<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য কথা</title>
	<atom:link href="https://eduexamresults.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://eduexamresults.com</link>
	<description>সুস্থ ও সুন্দর থাকুন সবসময়</description>
	<lastBuildDate>Mon, 28 Jan 2019 06:32:39 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=5.0.3</generator>
	<item>
		<title>শিশুর দাঁতের ও মাড়ির যত্ন নিতে যা করণীয়</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/#respond</comments>
		<pubDate>Mon, 28 Jan 2019 06:30:44 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=83</guid>
		<description><![CDATA[শিশুদের দাঁত ও মাড়ির যত্নে অবহেলার কারণে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার ছোট্ট শিশুটির দাঁত উঠার আগে ও পরে চাই যত্ন ও পরিচর্যা। আমাদের দেশের শিশুরা প্রায়ই দাঁত ও &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>শিশুদের দাঁত ও মাড়ির যত্নে অবহেলার কারণে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার ছোট্ট শিশুটির দাঁত উঠার আগে ও পরে চাই যত্ন ও পরিচর্যা। আমাদের দেশের শিশুরা প্রায়ই দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভোগে অথচ শিশুর দাঁতের যত্ন প্রাত্যহিক যত্নের মধ্যে পরে যার অভ্যাস শিশুদের খুব ছোটবেলা থেকেই শেখানো বা শিখিয়ে গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিশুদের দাঁতের যত্ন নিতে হয় শুরু থেকেই কারন গর্ভেই শিশুর দাঁত উঠা শুরু করে আর সাধারনত তা ছয় মাস বয়সে দৃষ্টিগোচর হয় । কোমলমতি শিশুদের দাঁতের যত্ন নেওয়া শেখাতে পিতা মাতার ভূমিকাই প্রথম এবং যা তাদের অন্য সকল শিক্ষার সাথে ছোট কালেই শেখানো খুব প্রয়োজন।</p>
<h3>দাঁত উঠার প্রারম্ভে করণীয়</h3>
<p>শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর শেষে পাতলা সুতি কাপড় অথবা তুলা দিয়ে মাড়ির ওপর থেকে দুধের আবরণ পরিষ্কার করে দিন আর খেয়াল রাখবেন তা যেন অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত হয়। দাঁত উঠার আগে শিশু যা কিছু সামনে পায় সেটাই কামড়াতে চায়, তখন তাকে বেবি টিথার দিতে হবে যা কামড়ানোর ফলে তার দাঁতের গঠন শক্ত হবে। এই সময় শিশুর হাতের কাছ থেকে বিষাক্ত, ধারালো, নোংরা জিনিস বা ওষুধপত্র দূরে রাখুন আর এমন কিছু দেবেন না যা গিলে ফেললে তার গলায় আটকে যেতে পারে।</p>
<h3>দাঁত উঠার পরে করণীয়</h3>
<p>দাঁত উঠলে শিশুকে শুরুতেই দাঁত ব্রাশ করা শেখাতে হবে। শিশুকাল থেকেই দাঁত ব্রাশের অভ্যাস গড়ে তুলতে শিশুর বাবা মা তার সামনে ব্রাশ করলে তার আগ্রহ অনেক বাড়ে আর অনুকরণ প্রিয় হওয়ার কারনে তারা খুব জলদি শেখে। তাই দাঁত ওঠার শুরুতেই আপনার শিশুর হাতে কমল ও নরম একটা ব্রাশ তুলে দিন। অবশ্যই তার জন্য বেবি জেল বা পেষ্ট ব্যবহার করবেন কারন তা গিলে ফেললেও সমস্যা নেই আর বড় হওয়ার সাথে সাথে তাকে সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ করা শেখান।</p>
<p><strong>শিশুর দুধ দাঁতের যত্ন</strong></p>
<p>শিশুর দুধ দাঁত গুলোর যত্নে আপনার আরো বেশি খেয়াল রাখা দরকার কারণ দুধদাঁত গুলো সাধারনত সাত থেকে এগারো বছর বয়স পর্যন্ত ধীরে ধীরে পড়ে গিয়ে আবার নতুন করে স্থায়ী ভাবে জন্মায়। শিশুদের পরবর্তী স্থায়ী দাঁতগুলোতে যেন কোন সমস্যা না হয় সেজন্য তার দুধদাঁত গুলোর যত্ন নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ন। অযত্ন ও অবহেলার কারনে দুধ দাঁতের শিকড়ে প্রদাহ অনেক দিন স্থায়ী থাকলে স্থায়ী দাঁতের ক্ষতি হয়। এমন অনেক কারনেই স্থায়ী দাঁতগুলো আঁকাবাঁকা বা অসমানভাবে বেড়ে উঠে। এই জন্য দুধদাঁত পড়া ও স্থায়ী দাঁত ওঠার সময়ে শিশুর দাঁতের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।</p>
<h3>শিশুর দাঁতের যত্নে কিছু টিপস</h3>
<ul>
<li>শিশু মিষ্টি খাবার খাওার পর ভালো ভাবে তার মুখ পরিষ্কার করে দিন।</li>
<li>দাঁত উঠার আগে থেকেই নবজাতক শিশুর মুখ ও মাড়ি পরিষ্কার রাখা উচিত।</li>
<li>বুকের দুধ খাওয়ানো শেষ হলে পাতলা ফ্লানেলের কাপড় অথবা তুলা দিয়ে দাঁতের ওপর থেকে দুধের আবরণ পরিষ্কার করে দিন।</li>
<li>শিশুর সুস্থ্য দাঁতের বিকাশের জন্য যথা সম্ভব ফিডার না খাওানো, এতে করে নতুন দুধদাঁতেও ক্যারিজ বা ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।</li>
<li>শিশুকে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর এবং রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা সেখান এবং তা খাবার গ্রহনের পর।</li>
<li>শিশু ঠিকমতো দাঁত ব্রাশ করছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।</li>
<li>শিশুকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় ব্রাশ কিনে দিন যাতে তার দাঁত ব্রাশ করার আগ্রহ বাড়ে।</li>
<li>অবশ্যই দুই বা তিন মাসের বেশি এক ব্রাশ ব্যবহার করতে দিবেন না।</li>
<li>প্রতিদিন মাউথ ওয়াস এবং ফ্লসিং করা ছোট বেলা থেকেই শেখাবেন।</li>
<li>শিশুর মুখে দূর্গন্ধ হলে বা দাঁতে কালো দাগ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।</li>
</ul>
<p>কথায় আছে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা থাকেনা। আশা করি এমনটি আপনার শিশুর বেলায় না ঘটুক তাই তার দাঁতের যত্ন নিন একেবারেই শুরু থেকে। আর বছরে অন্তত দুই বার আপনার ডেন্টিস্ট এর কাছে যান আপনার শিশুর দাঁতের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রাকৃতিকভাবে ওজন বাড়ানোর ১০ টি সেরা টিপস</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond</comments>
		<pubDate>Mon, 28 Jan 2019 06:20:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=57</guid>
		<description><![CDATA[কিছু মানুষের কাছে ওজন হ্রাস করাটাই এখন অনেক বড় একটি মুখ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে, কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে পাতলা হওয়া বর্তমানে অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। আপনি হয়তো ওজন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে আপনার &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>কিছু মানুষের কাছে ওজন হ্রাস করাটাই এখন অনেক বড় একটি মুখ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে, কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে পাতলা হওয়া বর্তমানে অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। আপনি হয়তো ওজন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখার এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখার আশা করছেন। তাই, আমরা আপনার কাছে প্রাকৃতিকভাবে ওজন বৃদ্ধি করার সবচেয়ে উপযুক্ত পদ্ধতি গুলো তুলে ধরবো এবং পদ্ধতি গুলো অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হবে।</p>
<p>এখানে প্রাকৃতিকভাবে ওজন বাড়ানোর ১০ টি উপায় দেওয়া হলো যেগুলো অনুসরন করার মাধ্যমে আপনি কিছু কেজি ওজন বাড়াতে পারবেন!</p>
<h3>১. লাল মাংস</h3>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-397" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/red-meat.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/red-meat.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/red-meat-300x193.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/red-meat-768x493.jpg 768w" alt="" width="800" height="514" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>লাল মাংসে প্রচুর কলেস্টেরল রয়েছে এবং এটা ওজন বাড়ানোর জন্য সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায়। মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং আয়রন রয়েছে। আপনি শুধু মাংসের সাথে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল যোগ করতে পারেন এবং এরপর সঠিক স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়ানোর জন্য মাংসটি ওভেনে টস করে নিন। মাংসের সবচেয়ে ভাল অংশ গুলো, যেমন পাঁজরের টুকরো (rib), টি-বোন (t-bon), স্ট্রিপ (strip) এবং হাঁড় ছাড়া মাংস, এগুলো চর্বির সবচেয়ে ভালো উৎস।</p>
<p>কিন্তু মনে রাখবেন উচ্চ মাত্রার চর্বিযুক্ত মাংস আপনার খাদ্যতালিকাতে রাখবেন না – কারন এটি কোনভাবেই ওজন লাভ করার স্বাস্থ্যকর উপায় নয়।</p>
<h3>২. পিনাট বাটার (Peanut Butter)</h3>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-360" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/peanut-butter-1.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/peanut-butter-1.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/peanut-butter-1-300x206.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/peanut-butter-1-768x528.jpg 768w" alt="" width="800" height="550" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>বাদাম প্রোটিন এবং ফ্যাটে পরিপূর্ণ। যারা প্রাকৃতিকভাবে ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার। মাত্র ১ টেবিল চামচ পিনাট বাটারে প্রায় ১০০ ক্যালোরি থাকে। পিনাট বাটারে ভিটামিন যেমন ম্যাগ্নেসিয়াম, ফলিক এ্যাসিড, ভিটামিন “বি” এবং ভিটামিন “ই” রয়েছে। স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তার জন্য আপনার পাউরুটিতে পিনাট বাটারের অনেক পুরু প্রলেপ লাগান এবং আপনার দেহে ক্যালোরি বৃদ্ধি করুন।</p>
<h3>৩. ফ্যাটযুক্ত দুধ</h3>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-398" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/milk.jpg" sizes="(max-width: 900px) 100vw, 900px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/milk.jpg 900w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/milk-300x187.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/milk-768x479.jpg 768w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/milk-120x74.jpg 120w" alt="" width="900" height="561" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>ওজন বাড়ানোর একটি সহজ সমাধান হলো আপনি পাস্তুরিত দুধের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ফ্যাটযুক্ত দুধ গ্রহন করুন। প্রতি গ্লাস ফ্যাটযুক্ত দুধ আপনাকে পাস্তুরিত দুধের চেয়ে ৬০ ভাগ বেশি ক্যালোরি প্রদান করবে। দুধে প্রচুর ভিটামিন এবং পুষ্টি রয়েছে। এছাড়াও এটি একটি ভিটামিন “ডি” এবং “এ” সমৃদ্ধ উৎস। ওটমিল এবং সিরিয়ালের সাথে আপনি এই দুধ খেতে পারেন। আপনি এটি যেভাবেই গ্রহন করুন না কেন, এটি আপনার স্বাস্থ্যকে অনেক সুন্দর করবেই।</p>
<h4>৪. ফল</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-399" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/fruits.jpg" sizes="(max-width: 850px) 100vw, 850px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/fruits.jpg 850w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/fruits-300x225.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/fruits-768x576.jpg 768w" alt="" width="850" height="638" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>সাধারনত, গ্রীষ্মকালীন ফল আপনার ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। আম, কলা, পেঁপে এবং আনারসে ভালো প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে, যেটি ওজন বাড়ানোর একটি দুর্দান্ত উপায়। প্রাকৃতিক চিনিযুক্ত এই ফল গুলো আপনার পেট পরিপূর্ণ করবে এবং আপনাকে তাত্ক্ষণিক শক্তি প্রদান করবে।</p>
<p>আপনি এই ফল গুলো দিয়ে খুব সহজ মিষ্টি জাতীয় খাবার বানাতে পারবেন এবং যার ফলে আপনি কৃত্রিম চিনি বাদ দিতে পারবেন। যদি আপনার কাছে ফল এবং শাকসবজি সাধারণভাবে খাওয়াটা খুব বিরক্তিকর মনে হয়, তাহলে সব ফল এবং সবজি একসাথে নিন এবং ব্লেন্ড করে সুস্বাদু স্মুদি তৈরি করুন।</p>
<h4>৫. অসাধারণ আভাকাডো</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-208" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>আপনার খাদ্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আভাকাডো চমৎকার একটি উপায়। একটি আভাকাডোর অর্ধেক অংশেই ১৪০ ক্যালোরি থাকে। এছাড়াও এই আভাকাডো ভিটামিন এবং মিনারেলের খুব ভালো উৎস, যেমন এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন “ই”, ফলিক এসিড এবং পটাশিয়াম। তাই, আভাকাডোকে সবসময় সালাদ হিসেবে খেতে ভুলবেন না। এমনকি আপনি আপনার টোস্টের উপরেও আভাকাডো ছড়িয়ে দিয়ে খেতে পারেন।</p>
<h3>৬. আস্ত গমের পাউরুটি</h3>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-400" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/whole-wheat-bread.jpg" sizes="(max-width: 850px) 100vw, 850px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/whole-wheat-bread.jpg 850w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/whole-wheat-bread-300x200.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/whole-wheat-bread-768x512.jpg 768w" alt="" width="850" height="567" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>গমের পাউরুটি সহজে ওজন বৃদ্ধির জন্য একটি অসাধারণ উপায়। গমের পাউরুটিতে যথেষ্ট পুষ্টি এবং ক্যালোরি রয়েছে তাই সকালের নাস্তাতে শুধুমাত্র এই পাউরুটি খাওয়াও যথেষ্ট। এছাড়াও এই পাউরুটিতে ফাইবার এবং মিনারেল রয়েছে যা সাধারণ সাদা পাউরুটিতে পাওয়া যায় না। তাই সকালের নাস্তায় এই গমের পাউরুটি খেলে এটি আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করবে।</p>
<h4>৭. মাখন অথবা ঘি</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-401" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/ghee.jpg" sizes="(max-width: 850px) 100vw, 850px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/ghee.jpg 850w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/ghee-300x200.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/ghee-768x512.jpg 768w" alt="" width="850" height="567" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>মাখনে উচ্চ মাত্রায় ক্যালোরি রয়েছে। যদি প্রতিদিন দুধ খেতে খেতে আপনি বিরক্ত হয়ে যান, তাহলে পাউরুটিতে মাখন লাগিয়ে মৃদু আঁচে ভালোভাবে ভেজে নিন। এটি সকালের নাস্তা হিসেবে খুব ভালো এবং সারাদিনে আপনার যতটুকু পুষ্টি প্রয়োজন তার সবটূকুই এর থেকে পাবেন। মনে রাখবেন, মাখনে অনেক বেশি ফ্যাট রয়েছে, তাই নিয়ন্ত্রনে রেখেই মাখন খান এবং উপভোগ করুন।</p>
<p>আপনি যদি মাখন পছন্দ না করেন, তাহলে আপনি বিকল্প হিসেবে ঘি খেতে পারেন। মাখনের পরিশোধিত রূপ হলো ঘি। আপনি রান্নায় তেলের পরিবর্তে ঘি ব্যবহার করতে পারেন কারন এর একটি ভালো স্বাদ আছে যা খাবারকে আরো সুস্বাদু করে তুলে। মাখন অথবা ঘি তে ডিম হালকা ভাবে ভেজে নিয়ে ডিমকে আরো সুস্বাদু করতে পারেন, এটি আপনাকে স্বাস্থ্যকর নাস্তা গ্রহণের পাশাপাশি আপনার ক্যালোরিও বৃদ্ধি করবে।</p>
<h4>৮. বাদাম</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-380" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/nuts.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/nuts.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/nuts-300x200.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/nuts-768x513.jpg 768w" alt="" width="800" height="534" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>যখন ওজন বৃদ্ধির কথা আসে তখন বাদাম একটি দুর্দান্ত খাবার। এরা ফ্যাট এবং পুষ্টির জন্য খুব ভালো উৎস। এছাড়াও বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। বিভিন্ন ধরণের বাদামের মিশ্রণ একসাথে খেলে এটা আপনার পেট দীর্ঘক্ষণ পূর্ণ রাখবে। এগুলোকে আপনি ব্যাগে করে আপনার কর্মস্থলে অথবা কলেজে খুব সহজেই নিয়ে যেতে পারেন।</p>
<h4>৯. পনির</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-361" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/cheese.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/cheese.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/cheese-300x187.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/cheese-768x478.jpg 768w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/cheese-120x74.jpg 120w" alt="" width="800" height="498" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>পনির আমার খুব পছন্দ এবং আমি নিশ্চিত আপনিও পনির খুব ভালোবাসেন। এর সবচেয়ে সেরা বিষয়টি হলো আপনি আপনার প্রায় সকল পছন্দের রান্নায় এটি ব্যবহার করতে পারেন। আবার, আপনি যদি দুধ পান করা থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন, তাহলে পনির খুব ভালো একটি বিকল্প কারণ এতে দুধের সকল পুষ্টিগুণ আছে। সাধারণত, বেশিরভাগ পনিরে প্রচুর ফ্যাট থাকে, তাই একজন ব্যক্তি পনির খেলে এটা প্রাকৃতিকভাবে তার ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।</p>
<h4>১০. আলু</h4>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-382" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/potatoes.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/potatoes.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/potatoes-300x192.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2018/01/potatoes-768x492.jpg 768w" alt="" width="800" height="513" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>সবাই আলু খেতে ভালোবাসে। দ্রুত ওজন বাড়ানোর জন্য আপনি আপনার খাদ্যে এই উচ্চ কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ সবজিটি যোগ করতে পারেন। আলুতে উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, প্রচুর ফাইবার এবং যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন “সি” রয়েছে। আমরা প্রায়ই আলু ছিলকা ছাড়াই খাই, কিন্তু মনে রাখবেন আলুর ছিলকাতেই সবচেয়ে বেশি পুষ্টি থাকে। তাই আপনি আলুর ছিলকা তুলে ফেলার মানে হলো আপনি আলুর প্রধান ভিটামিন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ অংশ তুলে ফেলছেন।</p>
<p>এগুলো হলো ওজন কমানোর জন্য কিছু প্রাকৃতিক খাবার। আপনি ওজন বাড়াতে বা কমাতে যেটাই করতে চান না কেন, এর জন্য আপনি অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন না। যদি কোন খাবারে উচ্চ মাত্রার ক্যালোরি থাকেও তার মানে এই না যে আপনি ওজন বাড়ানোর জন্য এটি খেতে পারবেন।</p>
<p>ট্রান্স ফ্যাট, যেটি প্রধানত প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবারে পাওয়া যায়, এই ধরণের খাবার সবসময় এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলো আসলে ভুল খাবার যেগুলো আপনাকে হৃদরোগের দিকে পরিচালিত করবে।</p>
<p>এটা সত্য যে চিনি জাতীয় পানীয় যেমন সোডা এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এগুলো আপনার ওজন বৃদ্ধি করবে, কিন্তু এগুলো কোন স্বাস্থ্যকর উপায়ে আপনার ওজন বৃদ্ধি করবে না। সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করাই হলো ওজন বাড়ানোর সবচেয়ে উত্তম উপায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া চিন্তায় ভুগছেন। দেখে নিন কিভাবে চুল পড়া বন্ধ করবেন</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:37:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=47</guid>
		<description><![CDATA[অধিকাংশ নারীর জন্যই ‘মা’ হওয়া একটা অসম্ভব প্রত্যাশা, একঝাঁপি স্বপ্ন, বুকফাটা কষ্ট এরপর অনেকটুকু আনন্দের একটা জার্নি! আর এই প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া মায়েদের কমন প্রবলেম। সন্তান জন্মের পর নিজের চুলের কেয়ার-টা আসলে &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>অধিকাংশ নারীর জন্যই <strong>‘মা’</strong> হওয়া একটা অসম্ভব প্রত্যাশা, একঝাঁপি স্বপ্ন, বুকফাটা কষ্ট এরপর অনেকটুকু আনন্দের একটা জার্নি! আর এই প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া মায়েদের কমন প্রবলেম। সন্তান জন্মের পর নিজের চুলের কেয়ার-টা আসলে কিভাবে নিতে হবে এ নিয়ে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জানা থাকলেই এই সমস্যা উতরে যাওয়া যায়।</p>
<p>সন্তানের জন্মের পরের<strong> ৪-৫ মাস</strong> মেঝেতে ফ্লোরে বাথরুমে নিজের শখের গোছা চুল যখন অনাদরে পড়ে থাকতো… চুলগুলোর দিকে চেয়ে মাঝে মাঝে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা হত! কিন্তু নিজেকেই নিজে অজুহাত দিতাম-</p>
<p>তো এইসব ভেবে গত এক বছরে আমার মাথার তিনভাগের একভাগ খালি হয়ে যাবার পর আমার যখন টনক নড়লো তখনও তেমন একটা লেট হয় নি… আজ আমার গত এক বছরের প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া নিয়ে জার্নির কথাই বলবো… কিভাবে আমি পোস্ট পারটাম হেয়ারফল বা প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া প্রিভেন্ট করে কিছু নতুন চুল গজালাম…!</p>
<p><strong>কেন প্রেগনেন্সির পর হঠাৎ আমার গোছা গোছা চুল পড়ছে?</strong></p>
<p>নরমাল মানুষের <strong>ডেইলি ১০০ টার মতো চুল পড়ে</strong>, কমন নলেজ। কিন্তু প্রেগনেন্সির সময়ে অনেক বেশি হেলদি খাওয়া-দাওয়া, সুস্থ লাইফস্টাইল মেইনটেইন করা আর  হরমোনাল কারণে চুল অনেক কম পড়ে! মোটামুটি সুপারমডেল টাইপ সিল্কি শাইনি চুল থাকে এক্সপেক্টিং মম-দের!</p>
<p>শিশুর জন্মের পর আবার একটা বিশাল হরমোনাল চেইঞ্জ তৈরি হয় দেহে… দেহ নরমাল অবস্থায় ফিরে আসার জার্নি আর সাথে বাচ্চার কেয়ার নিতে গিয়ে নিজের রাতের ঘুম দিনের শান্তি নষ্ট হওয়া, দুই মিলে মাথা খালি হয়ে যেতে কয়েক মাসের বেশি কিন্তু লাগে না! এই সময়টাকে ভারিক্কি ভাষায় বলে</p>
<p>এই অবস্থায় নরমালের চেয়ে অনেক বেশি চুলের গোঁড়ার মৃত্যু হয় । প্রায় ৬০-৭০% নতুন মায়ের চুল পড়ে বেসিক্যালি এই একই কারণে।</p>
<p><strong>এরপরের টেনশন… তাহলে আমার কি টাক পড়ে যাবে?</strong></p>
<p>গোছা গোছা চুল ফ্লোরে পড়ে থাকতে দেখে এই ভয়েই আমার হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যেত… কিন্তু না, বুঝতে পারলাম, প্রেগনেন্সির অন্যান্য উপসর্গের মতো এই অস্বাভাবিক চুল পড়াও টেম্পোরারি। টাক আমি হবো না, যদি আমি ঠিকমত রোজ নিজের কেয়ার আর চুলের কেয়ারের পেছনে একটু সময় দেই!</p>
<p>প্রেগনেন্সির ৩ মাস পর থেকেই বিচ্ছিরিভাবে হেয়ারফল শুরু হবার আগেই চুলের কেয়ারটা রোজ ঠিকভাবে নেয়া শুরু করা উচিত ছিল সেটা বুঝলাম… যেটা না করাটাই আমার প্রথম ভুল! কেয়ার-টা নিলে তালুটা আর ফাঁকা হত না।</p>
<p>বাবুর একবছর বার্থডের আগেই আমার মাথার চুল ফেরত আনতে গেলে কী কী করতে হবে সেগুলো জানাটা ছিল আমার নেক্সট রিসার্চ টপিক-</p>
<p><strong>প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া রোধে নিজের কেয়ার-টা আসলে কিভাবে নিতে হবে?</strong></p>
<p><strong>(১)</strong> ব্লো ড্রাই, ফ্ল্যাট আয়রন বা এধরনের হিট স্টাইল একেবারেই নিষিদ্ধ নতুন মায়ের জন্য।</p>
<p><strong>(২)</strong> সারাদিন বাচ্চার কেয়ার নেয়ায় চুল বিরক্ত করে বলে দিনের পর দিন টাইট খোঁপা  বেঁধে ফেলে রাখবেন না। মনে রাখবেন এসময়ই আপনার রুট-গুলো উইক হয়ে যাবে। টাইট করে বাঁধা খোঁপায় এই দুর্বল চুলের গোঁড়াই আরও বেশি করে উঠে চলে আসবে… চুল খুব আলগাভাবে বেণী  করে রাখতে পারেন। বাট <strong>‘নো পনিটেইল’</strong> আর<strong> ‘নো টাইট বান’</strong>!</p>
<p><strong>(৩)</strong> বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে হবে বলে বেশি খেতে হয়… তাই বলে শুধু দিনে <strong>২-৩ প্লেট ভাত খেয়েই</strong> দায়িত্ব শেষ ভাববেন না! শুধু ভাত-রুটি-চিনি দিয়ে কতগুলো <strong>Empty Calorie</strong> না খেয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করে সুষম খাবার খান, যাতে প্রচুর প্রোটিন, মিনারেলস, দরকারি ভিটামিনগুলো আপনি পাবেন। <strong>শাক-সবজি, বাদাম, সিজনাল ফল</strong> যেন অবশ্যই ডায়েটে থাকে!! এর Anti-oxidant আপনার চুলের গোঁড়ার জীবনটা বাড়িয়ে দেবে।</p>
<p><strong>(৪)</strong> <strong>আয়রন রিচ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি</strong>– কলিজা, দুধ, ডিম, কচু, পালং শাক বেশি বেশি খেতে হবে।</p>
<p>উপরের কাজগুলো করার ফলে আমার অনেক অনেক হেল্প হয়েছে… আশা করি আপনাদেরও হবে।</p>
<p><strong>আমার প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া থামাতে চুলের যত্নে কী কী ইউজ করেছি</strong></p>
<p><strong>(১)</strong> আমি চুল রোজ সকালে একবার আর রাতে একবার আঁচড়াতাম।</p>
<p><strong>(২) </strong>সপ্তাহে ৩ বার (মানে একদিন বাদ দিয়ে দিয়ে) পিওর নারিকেল তেল দিয়ে খুব ভালোভাবে স্ক্যাল্প-টা ম্যাসাজ করতাম। যাতে অবহেলায় তৈরি হওয়া খুশকিগুলো আলগা হয়ে যায় আর তেলটা একদম প্রতিটা চুলের গোঁড়ায় গোঁড়ায় পৌঁছে যায়… জাস্ট ১৫ মিঃ ম্যাসাজ করে চুলটা উল্টে আঁচড়াতাম, মানে চুলগুলো সামনে এনে ঘাড় থেকে শুরু করে কপালের দিকে চিরুনি চালাতাম… এতে অয়েল ম্যাসাজের ব্লাড সার্কুলেশন-টা বেড়ে যায়। আমি ব্যবহার করেছি প্যারাসুট কোকোনাট অয়েল। তেলটা দারুণ এবং আসলেই খাঁটি।</p>
<p><strong>(৩) </strong>সারারাত নারিকেল তেলটা মাথায় রাখতে হবে। <strong>প্যারাসুট কোকোনাট অয়েল</strong>-এর সবচেয়ে ভালো দিক- চুলের গ্রোথ বাড়াবে আর গোঁড়াটা শক্তও করবে। এতে চুল পড়া যেমন কমে যাবে আস্তে আস্তে নতুন চুল গজাবেও… জাস্ট আমাকে struggle করতে হয়েছে রেগুলারিটি মেইনটেইন করতে গিয়ে…! সারাদিন বাচ্চার পিছনে সময় দিয়ে রাতে আর হাত চলত না… মনে হত তেল ফেলে দিয়ে কি হবে? ঘুমাই একটু বরং… কিন্তু যখন অয়েল ম্যাসাজ করার ১ মাসের ভেতরে <strong>হেয়ারফল দিনে ৮০-১০০ টা থেকে মাত্র ২৫-৩০ টায় নেমে এলো</strong>, এরপর আমি আর চুলে তেল ম্যাসাজে আলসেমি করিনি!!!</p>
<p><strong>(৪)</strong> পরদিন সকালে খুব ভালোভাবে চুলটা শ্যাম্পু করে এয়ারড্রাই করে শুকিয়ে নিতাম।</p>
<p><strong>(৫)</strong> ব্যস, এটুকুই… ঠিকভাবে খাওয়া, চুলে সঠিকভাবে অয়েল ম্যাসাজ আর শ্যাম্পু করা। আমি <strong>বাচ্চার বয়স ৮ মাস হওয়ার আগে</strong> চুলে একটা দিনও কোনও মাস্ক বা কিছু এক্সট্রা মাখার টাইম-ই পাই নি! কিন্তু তারপরেও আস্তে আস্তে আমার হেয়ারফল অনেকখানি কমে গেছে!</p>
<p><strong>আমার চুলের বর্তমান অবস্থা</strong></p>
<p>এখন <strong>বাবুর বয়স ১০ মাস</strong>, এখন রোজ গুনে দেখি আমার<strong> ১০-২০ টার মতো চুল পড়ছে</strong>। আর গত ২ মাসে স্ক্যাল্প-এ ছোটছোট অনেক বেবি হেয়ার গ্রো করেছে… ওগুলো তেল দিয়ে ঠিকভাবে বড় করাটাই এখন আমার টার্গেট।</p>
<p>আশা করি আবার কিছুদিনের মধ্যে চুলের আগের ঘনত্ব ফিরে পাবো… থ্যাঙ্ক গড, হাল ছেড়ে না দিয়ে সময়মত একটু কেয়ার করেছিলাম! নইলে এতদিনে হয়ত শখের চুলগুলো কেটেই ফেলতে হত!!</p>
<p>এইতো, এটাই আমার স্টোরি, হোপফুলি কেউ কেউ একটু হলেও আশার আলো দেখতে পেলেন। প্লিজ হতাশ হবেন না। বাচ্চার কেয়ার নেয়ার পাশাপাশি নিজের কেয়ারটাও করা জরুরি। এটা ভুলে যাবেন না। প্রেগনেন্সিতে চুল পড়া খুব ক্ষুদ্র করে দেখার বিষয় নয়! আর এও বলে রাখি, কেয়ার করতে গেলে সারাদিনই আয়নার সামনে বসে থাকার দরকার হয় না। সপ্তাহে জাস্ট কয়েকটা ঘণ্টাও কি নিজের জন্য দেবেন না?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রণ দুর করার উপায় &#124; ঘরে বসেই তৈরি করুন ব্রণ দূর করার পেস্ট</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:37:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=89</guid>
		<description><![CDATA[ব্রণ প্রায় সব বয়সের ছেলে-মেয়েদের সাধারণ সমস্যা, তবে বিশেষ করে টিনএজাররা এই সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। ত্বকে ব্রণ ও ব্রণের দাগ শুধু সৌন্দর্য্যহানি করে না সেই সাথে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>ব্রণ প্রায় সব বয়সের ছেলে-মেয়েদের সাধারণ সমস্যা, তবে বিশেষ করে টিনএজাররা এই সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। ত্বকে ব্রণ ও ব্রণের দাগ শুধু সৌন্দর্য্যহানি করে না সেই সাথে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। ব্রণ হওয়ার নিশ্চিত কোন কারণ জানা যায়নি, অনেকের মতে নিয়মিত ভাবে ত্বক পরিষ্কার না করা, চকলেট কিংবা ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা ও হরমোন পরিবর্তনের ফলে ব্রণ হয়ে থাকে।</p>
<p>দাগহীন সুন্দর ত্বকের জন্য ব্রণ সমস্যার সমাধান সবাই চাই কিন্ত আগে জানতে হবে ব্রণের সম্ভাব্য কারণ আর সেই সাথে আমাদের ত্বকের ধরণ। খুব সহজে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে আমরা ব্রণ মুক্ত থাকতে পারি সে সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ডা: সন্দীপ ভাসিনের পরামর্শ জেনে নেয়া যাক।</p>
<p><strong>ত্বক পরীক্ষা</strong>: ত্বকে ব্রণ হলে প্রথমে ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে থেকে পরীক্ষা করে ত্বকে ব্রণের কারণ জানতে হবে। আমরা যদি ত্বকের ধরণ এবং ব্রণের কারণগুলো না জেনে নিজেরা ঘরে যা সামনে পাই ত্বকে লাগাতে থাকি, তবে হয়তো ব্রণ দূর হওয়ার পরিবর্তে আমাদের ত্বকের আরও ক্ষতি হতে পারে।</p>
<p><strong>ব্যায়াম</strong>: প্রতিদিন অন্তত কিছু শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। ব্রণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা সঠিক ডায়েটের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এছাড়াও মিষ্টি ও শর্করা জাতীয় উচ্চক্যালরি যুক্ত খাবার কম খেতে হবে।</p>
<p><strong>খাদ্য</strong>: ব্রণ দূর করার জন্য আয়রন ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাদ্য নিয়মিত আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। সবুজ শাকসবজি ও দুগ্বজাত দ্রব্য, মাছ, কলিজা, গাজর, ব্রকলি খেতে হবে ।</p>
<p><strong>প্রাকৃতিক এন্টিসেপটিক</strong>: চা গাছের নির্যাস থেকে এক ধরনের তেল তৈরি হয়। এই তেল ব্রণের জন্য এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন রাতে ত্বক পরিষ্কার করে ব্রণের ওপর লাগিয়ে নিন।</p>
<p><strong>বেকিং সোডা</strong>: আমাদের সবার রান্নাঘরেই বেকিং সোডা থাকে। তাই খুব সহজেই পেয়ে যাবেন এটি। জানেন কি? বেকিং সোডা ব্রণ সারাতে টনিকের কাজ করে। একটি বাটিতে ১ চামচ বেকিং সোডা সাথে একটু পানি মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ব্রণ কমে যাবে ।</p>
<p><strong>হারবাল</strong>: নিম এবং চিরতা ব্রণ ভালো করতে সাহায্য করে। ব্রণহীন ত্বক পেতে নিয়মিত নিম পাতা এবং চিরতার পেস্ট তৈরি করে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।</p>
<p><strong>যবের গুঁড়া</strong>: যবের গুঁড়া ১ চামচ পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট করে সারা মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।পারিষ্কার তোয়াল দিয়ে মুছে নিন।যবের গুঁড়া ব্রণ দূর করে ও মুখ পরিষ্কার হয়।</p>
<p><strong>অলিভ অয়েল</strong>: অলিভ অয়েল ত্বকের জন্য ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক কোমল ও মসৃণ হয়। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ দূর করে।</p>
<p><strong>ডিমের সাদা অংশ</strong>: ডিমের সাদা অংশ পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বকে যদি ডিমে এলার্জির সমস্যা হয়, তাহলে এটা ব্যবহার করা যাবে না।</p>
<p><strong>টক দই</strong>: টক দই ব্রণের জন্য খুব ভালো। টক দই সারা মুখে মেখে ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন। টক দই ব্যবহারের ফলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও মসৃণ।</p>
<p><strong>বরফের জাদু</strong>: ব্রণের ওপর বরফ টুকরো ঘষুন। এর রয়েছে দারুণ ক্ষমতা। এটি ব্রণের আকার কমিয়ে দেয় কয়েক মুহূর্তেই। আর ব্রণ দূরও হয় দ্রুত।পর্যাপ্ত ঘুম, প্রচুর পানি পান আর সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমেই ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আমরা পেতে পারি ব্রণ ও দাগহীন সুন্দর ত্বক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চুল ঝরে পড়ার প্রধান কারণ গুলো জেনে নিন</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%97/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%97/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:35:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=50</guid>
		<description><![CDATA[এমন কি কখনও ঘটেছে, “চুল ঝরে পড়ছে? কী করি?” অথবা, আপনি সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখলেন বালিশের উপর কিছু চুল পড়ে রয়েছে? কিংবা, আপনার চিরুনিতে আগের চাইতে বেশি চুল দেখা &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>এমন কি কখনও ঘটেছে, “চুল ঝরে পড়ছে? কী করি?” অথবা, আপনি সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখলেন বালিশের উপর কিছু চুল পড়ে রয়েছে? কিংবা, আপনার চিরুনিতে আগের চাইতে বেশি চুল দেখা যাচ্ছে? এমনটাতো কিছুদিন পরপরই হতে দেখা যায়, তাই না? চুল পড়ার সমস্যাটা নতুন কিছু নয়, আর চুল পড়ারও একটা নির্দিষ্ট সীমা আছে। আমাদের <strong>খাদ্যাভ্যাস, চালচলনের উপরও</strong> এটা অনেকাংশে নির্ভর করে। আমাদের জেনে বা না জেনে এমন কিছু ভুল হয়ে যায় যার কারণে চুল পড়ার হাড় ও বেড়ে যায়। চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক এমন ৮ টি কারণ যার ফলে ঝরে যেতে পারে আপনার চুল।<ins></ins></p>
<div id="beacon_cd793848a8"><img src="https://adoptserver.com/adopt/ads/optimization/lg.php?bannerid=698&amp;campaignid=92&amp;zoneid=169&amp;loc=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2F8-main-reasons-of-hair-fall%2F&amp;referer=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2Fcategory%2Fbeauty-tips%2Fhair-care%2F&amp;cb=cd793848a8" alt="" width="0" height="0" /><strong style="background-color: white; font-size: 1rem;">১. রেস্টিং ফেজ</strong></div>
<div></div>
<p>আমাদের মাথায় যত চুল আছে তার সবগুলোরই কিন্তু  গ্রোথ হয় না।  প্রায় ৯০% এর মত চুলের গ্রোথ হয় আর বাকি ১০% এর মত চুল রেস্টিং ফেজ বা বিশ্রামে থাকে। এই চুলগুলোই সাধারণত ঝরে যায়। তবে এর জায়গায় আবার নতুন চুল গজায়। আর বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, প্রতিদিন ১০০টির মত চুল পড়াটা স্বাভাবিক। আপনার চুল যদি ১০০ টিরও বেশি ঝরতে থাকেতার মানে আপনার ১০%-এর বেশি চুল রেস্টিং ফেজ-এ চলে গিয়েছে। এর কারণ হতে পারে  খাদ্য, জীবনধারা,  দীর্ঘস্থায়ী অসুখ ইত্যাদির  কারণে। এমনটা যদি হয় তাহলে আপনার একজন চর্মরোগবিশেষজ্ঞ বা Trichologist-এর সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।</p>
<p><strong>২. আপনার ডায়েট হেয়ার-ফ্রেন্ডলি নয়</strong></p>
<p>খাদ্যাভ্যাস এর উপর চুলের স্বাস্থ্য অনেকটা প্রভাবিত। আপনার খাদ্যাভ্যাস শুধুমাত্র আপনার ওজন এবং সাধারণ স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যই নয় কিন্তু! এটি আপনার চুলের উপরেও রাজত্ব করে থাকে। ভিটামিনের ঘাটতি এবং পুষ্টির অভাবে আপনার চুল পড়ে যেতে পারে বহুগুণে।  চিনিযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এবং রিফাইন্ড করা খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার ফলে আপনার চুল ও ঝরে যেতে পারে অতিরিক্ত পরিমানেই। তাই হেয়ার লক করার জন্য আজই আপনার ডায়েটে যোগ করুন প্রচুর প্রোটিন, ওমেগা ৩, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ খাবারসমূহ। এইসব খাবার আপনার চুলকে করবে স্ট্রং ও সিল্কি।</p>
<p><strong>৩. ক্ষতিকর UV রশ্মি</strong></p>
<p>সূর্যের ক্ষতিকর UV রশ্মি শুধুমাত্র আপনার ত্বকের ক্ষতিই করে না বরং এটি চুলেরও সমানভাবে ক্ষতি করে থাকে। UV রে আপনার চুলকে ভঙ্গুর, দুর্বল এবং শুষ্ক করে দেয় যার কারণে চুল পড়ার হার প্রায় দিগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তাই এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে চেষ্টা করুন সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে থেকে। এছাড়া ব্যবহার করুন হ্যাট বা স্কার্ফ এবং ছাতাতো অবশ্যই ব্যবহার করবেন।</p>
<p><strong>৪. চুলে সঠিক পণ্য ব্যবহার না করা</strong></p>
<p>চুল ঝরে পরার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো চুলে সঠিক পণ্য ব্যবহার না করা। ত্বকের মতো চুলেরও আলাদা আলাদা ধরন থাকে। যদি আপনার চুল শুষ্ক হয় আর আপনি ব্যবহার করেন এমন একটি শ্যাম্পু যা তৈলাক্ত চুলের জন্য তাহলে তো সমস্যা হবেই। তাই চেষ্টা করুন মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করার এবং ভালো ফলাফল পেতে চেষ্টা করুন তেল ও শ্যাম্পু কেনার আগে তাতে কী কী উপাদান আছে তা দেখে নেয়ার। আরো ভাল ফলাফলের জন্য একই লাইন থেকে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনারগুলো ব্যবহার করুন। এগুলো একই উপাদান দিয়ে তৈরি এবং একে অপরের পরিপূরক।</p>
<p><strong>৫. চুলে অতিরিক্ত হিট দেয়া ও কেমিক্যাল ইউজ করা</strong></p>
<p>কিছুদিন পর পরই চুল কালার করা অথবা চুলে অধিক পরিমাণে কেমিক্যালস ইউজ করা চুল পরার অন্যতম একটি কারণ। আরো একটি কারণ হলো চুল সবসময় হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকানো এবং স্ট্রেইটনার ব্যবহার করা। এগুলো আপনার চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে।</p>
<p><img class="aligncenter wp-image-34172 size-full" src="https://s3-us-west-2.amazonaws.com/shajgoj-wp-uploads-us-west/wp-content/uploads/2018/08/19160048/heating-hair.jpg" sizes="(max-width: 830px) 100vw, 830px" srcset="https://s3-us-west-2.amazonaws.com/shajgoj-wp-uploads-us-west/wp-content/uploads/2018/08/19160048/heating-hair.jpg 830w, https://s3-us-west-2.amazonaws.com/shajgoj-wp-uploads-us-west/wp-content/uploads/2018/08/19160048/heating-hair-300x185.jpg 300w, https://s3-us-west-2.amazonaws.com/shajgoj-wp-uploads-us-west/wp-content/uploads/2018/08/19160048/heating-hair-768x473.jpg 768w, https://s3-us-west-2.amazonaws.com/shajgoj-wp-uploads-us-west/wp-content/uploads/2018/08/19160048/heating-hair-640x394.jpg 640w" alt="চুলে অতিরিক্ত হিট দেয়া চুল ঝরে পড়ার ১ টি প্রধান কারণ - shajgoj" width="830" height="511" /></p>
<p>আর তাই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করার সময় এর কুলিং সুইচ-টা অন করে নেবেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফ্যানের বাতাসে চুল শুকাতে পারেন, কারণ এতে আপনার চুল ভালো থাকবে। আর স্ট্রেইটনার ব্যবহারটা খেয়াল রাখবেন চুলে যেন সরাসরি না হয় এবংচুলে হিট প্রটেক্টিভ কিছু লাগানো যেন হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।</p>
<p><strong>৬. অতিরিক্ত টাইট করে চুল বাঁধা</strong></p>
<p>হাই পনিটেইল বা খোঁপা দেখতে সুন্দর লাগলেও দীর্ঘক্ষণ বেধে রাখার ফলে আপনার চুলের গোড়া আলগা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় আর এতে চুল পরার হার ও বেড়ে যায়। তাই একই হেয়ারস্টাইল প্রতিদিন না করে চেঞ্জ করে বাধার চেষ্টা করুন এবং চুলে ঝুটি, খোঁপা ইত্যাদি করার সময় হালকাভাবে বাধার চেষ্টা করুন।</p>
<p><strong>৭. মেডিসিন-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া</strong></p>
<p>বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও চুল ঝরতে পারে। যদি আপনি কিছুদিনের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক-এর একটি নির্ধারিত কোর্স কমপ্লিট করে থাকেন অথবা গত কয়েক মাসের মধ্যে কোন ধরনের সার্জারি করে থাকেন তাহলে এগুলোর প্রভাবে আপনার চুল ঝরতে পারে। এটা সম্ভব যে কোন সার্জারির ফলে আপনার শরীরের উপর দিয়ে খুব ধকল গেছে বা যাচ্ছে তাহলে এটি হতে পারে চুল পরার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে একটি। তাই এই ধরনের কিছু হয়ে থাকলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং খাবারে বেশি পরিমাণে প্রোটিন যোগ করুন।</p>
<p><strong>৮. ভেজা অবস্থায় চুল আঁচড়ানো</strong></p>
<p>আমাদের অনেকেরই এই অভ্যাসটা আছে যে গোসল সেরে এসে ভেজা চুল আঁচড়ে নেয়া। কিন্তু এটা ঠিক নয় কারণ ভেজা চুল শুষ্ক চুলের চেয়ে অনেক বেশি বিচ্ছেদ প্রবণ। অল্প আঘাতেই গোড়া থেকে উঠে চলে আসে ভেজা চুল কারণ তখন চুলের গোড়া নরম থাকে।</p>
<p>তাই চুলের ভেজা অবস্থায় হাতের আংগুল দিয়ে আলতোভাবে জটগুলো যতটা সম্ভব ছাড়িয়ে নিন এবং নরম তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে চুল গুলো শুকিয়ে নিন। চুল পুরোপুরিভাবে শুকিয়ে যাওয়ার পর চুল আঁচড়াবেন, তার আগে নয়।</p>
<p>চুল ঝরে যাওয়ার কারণ গুলোতো দেখে নিলেন, আসলে এগুলো আমরা সবাই কমবেশি জানি কিন্তু সেভাবে পাত্তা দেই না বা জেনেও ইচ্ছেমত চুলের উপর অত্যাচার করি। কিন্তু যখন চুল ঝরে যেতে যেতে পাতলা হয়ে যায় অথবা অতিরিক্ত চুল পড়া শুরু হয় তখন আমাদের টনক নড়ে। যাই হোক এই ভুলগুলো যাতে আর না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত কারণ চুলের সৌন্দর্যের উপর অনেকাংশে নির্ভর করে আপাদমস্তক সৌন্দর্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ঘরে বসেই তৈরি করুন ভিটামিন সি ফেসিয়াল</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:32:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=35</guid>
		<description><![CDATA[ফেসিয়াল আমার নরমালি বাসায় বসেই করা হয়। তবে, বেশ কয়েকবার বান্ধবীর সাথে পার্লারে গিয়েছিলাম তার ফেসিয়ালের সুবাদে। আর তখনই দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা পার্লারগুলোর উপর আমার ভরসা চলে গিয়েছে! &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>ফেসিয়াল আমার নরমালি বাসায় বসেই করা হয়। তবে, বেশ কয়েকবার বান্ধবীর সাথে পার্লারে গিয়েছিলাম তার ফেসিয়ালের সুবাদে। আর তখনই দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা পার্লারগুলোর উপর আমার ভরসা চলে গিয়েছে! তাদের ব্যবহৃত প্রোডাক্ট-এর মধ্যে অধিকাংশ ছিল লোকাল নকল প্রোডাক্টস!! আর আমরা কিন্তু চটজলদি প্রায় সময়ই বাসার পাশের পার্লারটিতে চলে যাই। কিন্তু  তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে খুব একটা ধারণা রাখি না। ফেসিয়াল তো কত ধরনেরই আছে। এরমধ্যে ভিটামিন সি ফেসিয়াল স্কিনের জন্য বেশ ভালো কাজ করে।</p>
<p>আজকে আমরা জেনে নেবো কিভাবে বাসায় বসেই স্টেপ বাই স্টেপ ভিটামিন সি ফেসিয়াল করা যায়। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে জানিয়ে দেই।<ins></ins></p>
<div><strong style="background-color: white; font-size: 1rem;">ভিটামিন সি ফেসিয়াল সম্পর্কিত কিছু কথা:</strong></div>
<p>প্রথমে আমরা একটু জেনে নেই যে ভিটামিন সি স্কিনের জন্য কেন উপকারী? কেন আমরা ভিটামিন সি ফেসিয়াল করবো এবং কারা এই ফেসিয়ালটা করতে পারবেন?</p>
<p><strong>১)</strong> ভিটামিন সি আমাদের স্কিনের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের স্কিনের কোলাজেনকে বুস্ট করে স্কিনকে টাইট ও সফট করে তোলে। এটি স্কিনের ফাইন লাইন এবং রিংকেল দূর করতে খুবই কার্যকরী।</p>
<p><strong>২)</strong> এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সূর্যের ইউভি থেকে তৈরী স্কিন ড্যামেজ সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এটি হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ডার্ক স্পট লাইট করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি স্কিন ব্রাইটেনিং-এ বেশ ভালো কাজ করে।</p>
<p><strong>৩)</strong> ভিটামিন সি ফেসিয়াল এমন সকল ইনগ্রেডিয়েন্টস-এ তৈরি, যাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আর ভিটামিন সি থাকা মানেই উপরে উল্লিখিত উপকারিতাগুলো আপনারা পেয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p><strong>৪)</strong> এবার আসি কারা কারা এই ভিটামিন সি ফেসিয়াল করতে পারবে।  যাদের বয়স ২০+, তারা এই ফেসিয়ালটি অনায়াসেই করতে পারবেন। আর ভিটামিন সি যেহেতু অ্যান্টি-এজিং এর জন্য বেশ কাজের তাই বয়স যখন ২৫+, তখন থেকে রেগ্যুলার বেসিস-এ এটা করা ভালো। এতে স্কিন দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়াও রোধ হবে। আর যাদের স্কিনে বয়সের ছাপ পড়েই গেছে তারা তো এটা অবশ্যই করতে পারবেন।</p>
<p><strong>৫)</strong> অনেকে কিছু প্রশ্ন করে থাকে, যেমন- “আমার অয়েলি স্কিন”। আবার অনেকে বলে থাকেন, “আমার ড্রাই স্কিন তো আমি এই ফেসিয়াল করতে পারব কিনা?”… সেক্ষেত্রে বলি, এই ফেসিয়ালটা যে কোনো স্কিন টাইপেই করতে পারবেন।</p>
<p><strong>যেভাবে ভিটামিন সি ফেসিয়াল করবেন:</strong></p>
<p>ফেসিয়াল-এর নরমাল্লি ৫টি  ধাপে করা হয়ে থাকে।</p>
<p><strong>১. ক্লিঞ্জিং</strong></p>
<p>ক্লিঞ্জিং শুরু করার আগে প্রথমেই আপনার চুলগুলো বেঁধে নিয়ে একটা হেড ব্যান্ড লাগিয়ে নিন । এবার আপনার মুখে যদি কোনো মেকআপ, সানস্ক্রিন, ময়েশ্চারাইজার দেয়া থাকে, তা রিমুভ করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করে নিয়ে ফেইস-টা ফেইস ওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন।</p>
<p>একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ টকদই, ১ চা চামচ অরেঞ্জ জুস, ১ চা চামচ কাঁচা দুধ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে আপনার ক্লিন ফেইস এবং গলায় এটি ভালোভাবে অ্যান্টিক্লক মোশনে ম্যাসাজ করুন ৩-৫ মিনিট। এরপর নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে মুখটা মুছে নিন।</p>
<p><strong>২. স্ক্রাবিং</strong></p>
<p>একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ অরেঞ্জ জুস,১ চা চামচ কমলার খোসার গুঁড়া, হাফ চা চামচ মধু মিলিয়ে নিন। এটিই আপনার হোমমেইড স্ক্রাব। এই স্ক্রাব-টা নিয়ে ফেইস এবং গলায় অ্যান্টিক্লক ওয়াইজ আস্তে আস্তে স্ক্রাবিং করুন ৩ মিনিট ধরে। স্ক্রাবিং করা হয়ে গেলে নরমাল পানি দিয়ে মুখ-গলা ধুয়ে নিয়ে মুছে ফেলুন।</p>
<p><strong>৩. স্টিমিং</strong></p>
<p>একটি হাড়িতে পানি ফুটিয়ে নিন । এবার ঐ ফুটন্ত পানিতে চাইলে তাজা কমলার খোসা দিতে পারেন। এবার চোখ বন্ধ করে একটি তোয়ালে মাথার উপরে দিয়ে মাথা ঢেকে ঐ হাড়ির পানির দিকে মুখ করে নিচু হয়ে থাকুন এবং পানির বাষ্পটাকে স্কিনে ভালোভাবে প্রবেশ করতে দিন। এভাবে ১০ মিনিট করুন। এতে করে ত্বকের রোমকূপগুলো খুলে যাবে। এবার মুখ সরিয়ে নিন এবং খুব সাবধানতার সাথে ব্ল্যাক হেডস এবং হোয়াইট হেডস রিমুভার স্টিক দিয়ে ওগুলো আস্তে আস্তে পুশ করে বের করে নিন। তবে ব্রণগুলো খোঁটাখুঁটি করতে যাবেন না যেন!</p>
<p><strong>৪. ফেইস মাস্ক</strong></p>
<p>ফেইস মাস্ক বানাতে যে সকল উপকরণ লাগবে-</p>
<ul>
<li>বেসন</li>
<li>অরেঞ্জ জুস</li>
<li>স্ট্রবেরী</li>
<li>টক দই</li>
</ul>
<p>(যাদের স্কিন <strong>ড্রাই</strong>, তারা এর সাথে কয়েক ড্রপ <strong>আমন্ড অয়েল</strong> যোগ করবেন। আর স্কিন <strong>সেনসিটিভ</strong> হলে কয়েক ফোঁটা <strong>টি ট্রি অয়েল</strong> যোগ করতে পারেন।)</p>
<p>প্রথমে একটি পাকা স্ট্রবেরী ধুয়ে নিয়ে, এটাকে একটা কাঁটা চামচের সাহায্যে খুব ভালোভাবে ম্যাশড করে নিন। এবার, একটা বাটিতে ২ টেবিল চামচ বেসন, ১ চা চামচ অরেঞ্জ জুস, এক চা চামচ ম্যাশড স্ট্রবেরী, ১ চা চামচ টক দই নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে একটা স্মুদ পেস্ট তৈরি করুন। এই মাস্ক-টি মুখ এবং গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর নরমাল পানি দিয়ে একটু ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন এবং টাওয়েল দিয়ে মুখটা প্যাট ড্রাই করুন।</p>
<p><strong>৫. টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার:</strong></p>
<p>এই ধাপটি হলো ফেসিয়ালের লাস্ট স্টেপ। এই স্টেপ-টা কিন্তু কোনোভাবেই বাদ দেয়া যাবে না। টাওয়েল দিয়ে মুখটা প্যাট ড্রাই করা হয়ে গেলে একটি কটন প্যাডে আপনার পছন্দসই একটা টোনার নিয়ে পুরো মুখ এবং গলা মুছে নিন। টোনার-টা শুকিয়ে গেলে আপনার স্কিন টাইপ অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। চাইলে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম-ও ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p>ব্যস!!! এই তো হয়ে গেল ভিটামিন সি ফেসিয়াল। আশা করছি এখন আর পার্লারে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে এই ফেসিয়াল টি করতে হবে না। ঘরে বসেই সম্পূর্ণ ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্টস দ্বারা সহজেই ভিটামিন সি ফেসিয়াল করে নিতে পারবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য আকর্ষণীয় কিছু ঘরোয়া টিপস</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:32:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=32</guid>
		<description><![CDATA[চোখের নিচে কালোদাগ বা ডার্ক সার্কেল নিয়ে চিন্তিত? ডার্ক সার্কেল-এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের চেহারা সবসময় নিস্তেজ এবং ক্লান্ত দেখায়। চোখের নিচের কালো দাগের কারণে অনেক ক্ষেত্রে মেকআপ করলেও চেহারা দেখতে &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>চোখের নিচে কালোদাগ বা ডার্ক সার্কেল নিয়ে চিন্তিত? ডার্ক সার্কেল-এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের চেহারা সবসময় নিস্তেজ এবং ক্লান্ত দেখায়। চোখের নিচের কালো দাগের কারণে অনেক ক্ষেত্রে মেকআপ করলেও চেহারা দেখতে বাজে দেখায়। ডার্ক সার্কেল দূর করার অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। তাদের মধ্যে একটি হলো তেলের ব্যবহার। অনেক বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের তেলের ব্যবহার চোখের কালো দাগ দূর করে ব্লাড সার্কুলেশন ইম্প্রুভ করার পাশাপাশি ত্বকের কোমলতা বৃদ্ধি করে আসছে। অয়েল ম্যাসাজ করলে চোখের নিচের ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধি পায় এবং চোখের চারপাশের ত্বক ধীরে ধীরে কোমল ও উজ্জ্বল হয়ে উঠে। তাই চলুন আজ দেখে নেয়া যাক ৪ রকম তেলের কথা, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহারের ফলে আপনার চোখের কালো দাগ থেকে খুব দ্রুতই রেহাই পাবেন। আর এই তেলগুলোর ব্যবহারে আপনার চোখের চারপাশের ত্বকও বলিরেখা থেকে রক্ষা পাবে।</p>
<div class="ads_jui">
<div id="beacon_7d3c2cba48"><img src="https://adoptserver.com/adopt/ads/optimization/lg.php?bannerid=698&amp;campaignid=92&amp;zoneid=169&amp;loc=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2Fkeep-6-winter-skin-care-products%2F&amp;referer=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2Fcategory%2Fbeauty-tips%2Fskin-care%2F&amp;cb=7d3c2cba48" alt="" width="0" height="0" /><strong style="background-color: white; font-size: 1rem;">ইফেক্টিভ অয়েল ম্যাসাজ থেরাপি:</strong></div>
<div></div>
<p><span style="font-size: 1rem;">তেল ব্যবহার করার সময় আপনার চোখ দুটি বন্ধ করে নিন। চোখের চারপাশে আঙুলের ম্যাসাজ থেরাপি টেকনিক-এর একটি মূল উপাদান। চোখের চারপাশে মৃদু চাপ প্রয়োগ করে ম্যাসাজ করতে হবে। নাকের ব্রিজ-এর কাছ থেকে ম্যাসাজ শুরু করতে হবে তারপর আস্তে আস্তে উপরের দিকে গিয়ে চোখের চারপাশে এবং আবার আলতোভাবে আইব্রো ও তার নিচের অংশে অল্প চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। চোখের চারপাশে গোলাকারভাবে ম্যাসেজ করার সময় আপনার আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে চাপ দিন এতে করে টিস্যুতে রক্ত ​​প্রবাহ ত্বরান্বিত হবে।  ভালো ফলাফল পাবার জন্য প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার ম্যাসাজ করুন।</span></p>
</div>
<p><strong>১. নারকেল তেল</strong></p>
<p>ডার্ক সার্কেল মানে শুধু কালো স্কিন-কেই বোঝায় না চোখের আশেপাশের রিঙ্কেল বা খসখসে চামড়াও ডার্ক সার্কেল-এর একটি অংশ। নারকেল তেল ভিটামিন ই, ল্যাকটিক এসিড এবং অন্যান্য পুষ্টি-উপাদানগুলোর একটি চমৎকার উৎস যা ত্বককে ব্যাপকভাবে মেরামত করে, ত্বকের পোর-গুলোকে টাইট করে, ত্বকের প্রদাহ হ্রাস করে, ত্বকের ময়েশ্চারাইজিং করে এবং ডার্ক সার্কেল খুব দ্রুত রিমুভ করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে স্কিন ক্যাফে-এর নারকেল তেল একদম ১০০% খাঁটি এবং পারফেক্ট একটি চয়েজ।</p>
<p><strong>যেভাবে ব্যবহার করবেন</strong></p>
<p>সমপরিমাণ আলু ও শসা স্লাইস করে একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড  করুন এবং একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন।। এটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিটের মতো রেখে শুকিয়ে নিন। তারপর নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ত্বককে শুকিয়ে যেতে দিন। তারপর আপনার চোখের চারদিকে আঙুল দিয়ে আলতো করে নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন এবং পেয়ে যান ফ্রেস একটা লুক।</p>
<p>২. বাদাম তেল</p>
<p>এই তেলটি স্কিন-এর রিঙ্কেল ও ফাইন লাইন্স কমিয়ে ত্বকের স্মুথনেস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এই তেলটি ব্লাড সার্কুলেশন বাড়িয়ে ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ভেতর থেকে ডার্কনেস কমিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। বাদাম তেল চাইলে স্কিন ক্যাফে-এর আমন্ড অয়েল-টি কিন্তু দারুণ খাঁটি।</p>
<p><strong>যেভাবে ব্যবহার করবেন</strong></p>
<p>আপনার ত্বকের উপযোগী ভালো কোন ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটি ভালোভাবে ধুয়ে ফেস টাওয়েল দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন। এবার এক টেবিল চামচ মধুর সাথে ১ টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রায় ৫ মিনিট ধরে চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন এবং দেখুন চোখের কালো দাগ অনেকটাই হালকা লাগছে।</p>
<p><strong>৩. ক্যাস্টর অয়েল</strong></p>
<p>ভঙ্গুর এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য শ্রেষ্ঠ তেল হল ক্যাস্টর অয়েল। এই তেল নিয়মিত ব্যবহারে আপনি ডার্ক সার্কেল-সহ আই ব্যাগ থেকেও মুক্তি পেতে পারেন খুব অল্পদিনের মধ্যেই। স্কিন ক্যাফে-এর আছে একদম শতভাগ খাঁটি ক্যাস্টর অয়েল।</p>
<p><strong>যেভাবে ব্যবহার করবেন</strong></p>
<p>ক্যাস্টর অয়েল ও নারকেল তেল একটি বাটিতে সমান পরিমাণে মিশ্রিত করুন। হালকা চাপ দিয়ে আপনার চোখের নীচে ও চারদিকে  ম্যাসেজ করুন। এটি রাতে প্রয়োগ করুন এবং সকালে ভালো কোন ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন আর দেখুন এর পজিটিভ রেজাল্ট।</p>
<p><strong>৪.ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল</strong></p>
<p>ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে ও ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনে। এটা ত্বকের পোর-গুলোকে ছোট করে ত্বক থেকে বিষাক্ত টক্সিন দূর করে। এটি চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। স্কিন ক্যাফে-এর এই তেল-টি খুবই কার্যকর।</p>
<p><strong>যেভাবে ব্যবহার করবেন</strong></p>
<p>উষ্ণ পানি দিয়ে আপনার মুখ পরিষ্কার করুন এবং নরম শুকনো টাওয়েল দিয়ে আপনার মুখটি মুছে নিন। তারপর ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল-এর মধ্যে একটি তুলোর বল ডুবিয়ে নিয়ে ৫-৬ মিনিটের মত চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করুন। তারপর সারারাত এভাবেই রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন।</p>
<p>সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য, প্রতিদিন কমপক্ষে একবার ৩০ দিনের জন্য উপরের যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করুন। পার্থক্যটা নিজেই খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন।</p>
<p>আর স্কিন ক্যাফে-এর তেলগুলো সুলভ মূল্যে পাবেন শপ.সাজগোজ.কম-এ। এই তেলগুলোর উপর ১৫% অফ-এর অফার চলছে। কিনতে চাইলে এখনই তাদের অনলাইন-এ অর্ডার করুন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চুল ঘন করার দারুন কিছু টিপস। চুল করুন ঘন ও কালো</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:31:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=44</guid>
		<description><![CDATA[হঠাৎ একদিন যখন দেখি সিঁথিটা আগে যেমন ছিল এখন কম করে হলেও তার ৩ গুণ হয়ে গেছে! একসময় যখন ব্যান্ড দিয়ে ২ প্যাঁচ দিয়ে মোটা একটা পনিটেইল করে ফেলতেন সেখানে এখন &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>হঠাৎ একদিন যখন দেখি সিঁথিটা আগে যেমন ছিল এখন কম করে হলেও তার ৩ গুণ হয়ে গেছে! একসময় যখন ব্যান্ড দিয়ে ২ প্যাঁচ দিয়ে মোটা একটা পনিটেইল করে ফেলতেন সেখানে এখন ৪-৫ প্যাঁচ দিলেও কেমন যেন ঢিলে থাকে! স্বীকার করুন, তখনি কিন্তু আসলে বোঝা যায় চুল পাতলা হয়ে গোছার আর কিছুই বাকি নেই। আর এই পয়েন্টেই শুরু হয় চুল ঘন করা ও চুলের গ্রোথ বাড়ানোর চেষ্টা…!<ins></ins></p>
<div id="beacon_7e2d166e46"><img src="https://adoptserver.com/adopt/ads/optimization/lg.php?bannerid=698&amp;campaignid=92&amp;zoneid=169&amp;loc=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2F1-hair-thickening-homemade-pack%2F&amp;referer=https%3A%2F%2Fwww.shajgoj.com%2Fcategory%2Fbeauty-tips%2Fhair-care%2F&amp;cb=7e2d166e46" alt="" width="0" height="0" />আমরা না তখন ভুলেই যাই যে চুল আসলে একটা মৃত জিনিস! আপনি শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার মেখে বা চুলের লেন্থ-এ কোনও কিছু করেও চুলকে মোটা করতে পারবেন না! যা করতে হবে সেটা করবেন আপনার <strong>স্ক্যাল্প</strong>-এ, যেখানে আছে আপনার <strong>হেয়ার ফলিকল।</strong> হেয়ার ফলিকল যত স্টিমুলেট করবেন ততই আপনার গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বেড়ে পুষ্টি পৌঁছে চুলের গ্রোথ ভালো হবে এবং গোছাটা মোটা হবে।</div>
<p>&nbsp;</p>
<p>তাই পুরো প্রসেসটাই কিন্তু একটার সাথে আরেকটা রিলেটেড এবং এই প্রসেস শুরু হচ্ছে আপনার স্ক্যাল্প থেকে।</p>
<h3>তো আসুন এবারে জানি, কিভাবে স্ক্যাল্প স্টিমুলেট করে চুল ঘন করা যায়?</h3>
<p>আপনাকে এমন কিছু ইউজ করতে হবে যা সেইফলি আপনার স্ক্যাল্প-এ ব্লাড সার্কুলেশন বাড়াবে। ফলিকল-গুলোকে উজ্জীবিত করবে। এই কাজের জন্য সবচেয়ে ভালো কি জানেন? <strong>গোলমরিচ বা ব্ল্যাক পেপার</strong>! কি? শুনেই হাসি পেয়ে গেল?? মানুষ মাথায় কী কী মাখে, তাই না??</p>
<p><strong>১.</strong> গোলমরিচে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ক্যারোটিনোয়েড, ফ্ল্যাভোনোয়েড।</p>
<p><strong>২.</strong> গোলমরিচের আছে অ্যান্টিসেপটিক প্রপারটিজ। তাই এর রেগ্যুলার ব্যবহারে স্ক্যাল্প-এর ফাঙ্গাল গ্রোথ কমে, মানে খুশকির সমস্যা কনট্রোল-এ থাকে।</p>
<p><strong>৩.</strong> এর লাইট আর মাইলড ইরিটেশন স্ক্যাল্প-এ ব্লাড ফ্লো বাড়ায়। হেয়ার রুট-এ ব্লাড ফ্লো বাড়ার রেজাল্ট হিসেবে হেয়ার গ্রোথ ভালো হয়।</p>
<p><strong>৪.</strong> আবার এই একই কারণে হেয়ার ফলিকলগুলো শক্ত হয় এবং চুল পড়া কমে।</p>
<p><strong>৫. </strong>গোলমরিচ স্ক্যাল্প-এ জমে থাকা প্রোডাক্ট বিল্ড-আপ ক্লিন করে স্ক্যাল্প ডিটক্স করে।</p>
<p>তাই উপরের পয়েন্টগুলো থেকে এটা তো ক্লিয়ার যে গোলমরিচের ঐযে একটু চিড়বিড়ে জ্বলুনি ভাব, ওটাই আসলে স্ক্যাল্প-এর স্কিনে রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের গোঁড়াটা শক্ত করে।</p>
<p><strong>তাহলে চুল ঘন করা ও গ্রোথ বাড়াতে এই গোলমরিচ ব্যবহার করার উপায় কী?</strong></p>
<p>না না, বেটে মাথায় লাগিয়ে রাখা যাবে না!! তাহলে কিন্তু জ্বলুনিতে জীবনটাই ছারখার হবে! নিচের রেসিপিটা ফলো করলে সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট পাবেন।</p>
<p><strong>কিভাবে বানাবেন?</strong></p>
<p><strong>১.</strong> খুব ভালোভাবে তেল আর গোলমরিচের গুঁড়া মিক্স করে রেখে দিন অন্তত ২ ঘণ্টা। এই সময়ে গোলমরিচের অ্যাসেনসিয়াল অয়েল নারিকেল তেলের সাথে ভালোভাবে মিশে যাবে।</p>
<p><strong>২.</strong> এই তেলটা শুধু স্ক্যাল্প-এ অ্যাপ্লাই করবেন। চুলে দেবার দরকার নেই।</p>
<p><strong>৩.</strong> খুব ভালোভাবে আঙ্গুলের টিপস দিয়ে স্ক্যাল্প-এ অয়েলটা ম্যাসাজ করুন।</p>
<p><strong>৪.</strong> এবার একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে চিপড়ে নিয়ে চুলে পেঁচান যেন তোয়ালের উষ্ম ভাপটা স্ক্যাল্প-এ লাগে। এতে তেলটা স্ক্যাল্প-এ ভালোভাবে কাজ করবে আর স্ক্যাল্প-এর পোরগুলো ক্লিন হবে। সাথে সাথে খুশকি থাকলে লুজ হয়ে যাবে।</p>
<p><strong>৫.</strong> তোয়ালেটা ৩০ মিনিট পর খুলে ফেলতে পারেন। কিন্তু তেলটা মাথায় রেখে ১ ঘণ্টা ওয়েট করুন।</p>
<p><strong>৬.</strong> ১ ঘণ্টা পড়ে মাইলড এবং সিলিকন ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে খুব ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলুন।</p>
<p>এই হল পুরো ট্রিটমেন্ট। এভাবে প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বার স্ক্যাল্প স্টিমুলেটিং ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। আর আপনি নিজেই স্ক্যাল্প-এ গোলমরিচের একটু জ্বলুনি বুঝতে পারবেন। ভয় পাবার কিছু নেই। এই জ্বলুনিই স্ক্যাল্প-এ ব্লাড ফ্লো বাড়াচ্ছে। তাই ধৈর্য ধরুন।</p>
<p><strong>সংরক্ষণ: </strong>এই তেলটা কড়া রোদে রাখুন ২ দিন। ২ দিন রেখে বোতলটা ডার্ক কুল প্লেইস-এ ২ সপ্তাহ পর্যন্ত ইউজ করতে পারবেন।</p>
<p>দেখলেন তো, চুল ঘন করা কঠিন কিছু কিন্তু নয় এখন! এভাবে রেগ্যুলার তেলটা ইউজ করলে আপনি আপনার হেয়ার গ্রোথে অবশ্যই পজিটিভ চেঞ্জ দেখবেন। অবশ্যই কী দেখলেন ইউজ করে আমাদের ইনবক্সে বা কমেন্টে জানাবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>৩ টি কার্যকরী হোম ফেইস প্যাক &#124; ঘরে বসেই তৈরি করুন</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a9-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a9-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:31:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=54</guid>
		<description><![CDATA[পরিষ্কার এবং সুন্দর ত্বক পাওয়া প্রতিটি নারীর স্বপ্ন কিন্তু বর্তমান সময়ের ব্যস্ত রুটিন, দূষিত পরিবেশ এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে স্বাস্থ্যকর এবং পরিষ্কার ত্বক বজায় রাখা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>পরিষ্কার এবং সুন্দর ত্বক পাওয়া প্রতিটি নারীর স্বপ্ন কিন্তু বর্তমান সময়ের ব্যস্ত রুটিন, দূষিত পরিবেশ এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে স্বাস্থ্যকর এবং পরিষ্কার ত্বক বজায় রাখা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে।</p>
<p>ব্রণ, দাগ, রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক এবং অন্যান্য কারণগুলি পরিষ্কার নিখুঁত ত্বক যা আমরা সবসময় আশা করি সেই ত্বক পেতে বাঁধা সৃষ্টি করে।</p>
<p>স্কিন কেয়ার শিল্পের বৃদ্ধির সাথে সাথে এই সমস্যাগুলোর সমধান করা যাচ্ছে কিন্তু পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য আরো অনেক সহজ পদ্ধতি আছে। পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এখানে কিছু ঘরে তৈরি ফেইস প্যাক দেওয়া হলো যা খুব সহজে বানিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে নিখুঁত ত্বক পাওয়া সম্ভব।</p>
<h4>পরিষ্কার ত্বকের জন্য ৩ টি ফেইস প্যাক</h4>
<p><strong>উপকরণ</strong></p>
<ul>
<li>কিছু নিম পাতা/নিম পাতার গুঁড়ো</li>
<li>১ টেবিল চামচ বেসন</li>
<li>১ চা চামচ দই</li>
</ul>
<p><strong>প্রক্রিয়া</strong></p>
<ul>
<li>একটি পাত্রে দই নিন।</li>
<li>তারপর বেসন যোগ করুন এবং পেস্ট তৈরি করুন।</li>
<li>কিছু পেস্ট করা নিম পাতা/নিম পাতার গুঁড়ো নিন এবং সবকিছু একসাথে মিশিয়ে নিন।</li>
<li>মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত মুখে রেখে দিন এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।</li>
</ul>
<p>দই ত্বক নরম ও ময়েশ্চারাইড করে এবং নিম পাতা উজ্জ্বল ত্বক প্রদান করতে সাহায্য করে। নিম পাতা ফেইস প্যাকগুলোতে এ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এটি ব্রণের জালা-পোড়া কমিয়ে ব্রণকে শীতল করে তুলে। এটি খুবই ভালো প্রাকৃতিক এজেন্ট এবং আগের থেকেও আরো দীর্ঘ সময় ধরে পরিষ্কার ত্বক প্রদান করার উপাদান হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>২. বাদাম, মধু এবং জাফরানের ফেইস প্যাক</p>
<p><strong>উপকরণ</strong></p>
<ul>
<li>৪/৫ টা বাদাম পানি/দুধে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন</li>
<li>১ চা চামচ মধু</li>
<li>কিছু জাফরান ২ টেবিল চামচ গরম দুধে ভিজিয়ে রাখুন</li>
<li>১ চা চামচ লেবুর রস</li>
</ul>
<p><strong>প্রক্রিয়া</strong></p>
<ul>
<li>ভিজানো বাদাম গুলো নিন এবং এদেরকে পেস্ট করে নিন।</li>
<li>জাফরান ভিজানো দুধ পেস্টে মিক্স করুন এবং মধু ও লেবুর রস যোগ করুন।</li>
<li>একটি মশ্রিণ পেস্ট তৈরি করুন এবং আপনার মুখে সমানভাবে লাগান, ১০-১৫ মিনিট মুখে রেখে দিন।</li>
<li>শুকিয়ে গেলে দুধ অথবা ঠান্ডা পানিতে ভিজানো তুলো দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।</li>
</ul>
<p>এই প্যাকটি আপনার ত্বকে উজ্জ্বল আভা প্রদান করবে। জাফরান ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে এবং স্পটের উপস্থিতি কমাতে সাহায্য করে; মধু ত্বক টান টান করে; বাদামের সাথে লেবু ত্বকের মৃত চামড়া দূর করে এবং এটি ত্বক পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।</p>
<p>৩. কলা এবং দইয়ের ফেইস প্যাক</p>
<p><strong>উপকরণ</strong></p>
<ul>
<li>একটি খোসা ছাড়ানো পাকা কলা এবং পেস্ট করে নিতে হবে।</li>
<li>১ টেবিল চামচ দই</li>
<li>১ চা চামচ মধু</li>
<li>১ চা চামচ লেবুর রস</li>
</ul>
<p><strong>প্রক্রিয়া</strong></p>
<ul>
<li>একটি পাত্রে পেস্ট করা কলা এবং দই মিশান।</li>
<li>মিশানোর পর মধু এবং লেবুর রস যোগ করুন এবং সব কিছু একসাথে মিশিয়ে মশ্রিণ পেস্ট তৈরি করুন।</li>
<li>এই ফেইস প্যাকটি মুখে ও গলায় লাগান এবং শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রেখে দিন।</li>
<li>শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।</li>
</ul>
<p>লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট এবং আপনাকে পরিষ্কার উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করে। কলাও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য খুবই ভালো। দই ত্বক ময়েশ্চারাইজড করতে সাহায্য করে।</p>
<p>কিভাবে প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার ত্বক পাওয়া যাবে এই প্রশ্নটি নিশ্চয়ই এখন আর আপনাকে চিন্তায় ফেলবে না। কেন আপনি প্যাকেটজাত পণ্যের উপর নির্ভর করবেন যখন আপনার বাসার রান্নাঘরেই পরিষ্কার ত্বক পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় আছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a9-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>১০ টি স্বাস্থ্যকর খাবার যা আপনার শরীর ও লিভার  সুস্থ রাখবে</title>
		<link>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af/</link>
		<comments>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af/#respond</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2019 12:30:44 +0000</pubDate>
		<dc:creator><![CDATA[Masud]]></dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য টিপস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://eduexamresults.com/?p=61</guid>
		<description><![CDATA[লিভার আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থিগুলোর একটি এবং শরীরের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঙ্গ। লিভারের কাজ অবিরাম (non-stop) । এটি ১.৪ কেজির একটি অঙ্গ যা প্রোটিন সংশ্লেষণ, হজম, গ্লাইকোজেন স্টোরেজ, পিত্ত উৎপাদন, হরমোন &#8230; ]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>লিভার আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থিগুলোর একটি এবং শরীরের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঙ্গ। লিভারের কাজ অবিরাম (non-stop) । এটি ১.৪ কেজির একটি অঙ্গ যা প্রোটিন সংশ্লেষণ, হজম, গ্লাইকোজেন স্টোরেজ, পিত্ত উৎপাদন, হরমোন স্রাব এবং লাল রক্তের কোয় বিভাজক এর প্রয়োজনীয় জৈব রাসায়নিক উৎপাদন করে থাকে।</p>
<p>আমাদের জীবনধারায় আমরা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং অনেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যালকোহর গ্রহণ করি এতে করে লিভার অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এতে আমাদের শরীরের অনেক জটিলতা দেখা দেয় যেমন লিভার সিরোসিস, এসিডিস (ascites), হেপাটাইটিস বি বা সি , এবং এমনকি লিভার ফেইলিউর (liver failure) ইত্যাদি হয়।</p>
<p>এমন কিছু খাবার আছে যা খেয়ে আমরা আমাদের ঐ রোগের উপসর্গগুলো কমাতে বা মুক্তি লাভ করতে পারি। নিচে লিভার সুস্থ রাখার জন্য ২০টি খাবারের তালিকা দেয়া হল।</p>
<p>আসুন প্রথমে আমরা যেনে নিয় অসুস্থকর লিভারের উপসর্গগুলো কি কি যা আমাদের জানা খুবই প্রয়োজন। যদি উপরের লক্ষণগুলো আপনার শরীরে দেখা দেয়, তাহলে আপনাকে অবশ্যই নীচের খাবার নিয়মিত খেতে হবে।</p>
<h4>স্বাস্থ্যকর লিভারের জন্য ২০টি  সেরা খাবার</h4>
<p id="1"><strong>১. রসুন</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-201" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/garlic.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/garlic.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/garlic-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/garlic-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>আপনার লিভার সুস্থ রাখতে ডিটক্সিফিকেশন (detoxification) এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর জন্য যে খাদ্যটি আপনাকে সাহায্য করবে তা হল রসুন। রসুন অ্যালিসিন সমৃদ্ধ, এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি লিভারকে এনজাইম সক্রিয় করতে উৎসাহিত করে এবং ক্ষতিকারক পর্দাথ অপসারিত করে।</p>
<p>রান্না করলে রসুনের গুণাগুণ নষ্ট হয়। তাই যদি রসুন কাঁচা থেকে না পারেন, তাহলে ফার্মেসী থেকে রসুনের ক্যাপসুল আকারে ক্রয় করতে পারেন।</p>
<p id="2"><strong>২. ব্রকলি</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-176" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/broccoli-for-liver.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/broccoli-for-liver.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/broccoli-for-liver-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/broccoli-for-liver-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>ব্রকলি isothiocyanates এর চমৎকার উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে সালফার রয়েছে। ব্রকলি জিনের নিয়ন্ত্রয়ন করতে সাহায্য করে।</p>
<p>ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীগণ কর্তৃক পরিচালিত একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিশ্চিত করেছেন যে, ব্রকলি খাওয়ার ফলে অকার্যকর ফ্যাটি লিভার বিকিরণের ঝুঁকি কমায়।</p>
<p>কৃষি কলেজ, ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্রকলি খাওয়ার ফলে লিভার ক্যান্সার থেকে লিভারকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে।।</p>
<p id="3"><strong>৩. জিনসেং</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-177" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/ginsengtea.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/ginsengtea.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/ginsengtea-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/ginsengtea-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p><strong>কিভাবে সাহায্য করেঃ</strong></p>
<p>জিনসেং (Ginseng) একটি ঔষধি গাছ যেখান থেকে Panax ginseng শিকড় পাওয়া যায়। এটি জিনসেনোসাইড নামে পরিচিত, এতে প্রচুর পরিমাণে ঔষধের গুণাবলী বিদ্যমান। জিনসেং (Ginseng)  ৪০টি গুণানুণ রয়েছে, যা লিভারের আঘাত, লিভারের বিষাক্ততা, সিরোসিস এবং ফ্যাট লিভারের বিরুদ্ধে রক্ষা পাওয়ার গুণাগুণ রয়েছে।</p>
<p id="4"><strong>৪. বীটরুট</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-202" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/beetroot.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/beetroot.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/beetroot-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/beetroot-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>বীটরুট (Beetroot) এ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বেটেলের নামে পরিচিত। ফার্মাসিউটিকাল জৈব রসায়ন বিভাগের, মেডিকেল বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, পোল্যান্ডে নিশ্চিত করেছেন যে, বীটরুট রস দীর্ঘমেয়াদী খাওয়ানোর ফলে ডিএনএ (DNA) ক্ষতি এবং ক্যান্সার রোগ দ্বারা সৃষ্ট লিভারের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।</p>
<p><strong>স্বাস্থ্যকর লিভারের জন্য বীটরুট (Beetroot) খাবার নিয়ম ঃ </strong></p>
<ul>
<li>প্রতিদিন ১ গ্লাস বীটরুট এর জুস।</li>
<li>এক কাপ বীটরুট ২-৩ বার সাপ্তাহে।</li>
</ul>
<p id="5"><strong>৫. গাজর</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-203" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/carrot.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/carrot.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/carrot-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/carrot-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>গাজর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ডায়েটি ফাইবারে (dietary fiber) সমৃদ্ধ। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউট্রিশন বিজ্ঞানীরা, হায়দ্রাবাদ, জামিয়া উসমানিয়া, ভারত, আট সপ্তাহের জন্য গাজর রস দিয়ে চর্বি বানিয়ে একটি গবেষণা করেন। তারা দেখেছেন যে, গাজর রস উল্লেখযোগ্যভাবে ডিএইচএ (DHA), ট্রাইগ্লিসারাইড (triglyceride), এবং এমইউএফএ (MUFA) (Mono Unsaturated Fatty Acids) এর মাত্রা কমে যায়। অতএব, গাজর আপনার শরীরকে nonalcoholic fatty live এবং liver toxicity রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।</p>
<p id="6"><strong>৬. শাক সবজি</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-204" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/leafy-green.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/leafy-green.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/leafy-green-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/leafy-green-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>সবুজ শাক-সবজি অক্সিডেটিভ ক্ষতি এবং অন্যান্য রোগ থেকে আপনার লিভার কে রক্ষা করতে পারে। সবুজ শাক-বসজি, পালং শাক, লেটুস, মুলা শাক, সরিষা  শাক, মিষ্টি আলুর শাক, রকেট মরিচ ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং কে, ক্যালসিয়াম, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমূহ। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এবং এন্টি-ইনফ্লোমেটরি।</p>
<p>অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে, সবুজ শাক সবজি লিভার কে ফ্যাট লিভার এবং সিভি (CV) থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।</p>
<p id="7"><strong>৭. গ্রীন টি</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-205" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/green-tea.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/green-tea.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/green-tea-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/green-tea-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>এটি সকলেই জানে যে, গ্রীন টি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। গ্রীন টির ক্যাটচীন স্বাস্থ্যকর হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে পলিফেনল।</p>
<p>চীনা বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে,  গ্রীন টি পানকারীদের উল্লেখযোগ্যভাবে লিভার ক্যান্সার, লিভারের রোগ, লিভার স্ট্যাটোস, লিভার সিরোসিস এবং হেপাটাইটিস হ্রাস পায়।</p>
<p>তাছাড়া, ইসফাহান ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের গবেষকরা, ইরান, conducted a double-blind, placebo- controlled, randomized ক্লিনিকাল ট্রায়াল করেন নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি (Non-alcoholic fatty) লিভার রোগীদের উপর। তারা তাদের কে ১২ সাপ্তাহের জন্য গ্রীন টি এক্সট্র্যাক্ট (green tea extract) বা গ্রীন টি এক্সট্র্যাক্ট সাপ্লিমেন্ট (green tea extract supplement) খাওয়ান। ১২ সাপ্তাহের পর দেখা গেল যে, গ্রীন টি এক্সট্র্যাক্ট উল্লেখযোগ্যভাবে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগের সাথে যুক্ত লিভার এনজাইম হ্রাস করে।</p>
<p id="8"><strong>৮. হলুদ</strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-207" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/turmericjpg.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/turmericjpg.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/turmericjpg-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/turmericjpg-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>হলুদ একটি শিকড় যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। হলুদে যে জৈব সারকোজী যোগ হয় তা ঔষধি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লমেটরি (anti-inflammatory), অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (antioxidant), অ্যান্টিফানগাল (antifungal), অ্যান্টিভাইরাল (antiviral) এবং অ্যান্টিভেগটেলিএল (antibacterial) এর বৈশিষ্ট। কুরকুমিন লিভার রোগ এবং প্রদাহজনিত রোগ দ্বারা প্রদাহ, আক্সিড্যাটিভ (oxidative) চাপ কমানো, লিপিড মেটাবোলিজম উন্নত করে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।</p>
<p>তেল-আভিভ সৌরক্কি (Tel-Aviv Sourasky) মেডিকেল সেন্টার, ইসরাইলের বিজ্ঞানীরা লিভার সিরোসিস (liver cirrhosis) এর উপর একটি পরীক্ষা পরিচালিত করেছেন। তারা ১২ সাপ্তাহ ধরে হলুদ নিয়ে গবেষণায় সম্পূরক ছিলেন এবং ১২ সাপ্তাহ শেষে  বিজ্ঞানীরা পেয়েছে, হলুদ <strong>অ্যান্টি-ইনফ্লমেটরি</strong> হ্রাস করে চর্বিযুক্ত লিভার সিরোসিসের উন্নতি করে।</p>
<p id="9"><strong>৯. আভাকাডো </strong></p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-208" src="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado.jpg" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" srcset="http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado.jpg 800w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado-300x169.jpg 300w, http://www.rupkothon.com/wp-content/uploads/2017/11/avocado-768x432.jpg 768w" alt="" width="800" height="450" data-lazy-loaded="true" /></p>
<p>বাট্টার (buttery) এবং নাটি (nutty) ফল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এবং লিভারকে ভাল রাখার অন্যতম উপাদান। আভাকাডো সুস্থ ফ্যাট সমৃদ্ধ এবং যা anti-inflammatory বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য । নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার থেকে খারাপ জীবন যাপন সৃষ্টি হয়। এভোকাডো anti-inflammatory এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রতিরোধ করার জন্য অত্যন্ত উপকারী।</p>
<p>জাপানী বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে পেয়েছেন, আভাকাডো লিভার ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে।</p>
<p id="10"><strong>১০. লেবু </strong></p>
<p>লেবু vitamin C এর প্রধান উৎস, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (antioxidant ). গবেষকরা পেয়েছেন, সাইট্রিক অ্যাসিড লিভারের অক্সিডেটিভ ক্ষতির (oxidative damage) হাত থেকে লিভারকে সাহায্য করে।</p>
<p>এই ১০ টি খাবার আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে এবং যে কোন লিভারের রোগ থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করবে এছাড়াও লিভারের detoxification সাহায্য করে। আপনি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে চাইলে আপনার দৈনন্দিন খাদ্যের তালিকায় এই খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করুন।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://eduexamresults.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.w3-edge.com/products/

Object Caching 0/120 objects using apc
Page Caching using apc (Page is feed) 
Database Caching using apc

Served from: eduexamresults.com @ 2019-02-05 19:52:06 by W3 Total Cache
-->