সূর্য থেকে ক্রমশ: দূরে সরায়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাহলে সূর্যের যে প্রবল আর্কষণ পৃথিবীকে নিজের চারিদিকে ঘোরাচ্ছে সূর্যের সে আকর্ষণ আমাবস্যার সময় চন্দ্রকে পৃথিবীর নিকট থেকে বিচ্ছন্ন পূর্বক নিজের চারিদিকে ঘোরাচ্ছে না কেন? সত্যই যদি পৃথিবী চন্দ্রকে নিজের চারিদিকে ঘোরায় &amp;nbsp;তবে আমাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত যেতে চন্দ্রের যে সময় লাগে তার চেয়ে দ্রুত এবং কম সময়ে লাগবে পূর্ণিমার পর থেকে আমাবস্যা পর্যন্ত যেতে। কেননা আমাবস্যার পর থেকে পূর্নিমা পর্যন্ত চন্দ্র সূর্যের আকর্ষন শক্তির বিপরীতে যেতে থাকে আর পূর্ণিমার পর থেকে আমাবস্যা পর্যন্ত চন্দ্র সূর্যের আকর্ষন শক্তি অভিমূখে যেতে থাকে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে চন্দ্রের গতিবেগ আদৌও কি কখনো হ্রাস বা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে? অবশ্য বিজ্ঞানের ধারনা মোতাবেক সূর্য এ বিশাল পৃথিবীকে আকর্ষন করে রাখলে চন্দ্র পৃথিবীর দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে প্রদক্ষিণ করলে সূর্যের আকর্ষন শক্তি সহজে প্রমাণিত হতো। কিন্তু বিজ্ঞানতো পৃথিবীকে ২৪ঘন্টায় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরবার স্বপ্ন দেখছে। যে জন্য কল্পিত সূর্যের প্রচন্ড আকর্ষন ক্ষমতাকে ভূলে গিয়ে নির্বিঘ্নে চন্দ্রকেও পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ২৭.৩ দিনে একবার ঘোরাতে সক্ষম হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;চন্দ্র&amp;nbsp;পৃথিবীর&amp;nbsp;উপগ্রহ নয়:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চন্দ্র পৃথিবীর উপগ্রহ। পৃথিবী পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিটে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। সে জন্য চন্দ্র ২৭.৩ দিনে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করছে। বিজ্ঞানের এ তথ্য সঠিক হলে পৃথিবী হতে চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশ করতে গতিবেগ হ্রাস-বৃদ্ধি নিস্প্রয়োজন বরং চন্দ্র হতে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশের সময় অবশ্যই গতিবেগ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ গতিবেগ পৃথিবীর আহ্নিক গতির সমতূল্য হতে হবে। নতুবা পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়বে। যেমন একটা গতিশীল গাড়িতে উঠতে হলে গাড়ির গতির সমতুল্য গতিসম্পন্ন না হলে গাড়িতে ওঠা অসম্ভব হয়ে পড়ে, অনুরূপ স্বল্প গতি সম্পন্ন চন্দ্রের কক্ষপথ থেকে অধিক গতিসম্পন্ন পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করতে অবশ্য-অবশ্যই পৃথিবীর আহ্নিক গতির সমতুল্য গতি সম্পন্ন হতে হবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার বিপরীত। চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশ করতে অতিক্রান্ত গতিবেগ দরকার হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে কমপে ২.৪ কি. মি.। নতুবা চন্দ্র অভিযান ব্যর্থ হয়ে যাবে। যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে প্রথম ১০টি চন্দ্র অভিযান। দুর্ঘটনা ঘটুক বা যাই হোক না কেন দ্রুতগামী বা গতিশীল গাড়ি থেকে স্বাভাবিক যে কোন গতিতে নামা যাবে না কেন? অর্থাৎ স্বাভাবিক যে কোন গতিতে চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশ করা যাবে না কেন? যেহেতু পৃথিবী থেকে চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশ করতে অতিক্রান্ত গতিবেগ সেকেন্ডে ২.৪ কি. মি. দরকার। সেহেতু চন্দ্রের কক্ষপথ গতিশীল স্রোতের মতই। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সাথে বাস্তবের মিল নেই। অপরদিকে চন্দ্র ২৭.৩ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে বিজ্ঞানের এ তথ্যটিও সঠিক হলে নবমী-দশমীর পর হতে পূর্ণিমার পূর্ব পর্যন্ত &amp;nbsp;সন্ধ্যায় পূর্ব আকাশে চন্দ্রের অন্ধকার অংশ উপরের দিকে দেখা যাবে। কিন্তু ঐ সময় চন্দ্রের অন্ধকার অংশ নিচের দিকে দেখা যায়। অনুরূপ পূর্ণিমার পর হতে ষষ্ঠী-সপ্তমী পর্যন্ত &amp;nbsp;ভোরে পশ্চিমদিকে চন্দ্রের অন্ধকার অংশ উপরের দিকে দেখা যাবে। কিন্তু ঐ সময়ও চন্দ্রের অন্ধকার অংশ নিচের দিকেই দেখা যায়। অর্থাৎ বিজ্ঞান বাস্তবের বিপরীত। প্রকৃতপে স্রোতের ভাসমান বল যেমন ভাসতে ভাসতে আপন অক্ষের উপর ঘুরতে থাকে (বিপরীত প্রতিক্রিয়া) ঠিক তেমনি চন্দ্রও আপন কক্ষপথে ভাসছে অর্থাৎ প্রায় ২৫ ঘন্টায় পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করছে এবং তার বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় প্রায় ২৯দিনে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবীর উপগ্রহ নয়।&lt;br /&gt;
চন্দ্র প্রায় ২৫ ঘন্টায় পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করছে বিধায় চন্দ্র অভিযানের সময় চন্দ্রের কক্ষপথের মধ্যে প্রবেশের জন্য পূর্ব হতে পশ্চিম মুখী হয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। আর বিজ্ঞানের ধারণা মতে চন্দ্র পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৭.৩৩ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করলে পৃথিবী হতে চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশের জন্য পশ্চিম হতে পূর্বমুখী হয়ে প্রবেশ করতে হতো। এমনকি চন্দ্রের কক্ষপথের মধ্যে প্রবেশের পর পশ্চিম হতে পূর্বমুখী হয়ে চলাচল সহজ হতো কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রেও ঘটছে বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার বিপরীত। বাস্তবক্ষেত্রেও চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশের পর পূর্ব হতে পশ্চিমমুখী হয়ে যাওয়া খুব সহজ কিন্তু পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে যাওয়া খুবই কঠিণ ও কষ্টকর। কেননা চন্দ্রের কক্ষপথ পূর্ব হতে পশ্চিমমুখী। ঠিক একই কারণে চন্দ্র পৃষ্ঠে অবতরণের পর চন্দ্র পৃষ্ঠের উপর পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে চলাফেরা যত সহজভাবে চলাচল করা সম্ভব পশ্চিম হতে পূর্বদিকে তত সহজভাবে চলাচল করা সম্ভব নয়। কারণ পশ্চিম হতে পূর্বমুখীতো চন্দ্রের কক্ষপথের স্রোতের বিপরীত দিক। &amp;nbsp;প্রকাশিত- সাপ্তাহিক অহরহ-ঢাকা ৭-১৩ ফেব্রুয়ারী- ১৯৯৬ ইং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;সূর্যের কোন গ্রহ নেইঃ&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
মাত্র পাঁচশত বছর আগে থেকে বিশ্বের বিজ্ঞানীরা ধারনা করেছে যে, সূর্যের গ্রহ নয়টি। প্রত্যেকটি গ্রহ সূর্য থেকে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত এবং ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। সূর্য থেকে গ্রহগুলোর দূরত্বের ভিন্নতা এবং প্রদক্ষিণ সময়ের ভিন্নতার কারণে প্রত্যেকটি গ্রহ প্রতিদিন প্রতিমুহুর্তে পৃথিবী থেকে ভিন্ন ভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করার কথা। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে সত্যিই কি পৃথিবী প্রত্যেকটি গ্রহ থেকে সর্বক্ষণ ভিন্ন ভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে ? যেমন :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;বুধ&amp;nbsp;গ্রহ:&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানের ধারণায় সূর্য থেকে বুধগ্রহের দূরত্ব ৩৬ মিলিয়ন মাইল এবং পৃথিবীর দূরত্ব ৯৩ মিলিয়ন মাইল। বুধগ্রহ সূর্যকে ৮৭.৯৭ দিনে একবার এবং পৃথিবী ৩৬৫.২৬ দিনে একবার প্রতক্ষিণ করছে। উভয়ের প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে বুধগ্রহ পৃথিবী থেকে কখনো ৯৩-৩৬=৯৭ মিলিয়ন মাইল দূরে, আবার কখনও ৯৩+৩৬=১২৯মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করার কথা। পক্ষান্তরে বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভ্রমণকালে সূর্য হতে পৃথিবীর দূরত্ব সর্বদা সমান থাকে না। ৪ঠা জুলাই সূর্য হতে পৃথিবীর দূরত্ব ১৫কোটি ২০লক্ষ কিলোমিটার এবং ৩রা জানুয়ারী ১৪ কোটি ৭০লক্ষ কিমি দূরে থাকে। দূরত্ব বাড়লেও আপাততঃ দৃষ্টিতে আয়তন কমে। বিধায় জুলাই মাসে অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে সূর্যকে একটু ছোট এবং ডিসেম্বর মাসে অর্থাৎ শীতকালীণ সূর্যকে একটু বড় দেখায়। তাহলে বুধগ্রহ যখন পৃথিবী থেকে ১২৯ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করে তখন যে আকার বা আকৃতিতে দেখা যায় তার চেয়ে যখন পৃথিবী থেকে মাত্র ৫৭ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করে তখন বিশাল আকৃতিতে দেখা যায় না কেন? বুধগ্রহের আকার বা আকৃতি পৃথিবী থেকে সব সময় একই রকম দেখা যায় কেন? বিজ্ঞানের ধারনা সঠিক হলে বুধগ্রহ ও পৃথিবীর প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে বাস্তবক্ষেত্রে পৃথিবী থেকে বুধগ্রহ কখনো ৫৭মিলিয়ন মাইল দূরে আবার কখনও ১২৯ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করছে না কেন অথবা করবে না কেন? &amp;nbsp;আবার বিজ্ঞানের কল্পনায় পৃথিবী বার্ষিক গতির সময় হেলে যাওয়ার কারণে সূর্যকে যেমনী শীতকালে দক্ষিণ দিকে আর গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায় তেমনি বুধগ্রহকেও শীত বা গ্রীষ্মে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? বুধগ্রহকে সবসময় একই বরাবর দেখা যায় কেন? অপর দিকে বিজ্ঞানের ধারনায় বুধগ্রহ যেহেতু সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে সেহেতু পৃথিবী কখনই সূর্য ও বুধুগ্রহে মাঝখানে অবস্থান করতে সম নয়। অর্থাৎ কোনদিন মাঝরাতে বুধগ্রহকে মধ্য আকাশে দেখা যাবে না। সত্যই কি বুধগ্রহকে কোন দিন মাঝরাতে মধ্য আকাশে দেখা যায় না ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;শুক্র&amp;nbsp;গ্রহ:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানের ধারনায় সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ৬৭.২ মিলিয়ন মাইল এবং ২২৪.৭ দিনে গ্রহটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। তাহলে পৃথিবী এবং শুক্র গ্রহ উভয়ে প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে শুক্র গ্রহ কখনো পৃথিবী থেকে ৯৩-৬৭.২ = ২৫.৮ মিলিয়ন মাইল দুরে আবার কখনো ৯৩+৬৭.২=১৬০.২ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করবে। শুক্র গ্রহ যখন পৃথিবী থেকে ১৬০.২ মিলিয়ন মাইল অর্থাৎ সূর্যের একপাশে পৃথিবী, অপর পাশে শুক্রগ্রহ অবস্থান করবে তখন শুক্র গ্রহকে যে আকার বা আকৃতিতে দেখা যায় তার চেয়ে অনেক বৃহৎ আকার বা আকৃতিতে দেখা যাবে। আবার যখন শুক্র গ্রহ পৃথিবী থেকে মাত্র ২৫.৮ মিলিয়ন মাইল দূরে অর্থাৎ যখন শুক্র গ্রহ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝ বরাবর অবস্থান করবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে শুক্র গ্রহকে কখনো ছোট বা বড় দেখা যায় না কেন ? শুক্রগ্রহকে সব সময় একই আকার আকৃতিতে দেখা যায় কেন ? বার্ষিক গতির সময় পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে শুক্র গ্রহকে শীত গ্রীষ্মে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? শীত গ্রীস্মে শুক্রগ্রহ একই বরাবর অবস্থান করে কেন ? পক্ষান্তরে বিজ্ঞানের ধারনা মতে যেহেতু শুক্রগহ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝ বরাবর অবস্থিত সেহেতু বাস্তবক্ষেত্রে আদৌও কখনো পৃথিবীর এক পাশে সূর্য ও অপর পাশে শুক্রগ্রহকে দেখা যাবে না। বাস্তবক্ষেত্রে সত্যিই কি পৃথিবীর এক পাশে সূর্য ও অপর পাশে শুক্র গ্রহকে দেখা যায় না ? প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে শুক্রগ্রহ কখনো পৃথিবী থেকে ২৫.৮ মিলিয়ন মাইল দূরে আবার কখনো ১৬০.২ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করছে না কেন ? অথবা করবে না কেন ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;মঙ্গল&amp;nbsp;গ্রহ:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
সূর্য থেকে মঙ্গলগ্রহের থেকে দুরত্ব ১৪১.৬ মিলিয়ন মাইল এবং মঙ্গলগ্রহ ৬৮৬.৯৮ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে থাকে। পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহ উভয়ের প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে যখন সূর্যের এক পাশে পৃথিবী ও অপর পাশে মঙ্গল গ্রহ অবস্থান করবে তখন পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরুত্ব হবে ১৪১.৬+৯৩= ২৩৪.৬ মিলিয়ন মাইল। কিন্তু আদৌও বাস্তবক্ষেত্রে সূর্যের একপাশে পৃথিবী আর অপর পাশে মঙ্গল গ্রহ অবস্থান করে না কেন ? অথবা করবে না কেন ? পক্ষান্তরে পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য ও অপর পাশে মঙ্গল গ্রহ অবস্থান করবে তখন পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরুত্ব হবে ১৪১.৬-৯৩=৪৮.৬ মিলিয়ন মাইল। বিজ্ঞাণের ধারনা মোতাবকে মঙ্গলগ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করলে মঙ্গল গ্রহ কখনোই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝ বরাবর অবস্থান করতে সক্ষম হবে না। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝ বরাবর অবস্থান করে কেন ? আবার মঙ্গল গ্রহ ও পৃথিবী প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে যখন মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে ২৩৪.৬ মিলিয়ান মাইল দুরের অবস্থান করবে তখন যে আকার আকৃতিতে দেখা যাবে তার চেয়ে বিশাল আকৃতিতে দেখা যাবে যখন মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে মাত্র ৪৮.৬ মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করবে। অর্থাৎ মঙ্গল গ্রহ যখন মধ্যরাতে আকাশের মাঝখান বরাবর অবস্থান করে তখন বিশাল আকৃতিতে দেখা যায় না কেন ? আবার শীত গ্রীষ্মে পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে মঙ্গল গ্রহকে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? মঙ্গল গ্রহকে সব সময় একই বরাবর দেখা যায় না কেন ? &amp;nbsp;পক্ষান্তরে প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে পৃথিবী থেকে শুক্রগ্রহ সর্বনিম্ন ২৫.৮ মিলিয়ন মাইল এবং মঙ্গল গ্রহ সর্বনিন্ম ৪৮.৬ মিলিয়ান মাইল দূরে অবস্থান করলে মঙ্গল গ্রহকে কেন পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ বলা হয় ? শুক্র গ্রহকে কেন পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ বলা যাবে না ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;বৃহস্পতি&amp;nbsp;গ্রহ:&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;সূর্য থেকে বৃহস্পতি গ্রহের দুরুত্ব ৪৮৩.৬ মিলিয়ন মাইল এবং গ্রহটি সূর্যকে ১১.৮৬ বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে। তাহলে পৃথিবী ও বৃহস্পতি গ্রহ প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে পৃথিবী থেকে বৃহস্পতি গ্রহ কখনো ৪৮৩.৬-৯৩=৩৯০.৬ মিলিয়ন মাইল দুরে, আবার কখনো ৪৮৩.৬+৯৩ = ৫৭৬.৬ মিলিয়ান মাইল দুরে অবস্থান করে না কেন ? অথবা করবে না কেন ? আবার পৃথিবী থেকে বৃহস্পতি গ্রহ যখন ৫৭৬.৬ মিলয়ন মাইলে দুরে অবস্থান করে তখন যে আকার আকৃতিতে দেখা যায় তার চেয়ে আরও অধিক বৃহৎ আকার আকৃতিতে দেখা যাবে যখন বৃহস্পতি গ্রহ পৃথিবী থেকে ৩৯০.৬ মিলয়ন মাইল দুরে অবস্থান করবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে আদৌ কখনো বৃহস্পতি গ্রহকে ছোট বা বড় আকৃতিতে দেখা যায় না কেন ? সবসময় একই আকৃতিতে দেখা যায় কেন ? আবার পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারনেও বৃহস্পতি গ্রহকে শীত ও গ্রীষ্মে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? সবসময় একই বরাবর দেখা যায় না কেন ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;শনি&amp;nbsp;গ্রহ:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূর্য থেকে শনি গ্রহের দূরত্ব ৮৮৮.২ মিলিয়ন মাইল । গ্রহটি ২৯.৪৬ বছরে সূর্যকে একববার প্রদক্ষিণ করে। তাহলে বাস্তবক্ষেত্রে পৃথিবী ও শনি গ্রহের প্রদক্ষিণ সময়ের ব্যবধানে পৃথিবী থেকে শনি গ্রহ কখনো ৮৮৮.২+৯৩=৯৮১.২ মিরিয়ন মাইল দুরে, আবার কখনো ৮৮৮.২ -৯৩=৭৯৫.২ মিলিয়ন মাইল দুরে অবস্থান করে না কেন ? অথবা করবে না কেন ? শনি গ্রহ যখন পৃথিবী থেকে ৭৯৫.২ মিলিয়ন মাইল দুরে থাকে তখন অতি বৃহৎ আবার যখন ৯৮১.২ মিলিয়ান মাইল দুরে অবস্থান করে তখন অতি ক্ষুদ্র দেখা যায় না কেন ? অথবা দেখা যাবে না কেন ? পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময় পৃথিবী হেলে যাবার কারনে শনি গ্রহকেও সূর্যের মতই শীতকালে দক্ষিণ দিকে এবং গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায় না কেন ? অথবা দেখা যাবে না কেন ? শীত গ্রীষ্মে সব সময় একই বরাবর দেখা যায় কেন ? প্রকৃত পক্ষে প্রত্যেকটি গ্রহ সব সময়ই পৃথিবী থেকে অভিন্ন দুরুত্বে অবস্থান করছে। অথচ গ্রহগুলো যদি সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় বা ঘুরে তাহলে প্রত্যেকটি গ্রহ প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে পৃথিবী থেকে ভিন্ন ভিন্ন দুরুত্বে অবস্থান করবে। যে জন্য পৃথিবী থেকে যে কোন গ্রহ বা নক্ষত্রের সঠিক দুরুত্ব নির্নয় করা কোন ক্রমেই সম্ভব হবে না। বাস্তবক্ষেত্রে যেহেতু প্রত্যেকটি গ্রহ সব সময় পৃথিবী থেকে অভিন্ন দুরুত্বে অবস্থান করছে সেহেতু গ্রহগুলো সূর্য কেন্দ্রীক নয় বরং পৃথিবী কেন্দ্রীক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রকাশিত: দৈনিক তথ্য-খুলনা। ২৬শে ডিসেম্বর ১৯৯৫ইং। বিজ্ঞান সাপ্তাহিক অহরহ-ঢাকা। ১৭-২৩ জানুয়ারী ১৯৯৬ ইং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;নক্ষত্রগুলোও কি সূর্য কেন্দ্রিক ?&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার । বিজ্ঞানের ধারণা মোতাবেক পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদনি করলে পৃথিবী প্রায় প্রত্যেকটি নক্ষত্র থেকে কখনো ৩০ কোটি কিমি দূরে আবার কখনো ৩০কোটি কিমি নিকটে অবস্থান করবে। পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষণকালে যখন যে নক্ষত্র থেকে ক্রমান্বয়ে দূরে যেতে থাকবে তখন সে নকে ক্রমশঃ ছোট দেখা যাবে। আবার পৃথিবী যখন ক্রমান্বয়ে যে নক্ষত্রের নিকতবর্তী হতে থাকবে তখন সে নক্ষত্রকে ক্রমশঃ বৃহৎ-অতিবৃহৎ দেখা যাবে। পৃথিবী প্রতিমুহর্তে কোন কোন নক্ষত্র থেকে দুরে আবার কোন কোন নক্ষত্রের নিকটবর্তী হওয়ার কথা। যেজন্য পৃথিবী থেকে অসংখ্য নক্ষত্রকে ক্রমশঃ ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর আবার অসংখ্য নক্ষত্রকে ক্রমশঃ বৃহৎ হতে অতিবৃহৎ দেখা যাবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে একটা নক্ষত্রকেও আদৌ কখনও ছোট বা বড় দেখা যায় না কেন ? অথবা দেখা যাবে না কেন ? &amp;nbsp;সারা বছরই প্রত্যেকটি নক্ষত্রকে একই আকার বা আকৃতিতে দেখা যায় কেন ? যেমন- সপ্তর্ষীমন্ডল (সাত তাঁরা) ও ক্যাসিওপিয়া (তিন তাঁরা) নক্ষত্র গোটা বিশ্ববাসীর খুবই পরিচিত নক্ষত্র। বিজ্ঞানের ধারণা অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ কালে যখন সূর্যের একপাশে পৃথিবী আর অপর পাশে সপ্তর্ষীমন্ডল বা ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্র অবস্থান করবে তখন যে দুরত্বের ব্যবধানে থাকবে তার চেয়ে ৩০কোটি কিলোমিটার অধিক নিকটবর্তী অবস্থান করবে যখন পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অপর পাশে সপ্তর্ষী মন্ডল বা ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্র থাকবে। অর্থাৎ ছয়মাস যাবৎ সপ্তর্ষীমন্ডল বা ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রকে ক্রমশঃ ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর বা ছোট থেকে ছোট দেখা যাবে। আবার ছয়মাস যাবৎ একটানা ক্রমশঃ বৃহৎ হতে অতিবৃহৎ দেখা যাবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে &amp;nbsp;গোটা বিশ্বের কেহ কি কোনদিন সপ্তর্ষীমন্ডল অথবা ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রকে বিন্দুমাত্র ছোট বা বড় দেখেছেন ? সারা বছর একই আকার বা আকৃতিতে দেখা যায় কেন ? পৃথিবী হেলে যাওয়ার কারণে সূর্যকে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা গেলে সপ্তর্ষীমন্ডল বা ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রকেও উত্তর বা দক্ষিণ দিকে দেখা যায় না কেন ? অথবা দেখা যাবে না কেন ? আকাশের কোন্ নক্ষত্রটি সূর্যের মতই কখনও ছোট আবার কখনও বড়, কখনও উত্তর দিকে আবার কখনও দক্ষিণ দিকে দেখা যায় ? সেকেন্ডে ৩০ কিমি বেগে ধাবিত পৃথিবী আকাশের কোন্ নক্ষত্র থেকে প্রতি মূহুর্তে ভিন্ন ভিন্ন দুরত্বে অবস্থান করছে ? পক্ষান্তরে পৃথিবীর উত্তর মেরু বরাবর একটা নক্ষত্রকে (ধ্র“বতাঁরা) সব সময় একই স্থানে দেখা যায়। তাহলে বিজ্ঞানের ধারণা মতে পৃথিবী বার্ষিক গতির সময় শীতকালে ৪৭ ডিগ্রি উত্তর দিকে হেলে যাওয়ার কারণে ধ্র“বতাঁরাকে ৪৭ ডিগ্রী উত্তরে দেখা যায় না কেন ? অথবা যাবে না কেন ? আবার পৃথিবী গ্রীষ্মকালে ৪৭ ডিগ্রী অধিক দক্ষিণ দিকে হেলে যাওয়ার কারণে ধ্র“বতাঁরাকে ৪৭ ডিগ্রী নীচের দিকে দেখা যায় না কেন ? অথবা যাবে না কেন ? &amp;nbsp;তাহলে পৃথিবী কি আকাশের সকল নক্ষত্রসহ সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রকৃতপক্ষে সূর্য সেকেন্ডে প্রায় ১১০০০ (এগার হাজার) কিলোমিটার গতিতে অর্থাৎ ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিটে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করছে এবং তার বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় (নিউটনের তৃতীয় সূত্র) প্রায় ২৫ দিনে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। অপরদিকে চন্দ্র প্রায় ২৫ ঘন্টায় পৃথিবীকে একবার &amp;nbsp;প্রদক্ষিণ করছে এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় প্রায় ২৯ দিনে আপন অক্ষের উপর একবার ঘুরছে। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর দিকে আবস্থান পূর্বক সবচেয়ে বেশী দূরের থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে বিধায় দিন লম্বা হচ্ছে এবং শীতকালে দক্ষিণ দিকে এবং নিকটে থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে বিধায় দিন ছোট হচ্ছে। পক্ষান্তরে শীতকালে রাত লম্বা বিধায় চন্দ্র উত্তর দিকে অবস্থান পূর্বক পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এবং গ্রীষ্মকালে রাত ছোট বিধায় চন্দ্র দক্ষিণ দিকে অবস্থান পূর্বক পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। কারণ গোটা সৃষ্টি জগতের মধ্যে পৃথিবীই কেন্দ্র বিন্দু।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;পৃথিবী&amp;nbsp;সৃষ্টির&amp;nbsp;রহস্য:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
মাত্র একটা শুক্রকীট থেকে যেমন একজন মানুষ সৃষ্টি তেমনি মুহাম্মদ (সাঃ) এর থেকেই সৃষ্টি জগতের সব কিছুই সৃষ্টি। বিশ্বের প্রত্যেকটি মানুষ ও মুহাম্মদ (সাঃ) এর থেকেই সৃষ্টি বিধায় প্রত্যেকটি মানুষ মাতৃগর্ভে আরবি শব্দ মুহাম্মদ আকৃতিতে অবস্থান করে থাকে। এমনকি মানুষ যে শুক্রকীট থেকে সৃষ্টি সে শুক্রকীটটিও আরবি শব্দ মুহাম্মদ আকৃতি বিশিষ্ট। প্রত্যেকটি মানুষ প্রথমে মাতৃগর্ভে তরল অবস্থায় থাকে অতঃপর জমাট রক্তে পরিনত হয় অতঃপর মাংস পিন্ডে পরিশেষে পূর্ণাঙ্গ মানব আকৃতিতে ভূমিষ্ট হয়। (আমি মানুষকে মাটির সারাংশ হইতে সৃষ্টি করিয়াছি। তৎপর আমি তাহাকে বীর্য হইতে সৃষ্টি করিয়াছি, যাহা এক সুরতি স্থানে ছিল। অতঃপর আমি উক্ত শুক্রকীটকে জমাট রক্তে পরিনত করিলাম, অত:পর আমি উক্ত জমাট রক্তকে মাংস পিন্ডে পরিনত করিলাম, অতঃপর উক্ত মাংস পিন্ডকে হাড় সমূহে রূপান্তরিত করিলাম। পরে উক্ত হাড়গুলিতে মাংস জড়াইলাম, তৎপর আমি উহাকে গড়িয়া তুলিলাম অন্য এক সৃষ্টি রূপে। –সূরা মু’মিনুন ১২, ১৩ ও ১৪ নং আয়াত)। ঠিক একইভাবে পৃথিবীও সৃষ্টি। মানুষের জন্ম বৃত্তান্ত আর পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য হুবহু একই রূপ। বিন্দু মাত্র পার্থক্য নেই বললেও ভুল হবে না। পৃথিবীও সৃষ্টির প্রথমে আল্লাহর আরশের নিচে তরল অবস্থায় ছিল। (তিনি এমন যে, সমস্ত আসমান ও যমীনকে পয়দা করিয়াছেন ৬ দিবসে এবং সেই সময় তাঁহার আরশ পানির উপরে ছিল ; সূরা হূদ ৭নং আয়াত)। অতঃপর জমাট রক্তের মত অর্থাৎ পঁচা কাঁদা অত:পর মাংস পিন্ডে অর্থাৎ খনখনে মাটিতে পরিনত করা হয়। (নিশ্চয়ই আমি মানবকে খনখনে মাটি দ্বারা যাহা পঁচা কাদা হইতে তৈরি-সৃষ্টি করিয়াছি। সূরা হিজর ২৬ নং আয়াত)। অতঃপর পূর্ণাংগ মানব আকৃতিতে অর্থাৎ পৃথিবীতে পর্বত মালা স্থাপন, উদ্ভিদ, প্রাণী ও নানবিধ উপকারী পদার্থ সমূহ স্থাপন করা হয়। (সূরা হামীম-আসসজদাহ-১০,১১ ও ১২ নং আয়াত)। অতঃপর মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হওয়ার মতই পৃথিবীও আল্লাহর আরশ থেকে পৃথক বা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। (আসমান ও যমীন বন্দ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলিয়া দিলাম-সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াত)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শক্তির নিত্যতা নীতি ও গতিশক্তি অনুসারেও মানব দেহ ও পৃথিবী সৃষ্টির মধ্যে পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে। মানব দেহে চর্ম বা ত্বক আছে- পৃথিবীতেও ভূ-ত্বক আছে। দেহে মাংস আছে- ভূস্তর আছে। দেহে হাড় আছে- পৃথিবীতে শিলা আছে, দেহে রক্ত আছে- পৃথিবীতে পানি আছে, দেহে ধমনী -শিরা- উপশিরা আছে, পৃথিবীতে মহাসাগর-সাগর-নদী আছে, দেহে রক্তের সংকোচন সম্প্রসারন হয়-পৃথিবীতে জোয়ার- ভাটা হয়, দেহের মধ্যে হৃদপিন্ড আছে- পৃথিবীর হৃদপিন্ড কাবাঘর আছে, দেহের বিভিন্ন অংশ স্পন্দিত হয়-পৃথিবী বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়, সহবাসে বা দৈহিক মিলনে মানুষের বীর্যপাত ঘটে- পৃথিবীতে অনুভূমিক বা গিরিজনি আলোড়ন হয়, মাতৃগর্ভ থেকে সন্তান ভূমিষ্ট হয়-পৃথিবীতে মহিভাবক আলোড়ন হয়, মানুষের পেটে গ্যাস হয়-ভূ-অভ্যন্তরে গ্যাস হয়, মানুষ প্রস্রাব করে- ভূগর্ভ থেকে তরল খনিজ সম্পদ বের করা হয়, মানুষ পায়খানা করে-ভূগর্ভ থেকে কঠিন খনিজ সম্পদ উত্তোলন করা হয়। দেহের উপর মাথা আছে-পৃথিবীর উপর আসমান আছে। এক কথায় অসংখ্য কোষের সমষ্টি মানব দেহ আর অসংখ্য মানব দেহের &amp;nbsp;সমষ্টি পৃথিবী। অর্থাৎ পৃথিবীর গতি শক্তি (ক.ঊ) মানুষ। যে জন্য মানুষের মতই এ পৃথিবীও এক সময় শিশু ছিল, কিশোর ছিল, যুবক ছিল-তখন পৃথিবী মানুষের মতই আয়তনে বৃদ্ধি পেয়েছিল (তিনি এমন যে, তিনি পৃথিবীকে প্রসারিত করিয়াছেন-সূরা রাদ ৩ নং আয়াত)। বর্তমানে পৃথিবী বৃদ্ধ মানুষের মতই বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে। পৃথিবী বৃদ্ধ মানুষের মতই চারিদিক থেকেই য় প্রাপ্ত হচ্ছে (তাহারা কি ইহা দেখিতেছে না যে, আমি যমীন কে উহার চতুর্দিক হইতে সংকীর্ন করিয়া আনিতেছি-সূরা আম্বিয়া ৪৪ নং আয়াত।) সুষম খাদ্য আর ঔষধ- পথ্য যেমনী বৃদ্ধ মানুষের ক্ষয়রোধ বা মৃত্যুকে রোধ করতে পারে না-তেমনি উন্নত প্রযুক্তি আর সকল প্রকার চেষ্টা সাধনাও পৃথিবীর ক্ষয়রোধ করতে বা পৃথিবীকে ধ্বংস অর্থাৎ কেয়ামতকে রুখতে পারবে না। অচিরেই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে অর্থাৎ কেয়ামোত শুরু হয়ে যাবে (কেয়ামত নিকটে আসিয়া পড়িয়াছে এবং চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হইয়া গিয়াছে-সূরা ক্বমার-১নং আয়াত।) প্রকাশিত সাপ্তাহিক সমুসলিম জাহান-ঢাকা,বর্ষ-৬ ; সংখ্যা ৬; বুধবার ১৫-২১মে ১৯৯৬ ইং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;রাত&amp;nbsp;দিন&amp;nbsp;সৃষ্টির&amp;nbsp;রহস্য:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
পৃথিবী স্থির। অর্থাৎ পৃথিবীর আহ্নিক গতি বা বার্ষিক গতি সম্পূর্ন ভূল। কেননা পৃথিবীতে অবস্থিত কাবাঘর আর আসমানে অবস্থিত বায়তুল মামুর একই সোজা। কখনো বিন্দু মাত্র এদিক সেদিক হয়না। অবশ্য সূরা আম্বিয়ার ৩৩ নং আয়াত (তিনি এমন মতাবান যিনি রাত দিন সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন; প্রত্যেকে নিজ নিজ কপথে সাঁতার কাটছে) এর উপর ভিত্তি পূর্বক অনেকে ধরনা করে তাকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারনেই রাত দিন হয়ে থাকে। তাদের এই ধারনা আদৌও সঠিক নয়। কারন নারী পুরুষ পরস্পরের সাথে দৈহিক ভাবে মিলিত হলে যেমনি একজন মানুষের জন্মের সূচনা হয়, ঠিক তেমনি রাত ও দিন পরস্পরের সাথে মিলিত হলে সুবেহ সাদিক (ভোর) শুরু হয়। মানুষ যেমনি মার্তৃগর্ভে ক্রমশঃ রুপান্তরিত হতে হতে এক সময় মার্তৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়। ঠিক তেমনি আঁধারও বিদূরিত হতে হতে এক সময় সূর্য উদয় হয়। সূর্য উদয়ের পর যেমনি এক সময় দূপুর হয়, বিকাল হয় অত:পর সূর্য অস্ত যায়। ঠিক তেমনি মানুষও জন্মের পর যুবক হয়, বৃদ্ধ এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মতই পৃথিবী থেকে চির বিদায় গ্রহন করে। সূর্য যেমন কখনোই স্থির নেই ,সব সময়ই চলছে বা ঘুরছে- মানূষের বয়সও তেমন কখনোই স্থির নেই, সব সময়ই চলছে। সূর্য উদয় হলে যেমন অস্ত যায় – মানুষও তেমন জন্মালে অবশ্যই মারা যায়। কোনদিনই যেমন সূর্য উদয় হওয়া ও অস্ত যাওয়া বন্ধ নেই-তেমন মানুষের ও জন্ম ও মৃত্যু কখনো বন্ধ নেই। প্রতি মূহুর্তে সূর্য যেমন পৃথিবীর কোথাও না কোথাও উদিত হচ্ছে আবার প্রতিমূহুর্তে কোথাও না কোথাও অস্ত যাচ্ছে- তেমন প্রতিমূহুতে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও মানুষ জন্ম গ্রহন করছে আবার প্রতিমূহর্তে কোথাও না কোথাও মানুষ মৃত্যুবরন করছে । এক কথায় সূর্য উদয় হওয়া ও অস্ত যাওয়া মানুষের জন্ম ও মৃত্যুর নমুনা মাত্র। “আল্লাহ দিন ও রাতকে পরিবর্তর করেন ; তাতে জ্ঞানবানদের জন্য তাওহীদের প্রমান রয়েছে” (সূরা নূর -৪৪ নং আয়াত)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পান্তরে সূর্য অস্ত যাওয়ার পরও যেমন কিছুন রক্তিম (লাল) আভা বা গোধুলি লগ্ন বিরাজমান থাকে এবং পরিশেষে আঁধারের পরিপূর্নতা শুরু হয়- ঠিক তেমনী মানুষের মৃত্যুর পরই শুরু হয় বরঝাক বা কবর জীবন এবং পরিশেষে গোধুলীর বিদায় লগ্নের মতই শেষ হয়ে যাবে বরঝাক বা কবর জীবনও । অর্থাৎ মৃত্যুর পর দেহ যেমন পঁচে-গেলে নি:শেষ বা ধ্বংস হয়ে যায় ঠিক তেমনই বরঝাক জীবন শেষে রাতের আঁধার শুরুর মতই পৃথিবীরও ধ্বংস (কিয়ামত) হয়ে অনাদী অনন্ত কালের জীবন শুরু হবে। রাত যেমন অন্ধকারময় নতুবা চন্দ্রের আলোয় আলোকময় হয়- তেমন মানুষের মৃত্যুর পরের জীবনও আযাব-গজবময় নতুবা চন্দ্রের আলোর মতই আলোকময় অর্থাৎ আরাম আয়েশের বা শান্তিময় হবে। কোন কোন দিন &amp;nbsp;আলোকময় হয় তেমন মানুষের মৃত্যুর পরের জীবনও আজাব গজবময় নতুবা চন্দ্রের আলোর মতই আরাম-আয়েশ বা শান্তিময় হবে। কোন কোন দিন সূর্য অস্তের পরপরই যেমন চন্দ্রকে দেখা যায় ঠিক তেমন মৃত্যুর পরপরই কোন কোন মানুষ শান্তি বা আরাম-আয়েশ ভোগ করবে। পূর্নিমার পূর্ব পর্যন্ত যেমনী প্রতিদিন চন্দ্র একটু একটু পরে অস্ত যায় তেমনী কোন কোন মানুষ ভালো আমল করার কারণে মৃত্যুর পর থেকেই আরাম আয়েশ উপভোগ করতে থাকবে। কিন্তু অন্যের হক নষ্ট করার কারনে নিজের সমুদয় নেক আমল পাওনাদারকে দিয়ে পাওনাদারের সকল পাপকে নিয়ে আজাব-গজবে পতিত হবে। দীর্ঘ ৫০ হাজার বছরকাল ব্যাপী বিচারকার্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অনেকেই হক নষ্ট করার দায়ে আরাম-আয়েশের জীবন থেকে আজাব গজবের জীবনে প্রবেশ করবে। আবার কোন কোন দিন যেমন সূর্য অস্ত যাওয়ার কিছুন পর চন্দ্রকে উদিত হতে দেখা যায় ঠিক তেমন কোন কোন মানুষ মৃত্যুর পর কিছুদিন শাস্তি বা আযাব-কষ্ট ভোগ করার পর শান্তি বা আরাম-আয়েশ উপভোগ করবে। এমনি ভাবে চন্দ্র যেমন প্রতিদিন একটু একটু দেরীতে উদিত হয় ঠিক তেমন মৃত্যুর পরও এক এক শ্রেনীর মানুষ ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে শাস্তি বা আযাব-কষ্ট ভোগ করার পর শান্তি বা আরাম-আয়েশ উপভোগ করবে। আমাবশ্যার রাতে যেমন বিন্দুমাত্র চন্দ্রের আলোই থাকে না তেমন কোন মানুষ মৃত্যুর পর অনাদী অনন্তকাল যাবত শাস্তি বা আযাব-কষ্ট ভোগ করবে ’বিন্দু মাত্র আরাম-আয়েশ ভোগ করতে পারবে না। অনুরূপ পূর্নিমার রাতে যেমন সন্ধ্যা থেকে সারা রাতই চন্দ্রের আলো থাকে বিন্দুমাত্র আঁধার থাকে না ঠিক তেমন মৃত্যুর পর পরই কোন কোন মানুষ শান্তি বা আরাম-আয়েশ ভোগ করা শুরু করবে বিন্দুমাত্র শাস্তি বা আযাব-কষ্ট তারা কখনই ভোগ করবে না। মানুষ দিনের বেলায় যেসব খাদ্র দ্রব্য সংগ্রহ করে রাতে সে সেসব খাদ্র দ্রব্যই ভন করে। অনুরূপ মানুষও সারা-জীবন যে যেমন কর্ম করবে মৃত্যুর পর সে তেমনই ফল ভোগ করবে। “তিনি এমন যিনি তোমাদের জন্য রাত বানিয়েছেন যেন তোমরা স্বস্তি লাভ কর; আর দিনকে এমন ভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, তা হচ্ছে দেখা শোনার উপকরন; তাতে তাওহীদের প্রমান সমূহ রয়েছে, তাদের জন্য যারা শোনে”(সূরা ইউনুছ-৬৭নং আয়াত)। “আর তিনি স্বীয় অনুগ্রহে তোমাদের জন্য রাত ও দিনকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরনা রাতে আরাম কর এবং দিনে তার দেয়া জীবিকা অন্বেষন কর”- (সূরা ক্বাছাছ-৭৩ নং আয়াত)। অবশ্য যদিও সূর্য অস্ত যেয়ে রাত হতে দেখা যায় তবুও সূর্য একেবারেই অদৃশ্য হয়ে যায় না। অন্য কোথাও না কোথাও সূর্যকে দেখা যায় ঠিক তেমনী মানুষ মারা গেলেও বা মরে যাওয়া মানুষ অন্য কোথাও না কোথাও সূর্যের মতই দৃশ্যমান থাকে বা জীবিত থাকে। একেবারে ধ্বংস বা নিস্ব:শেষ হয়ে যায় না। (বরঝাক জীবন)। অনুরুপ ভাবে সূর্য উদয়ের পূর্বে যেমনি অন্য কোথাও না কোথাও সূর্যের অস্তিত্ব থাকে বা দৃশ্যমান থাকে ঠিক তেমনি জন্মের পূর্বে কোথাও না কোথাও অস্বিত্ত থাকে বা দৃশ্যমান থাকে (আলমে আরওয়া)। উদয় হওয়া ও অস্ত যাওয়ার সময় নিজতেজতা পরিলতি হলেও প্রকৃত পে সূর্যের প্রখরতা ও তেজক্রিয়তা যেমনি বিন্দুমাত্র &amp;nbsp;হ্রাস বা বৃদ্ধি হয় না, ঠিক তেমনি জন্ম ও মৃত্যর সময়ও মানুষের রুহু বা আত্মা বা জীবনী শক্তির বিন্দু মাত্র তারতম্য ঘটে না (শক্তির নিত্যতা)। পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত যত মানুষ জন্ম গ্রহন করেছে এবং পৃথিবীর ধ্বংস বা কেয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত যত মানুষই জন্মাবে প্রত্যেকের রুহু বা আত্মা আলমে আরওয়া মধ্যে সংরতি। প্রত্যেকটি মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমূদয় দৈহিক শক্তি আলমে আরওয়ার মধ্যে সংরতি নতুন করে কারো দৈহিক শক্তি বা আত্মা সৃষ্টি করা হয় না। আলমের আরওয়া থেকে কোন মানুষের রুহু বা আত্মা বা দৈহিক শক্তি বের হওয়া শুরু করলে সে জন্মলাভ করে এবং আলমের আরওয়া থেকে দৈহিক শক্তি আসা বন্ধ হয়ে গেলে সে মারা যায়। (শক্তির নিত্যতা)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;সূর্য&amp;nbsp;সৃষ্টির&amp;nbsp;রহস্য:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
বিজ্ঞান সূর্য সৃষ্টি সর্ম্পকে যে তথ্য প্রদান করেছে তা আদৌ নির্ভুল নয়। কারণ বিজ্ঞানীদের বাস্তব পরিক্ষীত জ্ঞান চন্দ্র পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। যে জন্য সূর্য সম্পর্কে বিজ্ঞান যে ধারণামূলক তথ্য প্রধান করেছে তা সঠিক বলে গণ্য হতেই পারে না। কিন্তু মুহাম্মদ (সাঃ) এর বাস্তব পরিক্ষীত জ্ঞান ছিল সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আরশ পর্যন্ত। যা কল্পনা করার জ্ঞান ও এ যুগের বিজ্ঞানীদের নেই। সামান্য মঙ্গলগ্রহ অভিযান (সফল করা) নিয়ে তারা নাকানী চুবানী খাচ্ছে। অথচ মুহম্মদ (সাঃ) এর নিকট এসব অভিযান ছিল একেবারেই তুচ্ছাতিতুচ্ছ। তাহলে তিনি সূর্য সৃষ্টি সস্পর্কে যে তথ্য প্রদান করেছেন তা নিশ্চয়ই সম্পূর্ণ নির্ভুল হবে। কেননা তিনি যে তথ্য প্রদান করেছেন তা তাঁর বাস্তব পরিক্ষীত। বোখারী শরীফের ৩২৮ নং হাদীসে বর্ণিয়ত আছে- “আবু হুরায়রা (রাঃ)তে বর্ণিত হযরত মুহম্মদ (সাঃ) ফরমায়েছেন, যখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তখন যোহরের নামাজ একটু দেরী করে ঠান্ডার সময় পড়, কারণ অত্যাধিক তাপমাত্রা জাহান্নামের অগ্নিশিখার উত্তাপ। জাহান্নামের অগ্নি একবার আল্লাহর দরবারে নালিশ দায়ের করলো- হে পরওয়ারদিগার; আমরা সর্বদা জাহান্নামের বেষ্টনীর মধ্যে আবদ্ধ আছি। আপনার অনুমতি ব্যাতীত আমরা বাইরের দিকে নি:শ্বাস ও ত্যাগ করতে পারিনা। আমাদের সমস্ত উত্তাপ এই বেষ্টনীর ভিতরেই আবদ্ধ। তাই আমরা একে অন্যের দ্বারা ভস্ম হচ্ছি। তখন আল্লাহ দু’প্রকারের জাহান্নামকে দুটো নি:শ্বাস বাহিরের দিকে ছাড়বার অনুমতি দান করলেন। একটা গ্রীষ্মকালে ও অপরটা শীতকালে। গ্রীষ্মকালের অত্যাধিক উত্তাপ যা জাহান্নামের গরম নিশ্বাস থেকে উৎপত্তি হয় এবং শীতকালের অধিক ঠান্ডার প্রকোপও জাহান্নামের ঠান্ডা নি:শ্বাস হতে উৎপত্তি হয়। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সূর্য যখন সুমেরুর দিকে অর্থাৎ পৃথিবীর উপর লম্বভাবে বা খাড়া ভাবে কিরন দেয় তখন গরম লাগে বা গ্রীষ্মকাল হয়। আর সূর্য যখন কুমেরুর দিকে অর্থাৎ পৃথিবীর উপর তীর্ষকভাবে বা বাঁকাভাবে কিরণ দেয় তখন ঠান্ডা লাগে বা শীতকাল হয়। বিজ্ঞানের এ ধারণা সঠিক নয়। কারণ শীতকালে সূর্য গ্রীষ্মকালের তুলনায় পৃথিবীর ৫ মিলিয়ন কি.মি. অধিক নিকটে অবস্থান করে থাকে। অর্থাৎ ৪ঠা জুলাই বা গ্রীষ্মকালে সূর্য পৃথিবী থেকে ১৫২ মিলিয়ন কি.মি. দূরে এবং ৩রা জানুয়ারী বা শীতকালে ১৪৭ মিলিয়ন কিমি দূরে অবস্থান করে থাকে। তাহলে নিশ্চয়ই গরমকালের তুলনায় শীতকালে অধিক গরম অনুভূত হবে। কারন হিটার যত নিকটে থাকবে গরম তত বেশীই লাগবে। আবার হিটার যত দুরে থাকবে গরমও তত বেশী লাগবে বা ঠাণ্ডা বেশী লাগবে। কিন্তু সূর্যের ক্ষেত্রে &amp;nbsp;ঘটছে তার বিপরীত। অর্থাৎ সুমেরু কুমেরুর দিকে বা পৃথিবীর অধিক নিকটে বা দূরে সূর্যের অবস্থানের ফলে শীত গ্রীষ্ম বা ঋতু পরিবর্তন হয় না। প্রকৃতপে ঋতু পরিবর্তনের কারন হলো-জাহান্নাম দু প্রকার। এক প্রকার &amp;nbsp;জাহান্নাম ভীষন গরম ও আর এক প্রকার জাহান্নাম খুব ঠাণ্ডা। দেহের ভিতর অবস্থিত ফুসফুসের ভিতর থেকে যেমনই গরম ঠাণ্ডা হাওয়া বা নিঃশ্বাস নাক দিয়ে বের হয়ে আসছে ঠিক তেমনী আল্লাহর আরশের নীচে সুবর্ণ সেজদারত বা অবনত দু’প্রকার জাহান্নামের উপরের গরম ও ঠাণ্ডা হাওয়া বা নিঃশ্বাস সূর্যে ভেতর দিয়ে বের হয়ে আসছে। ফুসফুসের ভিতর থেকে বের হয়ে আসা ঠাণ্ডা ও গরম হাওয়া বা নিঃশ্বাস যেমনই গরম অনুভূত হয় ঠিক তেমনই সূর্যের ভিতর দিয়ে বের হয়ে আসা ঠাণ্ডা ও গরম হাওয়া বা নিঃশ্বাস বা সূর্যের কিরন শীত গ্রীষ্মে উভয় সময়ই গরম অনুভূত হয়। ফুসফুসের ভেতরের ঠান্ডা হাওয়া বের হওয়ায় নাক যেমনই ঠাণ্ডা বা শীতল বা ধ্বংস হয়ে যায় না, ঠিক তেমনী সূর্যের ভিতর দিয়েও জাহান্নামের, ঠাণ্ডা হাওয়া বের হয়ে আসায় সূর্যও শীতল বা শীতল বা ধ্বংস হয়ে যায় না। ফুসফুসের ভিতর থেকে কোন্ পথে বা কিভাবে নাক দিয়ে হাওয়া বা নিঃশ্বাস বের হয় তা যেমনই সকলে জানেন না তেমনই জাহান্নামে থেকে সূর্যের ভিতর দিয়ে কিভাবে এবং কোন্ পথে হাওয়া বা নিঃশ্বাস বের হয়ে আসছে তা অন্তর চোখ খোলা না থাকলে দেখা যায় না। নাক যেমনই দেহের অবিচ্ছেদ্য অংশ সূর্যও তেমনই জাহান্নামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে জন্য কেয়ামতের দিন সূর্যকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে (হাদীস-মেশকাত শরীফ)। এক কথায় সূর্য জাহান্নামের নাক। আর আল্লাহ কর্তৃক জাহান্নাকে নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করার অর্থই সূর্যকে সৃষ্টি করা (কুন ফায়া কুন )। যেন সূর্যের ভিতর দিয়ে জাহান্নামের হাওয়া বা নিঃশ্বাস বের হয়ে আসতে পারে। অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তন হতে পারে। অবশ্য ফুসফুসের ভিতর থেকে যেমনী নাক দিয়ে একবার ঠাণ্ডা নিঃশ্বাস বের হয় এবং পরের বার গরম নিঃশ্বাস বের হয় ঠিক তেমনী জাহান্নাম থেকেও সূর্যের ভিতর দিয়ে একবার ঠাণ্ডা হাওয়া বা নিঃশ্বাস বের হয় এবং পরের বার গরম হাওয়া নিঃশ্বাস বের হয়। যে জন্য শীতের শুরুতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে বিগত দিনের তুলনায় বেশী গরম অনুভূত হয়। কারন সূর্যের ভিতর দিয়ে বের হয়ে আসা ঠাণ্ডা হাওয়া মেঘে বাধাপ্রাপ্ত হয়। আবার শীতের শেষে বা&amp;nbsp;গরমের শুরুতে আকাশ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে পূর্বের দিনের তুলনায় সেদিন ঠাণ্ডা বা শীত বেশী অনুভূত হয়ে থাকে। কেননা ঐ সময় সূর্যের ভিতর দিয়ে বের হয়ে আসা জাহান্নামের গরম হাওয়া মেঘে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। (প্রকাশিত -সাপ্তাহিক মুসলিম জাহান-ঢাকা)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;সহীহ&amp;nbsp;হাদিসের&amp;nbsp;আলোকে:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা প্রথম আসমানকে সুসজ্জিত করেছেন নক্ষত্ররাজি দিয়ে। আর বিশ্বের বিজ্ঞানীদের ধারনায় আসমানে একশ কোটি নক্ষত্র রয়েছে। সূর্যও আসমানের একটা নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে সূর্যের আকর্ষনে পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে বছরে একবার ঘুরছে তাকে বার্ষিক গতি বলা হয় এবং পৃথিবী আপন অক্ষের উপর দিনে একবার ঘুরছে। তাকে আহ্নিক গতি বলা হয়। অথচ কুরআন হাদীছে পৃথিবী চলছে বা ঘুরছে এমন কোন কথাই উল্লেখ নেই। বরং “সায়েদুল মুরছালিন” কিতাবের প্রথম খন্ডের ২৩৮ পৃষ্ঠায় রয়েছে “সপ্তম আসমানের উপরে বায়তুল মামুর এবং যমীনের উপর কাবাঘর সবসময় একই বরাবরে অবস্থিত। যদি বায়তুল মামূর পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতো। তবে তা ঠিক কাবা ঘরের উপরই পড়তো। অর্থাৎ সপ্তম আসমানের উপরে বায়তুল মামুর এবং সৌদি আরবের মক্কার কাবা ঘর সব সময় একই বরাবর বা একই সোজাসুজি অবস্থান করছে। কখনো এক মুহুর্তের জন্য এদিক সেদিক হয় না। অন্য এক হাদীসে বর্ণিত আছে “আসমানের দরজাগুলো কাবাঘর বরাবর” এসব হাদীছ গুলো বিশ্লেষন করলে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বা বার্ষিক গতি কোনটাই কল্পনা করা যায় না। আসমান সহ সপ্তম আসমানের উপরের বায়তুল মামূরকে নিয়ে নিশ্চয়ই সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে না। যেহেতু সূর্যইতো পৃথিবী ও প্রথম আসমানের মধ্যে আবদ্ধ। তাহলে বৈজ্ঞানিক গ্যালিলিও এর তথ্য পৃথিবীর আহ্নিক গতি-বার্ষিক গতি সঠিক? নাকি মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাদীছ সঠিক? মূলতঃ যারা পৃথিবী আহ্নিক গতি-বার্ষিক গতিকে বিশ্বাস করে তারাতো মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপরও হাদীছ গুলো অবিশ্বাস বা অস্বীকার করে, অথচ মুসলীম শরীফের একটা হাদীছ নিম্ন রূপ: –&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
“হযরত আনাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহ্ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, “ততক্ষন পর্যন্ত কিয়ামত আসিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়াতে আল্লাহ্ বলা বন্ধ হয়ে যায়”। অর্থাৎ এ পৃথিবীতে আল্লাহ্ বলার মত একজন লোক থাকতে কিয়ামত সংঘটিত হবে না। আর একটা হাদীছে আসছে “নিকৃষ্ট লোকদের উপরই কিয়ামত কায়েম হবে”। এক কথায় কিয়ামত কায়েম হবে শুধুমাত্র এ পৃথিবীতে আল্লাহ্ আল্লাহ্ বলা লোক না থাকার কারণে। অবশ্য পবিত্র কুরআন বা হাদীছে এমন কোন উল্লেখ নেই যে, অন্য কোথাও আরও দু’একটা পৃথিবী আছে বা অন্য কোথাও কোন জীব জন্তু বা কোন প্রাণী আছে আর তাদের কারণেও কিয়ামত সংঘটিত হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করছে। বরং এ পৃথিবীর কারণে কিয়ামত হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করছে। চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র &amp;nbsp;সাত আসমান কোন কিছুর উপরই কিয়ামত নির্ভর করছে না। কিয়ামত নিভর করছে শুধুমাত্র এ পৃথিবীরই উপর। অর্থাৎ পৃথিবীর উপরই নির্ভর করছে চন্দ্র, সূর্য নত্র সমূহ এবং সাত আসমানের অস্তিত্ব। কেননা কিয়ামতের দিন সাত আসমান যমীন চন্দ্র, সূর্য নক্ষত্র সমূহ, ধ্বংস্তুপে পরিনত হবে। তাই এ পৃথিবী আদৌ কখনও চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র বা আসমান সমূহের অস্তিত্বের উপর &amp;nbsp;কোন ক্রমেই নির্ভরশীল নয়। বরং চন্দ্র সূর্য নত্র সমূহ এবং সাত আসমানকে এ পৃথিবীর উপকারার্থে সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব কিছুই পৃথিবীর উপকার সাধন করে থাকে। কিন্তু পৃথিবী এদের কোন প্রকার উপকারই করে না। চন্দ্র সূর্যতো পৃথিবীকে আলো দান করে, রাত দিন করে, কিন্তু পৃথিবী চন্দ্র সূর্যকে কি দিয়ে থাকে? আসমানতো পৃথিবীকে বৃষ্টি দান করে থাকে। পৃথিবী আসমানকে কি দিয়ে থাকে ? নক্ষত্রগুলোতো রাতের আঁধারে পৃথিবীকে দিক ঠিক করে দিয়ে থাকে। পৃথিবী নত্রকে কি দিয়ে থাকে? আসলে চন্দ্র, সূর্য নক্ষত্রসমূহ এবং সাত আসমান পৃথিবীর খেদমতে নিয়োজিত এক কথায় খাদেম। পৃথিবীর কাছে এ সব গুলো একেবারেই নগন্য। কারণ চন্দ্র সূর্য নত্রসমূহ সাত আসমান যমীন সহ সৃষ্টি জগতের সব কিছুই রাসূল মুহাম্মদ (সঃ) এর থেকেই সৃষ্টি। মাত্র একটা শুক্রকীট থেকে যেমনি একজন মানুষ সৃষ্টি তেমনী মুহাম্মদ (সাঃ) থেকেই সৃষ্টি জগতের সৃষ্টি বিধায় মুহাম্মদ (সঃ) আজীবন ছায়াহীন ছিলেন। সূর্য কখনই তাঁর ছায়া ফেলতে পারেনি। তিনিই সৃষ্টির উৎস্য বিধায় তিনি রাতে ও দিনে একই রকম দেখতে পেতেন। একই কারণে তিনি চার লক্ষাধিক কিলোমিটার দূরের পৃথিবীর পঞ্চাশ ভাগের একভাগ চন্দ্রকে দ্বিখন্ডিত করেছিলেন। (কিয়ামত নিকটবর্তী চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়ে গেছে সূরা ক্বামার প্রথম ও দ্বিতীয় আয়াত)। খন্দকের যুদ্ধের সময় খন্দক খনন কাজে ব্যস্ত থাকার দরুন হযরত আলী (রাঃ) এর আসর নামাজ পড়তে বিলম্ব হয়ে গিয়েছিল। সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। হযরত আলী (রাঃ) অস্ত না যাওয়ার জন্য সূর্যকে বিনয় নয় ধমক দিয়েছিলেন।ধমক খেয়ে সূর্য হযরত আলী (রাঃ) এর নামাজ শেষে অস্ত গিয়েছিল। আর এসব ঘটনাই প্রমাণ করে যে, পৃথিবী স্থির এবং সূর্যই পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;পবিত্র&amp;nbsp;কুরআনের&amp;nbsp;আয়াত&amp;nbsp;কি&amp;nbsp;ভুল:&amp;nbsp;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;
&lt;u&gt;&lt;br /&gt;&lt;/u&gt;
&lt;br /&gt;
১.বিজ্ঞানের ভাষায় পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর দিনে এবার ঘুরছে। পক্ষান্তরে কোরআনের সূরা বাকারা এর ২৫৫ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘তাহার কুরশী আসমান সমূহ এবং যমীনকে নিজের মধ্যে ধারণ করিয়া রাখিয়াছে। আর আল্লাহর পক্ষে এতদুভয়ের হেফাজত কিছুমাত্র কষ্টকর হয় না।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. বিজ্ঞানের ভাষায় পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। বিপক্ষে সূরা ফাতির এর ৪১ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘ নিঃসন্দেহে আল্লাহ আসমান সমূহ ও যমীনকে ধারণ করিয়া রাখিয়াছেন, যেন এতদুভয় বর্তমান অবস্থা হইতে অবস্থানান্তর না হয়।’ প্রসঙ্গত: পৃথিবী স্থির থাকার জন্য উপরোক্ত আয়াত দু’টিই কি যথেষ্ট নয় ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩.বিজ্ঞানের ধারণায় পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণের সময় সর্বদা ৬৬.৫ ডিগ্রি হেলে থাকে এবং শীত-গ্রীষ্মে আরও অধিক (২৩.৫+২৩.৫) ৪৭ ডিগ্রি হেলে থাকে। যে জন্য সূর্যকে শীতকালে দক্ষিণদিকে এবং গ্রীষ্মকালে উত্তর দিকে দেখা যায়। বিপক্ষে সূরা আম্বিয়া এর ৩১ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,‘ যমীনের উপর এই জন্য পর্বত সমূহ সৃষ্টি করিয়াছি, যেন যমীন তাহাদিগকে লইয়া হেলিতে না থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪. বিজ্ঞানের ধারণায় উপবৃত্তকার পথে পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণকালে ৪ঠা জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দুরত্ব ১৫কোটি ২০লক্ষ কিলোমিটার এবং ৩রা জানুয়ারী ১৪ কোটি ৭০লক্ষ কিলোমিটার। অর্থাৎ পৃথিবী দুলতে দুলতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে। বিপক্ষে সূরা নহল এর ১৫ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘ তিনি পৃথিবীতে পাহাড়সমূহ স্থাপন করিয়াছেন যেন উহা তোমাদিগকে লইয়া দুলিতে না থকে।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫. বিজ্ঞানের ধারণায় পৃথিবীর কাজ হলো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা এবং আপন অরে উপর ঘুরতে থাকা। বিপক্ষে সূরা লুকমান এর ২৯ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,‘ তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কার্যরত করিয়া রাখিয়াছেন, প্রত্যেকেই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলিতে থাকিবে।’ আবার সূরা রা’দ এর ২নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘ আল্লাহ এমন যে তিনি আসমান সমূহকে খুঁটি ব্যতীত উর্ধাস্থিত করিয়াছেন, যেমন তোমরা উহাদিগকে দেখিতেছ, অতঃপর আরশের উপর প্রতিষ্ঠিত হইলেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কার্যরত করিলেন ; প্রত্যেকে এক নির্দিষ্ট সময়ে চলিতে থাকে, তিনি সকল কাজের পরিচালনা করেন।’ প্রসঙ্গতঃ পৃথিবী যদি কার্যরত থাকতো তবে সূর্য ও চন্দ্রের সাথে পৃথিবীকেও উল্লেখ করার কোন বাঁধা ছিল কি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬. বিজ্ঞান পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির আলোকে সময় নির্ধারণ করে থাকে। &amp;nbsp;বিপক্ষে সূরা ইউনুস এর ৫নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,‘ আল্লাহ এমন যিনি সূর্যকে দীপ্তমান বানাইয়াছেন এবং চন্দ্রকে আলোকময় করিয়াছেন ও উহার জন্য মঞ্জিল সমূহ নির্ধারিত করিয়াছেন, যাহাতে তোমরা বৎসর সমূহের সংখ্যা ও হিসাব জানিতে পার।’ আবার সূরা আনআম-এর ৯৬নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,‘তিনি প্রভাতের বিকাশকারী আর তিনি রাত্রিকে বিশ্রামকাল &amp;nbsp;এবং সূর্য ও চন্দ্রকে হিসাব নিরুপক বানাইয়াছেন।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭. বিজ্ঞানের ধারনায় সূর্য আপন অক্ষের উপর দাঁড়িয়ে প্রায় ২৫দিনে একবার ঘুরছে এবং চন্দ্র ২৭.৩৩ দিনে পৃথিবীর চারিদিকে একবার ঘুরছে। বিপক্ষে সূরা ইয়াছিন এর ৩৮নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘ সূর্য উহার নির্দিষ্ট কে ভ্রমন করিয়া চলিতেছে। ইহা তাহারই নির্ধারিত পরিমান, যিনি মহাপরাক্রান্ত জ্ঞানময়।’ আবার সূরা ইব্রাহীম এর ৩৩নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমাদের উপকারার্থে সূর্য ও চন্দ্রকে বশীভূত করিয়া দিয়াছেন, যাহা অবিরাম চলিতেই রহিয়াছে।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৮. বিজ্ঞানের ধারনায় পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে এবং আপন অক্ষের উপর ঘুরছে। কিন্তু সূরা বাকারা এর ২২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘ তিনি এমন যে করিয়াছেন যমীনকে তোমাদের জন্য মেঝে স্বরূপ এবং আসমানকে ছাঁদ স্বরূপ।’ প্রসঙ্গত: বর্তমান বিশ্বের অনেকেই নিত্য নতুন গ্রহের অনুসন্ধান পূর্বক গোটা বিশ্বে চমক সৃষ্টি করছেন। কিন্তু পবিত্র কোরআন এবং হাদীসে কোথাও গ্রহের উল্লেখ নেই। কারন বাস্তবক্ষেত্রে গ্রহ বলে কিছুই নেই। প্রকৃতপক্ষে মানুষের অনুসন্ধানকৃত প্রত্যেকটি গ্রহ মূলত: নক্ষত্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূরা আল আরাফ এর ৫৪ নং আয়াত ‘সূর্য ও চন্দ্র এবং অন্যান্য নক্ষত্ররাজিকেও সৃষ্টি করিয়াছেন এমন ভাবে সকলেই তাহার আদেশের অনুবর্তী।’ পক্ষান্তরে বিশ্বের অনেকেরই ভুল ধারনা যে পবিত্র কুরআনে পৃথিবী ঘুরছে বলে বর্নিত রয়েছে। তাদের ধারনা সমগ্র কুরআন এবং হাদিসের মধ্যে শুধু মাত্র সুরা আম্বিয়া এর ৩৩নং আয়াতকে নিয়ে সীমাবদ্ধ। অন্য কোন প্রমাণ তাদের নেই। আয়াতটির বাংলা অর্থ ‘তিনি এমন যিনি রাত্র ও দিবস এবং সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করিয়াছেন ; প্রত্যেকটি নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটিতেছে”। প্রসঙ্গত আয়াতটির মধ্যে কোথাও আরবি শব্দ র্আদ অর্থাৎ পৃথিবীকে উল্লেখ করা হয়নি বরং সূর্যকেই উল্লেখ পূর্বক সূর্যকেই ঘোরার কথা স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ আয়াতটির মধ্যে পৃথিবীকে নিয়ে ঠেলা ঠেলি করা অপ্রাসঙ্গিক এবং চরম দোষনীয় অপরাধও বটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক কথায় পৃথিবীর আহ্নিক গতি বার্ষিক গতিকে বিশ্বাসীরা কি পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াত এবং কিছু সহি হাদিসের অবিশ্বাসকারী ? অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে যদি কেই কুরআনের কোন আয়াত অথবা কোন ছহী হাদিসকে অবিশ্বাস করে তবে সে কাফের হয়ে যায়। তাহলে পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে বিশ্বাসীরা কি কাফের ?&lt;br /&gt;
উত্তরটা&amp;nbsp;আপনাদের&amp;nbsp;কাছে&amp;nbsp;থেকেই&amp;nbsp;আশা&amp;nbsp;করছি।&lt;br /&gt;
শেয়ার&amp;nbsp;অপশন&amp;nbsp;থেকে&amp;nbsp;অবশ্যই&amp;nbsp;শেয়ার&amp;nbsp;করতে&amp;nbsp;ভুলবেন&amp;nbsp;না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/5887630492861727193/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/limitation-of-scientists-and-Quran-is-the-best-science.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5887630492861727193'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/5887630492861727193'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/limitation-of-scientists-and-Quran-is-the-best-science.html' title='বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। কোরআনই সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEigdqaTJJTnGdcyOvKap3-GZvoRolw1em_ziCKd6I1_N-GGpO4Be9dTrtHDZeFCafbfV84hzaIAkpz6p5M0FOSbm0FsrASXAOB-PVdt3GZAiR5jgiB2pgeIFQL5Dox5eqUaRLTk86s__anh/s72-c/%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%258C%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%2597%25E0%25A7%258E.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-1894956059796019402</id><published>2016-02-22T02:17:00.001-08:00</published><updated>2019-06-22T23:17:41.147-07:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="আল হাদীস"/><title type='text'>কুরআন ও হাদীস থেকে নিৰ্বাচিত ৮৭ টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiGrOQRSVH3w4sgXp74Sdeox6ETT0l6mPkcg1s8htbX5b2b9Tg74DSTRu_PVghP-9H3cuCHJ6B3HAIUajXfSMf0k2h_I1AnfJuLUyd9MJreYQoyugT1ArHdc0y1anWFM8orfWKqZszEdltG/s1600/islam-0398457-765x510.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;213&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiGrOQRSVH3w4sgXp74Sdeox6ETT0l6mPkcg1s8htbX5b2b9Tg74DSTRu_PVghP-9H3cuCHJ6B3HAIUajXfSMf0k2h_I1AnfJuLUyd9MJreYQoyugT1ArHdc0y1anWFM8orfWKqZszEdltG/s320/islam-0398457-765x510.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
কুর‘আন ও হাদীস থেকে নির্বাচিত দো‘আ সমূহ •

&lt;b&gt;কুরআনের নির্বাচিত দো&#39;আ: &lt;/b&gt;&lt;br&gt;

১- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺁﺗِﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔً ﻭَﻓِﻲ ﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ﺣَﺴَﻨَﺔً ﻭَﻗِﻨَﺎ ﻋَﺬَﺍﺏَ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ১। হে আমাদের প্রভু! দুনিয়াতে আমাদের কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও। আর আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

২- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻻ ﺗُﺆَﺍﺧِﺬْﻧَﺎ ﺇِﻥْ ﻧَﺴِﻴْﻨَﺎ ﺃَﻭْ ﺃَﺧْﻄَﺄْﻧَﺎ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﻻ ﺗَﺤْﻤِﻞْ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺇِﺻْﺮﺍً ﻛَﻤَﺎ ﺣَﻤَﻠْﺘَﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﻣِﻦْ ﻗَﺒْﻠِﻨَﺎ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﻻ ﺗُﺤَﻤِّﻠْﻨَﺎ ﻣَﺎ ﻻ ﻃَﺎﻗَﺔَ ﻟَﻨَﺎ ﺑِﻪৃ ﻭَﺍﻋْﻒُ ﻋَﻨَّﺎ ﻭَﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨَﺂ ﺃَﻧْﺖَ ﻣَﻮْﻻﻧَﺎ ﻓَﺎﻧْﺼُﺮْﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻘَﻮْﻡِ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ২। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি তবে তুমি আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের রব! পূর্ববর্তীদের উপর যে গুরুদায়িত্ব তুমি অর্পণ করেছিলে সে রকম কোন কঠিন কাজ আমাদেরকে দিও না। হে আমাদের রব! যে কাজ বহনের ক্ষমতা আমাদের নেই এমন কাজের ভারও তুমি আমাদের দিও না। তুমি আমাদের মাফ করে দাও, আমাদের ক্ষমা কর। আমাদের প্রতি রহম কর। তুমি আমাদের মাওলা। অতএব কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে তুমি আমাদেরকে সাহায্য কর। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻻ ﺗُﺰِﻍْ ﻗُﻠُﻮﺑَﻨَﺎ ﺑَﻌْﺪَ ﺇِﺫْ ﻫَﺪَﻳْﺘَﻨَﺎ ﻭَﻫَﺐْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﻟَﺪُﻧْﻚَ ﺭَﺣْﻤَﺔً ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟْﻮَﻫَّﺎﺏُ ৩। হে আমাদের রব! যেহেতু তুমি আমাদেরকে হেদায়াত করেছ, কাজেই এরপর থেকে তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করিও না। তোমার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দাও। তুমিতো মহাদাতা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪- ﺭَﺏِّ ﻫَﺐْ ﻟِﻲ ﻣِﻦْ ﻟَﺪُﻧْﻚَ ﺫُﺭِّﻳَّﺔً ﻃَﻴِّﺒَﺔً ﺇِﻧَّﻚَ ﺳَﻤِﻴﻊُ ﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀِ ৪। হে আমার পরওয়ারদেগার! তোমার কাছ থেকে আমাকে তুমি উত্তম সন্তান-সন্ততি দান কর। নিশ্চয়ই তুমিতো মানুষের ডাক শোনো।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﺫُﻧُﻮﺑَﻨَﺎ ﻭَﺇِﺳْﺮَﺍﻓَﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺃَﻣْﺮِﻧَﺎ ﻭَﺛَﺒِّﺖْ ﺃَﻗْﺪَﺍﻣَﻨَﺎ ﻭَﺍﻧْﺼُﺮْﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻘَﻮْﻡِ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ৫। হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দাও। যেসব কাজে আমাদের সীমালঙ্ঘন হয়ে গেছে সেগুলোও তুমি ক্ষমা কর। আর (সৎপথে) তুমি আমাদের কদমকে অটল রেখো এবং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে তুমি আমাদেরকে সাহায্য কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺁﺗِﻨَﺎ ﻣَﺎ ﻭَﻋَﺪْﺗَﻨَﺎ ﻋَﻠٰﻰ ﺭُﺳُﻠِﻚَ ﻭَﻻَ ﺗُﺨْﺰِﻧَﺎ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﺇِﻧَّﻚَ ﻻَ ﺗُﺨْﻠِﻒُ ﺍﻟْﻤِﻴﻌَﺎﺩَ ৬। হে রব! নবী-রাসূলদের মাধ্যমে তুমি যে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছো তা তুমি আমাদেরকে দিয়ে দিও। আর কিয়ামতের দিন আমাদেরকে তুমি অপমানিত করিও না। তুমিতো ওয়াদার বরখেলাফ কর না।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺁﻣَﻨَّﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺃَﻧْﺰَﻟْﺖَ ﻭَﺍﺗَّﺒَﻌْﻨَﺎ ﺍﻟﺮَّﺳُﻮﻝَ ﻓَﺎﻛْﺘُﺒْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺸَّﺎﻫِﺪِﻳﻦَ ৭। হে আমাদের রব! তুমি যা কিছু নাযিল করেছো, তার উপর আমরা ঈমান এনেছি। আমরা রাসূলের কথাও মেনে নিয়েছি। কাজেই সত্য স্বীকারকারীদের দলে আমাদের নাম লিখিয়ে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻇَﻠَﻤْﻨَﺎ ﺃَﻧْﻔُﺴَﻨَﺎ ﻭَﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﺗَﻐْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺗَﺮْﺣَﻤْﻨَﺎ ﻟَﻨَﻜُﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺨَﺎﺳِﺮِﻳﻦَ ৮। হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের উপর যুলম করেছি। এখন তুমি যদি আমাদের ক্ষমা না কর, আর আমাদের প্রতি রহম না কর তাহলে নিশ্চিতই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৯- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻻ ﺗَﺠْﻌَﻠْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺍﻟْﻘَﻮْﻡِ ﺍﻟﻈَّﺎﻟِﻤِﻴﻦَ ৯। হে রব! আমাদেরকে জালিম সম্প্রদায়ের সাথী করিও না।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১০- ﺭَﺏِّ ﺍﺟْﻌَﻠْﻨِﻲ ﻣُﻘِﻴﻢَ ﺍﻟﺼَّﻼﺓِ ﻭَﻣِﻦْ ﺫُﺭِّﻳَّﺘِﻲ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﺩُﻋَﺎূﺀِ ১০। হে আমার মালিক! আমাকে সালাত কায়েমকারী বানাও এবং আমার ছেলে-মেয়েদেরকেও নামাযী বানিয়ে দাও। হে আমার মালিক! আমার দোয়া তুমি কবুল কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১১- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْﻟِﻲ ﻭَﻟِﻮَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳَﻮْﻡَ ﻳَﻘُﻮﻡُ ﺍﻟْﺤِﺴَﺎﺏُ ১১। হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যেদিন চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশ হবে সেদিন তুমি আমাকে, আমার মাতা-পিতাকে এবং সকল ঈমানদারদেরকে তুমি ক্ষমা করে দিও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১২- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺁﺗِﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﻟَﺪُﻧْﻚَ ﺭَﺣْﻤَﺔً ﻭَﻫَﻴِّﺊْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﻣْﺮِﻧَﺎ ﺭَﺷَﺪﺍً ১২। হে আমাদের রব! তোমার অপার অসীম করুণা থেকে আমাদেরকে রহমত দাও। আমাদের কাজগুলোকে সঠিক ও সহজ করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৩- ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺍﺷْﺮَﺡْ ﻟِﻲ ﺻَﺪْﺭِﻱ – ﻭَﻳَﺴِّﺮْ ﻟِﻲْ ﺃَﻣْﺮِﻱ – ﻭَﺍﺣْﻠُﻞْ ﻋُﻘْﺪَﺓً ﻣِﻦْ ﻟِﺴَﺎﻧِﻲْ – ﻳَﻔْﻘَﻬُﻮﺍ ﻗَﻮْﻟِﻲْ ১৩। হে আমার রব! আমার বক্ষকে তুমি প্রশস্ত করে দাও। আমার কাজগুলো সহজ করে দাও। জিহ্বার জড়তা দূর করে দাও, যাতে লোকেরা আমার কথা সহজেই বুঝতে পারে। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৪- ﺭَﺏِّ ﺯِﺩْﻧِﻲ ﻋِﻠْﻤﺎً ১৪। হে রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৫- ﺭَﺏِّ ﻻَ ﺗَﺬَﺭْﻧِﻲْ ﻓَﺮْﺩﺍً ﻭَﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﻮَﺍﺭِﺛِﻴﻦَ ১৫। হে রব! আমাকে তুমি নিঃসন্তান অবস্থায় রেখো না। তুমিতো সর্বোত্তম মালিকানার অধিকারী। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৬- ﺭَﺏِّ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻫَﻤَﺰَﺍﺕِ ﺍﻟﺸَّﻴَﺎﻃِﻴﻦِ – ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﺭَﺏِّ ﺃَﻥْ ﻳَﺤْﻀُﺮُﻭﻥِ ১৬। হে রব! শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আমি এ থেকেও তোমার নিকট পানাহ চাই&amp;nbsp;যে, শয়তান যেন আমার ধারে কাছেও ঘেষতে না পারে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৭- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﺻْﺮِﻑْ ﻋَﻨَّﺎ ﻋَﺬَﺍﺏَ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﺇِﻥَّ ﻋَﺬَﺍﺑَﻬَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻏَﺮَﺍﻣﺎً ু ﺇِﻧَّﻬَﺎ ﺳَﺎﺀَﺕْ ﻣُﺴْﺘَﻘَﺮّﺍً ﻭَّﻣُﻘَﺎﻣﺎً ১৭। হে আমাদের রব! জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচিয়ে দিও। এর আযাব তো বড়ই সর্বনাশা। আশ্রয় ও বাস্থান হিসেবে এটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৮- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻫَﺐْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻨَﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺎﺗِﻨَﺎ ﻗُﺮَّﺓَ ﺃَﻋْﻴُﻦٍ ﻭَّﺍﺟْﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ ﺇِﻣَﺎﻣﺎً ১৮। হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে এমন স্ত্রী-সন্তান দান কর যাদের দর্শনে আমাদের চক্ষুশীতল হয়ে যাবে। তুমি আমাদেরকে পরহেযগার লোকদের ইমাম (অভিভাবক) বানিয়ে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

১৯-২২- ﺭَﺏِّ ﻫَﺐْ ﻟِﻲْ ﺣُﻜْﻤﺎً ﻭَﺃَﻟْﺤِﻘْﻨِﻲ ﺑِﺎﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴْﻦَ – ﻭَﺍﺟْﻌَﻞْ ﻟِﻲْ ﻟِﺴَﺎﻥَ ﺻِﺪْﻕٍ ﻓِﻲ ﺍﻵﺧِﺮِﻳﻦَ – ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨِﻲْ ﻣِﻦْ ﻭَﺭَﺛَﺔِ ﺟَﻨَّﺔِ ﺍﻟﻨَّﻌِﻴﻢِ – ﻭَﻻ ﺗُﺨْﺰِﻧِﻲْ ﻳَﻮْﻡَ ﻳُﺒْﻌَﺜُﻮْﻥَ ১৯। হে রব! আমাকে জ্ঞান-বুদ্ধি দান কর এবং আমাকে নেককার লোকদের সান্নিধ্যে রেখো। ২০। এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমার সুখ্যাতি চলমান রেখো। ২১। আমাকে তুমি নিয়ামতে ভরা জান্নাতের বাসিন্দা বানিয়ে দিও। ২২। যেদিন সব মানুষ আবার জীবিত হয়ে উঠবে সেদিন আমাকে তুমি অপমানিত করো না। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৩- ﺭَﺏِّ ﺃَﻭْﺯِﻋْﻨِﻲ ﺃَﻥْ ﺃَﺷْﻜُﺮَ ﻧِﻌْﻤَﺘَﻚَ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﻭَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﺃَﻥْ ﺃَﻋْﻤَﻞَ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﺗَﺮْﺿَﺎﻩُ ﻭَﺃَﺩْﺧِﻠْﻨِﻲ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﻓِﻲ ﻋِﺒَﺎﺩِﻙَ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴﻦَ ২৩। হে প্রতিপালক! তুমি আমার ও আমার মাতা-পিতার প্রতি যে নিয়ামত দিয়েছো এর শোকরগোজারী করার তাওফীক দাও এবং আমাকে এমন সব নেক আমল করার তাওফীক দাও যা তুমি পছন্দ কর। আর তোমার দয়ায় আমাকে তোমার নেক বান্দাদের মধ্যে শামিল করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৪- ﺭَﺏِّ ﺍﻧْﺼُﺮْﻧِﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻘَﻮْﻡِ ﺍﻟْﻤُﻔْﺴِﺪِﻳﻦَ ২৪। হে রব! ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তুমি আমাকে সাহায্য কর। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৫- ﺭَﺏِّ ﻫَﺐْ ﻟِﻲ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴﻦَ ২৫। হে রব! আমাকে তুমি নেককার সন্তান দান কর। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৬- ﺭَﺏِّ ﺃَﻭْﺯِﻋْﻨِﻲ ﺃَﻥْ ﺃَﺷْﻜُﺮَ ﻧِﻌْﻤَﺘَﻚَ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﻭَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﺃَﻥْ ﺃَﻋْﻤَﻞَ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﺗَﺮْﺿَﺎﻩُ ﻭَﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲ ﻓِﻲ ﺫُﺭِّﻳَّﺘِﻲ ২৬। হে রব! তুমি আমার ও আমার মাতা- পিতার প্রতি যে নিয়ামত দিয়েছ এর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার তাওফীক দাও এবং আমাকে এমন সব নেক আমল করার তাওফীক দাও যা তুমি পছন্দ কর। আর আমার ছেলে-মেয়ে ও পরবর্তী বংশধরকেও নেককার বানিয়ে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৭- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﻹِﺧْﻮَﺍﻧِﻨَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺳَﺒَﻘُﻮﻧَﺎ ﺑِﺎﻹِﻳْﻤَﺎﻥِ ﻭَﻻ ﺗَﺠْﻌَﻞْ ﻓِﻲ ﻗُﻠُﻮﺑِﻨَﺎ ﻏِﻼًّ ﻟِﻠَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺭَﺅُﻭﻑٌ ﺭَﺣِﻴْﻢٌ ২৭। হে আমাদের মালিক! তুমি আমাদের মাফ করে দাও। আমাদের আগে যেসব ভাইয়েরা ঈমান এনেছে, তুমি তাদেরও মাফ করে দাও। আর ঈমানদার লোকদের প্রতি আমাদের অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ সৃষ্টি করে দিও না। হে রব! তুমিতো বড়ই দয়ালু ও মমতাময়ী।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৮- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺃَﺗْﻤِﻢْ ﻟَﻨَﺎ ﻧُﻮﺭَﻧَﺎ ﻭَﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻠٰﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻗَﺪِﻳﺮٌ ২৮। হে আমাদের রব! আমাদের জন্য তুমি আমাদের নূরকে পরিপূর্ণ করে দাও। তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর। তুমি তো সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

২৯- ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﻟِﻮَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﻟِﻤَﻦْ ﺩَﺧَﻞَ ﺑَﻴْﺘِﻲَ ﻣُﺆْﻣِﻨﺎً ﻭَﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻭَﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨَﺎﺕِ ২৯। হে আমার রব! আমাকে, আমার মাতা-পিতাকে, যারা মুমিন অবস্থায় আমার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তাদেরকে এবং সকল মুমিন পুরুষ- নারীকে তুমি ক্ষমা করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩০- ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻨَﺎ ﺳَﻤِﻌْﻨَﺎ ﻣُﻨَﺎﺩِﻳﺎً ﻳُﻨَﺎﺩِﻱ ﻟِﻺِﻳْﻤَﺎﻥِ ﺃَﻥْ ﺁﻣِﻨُﻮﺍ ﺑِﺮَﺑِّﻜُﻢْ ﻓَﺂﻣَﻨَّﺎ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﺫُﻧُﻮﺑَﻨَﺎ ﻭَﻛَﻔِّﺮْ ﻋَﻨَّﺎ ﺳَﻴِّﺌَﺎﺗِﻨَﺎ ﻭَﺗَﻮَﻓَّﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺍﻷَﺑْﺮَﺍﺭِ ৩০। হে আমার রব! নিশ্চয়ই আমরা এক আহ্বানকারীকে আহ্বান করতে শুনেছিলাম যে, তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, তাতেই আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি, হে আমাদের প্রতিপালক! অতএব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা কর ও আমাদের পাপরাশি মোচন কর এবং পুণ্যবানদের সাথে আমাদেরকে মৃত্যু দান কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

&lt;b&gt;• হাদীসের নির্বাচিত দো‘আ: মন খুলে, হৃদয় উজাড় করে আল্লাহ তা’আলার নিকট দোয়া করুন।&lt;/b&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ﻭَﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ﻭَﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ ﻭَﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ ﻭَﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻐِﻨَﻰ ﻭَﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻔَﻘْﺮِ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴِﻴﺢِ ﺍﻟﺪَّﺟَّﺎﻝِ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﺴِﻞْ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﺑِﻤَﺎﺀِ ﺍﻟﺜَّﻠْﺞِ ﻭَﺍﻟْﺒَﺮَﺩِ ﻭَﻧَﻖِّ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺨَﻄَﺎﻳَﺎ ﻛَﻤَﺎ ﻧَﻘَّﻴْﺖَ ﺍﻟﺜَّﻮْﺏَ ﺍﻟْﺄَﺑْﻴَﺾَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺪَّﻧَﺲِ ﻭَﺑَﺎﻋِﺪْ ﺑَﻴْﻨِﻲ ﻭَﺑَﻴْﻦَ ﺧَﻄَﺎﻳَﺎﻱَ ﻛَﻤَﺎ ﺑَﺎﻋَﺪْﺕَ ﺑَﻴْﻦَ ﺍﻟْﻤَﺸْﺮِﻕِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻐْﺮِﺏِ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ ﻭَﺍﻟْﻤَﺄْﺛَﻢِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻐْﺮَﻡِ ৩১। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি, জাহান্নামের ফিতনা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে। কবরের ফিতনা ও কবরের ‘আযাব থেকে। আশ্রয় চাচ্ছি, সম্পদের ফিতনা ও দারিদ্রের ফিতনার ক্ষতি থেকে। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি মাসীহিদ দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে বরফ ও ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধৌত করে দাও। আমার অন্তরকে গুনাহ থেকে পরিষ্কার করে দাও। যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে তুমি পরিষ্কার করে থাকো। হে আল্লাহ! থেকে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিগন্ত পর্যন্ত তুমি যে বিশাল দূরত্ব সৃষ্টি করেছ আমার আমলনামা থেকে আমার গুনাহগুলো ততটুকু দূরে সরিয়ে দাও। হে আল্লাহ! আমার অলসতা, গুনাহ ও ঋণ থেকে আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻌَﺠْﺰِ ﻭَﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺒْﻦِ ﻭَﺍﻟْﻬَﺮَﻡِ ﻭَﺍﻟْﺒُﺨْﻞِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ ﻭَﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺤْﻴَﺎ ﻭَﺍﻟْﻤَﻤَﺎﻡِ ৩২। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য, কৃপণতা থেকে। আশ্রয় চাই তোমার নিকট কবরের আযাব ও জীবন মরনের ফিতনা থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺟَﻬْﺪِ ﺍﻟْﺒَﻼَﺀِ ﻭَﺩَﺭَﻙِ ﺍﻟﺸَّﻘَﺎﺀِ ﻭَﺳُﻮﺀِ ﺍﻟْﻘَﻀَﺎﺀِ ﻭَﺷَﻤَﺎﺗَﺔِ ﺍﻷَﻋْﺪَﺍﺀِ ৩৩। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই, কঠিন বালা-মুসিবত, দুর্ভাগ্য ও শত্রুদের বিদ্বেষ থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৪- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲ ﺩِﻳﻨِﻲ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻫُﻮَ ﻋِﺼْﻤَﺔُ ﺃَﻣْﺮِﻱ – ﻭَﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲ ﺩُﻧْﻴَﺎﻱَ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻣَﻌَﺎﺷِﻲ – ﻭَﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲ ﺁﺧِﺮَﺗِﻲ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻣَﻌَﺎﺩِﻱ – ﻭَﺍﺟْﻌَﻞِ ﺍﻟْﺤَﻴَﺎﺓَ ﺯِﻳَﺎﺩَﺓً ﻟِﻲ ﻓِﻲ ﻛُﻞِّ ﺧَﻴْﺮٍ – ﻭَﺍﺟْﻌَﻞِ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕَ ﺭَﺍﺣَﺔً ﻟِﻲ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺷَﺮٍّ ৩৪। হে আল্লাহ! আমার দ্বীনকে আমার জন্য সঠিক করে দিও যা কর্মের বন্ধন। দুনিয়াকেও আমার জন্য সঠিক করে দাও যেখানে রয়েছে আমার জীবন যাপন। আমার জন্য আমার পরকালকে পরিশুদ্ধ করে দাও, যা হচ্ছে আমার অনন্তকালের গন্তব্যস্থল। প্রতিটি ভাল কাজে আমার জীবনকে বেশী বেশী কাজে লাগাও এবং সকল অমঙ্গল ও কষ্ট থেকে আমার মৃত্যুকে আরামদায়ক করে দিও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৫- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻬُﺪ্ﻯ ﻭَﺍﻟﺘُّﻘٰﻰ ﻭَﺍﻟْﻌَﻔَﺎﻑَ ﻭَﺍﻟْﻐِﻨٰﻰ ৩৫। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট হেদায়াত তাকওয়া ও পবিত্র জীবন চাই। আরো চাই যেন কারো কাছে দ্বারস্থ না হই। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৬- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻌَﺠْﺰِ ﻭَﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺒْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺒُﺨْﻞِ ﻭَﺍﻟْﻬَﺮَﻡِ ﻭَﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺁﺕِ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﺗَﻘْﻮَﺍﻫَﺎ ﻭَﺯَﻛِّﻬَﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻴْﺮُ ﻣَﻦْ ﺯَﻛَّﺎﻫَﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﻭَﻟِﻴُّﻬَﺎ ﻭَﻣَﻮْﻻَﻫَﺎ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋِﻠْﻢٍ ﻻَ ﻳَﻨْﻔَﻊُ ﻭَﻣِﻦْ ﻗَﻠْﺐٍ ﻻَ ﻳَﺨْﺸَﻊُ ﻭَﻣِﻦْ ﻧَﻔْﺲٍ ﻻَ ﺗَﺸْﺒَﻊُ ﻭَﻣِﻦْ ﺩَﻋْﻮَﺓٍ ﻻَ ﻳُﺴْﺘَﺠَﺎﺏُ ﻟَﻬَﺎ ৩৬। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, বার্ধক্য ও কবরের ‘আযাব থেকে। হে আল্লাহ! তুমি আমার মনে তাকওয়ার অনুভূতি দাও, আমার মনকে পবিত্র কর, তুমি-ই তো আত্মার পবিত্রতা দানকারী। তুমিই তো হৃদয়ের মালিক, অভিভাবক ও বন্ধু। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই এমন ‘ইল্ম থেকে যে ‘ইল্ম কোন উপকার দেয় না, এমন হৃদয় থেকে যে হৃদয় বিনম্র হয় না, এমন আত্মা থেকে যে আত্মা পরিতৃপ্ত হয় না এবং এমন দোয়া থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যে দোয়া কবূল হয় না। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৭- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻫْﺪِﻧِﻲْ ﻭَﺳَﺪِّﺩْﻧِﻲ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻬُﺪ্ﻯ ﻭَﺍﻟﺴَّﺪَﺍﺩَ ৩৭। হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত দান কর, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত কর। হে আল্লাহ! তোমার নিকট হেদায়াত ও সঠিক পথ কামনা করছি। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৮- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺯَﻭَﺍﻝِ ﻧِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻭَﺗَﺤَﻮُّﻝِ ﻋَﺎﻓِﻴَﺘِﻚَ ﻭَﻓُﺠَﺎﺀَﺓِ ﻧِﻘْﻤَﺘِﻚَ ﻭَﺟَﻤِﻴﻊِ ﺳَﺨَﻄِﻚَ ৩৮। হে আল্লাহ! তোমার দেয়া নেয়ামাত চলে যাওয়া ও অসুস্থতার পরিবর্তন হওয়া থেকে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই তোমার পক্ষ থেকে আকষ্মিক গজব আসা ও তোমার সকল অসন্তোষ থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৩৯- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﻋَﻤِﻠْﺖُ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺃَﻋْﻤَﻞْ ৩৯। হে আল্লাহ! আমি আমার অতীতের কৃতকর্মের অনিষ্টতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই এবং যে কাজ আমি&amp;nbsp;করিনি তার অনিষ্টতা থেকেও আশ্রয় চাই।।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪০- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِِﻧِّﻲْ ﺃِﻋُﻮْﺫُﺑِﻚَ ﺃِﻥْ ﺃُﺷْﺮِﻙَ ﺑِﻚَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺃِﻋْﻠَﻢُ ﻭَﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻙَ ﻟِﻤَﺎ ﻻَ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ৪০। হে আল্লাহ! আমার জানা অবস্থায় তোমার সাথে শিরক করা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর যদি অজান্তে শিক হয়ে থাকে তবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺭَﺣْﻤَﺘَﻚَ ﺃَﺭْﺟُﻮ – ﻓَﻼَ ﺗَﻜِﻠْﻨِﻲْ ﺇِﻟٰﻰ ﻧَﻔْﺴِﻲْ ﻃَﺮْﻓَﺔَ ﻋَﻴْﻦٍ – ﻭَﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲْ ﺷَﺄْﻧِﻲْ ﻛُﻠَّﻪ – ﻻَ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ৪১। হে আল্লাহ! তোমার রহমত প্রত্যাশা করছি। সুতরাং তুমি আমার নিজের উপর তাৎক্ষণিকভাবে কোন দায়িত্ব অর্পণ করে দিও না। আর আমার সব কিছু তুমি সহীহ শুদ্ধ করে দাও। তুমি ছাড়া আর কোন মা’বুদ নেই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﺟْﻌَﻞِ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﺭَﺑِﻴﻊَ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻭَﻧُﻮﺭَ ﺻَﺪْﺭِﻱْ ﻭَﺟِﻼَﺀَ ﺣُﺰْﻧِﻲْ ﻭَﺫَﻫَﺎﺏَ ﻫَﻤِّﻲْ ৪২। হে আল্লাহ! কুরআনকে তুমি আমার হৃদয়ের বসন্তকাল বানিয়ে দাও, বানিয়ে দাও আমার বুকের নূর এবং কুরআনকে আমার দুঃখ ও দুঃশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম বানিয়ে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻣُﺼَﺮِّﻑَ ﺍﻟْﻘُﻠُﻮﺏِ ﺻَﺮِّﻑْ ﻗُﻠُﻮﺑَﻨَﺎ ﻋَﻠٰﻰ ﻃَﺎﻋَﺘِﻚَ ৪৩। হে অন্তরের পরিবর্তন সাধনকারী রব! আমাদের অন্তরকে তোমার অনুগত্যের দিকে পরিবর্তন করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৪- ﻳَﺎ ﻣُﻘَﻠِّﺐَ ﺍﻟْﻘُﻠُﻮﺏِ ﺛَﺒِّﺖْ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺩِﻳﻨِﻚَ ৪৪। হে অন্তরের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তুমি তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৫- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻌَﺎﻓِﻴَﺔَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻭَﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ৪৫। হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করছি। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৬- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﺣْﺴِﻦْ ﻋَﺎﻗِﺒَﺘَﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻷُﻣُﻮﺭِ ﻛُﻠِّﻬَﺎ ﻭَﺃَﺟِﺮْﻧَﺎ ﻣِﻦْ ﺧِﺰْﻱِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻭَﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ৪৬। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের সকল কাজের পরিণতি সুন্দর ও উত্তম করে দাও এবং আমাদেরকে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছনা, অপমান এবং আখেরাতের শাস্তি থেকে বাঁচিয়ে দিও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৭- ﺭَﺏِّ ﺃَﻋِﻨِّﻲ ﻭَﻻَ ﺗُﻌِﻦْ ﻋَﻠَﻲَّ – ﻭَﺍﻧْﺼُﺮْﻧِﻲ ﻭَﻻَ ﺗَﻨْﺼُﺮْ ﻋَﻠَﻲَّ – ﻭَﺍﻣْﻜُﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﻻَ ﺗَﻤْﻜُﺮْ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺍﻫْﺪِﻧِﻲ ﻭَﻳَﺴِّﺮْ ﻫُﺪَﺍﻱَ ﺇِﻟَﻲَّ – ﻭَﺍﻧْﺼُﺮْﻧِﻲ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻦْ ﺑَﻐَﻰ ﻋَﻠَﻲَّ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﺟْﻌَﻠْﻨِﻲ ﻟَﻚَ ﺷَﺎﻛِﺮًﺍ ﻟَﻚَ ﺫَﺍﻛِﺮًﺍ ﻟَﻚَ ﺭَﺍﻫِﺒًﺎ ﻟَﻚَ ﻣِﻄْﻮَﺍﻋًﺎ ﺇِﻟَﻴْﻚَ ﻣُﺨْﺒِﺘًﺎ ﺃَﻭْ ﻣُﻨِﻴﺒًﺎ – ﺭَﺏِّ ﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﺗَﻮْﺑَﺘِﻲ – ﻭَﺍﻏْﺴِﻞْ ﺣَﻮْﺑَﺘِﻲ – ﻭَﺃَﺟِﺐْ ﺩَﻋْﻮَﺗِﻲ – ﻭَﺛَﺒِّﺖْ ﺣُﺠَّﺘِﻲ – ﻭَﺍﻫْﺪِ ﻗَﻠْﺒِﻲ – ﻭَﺳَﺪِّﺩْ ﻟِﺴَﺎﻧِﻲ – ﻭَﺍﺳْﻠُﻞْ ﺳَﺨِﻴﻤَﺔَ ﻗَﻠْﺒِﻲ ৪৭। হে আমার রব! তুমি আমাকে সাহায্য কর, আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না। আমাকে সহায়তা কর, আমার বিপক্ষে কাউকে সহায়তা করো না। আমাকে কৌশল শিখিয়ে দাও, আমার বিপক্ষে কাউকে চক্রান্ত করতে দিও না। আমাকে হেদায়ত দাও, হেদায়তের পথ আমার জন্য সহজ করে দাও। আমার বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ করে, তার বিপক্ষে আমাকে সাহায্য কর। আমাকে তোমার অধিক শুকরগুজার, যিক্রকারী বান্দা বানিয়ে দাও। তাওফিক দাও যাতে তোমাকে অধিক ভয় করি। তোমার আনুগত্য করি। তাওফিক দাও যাতে আমি তোমার প্রতি বিনয়ী হই, তাওবাকারী প্রত্যাবর্তনশীল বান্দা হই। হে আমার রব! তুমি আমার তাওবা কবূল কর। আমার অপরাধটুকু ধুয়ে ফেল। আমার দু’আ কবূল কর। আমার যুক্তিগুলো অকাট্য করে দাও। আর অন্তরকে হেদায়েতের পথে পরিচালিত কর, আমার ভাষাকে সঠিক করে দাও এবং আমার কলব থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে দাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৮- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣِﻦْ ﺧَﻴْﺮِ ﻣَﺎ ﺳَﺄَﻟَﻚَ ﻣِﻨْﻪُ ﻧَﺒِﻴُّﻚَ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ -ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ- ﻭَﻧَﻌُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻌَﺎﺫَ ﻣِﻨْﻪُ ﻧَﺒِﻴُّﻚَ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ -ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ – ﻭَﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻌَﺎﻥُ ﻭَﻋَﻠَﻴْﻚَ ﺍﻟْﺒَﻼَﻍُ ﻭَﻻَ ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠﻪِ ৪৮। হে আল্লাহ! তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার কাছে যেসব কল্যাণকর জিনিস চেয়েছিলেন সেগুলো আমাকেও তুমি দাও। আর তোমার নিকট ঐ অমঙ্গল-অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যে অমঙ্গল থেকে তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্রয় চেয়েছিলেন। সাহায্য তো শুধু তোমার কাছে চাইতে হয় এবং সবকিছু পৌঁছিয়ে দেয়ার দায়িত্বও তোমার। তুমি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোন নেক কাজ করা কিংবা গুনাহ করার কোন শক্তি নেই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৪৯- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺳَﻤْﻌِﻲْ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺑَﺼَﺮِﻱْ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻟِﺴَﺎﻧِﻲْ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻗَﻠْﺒِﻲْ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﻨِﻴِّﻲْ ৪৯। হে আল্লাহ! আমার শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তি আমার জিহ্বা ও অন্তর এবং আমার ভাগ্য এসব অঙ্গের অনিষ্টতা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫০- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺒَﺮَﺹِ ﻭَﺍﻟْﺠُﻨُﻮﻥِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺬَﺍﻡِ ﻭَﻣِﻦْ ﺳَﻴِّﺊْ ﺍﻷَﺳْﻘَﺎﻡِ ৫০। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট শ্বেতরোগ পাগলামি ও কুষ্ঠ রোগসহ সকল জটিল রোগ থেকে আশ্রয় চাই। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻣُﻨْﻜَﺮَﺍﺕِ ﺍﻷَﺧْﻼَﻕِ ﻭَﺍﻷَﻋْﻤَﺎﻝِ ﻭَﺍﻷَﻫْﻮَﺍﺀِ ৫১। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আমি অসৎ চরিত্র, অপকর্ম এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে আশ্রয় চাই। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋُﻔُﻮٌّ ﻛَﺮِﻳﻢٌ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﻲْ ৫২। হে আল্লাহ! তুমিতো ক্ষমার ভাণ্ডার, ক্ষমা করাকে তুমি পছন্দ কর। কাজেই আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻓِﻌْﻞَ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮَﺍﺕِ ﻭَﺗَﺮْﻙَ ﺍﻟْﻤُﻨْﻜَﺮَﺍﺕِ ﻭَﺣُﺐَّ ﺍﻟْﻤَﺴَﺎﻛِﻴﻦِ – ﻭَﺃَﻥْ ﺗَﻐْﻔِﺮَ ﻟِﻲ ﻭَﺗَﺮْﺣَﻤَﻨِﻲ – ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺃَﺭَﺩْﺕَ ﻓِﺘْﻨَﺔً ﻓِﻲ ﻗَﻮْﻡٍ ﻓَﺘَﻮَﻓَّﻨِﻲ ﻏَﻴْﺮَ ﻣَﻔْﺘُﻮﻥٍ – ﻭَﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺣُﺒَّﻚَ ﻭَﺣُﺐَّ ﻣَﻦْ ﻳُﺤِﺒُّﻚَ – ﻭَﺣُﺐَّ ﻋَﻤَﻞٍ ﻳُﻘَﺮِّﺑُﻨِﻲ ﺇِﻟَﻰ ﺣُﺒِّﻚَ ৫৩। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে নেক কাজ করা, অসৎ কাজ পরিত্যাগ এবং মিসকীনদের ভালবাসার গুণাবলী দাও। আরো প্রর্থানা করিছ যে, তুমি আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর। আর যখন তুমি কোন জাতিকে কোন প্রকার ফিতনায় ফেলার ইচ্ছা কর তখন আমাকে ফিতনামুক্ত মৃত্যু দান কর। তোমার ভালবাসা আমি চাই, যারা তোমাকে ভালবাসে তাদের ভালবাসাও চাই এবং এমন আমলের ভালবাসা আমি চাই, যে আমল আমাকে তোমার ভালবাসার নিকট পৌঁছে দেবে। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৪- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮِ ﻛُﻠِّﻪِ ﻋَﺎﺟِﻠِﻪِ ﻭَﺁﺟِﻠِﻪِ ﻣَﺎ ﻋَﻠِﻤْﺖُ ﻣِﻨْﻪُ ﻭَﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺃَﻋْﻠَﻢْ – ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺸَّﺮِّ ﻛُﻠِّﻪِ ﻋَﺎﺟِﻠِﻪِ ﻭَﺁﺟِﻠِﻪِ ﻣَﺎ ﻋَﻠِﻤْﺖُ ﻣِﻨْﻪُ ﻭَﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺃَﻋْﻠَﻢْ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣِﻦْ ﺧَﻴْﺮِ ﻣَﺎ ﺳَﺄَﻟَﻚَ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﻧَﺒِﻴُّﻚَ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﻋَﺎﺫَ ﺑِﻪِ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﻧَﺒِﻴُّﻚَ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﻭَﻣَﺎ ﻗَﺮَّﺏَ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻣِﻦْ ﻗَﻮْﻝٍ ﺃَﻭْ ﻋَﻤَﻞٍ – ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ﻭَﻣَﺎ ﻗَﺮَّﺏَ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻣِﻦْ ﻗَﻮْﻝٍ ﺃَﻭْ ﻋَﻤَﻞٍ – ﻭَﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺃَﻥْ ﺗَﺠْﻌَﻞَ ﻛُﻞَّ ﻗَﻀَﺎﺀٍ ﻗَﻀَﻴْﺘَﻪُ ﻟِﻲ ﺧَﻴْﺮًﺍ ৫৪। হে আল্লাহ! দুনিয়া ও আখিরাতের আমার জানা অজানা যত কল্যাণ ও নেয়ামাত আছে তা সবই আমি চাই। দুনিয়া ও আখিরাতের আমার জানা- অজানা সকল অকল্যাণ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ঐ সব কল্যাণ চাচ্ছি যা তোমার বান্দা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেয়েছিলেন এবং তোমার নিকট ঐ সব অমঙ্গল থেকে আশ্রয় চাচ্ছি যা থেকে তোমার বান্দা ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্রয় চেয়েছিলেন। হে আল্লাহ! আমি তো বেহেশতে যেতে চাই। আর সে কথা ও কাজের তাওফীক চাই যা সহজেই আমাকে বেহেশতে পৌঁছাবে। হে আল্লাহ! জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই এবং যে কথা ও কাজ মানুষকে জাহান্নামবাসী করে সেগুলো থেকেও তোমার কাছে আশ্রয় চাই। আর প্রতিটি কাজের বিচারে আমার জন্য কল্যাণকর ফায়সালা করে দিও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৫- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﺣْﻔَﻈْﻨِﻲْ ﺑِﺎﻹﺳْﻼﻡِ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ ﻭَﺍﺣْﻔَﻈْﻨِﻲْ ﺑِﺎﻹﺳﻼﻡِ ﻗَﺎﻋِﺪًﺍ ﻭَﺍﺣْﻔَﻈْﻨِﻲْ ﺑِﺎﻹﺳْﻼﻡِ ﺭِﺍﻗِﺪًﺍ ﻭَﻻَ ﺗﺸﻤﺖْ ﺑِﻲْ ﻋَﺪُﻭَّﺍ ﻭَﻻَ ﺣَﺎﺳِﺪًﺍ – ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺧَﻴْﺮٍ ﺧَﺰَﺍﺋِﻨُﻪُ ﺑِﻴَﺪِﻙَ ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺷَﺮٍّ ﺧَﺰَﺍﺋِﻨُﻪُ ﺑِﻴَﺪِﻙَ ৫৫। হে আল্লাহ! দাঁড়ানো অবস্থায় ইসলামের মাধ্যমে আমাকে হেফাযত করিও, বসা অবস্থা ইসলামের মাধ্যমে হেফাযত করিও এবং শোয়া অবস্থা ইসলামের মাধ্যমে আমাকে হেফাযত করিও। আমার বিপদে শত্রুকে আনন্দ করার সুযোগ দিও না। শত্রুকে আমার জন্য হিংসুটে হতে দিও না। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ঐ সব কল্যাণের প্রার্থনা করছি, যেসব কল্যাণ তোমার হাতে রয়েছে। সে সব অকল্যাণ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা তোমার হাতে রয়েছে। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৬- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨِﻲ ﻭَﺍﻫْﺪِﻧِﻲ ﻭَﻋَﺎﻓِﻨِﻲ ﻭَﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲ ৫৬। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমার প্রতি দয়া কর, আমাকে হেদায়াত কর, নিরাপদে রাখ এবং আমাকে রিযিক দান কর। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৭- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﻇَﻠَﻤْﺖُ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﻇُﻠْﻤًﺎ ﻛَﺜِﻴﺮًﺍ ﻭَﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻣَﻐْﻔِﺮَﺓً ﻣِﻦْ ﻋِﻨْﺪِﻙَ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨِﻲ ﺇِﻧَّﻚ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟْﻐَﻔُﻮﺭُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ ৫৭। হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের প্রতি অনেক যুলম করে ফেলেছি। আর তুমি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই। অতএব তুমি তোমার পক্ষ থেকে আমাকে বিশেষভাবে ক্ষমা কর , আমার প্রতি দয়া কর। নিশ্চয়ই তুমি বড়ই ক্ষমাশীল ও অতিশয় দয়ালু রব। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৮- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻟَﻚَ ﺃَﺳْﻠَﻤْﺖُ ﻭَﺑِﻚَ ﺁﻣَﻨْﺖُ ﻭَﻋَﻠَﻴْﻚَ ﺗَﻮَﻛَّﻠْﺖُ ﻭَﺇِﻟَﻴْﻚَ ﺧَﺎﺻَﻤْﺖُ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻌِﺰَّﺗِﻚَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﻳَﻤُﻮﺕُ ﻭَﺍﻟْﺠِﻦُّ ﻭَﺍﻟْﺈِﻧْﺲُ ﻳَﻤُﻮﺗُﻮﻥَ ৫৮। হে আল্লাহ! তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি, তোমার প্রতি-ই ঈমান এনেছি এবং তোমার উপর-ই তাওয়াক্কুল করেছি। আর তোমার নিকট-ই ফায়সালা চেয়েছি। হে আল্লাহ! তোমার ইজ্জতের আশ্রয় চাচ্ছি তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি চিরস্থায়ী, যাঁর&amp;nbsp;মৃত্যু নেই। আর জ্বিন ও মানব তো সবাই মরে যাবে। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৫৯- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﺫَﻧْﺒِﻲ ﻭَﻭَﺳِّﻊْ ﻟِﻲ ﻓِﻲ ﺩَﺍﺭِﻱ ﻭَﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟِﻲ ﻓِﻴﻤَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨِﻲ ৫৯। হে আল্লাহ! তুমি আমার গুনাহকে ক্ষমা করে দাও, আমার ঘরে প্রশস্ততা দান কর এবং আমার রিযিকে বরকত দাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬০- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻚَ ﻭَﺭَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻤْﻠِﻜُﻬَﺎ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ৬০। হে আল্লাহ! তোমার নিকট অনুগ্রহ ও দয়া চাই। কারণ অনুগ্রহ ও দয়ার মালিক তুমি ছাড়া কেউ না।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺘَّﺮَﺩِّﻱ ﻭَﺍﻟْﻬَﺪْﻡِ ﻭَﺍﻟْﻐَﺮَﻕِ ﻭَﺍﻟْﺤَﺮِﻳﻖِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﺨَﺒَّﻄَﻨِﻲ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥُ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﺃَﻥْ ﺃَﻣُﻮﺕَ ﻓِﻲ ﺳَﺒِﻴﻠِﻚَ ﻣُﺪْﺑِﺮًﺍ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﺃَﻥْ ﺃَﻣُﻮﺕَ ﻟَﺪِﻳﻐًﺎ ৬১। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট যমীন ধসে পড়া, ধ্বংস হওয়া, পানিতে ডুবা ও আগুনে পোড়া থেকে আশ্রয় চাই। মৃত্যুর সময় শয়তানের ছোবল থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই তোমার নিকট তোমার পথে পৃষ্ঠপ্রদর্শন হয়ে মৃত্যু থেকে। তোমার নিকট আশ্রয় চাই দংশনজনিত মৃত্যু থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺠُﻮﻉِ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺑِﺌْﺲَ ﺍﻟﻀَّﺠِﻴﻊُ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺨِﻴَﺎﻧَﺔِ ﻓَﺈِﻧَّﻬَﺎ ﺑِﺌْﺴَﺖِ ﺍﻟْﺒِﻄَﺎﻧَﺔُ ৬২। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষুধা থেকে আশ্রয় চাই। করণ এটা নিকৃষ্ট শয্যাসঙ্গী। খেয়ানত থেকেও তোমার কাছে আশ্রয় চাই। কারণ এটা নিকৃষ্ট বন্ধু।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻌَﺠْﺰِ ﻭَﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺒْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺒُﺨْﻞِ ﻭَﺍﻟْﻬَﺮَﻡِ ﻭَﺍﻟْﻘَﺴْﻮَﺓِ ﻭَﺍﻟْﻐَﻔْﻠَﺔِ ﻭَﺍﻟْﻌَﻴْﻠَﺔِ ﻭَﺍﻟﺬِّﻟَّﺔِ ﻭَﺍﻟْﻤَﺴْﻜَﻨَﺔِ – ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻔَﻘْﺮِ ﻭَﺍﻟْﻜُﻔْﺮِ ﻭَﺍﻟْﻔُﺴُﻮْﻕِ ﻭَﺍﻟﺸِّﻘَﺎﻕِ ﻭَﺍﻟﻨِّﻔَﺎﻕِ ﻭَﺍﻟﺴَّﻤْﻌَﺔِ ﻭَﺍﻟﺮِّﻳَﺎﺀِ – ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼَّﻤَﻢِ ﻭَﺍﻟْﺒَﻜَﻢِ ﻭَﺍﻟْﺠُﻨُﻮْﻥِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺬَﺍﻡِ ﻭَﺍﻟْﺒَﺮَﺹِ ﻭَﺳﻲﺀ ﺍﻷﺳْﻘَﺎﻡِ ৬৩। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, বার্ধক্য, নিষ্ঠুরতা, গাফিলতি, অভাব- অনটন, হীনতা, নিঃস্বতা থেকে আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই দারিদ্র্য, কুফরী, পাপাচার, ঝগড়াঝাটি, কপটতা, সুনাম- কামনা করা ও লোক দেখানো ইবাদত থেকে। আশ্রয় চাই তোমার নিকট বধিরতা, বোবা, পাগলামী, কুষ্ঠরোগ ও শ্বেত রোগসহ সকল খারাপ রোগ থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৪- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻔَﻘْﺮِ ﻭَﺍﻟْﻘِﻠَّﺔِ ﻭَﺍﻟﺬِّﻟَّﺔِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺃَﻥْ ﺃَﻇْﻠِﻢَ ﺃَﻭْ ﺃُﻇْﻠَﻢَ ৬৪। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দারিদ্র্য, স্বল্পতা, হীনতা থেকে আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই যালিম ও মাযলুম হওয়া থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৫- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻳَﻮْﻡِ ﺍﻟﺴُّﻮْﺀِ ﻭَﻣِﻦْ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﺴُّﻮْﺀِ ﻭَﻣِﻦْ ﺳَﺎﻋَﺔِ ﺍﻟﺴُّﻮْﺀِ ﻭَﻣِﻦْ ﺻَﺎﺣِﺐِ ﺍﻟﺴُّﻮْﺀِ ﻭَﻣِﻦْ ﺟَﺎﺭِ ﺍﻟﺴُّﻮْﺀِ ﻓِﻲ ﺩَﺍﺭِ ﺍﻟْﻤَﻘَﺎﻣَﺔِ ৬৫। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই খারাপ দিন, খারাপ রাত, বিপদ মুহূর্ত, অসৎসঙ্গী এবং স্থায়ীভাবে বসবাসকারী খারাপ প্রতিবেশী থেকে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৬- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺌَﻠُﻚَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﻭَﺃَﺳْﺘَﺠِﻴْﺮُﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ৬৬। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট জান্নাতের প্রার্থনা করছি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাচ্ছি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৭- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻓَﻘِّﻬْﻨِﻲْ ﻓِﻲ ﺍﻟﺪِّﻳْﻦِ ৬৬। হে আল্লাহ! আমাকে দ্বীনের পাণ্ডিত্য দান কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৮- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﺃَﻥْ ﺃُﺷْﺮِﻙَ ﺑِﻚَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﻭَﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻙَ ﻟِﻤَﺎ ﻻَ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ৬৭। হে আল্লাহ! জেনে বুঝে তোমার সাথে শির্ক করা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই এবং না জেনে শির্ক করা থেকে তোমার নিকট ক্ষমা চাই। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৬৯- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻋِﻠْﻤًﺎ ﻧَﺎﻓِﻌًﺎ ﻭَﺭِﺯْﻗًﺎ ﻃَﻴِّﺒًﺎ ﻭَﻋَﻤَﻼً ﻣُﺘَﻘَﺒَّﻼً ৬৮। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী ‘ইল্ম, পবিত্র রিযিক এবং কবূল আমলের প্রার্থনা করছি। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭০- ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻲَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟْﻐَﻔُﻮﺭُ ৭০। হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করে দাও আমার তাওবা কবূল কর। নিশ্চয়ই তুমি তাওবা গ্রহণকারী ও অতিশয় ক্ষমাশীল। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻃَﻬِّﺮْﻧِﻲ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏِ ﻭَﺍﻟْﺨَﻄَﺎﻳَﺎ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻧَﻘِّﻨِﻲ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻛَﻤَﺎ ﻳُﻨَﻘَّﻰ ﺍﻟﺜَّﻮْﺏُ ﺍﻷَﺑْﻴَﺾُ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺪَّﻧَﺲِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻃَﻬِّﺮْﻧِﻲ ﺑِﺎﻟﺜَّﻠْﺞِ ﻭَﺍﻟْﺒَﺮَﺩِ ﻭَﺍﻟْﻤَﺎﺀِ ﺍﻟْﺒَﺎﺭِﺩِ ৭১। হে আল্লাহ! আমাকে যাবতীয় গোনাহ ও ভুলভ্রান্তি থেকে পবিত্র কর। হে আল্লাহ! আমাকে গোনাহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন কর যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, শীতল ও ঠাণ্ডা পানি দ্বারা পবিত্র কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺭَﺏَّ ﺟِﺒْﺮَﺍﺋِﻴﻞَ ﻭَﻣِﻴﻜَﺎﺋِﻴﻞَ ﻭَﺭَﺏَّ ﺇِﺳْﺮَﺍﻓِﻴﻞَ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺣَﺮِّ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ ﻭَﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ . ৭২। হে আল্লাহ! হে জিব্রাইল, মিকাইল ও ইসরাফিলের রব! আমি তোমার নিকট জাহান্নামের উত্তাপ ও কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻟْﻬِﻤْﻨِﻲ ﺭُﺷْﺪِﻱ ﻭَﺃَﻋِﺬْﻧِﻲ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻧَﻔْﺴِﻲ . ৭৩। হে আল্লাহ! তুমি আমার অন্তরে হেদায়েতের অনুপ্রেরণা দান কর। আমার অন্তরের অনিষ্টতা থেকে আমাকে বাঁচিয়ে রাখো।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৪- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻋِﻠْﻤًﺎ ﻧَﺎﻓِﻌًﺎ، ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋِﻠْﻢٍ ﻻَّ ﻳَﻨْﻔَﻊُ . ৭৪। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আমি উপকার দানকারী ইলম চাই, এমন ইলম থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা কোন উপকারে আসে না।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৫- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻟِّﻒْ ﺑَﻴْﻦَ ﻗُﻠُﻮْﺑِﻨَﺎ – ﻭَﺃَﺻْﻠِﺢْ ﺫَﺍﺕَ ﺑَﻴْﻨِﻨَﺎ – ﻭَﺍﻫْﺪِﻧَﺎ ﺳُﺒُﻞَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡِ – ﻭَﻧَﺠِّﻨَﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤَﺎﺕِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨُّﻮْﺭِ – ﻭَﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺣِﺶَ ﻣَﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻭَﻣَﺎ ﺑَﻄَﻦَ ু ﻭَﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟَﻨَﺎ ﻓِﻲْ ﺃَﺳْﻤَﺎﻋِﻨَﺎ ﻭَﺃَﺑْﺼَﺎﺭِﻧَﺎ ﻭَﻗُﻠُﻮْﺑِﻨَﺎ ﻭَﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻨَﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺎﺗِﻨَﺎ – ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢُ – ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨَﺎ ﺷَﺎﻛِﺮِﻳْﻦَ ﻟِﻨِﻌَﻤِﻚَ ﻣﺜﻨﻴﻦ ﺑِﻬَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﻗَﺎﺑِﻠِﻴْﻦَ ﻟَﻬَﺎ ﻭَﺃَﺗْﻤِﻤْﻬَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ . ৭৫। হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহে ভালবাসা স্থাপন করে দাও। আমাদের নিজেদের মাঝে সংশোধন করে দাও। আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত কর। অন্ধকার গোমরাহী থেকে বাঁচিয়ে আলোকিত হিদায়াতের পথে নিয়ে যাও। প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখ। আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, অন্তরসমূহসহ আমাদের স্ত্রী-পুত্র সন্তানদের মাঝে বরকত দান কর। আমাদের তাওবা কবূল কর। তুমিতো দয়াময় তওবা কবুলকারী। আমাদেরকে তোমার প্রশংসা করে তোমার নেয়ামতের শুকরিয়া করার তাওফীক দাও। তুমি তোমার নেয়ামত আগ্রহভরে গ্রহণ করার তাওফীক দাও এবং তা আমাদের প্রতি পরিপূর্ণরূপে দান কর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৬- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟْﻤَﺴْﺄَﻟَﺔِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟﻨَّﺠَﺎﺡِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟْﻌَﻤَﻞِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟﺜَّﻮَﺍﺏِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟْﺤَﻴَﺎﺓِ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﺍﻟْﻤَﻤَﺎﺕِ – ﻭَﺛَﺒِّﺘْﻨِﻲْ ﻭَﺛَﻘِّﻞْ ﻣَﻮَﺍﺯِﻳْﻨِﻲْ ﻭَﺣَﻘِّﻖْ ﺇِﻳْﻤَﺎﻧِﻲْ ﻭَﺍﺭْﻓَﻊْ ﺩَﺭَﺟَﺎﺗِﻲْ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﺻَﻼَﺗِﻲْ ﻭَﺍﻏْﻔِﺮْ ﺧَﻄِﻴْﺌَﺘِﻲْ ﻭَﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟﺪَّﺭَﺟَﺎﺕُ ﺍﻟْﻌُﻠَﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ – ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻓَﻮَﺍﺗِﺢِ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮ ﻭَﺧَﻮَﺍﺗِﻤَﻪُ ﻭَﺟَﻮَﺍﻣِﻌَﻪُ ﻭَﺃَﻭَّﻟَﻪُ ﻭَﻇَﺎﻫِﺮَﻩُ ﻭَﺑَﺎﻃِﻨَﻪُ ﻭَﺍﻟﺪَّﺭَﺟَﺎﺕِ ﺍﻟْﻌُﻠَﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ ﺁَﻣِﻴْﻦَ – ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺁﺗﻲ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺃَﻓْﻌَﻞُ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺃَﻋْﻤَﻞُ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺑَﻄَﻦَ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻭَﺍﻟﺪَّﺭَﺟَﺎﺕِ ﺍﻟﻌُﻠَﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ ﺁﻣِﻴْﻦ -ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺃَﻥْ ﺗَﺮْﻓَﻊَ ﺫِﻛْﺮِﻱْ ﻭَﺗَﻀَﻊَ ﻭِﺯْﺭِﻱْ ﻭَﺗُﺼْﻠِﺢَ ﺃَﻣْﺮِﻱْ ﻭَﺗَﻄْﻬَﺮْ ﻗَﻠْﺒِﻲْ ﻭَﺗَﺤْﺼِﻦَ ﻓَﺮْﺟِﻲْ ﻭَﺗَﻨَﻮَّﺭَ ﻗَﻠْﺒِﻲْ ﻭَﺗَﻐْﻔِﺮَ ﻟِﻲْ ﺫَﻧْﺒِﻲْ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺃَﻥْ ﺗُﺒَﺎﺭِﻙَ ﻓِﻲْ ﻧَﻔْﺴِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﻗَﻠْﺒِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﺳَﻤْﻌِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﺑَﺼَﺮِﻱْ ﻭَﻓِﻲْ ﺭُﻭْﺣِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﺧَﻠْﻘِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﺧُﻠُﻘِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﺃَﻫْﻠِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﻣَﺤْﻴَﺎﻱَ ﻭَﻓِﻲْ ﻣَﻤَﺎﺗِﻲْ ﻭَﻓِﻲْ ﻋَﻤَﻠِﻲْ ﻓَﺘَﻘَﺒَّﻞْ ﺣَﺴَﻨَﺎﺗِﻲْ ﻭَﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟﺪَّﺭَﺟَﺎﺕِ ﺍﻟْﻌُﻠَﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ ﺁﻣِﻴْﻦْ ৭৬। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আমি উত্তম প্রার্থনা, দু’আ, উত্তম সফলতা, উত্তম আমল, উত্তম সাওয়াব, উত্তম জীবন ও উত্তম মৃত্যু কামনা করছি। আমাকে তুমি অটল অবিচল রাখ। আমার আমলনামা ভারী করে দাও, আমার ঈমানকে সুদৃঢ় কর, আমার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও। আমার সলাত কবূল কর এবং আমার গুনাহ ক্ষমা কর। জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনে আমাকে অধিষ্ঠিত কর। হে আল্লাহ! আমাকে তুমি কল্যাণের শুরু, শেষ, পূর্ণাঙ্গ, প্রকাশ্য অপ্রকাশ্যসহ জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা দান কর। আমীন! হে আল্লাহ! আমি যা উপস্থিত করছি, কর্ম করছি ও আমল করছি এবং এসবের উত্তম প্রতিদান অর্জনের জন্য তোমার নিকট মুনাজাত করছি। আর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব কিছুর কল্যাণসহ জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা তোমার কাছে চাই। আমীন! হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট এই মর্মে প্রার্থনা করছি যে, তুমি আমার মর্যাদা বুলন্দ কর, আমার গোনাহর বোঝা&amp;nbsp;সরিয়ে নাও। আমার সবকিছু ঠিক করে দাও, আমার অন্তরকে পবিত্র কর, আমার লজ্জাস্থানকে হেফাজাত কর, আমার অন্তরকে আলোকিত কর, আমার গুনাহ ক্ষমা কর। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, আমার মন ও আত্মায়, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিতে বরকত দান কর। বরকত দান কর আমার রুহে, আকৃতিতে, চরিত্র- মাধুর্যে, আমার পরিবারে, আমার জীবনে, মৃত্যুতে এবং আমার আমলে বরকত দান কর। সুতরাং আমার নেক আমল কবূল কর। জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনে তুমি আমাকে অধিষ্ঠিত করিও। আমীন! &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৭- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨِﻲْ ﻣُﻨْﻜَﺮَﺍﺕِ ﺍﻷَﺧْﻼَﻕِ ﻭَﺍﻷَﻫْﻮَﺍﺀِ ﻭَﺍﻷَﻋَﻤَﺎﻝِ ﻭَﺍﻷَﺩْﻭَﺍﺀِ ৭৭। হে আল্লাহ! আমাকে অসৎ চরিত্র, কুপ্রবৃত্তি, অপকর্ম ও অপ্রতিষেধক (ঔষধ) থেকে দূরে রাখ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৮- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢًَّ ﻗَﻨِّﻌْﻨِﻲْ ﺑِﻤَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨِﻲْ ﻭَﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟِﻲْ ﻓِﻴْﻪِ ﻭَﺍﺧْﻠُﻒْ ﻋَﻠَﻲَّ ﻛُﻞَّ ﻏَﺎﺋِﺒَﺔٍ ﻟِﻲْ ﺑِﺨَﻴْﺮٍ ৭৮। হে আল্লাহ! আমাকে যে রিযিক দান করেছ এতে তুমি আমাকে তুষ্টি দান কর এবং বরকত দাও। আর আমার প্রতিটি অজানা বিষয়ের পরে আমাকে তুমি কল্যাণ এনে দাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৭৯- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺣَﺎﺳِﺒْﻨِﻲ ﺣِﺴَﺎﺑًﺎ ﻳَﺴِﻴﺮًﺍ ৭৯। হে আল্লাহ! আমার হিসাবকে তুমি সহজ করে দাও। 

৮০- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻋِﻨِّﻲ ﻋَﻠٰﻰ ﺫِﻛْﺮِﻙَ ﻭَﺷُﻜْﺮِﻙَ ﻭَﺣُﺴْﻦِ ﻋِﺒَﺎﺩَﺗِﻚَ ৮০। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে তোমার যিকর, কৃতজ্ঞতা এবং তোমার উত্তম ইবাদাত করার তাওফীক দাও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮১- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺇِﻳﻤَﺎﻧًﺎ ﻻَ ﻳَﺮْﺗَﺪُّ ﻭَﻧَﻌِﻴﻤًﺎ ﻻَ ﻳَﻨْﻔَﺪُ ﻭَﻣُﺮَﺍﻓَﻘَﺔَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ -ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ – ﻓِﻲ ﺃَﻋْﻠَﻰ ﺟَﻨَّﺔِ ﺍﻟْﺨُﻠْﺪِ ৮১। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট এমন ঈমানের প্রার্থনা করছি, যে ঈমান হবে দৃঢ় ও মজবুত, যা নড়বড়ে হবে না, চাই এমন নেয়ামত যা ফুরিয়ে যাবে না। এবং চিরস্থায়ী সুউচ্চ জান্নাতে প্রিয় নবী মুহম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাথে থাকার তাওফীক আমাকে দিও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮২- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻗِﻨِﻲ ﺷَﺮَّ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﻭَﺍﻋْﺰِﻡْ ﻟِﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﺭْﺷَﺪِ ﺃَﻣْﺮِﻱ – ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻣَﺎ ﺃَﺳْﺮَﺭْﺕُ ﻭَﻣَﺎ ﺃَﻋْﻠَﻨْﺖُ ﻭَﻣَﺎ ﺃَﺧْﻄَﺄْﺕُ ﻭَﻣَﺎ ﻋَﻤَﺪْﺕُ ﻭَﻣَﺎ ﻋَﻠِﻤْﺖُ ﻭَﻣَﺎ ﺟَﻬِﻠْﺖُ ৮২। হে আল্লাহ! আমাকে আমার আত্মার অনিষ্টতা থেকে রক্ষা কর। পথনির্দেশপূর্ণ কাজে আমাকে তুমি দৃঢ় রাখ। হে আল্লাহ! আমি যা গোপন করি এবং যা প্রকাশ করি, ভুল করি, ইচ্ছা বশতঃ করি, যা জেনে করি এবং না জেনে করি- এসব কিছুতে আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮৩- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻏَﻠَﺒَﺔِ ﺍﻟﺪَّﻳْﻦِ ﻭَﻏَﻠَﺒَﺔِ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭِّ ﻭَﺷَﻤَﺎﺗَﺔِ ﺍﻷَﻋْﺪَﺍﺀِ ৮৩। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ঋণের প্রভাব ও আধিক্য, শত্রুর বিজয় এবং শত্রুদের আনন্দ উল্লাস থেকে আশ্রয় চাই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮৪- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺍﻫْﺪِﻧِﻲ ﻭَﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲ ﻭَﻋَﺎﻓِﻨِﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦْ ﺿِﻴﻖِ ﺍﻟْﻤَﻘَﺎﻡِ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ৮৪। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে হেদায়েত দান কর, আমাকে রিযিক দান কর, আমাকে নিরাপদে রাখ, ক্বিয়ামাতের দিনের সংকীর্ণ স্থান থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। &lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮৫- ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﺣْﺴَﻨْﺖَ ﺧَﻠْﻘِﻲ ﻓَﺄَﺣْﺴِﻦْ ﺧُﻠُﻘِﻲ . ৮৫। হে আল্লাহ! তুমি আমার আকৃতি ও অবয়বকে সুন্দর করেছ। অতএব আমার চরিত্রকেও সুন্দর করে দাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮৬- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺛَﺒِّﺘْﻨِﻲْ ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨِﻲْ ﻫَﺎﺩِﻳًﺎ ﻣَﻬْﺪِﻳًّﺎ . ৮৬। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে অটল- অবিচল রাখ এবং আমাকে পথপ্রদর্শক ও হিদায়াতপ্রাপ্ত হিসেবে গ্রহণ করে নাও।&lt;br&gt;&lt;br&gt;

৮৭- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺁﺗِﻨْﻲْ ﺍﻟْﺤِﻜْﻤَﺔَ ﺍﻟَّﺘِﻲْ ﻣَﻦْ ﺃُﻭْﺗِﻴْﻬَﺎ ﻓَﻘَﺪْ ﺃُﻭْﺗِﻲَ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻛَﺜِﻴْﺮﺍً . ৮৭। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে হেকমত দান কর। যাকে তুমি হেকমত দান করেছ, তাকে অনেক কল্যাণ দান করা হয়েছে। আমীন! ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺻَﻞِّ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻭَّﻋَﻠَﻰ ﺁﻟِﻪِ ﻭَﺃَﺻْﺤَﺎﺑِﻪِ ﺃَﺟْﻤَﻌِﻴْﻦَ হে আল্লাহ! প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (স) ও তাঁর পরিবার পরিজন ও সকল সাহাবায়ে কেরাম (রা) এর প্রতি দুরূদ ও সালাম বর্ষিত কর। 

&lt;b&gt;&quot;সমাপ্ত&quot;&lt;/b&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/1894956059796019402/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/Some-essential-doa.html#comment-form' title='7টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1894956059796019402'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/1894956059796019402'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/Some-essential-doa.html' title='কুরআন ও হাদীস থেকে নিৰ্বাচিত ৮৭ টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiGrOQRSVH3w4sgXp74Sdeox6ETT0l6mPkcg1s8htbX5b2b9Tg74DSTRu_PVghP-9H3cuCHJ6B3HAIUajXfSMf0k2h_I1AnfJuLUyd9MJreYQoyugT1ArHdc0y1anWFM8orfWKqZszEdltG/s72-c/islam-0398457-765x510.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-735199934015462896</id><published>2016-02-21T05:39:00.000-08:00</published><updated>2016-02-21T05:39:11.990-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কবীরা গুনাহ"/><title type='text'>একশটি কবীরা গুনাহ</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLI-jlv72V3djR90bFZaqOctmHpBNasx1IOnDg1eVLedee4VBmaEFFFJDa-QgsXM4GecmPtHhzFM8ey2pcN7BNMsdvC27XImAofeIO0YZY9pl4oQc3vz18gb2VTE3fzcmuyCEUOi9KjZ2n/s1600/B4lvlcckDfxSnU7mA-ZFzlt043E0h2f2wR8O2lOY7IBwGQ-cbAGf-9cbfwE0rOcCI5xP2Cwj0dXhY8UJulgug5vdAsNPWHPp4d4SAKePgKG4UYolOYsSk8wz9EAFY9q_UL5sg6u7HJ87wck%253Dw495-h297-nc.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; height=&quot;192&quot; src=&quot;https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLI-jlv72V3djR90bFZaqOctmHpBNasx1IOnDg1eVLedee4VBmaEFFFJDa-QgsXM4GecmPtHhzFM8ey2pcN7BNMsdvC27XImAofeIO0YZY9pl4oQc3vz18gb2VTE3fzcmuyCEUOi9KjZ2n/s320/B4lvlcckDfxSnU7mA-ZFzlt043E0h2f2wR8O2lOY7IBwGQ-cbAGf-9cbfwE0rOcCI5xP2Cwj0dXhY8UJulgug5vdAsNPWHPp4d4SAKePgKG4UYolOYsSk8wz9EAFY9q_UL5sg6u7HJ87wck%253Dw495-h297-nc.jpg&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
কবীরা গুনাহ কাকে বলে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কবীরা গুনাহ বলা হয় ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম সমূহকে যেগুলোতে নিন্মোক্ত কোন একটি বিষয় পাওয়া যাবে:&lt;br /&gt;
যে সকল গুনাহের ব্যাপারে ইসলামে শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
যে সকল গুনাহের ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দণ্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন।&lt;br /&gt;
যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ফেরেশতা মণ্ডলী লানত দেন।&lt;br /&gt;
যে কাজের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে এমনটি করবে সে মুসলমানদের দলভুক্ত নয়।&lt;br /&gt;
কিংবা যে কাজের ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
যে কাজে দ্বীন নাই, ঈমান নাই ইত্যাদি বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
যে ব্যাপারে বলা হয়েছে ্‌এটি মুনাফিকের আলামত বা মুনাফিকের কাজ।&lt;br /&gt;
অথবা যে কাজকে আল্লাহ তায়ালা সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয় করা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকার মর্যাদাঃ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. মহান আল্লাহ বলেন:&lt;br /&gt;
إِن تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًا كَرِيمًا&lt;br /&gt;
“যেগুলো স¤পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার। তবে আমি তোমাদের (ছাট) গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাব।” (সূরা নিসা: ৩১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন:&lt;br /&gt;
الصلوات الخمس . والجمعة إلى الجمعة . ورمضان إلى رمضان . مكفرات ما بينهن إذا اجتنب الكبائر&lt;br /&gt;
“পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমআ থেকে আরেক জুমআ এবং এক রামাযান থেকে আরেক রামাযান এতদুভয়ের মাঝে সংঘটিত সমস্ত পাপরাশীর জন্য কাফফারা স্বরূপ যায় যদি কবীরা গুনাহ সমূহ থেকে বেঁচে থাকা যায়।” (মুসলিম)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১০০টি কবীরা গুনাহ:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহর সাথে শিরক করা&lt;br /&gt;
নামায পরিত্যাগ কর&lt;br /&gt;
পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া&lt;br /&gt;
অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা&lt;br /&gt;
পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা&lt;br /&gt;
যাদু-টোনা করা&lt;br /&gt;
এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা&lt;br /&gt;
জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা&lt;br /&gt;
সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া&lt;br /&gt;
রোযা না রাখা&lt;br /&gt;
যাকাত আদায় না করা&lt;br /&gt;
ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা&lt;br /&gt;
যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা&lt;br /&gt;
প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া&lt;br /&gt;
অহংকার করা&lt;br /&gt;
চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের &amp;nbsp;নিকট লাগোনো)&lt;br /&gt;
আত্মহত্যা করা&lt;br /&gt;
আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা&lt;br /&gt;
অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা&lt;br /&gt;
উপকার করে খোটা দান করা&lt;br /&gt;
মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা&lt;br /&gt;
মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা&lt;br /&gt;
জুয়া খেলা&lt;br /&gt;
তকদীর অস্বীকার করা&lt;br /&gt;
অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা&lt;br /&gt;
গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া&lt;br /&gt;
পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা&lt;br /&gt;
রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা&lt;br /&gt;
মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা&lt;br /&gt;
মিথ্যা কথা বলা&lt;br /&gt;
মিথ্যা কসম খাওয়া&lt;br /&gt;
মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা&lt;br /&gt;
জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া&lt;br /&gt;
সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া&lt;br /&gt;
মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা&lt;br /&gt;
হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।&lt;br /&gt;
যার জন্যে হিলা করা হয়&lt;br /&gt;
মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা&lt;br /&gt;
মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা&lt;br /&gt;
মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা&lt;br /&gt;
মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া&lt;br /&gt;
খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো&lt;br /&gt;
কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা&lt;br /&gt;
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা&lt;br /&gt;
ওজনে কম দেয়া&lt;br /&gt;
ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা&lt;br /&gt;
ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা&lt;br /&gt;
জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা&lt;br /&gt;
গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা&lt;br /&gt;
দাঁত চিকন করা&lt;br /&gt;
সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা&lt;br /&gt;
অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা&lt;br /&gt;
পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা&lt;br /&gt;
নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা&lt;br /&gt;
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো&lt;br /&gt;
কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা&lt;br /&gt;
পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া&lt;br /&gt;
পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা&lt;br /&gt;
মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা&lt;br /&gt;
ডাকাতি করা&lt;br /&gt;
চুরি করা&lt;br /&gt;
সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা&lt;br /&gt;
ঘুষ লেন-দেন করা&lt;br /&gt;
গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা&lt;br /&gt;
স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা&lt;br /&gt;
জুলুম-অত্যাচার করা&lt;br /&gt;
অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা&lt;br /&gt;
প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা&lt;br /&gt;
রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা&lt;br /&gt;
স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা&lt;br /&gt;
পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা&lt;br /&gt;
সাহাবীদের গালি দেয়া&lt;br /&gt;
নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা&lt;br /&gt;
মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন&lt;br /&gt;
ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা&lt;br /&gt;
পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা&lt;br /&gt;
কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া&lt;br /&gt;
আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা&lt;br /&gt;
বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া&lt;br /&gt;
যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট&lt;br /&gt;
স্বামীর অবাধ্য হওয়া&lt;br /&gt;
স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা&lt;br /&gt;
স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা&lt;br /&gt;
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা&lt;br /&gt;
বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া&lt;br /&gt;
বিশ্বাস ঘাতকতা করা&lt;br /&gt;
অঙ্গীকার পূরণ না করা&lt;br /&gt;
আমানতের খিয়ানত করা&lt;br /&gt;
প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া&lt;br /&gt;
ঋণ পরিশোধ না করা&lt;br /&gt;
বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না&lt;br /&gt;
তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো&lt;br /&gt;
পরীক্ষায় নকল করা&lt;br /&gt;
ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা&lt;br /&gt;
ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা&lt;br /&gt;
আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা&lt;br /&gt;
দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা&lt;br /&gt;
কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা&lt;br /&gt;
নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা&lt;br /&gt;
আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরও&amp;nbsp;অনেক&amp;nbsp;কবীরা&amp;nbsp;গুনাহ&amp;nbsp;আছে&amp;nbsp;যা&amp;nbsp;আমরা&amp;nbsp;পরবর্তীতে&amp;nbsp;পর্যায়ক্রমে&amp;nbsp;আলোচনা&amp;nbsp;করবো।&amp;nbsp;আল্লাহ&amp;nbsp;আমাদেরকে&amp;nbsp;সকল&amp;nbsp;কবীরা&amp;nbsp;গুনাহ&amp;nbsp;থেকে&amp;nbsp;হেফাজত&amp;nbsp;করে&amp;nbsp;ইসলামের&amp;nbsp;সঠিক&amp;nbsp;পথে&amp;nbsp;চলার&amp;nbsp;তৌফিক&amp;nbsp;দেন&amp;nbsp;করুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
★শেয়ার&amp;nbsp;বাটন&amp;nbsp;থেকে&amp;nbsp;শেয়ার&amp;nbsp;করতে&amp;nbsp;ভুলবেন&amp;nbsp;না।&amp;nbsp;সঙ্গে&amp;nbsp;থাকুন,&amp;nbsp;আসুন&amp;nbsp;আল্লাহর&amp;nbsp;পথে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/735199934015462896/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_94.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/735199934015462896'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/735199934015462896'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_94.html' title='একশটি কবীরা গুনাহ'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiLI-jlv72V3djR90bFZaqOctmHpBNasx1IOnDg1eVLedee4VBmaEFFFJDa-QgsXM4GecmPtHhzFM8ey2pcN7BNMsdvC27XImAofeIO0YZY9pl4oQc3vz18gb2VTE3fzcmuyCEUOi9KjZ2n/s72-c/B4lvlcckDfxSnU7mA-ZFzlt043E0h2f2wR8O2lOY7IBwGQ-cbAGf-9cbfwE0rOcCI5xP2Cwj0dXhY8UJulgug5vdAsNPWHPp4d4SAKePgKG4UYolOYsSk8wz9EAFY9q_UL5sg6u7HJ87wck%253Dw495-h297-nc.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3327237181435708279</id><published>2016-02-21T05:12:00.000-08:00</published><updated>2016-02-21T05:12:23.000-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="কবীরা গুনাহ"/><title type='text'>ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন এবং এর ক্ষতিকারক দিক সমূহ</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামের দৃষ্টেতে হস্তমৈথুন:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ তা’আলার দেয়া এ সুন্দর যৌবনকালটাকে ক্ষয় করার জন্য যে ব্যক্তি তার স্বীয় লিঙ্গের পিছনে লেগে যায় এবং নিজ হাত দিয়ে এটা চর্চা করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তার এ হাত পরকালে সাক্ষী দেবে যে, সে এ পাপ কোথায় কতবার করেছে- যা পবিত্র কালামে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “সেই দিন আমি তাদের মুখের উপর মোহর মেরে দেব, বরং তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে, আর তাদের পা সাক্ষ্য দেবে যা তারা অর্জন করত সে-সন্বন্ধে। ” -(আল- কুরআন, ৩৬:৬৫) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “ যে ব্যক্তি স্বীয় জিহ্বা এবং লজ্জাস্থান জামিন হবে আমি তার জাহান্নামের জন্যে জামিন হবো।” -(বুখারি, মিশকাত) উক্ত হাদিস থেকে প্রমানিত হচ্ছে, মানব দেহের এ দু’টো অঙ্গ অত্যন্ত দুর্বল ও বিপদজনক। এ দু’টো অঙ্গের মাধ্যমে বিশেষ করে লজ্জাস্থানের মাধ্যমে পাপ করাতে শয়তানের জন্য খুব সুবিধা। এ দু’টো অঙ্গের মাধ্যমে বেশীরভাগ পাপ হয়ে থাকে। যদি কোন ব্যক্তি এ দু’টো অঙ্গের হেফাজত করে, বিশেষ করে যুবক অবস্iউমi লিঙ্গের হেফাজত করে অবয়িদ কোন প্রকারেই বীর্যপাত ঘটাতে চেষ্টা না করে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশের বিরাট সুযোগ পেয়ে যাবে। অন্যত্র সহীহ হাদীস থেকে আরও প্রমানিত হয়ঃ “(একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যুবকদের লক্ষ্য করে বলেন) হে যুবকেরা! তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহের দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা রাখে, তাদের বিবাহ করা উচিত। কেননা বিবাহ দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হিফাজত করে। আর যে বিবাহের দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা রাখে না, তার উচিত (কামভাব দমনের জন্য) রোযা রাখা।” -(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরও বলেনঃ “তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তা’আলা নিজের দায়িত্ব মনে করেন। (১) ঐ খতদাতা ব্যক্তি, যে তার খতের মূল্য পরিশোধের চেষ্টা করে। (২) সে বিবাহিত যুবক, যে চরিত্রের হিফাজতের উদ্দেশে বিবাহ করে। (৩) সে মুজাহিদ, যে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে।” -(হাসানঃ আত-তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত) হস্তমৈথুন এমনই একটি কাজ যার অর্থ নিজেকে কলুষিত করা। এটা একটা জঘন্য কলুষ বা পাপ বোধযুক্ত কাজ। হস্তমৈথুন এমনই গোপনীইয় পাপ যা মানুষ চোরের মত চুপিসারে করে এবং প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরও বলেনঃ “উত্তম চরিত্র হল পু্ন্য। আর যে কাজ তোমার মনে খটকা সৃষ্টি করে এবং লোকের কাছে প্রকাশ হওয়াকে তুমি পছন্দ কর না, তা হল পাপ।” -(মুসলিম, মিশকাত) অশালীন, অশোভনীয় ও অন্যায় কাজে মনে সঙ্কোচবোধ করার নাম হলো লজ্জা বা হায়া। যার লজ্জা নেই সে পারে হস্তমৈথুনে লিপ্ত হতে। লজ্জা বা হায়া সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “লজ্জাশীলতা কল্যাণই বয়ে আনে । ” – [বুখারী ও মুসলিম] মুসলিমের এক বর্ণনায় এরূপ রয়েছেঃ “লজ্জাশীলতার পুরোটাই কল্যাণময়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুনের খতিকারক দিক সমুহ:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামের দৃষ্টিতে এটা হারাম এবংকবীরা গুনাহ। শরীয়ত অনুযায়ী যারা&lt;br /&gt;
হস্তমৈথুন করে তারা সীমালংগনকারী ।শারীরিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা&lt;br /&gt;
হয়েছে। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান &amp;nbsp;যে্সব সমস্যায় ভুগতে পারে তার মধ্যে একটি হল&lt;br /&gt;
[১ ] পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে&lt;br /&gt;
ধীরে ধীরে নপুংসক (Impotent) হয়ে&lt;br /&gt;
যায়। অর্থাৎ যৌন সংগম স্থাপন করতে&lt;br /&gt;
অক্ষম হয়ে যায় ।[২] আরেকটি সমস্যা হল অকাল&lt;br /&gt;
বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে&lt;br /&gt;
সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক&lt;br /&gt;
সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না ।[৩ ] অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে&lt;br /&gt;
শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে&lt;br /&gt;
শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০মিলিয়নের কম ।।&lt;br /&gt;
যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার&lt;br /&gt;
দেখা দেয় ।&lt;br /&gt;
(যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর&lt;br /&gt;
সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত ।&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকেযদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয়না। )[৪ ] । অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষে যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয় ।Dr.Liu বলেন –&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
“There is a huge change in body&lt;br /&gt;
chemistry when one&lt;br /&gt;
masturbates excessively”&lt;br /&gt;
আর শরীরের অন্যান্য যেসব ক্ষতি হয়-&lt;br /&gt;
১ ) Nervous system, heart, digestive&lt;br /&gt;
system, urinary system এবং আরো&lt;br /&gt;
অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো&lt;br /&gt;
শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ –&lt;br /&gt;
বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায় ।&lt;br /&gt;
২ ) চোখের ক্ষতি হয় ।৩ ) স্মরণ শক্তি কমে যায় ।৪ ) মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক&lt;br /&gt;
সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে।&lt;br /&gt;
৫ ) আরেকটি সমস্যা হল Leakage of semen। অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায়&lt;br /&gt;
যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হয় । ফলে অনেক মুসলিম ভাই নামায পড়তে&lt;br /&gt;
পারেন না ।মহান আল্লাহ্ তা’ আলার স্মরণ থেকে মুসলিমদের দূরে রাখে&lt;br /&gt;
হস্তমৈথুন।রসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বলেছেন-“যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের&lt;br /&gt;
মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুইপায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের)&lt;br /&gt;
নিশ্চয়তা (সঠিক ব্যবহারের) দেবে আমি তার বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব । ” –&lt;br /&gt;
(বুখারী ও মুসলিম)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3327237181435708279/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_21.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3327237181435708279'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3327237181435708279'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/blog-post_21.html' title='ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন এবং এর ক্ষতিকারক দিক সমূহ'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7037949147671480379.post-3661673043082821549</id><published>2016-02-21T04:38:00.000-08:00</published><updated>2016-02-21T17:58:01.259-08:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="নামাজ"/><title type='text'>নামাজের সঠিক নিয়ম কানুন</title><content type='html'>&lt;div dir=&quot;ltr&quot; style=&quot;text-align: left;&quot; trbidi=&quot;on&quot;&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;a href=&quot;http://www.new-muslims.info/bd/wp-content/uploads/2013/09/imagesCAM3GHX5.jpg&quot; imageanchor=&quot;1&quot; style=&quot;margin-left: 1em; margin-right: 1em;&quot;&gt;&lt;img border=&quot;0&quot; src=&quot;http://www.new-muslims.info/bd/wp-content/uploads/2013/09/imagesCAM3GHX5.jpg&quot; height=&quot;224&quot; width=&quot;320&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ইসলামের প্রথম ভিত্তি হল নামাজ। এ নামাজ ঠিককরে আদায় করতে পারলে আল্লাহর ওয়াদা অনুসারে পরকালের হিসাব অনেক সহজ হবে। সংগৃহীত পোষ্টটি থেকে আমরা নামাজের নিয়ম রীতিগুলো আরেকটু ঝালাই করে নিতে পারি। আল্লাহ আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুন।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
১। আযান&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
‘আযান’ অর্থ, ঘোষণা ধ্বনি। পারিভাষিক অর্থ, শরী‘আত নির্ধারিত আরবী বাক্য সমূহের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে উচ্চকণ্ঠে ছালাতে আহবান করাকে ‘আযান’ বলা হয়। ১ম হিজরী সনে আযানের প্রচলন হয়। মিরআত- ২/৩৪৪-৩৪৫-সালাত অধ্যায়-৪-আযান অনু-৪&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সূচনা: ওমর ফারূক (রাঃ) সহ একদল সাহাবী একই রাতে আযানের একই স্বপ্ন দেখেন ও পরদিন সকালে ‘অহি’ দ্বারা প্রত্যাদিষ্ট হ’লে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তা সত্যায়ন করেন এবং বেলাল (রাঃ)-কে সেই মর্মে ‘আযান’ দিতে বলেন।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আবু দাঊদ হা/৪৯৯, ‘আওনুল মা‘বূদ হা/৪৯৪-৪৯৫, ২/১৬৫-৭৫; আবুদাঊদ, দারেমী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৬৫০।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ (রাঃ) সর্বপ্রথম পূর্বরাতে স্বপ্নে দেখা আযানের কালেমা সমূহ সকালে এসে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকটে বর্ণনা করেন। পরে বেলালের কণ্ঠে একই আযান ধ্বনি শুনে হযরত ওমর (রাঃ) বাড়ী থেকে বেরিয়ে চাদর ঘেঁষতে ঘেঁষতে ছুটে এসে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলেন, ‘যিনি আপনাকে ‘সত্য’ সহকারে প্রেরণ করেছেন, তাঁর কসম করে বলছি আমিও অনুরূপ স্বপ্ন দেখেছি’(আবু দাউদ-আউনাল মাবুদ—৪৯৫, মিশকাত-৬৫০)।একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সঃ) ‘ফালিল্লা-হিল হাম্দ’ বলে আল্লাহর প্রশংসা করেন’।একটি বর্ণনা মতে ঐ রাতে ১১ জন ছাহাবী একই আযানের স্বপ্ন দেখেন’।উল্লেখ্য যে, ওমর ফারূক (রাঃ) ২০ দিন পূর্বে উক্ত স্বপ্ন দেখেছিলেন।কিন্তু আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ আগেই বলেছে দেখে লজ্জায় তিনি নিজের কথা প্রকাশ করেননি।(আবু দাউদ-আউনাল মাবুদস-৪৯৪)&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: center;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both; text-align: justify;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আযানের দোয়ার আগেঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক) নবী(সঃ) বলেছেন, ‘যখন তোমরা মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাও, তখন সে যা বলে, তোমরা ঠিক তারই পুনরাবৃত্তি কর।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
খ) তবে মুয়াজ্জিন যখন ‘হাইয়া-লাস সালাহ’ এবং ‘হাইয়া আলাস ফালাহ’ বলে,তখন তোমরা “লা হাওলা ওলা-কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহ”( নেই কোন ক্ষমতা,নেই কোন শক্তি আল্লাহ ব্যতীত) বল। বুখারী-১/১৫২,মুসলিম-৭৪৯&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
গ) তারপর “আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওহাদাহু লা শরীকালাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু, রাদীতু বিল্লাহি রাব্বান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসুলান, ওয়া-বিল ইসলামী দ্বীনান”।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থঃ- আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি- আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকারের কোন মাবুদ নাই।তিনি এক, তার কোন অংশীদার নাই। আর মুহাম্মাদ(সঃ) তার বান্দা ও প্রেরিত রাসুল(সঃ)। আমি আল্লাহকে প্রভু হিসাবে ও মুহাম্মাদ(সঃ)কে রাসুল হিসাবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসাবে লাভ করে পরিতৃপ্ত”। মুসলিম-১/২৯০,ইবনে খুজায়মা-১/২২০&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঘ) তারপর দরুদে ইব্রাহিম পড়বে। মুসলিম-১/২৮৮ ।উল্লেখ্য যে, ফজরের আযানে ‘আছ ছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম’-এর জওয়াবে ‘ছাদাক্বতা ওয়া বারারতা’ বলার কোন ভিত্তি নেই। অমনিভাবে এক্বামত-এর সময় ‘ক্বাদ ক্বা-মাতিছ ছালা-হ’-এর জওয়াবে‘আক্বা-মাহাল্লা-হু ওয়া আদা-মাহা’ বলা সম্পর্কে আবুদাঊদে বর্ণিত হাদীছটি ‘যঈফ’।‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ -এর জওয়াবে ‘সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহে ওয়া সাল্লাম’ বলারও কোন দলীল নেই। আবু দাউদ-৫২৮,মিশাকাত-৬৭০&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঙ) আযান শুনার পরঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রববা হা-যিহিদ দা‘ওয়াতিত তা-ম্মাহ, ওয়াছ ছলা-তিল ক্বা-য়েমাহ, আ-তে মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাহ, ওয়াব‘আছ্হু মাক্বা-মাম মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আদ্তাহ’ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ: হে আল্লাহ! (তাওহীদের) এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত ছালাতের তুমি প্রভু। মুহাম্মাদ (ছাঃ) -কে তুমি দান কর ‘অসীলা’ (নামক জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান) ও মর্যাদা এবং পৌঁছে দাও তাঁকে (শাফা‘আতের) প্রশংসিত স্থান ‘মাক্বামে মাহমূদে’ যার ওয়াদা তুমি তাঁকে করেছ’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
চ) রাসূলুল্লাহ (সঃ) এরশাদ করেন ‘যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দো‘আ পাঠ করবে, তার জন্য ক্বিয়ামতের দিন আমার শাফা‘আত ওয়াজিব হবে’। বুখারী, মিশকাত-৬৫৯&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ছ) আযান ও ইকামতের মাঝের সময়টাতে দুয়া করলে, সেই দোয়া কবুল হয়। তিরমিযী,আবু দাউদ,আহমদ&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
২। পবিত্রতা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সালাতের আবশ্যিক পূর্বশর্ত হ’ল ‘ত্বাহারৎ বা পবিত্রতা’অর্জন করা। পবিত্রতা দু’প্রকারের : আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক, অর্থাৎ দৈহিক। ‘আভ্যন্তরীণ পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় হৃদয়কে যাবতীয় শিরকী আক্বীদা ও ‘রিয়া’ মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর ভালবাসার ঊর্ধ্বে অন্যের ভালবাসাকে হৃদয়ে স্থান না দেওয়া। ‘দৈহিক পবিত্রতা’ বলতে বুঝায়, শরয়ী পদ্ধতিতে ওযূ, গোসল বা তায়াম্মুম সম্পন্ন করা।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আল্লাহ বলেন, ২২২)- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ (অন্তর থেকে) তওবাকারী ও (দৈহিকভাবে) পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালবাসেন’। বাক্বারাহ -২২২&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
রাসূলুল্লাহ (সঃ) এরশাদ করেন, ‘পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত কারু ছালাত কবুল হয় না এবং হারাম মালের ছাদাক্বা কবুল হয় না’। মুসলিম,মুত্তাফাক আলাইহে,মিশকাত-৩০১,৩০০-পবিত্রতা অধ্যায়- ‘যা ওযু ওয়াজিব করে’ অনু–১।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন,‘তোমরা ছালাত আদায় কর সেভাবে, যেভাবে আমাকে ছালাত আদায় করতে দেখছ’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অজু করা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আভিধানিক অর্থ স্বচ্ছতা । পারিভাষিক অর্থে পবিত্র পানি দ্বারা শরীয়া পদ্ধতিতে হাত, মুখ, পা ধৌত করা ও (ভিজা হাতে) মাথা মাসাহ করাকে ‘ওযূ’ বলে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ওযূর ফরয : ওযূর মধ্যে ফরয হ’ল চারটি। ১. কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া ও ঝাড়া সহ পুরা মুখমন্ডল ভালভাবে ধৌত করা। ২. দুই হাত কনুই সমেত ধৌত করা, ৩. (ভিজা হাতে) কানসহ মাথা মাসাহ করা ও ৪. দুই পা টাখনু সমেত ধৌত করা। নীচের আয়াতের চারটি ফরয বাদে ওযূর বাকী সবই সুন্নাত।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
যেমন মহান আল্লাহ বলেন,&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থ : ‘হে বিশ্বাসীগণ! যখন তোমরা ছালাতের জন্য প্রস্ত্তত হও, তখন তোমাদের মুখমন্ডল ও হস্তদ্বয় কনুই সমেত ধৌত কর এবং তোমাদের মাথা মাসাহ কর ও পদযুগল টাখনু সমেত ধৌত কর…..’ মায়েদাহ- ৬&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অজুর দোয়া&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা-শারীকা লাহূ, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহু। আল্লা-হুম্মাজ্‘আল্নী মিনাত্ তাউয়াবীনা ওয়াজ্‘আল্নী মিনাল মুতাত্বাহ্হিরীন।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থ : ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক ও শরীক বিহীন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তাঁর বান্দা ও রাসূল’ (মুসলিম)।হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন!! (তিরমিযী)।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৩। নিয়ত করা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
‘নিয়ত’ অর্থ ‘সংকল্প’। ছালাতের শুরুতে নিয়ত করা অপরিহার্য।রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সকল কাজ নিয়তের উপরে নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই-ইপাবে, যার জন্য সে নিয়ত করবে’।মুখে নিয়ত পাঠের প্রচলিত রেওয়াজটিদ্বীনের মধ্যে একটিনতুন সৃষ্টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সালাতে এর কোন স্থান নেই। অনেকেছালাত শুরুর আগেই জায়নামাযের দো‘আ মনে করে‘ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু…’ পড়েন। এইরেওয়াজটি সুন্নাতের বরখেলাফ। মূলতঃ জায়নামাযের দো‘আ বলে কিছু নেই। [মুত্তাফাক আলাইহ; মিশকাত, হা ০১]&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৪। তাকবীরে তাহরীমার দোয়া / সানা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ওযূ করার পর ছালাতের সংকল্প করে ক্বিবলামুখী দাঁড়িয়ে ‘আল্লা-হুআকবর’ বলে দু’হাত উঠিয়ে তাকবীরে তাহরীমা দিতে হবে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক) উচ্চারণ :আল্লা-হুম্মা বা-‘এদ বায়নী ওয়া বায়না খাত্বা-ইয়া-ইয়া, কামাবা-‘আদতা বায়নাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিবি। আল্লা-হুম্মা নাকক্বিনী মিনালখাত্বা-ইয়া, কামাইউনাকক্বাছ ছাওবুল আব্ইয়াযু মিনাদ দানাসি। আল্লা-হুম্মাগ্সিলখাত্বা-ইয়া-ইয়াবিল মা-য়িওয়াছ ছালজিওয়াল বারাদি’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ :হে আল্লাহ! আপনি আমার ও আমার গোনাহ সমূহের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টিকরে দিন, যেমন দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ!আপনি আমাকেপরিচ্ছন্ন করুন গোনাহ সমূহ হ’তে, যেমন পরিচ্ছন্ন করা হয় সাদা কাপড়ময়লা হ’তে। হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহ সমূহকে ধুয়ে ছাফ করে দিন পানিদ্বারা, বরফ দ্বারা ওশিশির দ্বারা’।[মুত্তাফাক আলাইহ; মিশকাত ৮১২, অনু ১১]&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সানার জন্য অন্য দো‘আও রয়েছে। তবে এই দো‘আটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অথবা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
খ) সুবহানাকা আল্লাহুমা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তা-আ’লা-জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থঃ ‘হে আল্রাহ, তুমি পবিত্র সকল প্রশংসা তোমারই জন্য। তোমার নাম মহিমান্বিত, তোমার সত্তা অতি উচ্চে প্রতিষ্ঠিত এবং তুমি ব্যতীত ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নাই।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আবু দাউদ,নাসায়ী,তিরমিযী-১/৭৭,ইবনে মাজা-১/৩৫,সুনানে আরবায়া, সহীহ তিরমিযী-২৪২, ইবনে মাজা-৮০৪&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৫। ক্বিরাত&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সূরা ফাতিহা : ‘ছানা’ পড়েআ‘ঊযুবিল্লাহিমিনাস শয়তানের রাজিম,বিসমিল্লাহর রাহমানির রাহিম সহ সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করবে এবং অন্যান্য রাক‘আতে কেবলবিসমিল্লাহবলবে।সুরা ফাতেহা প্রতিটি আয়াতের শেষে থেমে থেমে পড়তে হবে।কারন মহান আল্লাহ সুরা ফাতেহার প্রতি আয়াতের শেষে জবাব দেন। জেহরী ছালাত হ’লেসূরায়ে ফাতিহা শেষে সশব্দে ‘আমীন’ বলবে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সুরা ফাতেহার পর যেকোন ১টি সুরা পড়ুন। যদি ফরয নামায হয় তাহলে, সুরা ফাতেহার সাথে ২টি অন্য সুরা পড়তে হবে। যদি সুন্নাত হয় ৪টি অন্য সুরা পড়তে হবে। ফরয নামায ২ রাকাতের বেশি হলে শুধুমাত্র প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়তে হবে। সুরার ক্রম হবে “সুরা বাকারা থেকে সুরা নাসের” (১ থেকে ১১৪) দিকে। যদি প্রথম সুরাটি ‘সুরা লাহাব’ হয়, তাহলে দ্বিতীয়টা হবে সুরা ‘ফালাক’ আর তৃতীয়টা হবে সুরা ‘নাস’। সুরাগুলো ক্রমান্বয়ে ‘বড় থেকে ছোট’ হতে থাকবে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৬। রুকু&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
রাফাউল ইয়াদেনঃ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে দু’হাত কাঁধ অথবা কান পর্যন্ত উঠিয়ে ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ করে রুকূতে যাবে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
রুকুর দুআঃ ‘সুবহা-না রবিবয়াল ‘আযীম’ (মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি মহান) কমপক্ষে ৩ বার পড়বে। অথবা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
২য় দুআঃ সুব্বুহুন ক্বুদ্দুসুন রব্বুল মালাই-কাতি ওয়ার্‌-রূহ (ফেরেশতামন্ডলী ও জিবরাইলের প্রভু আল্লাহ অতি নিরন্জন, অসীম পবিত্র)&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অথবা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৩য় দুআঃ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া-বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী (হে আল্লাহ, আমি তোমার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি। হে প্রভু, তুমি আমাকে ক্ষমা কর।) এই দুয়াটি রুকু/সেজদা দুই জায়গাতেই প্রযোজ্য।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
মুত্তাফাক আলাইহে,মিশকাত-৮৭১, নায়লুল আওতার- ৩/১০৬ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৭। কওমা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
রুকূ থেকে উঠে সোজা ও সুস্থিরভাবে দাঁড়াবে। এ সময় ‘রাফউল ইয়াদেন’ করবে এবং ইমাম ও মুক্তাদী সকলে বলবেঃ&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ (আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে)।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অতঃপর – রববানা লাকাল হাম্‌দ (হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা)।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অতঃপর – হাম্‌দান কাছীরান ত্বাইয়েবাম মুবা-রাকান ফীহি’ (হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্য অগণিত প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতময়)।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৮। সিজদা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক্বওমার দো’আ পাঠ শেষে ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে প্রথমে দু’হাত ও পরে দু’হাঁটু মাটিতে রেখে সিজদায় যাবে। এ সময় স্থিরভাবে বসে দো’আ পড়বে। অতঃপর ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে দ্বিতীয় সিজদায় যাবে ও দো’আ পড়বে। রুকূ ও সিজদায় কুরআনী দো’আ পড়বে না।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক) সিজদার দুআঃ সুবহা-না রবিবয়াল আ’লা ।অর্থঃ ‘মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি সর্বোচ্চ’।কমপক্ষে তিনবার পড়বে। রুকূ ও সিজদার অন্য দো’আও রয়েছে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অথবা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
খ) উচ্চারনঃ সুবহ-নাকা আল্লাহ-হুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লা-হুম্মাহফিরলী ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থঃ- ‘হে আল্লাহ,হে আমাদের প্রতিপালক, আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা ঘোষনা করছি। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।এই দুয়াটি রুকু/সেজদা দুই জায়গাতেই প্রযোজ্য।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
মুত্তাফাক আলাইহে,মিশকাত-৮৭১, নায়লুল আওতার- ৩/১০৬ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৯। জালসায়ে ইস্তেরা-হাতঃ- ২য় ও ৪র্থ রাক’আতে দাড়াবার আগের মহুর্তে, সিজদা থেকে উঠে, সামান্য সময়ের জন্য স্থির হয়ে বসা সুন্নাত।এটাকে ‘স্বস্তির বৈঠক’ বলে। বুখারী,মিশকাত-৭৯৬-অনুচ্ছেদ-১০, নায়ল-৩/১৩৮ “যখন রাসুলুল্লাহ(সঃ) ২য় সিজদা হতে মাথা উঠাতেন,তখন বসতেন এবং মাটির উপরে(দুই হাতে) ভর দিতেন, তারপর দাড়াতেন। বুখারী-ফাৎহ সহ-৮২৪- ‘ওঠার সময় কিভাবে মাটির উপরে ভর দেবে’, অনুচ্ছেদ- ১৪৩-আযান অধ্যায়-১৩-, ২/৩৫৩-৫৪ পৃঃ&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দো’আ :&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগ্ফিরলী ওয়ারহাম্নী ওয়াজ্বুরনী ওয়াহ্দিনী ওয়া ‘আ-ফেনী ওয়ার্ঝুক্বনী ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপরে রহম করুন, আমার অবস্থার সংশোধন করুন, আমাকে সৎপথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন ও আমাকে রূযী দান করুন’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
১০। বৈঠক&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
যদি দুইয়ের অধিক রাকা’আত এর সলাত হয়, তখন প্রতি জোড় সংখ্যার রাকা’আত এর পরবর্তী বিজোড় সংখ্যার রাকা’আত এর (ক্বিরাতের) জন্য দাড়ানোর পর রাফাউল ইয়াদাইন করতে হয়। যেমনঃ সলাত ৩/৪ রাকা’আত হলে, ২য় রাকা’আত এর বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে ৩য় রাকা’আত এর জন্য দাড়ানোর পর রাফাউল ইয়াদাইন করবেন। ৫ রাকা’আত এর (যেমনঃ বিতর) সলাতে ৪র্থ রাকা’আতের বৈঠক শেষে দাড়িয়ে রাফাউল ইয়াদাইন করবেন। একইভাবে, ৭ রাকা’আত এর (যেমনঃ বিতর) সলাতে ৬ষ্ঠ রাকা’আতের বৈঠক শেষে দাড়িয়ে রাফাউল ইয়াদাইন করবেন।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
বৈঠকের দোআ সমূহ :&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক) তাশাহ্হুদ (আত্তাহিইয়া-তু):&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
বৈঠকের সময় বাম হাতের আঙ্গুলগুলো বাম হাঁটুর প্রান্ত বরাবর ক্বিবলামুখী ও স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে।এবং ডান হাত মুষ্টিবদ্ধ থাকবে ও শাহাদাত অঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করবে(মুসলিম,মিশকাত,-৯০৬,৯০৮)।বৈঠকের শুরু থেকেসালাম ফিরানোর আগ পর্যন্ত ইশারা করতে থাকবে(মিরআত-৩/২২৯-আলবানী,মিশকাত-৯০৬ টীকা)।সাহেবে মির‘আত ওবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী (১৯০৪-৯৪ খৃবলেন, আঙ্গুল ইশারার মাধ্যমে আল্লাহর একত্বের সাক্ষ্য দেওয়া হয়।(মির আত-৩/২২৯)দো‘আ পাঠের সময় আকাশের দিকে তাকানোনিষেধ।ইশারার সময় আঙ্গুল দ্রুত নাড়ানো যাবে না, যা পাশের মুছল্লীর দৃষ্টি কেড়ে নেয়’(নাসাঈ-১২৭৬,মুসলিম,মিশকাত,-৯৮৩-সালাত৪-অনু-১৯)।‘আশহাদু’ বলার সময় আঙ্গুল উঠাবে ও ইল্লাল্লা-হ’ বলার পর আঙ্গুল নামাবে’ বলে যে কথা চালু আছে তারকোন ভিত্তি নেই(আলবানী,মিশকাত-৯০৬-পৃষ্ঠা-১৪০, মির’আত-৩/২২৯) ।মুছল্লীর নযর ইশারার বাইরে যাবে না।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ্ ছালাওয়া-তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা-তু আসসালা-মু ‘আলায়কা আইয়ুহান নাবিইয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আসসালা-মু ‘আলায়না ওয়া ‘আলা ‘ইবা-দিল্লা-হিছ ছা-লেহীন। আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আনণা মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহু ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ : যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হৌক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক। শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
খ) দরূদ :&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ছাল্লে ‘আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া ‘আলা আ-লে মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লায়তা ‘আলা ইবরা-হীমা ওয়া ‘আলা আ-লে ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া ‘আলা আ-লে মুহাম্মাদিন কামা বা-রক্তা ‘আলা ইব্রা-হীমা ওয়া ‘আলা আ-লে ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আপনি রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপরে, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের উপরে। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! আপনি বরকত নাযিল করুন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপরে, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের উপরে। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
৩ কিংবা ৪ রাকাত সালাত হলে, প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের সাথে দরুদ পড়া যেতে পারে।যদিও এটা আমাদের দেশে প্রচলিত না। তবে শায়খ নাসিরউদ্দিন আলবানী সহীহ হাদিসের ভিত্তিতে একথা বলেছেন।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
গ) দো’আয়ে মাছূরাহ :&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্সী যুলমান কাছীরাঁও অলা ইয়াগ্ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগ্ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহাম্নী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য যুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অথবা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ :আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ ‘আযা-বি জাহান্নামা ওয়াআ‘ঊযুবিকা মিন্ ‘আযা-বিল ক্বাব্রে, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ ফিৎনাতিল মাসীহিদ্দাজ্জা-লি, ওয়াআ‘ঊযুবিকা মিন ফিৎনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থ :হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, কবরের আযাবহতে, দাজ্জালের ফিৎনা হতে এবং জীবন ও মৃত্যুকালীন ফিৎনা হতে।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঘ) তারপরের দোয়াঃ- উচ্চারনঃ- ‘আল্লা-হুম্মা রব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আ-খেরাতে হাসানাতাও, ওয়া-ক্বিনা আযা-বান্না-র’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থঃ- ‘হে আল্লাহ ! হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদেরকে দুনিয়াতে মংগল দাও ও আখেরাতে মংগল দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাচাও।‘&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঙ) তারপরের দোয়াঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু অমা আখখারতু, অমা আসরারতুঅমা আ‘লানতু, অমা আসরাফতু, অমা আনতা আ‘লামু বিহী মিন্নী; আনতালমুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতালমুআখখিরু, লা ইলা-হা ইল্লা আনতা’ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অনুবাদ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পূর্বাপর গোপন ও প্রকাশ্য সকল গোনাহ মাফ কর (এবং মাফ কর ঐসব গোনাহ) যাতে আমি বাড়াবাড়ি করেছি এবং ঐসব গোনাহ যে বিষয়েতুমি আমার চাইতেবেশী জানো। তুমি অগ্র-পশ্চাতের মালিক।তুমি ব্যতীত কোন উপাস্যনেই’।মুসলিম,মিশকাত-৮১৩-সালাত অধ্যায়-“তাকবীরের পরে কি পড়তে হয়?”-অনু-১১&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
চ) ‘সালাম ফিরানোর’ আগে ও সবশেষ দোয়াঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
উচ্চারনঃ- ‘আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আউযু বিকা মিনান্না-র’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
অর্থঃ- হে আল্লাহ ! আমি তোমার নিকটে জান্নাত প্রর্থনা করছি এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাচ্ছি।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
১১। সালাম&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
প্রথমে ডানে ও পরে বামে ‘আসসালামু আলায়কুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর পক্ষ হতে আপনার উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হৌক!) বলে সালাম ফিরাবে(আবু দাউদ,তিরমিযী,মিশকাত-৯৫০-‘তাশাহহুদ দোয়া-অনু-১৭)।প্রথম সালামের শেষে ‘ওয়া বারাকা-তুহু’ (এবং তাঁর বরকত সমূহ) যোগ করা যেতে পারে। আবু দাউদ,ইবনু খুজায়মা—সিফাত-পৃষ্ঠা-১৬৮&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
===========================&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
পরিশিষ্টঃ&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
# সালাতের সওয়াবঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সালাতের সওয়াব নির্ধারিত হয় বান্দার খুশু(সময়নিষ্ঠা,একাগ্রতা,বিনয়) অনুযায়ী।যেমন, রাসূল(সঃ)বলেন,&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
“নিশ্চয় বান্দা সালাত আদায় করে, অথচ তার সে সালাতের সাওয়াব তার জন্য লেখা হয়, শুধু এক দশমাংশ, এক নবমাংশ, এক অষ্টমাংশ, এক সপ্তমাংশ, এক ষষ্ঠাংশ, এক পঞ্চমাংশ, এক চতুর্থাংশ, এক তৃতীয়াংশ ও অর্ধেক”। মুসল্লি সালাতের ততটুকু সাওয়াব পাবে, যতটুকু সে বুঝতে পারবে। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস(রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,“তোমার সালাত হতে তুমি ততটুকু পাবে, যতটুকু তুমি বুঝতে পারবে”।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
# মহিলাদের সালাতঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
যদিও বাজার থেকে ক্রয় করা বইগুলোতে মহিলাদের সালাতের নিয়ম আলাদা করে দেখানো হয়েছে, কিন্তু কোন সহীহ হাদীসে এটা নাই। “ হযরত উম্মে আবু দারদা(রাঃ) তাশাহহুদে বসেছিলেন পুরুষদের মতো করে”। বুখারী-১ম খন্ড । রাসুলুল্লাহ(সঃ) নারী-পুরুষ সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরা সেভাবে সালাত আদায় কর, যেভাবে আমাকে সালাত আদায় করতে দেখেছ”। বুখারী,মিশাকাত-৬৮৩-‘দেরীতে আযান’ অনুচ্ছেদ-৬ । পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে পদ্ধতিগত কোন পার্থক্য নাই। সালাতে নারীরা পুরুষের অনুগামী। মিরআত-৩/৫৯, নায়ল ৩/১৯ , ফিকহুস সুন্নাহ- ১/১০৯ ।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
মহিলাদের জামায়াতে, মহিলাগন নীচু স্বরে আযান/ইকামত দিবেন ও মহিলা প্রথম কাতারের মধ্যস্থলে সমান্তরাল, ভাবে দাড়ায়ে ইমামতি করবেন।ভূপালী,আর-আর-রওযাতুন নাদিইয়াহ(সানা ইয়ামন ১৪১১/১৯৯১)-১/৩২২ পৃঃ পুরুষ/মহিলাদের মিলিত জামায়াতে ইমামতি করবেন পুরুষ ইমাম। আর-রওযাতুন নাদিয়াহ-১/৩১২&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
# মাযহাবঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
সারা বিশ্বে ৪ মাযহাবের প্রচলন বেশী। পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে হানাফী মাযহাবের প্রচলন বেশী।মাযহাবীদের বিশ্বাস ৪ মাযহাবের মধ্যে কোন এটকা মাযহাব মানা ফরয। তাদের সাথে যেকোন ধর্মীয় আলোচনা হলেই তারা মাযহাবের দোহাই দেন।বলেন এটা আমাদের মাযহাবে নাই।আল্লাহ ও রাসুল(সঃ) এবং উনাদের কুরআন,হাদীস মানা ফরয না মাযহাব মানা ফরয,এই জ্ঞ্যানও মুসলমানদের নাই।ফরয,সুন্নাত,নফল যে কোন বিধান রাসুলের(সঃ) এর মাধ্যমে হয়েছে। আবু হানীফা(রহঃ) ৮০ হিজরী, ইমাম মালেক(রহ) ৯৩/৯৪ হিজরী, ইমাম শাফেয়ী(রহঃ) ১৫০ হিজরী এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল(রহঃ) ১৬৪ হিজরীতে জন্মগ্রহন করেন। ইমামদের জন্মের বহু আগেই রাসুল(সঃ) মৃত্যুবরন করেন। তাহলে কিভাবে কিছু মানুষ “মাযহাব মানা ফরয/মানতেই হবে/আমাদের মাযহাবে নাই” এই ধারনা করছেন। চার মাযহবের কোনটাকে রাসুল(সঃ) ফরয করেছেন? সাহাবীরা কি মাযহাবের চিন্তা করতো ? মাযহাব ছাড়াই তো ১০ জন সাহাবী জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন।মাযহাব মানার এই চিন্তা হচ্ছে বিদয়াৎ। সম্মানিত ইমামগনের মতামত পড়া যেতে পারে এবং যেটা কুরআন/হাদীসের সাথে মিলে, সেটা নেয়া যেতেই পারে। আসুন জানি মহান ইমামগন কি বলেনঃ-&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ইমাম আবু হানিফা&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ক) ‘সহীহ হাদীস প্রমানিত হলে, সেটা আমার মাযহাব’। শায়খ সালেহ আল-ফালানী,ঈকায়ুল হিমান পৃষ্ঠা-৬২&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
খ) ‘ততক্ষন পর্যন্ত কারো জন্য আমাদের কথা গ্রহন করা বৈধ হবে না,যতক্ষন না জানা যাবে যে, আমরা কোথায় থেকে তা গ্রহন করেছি’।ইবনে আব্দুল বার-পৃষ্ঠা-১৪৫, ইবনুল কাইয়ুম-এলামুল মুআক্কেঈন পৃষ্ঠা-৩০৯,আশশারানী-আল মাযীন-১ম খন্ড-পৃষ্ঠা-৫৫&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
গ) ‘যে ব্যাক্তি আমার দলিল জানলো না, তার জন্য আমার ফতওয়া গ্রহন করা হারাম।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঈকাযুল হিমা- শায়খ সালেহ আল ফালানী&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ইমাম মালেক(রহ)&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
গ) ‘আমি একজন মানুষ ভুল করি,আবার ঠিক করি। সুতরাং তোমরা আমার রায়ে যাচাই কর।যা কুরআন, সুন্নাহর অনুকুলে তা গ্রহন কর এবং যা বিপরীত তা বর্জন কর”’। ইবনে আব্দুল বার-জামে ২য় খন্ড- পৃষ্ঠা ৩২-, ইবনে হাজম-উসুলুল আহকাম- ৬ খন্ড- ১৪৯ পৃষ্ঠা, সালেহ আল ফালানী-পৃষ্ঠা-৭২।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ইমাম শাফেয়ী(রহঃ)&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ঙ) ‘আমি যা বলেছি, তা যদি রাসুল(সঃ)-এর যে হাদীস মুহাদ্দেসীনদের নিকট সহীহ বলে প্রমানিত, তার বিপরীত হয়, তাহলে আমি তা থেকে, জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে প্রত্যাবর্তনকারী’।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
আবু নাঈম-আল-হিল ইয়াহ—৯ম খন্ড-১০৭ পৃষ্ঠা, ইবনুল কাইয়ুম- ইলামুল মুআক্কিন-২য় খন্ড-৩৬৩ পৃষ্ঠা, আল ফালানী- ১০৪ পৃষ্ঠা।&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল(রহ&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;
&lt;div class=&quot;separator&quot; style=&quot;clear: both;&quot;&gt;
চ) ‘আমার তাকলীদ(অন্ধ-অনুকরন) কর না, ইমাম মালেক,শাফেয়ী,আওযায়ী এবং সাওরীর অন্ধ-অনুকরন কর না। দ্বীনের বিধান সেখান থেকে কর, যেখান থেকে তারা গ্রহন করেছেন। (আল ফালানী- ১১৪ পৃষ্ঠা, ইবনুল কাইয়ুম- আল ইলাম- ২য় খন্ড-৩০২ পৃষ্ঠা।&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='https://shinyislam.blogspot.com/feeds/3661673043082821549/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/the-system-of-prayer.html#comment-form' title='5টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3661673043082821549'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='https://www.blogger.com/feeds/7037949147671480379/posts/default/3661673043082821549'/><link rel='alternate' type='text/html' href='https://shinyislam.blogspot.com/2016/02/the-system-of-prayer.html' title='নামাজের সঠিক নিয়ম কানুন'/><author><name>Shiny Islam Support</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09749159746258300487</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj8iVT0-E1a3ORljTufHPL7MPDoH_K9r5-GLZ4j_IBSIMabwlhtF7Ra4cNoYq1NC8Pa6ibOs3Y4unafGJUtzNBrxs9SDHQ0L0LzFJzsiBHkCi_hsprk6uhOqC3PQsJ0FaY/s220/shiny.jpg'/></author><thr:total>5</thr:total></entry></feed>