<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet type="text/xsl" media="screen" href="/~d/styles/rss2full.xsl"?><?xml-stylesheet type="text/css" media="screen" href="http://feeds.feedburner.com/~d/styles/itemcontent.css"?><rss xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:openSearch="http://a9.com/-/spec/opensearch/1.1/" xmlns:georss="http://www.georss.org/georss" xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0" xmlns:feedburner="http://rssnamespace.org/feedburner/ext/1.0" version="2.0"><channel><atom:id>tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309</atom:id><lastBuildDate>Mon, 28 Nov 2011 01:34:34 +0000</lastBuildDate><category>কুরআন ও হাদিস</category><category>খাদ্য ও পরিবেশ</category><category>কথা ও হাসি</category><category>অ্যান্টি ভাইরাস</category><category>সাহিত্য ও সংস্কৃতি</category><category>জন্ম দিন</category><category>স্বাস্থ্য</category><category>নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><category>বাংলাদেশ</category><category>সংবাদ পরিক্রমা</category><category>নওগাঁর মুক্তিযুদ্ধ</category><title>অজানার মাঝে জানার ইচ্ছা</title><description /><link>http://kzaman007.blogspot.com/</link><managingEditor>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</managingEditor><generator>Blogger</generator><openSearch:totalResults>90</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="self" type="application/rss+xml" href="http://feeds.feedburner.com/kzaman007" /><feedburner:info uri="kzaman007" /><atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="hub" href="http://pubsubhubbub.appspot.com/" /><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-7337146638669148131</guid><pubDate>Thu, 18 Aug 2011 17:25:00 +0000</pubDate><atom:updated>2011-08-18T10:25:06.150-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">সংবাদ পরিক্রমা</category><title>এই বর্ষায় প্রচুর বৃষ্টিতে কৃষকের অনেক ক্ষতি</title><description>এই বর্ষায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগাম ধান বর্ষালী ধান (একুশের ধান) প্রচুর বৃষ্টিতে পানিতে তলেগেছে আর যেটুকু ধান আছে তাতে ইদুর লেগে ধানের প্রচুর ক্ষতি করছে। এতে কৃষকের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। আবার পানি নিষ্কাষনের ভাল ব্যবস্থা না থাকাতে আমন ধানের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। আর এই ক্ষতি হচ্ছে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার কুলিহার ও গোবিন্দ পুর গ্রামের কৃষকদের । &lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-7337146638669148131?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/aeiB_mNOLd0" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/aeiB_mNOLd0/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2011/08/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-8314424331147632910</guid><pubDate>Mon, 23 Aug 2010 18:13:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-08-23T11:52:08.934-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>দূর্নীতি ছেয়ে আছে নওগাঁ বিটিআরএ</title><description>&lt;div class="entry-content"&gt;&lt;div class="snap_preview"&gt;&lt;h3&gt;নওগাঁ  জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন বিআরটিএ’র নওগাঁ সার্কেল অফিসে  বিভিন্ন  দূর্র্নীতির সাথে অফিসের কর্মকর্তারা জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।  প্রাপ্ত  অভিযোগ নিয়ে তথ্যানুসন্ধানে গিয়ে অফিসের দূর্ণীতির পিলে কাঁপানো  কিছু চিত্র  পাওয়া গেছে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিন) মো: ফজলুর রহমান (এডি)  মোটা অংকের  টাকার বিনিময়ে ঢাকা মে:ট্র-১৪-০১৫১ ও সিলেট- জ- ১১-০৩৮৬ ঢাকা ও  সিলেট  পোষ্টঅফিসের ছাড়পত্র ছাড়ায় নওগাঁ জেলায় অন্তর-ভুক্তি করেন।এ  ব্যাপারে সহকারী  পরিচালক (ইঞ্জিন) মো: ফজলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে  তিনি জানান  নওগাঁতে (এডি) হয়ে এসেছি টাকার জন্য টাকা হলে সব সম্ভব। নাম  প্রকাশে  অনিচ্ছুক বিআরটিএর একজন কর্মচারী সাংবাদিককে জানান নওগাঁ- হ-  ১১-৪১০৭ নং  মোটর সাইকেলের দোকানের ক্যাশমেমো পুরো ফাইল পাওয়া জাচ্ছেনা।  হয়ত বা টাকার  বিনিময়ে (এডি) সাহেব নওগাঁ- হ- ১১-৪১০৭ নং টি ভুয়া করে  দিয়েছেন এই ধরনের   কাজও তিনি এর আগেও করেছেন বলে অভিযোগ করেন।&lt;br /&gt;
নওগাঁ বিআরটিএ সার্কেলের এ  অফিসে সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সহকারী  পরিচালক (ইঞ্জিন) (এডি) , একজন এম  ভি আই বা মোটর ভেহিকেল পরিদর্শক ,অফিস  পিয়ন ও একজন সিলম্যান (ডিজেল চালিত  মোটর যানের ইঞ্জিনের গতি নিয়ন্ত্রনের  যন্ত্র গর্ভনর এর একটি নিদৃষ্ট গতি  নির্দ্ধারণের পর তা সিল করা)কর্মরত  রয়েছেন ।কিন্তু অফিসে গিয়ে দেখা যায়  সিলম্যান নিয়োগপ্রাপ্ত না হলেও এখানে  অফিসের চেয়ার টেবিল দখল করে রীতিমতো  অফিস কর্মচারি সেজে আরো কয়েক জন  ব্যক্তিকে নিয়ে অফিসের কাজ পরিচালনা করছেন ।  এ ছাড়াও নিয়োগপ্রাপ্ত  সিলম্যানের নিয়োগ যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ  সিলম্যান পদটি একটি  যান্ত্রিক পদ হলেও নওগাঁ বিআরটিএ অফিসে নিয়োগপ্রাপ্ত  সিলম্যানের কোন  যান্ত্রিক যোগ্যতা নেই বলে জানা গেছে। আরো জানা গেছে,  সরকারি চাকুরিতে  যোগদানের বয়সসীমা অতিক্রম - হবার পর পূর্বের এমভি আই  আব্দুল হান্নান ও  বর্তমান এডির তদবিরে বিআরটির দালাল থেকে তিনি এ পদে নিয়োগ  লাভ করেছেন।&lt;br /&gt;
বর্তমান (এডি) সিলম্যানকে ব্যবহার করে নওগাঁ বিআরটিএ  অফিসে বিভিন্ন কাজে  যেমন প্রতি বছর গাড়ীনাদেখে  ফিটনেসের জন্য ৩-৪ হাজার  টাকা ও রুটপামিটের  জন্য বাবদ ৩ হাজার ৫শত টাকা মালিকানা বদলী   ক্ষেত্রে  ৪-৫ হাজার টাকা অন্য  জেলার কাগজ পত্র নওগাঁ জেলায় অন্তর-ভুক্তির জন্য ৮-১০  হাজার টাকা ও মোটর  সাইকেল রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মোটর সাইকেল প্রতি ৫শ টাকা  করে  সিলম্যানের  মাধ্যেমে আদায় করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ  রয়েছে যে কোন  বিষয়ে সিলম্যাননের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা ছারা কোন কথা  বলতে চান না  তিনি। সিলম্যাননের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগে আরও জানাগেছে তিনি  (ইঞ্জিন)  সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা রাখেন না। দুর দুরান- থেকে নওগাঁ  বিআরটিএ-তে কাজে  আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানী করা ছারাও বিআরটিএ-তে কাজে আসা  মানুষের সাথে  তার ব্যবহার ভালো নয় । সর্বদা ক্ষমতা শীল দলের ভয় দেখিয়ে  সিলম্যানের  মাধ্যেমে দানবের মত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তিনি। অফিসের জানালা  দিয়ে সর্বদায়  প্রচন্ড ব্যস- সিলম্যান অথবা যাচাইকারি বেলাল হোসেনের সাথে  কথা বলতে হয়।  এদিকে নওগাঁয় স্থায়ী ভাবে অবস্থান কারী সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিন)  মো: ফজলুর  রহমান (এডি) এর খাবার পর্যন- সিলম্যাননের বাড়ী থেকে আসে বলেও  জানা গেছে।&lt;br /&gt;
এ সকল অভিযোগ নিয়ে নওগাঁ বিআরটিতে কর্মরত সহকারী পরিচালক  (ইঞ্জিন) মো:  ফজলুর রহমান (এডি) সাথে কথা বলতে গেলে তিনি জানান আমরা তাকে  নিয়োগ দেই  নাই। তবে নওগাঁ জেলা বাস মালিক গ্রুপ ও আগের এমভি আই আব্দুল  হান্নানের  সুপারিশে তাকে রাখা হয়েছে। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে  খতিয়ে দেখার  পর সঠিক রহস্য উদঘাটন পূর্বক প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহনানে-  প্রতিকার  করা হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।&lt;/h3&gt;&lt;b&gt;এসএনএনবিডি অবল্বমনে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-8314424331147632910?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/_z5gWeTGCRI" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/_z5gWeTGCRI/blog-post_23.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/08/blog-post_23.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6627830373321686272</guid><pubDate>Thu, 12 Aug 2010 17:34:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-08-12T10:34:42.676-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>প্রকৃতির রম্নদ্রতায় এবারে নওগাঁয় খাদ্যাভাব দেখা দিতে পারে</title><description>&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TGQv9PHOTzI/AAAAAAAAAQs/tBf8crnUnHs/s1600/12+nao+Agri.jpg-2010-08-12-.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TGQv9PHOTzI/AAAAAAAAAQs/tBf8crnUnHs/s320/12+nao+Agri.jpg-2010-08-12-.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;প্রকৃতির রম্নদ্রতার অভিশাপে অভিশপ্ত নওগাঁ। শ্রাবন শেষ হয়ে এলেও নওগাঁর প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নওগাঁর প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার হেক্টর জলাশয় শুস্কপ্রায় হয়ে রয়েছে। এ ছাড়াও চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ২ লাখ ৯ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লৰ্যমাত্রা নির্দ্ধরণ করা হলেও এখনো পর্যনৱ মাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৫ হেক্টর জমিতে আমন রোপন করা সম্ভব হয়েছে। এই রোপনকৃত আমন জমির অর্ধেকেরও বেশী জমির ধান ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত পানির অভাবে শুকিয়ে মরে গেছে। অবস'া পর্যবেৰনে ধারণা করা হচ্ছে উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদনের জন্য খ্যাত নওগাঁ জেলায় এবারে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। অবশ্য কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ বলছে এখনো প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত হলে উন্নত জাতের শরম্ন চালের 'আতপ' ধান রোপন করে কৃষকেরা তাদের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে।&lt;br /&gt;
নওগাঁ জেলা মৎস বিভাগ সূত্রে জানা গেছে প্রতি বছর নওগাঁয় গড়ে ৫২ হাজার ৯১৪ মে:টন মাছের উৎপাদন হয়ে থাকে। এই উৎপাদন থেকে নওগাঁর প্রয়োজনীয় ৪৩ হাজার ৬৭৫ মে:টন মাছের চাহিদা পূরনের পর অতিরিক্ত ৯ হাজার ২৩৯ মে:টন মাছ দেশের অন্যান্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হতো। এবারে প্রয়োজনীয় পানির অভাবে নওগাঁর মাছের চাহিদাই পূরণ হবে না। প্রসঙ্গত ভরা বর্ষাতেও নওগাঁ বাজারে খাল, বিল ও নদীর কোন মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
একই কারণে এ বছর নওগাঁয় পাট চাষীরা তাদের উৎপাদিত পাট নিয়ে মহা বিপাকে রয়েছে। বৃষ্টির অভাবে পাটের ফলন কম হলেও পাট পচানোর চিন্তায় কৃষকদের বিপদে রয়েছে। অবশ্য কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ চাষীদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে কৃষকদের 'রিবন রেটিং' পদ্ধতিতে পাট পচানোর জন্য উৎসাহিত করছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে তারা কৃষকদের আর্থিক সহায়তাও প্রদান শুরম্ন করেছে।&lt;br /&gt;
চলতি আমন মৌসূমে নওগাঁয় ধানের উৎপাদন মারাত্বক হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকা ভেদে কিছুকিছু বৃষ্টিপাত হওয়ায় ইতিমধ্যে কৃষকেরা ধান রোপন করলেও অধিকাংশ স্থানেই পানির অভাবে ৰেতের ধান শুকিয়ে গেছে। নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার অধিকাংশ জমিই এখনো চাষের আওতায় আনা সম্ভব হয় নি। যে সকল জমিতে চাষ করা সম্ভব হয়েছিল তাও আবার পানির অভাবে শুকিয়ে পড়ছে। কৃষকেরা সেচের মাধ্যমে তাদের জমির ধান বাঁচাতে চেষ্টা করেও বিদ্যুতের অভাবে ব্যর্থ হচ্ছে।&lt;br /&gt;
প্রকৃতির এই বিরূপ মনোভাবের কারণে শুধুমাত্র ধান উৎপাদনের এলাকা বলে খ্যাত নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের মহাদেবপুর, মান্দা, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, সাপাহার পোরশা ও ধামুরহাট উপজেলায় খাদ্য অভাব দেখা দেওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদনের জন্য খ্যাত নওগাঁ জেলায় উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে গেলে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সরকারি ভাবে দৃঢ সিদ্ধানৱ গ্রহণ করা না হলে এবারে নওগাঁয় প্রচন্ড খাদ্যাভাব দেখা দিবে। এ অবস্থা থেকে উদ্ধার পেতে নওগাঁ কৃষকেরা সরকারের নীতি নির্দ্ধারক মহলের দৃষ্টি কামনা করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্রঃ এসএনএনবিডি&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6627830373321686272?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/MhvjyuejmEM" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/MhvjyuejmEM/blog-post_12.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TGQv9PHOTzI/AAAAAAAAAQs/tBf8crnUnHs/s72-c/12+nao+Agri.jpg-2010-08-12-.jpg" height="72" width="72" /><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/08/blog-post_12.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-7882275961664128532</guid><pubDate>Mon, 09 Aug 2010 06:14:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-08-08T23:14:58.771-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>উত্তরাঞ্চলের এখন পুরুষের পাশাপাশি নারীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ফেনসিডিল পরিবহনে আগ্রহী হয়ে উঠছে</title><description>অভাবের সংসারে সচ্ছলতা আনতে ঝুঁকি আছে যেনেও উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার নারীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেনসিডিল বহনের কাজে জরিয়ে পড়ছে। আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও আইনের ফাঁক গলিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো এ কাজে নিয়োজিত হচ্ছে। অপর দিকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দুর্বলতার সূযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেনসিডিল আমদানীকারক গডফাদারেরা বরাবরই ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class="separator" style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none; clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TF-b-lpcKnI/AAAAAAAAAQk/kGgud3sopXA/s1600/fan.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://4.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TF-b-lpcKnI/AAAAAAAAAQk/kGgud3sopXA/s320/fan.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;দামে কম আর সহজেই আমদানীর সূযোগে নওগাঁর বিভিন্ন সীমান- দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার খোলা ফেনসিডিল বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। আমদানী কারক গডফাদারেরা নওগাঁর বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষত ধামইরহাট.মান্দা,মহাদেবপুর ও নিয়ামতপুরের প্রত্যন- গ্রামাঞ্চলে খোলা ভাবে আমদানী করা সকল ফেনসিডিল বোতল জাত করে লেবেল এটে দালালের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ কাজে রাজশাহী, চাপাই নবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার অভাবী নারীদের এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে । &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নওগাঁর বিভিন্ন থানার তথ্য অনুসারে গত ১ বছরে ফেনসিডিল বহনের দায়ে প্রায় ৫শ নারীকে ফেনসিডিল বহনের সময় মালামাল সহ আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অধিকাংশ সময়েই ডিবি পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কিম্বা ট্রাফিক সার্জেন্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসকল ফেনসিডিল আটক করে। মালামাল সহ বাহককে আটকের পর মামলার তদন-ভার থানা পুলিশের হাতে থাকায় থানা পুলিশ অজ্ঞাত কারণে কখনোই এ সকল মালামালের মূল মালিককে ধরার চেষ্টা করলেও সঠিক প্রমানের অভাবের কারনে এরা ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে ফেনসিডিল আটককারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধরা পরার পর বিভিন্ন থানায় ফেনসিডিল বহন কারী নারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে নওগাঁয় তারা প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কিনতে পায়। এ সকল ফেনসিডিল শুধু মাত্র ঢাকায় বহন করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে ৭শ টাকায় বিক্রি করে থাকে। এতে করে একজন বাহক ১০ বোতল ফেনসিডিল ঢাকায় নিতে পারলেই লাভ হয় ১২শ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন-। তারা আরো জানায় একেকজন বাহক সপ্তাহে ২ থেকে ৪ বার এই নিষিদ্ধ ফেনসিডিল বহন করার পাশাপাশি নিজেও ফেনসিডিল আশক্ত হয়ে থাকে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেনসিডিল বহনকারী ধরা পরা নারীদের সাথে কথা বলে মালামালারের মূল মালিকের নাম ঠিকানা জানার চেষ্টা করা হলে তারা জানায় নিজ অর্থ লগ্নি করে তারা মালামাল কিনে বহন ও বিক্রি করে। তাই তারা কখনোই মালামালের মূল মালিক কে, তা তারা জানতে পারে না। তাদের মতে মালামাল কেনার সময়ে দরদামে কথাকাটাকিটি হলেই শুধুমাত্র মালামাল সহ তারা ধরা পড়ে। তারা অভিযোগ করে জানায় এক সঙ্গে ১০ জনের দল মালামাল নিয়ে যাবার সময়েও অনেক সময় দেখা গেছে ধরা পড়ে মাত্র ৩/৪ জন। আলাপকালে তারা আরো জানায় নওগাঁ থেকে ঢাকায় ফেনসিডিল বহনের জন্য নওগাঁর মান্দা থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌখিন পরিহন, দ্রুতি পরিহন,রকি পরিবহন, সোনার তরী ইত্যাদি নামের 'মফিজ' পরিবহনগুলো কিছুটা নিরাপদ। কেননা এ সকল বাস অনেকটা লোকালের মতো যেখানে সেখানে যাত্রী তোলায় তারা রাস-ার মধ্যেই গাড়ীগুলোতে চড়তে পারে। এ ছাড়া এ সকল গাড়ী নিয়মিত চেকিংও হয় না। তাদের মতে নওগাঁর জেলা সীমান- পার হয়ে গাড়ীতে উঠলে আর ধরা পরার কোন ভয় থাকে না। তাই তারা বিভিন্ন পথে বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানার বিভিন্ন অঞ্চলে এ সকল বাসে উঠে থাকে। &lt;br /&gt;
আলাপ কালে এ সকল ধরা পড়া নারীরা জানায় আয়ের এত সহজ পথ থাকায় তারা এ পেশা ছাড়তে রাজি নয়। ২/৪ সপ্তাহের জন্য হাজতবাসকে এরা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার বলেই মনে করে। তবে যখন কেহ প্রথমবার ধরা পড়ে তখন কিছুটা ভয় পায় কিন' একবার এ ভয় কেটে গেলে আর কিছুই মনে হয় না। ফেনসিডিল বহন কারী এক এসকল নারীরা বেশ জোর দিয়ে বলে অন্যায় জেনেও পরিশ্রম করে আয় করছি যা অনেক নারীই করে না। তারা এ পেশাকে মোটেও অন্যায় মনে করে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্রঃ এসএনএনবিডি&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-7882275961664128532?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/tZ03ugx8bVM" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/tZ03ugx8bVM/blog-post_08.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="http://4.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TF-b-lpcKnI/AAAAAAAAAQk/kGgud3sopXA/s72-c/fan.jpg" height="72" width="72" /><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/08/blog-post_08.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-1486933111592005714</guid><pubDate>Mon, 02 Aug 2010 09:55:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-08-02T02:57:42.743-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>নওগাঁয় পূর্বের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে,মেলায় অবৈধ ব্যাবসা</title><description>&lt;div style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUZpVGeMI/AAAAAAAAAOY/IcHdFfLIPBA/s1600/noagona+1.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUZpVGeMI/AAAAAAAAAOY/IcHdFfLIPBA/s320/noagona+1.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;নওগাঁয় পূর্বের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন তিনটি মেলার অনুমোদন দেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা সব জেনেও না জানার ভান করছে। নওগাঁর মেলাগুলোতে অবাধে চলছে অশ্লীল নৃত্য, জুয়া খেলা, জম জমাট মাদক ব্যবসা। মহাদেবপুর উপজেলার পাঠাকাটা হাটে আনন্দ মেলা, এর নিকটবর্তি মান্দা উপজেলার সুতিহাটে রথযাত্রা মেলা চলছে। পাঁঠাকাটা-সুতিহাট এই দুটি মেলা পাশাপাশি উপজেলা মান্দা ও মহাদেবপুর মাত্র ৩ কি: মি: দুরে একই সঙ্গে বসায় মেল কর্র্র্র্তৃপক্ষ মেতে উঠেছে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনের প্রতিযোগীতায়। তারা মনে করছে যে যত বেশি অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করবে তাদের দর্শক তত বেশি হবে। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;
এসব মেলাতে বাড়তি কোন দোকান পাট না থাকলেও রয়েছে পুতুল নাচ, যাত্রার নামে হাই-শো ও জুয়া খেলা, এ যেন যুবসমাজ ধংসের এক নতুন খেলা। এখানে পুলিশ রয়েছে পুতুলের মত দাড়িয়ে, মেলাগুলোতে সার্কাস, যাত্রাপালা ও পুতুল নাচের নামে চলছে চলচ্চিত্র নামধারী শিল্পিদের বক্ষবন্ধণী খুলে উলঙ্গ দেহ প্রদর্শন, যৌন উত্তেজক নাচ-গান , দেহ ব্যবসা, র‌্যাফেল ড্রর নামে লটারী, তাসবোর্ডের জুয়া, হাউজি এবং জমজমাট মাদক ও ফেন্সিডিল ব্যবসা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUkwN_WEI/AAAAAAAAAOg/UaME0Q5ny-M/s1600/noagona+2.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://3.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUkwN_WEI/AAAAAAAAAOg/UaME0Q5ny-M/s320/noagona+2.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;স'ানীয় সচেতন মহল অনৈতিকতায় ভরপুর এ মেলাগুলোর অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট দাবী জানিয়ে আসলেও রহস্যজনক কারণে তাদের দাবীকে কোন আমলেই নেয়নি স'ানীয় প্রশাসন। মেলা বন্ধে কোথাও দাবী অথবা অভিযোগ করে কোন কাজই হবে না এ রকম প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে মেলা কমিটি দর্শক যোগাতে আরো বেপরোয়াভাবে মেলায় চরম অনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেছে বলে স'ানীয়রা অভিযোগ করেন। এদিকে যশোর মুনিরামপুর থেকে আগত পদ্দা যাত্রা ইউনিটের ছনিয়া ও এনিকে মেলা কমিটির হানিফ ও জাহাঙ্গীর কু-প্রস-াব দিলে তারা রাজী না হলে হানিফ ছনিয়ার ও জাহাঙ্গীর এনির জোর পূর্বক শরিরের স্পর্শকাতর অংশে হাত দিয়ে শ্লিতাহানির চেষ্টা চালায়। ঘটনায় জরিতদের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহণ না করে শ্রী প্রদীব কুমার সাহাকে থানা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে পদ্দা যাত্রা ইউনিটের শ্রী প্রদীব কুমার সাহা স্বাক্ষরীত একটি অভিযোগ নওগাঁ জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;
উপরোক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে মান্দা উপজেলার সতীহাটে রথযাত্রা মেলায় গত বুধবার নওগাঁর সাংবাদিকরা পেশাগত দায়ীত্ব পালন কালে জুয়া খেলার ছবি তুলতে গেলে জুয়ারিরা তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিক মোবাইল ফোনে মান্দা থানা ওসিকে জানালে তিনি অভিযোগটি না নিয়ে মেলা কমিটির সাথে মিমাংশার কথা বলেন। কমিটির সাথে কথা বললে তারা বলেন মেলার বিষয় নিয়ে লেখালেখি থেকে বিরত থাকলে মেলা শেষে ক্যামেরা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সংবাদপত্রে মেলার বিষয়ে কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ করা হলে ক্যামেরা ফেরত দেওয়া হবেনা এবং পরে বিষটি পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি ব্যাবস'া নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন- কোন ব্যবস'া নেওয়া হয়নি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন যে, এ মেলা মাসব্যাপী চালানোর ঘোষণা দিয়ে উদ্বোধন হওয়া মেলাগুলোতে র‌্যাফেল ড্রর নামে কাকডাকা ভোর থেকে কয়েকশ' রিকসা, ভ্যান, ভুটভুটি ও পিকআপ ভ্যানযোগে র‌্যাফেল ড্রয়ের টিকিট বিক্রি শুরু করে। চলে একটানা রাত প্রায় ১১টা পর্যন-। এ সময়ের মধ্যে র‌্যাফেল ড্রয়ের লোভনীয় প্রলোভনে হাজার হাজার মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এসব যানবাহন টিকিট নিয়ে ছুটে চলে বিভিন্ন শহর, হাটবাজার ও প্রত্যন- পল্লী গ্রামে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div class="separator" style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none; clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUzFJ5AjI/AAAAAAAAAOw/rRlxYsvASC4/s1600/noagona+4.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://2.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUzFJ5AjI/AAAAAAAAAOw/rRlxYsvASC4/s320/noagona+4.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন- মেলা গুলোতে চালানো হচ্ছে হাউজী। নগদ টাকাসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার দিয়ে চালানো হাউজীর একাধিক রাউন্ডের সময় আরো হাজার হাজার মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকা। বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন- মেলাগুলোতে ঘেরা প্যান্ডেলে পুতুল নাচে পালাক্রমে শুরু হয় একদল নাবালিকার বস্ত্রখোলা নারীর যৌন উত্তেজক নাচ গান। এখানেও টিকিট বিক্রি করে উঠতি বয়েসের যুবকদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। &lt;br /&gt;
র‌্যাফেল ড্র, হাউজী ও পুতুল নাচের সাথে সাথেই সমানতালে মেলাগুলোতে চলে বেশ কয়েকটি তাসের বোর্ড, ফরগুটি, ঘুরণী, প্রকাশ্যে বিভিন্ন মাদক বিক্রি ও সেবন এবং গোপনে ওইসব নারীদের দেহব্যবসা। প্রকাশ্য জুয়ার বোর্ড, মাদক বিক্রি ও নারীদের দেহব্যবসা থেকেও নানা পেশার এবং বয়সের মানুষের পকেট থেকে লুটে নেয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। &lt;br /&gt;
এসব কীর্তিকলাপের পাশাপাশি মেলাগুলোতে রাত ১২টা থেকে সকাল পর্যন- যাত্রার নামে শুরু করা হয় বহু নারীর সম্মিলিত উলঙ্গপণার ফাইনাল রাউন্ড। যাত্রার নামে নাচগানের উছিলায় সম্মিলিত নারীদেহের যে কসরত প্রদর্শন করা হচ্ছে সেটি বর্ণনা করতেও অনেকে লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলেন। ফাইনাল রাউন্ড হাই-শো থেকেও লুটে নেয়া হচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকা। তারা বলেন মেলাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণই হচ্ছে নারী দিয়ে দেহব্যবসা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;div style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUpw-adlI/AAAAAAAAAOo/47HEY-WVfD4/s1600/noagona+3.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://2.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUpw-adlI/AAAAAAAAAOo/47HEY-WVfD4/s320/noagona+3.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;এভাবে মেলাগুলোতে সকালের সূচনা হয় র‌্যাফেল ড্রয়ের নামে মানুষের পকেটকাটা দিয়ে এবং শেষ হয় রাতের নারী কর্তৃক পুরুষের চরিত্র হণনের মাধ্যমে। অভিযোগকারীরা বলেন, হাউজি শেষে রাত ১২ টার পর থেকে চলে চলচ্চিত্র নামধারী শিল্পিদের বক্ষবন্ধণী খুলে উলঙ্গ দেহ প্রদর্শন, যৌন উত্তেজক নাচ-গান&amp;nbsp; মেলা কমিটির আয়োজক সভাপতি শ্রী মানিক চন্দ্র , সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জানান মেলার পারমিশন নিতে লক্ষ লক্ষ টাকা জেলা প্রশাসনের এল আর ফান্ডে দিতে হয়েছে এ কারণে বাড়তি কিছু বিনোদন যোগ করা হয়েছে । মেলার স'ানটি সুতিহাট মাটাল পাড়ার মাদকপট্টি এলাকায় হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীরা মেলা কমিটির যোগসাজসে নির্বিঘ্নে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজ বিধ্বংসী মেলা দ্রুত বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসক এর হস-ক্ষেপ কামানা করছে এলাকার সুশীল সমাজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসএনএনবিডি অবল্বমনে &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-1486933111592005714?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/opn3OW6kS1I" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/opn3OW6kS1I/blog-post_02.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="http://1.bp.blogspot.com/_8vGQTPbwRe4/TFaUZpVGeMI/AAAAAAAAAOY/IcHdFfLIPBA/s72-c/noagona+1.jpg" height="72" width="72" /><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/08/blog-post_02.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-7677002905083952770</guid><pubDate>Sun, 01 Aug 2010 07:04:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-08-01T00:05:48.518-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">খাদ্য ও পরিবেশ</category><title>খরার কারণে কৃষকদের বাড়তি খরচ শত কোটি টাকা</title><description>খরার কারণে বৃষ্টিনির্ভর আমন ধানের ফলন এবার সেচের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। উত্তরাঞ্চলে শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত বগুড়া, নওগাঁ ও জয়পুরহাটে খরা ইতিমধ্যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বোরোর তুলনায় ফলন প্রায় ৪০ শতাংশ কম হওয়ার কারণে আমনের উৎপাদন খরচ এমনিতেই বেশি হয়। তার সঙ্গে এবার সেচখাতে বাড়তি ব্যয় যোগ হওয়ায় এ উৎপাদন খরচ আরও বাড়বে। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মৌসুম জুড়ে খরা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওই ৩ জেলার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ হেক্টর জমি সেচের জন্য বাড়তি ১০০ কোটি টাকা খরচ গুণতে হবে কৃষকদের। কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, আমন আবাদের জন্য জুলাই মাসে কমপক্ষে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ৩১ জুলাই পর্যন্ত বগুড়ায় মাত্র ৯১ দশমিক ০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে। একই অবস্থা নওগাঁ ও জয়পুরহাটেও। দুই জেলায় জুলাই মাসে চাহিদার ৩ ভাগের ১ ভাগও বৃষ্টিপাত হয়নি। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। প্রয়োজন মেটাতে মাঠে মাঠে ডিজেল ও বিদ্যুৎচালিত গভীর-অগভীর নলকূপ চালু করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বগুড়ার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমন আবাদের প্রয়োজনে সেচপাম্প মালিকরা বোরো মৌসুমের জন্য সংরক্ষিত সংযোগগুলো আবারও নবায়ন করতে শুরু করেছেন। গত ১৫ দিনে অন্তত দেড় হাজার সংযোগ চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সঙ্কটের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, জেলায় ৬০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎও মিলছে না। ফলে সেচপাম্পগুলিতে পালা করে বিদ্যুৎ দিতে হচ্ছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ মিলছে না নওগাঁ ও জয়পুরহাটেও। বগুড়ার পশ্চিমাঞ্চলের কাহালু উপজেলার প্রতাপপুর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মৌসুম পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে আমন আবাদ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বিদ্যুতচালিত গভীর নলকূপ মালিকরা প্রতি বিঘা জমি সেচের জন্য তাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিচ্ছেন। ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপে এ খরচ আরও ২০০ টাকা করে বেশি নেয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জয়পুরহাট জেলা গভীর নলকূপ মালিক সমিতির সভাপতি এডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, খরার কারণে এবার ওই জেলার সিংহভাগ জমিকে সেচের আওতায় আনতে হয়েছে। আগস্ট মাসে বৃষ্টি হতে পারে- এমন আশায় আপাতত একবার করে সেচ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য বিঘা প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। তবে খরা দীর্ঘ দিন চললে একাধিকবার সেচের জন্য আদায়ের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নওগাঁ জেলাতেও খরার কারণে আমন ধানের আবাদ করতে গিয়ে সেচ খাতে কৃষকদের বিঘা প্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। গভীর নলকূপের তুলনায় অগভীর নলকূপে সেচ খরচ ১০০ থেকে দেড়শ টাকা বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হিসাব অনুযায়ী, গভীর-অগভীর মিলে বিঘা প্রতি সেচের গড় খরচ ৩০০ টাকা ধরলে ওই ৩ জেলায় সাড়ে ৩ লাখ হেক্টর জমিতে আমান আবাদের জন্য সেচ খাতে বাড়তি খরচ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বগুড়া কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, জেলায় ১ লাখ ৯২ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার হেক্টরে আমন লাগানো হয়েছে। জয়পুরহাটে লক্ষ্যমাত্রা ৭৩ হাজার হেক্টরের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৪৭ হাজার হেক্টর জমিতে ও নওগাঁয় টার্গেট করা ১ লাখ ৯৬ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে মাত্র ৭০ হাজার হেক্টরে আমনের আবাদ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বগুড়ার কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মমতাজ হোসেন জানান, খরা পরিস্থিতির কারণে বৃষ্টির জন্য বসে না থেকে সেচের পানি দিয়ে আমন আবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবল্বমনে শীর্ষ নিউজ ডটকম&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-7677002905083952770?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/yk8rNDPB2Ac" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/yk8rNDPB2Ac/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/08/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6292757142501828124</guid><pubDate>Sat, 24 Apr 2010 19:04:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-04-24T12:04:17.478-07:00</atom:updated><title>সুপেয় পানির অভাবে নওগাঁর ৩০ লাখ মানুষ স্বাস্থের ঝুঁকির মধ্যে দিন পার করছে</title><description>শুধুমাত্র সুপেয় পানির অভাবে চুড়ানৱ স্বাস্থের ঝুঁকির মধ্যে দিন পার করছে নওগাঁর ৩০ লাখ মানুষ। নওগাঁবাসীরা যে সকল পানি পান করছে তার মধ্যে আর্সেনিক সহ মানবদেহের জন্য ৰতিকর সীসা ও অন্যান্ন খনিজ পদার্থ থাকায় এলাকায় পেটের নানারূপ রোগ সহ চর্মরোগ ও অন্যান্ন রোগ দেখা দিচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা: আশেক হোসেন। &lt;br /&gt;
নওগাঁ জেলায় প্রায় ৮মাসের অনাবৃষ্টির কারণে ভূগর্ভস' পানির সৱর নীচে নেমে যাওয়ায় হাতে চালানো নলকূপ গুলির ৯৭শতাংশই ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে আছে বলে জনস্বাস'্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়াও নওগাঁ পৌর এলাকা সহ অনেক গ্রামাঞ্চলে ইতোমধ্যেই গভীর নলকূপের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পানি সরবরাহের কাজ শেষ হয়েছে। হাতে চালানো নলকূপগুলিতে আর্সেনিকের মাত্রা নির্দ্ধারণ করে অসহনীয় মাত্রার আর্সেনিক যুক্ত নলকূপ গুলি চিহ্নিত করা হলেও কোন গভীর নলকূপে আর্সেনিকের মাত্রা নির্দ্ধারণ করা হয় নি। ডা: আশেক হোসেনের মতে গভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিক ছাড়াও অন্যান্ন খনিজ পদার্থের মাত্রা এতো বেশী থাকে যে সে পানি মানব দেহের জন্য ৰতির কারণ হয়ে থাকে। তিনি জানান, এ করাণেই নওগাঁর বিভিন্ন অঞ্চলে ইদানিং চর্ম রোগ সহ বিভিন্ন ধরণের পেটের পীড়া দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়াও বরেন্দ্র অঞ্চলের অনেক গ্রামেই এখনো কূপের পানি ও পুকুর-পুস্করনীর পানি গৃহস্থালীর কাজ ছাড়াও পান করা হয়ে থকে। এসকল অস্বাস'্যকর পানি পান করার কারণে নওগাঁর মানুষ কিডনী রোগ সহ নানা প্রকার জটিল রোগের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। &lt;br /&gt;
উলেস্নখ্য, নওগাঁয় অধিক হারে ধান উৎপাদন অব্যহত রাখতে গিয়ে বছরে প্রায় ৮ মাস প্রায় ৪ হাজার ৩শত গভীর নলকূপ এবং ৭৫হাজার ৩শতটি অগভীর নলকূপ সেচকার্যে ব্যবহার হয়ে থাকে। এ কারণে প্রতিবছর প্রায় ৬ মাস সুপেয় পানির জন্য ব্যবহৃত হাতে চালানো নলকূপগুলি অকেজো হয়ে পড়ে থাকে। &lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্রঃ এসএনএনবিডি নিউস&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6292757142501828124?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/O8IvSh7Je6o" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/O8IvSh7Je6o/blog-post_24.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/04/blog-post_24.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-5041852665657330433</guid><pubDate>Mon, 19 Apr 2010 15:37:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-04-19T08:37:54.862-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>মান্দার ইনায়েতপুর জোয়াদ্দারপাড়া দাখিল মাদ্‌রাসার শিক্ষকদের মানবেতর জীবন</title><description>নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার ইনায়েতপুর জোয়াদ্দারপাড়া দাখিল মাদ্‌রাসাটি দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা হতাশা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যতম সংগঠক মরহুম হাফিজ উদ্দিন জোয়াদ্দার, আলহাজ্ব ফারাজ উদ্দিন জোয়াদ্দার, আলহাজ্ব অহির উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আছির উদ্দিন ও প্রতিষ্ঠানের সুপার হায়দার আলী জোয়াদ্দারসহ অত্র এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের উদ্যোগ ও সহযোগীতায় বিগত ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এবতেদায়ী ১ম থেকে এবতেদায়ী ৫ম শ্রেণী পর্যনৱ পাঠদানের কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দাখিল শ্রেণী পর্যনৱ উন্নীত করে ২০০১ সালে পাঠদানের অনুমতি এবং ২০০৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। অন্য সকল প্রাচীন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলেও এটি এখনও এমপিওভূক্ত হয়নি। এছাড়া বিগত সরকারের সময় ওই প্রতিষ্ঠানের পরে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাও এমপিওভুক্ত হয়েছে। কিন' কি কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত হয়নি তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন্‌। তাছাড়া ওই ইনায়েতপুর জোয়াদ্দার পাড়ার হারিকেনের আলোয় পড়-য়া ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন নামীদামী প্রতিষ্ঠান, সরকারী বেসরকারী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছে। তাদের মধ্যে ডক্টরেট ডিগ্রী ধারী কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তারও রয়েছে। তারপরেও উচ্চ শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বেষ্টিত এই মাদরাসাটি বিভিন্ন সময়ে এমপিওভুক্তির আশ্বাস পেলেও এমপিওভূক্ত হয়নি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাদরাসার সুপার হায়দার আলী সাংবাদিককে জানান, মান্দা উপজেলার প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান ইনায়েতপুর জোয়াদ্দারপাড়া দাখিল মাদ্‌রাসাটি মৃত হাফিজ উদ্দিন জোয়াদ্দারসহ অনেকের সু-পরামর্শে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন থেকেই আমিসহ শহিদুল, আজাহার, আঃ ছামাদসহ অনেকেই সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সহিত যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। বেতন না হওয়ার কারনে জীবন চালনোর তাগিদে অনেকেই চাকুরী ছেড়ে কেউবা ঢাকায় গারমেন্টেসে, কেউবা বিদেশে আবার কেউবা রাজমিস্ত্রি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে ১৪জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছে। অনেকেই চলে গেলেও আমরা নিজেরাই প্রতিষ্ঠানটি অনেক পরিশ্রম করে প্রতিষ্ঠা করেছি তাই এখনও হাল ছাড়িনি। আমরা জানি কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি হলে একদিন না একদিন আলোর মুখ দেখবেই। আর সেই অপেক্ষাই প্রায় ২০ বছর ধরে প্রহর গুনছি। বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করছে। মাদ্‌রাসাটির পড়াশুনার মান, ছাত্র-ছাত্রীসহ সার্বিক বিষয় অত্যনৱ ভাল এবং পাসের হারও সনেৱাষজনক। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের কোনো বেতনভাতা দেয়া হয় না, প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য খরচ অত্র এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিসহ বিভিন্ন সুধীজনের অনুদানে চলে। দীর্ঘদিন থেকে বেতনভাতা না পেয়ে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। তবুও আশায় আছি যদি বর্তমান সরকার আমাদের দিকে তাকায়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সভাপতি গোটগাড়ী শহিদ মামুন স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক আখতারুজ্জামান জানান, বাবা মরহুম হাফিজ উদ্দিন জোয়াদ্দার অনেক কষ্ট করে এলাকার শিক্ষানুরাগীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে মৃত্যুর আগের মুহুর্ত পর্যনৱ চেষ্টা করেছেন তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিকুলতার জন্য প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়নি। বর্তমানে আমি ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় উন্নয়নের চাকা ঘুরানোসহ প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি করার জন্য সরকার বাহাদুরের কৃপাদৃষ্টি আকর্ষনের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি। সরকার যদি ওই প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির দিকে সু-দৃষ্টি দেন তাহলে অত্র এলাকার বহু ছেলে-মেয়েসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেকারত্বের ঘানি টানা থেকে মুক্তি পাবে। জীবনের শেষ প্রানেৱ হলেও তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু হলেও দু'বেলা দু'মুঠো খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে পারবে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দীর্ঘদিনেও মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় দূর-দূরানৱ থেকে আসা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের পরিবারের অবস'া করুন হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ শিক্ষকেরই সরকারি চাকরির বয়স চলে যাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে। এব্যাপারে বর্তমান সরকার সু-দৃষ্টি না দিলে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং নিভে যাবে শত শত ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের উচ্চতর শিক্ষার আলো। বহুদিন ধরে শ্রম দেয়া শিক্ষক কর্মচারীর কর্মসংস'ানের দিকটি এবং শতশত ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চতর শিক্ষার আলো ফিরে আনতে বর্তমান সরকার দ্রুত প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত করবে এটাই জনগণের আশা প্রত্যাশা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-5041852665657330433?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/njjHp5--iGo" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/njjHp5--iGo/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/04/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-5361595070950269922</guid><pubDate>Thu, 11 Mar 2010 14:14:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-03-11T06:15:12.110-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>নওগাঁয় আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তির কোন উন্নতি হয় নি</title><description>নওগাঁ জেলা পুলিশের সাঁরাশি অভিযানের ফস্কোগেড়ার ফলে ২/৩ দিন আত্নগোপনে থেকে বেরিয়ে এসে নওগাঁ শহরের বখাটে ও নেশাগ্রস' কিশোর যুবকেরা আবারো শহরে বীরদর্পে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে শহরে আইন শৃঙ্খলা পরিসি'তির অবনতি নিয়ে গত ৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের এক সভায় খোদ জেলা প্রশাসক আহসান হাবীব তালুকদার শহরবাসীকে শতর্কভাবে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছেন। &lt;br /&gt;চলতি বছরের মধ্য জানুয়ারী থেকে নওগাঁ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তি ভেঙ্গে পড়ায় জেলায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই অস্বাভাবিক রকমের বেড়ে যায়। পরিসি'তি এতোই ভয়াবহ হয়ে উঠে যে রাতের বেলা শহরে রিক্সা চলাচল পর্যনৱ বন্ধ হয়ে পড়ায় রাত ১১ টার পর ঢাকা থেকে রাতের কোচে নওগাঁ আসা বা পার্শ্ববর্তী শানৱাহার জংশনে আসা বিভিন্ন ট্রেনে নওগাঁর বাইরে থেকে আগত যাত্রীরা শহরের ঢাকা বাসষ্ট্যান্ডে ও শানৱাহার ষ্টেশনে সারা রাত দাড়িয়ে কাটাতে বাধ্য হন। এরকম পরিসি'তিতে গত ২৪ ফেক্রয়ারী ঢাকা ফেরত পুলিশের এক এএসআই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে তাদের হাতে আহত হয়ে মৃত্য বরণ করেন। এ ঘটনার পর জেলা পুলিশ শহরে সাঁরাশি অভিযান চালিয়ে শহরের বখাটে ও নেশাগ্রস' কিশোর-যুবক সহ চিহ্নিত অপরাধিদের গ্রেপ্তার অভিযান শুরম্ন করে ২/৩ দিন যেতে না যেতেই ওই অভিযানে শৈথিল্য নেমে আসে। অভিযোগ উঠেছে ওই অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিষয়ে রাজনৈতিক হসৱৰেপের কারণে পুলিশ অভিযান শিথিল করতে বাধ্য হয়। এই অভিযান শিথিল হবার কারণে অভিযান কালে আত্নগোপন কারি শহরের বখে যাওয়া কিশোর যুবকেরা আবরো প্রকাশ্যে বেড়িয়ে এসে নানা রূপ অপকর্ম শুরম্ন করেছে। এ সকল বখাটে কিশোর-যুবকদের উৎপাতর কারণে কন্যা সনৱানদের অভিভাবকদের ঘুম হারাম হবার মতো অবস'া চললেও কিশোর-যুবকদের নিয়ন্ত্রনে পুলিশের কোন কার্যকর ভূমিকা লৰ্য করা যাচ্ছে না। বিশেষত শহরের মধ্যস'লের চকদেব পাড়া, উকিল পাড়া, হাট নওগাঁ, কোমাইগাড়ী মহলস্নার এ সকল কিশোর-যুবকদের (এদেরঅনেকের বিরম্নদ্ধেই থানায় এক বা একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে) উঠতি বয়েসের মেয়ে আছে এমন বিভিন্ন বাসাবাড়ীর সামনে গভীর রাত পর্যনৱ অশালীন আড্ডায় জমে থাকতে দেখা যাচ্ছে। অবশ্য পুলিশি টহলের সময় এ সকল কিশোর-যুবকরা আড়াল হয়ে থাকায় পুলিশ এদের নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না বলে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা দাবী করলেও ভূক্তভোগীরা পুলিশের এই দাবীকে নিছক কৈফিয়ত বলে অভিমত জানিয়েছেন। ভূক্তভোগীদের মতে পুলিশ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করলে এ সকল বখাটেদের নিয়ন্ত্রন কোন সমস্যাই হতে পারে না। ভূক্তভোগীরা আরো জানান এ সকল বখাটে যুবকদের বিশেষ বিশেষ বাসা বাড়ীর সামনে এবং চিহ্নিত কয়েকটি ক্লাবে আড্ডার বিষয়ে একাধিক বার পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েও কোন পুলিশী সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। &lt;br /&gt;এদিকে ছিনতাইকারীদের হামলায় গত ২৪ ফেব্রম্নয়ারী পুলিশের এএসআই নিহত হবার পর পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২/১ জন নিরহ যুবককে অযথা গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ২৪ ফেব্রম্নয়ারীর ওই দুর্ঘটনার পর ঢাকা ফেরত নাইট কোচগুলো নওগাঁ কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনাল পর্যনৱ চলাচল সহ রাতের বেলা ঢাকাগামী বাস কাউন্টারগুলো খোলা রাখার দাবী জানিয়ে দৈনিক ডেসটিনিতে প্রতিবেদন প্রকাশের ঢাকা ফেরত রাতের কোচগুলো এখন শহরের মধ্যবর্তী কাজীর মোড় পর্যনৱ চলাচল করলেও রাত ১২টার পর কোন রিক্সা পাওয়া যাচ্ছে না। &lt;br /&gt;অপরদিকে গত ৩/৪ দিন ধরে শহরের মুক্তির মোড় ও তাজের মোড়ে সন্ধার আগে এক দেড় ঘন্টা বেশ কিছু অপরিচীত মানুষের উপসি'তি শহরবাসীকে নতুন করে আতঙ্কিত করে তলুছে। লৰ্য করা যাচ্ছে এ সকল অপরিচীতরা শহরের মুক্তিরমোড় ও তাজের মোড়ের বিভিন্ন চায়ের দোকান সহ রাসৱার পার্শ্বে জটলা পাকিয়ে আলাপ চারিতায় মগ্ন থাকছেন। এ সকল অপরিচীত মানুষজন কোথঅ থেকে আসছে এবং কোথায় চলে যাচ্ছে সে বিষয়টি তলিয়ে দেখা দরকার বলে বিশিষ্ট জনেরা অভিমত জানিয়েছেন। &lt;br /&gt;নওগাঁর আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তি নিয়ে মনৱব্য রাখতে গিয়ে গত ৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের এক সভায় নওগাঁর জেলা প্রশাসক আহসান হাবীব তালুকদার জানান, বিভিন্ন কারণে নওগাঁ জেলা পুলিশের তিনটি পস্নাটুন বর্তমানে নওগাঁর বাইরে কর্মরত রয়েছে। এ কারণে তিনি শহরবাসীকে নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে নিজ উদ্যোগে ব্যবস'া গ্রহণ করার পাশাপাশি মেয়েদের মূল্যবান গহনা পরে রাসৱায় চলাচল না করার অনুরোধ রাখেন। অপর দিকে এক আলোচনা কালে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম মতামত জানিয়ে বলেন, মাদক দ্রব্যের ব্যবহার ও বিক্রর উপর নিয়ন্ত্রন শুরম্ন হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তির অবনতি ঘটে। কারণ ব্যাখ্যায় তিনি উলেস্নখ করেন এই নিয়ন্ত্রনের ফলে মাদক দ্রক্যের দাম বেড়ে যায় যে কারণে বাড়তি দামের যোগান দিতে মাদকসেবীরা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পরে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-5361595070950269922?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/rt4ECVpfCPM" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/rt4ECVpfCPM/blog-post_11.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/03/blog-post_11.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6818626901034504731</guid><pubDate>Sun, 07 Mar 2010 17:49:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-03-07T09:53:16.659-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">সাহিত্য ও সংস্কৃতি</category><title>বন্ধু হতে চাই</title><description>যদি তুমি বন্ধু হতে চাও&lt;br /&gt;দু'হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে।&lt;br /&gt;যদি তুমি শত্রু হতে চাও&lt;br /&gt;ঘৃণা করিওনা আমায়&lt;br /&gt;রাখিও তোমার হৃদয়ের মাঝে।&lt;br /&gt;যদি তুমি বন্ধু হতে চাও&lt;br /&gt;হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে।&lt;br /&gt;যদি তুমি হতে চাও, সত্যিকারের বন্ধু !&lt;br /&gt;তোমার দুঃখে দূঃখী হয়ে,&lt;br /&gt;তোমার সুখে সুখী হয়ে,&lt;br /&gt;তোমার সাথে থাকব সারা জীবন।&lt;br /&gt;যদি তুমি বন্ধু হতে চাও&lt;br /&gt;দু'হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6818626901034504731?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/XmViHKYI9Og" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/XmViHKYI9Og/blog-post_07.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/03/blog-post_07.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-1704581660524360313</guid><pubDate>Sun, 07 Mar 2010 06:37:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-03-06T22:39:37.474-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>উত্তরাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে, কৃষিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা</title><description>উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। চলতি বোরো মৌসুমে পুরোদমে সেচকাজ শুরুর আগেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেচ কাজে ব্যবহৃত শ্যালো পাম্প এমনকি হস্তচালিত নলক‚পগুলোতে ঠিকমতো পানি উঠছে না। এরইমধ্যে বেশকিছু হস্তচালিত নলক‚প অকেজো হয়ে পড়েছে। পানি কম ওঠায় আরো গভীরে নামানো হচ্ছে শ্যালো পাম্পের পাইপ। পানির স্তর ক্রমাগত নিম্নমুখী হওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উৎপাদনে এবার মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নওগাঁ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গত বছরের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট নিচে রয়েছে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ও অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে কৃষি উৎপাদন দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, প্রতি বছরই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১ থেকে ২ ফুট করে নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে অগভীর সেচ পাম্পগুলো ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীর গর্তে নামিয়ে সেচ কাজ চালানো হচ্ছে। তাতেও ঠিকমতো পানি না ওঠায় পাম্পগুলো আরো ৫ থেকে ৬ ফুট গভীরে নামানো হচ্ছে। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা বিএডিসি সার্ভেয়ার আবদুল মজিদ জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর গভীর নলক‚পের পানির স্তর প্রায় ২ ফুট নিচে রয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৮ ফুট গভীরে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলের প্রায় ৫ লাখ হেক্টর জমির আবাদ সেচ সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অঞ্চলের ১৬ জেলায় প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে প্রায় ৩৫ হাজার গভীর ও অগভীর নলক‚প দিয়ে ঠিকমতো পানি না ওঠায় অসংখ্য চাষি সেচ সংকটে ভুগছে। বেসরকারি জরিপে জানা গেছে, প্রতি বছর যে পরিমাণ পানি ভূগর্ভস্থ থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে, সে পরিমাণ পানি ভূগর্ভে রিচার্জ হচ্ছে না। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিলগুলো পানি শূন্য হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এতে করে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরো নিচে নেমে গিয়ে কৃষি উৎপাদন দিন দিন হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলে কৃষি কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার হচ্ছে ৯৮ শতাংশ। আর একই কাজে নদ-নদী বা ভূউপরিভাগের পানির ব্যবহার হচ্ছে মাত্র ২ শতাংশ। এভাবে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যাপক ব্যবহারে বগুড়া, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুরসহ পুরো বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষি মারাত্মক বিপর্যয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। &lt;br /&gt;আমাদের সময় অবলম্বনে&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-1704581660524360313?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/S2dYU6-vAMI" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/S2dYU6-vAMI/blog-post_06.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/03/blog-post_06.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-5624863127868003806</guid><pubDate>Thu, 04 Mar 2010 19:03:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-03-04T11:04:42.569-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মালী থেকে ড্রাইভার</title><description>নওগাঁ জেলার সর্ববৃহৎ উপজেলা মান্দা উপজেলার প্রায় সোয়া ৪ লক্ষ লোকের সার্বিক পরিসি'তি দেখাশুনার মুনিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তিনি সরকারের বেতন ভূক্ত একজন ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে উপজেলা পরিষদের মালীকে ড্রাইভিং কাজে ব্যবহার করা করছেন। জানা যায়, উপজেলার সরকারি ড্রাইভার বাসায় বসিয়ে রেখে সরকারি বেতন দিয়ে উপজেলা পরিষদের মাষ্টার রোলের বেতনভূক্ত একজন মালিকে দিয়ে সরকারের সেই দামী গাড়ীটি চালানো হচ্ছে। একজন অদক্ষ ভারী লাইসেন্স বিহীন ড্রাইভারকে দিয়ে গাড়ী চালানোর নীতিমালা আছে কি-না তা নিয়ে উপজেলার সুধীজনের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় চলছে। বড় কর্তার ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলার কেউ নেই। কেন বা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার সরকারের নিয়োগকৃত ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে তার মালীকে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করছে তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলায় নানা রকম গুঞ্জন চলছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে নওগাঁ সদর, মান্দা, নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার, মহাদেবপুর, বদলগাছী উপজেলায় সংস'াপন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদেয় দামী পাজোরো গাড়ীগুলো নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ সরকারি কাজকর্ম করার জন্য চষিয়ে বেড়াচ্ছে। মান্দা উপজেলার নির্বাহী অফিসারের গাড়ীটি কখনও কখনও তার পারিবারিক কাজে পাবনা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা শহরে দৌড়ে বেড়ায়। গোপন সূত্রে জানা যায়, গাড়িটি অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা চালানোর জন্য গাড়িটি পরপর দু'বার দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেও গাড়িটির আংশিক ক্ষতিও হয়েছে। গাড়িটির উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা পরিষদের মাষ্টার রোলের একজন ছেলেকে দিয়ে গাড়িটি চালানোর সময় কোন একদিন ওই অদক্ষ ড্রাইভারটি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে গাড়িটির ডানদিকের সামনের গেটের অংশ ও পিছনের বামপারের আংশিক ক্ষতি সাধন করেছে। এর পরও উপজেলা অফিসারের হুশ হয়নি। সরকারের নিয়মিত ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে তার মনোনিত অদক্ষ লোক দ্বারা গাড়ি চালানোর জন্য উপজেলার সচেতন সুধী জনের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকার গাড়ি একজন অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা পরিচলানা করায় যে কোন মুহুর্তে অপ্রীতিকর ঘটনাসহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটারও সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের এত দামী গাড়ির ক্ষতিপূরণের দায়ভার কার হাতে? প্রায় দু'বছর আগে মান্দা উপজেলা প্রশাসন এ গাড়িটি পেয়েছে। সংস'াপন (পুল)-এর নিয়োগকৃত ড্রাইভার দ্বারা গাড়িটি চালানোর কথা থাকলেও মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কি কারনে তা আমলে আনছেন না যা নিয়ে উপজেলার মানুষ শংকিত। ভারী লাইসেন্স বিহীন অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা সরকারের এত বড় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা দামি গাড়িটি চালানো হচ্ছে যা দেখার কেই নেই। উপজেলা পরিষদের অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুন্সী মনিরুজ্জামান এর ব্যবহৃত গাড়িটির বর্তমান ড্রাইভার মোঃ রেজাউল ইসলাম সে উপজেলা পরিষদের একজন মাষ্টার রোলের নিয়োগকৃত মালী। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িটি নিজ জেলা শহর থেকে অন্য জেলা শহরে কোন কাজের জন্য যেতে হলে ডিসি বা কমিশনারের অনুমতির প্রয়োজন হয়। অথচ অনুমতি না নিয়েই মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার ব্যক্তিগত অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা নিজের প্রয়োজনে সকল কাজকর্ম চষিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো: আহসান হাবিব তালুকদার- এর সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকে জানান, নওগাঁর ১১টি উপজেলার রাণীনগর উপজেলা বাদে সবগুলোতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ী আছে। জেলা শহরের বাহিরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ী নিয়ে কাজের জন্যই হোক নতুবা গাড়ী ঠিক করার কোন কাজে যেতে হোক জেলা প্রশাসককে জানিয়ে যেতে হয়। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন কাজে এ গাড়ী ব্যবহার করার নিয়ম নেই। মান্দা উপজেলার নির্বাহী অফিসারের গাড়ী জেলা শহরের বাহিরে যাওয়া সম্পর্কে আমার জানা নেই। উক্ত উপজেলার নির্বাহী অফিসারের মাষ্টাররোলে নিয়োগকৃত মালীকে ড্রাইভার হিসাবে গাড়ী চালানো সম্পর্কেও আমার জানা নেই। সরকারি ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে কেন মালিকে দিয়ে গাড়ী চালানো হচ্ছে তা খতিয়ে দেখে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস'া গ্রহণ করা হবে বলে জানান।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-5624863127868003806?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/GKmmoc-gqvY" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/GKmmoc-gqvY/blog-post_04.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/03/blog-post_04.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-1879596574811349124</guid><pubDate>Wed, 03 Mar 2010 15:17:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-03-03T07:21:34.633-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>নওগাঁর মান্দায় বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৪ গ্রেফতার ৫</title><description>বুধবার নওগাঁর মান্দায় বিরোধীয় জমির উপর অবসি'ত বড়ই গাছ থেকে বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলা ও উপর্যপুরি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ২ সহোদর নিহত ও তাদের বাবা, মা সহ ৪ জন মারাত্মক আহত হয়েছে। জনতা ৫ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নওগাঁর পুলিশ সুপার মো: মোফাজ্জেল হোসেন ঘটনাস'ল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের রাঙামাটি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের সাথে বেলাল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান- বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বুধবার বেলা ১১ টার দিকে বিরোধীয় জমির উপর অবসি'ত একটি বড়ই গাছ থেকে বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির সূত্রপাত ঘটে। এসময় আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল লোক সন্ত্রাসী কায়দায় ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিপক্ষ বাবুল হোসেনের বাড়ীতে হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের উপর্যপুরি আঘাতে ঘটনাস'লেই বাবুল হোসেনের ছেলে চকউলি ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র আব্দুর রশিদ (২৩) নিহত হয়। পরে মারাত্মক আহত অবস'ায় ৫ জনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সময় দেলুয়াবাড়ী নামক স'ানে নিহত আব্দুর রশিদের বড় ভাই মানিক হোসেন (৩০) মারা যায়। আহত বাবুল হোসেন, রোকেয়া বিবি, খালেদা বিবি ও মোতালেক হোসেনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের অবস'া আশংকা জনক বলে জানা গেছে। এদিকে, সংঘর্ষের পর পরই হামলাকারী আনোয়ার হোসেন, হারুনুর রশীদ, কোহিনুর বিবি, পারভিন বিবি ও সমত্তভান বেওয়া পালিয়ে যাওয়ার সময় স'ানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। মান্দা থানার ওসি মো: খালেকুজ্জামান জানান, এ ব্যাপারে নিহতের বড় বোন আকতার বানু বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদনে-র জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুত্রঃ এসএনএন বিডি&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-1879596574811349124?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/zNJ0mJk2rE8" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/zNJ0mJk2rE8/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/03/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6204745357271539685</guid><pubDate>Fri, 22 Jan 2010 02:59:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-01-21T19:08:44.681-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">নওগাঁ জেলার সংবাদ</category><title>নদীতে বাঁশরে বেড়া দিয়ে মাছ শিকার</title><description>নওগাঁর মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীতে নিষিদ্ধ ঘেরজাল ও বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। শ্রীমন্তপুর ঘাট থেকে মিঠাপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার নদীতে ৭০ থেকে ৮০টি স্থানে এভাবে বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় মত্স্যজীবীরা নদীতে জাল ফেলতে পারছেন না।&lt;br /&gt;সরেজমিন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি শুরু হয়। ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার মদনচক গ্রামের লোকমান হোসেন, বানডুবি গ্রামের আশরাফ হোসেন, বৈদ্যপুর গ্রামের ফায়েজুল হোসেনসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গোপিনপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক, ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ইব্রাহিম হোসেন, বানডুবি গ্রামের হরেন্দ্রনাথ, কালিকাপুর গ্রামের হারুন, বৈদ্যপুর গ্রামের বারেকুল ইসলাম, গোড়রা গ্রামের আফাজ পিয়াদা, পাঁঠাকাটা গ্রামের বিমলচন্দ্র হাওলাদার, জোতবাজারের প্রদীপ হাওলাদার, পারইল গ্রামের মোজাম্মেল হকসহ মান্দা উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত কয়েকজন কর্মচারী নদীতে এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। বেশির ভাগ পয়েন্টে নিষিদ্ধ ঘেরজাল ও বাঁশের বেড়া ব্যবহার করা হয়েছে। &lt;br /&gt;উপজেলার হাটোর-বৈলশিং মত্স্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জানান, ব্যক্তিমালিকানায় তৈরি এসব পয়েন্টে মাছের জন্য খাবার দেওয়া হয়। খাবারের জন্য সেখানে মাছ জড়ো হয়। কয়েক দিন পরপর সেই মাছ শিকার করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তার দপ্তরে কয়েক দফা অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। &lt;br /&gt;স্থানীয় মত্স্যজীবীদের অভিযোগ, ইউএনও কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী জড়িত থাকায় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। &lt;br /&gt;গোপিনপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক, ভালাইন ইউপির সাবেক সদস্য ইব্রাহিম হোসেনসহ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা নদীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে দাবি করেন, নদীর কিনারায় কাটা (নদীতে জাল বা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা জায়গা) দেওয়া নিষিদ্ধ নয়।&lt;br /&gt;নদীর বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘেরজাল ও বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘নদীতে এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি মত্স্য আইনের পরিপন্থী। বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ মত্স্য কর্মকর্তা জানান, নদী দখলমুক্ত করার দায়িত্ব তাঁর দপ্তরের। কিন্তু সীমিত জনবলসহ বিভিন্ন কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন না।&lt;br /&gt;ইউএনও মুন্সী মনিরুজ্জামান জানান, মত্স্যজীবী সমিতির অভিযোগ পাওয়ার পর সপ্তাহ দুয়েক আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কিছু অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও অভিযান চালানো হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, তাঁর দপ্তরের কোনো কর্মচারী ওই দখলপ্রক্রিয়ায় জড়িত, এমন অভিযোগ তিনি পাননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূএ: প্রথম আলো&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6204745357271539685?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/4xhsUHUjiHQ" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/4xhsUHUjiHQ/blog-post_21.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/01/blog-post_21.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-2719809042038702335</guid><pubDate>Sat, 02 Jan 2010 05:33:00 +0000</pubDate><atom:updated>2010-01-01T21:34:18.352-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">বাংলাদেশ</category><title>কেমন আছেন গ্রামবাসী?</title><description>সাদামাটা চোখে দেখা যায়, বিশ্বের বড় বড় দাতাগোষ্ঠী তথা উন্নত বিশ্ব আমাদের জন্য অনেক কিছুই করছে। সবই আমাদের ভালোর জন্য। কিন্তু সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন জাগে, তারা কি সত্যি সত্যিই আমাদের কিংবা আমাদের মতো স্বল্পোন্নত দেশের কল্যাণের জন্য কিছু করে? এ যাবৎকালের অভিজ্ঞতা তো তা বলে না। কতই না প্রতিশ্রুতি শুনি উন্নত বিশ্বের। আমাদের কল্যাণে তারা কতই না ছাড় দেবে? আর এসব কথা শোনা যায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে, যেখানে উন্নত-স্বল্পোন্নত-অনুন্নত সব এক হয়। দরিদ্রদের প্রতি করুণা বর্ষণের প্রশ্নে কারোই তুলনা নেই। এই যে বছরের ৩৬৫ দিনই কোনো না কোনো দিবস পালন হয়, এর মধ্যে কোনোটি এ দেশে উদযাপিত হয়, আবার কোনোটি হয় না। আমার জানা মতে, ৯৮টি আন্তর্জাতিক দিবস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দিবস, যেগুলোর বাতাস এ দেশেও পেঁৗছতে শুরু করেছে। দিবস পালন হোক_ এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই। কিন্তু কথা হচ্ছে, সব দিবস কি আমাদের জীবনে কোনো প্রভাব ফেলে? নিশ্চয়ই নয়। কোনো কোনো দিবসের তাৎপর্য রয়েছে; সব ক'টির নয়। দিবসগুলোতে যেসব বড় বড় বুলি আমরা উন্নত বিশ্ব তথা দাতা সংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে শুনতে পাই, দিবস পেরিয়ে গেলে কিন্তু এর কোনো প্রতিফলন দেখতে পাই না। যাহোক, আমার এ প্রসঙ্গ অবতারণার কথা নয়। শিরোনামের সঙ্গে এসব কথার প্রাসঙ্গিকতা নেই। কিন্তু কথাগুলো আমার মনে হলো পুরনো একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ২০০৭ সালে চ্যানেল আইতে আন্তর্জাতিক মা দিবসে বেশ সাড়ম্বরে ক্যাম্পেইন করা হয়েছিল বড় একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায়। সেখানে এসএমএসের একটি প্রতিযোগিতা ছিল। কথা ছিল, ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে মা সম্পর্কে লিখে পাঠাতে হবে মোবাইলে। অসংখ্য এসএমএস এসেছিল। এর মধ্যে যে এসএমএসটি প্রথম হয়েছিল, তাতে লেখা ছিল_ 'তোদের কত সাহস! মায়ের কথা ৬০ ক্যারেক্টারে লিখতে বলিস!' বিচারকদের রায়ে এই এসএমএসটিই প্রথম হয়েছিল। সমকালের আজকের এই সংখ্যায় লেখার জন্য নাসির আহমেদ আমাকে ফোনে জানিয়েছিলেন, ৫০০ থেকে ৬০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে_ 'কেমন আছেন গ্রামের মানুষ?' ফোনে সেই এসএমএসটির মতোই উত্তর দিলাম নাসিরকে। ১৫ কোটি মানুষের এই দেশটির সিংহভাগই গ্রামের মানুষ। যারা আমাদের খাদ্য উৎপাদনের মূল নিয়ামক, যারা আমাদের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি, তাদের সম্পর্কে ৭০০ শব্দে লেখার সাহস আমার নেই। সব ক্ষেত্রেই গ্রামের মানুষের অবস্থানকে সংকুচিত করা হচ্ছে। অল্প কিছু জায়গা নিয়ে শহর। দেশের ১১ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস গ্রামে। তাদের ভালো-মন্দের খবর এত কম কথায় কীভাবে বলি? অবশেষে এক হাজার শব্দ বরাদ্দ পেলাম। কিন্তু এরই মধ্যে আমার সাড়ে ৩০০ শব্দ পার হয়ে গেছে। গড়পড়তায় সেই ৬০০ শব্দের বাঁধা কাঠামোর মধ্যেই এসে পড়লাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ৩৯ বছরে পদার্পণ করেছি আমরা। আজ ২০১০ সাল। আমাদের স্মরণ করার যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে যে, এ দেশের মানুষ কেন যুদ্ধ করেছিল? গ্রামের মানুষ কোন বিশ্বাস ও যুক্তিতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল? মূল যে কারণ ছিল, তা হচ্ছে মৌলিক অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তা আসবে স্বাধীন ক্ষেত্র থেকে। তার অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্য থেকেই পরিচালিত হবে দেশ। আর এই স্বপ্নটি দেখতে পার করতে হয়েছে অনেক বছর। পেরিয়ে আসতে হয়েছে অনেক প্রথার শাসন-শোষণ, বিদ্রোহ, প্রতিবাদ, ঔপনিবেশিক দীর্ঘ অধ্যায় এবং বর্গি, হানাদার। এই দেশ, মাটি, প্রকৃতি ও সম্পদের ভেতর মাটিঘেঁষা মানুষগুলো কোন ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর? সেদিনকার ২০ বছরের তরুণ মুক্তিযোদ্ধা আজ অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ এক বৃদ্ধ কৃষক। শাহ আলী নামে এক কৃষকের কথা বলছি। গল্প নয়, একেবারে সত্যি। শাহ আলীর জন্ম ১৯৫১ সালে সিরাজগঞ্জ সদরের ছোনগাছা ইউনিয়নের গোপীরপাড়া গ্রামে। বাবা আহাদ বক্সের ৮ সন্তানের মধ্যে শাহ আলী ছোট। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছেন গ্রামের স্কুলে। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে পুরাদস্তুর কৃষক। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সামান্য জমিতে চাষবাস। বয়স যা-ই হোক, হতাশাচ্ছন্ন চিন্তায় জীবনের যেন শেষ প্রান্তে এসে পড়েছেন। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসাব কষার সময় এসে গেছে এখন। বাবা আহাদ বক্সের ছিল ১২ বিঘা আবাদি জমি। তখন তার বাড়িটি ছিল মাত্র ২৭ শতাংশ জমির ওপর। গত ৪০ বছরে আহাদ বক্সের বংশলতিকায় যোগ হয়েছে ৪৫টি মুখ। মানুষ বৃদ্ধির কারণেই বাড়িটির জমির আয়তন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ শতাংশে। তিনটি প্রজন্ম এসেছে। ঘর বেড়েছে, খাদ্যের মুখ বেড়েছে, কিন্তু বাড়েনি চাষের জমি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৯০ লাখ। তিন দশকে, অর্থাৎ ২০০০ সালে এই জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ কোটিতে। বর্তমানে ধরা হয় ১৫ কোটি। '৭১-এ পরিবার ছিল প্রায় ৯০ লাখ। এখন পরিবারের সংখ্যা ১ কোটি ৯০ লাখ। একান্নবর্তী পরিবারগুলো সময়ের প্রয়োজনেই ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়ে গেছে। যদিও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৭০ দশকের তুলনায় দশমিক ৫৮ ভাগ কমেছে, তারপরও ভূমির আয়তনের তুলনায় এই জনসংখ্যার হার অত্যধিক। ভূমির হিসাবে বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ। এখন প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে ৯০০ থেকে ৯৫০ জন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গত ২২ বছরে গ্রামাঞ্চলে জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩ কোটি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমানে মোট গ্রামীণ জনসংখ্যা ১১ কোটি। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ, অর্থাৎ ৮৩ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রাক্কলন অনুযায়ী, গ্রামাঞ্চলের ৪৭ দশমিক ১ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমা এবং ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ লোক চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বর্তমানে মোট জনগোষ্ঠীর ২২ শতাংশ ভূমিহীন, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষের কোনো ভূমি নেই। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে অর্ধলক্ষাধিক বেসরকারি সংগঠন ও সংস্থা বা এনজিও গড়ে উঠেছে, যারা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা বলে হাজার হাজার কোটি টাকার কারবার করেছে। বাইরে থেকে সাহায্য এনেছে, অংশীদারী উন্নয়ন তহবিল এনেছে, কিন্তু তা কতটুকু উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে, গ্রামের মানুষ জানে না। হিসাবটি এত বড় এবং বিচ্ছিন্ন যে, কোনো দফতরের কাছেও এর রেকর্ড নেই। অথচ টাকা ঘুরছে দেশের মধ্যেই, ব্যবসা চলছে গ্রামের মানুষকে পুঁজি করে। গ্রামের দরিদ্র মানুষের শ্রেণী বিভাগ হচ্ছে_ দরিদ্র থেকে হতদরিদ্র, অতি দরিদ্র ইত্যাদি। অথচ এনজিওগুলো প্রাথমিক উদ্দেশ্য হিসেবে যা উলেল্গখ করে, তা হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন। দারিদ্র্যের সংখ্যা কমানো নিয়ে তারা নানা রকম ইশতেহার দেয়। নানা রকম লোক দেখানো কর্মসূচিও নেয়। কার্যত দারিদ্র্যের হার আরও বাড়ে। ধরন পাল্টায় শুধু। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একসময়কার চরম দরিদ্র, যার কোথাও ঋণ ছিল না, সে এখন আগের মতোই দরিদ্র আছে; সেই সঙ্গে চেপে বসেছে ঋণের বোঝা, যে বোঝা বহনের শক্তি তার নেই। এভাবেই দারিদ্র্য বাড়ছে। যদিও মানব উন্নয়ন সূচকে আমাদের দারিদ্র্য অত্যন্ত ধীর গতিতে কমছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে আমাদের আর্থ-সামাজিক দারিদ্র্য এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বিত্তহীন হওয়ার হার দিনের পর দিন বাড়ছে। &lt;br /&gt;গ্রামের কৃষিজীবী জনগোষ্ঠীই যে শক্তির আধার, এ বিষয়টি আজও বুঝে ওঠার চেষ্টা করেনি রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরা। আজও আমরা ভেবে দেখি না, গ্রামের উৎপাদক শ্রেণী যদি ফসল না ফলাত, তাহলে এই ১৫ কোটি মানুষের খাদ্যের জোগান হতো না। গ্রামের এই মানুষগুলো কেমন আছে? কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলীর যে গল্পটি বললাম, এটা সারা বাংলাদেশের চিত্র। গ্রামীণ জীবনে কোনো কিছু যুক্ত হয়নি; শুধু হারিয়েছে আর হারিয়েছে। সময়ের স্রোতে মানুষের আন্তরিকতা এবং মানবতাও হারিয়ে গেছে অনেক ক্ষেত্রে। নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন কবলিত ভূমিহীন ও দরিদ্রের সংখ্যা বাড়ছে, উত্তরের অভাবপীড়িত মানুষ জমি-জিরাত হারিয়ে কিংবা বিক্রি করে শহরের বস্তিতে আশ্রয় খুঁজছে। গ্রামের মানুষের মূল জীবিকা কৃষি হলেও এখন কৃষির অভিভাবক তারা নয়। একসময়কার অধিকাংশ ভূমি মালিক বা কৃষক এখন বর্গাচাষি এবং কৃষিশ্রমিকে পরিণত হয়েছে। কৃষি চলে যাচ্ছে অর্থশালী শহুরে উদ্যোক্তাদের হাতে, যারা গ্রামের কৃষকদের মাথার ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে, আর কৃষকরা সহজেই মেনে নিচ্ছে তাদের নিয়তি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর ভেতরেই শত প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে যারা ভালো করছে, তাদের দেখলে উজ্জীবিত হই। মনে হয়, এই সংগ্রামসফল মানুষগুলোই আমাদের সঠিক স্বপ্ন দেখাতে পারে। তারা অনেক দরিদ্র সংগ্রামী মানুষের নির্দেশক হিসেবে কাজ করছে। গ্রামের দরিদ্র মানুষ দেশের জন্য তার সবটুকু সাধ্য বিনিয়োগ করতে পারে, ত্যাগ করতে পারে একান্ত নিজস্ব স্বার্থ, ভাবতে পারে_ দেশ বেঁচে থাক, দেশের মানুষ বেঁচে থাক। এই ভাবনাটি কি আমরা শহুরেরা ভাবতে পারি? অথচ গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়াই না কেউ; কিন্তু তাদের জন্য সাহায্য-সহযোগিতা নেই, গ্রামমুখী বিনিয়োগ নেই। বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তারা শুধু শহরের দিকেই ঝুঁকছে। এ এক দারুণ বঞ্চনা। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখাটি শুরু করেছিলাম অপ্রাসঙ্গিক একটি প্রসঙ্গ দিয়ে। আমাকে বেঁধে দেওয়া শব্দ কাঠামো অনেক আগেই অতিক্রম করেছি। কিন্তু গ্রামের কুশল হয়তো এখনও বলা হয়নি। সহজ করে বলি, আমরা উন্নয়নশীল দেশ। আমরা এখন আক্রান্ত। গোটা বাংলাদেশটিই যেহেতু একটি গ্রাম, সেই গ্রামটিই এখন আক্রান্ত। উন্নত বিশ্ব জানে, জলবায়ু পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে কোথায় পেঁৗছেছে এই দেশটি। আর গ্রামপ্রধান তথা কৃষিপ্রধান বাংলাদেশকে বাঁচানোর কলকাঠি উন্নত বিশ্বের হাতে। কার্বন নির্গমন কমাতে হবে। ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত কিয়োটো প্রটোকলের শর্তগুলো মানেনি আমেরিকাসহ শিল্পোন্নত দেশগুলো। কার্বন নির্গমন কমায়নি তারা, বরং বাড়িয়েছে। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে কোপ-১৫ নামের জলবায়ু সম্মেলনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি শিল্পোন্নত দেশগুলো কতটুকু মানবে, তা এখনই প্রশ্নসাপেক্ষ। কথা না রাখার সংস্কৃতিতে উন্নত বিশ্ব অনেক বেশি অভ্যস্ত, যেটা আমাদের গ্রামের মানুষ জানে না। আর জানে না বলেই আক্রান্ত হয় তারাই। তৃতীয় বিশ্বের গ্রামপ্রধান সব দেশেরই একই অবস্থা। এখন প্রশ্নটি আপনাকেই করছি_ কেমন আছেন গ্রামের মানুষ? &lt;br /&gt;লেখক : কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, পরিচালক ও বার্তাপ্রধান, চ্যানেল আই (সুত্র, সমকাল, ০১/০১/২০১০)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-2719809042038702335?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/ozEt3AfG2vI" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/ozEt3AfG2vI/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2010/01/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6467309312180429751</guid><pubDate>Thu, 31 Dec 2009 18:06:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-12-31T10:09:48.253-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">সংবাদ পরিক্রমা</category><title>সালতামামি ২০০৯</title><description>জানুয়ারি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি ০৩ : শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শপথ নেন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের নবনির্বাচিত ২৫৮ সাংসদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি ০৬ : সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিদায়। ত্রয়োদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। গঠিত হয় ৩১ সদস্যের মন্ত্রিসভা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি ২২ : ১৭ বছর পর সারাদেশে উপজেলা নির্বাচন। (৪৮১ উপজেলার মধ্যে একটিতে ছাড়া বাকি ৪৮০টিতে এদিন নির্বাচন হয়)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি ২৪ : ছয়জন প্রতিমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে মন্ত্রিসভার কলেবর বৃদ্ধি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি ২৫ : নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু। এদিন রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে শপথ ভঙের অভিযোগে বিএনপি ও চারদলের অন্য শরিকদের ওয়াকআউট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্রুয়ারি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্র"য়ারি ১২ : দেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা মো. জিল্লুর রহমানের শপথ গ্রহণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্র"য়ারি ২৫: বিডিআর সদরদপ্তর পিলখানায় জওয়ানদের বিদ্রোহ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্রুয়ারি ২৬ : অস্ত্র সমর্পণের মধ্য দিয়ে বিডিআর বিদ্রোহের অবসান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্র"য়ারি ২৭ : বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে তিন দিনের শোক দিবস শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্চ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্চ ০১ : বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সংসদে শোক প্রস্তাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্চ ০২: পলাতক বিডিআর সদস্যদের গ্রেপ্তারে অপারেশন 'রেবেল হান্ট' শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্চ ১৩ : বসুন্ধরা শপিং মলে অগ্নিকাণ্ড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্চ ২৯ : সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৪৫ সাংসদের শপথ গ্রহণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল ০৬ : আলোচিত উপজেলা পরিষদ বিল ২০০৯ পাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল ০৭ : নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল ০৮ : আইনগত ত্র"টির কথা উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাড়ির ইজারা বাতিল করে মন্ত্রিসভা। এদিন শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটিও গঠন হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল ১৭ : চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় 'বিজলীর' আঘাত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপ্রিল ২০ : সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনার প্রথম সরকারি সফরে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা। একইদিন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ১৫ দিনের মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে ০৯ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া মারা যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে ১৪ : যৌন হয়রানি রোধে নীতিমালা প্রণয়ন করে হাইকোর্টের রায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে ২৫ : উপকূলীয় জেলায় ঘূর্ণিঝড় 'আইলা'-র আঘাত। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন ১১ : জাতীয় সংসদে ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেট পেশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন ১৮ : দেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগীর সন্ধান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন ১৯ : দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারে ঘড়ির কাটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন ২১ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'স্বাধীনতার ঘোষক' বলে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুন ৩০ : আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংসদে ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেট পাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ০১ : হালনাগাদ তালিকায় নতুন ভোটারদের ছবি তোলা ও নিবন্ধন শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ০৬ : মন্ত্রিসভায় 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আইন ২০০৯' নীতিগত অনুমোদন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ১৩ : বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ২০ : বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়। (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ২২ : শতাব্দীর সর্বশেষ ও দীর্ঘস্থায়ী পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুলাই ২৪-২৫ : আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগস্ট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগস্ট ০৭ : পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগস্ট ১২ : হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক 'প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম'-পদক গ্রহণ করেন নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগস্ট ৩০ : সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে মিতা চক্রবর্তী নামে এক নারীর মৃত্যু। দেশে এটিই ছিল এ রোগে প্রথম কারো মৃত্যু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেপ্টেম্বর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেপ্টেম্বর ০৪ : সরকারের গঠনের পর প্রথমবারের মতো জেনেভায় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ প্রদান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেপ্টেম্বর ০৫ : সর্বাধিক অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম সাইফুর রহমানের মৃত্যু। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেপ্টেম্বর ১২ : বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের মৃত্যু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেপ্টেম্বর ১৫ : পিলখানা সদরদপ্তরে ২৫ ও ২৬ ফেব্র"য়ারি বিডিআর বিদ্রোহের বিচার বিডিআর আইনে এবং পিলখানায় হত্যা ও লুণ্ঠনের বিচার দণ্ডবিধির ধারা অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ০৬ : 'স্থানীয় সংসদ' বিল পাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ১২ : নতুন ১০টি বেসরকারি টেলিভিশন স�প্রচারের অনুমতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ১৩ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিল পাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ১৫ : অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ১৭ : তেজগাঁওয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্য পুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) গুদামে আগুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অক্টোবর ২১ : ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ওপর বোমা হামলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ০১ : পার্বত্য শান্তি চুক্তির এক যুগ পূর্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ০২ : তফসিলি ব্যাংকগুলোকে অনলাইনে অর্থ লেনদেন করার অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ১১ : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করে। একই দিন ঘোষণা করা হয় সরকারি চাকরিজীবীদের সপ্তম বেতন কাঠামো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ১৬ : পুঁজিবাজারে মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেন শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ১৯ : ৩৪ বছর অপেক্ষা শেষে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা। ১২ আসামির ফাঁসির রায় বহাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ২১ : প্রথমবারের মতো 'ছোটদের এসএসসি' নামে পরিচিতি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ২৪ : রাঙামাটিতে বিডিআর বিদ্রোহের বিচার শুরু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বর ২৭ : ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে লঞ্চ ডুবি। এমভি কোকো-৪ নামের ওই লঞ্চ দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৮৩ জন মারা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিসেম্বর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিসেম্বর ০৮ : ১৬ বছর পর বিএনপি'র পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিসেম্বর ১৭ : কোপেনহেগেন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ প্রদান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিসেম্বর ৩১ : ঘড়ির কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে আগের সময়ে ফেরত যাচ্ছে দে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূএ: বিডিনিউস২৪&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6467309312180429751?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/HJ7Jz11m_hQ" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/HJ7Jz11m_hQ/blog-post_31.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/12/blog-post_31.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6415862568194683055</guid><pubDate>Wed, 16 Dec 2009 04:46:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-12-15T20:48:19.050-08:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">বাংলাদেশ</category><title>ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্তির জন্য সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে  গড়ে তুলতে হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ</title><description>মহান মুক্তিযুদ্ধ আত্মত্যাগ ও গৌরবের মহিমায় উদ্ভাসিত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। মহান বিজয় দিবসের এই পরম লগ্নে আমরা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি -স্বাধীনতার প্রবাদ পুরুষ জাতির-জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয় এবং জন্ম হয় বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। আমরা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করি অগণিত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের যাঁরা অকাতরে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ পাক-হানাদার মুক্ত হয়েছিলো। অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাগণ বিজয়ীর বেশে এই দিনে ময়মনসিংহ শহরে বীরদর্পে প্রবেশ করেছিলো। অভিষিক্ত হয়েছিলো নতুন স্বদেশে। সেদিনের সে মাহেন্দ্রক্ষণ আমাদের মনে চির-জাগরুক হয়ে থাকবে। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেই সব বীর সেনাদের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে দেশকে মেধাশূন্য করার হীন মানসিকতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঘাতকগোষ্ঠি দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলো। মহান স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি রক্তভেজা বেদনাবিধূর দিন ১৪ ডিসেম্বর। ইতিহাসের এই বর্বরতম হত্যাকান্ডে সমগ্র জাতি শোকাভিভূত। তাঁদের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা লাভের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় স্বাধীনতা যুদ্ধের মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির-জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা বিরোধী চক্রেরই যোগসাজশে জঘন্য চক্রান্তে সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন। জাতির ললাটে এর চেয়ে বড় কালিমা আর কী হতে পারে ? গত ১৯ নভেম্বর এ জঘন্য হত্যাকান্ডের বিচারের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা হয়েছে, ঘাতকদের ফাসির আদেশ বহাল রাখা হয়েছে। জাতি আজ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। একইসাথে মানবতা বিরোধী এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায় বিচারের মধ্য দিয়ে দেশে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ গণমানুষের দাবি অবিলম্বে এ ফাঁসির রায় কার্যকর করা হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের আপামর জনগণের অংশগ্রহণ থাকলেও পাক-হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস্সহ একটি ঘাতকচক্র মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল। এই ঘাতকচক্র তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে জনগণ আজ সোচ্চার। এই বিচার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করা হবে বলে দেশবাসী প্রত্যাশা করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত। জাতীয় অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মত ও পথের ভিন্নতা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃপ্ত শপথে বলীয়ান হওয়া। আমাদের স্বাধীনতাকে আরো অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে দিন বদলের পালা। ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্তির জন্য সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে গড়ে তুলতে হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ। আমাদের জলবায়ু, মাটি ও মানব সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা বিধান করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সূচিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে, কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন তথা জাতীয় উন্নয়নে আমাদের কৃষি বিজ্ঞানী, গবেষক ও সম্প্রসারণ কর্মীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে পথিকৃত ভূমিকা রেখে চলেছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সকল সামর্থ ও সদিচ্ছাকে সুসংহত করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;      &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখক: খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও ভাইস-চ্যান্সেলর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;সূএ: এন ওয়াই বাংলা&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6415862568194683055?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/_ikJv6CUGgc" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/_ikJv6CUGgc/blog-post_15.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/12/blog-post_15.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6178851398477432903</guid><pubDate>Tue, 15 Dec 2009 15:47:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-12-15T07:47:40.341-08:00</atom:updated><title>প্রথম আলো - দুবাইকে অপ্রত্যাশিত সহায়তা দিতে এগিয়ে এল আবুধাবি</title><description>&lt;a href=http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-12-15/news/25303&gt;প্রথম আলো - দুবাইকে অপ্রত্যাশিত সহায়তা দিতে এগিয়ে এল আবুধাবি&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Posted using &lt;a href="http://sharethis.com"&gt;ShareThis&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6178851398477432903?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/82PTU1ToGvY" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/82PTU1ToGvY/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/12/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-5231307158617164116</guid><pubDate>Thu, 01 Oct 2009 06:38:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-09-30T23:49:37.915-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">স্বাস্থ্য</category><title>চায়ে কমতে পারে ডায়বেটিস</title><description>সকালে উঠে গরম গরম চা খেয়ে চোখের ঘুমটা ছাড়িয়ে নেওয়া৷ তার কিছুক্ষন পরে আরেকবার চা খেয়ে আলসেমিটা কাটিয়ে নেওয়া৷ তারপরে বাড়িতে যদি কেউ এসে যায় তার সঙ্গে আরেকবার চায়ের কাপে চুমুক দেওয়া৷ বেশীরভাগ মানুষই দিনের মধ্যে তিনবারেই বেশীই চা খেয়ে ফেলেন৷ &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে দেখবেন চা খাওয়ার মাত্রাটা এর থেকে যেন বেশী না বেড়ে যায়৷ তিনবার চা খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ক্ষতিকর নয়৷ বরং তাতে মধুমেহ হওয়ার সম্ভাবনা অর্ধেক শতাংশ কমে যায়৷ সম্প্রতি একটি গবেষণাতেই তা প্রমানিত হয়েছে৷ &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক্ষেত্রে গবেষকরা প্রমান করেছেন তিন বার চা খেলে ডায়বেটিস হওয়ার কোন ঝুঁকি থাকে না৷ চায়ের মধ্যে বফিন নামে একপ্রকার কেমিক্যাল থাকে যা ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনাকে 42% কম করে দেয়৷ এছাড়া চায়ের মধ্যে ফ্ল্যাভোনয়েড অ্যান্টি অক্সাইড রয়েছে যা শরীরের কোষকে নষ্ট হওয়ার থেকে বাঁচায়৷ তাই সারা দিনে নিশ্চিন্তে তিন বার চায়ের কাপে চুমুক দিতে পারেন৷&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূএ: ওয়েব দুনিয়া বাংলা&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-5231307158617164116?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/nRYhUbFyuDc" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/nRYhUbFyuDc/blog-post_30.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/09/blog-post_30.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-2021299234202381185</guid><pubDate>Fri, 25 Sep 2009 02:03:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-09-24T19:07:00.906-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">স্বাস্থ্য</category><title>﻿ এইচআইভি প্রতিরোধে নতুন টিকা, সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমবে</title><description>এইচআইভি প্রতি-রোধে গবেষকেরা একটি নতুন টিকা তৈরি করেছেন। এই টিকা এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমাবে বলে দাবি করছেন এর উদ্ভাবকেরা। মার্কিন সেনাবাহিনী ও থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সাত বছর গবেষণা করে এ টিকা তৈরি করেছে। গবেষকেরা বলছেন, আগের দুটি টিকার সমন্বয়ে নতুন এই টিকা তৈরি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টিকা তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানিয়েছে। চিকিত্সাবিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট-এর সম্পাদক রিচার্ড হার্টন প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, গবেষণার ফলাফল উত্সাহব্যঞ্জক। এইডসের টিকা তৈরির ক্ষেত্রে এক দশকের মধ্যে এটি প্রথম ইতিবাচক সংবাদ। তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। নতুন উদ্ভাবন জরুরিভাবে পুনঃ পুনঃ প্রয়োগ করে এর ফলাফল অনুসন্ধান করা দরকার।’&lt;br /&gt;থাইল্যান্ডের এইচআইভি/এইডসের ঝুঁকিতে আছে এমন ১৬ হাজার নারী ও পুরুষের ওপর এই টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়েছে। গবেষকেরা দাবি করছেন, টিকা নিয়ে কোনো গবেষণায় এর আগে এত বেশিসংখ্যক মানুষকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। এ গবেষণায় অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস।&lt;br /&gt;গবেষকেরা জানান, ফ্রান্সের ওষুধ ও টিকা তৈরির প্রতিষ্ঠান সানোফি এভেন্টিসের ‘এএলভিএসি’ এবং ভ্যাক্সজেন কোম্পানির ‘এইডভ্যাক্স’-এর সম্মিলন ঘটিয়ে নতুন টিকা তৈরি করা হয়েছে। এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধে আগের দুটি টিকা পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কাঙ্ক্ষিত সফলতা আসেনি। খবর এএফপি, এপি ও বিবিসির। &lt;br /&gt;মার্কিন সেনাবাহিনীর এইচআইভি গবেষণা কর্মসূচির কর্মকর্তা কর্নেল জেরম কিম বলেন, ‘এটাই আমাদের প্রথম সাফল্য যে টিকা দিয়ে এইচআইভি ভাইরাস প্রতিহত করা সম্ভব।’ থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী উইটহায়া কাইওপারাডাই বলেন, পরীক্ষার ফলাফল চিকিত্সাবিজ্ঞানের একটি বড় ধরনের অগ্রগতি।&lt;br /&gt;গবেষণা শুরু হয় ২০০৩ সালের অক্টোবর মাসে, ব্যাংককের নিকটবর্তী দুটি প্রদেশে। গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী ও পুরুষের বয়স ছিল ১৮ থেকে ৩০ বছর। এঁদের অর্ধেককে নতুন টিকা দেওয়া হয় এবং বাকিদের বিকল্প ওষুধ (প্লেসবো: ওষুধ বলে দেওয়া হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা ওষুধ নয়। ওষুধ নিয়ে গবেষণায় এটা করা হয়) দেওয়া হয়। তবে সবাইকে কিছু অভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা গেছে, বিকল্প ওষুধ গ্রহণকারী আট হাজার ১৯৮ জনের মধ্যে ৭৪ জন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর টিকা গ্রহণকারী আট হাজার ১৯৭ জনের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৫১ জন। এই ফলাফল থেকে গবেষকেরা বলছেন, নতুন টিকায় এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি ৩১ শতাংশ হ্রাস পাবে।&lt;br /&gt;জাতিসংঘ বলেছে, বাণিজ্যিকভাবে এ টিকা তৈরির জন্য এখনই অনুমতি দেওয়া ঠিক হবে না। এ টিকা থাইল্যান্ডের বাইরে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলেও একইভাবে কার্যকর কি না, তা আরও গবেষণা করে দেখার প্রয়োজন আছে।&lt;br /&gt;১৯৮১ সালে বিশ্বে প্রথম এইডস রোগ ধরা পড়ে। এই রোগের কারণ এইচআইভি ভাইরাস। এ পর্যন্ত এ রোগে আড়াই কোটি লোক মারা গেছে। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউএনএইডস বলছে, বিশ্বে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে সাত হাজার মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূএ:প্রথম আলো&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-2021299234202381185?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/v0q9xtx38u8" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/v0q9xtx38u8/blog-post_24.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/09/blog-post_24.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-6467279534107658985</guid><pubDate>Sat, 19 Sep 2009 02:22:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-09-18T19:24:53.022-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">স্বাস্থ্য</category><title>প্রতি আট মাসে একটি নতুন রোগের ঝুঁকি "প্রতিরোধে দেশের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়"</title><description>&lt;span style="font-size:130%;"&gt; দেশে এখন সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণ ঘটছে। এর আগে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ ছিল। সেই সংক্রমণ দেশের পোলট্রিশিল্পে বিপর্যয় ঘটায়। মানুষের মধ্যে পাখির রোগ ছড়াতে পারে—এ আশঙ্কা ছিল। সেই আশঙ্কা শেষ হয়নি। মাঝে নিপা ভাইরাসে মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিলেন দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানীরা। নিপা ভাইরাস ছড়ায় বাদুড়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি আট মাসে নতুন একটি রোগে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;br /&gt;শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর মানুষ নতুন নতুন সংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। গবেষকেরা বলছেন, মনুষ্য প্রজাতি গত ২৫ বছরে ৩৫টি নতুন সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, মানুষের অতিমাত্রায় বিশ্ব ভ্রমণের কারণে সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে।&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নীতীশ দেবনাথ বলেন, মেক্সিকোতে সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে সারা পৃথিবীতে তা ছড়িয়ে পড়ল। মেক্সিকো থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব ১৪ হাজার মাইল, কিন্তু সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণে বাংলাদেশে মানুষের মারা যেতে ১৪ সপ্তাহ সময় লাগেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি।&lt;br /&gt;ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সোয়াইন ফ্লুর ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে যে হঠাত্ সংক্রমণ মোকাবিলায় দেশ প্রস্তুত নয়। সোয়াইন ফ্লুর ভাইরাস যদি ব্যাপক প্রাণঘাতী হতো (ভেরুলেন্ট), তাহলে দেশে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি হতো।&lt;br /&gt;নতুন রোগ আসছে: রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, পৃথিবীর মানুষ নতুন নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মার্ক উলহাউস ২৫ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে বলেছেন, এই সময়ে মানুষ ৩৮টি নতুন রোগে আক্রান্ত হয়ছে। এই রোগ আগে মানুষের মধ্যে ছিল না। এসব রোগের ৭৫ শতাংশ এসেছে জীবজন্তু ও পশু-পাখি থেকে।&lt;br /&gt;আমেরিকান ভেটেরিনারি মেডিকেল কলেজ তাদের প্রকাশনায় বলেছে, প্রতি আট মাসে পৃথিবীতে একটি করে নতুন রোগের আবির্ভাব ঘটতে পারে এবং জীবজন্তু ও পশু-পাখির রোগ মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি খুবই বাস্তব।&lt;br /&gt;নীতীশ দেবনাথ বলেন, বন উজাড় বা অন্য আরও অনেক কারণে জীবজন্তু ও পশু-পাখির আবাসন নষ্ট হওয়ায় নতুন রোগ আসছে। আবার বাণিজ্যিক কৃষিখামারের কারণেও নতুন রোগের উদ্ভব হচ্ছে। এগুলোর কিছু ঢুকে পড়ছে মানুষ্য প্রজাতিতে।&lt;br /&gt;সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার নিয়ে পর্যালোচনা করেছে (গ্লোবালাইজেশন অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস: এ রিভিউ অব দ্য লিংকেজ)। তাতে দেখা যায়, ১৯৯৫ সাল থেকে ৩০টি নতুন ও পুরোনো রোগ ‘নতুনভাবে’ আবির্ভূত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, বড় বড় বাঁধ নির্মাণ, বন উজাড় হওয়া, বিস্তীর্ণ ভূমি ন্যাড়া হওয়া—এসব কারণে (সিলেকটিভ অ্যাডভান্টেজ) রোগের অবির্ভাবে হচ্ছে।&lt;br /&gt;নীতীশ দেবনাথ বলেন, ঘনবসতি ও বিশ্বব্যাপী মানুষের চলাচল বৃদ্ধি সংক্রমণ বিস্তারে সহায়ক হয়েছে। জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগের হিসাবের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পৃথিবীর জনসংখ্যা ৬৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ২০০৭ সালে গ্রামের চেয়ে শহরের জনসংখ্যা বেশি হয়ে যায়। তিনি বলেন, বর্তমানে বিমানে বছরে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ এক শহর থেকে অন্য শহর, এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি যেকোনো সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সহায়ক।&lt;br /&gt;করণীয়: নজরুল ইসলাম বলেন, সম্ভাব্য সব রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকাটা জরুরি। তিনি দুটি বিষয়ের ওপর বেশি জোর দেন। প্রথমত ব্যবস্থাপনা; এবং চিকিত্সকসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। সোয়াইন ফ্লুর সময় যাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে হবে। দ্বিতীয়ত, মানুষকে দ্রুত সচেতন করার জন্য প্রস্তুত থাকা। তিনি বলেন, সোয়াইন ফ্লু বিস্তারের প্রথম দিকে সরকার বলেছিল, আন্তর্জাতিক বিমান ও স্থলবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই ব্যবস্থায় অনেক ত্রুটির তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন না হয়, সেটা এখনই নিশ্চিত করতে হবে।&lt;br /&gt;আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন রোগে প্রতিহত, প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে ২০০৫ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (২০০৫) গৃহীত হয় এবং ২০০৭ সালের জুন থেকে তা কার্যকর হয়। বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বিধি বাস্তবায়ন করার জন্য তাতে স্বাক্ষর করেছে। বিধি মোতাবেক সদস্য দেশগুলো অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল প্রশিক্ষণ ও আইন তৈরির ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা ২০১২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানাতে হবে।&lt;br /&gt;বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ কতটুকু বাস্তবায়িত হচ্ছে তা মূল্যায়ন করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রবেশদ্বারগুলোতে (পয়েন্ট অব এন্ট্রি) রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কোনো চুক্তি নেই। দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিও ও নিপাহ ভাইরাসের প্রকোপ নিরূপণের জন্য নির্দেশিকা ও জাতীয় কৌশলপত্র আছে। রোগের উপাত্ত ব্যবস্থাপনাপদ্ধতি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যথেষ্ট ভালো, কিন্তু জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্বল। এসব ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ ও প্রশিক্ষিত জনবল কম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: প্রথম আলো&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-6467279534107658985?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/YCxQ4NjCt-M" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/YCxQ4NjCt-M/blog-post.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/09/blog-post.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-8017142437500114694</guid><pubDate>Fri, 28 Aug 2009 19:17:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-09-18T19:39:58.456-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">বাংলাদেশ</category><title>বাংলাদেশের বিভাগ ও অন্তরভূক্ত জেলা সমহ</title><description>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;আজ আমি যখন আমার দোকানে ছিলাম আমার দুই জন রোমমেট এসে বলিল - ভাই আপনি একটা সমস্যার সমাধান করেদেন আমি তাদেরকে বলিলাম কি সমস্যা আমাকে বলেন । "তাদের কথা কথা হল বাংলাদেশ সম্পর্কে রাজশাহী ও যশোর নিয়ে এক ধরনের দন্দ্ব বেধে গেছে । এক জন বলে রাজশাহী এ যশোর ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ আর অন্য জনের কথা রাজশাহী বিভাগ কিন্তু যশোর বিভাগ নয়। এই সব শোনার পরে আমি তাদের কে বলিলাম রাজশাহী বিভাগ আর যশোর খুলনা বিভাগের অন্তরগত জেলা শহর । তারা আমার কথা বিশ্বাস করিলনা ঠিক সেই সময় আমি তাদের কে রেফারেন্স হিসাবে ইন্টারনেট থেকে &lt;/span&gt;&lt;a href="http://bpy.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97"&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;বাংলা উকিপিডিয়ার&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;  খুলনা বিভাগের পাতা থেকে খূলনা বিভাগের জেলা সমহ দেখালাম।" তাদের চলে যাবার পর আমাদের রোমমেট মামু কাছে জানিতে পারিলাম তারা দুই জন পনের দেরহাম দিয়ে বেট লেগেছিল । আর সবার বড় কথা হল তার দুই জনই নোয়াখালীর জেলার রাজশাহী বা যশোরের নয় । আমরা প্রায়ই আমাদের দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহর সম্পর্কে অবগত নয় । আমাদের সবার উচিত নিজের দেশ অর্থাৎ মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে ভাল ভাবে জানা দরকার । তাহলে বেডাবেডির প্রয়োজন থাকবেনা ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের বিভাগ ও অন্তরভূক্ত জেলা সমহ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বরিশাল বিভাগ: বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালি ও পিরোজপুর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম বিভাগ: বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী ,খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালি ও রাঙামাটি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঢাকা বিভাগ: ঢাকা, ফরিদপুর, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ,মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, নেত্রকোনা, রাজবাড়ী ,শরিয়তপুর , শেরপুর ও টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুলনা বিভাগ: বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর , নড়াইল ও সাতক্ষীরা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজশাহী বিভাগ: বগুড়া, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নওগাঁ, নাটোর, নবাবগঞ্জ, নিলফামারী, পাবনা, পঞ্চগড়, রাজশাহী, রংপুর, সিরাজগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সিলেট বিভাগ: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-8017142437500114694?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/EPgXwx0raJY" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/EPgXwx0raJY/blog-post_28.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/08/blog-post_28.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-5642890614583610488</guid><pubDate>Thu, 20 Aug 2009 18:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-08-20T11:45:25.822-07:00</atom:updated><title>wordpress</title><description>&lt;a href="http://kzaman007.wordpress.com/"&gt;http://kzaman007.wordpress.com&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-5642890614583610488?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/EytrbSU-iTU" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/EytrbSU-iTU/wordpress.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/08/wordpress.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-7868081814069475300</guid><pubDate>Sun, 16 Aug 2009 17:28:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-08-16T10:28:13.235-07:00</atom:updated><title>Install the ShareThis Bookmarklet</title><description>&lt;a href=http://shar.es/UISs&gt;Install the ShareThis Bookmarklet&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Posted using &lt;a href="http://sharethis.com"&gt;ShareThis&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-7868081814069475300?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/dQYUzuYwl2I" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/dQYUzuYwl2I/install-sharethis-bookmarklet.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/08/install-sharethis-bookmarklet.html</feedburner:origLink></item><item><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-7327592012883922309.post-7906546043743937784</guid><pubDate>Fri, 07 Aug 2009 14:01:00 +0000</pubDate><atom:updated>2009-08-07T07:11:52.557-07:00</atom:updated><category domain="http://www.blogger.com/atom/ns#">জন্ম দিন</category><title>আজ ৭ই আগষ্ট আমার জন্ম দিন</title><description>&lt;span style="font-size:130%;"&gt;আজ ৭ই আগষ্ট আমার জন্ম দিন আমার মনেই ছিলনা । ফেসবুকে ফারুক ভাই আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পরই আমি জানিলাম আজ আমার জন্ম দিন । এই কথাটি মনে করে দেওয়ার জন্য আমি অবশ্য ফারুক ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়াছিলাম । তবে সত্য কথা বলতে আমার আগের ২৫টি জন্ম দিনে কেউ এমন ভাবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানি । আর দ্বিতীয় ব্যক্তি সাকির ভাই বা বন্ধু বলা যায় । সে ভারতের মাদ্রাসের সে আমার অনেক ভাল একজন বন্ধু তার ভাষা অনুযায়ী আরব আমিরাতে প্রথম বিশ্বাসী বন্ধু । সে আমার ইয়াহু ম্যাসেন্জারে টাস্টাস দেখে আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল ।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7327592012883922309-7906546043743937784?l=kzaman007.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;&lt;img src="http://feeds.feedburner.com/~r/kzaman007/~4/6yVv_ZyazWU" height="1" width="1"/&gt;</description><link>http://feedproxy.google.com/~r/kzaman007/~3/6yVv_ZyazWU/blog-post_07.html</link><author>noreply@blogger.com (খালেকুজ্জামান)</author><feedburner:origLink>http://kzaman007.blogspot.com/2009/08/blog-post_07.html</feedburner:origLink></item></channel></rss>

