<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd"
xmlns:podcast="https://podcastindex.org/namespace/1.0"
xmlns:rawvoice="https://blubrry.com/developer/rawvoice-rss/"
xmlns:georss="http://www.georss.org/georss" >

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন</title>
	<atom:link href="https://bn.globalvoices.org/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bn.globalvoices.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 03 Jun 2026 18:22:46 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>
	<atom:link rel="hub" href="https://pubsubhubbub.appspot.com/" />
	<itunes:summary>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</itunes:summary>
	<itunes:author>Global Voices বাংলা ভার্সন</itunes:author>
	<itunes:explicit>false</itunes:explicit>
	<itunes:image href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2023/02/gv-podcast-logo-2022-icon-square-2400-GREEN.png" />
	<itunes:owner>
		<itunes:name>Global Voices বাংলা ভার্সন</itunes:name>
	</itunes:owner>
	<podcast:medium>podcast</podcast:medium>
	<itunes:subtitle>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</itunes:subtitle>
	<image>
		<title>Global Voices বাংলা ভার্সন</title>
		<url>https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2023/02/gv-podcast-logo-2022-icon-square-2400-GREEN.png</url>
		<link>https://bn.globalvoices.org</link>
	</image>
	<podcast:podping usesPodping="true" />
	<item>
		<title>এআই ক্যামেরায় ঢাকার রাস্তা</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2026/06/04/65593/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নুরুন্নবী চৌধুরী]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 18:22:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65593</guid>

					<description><![CDATA[দেশে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ট্রাফিক নজরদারি ব্যবস্থা চালুর মাত্র ১০ দিনে ১,০০০-এর বেশি মামলা হয়েছে। তবে নিবন্ধনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অস্পষ্ট।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>&#8220;এর পাশাপাশি যা প্রয়োজন, তা হলো সম্পূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের একটি ব্যাপক সংস্কার&#8221;</em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2026/06/04/65593/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_853682" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/05/pexels-atypeek-5650141-scaled.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-853682" class="size-featured_image_huge wp-image-source-853682" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/05/pexels-atypeek-5650141-1200x675.jpg" alt="একটি খুঁটিতে বসানো দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা। ছবি Atypeek Dgn এর - পেক্সেলস-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত। পেক্সেলস লাইসেন্সের অধীনে ব্যবহৃত।" width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-853682" class="wp-caption-text">Two security cameras mounted on a pole. <a href="https://www.pexels.com/photo/surveillance-cameras-against-blue-sky-5650141/">ছবি</a> Atypeek Dgn এর &#8211; পেক্সেলস-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত। <a href="https://www.pexels.com/license/">পেক্সেলস লাইসেন্সের</a> অধীনে ব্যবহৃত।</p></div>
<p>ঢাকার রাস্তায় এতদিন ট্রাফিক আইন ভাঙলে সার্জেন্টের সঙ্গে চোখাচোখি, একটু তদবির, কখনো সামান্য লেনদেন, এভাবেই পার পাওয়া যেত। আবার অনেক সময় ট্রাফিক সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়েই পার পাওয়া যেতো। সেই দিন এখন শেষ হতে চলেছে। </p>
<p>গত ৭ মে থেকে <a href="https://www.bssnews.net/special-stories/388739">ঢাকার রাজপথে চালু হয়েছে</a> কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা। <a href="https://dmp.gov.bd/road-transport-act-2018/">এআই বেসড রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ২০১৮ ভায়োলেশন ডিটেকশন সফটওয়্যার</a> সংবলিত এই আধুনিক ক্যামেরা বিভিন্ন সিগন্যাল ক্রসিং ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বসিয়েছে <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Dhaka_Metropolitan_Police">ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ</a> (ডিএমপি)। মামলার নোটিশ পৌঁছে যাচ্ছে গাড়ির মালিকের মোবাইলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।</p>
<p>বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এমন স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু হলো, যেখানে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই ক্যামেরা নিজেই মামলা তৈরি করছে।</p>
<h3>কীভাবে কাজ করছে এই এআই ক্যামেরা?</h3>
<p>সড়কে চলাচলের সময় কোনো যানবাহন লাল সিগন্যাল অমান্য করলে, নির্ধারিত লাইন অতিক্রম করলে বা বাম লেনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে এই এআই-নির্ভর ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বরপ্লেট স্ক্যান করে এবং সঙ্গে সঙ্গে অটো-জেনারেটেড মামলা দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সফটওয়্যার কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ তৈরি করছে, যা <a href="https://bsp.brta.gov.bd/">বিআরটিএর</a> ডেটাবেজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গাড়ির মালিকের তথ্য শনাক্ত করছে। পরে সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন চিঠি পাঠানো হচ্ছে।</p>
<p>অর্থাৎ লাল বাতি পেরোলে বা উল্টো পথে গেলে, আইন ভাঙার প্রমাণসহ মামলার নোটিশ সরাসরি চলে যাচ্ছে মালিকের হাতে। যার বিরুদ্ধে মামলা হবে, তিনি চাইলে অনলাইনে নিজের অপরাধের ভিডিওটাও দেখতে পারবেন।</p>
<p>পুলিশের স্পেশাল বেঞ্চের সাবেক প্রধান গোলাম রসুল তার <a href="https://sarabangla.net/news/national/post-1156416/">ফেসবুক পোস্টে লিখেন</a>, ‘দিনের বেলা ট্রাফিক সার্জেন্টকে হয়তো অনুরোধ করা যায়, তার সঙ্গে ওর সঙ্গে কথা বলানো যায় বা হ্যাডম বেশি থাকলে মামু চাচার ভয় দেখানো যায় কিন্তু এই এআই ক্যামেরার কোনো মন নেই, মায়া নেই, দয়া নেই, সে ভয় পায় না। সে শুধু চেনে নিয়ম আর আপনার গাড়ির নম্বর।’</p>
<p>ডিএমপি কর্তৃপক্ষ <a href="https://www.tbsnews.net/bangladesh/dmp-launches-9-digital-platforms-ai-traffic-enforcement-system-1425331">গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন</a>, বর্তমানে শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি ও জাহাঙ্গীর গেট সিগন্যাল এলাকায় এই এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ফার্মগেট মোড়েও ক্যামেরা প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। এর পাশাপাশি ১১ মে উত্তরার বিমানবন্দর ক্রসিংয়ে সৌরশক্তিচালিত নতুন ট্রাফিক সিগন্যাল লাইটও উদ্বোধন হয়েছে।</p>
<h3>১০ দিনে ১,০০০-এরও বেশি মামলা, আরও হাজার হাজার মামলার আশঙ্কা</h3>
<p>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-<a href="https://www.dhakatribune.com/bangladesh/dhaka/410418/ai-cameras-installed-at-6-key-points-in-capital">এর তথ্য অনুযায়ী</a> গত ৭ মে চালুর পর থেকে এই অত্যাধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল এবং ই-প্রসিকিউশন প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ১,০০০টি ট্রাফিক মামলার জন্ম দিয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে পুরো ঢাকা জুড়ে পূর্ণাঙ্গরূপে স্বয়ংক্রিয় মামলা ব্যবস্থা চালু হবে বলে তারা জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে সার্জেন্ট বা ট্রাফিক পরিদর্শকদের কর্তৃক তাৎক্ষনিক মামলা খুব একটা করা লাগবে না। যেকোনো স্থানে ট্রাফিক আইন বা মোটর ট্রান্সপোর্ট আইন ভাঙলে স্বয়ংক্রিয় মামলা হয়ে যাবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীর অন্তত ৫০০টি পয়েন্টে ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ডিএমপি।</p>
<p>তবে এখানে আরেকটি বিষয় <a href="https://www.facebook.com/FintechIbrahim/posts/%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%A0%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE-%EF%B8%8F/1286681453449204/">জেনে রাখা ভালো</a>: গাড়ি চালানোর সময় কোনো ভুল হলে চালক কে ছিলেন তা বিবেচনা না করে, মামলাটি গাড়ির মালিকের নামেই দায়ের করা হবে। আপনি নিজে গাড়ি চালান কিংবা অন্য কোনো চালকের হাতে স্টিয়ারিং ছেড়ে দেন— তাহলে জরিমানার পয়েন্টগুলো গাড়ির মালিকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকেই কাটা যাবে। বিআরটিএর <a href="https://www.banglatribune.com/others/945140/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8">নিয়ম অনুযায়ী</a>, প্রত্যেক চালকের লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট দেওয়া থাকে; এই পয়েন্টগুলো কমতে কমতে একেবারে শেষ হয়ে গেলে লাইসেন্সটি বাতিল হয়ে যায়।</p>
<h3>ফেসবুক গ্রুপে মিশ্র প্রতিক্রিয়া: প্রশংসা আর সংশয় পাশাপাশি</h3>
<p>ঢাকার জনপ্রিয় ফেসবুক ট্রাফিক গ্রুপগুলো যেমন &#8216;<a href="https://www.facebook.com/groups/TrafficAlert.BD">ঢাকা ট্রাফিক এলার্ট</a> (৪ লাখ ৪৭ হাজার সদস্য)&#8217;, &#8216;<a href="https://www.facebook.com/groups/traffic.updates.bd/">ঢাকা ট্রাফিক আপডেট</a> (৩৭ হাজার ৩০০ সদস্য)&#8217;-এ এই উদ্যোগ নিয়ে নানান আলোচনা চলছে।</p>
<p>একদল মানুষ এই পরিবর্তনে উৎসাহিত। প্রাইভেটকার চালক <a href="https://www.khoborsangjog.com/science-tech/112135/%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%83%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%86%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE">ওসমান গণি বলেন</a>, ‘সিটবেল্ট নিয়ে অনেকের উদাসীনতা ছিল, এখন নিয়ম না মানলেই মামলা হচ্ছে, তাই সবাই বাধ্য হয়ে মানছে। পথচারী বিলকিস আরা বলেন, আগে রাস্তা পার হতে ভয় লাগত, এখন মানুষ আইন মানছে বলে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।’</p>
<p>তবে সমালোচনাও কম নয়। জনপ্রিয় ঢাকা ট্রাফিক এলার্ট গ্রুপে ইসমাইল হোসেন নামের একজন ব্যবহারকারী <a href="https://www.facebook.com/groups/TrafficAlert.BD/posts/26862122676811396">পোস্ট করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>AI ক্যামেরা এখন সিগন্যাল ভাঙলে সাধারণ মানুষের গাড়ির ছবি তুলে মামলা দিচ্ছে… ভালো কথা। কিন্তু প্রশ্ন হলো—রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা লোকাল বাসগুলো?উল্টো পথে দৌড়ানো অটোরিকশাগুলো? ফিটনেসবিহীন কালো ধোঁয়া ছাড়া বাস? স্টপেজ ছাড়া রাস্তা ব্লক করে রাখা পরিবহন? এগুলোর বিরুদ্ধে ক্যামেরা কবে “অটোমেটিক” হবে? আইন যদি থাকে, সেটা সবার জন্য হোক। শুধু প্রাইভেট কার আর বাইক ধরলেই “স্মার্ট ট্রাফিক” হয় না। রাস্তার সবচেয়ে বড় বিশৃঙ্খলা যারা তৈরি করে, তাদের দেখেও না দেখার ভান করলে AI না, পুরো সিস্টেমকেই মানুষ প্রশ্ন করবে।</p></blockquote>
<p>ওমর ফারুক নামের একজন ব্যবহারকারী <a href="https://www.facebook.com/groups/TrafficAlert.BD/posts/26911280815228915">লিখেছেন</a>, ‘সিগনাল পথচারীগন তো মানে না। গাড়ির সিগনাল সবুজ বাতি চলাকালীন পথচারীরাও গাড়ি সামনে দিয়ে রাস্তা ক্রস করে পারাপার হয়! যার ফলে শেষেরদিকের গাড়িগুলো কিছুটা এগিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ক&#x200d;্যামেরা যদি ঐসব গাড়িকে টার্গেট করে মামলা হয়ে যায় তাহলে এর দায় কেন গাড়ি মালিক নেবে?’</p>
<p>ব্রিলিয়েন্ট <a href="https://www.facebook.com/groups/TrafficAlert.BD/posts/26869349522755378">অ্যালিগেটর৯৯৯৩</a> নামের একজন অবশ্য ভোর ৫.১৫ মিনিটেও এআই ক্যামেরা আছে এমন একটি সিগন্যালের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘ছবিটি ভোর ৫.১৫ মিনিটে তোলা ঢাকার বাংলামোটর এবং কারওয়ান বাজার সিগন্যালে। ভালো লাগছে দেখে যে এ সময়েও এ পথে চলাচলকারীরা ট্রাফিক লাইটস মানছেন। এখন দেখতে চাই, কিভাবে ডিএমপি ট্রাফিক পুলিশ বাস, সিএনজি এবং ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।’</p>
<p>ফেসবুক গ্রুপে আরেকটি বহুল আলোচিত বিষয় হলো প্রতারণা। নতুন এই ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়েছে, ট্রাফিক মামলার ভয় দেখিয়ে <a href="https://thefinancialexpress.com.bd/national/police-warn-vehicle-owners-drivers-against-video-case-fraud">ফোনে টাকা দাবি করা হচ্ছে</a>। তবে পুলিশ জানিয়েছে, কোনো মামলার টাকা ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দেওয়া যাবে না।</p>
<p>তবে এর মধ্যে নগরীর ৩০০ ফিট এলাকায় একটি ক্যামেরা চুরির বিষয়ে একটি ছবি বেশ আলোচিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ক্যামেরাটি কেউ চুরি করে নিয়ে গেছে! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি ব্যাপক আলোচনার &#x200d;সৃষ্টি করেছে। এক্স-এ Voice of Gen-Z নামের একজন লিখেছেনঃ</p>
<blockquote class="twitter-tweet">
<p dir="ltr" lang="bn">দেশের বিভিন্ন স্থানে লাগানো অত্যাধুনিক এআই ক&#x200d;্যামেরাগুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটি মহল।</p>
<p>এটি ঢাকার ৩০০ ফিট সড়কের একটি ক&#x200d;্যামেরার দৃশ&#x200d;্য। পুরো সিস্টেম খুলে নিয়ে গেছে। <a href="https://t.co/KMFsyF9OOL">pic.twitter.com/KMFsyF9OOL</a></p>
<p>— Voice of Gen-Z (@VoGen_Z) <a href="https://x.com/VoGen_Z/status/2053776398662471880?ref_src=twsrc%5Etfw">May 11, 2026</a></p></blockquote>
<p>যদিও পরবর্তীতে <a href="https://www.facebook.com/dailysunbangla/videos/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%86%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2ai-camera-traffic-dhaka-dmp-dailysun/1616897079538700/">জানা গেছে</a>, এটি চুরি হয়নি বরং প্রচন্ড বাতাসে ভেঙ্গে পড়ে গেছে এবং এটিও এআই ক্যামেরা না ট্রাফিক লাইট ছিলো।</p>
<h3>অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশা: এআই যেখানে নীরব</h3>
<div id="attachment_853683" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Crowd_in_shopping_before_Eid-ul-Fitr_03.jpg"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-853683" class="size-featured_image_huge wp-image-source-853683" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/05/Crowd_in_shopping_before_Eid-ul-Fitr_03-1-1200x675.jpg" alt="ঢাকা শহরে যানজটের একটি অন্যতম প্রধান কারণ রিকশা। উইকিমিডিয়া কমন্সের মাধ্যমে তৌহিদুলের তোলা ছবি। সিসি বাই-এসএ ৪.০" width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-853683" class="wp-caption-text">ঢাকা শহরে যানজটের একটি অন্যতম প্রধান কারণ রিকশা। <a href="https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Crowd_in_shopping_before_Eid-ul-Fitr_03.jpg">ছবি</a> উইকিমিডিয়া কমন্সের মাধ্যমে তৌহিদুলের তোলা। <a href="https://creativecommons.org/licenses/by-sa/4.0/deed.en">সিসি বাই-এসএ ৪.০</a>।</p></div>
<p>এআই ক্যামেরার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয়তো অন্যখানে। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি গলিতে, এমনকি প্রধান সড়কেও <a href="https://en.ittefaq.com.bd/13661/dhaka%E2%80%99s-battery-rickshaw-anarchy-crackdown-or">দাপটের সঙ্গে চলছে</a> অসংখ্য অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশা। ঢাকার রাস্তায় গত কয়েক বছরে বেড়েছে এমন অসংখ্য ব্যাটারিচালিত রিকশা। এগুলোর বেশিরভাগেরই নেই কোনো নিবন্ধন, নেই নির্ধারিত নম্বরপ্লেট। কিন্তু এআই ক্যামেরার পুরো কার্যপদ্ধতি নির্ভর করে বিআরটিএ ডেটাবেজে নিবন্ধিত যানবাহনের নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণের উপর। একটি নম্বরপ্লেটবিহীন বাহন, বাস্তবিকভাবেই এই প্রযুক্তির কাছে সম্পূর্ণ অদৃশ্য।</p>
<div class="factbox">
<h4>আরও পড়ুন: <a href="https://bn.globalvoices.org/2024/12/21/64533/">ঢাকার রাজপথে নতুন বিপত্তি অটোরিকশা! কিন্তু বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন?</a></h4>
</div>
<p>যদিও ডিএমপি বা সরকারের তরফে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফেসবুক ট্রাফিক গ্রুপগুলোতেও এই প্রশ্নটি বারবার উঠে আসছে।</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মাইনুল হোসেন গ্লোবাল ভয়েসেস’কে মোবাইলে জানানঃ </p>
<blockquote><p>এই উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে কয়েকটি বিষয়ের উপর, সিস্টেমের স্বচ্ছতা, আপিলের সুযোগ, এবং সর্বোপরি অনিবন্ধিত যানবাহনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরা একটি বড় পদক্ষেপ, সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রযুক্তি একাই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি দরকার সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাপনার সংস্কার।</p></blockquote>
<p>ঢাকার রাস্তা এবার দেখছে এআই-এর চোখ। এখন দেখার বিষয়, সেই চোখ কতটা সুষমভাবে সবার দিকে তাকাতে পারে।</p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/hasive/' class='user-link'>Nurunnaby Chowdhury</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/hasive/' class='user-link'>নুরুন্নবী চৌধুরী</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2026/06/03/ai-cameras-are-surveilling-the-roads-in-dhaka-bangladesh/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/05/pexels-atypeek-5650141-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>সীমার বাইরে: এক  কুর্দী বালিকার গল্পে সিরিয়ায় ন্যায় বিচার এর অনুপস্থিতি</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2026/03/23/65560/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজয়]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 06:27:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[জাতি-বর্ণ]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65560</guid>

					<description><![CDATA[আফরিন থেকে আলেপ্পো, একটি পরিবার নিজ গৃহ থেকে উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া সত্বেও সেই বাড়িটি এখন পরিবারটি চাঁদাবাজি ও দীর্ঘস্থায়ী হুমকির এক দর কষাকষির  বিষয়ে পরিণত হয়েছে।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>সিরিয়ার শহর থেকে দূরে এক কুর্দী পরিবারের উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া ও তাঁদের ঘর বেদখল হয়ে যাওয়ার ইতিহাস।</em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2026/03/23/65560/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_849278" style="width: 800px" class="wp-caption alignnone"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-849278" class="wp-image-source-849278 size-featured_image_large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/01/Screenshot-2026-01-27-at-11.00.49-a.m-800x450.jpg" alt="Digital image of a woman, holding the hands of two children and looking out into the distance from a crossroad." width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-849278" class="wp-caption-text">ছবি<a href="https://syriauntold.com/2026/01/21/off-the-scales-a-kurdish-tale-of-absent-justice/">সিরিয়াআনটোল্ড</a>-এর, অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p><em>এই <a href="https://syriauntold.com/2026/01/21/off-the-scales-a-kurdish-tale-of-absent-justice/">প্রবন্ধটি</a> প্রথম ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ এ <a href="https://syriauntold.com/en/">সিরিয়াআনটোল্ড-এ</a> প্রকাশিত হয়েছে। কন্টেন শেয়ার চুক্তি অনুসারে এর এক সম্পাদিত সংস্করণ গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশিত হয়েছে।</em></p>
<p>আমার নাম রীমা(ছদ্মনাম), আমি সিরিয়ার <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Afrin,_Syria">আফরিন</a> নামের এক এলাকার এক কুর্দী বালিকা। কাজের জন্য বর্তমানে আমি <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Qamishli">কুয়ামিশিল </a>শহরে বাস করি, কিন্তু তৃতীয়বারের মত বাস্তচ্যুত হওয়ার আগে আমার পরিবার সিরিয়ার রাজধানী <a href="https://whc.unesco.org/en/list/21/">আলোপ্পোর </a>উপকন্ঠে বাস করতো । আমার পরিবার প্রথমবারের মত বাস্তুচ্যুত হয় ২০১৩ সালে, যখন ফ্রি সিরিয়ান আর্মি বনাম শাসক দল আল আশরাফিয়ার ও শেখ মকসুদ এলাকার আশেপাশে <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Battle_of_Aleppo_(2012–2016)">বোমা</a>  বর্ষণ  করছিল, যার ফলে আমাদের বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়। যতদিন না নিরাপদ এক রাস্তা খোলা  হলো, সেই চারদিন পর্যন্ত আমরা বেসমেন্টে আটকা পড়ে ছিলাম, পরে উক্ত  পথ ধরে আমরা আফরিন শহরে পালিয়ে গিয়েছিলাম।</p>
<h3>বাস্তচ্যুত ও বাজেয়াপ্ত হয়ে যাওয়ার মাঝে </h3>
<p>আফরিনের দুই তৃতীয়াংশ বাসিন্দা দুটি বাড়ির  মালিক, যার একটি আফরিনে আরেকটি আলেপ্পোতে, দ্বিতীয় বাসাটি কাজ বা চাকুরি ও পড়ালেখার জন্য। যখন আমরা প্রথম ঘরছাড়া হই, তখন আমরা আমাদের গ্রামের বাড়ি জিনদিরেস-এ চলে যাই। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমরা সেখানে বাস করি। এরপর শুরু হয় তুরস্কের<a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Olive_Branch"> অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ</a> নামের এক অভিযান, আর সেটার কারণে আমরা দ্বিতীয় বারের মত বাস্তচ্যুত হই।  আমরা আবিষ্কার করি আমরা নিরুপায় ও অসহায়, আমাদের কোন বাড়ি নেই যেখানে আমরা আশ্রয় নিতে পারি। আল আশরাফিয়ায় আমাদের যে ঘর ছিলো সেটি ধব্বংস করে ফেলা হয়েছে, আর আমাদের কাছে সেই পরিমাণ টাকা নেই যা দিয়ে আমরা বাড়িটা আবার মেরামত করে নিতে পারি। এই সময় আমার পরিবার সিরিয়ার এর উপকন্ঠে একটা বাসা ভাড়া নেয়। কিন্তু আল আশরাফিয়ার সাথে আমাদের যে নিবিড় বন্ধন সেটা আমাদেরকে সেখানে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়, আর সে কারণে আমরা আমাদের ধব্বংস হয়ে যাওয়া বাসার কাছে একটা বাসা ভাড়া নেই।</p>
<p class="isModified">একই সময়ে, আফরিনে আমাদের যে বাড়িটি ছিল সেটি দখল হয়ে যায়। ২০১৮ সালে আমার বাবা দারায়া থেকে একজনের একটি ফোন পায়, সে জানায় যে সে আমাদের বাসায় বাস করছে, যা কিনা এর আশেপাশে পড়া বোমার আঘাত সত্ত্বেও টিকে আছে। সেই লোকটি বাড়িটি ঠিকঠাক করার জন্য আমাদের কাছে টাকা চাইলো। আমার বাবা তাঁর এই আবেদন প্রত্যাখান করলেন, আর তাকে সেই বাসায় থাকার অনুমতি দিলেন না, অথবা বাসাটা দখল করে রাখার জন্য তাকে ক্ষমাও করলেন না।</p>
<p><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/2023_Turkey–Syria_earthquakes">২০২৩ সালের ভূমিকম্পের</a> পর আমাদের পরিচিত একজন সেই বাসাটি পরিদর্শন করে, সেই ভূমিকম্পে এলাকার অনেক বাড়ি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো। এই ভুমিকম্প জিন্দারিসে বেশ বড় রকমে ক্ষতিসাধন করে, আর তার ফলে আফরিনের মধ্যে ও সেখান থেকে এক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের সেই পরিচিত ব্যক্তিটি নিশ্চিত করেছিলেন যে আমাদের বাড়িটির তেমন ক্ষতি হয়নি, যেমনটা সেই বাড়িটি আগের মত জলপাই গাছ দিয়ে ঢাকা রয়েছে, কিন্তু পুরো বাসাটায় ঘেরা দেওয়া রয়েছে আর দেখা যাচ্ছে এর প্রতিটি কোনায় সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Ahrar_al-Sharqiya">আহরার আল শাহারকিয়া</a> নামের এক সরকার বিরোধী গোষ্ঠি, সিরিয়ার এক যুদ্ধবাজ বিদ্রোহী দল, যারা ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে, তারা এই বাসায় বাস করা শুরু করেছে।  </p>
<p>২০২৪ সালে বাসার আল আসাদের শাসনের পতনের অনেকে আফরিনে গিয়ে তাঁদের সম্পত্তির দশা কি সেটা দেখে আসতে পেরেছে, আর আমার পিতা তাঁদের মধ্যে একজন, সিরিয়ার শাসকের পতনের একমাস পরে স্থানীয় এক গুরুত্বপুর্ণ সঙ্গে করে। যখন তিনি আমাদের বাসায় গিয়ে পৌঁছান তখন ঘরটি দখল করে থাকা ব্যক্তিটি মৌখিক ভাবে আমার পিতাকে অপমান করে, তাকে এক শুয়োর বলে অভিহিত করে ও সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের একজন সদস্য বলে অভিহিত করে (কুয়াদস আই) আমার পিতা তাকে  কেবল শান্ত করার চেষ্টা করে গেছে ব্যাখ্যা করে যে তিনি একজন সাধারণ নাগরিক যে কিনা কোনদিন কোন অস্ত্র বহন করেনি আর বছরের পর বছর ধরে ভাড়া বাসায় থাকতে থাকতে নিছক তাঁর বাসায় ফিরে আসতে চেয়েছে। বাসা দখল করে থাকা ব্যক্তিটি এর জবাবে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ৫০০০ মার্কিন ডলারের বেশী দাবী করেছিল।</p>
<p>আমার পরিবার আর্থিক ভাবে ধনী নয় আর এত বড় অঙ্কের টাকা দিতে সমর্থ নয়। যখন স্থানীয় সেই গণ্যমান্য ব্যক্তি এতে হস্তক্ষেপ করেন , তখন সেই দখলদার ব্যক্তি দাবীকৃত টাকার পরিমাণ অর্ধেক করে ফেলে। কিন্তু সেটাও ছিলো আমাদের সাধ্যের বাইরে । আমার ভাই ও আমি একসাথে মিলে কোন রকমে ১০০০ ডলার জোগাড় করি আর আমার পিতাকে বলি তিনি যনে দখলদারকে আবার যেন অনুরোধ করে ঘর খালি করে দেওয়ার জন্য। তবে সে টাকা নিল ঠিকই কিন্তু বাড়ি আর খালি করল না, তার বদলে সে আমার পিতার সাথে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করতে থাকলে যেন   আমার পিতা সেই বাসায় যাওয়ার সময় উল্লেখিত অর্থ নিয়ে আসে। ততদিন পর্যন্ত সে এই কাজটি করতে থাকলো যতক্ষন পর্যন্ত না আমার পিতা তাঁর নিজের ফোন দুই মাসের জন্য বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলেন।            </p>
<p>উক্ত ব্যক্তি যে কিন দেইর এজ্জ জোর শহরের বাসিন্দা তিনি আমার পিতাকে জানান যতক্ষণ পর্যন্ত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স সেই শহর থেকে বিদায় নেবে না ততক্ষণ পর্যন্ত সে বাড়ি ছেড়ে যাবে না। তার সাম্প্রতিক হুমকি যা সে এখনো প্রদান করেনি আর সেটা হচ্ছে উক্ত ব্যক্তিটি <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/General_Security_Service_(Syria)">সাধারণ নিরাপত্তা বাহিনীর</a> এক সদস্য নির্বাচিত হয়েছে, আর সেই সাথে আমাদের দুটি সুযোগ দিয়েছে, হয় তাকে পুরো টাকা দিয়ে দিতে হবে অথবা সে এই বাড়িটি উড়িয়ে দেওয়ার পর সে এই বাড়ী থেকে বিদায় নেবে।</p>
<h3>আতঙ্কের মাঝে বসবাস</h3>
<p class="isModified">আল আশরাফিয়ার ও শেখ মাকসুদ এর <a href="https://english.enabbaladi.net/archives/2025/12/displacement-from-sheikh-maqsoud-and-al-ashrafiya-neighborhoods-in-aleppo/">সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোতে</a> আমার পরিবার তৃতীয়বারের মত বাড়ি থেকে উদ্বাস্তু হয়ে যায়, সেই সাথে আমার বোনের পরিবারও। আরও একবার তারা আফরিনের দিকে যেতে বাধ্য হয় কারণ এবার জাজিরার অঞ্চলের সাথে <a href="https://www.thenationalnews.com/news/mena/2026/01/27/syria-kurds-turkey/?utm_term=Autofeed&#038;utm_medium=Social&#038;utm_source=Facebook#Echobox=1769531072">যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল</a>, আমি উদ্বেগের সাথে অপেক্ষা করছিলাম কখন তারা কামিশলিতে পৌছে যায়, তাদের জন্য এমনকি আমি আমার এই সামান্য গৃহ প্রস্তুত করে রেখেছিলাম, কিন্তু গাড়িচালক আমাকে বললো তা অসম্ভব কারণ যানজট ছিল প্রচণ্ড, আর এই পথ যা পাড়ি দিতে সাধারণত আধ ঘন্টারও কম সময় লাগে, সেটি পাড়ি দিতে সেদিন প্রায় সাত ঘন্টা সময় লেগেছিলো।</p>
<p>বর্তমানে আমার পরিবার আমার বোনের বাসায় বাস করছে, যে নিজেও একের বেশী বাড়ি হারিয়ে ফেলেছে। সে কয়েক শত মার্কিন ডলার দিয়ে অনেক কষ্টে কেবল একটি বাড়ি সে উদ্ধার করতে পেরেছে। এখন এমন কোন দিন নেই যেদিন কোন না কোন ব্যক্তি এসে তাঁর বাড়ির কোন না কোন জিনিস লুট করে নিয়ে যায়।<br />
আমার মা আমার হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করেছেন যেন আমি স্যোশাল মিডিয়াতে কিছু না লিখি, তিনি আমার দুই ভায়ের জন্য উদ্বিগ্ন। আমাদের সর্বশেষ আলাপে তিনি আমাকে বলেন যে যখন তারা আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যায়, তিনি পুরো রাস্তায় তাঁর দুই সন্তানের হাত ধরে ছিলেন, যেন একটা ছোট্ট শিশুর হাত ধরে আছেন, এই আশঙ্কায় যে কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারে। তারপরে তিনি এখানে বাস করা কুর্দী নয় এমন ব্যক্তিকে বলতে শোনেন, ভালো এক মুক্তি লাভ করলাম, আর যেন তোমরা ফিরে না আসো।  </p>
<p>বর্তমানে, আমাদের পরিবারের দুজন সদস্য আমাদের আল আশরাফিয়ার বাসায় ফিরে গেছেন। তবে আমার মা, স্পস্টতই সেখানে ফিরে যেতে অস্বীকার করেছেন, বিশেষ করে আমার ভাইদের নিয়ে তাঁর ভয়ের কারণেঃ তিনি আফরিনে আমাদের নিজের বাসায় বাস করতে না পারার মত এক ভগ্ন হৃদয় নিয়ে বাস করছেন। এদিকে আমার বোন আমাকে বলেছে যে, আশেপাশের এলাকা এখন ঠিকঠাক, যদি অনেক অচেনা মুখ সেখানে দেখা যাচ্ছে আর ভবনের ধব্বংসস্তুপের টুকরা এখনো মাটির চারপাশে ছড়িয়ে আছে  এটির সাথে এক আতঙ্কের অনুভূতি চারপাশের সবার মাঝে বিরাজ করছে, যে কেউ যখন এই এলাকায় প্রবেশ করছে সাথে সাথে সে নিরাপত্তার এক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে তরুণ যারা তাঁদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূরর্ণ সময়ে এসে দাঁড়িয়েছে।         </p>
<p>যা কিছু ঘটেছে এত কিছুর মাঝেও.আমরা আফরিনের বাসিন্দারা আজকে অনুভব করছি আমরা সকলের হাতে দর কষাকষির এক বস্তুতে পরিণত হয়েছি। আমাদের যে বিষয়টি অনুভুতিতে বিশ্বাসঘাতকতা করার মত এক অনুভূতি এনে দেয় সেটা হচ্ছে আফরিনে আমাদের সম্পত্তি বেদখল হয়ে যাওয়া. যেন কেউ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখছে না।এলাকায় যখন হামলা চালানো হয় সেই সময় আমার মনে হচ্ছিল যেন আমি ঘুমের মাঝে আছি আর আমার কোন জ্ঞান নেই; কিন্তু এরপরে আমার জন্য কি ঘটছে সেটার প্রক্রিয়া বোঝা ও বের করা কঠিন। আমার ফোন কখনো আমার হাত থেকে আলাদা হয়নি, আর এই এই ফোন আমার পরিবার ও আমার মাঝে যোগাযোগকে সচল রেখেছিল। আমি দায়িত্ববোধের বোঝা অনুভব করছিলাম, যেন তারা আমার জন্য অপেক্ষা করছিল যে আমি কোন শুভ সংবাদ বয়ে আনছি ও আর তাদের পুনরায় নিশ্চিয়তা দিচ্ছি যে আর তাদের জোর করে ঘর ছেড়ে যেতে হবে না।আমার চেতনা আমাকে তাড়া করেছিল যে তাদের থেকে দূর থাকার কারণে, এই অবস্থায় আমি আলোপ্পোতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টায় বেশ কয়েকটি দলের সাথে যোগাযোগ করেছি। </p>
<p>আলোপ্পোতে আমার সেই যাত্রায় আমার সাথে আমার বোন ছিল, আমরা শহরের  মূল কেন্দ্রে গিয়েছিলাম, <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Maqsood">শেখ মকসুদ এলাকার</a> পূর্ব অংশে—কফি পান করতে.” যদিও এটি আমার স্বভাব নয় যে এই রকম মূহুর্ত ছবিতে ধারণ করি, যেহেতু আমার ভেতরের অনুভুতি আমাকে বলছিল আমার সামনে ঘটা এই অনুভূতি যেন আমি ধারণ করি।আজকে, আমি ছবির দিকে তাকাই আর অনুভব করি যে আবার এটা দেখার জন্য আমাদের আরো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে আর সেটা হবে খুব বেদনাদায়ক এক বিষয়, এক কুর্দী বালিকা হিসেবে, আমি ভগ্ন মন নিয়ে ফিরে আসবো।</p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/syria-untold/' class='user-link'>Syria Untold</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/bijoy/' class='user-link'>বিজয়</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2026/01/30/off-the-scales-a-kurdish-tale-of-absent-justice-in-syria/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2026/01/Screenshot-2026-01-27-at-11.00.49-a.m-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>নারীবাদের নাম জানার আগেই শিখুন: মিয়ানমারের ভার্সের গল্প</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2026/03/03/65525/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ ইন্নাস]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 14:36:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার (বার্মা)]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ ও নারী]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65525</guid>

					<description><![CDATA[“আমি চাই মানুষ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নারীর আবেগ, অস্তিত্ব ও নিপীড়নকে নতুনভাবে দেখে সহানুভূতি বোধ করুক। আমি সবসময় তাদের জন্যে চিন্তা করি।”]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>বর্মী চলচ্চিত্র নির্মাতা মানবাধিকার ও নারীবাদী সমর্থনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2026/03/03/65525/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_848122" style="width: 800px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://www.exile-hub.org/post/learning-feminism-before-knowing-its-name-verse-s-story"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848122" class="size-featured_image_large wp-image-848122" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Verse-Myanmar-800x450.jpg" alt="Verse Myanmar " width="800" height="450" /></a><p id="caption-attachment-848122" class="wp-caption-text">ভার্স চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নারীবাদী ধারণাকে দৃশ্যমান গল্পের মাধ্যমে অনুবাদ করতে শুরু করেন। <a href="https://www.exile-hub.org/post/learning-feminism-before-knowing-its-name-verse-s-story">ছবি</a> নির্বাসন হাব থেকে। অনুমতি্সহ ব্যবহৃত।</p></div>
<p><em>মিয়ানমারে ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের প্রতিক্রিয়ায় আত্মপ্রকাশকারী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গ্লোবাল ভয়েসেসের অন্যতম অংশীদার <em>নির্বাসন হাব </em>সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারীদের ক্ষমতায়নের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এই <a href="https://www.exile-hub.org/post/learning-feminism-before-knowing-its-name-verse-s-story">সম্পাদিত নিবন্ধটি</a> একটি বিষয়বস্তু অংশীদারিত্ব চুক্তির অধীনে পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে।</em></p>
<p>একজন বর্মী চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে ভার্স তার দাদিমার নীরব প্রতিবাদে গড়ে তোলা ওঠা গল্প বলার মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকে চ্যালেঞ্জ করে নারীদের প্রায়শই মুছে ফেলা কণ্ঠস্বর তুলে ধরেন ও শক্তিশালী করেন।</p>
<p>ভার্স ২০১৮ সালে মিয়ানমারের একটি স্থানীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদক হিসেবে তার পেশাগত যাত্রা শুরু করেন। তিনি রাজনৈতিক সংবাদ কভার করার স্বপ্ন দেখলেও দ্রুতই পদ্ধতিগত লিঙ্গ বৈষম্যের সম্মুখীন হন। নে পি ত-তে সংসদ-সম্পর্কিত বিষয়াদি কভারের একটি বড় দায়িত্ব পালনের সময় পুরুষ প্রতিবেদক পাঠিয়ে তাকে কাজ থেকে বিরত রাখা হয়।</p>
<p>সেই মুহূর্তটি স্মরণ করে তিনি বলেন: &#8220;আমাকে বলা হয় নারীদের সেই সুযোগ নেই। কেবল নারী বলে বিকাশ অস্বীকৃত এমন একটি কর্মক্ষেত্র আমি মেনে নিতে পারিনি।&#8221;</p>
<p>তিনি সাংবাদিকতা ছেড়ে একটি নারী অধিকার সংগঠনে যোগ দিয়ে মানবাধিকার ও নারীবাদী প্রচারণায় মনোনিবেশ করেন।</p>
<p>সংবাদমাধ্যমে পা রাখার বা ক্যামেরা হাতে তোলার আগে ভার্স তার দাদীকে চুপচাপ তার সময়ের নিয়ম ভাঙ্গতে দেখে বড় হয়েছেন। একজন অবিচল সম্মানিত <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Rakhine_State">রাখাইন</a> নারী হিসেবে তিনি করাতকলের ব্যবসা পরিচালনা্র জন্যে পুরুষদের মধ্যে প্রতিদিন কাজ করতে গিয়ে তার উপর আরোপিত লিঙ্গগত নিয়মের বিধিনিষেধ অস্বীকার করতেন।</p>
<p>ভার্স তার দাদী সম্পর্কে গর্বে করে বলেন: “তিনি আমাকে কখনো বলেননি একজন মেয়ে হিসেবে তুমি এটা করতে পারো না।’ তিনি আমাকে শিখিয়েছিলেন কাজের সীমাবদ্ধতা থাকলেও, কখনোই লিঙ্গগত সীমাবদ্ধতা থাকা উচিত নয়।”</p>
<p>ভার্সের কাছে তার দাদীর দর্শন তার নারীবাদী বিশ্বদৃষ্টির মেরুদণ্ড হয়ে ওঠে। এমনকি ছোট ছোট দৈনন্দিন কাজেও, তার দাদী সামাজিক প্রত্যাশার বিরুদ্ধে লড়াই করেতেন। পাড়ার লোকেরা কাপড় শুকানোর সময় নারীদের অন্তর্বাস লুঙ্গির নিচে লুকানোর কথায় জোর দিলেও তার দাদিমা ভিন্নভাবে ভাবতেন। স্বাস্থ্যগত দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি বলতেন, ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের জন্যে অন্তর্বাসে রোদ লাগা দরকার। তাই তিনি সেগুলো বাড়ির সামনেই ঝুলিয়ে দিতেন। তিনি কখনোই নারী হওয়া কম মর্যাদার মনে করতেন না।</p>
<p>এধরনের প্রভাবের মধ্যে বেড়ে ওঠা ভার্স “নারীবাদী&#8221; শব্দটি শেখার অনেক আগেই পুঁথিগত বিদ্যা নয় বরং সহনশীলতা, মর্যাদা ও সমতার আদর্শ একজন নারীর জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ নারীবাদকে আত্মস্থ করেন।</p>
<p>ভার্স ২০২০ সালে ইয়াঙ্গুন ফিল্ম স্কুলে নারীবাদী ধারণাগুলিকে দৃশ্যমান গল্প বলার মাধ্যমে রূপান্তরিত করতে শেখা শুরু করেন। শ্রেণীকক্ষ নিজেই লিঙ্গ বৈষম্যের আরেকটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে ছয়জন পুরুষ ও ছয়জন নারী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। একদিন, একজন পুরুষ সহপাঠী তাকে হাতে চুল বা সামান্য গোঁফ থাকা মেয়েরা &#8220;যৌন উত্তেজক&#8221; এমন একটি সাংস্কৃতিক কুসংস্কারভিত্তিক অসংলগ্ন প্রশ্ন করেন।</p>
<p>আহত ও রাগান্বিত হলেও তিনি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া বেছে নেন।</p>
<p>শ্রেণিকক্ষে একটি দলগত আলোচনার সময় ভার্স ঘটনাটি সামনে এনে মৌখিক হয়রানির সম্মুখীন শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া জানানোর সঠিক উপায় সম্পর্কে একটি সত্যিকারের আলোচনার সূত্রপাত করেন। তার সাহসের কারণে চলচ্চিত্র স্কুলটি যৌন হয়রানির উপর প্রথমবারের মতো শূন্য-সহনশীলতা নীতি চালু করে।</p>
<p>তখন থেকে ভার্সের চলচ্চিত্র নির্মাণ তার নারীবাদী উত্তরাধিকারের একটি সম্প্রসারণে পরিণত হয়। তার গল্প বলা প্রায়শই অশ্রুত বা অদৃশ্য নারীদের উপর কেন্দ্রীভূত।</p>
<blockquote><p>“চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আমি চাই মানুষ সহমর্মিতা অনুভব করুক—নারীদের আবেগ, অস্তিত্ব ও নিপীড়নকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখুক। আমার মন সব সময় তাদের কথাই ভাবে।”</p></blockquote>
<p>তার সবচেয়ে অর্থবহ কাজের একটি হলো কলঙ্ক, সহিংসতা ও অপরাধীকরণের শিকার মিয়ানমারের যৌনকর্মীদের বাস্তব জীবনানুভূতি তুলে ধরা অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র <strong>“<a href="https://www.youtube.com/watch?v=tMVGLixA7IA">প্রস্থান</a>।”</strong> মিয়ানমারের গোয়েথে-ইনস্টিটিউটের সহায়তায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি শি প্রদর্শনী এবং ডিভিবি পিকক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪-এ প্রদর্শিত হয়েছে।</p>
<p><iframe loading="lazy" title="Exit Animation" width="650" height="366" src="https://www.youtube.com/embed/tMVGLixA7IA?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></p>
<p>ভার্স ২০২২ সালে ক্রিটিক্যাল ভয়েসেস প্রযোজনা অনুদান পাওয়ার পর প্রথম নির্বাসন হাব সম্পর্কে জানতে পারেন। তাকে আবার ২০২৫ সালে নারীবাদী গল্প বলার অনুদানের প্রাপক নির্বাচিত করা হলে তিনি &#8220;<a href="https://www.youtube.com/watch?v=APpGpn8GsO8">ফাইট ফর ফ্রিডম</a>&#8221; তথ্যচিত্র তৈরি করেন।</p>
<p>এই ছবিটি মিয়ানমারের সামরিক পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকারী একজন নির্বাসিত নারী, সাহসের গল্প ও আদর্শিক বিপ্লবের সূচনা করার তীব্র সংকল্পের কথা বলে। নিপীড়নের ছোট-বড়  কোনো শ্রেণিবিভেদ নেই। প্রতিটি ধরনের নিপীড়নকে চ্যালেঞ্জ করে ভেঙ্গে ফেলা উচিত।</p>
<p>পেশাগত সুযোগ প্রসারিত হলেও ভার্স এখ্নো মিয়ানমারকেই তার বাড়ি ভাবেন। তার দাদী্র বয়স বাড়ছে এবং তার যত্নের প্রয়োজন।</p>
<p>সহজভাবে তিনি বলেন: “তিনি আমাকে শুধু মানুষ করেননি। তিনি আমাকে আমার মূল্য শিখিয়েছেন। তিনি আমার লিঙ্গগত সীমাবদ্ধতায় কখনোই বিশ্বাস না করা নিশ্চিত করেছেন। আমি কখনোই তাকে ফেলে যেতে পারি না।”</p>
<p>তার কাছে নারীবাদ সহনশীলতা ও নিপীড়নকে তৎক্ষণাৎ চ্যালেঞ্জ করার  সাহসে মোড়ানো একটি জীবন্ত অভিজ্ঞতা। ভার্স তার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বয়ানকে নতুনভাবে রূপ দিয়ে, প্রতিবন্ধকতা ভেঙ্গে এবং নারীদের কণ্ঠস্বর শুধু শোনা নয়, সম্মানিত করা একটি পৃথিবী কল্পনা করে এই বিশ্বাসকে সম্মান জানান।</p>
<p>ভার্সের জীবন একটি সরল আদর্শে গঠিত: “নারীরা সমতা, মর্যাদা এবং তাদের নিজ জীবন সংজ্ঞায়িত করার স্বাধীনতার যোগ্য।”</p>
<p><iframe loading="lazy" title="Fight For Freedom Documentary" width="650" height="366" src="https://www.youtube.com/embed/APpGpn8GsO8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/exilehub/' class='user-link'>Exile Hub</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/arif/' class='user-link'>আরিফ ইন্নাস</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/12/28/learning-feminism-before-knowing-its-name-verses-story-from-myanmar/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Verse-Myanmar-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>খরার বিরুদ্ধে লড়তে  ইরানের টেবিল টেনিস খেলোয়াড়রা গাছ লাগাচ্ছে</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2026/01/29/65536/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজয়]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Jan 2026 12:35:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65536</guid>

					<description><![CDATA[যখন ইরান খরা ও পরিবেশগত জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছে, ইরানের এক ছোট্ট ক্রীড়া সংগঠন দেখাচ্ছে কীভাবে সম্প্রদায়ের কার্যক্রম খেলাধুলাকে পরিবেশ এর প্রতি দায়িত্বশীলতায় পাল্টে দেওয়া সম্ভব।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>সেই একই শিশু যারা একসময় টেবিল টেনিসে একে অন্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতো এখন তারা আরও বেশী গাছ লাগানোর জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। 
</em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2026/01/29/65536/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_848000" style="width: 800px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848000" class="wp-image-848000 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858447753-800x450.jpg" alt="Table tennis association of Khorrambid county tree planting action. Photo ourtesy of the author." width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-848000" class="wp-caption-text">বৃক্ষ রোপনের কোন এক সময় খোররামবীদ প্রদেশের টেবিল টেনিস এ্যাসোসিয়েশন এর তরুণ সদস্যরা। ছবি লেখকের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong><i>হোসাইন ঘারিবনভাজ এর লেখা</i></strong></p>
<p><span style="box-sizing: border-box;">ইরানের ফার্স প্রদেশের উত্তরের এক পাহাড়ি এলাকার এক ছোট্ট শহর <a href="https://www.wisdomlib.org/cities/safashahr-18942">শাফাশহর</a>, এই শহরটিও ইরানের অন্যান্য অঞ্চলের মত একই রকম এক <a href="https://globalvoices.org/2025/04/20/the-countdown-to-irans-day-zero-a-crisis-of-water-not-war/">সমস্যায়</a> ভুগছে; পানির সংকট ক্রমশ খারাপ হতে থাকা ও পরিবেশ এর ক্রমশ বিপর্যয বাড়তে থাকা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যখন খরা ক্রমশ আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে এবং স্থানীয় পরিবেশ বা ইকোসিস্টেম এক চাপের মুখে পড়েছে, উন্মুক্ত স্থান ক্রমশ শুকিয়ে আসছে ও আরো বেশী ভঙ্গুর হচ্ছে, বিশেষ করে কাছের গ্রামাঞ্চল।     </span></p>
<div id="attachment_848002" style="width: 800px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848002" class="wp-image-848002 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858415418-800x450.jpg" alt="Tree-planting team from the table tennis association of Khorrambid county, Iran. Photo courtesy of the author." width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-848002" class="wp-caption-text">ইরানের <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Khorrambid_County">খোররামবিদ এলাকার</a> টেবিল টেনিস এ্যাসোসিয়েশন এর বৃক্ষ রোপন দল। ছবি লেখকের সৌজন্যে পাওয়া।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;"> দুই বছর আগে আমি যখন <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Khorrambid_County">খোররামবিদ</a> টেবিল টেনিস এ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি নির্বাচিত হই, তখন আমার প্রধান কাজ ছিল মৌলিক ক্রীড়া কাঠামো তৈরি করা ও ক্রীড়ার পেশাদারিত্বের উন্নয়ন ঘটানো।</span></p>
<p>একই সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এ্যাশোসিয়েশন কেবলমাত্র ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রতি মনোযোগ প্রদানী করবে না একই সাথে আমাদের খেলোয়াড় ও তাদের পরিবারকে উদীপ্ত করবে যেন তারা পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কাজ করে।</p>
<p><span style="font-weight: 400;">এরপর থেকে আমরা বেশ কিছু স্বেচ্ছা সেবামূলক কার্যক্রম এর আয়োজন করেছি যা টেবিল টেনিসকে স্থানীয় পরিবেশের সাথে যুক্ত করে। যার মধ্যে রয়েছে আমাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্ল্যাস্টিক ফ্রি হল নামের প্রচারণা ও সারা শহর জুড়ে বন্যপ্রাণীর জন্য পানির নালা খনন করা। </span></p>
<div id="attachment_848001" style="width: 728px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848001" class="wp-image-848001" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858429817-scaled-e1765871338750-640x900.jpg" alt="" width="728" height="1024" /><p id="caption-attachment-848001" class="wp-caption-text">নোবেকুহ এলাকায় বুনো বাদাম ও বুনো পেস্তার বীজ বপনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ছবি লেখকের সৌজন্যে পাওয়া।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">আমরা সম্প্রতি একসাথে হয়েছিলাম নোবেকুহ এলাকায়, যেটি দেহবিদ গ্রামের কাছে। যেখানে আমরা বৃক্ষ রোপনের প্রতি মনোযোগ প্রদান করেছিলাম। স্থানীয় প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের সহায়তায় এই কর্মসূচিতে প্রায় ২০০ বাসিন্দা একখানে হয়ে একসাথে যোগ দিয়েছিলো, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল অনেক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ও তাঁদের পরিবার।  </span></p>
<div id="attachment_848004" style="width: 800px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848004" class="wp-image-848004 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858454723-800x450.jpg" alt="Table tennis association of Khorrambid county tree planting action. Courtesy of author" width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-848004" class="wp-caption-text">স্বেচ্ছাসেবকরা বীজ বপনের জন্য মাটিকে প্রস্তুত করছে। ছবি লেখকের সৌজন্যে পাওয়া।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">একসাথে আমরা ৮০০ খরা প্রতিরোধী বৃক্ষ রোপন করেছি। মূলত <a href="https://www.worldlandtrust.org/species/plants-2/wild-almond/">বুনো বাদাম</a> ও <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Prunus_elaeagrifolia">অর্জুন</a> গাছ, এগুলো এমন প্রজাতির গাছ যা এই অঞ্চলের কঠোর আবহাওয়ায়, অল্প পরিমাণ পানি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এলাকায় টিকে থাকতে পারে। অনেক শিশু এবারই প্রথম নিজের হাতে গাছ লাগিয়েছে সেই পাহাড়ে, যা তারা এতদিন দূর থেকে দেখেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">“এরা সেই একই শিশু যারা এক সময় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় একে অন্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হতো। তারাই এখন গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে, স্থানীয় এক মহিলা অভিভাবক হাসতে হাসতে একথা বলেন যখন তিনি দেখেন রোপনের জন্য তাঁর ছেলে পাহাড়ে একটা গাছের চারা নিয়ে যাচ্ছে, তিনি সেই সাথে আরো বলেন, আমাদের জমিকে তারা যে ভাবে দেখতে সেটা এখন বদলে গেছে।  </span></p>
<div id="attachment_847999" style="width: 2560px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-847999" class="wp-image-847999 size-full" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858441781-scaled.jpg" alt="" width="2560" height="1440" /><p id="caption-attachment-847999" class="wp-caption-text">ফার্স প্রদেশের খোররামবিদ এলাকায় বীজ বপন কার্যক্রম শুরুর আগে স্বেচ্ছাসেবকরা। ছবি লেখকের সৌজন্যে পাওয়া।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">বৃক্ষরোপণের সময় এক  আনন্দপূর্ণ  ও আবেগপ্রবণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরিবারগুলো আমাদের বলছে তাঁদের মনে হচ্ছে তাঁরা জমিকে কিছু একটা  ফিরিয়ে দিচ্ছে আর তরুণ খেলোয়াড়দের অনেকে বলছে তারা এখন দেখতে পাচ্ছে তারা তাঁদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে কেবল এক দৃশ্যের মধ্যে নয়, তারা পাহাড় ও বন পরিবেষ্টিত হয়ে আছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বেশ কয়েকজন অংশগ্রহণকারী জিজ্ঞেস করেছিল পরবর্তী কার্যক্রম কবে অনুষ্ঠিত হবে। আর তারা আগামীতে ছোট্ট সম্প্রদায়গত একটি বন সৃষ্টির পরামর্শ প্রদান করছে। টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের সংখ্যা যতই বাড়তে থাকবে পরিবেশগত এই সব কার্যক্রম ততই চলতে থাকবে।</span></p>
<div id="attachment_848003" style="width: 2560px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848003" class="wp-image-848003 size-full" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858435799-scaled.jpg" alt="" width="2560" height="1440" /><p id="caption-attachment-848003" class="wp-caption-text">নোবেকাহ এলাকার শুষ্ক মাটিতে একজন স্বেচ্চাসেবক বীজ বপন করছে। ছবি লেখকের সৌজন্যে পাওয়া।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">আগামী সপ্তাহগুলোতে এই সকল যৌথ কর্মকাণ্ডকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমাদের এ্যাসোসিয়েশন স্থানীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাথে এক স্মারক  স্বাক্ষর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ও প্রদর্শন করছে যে এমন কি দুর্গম এলাকার এক ছোট্ট ক্রীড়া পরিষদ পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে পারে যখন তারা এক শক্তিশালী সম্প্রদায় গড়ে তুলতে পারে। </span></p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/guest-contributor/' class='user-link'>Guest Contributor</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/bijoy/' class='user-link'>বিজয়</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2026/01/01/the-table-tennis-players-planting-trees-to-fight-drought-in-iran/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/compressed_1765858447753-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>নেপালে হুইল চেয়ার ব্যবহারকারিনীর সফল ভাবে ঐতিহাসিক বাঙ্গি জাম্প সম্পন্ন করা</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2026/01/26/65519/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজয়]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 14:55:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ ও নারী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65519</guid>

					<description><![CDATA[নেপালের সিন্ধুলি জেলার দীপিকা ডেভকোটা দেশটির প্রথম মহিলা যিনি শারীরিক অক্ষমতা সত্বেও  হুইল চেয়ারে করে সিন্ধুপালচক জেলার ভোটেকোশি নদীতে বাঙ্গি লাফ সম্পন্ন করেছেন]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>ভোটে কোশি বাঙ্গি জাম্প কেন্দ্র নেপালের ১৬০ মিটার উচ্চতার এক লাফ দেওয়ার কেন্দ্র যা দেশটির প্রথম বাঙ্গি জাম্প নামের উপর থেকে নীচে এক বিশেষ লাফ দেওয়ার কেন্দ্র। </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2026/01/26/65519/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_848059" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa02.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848059" class="size-featured_image_huge wp-image-848059" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa02-1200x675.jpeg" alt="Photo by Pradeep Raj Onta via Nepal Federation of the Disabled – Nepal (NFDN). Used with permission." width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-848059" class="wp-caption-text">ছবি নেপাল ফেডারেশন অফ ডিজেবল নেপাল এনএফডিএন এর মাধ্যমে পাওয়া প্রদীপ রাজ অন্তার। অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p>নেপালের বাগমতি প্রদেশের সিন্ধু জেলার বাসিন্দা দীপা ডেভকোটা। তিনি ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে দেশটির সিন্ধু পোলচাক জেলার <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Bhotekoshi_River">ভোটেকোশি নদীতে</a> হুইল চেয়ারে করে <a href="https://ekantipur.com/bagmati-pradesh/2025/12/16/disabled-woman-performs-daring-bungee-jump-from-wheelchair-43-31.html">নেপালের প্রথম শারীরিক ভাবে অক্ষম মহিলা হিসেবে  সফল ভাবে বাঙ্গি লাফ সম্পন্ন করেছেন</a>।  </p>
<p>ভোটে কোশি বাঙ্গি লাফ কেন্দ্র হচ্ছে <a href="https://ntb.gov.np/things-to-do/bungee-jumping">নেপালের প্রথম</a> ১৬০ মিটার উচ্চতার এক <a href="https://ntb.gov.np/things-to-do/bungee-jumping">বাঙ্গি</a> লাফ কেন্দ্র যা সারা বিশ্বের উত্তেজনা প্রেমীদের আকর্ষণ করেছে। ডিসেম্বর ২০২৫ এর শুরুতে <a href="https://english.onlinekhabar.com/wheelchair-bungee-jump.html">দিলীপ সাপকোটা ও শিশির দাহালও হুইল চেয়ারে করে একই কেন্দ্র থেকে সফল ভাবে বাঙ্গি লাফ সম্পন্ন করেন</a>। হুইলচেয়ারে বসে <a href="https://www.independent.co.uk/news/world/first-ever-bungee-jump-in-a-wheelchair-completed-in-russia-a6672386.html">বিশ্বের প্রথম যে ব্যক্তি সফল ভাবে বাঙ্গি লাফ সম্পন্ন করেছেন</a> তিনি রাশিয়ার এলেক্সি মায়ুঙ্কো, যিনি ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে এই লাফ সম্পন্ন করেন।</p>
<div id="attachment_848058" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa04.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848058" class="size-featured_image_huge wp-image-848058" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa04-1200x675.jpeg" alt="Photo by Pradeep Raj Onta via Nepal Federation of the Disabled – Nepal (NFDN). Used with permission." width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-848058" class="wp-caption-text">ছবি প্রদীপ রাজ অন্তার, নেপাল ফেডারেশন অফ ডিজেবল নেপাল এনএফডিএন এর মাধ্যমে পাওয়া । অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p>“ডেভকোটা বলেন, শারীরিক অক্ষমতা বা পঙ্গুত্ব কোন বাঁধা নয়, যদি আমাদের আত্মবিশ্বাস থাকে আর যদি আমাদের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে যে কোন ক্ষেত্র আমরা এগিয়ে যেতে পারি। ডেভকোটা, যিনি শারীরিক ভাবে অক্ষমদের অধিকার অর্জনে একজন একটিভিস্ট হিসেবে কাজ করেন, তিনি <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Spina_bifida">স্পাইনা বিফিডা</a> নামের এক মেরুদণ্ডের হাড় সংক্রান্ত রোগ আক্রান্ত । এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,  আমি বিশ্বাস করি আমার এই অর্জন শারীরিক ভাবে অক্ষম অন্য  নাগরিকদেরও জীবনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে। ”</p>
<div id="attachment_848057" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa05.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848057" class="size-featured_image_huge wp-image-848057" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa05-1200x675.jpeg" alt="" width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-848057" class="wp-caption-text">ছবি প্রদীপ রাজ অন্তার, নেপাল ফেডারেশন অফ ডিজেবল নেপাল এনএফডিএন এর মাধ্যমে পাওয়া। অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p>নিজের জন্মদিনে ডেভকোটা এই হুইল চেয়ারসহ বাঙ্গি লাফ সম্পন্ন করেন আর তাঁর এই অর্জন উৎসর্গ করেন নিজের পিতামাতার প্রতি যারা শারীরিক ভাবে অক্ষম একটি শিশুকে লালন পালন করতে গিয়ে নানান সামাজিক বৈষম্য ও কলঙ্কের শিকার হয়েছিলেন। পিতামাতার এই সমর্থনের জন্য তিনি তাঁদের প্রতি নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন তাঁরা তাকে এমন ভাবে গড়ে তুলেছেন যেন সে যোগ্য ও সাহসী হয়ে বেড়ে উঠে। সাথে তিনি এও যোগ করেন যে তাঁর এই শারীরিক অক্ষমতা তাঁর জীবনের লক্ষ্য অর্জনে কোনদিন বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।</p>
<div id="attachment_848060" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa06.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-848060" class="size-featured_image_huge wp-image-848060" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa06-1200x675.jpeg" alt="Photo by Pradeep Raj Onta via Nepal Federation of the Disabled – Nepal (NFDN). Used with permission." width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-848060" class="wp-caption-text">ছবি প্রদীপ রাজ অন্তার, নেপাল ফেডারেশন অফ ডিজেবল বা এনএফডিএন এর মাধ্যমে পাওয়া । অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p>ফোনে গ্লোবাল ভয়েসেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেপালের <a href="https://www.nfdn.org.np/">এনএফডিএন বা ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ দ্য ডিজেবল</a> এর সেক্রেটারি জেনারেল সুগম ভট্টরাই বলেন যে দীপিকার অর্জন সকলের জন্য এক অনুপ্রেরণা, শারীরিক অক্ষমতার মাঝে যারা বেঁচে আছে তারাও সমাজে সকল ক্ষেত্রে অন্যদের মত অবদান রাখতে পারে, এমন কি তা হতে পারে পর্যটন অথবা এ্যাডভেঞ্চার প্রিয় কোন খেলায়। </p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/sanjib/' class='user-link'>Sanjib Chaudhary</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/bijoy/' class='user-link'>বিজয়</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/12/22/historic-wheelchair-bungee-jump-by-a-woman-with-disability-in-nepal/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/12/Deepa06-400x300.jpeg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>অ্যাঙ্গোলার লেখক ও প্রাক্তন রাজবন্দীর লেখা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে হাতেকলমে লড়াই বইটির পুনঃপ্রকাশ</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2025/12/14/65359/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজয়]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 04:23:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আ্যান্গোলা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মোজাম্বিক]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্সরশিপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65359</guid>

					<description><![CDATA[লেখকের প্রথম বই বের হওয়ার ও তার গ্রেফতার হওয়ার দশ বছর পর লেখক এর এক নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছেন, যে বইটি দার্শনিক জেনে শার্প এর লেখা থেকে অনুপ্রাণিত। গ্লোবাল ভয়েসেস এর লেখক ডমিঙ্গোস দ্য ক্রুজ এর সা্থে এই বই নিয়ে কথা বলেছেন।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>দ্য  ক্রুজ, তাঁর নিজের লেখা স্বৈরতন্ত্র ধ্বংসের উপাদান ও নব্য স্বৈরাচার জন্ম রোধ (টুলস টু ডিসট্রয় দ্য ডিকটেটর এন্ড আভ্যেড এ নিউ ডিকটেটর) বইটির নতুন এক সংস্কারণ প্রকাশ করেছেন।    </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2025/12/14/65359/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_118652" style="width: 800px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-118652" class="size-featured_image_large wp-image-118652" src="https://pt.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/PHOTO-2025-07-11-04-04-25-800x450.jpg" alt="Imagem em preto e branco mostra manifestantes marchando em protesto" width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-118652" class="wp-caption-text"><span style="font-weight: 400;">মোজাম্বিক এর মাপুতো অঞ্চলে নির্বাচন পরবর্তী বিক্ষোভ। ছবি উইলসন থলী-এর। অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে। </span></p></div>
<p><i><span style="font-weight: 400;">সম্পাদকীয় ভাষ্য: এই প্রবন্ধের লেখক,  ডোমিনঙ্গোজ দ্য ক্রুজ এর সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী ও বইটির নতুন সংস্করণেরও এক কন্ট্রিবিউটর।  </span></i></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><span style="font-size: 1.25rem;">২০১৫ সালের জুন মাসে <a href="https://pt.globalvoices.org/2015/10/10/angola-presos-politicos-continuam-a-lutar-pela-vida/">অন্যান্য একটিভিস্টদের </a>সাথে অ্যাঙ্গোলার ডোমিনঙ্গোজ দ্য ক্রুজ নামের এক সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীকে <a href="https://www.frontlinedefenders.org/pt/case/domingos-da-cruz#case-update-id-1437">সন্দেহজনক এক অভ্যুত্থান পরিকল্পনার</a> অভিযোগের ভিত্তিতে কারাগারে আটক করা হয়। আর এটি করা হয় যখন তিনি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নাগরিক প্রতিরোধ এর শান্তিপূর্ণ উপায় বিষয়ে নিজের লেখা বই নিয়ে আলোচনার জন্য এক সম্মেলনে যোগ দেন। এই সম্মেলন এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দ্য ক্রুজ ও ১৭ জন একটিভিস্টের এক দল যারা পরে ফিফটিন প্লাস টু <a href="https://www.frontlinedefenders.org/pt/case/case-history-angola-15">১৫+২</a> নামের এক গ্রুপ বা দলে পরিচিত হয়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><span style="font-size: 1.25rem;">দশ বছর পর, <a href="https://pt.globalvoices.org/2015/12/21/angola-activistas-estao-em-liberdade-domiciliaria/">দ্য ক্রুজ</a> তাঁর বই <a href="https://holdonangola.com/wp-content/uploads/2025/05/COMO-ACABAR-A-DITADURA.pdf">স্বৈরাচার ধ্বংস করার উপাদানসমূহ ও নব্য স্বৈরাচার জন্ম রোধের মাধ্যমে অ্যাঙ্গোলাকে মুক্ত করার এক রাজনৈতিক দর্শন </a> নামের বই এর এক নতুন সংস্করণ বের করেছে। এই বই এ বেশ কয়েকজন একাডেমিক বা শিক্ষাবীদ এর স্বৈরাচার প্রতিরোধ এর উপাদান নিয়ে বিশ্লেষণ ও আলোচনা রয়েছে। <a href="https://www.dw.com/pt-002/jornalista-angolano-apresenta-ferramentas-para-destruir-o-ditador/a-18222043">ডেয়েচভেলে</a> এর সংবাদ অনুসারে এই বইটি <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Gene_Sharp">জেনে শার্প </a>নামের এক আমেরিকার দার্শনিক এর <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/From_Dictatorship_to_Democracy">স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্র</a> নামের বই থেকে ১৬৮ টি টেকনিক বা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"> স্বৈরচারী সরকারের বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে গণ প্রতিরোধ পদ্ধতি কী হতে পারে এই বই এ এর এক সারসংক্ষেপ তা তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো অ্যাঙ্গোলা ও মোজাম্বিক-এ ঘটে থাকে। এতে বলা হয়েছে একাডেমিক বা শিক্ষাবিদদের অবশ্যই মানবিক মর্যাদাকে তুলে ধরতে হবে, আর এর মানে হচ্ছে ব্যবহারিক সমাধানের মাধ্যমে স্বৈরাচার পদ্ধতির মুখোমুখি হতে হবে, গ্লোবাল ভয়েসেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দ্য ক্রুজ এই কথাগুলো বলেন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১৫ সালে দ্য ক্রুজ ছয় মাসের জন্য জেলে ছিলেন, পরবর্তী তিন মাস তাঁকে গৃহবন্দী থাকতে হবে এই শর্তে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর এই অভিযোগের সাথে আরো অনেক অভিযোগে তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়। ২০১৬ সালে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই থেকে তিনি মাঝে মাঝে পর্তুগাল, সুইডেন ও কানাডায় বসবাস করেন আর তিনি কানাডার কোনকোরডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ ইন সোসাইট এন্ড কালচার এর ভিজিটিং রিসার্চার। সেই সাথে এক মিডিয়া অবজারভাটরি বা প্রচার মাধ্যম পর্যবেক্ষক এর সমন্বয়ক, যা নাগরিক সমাজ বা সিভিল সোসাইটি সংগঠিত করে থাকে, আর এর উদ্দেশ্য অ্যাঙ্গোলার মিডিয়া বা প্রচার মাধ্যমের দক্ষতা পর্যবেক্ষন করে তা মূল্যায়ণ করা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সে সময় অ্যঙ্গোলার রাষ্ট্রপতি ছিলে হোসে এদুয়ার্দো দস সন্তোস, যিনি প্রায় চার দশক ধরে ক্ষমতায় ছিলেন, (১৯৭৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত)। তিনি ২০২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ক্ষমতা ত্যাগ করার পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি হোয়াও লরেন্সো ক্ষমতায় আসেন। তিনিও ক্ষমতাসীন দল পুপুলার মুভমেন্ট অফ অ্যাঙ্গোলার সদস্য এমপিএলএ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। </span></p>
<p><span style="font-size: 1.25rem;"><span style="font-weight: 400;">হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২০২৫ এর রিপোর্ট অ্যাঙ্গোলা বর্তমান যে সমস্ত সমস্যা মোকাবেলা করছে সেগুলোর এক তালিকা করছে, যেমন পুলিশের নির্মমতা ও শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা উল্লেখযোগ্য। </span></p>
<blockquote><p>O presidente João Lourenço assinou leis que não atendem aos padrões internacionais de direitos humanos e que restringem severamente as liberdades de imprensa, de expressão e de associação. As prisões angolanas continuaram a sofrer com a superlotação.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p>রাষ্ট্রপতি হোয়াও লরেন্সোও এমন আইনে স্বাক্ষর করেছে যেগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সাথে খাপ খায় না এবং সেগুলো বেশ কঠোরভাবে স্ংবাদপত্র, প্রকশনা এবং এদের সহযোগীদের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। এখনো অ্যাঙ্গোলার কারাগার বন্দীতে উপচে পড়ছে।  </p></blockquote>
<p><span style="font-weight: 400;">দ্য ক্রুজ এর নতুন সংস্করণে এর প্রথম সংস্করণ এর চিন্তাগুলোকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে, যে বইটি ২০১৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, এখন সেটিতে ব্রাজিল এর (সুসান দে অলিভিয়েরা ও ফার্নান্দো ক্রিশ ফ্রাঙ্ক) মোজাম্বিক এর (নেলসন ডোমিনঙ্গোস অ্যান্টোনিও, ট্রিসো সিয়োটো ও অ্যাডগার বারোসো_ এবং অ্যাঙ্গোলার (রাউল টাটি) অবদান যুক্ত করে হয়েছে রাজনৈতিক নির্যাতন এর বিরুদ্ধে কৌশলগত কার্যক্রমকে নতুন করে নির্ধারণ করার জন্য।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এ বছরের মে মাসে, ফরাসী এক পত্রিকা <a href="https://www.rfi.fr/pt/áfrica-lusófona/20250507-novo-livro-de-domingos-da-cruz-censurado-em-angola">আরএফআই</a> সংবাদ প্রদান করেছে যে, এই বইটি অ্যাঙ্গোলায় সেন্সর বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার ফলে এর লেখক বইটিকে অনলাইনে সহজলভ্য করে দিয়েছেন।</span></p>
<h3>ক্ষমতার হস্তান্তর</h3>
<p><span style="font-weight: 400;">দ্য ক্রুজ এক পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করেছেন যে অ্যাঙ্গোলার কর্তৃত্বপরায়ণ  শাসকগোষ্ঠীর বাস্তবতা হচ্ছে তাঁদের শক্ত জবাব দেবার প্রয়োজন আছে এবং যা ধারবাহিক ভাবে নির্বাচন আয়োজন করার উপর নির্ভরশীল যা কর্তৃত্বশালী শাসকগোষ্ঠী আয়োজন করে থাকে সেটা এক ফাঁদে পরিণত হবে। তাঁর মতে, এই রকম প্রেক্ষাপটে, ক্ষমতা হস্তান্তরের এমন কোন সম্ভাবনা নেই, যেমনটা গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সাধারণত আশা করা হয়।</span></p>
<blockquote><p>No caso de Angola, colocaria todos os partidos de lado pois eles não representam uma solução revolucionária. Agora, dentro da sociedade civil, talvez seja necessário que haja unidade da sociedade civil para que possa elaborar dois ou três grandes planos estratégicos, que seriam um conjunto de táticas para desencadear uma revolução popular. Especificamente, educação informal da sociedade em que é preciso vigilância para preservação da liberdade, mas também educação para a confrontação de um regime autoritário.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p>অ্যাঙ্গোলার ঘটনায়, আমি বর্তমান কোন দলের প্রতি ভরসা রাখতে পারছি না। কারণ তাঁরা কোন বিপ্লবাত্মক সমাধান এর প্রতিনিধিত্ব করছে না। এখন সুশীল সমাজের মাঝে, সুশীল সমাজের নিজেদের মধ্যে হয়তো এক একতার প্রয়োজন রয়েছে, যা হয়তো একগুচ্ছ কৌশল হতে পারে যা এক জনপ্রিয় বিপ্লব সংগঠিত করতে পারে। বিশেষ করে, অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা একটা সমাজের মাঝে এর স্বাধীনতা সংরক্ষণে যার নজরদারী প্রয়োজন, কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থায় নিজেও এক ক্ষমতাশালী শাসনের মুখোমুখি অবস্থান করেছে।</p></blockquote>
<p><span style="font-weight: 400;">দ্য ক্রুজ <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/Azagaia_(cantor)"> তিনি মোজাম্বিক এর র&#x200d;্যাপ গায়ক ও একটিভিস্ট আজাগাইয়ার</a> উদাহরণ তুলে ধরেছেন, যিনি ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণ করেছেন, এবং তাঁর সঙ্গীত সামাজিক ধারাবর্ণনা তৈরি করেছে যা <a href="https://pt.globalvoices.org/2023/03/21/mocambique-morte-de-rapper-e-activista-provoca-actos-de-manifestacao-e-repressao-policial/">বিক্ষোভ প্রদর্শনে</a> উৎসাহ প্রদান করছে, আর সেই বিক্ষোভ এ পুলিশ হামলা চালিয়ে দমন করেছে। তিনি অ্যাঙ্গোলার প্রেক্ষাপটে এর এক তুলনা করে দেখিয়েছেন, যেখানে তিনি উপলব্ধি করেছেন শিল্পীরা স্বৈরতন্ত্রের লক্ষণ সমূহের প্রতি মনোযোগ প্রদান করছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, দারিদ্রের হার অনেক বেশী, দুর্নীতি, প্রচার মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং মৌলিক সেবার অভাব এর কারণে।</span></p>
<blockquote><p>É preciso que se produzam músicas que digam claramente ao povo que, para que nos possamos livrar, é necessário desencadear uma revolução popular. Logo, isso seria um projeto coletivo em que as pessoas juntam a sua força para o alcance da democracia e derrubar a ditadura. O que há em Angola não são eleições, são simulações para legitimar o poder. Muitos acreditam que estão numa democracia, mas vivem numa ilusão.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p>আমাদের এমন গান রচনা করতে হবে যা জনতাকে পরিষ্কার ভাবে বোঝায় যে গানটি কী বলছে, এটি যেন বলে যে আমাদের নিজেদের মুক্ত করতে হবে। এটা জরুরী যে আমাদের এক জনপ্রিয় বিপ্লব শুরু করতে হবে, তাহলে তা হলে সেটা একটা যৌথ পরিকল্পনা হবে যেখানে জনগণ গণতন্ত্র অর্জন ও স্বৈরশাসককে ক্ষমতাক থেকে উৎখাতের জন্য সকল শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে। আঙ্গোলায় যা ঘটে সেটা হচ্ছে এখানে কোন নির্বাচন হয় না। এখানে ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার এক অনুশীলন করা হয়। অনেকে বিশ্বাস করে যে তারা গণতন্ত্রের মাঝে বসবাস করছে, কিন্তু তাঁরা এক বিভ্রমের মধ্যে বাস করছে।</p></blockquote>
<p><span style="font-weight: 400;">আঙ্গোলায় সর্বশেষ <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/Eleições_gerais_de_Angola_de_2022">নির্বাচন</a> হয়েছে ২০২২ সালে। সুশীল সমাজ আন্দোলন <a href="https://www.mudeiangola.org/index.html">মুয়েদি নামের একটি উদ্যোগ যা নাগরিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রকল্প </a>এবং এটি সংযুক্ত একটিভিস্ট ও অ্যাঙ্গোলার বিভিন্ন অংশের নাগরিকদের একটি দল যারা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ভোটের ফলাফল গণনা করেছে। এই ফলাফল একটি ভিন্নতাকে তুলে ধরছে তাদের ভোট গণনায় দেখা যায় সরকারি ফলাফলের থেকে তাদের ফলাফল কতটা আলাদা। সরকারি ফলাফলে দেখানো হয়েছিল ক্ষমতাসীন এ<a href="https://pt.globalvoices.org/2008/09/18/angola-mpla-vence-com-mais-de-80-dos-votos/">মপিএলএ ৮০ শতাংশ এর বেশী</a> ভোট পেয়ে <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/União_Nacional_para_a_Independência_Total_de_Angola">ইউএনআইটিএ</a> ( ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য টোটাল ইনডিপেনডেন অফ এ্যানঙ্গোলার) এর বিপক্ষে বিজয়ী হয়েছে আর এই নির্বাচনে বিরোধীরা </span><a href="https://pt.globalvoices.org/2022/09/08/eliecoes-em-angola-mpla-ganha-mas-oposicao-contesta/"><span style="font-weight: 400;"> অংশগ্রহণ করেছে।</span></a></p>
<p>মোজাম্বিকের <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/FRELIMO">ফ্রিলিমো</a> (মোজাম্বিক লিবারেশন ফ্রন্ট) এর মতো এমপিএলএ ও ইউএনআইটিএ এর শেকড় লুকিয়ে আছে এমন এক আন্দোলনে যারা পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতার আন্দোলনের জন্য লড়েছিল যা পরে রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। </p>
<p><span style="font-size: 1.25rem;"><span style="font-weight: 400;">মুদেই একই সাথে নির্বাচনের সময় সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদসমূহের মুল্যায়ন করেছে। এর <a href="https://mudeiangola.org/relatorios/pdf/Relatório%20de%20Observação%20Eleitoral%20JIKU%20(MUDEI)%202022.pdf">সংবাদে</a> বলেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংবাদ প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে এবং স্ংবাদ মাধ্যম সেই দলের প্রতি বেশী মনোযোগ দিয়ে থাকে যে দল ক্ষমতায় থাকে, যেমন এমপিএলএ, দ্য ক্রুজ বলেন</span>:</span></p>
<blockquote><p>Em Angola não é possível falar de eleições livres, justas e transparentes.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p>আঙ্গোলায় অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিয়ে কথা বলা সম্ভব নয়।</p></blockquote>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি একই সাথে নাগরিক প্রতিরোধের উপাদান পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন যেমন প্রতিবাদ, বয়কট ও গণজাগরণ, যা সরকার পতনে ব্যবহার করা হয়, যেমন <a href="https://pt.globalvoices.org/2020/01/28/despedida-a-lina-ben-mhenni-blogueira-tunisiana-e-defensora-dos-direitos-humanos/">আরব বসন্তের</a> সময় তিউনিশিয়া এগুলোর প্রয়োগ হয়েছে, যা হয়তো অন্য কোন প্রেক্ষাপটে গ্রহণ করা যেতে পারে ও কাজে লাগানো যেতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যেমন উদাহরণ হিসেবে দ্য ক্রুজ দেখেছেন মোজাম্বিকে এর সাথে অ্যাঙ্গোলার  মিল রয়েছে এবং বইটি তিনি মোজাম্বিকের একটিভিস্ট ও একাডেমিকদের কাছে তুলে ধরেছেন, যেহেতু ক্ষমতার প্রতি   ঝোক রয়েছে এমন দল <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/Frente_de_Libertação_de_Moçambique">ফ্রিলিমো</a> সেখানে সরকার গঠন করেছে। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোজাম্বিকের <a href="https://pt.globalvoices.org/2020/01/11/jornalistas-e-ativistas-mocambicanos-sao-alvo-de-ameacas-em-ano-eleitoral/">সাংবাদিক ও একটিভিস্টরাও হুমকির মুখে ছিল</a>। </span></p>
<h3>আরো কিছু বিনিময় ও সতর্কতা বাড়িয়ে তোলা </h3>
<p><span style="font-weight: 400;">দ্য ক্রুজ বিশ্বাস করেন পর্তুগীজ ভাষী দেশগুলোর মাঝে গভীর রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তা বিনিময় জরুরী, যদিও এখন সামান্য বিনিময় হচ্ছে, তিনি খেয়াল করে দেখেছেন সুশীল সমাজের মাঝে সম্পর্কের এক গভীরতা তৈরি হচ্ছে!! <a href="https://pt.globalvoices.org/2025/01/30/manifestacoes-em-mocambique-pos-eleicoes-inspiram-protestos-contra-a-crise-socioeconomica-em-angola/">২০২৪ সালের নির্বাচনের পর মোজাম্বিক যে প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল</a> সেটি অ্যাঙ্গোলায় সামাজিক অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় অনুষ্ঠিত <a href="https://www.dw.com/pt-002/protestos-em-angola-haverá-surpresas-garante-ativista/a-70866276">বিক্ষোভ</a> উৎসাহিত করেছিল!</span></p>
<p><span style="font-size: 1.25rem;"><span style="font-weight: 400;">তিনি একই সাথে <a href="https://globalvoices.org/-/world/middle-east-north-africa/turkey/">তুরস্কের</a> উদাহরণ দিয়েছেন যেখানে রাষ্ট্রপতি <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/Recep_Tayyip_Erdoğan">রেসেপ এরদোগান</a> ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন, যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বছরে পর বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, আর এই বিষয়টি উল্লেখ করে গণতন্ত্র কোথাও নিরাপদ নয়ঃ</span></p>
<blockquote><p>A liberdade não é definitiva. As democracias também caem. É preciso educar as novas gerações sobre isso e manter uma sociedade civil vigilante e ativa.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p> কোথাও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা নেই। গণতন্ত্রেরও যথারীতি পতন ঘটেছে। নতুন প্রজন্মকে এই বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা জরুরী যেন তারা এই বিষয়গুলোকে নজরদারীতে রাখতে পারে এমন এক সক্রিয় সুশীল সমাজের অংশ হতে পারে। আর লেখক উল্লেখ করেছেন এটা অর্জন করার জন্য প্রচার মাধ্যমে যেন সবার অধিকার থাকে সে বিষয়টি, যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্টেন প্রকাশ করতে পারা। যেখানে নাগরিকদের শিল্প অথবা প্রবন্ধের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কন্টেন তুলে ধরা হয়।</span></p></blockquote>
<p><span style="font-weight: 400;">এক দশক পর নিজের কাজের ক্ষেত্রে ফিরে এসে, <a href="https://pt.wikipedia.org/wiki/Países_Africanos_de_Língua_Oficial_Portuguesa">লুসাফেন আফ্রিকার</a> বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন তিনি আশা করেন পাঠকেরা কেবল পাঠ করবে না, একই সাথে তাঁরা সেই সকল উপাদান গ্রহণ করবে ও সেগুলোকে অনুশীলন করবে।</span></p>
<blockquote><p>Não basta conhecer a receita. É preciso pôr a mão na massa. Só assim a liberdade será conquistada e defendida.</p></blockquote>
<blockquote class="translation"><p>কেবল লড়াই এর প্রক্রিয়ার ধরনটি জানাই যথেষ্ট নয়, আমাদের লড়াই এর সাথে যুক্ত হতে হবে, আর এই ভাবে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হবে ও সেটাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। </p></blockquote>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(Português) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://pt.globalvoices.org/author/tirso-sitoe/' class='user-link'>Tirso Sitoe</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://globalvoices.org/author/liam-anderson/' class='user-link'>Liam Anderson</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/bijoy/' class='user-link'>বিজয়</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://pt.globalvoices.org/2025/07/29/em-meio-a-contexto-autoritario-escritor-angolano-defende-resistencia-civil-por-meio-de-ferramentas-praticas-para-evitar-uma-nova-ditadura/'>মূল লেখাটি দেখুন (Português)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://pt.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/PHOTO-2025-07-11-04-04-25-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>‘কারাগার যেন আমাদের সম্পূর্ণ গ্রাস না করে – সে জন্যই আমি ক্যানভাসে রঙ ছড়াতাম&#039;:  ইরানি সাংবাদিক ভিদা রাব্বানির সাক্ষাৎকার</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2025/12/05/65384/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[তৌহিদা আক্তার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 05 Dec 2025 09:49:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ ও নারী]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65384</guid>

					<description><![CDATA[“তুলি ও চিত্ররূপের মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেছিলেন সেইসব জিনিস, যা প্রকাশ্যে বলা সম্ভব ছিল না—বন্দিত্বের খসখসে রেখাচিত্র এবং দৈনন্দিন টিকে থাকার নীরব, অবিচল ক্রিয়াগুলো।”]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>‘স্থান-সামগ্রী কমে এলে, মুক্তির দিগন্ত খুঁজে নেওয়ার ভারটা মাথাই সামলে নেয়’। </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2025/12/05/65384/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_840494" style="width: 1200px" class="wp-caption alignnone"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840494" class="wp-image-840494 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Beyond-the-Prison-Walls-2024-–-Acrylic-on-bedsheet-fabric-1200x856.jpeg" alt="ভিদা রব্বানি- ‘মৃত্যুদণ্ডের প্রাচীর,’ ২০২৪। বিছানার চাদরে অ্যাক্রিলিক – ৫০ x ৭০ সেন্টিমিটার (১৯.৬ x ২৭.৫ ইঞ্চি). ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।" width="1200" height="856" /><p id="caption-attachment-840494" class="wp-caption-text">ভিদা রব্বানি- ‘মৃত্যুদণ্ডের প্রাচীর,’ ২০২৪। বিছানার চাদরে অ্যাক্রিলিক – ৫০ x ৭০ সেন্টিমিটার (১৯.৬ x ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p>তেহরানের কুখ্যাত <a href="https://www.newyorker.com/books/page-turner/torture-and-tres-leches-in-irans-most-notorious-prison" target="_blank" rel="noopener">এভিন কারাগারের</a> দেয়ালের ভেতর — যে স্থান দমন আর যন্ত্রনার প্রতীকে পরিনত হয়েছে — সেখানে <a href="https://www.frontlinedefenders.org/en/case/vida-rabbani-released-conditionally-prison" target="_blank" rel="noopener">ভিদা রাব্বানি</a> রঙের মাধ্যমে সৃষ্টি করেছিলেন প্রতিরোধের নিজস্ব ভাষা। বিছানার চাদরেকে ক্যানভাস বানিয়ে, চোরাই ব্রাশে, আর আলাদা আলাদা টিউবে আনা রঙে তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন তার কারাবাসের অন্তরঙ্গ বাস্তবতা — ইরানের সবচেয়ে পরিচিত <a href="https://iranwire.com/en/women/142685-exclusive-women-prisoners-moved-to-overcrowded-quarantine-after-evin-strike/" target="_blank" rel="noopener">নারী বন্দিশালার</a> গভীর স্তরগুলো। তার কাজ একই সঙ্গে সাহসী ও কোমল — আবদ্ধ জীবনকে তিনি রুপ দিয়েছিলেন সৃজনের এক নিরব ঘোষনায়। সহ &#8211; রাজবন্দিদের প্রতিকৃতি থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক সিঁড়ির স্তরিত রেখাচিত্র পর্যন্ত &#8211; রাব্বানির তুলির টানে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে সেই নারীদের অদৃশ্য জীবন যারা নিঃসঙ্গতা আর সহমর্মিতা, দুই-ই বহন করে চলেছেন বন্দিশালার ভেতরে। তার আঁকা ছবিগুলো শুধু ব্যক্তিগত প্রকাশ নয় ; ছিল এক ধরনের সম্মিলিত স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টাও।</p>
<p><a href="https://cpj.org/tags/sharghdaily/" target="_blank" rel="noopener">শরঘ ডেইলি</a> ও <a href="https://cpj.org/2019/05/iranian-reformist-magazine-seda-suspended-after-ur/" target="_blank" rel="noopener">সেদা উইকলি</a>-র সাবেক সাংবাদিক রাব্বানি নিজেকে কখনোই পেশাদার শিল্পী হিসেবে ভাবেননি। কিন্তু ২০২২ সালে ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া এবং দুটি আলাদা মামলায় মিলিয়ে এগারো বছরেরও বেশি কারাদণ্ডে দন্ডিত হওয়ার পর তিনি সত্যিকারের অর্থে চিত্রকল্পে ডুবে যায়। মোট ৩২ মাস কারাভোগের পর তার সাজা স্থগিত হয় এবং অবশেষে তিনি এভিন কারাগারের থেকে মুক্তি পান। ইরানি কর্তৃপক্ষ হয়তো তার কন্ঠকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু রঙ আর তুলির নিরব ভাষায় তিনি তুলে ধরেছিলেন সেইসব কথা, যা আর সংবাদপত্রে লেখা সম্ভব ছিল না – বন্দিত্বের রেখাচিত্র, প্রতিদিন বাঁচার স্থির অথচ অবিচল রীতি, এবং দমনের মাঝেও টিকে থাকার কোমল, দৃঢ় মুহূর্তগুলো।</p>
<div id="attachment_840496" style="width: 637px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840496" class="wp-image-840496 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Solitude-in-the-Courtyard-2024-–-Acrylic-on-bedsheet-fabric-637x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, Solitude in the Courtyard, 2024 – Acrylic on bedsheet fabric – 19.6 x 27.5 inches (50 x 70 cm). Photo: Courtesy of the artist." width="637" height="900" /><p id="caption-attachment-840496" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, &#8216;বৃষ্টিতে বসে থাকা&#8217;, ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ে অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০×৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p>“কারাগারে, সীমাবদ্ধতাগুলো কল্পনাশক্তিকে তীক্ষ্ণ করে”, তিনি বললেন। “যখন স্থান ও উপকরণ কম, তখনই মনে মুক্তির পথ খুঁজে নেওয়ার কাজটি করে”। রাব্বানির শিল্প গোপনে বিকশিত হয়েছে, কখনো রাতের শেষ দিকে ডেস্ক ল্যাম্পের আলোয় উদ্ভাসিত এবং মুছে ফেলার আতঙ্কটা সবসময় পাশে থাকত। সহকারী বন্দিদের সাহায্যে তিনি চোরাইভাবে অ্যাক্রিলিক ও ব্রাশ জোগাড় করেছেন এবং কারাগারের কাঠের কর্মশালা থেকে উদ্ধার করা কাঠের ফ্রেমে কাপড় টেনে দিয়েছেন।</p>
<p>শুরুর মিউরালগুলো – যেমন বিপন্ন <a href="https://www.bbc.com/news/world-middle-east-64836207" target="_blank" rel="noopener">পারসিয়ান চিতাহ পিরৌজ</a>-এর একটি যা সরাসরি প্রাঙ্গনের দেয়ালে আঁকা হয়েছিল – ছাপিয়ে রাব্বানি দ্রুত অন্তর্মূখী হয়ে গেলেন, ঘর, বিছানা এবং প্রকৃতির রুপরেখা আঁকতে শুরু করলেন, যা শুধু উপস্থিতি নয়, স্মৃতিও প্রকাশ করে। সব চিত্রই পরিসরে ছোট হলেও আবেগের দিক থেকে বিস্তৃত এবং সীমাবদ্ধতার মধ্যে চমকপ্রদ ভিজ্যুয়াল গল্প বলার একটি ধারাকে চিহ্নিত করে।</p>
<p>গ্লোবাল ভয়েসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে, ভিদা রাব্বানি কারাগারের ভিজ্যুয়াল সংস্কৃতি নথিভুক্ত করা, তার কাজের পেছনে তাৎক্ষনিক পদ্ধতি, নজরদারির মধ্যে শিল্পচর্চার আবেগিক প্রভাব ও নিরাময়, এবং কিভাবে অঙ্কনকে তার সবচেয়ে শক্তিশালী সাক্ষী হিসেবে গড়ে উঠল তা নিয়ে কথা বলেছেন।</p>
<div id="attachment_840734" style="width: 800px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840734" class="wp-image-840734 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Time-Behind-Walls-2024-800x562.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Summer Behind Walls,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="800" height="562" /><p id="caption-attachment-840734" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানির ‘দেয়ালের পেছনে গ্রীষ্মকাল,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ে অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওমিদ মেমোরিয়ান (ওএম): আপনি প্রথম কখন আঁকা শুর করেছিলেন, আর সাংবাদিকতার কাজের সাথে এটা কীভাবে বিকশিত হলো? </strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিদা রাব্বানি (ভিআর):</strong> স্মৃতিগুলো সবার জন্যই ভিন্নভাবে শুরু হয়। আমি ঠিক কত বয়সে প্রথম আঁকা শুরু করেছিলাম তা মনে নেই, কিন্তু যতদূর মনে পড়ে আমি সবময়ই আঁকা এবং শিল্পের প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। আমরা দক্ষিণ ইরানের একটি প্রত্যন্ত শহরে মধ্যবিত্ত পরিবারে জীবনজাপন করতাম। আমি স্টেশনারি দোকানগুলোর প্রতি বেসামাল মনযোগী ছিলাম – এখনো আছি। আমার মনে আছে ছোটবেলায় শুধু দুটি পুতুল ছিল আমার, তবে আমি ছবির বই, রঙের জিনিসপত্র আর প্লেডো (খেলার মাটি) দিয়ে খেলায় মগ্ন থাকতাম। আমার মা সবকিছু খুবই যত্ন করে রাখতেন যেন আমি কিছু নষ্ট না করে ফেলি।</p>
<p>প্রায় চার বছর বয়সে আমি আঁকা শুরু করি। আমার স্পষ্টভাবে মনে আছে, যখন শেষমেষ আমার হাতে ছয় রঙের জলচিত্রের সেট এবং মার্কারের একটি বাক্স আসে – সেই আনন্দটা কতটা নতুন ও গভীর ছিল। স্কুলে আমাকে ভালো একজন আঁকিয়ে হিসেবে বিবেচনা করা হতো, এমনকি একবার জাতীয় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থানও অর্জন করি। কিন্তু উৎসাহের পরিবর্তে, আমার পরিবার আমার শিল্পের প্রতি আগ্রহকে হুমকি হিসেবে দেখেছিল, বিশেষ করে আমার মা, যিনি চেয়েছিলেন আমি ডাক্তার হই। তিনি ভয় পাচ্ছিলেন যে পেইন্টিং আমার পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাবে। তৃতীয় শ্রেনীতে পড়াকালীন  আমি গোপনে একটি আর্ট ক্লাসে ভর্তি হই এবং কয়েক বছর ধরে পড়া চালিয়ে যাই। তবে সত্যিকার অর্থে আমি আঁকা আবার শুরু করি, যখন আমি এভিন কারাগারে বন্দি হই।</p></blockquote>
<div id="attachment_840735" style="width: 636px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840735" class="wp-image-840735 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-A-Moment-of-Light-2024-636x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘The Forbidden Waltz: A Moment of Light,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="636" height="900" /><p id="caption-attachment-840735" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘দ্যা ফরবিডেন ওয়াল্টজ: আ মোমেন্ট অফ লাইট,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ে অ্যাক্রিলিক, ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: আপনার কারাগারের চিত্রকর্মে আপনি কি অন্বেষণ করেছিলেন, এবং সেগুলো আপনার কাছে কি অর্থ বহন করত?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> এটি শুরু হয়েছিল যখন আমি একজন সহবন্দির জন্য একটি ছবি আঁকতে সাহায্য করেছিলাম, আর বাকিরা তা এতটা আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিল যে, আমি আবার হাতে ব্রাশ তুলে নিলাম। তাদের উৎসাহ আমাকে চিত্রকলা সামগ্রীর সাপ্লাই চাইতে উদ্ধুদ্ধ করল, যা আমার স্বামী কারাগারে নিয়ে এসেছিলেন।</p>
<p>দেয়ালে মিউরাল আঁকা দিয়ে আমি আমার যাত্রা আবার শুরু করলাম। একটি মিউরালে পিরুজকে দেওয়ালের ওপর দিয়ে দৌড়াতে দেখা যায়, এটি সহকর্মী বন্দিদের এবং পরিবেশবাদী কর্মীদের – <a href="https://www.nytimes.com/2024/04/08/world/middleeast/iran-pardons-environmentalists.html" target="_blank" rel="noopener">সেপিদে কাশানি</a> ও <a href="https://concernedscientists.org/2023/02/niloufar-bayani-wrongfully-imprisoned-and-tortured-in-iran/" target="_blank" rel="noopener">নিলুফার বায়ানিকে</a> – উৎসর্গ করা। অন্য একটি মিউরাল ভাঙা ইটের পিছনে বনপথ প্রকাশ করেছিল – যা পালানোর প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছিল। করর্তৃপক্ষ এগুলোকে রাজনৈতিকভাবে বিদ্রোহী হিসেবে দাবি করে আঁকার ওপর রঙ দিয়ে ঢেকে দিল এবং আর কোন শিল্পসামগ্রী ব্যবহার নিষিদ্ধ করল।</p>
<p>২০২৪ সালের নববর্ষের কাছাকাছি, আমি ১০-১২ দিন ধরে কারাগারের দেয়ালগুলো রঙ করে পরিবেশেকে নতুন করে তোলার চেষ্টা করেছিলাম। যা শুরু হয়েছিল পরিবেশ আলোকিত করার জন্য, তা ধীরে ধীরে প্রতিদিনের প্রতিরোধ এবং পূরর্জীবনের কার্য হয়ে উঠে।</p></blockquote>
<div id="attachment_841727" style="width: 678px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-841727" class="wp-image-841727 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/08/Vida-Rabbani-the-hills-of-Evin-678x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘The Hills of Evin,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="678" height="900" /><p id="caption-attachment-841727" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘এভিনের পাহাড়গুলো,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ে অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<blockquote><p>পরবর্তীতে, বাকি বন্দিরা আমাকে তাদের বিছানা, ঘর বা ওয়ার্ডের কোনাগুলো আঁকার জন্য অনুরোধ করল যেন তারা তাদের পরিবারের সাথে এটা শেয়ার করতে পারে। এটি আমাকে অনুপ্রাণিত করল, যেন আমি নারীদের ওয়ার্ডকে এমনভাবে নথিভুক্ত করি যা বাইরে থেকেও দেখা যায়। আমার প্রথম অন্তর্মুখী চিত্র ছিল আমার সেল জানালা থেকে দেখা এভিনের পাহাড়ের দৃশ্য।</p>
<p>যদিও আগে আমি কখনো প্রতিকৃতি আঁকিনি, আমি দেখাতে চেয়েছিলাম যে বন্দিত্ব কিভাবে মানুষের মুখ ও আত্মার ওপর প্রভাব ফেলে। আমি প্রথমবারের মতো <a href="https://www.uscirf.gov/religious-prisoners-conscience/forb-victims-database/golrokh-ebrahimi-iraee" target="_blank" rel="noopener">গুলরুখ ইরাঈ</a>-এর প্রতিকৃতি এঁকেছিলাম। পরে যখন <a href="https://www.amnesty.org.uk/urgent-actions/kurdish-woman-activist-sentenced-death" target="_blank" rel="noopener">পাকশন আজিজি</a>-কে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়, আমার বন্ধু <a href="https://www.frontlinedefenders.org/en/profile/hasti-amiri" target="_blank" rel="noopener">হাস্তি আমিরি</a>, যিনি মুক্তির পথে ছিলেন, আমাকে অনুরোধ করে পাকশনকে আঁকার জন্য যাতে সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়। তার মুক্তির আগে রাতে আমি এটি বিছানায় ল্যাম্পের আলোয় এঁকেছিলাম। যেহেতু ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ ছিল, আঁকা একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায় কারাগারের মানুষ এবং স্থানগুলোর দৃশ্যমান সংরক্ষণ করার।</p></blockquote>
<div id="attachment_840736" style="width: 764px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840736" class="wp-image-840736 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Pakhshan-Azizi-764x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Pakhshan Azizi,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="764" height="900" /><p id="caption-attachment-840736" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, &#8216;পাকশান আজিজি,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: সীমাবদ্ধতার মধ্যে, আপনি কীভাবে কারাগারে আর্ট সাপ্লাই পেতেন?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> এক বন্দি আমাকে সাহায্য করেছিল, পারিবারিক ভিজিটের সময় তেল রঙ ও ব্রাশ আনার মাধ্যমে, এগুলো নিজের কাপড়ে লুকিয়ে নিয়ে আসত। মাস লেগে যেত পর্যাপ্ত সামগ্রী জোগাড় করতে।</p>
<p>শেষ পর্যন্ত, নববর্ষ উপলক্ষে ২০২৩ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী <a href="https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2023/mohammadi/facts/" target="_blank" rel="noopener">নার্গেস মোহাম্মাদি</a> কর্তৃপক্ষকে রাজি করাতে সক্ষম হন যাতে আমরা একটি বড় পরিমাণ শিল্পকলা সামগ্রী আনতে পারি। আমি সুযোগটি কাজে লাগিয়ে প্রাচ্যের রঙের সাথে মিশিয়ে প্রপার অ্যাক্রিলিক রঙ কারাগারে প্রবেশ করালাম।</p></blockquote>
<p><strong>এম: কারাগারে পেইন্টিং করার সময় আপনি কি কি বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন, এবং তা কীভাবে অতিক্রম করেছিলেন?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> অনেক বাঁধা ছিল। আমার কাছে ক্যানভাস ছিল না, তাই কারাগারের কাঠের ফ্রেম ব্যবহার করে এবং বেডশিটের ওপর নোখ দিয়ে টেনে বানিয়েছি। এজন্য আমার সব চিত্রে মাপ ৫০×৭০ সেমি (১৯.৬×২৭.৫ ইঞ্চি)। রঙ সীমিত ছিল – বিশেষ করে সাদা রঙ দ্রুত শেষ হয়ে যেত। তাই আমি রঙ খুব সাবধানে ব্যবহার করতাম। ফলস্বরূপ, রঙের স্তরগুলো খুবই পাতলা।</p>
<p>যখন ব্রাশগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যেত, আমি ওয়ার্ডেন-এর অফিসের সামনে সারাদিন বসে থাকতাম যতক্ষন না পর্যন্ত তারা আমাকে একটি প্যালেট নাইফ ও দুইটি ব্রাশ দেওয়ার জন্য রাজি হতো, শর্ত হিসেবে বলা হয়েছিল যে কোন শিল্পকর্ম তাদের অনুমতি ব্যতীত বাহিরে নেওয়া যাবে না।</p></blockquote>
<div id="attachment_840737" style="width: 1128px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840737" class="size-full wp-image-840737" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Late-Night-Flashbacks-a-self-portrait.jpeg" alt="" width="1128" height="1600" /><p id="caption-attachment-840737" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘ভিদা, হারিয়ে যাওয়ার একমাত্র জায়গা,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় পেইন্টিং কীভাবে আপনার মানসিক ও আবেগের অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলেছিল?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> যদিও কারাগারে আমি কখনো অকার্যকর অনুভব করিনি, তবুও চিত্রকল্প আমাকে নতুন শক্তি ও উদ্দেশ্য দিয়েছে। আমি প্রতিদিন উত্তেজিত হয়ে ঘুম থেকে উঠতাম, আমার কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। আমি ওয়ার্ডকে সবসময় পর্যবেক্ষন করতাম, নতুন বিষয় খুঁজে বের করার জন্য। জানতাম যে মুক্তির আগে আমি সবকিছু আঁকতে পারব না, তাই পরে বাইরে চলার জন্য প্রচুর স্কেচ করতাম। এটি সময়কে দ্রুত অতিবাহিত করাত এবং আমার কারাগারের অভিজ্ঞতাকে এমন এক শিল্পমূখী সুযোগে রুপান্তরিত করেছিল যা আমি হারাতে চাইনি।</p></blockquote>
<div id="attachment_841728" style="width: 678px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-841728" class="wp-image-841728 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/08/Vida-Rabbani-Golrokh-Iraee-a-portrait-678x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Golrokh Iraee, a portrait,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="678" height="900" /><p id="caption-attachment-841728" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানির, ‘গুলরুখ ইরাঈ, একটি পোর্ট্রেট,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ ×, ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। শিল্পীর সৌজন্যে প্রদত্ত ছবি।</p></div>
<p><strong>ওএম: অন্যান্য বন্দি ও কারারক্ষীদের আপনার কাজের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া ছিল?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পেয়েছি সহবন্দীদের প্রতিক্রিয়া থেকে। আমি প্রথমে শুধু পড়াশোনার ওপর মনোযোগ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম, কিন্তু তাদের উৎসাহ আমাকে শিল্পের দিকে টেনে নিয়ে গিয়েছে। নববর্ষের সময়, আমি যখন সিড়িঁর ছবি আঁকছিলাম, তারা বারবার আমার খোঁজ নিতে আসছিল, আমার জন্য খাবার ও কফি নিয়ে আসত যার ফলে আমার মনে হচ্ছিল যে আমি অর্থবহ কিছু করছি।</p>
<p>অনেক রাতে, আমি ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসতাম আর এসেই দেখতাম আমার বিছানায় খাবারের প্লেট রাখা আছে। আমার মনে হয় না আমি কখনো এতটা কৃতজ্ঞ বা উদ্দেশ্যপূর্ণ অনুভব করেছি, যতটা আমি সেই দিনগুলোতে করেছিলাম। একজন বন্দি আমাকে বলেছিল যে দেওয়ালের মিউরালগুলো ওয়ার্ডে নওরুজের প্রান বয়ে এনেছে।</p></blockquote>
<div id="attachment_840738" style="width: 633px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840738" class="wp-image-840738 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Steam-and-Silence-633x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Sepideh, Steam and Silence,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="633" height="900" /><p id="caption-attachment-840738" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ’সেপিদে, স্টিম অ্যান্ড সাইলেন্স,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, মাপ ৫০ ×৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: এই অভিজ্ঞতা কি আপনার শিল্পধারা বা কৌশলের ওপর কোন প্রভাব ফেলেছেন?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> আমি কোন প্রশিক্ষিত শিল্পী নই এবং আমার কোন নির্দিষ্ট স্টাইলও ছিল না। বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা ছিল, কিন্তু আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পাইনি। আমি কখনো ফটোরিয়ালিজম পছন্দ করতাম না – অতিরিক্ত বিস্তারিত আমর কাছে আকর্ষণীয় লাগে নি। আমি দৃশ্যমান ব্রাশস্ট্রোক ও টেক্সচার পছন্দ করি এবং রঙগুলো খুব মিশ্রভাবে মিশাতে চাইনি।</p>
<p>তবুও, আমি আমার কারাগারের পেইন্টিং গুলো যখন একসাথে দেখি, তখন আমি সেখানে স্পষ্ট উন্নতি দেখতে পাই। আমার কৌশল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে এবং আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়েছি।</p></blockquote>
<p><strong>ওএম: এখন যেহেতু আপনি মুক্ত, আপনি কি আপনার কারাগারের চিত্রকর্ম প্রদর্শন বা প্রকাশ করার পরিকল্পনা করছেন?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> হ্যাঁ, অবশ্যই। দুইটি কারনে আমি ছবি আঁকতাম: কারাগারকে আরও বাসযোগ্য করা এবং অন্যদের দেখানো যে এর ভিতরের জীবন কেমন ছিল। যদি আমি এই কাজগুলো প্রদর্শন করতে পারি, আমি সত্যিই আনন্দিত হব। এগুলো কেবল শুধু আমার জন্য ছিল না; সবসময় ভাগ করার জন্য তৈরি হয়েছিল।</p></blockquote>
<div id="attachment_840739" style="width: 642px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840739" class="wp-image-840739 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-the-Flowers-Still-Bloomjpeg-642x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Nasim, the Shadow of Execution Sentence, and the Flowers Still Bloom,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="642" height="900" /><p id="caption-attachment-840739" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘নাসিম, দ্যা শ্যাডো অফ এক্সিকিউশন সেনটেন্স, অ্যান্ড দ্যা ফ্লাওয়ারস স্টিল ব্লুম,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: আপনার চিত্র কি কোন বিশেষ বার্তা বহন করে?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> আমি কারাগারের পরিবেশকে ধরে রাখতে চেয়েছি – কখনো আনন্দময়, কখনো বিষণ্ণ। আমি চেয়েছিলাম ভিতরে জীবনের ছন্দ প্রতিফলিত হোক। কারাগারে আবেগগুলো তীব্র হয়ে যায় – শোক, আনন্দতা, নিঃসঙ্গতা, একাত্মতা; এগুলো সব বাইরে থেকেও অনেক বেশি প্রবল হয়। আমি আশা করি, আমার কাজের মধ্য দিয়ে এই অনুভূতিগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠবে।</p></blockquote>
<div id="attachment_841729" style="width: 678px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-841729" class="wp-image-841729 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/08/Vida-Rabbani-Open-wounds-678x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Open wounds,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric – 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="678" height="900" /><p id="caption-attachment-841729" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘উন্মুক্ত ক্ষত,’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রলিক, ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ × ২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: অন্য বন্দি শিল্পীরা কি আপনাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> কারাগার থেকে ছোট একটি ছুটিতে, আমি একটি <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cn9x395dx38o" target="_blank" rel="noopener">বিবিসি প্রবন্ধে</a> দেখেছিলাম, যেখানে এখন ব্রিটিশ মানুষকে দেখানো হয়েছিল, যিনি হেরোইন পাঁচারের জন্য ১৩ বছরের সাজা ভোগকালে ছবি আঁকতে শুরু করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, শিল্পই তার জীবন পরিবর্তন করেছেন এবং মুক্তির পর তিনি পেশাদার শিল্পী হিসেবে পরিনত হন, এমনকি পুরষ্কারও জিতেছেন। আমি বন্ধুদের সাথে মজা করতাম যে আমার সাজা খুব ছোট ছিল; যদি আরও ১০ বছর পেতাম – হয়তো আমিও একজন পুরষ্কারপ্রাপ্ত শিল্পী হতে পারতাম।</p></blockquote>
<div id="attachment_840740" style="width: 643px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-840740" class="wp-image-840740 size-huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Roses-Behind-Barriers-643x900.jpeg" alt="Artwork: Vida Rabbani, ‘Niloufar's Garden,’ 2024. Acrylic on bedsheet fabric, 50 x 70 cm (19.6 x 27.5 in). Photo courtesy of the artist." width="643" height="900" /><p id="caption-attachment-840740" class="wp-caption-text">ভিদা রাব্বানি, ‘নিলুফারের বাগান’ ২০২৪। বিছানার চাদরের কাপড়ের ওপর অ্যাক্রিলিক, ৫০ × ৭০ সেমি (১৯.৬ ×২৭.৫ ইঞ্চি)। ছবি চিত্রকরের সৌজন্যে।</p></div>
<p><strong>ওএম: <a href="https://www.bbc.com/news/magazine-34722937" target="_blank" rel="noopener">রিচার্ড ড্যাডের</a> মতো শিল্পীরা কারাগারে থাকাকালীন অসাধারণ কাজ করেছেন। আপনি কি মনে করেন যে বন্দিত্ব কোনভাবে আপনার সৃজনশীলতাকে উদ্দীপ্ত করেছে?</strong></p>
<blockquote><p><strong>ভিআর:</strong> আমি মনে করি না, সীমাবদ্ধতাই কেবল একটি ক্লিশে যা সৃজনশীলতাকে উদ্দীপ্ত করে। যখন আপনার শারিরীক পরিবেশ এবং সম্পদ সীমিত থাকে, তখন সমাধান খুঁযে বের করার জন্য এবং মানিয়ে নেওয়ার জন্য কল্পনাশক্তির ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়। সেই মানসিক প্রয়াশ মস্তিষ্ককে গতিশীল করে। হয়তো মনোবিজ্ঞানীরা এটি ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবেন, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ঠিক তাই হয়েছিল।</p></blockquote>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/omid-memarian/' class='user-link'>Omid Memarian</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/tauhidaakter/' class='user-link'>তৌহিদা আক্তার</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/08/19/i-painted-so-prison-wouldnt-swallow-us-whole-an-interview-with-iranian-journalist-vida-rabbani/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/07/Vida-Rabbani-Beyond-the-Prison-Walls-2024-%E2%80%93-Acrylic-on-bedsheet-fabric-400x300.jpeg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>কেনডো ১০১ঃ জাপানী তলোয়ারবাজী শেখার প্রাথমিক  গাইড</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2025/10/17/65148/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজয়]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 17 Oct 2025 10:38:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65148</guid>

					<description><![CDATA[জাপানের আধুনিক মার্শাল আর্ট শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক শক্তি, বিনম্র আচরণ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ-এর প্রতি গুরুত্ব প্রদান করে।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>জাপানের আধুনিক মার্শাল আর্ট শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক শক্তি, বিনম্র আচরণ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ-এর প্রতি গুরুত্ব প্রদান করে।    </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2025/10/17/65148/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_834662" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://www.flickr.com/photos/sklathill/215007702/in/photolist-4t4GJS-pAeuw-bfcUeM-f5ez9-6t5QP-6t5QQ-6t5QN-5kKE53-CW3sv-42j4U-jZYim-k1cTM-jZeZ9-62PB9y-jZZ4g-jZYGX-jZZpg-2f1xu-jZXUb-7BjmNA-k1dzn-5TwF4R-9Nfofj-jZXug-nkQz-kiMGP-kiTTs-ahsiDS-kiTTr-aBJpuV-87qYSR-9d5ke9-2mgzJe5-dM78M-CW3vx-CW3tU-CW3uJ-CW3oM-LKb87-NsViq-5XvE66-2oSM8qN-PLBBt-Ntomg-CW3nB-CW3od-CW3r2-CW3mz-CW3pV-CW3qnhttp://"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-834662" class="size-featured_image_huge wp-image-834662" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/05/215007702_b4101567f0_k-1200x675.jpg" alt="A kendo match." width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-834662" class="wp-caption-text">একটি কেনডো খেলা। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী <a href="https://www.flickr.com/photos/sklathill/215007702/in/photolist-4t4GJS-pAeuw-bfcUeM-f5ez9-6t5QP-6t5QQ-6t5QN-5kKE53-CW3sv-42j4U-jZYim-k1cTM-jZeZ9-62PB9y-jZZ4g-jZYGX-jZZpg-2f1xu-jZXUb-7BjmNA-k1dzn-5TwF4R-9Nfofj-jZXug-nkQz-kiMGP-kiTTs-ahsiDS-kiTTr-aBJpuV-87qYSR-9d5ke9-2mgzJe5-dM78M-CW3vx-CW3tU-CW3uJ-CW3oM-LKb87-NsViq-5XvE66-2oSM8qN-PLBBt-Ntomg-CW3nB-CW3od-CW3r2-CW3mz-CW3pV-CW3qn">ভিনসেন্ট ডায়ামান্টের</a>। সিসি:<a href="https://creativecommons.org/licenses/by-sa/2.0/deed.en">বাই-এসএ ২.০</a> এর অধীনে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div>
<p><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Kendo">কেনডোকে</a> প্রায়শই তলোয়ারের মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা। আধুনিক জাপানের এক মার্শাল আর্ট যা সারা বিশ্বের অজস্র মানুষের হৃদয় জয় করেছে। এই নির্দেশিকা কেনডোর এক সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, এর ইতিহাস, এর আনুসাঙ্গিক সারঞ্জাম, নিয়ম ও অনুশীলনের ক্ষেত্রে যে চেতনা বা স্পিরিটি সেটা তুলে ধরেছে।</p>
<p><span style="font-weight: 400;">সামুরাই তরবারি চালানো পদ্ধতি থেকে কেনডোর উৎপত্তি, এটা ফেন্সিং বা অন্য তলোয়ারবাজী খেলার মত নয়, কেনডোতে কেবল শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয় না সেই সাথে মানসিক শক্তি, সৌজন্য প্রদর্শন বা  আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়।  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডোতে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের বলা হয় কেনডোকা। তারা নিরাপত্তা সারঞ্জাম পড়ে ও এক বিশেষ তলোয়ার ব্যবহার করে যাকে বলে <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Shinai">শিনাই</a> আর তারা এক নিয়ন্ত্রিত সময়ের মধ্যে খেলা শেষ করে।  </span></p>
<h3><strong>কেনডোর এক সংক্ষিপ্ত ইতিহাস </strong></h3>
<p><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<div id="attachment_834664" style="width: 690px" class="wp-caption alignleft"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-834664" class="wp-image-834664 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/05/1200px-Japanese-Kendo-1873-by-Shinichi-Suzuki-690x600.png" alt="Kendo in the early Meiji period (1873)." width="690" height="600" /><p id="caption-attachment-834664" class="wp-caption-text">মেইজি যুগের শুরুতে (১৮৭৩ সালে) কেনডো খেলা। <a href="http://japanese-kendo-1873-by-shinichi-suzuki.png/">উইকিমিডিয়ার</a> মাধ্যমে পাওয়া পাবলিক ডোমেইন ইমেজ।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডোর শিকড় জাপানের সামন্তযুগে খুঁজে পাওয়া যায়, <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Edo_period">ইডো যুগ</a> (১৬০৩ থেকে ১৮৬৮) ছিল এমন এক যুগ যে সময় স্থায়িত্ব, নগরায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল এর বৈশিষ্ট্য, যে সময় সামুরাই যোদ্ধারা বিভিন্ন ধরণের তলোয়ার যেমন কেনজুৎসু চালানো শিখত। এই সময়ে তলোয়ার চালানো স্কুল দোজো নিজেদের শিক্ষাসূচি গঠন করে বা এই শিক্ষাসূচিকে আনুষ্ঠানিকতায় রূপ দেয় ও তাদের শারীরিক দক্ষতার প্রশিক্ষণ প্রদানের সাথে কঠোর নিয়মানুবর্তীতা এবং আচরণ শিক্ষা দেয়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আজও কেনডো আধুনিক ক্রীড়ামানসিকতা ও শিক্ষাকে গ্রহণ করার সাথে সাথে তার সামুরাই ঐতিহ্যকে সম্মান প্রদর্শন করে যাচ্ছে।  </span></p>
<h3><strong>আনুসাঙ্গিক সারঞ্জাম শিনাই ও বাগু</strong></h3>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডো যারা অনুশীলন করে তাঁরা বিশেষ কিছু সারঞ্জাম ব্যবহার করে যাতে অনুশীলন ও খেলার সময় নিরাপদে থাকা যায়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">Shinai</span><span style="font-weight: 400;">: শিনাইঃ শিহনাই হচ্ছে এক ধরনের হালকা তলোয়ার যা চারটি বাঁশের টুকরা একসাথে বেধে তৈরি করা হয়, এটি জাপানি একট শব্দ <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Katana">শিনাউ</a> থেকে এসেছে যার মানে নমনীয় বা সহজে বাকানো যায়, কাঠের তলোয়ারের তুলনায় এর গঠন অনেক নমনীয় আর এটি তুলনামূলক নিরাপদে ভাবে আঘাত করার সুযোগ দেয়। শিনাই এর আকৃতি ও নকশা কাটানা  তলোয়ারের মত করে বানানো। কাটানা হচ্ছে জাপানের এক তলোয়ার যা দেখতে বাঁকানো, খুব ধারালো একধারী ব্লেড, এর প্রান্তে একটা তার যুক্ত থাকে যাকে বলে মাইন (উপরে) এর উলটো দিকে ইয়াইবা হচ্ছে তলোয়ারের ধারালো অংশ। </span></p>
<div id="attachment_834667" style="width: 712px" class="wp-caption alignright"><a href="https://commons.m.wikimedia.org/wiki/File:Bogu.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-834667" class="wp-image-834667 size-large" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/05/1421px-Bogu-712x600.jpg" alt="A complete bogu set of protective gear. " width="712" height="600" /></a><p id="caption-attachment-834667" class="wp-caption-text">নিরাপত্তার সারঞ্জাম, একটি সম্পূর্ণ বোগু সেট। <a href="https://creativecommons.org/licenses/by-sa/3.0/deed.en">সিসিঃ বাই এসএ ৩.০ আনপোর্টেড</a> এর অধীনে ছবি <a href="https://commons.m.wikimedia.org/wiki/File:Bogu.jpg">উইকিমিডিয়ায়</a> আপলোড করা হয়েছে।</p></div>
<p><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/B%C5%8Dgu"><span style="font-weight: 400;">বোগু</span></a> <span style="font-weight: 400;">(防具)</span><span style="font-weight: 400;">:কেনডোর জন্য সর্তকতা হিসেবে একগুচ্ছ নিরাপত্তা বর্ম। এর বাম দিকে, এতে বেশ কিছু অংশ যোগ করা হয়েছে।     :</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"> মেন </span><span style="font-weight: 400;">(面)</span><span style="font-weight: 400;">: একটা ধাতব গ্রীল যুক্ত এক হেলমেট বা শিরস্ত্রাণ যাতে মুখ রক্ষা পায়, আর মুখ ও ঠোঁটের সুরক্ষার জন্য এর পাশে প্যাড যুক্ত করা হয়েছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ডো </span><span style="font-weight: 400;">(胴)</span><span style="font-weight: 400;">: মাথা বা ধড়কে নিরাপত্তা দেয় এমন এক উপাদান যা বাঁশ বা সিনথেটিক সামগ্রী দিয়ে তৈরি। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কোটে </span><span style="font-weight: 400;">(小手)</span><span style="font-weight: 400;">:  ঘন প্যাড দিয়ে বানানো এক ধরনের দস্তানা যা হাত ও কব্জিকে রক্ষা করে।  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">টারে (垂れ): হাটু ও পায়ের রক্ষার জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা সামগ্রী যা একই সাথে অংশগ্রহণকারীর নাম প্রদর্শন করে।  </span></p>
<h3><strong>কেনডোর নিয়ম</strong></h3>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডো খেলা হয় দুজনের মাঝে যে খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা যথাযথ নিয়মে সময় মেনে ও বুঝে এবং কেনডোর চেতনায় প্রতিপক্ষের বিশেষ বিশেষ এলাকায় আঘাত করে পয়েন্ট অর্জনের জন্য। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সঠিক জায়গায়গুলো হলো মেন (মাথা), ডো বা ধড়ের দুইপাশ, কোটে(কব্জি)এবং টুসকি (গলা)। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কেবলমাত্র তখন কেউ নম্বার অর্জন করবে যখন সঠিক জায়গায়, নিখুঁত ভাবে এবং কেনডোর এক চেতনাযুক্ত শব্দ কিয়াই উচ্চারণের মাধ্যমে আঘাত করবে, কিয়াই হচ্ছে এমন এক শব্দ যা উচ্চারণ করার সাথে কেনডোর খেলোয়াড়ের পুরো শরীর শক্তিতে ভরে ওঠে আর সেই মুহুর্তে কেনডোর চেতনা একদম তাঁর মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"> প্রতিটি খেলা পাঁচ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, আর যে প্রথম দুই পয়েন্ট অর্জন করে সেই বিজেতা। নীচে একটি ভিডিও দেখানো হলো যাতে কেনডোর নিয়মকানুন ব্যাখ্যা করা হয়েছে: </span></p>
<p><iframe loading="lazy" title="The Rules of Kendo - EXPLAINED!" width="650" height="366" src="https://www.youtube.com/embed/Cb13DKpDd_k?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></p>
<h3><strong>কেনডোর চেতনা; কেনডো হচ্ছে শারীরিক এক লড়াই এর চেয়ে বেশী কিছু</strong></h3>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডোকে প্রায়শই খেলার চেয়ে বেশী কিছু হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে -এটা জীবন যাপনের এক উপায়। কেনডোর মূলে রয়েছে রেইগি নামের ধারণা (礼儀, শিষ্টাচার) ও শিন গি তাই ( 心技体, মন, কৌশল ও শারীরিক সমন্বয়). কেনডো ক্রীড়ায় যারা অংশ নেয় তাঁদের অবশ্য শিখতে হয় কি ভাবে আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, প্রচণ্ড চাপের মাঝেও শান্ত থাকতে হবে, মানবতাকে জাগিয়ে তুলতে হবে ও অন্যকে শ্রদ্ধা করতে হবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইপপনে (一本) চিন্তা, এক নিখুঁত আঘাতের মাধ্যমে নাম্বার অর্জন করা, একই সাথে বস্তুগত কৌশল ও ব্যক্তিগত চরিত্রে নিখুঁত হওয়ার এক প্রতীক। কেনডো ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং ক্রমাগত আত্ম-উন্নয়নের শিক্ষা প্রদান করে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যারা কেনডো শিক্ষা লাভ করতে আসে তাদের জন্য প্রথম শিক্ষা হলো কীভাবে শিনাই ধরে থাকতে হবে, তাদের মৌলিক ভাবে সব কিছু শেখানো হয় এবং সঠিক ভাবে আঘাত করার প্রতি মনোযোগ প্রদান করার শিক্ষা দেওয়া হয়।প্রশিক্ষণ শুরু হয় কিহোন (基本),  মৌলিক অনুশীলন) এর মধ্যে দিয়ে, যার মধ্যে থাকে কাটা অনুশীলন। এর পরে (型),প্রস্তুতি পর্ব  আয়োজন করা হয় অথবা এক বিশেষ ধারার মত করে শেখানো হয়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা একই সাথে দোজোর প্রথা সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করবে যেমন নত হওয়া এবং যথাযথ পরিচ্ছদ পরিধান করা, যা কিনা কেনডোর শিক্ষার এক সংযুক্ত অংশ। এতে শারীরিক ভাবে সক্ষম থাকার আবেদন অনেক জোরালো  তবে অংশগ্রহণকারীরা প্রায়শ আবিষ্কার করে এতে একই সাথে প্রাপ্তি লাভ ঘটে মানসিক শক্তির বিকাশ ও পারস্পরিক আস্থার। </span></p>
<div id="attachment_834666" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://www.flickr.com/photos/gratapictures/5415883188/in/photolist-9fzPom-9fwFAR-aWHzgt-9fzPps-6oLAV-9fzPhb-9fwFqH-9fzP6A-9fzP1N-9fwFf6-9fzPg5-9fzP2Q-9fzPfm-9fwFzT-9fzNV7-9fwFrT-9fwFe6-9fzPey-9fwFHP-9fwFkT-4fC8Bc-9fwFu6-9fwFve-87qZ42-87qZiP-NGN3AS-87ubCh-6oLs9-vEFiz-P2DRNT-AGKiB3-4HgjUu-EzqC5V-aEAuGZ-4HgjT1-79ZrLW-PatPyt-PatP9F-AGJz47-2K1JtC-NZ8aM3-P2BSBa-vfoG3K-AGLvWG-AGLrfh-58Qr1-93UzXj-4UcY6K-ParGQ2-93UAuG"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-834666" class="wp-image-834666 size-featured_image_huge" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/05/5415883188_db11e4d301_o-1200x675.jpg" alt="Kendo practitioners." width="1200" height="675" /></a><p id="caption-attachment-834666" class="wp-caption-text">Kendo practitioners Image from Flickr user <a href="https://www.flickr.com/photos/gratapictures/">Fred Dunn</a> under CC:<a href="https://creativecommons.org/licenses/by-nc/2.0/deed.en"> BY-NC 2.0</a>.</p></div>
<h3><strong>আধুনিক সমাজে কেনডোর ভুমিকা </strong></h3>
<p><span style="font-weight: 400;">কেনডো একই সাথে প্রচলিত মূল্যবোধকে সংরক্ষণ করে আধুনিক জীবনকেও গ্রহণ করেছে। জাপানের অনেক স্কুল তাঁদের শারীরিক শিক্ষা কর্মসূচিতে কেনডো খেলাকে যুক্ত করেছে। সারা বিশ্বে কেনডো ক্লাবগুলো সকল বয়সের ও শ্রেণী পেশার নাগরিকদের এই খেলায় স্বাগত জানায়।   .</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই খেলা স্বাস্থ্য, চরিত্র গঠন আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বকে তুলে ধরে, স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতায়  অংশগ্রহণকারীকে প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতি বিনিময়ের সুযোগ করে দেয়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"> <a href="https://www.kendo-fik.org/old/english-page/english-page2/concept-of-Kendo.htm">অল জাপান কেনডো ফেডারেশন</a> এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয় যে এই খেলা নিছক এক তলোয়ারবাজীর চেয়ে বেশী কিছু; এটা আত্ম-উন্নয়নের এক পথ ও সাংস্কৃতিক উপলব্ধির এক অংস যা অংশগ্রহণকারীকে কাটানা নামের তলোয়ার খেলায় নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে। যদিও অংশগ্রহণকারীরা এতে শারীরিক চর্চার মেতে ওঠে তারপরেও  মানসিক শৃঙ্খলা অথবা তাঁরা জাপানের ঐতিহ্যের আরও গভীর এক দর্শনকে বুঝতে পারে, অনুশীলনকারীদের কেনডো এক বহুমাত্রিক চর্চার মাধ্যমে অর্জনের সুযোগ প্রদান করে দেয় । </span></p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/jo-carter/' class='user-link'>Jo Carter</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/bijoy/' class='user-link'>বিজয়</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/05/24/kendo-101-a-beginners-guide-to-japanese-sword-fighting/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/05/215007702_b4101567f0_k-400x300.jpg" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর জীবনকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে?</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2025/10/16/65447/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সিদ্রাতুল মুনতাহা]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 21:06:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসা ও অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65447</guid>

					<description><![CDATA[অপর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, সীমিত শিক্ষা সুযোগসহ নানা বাধা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে AI বিপ্লবের সুফল ভোগ করতে বাধা দিচ্ছে।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>পদক্ষেপ না নেওয়া হলে, এআই এর উত্থান কম সম্পদশালী দেশগুলোর জন্য ব্যর্থ প্রমাণিত হতে পারে।

</em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2025/10/16/65447/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_65455" style="width: 1200px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations.png"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-65455" src="https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-1200x675.png" alt="ক্যানভা প্রোতে এই চিত্রটি তৈরি করেছেন আমেয়া নাগরাজন; ‘গ্লোবাল ভয়েসেস’এর জন্য।" width="1200" height="675" class="size-featured_image_huge wp-image-65455" srcset="https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-1200x675.png 1200w, https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-400x225.png 400w, https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-800x450.png 800w, https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-768x432.png 768w, https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations-1536x864.png 1536w, https://bn.globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/GV-illustrations.png 1920w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" /></a><p id="caption-attachment-65455" class="wp-caption-text">ক্যানভা প্রোতে এই চিত্রটি তৈরি করেছেন আমেয়া নাগরাজন; ‘গ্লোবাল ভয়েসেস’এর জন্য।</p></div>
<p><strong>লিখেছেন: অ্যারন স্পিটলার</strong></p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কীভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে পরিবর্তন করতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই অসংখ্য লেখা প্রকাশিত হয়েছে। <a href="https://unctad.org/system/files?file=official-document/tir2025_en.pdf">জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের (আঙ্কটাড)</a> এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৩ সালের মধ্যে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারের মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৪.৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এআই–এর সমর্থকদের কাছে এই পূর্বাভাস একটি ইতিবাচক সংকেত যে প্রযুক্তিটি সকল দেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। তবে সংস্থাটি ভিন্ন এক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে &#8211; যে এই খাতের দ্রুত প্রবৃদ্ধি মূলত বিশ্বের উত্তরাঞ্চল বা ধনী দেশগুলোর পক্ষেই কাজ করবে। <a href="https://www.weforum.org/stories/2023/01/davos23-ai-divide-global-north-global-south/">অপর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, সীমিত শিক্ষা সুযোগসহ</a> নানা বাধা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিপ্লবের সুফল ভোগ করতে বাধা দিচ্ছে। প্রচারণার বাইরে বাস্তবতা হচ্ছে, এই বিভাজন আরও গভীর হতে পারে। তাই এটি দেখা জরুরি যে এআই কীভাবে পৃথিবীকে “যাদের আছে” এবং “যাদের নেই” এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করতে পারে।</p>
<p>ক্ষুদ্র স্তরে দেখলে, বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের বিস্তার নিম্নআয়ের দেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিপদের সংকেত দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব কাজ একঘেয়ে বা পুনরাবৃত্তিমূলক হিসেবে বিবেচিত, সেগুলোর স্বয়ংক্রিয়করণের ফলে বিপুল পরিসরে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর হাজারো মানুষের জীবিকা বিপন্ন করতে পারে। তবে এআই এর চ্যালেঞ্জ কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, বর্তমানে যে এআই টুলগুলো সাধারণ মানুষ ব্যবহার করছে, সেগুলোর বেশিরভাগই তৈরি হয়েছে উত্তর গোলার্ধে, যেখানে কেবল কিছু সংখ্যক মানুষের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার প্রতিফলিত হয়েছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই প্রযুক্তিগুলো প্রশিক্ষিত হয়েছে এমন ডেটায়, যা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট ধারণা ও প্রচলিত কুসংস্কার বহন করছে। ফলে এই পুরোনো ধাঁচের ধারণাগুলো এখন ডিজিটাল আকারে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত, যদি এখনই পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে এই এআই এর উত্থান কম সম্পদশালী দেশগুলোর জন্য আশীর্বাদ নয়, বরং অভিশাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>
<h3>অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার জন্ম</h3>
<p>এআই শ্রমবাজারকে কীভাবে বদলে দেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ওপর। <a href="https://foreignpolicy.com/2024/12/17/ai-global-south-inequality/">ফরেইন পলিসি</a> ম্যাগাজিন এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান খরচ কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এখন মানবশ্রমের পরিবর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করার সম্ভাবনা যাচাই করছে। যেসব কাজে উচ্চ দক্ষতা বা বিশেষজ্ঞতার প্রয়োজন কম, সেগুলিই প্রথমে বাদ দেওয়া হচ্ছে। ফলে যেসব শ্রমিকের কাছে প্রয়োজনীয় আধুনিক দক্ষতা নেই, তারা নিজেদের নির্ভরশীল চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোর তুলনায় এই শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগও অনেক কম। পুনঃপ্রশিক্ষণ বা নতুনভাবে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সীমিত হওয়ায় এবং চাকরির প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়তে থাকায়, বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের শ্রমিকরা দ্রুত এক অনিশ্চিত ও অস্থির অবস্থার মুখে পড়তে পারেন।</p>
<p>এই অর্থনৈতিক অস্থিরতা এসব দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর যে চাপ সৃষ্টি করবে, সেটিও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা দরকার। <a href="https://www.cgdev.org/blog/three-reasons-why-ai-may-widen-global-inequality">সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলাপমেন্ট (সিজিডি) </a> এর এক ব্লগে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক দেশেই নাগরিকদের আর্থিক সংকট থেকে রক্ষা করার মতো শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। যখন বেকারত্ব হঠাৎ বেড়ে যায়, তখন তহবিল-স্বল্পতা ও অপরিণত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সেই ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খায়। ফলে কর্মহীন নাগরিকদের সহায়তা করার ক্ষমতা সীমায় পৌঁছে যায়। এর পরিণতিতে অনেকেই এই ব্যবস্থার ফাঁক গলে দারিদ্র্যের ফাঁদে পড়ে যান, যা সাধারণ জনগণের এক বৃহৎ অংশকে প্রভাবিত করে। যদিও কেউ কেউ এআই এর কারণে চাকরি হারানোকে অনিবার্য বলে হালকাভাবে নেন, তবুও এটি সমাজের স্থিতিশীলতা ও সহনশীলতার ওপর যে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, তা উপেক্ষা করা একেবারেই উচিত নয়।</p>
<h3><em><b>সংস্কৃতিগত শ্রেণিবিন্যাসের ডিজিটাল রূপ</b></em></h3>
<p>এআই এর সমস্যাগুলো কেবল তার ব্যবহারের পদ্ধতিতেই নয়, বরং এর নির্মাণ প্রক্রিয়াতেও লুকিয়ে আছে। <a href="https://www.project-syndicate.org/commentary/ai-governance-first-principles-must-include-global-south-by-robert-muggah-et-al-2023-03">প্রোজেক্ট সিন্ডিকেট</a> ম্যাগাজিন এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আজকের যে এআই নির্ভর প্রযুক্তিগুলো মূলধারায় স্থান পেয়েছে, সেগুলো মূলত উত্তর গোলার্ধের ভোক্তাদের জন্য তৈরি। কিন্তু এই প্রযুক্তিগুলোকে যেসব দেশে স্থানীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করেই ব্যবহার করা হচ্ছে, সেখানে সেগুলোর কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যায়। ফলে এই তথাকথিত “সমাধানগুলো” শেষ পর্যন্ত বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ব্যবহারকারীদের জন্য আরও নতুন সমস্যা তৈরি করার সম্ভাবনা থেকে যায়। যদিও কিছু দেশ ইতিমধ্যে এআই এর ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে নিয়মনীতি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, তবুও অধিকাংশ দেশেই এখনো এই বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মতো নীতিগত কাঠামো গড়ে ওঠেনি। তাই অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষতি ইতিমধ্যেই ঘটে যাচ্ছে।</p>
<p>উত্তর গোলার্ধে তৈরি এবং পরবর্তীতে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পণ্যগুলো নানা দিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ। <a href="https://www.wired.com/story/abeba-birhane-ai-datasets/">ওয়াইয়ার্ড</a> ম্যাগাজিন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রযুক্তিতে সেসব অঞ্চলের মানুষের মূল্যবোধ ও চিন্তাধারা প্রোগ্রাম করা থাকে, যা প্রায়ই বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবন অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সীমিত দৃষ্টিভঙ্গি–সম্পন্ন ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষিত এই টুলগুলো উন্নয়নশীল দেশের ভোক্তাদের কাছে “সহায়ক” হিসেবে বিক্রি করা হয়, অথচ বাস্তবে এগুলো ক্ষতিকর, কারণ এগুলো নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায় সম্পর্কে পক্ষপাত, ভুল ধারণা ও বিকৃত চিত্র তৈরি করে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এসব পশ্চিমকেন্দ্রিক এআই এর সমালোচকরা বিকল্প উপস্থাপন করতে পারেন না, কারণ তাদের সম্পদ ও সামর্থ্য ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকার বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অতি সীমিত। ফলে তারা প্রায়ই কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রযুক্তি তৈরি করতে অক্ষম থাকেন, এবং বৈষম্যমূলক এই প্রযুক্তির প্রবাহ অনবরত চলতেই থাকে।</p>
<h3><em>ন্যায়সঙ্গত সমাধানের কল্পনা</em></h3>
<p>সমস্ত প্রমাণ বিচার করলে সহজেই বোঝা যায় যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব ফেলা বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তবুও এই ফলাফল অনিবার্য নয়। এআই যেভাবে মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনছে, তা মোকাবিলায় এসব অঞ্চলের নীতিনির্ধারকদের এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা এবং সামাজিক সহায়তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা নাগরিকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়া,<a href="https://www.techpolicy.press/the-dangers-of-imposing-global-north-approaches-to-ai-governance-on-the-global-south/"> বিশ্বের দক্ষিণের দেশগুলোর নেতারা যেন একত্রে বসে এআই এর নিয়ম, মান ও নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন </a>এমন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাও অত্যন্ত জরুরি। এতে সরকারী পর্যায়ে নীতি নির্ধারকরা এআই সম্পর্কিত বিষয়ে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এই আলোচনাগুলো থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও অন্তর্দৃষ্টি পরবর্তীতে এমন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে যা সরাসরি মানুষের চাহিদা ও বাস্তব সমস্যার প্রতিফলন ঘটাবে। </p>
<p>বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে উপযোগী এআই টুল তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য এসব অঞ্চলে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে <a href="https://www.technologyreview.com/2023/11/17/1083637/lelapa-ai-african-languages-vulavula/">স্থানীয় উদ্ভাবক ও তরুণ প্রযুক্তিবিদদের জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা</a> থাকবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো <a href="https://www.theguardian.com/commentisfree/ng-interactive/2025/aug/03/artificial-intelligence-global-south">উত্তর গোলার্ধের একচেটিয়া প্রভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সক্ষম</a> হবে, যেখানে এখনো ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি কখনো ক্ষতিকর প্রযুক্তিগুলো তাদের বাজারে ভরিয়ে তুলেছে। এই সহযোগিতা থেকে এমন নতুন এআই টুলের বিকাশ ঘটতে পারে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে আরও মানানসই হবে, এবং একইসঙ্গে সেইসব পণ্যের সংখ্যা কমিয়ে আনবে, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে পক্ষপাত ও ভুল ধারণা পুনরুৎপাদন করে আসছে। এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক এআই বৈষম্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যার মাধ্যমে আমরা এমন এক পৃথিবীর দিকে এগোতে পারব, যেখানে প্রযুক্তি সত্যিই সবার কল্যাণে কাজ করবে।</p>
<div class="notes">অ্যারন স্পিটলার একজন গবেষক, যিনি উদীয়মান প্রযুক্তি ও মানবাধিকারের সংযোগস্থলে কাজ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন, ইন্টারনেট সোসাইটি এবং হার্ভার্ডের বার্কম্যান ক্লেইন সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি নীতি প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেছেন। তাঁর লক্ষ্য প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণের একটি ইতিবাচক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।</div>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/aaronspitler/' class='user-link'>Aaron Spitler</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/muntaha0412/' class='user-link'>সিদ্রাতুল মুনতাহা</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/08/25/does-ai-really-have-the-power-to-positively-transform-the-lives-of-the-global-majority/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/08/GV-illustrations-400x300.png" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
		<item>
		<title>আমাদের স্ক্রিনের পেছনের ঘটনা: ‘কারিগর’ খনন ও ‘প্রাকৃতিক’ প্রযুক্তির বাস্তবতা</title>
		<link>https://bn.globalvoices.org/2025/10/13/65436/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সিদ্রাতুল মুনতাহা]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 06:42:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কঙ্গো ডে. রিপাবলিক]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bn.globalvoices.org/?p=65436</guid>

					<description><![CDATA[প্রযুক্তি তৈরির সঙ্গে জড়িত মানবাধিকার লঙ্ঘনকে পরিবেশগত প্রভাব থেকে আলাদা করে দেখার চেষ্টা করা অযৌক্তিক হবে।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><big class='tagline'><em>কোবাল্ট উত্তোলনের প্রকৃত খরচ প্রকাশ করা হচ্ছে </em></big></p><p class='originally-published'><small>প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে <a href='https://bn.globalvoices.org/2025/10/13/65436/'>Global Voices বাংলা ভার্সন</a></small></p><div id="attachment_844380" style="width: 800px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-844380" class="size-full wp-image-844380" src="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/Artisanal-mining-and-natural-technology-Tactical-tech.png" alt="" width="800" height="450" /><p id="caption-attachment-844380" class="wp-caption-text"><span style="font-weight: 400;">এই ছবিটি লিজ ক্যারিগান ও সাফা তৈরি করেছেন, যেখানে ইয়োরগোস বাগাকিস, আলেসান্দ্রো ক্রিপস্টা এবং লা লোমার কিছু ভিজ্যুয়াল অংশ অনুমতি নিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।</span></p></div>
<p><em><span style="font-weight: 400;">এই নিবন্ধটি ‘<a href="https://tacticaltech.org/news/insights/digitized-divides/">ডিজিটাল ডিভাইসেস</a>’ সিরিজের জন্য সাফা লিখেছেন এবং এটির </span><span style="font-weight: 400;"><a href="https://tacticaltech.org/news/insights/natural-tech/">মূল সংস্করণ</a> </span><span style="font-weight: 400;"><a href="http://tacticaltech.org">tacticaltech.org </a>-এ প্রকাশিত হয়েছিল। এর সম্পাদিত সংস্করণটি গ্লোবাল ভয়েসেস-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে।</span></em></p>
<p>মানুষ যখন “প্রাকৃতিক” বনাম “কৃত্রিম” বিষয়টি নিয়ে কথা বলে, তখন সাধারণভাবে ধরে নেওয়া হয় যে প্রযুক্তি কৃত্রিম দিকেই পড়ে। কিন্তু প্রযুক্তি তৈরির উপাদান ও বস্তুগুলো আসলে পৃথিবী থেকেই আসে, এবং বহু মানুষের হাতে পরিচালিত হয়।</p>
<p>তাহলে আসলে “প্রাকৃতিক” বলতে কী বুঝায়? <a href="https://www.youtube.com/watch?v=1Jh8EjXqzxA">মানবতাবাদী, নেতা ও বক্তা কাভে বুলাম্বো ২০২৪ সালের এক ভাষণে বলেন,</a> “একটি সবুজ জ্বালানিতে রূপান্তরিত বিশ্ব কল্পনা করা অসম্ভব, যদি এই খনিজ সম্পদগুলোর কথা না বলা হয়। যখন আপনি বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবনের চেষ্টা করবেন তখন দেখবেন, এই জাঁকজমকপূর্ণ প্রযুক্তি জগতের পেছনে রয়েছে পুরুষ, নারী, এমনকি শিশুদের কঠোর পরিশ্রম, যারা কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কোবাল্ট খনিতে শোষণ ও দমনের মধ্যে কাজ করছে।”</p>
<p>প্রযুক্তি তৈরির সঙ্গে জড়িত মানবাধিকার লঙ্ঘনকে পরিবেশগত প্রভাব থেকে আলাদা করে দেখার চেষ্টা করা অযৌক্তিক হবে। <a href="https://www.npr.org/sections/goatsandsoda/2023/02/01/1152893248/red-cobalt-congo-drc-mining-siddharth-kara">আধুনিক দাসত্ব বিষয়ক গবেষক সিদ্ধার্থ কারা</a> কোবাল্ট খননের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে বলেন: “লক্ষ লক্ষ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, খনির আশেপাশের বাতাস ধুলা ও ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, এবং খনি প্রক্রিয়াজনিত বিষাক্ত বর্জ্যে পানি দূষিত হয়েছে।”</p>
<h3><strong>কোবাল্ট ও ‘সবুজ’ জ্বালানি</strong></h3>
<p>কোবাল্ট একটি পাথর, যার নীলচে রঙ প্রায় রহস্যময়—শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটি <a href="https://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/arcm.12794">শিল্পকলায় ব্যবহৃত</a> হয়ে আসছে। বর্তমানে এটি রিচার্জেবল ব্যাটারি তৈরির জন্য অপরিহার্য—যেমন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, বৈদ্যুতিক গাড়ি ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। কোবাল্ট <a href="https://ensia.com/features/cobalt-sustainability-batteries/">“সবুজ জ্বালানি বিপ্লব”</a> এ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হলেও, এটি স্পর্শ বা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে বিষাক্ত প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p><a href="https://www.cfr.org/blog/why-cobalt-mining-drc-needs-urgent-attention">বিশ্বের মোট কোবাল্ট মজুদের প্রায় ৭০ শতাংশ</a>ই গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (DRC) পাওয়া গেছে। সেখানে কোবাল্ট খননের ক্ষতিকর প্রভাব বুঝতে হলে, দেশের ঔপনিবেশিক ইতিহাস বিবেচনা করা জরুরি। ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরও সম্পদ শোষণ চলতে থাকে, যা আজও দেশটির খনিশিল্পের <a href="https://thetricontinental.org/wp-content/uploads/2024/06/20240624_D77_EN_Web-1.pdf.">কাঠামোকে প্রভাবিত করছে</a>। <a href="https://saiia.org.za/wp-content/uploads/2009/06/Occasional-Paper-35.pdf">কোলওয়েজি</a> শহরটি বেলজিয়াম কর্তৃক নির্মিত হয় একটি বর্ণবাদী বিভাজন নীতির অধীনে, এবং বর্তমানে এর আশপাশে অসংখ্য খোলা-পিট খনি রয়েছে।</p>
<p>কোবাল্ট খননে আন্তর্জাতিক কোম্পানি ও স্থানীয় ক্ষুদ্র খনিশ্রমিক উভয়ই যুক্ত, যদিও এখন শিল্প খনিগুলোই প্রভাবশালী। তথাপি, ক্ষুদ্র ও স্থানীয় খনন (ASM) এখনো ব্যাপক, যেখানে হাজার হাজার শ্রমিক বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে হাতে করে কোবাল্ট উত্তোলন করেন। কারা <a href="https://www.npr.org/sections/goatsandsoda/2023/02/01/1152893248/red-cobalt-congo-drc-mining-siddharth-kara">বর্ণনা</a> করেন, “যে জায়গা থেকে বিশ্বের প্রায় সব কোবাল্ট আসে, সেই সরবরাহ শৃঙ্খলের নিচের দিকটা এক ভয়াবহ চিত্র।”</p>
<p>আপনার মনে কি আসে যখন আপনি “কারিগর” (artisanal) শব্দটি শুনেন? সম্ভবত তখন আপনার মনে আসে না যে সেখানে স্থানীয় শ্রমিকরা বিপজ্জনক এবং প্রায়ই বিষাক্ত পরিবেশে খুঁড়ে খনিজ উত্তোলন করছেন, কেউ তাদের পরিবার চালানোর জন্য খুব সামান্য আয় করছে, আবার কেউ ছোট দলের মধ্যে খনিজ ব্যবসায় জড়িত। ‘কারিগর’ শব্দের অর্থ হলো ছোট পরিসরের এবং হাতে তৈরি, যা কিছুটা সত্য কারিগর খনি শ্রমিকদের কাজে। কিন্তু এই শব্দটি সাধারণত মনে করায় একটি সুন্দর পাড়ার বাজার বা ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি চিজ বা সাবান— এটা নয় যে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্করা বন্দুকের মুখে হাতে হাতে বিষাক্ত পাথর খুঁজে তুলছে।</p>
<p>এই শব্দটির কিছুটা অর্থ এসেছে এর নিম্ন প্রযুক্তিনির্ভর প্রকৃতির কারণে, যেখানে ব্যক্তিরা এমন খনিজ উত্তোলন করেন যা বড় খনি কোম্পানির জন্য অকার্যকর, ঝুঁকিপূর্ণ বা উপযুক্ত নয়। তবুও, কারিগর খনি খনন মোটেই ছোট পরিসরের নয়।<a href="https://rue.bmz.de/rue-en/topics/asm-86746"> বিশ্বজুড়ে ১০ কোটি মানুষেরও বেশি</a> মানুষ এতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্ত বা এর আয়ের ওপর নির্ভরশীল। যদিও এটি শিল্প খননের তুলনায় কিছুটা মানবিক মনে হতে পারে, যা মানবাধিকারের ক্ষেত্রে <a href="https://www.boell.de/en/2025/01/16/false-promise-responsible-mining">সবচেয়ে খারাপ রেকর্ডের মধ্যে একটি,</a> কারিগর খনি খননে প্রায়শই পরিবেশ, শ্রমিক নিরাপত্তা এবং নারী ও শিশুর অধিকারের <a href="https://www.igfmining.org/artisanal-and-small-scale-mining/">সুরক্ষা থাকে না</a>।</p>
<p>এই ধরনের খনন কোলওয়েজিতে প্রচলিত,  বিশেষ করে যেখানে বড় খনিপ্রকল্পের কারণে মানুষ <a href="https://www.amnesty.org/en/documents/afr62/3183/2016/en/">উচ্ছেদ</a> হয়েছে। সরকার খাতটিকে নিয়মবদ্ধ করার চেষ্টা করলেও, স্থানীয় খনন এখনো চলছে। স্থানীয়ভাবে যাদের “ক্রুসার” (Creuseurs) বলা হয় (খননকারী অর্থে)  তাদের ঘরের নিচে বা নতুনভাবে ঘোষিত “অবৈধ সাইট” এ খনন চালিয়ে যাচ্ছে। এক খনি শ্রমিক, <a href="https://electronicswatch.org/en/the-creuseurs-diggers-at-the-centre-of-the-world-s-push-for-evs-are-in-peril_2636464">এডমন্ড কালেঙ্গা, এ বিষয়ে বলেন,</a> “খনিজগুলো যেন গ্রামের মধ্যে দিয়ে সাপের মতো চলে যায়। তুমি শুধু সেই সাপটাকে অনুসরণ করো।”</p>
<h3><b>‘রক্ত কোবাল্ট’</b></h3>
<p><a href="https://www.amnesty.org/en/documents/AFR62/7009/2023/en/">অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ২০২২ সালের এক প্রতিবেদনে</a> তিনটি খনির এলাকার বেশ কিছু মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তুলে ধরা হয়। সেখানে নথিপত্র, স্যাটেলাইট ছবি এবং পূর্বে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রমাণ করা হয় যে, তথাকথিত “জ্বালানি রূপান্তর” প্রকল্পের নামে মানুষকে জোরপূর্বক তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। <a href="https://www.ohchr.org/en/special-procedures/sr-housing/forced-evictions">জোরপূর্বক উচ্ছেদ</a> মানবাধিকারের একটি মৌলিক লঙ্ঘন, যা শুধু জীবিকার ক্ষতি নয়, বরং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকারের মতো অন্যান্য অধিকারকেও হরণ করে। এসব উচ্ছেদ সরকার ও <a href="https://www.bloomberg.com/news/features/2018-03-28/never-mind-the-mines-in-congo-there-s-cobalt-under-the-house">খনন কোম্পানিগুলোর যৌথ প্রচেষ্টায়</a> খনি খাতকে আনুষ্ঠানিক করার অংশ হিসেবে ঘটেছিল।দূষিত খনির আশপাশে বসবাসকারী মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে রয়েছে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের খনি অঞ্চল <a href="https://www.thelancet.com/journals/lanplh/article/PIIS2542-5196(20)30059-0/fulltext">বিশ্বের ১০টি সবচেয়ে দূষিত এলাকার</a> একটি। <a href="https://www.sciencedirect.com/science/article/abs/pii/S1438463924001603">গবেষণায় দেখা গেছে,</a> কোবাল্টসহ ভারী ধাতুর সংস্পর্শে আসা জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায়। এমনকি স্থানীয় শিশুদের প্রস্রাবে উচ্চমাত্রায় কোবাল্ট<a href="http://www.sciencedaily.com/releases/2018/09/180920102107.htm"> পাওয়া গেছে</a>।</p>
<p>মানবাধিকার লঙ্ঘনের পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের অগণিত ক্ষতি একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত — জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস, বায়ু, মাটি ও পানিদূষণ, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, সহিংসতা এবং জীবিকা হারানোর মতো সমস্যাগুলো এর অংশ। এসব প্রভাবের ফলে <a href="http://ejatlas.org/conflict/kolwezi-ecological-and-sanitary-disaster.">নতুন নতুন সংকটও দেখা দিচ্ছে</a>; যেমন উচ্ছেদ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও জ্ঞানের ক্ষয়। হীরকখনি যেমন সংঘাতের প্রতীক হয়ে উঠেছিল, তেমনি কোবাল্টও এখন “সংঘাতজনিত খনিজ”-এর মধ্যে অন্যতম, যা শোষণমূলক উপায়ে উত্তোলিত হয়ে ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনছে।</p>
<p>লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো; যেমন<a href="https://www.business-humanrights.org/en/latest-news/tesla-secures-cobalt-sourcing-deal-with-glencore-despite-human-rights-concerns-linked-to-cobalt-mining/"> টেসলা</a> — মাঝে মাঝে সরবরাহ চেইনে স্বচ্ছতার দাবিতে প্রতিক্রিয়া জানালেও, কোবাল্টের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কোম্পানিগুলোর ওপর নৈতিক ও মানবাধিকারের দায়িত্ব আরও বাড়ছে। অ্যালফাবেট (গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান), অ্যাপল, ডেল, মাইক্রোসফট এবং টেসলার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা জোরপূর্বক শ্রমিকদের দ্বারা উত্তোলিত কোবাল্ট কিনেছে এবং শিশু শ্রমের ওপর নির্ভরতা আড়াল করার চেষ্টা করেছে — এমনকি চরম দারিদ্র্যের শিকার শিশুদের ক্ষেত্রেও।</p>
<p>যদিও <a href="https://www.reuters.com/legal/us-appeals-court-dismisses-child-labor-case-against-tech-companies-2024-03-05/">মার্কিন আদালত রায়</a> দিয়েছে যে সরবরাহকারীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ক্রেতা কোম্পানিগুলো দায়ী নয়, তবুও <a href="https://www.reuters.com/markets/commodities/dr-congo-presses-apple-over-minerals-supply-chain-lawyers-say-2024-04-25/">অ্যাপলের বিরুদ্ধে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।</a> আফ্রিওয়াচের নির্বাহী পরিচালক <a href="https://www.amnestyusa.org/reports/this-is-what-we-die-for-human-rights-abuses-in-the-democratic-republic-of-the-congo-power-the-global-trade-in-cobalt/">ইমানুয়েল উমপুলা বলেন</a>, “এটা ডিজিটাল যুগের এক বিশাল প্যারাডক্স—বিশ্বের ধনী ও উদ্ভাবনী কোম্পানিগুলো অবিশ্বাস্য প্রযুক্তি তৈরি করতে পারে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে উপাদানের উৎস সম্পর্কে স্বচ্ছতা দাবি করা হয় না।”</p>
<p>ইউরোপীয় সংসদ একটি <a href="https://www.hrw.org/news/2024/04/24/eu-parliament-approves-supply-chain-law">আইন পাস করেছে</a>, যার মাধ্যমে বড় কোম্পানিগুলোকে মানবাধিকার ও পরিবেশ সংক্রান্ত যথাযথ যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে—এটি সরবরাহকারীদের দ্বারা সংঘটিত অধিকার লঙ্ঘনের জন্য কর্পোরেশনগুলোকে দায়বদ্ধ করার দিকে একটি পদক্ষেপ। তবে সরবরাহ চেইন নিজেই সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। কোবাল্টের ক্ষেত্রে প্রায়শই শিশু শ্রমে উত্তোলিত খনিজ ও শিশু শ্রমমুক্ত খনিজ একসঙ্গে মিশিয়ে পরিশোধনাগারে পাঠানো হয়, ফলে <a href="https://www.abc.net.au/news/2022-02-24/cobalt-mining-in-the-congo-green-energy/100802588">উৎস নির্ণয় করা কঠিন, অনেক সময় অসম্ভব</a> হয়ে পড়ে। উপরন্তু, “শিশু শ্রমমুক্ত” লেবেল থাকলেই তা মানবিক বা নিরাপদ পরিবেশে উত্তোলিত, এমন নিশ্চয়তা নেই। ডিআরসির খনি খাতে জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতার বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণ ও সুপারিশ করেছে <a href="https://www.cartercenter.org/resources/pdfs/news/peace_publications/democracy/congo-report-carter-center-nov-2017.pdf">দ্য কার্টার সেন্টার।</a></p>
<p>আমাদের জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে মূলত চ্যাটজিপিটি, ক্রিপ্টোকারেন্সি, এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেটের মতো উদ্ভাবনের কারণে। <a href="https://www.technologyreview.com/2023/12/01/1084189/making-an-image-with-generative-ai-uses-as-much-energy-as-charging-your-phone/">এক গবেষণায় দেখা গেছে</a>, জেনারেটিভ এআই দিয়ে একটি ছবি তৈরি করতে যত বিদ্যুৎ লাগে, তা দিয়ে একটি স্মার্টফোন পুরোপুরি চার্জ করা যায়। বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান <a href="https://www.goldmansachs.com/insights/articles/AI-poised-to-drive-160-increase-in-power-demand">গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে</a>, এআই-চালিত একটি সার্চ সাধারণ সার্চের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। গুগল ও মাইক্রোসফট <a href="https://www.npr.org/2024/07/12/g-s1-9545/ai-brings-soaring-emissions-for-google-and-microsoft-a-major-contributor-to-climate-change">নিজেরাই জানিয়েছে</a>, এআই ব্যবহারের কারণে তাদের কার্বন নিঃসরণ বেড়েছে। যখন পানি ও খাদ্য সংকট এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বাস্তব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন প্রশ্ন উঠছে,পৃথিবী আর কতদিন এই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাগুলো বহন করতে পারবে? হয়তো একদিন আমরা তাকাবো প্রকৃতির দিকে, যার উপাদান আমাদের স্ক্রিন চালাতে যে শক্তির প্রয়োজন তাতে ব্যবহার হচ্ছে, এবং সেটিকে পর্যালোচনা করব, তখন আমরা সত্যিই বুঝতে পারব তার বিষাক্ত প্রভাব মানুষ ও পৃথিবীর ওপর কতটা গভীর।</p>
<div class='gv-rss-footer'><strong><div class='text-credits-container'><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(English) ভাষায় লিখেছেন </span> <a href='https://globalvoices.org/author/tacticaltech/' class='user-link'>Tactical Tech</a>, <a href='https://globalvoices.org/author/safa/' class='user-link'>Safa</a></div><div class='text-credits-section'><span class='credit-label'>(বাংলা) ভাষায় অনুবাদ করেছেন</span> <a href='https://bn.globalvoices.org/author/muntaha0412/' class='user-link'>সিদ্রাতুল মুনতাহা</a></div></div><span class='source-link'><a href='https://globalvoices.org/2025/10/05/behind-our-screens-the-truth-about-artisanal-mining-and-natural-technology/'>মূল লেখাটি দেখুন (English)</a></span></strong></div>]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://globalvoices.org/wp-content/uploads/2025/10/Artisanal-mining-and-natural-technology-Tactical-tech-400x300.png" medium="image" width='270' height='202'	/>	</item>
	</channel>
</rss>
