<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="no"?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><rss xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd" version="2.0"><channel><title>নবীন বাংলা</title><description>বাঙ্গালী প্রেমীর আড্ডা!!</description><managingEditor>noreply@blogger.com (Anonymous)</managingEditor><pubDate>Thu, 26 Sep 2024 16:57:02 -0700</pubDate><generator>Blogger http://www.blogger.com</generator><openSearch:totalResults xmlns:openSearch="http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/">244</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex xmlns:openSearch="http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/">1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage xmlns:openSearch="http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/">25</openSearch:itemsPerPage><link>http://nabinbangla.blogspot.com/</link><language>en-us</language><itunes:explicit>no</itunes:explicit><itunes:subtitle>বাঙ্গালী প্রেমীর আড্ডা!!</itunes:subtitle><itunes:owner><itunes:email>noreply@blogger.com</itunes:email></itunes:owner><item><title>বইয়ের বাজার নীলক্ষেত !!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_64.html</link><category>প্রতিবেদন</category><category>সোনার বাংলাদেশ</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Sat, 29 Aug 2015 21:43:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-242718870890536906</guid><description>       &lt;div class="entry"&gt;    &lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhP39bqqX7a_jpG8X65yfndQ_e5ZUGET2JrQ6w5mhomTiJCXOSAgwmFLTPiBAnbYVzBIFjgybWOhkMwPlwlPTf4s2L5Ww2OdrUj1ATHAlJ5BuI6LVPcG5km4vR-t5ueejCCWjrTJho6Fui4/s1600/020_80466.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="261" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhP39bqqX7a_jpG8X65yfndQ_e5ZUGET2JrQ6w5mhomTiJCXOSAgwmFLTPiBAnbYVzBIFjgybWOhkMwPlwlPTf4s2L5Ww2OdrUj1ATHAlJ5BuI6LVPcG5km4vR-t5ueejCCWjrTJho6Fui4/s400/020_80466.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;দেশের বিখ্যাত একটি জায়গার নাম নীলক্ষেত। প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ইডেন কলেজের কোল ঘেঁষেই যার অবস্থান। রাজধানীর  নিউমার্কেট বা শাহবাগ থেকে খুব বেশি দূরে নয় জায়গাটি। শাহবাগ থেকে কিছুদূর  গেলেই মিলবে নীলক্ষেত স্কয়ার। সব মিলিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গার নাম  নীলক্ষেত।&lt;span id="more-6868"&gt;&lt;/span&gt; নীলক্ষেত নামটি বই আর  শিক্ষাসামগ্রীর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে। নীলক্ষেত বললে খুব সহজেই চলে আসে বই আর  শিক্ষা সামগ্রীর কথা। রাজধানী ও এর আশপাশের প্রায় সবাই বই কিনতে ছুটে যায়  এখানে।&lt;br /&gt; &lt;div&gt;জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে ইউরোপিয়ানরা বাংলার বিভিন্ন এলাকায় নীল চাষ  করত। ১৮৪৭ সালে ঢাকায় ৩৭টি নীলকুঠি ছিল। ঢাকার এই এলাকাটিও ছিল নীল চাষের  অন্যতম কুঠি। এখানে ছিল না কোনো বসতি। প্রচুর নীল উৎপন্ন হওয়া এই এলাকাটি  ইতিহাসকে জড়িয়ে রেখেছে নামের সঙ্গেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ব্রিটিশদের প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৬১ সালে নীলক্ষেত এলাকায় গড়ে উঠে  বস্তি। এই বস্তিকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল ছোটখাটো দোকান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,  ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজকে ঘিরে এসব প্রতিষ্ঠানের  পাঠ্যবই বিক্রি শুরু হয় ১৯৬৬ সালে। ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করে বইয়ের  মার্কেট। ১৯৭৪ সালে এখানের সব বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর পর্যায়ক্রমে  গড়ে ওঠে বাক্কুশাহ মার্কেট ও গাউছুল আযম মার্কেট। যার প্রায় পুরোটাই  লেখাপড়ার সামগ্রী নিয়ে। কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপি, বই, খাতা-কলম ইত্যাদি  মূল হলেও সঙ্গে যুক্ত হয় কিছু খাবারের দোকানও। বর্তমানে প্রিন্টিং প্রেস  হিসেবেও নীলক্ষেতে রয়েছে বেশ খ্যাতি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নীলক্ষেতের প্রকৃত মালিকানা নিয়ে ছিল দ্ব›দ্ব। ১৯৮২ সালে নীলক্ষেত  মার্কেটের জমির মালিকানা নিয়ে মামলা হয়। ১৯৯৪ সালে এটি খাসজমি হিসেবে  কোর্টের রায় হয়। ১৯৯৬ সালে নিলামে জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত হলেও তা সম্ভব  হয়নি। এরপর দখল বিবেচনায় সরকারি রেটে বিক্রি করার কথা হলেও আজও তা  বাস্তবায়ন হয়নি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতিটি ব্যবসায়িক মার্কেটেই থাকে একটি সমিতি। কিন্তু নীলক্ষেত  মার্কেটে পরিলক্ষিত হয় ভিন্ন চিত্র। জমির মালিকানাকে কেন্দ্র করেই ১৯৮২  সালে ইসলামিয়া মার্কেট বণিক বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড ও ১৯৮৪ সালে  বাবুপুরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের জন্ম হয়। এখনো দুটি সমিতি  বিদ্যমান থাকলেও তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই বলেই দাবি করছেন সমিতির  সদস্যরা। বরং একই কাগজে সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয় বলে  জানিয়েছেন তারা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নীলক্ষেত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বই বাজারের একটি। এখানে পাওয়া যায় সব  ধরনের পাঠ্যবই। নীলক্ষেত শুধুমাত্র পাঠ্যবইতেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বসাহিত্য,  রাজনীতি, অর্থনীতি, গল্প, উপন্যাস, কবিতাসহ বিভিন্ন ভাষার সব ধরনের বইয়ের  কেন্দ্রস্থল এই মার্কেট। দেশের বড় বড় কবি-সাহিত্যিকের পাশাপাশি স্থান  পেয়েছে বিদেশি লেখকদের বইও। জওহরলাল নেহেরু, বারাক ওবামা, বিল ক্লিনটন, টনি  বেøয়ার, নেলসন ম্যান্ডেলা, এপিজি আবদুল কালামসহ বিখ্যাত রাজনীতিবিদদের  বইয়ের সন্ধান মিলে এখানে। এছাড়াও কম্পিউটার, প্রযুক্তি, ভাষা শিক্ষা,  রান্নাবান্না, রূপচর্চাসহ হরেক রকমের বইয়েরও কমতি নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নীলক্ষেত যেমন বিখ্যাত নতুন বইয়ের জন্য, তেমন পুরনো বইয়ের জন্যও। বই  কেনার পাশাপাশি পুরনো বই বিক্রি করতেও আসেন অনেকে। নীলক্ষেতের ফুটপাতের  পুরোটাই ঘিরে আছে পুরনো বইয়ের দোকানে। বিক্রেতার ভিড়েও হিমশিম খেতে হয়  সবাইকে। নতুন বইয়ের অর্ধেক মূল্যে কিনতে পাওয়া যায় প্রায় সব বই। গল্প,  উপন্যাস, কবিতা, ছড়া, ইতিহাস আর একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি পাওয়া যায় অনেক  আন্তর্জাতিক মানের বই। স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, ভার্সিটির বইসহ প্রায় সব বইয়ের  সমাহার এখানে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘যে সব সিলেবাস পরিবর্তন হয়নি সে সব বই নতুন-পুরনো একই। তাই নতুন কিনে  টাকা নষ্ট না করে পুরনো কেনাই ভালো। তাছাড়া কিছু টাকা বেচে গেলে তা দিয়ে  কয়েকটা গল্প-উপন্যাসের বই কেনা যাবে।’ এমনটি বললেন সিটি কলেজের ছাত্রী  শাহানা সুলতানা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘আমরা বই বেইচ্চা ভাত খাই, তবে বইরে অনেক ভালোবাসি। বই আমগো মনের লগে  মিইশ্যা গেছে। ফাইভ পাস কইর‌্যা আর পড়বার পারি নাই। এই বই বেইচ্যা আর বই  নাড়ায়া অনেক কিছু শিখছি। অনেক ইংরেজি বইয়ের নাম, লেখকের নাম হুনলেই বুঝবার  পারি।’ বলছিলেন নীলক্ষেতের পুরনো বই বিক্রেতা জসিম। কোনো রকমে ৫ম শ্রেণি  পর্যন্ত পড়া জসিম কাজের খোঁজে ২০০৯ সালে পাড়ি জমায় ঢাকায়। প্রথমে  নীলক্ষেতের একটি হোটেলে চাকরি নিয়ে ৬ মাস কাজ করে। পরবর্তী সময়ে চাকরি নেয়  একটি বইয়ের দোকানে। কিছু দিন পর জমানো অল্প কিছু টাকা দিয়ে বিভিন্ন  লাইব্রেরিতে অনেক দিন জমে থাকা পুরনো বই কম দামে কিনে তা নিয়ে বসে পড়ে  ফুটপাতে। খুব বেশি বেচাকেনা না হলেও এতেই লেগে থাকে জসিম। বিভিন্ন  স্কুল-কলেজের ছাত্রদের থেকে পুরনো বই অল্প দামে কিনে তা ফুটপাতে বসে বিক্রি  করে। এছাড়াও লাইব্রেরিতে জমে থাকা পুরনো বই, কাগজ ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে  কিনে নেওয়া বিভিন্ন গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাসের বই কিনে বাড়াতে থাকে তার  ব্যবসার পরিধি। এভাবেই চলতে থাকে তার ব্যবসা। প্রথম দিকে তার দৈনিক  বেচাকেনা এক-দুই হাজার টাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা পৌঁছেছে আট-দশ  হাজারে। জসিমের মতো রয়েছে আরো অনেকেই। যারা শূন্য থেকে গড়ে তুলেছে ব্যবসা।  বর্তমানে ভালোই চলছে তাদের পথচলা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নীলক্ষেতের বইয়ের মার্কেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু খাবারের দোকানও।  ডাকাডাকিতে বেশ জমজমাট থাকে ফুটপাত ঘেঁষে গড়ে ওঠা দোকানগুলো। সব খাবার  পাওয়া গেলেও তেহারি আর কাচ্চির জন্য বিখ্যাত এই দোকানগুলো। ওই এলাকা দিয়ে  হাঁটতে গেলে কোনোভাবেই এড়ানো যাবে না খাবারের ঘ্রাণকে। ছোট গলির উজ্জ্বল  দৃষ্টান্ত বহন করে নীলক্ষেত মার্কেট। প্রথমবার কেউ ঢুকলে তাকে ভয় পেতেই  হবে। অন্ধকার ঘেরা গলির শুরু কিংবা শেষ সহজে বোধগম্য নয়। তার চেয়ে বড়  আশঙ্কা হলো দুর্ঘটনার। কোনোভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে হয়ত রক্ষা পাবে না  একটি দোকানও। পরিকল্পনাহীনভাবে গড়ে উঠা পাকা, অর্ধপাকা কিংবা কাঁচা  দোকানগুলো চলছে ঝুঁকির মধ্যেই। কোথাও দেখা যায় না অগ্নিনির্বাপক কোনো  যন্ত্র। নিরাপত্তার জন্য নেই কোনো সতর্কতা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhP39bqqX7a_jpG8X65yfndQ_e5ZUGET2JrQ6w5mhomTiJCXOSAgwmFLTPiBAnbYVzBIFjgybWOhkMwPlwlPTf4s2L5Ww2OdrUj1ATHAlJ5BuI6LVPcG5km4vR-t5ueejCCWjrTJho6Fui4/s72-c/020_80466.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বীর দর্পক! বার বার হেরে যাবার গল্প!!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_93.html</link><category>লেখাপড়া</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Sat, 29 Aug 2015 12:30:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-393025133376126677</guid><description>&lt;span style="color: blue;"&gt;&lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;&lt;u&gt;মাসরুফ হ&lt;u&gt;োসেন, &lt;/u&gt;লেখাটি প&lt;u&gt;্রিয় ডট কম হ&lt;u&gt;ইতে নেওয়া হয়েছে)&lt;/u&gt;&lt;/u&gt;&lt;/u&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgzqePWnGMOMS0tbDLuk0AfBCFCeznHJlxrEpnfSTU0Otw4wbQ-Al076k8kB1P1enOb-fw06oe3P4YuHTE0JUF0VNEJbZcFiixXuc7S1XpaMXhFHV4i_NjPnPgECRiTAU24cTAYgFT1IxI/s1600/102.jpg" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="266" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgzqePWnGMOMS0tbDLuk0AfBCFCeznHJlxrEpnfSTU0Otw4wbQ-Al076k8kB1P1enOb-fw06oe3P4YuHTE0JUF0VNEJbZcFiixXuc7S1XpaMXhFHV4i_NjPnPgECRiTAU24cTAYgFT1IxI/s400/102.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;দুহাজার তিন সালে সায়েন্স গ্রুপ থেকে আমি এইচ এস সি পাস করি, 3.60 আউট  অফ 5 এর ভয়াবহ সিজিপিএ নিয়ে| ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম, আন্ত:  ক্যাডেট কলেজ প্রতিযোগিতাগুলোর কারণে প্রায় সবাই চিনত| ক্যাডেট কলেজের শেষ  এক বছর এক্সট্রা কারিকুলামই শুধু করেছি, কারিকুলামটা আর করা হয়ে ওঠেনি|&lt;span id="more-6817"&gt;&lt;/span&gt; সায়েন্স বিভীষিকার মত লাগত, বিশেষ করে কেমিস্ট্রি| আমার বড় চাচা  কেমিস্ট্রি গোল্ড মেডালিস্ট শিক্ষক, কেমিস্ট্রিকে বাবা বলতেন “পারিবারিক  সাবজেক্ট”| সেই কেমিস্ট্রিতে পেলাম বি , ম্যাথে সম্ভবত সি|&lt;br /&gt;এইচ এস সি পরীক্ষার রেজাল্টের পরের দু মাস ছিল রীতিমত নরকসম| সফল কোন  আত্মীয়/বন্ধুর মা ফোন করতেন আমার মা কে, দূর থেকে অপরাধীর মত শুনতাম আম্মুর  কণ্ঠ- “না ভাবী, আমার ছেলে ভাল করেনাই, পাস করেছে কোনরকম”| টপ টপ করে চোখ  বেয়ে পানি পড়ত, আমারও, আম্মুরও- কিন্তু যন্ত্রণার সেটা কেবল শুরু|&lt;br /&gt;ইংরেজিতে কিছুটা ভাল ছিলাম, প্রাণপণ চেষ্টা শুরু করলাম আইবিএ এর জন্যে|  দিনে বারো থেকে আঠের ঘন্টা পড়াশোনা, ফলাফল হল অশ্বডিম্ব- লিখিত পরীক্ষাতেই  টিকলাম না| আইবিএ রেজাল্টের পর মোটামুটি গৃহবন্দীতে পরিণত হলাম- আত্মীয়  স্বজনদের মধ্যে সারাজীবন যাকে তৃতীয় শ্রেনীর গর্ধব বলে জেনেছি, তিনিও আব্বু  আম্মুকে ফোন করে জ্ঞান দেয়া শুরু করলেন- আপনার ছেলের কি হবে এখন?&lt;br /&gt;আমাদের সমাজটা কেন জানি ব্যর্থদের প্রতি প্রচন্ড নির্মম| জীবনের কোন  একটা লড়াইয়ে আপনি হেরেছেন কি মরেছেন, হায়েনার দল ওত পেতে বসে আছে আপনার  দগদগে ঘা তে মরিচগুঁড়ো সহকারে লবন দেবার জন্যে|কেউ একটিবারের জন্যে আপনার  ক্ষতবিক্ষত বুকে হাত বুলিয়ে বলবেনা, ” ধুর বোকা, ভেঙে পড়ার কি আছে, এ লড়াই  তো শেষ লড়াই না!”&lt;br /&gt;আঁধারের মাঝে আলোকচ্ছটা হয়ে এল আমার আইএসএসবি তে টেকা, তাও সেটা মাত্র  কয়েক মাসের জন্যে| বিএমএ যাবার তিন মাসের মধ্যে বুঝতে পারলাম, প্রতিটি  পদক্ষেপ নিয়ম মেনে চলা কঠোর এ সেনাজীবনের উপযুক্ত আমি নই| স্বেচ্ছায় চাকুরি  ছেড়ে চলে আসার দিন প্লাটুন কমান্ডার মেজর এম বলেছিলেন- You are just a  goddamn &lt;span class="skimlinks-unlinked"&gt;failure.You&lt;/span&gt; have failed here, I can write down in the stamp paper that you will never succeed anywhere in your life.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর্মিতে যাবার আগে শেষবারের মত জীবনের “রঙ” দেখতে নর্থ সাউথে পরীক্ষা  দিয়েছিলাম, ওটাই শেষে ঠিকানা হল| প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ি শুনে আত্মীয়  স্বজনদের মধুর মন্তব্য- “বাপের টাকা আছে দেখে করে খাচ্ছে, নাহইলে তো  রাস্তায় ইঁট ভাঙারও যোগ্যতা ছিলনা| জানি তো, আর্মি থেকে লাত্থি মেরে বের  করে দিয়েছে!”&lt;br /&gt;নর্থ সাউথের পারফরম্যান্সও তথৈবচ, প্রথম দু সেমিস্টারে ছটা সাবজেক্টের  পাঁচটায় ফেইল, আরেকটায় সি মাইনাস| এরপর জোর করে কিছুটা পড়াশোনা করে পাস  করলাম সাড়ে তিনের কাছাকাছি সিজিপিএ নিয়ে, আমার ডিপার্টমেন্টের  ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় যেটা আহামরি কিছুই না| অর্থনীতির ছাত্র,কিন্তু  ইংরেজিতে কিছুটা দখল থাকায় চাকুরি হল ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে, টিচিং  এ্যাসিস্টেন্টের কাজ|&lt;br /&gt;আমার বন্ধুরা একে একে বাইরে পড়তে গিয়েছে , কিন্তু আমার সে যোগ্যতা ছিল না| ঠিক করলাম বিসিএস দেব, বাবার মত সরকারী চাকুরি করব|&lt;br /&gt;“এনেসিউ তে পড়ে বিসিএস? বাবা, ওসব জায়গায় টেকা প্রাইভেটের ছেলেপেলের  কম্মো না, যাও বাপের বিজনেসে বসো গিয়ে, নইলে মামা চাচা ধরে দেখ কোন  কোম্পানিতে ঢুকতে পারো কিনা| মাল্টিন্যাশনালে ঢোকা তোমার যোগ্যতায় কুলাবে  না, দেখলাম তো”&lt;br /&gt;প্রিয় পাঠক, আজকে আপনারা আদর করে আমাকে সুপার কপ ডাকেন| মাত্র পাঁচ বছর আগেই আমাকে প্রতিনিয়ত উপরের কথাগুলো শুনতে হয়েছে|&lt;br /&gt;বিসিএস পরীক্ষার রেজাল্ট হল, ফরেন সার্ভিস পেলাম না| রেজাল্ট খারাপ  হয়নি, পুলিশ ক্যাডারের মেধাক্রমে চতুর্থ হয়েছিলাম| তবু জেনে গেলাম,  ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট হিসেবে কোনদিনও আমি জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে লাল সবুজ  পতাকার প্রতিনিধিত্ব করতে পারছিনা| বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখা পরম মমতায় লালিত  স্বপ্নের কি করুণ অপমৃত্যু!&lt;br /&gt;পুলিশ একাডেমিতে যাবার আড়াই মাসের মাথায় হঠাৎ একদিন দুবছর ধরে স্বপ্ন  দেখানো মেয়েটি জানালো, পুলিশের চাকুরি করা কারো সাথে বাকি জীবন কাটানো তার  পক্ষে সম্ভব না, শি ইজ ডেটিং সামওয়ান এলস|&lt;br /&gt;প্রথম প্রেম ছিল ওটা, ওকে ছাড়া কাউকে কল্পনাও করতে পারতাম না| উফ, কি  কষ্ট, কি ভয়াবহ কষ্ট! মনে হত শত শত বিষাক্ত কেঁচো আমার ভেতরের সবটুকু প্রাণ  শুষে নিয়েছে!&lt;br /&gt;দুবছর যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি, পুরো স্বপ্নটুকু নিষ্ঠুরের মত ছিঁড়ে  ফেলার যন্ত্রণা কেবল আমিই জানি| আমার ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড ছিল ওর নামে|  হাউমাউ করে দরজা আটকে কি কান্নাটাই না কেঁদেছিলাম ওটা বদলানোর সময়!&lt;br /&gt;মজার ব্যাপার, হৃদয়ঘটিত কষ্টের ঘটনাক্রমে এ ঘটনাটির স্থান প্রথম নয় আমার  জীবনে| প্রথমটির গল্প অন্য কোন দিন, যেদিন আমি আরেকটু শক্ত হব তখন|&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ একাডেমি থেকে পাস আউট করার পর সিলেক্টেড হলাম মাননীয় প্রেসিডেন্ট ও  প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষী বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সে| সেখানেও যোগ  দেয়া হলনা, পুলিশ বিভাগে আমার আইডল বেনজীর স্যার আমাকে নিয়ে এলেন ডিএমপি  হেডকোয়ার্টারে| সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর গেলাম উত্তরায়, এসি (প্যাট্রোল )  হিসেবে| ফেসবুকের পোকা ছিলাম তখনো, পিএটিসিতে ফাউন্ডেশন ট্রেনিং-এ শেখা  “কাইজেন” (KAIZEN) পদক্ষেপ হিসেবে উত্তরাবাসীকে পুলিশি সহায়তা দিতে খুলে  ফেললাম ছোট একটা ফেসবুক পেজ|&lt;br /&gt;বাকি গল্পটা আমার পরিচিত অনেকেই জানেন, পুনরাবৃত্তি করে আর বিরক্তি উৎপাদন করছিনা|&lt;br /&gt;এবার মজার কিছু তথ্য দেই:&lt;br /&gt;1) প্লাটুন কমান্ডার ভদ্রলোকের সাথে আরেক জায়গায় দেখা হয়েছিল| বেনজীর  স্যারের সাথে গাড়ি থেকে আমাকে নামতে দেখে ভূত দেখার মত চমকে উঠেছিলেন তিনি,  আমি মিষ্টি করে একটা হাসি দিয়েছিলাম মাত্র|&lt;br /&gt;2) গত বছর আইবিএ তাদের অভিজাত Brandedge ম্যাগাজিনে আমার একটা  সাক্ষাতকার ছাপিয়েছিল| ম্যাগাজিনটা হাতে পেয়ে কেন জানি আনন্দিত হইনি, আইবিএ  রেজাল্টে বাদ পড়া রক্তহীন মুখে দাঁড়ানো সেই কিশোরটার মুখ বড্ড চোখ ভিজিয়ে  দিচ্ছিল| ম্যাগাজিনে ছাপানো নিজের ছবিটা দেখেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না|&lt;br /&gt;3) জাপানের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল Tokyo Institute of Technology এর  গেইটে পা রেখে প্রথম যে কথাটি মাথায় এসেছিল তা হচ্ছে, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা  দেবার মত সিজিপিএ আমি এইচ এস সি তে পাইনি|&lt;br /&gt;আমি এমন এক বাবা, যে তার দুমাসের অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে পারিনি| কষ্টটা ভুলে থাকি কিভাবে জানেন?&lt;br /&gt;এই আপনাদের নিয়ে|&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবশেষে এই বার বার হেরে যাওয়ার গল্পের ইতি টানছি আমার খুব প্রিয় তিনটি উক্তি দিয়ে:&lt;br /&gt;প্রথমটা “ব্যাটম্যান বিগিন্স” থেকে:&lt;br /&gt;:Why do we fall, Bruce?&lt;br /&gt;:So that we learn to pull ourselves up.&lt;br /&gt;দ্বিতীয়টি দ্য আলকেমিস্ট এর লেখক পাউলো কোয়েলহোর:&lt;br /&gt;“The meaning of life is to fall seven times and get up at eighth”&lt;br /&gt;আর সর্বশেষটা টম হ্যাংক্স অভিনীত মুভি “কাস্ট এ্যাওয়ে” এর:&lt;br /&gt;“I know what I have to do now. I gotta keep breathing. Because tomorrow the sun will rise. Who knows what the tide could bring?”&lt;br /&gt;আমার মত হারু পার্টির স্থায়ী সদস্য যদি হাল না ছেড়ে লড়ে যেতে পারে, আপনি পারবেন না?!&lt;br /&gt;এইটা কোন কথা?!?&lt;br /&gt;সবাইকে শুভেচ্ছা!&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #741b47;"&gt;&lt;b&gt;মাসরুফ হোসেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট  সুপারিনটেনডেন্ট। বর্তমানে প্রেষণে টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে  উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgzqePWnGMOMS0tbDLuk0AfBCFCeznHJlxrEpnfSTU0Otw4wbQ-Al076k8kB1P1enOb-fw06oe3P4YuHTE0JUF0VNEJbZcFiixXuc7S1XpaMXhFHV4i_NjPnPgECRiTAU24cTAYgFT1IxI/s72-c/102.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>ঘুরে আসি পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের পৈতৃক নিবাস অম্বিকাপুরে!! </title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_28.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>সোনার বাংলাদেশ</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 28 Aug 2015 23:46:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-1751801410770558840</guid><description>&lt;h2&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;(অতিথি লেখক: সচালয়তন, ২৩/০৮/২০১৫)&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhxgDwvTpscvz8BWPg7pOWCPDkL4eeCkFrpj4umLGPtDHI3eWPW2VjCGY2m3S3XCsntGU7FbDduQmoaoRp5509UymSvxgNecXUE6rTbytzDeUMrXPdZ_QPrUmOe6UVMZJdZzU3MrwUrB-k/s1600/11148551_10153836273408642_6903481007830271221_n.jpg" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhxgDwvTpscvz8BWPg7pOWCPDkL4eeCkFrpj4umLGPtDHI3eWPW2VjCGY2m3S3XCsntGU7FbDduQmoaoRp5509UymSvxgNecXUE6rTbytzDeUMrXPdZ_QPrUmOe6UVMZJdZzU3MrwUrB-k/s400/11148551_10153836273408642_6903481007830271221_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;আমার কবিতায় আমি বড় বড় রাজা বাদশার কাহিনী বলতে পারি নি। বড় বড় বীরের  কাহিনী অবলম্বন করে কবিতা রচনা করতে পারি নি যা আপনাদের নবজীবনের পথে নব নব  উন্মাদনা এনে দিতে পারবে। গাজী সালাউদ্দিনের বড় বড় যুদ্ধের চাইতে পল্লী  গ্রামের রুপা মিয়ার গ্রাম্য কাইজ্যা আমাকে বেশি আকর্ষণ করেছে।&lt;span id="more-6876"&gt;&lt;/span&gt; রাতদুপুরে যখন মেঘে মেঘে শব্দ করে ঝড় আসে তখন রাত্রির অন্ধকারে মশাল  জ্বালিয়ে বছিরদ্দিও মাছ ধরতে যায়, তার সেই সাহসিকতা আমাকে পাগল করে, শহরের  এলায়িতকুন্তলা সুবাসিনী সুন্দরীদের পাশে আমার রচিত সাজু, দুলী, আনোয়ারা এরা  যে স্থান পাবে না তা আমি জানি। এত শিক্ষা সুনিপুনা শহরের বিদুষী মহিলাদের  পাশে আমার সাজুর কাঁথা সেলাইয়ের সূক্ষ্ম কারুকার্যের মূল্য কতটুকুন। কিন্তু  তাজমহলের চাইতে ও আমাকে পাগল করেছে এইসব নকশী কাঁথার সুন্দর ইন্দ্রপুরী।&lt;br /&gt;আমার দেশের কথা, ১৯৪৯&lt;br /&gt; এই কথাগুলোর লেখক কবি জসীম উদ্দিন। আমাদের কাছে তিনি পল্লী কবি হিসাবেই  আদৃত। তার কবিতায় জীবনানন্দ দাশের কবিতার মত নিসর্গের বর্ণনা নেই; কাজী  নজরুল ইসলামের কবিতার মত বিদ্রোহের দামামা নেই; সুকান্ত ভট্টাচার্যের  কবিতার মত সংগ্রামী স্ফুলিঙ্গ নেই; ফররুখ আহমেদের কবিতার মত নবজাগরণের  আহ্বান হয়ত নেই; কিন্তু আছে আবহমান বাংলার পল্লী গ্রামের সাধারণ মানুষের  সুখদুঃখ ও বেদনার সাতকাহন। তাই তিনি আমাদের অতি আপনজন।&lt;br /&gt; তিনিই সারা পৃথিবীকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন নকশী কাঁথার মাঠের হাসু কিংবা  রসুলপুরের আসমানি’র সাথে। দাদীর কবর দেখিয়ে নাতনীর সাথে সাথে আমাদের সবাইকে  কাঁদিয়েছেন। শিশু কিশোরদের মামা বাড়ির আনন্দের স্বাদ আস্বাদন করা  শিখিয়েছেন। আনমনে খেলা করে যাওয়া রাখাল বালকের কথোপকথন শুনিয়েছেন। তিনি  নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন আমাদেরকে তাঁর বাড়ি থেকে ঘুরে আসবার।&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমদের ছোট গাঁয়&lt;br /&gt;গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;&lt;br /&gt;মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি&lt;br /&gt;মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,&lt;br /&gt;মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভায়ের স্নেহের ছায়,&lt;br /&gt;তুমি যাবে ভাই- যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;কবির নিমন্ত্রণ পেয়েছিলাম ছোটবেলায়। সেই নিমন্ত্রণ রক্ষা করবার সুযোগ  পেলাম অনেক বড় হয়ে ফরিদপুর গিয়ে। অফিসের কাজে এসেছিলাম। আমার ক্ষেত্রে যা  হয়, একইসাথে রথ দেখা আর কলা বেচা দুই’ই সারি। হাতে বেশ খানিকটা সময় থাকায়  ভাবলাম কবির নিমন্ত্রণ এইবার রক্ষা করতেই হবে। চলার পথে সঙ্গী হলেন  ফরিদপুরের রিজিওনাল ম্যানেজার জিয়া ভাই।&lt;br /&gt; পল্লীকবি জসীম উদ্দিন ১৯০৩ সনের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার  তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জসীমউদ্দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল,  ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তার  প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ন হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে  তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন।  এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।  ১৯৪৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে তিনি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার  মন্ত্রনালয়ে যোগদান করে এবং ১৯৬২ সালে ডেপুটি ডিরেক্টর হিসাবে অবসর গ্রহণ  করেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট  উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকায় কবি মৃত্যুবরণ করেন।&lt;br /&gt; ফরিদপুর শহর থেকে কবির বাড়ি মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে। বাইকে করে গেলে ১৫ মিনিটের বেশি লাগে না।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xtp1/v/t1.0-9/11248059_10153844243193642_7831702842739914737_n.jpg?oh=7247dea1dd9f04b38b475dcd13b06c3e&amp;amp;oe=567887B6&amp;amp;__gda__=1446623091_d16a7e49a5ac2c18969314caf27eb359" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; ২০০৩ সালে কবিপত্নী মমতাজ জসীম উদ্দিন বাড়িটিকে জাদুঘরে রুপান্তর  করেছেন। বাড়ির কয়েকটি কক্ষে কবির আত্মীয়স্বজন থাকলেও বেশিরভাগ অংশই  জাদুঘরের অন্তর্ভুক্ত। কবির স্মৃতিবিজড়িত অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে বাড়িতে  ছড়িয়ে ছিটিয়ে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="500" src="https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xtf1/v/t1.0-9/1907529_10153844244438642_1017501145620392706_n.jpg?oh=882bf92dc6dd1f9c3385b81aaca9536c&amp;amp;oe=566E3110&amp;amp;__gda__=1446928312_34994a20f613af013c8bd1c175dcbbb1" width="350" /&gt;&lt;br /&gt; কবির বাড়ির উঠানে দাঁড়ালেই যেই ঘরটি চোখে পড়ে সেটির দেয়ালে কবির অমর  সৃষ্টি কবর কবিতাটি টানানো আছে। এই ঘরে বসেই কবি ‘রাখালী’ ও ‘নকশী কাঁথার  মাঠ’ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছিলেন।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xfp1/v/t1.0-9/22590_10153844245643642_4944380059956352466_n.jpg?oh=e4f502907ad473392779b374458f2126&amp;amp;oe=5672A81E" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; ১৯২৭ সালে যখন ‘কবর’ কবিতাটি লিখেছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৪।  কবিতাটি ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ‘কল্লোল’ পত্রিকায় যখন  কবিতাটি প্রথম প্রকাশ পায় তখন কবি বি.এ. ক্লাসের ছাত্র ছিলেন। বাংলা  সাহিত্যের হৃদয়স্পর্শী কবিতাগুলোর যদি তালিকা করা হয় তাহলে আমি নিশ্চিত এই  কবিতাটি প্রথম অবস্থানেই থাকবে। কবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন  সময়েই কবিতাটি মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়। আজও এই কবিতার  আবেদন এতটুকুও কমে যায় নি।&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,&lt;br /&gt;তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।&lt;br /&gt;এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,&lt;br /&gt;পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।&lt;br /&gt;এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,&lt;br /&gt;সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!&lt;br /&gt;সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি&lt;br /&gt;লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।&lt;br /&gt;যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত&lt;br /&gt;এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।&lt;br /&gt;এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে&lt;br /&gt;ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;হাতের ডানপাশে চোখে পড়ল ছোট্ট একটা কাচারি ঘর। ১৯৩০ এর দশকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুইবার এই ঘরে এসে থেকেছিলেন।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xtp1/v/t1.0-9/11078151_10153844246088642_712605094416655170_n.jpg?oh=a69bdcbabc450b31047171cc132d2c97&amp;amp;oe=567C1C60&amp;amp;__gda__=1451092550_9e142608e9f348b5cbb35221793a3c60" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; শুধু থেকেছিলেন বললে ভুল হবে, কাজী নজরুল ইসলাম কবির বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে  যাওয়া পদ্মা নদীতে নৌবিহার এবং গোসল করে এতটাই আনন্দ পেয়েছিলেন যে আনন্দের  আতিশয্যে দুই লাইনের একটা কবিতাও লিখেছিলেন,&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;আকাশেতে একলা দোলে একাদশীর চাঁদ&lt;br /&gt;নদীর তীরে ডিঙ্গি তরী পথিক ধরা ফাঁদ।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;কাছারি ঘরের ভিতরটাতে কবিকে নিয়ে প্রখ্যাত ব্যক্তিদের লেখাগুলো টানিয়ে  রাখা হয়েছে। সেই সাথে আছে কবির জীবনের বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ। এক ঝলক দেখলেই  বোঝা যায়, কবির জীবন মোটেই সাদামাটা ছিল না, বরং বৈচিত্র্য ছিল তাঁর জীবনের  নিত্য অনুষঙ্গ।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="300" src="https://i1.wp.com/i59.tinypic.com/2lvh11i.jpg" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; কবি যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান’কে নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন জানতাম না।  এই ঘরে ঢুঁকে সেটা চোখে পড়ল। ১৯৭১ সালের ১৬ মার্চ তারিখে লেখা দুই ছত্রের  এই কবিতাটি বঙ্গবন্ধু’র প্রতি কবির গভীর অনুরাগকেই প্রকাশ করে।&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;মুজিবর রহমান।&lt;br /&gt;ওই নাম যেন বিসুভিয়াসের অগ্নি-উগারী বান।&lt;br /&gt;বঙ্গদেশের এ প্রান্ত হতে সকল প্রান্ত ছেয়ে,&lt;br /&gt;জ্বালায় জ্বলিছে মহা কালানন ঝঞ্ঝা-অশনি বেয়ে&lt;br /&gt;বিগত দিনের যত অন্যায় অবিচার ভরা-মার।&lt;br /&gt;হৃদয়ে হৃদয়ে সঞ্চিত হয়ে সহ্যে অঙ্গার;&lt;br /&gt;দিনে দিনে হয়ে বর্ধিত স্ফীত শত মজুম বুকে,&lt;br /&gt;দগ্ধিত হয়ে শত লেলিহান ছিল প্রকাশের মুখে;&lt;br /&gt;তাহাই যেন বা প্রমূর্ত হয়ে জ্বলন্ত শিখা ধরি&lt;br /&gt;ওই নামে আজ অশনি দাপটে ফিরিছে ধরণী ভরি।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;এই ঘরে এসে নতুন একটা তথ্য জানলাম। সেটা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কবি জসীম  উদ্দিনকে জাতীয় কবি ঘোষণা করার কথা ভেবেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত  আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ সম্ভব হয় নি। কবি তাঁর জীবনকালে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ  করেছিলেন এইজন্য যে, তাঁকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয় নি। তাঁর ছাত্রদের  অনেককেই জাতীয় অধ্যাপক করা হলেও কবিকে করা হয় নি। অথচ বঙ্গবন্ধু’কে হত্যার  পর জসীম উদ্দিন একমাত্র এই হত্যার প্রতিবাদ করে খুনিদের অনুষ্ঠানে যান নি।  এমনই হয়। মোসাহেবরা চিরকালই প্রদীপের আলোয় আসে, আর সত্যিকারের দেশপ্রেমিকরা  পাদপ্রদীপের নিচেই থেকে যান।&lt;br /&gt; কাচারী ঘর থেকে বেরিয়েই চোখে পড়ল চমৎকার একটা গাছ বাড়ি। আহ, এইরকম একটা  বাড়িতে থাকার খুব শখ। বাড়ির দরজায় লেখা আছে ‘প্রতিদান’ কবিতার প্রথম দুটি  লাইন,&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা&lt;br /&gt;আমি বাঁধি তার ঘর,&lt;br /&gt;আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই&lt;br /&gt;যে মোরে করেছে পর।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;&lt;img alt="" class="bb-image" height="500" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/11205106_10153844246623642_1989644872637013370_n.jpg?oh=28b2ffa64de64f08edce5f9f7ccbe798&amp;amp;oe=567BA95D" width="350" /&gt;&lt;br /&gt; গাছ বাড়ি পেরিয়ে একটু সামনে এগুতেই কবির পিতা আনসার উদ্দিনের কক্ষ। বাইরে বড় করে লেখা ‘ছবি তোলা নিষেধ’। কে শোনে এই সাবধান বাণী।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/v/t1.0-9/11070963_10153844247043642_1573568481103350237_n.jpg?oh=bd779e257b3807612f4c89a53ddcf23e&amp;amp;oe=56788660&amp;amp;__gda__=1450298836_4178e45f03804573558c1c6b150572cf" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; ঘরের ভিতর ঢুঁকেই চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। অনেকগুলো কাঠের আলমারি আর শোকেজে  থরে থরে সাজানো আছে দুর্লভ সব কালেকশন। যে কোন জাদুঘরই ধন্য হয়ে যাবে এইসব  কালেকশন হাতে পেলে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpt1/v/t1.0-9/11229411_10153844248778642_4654820079773021123_n.jpg?oh=4dcbe12360f64617326a3142707541ed&amp;amp;oe=563C4FF6&amp;amp;__gda__=1446525951_620de4bf708fe75b13fa54dcef9f7381" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; উল্লেখযোগ্য সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে হরেক রকম মুখোশ, নকশী কাঁথা, মাটির  বিভিন্ন ধরণের পুতুল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অটোগ্রাফ সম্বলিত বই, কবির নিজের  হাতে ছাপানো বই, পীর দুদু মিয়ার আমলের তরবারি এবং গ্রামাফোনের দুর্লভ সব  রেকর্ড।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="500" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xta1/v/t1.0-9/11150716_10153844249618642_2363951241734268229_n.jpg?oh=8996820085e62aa65fc4cda51a1d3c8d&amp;amp;oe=563844F5" width="350" /&gt;&lt;br /&gt; কিংবদন্তীতুল্য সুরকার শচীন দেব বর্মন যে জসীম উদ্দিনের লেখা দুটি গানে  সুর দিয়েছিলেন সেটা একদমই জানতাম না। গান দুটো হচ্ছে ‘নিশিতে যাইও ফুলবনেরে  ভোমরা’ এবং ‘আমারে ছাড়িয়া বন্ধু কই গেলা রে’। কলকাতার হিন্দুস্তান  রেকর্ডিং থেকে ১৯৩২ সালে গান দুটো রেকর্ড করা হয়েছিল। সংগ্শারহলায় গান  দুটির অরিজিনাল গ্রামাফোন রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও আছে মরমি শিল্পী  আব্বাস উদ্দিনের গাওয়া পল্লিগীতি, নেতাজি সুভাস চন্দ্রের ভাষণ এবং রবীন্দ্র  সঙ্গীতের গ্রামাফোন রেকর্ডের দুর্লভ সংগ্রহ। দুঃখের বিষয় হচ্ছে  মহামূল্যবান এই নিদর্শনগুলো যেভাবে সংরক্ষণ করা দরকার সেভাবে সংরক্ষণ হচ্ছে  না। নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। চুরি যদি নাও হয়, কেবল সংরক্ষণ  ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণেই আগামী ৫ বছরের মধ্যেই নিদর্শনগুলো নষ্ট হয়ে  যাবে। এর দায় তাহলে কে নিবে?&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpf1/v/t1.0-9/11026087_10153844253633642_3975659166456076802_n.jpg?oh=e5946f0c872b4d726e2d18401f390fb5&amp;amp;oe=56714EDB&amp;amp;__gda__=1450520484_5633b451f47f2524fde27a7ad2bcb345" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; কবির পিতার কক্ষ থেকে বের হয়ে ঢুঁকলাম কবির সেজ ভাইয়ের ঘরে। ঘরটি  একইসাথে ‘হাসু মিয়ার পাঠশালা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ এবং ‘নকশী কাঁথা কেন্দ্র’  হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ঘরের ভিতর আসবাবপত্র বলতে কিছুই নেই। কেবল আছে কবির  তরুণ এবং যুবক বয়সের কিছু ছবি। ঘরের বাইরে আছে কবির বিখ্যাত চরিত্র  আসমানিকে নিয়ে লেখা কবিতা এবং আসমানির ছবি।&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,&lt;br /&gt;রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।&lt;br /&gt;বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,&lt;br /&gt;একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।&lt;br /&gt;একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,&lt;br /&gt;তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;‘আসমানী’ কবিতাটি ১৯৪৯ সালে কবির ‘এক পয়সার বাঁশি’ কাব্যগ্রন্থে  প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে এই কবিতা মাধ্যমিক স্কুলের পাঠ্য বইতেও অন্তর্ভুক্ত  করা হয়। আসমানি যে সত্যিই ছিলেন সে বিষয়ে কোন সন্দেহ না থাকলেও কে ছিলেন  সেই আসমানি সেটি অনেকেই জানত না। মূলত কবি জসীমউদ্দীনের ভাই সরকারী  রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যাপক নুরুদ্দিন আহমেদ এর শ্বশুর বাড়ি ছিল আজকের  ফরিদপুর সদরের ইষান গোপালপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে। সেখানে একবার বেড়াতে  গিয়ে এই আসমানীর দেখা পান জসীমউদ্দীন। অনেককাল পরে আসমানির খোঁজ বের করেন  সাংবাদিকেরা। ২০১২ সালের আগস্ট মাসে আসমানি নিজ গৃহে মৃত্যুবরণ করেন।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xtf1/v/t1.0-9/11119438_10153844254023642_6326493256813312669_n.jpg?oh=a0961af76584baba9920423d34e170c4&amp;amp;oe=5677E4EA" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; সেজ ভাইয়ের ঘর থেকে বের হয়েই কবির বড় ভাইয়ের ঘর। এই ঘরে অবশ্য লোকজন বাস  করে বুঝতে পেরে আর ভিতরে ঢুকি নি। শুধু ভাইদের ঘরই নয়, কবির বাড়ির  প্রত্যেকটি কক্ষের বাইরেই কবির বিভিন্ন রচনার অংশবিশেষ কিংবা পুরোটাই  উল্লেখ আছে। সেই সাথে আছে কবির বিভিন্ন ছবি আর জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনার  বিবরণ। এইরকম এক বিবরণ পড়েই জানতে পারলাম পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পল্লী  সংগীতকার, সংগ্রাহক, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ রক্ষার নেতা এলেন লোমাক্স  পল্লীকবির একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। ১৯৫০ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার  ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পোলিশ শহরে আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীতের সন্মেলন হয়।  সেখানেই দুজনের পরিচয় এবং বন্ধুত্বের সূত্রপাত হয়। কবি’র ভ্রমন কাহিনী ‘চলে  মুসাফির’ গ্রন্থে এই বিষয়টি উল্লেখ আছে এইভাবে,&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;এই এলেনের সহিত কি করিয়া যে আমার  বন্ধুত্ব এত ঘনিষ্ঠ তাহা ভাবিতে আজ বিস্ময় লাগে। এত যে তাহার খ্যাতি। এত যে  তাহাকে লইয়া বহুলোকের টানাটানি, তবুও এলেন যেখানে যাইবে আমাকে সঙ্গে লইয়া  যাইবে।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;&lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xta1/v/t1.0-9/11037215_10153844255628642_7654625642232812954_n.jpg?oh=2dd4a952f8c0a4620eb29576b1c64efe&amp;amp;oe=563AE4AF" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; এবার গন্তব্য কবির বাবা-মা এবং ছোট ভাইয়ের ঘরের উদ্দেশ্যে। ডানদিকে  ঢুকতে গিয়ে থমকে গেলাম। এই কক্ষে লোকজন থাকে। অতএব বামপাশের ঘরে ঢুকলাম।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xta1/v/t1.0-9/11205110_10153844257428642_4430467254490240345_n.jpg?oh=b424ba2ef25fffaabc9f6e320c3561e9&amp;amp;oe=563AEDF9&amp;amp;__gda__=1451311028_9d5a3157dd45d773b9000c3aeb40fc48" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; এই ঘরে কেবল ছবি আর ছবি। বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির সাথে কবির তোলা ছবি,  কবির যুগোস্লাভিয়া ভ্রমণের ছবি, বাঁধাই করা কবির লেখা চিঠি ও কবিতা এবং  কবির ব্যবহার্য কিছু আসবাবপত্র।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xtp1/v/t1.0-9/11193308_10153844257943642_519328102421455091_n.jpg?oh=1c5e4fc9291f12aac2929a0335d8f591&amp;amp;oe=5636B282" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; প্রিয় পাঠক এইবার আপনাদেরকে নিয়ে যাব সেই ঘরটিতে, যেটিতে কবি থাকতেন। এই  ঘরে বসেই কবি রচনা করেছিলেন কবর, রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন  বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থ। ঘরের ভিতরটা দেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তালা দেওয়া  ছিল বিধায় সেই ইচ্ছে পূরণ করা সম্ভব হয় নি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpt1/v/t1.0-9/11219248_10153836279713642_1697137369875110104_n.jpg?oh=d027b758bff3e56d696da940963ac51f&amp;amp;oe=567CAB2D&amp;amp;__gda__=1446571556_ac63fb1e8f24e986e5ef390a3f2823fd" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; সেই ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে ঢেঁকি দেখেছিলাম। অনেকদিন পর আবারও কবির  বাড়িতে এসে ঢেঁকির দেখা পাওয়া গেল। এই ঢেঁকিতে চাল কুটেই কবির মা কবির  ভাই-বোনদেরকে পিঠা তৈরি করে খাওয়াতেন।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/v/t1.0-9/10985436_10153844259213642_4970771837927983744_n.jpg?oh=c5ce8a0405fde39dd19a18f0fb250807&amp;amp;oe=566D686F" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; আমাদের এবারের গন্তব্য কবির স্ত্রী’র ঘর। ঘরটির নাম খুব চমৎকার, মনিমালার মনিহার।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xta1/v/t1.0-9/11205552_10153844259743642_6221742571095280354_n.jpg?oh=96d684193054f7baece0849f68144e4a&amp;amp;oe=56408DAF&amp;amp;__gda__=1450651618_d31ab5bc182ae8b920d2ff9b56610587" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; মনে মনে যা খুঁজছিলাম এই ঘরে এসেই সেটির দেখা পেলাম। একসাথে কবির সমস্ত  বই এর সংগ্রহ। সেই সাথে কবির হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিও চোখে পড়ল। খুব ইচ্ছে  করছিল পাণ্ডুলিপিগুলো একটু ছুঁয়ে দেখি। কিন্তু কাঁচের আচ্ছাদন আমার সেই  ইচ্ছেতে বাঁধ সেধেছিল।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="500" src="https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfp1/v/t1.0-9/11022549_10153844263998642_6695769697830033331_n.jpg?oh=8d2053b45d396d2d9024a6de389188e1&amp;amp;oe=568363D7&amp;amp;__gda__=1451155890_cb693210b23121304274f1e6e9cad85d" width="350" /&gt;&lt;br /&gt; কবির অনেক পাণ্ডুলিপির অনুলিপি তাঁর স্ত্রী করে দিতেন। একটা মজার তথ্য  জানলাম, কবির সাথে যখন তাঁর স্ত্রী’র ঝগড়া হত তখন কবিপত্নী পাণ্ডুলিপিগুলো  ছিঁড়ে ফেলতেন। পড়ে অবশ্য আবার নিজেই কষ্ট করে সেগুলোর অনুলিপি করে দিতেন।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xta1/v/t1.0-9/11114169_10153844261533642_4704652086062750579_n.jpg?oh=16431a63f313ad4225ca48de761cbbaa&amp;amp;oe=5680A0DC" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; আমরা কবির বাড়ির পেছন দিকে চলে আসলাম। পেছনটায় চমৎকার বাগান করা হয়েছে।  জায়গাটা এখন প্রেমিক যুগলদের প্রেম করবার চমৎকার এক তীর্থস্থানে পরিণত  হয়েছে। কবির নিজ হাতে লাগানো অনেক বড় একটা গাছ আছে (কি গাছ ভুলে গেছি)।  বাগানের একদম পিছনে পল্লীকবি জসীম উদ্দিন সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। এখনও  উদ্বোধন হয় নি। কবির সমস্ত সংগ্রহ এই ভবনেই স্থানান্তর করা হবে। কিন্তু  সমস্যা হচ্ছে কবির এক ছেলে সংগ্রহগুলো ছাড়তে চাইছে না। কারণ ১০ টাকা  টিকেটের ব্যবসাটা যে তাহলে মার খেয়ে যাবে। দুঃখ লাগলো, ব্যক্তি উদ্যোগে এই  নিদর্শনগুলো রক্ষা করা কোনমতেই সম্ভব হবে না। সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে  উনাকে বোঝানোর। দেখা যাক কি ঘটে সামনে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfp1/v/t1.0-9/11209728_10153844264538642_8254522043474157880_n.jpg?oh=20aaa19fde3b78186e3bc8a21d5d7e44&amp;amp;oe=5670C8D5&amp;amp;__gda__=1450068400_e579f7b9769eca12df6bbaf15ca7ea1d" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; এবার ফিরবার পালা। কবির কবর জিয়ারত করতে গেলাম। চমৎকার কবর স্থানটিতে  কবি তাঁর আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে শুয়ে আছেন। কবিকে কবর দেওয়া হয়েছে ডালিম  গাছের তলেই। চারপাশটা ফুলে ফুলে ছেয়ে আছে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="" class="bb-image" height="350" src="https://scontent-hkg3-1.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/11196261_10153844266698642_3400970550749383941_n.jpg?oh=4b93cb98c52f7bef62cb87ae2b212b11&amp;amp;oe=5635A21A" width="500" /&gt;&lt;br /&gt; কবর দেখলেই কেমন জানি দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে বুক চিরে। এই নশ্বর পৃথিবী  ছেড়ে একদিন চলে যেতে তো হবেই। পেরেছি কি পৃথিবীকে কিছু দিয়ে যেতে? এই মানব  জীবন কি শুধু ব্যর্থতার দীর্ঘনিঃশ্বাস নিয়েই নিঃশেষ হবে? পৃথিবীতে কেয়ামত  কবে শুরু হবে জানি না, কিন্তু প্রত্যেকের জন্য কেয়ামত তো তাঁর মৃত্যুর সাথে  সাথেই শুরু হয়ে যাবে। কবির ভাষাতেই বলতে ইচ্ছে করে,&lt;br /&gt; &lt;div class="bb-quote"&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;এই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে&lt;br /&gt;অমনি করিয়া লুটিয়া পড়িতে বড় সাধ জাগে,&lt;br /&gt;মসজিদ হইতে আজান হাঁকিছে বড় সকরুণ সুর&lt;br /&gt;মোর জীবনের রোজ কেয়ামত ভাবিতেছি কত দূর।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhxgDwvTpscvz8BWPg7pOWCPDkL4eeCkFrpj4umLGPtDHI3eWPW2VjCGY2m3S3XCsntGU7FbDduQmoaoRp5509UymSvxgNecXUE6rTbytzDeUMrXPdZ_QPrUmOe6UVMZJdZzU3MrwUrB-k/s72-c/11148551_10153836273408642_6903481007830271221_n.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>ক্রিকেট জগত! ক্রিকেটের যে রেকর্ডগুলো ভাঙতে পারছে না কেউ !!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_54.html</link><category>খেলাধূলা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 28 Aug 2015 23:44:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-3212231179584168338</guid><description>&lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;( সূত্র: লেখাটি প্রথম আলো ব্লগ হইতে নেওয়া )&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi4zVrkoQ9DdNfnR9AqAHRmT_pVj-xfeslYWsDyufTNng_qm89D7IUUPtH9k4Jomou38T8vhJeqw_6cuvtNuzq4ulVcwZ0duj8lzOLKZtPL01G0afPLJHpj0mOeU8MmQIVNLvbTidPGNe0/s1600/747597831766cee86ae6dbd5185c6169-Cricket-records-unbroken-image.jpg" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="248" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi4zVrkoQ9DdNfnR9AqAHRmT_pVj-xfeslYWsDyufTNng_qm89D7IUUPtH9k4Jomou38T8vhJeqw_6cuvtNuzq4ulVcwZ0duj8lzOLKZtPL01G0afPLJHpj0mOeU8MmQIVNLvbTidPGNe0/s400/747597831766cee86ae6dbd5185c6169-Cricket-records-unbroken-image.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ক্রিকেট খেলা হচ্ছে সংখ্যাভিত্তিক খেলা। আর সংখ্যার খেলা ক্রিকেটে রেকর্ড ও  নিত্য আলোচিত বিষয়। বিশ্ব ক্রিকেটে গত কিছুদিনের রেকর্ড ভাঙার খেলাও এখন  একটা খেলায় রূপ নেয়েছে। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে খেলার সংখ্যা এত বেড়েছে  যে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখাচ্ছেন অনেক ক্রিকেটার নিত্য নতুন করে।&lt;span id="more-6848"&gt;&lt;/span&gt; আর রেকর্ড গড়াই হয় ভাঙার জন্য। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে এমন অনেক রেকর্ড আছে  যেগুলো সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখনো টিকে রয়েছে । তার কয়েকটির বয়স তো  একশও পার করেছে। তবে দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু রেকর্ডের কথা-&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;১. নিঃসঙ্গ শেরপা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এ রেকর্ডের বয়স টেস্ট ইতিহাসের সমান। ইতিহাসের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই  অনেক গুলো রেকর্ড করে ফেলেছিলেন চার্লস ব্যানারম্যান । টেস্ট ইতিহাসের  প্রথম বলের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রথম রান নিয়েছেন তিনি। প্রথম শতকও  তাঁর! এসব রেকর্ড তো কারও পক্ষেই ভাঙা সম্ভব নয়। কিন্তু আরেকটি রেকর্ড  করেছিলেন চার্লস, ১৩৮ বছর পরও যেটি অধরা রইল সবার জন্য। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম  ইনিংসের সংগ্রহ ছিল ২৪৫ , যার ১৬৫ রান এসেছিল চার্লসের ব্যাট থেকে। দলের  ৬৭ শতাংশ রান কেবল একজন ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে এসেছে! দলীয় ২৪০ রানের  মাথায় ইনজুরির কারণে মাঠ না ছাড়লে রেকর্ডটি আরও বড় হতেই পারত। তবে ততক্ষণে  তিনি দলের হয়ে দুই তৃতীয়াংশ রান সংগ্রাহক হয়ে গেছেন। এই রেকর্ড ভাঙতে  পারেননি এখনো কেউ।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;২. অচেনা ঘাতক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;টেস্ট অভিষেকে চমক দেখিয়েছেন অসংখ্য ক্রিকেটার। বিশেষ করে বোলারদের টেস্ট  অভিষেকের পারফরম্যান্স তো অধিকাংশ সময় হয় চমক জাগানিয়া। বারবার অচেনা ঘাতকে  কাঁটা পড়েছেন অসংখ্য ব্যাটসম্যান । তারপরও অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডের  বয়স ১২০ বছর হয়ে গেল। অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ড দলের দ্বিতীয় ইনিংসে  অ্যালবার্ট এডউইন ট্রট যখন বোলিং করতে এলেন তখনো বোঝা যাইনি কি হতে যাচ্ছে  কিছুক্ষণের মধ্যেই। প্রথম ইনিংসে উইকেট শূন্য থাকা এই ডানহাতি দ্বিতীয়  ইনিংসে ২৭ ওভার বল করে ৪৩ রানের বিনিময়ে ৮ উইকেট তুলে নেন। অস্ট্রেলিয়ান এই  বোলারের রেকর্ড ১২০ বছর পরেও অক্ষুণ্ন রয়েছে । এই রেকর্ড ভাঙার কাছাকাছি  কেবল তাঁর স্বদেশি বব মেসি যেতে পেরেছিলেন। তাও সেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে,  ৭৭ বছর পর অভিষিক্ত বব ৮ উইকেট নিয়েছিলেন ৫৩ রানের বিনিময়ে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৩. অচেনা ঘাতক- ব্যাটিং&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;অভিষেকে ব্যাট করতে নেমে অনেক ব্যাটসম্যান স্নায়ুচাপে ভোগেন বলে শোনা যায়।  ইংলিশ ব্যাটসম্যান রেজিন্যাল্ড ফস্টার অবশ্য এই সব স্নায়ুচাপ চাপ-টাপের ধার  ধারতেন না। ১৯০৩ সালে সিডনি টেস্টে ব্যাট ৩ উইকেট পরার পর ব্যাট করতে  নেমেছিলেন। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছেন তখন তাঁর নামের  পাশে ২৮৭ রান! মাত্র ১৩ রানের জন্য ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে  ত্রিশতক হাঁকানোর রেকর্ড হাত ফসকে যায়। সেই সঙ্গে অভিষেকে ত্রিশতক হাঁকানোর  অবিস্মরণীয় এক রেকর্ডও হাত ছাড়া করেন তিনি। কিন্তু অভিষেকে সর্বোচ্চ রানের  রেকর্ড ১১১ বছর পরেও তাঁর বগলদাবা। অভিষেকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের  তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকান জ্যাক রুডলফের । বাংলাদেশের সঙ্গে  চট্টগ্রামে টেস্ট অভিষেকে ২২২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৪. রানের পাহাড়&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;ছোট মাঠ, ভারী ব্যাট আর বোলিংয়ে হাজারো শৃঙ্খল মিলিয়ে ক্রিকেটে এখন  ব্যাটসম্যানদের জয়জয়কার। ক্রিকেট মানেই এখন রান আর রান। কিন্তু রানের  হিসেবে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ডের বয়স কিন্তু প্রায় শতবর্ষ হতে চলেছে। ১৯২৮  সালের ব্রিসবেন টেস্টে ইংল্যান্ড ৬৭৫ রানে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর ৮৭ বছর  পার হয়ে গেছে । কিন্তু এই রেকর্ড এখনো ভাঙা যায়নি।&lt;br /&gt;ইনিংসে জেতার রেকর্ডের বয়স অবশ্য একটু কম। আজ থেকে ৭৭ বছর আগে ওভালে  ইংল্যান্ড তাঁদের চিরশত্রু অস্ট্রেলিয়াকেই ইনিংস এবং ৫৭৯ রানে হারিয়েছিল।  সে রেকর্ডও এখনো অক্ষুণ্ন।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৫. ধারাবাহিকতা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;টেস্ট ক্রিকেটের রানের রেকর্ড নিয়ে কথা হবে আর স্যার ডন ব্র্যাডম্যান  সেখানে আসবেন না এটি অসম্ভব। ১৯৪৮ সালে ওভাল টেস্টে শেষবারের মতো ব্যাট  করতে নামার সময় খুব সহজ একটি সমীকরণ ছিল ব্র্যাডম্যানের সামনে। মাত্র ৪ রান  করলেই ক্যারিয়ার শেষ করবেন ১০০ গড় নিয়ে। কিন্তু উইলিয়াম হোলিসের বলে শূন্য  রানে ফিরে যান তিনি। তারপরও তাঁর ব্যাটিং গড় দাঁড়ায় ৯৯.৯৪! এরপর ৬৭ বছর  হতে চলল, ব্যাটিং গড়ে ব্র্যাডম্যানের ধারে কাছেও কেউ যেতে পারেননি।&lt;br /&gt;ডন ব্র্যাডম্যানের আরেকটি রেকর্ডও এখনো অক্ষুণ্ন। নিজের ক্যারিয়ারে ৮০  ইনিংসে ব্যাট করেছেন , তাঁর ২৯ ইনিংসেই শতক হাঁকিয়েছেন। প্রতি ২.৭৬ ইনিংসে  একটি শতরান! এই রেকর্ড ও অক্ষুণ্ন আছে গত ৬৭ বছর ধরে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৬. অল্প স্বল্প গল্প&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;টেস্টে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার রেকর্ড কোন দলের জানেন? না, বিশ্ব  ক্রিকেটে যাদের সামর্থ্য নিয়ে সর্বদা আলোচনা হয়— সেই জিম্বাবুয়ে বা  বাংলাদেশ নয়। এই রেকর্ডের মালিক নিউজিল্যান্ড। ৬০ বছর আগে ইংল্যান্ডের  বিপক্ষে নিজেদের মাটিতে ২৭ ওভার ব্যাটিং করে ২৬ করতে পেরেছিল। দলীয়  সর্বনিম্ন রানের এই রেকর্ড গত ছয় দশক ধরে নিউজিল্যান্ড বহন করছে। গত ষাট  বছরে অন্য কোনো দলের ইনিংস ৪০ রানের নিচে গুটিয়ে যায়নি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;এবং শচীন টেন্ডুলকার&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ওয়ানডে ও টেস্ট দুই  ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ শতকের মালিক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৪৩৫৭ এবং ঠিক ১০০  টি শতক নিয়ে যে রেকর্ড গড়েছেন ভারতের ‘লিটল মাস্টার’, সেটিও হয়তো এমনই এক  রেকর্ডে রূপান্তরিত হচ্ছে। ব্র্যাডম্যানের টেস্ট গড়ের মতো যে রেকর্ড ভাঙার  স্বপ্ন দেখা যায় কিন্তু বাস্তবে করে দেখানো প্রায় অসম্ভব। নিকট ভবিষ্যতে এই  রেকর্ড ভাঙার কোনো সম্ভাবনা নেই। কে জানে হয়তো ১০০ বছর পরেও যখন ‘যে  রেকর্ড অটুট এখনো’ এর তালিকা তৈরি হবে, সেখানে শচীনের নাম জ্বলজ্বল করবে । </description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi4zVrkoQ9DdNfnR9AqAHRmT_pVj-xfeslYWsDyufTNng_qm89D7IUUPtH9k4Jomou38T8vhJeqw_6cuvtNuzq4ulVcwZ0duj8lzOLKZtPL01G0afPLJHpj0mOeU8MmQIVNLvbTidPGNe0/s72-c/747597831766cee86ae6dbd5185c6169-Cricket-records-unbroken-image.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>রাজ কন্যাদের গল্প! ব্রিটিশ রাজকন্যারা!! </title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_10.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>নারী বিশ্ব</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 28 Aug 2015 23:43:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-1848427421618083386</guid><description>&lt;h2&gt;&lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;(হরমায়োনী, বায়োস্কোপ, ১৩/০৫/১৫)&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjojos58kJgtqso8j13K1pBH8K9mXDsgeYlGNtbqqzRVMuQXgvlrZqD3dlHQ_y3bQcJYQip5XcSG6EuUrgbfyF8whw28AHOnfwTiTipCRdwEzkvaDxb0TiKTK1ivK0VfKAR0ze8wdK7dZQ/s1600/emma-watson.jpg" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjojos58kJgtqso8j13K1pBH8K9mXDsgeYlGNtbqqzRVMuQXgvlrZqD3dlHQ_y3bQcJYQip5XcSG6EuUrgbfyF8whw28AHOnfwTiTipCRdwEzkvaDxb0TiKTK1ivK0VfKAR0ze8wdK7dZQ/s320/emma-watson.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt; আজকে হঠাৎ মনে হলো ব্রিটিশ রাজকন্যাদের নিয়ে লিখি। এদের প্রায় সবাইকে  সাহিত্যভিত্তিক কোনো না কোনো ছবিতে দেখতে পাবেন। আসলে ব্রিটিশ সংস্কৃতির  সবচেয়ে বড় অংশ হলো তাদের জগদ্বিখ্যাত সাহিত্য। আর সেসব ছবিতেই তারা বেশি  শাইন করেছেন।&lt;span id="more-6804"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt; নিচের এনাদের অবশ্য রানী বলাটাই উত্তম। কয়েক দশক ধরে ইংরেজি সিনেমার জগত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তারা, এখনও সেই দাপট অব্যাহত আছে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34864 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Judi_Dench_6581-261x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="261" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ডেম জুডি ডেঞ্চ (১৯৩৪):&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;জেমস বন্ডকে যদি কেউ লাইনে  রাখতে পারে, তিনি হলেন জুডি ডেঞ্চের ‘এম’। এক বার জয়সহ মোট ৭ বার অস্কার  মনোনয়ন পাওয়া এই শক্তিমান অভিনেত্রীর ১৯৯৮ সালে প্রথম অস্কার নমিনেশন পাওয়া  মনে করিয়ে দেয়, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। মোট ১১ বার গোল্ডেন গ্লোব নমিনেশন  (২ বার জয়) আর ৩ বার প্রাইমটাইম নমিনেশন থেকে বোঝা যায়, বড় পর্দা ছোট পর্দা  দুটোতেই সমান দাপট তার। বন্ড সিরিজ ছাড়াও তিনি নাম কুড়িয়েছেন ‘মিসেস  ব্রাউন’, ‘শকোলাট’, ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’, ‘দ্য বেস্ট এক্সোটিক মেরিগোল্ড  হোটেল’, ‘নোটস অন আ স্ক্যান্ডাল’, ‘ফিলোমিনা’, ‘আইরিস’, ‘মিসেস হেন্ডারসন  প্রেজেন্টস’ প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34869 size-full" height="300" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/MaggieSmith.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="460" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ডেম ম্যাগি স্মিথ (১৯৩৪):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;তার নাম শুনলেই চোখে ভাসে  হ্যারি পটারের প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের কঠিন মুখ। সেই ১৯৬৬ সালে পেয়েছিলেন  প্রথম অস্কার নমিনেশন, তারপর ২ বার জিতে মোট ৬ বার নমিনেশন পেয়েছেন তিনি।  টেলিভিশনেও তিনি কম যান না, যার প্রমাণ ৮টা প্রাইমটাইম এমি (৩টি জয়)। একই  সাথে ১১টি গোল্ডেন গ্লোব নমিনেশনের মধ্যে দুটো জয়ই বলে দেয়- she’s still  got it. বেশিরভাগ চরিত্র কঠিন হলেও সবরকম চরিত্রতেই দেখা গেছে তাকে ‘দ্য  প্রাইম অভ মিস জিন ব্রোডি’, ‘ওথেলো’, ‘দ্য বেস্ট এক্সোটিক মেরিগোল্ড  হোটেল’, ‘গসফোর্ড পার্ক’, ‘ন্যানি ম্যাকফি রিটার্নস’, ‘কোয়ার্টেট’,  ‘ক্যালিফোর্নিয়া স্যুইট’ প্রভৃতি ছবিতে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34870 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/mirren-1-244x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="244" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ডেম হেলেন মিরেন (১৯৪৫):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;অস্কারটা পেতে একটু দেরিই হয়ে  গিয়েছিল তার। ১৯৬৬ সালে ক্যারিয়ার শুরু করা হেলেন প্রথম অস্কারটা হাতে  তোলেন ২০০৭ সালে এসে। সব মিলিয়ে মোট ৪টি অস্কার, ১১টি প্রাইমটাইম এমি (৩টি  জয়) এবং ১৩টি গোল্ডেন গ্লোব (৩টি জয়) মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেত্রীই হলেন  একমাত্র, যিনি রানী প্রথম ও দ্বিতীয়- দুজন এলিজাবেথেরই চরিত্রে অভিনয়  করেছেন। রানী ছাড়া আর কী বলা ‘রেড’, ‘দ্য টেম্পেস্ট’, ‘দ্য কুইন’, ‘দ্য  হান্ড্রেড-ফুট জার্নি’-র এই অভিনেত্রীকে?&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34876 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/tumblr_m1g9sbCQpU1qig6iso1_500-290x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="290" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;জুলি ক্রিস্টি (১৯৪০):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;আল পাচিনোর মতে হলিউডের সবচেয়ে  কাব্যিক এই অভিনেত্রী ১৯৬৫ সালের ‘ডক্টর জিভাগো’ দিয়ে জয় করে নিয়েছিলেন  সবার মন। এরপর ১৯৬৬ সালে ‘ডার্লিং’ ছবির জন্য জিতে নেন অস্কার। মোট ৪ বার  অস্কার ও ৩ বার গোল্ডেন গ্লোব নমিনি ‘ফাইন্ডিং নেভারল্যান্ড’, ‘অ্যাওয়ে  ফ্রম হার’ ও ‘ডোন্ট লুক নাউ’-এর এই অভিনেত্রীকে ইদানীং তেমন একটা দেখা  যাচ্ছে না অবশ্য, তবে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অভ আজকাবান’ ছবিতে  ম্যাডাম রোজমার্টা হিসেবে ছোট্ট একটা ক্যামিও দিয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34878 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/andrewswire11f-1-web-262x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="262" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ডেম জুলি অ্যান্ড্রুজ (১৯৩৫):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;তার হাসিখুশি চেহারা আর  মিষ্টি কণ্ঠের সাথে জড়িয়ে আছে লাখো মানুষের শৈশব। মেরি পপিন্স আর মারিয়া ভন  ট্র্যাপের জাদুকরী কণ্ঠ এখনও আন্দোলিত করে সবাইকে। ‘মেরি পপিন্স’ ছবির  জন্য অস্কার জয়ী জুলি শিশুতোষ ছবি করতেই বেশি পছন্দ করেন, যা তার ছবির  তালিকায় ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’, ‘টুথ ফেইরি’, ‘ডেসপিকেবল মি’ প্রভৃতি  ছবির উপস্থিতি দেখলেই বোঝা যায়।&lt;br /&gt; এবার আসা যাক ডাচেস আর রাজকন্যাদের&amp;nbsp;দিকে। তাদের প্রতিভাই বলে দেয়, ইংল্যান্ডের অভিনয় ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-35046 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Imelda-Staunton-Women-Film-TV-Awards-2011-4HGm3uJ3EFyl-254x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="254" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ইমেলদা স্টন্টন (১৯৫৬):&lt;/strong&gt; পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণিত ভিলেনদের  তালিকায় নাম উঠে গেছে ইমেলদা অভিনীত প্রফেসর আমব্রিজের। কিন্তু কজন জানেন,  তার ঝুলিতে যে একটা অস্কার নমিনেশন আছে? ২০০৫ সালে ‘ভেরা ড্রেক’ ছবির  নামভূমিকায় অভিনয় করে মনোনয়ন পান তিনি। হ্যারি পটার ছাড়াও তাকে দেখা গেছে  ‘ন্যানি ম্যাকফি’, ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’ ও ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’  ছবিতে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34875 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Tilda-Swinton-80-281x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="281" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;টিল্ডা সুইন্টন (১৯৬০):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp; কম ছবি করেছেন, ‘নারনিয়া’  বাদে ব্লকবাস্টারও তেমন নেই হাতে। কিন্তু নানা ইন্ডি মুভিতে নিজের জাত  চিনিয়েছেন টিল্ডা। জর্জ ক্লুনির বিপরীতে ‘মাইকেল ক্লেটন’ ছবির জন্য ২০০৮  সালে অস্কার পাওয়া টিল্ডাকে প্রায়ই দেখা যায় অস্বাভাবিক সব চরিত্রে। অবশ্য  ঠাণ্ডা লুকের টিল্ডার চেয়ে ভাল আর কে করতে পারত নারনিয়ার ‘আইস কুইন’  চরিত্রটা? তার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আরও আছে ‘অরল্যান্ডো’, ‘ওনলি লাভারস  লেফট অ্যালাইভ’, ‘স্নোপিয়ার্সার’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34859 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Emma_Thompson-MoC-NMR-03-275x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="275" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;এমা টমসন (১৯৫৯):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;অলরাউন্ড জিনিয়াস বলতে যাকে বোঝায়,  এমা ঠিক তাই। অস্কার জিতেছেন দুইবার- একবার অভিনয়ের ক্যাটাগরিতে, আরেকবার  চিত্রনাট্য লিখে। অসাধারণ রসবোধের অধিকারী এমা সাহিত্যভিত্তিক ছবি বেশি  করেছেন। জেন অস্টেনের উপন্যাসের চিত্রনাট্যে নিজের ছোঁয়া ফেলে  অস্টেনভক্তদের সুনজরে পড়াটা চাট্টিখানি কথা না, জিনিয়াস না বলে পারা যায়?  হ্যারি পটারে প্রফেসর ট্রিলনি চরিত্রে অভিনয় করা এমার উল্লেখযোগ্য আরও কিছু  ছবি হলো ‘হাওয়ার্ডস এন্ড’, ‘দ্য রিমেইনস অভ দ্য ডে’, ‘ন্যানি ম্যাকফি’,  ‘লাস্ট চান্স হার্ভি’, ‘স্ট্রেঞ্জার দেন ফিকশন’ ও ‘সেভিং মি. ব্যাঙ্কস’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34863 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Helena-Bonham-Carter-Marc-Jacobs-FRC-3-250x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="250" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;হেলেনা বোনহ্যাম কার্টার (১৯৬৬):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;অদ্ভুত সব চরিত্র আর  অদ্ভুত ফ্যাশন সেন্সের&amp;nbsp;জন্য বিখ্যাত হেলেনা অভিনয় করেছেন প্রাক্তন সঙ্গী  টিম বার্টনের অনেকগুলো ছবিতে। তবে অভিনয়েও কম যান না আমাদের বেলাট্রিক্স  লেস্ট্রেঞ্জ। তার প্রমাণ হলো দুটো অস্কার নমিনেশন, যার একটি এসেছে ‘দ্য  কিংস স্পিচ’ ছবির জন্য। ‘ফাইট ক্লাব’, ‘দ্য উইংস অফ দ্য ডাভ’, ‘আ রুম উইথ  আ&amp;nbsp;ভিউ’, ‘সুইনি টড’, ‘মেরি শেলি’স ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’, ‘বিগ ফিশ’, ‘অ্যালিস  ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’, ‘চার্লি অ্যান্ড দি চকোলেট ফ্যাক্টরি’ প্রভৃতি ছবিতেও  নজর কেড়েছেন তিনি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34866 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Kate-Winslet-Cast-in-Summit-Entertainments-Sci-Fi-Film-Divergent-255x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="255" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;কেট উইন্সলেট (১৯৭৫):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp; বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো  ইংরেজি ছবি না দেখুক, ‘টাইটানিক’ দেখেছে। টাইটানিকখ্যাত কেট ১৯৯৬ সালে এমা  টমসনের সাথে ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ ছবিতে অভিনয় করে প্রথম  অস্কারযাত্রা শুরু করেন। এরপর একের পর এক রেকর্ড করতে থাকেন সবচেয়ে কম বয়সে  দুটি, তিনটি, চারটি, পাঁচটি, ছয়টি অস্কার নমিনেশনের। অবশেষে ২০০৯ সালে  ‘দ্য রিডার’ ছবির জন্য অস্কারটা হাতে আসে ‘হেভেনলি ক্রিচারস’, ‘লিটল  চিলড্রেন’, ‘ইটারনাল সানশাইন অভ দ্য স্পটলেস মাইন্ড’, ‘আইরিস’, ‘জুড’,  ‘হ্যামলেট’ প্রভৃতি ছবি করে বিখ্যাত এই সুঅভিনেত্রীর।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34868 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/king_kong_21-249x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="249" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;নাওমি ওয়াটস (১৯৬৯):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল  অস্ট্রেলিয়ায়। এরপর ব্রেকথ্রু আসে ডেভিড লিঞ্চের বিখ্যাত ‘মুলহল্যান্ড  ড্রাইভ’ ছবিতে। অপূর্ব সৌন্দর্যের সাথে অভিনয়েও যে তিনি কম যান না, তা  দেখিয়ে দিয়েছেন দুইবার অস্কার নমিনেশন পেয়ে। তার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে  আছে ‘২১ গ্রামস’, ‘কিং কং’, ‘দ্য পেইন্টেড ভেইল’, ‘দ্য রিং’, ‘দ্য  ইম্পসিবল’ (এটার জন্য তার অস্কার জেতা উচিত ছিল) ও সাম্প্রতিককালের  ‘বার্ডম্যান’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34872 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Rachel-Fan-Art-rachel-weisz-33401041-480-720-250x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="250" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;রেচেল ভাইস (১৯৭০):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;রিয়াল লাইফ বন্ডগার্ল রেচেলের  মিষ্টি চেহারার সাথে অনেকেরই প্রথম পরিচয়&amp;nbsp;‘দ্য মামি’ ছবিতে। ২০০৬ সালে ‘দ্য  কনস্ট্যান্ট গার্ডেনার’ ছবির জন্য অস্কার পান তিনি। উল্লেখ করার মত বেশি  ছবি নেই তার ভাণ্ডারে, কিন্তু ‘দ্য ফাউন্টেন’, ‘আগোরা’, ‘দ্য ডীপ ব্লু সী’-  এসবই প্রমাণ তার অভিনয়প্রতিভার।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34856 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/catherine_zeta_jones_1969-451x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="451" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ক্যাথেরিন জিটা-জোন্স (১৯৬৯):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এনাকে অবশ্য ঠিক ইংলিশ  বলা যায় না। ওয়েলশ এই অভিনেত্রী ‘শিকাগো’ দিয়ে অস্কার জেতার আগে ‘দ্য মাস্ক  অভ জরো’ দিয়ে জয় করেছেন মানুষের হৃদয়। এরপর তাকে দেখা গেছে ‘দ্য  টার্মিনাল’, ‘ওশান’স টুয়েলভ’-এর মত মেইনস্ট্রিম হলিউড মুভিতে। ‘ডক্টর  হু’-তে ডক্টরকে ফিমেল বানানোর চিন্তা একবার করা হয়েছিল, তখন প্রথম চয়েস  ছিলেন তিনি। মাইকেল ডাগলাসের সাথে সংসার নিয়ে ব্যস্ত হওয়ায় ইদানিং তাকে বড়  পর্দায় তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-35047 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/NENSlbElJji2QT_1_1-394x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="394" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;স্যালি হকিন্স (১৯৭৬):&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;হলিউডপাড়ায় বিচরণ কম বলে ২০০৯  সালে গোল্ডেন গ্লোব জেতার পরও তেমন পরিচিতি আসেনি স্যালির। তবে উডি  অ্যালেনের নজর ঠিকই কেড়েছিলেন তিনি। যার ফলে অ্যালেনের ২০০৭ সালের  ‘ক্যাসান্ড্রা’স ড্রিম’ ও পরে ২০১৩ সালের ‘ব্লু জেসমিন’ ছবিতে তাকে দেখা  গিয়েছিল। ‘ব্লু জেসমিন’-এ কেট ব্লনশেটের উড়নচন্ডী বোন জিঞ্জারের চরিত্র করে  অ্যাক্ট্রেস ইন আ সাপোর্টিং রোলে ২০১৪ সালে অস্কার নমিনেশন পান তিনি।  এছাড়াও তাকে দেখা গেছে ‘গডজিলা’, ‘নেভার লেট মি গো’, ‘মেইড ইন ডাজেনহ্যাম’ ও  ‘প্যাডিংটন’ ছবিতে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34874 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/sienna_miller_smile_moustache-281x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="281" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;সিয়েনা মিলার (১৯৮১):&lt;/strong&gt; হলিউডে তার বিচরণ সামান্যই।  কিন্তু ‘স্টারডাস্ট’, ‘ক্যাসানোভা’ আর গত বছরের ‘অ্যামেরিকান স্নাইপার’  প্রমাণ করে তার স্টার পাওয়ারের। হিচককের ‘দ্য বার্ডস’ ছবির ব্যাকস্টোরি  অবলম্বনে টেলিফিল্ম ‘দ্য গার্ল’ করে গোল্ডেন গ্লোব নমিনেশন পাওয়া সিয়েনার  অভিনয়ক্ষমতার অপচয় হয়েছে ‘ফক্সক্যাচার’-এ, মাত্র কয়েক মিনিটের  স্ক্রিনটাইমের কারণে। এছাড়া তার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে ‘লেয়ার কেক’ ও  ‘জি. আই জো: দ্য রাইজ অফ কোবরা’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34867 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Keira-Knightley-274x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="274" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;কিরা নাইটলি (১৯৮৫):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;বর্তমানে হলিউডে ব্রিটিশ ইনভেশনের  সম্ভবত সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন তিনি। ‘পাইরেটস অভ দি ক্যারিবিয়ান’ দিয়ে পরিচিত  হয়ে ওঠা এই অভিনেত্রী ২০০৬ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে ‘প্রাইড অ্যান্ড  প্রেজুডিস’ করে প্রথম অস্কার নমিনেশন পান। এর&amp;nbsp;সাথে পরবর্তীতে’অ্যাটোনমেন্ট’  আর ‘আনা কারেনিনা’ দিয়ে সাহিত্যভিত্তিক ছবির পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন পরিচালক  জো রাইটের মিউজ কিরা নাইটলি। তবে আধুনিক প্রেক্ষাপটের ছবিতেও কম যান না  তিনি, যার প্রমাণ ‘বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যাম’, ‘লাস্ট নাইট’, ‘বিগেন  অ্যাগেইন’ ও ‘ল্যাগিস’-এর মত ছবিগুলো। ‘দ্য ইমিটেশন গেম’ ছবির জন্য এ বছর  আবারও অস্কার নমিনেশন আসে তার ঘরে। ‘বিগেন অ্যাগেইন’ ও ‘দ্য এজ অভ লাভ’  ছবিতে চমৎকার গানও গেয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34873 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/RosamundPike-614x960-239x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="239" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;রোজামন্ড পাইক (১৯৭৯):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল  বন্ডগার্ল হিসেবে। তারপর ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, ‘ফ্র্যাকচার’, ‘জনি  ইংলিশ রিবর্ন’, ‘র‍্যাথ অভ দ্য টাইটানস’ আর ‘জ্যাক রিচার’-এর মত অনেক ছবি  পকেটে ভরলেও ব্যাপক পরিচিতি আসেনি। গত বছরের ‘গন গার্ল’ ছবি তাকে এনে দেয়  প্রাপ্য পরিচিতি। বেন অ্যাফ্লেককে একেবারে পিষে ফেলে সারাজীবন এলিগেন্ট  নারীর চরিত্র করে আসা রোজামন্ড এ বছর পান প্রথম অস্কার নমিনেশনের দেখা।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34858 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Emily_blunt-463x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="463" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;এমিলি ব্লান্ট (১৯৮৩): &lt;/strong&gt;বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন  তিনি। গত বছরে মুক্তি পাওয়া তার ‘এজ অফ টুমরো’ আর ‘ইনটু দ্য উডস’ দুটো ছবিই  বক্স অফিস আর সমালোচকদের থামস আপ পায়। ‘ইনটু দ্য উডস’-এ তার সুমধুর  কণ্ঠেরও পরিচয় পেয়েছে&amp;nbsp;দর্শক। পাঁচবারের গোল্ডেন গ্লোব নমিনি ও একবার জয়ী  ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ , ‘দ্য ইয়াং ভিক্টোরিয়া’, ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ ও  ‘লুপার’খ্যাত এই সুঅভিনেত্রীর কপালে অবশ্য অস্কার নমিনেশন এখনও জোটেনি,  যেটা এই বছরের ক্রাইম ড্রামা ‘সিকারিও’ দিয়ে কাটতেও পারে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34877 size-medium" height="375" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/8a2d3c19929874ae0c7f4081c1f7c3e0-240x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="240" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ক্যারি মুলিগান (১৯৮৫):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল কিরা  নাইটলি, রোজামন্ড পাইক আর জুডি ডেঞ্চের সাথে ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’  ছবিতে। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘অ্যান এডুকেশন’ ছবির জন্য ২০১০ সালে  অস্কার নমিনেশন পান তিনি। এরপর ‘নেভার লেট মি গো’, ‘ড্রাইভ’, ‘শেম’, ‘ওয়াল  স্ট্রিট: মানি নেভার স্লিপস’, ‘ইনসাইড ল্যুইন ডেভিস’ ও ‘দ্য গ্রেট  গ্যাটসবি’র মত ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি দর্শকদের।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34871 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/pmcmCMG06d8ebd7-ec1e-4314-8299-33948084fe23-375x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="375" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ফেলিসিটি জোন্স (১৯৮৩):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp; ‘লাইক ক্রেজি’ ও ‘ব্রিদ  ইন’-এর মত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি করে বেশি পরিচিত ফেলিসিটি সানড্যান্স  ফেস্টিভাল মাতালেও পরিচিতি আসতে তার অপেক্ষা করতে হয়েছে ২০১৪ সাল পর্যন্ত।  ‘দি অ্যামেইজিং স্পাইডারম্যান টু’তে ছোট্ট চরিত্র থাকলেও ‘দ্য থিওরি অভ  এভরিথিং’ ছবিতে এডি রেডমেইনের বিপরীতে জেইন হকিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করে  অসম্ভব কিউট চেহারার এই অভিনেত্রী বাগিয়েছেন অস্কার নমিনেশন। এছাড়াও তাকে  দেখা গেছে ‘শ্যালেট গার্ল’, ‘দ্য টেম্পেস্ট’, ‘ট্রু স্টোরি’ ছবিতে। আগামীতে  স্টার ওয়ার্সের স্পিন-অফ ‘রৌগ ওয়ান’ এবং ‘ইনফার্নো’ ছবিতে প্রধান চরিত্রে  অভিনয় করবেন তিনি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34862 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/hayley_atwell-250x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="250" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;হেইলি অ্যাটওয়েল (১৯৮২):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;”দ্য পিলারস অভ দি আর্থ’ মিনি  সিরিজ দিয়ে গোল্ডেন গ্লোব নমিনেশন পাওয়া এই অভিনেত্রী বেশি পরিচিত পেগি  কার্টার হিসেবে। বড় পর্দায় অন্যান্য ছবিতে বিচরণ কম হলেও এই বছর তিনি পেয়ে  গেছেন নিজের টিভি শো ‘এজেন্ট কার্টার’। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে  ‘ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা: দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ ছবির পর থেকেই নিয়মিত  বিচরণ তার। এছাড়া ‘সিন্ডারেলা’, ‘দ্য ডাচেস’ প্রভৃতি ছবিতেও দেখা গেছে  তাকে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34861 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/gemma-arterton-491x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="491" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;জেমা আর্টারটন (১৯৮৬):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;মুভি চয়েস দিয়ে ক্যারিয়ারের  বারোটা বাজিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বছরেই পেয়েছিলেন বন্ডগার্ল  হওয়ার সুযোগ। কিন্তু ‘কোয়ান্টাম অফ সোলেস’-এর পর খুব কমই উল্লেখযোগ্য ছবি  উপহার দিতে পেরেছেন তিনি। ‘প্রিন্স অফ পার্সিয়া: দ্য স্যান্ডস অফ টাইম’ আর  ‘হ্যানসেল অ্যান্ড গ্রেটেল: উইচ হান্টারস’-এর মত বক্স অফিস সফল ছবি করলেও  ভালো ছবির সংখ্যা অল্প এই চমৎকার অভিনেত্রীর, যার মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ভয়েস’,  ‘তামারা ড্রু’, ‘বাইজেন্টিয়াম’, ‘পাইরেট রেডিও’, ‘রকএনরোলা’ প্রভৃতি।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34865 size-medium" height="375" src="https://i2.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/kate-beckinsale-2014-vanity-fair-oscar-party-01-334x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="334" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;কেট বেকিনসেল (১৯৭৩):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;মুভি চয়েস দিয়ে ক্যারিয়ারের  বারোটা বাজানো আরেক অভিনেত্রী তিনি। ‘পার্ল হারবার’ আর ‘দি এভিয়েটর’ দিয়ে  ব্রেকথ্রু পাওয়া কেট বেশি পরিচিত ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড’ সিরিজের জন্য। তার  উল্লেখযোগ্য ভাল মুভির মধ্যে আছে ‘মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং (জস হুইডনেরটা  না)’, ‘নাথিং বাট দ্য ট্রুথ’ ও &amp;nbsp;‘স্টোনহার্স্ট অ্যাসাইলাম’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-35048 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/tumblr_ne194k2U8Z1tmmag1o1_500-259x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="259" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;ক্যারেন গিলান (১৯৮৭):&lt;/strong&gt; স্কটিশ এই অভিনেত্রীকে ‘ডক্টর  হু’ ভক্তরা একনামে চেনেন এমি পন্ড হিসেবে। ‘ডক্টর হু’ থেকে বিদায় নেওয়ার পর  হলিউডে সদর্প বিচরণ শুরু হয়েছে তার, যা ‘গার্ডিয়ানস অফ দি গ্যালাক্সি’  ছবিতে জোয়ি সালডানা ও লী পেসকে ছাড়িয়ে যাওয়া ভিলেন চরিত্র নেবুলা থেকেই  বোঝা যায়। তার আপকামিং লিস্টে রয়েছে স্টিভ ক্যারেল, ক্রিশ্চিয়ান বেল,  ব্র্যাড পিট ও রায়ান গসলিংয়ের সাথে ছবি ‘দ্য বিগ শর্ট’ এবং জন ট্রাভোল্টা ও  ইথান হকের সাথে ‘ইন আ ভ্যালি অভ ভায়োলেন্স’। এবিসি নেটওয়ার্কে ‘সেলফি’  নামে নিজের একটা সিটকমও করেছিলেন ‘স্টার ট্রেক’খ্যাত জন চো-র সাথে।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34857 size-medium" height="375" src="https://i0.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/Emilia-Clarke1-277x375.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="277" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;এমিলিয়া ক্লার্ক (১৯৮৬):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এনাকে রাজকন্যা বলা যায় না,  বলতে হবে খালিসী। ‘গেম অভ থ্রোনস’ খ্যাত প্রাইমটাইম এমি নমিনি&amp;nbsp;এমিলিয়া এখন  বড় পর্দাতেও পা ফেলছেন। এ বছর মুক্তি পাচ্ছে তার ‘টার্মিনেটর: জেনেসিস’।&lt;br /&gt; &lt;img alt="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" class="aligncenter wp-image-34860 size-full" height="360" src="https://i1.wp.com/bioscopeblog.net/wp-content/uploads/2015/05/emma-watson.jpg" title="ব্রিটিশ রাজকন্যারা" width="480" /&gt;&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;strong&gt;এমা ওয়াটসন (১৯৯০):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এমাকে  আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। ‘হ্যারি পটার’ পর্ব শেষে এমা রোল  চয়েসে খুবই সতর্ক পা ফেলেছেন। একের পর এক প্রধান চরিত্র না করে তিনি বেছে  নিয়েছেন ‘দ্য ব্লিং রিং’, ‘দিস ইজ দি এন্ড’, ‘দ্য পার্কস অফ বিয়িং আ  ওয়ালফ্লাওয়ার’-এর মত ছবির পার্শ্বচরিত্র (অবশ্য শেষেরটায় তার চরিত্রকে  প্রধানও বলা যায়)। ২০১৭ সালে ডিজনির ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’ ছবির  মাধ্যমে লাখো মানুষের ছোটবেলার রূপকথাকে পর্দায় আনছেন এই প্রজন্মের আইডল এই  অভিনেত্রী ও&amp;nbsp;নারী অধিকারকর্মী।&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjojos58kJgtqso8j13K1pBH8K9mXDsgeYlGNtbqqzRVMuQXgvlrZqD3dlHQ_y3bQcJYQip5XcSG6EuUrgbfyF8whw28AHOnfwTiTipCRdwEzkvaDxb0TiKTK1ivK0VfKAR0ze8wdK7dZQ/s72-c/emma-watson.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>যে ২১টি ‘সত্য’ অনুধাবন করতে পারবেন আপনি! ২৫ বছর বয়সের পর!!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_16.html</link><category>ভালবাসার গল্প</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Sun, 16 Aug 2015 05:00:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-3858217872580986409</guid><description>&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="color: #333399;"&gt;সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি লেখক,  অ্যাডমিনসহ ভিজিটর বন্ধুরা আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকের দিনে অবশ্য কোন  পোস্ট করার ইচ্ছা ছিলনা। কিন্তু পোস্ট করতে হচ্ছে। আসলে গুগল+ এ- ছিলাম।  আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে একটি তথ্য শেয়ার করে কিছুক্ষণ পূর্বে। প্রেরিত  তথ্যটি পড়ে খুব ভাল লাগলো। আসলে বর্তমানে এমন কিছু জীবণময় অববাহিকা রয়েছে  যে গুলো মাথাতে এসেও মনে করতে পারিনা কিংবা হয়ত কোন কাজের কলেবরে হারিয়ে  যাই।&amp;nbsp; আজকে আমি আপনাদেরকে সেইসব তথ্যাদি শেয়ার করব যে গুলো সবারই জানাটা  জরুরী হতে পারে। এবং হ্যা এই পোস্টটি তেমনটা প্রযুক্তি মূলক বিষয়ক নই, তবে  শিক্ষামূলক তো হবেই! আমার মতে মাঝে মধ্যে এক ঘেয়েমি দুর করার জন্য  প্রযুক্তি সাইটে যদি একটু রম্যরস হয়, তাহলে বিষয়টা বেশ উপভোগ্য হবে!!&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhpXh1b2HiQAhql4iN7ZXzn_VegyXwTv2L_2LmiSCdmMVeqllbtMBzEx5KHWC7buUmPayWKueS937xaHMdry_M97Foq4LaWeph9vFrf_YirK6LGcgHT-SUFu0noFyfW1qLO99J9N71IfbI/s1600/shutterstock_25397035-2.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhpXh1b2HiQAhql4iN7ZXzn_VegyXwTv2L_2LmiSCdmMVeqllbtMBzEx5KHWC7buUmPayWKueS937xaHMdry_M97Foq4LaWeph9vFrf_YirK6LGcgHT-SUFu0noFyfW1qLO99J9N71IfbI/s400/shutterstock_25397035-2.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;     &lt;/h3&gt;&lt;div class="td-g-rec td-g-rec-id-content_inlineright"&gt;&lt;h3&gt; &lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;     &lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="color: #339966;"&gt;বয়স কি পঁচিশ পেরিয়েছে? যদি আপনার বয়স  পচিশ পার হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে ইতিমধ্যেই আপনি জেনে গিয়েছেন অনেকগুলো সত্য।  যেই বিষয়গুলো আগে অর্থহীন মনে হতো অথবা তেমন একটা গুরুত্ব দিতেন না সেগুলোই  হয়তো এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আপনার কাছে। আবার যেগুলোকে জীবনের  সবচাইতে জরুরি মনে হত এমন অনেক কিছুই হয়তো আর কোনো মূল্যই রাখে না এখন  জীবনে। বয়স পঁচিশ পার হলে জীবনের কিছু সত্য উপলব্ধি করতে পারবেন আপনি।  জানতে চান কী সেগুলো? মিলিয়ে দেখুন তো এই ২১টি সত্য আপনার ক্ষেত্রেও মিলে  যায় কিনা!&lt;/span&gt;&lt;span id="more-6247"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;১) আপনি বুঝতে পারবেন শুক্রবার হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। কারণ পুরো সপ্তাহ পরে এই একটিদিনই ছুটি থাকে আপনার।&lt;br /&gt;২) শনিবারটাকে সপ্তাহের সবচাইতে বাজে দিন মনে হবে আপনার। আর যদি আপনার  শনিবার ছুটি থাকে তাহলে রবিবারটা আপনার কাছে পুরো সপ্তাহের সবচাইতে বাজে  দিন মনে হবে।&lt;br /&gt;৩) আপনি জব সাইট গুলোর মূল্য বুঝতে শিখবেন। একই সঙ্গে জেনে যাবেন LinkedIn কিসের সাইট এবং এর ব্যবহার।&lt;br /&gt;৪) আপনার মনে আফসোস থাকবে কারণ আপনি সবচাইতে পছন্দের মানুষটিকে সময়মতো ভালোবাসার কথা গুলো জানাতে পারেননি।&lt;br /&gt;৫) আপনি নিজের পাসওয়ার্ড ও মেইল ও ফেসবুক একাউন্ট থেকে লগ আউট করার ব্যাপারে আরো সচেতন হয়ে উঠবেন।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;img alt="Unhappy-couple-fighting" class="alignright size-full wp-image-107186 td-animation-stack-type0-1" height="317" src="http://i2.wp.com/www.pchelplinebd.com/wp-content/uploads/2014/05/Unhappy-couple-fighting.jpg?zoom=1.5&amp;amp;resize=460%2C317" width="460" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;br /&gt;৬) আপনার কাছে মনে হবে আপনি ভুল ইউনিভার্সিটি কিংবা ভুল সাবজেক্টে পড়ে নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করেছেন।&lt;br /&gt;৭) আপনার ফেসবুকের ওয়াল বন্ধুদের বিয়ে ও এনগেজমেন্টের ছবি দিয়ে ভরা থাকবে।&lt;br /&gt;৮) আপনার পরিবার ও আশেপাশের মানুষদের থেকে বিয়ের চাপে অতিষ্ট হয়ে যাবেন আপনি।&lt;br /&gt;৯) আপনি বুঝতে পারবেন যে অর্থ আয় করা আসলেই কষ্ট। আর তাই কষ্টের টাকাগুলো খরচের ব্যাপারে সাবধান হবেন।&lt;br /&gt;১০) আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি যা আয় করেন তার সিংহভাগ চলে যায় বিভিন্ন বিল পরিশোধ করতে গিয়েই।&lt;br /&gt;১১) আপনি ব্যায়াম করতে চাইবেন। কিন্তু খুব বেশি আলসেমির কারণে ব্যায়াম আর করা হবে না আপনার।&lt;br /&gt;১২) প্রায় প্রতিদিনই ভাববেন ডায়েট করা উচিত। কিন্তু ফাস্টফুডের প্রতি লোভ সামলানো কি আর এতো সোজা!&lt;br /&gt;১৩) আপনার ওয়্যারড্রোবে ফরমাল কাপড়ের অভাব বোধ করবেন এবং বেশ কিছু ফরমাল পোশাক কিনবেন।&lt;br /&gt;১৪) লম্বা ছুটি গুলোর কথা খুব বেশি মনে পড়বে আপনার। গ্রীষ্মকালীন ছুটি  কিংবা শীতকালীন ছুটিগুলো কিভাবে কাটাতেন সেই স্মৃতিচারণ করবেন বার বার।&lt;br /&gt;১৫) বন্ধুদের সাথে জীবনের জটিলতা নিয়ে আলোচনা শুরু করবেন।&lt;br /&gt;১৬) ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও বন্ধুদের সাথে আগের মত আর ঘন ঘন দেখা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না আপনার। কারণ তাঁরা সবাই নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;img alt="maxresdefault1" class="alignleft size-full wp-image-107187 td-animation-stack-type0-1" height="310" src="http://i0.wp.com/www.pchelplinebd.com/wp-content/uploads/2014/05/maxresdefault1.jpg?zoom=1.5&amp;amp;resize=460%2C310" width="460" /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&amp;nbsp;১৭) এই পর্যায়ে এসে আপনি বুঝতে পারবেন যে&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ক্যারিয়ার কিংবা টাকার চাইতে সম্পর্কের মূল্য অনেক বেশি।&lt;br /&gt;১৮) আর তাই আপনি আপনার ৫০ জন শুধু বন্ধুর চাইতে ৫ জন বেস্ট ফ্রেন্ডকে বেশি  গুরুত্ব দিবেন এবং তাদের জন্য আপনার ভালোবাসা অনেক বেড়ে যাবে।&lt;br /&gt;১৯) কিছু মানুষ আপনার শত্রু হয়ে যাবে। ঘাবড়ানোর কিছু নেই, ভালো কিছু করলে শত্রু হওয়াটাই স্বাভাবিক।&lt;br /&gt;২০) আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি আপনার আশেপাশের সবাইকে খুশি করতে গেলে নিজে  খুশি থাকতে পারবেন না এবং কে কি ভাবলো তা নিয়ে এতো ভাবার কিছু নেই।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="color: #333399;"&gt;২১) জীবনের এই পর্যায়ে এসে আপনি বুঝতে পারবেন  যে আপনার মা-বাবাই আপনার সবচাইতে কাছের মানুষ এবং তাঁরা যা বলতেন ঠিকই  বলতেন। তাদের উপদেশ আরো আগেই শোনা উচিত ছিলো আপনার।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhpXh1b2HiQAhql4iN7ZXzn_VegyXwTv2L_2LmiSCdmMVeqllbtMBzEx5KHWC7buUmPayWKueS937xaHMdry_M97Foq4LaWeph9vFrf_YirK6LGcgHT-SUFu0noFyfW1qLO99J9N71IfbI/s72-c/shutterstock_25397035-2.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>সোলার প্যানেল দিয়ে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ চালান (যে সব এলাকাই বিদ্যুত নাই)</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_14.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>ইলেক্ট্রনিক্স</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 14 Aug 2015 21:50:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-184479632569704162</guid><description>&lt;h3 style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আসসালামু &amp;nbsp;আলাইকুম কেমন &amp;nbsp;আছেন &amp;nbsp;সবাই? &amp;nbsp;আপনাদের দোয়াতে &amp;nbsp;ভালো &amp;nbsp;আছি। &amp;nbsp;আপনারা &amp;nbsp;সবাই &amp;nbsp;আল্লার &amp;nbsp;রহমতে &amp;nbsp;ভালো &amp;nbsp;আছেন।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এখনো  যে সব এলাকাই বিদ্যুত যানি বা কেউ কনে করছেন যে আমি সোলার দিয়ে কম্পিউটার,  মোবাইল চাজ, লাইট, ফ্যান চালাতে পরেন। এর জন্য আপনাকে যাযা প্রয়জন নিচে  দেওয়া হল:-&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;১। সোলার প্যানেল (আপনার এলাকাই যে কোন ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে পাবেন)&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;২। সোলার চাজার কন্টোলার একটা (আপনার এলাকাই যে কোন ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে পাবেন)&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;৩। এক টি DC to AC ইনভেটার (আপনার এলাকাই যে কোন ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে পাবেন)&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;৪। ব্যাটারী (আপনার এলাকাই যে কোন ব্যাটারী দোকানে পাবেন)&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আপনাদের  মোনে প্রশ্ন জাগতে পারে সোলার প্যানেল কয় টা লাগাতে হবে? এটা আপনার প্রয়জন  অনুজায়ী লাগাতে হবে যেমন আপনি ব্যাটারী কত AMP ব্যাবোহার করবেন সই অনুজায়ী  সোলার প্যানেল এর ওয়াট হিসেব করে কিনতে হবে। ধরেন আপনি এক টা ১৩০ AMP এর  ব্যটারী ব্যাবোহার করলে আনাকে এক টি ১০০ ওয়াট এর সোলার প্যানেল নিতে হবে।  সে অনুজায়ী চাজার কন্টোলার নিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;ইনভেটারে আপনি সরাসরি AC ভোল্ট পাবেন। আপনি কত ওয়াট ব্যাবোহার করবেন আপনার ইচ্ছে মত ব্যাবোহার করতে পারেন।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;যেমন:  আপনি লাইট ব্যাবোহার করবেন কয়টা ফ্যান ব্যাবোহার করবেন কয়টা সে অনজায়ী  আপনাকে ওয়াট হিসেব করে ইনভেটার নিতে হবে। আপনার ফ্যান হচ্ছে ১০০ ওয়াট  এনারজী লাইট হচ্ছে ৩০ ওয়াট লাপটপ হচ্ছে আমার টা ৩০ ওয়াট এবং CPU হচ্ছে  ২০০-২৫০ ওয়াট। এখন আপনি সব কিচ্ছু হিসেব করে ইনভেটার আয়ুটপুট ওয়াট কিনবেন।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার আমরা এক নজর সোলার প্যানেল সোলার চাজার কন্টোলার ইনভেটার এবং ব্যাটারীর ছবি দেখে নিব।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;প্রথমে আমরা সোলার প্যানেল এর ছবি দেখব:&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEisCYany-4LQyKybnBwlc482XI1wXBxhoW7L4uVXppB5vDhtizySvI8gGBszQLh5wgS-12AUXNz-vo-p1juCWQkLjhyzZbwYeUFA_FHydpLOX7ivxATyelbVO2HFxpAwgGkGFwmDNN6eOE/s1600/solar-panel.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="266" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEisCYany-4LQyKybnBwlc482XI1wXBxhoW7L4uVXppB5vDhtizySvI8gGBszQLh5wgS-12AUXNz-vo-p1juCWQkLjhyzZbwYeUFA_FHydpLOX7ivxATyelbVO2HFxpAwgGkGFwmDNN6eOE/s400/solar-panel.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="wp-caption aligncenter" id="attachment_359295" style="width: 451px;"&gt;&lt;h3&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 class="wp-caption-text"&gt;সোলার প্যালেন&lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এটা হচ্ছে সোলার প্যানেল। এবার আমরা সোলার চাজার কন্টোলার এর ছবি দেখব নিচে দেওয়া হলো:&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="wp-caption aligncenter" id="attachment_359296" style="width: 431px;"&gt;&lt;h3&gt;&lt;img alt="" class="  wp-image-359296 " height="309" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/khalek0196/359294/Simple-Solar-Charge-Controller1.jpg" width="421" /&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 class="wp-caption-text"&gt;&amp;nbsp; চাজার কন্টোলার এর ছবি&lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এটা হচ্ছে সোলার চাজার কন্টোলার এটা দিয়ে ব্যাটারী চাজ করা হয়। এরাব দেখব ইনভেটার এর ছবি নিচে দেওয়া হল:&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="wp-caption aligncenter" id="attachment_359297" style="width: 438px;"&gt;&lt;h3&gt;&lt;img alt="" class="  wp-image-359297" height="239" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/khalek0196/359294/3219157_orig.png" width="428" /&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 class="wp-caption-text"&gt;এটা হচ্ছে DC to AC ইনভেটার।&lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এটা হচ্ছে DC to AC ইনভেটার। এই ইনভেটার DC থেকে সরাসরি AC ফলে আপনি AC যে কোন জিনিস ব্যাবোহার করতে পাবেন। এট বিভিন্ন ওয়াটের হয়।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার  আমরা ব্যাটারী সমন্ধে জাবো: ব্যাটারী বিভিন্ন কমপানির আছে বিভিন্ন AMP এর  ব্যাটারী আছে। সোলার পানেল এর ওয়াট সাথে ম্যাচ করে ব্যাটারী নিতে হবে। নিচে  ব্যাটারীর ছবি দেওয়া হলো:&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="wp-caption aligncenter" id="attachment_359298" style="width: 383px;"&gt;&lt;h3&gt;&lt;img alt="" class=" size-full wp-image-359298" height="280" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/khalek0196/359294/battery.jpg" width="400" /&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;ব্যাটারী&lt;span style="font-weight: normal;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;হ্যামকো সোলার ব্যাটারী। আমি এ ব্যাটারী ব্যাবোহার করী রেজাল খুব ভালো। ৫ বছর এর ওয়ারেন্টি আচ্ছে এই ব্যাটারীতে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার আমরা দেখব কি ভাবে কানেশংন করব নিচের ছবিতে দেখানো হলো:&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="wp-caption aligncenter" id="attachment_359299" style="width: 710px;"&gt;&lt;h3&gt;&lt;img alt="" class=" size-full wp-image-359299" height="223" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/khalek0196/359294/1234sssss.jpg" width="400" /&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 class="wp-caption-text"&gt;ঠিক এ ভাবে কানেকশান দিতে হবে&lt;/h3&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;ঠিক  এভাবে কানেকশন দিতে হবে। আর সোলার প্যানেলে + এর সাথে চাজার কন্টোলারে + এ  কানেকশন ও সোলার প্যানেলে - এর সাথে চাজার কন্টোলারে – এ কানেকশন ভালো করে  দিতে হবে। চাজার কন্টোলার থেকে ব্যাটারী কানেকশন ঠিক একই ভাবে করতে হবে  এবং DC to AC ইনভেটার টু ব্যাটারীর কানেশন যে ঠিক একই ভাবে করতে হবে  ব্যাটারীর + এর থেকে DC to AC ইনভেটার এর + এরং ব্যাটারীর – এর থেকে DC to  AC ইনভেটার – এ সংযোগ দিতে হবে। বাস আপনার কাশে এখন আপনি ইচ্ছে মতন ল্যাপটপ  কম্পিউটার ব্যাবোহার করুন। আপনি নিজে ব্যাবোহার করুন আর আপনার বন্ধু ক  চমকে দিন। ভালো থাকনে সবাই আল্লাহ হাফেজ।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আবার আবো অন্যকোন মজার বিষয় নিয়ে আজ তাহলে এই পযন্ত। দোয় করবেন সবাই আবার যেনো নতুন কোন টিপ নিয়ে আসতে পারি আপনাদের সামনে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;(মূল লেখক: মো: খালেকুজ্জামান, টিটি-০৮/০৬/২০১৫) &lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEisCYany-4LQyKybnBwlc482XI1wXBxhoW7L4uVXppB5vDhtizySvI8gGBszQLh5wgS-12AUXNz-vo-p1juCWQkLjhyzZbwYeUFA_FHydpLOX7ivxATyelbVO2HFxpAwgGkGFwmDNN6eOE/s72-c/solar-panel.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>নষ্ট (ডাস্ট) ছবি থেকে সহজে মনমুগ্ধকর ছবি তৈরী করুন</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/blog-post_44.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>গ্রাফিক্স ডিজাইন</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 14 Aug 2015 21:37:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-5778239093221979135</guid><description>&lt;h3 style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের সকলের কাছে আমি আজ নতুন তাই ভুল হতে পারে হলে ক্ষমা করবেন।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;কথা  বাড়িয়ে দরকার নেই আমরা আজ দেখবো ফটোশপ ব্যবহার করে কিভাবে একটি ডাস্টযুক্ত  ছবি সুন্দর মেকআপওয়ালা ছবি তৈরী করা যায়। তাহলে চলুন দেখা যাক-&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;প্রথমে  আমরা এ্যাডোব ফটোশপ প্রোগ্রামটি ওপেন করবো তার পর একটি ছবি ওপেন করবো  (File&amp;gt;Open&amp;gt; File name) তার পর (Window&amp;gt;Layer) প্যালেটটি ওপেন করে&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiJQOozfnOy3L56gsV-nv19y4H6WiYzoyVAkIlujNx57YKop1gM1RcG-wO8ElS5HaG8rUD_J-1sj_NspstyTalcL7sAfcGi9r672nLMmtMsUiJS7Hjk63NifouUJ_PH929GcyHRU_yclYw/s1600/ScreenShot001.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="400" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiJQOozfnOy3L56gsV-nv19y4H6WiYzoyVAkIlujNx57YKop1gM1RcG-wO8ElS5HaG8rUD_J-1sj_NspstyTalcL7sAfcGi9r672nLMmtMsUiJS7Hjk63NifouUJ_PH929GcyHRU_yclYw/s400/ScreenShot001.jpg" width="261" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারটিকে কপি করবো এজন্য আমরা ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারের উপর রাইট বাটুন ক্লিক করে ডুপ্লিকেট লেয়ার সিলেক্ট করতে পারি&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/092.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210781" height="337" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/092.jpg" width="399" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার দ্বিতয়ি লেয়ারটির Blendign Option &amp;nbsp; থেকে Overly&amp;nbsp; মুড সিলেক্ট করে দিই&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/111.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210782" height="246" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/111.jpg" width="221" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এখন 2য় লেয়ারটিকে High pass দিবো, এজন্য Filter&amp;gt;Other&amp;gt;High pass সিলেক্ট করবো ওখানে মান দিবো 20.5&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/061.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210784" height="339" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/061.jpg" width="324" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;তারপর OK Click &amp;nbsp; করবো। এরপর Ctrl+I চেপে Layer টি Invert করবো, এখন ইমেজটি দেখাবে এমন&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/121.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210787" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/121.jpg" width="266" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এখন লেয়ার প্যালেট থেকে opacity&amp;nbsp; কমিয়ে নিব&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/083.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210788" height="283" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/083.jpg" width="235" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;তারপর লেয়ার প্যালেটের নিচ থেকে mask option&amp;nbsp; select করে টি mask করে নিব&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/071.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210789" height="258" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/071.jpg" width="228" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এখন  টুলবার খেকে ব্রাশ টুল সিলেক্ট করে ব্রাশ করবো ভ্রু, চোখ, ঠোট, চুল, বডি  কিন্তু মুখের উপর ব্রাশ করবো না শুধু যে জায়গাগুলোর কথা আমি বলেছি সেগুলো  বাদে&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/051.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210794" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/051.jpg" width="281" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;দেখবেন যে জায়গাগুলোতে আপনি ব্রাশ করছেন সে জায়গাটা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;টুলবারের  লাল চিহ্ন দেওয়া জায়গা থেকে ব্রাশ সিলেক্ট করবো এবং দ্বিতীয় লাল বৃত্ত  দেওয়া জায়গা থেকে কালো কালার সিলেক্ট করে তবে উল্লেখিত জায়গা গুলোতে ব্রাশ  করবো।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/131.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210797" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/131.jpg" width="36" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;ব্রাশ  শেষে ওপেন করা ইমেজ এবং কাজ করা ইমেজটি মিলিয়ে নিব দেখতে পারবো কতো  পরিবর্তন হয়েছে। মনে হবে বিউটি পার্লার থেকে মেকআপ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/011.jpg"&gt;&lt;img alt="" class="aligncenter size-full wp-image-210799" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/mm-shohid/210739/011.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এই ইমেজটিকে আরো সুন্দর করা যায় আমরা সেগুলো এবং আরো নতুন কিছু সুন্দর প্রজেক্ট নিয়ে আবারো আলোচনা করব।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 style="text-align: left;"&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;যদি আপনারা মন্তব্য করে তাহলে পরবর্তিতে টিউন করতে উৎসাহি হবো। ধৈর্য ধরে টিউনটি দেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiJQOozfnOy3L56gsV-nv19y4H6WiYzoyVAkIlujNx57YKop1gM1RcG-wO8ElS5HaG8rUD_J-1sj_NspstyTalcL7sAfcGi9r672nLMmtMsUiJS7Hjk63NifouUJ_PH929GcyHRU_yclYw/s72-c/ScreenShot001.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>Adobe Photoshop দিয়ে মাত্র এক মিনিটে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করুন (সহজ পদ্ধতিতে)</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/adobe-photoshop.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>গ্রাফিক্স ডিজাইন</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 14 Aug 2015 21:33:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-1340054419428581225</guid><description>&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আজকে আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে Magic wand tool এর সাহায্যে একটি ইমেজ  এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করা যায়। তবে ব্যাকগ্রাউন্ড অবশই এক কালারের  হতে হবে। তো চলুন একটা ছবি নেওয়া যাক&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;আমি নিচেরটা নিলাম&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/01-376" rel="attachment wp-att-203747"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203747" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/01.jpg" width="393" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;যে ছবিটা নেওয়া হয়েছে ঐ ছবির লেয়ারে Indicates layer is partially locked ডাবল ক্লিক করুণ একটা বক্স আসবে এরপরে ok ক্লিক করুণ&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/02-274" rel="attachment wp-att-203750"&gt;&lt;img alt="" height="243" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/02.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার টুলবার থেকে Magic wand tool সিলেক্ট করুন অথবা (কি বোর্ড থেকে W চাপুন)&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/03-237" rel="attachment wp-att-203766"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203766" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/032.jpg" width="296" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এরপরে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড ক্লিক করুণ দেখবেন ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকটা জায়গা সিলেক্ট হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/04-173" rel="attachment wp-att-203753"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203753" height="256" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/04.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;পুরো ব্যাকগ্রাউন্ড সিলেক্ট করতে হলে কি বোর্ড থেকে Shift চেপে ধরে ক্লিক করুণ যেসব জায়গা সিলেক্ট হয়নি।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/05-142" rel="attachment wp-att-203754"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203754" height="378" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/05.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এরপর  উপরের মেনু বার থেকে Select এ ক্লিক করুন তারপর Feather এ ক্লিক করুন অথবা  কি-বোর্ড থেকে Alt+Ctrl + D দিন তাহলে একটা বক্স আসবে Feather Radius (  1.5 ) দিন ok নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/06-110" rel="attachment wp-att-203755"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203755" height="400" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/06.jpg" width="357" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এরপর কি বোর্ড থেকে Delete কি চাপেন ২ (দুই) বার &lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;নিচেরটার মত দেখা যাবে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3 class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7tmuUzMz7-npVyjEypUh-T82ztS-MXXZQT9u2Mtn4PUOU2-2BWZ0Ko0oBBMHyj3Oh6FjQ4ctHmMU2cwzCgmgbSFUIbF6BITOZf7Xk-FqB_MUxlp_L3-_R5Eb1kgLxPvaeu3VPaJKSoZ4/s1600/071.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="347" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7tmuUzMz7-npVyjEypUh-T82ztS-MXXZQT9u2Mtn4PUOU2-2BWZ0Ko0oBBMHyj3Oh6FjQ4ctHmMU2cwzCgmgbSFUIbF6BITOZf7Xk-FqB_MUxlp_L3-_R5Eb1kgLxPvaeu3VPaJKSoZ4/s400/071.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;এবার আপনার পছন্দ মত যে কোন একটি&amp;nbsp; ব্যাকগ্রাউন্ড দিন, তারপর সুন্দর করে ছবিটাকে ব্যাকগ্রাউন্ড বসিয়ে নিন।&amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/08-84" rel="attachment wp-att-203769"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203769" height="269" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/081.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203744/hghg-2" rel="attachment wp-att-203772"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203772" height="162" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203744/hghg.gif" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;&lt;h3&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;(মূল লেখক: ইলিয়াস আহমেদ, টিটি-২৩/৪/২০১৩)&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi7tmuUzMz7-npVyjEypUh-T82ztS-MXXZQT9u2Mtn4PUOU2-2BWZ0Ko0oBBMHyj3Oh6FjQ4ctHmMU2cwzCgmgbSFUIbF6BITOZf7Xk-FqB_MUxlp_L3-_R5Eb1kgLxPvaeu3VPaJKSoZ4/s72-c/071.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>Adobe Photoshop দিয়ে বয়স্ক মানুষের বয়স কমান</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2015/08/adobe-photoshop_14.html</link><category>অতিথি লেখক</category><category>গ্রাফিক্স ডিজাইন</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 14 Aug 2015 21:29:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-1996388794605512577</guid><description>&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;আজ  কের টিউন   হসছে কিভাবে ফটোশপে বয়স্ক মানুষের বয়স কমানো যায়, তো  চলুন  শুরু করা যাক। প্রথমে যে বয়স্ক মানুষের ছবিটিতে বয়স কমাতে হবে সেই ছবিটি  নিন&lt;br /&gt; আমি নিছেরটা নিলাম&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/?attachment_id=203171" rel="attachment wp-att-203171"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203171" height="600" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203170/01.jpg" width="451" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;দেখুন  এর মুখে বিভিন্ন জায়গায় বয়সের জন্য চামড়ায় ভাঁজ পড়েছে। তাছাড়া চামড়ার রঙ ও  মসৃণ নয়। তাই এই মানুষটির বয়স কমানোর জন্য প্রথমেই এর চামড়ার ভাঁজগুলো দূর  করতে হবে। এবং এরপরে চামড়ার রংটিও মসৃণ করতে হবে।&lt;br /&gt; চামড়ার ভাঁজ দূর করার জন্য প্রথমে Healing brush tool সিলেক্ট করুন।&lt;br /&gt; নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203198/02-271" rel="attachment wp-att-203201"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203201" height="556" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203198/02.jpg" width="560" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;ব্রাশের  সাইজ [ ছোট বড় ] করা জন্য কি বোর্ড থেকে  [    ] এটা চাপেন।&lt;br /&gt; নিচে দেখুন&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203198/03-copy" rel="attachment wp-att-203202"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203202" height="203" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203198/03-copy.jpg" width="600" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;এখন  কীবোর্ডের alt বাটন ধরে লোকটির মুখের চামড়ার মসৃণ কোনো অংশে অর্থাৎ যেখানে  ভাঁজ নেই সেখানে ক্লিক করুন। এর ফলে ঐ জায়গার একটি কপি তৈরি হবে। এখন alt  ছেড়ে দিয়ে চামড়ার ভাঁজের উপর একটু একটু করে ক্লিক করতে থাকুন, দেখবেন, যে  স্থানে ক্লিক করছেন,সে স্থানে আপনার ঐ মসৃণ চামড়ার অংশটি পেষ্ট হচ্ছে।  এভাবে পুরো ভাঁজের উপরই মসৃণ চামড়াটির কপি পেষ্ট করুন। নিচে দেখুন কপালটি  কেমন মসৃণ হল&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203198/04-171" rel="attachment wp-att-203203"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203203" height="460" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203198/04.jpg" width="344" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;এভাবে  পুরো মুখটির ভাঁজ দূর করুন নিচের মত। ভাঁজ দূর করার পর চামড়ার রঙ মসৃণ বা  সুষম করার জন্য ঐ কপিটিই এবার পুরো মুখে পেষ্ট করুন সাবধানে, যদি রঙের  তাররম্য হয় তবে চামড়ার যে স্থানে কপিটি পেষ্ট করতে যাচ্ছেন তার কাছাকাছি  জায়গা থেকে alt চেপে ক্লিক করে আরেকটি কপি তৈরি করে নিন এবং তা পেষ্ট করুন ।  এভাবেই চালিয়ে যান। নিচে দেখুন।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203198/05-140" rel="attachment wp-att-203204"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203204" height="513" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203198/05.jpg" width="360" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;এবার   মেনুবার এ image &amp;gt;&amp;gt;adjustment&amp;gt;Brightness/Contrast এ ক্লিক করুন  তাহলে একটা বক্স আসবে । Brightness আর Contrast কমে বা বাড়িয়ে ছবিটি   উজ্জলতা ঠিক করুন।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;a href="http://www.techtunes.com.bd/adobe-photoshop/tune-id/203198/06-108" rel="attachment wp-att-203205"&gt;&lt;img alt="" class="alignnone size-full wp-image-203205" height="499" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/moni-elias/203198/06.jpg" width="384" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;(যারা জানেন না তাদের জন্য আমার আজকের টিউন)&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;ভাল থাকুন, ইনশাল্লাহ আবার দেখা হবে।&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhodt9WBam1MWmAswYDw2-qTjyCQYR9_05oHyOC_80aC54VYanAbkD6aREZ4xByRbNKzqbT1tNqC4XoZtPCRp3lIFFR1uh_GYOrLbqaLS5T4PV2iUzW5J9TMIxK3MzNgjS_LDfrV5NLiFs/s1600/04.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhodt9WBam1MWmAswYDw2-qTjyCQYR9_05oHyOC_80aC54VYanAbkD6aREZ4xByRbNKzqbT1tNqC4XoZtPCRp3lIFFR1uh_GYOrLbqaLS5T4PV2iUzW5J9TMIxK3MzNgjS_LDfrV5NLiFs/s320/04.jpg" width="239" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;এখন সফটওয়্যার ছাড়াই ব্যবহার করুন স্কাইপি ! &lt;a href="http://eliasbd54.blogspot.com/2013/04/blog-post_12.html" target="_blank" title="এইখান"&gt;এইখান&lt;/a&gt; থেকেজেনে নিন&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;&lt;span style="font-weight: normal;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;(মূল লেখক: ইলিয়াস আহমেদ,টিটি-২২/০৪/২০১৩)&lt;/span&gt; &lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhodt9WBam1MWmAswYDw2-qTjyCQYR9_05oHyOC_80aC54VYanAbkD6aREZ4xByRbNKzqbT1tNqC4XoZtPCRp3lIFFR1uh_GYOrLbqaLS5T4PV2iUzW5J9TMIxK3MzNgjS_LDfrV5NLiFs/s72-c/04.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বিলুপ্তপ্রায় অসাধারণ একটি দেশী শিল্পের কথা</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/11/blog-post.html</link><category>featured</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 17 Nov 2014 20:06:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-4923302676307556725</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-uqfPgybSnWA/Uucrgvnj9GI/AAAAAAAAAes/mqB9zwMJ2o4/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://4.bp.blogspot.com/-uqfPgybSnWA/Uucrgvnj9GI/AAAAAAAAAes/mqB9zwMJ2o4/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;গত শীতে গ্রামের বাড়ীতে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের আনন্দ করার একটা ছোট উপলক্ষকে  কেন্দ্র করে বেশ কিছু ছবি তুলে ফেললাম। অনেক অনেক ‍দিন পর এই জিনিসটা  দেখলাম। জিনিসটার নাম “হাওয়াই বাজী” এর পর জিনিসটা নিয়ে লেখার প্রয়েজন  অনুভব করলাম। এটা হয়তো অনেকেই চেনে না। হাওয়াই বাজী এক প্রকার নয়নাভিরাম  দেশী FIRE WORKS ।&lt;span id="more-5931"&gt;&lt;/span&gt; এটার উ্ৎপত্তি খেজুর গাছ  প্রধান এলাকায়। প্রথমে খেজুর গাছের পাতার নিচের ছাল গুলি একত্র করা হয়।  স্থানীয় ভাষায় এগুলোকে বলা হয় শর্পা। এরপর একটি বড় কচুপাতা সংগ্রহ করে  খেজুর গাছের কাটা দিয়ে ছোট ছোট অনেক গুলি ফুটো করা হয়। হাওয়াই বাজী এর  সৌন্দর্য নির্ভর করে সুক্ষ সুক্ষ ছিদ্রের উপর, সেই জন্যই খেজুরের কাটার  ব্যাবহার। এরপর শর্পাগুলি পুড়িয়ে কচুপাতার মাঝে তোলা হয়।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-0SEcuALB3PQ/UucruHQLTMI/AAAAAAAAAe8/PKH2RcLjW_w/s1600/ee.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://4.bp.blogspot.com/-0SEcuALB3PQ/UucruHQLTMI/AAAAAAAAAe8/PKH2RcLjW_w/s1600/ee.jpg" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&amp;nbsp;তারপর পাতার চারপাশ দড়ি দিয়ে বেধে আস্তে আস্তে মাথার চার পাশ দিয়ে ঘোরানো হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-d_RWQAY-31o/Uucr8JVMXZI/AAAAAAAAAfE/7jvOdjJt_Ss/s1600/cms.somewhereinblog.netvvv.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://3.bp.blogspot.com/-d_RWQAY-31o/Uucr8JVMXZI/AAAAAAAAAfE/7jvOdjJt_Ss/s1600/cms.somewhereinblog.netvvv.jpg" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;কচুপাতার ছিদ্রগুলি দিয়ে আস্তে আস্তে আগুনের ফুলকিগুলি বের হয়। এভাবেই  সৃষ্টি হয় সুন্দর নয়নাভিরাম একটি দেশী FIRE WORK যার নাম “হাওয়াই বাজী।”  হাওয়াই বাজী আমি নিজে দেখলাম অনেক বছর পর। এখন শেীর ভাগ গাছী আর খেজুর গাছ  কাটতে চায় না। তাদের বংশধরেরাও পেশা বদল করে অন্যান্য পেশাকে জীবন ধারনের  মাধ্যম হিসাবে নিচ্ছে। শর্পা সংগ্রহ ছোট ছোট শিশুদের জন্য এখন কষ্টসাধ্য  ব্যাপার। একারনে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দেশীয় অসাধারন একটা শিল্প  হাওয়াই বাজী।&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-m6uNXV7n7xg/UucsIHpM1fI/AAAAAAAAAfM/7Eja_BfnC00/s1600/cms.somewhereinblog.netbbb.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://4.bp.blogspot.com/-m6uNXV7n7xg/UucsIHpM1fI/AAAAAAAAAfM/7Eja_BfnC00/s1600/cms.somewhereinblog.netbbb.jpg" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;আমার কাছে ক্যামেোটি থাকায় খুব সুন্দর ভাবে ছবিগুলি তোলা সম্ভব হয়। জানিনা  অদুর ভবিষ্যতে হয়তো এই শিল্পটা হারিয়ে যাবে। তখন পরবর্তী প্রজন্মের কছে এই  লেখাটি পৌছুলে তার হয়তো জানবে আমাদের দেশ একটি অসাধারন শিল্প ছিল যার নাম  “হাওয়াই বাজী” এবং সেটি অনেক বিদেশী FIRE WORK থেকেও অনেক সুন্দর।&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-zdoruu5jd64/UucsTVnt-3I/AAAAAAAAAfU/F0gjRG5sscU/s1600/cms.somewhereinblog.netrrrrr.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://4.bp.blogspot.com/-zdoruu5jd64/UucsTVnt-3I/AAAAAAAAAfU/F0gjRG5sscU/s1600/cms.somewhereinblog.netrrrrr.jpg" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;স্থানঃ মাগুরা।&lt;/div&gt;ক্যামেরাঃ Nikon D 3200&lt;br /&gt;সেটিংসঃ S. Speed : 1.3/s , F. Rate: 3.5, ISO: 3200&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-uqfPgybSnWA/Uucrgvnj9GI/AAAAAAAAAes/mqB9zwMJ2o4/s72-c/cms.somewhereinblog.net.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">1</thr:total></item><item><title>সেলফি তুলার জন্য চরম অ্যাাপ Retrica এর প্রিমিয়াম ভার্সন নিয়ে নিন !!!!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/11/retrica.html</link><category>SEO TIPS</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Fri, 14 Nov 2014 05:32:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-2027908646327740137</guid><description>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসসালামুয়ালাইকুম । কেমন আছেন আপনারা সবাই ? আশা করি ভাল আছেন । আমি  ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি রেট্রিকা এর প্রিমিয়াম ভার্সন&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg5a0E_ski1SPq3Fw7PmiSZJO4wiDhb2TuwTKHP3EjLa6zeQiHX79V76HfRdjFf02vC9jagNqzzGPXVrwWh-3hQE_oiN9gdVYn9w8K2AJV513trQbXeZm-dg1gX4sGOca6q-m2QakLg_4o/s1600/index.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="400" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg5a0E_ski1SPq3Fw7PmiSZJO4wiDhb2TuwTKHP3EjLa6zeQiHX79V76HfRdjFf02vC9jagNqzzGPXVrwWh-3hQE_oiN9gdVYn9w8K2AJV513trQbXeZm-dg1gX4sGOca6q-m2QakLg_4o/s400/index.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Retrica এর মত সেলফি তুলার অ্যাপ আর পাই নাই । &lt;img alt=":D" class="wp-smiley" src="http://s.techtunes.com.bd/wp-includes/images/smilies/icon_biggrin.gif" /&gt; দিন এ ১০০ তা সেলফি তুলি । তবে এই অ্যাাপ এর প্রিমিয়াম ভার্সন পাওয়া সত্যি  অনেক কষ্ট এবং প্রিমিয়াম ভার্সন এ এমন অনেক ফিচার ও এফেক্ট আছে যা নরমাল  ভার্সন এ নেই । তাই অনেক খুজে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম রেট্রিকা এর  প্রিমিয়াম ভার্সন&lt;br /&gt;রেট্রিকা এর কিছু ফিচার হল&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;সেলফি তুলার জন্য খুবই ভাল&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্যামেরা কোয়ালিটি দারুন&lt;/li&gt;&lt;li&gt;হাজার এফেক্ট আছে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪ পিক ও ট্রায়ো তুলার সুবিধা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;*প্রিমিয়াম ভার্সন এ রেট্রিকা এর লোগো মুছে ফেলা যায়&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সময় নির্ধারন করা যায়&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;আমি নিজেই আপ্লোড করলাম । কোনো সমস্যা হলে বলবেন&lt;br /&gt;OneDrive এ আপ্লোড দিলাম&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1drv.ms/1GViTcV" rel="nofollow"&gt;http://1drv.ms/1GViTcV&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ইন্সটলেশানঃ&lt;br /&gt;&lt;ol&gt;&lt;li&gt;প্রথম এ রেট্রিকা ইন্সটল থাকলে আনিন্সটল করুন&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এবার আমার ফাইল টি দিয়ে ইন্সটল করুন ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এবাআর সেলফি তুলুন &lt;img alt=":P" class="wp-smiley" src="http://s.techtunes.com.bd/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif" /&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ol&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg5a0E_ski1SPq3Fw7PmiSZJO4wiDhb2TuwTKHP3EjLa6zeQiHX79V76HfRdjFf02vC9jagNqzzGPXVrwWh-3hQE_oiN9gdVYn9w8K2AJV513trQbXeZm-dg1gX4sGOca6q-m2QakLg_4o/s72-c/index.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">1</thr:total></item><item><title>একটি ভাল নামের ডোমেইন বিক্রয় করা হবে! হয়ত আপনারও কাজে লাগতে পারে!! তাহলে এই ডোমেইনটি আপনার জন্য!!</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/09/blog-post.html</link><category>ব্লগ/ওয়ার্ডপ্রেস/ওয়েব ডিজাইন</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 8 Sep 2014 02:25:00 -0700</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-8925983340363622711</guid><description>&lt;span style="color: red;"&gt;আসসালামু আলাইকুম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আমার এই ক্ষুদ্র ব্লগ সাইটটি ভিজিট করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। হ্যা ভাই আপনি ঠিকই দেখেছেন। ডোমেইন বিক্রি/মালিকানা পরিবর্তন করা হবে। আসলে আমি ও আমার বন্ধুরা বেশ কয়েকটি ইংরাজী ইউনিক নামের ৫ টি ডোমেইন ক্রয় করেছিলাম। পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্লগ সাইট সহ সামাজিক যোগাযোগ সাইটে পোস্ট করেছিলাম ডোমেইন বিক্রয় করা হবে, যেখানে পিসি হেল্প লাইন বিডিতে উক্ত পোস্ট দেখে আমাকে মেইলে রিভিউ দিয়েছেন। যাইহোক বর্তমানে একটি ডোমেইন অবশিষ্ট আছে। এবং সেটি ভাল রিভিউ পাইলে বিক্রি হস্তান্তর করে দিব।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh9zkhf6yoySsRaJd4mRH2Mz51_VDxVv-4dG51L35dLw-SLKy0f03NTAOTi6M2aMf8HqCgnxciTqFE5LO2kZc_DYmmxMBCpTeYqbSbdtmrVhYmHKLEBwQc34uH5QCehwSLAr2D4MX0gQUM/s1600/images.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh9zkhf6yoySsRaJd4mRH2Mz51_VDxVv-4dG51L35dLw-SLKy0f03NTAOTi6M2aMf8HqCgnxciTqFE5LO2kZc_DYmmxMBCpTeYqbSbdtmrVhYmHKLEBwQc34uH5QCehwSLAr2D4MX0gQUM/s1600/images.jpg" height="320" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;span style="color: #741b47;"&gt;ডোমেইনটির নাম:&lt;span style="color: red;"&gt; www.pchelplab.com &lt;/span&gt;(পিসি হেল্প ল্যাব ডট কম) বাংলাতে আভিধানিক অর্থ: &lt;span style="color: red;"&gt;কম্পিউটার সাহায্য গবেষণাগার। &lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #45818e;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;আমাদের ডোমেইন সম্পর্কে একটু রিভিউ দিচ্ছি:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি www.pchelplab.com এই ডোমেইন আমাদের নিকট হতে ক্রয় করে বাংলা/ইংরাজী যে কোন ব্লগ সাইট চালাতে পারবেন। সাইটটি ব্যক্তিগত/ব্যবসায়িক যে কোন কাঠামোতেই রান করতে পারবেন যেমন: পিসি হেল্প লাইনের মত ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেই ভাল একটি ইংরাজী ব্লগ সাইট তৈরি করে গুগল অ্যাডসেন্স সহ অন্যান্য সাইট হতে আয় করছেন। সুতরাং এই ডোমেইনটি গ্রহন করে অআপনিও আয় করতে পারবেন। &lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;ডোমেইনটি গ্রহন/ক্রয় করলে এর সাথে যে সব একাউন্ট ফ্রিভাবে পাবেন?&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১। ৩ টি ইমেইল ঠিকানা:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;pchelplab@gmail.com , pchelplab.com@gmail.com, pchelplab@live.com&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: purple;"&gt;২। টুইটার (www.twitter.com/pchelplab )&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #134f5c;"&gt;৩। গুগল ব্লগস্পট: www.pchelplab.blogspot.com &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;৪। ওয়ার্ডপ্রেস: www.pchelplab.wordpress.com &lt;br /&gt;&lt;span style="color: #741b47;"&gt;৫। উইবলি: www.pchelplab.weebly.com &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;জ্ঞাতব্য বিষয়:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আমাদের জানামতে www.pchelplab.com ডোমেইনটি ১০০% পারফেক্ট। কেননা একটি ডোমেইন নাম নিলেই হয় না তার আশেপাশের বিষয় বস্তুর দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। অনেকেই ডোমেইন রেজি: করেন কিন্তু তাদের প্রায় ৮০% সমস্যা থাকে যেমন: ডোমেইন নিলেন কিন্তু টুইটার, ইমেইল ঠিকানা মেলাতে পারছেন না। আশা করি ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডোমেইনের মূল্য:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt; &lt;br /&gt;ডোমেইনের মূল্য ধরেছি ১,৫০০/-। আপনি এটি ক্রয় করতে চাইলে প্রথমে আপনাকে আমাদেরকে টাকা পেমেন্ট করতে হবে। অতপর আপনার ইমেইল, মোবাইল নং নাম-ঠিকানা দিতে হবে (মালিকানা পরিবর্তনের জন্য)। মালিকানা গ্রহন করার সাথে আপনাকে উপরোক্ত একাউন্ট সমূহ যেমন: টুইটার, ইমেইলের ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড আপনাকে জানিয়ে দিব। এবং সেই সাথে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলের পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেওয়া হবে। ফুল ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল পাবেন যা নিজেই নিজের ডোমেইনকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।&amp;nbsp; অবশ্য মালিকানা পাবার পর নিজেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডোমেইনের মেয়াদ:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt; &lt;span style="color: #a64d79;"&gt;ডোমেইনের মেয়াদ এখনো ২ মাস মতো আছে ১০/১০/২০১৪ ইং। এরপর প্রতি বছরে ৮০০/- রিনিউ করতে হবে। আপনি যদি নিতে চান তাহলে ১৫০০/- পেমেন্ট করতে হবে। অর্থাত: ৭০০/- আমাদের সার্ভিস লাভ দিতে হবে। বাকি ৮০০/- ডোমেইনটি পরবর্তী বছরের জন্য রিনিউ করে দিব। এখানে আমরা ততটা লাভ দাম চাইনি।&amp;nbsp; যেমন এই ডোমেইনটি যদি পার্কিং বা বিদেশী নিলামে বিক্রয় করা হয় তাহলে সেখানে&amp;nbsp; মূল্য হয় প্রায় ১০০$-300$ পর্যন্ত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #a64d79;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style="background-color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="background-color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল সম্পর্কে কথা:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #274e13;"&gt;১। এই ডোমেইন গ্রহন করলে আপনি সম্পূর্ণ ডোমেইন প্যানেল পাবেন। যেখানে রিনিউ, ট্রান্সপার, ডিএনএস, নেইম সার্ভার সবকিছুই পরিবর্তন করতে পারবেন। ডোমেইনটির কন্ট্রোল প্যানেলের কিছু স্কীন শর্ট তুলে ধরলাম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;ক। ডোমেইন প্যানেল&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjUIiTKGRm_JzCd3uUFaYlbEnu_JV0wy6i__0Iq_hbhhqBf1IesKSms9DoADUw6esZOJpxFoD_MPhwmlIhqh2zFJgAoHdFmYEJKxFuABAlChIiSRFdfZPC2s4wfrnZSjzVH4X4xET7_i5s/s1600/555555008.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjUIiTKGRm_JzCd3uUFaYlbEnu_JV0wy6i__0Iq_hbhhqBf1IesKSms9DoADUw6esZOJpxFoD_MPhwmlIhqh2zFJgAoHdFmYEJKxFuABAlChIiSRFdfZPC2s4wfrnZSjzVH4X4xET7_i5s/s1600/555555008.jpg" height="115" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgTPhrp2qPbpsUMFLUfbvPD3ITcUhERD9PKhIfkqTH0gxBcxr0jctWeGhJrHSEcBDHiKsJeW5psDJbSGek1rMg2vZBjRYfL7pJlZXuebM0b8s-Ff64KYng3gZoxALvVBWUM5uuGte_8_Yc/s1600/555555012.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgTPhrp2qPbpsUMFLUfbvPD3ITcUhERD9PKhIfkqTH0gxBcxr0jctWeGhJrHSEcBDHiKsJeW5psDJbSGek1rMg2vZBjRYfL7pJlZXuebM0b8s-Ff64KYng3gZoxALvVBWUM5uuGte_8_Yc/s1600/555555012.jpg" height="168" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;খ। নেম সার্ভারস অপশন &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhq7RbSk4fWeJbkIOwYpted27NT9yFdR2CpTzfrkx-r7DpZSGTGKyFZn9yQ_zB6yqtFUFOktj3QPXwxjbvRO8LD0tRcJ2wZR-swIOxe91FS3UIhAZC6xpKYLrbuJDzknDDdS0jPbORHKF4/s1600/555555009.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhq7RbSk4fWeJbkIOwYpted27NT9yFdR2CpTzfrkx-r7DpZSGTGKyFZn9yQ_zB6yqtFUFOktj3QPXwxjbvRO8LD0tRcJ2wZR-swIOxe91FS3UIhAZC6xpKYLrbuJDzknDDdS0jPbORHKF4/s1600/555555009.jpg" height="232" width="400" /&gt;&amp;nbsp;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;গ। ডিএনএস অপশন&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjNCeRtjaf5ZH9go_cLfY6ZeL6AHfElimGOMbAUoo-M3wPEt-bE30whxpruO66JjAD-dLwSrvi4_LZsMSYiWFJFzMhm8B8DECOgn0YOT6hZ-Y3_tCSPA4V3tLLJ41fJsDGmPaiFmPdS344/s1600/555555011.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjNCeRtjaf5ZH9go_cLfY6ZeL6AHfElimGOMbAUoo-M3wPEt-bE30whxpruO66JjAD-dLwSrvi4_LZsMSYiWFJFzMhm8B8DECOgn0YOT6hZ-Y3_tCSPA4V3tLLJ41fJsDGmPaiFmPdS344/s1600/555555011.jpg" height="202" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;span style="color: #274e13;"&gt;২। ডোমেইনটি গ্রহন করলে আপনাকে মালিকানা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এবং আপনার নামে তথ্যগুলো ইনক্লুডেড করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;span style="color: #274e13;"&gt;৩। ডোমেইন বাংলাদেশের স্বনাম ধন্য কোম্পানী হোস্টমাইট হতে ডোমেইনটি রেজি: হয়েছে। ইচ্ছা করলে এখান হতে যে কোন সার্ভারে ট্রান্সপার করা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;সারকথা:&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: #741b47;"&gt;আপনি সম্ভাবত ভাল নাম, অর্থবোধক কিংবা সহজবোধ্য নামের ডোমেইন খুজছেন। তাহলে মনে করি এই ডোমেইনটি আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। &lt;/span&gt;আপনি যদি নিতে আগ্রহী থাকেন কিংবা ডোমেইনের মূল্য/অন্যান্য বিষয় জানার আগ্রহ থাকে তাহলে অতি সত্তর জানাতে পারেন &lt;span style="font-size: large;"&gt;এই মেইল ঠিকানাতে: &lt;span style="color: red;"&gt;myaddanet@gmail.com&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;। আরেকটি কথা ভাই, টাকা চিট/স্ক্যাম যাবার কোন সম্ভাবনা নাই। ১০০% কাজ করে দিব। যেহেতু বিভিন্ন ব্লগ সাইটে আমাদের ব্লগ করতে হয়, সেহেতু আমরাও চাই না কোন নেতিবাচক কাজের মাধ্যমে নিজেদের পারফরম্যান্স নষ্ট করি কিংবা বির্তকিত হোক!!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;পরিশেষে ভাল থাকবেন এবং রিভিউ জানার অপেক্ষাতে--------&lt;/span&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEh9zkhf6yoySsRaJd4mRH2Mz51_VDxVv-4dG51L35dLw-SLKy0f03NTAOTi6M2aMf8HqCgnxciTqFE5LO2kZc_DYmmxMBCpTeYqbSbdtmrVhYmHKLEBwQc34uH5QCehwSLAr2D4MX0gQUM/s72-c/images.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>টিটিকাকা হ্রদের ভাসমান দ্বীপে</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/03/blog-post.html</link><category>ভ্রমন বিলাস</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Sat, 1 Mar 2014 05:52:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-8607915932238633138</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;						&lt;div class="entry"&gt;				&lt;span style="color: red;"&gt;(মূল লেখক: তারেক-অনু, সচালয়তন ব্লগ)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হিমশীতল  উচ্চতায় আন্দেজের ধূসর সন্ধ্যায় পুনো শহরের পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথের  বাঁকে প্রথম বারের মত দৃষ্টিসীমায় আবির্ভাব ঘটল টিটিকাকা হ্রদের। সাগর  পৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে বার হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম  বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহৃত এই হ্রদ দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদতো বটেই সেই  সাথে আমাদের গ্রহের ২১তম বৃহত্তম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-6aSzjCiuSQU/UukHjXwiq4I/AAAAAAAAAog/S79PepQDb9A/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-6aSzjCiuSQU/UukHjXwiq4I/AAAAAAAAAog/S79PepQDb9A/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" height="266" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&amp;nbsp;&lt;span id="more-2481"&gt;&lt;/span&gt;বিশাল তার  ব্যপ্তি, যে এবড়ো-থেবড়ো পাহাড় ঘুরে আমরা সবেগে নিচের দিকে চলেছি তার  পাদদেশ থেকে শুরু করে দূরের আন্দেজের সুমহান তুষার ছাওয়া আকাশছোঁয়া  পর্বতমালার প্রান্তসীমা পর্যন্ত তার অস্তিত্ব সেই মেঘময় গোধূলিতেও স্পষ্ট  বোঝা গেল।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785186945/" title="403371_10151231863390497_608590496_22998979_207818024_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="403371_10151231863390497_608590496_22998979_207818024_n" height="220" src="http://farm8.staticflickr.com/7020/6785186945_468799034a.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; আমাদের আপাত গন্তব্য পেরুর পুনো শহর, ৩৮৬০ মিটার (১২,৪২১ ফিট) উচ্চতায়  অক্সিজেনের বেশ ঘাটতি, গত কদিন ধরেই সমানে আমরা তিন বন্ধু ( বাকি দুজন  মেক্সিকান ইসায়াস সেরণা এবং হুয়ান ভিদাল) আন্দেজ পর্বতমালার এই কম  অক্সিজেনের রাজত্বে খাপ খাওয়ানোর জন্য সমানে কোঁকা পাতা চিবুচ্ছি । পেরুতে  পা দেবার আগেই আমাদের সুহৃদরা বলে দিয়েছিল প্রচুর পরিমাণে কোঁকা পাতায়  ব্যাগ বোঝাই করতে, আর সুযোগ পাওয়া মাত্রই মুখে চালান করতে( তবে কেবল  চিবানোর জন্য, গিলে ফেলার জন্য নয় )। এই পাতার নির্যাস রক্তে হিমোগ্লোবিন  বাড়াতে অতি কার্যকরী, যা এত পাতলা বাতাসে টিকে থাকতে অপরিহার্য। সেই সাথে  যাত্রাবিরতিতে চলছে কোঁকা চা, ইসায়াসতো এক ইনকা গ্রামের শামানের কাছ থেকে  কোঁকা লিকার পর্যন্ত জোগাড় করে আনল, যদিও সেই সোমরস মাথা ব্যাথা তাড়াতে  কোন ভূমিকাই রাখতে পারে নি ! সাধে কি আর ইনকা সাম্রাজ্যে কোঁকা পাতার মূল্য  সোনা- রূপার চেয়ে বেশী ছিল ! অবশ্য উচ্চতাজনিত অসুস্থতার কারণে মাথা  ব্যাথায় এযাত্রা আক্রান্ত হয়েছিল কেবল হুয়ান ভিদাল। যাই হোক, হোটেল  ব্যাগবোঁচকা রেখে প্রথমেই ঠিক করতে যাওয়া হল পরদিনের গন্তব্যে পৌঁছানোর  উপায়- গন্তব্য এই বিশাল হ্রদের মাঝেই!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785181017/" title="386254_10151160448045497_608590496_22754254_1803652209_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="386254_10151160448045497_608590496_22754254_1803652209_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7009/6785181017_4d818007f7.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; হ্যাঁ, এই বিশাল জলসীমার মাঝেই, তবে কেবল নৌবিহার নয়, টিটিকাকার মাঝে  অবস্থিত মানবসৃষ্ট নলখাগড়ার তৈরি কিছু ভাসমান দ্বীপে, যেখানে আদিম  পদ্ধতিতে এখনো বসবাস করে আদিবাসী সম্প্রদায়রা! আমাদের যাত্রাতো কাল ভোরে,  চলুন তার আগে শুনি সেই ভাসমান দ্বীপের কাহিনী-&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785182401/" title="409250_10151162007515497_608590496_22759135_369506899_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="409250_10151162007515497_608590496_22759135_369506899_n" height="500" src="http://farm8.staticflickr.com/7151/6785182401_f5b6ba19a3.jpg" width="333" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; আসলে আমাদের যাত্রা ছিল ইনকাদের প্রাচীন রাজধানী কুজকো থেকে সরাসরি  বিমানে বলিভিয়ার রাজধানী লাপাজ, কিন্তু এই অপূর্ব হ্রদ আর সেই ভাসমান  দ্বীপের অধিবাসীদের একবার চর্মচক্ষে দেখার জন্যই নিস্ফলা মস্তিষ্ক কুবুদ্ধি  জোগাল- কুজকো থেকে ১০টি ঘণ্টা বাসে করে পুনো চলে যাও না বাপু, সেখানে  টিটিকাকা দর্শন সেরে আরো ঘণ্টা ছয়েক গাড়ির চাকায়, না হয় রিকশায় চেপে,  না হয় লামার পিঠে কষ্ট করে বসলেই তো সেই লাপাজই পৌঁছাবে, মাঝখান থেকে এই  তীর্থ দর্শনটাও হয়ে গেল! ব্যস, এই উচাটন কুবুদ্ধি আমরা গিলে ফেললাম  ক্ষুধাক্রান্ত হাঙরের মত, এখন বসে খাবি খাচ্ছি এই বিচ্ছিরি পাতলা বাতাসে!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785181827/" title="404266_10151161830560497_608590496_22758792_197573538_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="404266_10151161830560497_608590496_22758792_197573538_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7023/6785181827_70479cc27b.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায় ৫৮,০০০ বর্গ কিলোমিটারের এই জলক্ষেত্রের উর্বর  তীরে অনেক জাতিরই বসত গড়ে উঠেছিল পেরু এবং বলিভিয়ার ভূখণ্ডে। তার মধ্যে  কিছু গোত্র কোন সময়ই প্রবল প্রতাপশালী ইনকাদের বশ্যতা স্বীকার করে নি, ফলে  প্রায়শই লেগে থাকত সংঘর্ষ , শক্তিশালী ইনকাদের বারংবার আক্রমণে টিকতে না  পেরে এক কার্যকরী বুদ্ধি আবিস্কার করে অন্যান্য রেড ইন্ডিয়ান গোত্র-  জলযান! এরপর থেকে আক্রমণের আভাস পেলেই তারা বিশাল ভেলা বা জাহাজে করে  হ্রদের মাঝে চলে যেত, হানাদার ইনকারা জলসীমায় আক্রমণের ব্যাপারে ছিল চরম  অপটু। কাজেই এক পর্যায়ে কিছু রেড ইন্ডিয়ান গোত্র পাকাপাকি ভাবেই জলের উপর  আক্রমণমুক্ত ভাসমান জীবন বেছে নেই, তাদেরই কিছু বংশধর এখনো সেই জীবনযাপন  করে চলেছে। এই ভাসমান দ্বীপদের বলা হয় উরোস।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785185155/" title="375258_10151166603205497_608590496_22773545_944680256_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="375258_10151166603205497_608590496_22773545_944680256_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7025/6785185155_22ea0e3d9d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; পরদিন সকালে ভুট্টার রুটি আর নানা গাছপাকা ফলের ফলাহার শেষ করেই রওনা  হয়ে গেলাম আগের রাতে ঠিক করে রাখা গাইডের সাথে। হ্রদের কিনারেই আমাদের  জন্য অপেক্ষা করছিল আধুনিক জলযান, সেখানে নানা দেশের নানা জাতির পর্যটকদের  ভিড়। ইঞ্জিন চালু হবার প্রায় সাথে সাথেই শুরু হয়ে গেল গাইডের বিশাল  ফিরিস্তি, কিছু ঐতিহাসিক সত্য, কিছু জনপ্রিয় বিশ্বাস আর কিছু বা মনগড়া!  মিনিট দশেক পরে তার বয়ানের ঠেলা থেকে রেহাই পেতে এবং অপূর্ব এই জলাভূমিকে  উপভোগের আশায় চলে এলাম ছাদের উপরে, খানিকপরেই দেখি যাত্রীদের অধিকাংশই  আমার সঙ্গী!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785187265/" title="417985_10151231981125497_608590496_22999698_1162356532_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="417985_10151231981125497_608590496_22999698_1162356532_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7004/6785187265_66ca98632a.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785186159/" title="395591_10151203481495497_608590496_22903354_1217864634_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="395591_10151203481495497_608590496_22903354_1217864634_n" height="500" src="http://farm8.staticflickr.com/7148/6785186159_2950fae14e.jpg" width="331" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; সে এক অন্য ভুবন, দূর দিগন্তে মিলিয়ে যাচ্ছে লালচে ইটের পুনো শহর,  চারধারে ভিড় বাড়ছে নলখাগড়ার দলের, থেকে থেকেই দেখা মিলছে স্থানীয় রেড  ইন্ডিয়ান কোন বালক বা চওড়া টুপি পরা রমণীর , যারা নিপুন অভিজ্ঞ হাতে নৌকা  চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সেই জলজ উদ্ভিদের দঙ্গলের মাঝেই জীবিকার তাগিদে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785181495/" title="381554_10151161829555497_608590496_22758788_1246533670_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="381554_10151161829555497_608590496_22758788_1246533670_n" height="232" src="http://farm8.staticflickr.com/7018/6785181495_878c70da44.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; পাখির কলকাকলির সাড়া মিলছে সর্বক্ষণই, যাদের কিছু আন্দেজের বুকের বাসিন্দা।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785189705/" title="421626_10151231985100497_608590496_22999733_764864388_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="421626_10151231985100497_608590496_22999733_764864388_n" height="500" src="http://farm8.staticflickr.com/7152/6785189705_fc4fcfd148.jpg" width="426" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785191451/" title="430648_10151231986795497_608590496_22999751_1458098459_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="430648_10151231986795497_608590496_22999751_1458098459_n" height="272" src="http://farm8.staticflickr.com/7029/6785191451_2e65b50021.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785191285/" title="398607_10151231986535497_608590496_22999750_2035279510_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="398607_10151231986535497_608590496_22999750_2035279510_n" height="366" src="http://farm8.staticflickr.com/7153/6785191285_8e93fa2f14.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785191139/" title="403601_10151231986310497_608590496_22999747_267576681_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="403601_10151231986310497_608590496_22999747_267576681_n" height="322" src="http://farm8.staticflickr.com/7164/6785191139_a62ee5a16d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; অবশেষে ঘণ্টাখানেক নলখাগড়ার দঙ্গল পেরোবার পর দূরে কিছু সোনালি কুটিরের  আভাস মিলল, কোন কোন বাড়ি থেকে উঠছে ধোঁয়া, স্বপ্নের মত সাজানো গোছানো  গ্রাম একটি, কিন্তু জলের উপরে!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785187411/" title="424672_10151231981315497_608590496_22999702_913679119_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="424672_10151231981315497_608590496_22999702_913679119_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7002/6785187411_5afaaabfbb.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; কোন কোনটা থেকে ভেসে আসছে রূপকথার ময়ূরকণ্ঠী নাওয়ের মত অপূর্ব কিছু  নৌকা আর প্রতিটি গ্রামের সামনেই রঙ ঝলমলে পোশাক পরে ঐতিহ্যবাহী সাজে  স্থানীয় মহিলারা।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785182077/" title="374342_10151162007010497_608590496_22759134_2093203731_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="374342_10151162007010497_608590496_22759134_2093203731_n" height="281" src="http://farm8.staticflickr.com/7146/6785182077_dfa44307c9.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785182813/" title="395208_10151162771595497_608590496_22762007_1711843491_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="395208_10151162771595497_608590496_22762007_1711843491_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7146/6785182813_18fa028646.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; জানা গেল এখানে প্রায় পঞ্চাশটার মত গ্রাম আছে, প্রতি গ্রামেই আছে একজন  মোড়ল। সেই সাথে এই এলাকার গ্রামের অধিবাসিরা কেচোয়া ভাষায় কথা বলে থাকে,  আবার কোন কোন দ্বীপের বাসিন্দারা কথা বলে আইমারা ভাষায়। এখন পর্যন্ত আমরা  পেরুর জলসীমানায় আছি, টিটিকাকা হ্রদের প্রায় ৬০ % পেরুর অন্তর্গত, বাকি  ৪০ % বলিভিয়ার, সেখানে আবার রেড ইন্ডিয়ানরা স্থায়ী দ্বীপে বসবাস,  চাষাবাদ সবই করে থাকে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785190969/" title="431004_10151231986100497_608590496_22999745_1888839243_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="431004_10151231986100497_608590496_22999745_1888839243_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7154/6785190969_5b1deff63a.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; এমনই এক গ্রামে ভিড়ল আমাদের ইঞ্জিনের নৌকা, খুব সমাদর করে সবার সাথে  হাত মিলিয়ে এক কুঁড়ের সামনে গোল করে বসতে বললেন মোড়ল। তার নিজের ভাষায়  জানালেন তাদের ইতিহাস, প্রাচীন বিশ্বাস, লোকজ সংস্কৃতি, খাদ্যাভাস, যোগাযোগ  ব্যবস্থা নিয়ে, গাইড সেখান থেকে ইংরেজিতে বলে গেল আমাদের জন্য। সেই সাথে  হাতে কলমে আমাদের দেখালেন সেই তোতোরা নামের জাদুর নলখাগড়া, যাকে বিশেষ  পদ্ধতিতে বেশ কয় স্তরে বেঁধে একেবারে শতভাগ জলনিরোধক প্লাটফর্ম তৈরি করা  হয়, এরপরে এমন অসংখ্য ছোট ছোট খণ্ড একত্রে বেঁধে চলনসই আকারের দ্বীপ  নির্মিত হয়। এরপরে আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থা, কুটির স্থাপন ইত্যাদি শেষ হলে  তা সুবিধামত স্থানে নিয়ে গিয়ে নোঙর ফেলে সেখানেই রাখা হয় আপাতত, আবার  কোন সময় যুদ্ধবিগ্রহ দেখা দিলে যেন নোঙর তুলে গোটা দ্বীপ সরিয়ে নিয়ে  যাবার ব্যবস্থা থাকে!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785187909/" title="403088_10151231982375497_608590496_22999711_1265577493_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="403088_10151231982375497_608590496_22999711_1265577493_n" height="248" src="http://farm8.staticflickr.com/7175/6785187909_67de32544d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785189311/" title="427370_10151231983755497_608590496_22999722_1653106051_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="427370_10151231983755497_608590496_22999722_1653106051_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7159/6785189311_db6d5dc61d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785189593/" title="428582_10151231984775497_608590496_22999730_1115858605_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="428582_10151231984775497_608590496_22999730_1115858605_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7026/6785189593_186d5db124.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; সেই সাথে আমাদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে তোতোরা দিয়ে গোঁড়ার দিকটা  অনেকটা ইক্ষুর মত ছিলে খেতে বললেন, খানিকটা পানসে হলেও খাওয়া চলে! আবার এই  নলখাগড়া দিয়ে কপালে ব্যান্ডেজের মত জলপট্টি দেয় স্থানীয়রা জ্বর আসলে,  মানে এর ভেষজ গুণও বর্তমান!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785185951/" title="397293_10151203481240497_608590496_22903351_2113597024_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="397293_10151203481240497_608590496_22903351_2113597024_n" height="331" src="http://farm8.staticflickr.com/7006/6785185951_d336534478.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; প্রতিটি গ্রামের মাঝে একটি করে ফাঁকা জায়গা, সেখানে হ্রদের টলটলে জল  দেখা যায়, এক ধরনের জাল দিয়ে ঘেরা। জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল এই তাদের  জীবন্ত খাদ্য ভাণ্ডার, মাছের আড়ৎ! মানে মাছ ধরে জিইয়ে রাখা হয়, পরে  ইচ্ছে মত রান্না চলে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785183327/" title="401695_10151162772035497_1053118492_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="401695_10151162772035497_1053118492_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7160/6785183327_a2dc5517e8.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; তাদের খাবার হিসেবে কিছু শুকনো মাছ আর পাখির ডিমও দেখা গেল।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785188537/" title="420766_10151231982755497_608590496_22999715_368105228_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="420766_10151231982755497_608590496_22999715_368105228_n" height="490" src="http://farm8.staticflickr.com/7143/6785188537_ced6497bf0.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785186819/" title="405337_10151210791175497_608590496_22928944_802406162_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="405337_10151210791175497_608590496_22928944_802406162_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7159/6785186819_2697d6059a.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; শুনেছিলাম বিশ্বের সবচেয়ে বৃহদাকৃতির মিঠা পানির ব্যাঙ Telmatobius  culeus কেবলমাত্র এই হ্রদেই থাকে, যার চামড়া শরীরের তুলনায় অনেক বড় কারণ  চামড়া দিয়েই তার শ্বাসপ্রশ্বাস চালাতে হয়! কিন্তু তার দেখা মিলল না,  মানুষের লোভের ও বোকামির স্বীকার হয়ে হ্রদে ছাড়া নতুন দ্রুত বর্ধনশীল  মাছেদের দৌরাত্মে সেই অতিবিরল প্লবগ আজ নিজভূমে পরবাসী।&lt;br /&gt;বিখ্যাত নল খাগড়ার নৌকার দেখা মিলল অবশেষে, জানা যায় অন্তত তিন হাজার বছর  ধরেই এমন নৌকার ব্যবস্থা চালু ছিল এই অঞ্চলে, অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে প্রায়  একই ধরনের নৌকার চল ছিল মিশরের নীলনদে, সেগুলো ছিল প্যাপিরাসের তৈরি।  অভিযাত্রী&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/node/41303"&gt;থর হেয়ারডাল&lt;/a&gt;তো  প্যাপিরাসের তৈরি নৌকা ২য়-রা নিয়ে অতলান্তিক মহাসাগর পর্যন্ত পাড়ি  দিলেন তার তত্ত্ব প্রমাণের আশায় যে কুয়াশা ঢাকা অতীতে এই দুই মহাদেশের  নানা সভ্যতার মাঝে যোগাযোগ ঘটেছিল!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785181381/" title="402525_10151160452325497_608590496_22754283_1555645692_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="402525_10151160452325497_608590496_22754283_1555645692_n" height="274" src="http://farm8.staticflickr.com/7172/6785181381_cf3f985801.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785186527/" title="398522_10151210797945497_608590496_22928950_6591258_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="398522_10151210797945497_608590496_22928950_6591258_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7027/6785186527_1eeaf9dda8.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785187637/" title="428670_10151231981505497_608590496_22999703_105440304_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="428670_10151231981505497_608590496_22999703_105440304_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7163/6785187637_f1af1c95ae.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; খানিক পরেই গাইড প্রস্তাব দিল আমরা চাইলে সামান্য অর্থের বিনিময়ে এমন  নৌকায় চেপে মিনিট চল্লিশেক ঘোরাঘুরি করে অন্য দ্বীপে যেতে পারি! এ তো  সোনায় সোহাগা, এমন সুযোগ কি জীবনে ২য়বার আসে!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785183639/" title="400302_10151162772415497_608590496_22762011_1545443020_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="400302_10151162772415497_608590496_22762011_1545443020_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7035/6785183639_18da9a932a.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; তরতর করে নৌকা চলল চকচকে জল চিরে অন্য গ্রামের দিকে। হঠাৎই মনে পড়ল  অনেক পুরনো এক ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকার মলাটে ছবি দেখে ছিলাম এর চেয়ে  ছোট এক নৌকায় একজন রেড ইন্ডিয়ান পুরোহিত একটি জ্যান্ত লামা নিয়ে  চলেছেন! কিন্তু এখানের কোন গ্রামেই তো এমন কোন গৃহপালিত জন্তু চোখে পড়ল  না! এই ব্যাপারে প্রশ্ন করতেই উম্মোচিত হল টিটিকাকার হ্রদের আরেক রহস্য!  বিশেষ বছরে বিশেষ দিনক্ষণ বিচার করে সেই লামার রক্ত নৈবদ্য দেওয়া হত  হ্রদের দেবতাদের, সেই নৌকা করে পুরোহিত পবিত্র এলাকায় যেয়ে বিশেষ ভঙ্গীতে  ছুরি চালাত নিরীহ লামার গলায়, যেন অধিকাংশ রক্তই হ্রদের জলে পড়ে! কিন্তু  সেই লামার মাংস! উত্তরে হে হে করে হেসে চোখ টিপে গাইড জানাল রক্ত দেবতার  কিন্তু মাংস জনগণের, মানে ভুরিভোজের কাজে ব্যবহৃত হয়!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785190305/" title="425211_10151231985490497_608590496_22999739_460003220_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="425211_10151231985490497_608590496_22999739_460003220_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7006/6785190305_01bd839f36.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; অপর গ্রামটিও একটি ধাঁচের, সেখানের মহিলারা কেবলমাত্র তাদের হাতে তৈরি  চমৎকার সব পণ্য সাজিয়ে বসেছেন, রঙধনুর সাত রঙ যেন ঠাই নিয়েছে তাদের পরনের  পোশাকে আর নির্মিত দ্রব্যে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785184323/" title="387388_10151163776260497_608590496_22764813_1215775460_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="387388_10151163776260497_608590496_22764813_1215775460_n" height="287" src="http://farm8.staticflickr.com/7005/6785184323_de0af13f73.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785184675/" title="403821_10151166602810497_608590496_22773544_1700660055_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="403821_10151166602810497_608590496_22773544_1700660055_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7146/6785184675_2e461bdc5b.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785188981/" title="408901_10151231983425497_608590496_22999718_56827908_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="408901_10151231983425497_608590496_22999718_56827908_n" height="361" src="http://farm8.staticflickr.com/7144/6785188981_e6e4f32ca2.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; এইখানেও চোখে পড়ল সৌর বিদ্যুৎ তৈরির ব্যবস্থা! পেরু সরকার নাকি বছর  পনের আগে এই সৌরপ্যানেলগুলী উপহার হিসেবে দিয়েছে। এমনকি এই গ্রামের  সর্দারের ঘরে তো টেলিভিশন পর্যন্ত দেখলাম!&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785185497/" title="390008_10151167157140497_608590496_22775513_1706252935_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="390008_10151167157140497_608590496_22775513_1706252935_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7015/6785185497_592d4b594d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; দুরন্ত স্বাস্থ্যবান শিশুদের চোখে পড়ল সর্বদাই, ওদের দেখিয়ে মোড়ল  দুঃখী দুঃখী গলায় বললেন, আমরাই হয়ত এমন আদি জীবন ধারায় বসবাসরত শেষ  প্রজন্ম, আমাদের শিশুরা চায় ডাঙ্গায় নামতে, শহরবাসী হতে, এই বিশাল  টিটিকাকার বাইরেও যে বিশালতর জগৎ আছে সেটিকে জানতে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785183969/" title="380956_10151163775675497_608590496_22764806_1569151463_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="380956_10151163775675497_608590496_22764806_1569151463_n" height="457" src="http://farm8.staticflickr.com/7016/6785183969_d0e8ff3606.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785184927/" title="409246_10151166602395497_608590496_22773542_115407084_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="409246_10151166602395497_608590496_22773542_115407084_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7142/6785184927_b2546800ab.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785190035/" title="418048_10151231985330497_608590496_22999737_1186731931_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="418048_10151231985330497_608590496_22999737_1186731931_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7006/6785190035_b3e8d66632.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; দেখতে দেখতে বিদায়ের সময় হয়ে এল, আমাদের অবাক করে তিন জন রেড  ইন্ডিয়ান রমণী অদ্ভুত সুরেলা গলায় বিদায় সঙ্গীত শুরু করলেন নাচের তালে  তালে,&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785181237/" title="402413_10151160448690497_608590496_22754263_299704397_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="402413_10151160448690497_608590496_22754263_299704397_n" height="500" src="http://farm8.staticflickr.com/7031/6785181237_f09e3fafea.jpg" width="353" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; মনে পড়ে গেল চাবাগানের গান, একই সুর, যেন একই কথা! প্রকৃতির সন্তানেরা  বুঝি সারা বিশ্বে একই ভাবে চিন্তা করে! ফেরার পথে কানের পর্দায় সারাক্ষণই  বেজে গেলে সেই অপূর্ব সুরলহরী।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://www.flickr.com/photos/28836329@N08/6785190605/" title="405174_10151231985775497_608590496_22999742_907324807_n by onu1, on Flickr"&gt;&lt;img alt="405174_10151231985775497_608590496_22999742_907324807_n" height="333" src="http://farm8.staticflickr.com/7017/6785190605_b9d5bdb93d.jpg" width="500" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; ( সতর্কীকরণ- কয়েকজন ভ্রমণবিদ বন্ধু জানিয়েছেন, রেড ইন্ডিয়ানরা  ইনকাদের কাছ থেকে রক্ষা পাবার জন্য জাহাজ ব্যবহার করত বটে, কিন্তু এই ধরনের  দ্বীপের ব্যবহার ছিল কিনা কেউ বলতে পারে না। তারা জানাল, পেরু সরকার  পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য স্থানীয়দের দ্বারা এই ব্যবস্থা হাতে নিয়ে ছিল  বেশ ক বছর আগে এবং তা প্রচণ্ড ভাবে সফল! যদিও, কাদের দাবী ঠিক তা আমার  জানা নেই )&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-6aSzjCiuSQU/UukHjXwiq4I/AAAAAAAAAog/S79PepQDb9A/s72-c/cms.somewhereinblog.net.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>সাইকেলে পানাম নগরী…….১১১কিমি</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post.html</link><category>ভ্রমন বিলাস</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Tue, 28 Jan 2014 04:13:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-6997151092075547128</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;      &lt;div class="entry"&gt;    &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/guest_writer/49738"&gt;মূল লেখার লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-GFv45tu096U/UueekS9l7NI/AAAAAAAAAgI/Ni5iu0gor3o/s1600/314225_10151044413302742_914293092_n.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/-GFv45tu096U/UueekS9l7NI/AAAAAAAAAgI/Ni5iu0gor3o/s1600/314225_10151044413302742_914293092_n.jpg" height="300" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; জন্মের পর প্রথম দশ বছর কেটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। ৪-৫  বছরে একটা ছোট্ট সাইকেল চালাতাম (পিছনের ২ চাকা ছাড়া) বাসার ছাদে। এরপরে  ভাইয়া আর ভাইয়ার বন্ধুদের সাইকেল চুরি করে আমরা বান্ধবিরা চালিয়ে বেড়াতাম  আর নষ্ট হলে চুপচাপ গিয়ে রেখে দিয়ে আসতাম।&lt;span id="more-5478"&gt;&lt;/span&gt;  নিজের প্রথম সাইকেলটি পাই ৭ কি ৮ বছর বয়সে। তারপর আর থামায় কে। ঐ বয়সে আমরা  ৩ বান্ধবি ‘ক্রস ক্যাম্পাস’ রাইড দিতাম, পূর্ব পাড়া থেকে পশ্চিম পাড়া :P।  ক্যাম্পাসের হেন কোণা নেই যেখানে আমরা যাই নি। ছোটকালের সেই নানা রঙের  দিনগুলি ১২ বছর পরে আবার আমার জীবনে ফিরে এলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং  ক্লাব খোলামাত্র আমি একটি সাইকেল নিয়ে বাসায় চলে এলাম। ভাব টা এমন যে এটা  আমারই সাইকেল। এই হল আমার বড় হবার পরের প্রথম সাইকেল।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh4.googleusercontent.com/-3bt8f-MSSL4/UfDuIUhzbxI/AAAAAAAAAEc/2DUXv72T1-U/w588-h441-no/425723_10151183669769372_1581396467_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;প্রথমদিন বংশাল থেকে চালিয়ে উত্তরা চলে এলাম। এক বড় ভাই সাথে ছিলেন, কোন  সমস্যা হয় নি, বরং বললেন আমি নাকি ভালো চালাই :P। আত্মবিশ্বাস বেড়ে  যাওয়াতে ঠিক তার পরের শুক্রবার-ই ‘বিডিসাইক্লিসট’ এর সাথে ‘বাইক ফ্রাইডে’  যাব ঠিক করলাম। উত্তেজনায় রাতে ঘুম ছাড়াই ভোরে রওনা দিয়ে দিলাম মানিক মিয়া  এভিনিউ এর উদ্দেশ্যে। পথে বমি টমি করে একাকার অবস্থা। সাথে এক ভাই ছিলেন,  বললেন প্রথমেই বেশি দূরত্বে না চালিয়ে উত্তরার মধ্যে চালাতে, তারপর অভ্যাস  হয়ে গেলে দূরে চালাতে। ‘ঢাকা নর্দার্ন সাইক্লিসট(ডিএনসি)’ এর খোঁজ দিয়ে ভাই  চলে গেলেন। আমি ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ফেরত এলাম। ঐদিন যেতে পারলে হয়ত  ডিএনসি এর সাথে চালান হত না, আর আমার জীবনের এই সুন্দর দিনগুলি আসতো না।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh5.googleusercontent.com/-xzZPmuCBF0c/UfDugKwNB7I/AAAAAAAAAE8/y9RuzQeY_cI/w588-h441-no/76846_10151044411427742_159352686_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;শুরু করলাম আমি আবার। ঐ গোলাপি ট্যাঙ্ক নিয়ে ১২-১৫ নাম্বার সেক্টরে কাদা  মাটির মধ্যে চালিয়ে বেড়াতাম। পারতাম না, কিন্তু ডিএনসির কেউ কোনদিন না করে  নি চালাতে। আস্তে আস্তে উত্তরার বাইরে যাওয়া শুরু করলাম ডিএনসির  সাথে-ক্রিটিকাল ম্যাস, ক্যাফে সাইক্লিসটস, এমনকি ইউনিভার্সিটি তেও। তারপর  একদিন রূপগঞ্জ যাওয়ায় একদিনে ৫৬ কিমি চালিয়ে ফেললাম। এরকম পর্যায়ে সবাই বলল  আমার এখন একটা নতুন সাইকেল দরকার (মাউন্তেন বাইক)। যেই কথা সেই কাজ। কিনে  ফেললাম। ঠিক তার ২ দিন পরে পানাম নগরীতে একটা ১০০ কিমি রাইড হবে। ১০০ কিমি  দেয়ার সাহস বা আত্মবিশ্বাস না থাকলেও, যেকোনো জায়গা ঘুরতে যাওয়ার আগ্রহ মনে  হয় মায়ের পেট থেকেই লালন করছি। ঠিক করলাম, ওদের সাথে যাব। যদি বেশি কষ্ট  হয়, তবে ফেরার পথে ট্রাক/পিকাপ এ সাইকেল তুলে দিয়ে চলে আসব।&lt;br /&gt; ২০ জুলাই, ২০১২। সকালে উঠে রওনা দিলাম। আমাকে দেখে অনেকেই অবাক হল, কারণ  আমি যে যাব এটা সিওরলি কাউকে জানাই নি। কিন্তু কেউ কিছু বলল না। রূপগঞ্জের  রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কথা। রূপগঞ্জের রাস্তা অদ্ভুত সুন্দর। মনেই হয়না যে  এটা ঢাকার মধ্যে। সবুজ এর মধ্যে দিয়ে চিকন রাস্তা, মাঝে মাঝে পানি, অল্প  কিছু বাড়িঘর। যেতে যেতে যখন মজা পেয়ে গেছি, সামনের ওদের অনুসরণ করছি, এমন  সময় ঘটল একটা ঘটনা। ইছাপুর ব্রিজ থেকে নামবার সময় কিছু বুঝে উঠার আগেই  উল্টে পড়লাম রাস্তার মাঝখানে। পরে বুঝেছিলাম, পিছনের চাকার ব্রেক লুজ ছিল,  নামবার সময় দুটো ব্রেক একসাথে চাপাতে, সামনের টা আগে ধরায় সাইকেল উল্টে  গিয়েছে। ঐ মুহূর্তে এতকিছু বুঝার মানসিকতা আমার ছিল না। চিবুকে এতই বেথা  পেয়েছিয়ালাম যে মনে হচ্ছিল বোধয় দাঁত ভেঙেছে। কনুই এর একটু ছড়ে গিয়েছিল।  এক্সিডেন্ট এর জায়গাতেই একটি নাস্তার দোকান ছিল। সেখানে বসে নাস্তা সারলাম  আর হাতে মুখে পানি দিয়ে নিলাম। চিবুক ততক্ষণে গোল আলু হয়ে গিয়েছে। এতকিছুর  পরও আমার একটা কথাই মনে হচ্ছিল- “ওরা নিশ্চই এখন আমাকে ফেরত পাঠিয়ে দেবে”।  আমাকে অবাক করে দিয়ে একজন বলে উঠলেন, দরকার হলে ১০কিমি/ঘণ্টা গতিতে যাওয়া  হবে, তাও সবাই একসাথে যাবে। কিভাবে উনাকে ধন্যবাদ দিব বুঝতে পারছিলাম না।  এক্সিডেন্ট করেছি যেখানে সেটা বড়জোর ২০ কিমি হবে বাসা থেকে। মানে আরও ৮০  কিমি বাকি। আমি ততক্ষণে ধরেই নিয়েছি, এই যাত্রায় সেঞ্চুরি হচ্ছে না। প্রথম  প্রথম বেশ কষ্ট হচ্ছিল চালাতে। কিছুক্ষনের মধ্যে ভুলে গেলাম। প্রকৃতির তৈরি  শরীরের ব্যথা বোধয় প্রকৃতি-ই তার সৌন্দর্য দিয়ে ভুলিয়ে দেয়।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh3.googleusercontent.com/-_rknjWjJILk/UfDuufw0SVI/AAAAAAAAAFE/RUC-AkJeGX8/w702-h434-no/616417_420118591373260_2089218656_o.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেরি পার করার পর সকাল ১০টার মধ্যে পোঁউছালাম মুরাপারা  জমিদার বাড়িতে। কিছু ফটোসেশন করে আবার রওনা দিলাম গন্তব্যের দিকে। কিছু পথ  ভুল করার পর প্রথমে সোনারগাঁও জাদুঘরে গেলাম। জাদুঘর ঘুরবার পর পানাম  নগরী। পানাম নগরী পৌঁছেছি ঠিকই , কিন্তু ততক্ষণে বোধয় আমি আধমরা। ততক্ষনে  রোদ ও বেশ ভালমত আমাদের আতিথেয়তা করছিল। আর আমার হাতের ব্যাথাটা তখন মাথা  চাড়া দিয়ে উঠছিল। ২হাত দিয়ে ধরে চালাতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল। এবার ফেরত যাব।  তখন আর আমার মাথায় ট্রাক/পিকাপের চিন্তা আসে নি। এসেছি যখন পুরোটা শেষ করেই  যাব।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh4.googleusercontent.com/-1Wa6_pYFdPA/UfDu2yRz_oI/AAAAAAAAAFM/xxESbvrBi68/w588-h441-no/402899_10151044411662742_1244462657_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;ফেরার পথে ঠিক হল কিছুটা পথ মেইন রোড দিয়ে যাওয়া হবে। রওনা দেয়ার  কিছুক্ষনের মধ্যেই চোখে পড়ল, বাংলার তাজমহল ২ কিমি। যদিও এই জিনিষটার প্রতি  কোন আগ্রহ আমার কখনোই ছিল না, তাও মনে হল, ২ কিমি এর জন্য ফেলে যাব? যারা  যেতে চাচ্ছিল না, তাদের কাছে কয়েক মিনিট এর অনুমতি নিয়ে আমরা ৩ জন গেলাম  বাংলার তাজমহল দেখতে।দেখা শেষ করে ফিরে আসলাম অন্যরা যেখানে অপেক্ষা করছিল।  এবার সবচে কঠিন কাজ। একই পথে ফিরে যাওয়া কিন্তু রোদের মধ্যে। আমাদেরকে  শান্ত করার জন্য এক বন্ধু একটা শর্টকাট এর কথা বলল। সেই শর্টকাট ছিল বালির  রাস্তা, কোন গাছ ছাড়া, সরাসরি সূর্যের নিচে, প্রায় ১০ কিমির মত। ৯০কিমি  চালানর পরে, দুপুর ২টায় সরাসরি সূর্যের নিচে চালাতে যতখানি আনন্দ লাগা  সম্ভব, ততখানি-ই লাগছিলো। ৯৫ কিমি চালানর পর বোধয় আমি বলেও ছিলাম যে আমি আর  পারছি না। “পারবি পারবি পারবি” শুনতে শুনতে আর ৫কিমি চালিয়েছিলাম।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh6.googleusercontent.com/--olEsXiehFc/UfDuZtfEOKI/AAAAAAAAAE0/RPsEraY83bY/w588-h441-no/9684_10151183694069372_954915579_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;এটা কোন ত্রায়াথলন না। কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল, সামনে একটা ফিতা, সেটা  পার হবামাত্র যদি মানুষজন ছুটে আসত, মন্দ হত না :P। যখন ১০০ কিমি শেষ  করলাম, তখন পিঙ্ক সিটি এর কাছাকাছি। লেকের সামনে বসে আমরা যখন মনে মনে  আমাদের এই ক্ষুদ্র বিজয় সেলিব্রেট করছিলাম, তখন আমি ভাবছিলাম, যারা রেগুলার  চালায়, আর যারা চালায়ই না, তাদের কাছে এটা কিছুই না। কিন্তু আমার জন্য  অনেক বেশি বড় একটা পাওয়া। সকালে একটা এক্সিডেন্ট করার পরও আমি পেরেছি শেষ  করতে। এতক্ষন আসলে এক্সিডেন্ট এর কথা মাথায়ই ছিল না, এখন মনে হল ড্রেসিং  করা দরকার।&lt;br /&gt; উত্তরা আসবার পর ডিএনসির বাকিরা অভ্যর্থনা জানালো আর আমার অবস্থা দেখে বলল তাড়াতাড়ি বাসায় যাও &lt;img alt="খাইছে" src="http://cdn4.sachalayatan.com/files/smileys/10.gif" title="খাইছে" /&gt;.  বাসায় ফিরে দেখলাম, ১১১ কিমি চালিয়েছি ঐ দিনে। এক্সিডেন্ট, সাইকেল, এসব  কারণে অনেক বকা খেয়েছি। আবার ১০০ কিমি দেয়ার জন্যে ডিএনসির কাছে মেডেল ও  পেয়েছি :P। কিন্তু দিনের শেষে, আসল কথা হল নিজেকে নিজের কাছে প্রতিষ্ঠিত  করা। আশপাশের সবার কাছ থেকে অনেক সাহায্য পেয়ে, ঐ যাত্রায় এই কাজ টুকু  অন্তত ভালোই করেছিলাম ঃ)&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="266" src="https://lh5.googleusercontent.com/-HGdDfZ1_LKI/UfDuVwuMOYI/AAAAAAAAAEs/-deVLJ2Xr-M/w588-h441-no/577943_10151183668914372_1166712772_n.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-GFv45tu096U/UueekS9l7NI/AAAAAAAAAgI/Ni5iu0gor3o/s72-c/314225_10151044413302742_914293092_n.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বাংলার আকাশ যিনি প্রথম করলেন জয় – জেনি ভ্যান তাসেল</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_27.html</link><category>প্রতিবেদন</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 27 Jan 2014 20:17:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-2551039678076412986</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-rQclGLWkBmQ/UucvMxrfnSI/AAAAAAAAAfk/IHOklmpWCJo/s1600/jennyvt11.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/-rQclGLWkBmQ/UucvMxrfnSI/AAAAAAAAAfk/IHOklmpWCJo/s1600/jennyvt11.jpg" height="400" width="262" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;১৮৯২ সালের মার্চ মাস, ঢাকা শহর। বেশ কিছুদিন ধরেই কানাঘুষায় শোনা  যাচ্ছিল যে একজন ইউরোপিয় রমনী বেলুনে চড়ে সশরীরে আকাশে উড়ে দেখাবেন। ঢাউশ  সাইজের গ্যাস বেলুনে চড়ে আকাশে চরে বেড়ানো সে সময় ইউরোপ আমেরিকায় শুরু হলেও  ভারতীয় উপমহাদেশে সেটা তখনো অনেকটাই অভাবনীয়। সে আমলে টিভি ইন্টারনেটও ছিল  না যে স্বচক্ষে দেখতে না পেলেও লোকে দূরদর্শনের মাধ্যমে হলেও দেখতে পারে।  কাজেই আন্দাজ করা যায় আকাশে সশরীরে মানুষ ওড়ার লাইভ প্রদর্শনী সেকালে কি  পরিমান আগ্রহ/উদ্দীপনা জনমনে তৈরী করেছিল।&lt;span id="more-5913"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইউরোপ থেকে আগত (নানান সূত্রে ইউরোপ থেকে আগত লেখা হলেও আসলে তারা  মার্কিন মূলুক থেকে আগত ছিলেন) বেলুন শিল্পীর খাই খরচা যে সে হবে না জানা  কথা। সে খরচ মেটানোর ক্ষমতা ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহ ছাড়া আর কারই বা থাকতে  পারে? আমোদপ্রিয় নবাব পরিবার সে সময় এ জাতীয় নানান কাজকারবারের আয়োজন করে  ঢাকাবাসীকে ব্যাপক বিনোদন দিতেন। ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবাব আহসানউল্লাহ  মার্কিনী বেলুন কোম্পানীর মালিক ভ্যান তাসেলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন  শুধুমাত্র এক বিকেল বেলুন প্রদর্শনীর জন্য। অবশেষে চুক্তি চুড়ান্ত হবার পর  টানা কয়েকদিন ঢোল পিটিয়ে নগরবাসীকে সেই আশ্চর্য তামাশা দেখার জন্য  নিমন্ত্রন জানানো হল। দিন ধার্য করা হল ১৭ই মার্চ (তারিখ নিয়ে কিছুটা  বিভ্রান্তি আছে, ১৩-১৭ এর যে কোন একদিন)।&lt;br /&gt; সেই আশ্চর্য দিনটির বিস্তারিত বিবরন পাওয়া যায় সিলেটের মরমী কবি হাছন  রাজার নাতি গণিউর রাজার ঢাকা ভ্রমন কাহিনীতে। সেখান থেকেই মূল অংশ সংগ্রহ  করেছেন ঢাকা শহরের ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষনা করা অধ্যাপক মুনতাসীর  মামুন।&lt;br /&gt; ১৩ই (কিংবা ভিন্ন সূত্রে ১৬ই) মার্চ বিকেল বেলা। পুরো শহর ভাংগা জনতা  বুড়িগংগা পাড়ে নবাব বাড়ির আশপাশে ভরে ফেলেছে, অতি উতসাহী বহুজন নৌকা করে  মাঝ নদীতে চলে গেছে। নবাব আহসানউল্লাহ ছাদের ওপর আসন গ্রহন করেছেন। একজন  দীর্ঘকায় শ্বেতাংগ যুবককে (খুব সম্ভবত বেলুন কোম্পানীর মালিক পার্ক ভ্যান  তাসেল কিংবা ম্যানেজার কলভিনও হতে পারেন) দেখা গেল নবাবের সামনে উপস্থিত  হয়ে কেতারদূরস্থ সালাম জানিয়ে হ্যান্ডশেক করতে। সাথে আরো দেখা গেল ৫০/৫৫  এবং ১৫/১৬ বছরের দুজন শ্বেতাংগিনী মহিলাকে। নবাবের সাথে তাদের প্রায় আধা  ঘন্টা খানেক আলাপ হল। সে আলাপের বিষয়বস্তু জানা গেল তারা নীচে নেমে আসার  পর। জনতার শিক্ষিত দু’চার জন যারা ইংরেজী জানতেন তারা বেলুনওয়ালাদের সাথে  আলাপ করে জানতে পারলেন যে নবাব তাদেরকে নদীর দক্ষিন পাড় হতে উত্তরমূখী উড়ে  (বর্তমানের জিঞ্জিরা) নবাব বাড়ির ছাদে অবতরনের নির্দেশ দিয়েছেন। ছাদে  অবতরনের কারন নবাব বাড়ির পর্দা নশীন মহিলাদেরও এই আশ্চর্য বাজিকরি থেকে  বঞ্চিত না করা।&lt;br /&gt; বেলুন প্রদর্শনী পপার্ক ভ্যান তাসেলের পারিবারিক ব্যাবসা। গত বছর দশেক  যাবতই তিনি আমেরিকার নানান স্থান সহ বিশ্বের নানান যায়গায় বেলুন প্রদর্শনী  করে আসছেন। বেলুন প্রদর্শনী খুব কমই অঘটনের মধ্যে পার করতে পেরেছেন, বহুবার  তার জীবন সংশয় ঘটেছে, সেই ১৮৯২ সালের নিউ মেক্সিকোর উদবোধনী প্রদর্শনী  থেকেই। সম্প্রতি তিনি পরিনয়সূত্রে আবদ্ধ হয়েছেন তারই মতন আরেক এডভেঞ্চার  প্রিয় মহিলা জেনেট (জেনি) রামেরি ভ্যান তাসেলের সংগে। মধ্য বয়সী  শ্বেতাংগিনী মহিলা সম্ভবত জেনেটের মা। এই মহিলাই হয়ে উঠেছেন বর্তমানে বেলুন  চড়া দলের মূল আকর্ষন। গণিউর রাজার ভ্রমন কাহিনীতে খুব সম্ভবত জেনেট বা  জেনিকেই বর্নিত হয়েছে পার্ক ভ্যান তাসেলের ভগ্নি হিসেবে। আদতে তখন জেনির  বয়স ১৫/১৬ নয়, ২৪। ঢাকা আসার আগে তারা সুদুর অষ্ট্রেলিয়াবাসীদের মাতিয়ে  এসেছেন বেলুন প্রদর্শনী দেখিয়ে। ঢাকা থেকে যাবেন ভারতের কর্পূরথেলায়।&lt;br /&gt; দিনটি বেলুনে চড়ার জন্য ঠিক আদর্শ বলতে যা বোঝায় তা নয়। বেজায় বাতাস  দিচ্ছে দক্ষিন দিক থেকে। ভ্যান তাসেল তাই নবাবকে বলেছেন যে এমন জোর বাতাসে  তারা ঠিক নবাব বাড়ির ছাদেই নামতে পারবেন এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।  আমোদপ্রিয় নবাব ছাড়ার পাত্র নন, তিনি আরো অতিরিক্ত সাড়ে চার হাজার টাকার  লোভ দেখালেন। পার্ক ভ্যান তাসেলের অনীহা সত্ত্বেও জেনেট ভ্যান তাসেল অবশেষে  পাঁচ হাজার বিনিময়ে সেই বিপদজনক খেলা দেখাতে রাজী হয়ে গেলেন। দ্রুত সংবাদ  চাউর হয়ে গেল, জনতা ছুটে চলল বুড়িগংগার দক্ষিন পাড়ে।&lt;br /&gt; এরপর বেশ কিছুক্ষন নদীর দক্ষিন পাড়ে চলল বেলুন ফোলানোর বিশাল এন্তেজাম।  খুব সম্ভবত সেটি হাইড্রোজেন বেলুন ছিল না, গণিউর রাজার বর্ননায় দেখা যায় যে  কেরোসিন ব্যাবহার করে লাকড়ি জ্বালিয়ে বেলুনে ধোঁয়া ভরা হয়েছিল। দেখতে  দেখতে খূটায় গাড়া বেলুন ফুলে উঠতে লাগলো, বিস্মিত ঢাকাবাসীর চোখের সামনেই  রাবার নির্মিত সেই অত্যাশ্চর্য বেলুন হয়ে উঠল বিশাল থেকে বিশালকায়।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://mukto-mona.com/bangla_blog/?attachment_id=39359" rel="attachment wp-att-39359"&gt;&lt;img alt="" height="260" src="http://mukto-mona.com/bangla_blog/wp-content/uploads/2014/01/Ballon2-300x195.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; সেই বেলুন ফোলানার একমাত্র ফটোগ্রাফ- (শামীম আমিনুর রহমানের বই হতে নেওয়া)।&lt;br /&gt; হঠাত বন্দুকের আওয়াজের মত একটি বিকট শব্দের সাথে সাথে বেলুনের দড়ি কেটে  দেওয়া হল, জনতার ব্যাপক হর্ষধ্বনির সাথে শুরু হল বেলুনের উর্ধ্বমূখী  যাত্রা, রাবারের আঁটসাট প্যান্ট এবং গেঞ্জি পরা জেনি মোক্ষম সময়ে সার্কাসের  দক্ষ বাজিকরের মতই লাফিয়ে বেলুনের নীচে বাঁধা ছোট কাঠের পাটাতনে চড়ে  বসলেন। বেলুন দেখতে দেখতেই বহু ওপরে উঠে গেল, গনিউর রাজার ভাষায় সাধারনত যে  উচ্চতায় চিল শকুন দেখা যায় তারও ওপরে উঠে গেল, ধেয়ে চলল উর্ধ্বমূখী  বাতাসের সাথে সাথে উত্তর দিকেই। (অন্য সূত্রানুযায়ী যতটা জানা যায় মোটামুটি  ৬০০০ ফুট মত উচ্চতা)।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt; প্রথম বাংলার আকাশ জয়ী জেনি ভ্যান তাসেল&lt;br /&gt; কিন্তু বিপত্তি অবশেষে এড়ানো গেল না। তীব্র উত্তরমূখী বাতাসের কারনে  পরিকল্পনা মাফিক বেলুনের উচ্চতা কমিয়ে নবাব বাড়ির ছাদে অবতরন করার আগেই  বেলুন ভেসে চলল বাতাসের সাথে। জেনি প্যারাসুট খুলে অসম সাহসের সাথে ঝাঁপিয়ে  পড়লেন নবাব বাড়ির ছাদ উদ্দেশ্য করে; কাজটি তার জন্য খুব একটা কঠিন কিছু  নয়, প্যারাসুটিং এ পার্ক এবং তিনি দুজনেই দক্ষ। কিন্তু বাতাসের কারনে  হিসেবে গেল গোলমাল হয়ে, প্যারাসুট জেনিকে নিয়ে ভেসে চললে আরো উত্তর পানে।  নীচে ছুটে চলল জনতা। অবশেষে নবাব বাড়ি ফেলে আরো মাইল তিনেক উত্তরে জেনি  একটি উঁচু গাছের ডগায় অবতরন করতে সমর্থন হলেন। যতদুর মনে হয় স্থানটি আজকের  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কোন যায়গা হবে, জনমানবহীন স্থানটি সে সময়  ছিল নবাব পরিবারের জংগলময় বাগান।&lt;br /&gt; উদ্ধারকারী দলে সকলের আগে পৌঁছে গেল একজন গোরা পুলিশ অফিসার, সাথে ক’জন  স্থানীয় পুলিশ। সেই গোরা অফিসারের তক্ত্বাবধনে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হল।  আনা হল একটি লম্বা বাঁশ, গাছের ভেতর দিয়ে সে বাঁশ পৌঁছে দেওয়া হল জেনির  কাছে। গোরা অফিসার তাকে আহবান জানাতে থাকলো সে বাঁশ ধরে ঝুলে নেমে পড়তে।  কিন্তু জেনি ভয় পাচ্ছিলেন সেই বাঁশ ধরে নেমে আসতে। কিন্তু পুলিশের অব্যাহত  আহবানে তিনি অনন্যপায় হয়ে অবশেষে সেই বাঁশ ধরেই নেমে আসা শুরু করলেন। অঘটন  ঘটে গেল মাঝপথে, সেই বাঁশে জেনির ভার বহন করতে না পেরে দু’টুকরো হয়ে ভেঙ্গে  গেল, জেনি পড়ে গেলেন সোজা নীচের অরক্ষিত ভূমিতে, মাথায় তীব্র চোট পেয়ে আহত  হলেন গুরুতর। আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিতসাধীন থাকার পর অবশেষে তিনি ১৮ই  মার্চ প্রানত্যাগ করেন। এই দূঃসাহসী মহিলার কবর আজো আছে নারিন্দার পুরনো  খ্রীষ্টান গোরস্থানে।&lt;br /&gt; &lt;a href="http://mukto-mona.com/bangla_blog/?attachment_id=39360" rel="attachment wp-att-39360"&gt;&lt;img alt="" height="249" src="http://mukto-mona.com/bangla_blog/wp-content/uploads/2014/01/Death-_Registrar2-300x187.jpg" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; নারিন্দার গীর্জায় রক্ষিত ডেথ রেজিষ্টারে জেনির নাম – (শামীম আমিনুর রহমানের বই হতে নেওয়া)&lt;br /&gt; গণিউর রেজার কাহিনী থেকে জানা যায় যে জেনেটের মা এবং পার্ক পুলিশের নামে  মামলা রুজু করতে মনস্থ করেছিলেন, সম্ভবত নবাব আহসানউল্লাহই দু’পক্ষের  মধ্যে কিছু অর্থ ক্ষতিপূরনের মাধ্যমে মিটমাট করে দেন।&lt;br /&gt; আকাশে উড়ে বেড়ানো এই বিজ্ঞানের যুগেও হেলাফেলার নয়, বেশী বীরোচিত একটি  ভাব এর মাঝে আছে। ঢাকার আকাশজয় প্রথম ঘটেছিল একজন মহিলার দ্বারা ভাবতেই  অবাকই হতে হয়। নিজ জন্মভূমি থেকে আধা পৃথিবী দূরে সুদূর ঢাকায় যখন আহত হয়ে  মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তখন জেনির মনে কি ভাব এসেছিল তা আজ আর জানার  কোন উপায় নেই। এই অনন্য সাধারন ঘটনা সে সময় দুনিয়াময় পত্রপত্রিকার খবর হলেও  দ্রুতই চলে যায় আড়ালে। মুনতাসীর মামুনের বই না পড়লে আমি নিজেও কোনদিন  জানতাম না বাংলার আকাশজয়ী প্রথম এই দূঃসাহসী মহিলার কথা।&lt;br /&gt; এই কাহিনীর ওপর স্থপতি ও গবেষক শামীম আমিনুর রহমান বছর খানেক খেটে  “ঢাকার প্রথম আকাশচারী ভানতাসেল” নামে একটি বই লিখেন, সেখান থেকে দুটি ছবি  নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt; মূল সূত্রঃ&lt;br /&gt; ১। ঢাকা সমগ্র ৫ – মুনতাসীর মামুন।&lt;br /&gt;২। &lt;a href="http://whenwordsmatter.typepad.com/before_their_time/2012/08/this-story-begins-in-albuquerque-nm-in-1882-and-ends-half-a-world-away-in-the-bengalese-capital-of-dhaka-now-the-capita.html"&gt;Van Tassel family ballooning legacy ends in tragedy&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-rQclGLWkBmQ/UucvMxrfnSI/AAAAAAAAAfk/IHOklmpWCJo/s72-c/jennyvt11.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>মৃত্যুঞ্জয়ী নেতাজি : বাঙালির রক্তকথা</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_95.html</link><category>জীবনী ও মণিষীদের কথা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 27 Jan 2014 20:14:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-7925105334024491622</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;জীবন মানেই যুদ্ধ, জয় কর। জীবন মানেই মানবতা, মানবিক হও।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-M37qQS7t1UA/Uujp12JPNZI/AAAAAAAAAlE/6nmEonN3a2Q/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/-M37qQS7t1UA/Uujp12JPNZI/AAAAAAAAAlE/6nmEonN3a2Q/s1600/cms.somewhereinblog.net.jpg" height="300" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রেসিডেন্সি কলেজের বার্ষিক উৎসব। সভাপতি হয়েছেন ইতিহাসের অধ্যাপক ইএফ  ওটেন। কয়েকজন ছাত্র উদ্বোধন সংগীত গাইতে শুরু করল- বঙ্গ আমার জননী আমার  ধাত্রী আমার দেশ। ইংরেজ সাহেবের সেই গান সহ্য হল না। বক্তৃতা দেওয়ার সময়  রাগ ফেটে পড়লো। বললেন, ইউ বেঙ্গলিজ আর বার্বেরিয়ানস। ছাত্ররা সব সভা  ছেড়ে চলে গেল।&lt;span id="more-5922"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উত্তেজিত হয়ে উঠল সব ছাত্ররা। সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সুভাষচন্দ্র  বসু। তিনি বললেন, ওটেন সাহেব শুধু ছাত্রদের নয়, বাঙালি জাতকে অপমান করেছে।  এর প্রতিশোধ নিতেই হবে।&lt;br /&gt;সুভাষের পরামর্শে কলেজের গেটে পরদিন থেকে পিকেটিং শুরু। কোনো ছাত্রকে  কলেজে ঢুকতে দেওয়া হলো না। প্রিন্সিপাল এইচআর জেমস ডেকে পাঠালেন ছাত্রদের  দলপতিকে। সুভাষ গিয়ে দেখেন ওটেন সেখানে উপস্থিত। প্রিন্সিপাল আগেরকার  দিনের ঘটনাটি শুনেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ওটেন সাহেবের ঐ মন্তব্য করা  উচিত হয়নি। তিনি ওটেনকে এজন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে বললেন ছাত্রদের কাছে।  কিন্তু উদ্ধত ওটেন ক্ষমা প্রার্থনা করলেন না, দুঃখ প্রকাশ করলেন। ধর্মঘট  মিটে গেল।&lt;br /&gt;ওটেনের কিন্তু মনের রাগ কমেনি। বরং ছাত্রদের কাছে দুঃখ প্রকাশেও তিনি  নিজের পক্ষে অবমাননার ব্যাপার মনে করতে লাগলেন। সেই ক্ষোভ ধীরে ধীরে তার  মনে সঞ্চিত হতে লাগলো। একদিন সামান্য এক অজুহাতে এক ছাত্রকে তিনি ঘুষি  মারলেন।&lt;br /&gt;সহপাঠির উপর এ আঘাতকে নিজের ওপর আঘাতের সামিল মনে করলেন সুভাষ। তিনি  একদিন ক্লাসে ঢুকবার মুখে সিঁড়ির ওপর ওটেন সাহেবকে ঘুষি মেরে বসলেন। এরপর  ফল হল খুবই মারাত্মক। বিদ্রোহী ছাত্রদের নেতা হিসেবে সুভাষচন্দ্রের উপর  সমস্ত দোষ চাপিয়ে দেওয়া হলো। কলেজের অধ্যক্ষ সুভাষকে ডেকে বললেন- সুভাষ,  কলেজের মধ্যে তুমি সবচেয়ে দুর্দান্ত ছেলে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে তোমাকে  কলেজ থেকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হলাম।&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;পিতা জানকীনাথ বসু ছিলেন কটকের একজন খ্যাতনামা উকিল। সেখানেই ২৩ জানুয়ারি,  ১৮৯৭ সালে সুভাষচন্দ্রের জন্ম। কটক থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করে তিনি  কলকাতায় চলে যান পড়াশোনা করতে। জানকীনাথ প্রচুর অর্থোপার্জন করতেন।  অর্থব্যয়ে তার কোনো কার্পণ্য ছিল না। কাজেই জানকীনাথের পরিবারবর্গের মধ্যে  পুরোমাত্রায় সাবেীয়ানা বজায় ছিল। কিন্তু শৈশব থেকেই সুভাষচন্দ্রের  বিদেশি চালচলনের দিকে ছিল বিতৃষ্ণা । বাড়ির অন্যান্য ছেলেরা সাহেবী পোশাক  পরে স্কুলে-কলেজে যেত। কিন্তু সুভাষচন্দ্র পরতেন বাঙালির পোশাক- জামা ও  ধুতি। তিনি বলতেন, আমরা বাঙালি, জাতীয় পোশাকই তো আমাদের গৌরব।&lt;br /&gt;প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হবার পর দু’বছর সুভাষচন্দ্রকে বসে  থাকতে হলো। তারপর গেলেন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের কাছে। আশুতোষ তখন তাকে  স্কুটিশ চার্চ কলেজে পড়বার ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই কলেজ থেকেই কৃতিত্বের  সঙ্গে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন সুভাষচন্দ্র।&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;১৯১১ সালের ১১ আগস্ট ছিল কিশোর বিপ্লবী ক্ষুদিরামের ফাঁসির দ্বিতীয়  বার্ষিক দিবস। সুভাষের নেতৃত্বে কলেজিয়েট স্কুলের সব ছাত্র সেদিন উপবাস  করে পালন করল সেই পূণ্য দিনের স্মৃতি।&lt;br /&gt;কটকের সেই কলেজিয়েট স্কুল থেকেই প্রবেশিকা পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যায়ের  সকল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার গৌরব লাভ করেছিলেন  সুভাষচন্দ্র। কলকাতার স্কুটিশ চার্চ কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার  পর পিতা জানকীনাথ সুভাষচন্দ্রকে আইসিএস পড়বার জন্য বিলেতে পাঠালেন। তার  আকাঙ্ক্ষা, ছেলে আইসিএস হয়ে বড় সরকারি চাকরি হবে। বিলেতে মাত্র আট মাস  অধ্যায়ন করে মেধাবী সুভাষচন্দ্র আইসিএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার  করলেন। আরও কৃতিত্বের ব্যাপার, সমস্ত ইংরেজ ছাত্রদের পেছনে ফেলে ইংরেজিতে  তিনি অধিকার করলেন প্রথম স্থান।&lt;br /&gt;৪.&lt;br /&gt;এই সময়ে ভারতের রাজনীতির ক্ষেত্রে মহাত্মা গান্ধীর আর্বিভাব ঘটেছে। তার  নেতৃত্বে জেগে উঠেছে সারা ভারত। পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচন করার জন্য দিকে দিকে  শুরু হয়েছে প্রবল আন্দোলন। সুভাষচন্দ্র বিলেত থেকে ফিরে ভারতের মাটিতে পা  দিয়েই সোজা গান্ধীজীর কাছে গিয়ে দাড়ালেন। প্রবীণ ও নবীন দুই যুগনায়কের  হল মিলন। দু’জনের মধ্যে অনেক আলোচনা হল। সুভাষচন্দ্র গান্ধীজীর কথায়  সন্তুষ্ট হতে পারলেন না। তখন গান্ধীজী বললেন, সুভাষ তুমি অবিলম্বে বাংলায়  গিয়ে দেশবন্ধুর সঙ্গে দেখা করো। দেশবন্ধুই তোমার যোগ্যতম গুরু।&lt;br /&gt;সুভাষচন্দ্র কলকাতায় এসে দেশবন্ধুর সঙ্গে দেখা করলেন। সুভাষচন্দ্র কথা  শুনে ও তার মনের দৃঢ়তার পরিচয় পেয়ে খুবই খুশী হলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন।  বললেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য এতদিন আমি তোমারই মত একজন সেনাপতির খোঁজ  করছিলাম।&lt;br /&gt;লোকের মুখে মুখে তখন দেশবন্ধু ও সুভাষচন্দ্রের নাম। ইংরেজ সরকার দুজনকেই  গ্রেপ্তার করল। বিচারে হল দু’জনের ছয় মাস কারাদণ্ড। একই কারাগারের  বিভিন্ন কক্ষে বন্দী রইলেন দুই নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক। দু’জনের যখন কারাগার  থেকে বেরিয়ে এলেন তখন বাংলাদেশের নানা অঞ্চল বন্যায় ভেসে গিয়েছে।  অধিবাসীদের দুঃখ দুর্দশার অন্ত নেই। আশ্রয় নেই, খাদ্য নেই বন্যায়  আক্রান্ত মানুষদের। শিশু ও নারীদের অবস্থাটাই সবচেয়ে ভয়াবহ। আচার্য  প্রফুল চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে একটি সাহায্য সমিতি গঠিত হল। চিত্তরঞ্জন  সুভাষকে বললেন প্রফুলচন্দ্রের সহযোগী হয়ে বন্যাত্রাণে এগিয়ে যাবার জন্য।  সুভাষচন্দ্র স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ করে ঘুরে ঘুরে অর্থ, বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রী  সংগ্রহ করলেন। তারপর ছুটে গেলেন ভেসে যাওয়া দুর্গত এলাকায়।&lt;br /&gt;৫.&lt;br /&gt;১৯২৫ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের জীবনাবসান ঘটল। দুঃখের বিষয় সুভাষচন্দ্র  সেই সময়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন। ১৯৪২ সালের ২৫ অক্টোবর বেঙ্গল  অর্ডিন্যান্স আইন অনুসারে তাকে বিনা বিচারে আটক করা হয়েছিল। তার জীবনের  উপদেষ্টার মৃত্যুতে সুভাষচন্দ্র যেমন দুঃখের অভিভূত হলেন, তেমনি তার উপর  কাজের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। স্বরাজ্যদল পরিচালনার ভার পড়ল তার হাতে।  তাছাড়াও বঙ্গীয় প্রাদেশিক রাষ্ট্রীয় সমিতি, দাক্ষিণ কলকাতা সেবক সমিতি ও  ইয়ং বেঙ্গল পার্টির পরিচালনার কাজ তাকেই করতে হত। ইংরেজি ‘ফরোয়ার্ড’ এবং  বাংলা ভাষায় প্রকাশিত ‘বাংলার কথা’ পত্রিকারো তিনি সম্পাদনা করতেন।&lt;br /&gt;‘বাংলার কথা’ এবং ‘ফরোয়ার্ড’ পত্রিকার ভিতর দিয়ে তিনি যা মতবাদ প্রচার  করতেন তাতে দেশবাসীর মনে প্রবল অনুপ্রেরণা জেগে উঠতে লাগল। কর্মবীর  সুভাষের অসাধারণ কর্মশক্তি এবং সংগঠনশক্তি প্রত্যক্ষ করে ইংরেজ সরকার  সন্ত্রস্ত হয়ে উঠল। কারাগারে বন্দী অবস্থায়ও তিনি তার কর্মনির্দেশ তার  দলের লোকদের কাছে পাঠাতেন।&lt;br /&gt;বাংলাদেশে রাখা নিরাপদ নয় মনে হয় মনে করে সুভাষকে পাঠিয়ে দেওয়া হল  সুদূর মান্দালয় জেলে। সেখানে তার শরীর একেবারে ভেঙে পড়ল। জনমতের চাপে  পড়ে প্রায় আড়াই বছর ব্রিটিশ সরকার সুভাষচন্দ্রকে জেল থেকে মুক্তি দিতে  বাধ্য হলেন।&lt;br /&gt;জেল থেকে ফিরে এসেই তিনি আবার তার উপর অর্পিত কাজগুলো সম্পন্ন করার দিকে  মনোনিবেশ করলেন। কিন্তু সুস্থিরভাবে কাজ করতে পারলেন না। আবার তাকে  গ্রেফতার করা হলো। তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো মধ্যপ্রদেশের জেলে। কিন্তু তার  শরীরে দেখা গেল ব্যাধি। সেই খবর পৌছে গেল দেশবাসীর কাছে। ইংরেজ সরকার  বিব্রত হয়ে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল।  কিন্তু আদেশ জারী করা হল তিনি জার্মানি ও ইংল্যান্ড যেতে পারবেন না। তার  ফলে ভিয়েনায় তার চিকিৎসা চলতে লাগল।&lt;br /&gt;১৯৩৬ সালে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে যোগদান করার জন্য  সুভাষচন্দ্র স্বদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু বোম্বেতে তাকে  গ্রেফতার করা হলো। প্রায় এক বছর পর জনমতের চাপেই তাকে মুক্তি দেওয়া হল।  সুভাষচন্দ্র তার চিকিৎসকদের পরামর্শে আবার ইউরোপ যাত্রা করলেন।&lt;br /&gt;৬.&lt;br /&gt;তখন সুভাষের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। যদিও দেশবন্ধুর মৃত্যুর পর স্বরাজ্য দল  বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি তখন ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে কাজ  চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৩৭ সালে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন সুভাষ। হরিপুরার  অধিবেশনে তরুণতম জননায়ক এই প্রথম জাতীয় যজ্ঞের পুরোহিতের আসন গ্রহণ  করলেন। সভাপতি হিসেবে তার ভাষণ ভারতের জনগণের মনে নতুন আশা আকাঙ্ক্ষা  জাগিয়ে তুলল।&lt;br /&gt;১৯৩৯ সালে বসবে ত্রিপুরাতে জাতীয় কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশন। মহাত্মা  গান্ধী সভাপতির পদে প্রার্থী দাড় করালেন পট্টভি সীতারামিয়াকে। কিন্তু  সুভাষচন্দ্র পট্টভি সীতারামিয়াকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সভাপতি নির্বাচিত  হলেন। তখনই কংগ্রেসের অর্ন্তদ্বন্দ শুরু হল। কংগ্রেসের সেই ভাঙন রোধ করার  জন্যই সুভাষচন্দ্র স্বেচ্ছায় সেই পদ পরিত্যাগ করলেন। কিন্তু দেশের  স্বাধীনতা সংগ্রামকে চালিয়ে নেওয়ার কাজে সুভাষচন্দ্র সঙ্কল্পে রইলেন  অবিচল।&lt;br /&gt;সুভাষচন্দ্র ‘ফরোয়ার্ড ব্লক’ নামে একটি দল গঠন করলেন। নীতি নিয়ে  দক্ষিণপন্থী কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও তিনি কোনো বিবাদে যেতে  চাইলেন না। জাতীয় দল কংগ্রেসের প্রতি তার শ্রদ্ধা অবিচল রইল। তিনি  ভিন্নভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামকে পরিচালিত করে দেশের স্বাধীনতা লাভকে  ত্বরান্বিত করার জন্য যত্নবান হলেন।&lt;br /&gt;এক নতুন পরিকল্পনা ঘুরতে লাগল সুভাষচন্দ্রের মাথায়। তিনি নানা স্থানে  ঘুরে রাজদ্রোহের বক্তৃতা দিতে লাগলেন। ১৯৪০ সালে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা  হল। জেলে অনশন শুরু করলে তাকে এলগিন রোডের বাড়িয়ে অন্তরীণ করে রাখা হল।  কিন্তু বাড়ির বাইরে রইল পুলিশ পাহারা।&lt;br /&gt;সেই সময় ঘটল এক আশ্চর্য ব্যাপার। ১৯৪১ সালের জানুয়ারি মাসে রাতে  এলগিনর রোডের বিরাট অট্টালিকার পেছন দিকে দাঁড়াল একটি মোটর গাড়ি। এমনি  কতদিন গাড়িই তো আসে, কাজেই কারো কিছু সন্দেহ করার অবকাশ রইল না। গাড়িখানা  ছুটে চলল চল্লিশ মাইল দূরের এক রেলস্টেশনের দিকে। আরোহী এক মৌন সন্ন্যাসী  আর চালক হলেন তারই ভাইপো।&lt;br /&gt;পরদিন উত্তর-ভারতগামী এক ট্রেনের কামরায় দেখা গেল এক মৌলবী নিবিষ্ট মনে  পড়ে চলেছেন একখানা দৈনিক সংবাদপত্র। পাশের এক সহযোগী জানতে চাইলেন তার  পরিচয়। এমনই আগুন্তুকদের সহযোগিতায় সুভাষ পৌঁছে গেলেন বার্লিনে। সেখানে  হিটলারের সঙ্গে দেখা করলেন। তার সঙ্গে অনেক কিছু আলোচনা হলো। জার্মানিতে  অবস্থান করে সুভাষচন্দ্র তার অনেক কিছু বিপ্লবী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে  লাগলেন।&lt;br /&gt;তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পুরোদমে চলছে। যে সমস্ত ভারতীয় সৈন্য ইংরেজদের  পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করছিল তাদের অনেকেই ছিল তখন জার্মানদের হাতে বন্দী। তিনি  পরিকল্পনা করলেন, সেই সব বন্দীদের নিয়ে একটি সৈন্যদল গঠন করলেন। সেই  সৈন্যদল নিয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবেন ভারতের দিকে। ভারতীয়  সৈন্যরা প্রথমে অসম্মত হলেো সুভাষচন্দ্রের ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট হয়ে  সুভাষচন্দ্রের পরিকল্পিত দলে যোগ দিল। জার্মান সেনাপতিদের সাহায্যে এই  বাহিনীকে বিশেষ সামরিক শিক্ষা দেওয়া হয়। এই সময়েই প্রবাসী ভারতীয়রা  সুভাষচন্দ্রকে ‘নেতাজী’ উপাধিতে ভূষিত করেন।&lt;br /&gt;এই সময়েই একদিন জার্মানী থেকে বেতারের স্রোতে ভেসে আসে প্রিয় নেতা  সুভাষচন্দ্র বসুর কণ্ঠস্বর। বার্লিন বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত নিয়মিত  ভাষণে নেতাজী তার স্বদেশবাসীকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে  দাঁড়াবার আহ্বান জানাতে থাকেন। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি উপলব্ধি করেন,  পরিকল্পিত মুক্তিযুদ্ধ জার্মানির চেয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া থেকে পরিচালনা  করা অনেক সহজ।&lt;br /&gt;৭.&lt;br /&gt;১৯৪৫ সালের ২৩ এপ্রিল জাপানিরা রেঙ্গুন ত্যাগ করে। আজাদ হিন্দ ফৌজকে তারা  পরামর্শ দিল রেঙ্গুন ছেড়ে যাবার। কিন্তু নেতাজির কোনো নির্দেশ না পাওয়ায়  তারা রেঙ্গুনেই থেকে যায়। কিন্তু যখন অবস্থা খুবই অসহনীয় হয়ে উঠল তখন  আজাদ হিন্দ ফৌজের রেঙ্গুন ত্যাগ করা ছাড়া উপায় রইল না।&lt;br /&gt;নেতাজি তখন বিভ্রান্ত। কি করবেন কোনো উপায়ই স্থির করতে পারছেন না।  সর্বাধিনায়কদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠকে বসতে লাগলেন। কেউ কেউ পরামর্শ দিলেন,  ইংরেজের কাছে আত্মসর্মপণ করা হোক। কিন্তু নেতাজি কিছুতেই সে পরামর্শের  প্রস্তাবে রাজি হলেন না। ঠিক সেই সময়ে জাপান রেডিও ঘোষণা করল- টোকিও আসার  সময় মাঞ্চুকুও যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষচন্দ্র নিহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;কিন্তু কয়েকদিন পরেই জানা গেল সেই মৃত্যু সংবাদ মিথ্যা, সুভাষচন্দ্র  জীবিতই আছেন। কিন্তু কোথায় আছেন জানা যায়নি। আজও পৃথিবীর ইতিহাসে নেতাজির  সেই সংবাদ একটি রহস্য হয়েই রয়ে গেছে।&lt;br /&gt;সুভাষ চন্দ্র বসুর সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি হল, ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও,  আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ (হিন্দিতে, তুম মুঝে খুন দো, ম্যায় তুমহে  আজাদি দুঙা)। ৪ জুলাই ১৯৪৪ সালে বার্মাতে এক র‌্যালিতে তিনি এই উক্তি করেন।  তার আর একটি বিখ্যাত উক্তি হল ‘ভারতের জয় (জয় হিন্দ)’, যা কিনা  পরবর্তিতে ভারত সরকার গ্রহণ করে নেয়।&lt;br /&gt;নেতাজি একবার এক ভাষণে বলেছিলেন, পরাধীন জাতির পক্ষে স্বাধীনতা  সংগ্রামের সৈনিক হওয়ার চেয়ে বড় সম্মান এবং গৌরবের বিষয় অন্য কিছুই নেই।  আমি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি- আলোক এবং অন্ধকারে, দুঃখে এবং সুখে,  পরাজয়ে এবং বিজয়ে আমি সর্বদা তোমাদের পাশে থাকবো। বর্তমানে আমাদের  ক্ষুধা, দুঃখ কষ্ট, দুর্গম অভিযান এবং মৃত্যু ছাড়া অন্য কিছু দিতে অসমর্থ।&lt;br /&gt;&lt;img alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/ciu/image/168503/xlarge/?token_id=7123c631d43af66a527a71ae86821771" height="281" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;FUTURE INDIAN NATIONALIST SUBHAS CHANDRA BOSE, STANDING EXTREME RIGHT,  WITH HIS LARGE FAMILY OF 14 SIBLINGS IN CUTTACK, INDIA, CA. 1905&lt;br /&gt;&lt;img alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/ciu/image/168506/xlarge/?token_id=7123c631d43af66a527a71ae86821771" height="400" width="352" /&gt;&lt;br /&gt;SUBHAS CHANDRA BOSE AS STUDENT IN ENGLAND&lt;br /&gt;&lt;img alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/ciu/image/168507/xlarge/?token_id=7123c631d43af66a527a71ae86821771" height="400" width="261" /&gt;&lt;br /&gt;SUBHAS CHANDRA BOSE WITH HIS WIFE EMILIE SHENKL IN AUSTRIA, 1937&lt;br /&gt;&lt;img alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/ciu/image/168508/xlarge/?token_id=7123c631d43af66a527a71ae86821771" height="208" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;GANDHI AT THE INDIAN NATIONAL CONGRESS ANNUAL MEETING IN HARIPURA IN 1938 WITH CONGRESS PRESIDENT SUBHAS CHANDRA BOSE&lt;br /&gt;&lt;img alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/ciu/image/168509/xlarge/?token_id=7123c631d43af66a527a71ae86821771" height="242" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;GREATER EAST ASIA CONFERENCE, FROM LEFT TO RIGHT: BA MAW, ZHANG JINGHUI,  WANG JINGWEI, HIDEKI TŌJŌ, WAN WAITHAYAKON, JOSÉ P. LAUREL, SUBHAS  CHANDRA BOSE&lt;br /&gt;সংগ্রহ : Internet&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-M37qQS7t1UA/Uujp12JPNZI/AAAAAAAAAlE/6nmEonN3a2Q/s72-c/cms.somewhereinblog.net.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>শান্তির দ্বীপ বালির পথে প্রান্তরে</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_23.html</link><category>ভ্রমন বিলাস</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 27 Jan 2014 20:12:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-8666374960914814941</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;আমার জীবনের সেরা মুহূর্তের কথা কেউ জিজ্ঞেস করলে ভ্রমণের স্মৃতিগুলোই  আগে চলে আসে। ভ্রমণ ব্যাপারটা বরাবরই আমাকে খুব টানে। বছরে অন্তত একবার  দেশের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন কিছু দেখার ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টার কোনো কমতি আমার  থাকে না।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/--byNFM81UYI/UuctbkFyG-I/AAAAAAAAAfc/843wkiRcpPE/s1600/bbgbg20140124185522.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/--byNFM81UYI/UuctbkFyG-I/AAAAAAAAAfc/843wkiRcpPE/s1600/bbgbg20140124185522.jpg" height="220" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;বিগত অনেক বছর ধরেই আমি এই ভ্রমণের অভ্যাসটা ধরে রেখেছি। ২০১৩ সালে  অক্টোবরের শেষের দিকে ৯ দিনব্যাপী ভ্রমণে ইন্দোনেশিয়ার বালি এবং মালয়শিয়া  ঘুরে এলাম আমরা কয়েকজন।&lt;span id="more-5928"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt; গন্তব্যস্থল সম্পর্কে যতো বেশি সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করি। কোনো প্যাকেজের  অধীনে যাওয়ার চেয়ে নিজের মতো করে পারিকল্পনা করাকেই বেশি প্রাধান্য দেই।  যদিও ব্যাপারটা প্যাকেজে ঘুরতে যাওয়ার চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি কষ্টসাধ্য ও  ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভালোভাবে তথ্য সংগ্রহ করে, সুন্দর পরিকল্পনা করে বের হলে  ভ্রমণের আনন্দ অনেক বেড়ে যায়।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/120140124054505.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;বিদেশ যাওয়ার সময় সেই দেশ বা শহর সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য ভ্রমণকে অনেক  সহজ&amp;nbsp; করে তোলে এবং সর্বোপরি প্যাকেজের ওপর নির্ভর না করে নিজ পরিকল্পনায়  ঘুরতে গেলে অনেক আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়।&lt;br /&gt; আমার এবারের ট্রিপের সঙ্গী ছিল দু’জন। সুমন ও রবিন। আমরা তিন জন  মালিন্দো এয়ারে রাত সাড়ে ৯টার ফ্লাইটে চড়ে বসলাম। বালিতে সরাসরি ফ্লাইট না  থাকায় ঢাকা থেকে ৪ ঘণ্টার ফ্লাইট শেষে কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল  এয়ারপোর্টে ৬ ঘণ্টার ট্রানজিট বিরতিতে অপেক্ষা করতে হলো।&lt;br /&gt; কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা ওড়ার পর আমরা নিচে দেখতে পেলাম গাঢ় নীল পানি ঘেরা অসম্ভব সুন্দর দ্বীপ, বালি।&lt;br /&gt; রাজধানী জাকার্তাকে ধারণ করা ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ  জাভার ঠিক দক্ষিণেই বালির অবস্থান। বালি ইন্দোনেশিয়ার ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে  ক্ষুদ্রতম প্রদেশ, যার আয়তন মাত্র ৫ হাজার ৭৮০ বর্গ কি.মি. এবং জনসংখ্যা  ৪২.২ লাখ। বালির রাজধানীর নাম ডেনপাসার (Denpasar)।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/220140124054512.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;তিন দশক আগেও বালি পুরোপুরি কৃষি নির্ভর ছিল। কিন্তু বর্তমানে বালির মোট  অর্থনীতির ৮০ শতাংশ পর্যটন শিল্পের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং একে  ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম ধনী প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।&lt;br /&gt; পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলিম বসবাসকারী দেশ ইন্দোনেশিয়া হলেও  বালির চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। বালিতে বসবাসকারীদের মধ্যে ৮৪.৫ শতাংশই হিন্দু  এবং মন্দিরের আধিক্যের কারণে বালিকে বলা হয় দেবতাদের দ্বীপ, শান্তির  দ্বীপ।&lt;br /&gt; বালিতে অবস্থানকালে প্রতি মুহূর্তেই আমাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ  হয়েছে। এয়ারপোর্টের রানওয়েতে রোমাঞ্চকর ল্যান্ডিং দিয়েই আমাদের চমৎকার  অভিজ্ঞতার শুরু হলো। এয়ারপোর্টের রানওয়ে মূল ভূখণ্ড থেকে সাগরের মাঝে চলে  আসায় আমাদের মনে হচ্ছিল বিমান বুঝি সাগরেই অবতরণ করছে। এটা ছিল আমার সেরা  ল্যান্ডিং অভিজ্ঞতা।&lt;br /&gt; ইমিগ্রেশন, কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এয়ারপোর্টের বাইরে আসার সঙ্গে  সঙ্গে একটি বালিনিজ মেয়ে ফুল দিয়ে মিষ্টি হেসে বললো, ‘welcome to BaliÓ|  প্রত্যেক পর্যটককে বালিনিজরা এভাবেই স্বাগতম জানায়।&lt;br /&gt; এয়ারপোর্টেই সরকারিভাবে ট্যাক্সির ব্যবস্থা আছে। যদিও বাইরে থেকে অনেকেই  ট্যাক্সিই&amp;nbsp; আসে ‌আপনাকে স্বাগত জানাবে বলে। তবে তাদের আহ্বানে সাড়া দিলে ৩  গুণ বেশি ভাড়া গুণতে হতে পারে।&lt;br /&gt; আমি আগেই হোটেল বুকিং দিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের হোটেলের নাম The Oasis।  এটি বালির সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ এলাকা কুটায় (kuta) অবস্থিত। এয়ারপোর্ট থেকে  হোটেলের দূরত্ব সাড়ে ৩ কি.মি.। আমাদের ট্যাক্সি ভাড়া আসল ৮০,০০০ রুপিয়া।  প্রতি ডলারের বিনিময়ে আমরা ১১ হাজার ২৫০ রুপিয়া পেয়েছিলাম। ইন্দোনেশিয়ায়  সর্বোচ্চ ১ লাখ রুপিয়ার নোট পাওয়া যায়। পরবর্তী তিন দিন এই লাখ লাখ  রুপিয়ার হিসেব-নিকেশ করতে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছে।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/0320140124054518.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;দুপুর&amp;nbsp; ২টায় আমরা হোটেলে চেক-ইন করলাম। আমার দুই সফরসঙ্গী আমার ওপর পুরো  ভ্রমণ পরিকল্পনার দায়িত্ব দেওয়ায় হোটেল বুকিং দেওয়ার আগে আমাকে অনেক ভাবতে  হয়েছে। হোটেলে ঢুকেই মনে হলো, হোটেল নির্বাচন সঠিক হয়েছে। তিন বেডের একটি  রুমের জন্য প্রতি রাতের ভাড়া ৬৫ ডলার দিতে হয়েছে। ৮০ ফুট লম্বা সুইমিংপুল  এবং অন্যান্য চমৎকার সুবিধাসম্বলিত থ্রি-স্টার মানের হোটেলের ভাড়া আমাদের  কাছে কমই মনে হলো।&lt;br /&gt; সর্বমোট সাড়ে সাত ঘণ্টার ফ্লাইট এবং মধ্যে ৬ ঘণ্টার ট্রানজিট বিরতির  কারণে আমরা তখন খুবই ক্লান্ত। খাবারের অর্ডার দিয়ে রুমেই পাঠাতে বললাম।  অর্ডার মতো ৩ জনের জন্য ভিন্ন ধরনের খাবার আসলো। প্রথমবারের মতো  ইন্দোনেশিয়ার খাবারের স্বাদ নিলাম। সমগ্র ইন্দোনেশিয়া তথা বালিতে আমাদের  দেশের মতো ভাতই হচ্ছে প্রধান খাবার। তবে ইন্দোনেশিয়ানরা তরকারিতে প্রচুর  মসলা এবং খাবার পরিবেশনে এক ধরনের সস ব্যবহার করে। তবে তা খেতে মন্দ নয়,  বেশ ভালোই লাগে।&lt;br /&gt; মুরগি, মাছ, কাবাব ইত্যাদি আলাদা আইটেম দিয়ে খেয়ে আমাদের বিল হলো ১ লাখ  ৪৭ হাজার রুপিয়া যা আমাদের টাকার হিসেবে ১ হাজার ৫০ টাকার মতো। বালি তার  নিজস্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে ভালো থাকা ও  খাওয়ার ব্যবস্থা করে বলেই পৃথিবীর নামকরা একটি পর্যটনবান্ধব দ্বীপ হিসেবে  খ্যাতি অর্জন করেছে। সিঙ্গাপুর বা কুয়ালালামপুরে একই মানের থাকা, খাওয়ার  জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/420140124054524.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;খাওয়ার পর ঘণ্টা দুয়েক বিশ্রাম নিয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে সূর্যাস্ত দেখার  উদ্দেশ্যে সমুদ্র সৈকতের দিকে পা বাড়ালাম। অক্টোবরের ৩য় সপ্তাহে বালিতে  সোয়া ছয়টায় সূর্যাস্ত হয়। বালির বিশ্ববিখ্যাত কুটা সমুদ্রসৈকত আমাদের হোটেল  থেকে মাত্র ৩/৪ মিনিটের পায়ে হাঁটা পথ।&lt;br /&gt; রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দেখলাম চারদিকে প্রচুর বিদেশির আনাগোনা। বালিতে  এক চতুর্থাংশের বেশি ভ্রমণকারী অস্ট্রেলিয়ান। ভৌগোলিক কারণে অস্ট্রেলিয়া  বালির খুব কাছাকাছি অঞ্চল হওয়ায় এমনটা হতে পারে। সমুদ্র সৈকতে পৌঁছে  দেখলাম&amp;nbsp; অনেকেই সূর্যাস্ত দেখতে এসেছে।&lt;br /&gt; বালির কুটা সমুদ্র সৈকতের পানির রং গাঢ় নীল। দেখতে দেখতে মনে হলো কুটা  সমুদ্র সৈকত সুন্দর হলেও আমাদের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য কোনো  অংশেই এর চেয়ে কম নয়।&lt;br /&gt; সাগরে নামার ব্যাপারটা সেই সময়ের জন্য স্থগিত রেখে সূর্যাস্তের পর আমরা  কুটা শহর দেখার উদ্দেশে হাঁটা শুরু করলাম। কুটার রাস্তা খুব বেশি প্রশস্ত  নয় এবং রাস্তায় প্রচুর মোটরসাইকেল দেখতে পাওয়া যায়। এখানে আরেকটা মজার বিষয়  হলো, চালকদের অনকেই নারী। আমাদের দেশে যা বলতে গেল কল্পনাই করা যায় না।&lt;br /&gt; আমরা ২ ঘণ্টার মতো হেঁটে শহর দেখে বার্গার কিং থেকে বার্গার খেয়ে রাত  প্রায় দশটায় হোটেলে ফিরলাম। হোটেলে ফিরেই সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে  সুইমিং পুলে নেমে শরীর এলিয়ে দিলাম।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="203" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/Bali20140124092910.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;পরদিন সকালে ১০টায় নাস্তা করতে করতেই আমাদের গাড়ি হাজির। আগের রাতেই  হোটেল ম্যানেজার রামাকে সারাদিনের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম।  বালিতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ রুপিয়া হলে সারাদিনের জন্য Toyota avaûa ধরনের ৭  জন বসার মতো গাড়ি পাওয়া যায়। আমরা অন্যন্য সুন্দর একটি রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ  এবং দু’টি দর্শনীয় স্থানের প্রবেশ মূল্যসহ সারাদিনের জন্য&amp;nbsp; ৯ লাখ রুপিয়াতে  গাড়ি নিয়ে নিলাম। আমাদের গাড়ি কুটার রাস্তা পার হয়ে অপেক্ষাকৃত প্রশস্ত  রাস্তা ধরে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে থাকল।&lt;br /&gt; রাস্তায় দু’ধারে বালিনিজদের অত্যন্ত দৃঢ় সংস্কৃতির ছাপ চোখে পড়ল।  বালিনিজরা ঐতিহ্যে খুব বিশ্বাসী। বাড়ির মূল ফটকে ওরা এমন স্থাপত্য শিল্প  ব্যবহার করে যা দেখলে একশ’ বছরের পুরোনো মনে হয়। ফুল এবং বাঁশের ব্যবহার  সর্বত্র চোখে পড়ার মতো। বাঁশকে নানাভাবে সাজিয়ে বিভিন্ন বাড়ি, মন্দির,  দোকান ইত্যাদিতে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তাতে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না।&lt;br /&gt; রাস্তার দু’পাশে কাঠের, মাটির, পাথরের তৈরি অবাক করা বিভিন্ন  কারুকাজখচিত শিল্প বারবার নজর কাড়ছিল। বালিতে তেমন কোনো সুউচ্চ ঘর-বাড়ি  আমাদের চোখে পড়েনি।&lt;br /&gt; শহরের কেন্দ্র ছাড়া অন্যান্য সকল এলাকার প্রায় সব বাড়ি-ঘরই ২/৩ তলার  মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমাদের গাড়ি Sari dewi নামে একটি সোনা-রূপার অলঙ্কার  বানানোর কারখানা কাম শো-রুমে এসে থামলো।&lt;br /&gt; আগ্রহ না থাকায় সেখানে আমরা বেশি&amp;nbsp; সময় দিলাম না। আমাদের পরবর্তী গন্তব্য  কুটা থেকে ৬৪ কি.মি. উত্তর-পূর্বের একটি অঞ্চল যার নাম কিন্তামানি  (kintamani)। এটি একটি পাহাড়ি এলাকা এবং উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৪ হাজার  ৫০০ ফুট।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/520140124054528.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;কিন্তামানি অঞ্চলের বাতুর (mount batur) নামের জীবন্ত আগ্নেয়গিরি এবং  সেই পাহাড় ঘেষা বাতুর হৃদ (lake batur) দেখতেই সেখানে গেলাম আমরা। গন্তব্যে  পৌঁছেই আমার মনে হলো এতো সুন্দর জায়গা হয়তো খুব কম আছে। আরও মনে হলো, বালি  আসা পুরোপুরি সার্থক।&lt;br /&gt; দুপুর হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই। রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ করতে বসে চারপাশের অপূর্ব  সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম যে, এটা আমার জীবনের সেরা সুস্বাদু লাঞ্চ  না হলেও একে most beautiful lunch হিসেবে অবশ্যই গণ্য করা যায়। তবে সেই  ব্যুফে লাঞ্চের খাবারের স্বাদও বেশ&amp;nbsp; ভালো ছিল। আমরা চমৎকার সেই জায়গায় বেশ  কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে জায়গাটা বেশ ঠাণ্ডা।&lt;br /&gt; বাতুর পাহাড় ও হৃদকে পেছনে ফেলে আমাদের গাড়ি চলতে শুরু করলো। আমাদের  পরবর্তী গন্তব্য কুটা এবং কিন্তামানির মাঝামাঝি এলাকা ‘উবুদ (Ubud)’।&lt;br /&gt; রাস্তায় একটি কফি তৈরির কারখানায় ঢুকলাম কফির আদ্যোপান্ত জানার জন্য।  সেখানে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের ৮ রকমের কফি পরিবেশন করা হলো। বিচিত্র  সব স্বাদের কফির স্বাদ নিলাম আমরা। সেখানে দেখলাম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি  কিভাবে তৈরি হয়।&lt;br /&gt; লুয়াক (Luwak) নামের বিড়ালসদৃশ একটি প্রাণীকে কফিবেরি খাওয়ানো হয় এবং  তাদের মলের সঙ্গে আস্ত কফিবেরি বেরিয়ে আসে। এ পক্রিয়ায় কফিবেরির তিতা ভাবটা  কমে এবং সুঘ্রাণযুক্ত হয়। এভাবে প্রাপ্ত কফিবেরি থেকে যে কফি তৈরি হয়, তা  হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি। প্রতি কাপ কফির দাম বাংলাদেশি টাকার হিসাবে  ২ হাজার ৫০০ টাকা। আমরা ৮ রকম কফির স্বাদ নিলেও এতো দামি কফি খাওয়ার সাহস  করলাম না।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/1120140124055547.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;এই ভিন্ন রকম অভিজ্ঞতার পর আমরা উবুদ এর দিকে এগুতে থাকলাম। উবুদে  আমাদের মূল দেখার বিষয় ছিল পাহাড়ের গায়ে জুম চাষের আকারের অপূর্ব সুন্দর  ধানক্ষেত। পর্যটন বালির অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হলেও বেশি সংখ্যক  মানুষ এখনও কৃষি কাজের ওপর নির্ভশীল। বালির কৃষিকাজের সিংহভাগ দখল করে আছে  ধানচাষ। ধানচাষটা সুন্দরভাবে করায় এটাও একটা উল্লেখ্যযোগ্য পর্যটক  আকর্ষণীয় বিষয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সেখানে গিয়ে দাঁড়ালে মনে হবে যেন  সৃষ্টিকর্তার নিজের হাতে সযত্নে আঁকা কোনো ছবি। ছবি সদৃশ সেই জায়গা থেকে  অনেক ভালো লাগার অনুভূতি নিয়ে হোটেলের দিকে এগিয়ে চললাম। তখনও সন্ধ্যা হতে  কিছু সময় বাকি থাকায় হোটেলে ফেরার আগে বালির পূর্বপ্রান্তের অন্য একটি  সমুদ্র সৈকতে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম।&lt;br /&gt; সাগরে সাঁতার কাটা দিয়ে বালিতে আমাদের তৃতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হলো।  বেলা ১১টায় আমরা কুটা সমুদ্র সৈকতে নামলাম। এখানে ঢেউয়ের উচ্চতা বেশ ভাল।  অস্ট্রেলিয়ান সার্ফারদের স্বর্গ হচ্ছে বালির এই সমুদ্র সৈকত। আমি এবং সুমন  সাগরে সাঁতার কেটে সামনের দিকে এগুতে থাকলাম। আমাদের অপর সঙ্গী রবিন অবাক  চোখে আমাদের এগিয়ে যাওয়া দেখতে থাকলো।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/1020140124054553.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;তীর থেকে প্রায় ২০০ গজের মতো দূরে ২ জন অস্ট্রেলিয়ান পুরুষ ও নারী  ভাসছিলেন। আমরা ওদের অতিক্রম করার উদ্দেশ্যে এগোলাম এবং কাছে গিয়ে দেখি  ওদের ২ জনের সঙ্গেই সার্ফবোর্ড রয়েছে। ওরা অবাক হয়ে সাগরের মাঝে আমাদের  সাঁতার কাটা দেখছেন। আমরা বুঝলাম যে, না বুঝে বেশি ঝুঁকি নেওয়া হয়ে গেছে।  মুখ, নাক, কান দিয়ে পানি প্রবেশ করিয়ে তীরে ফিরে আসতে আমাদের বেশ কষ্টই  হলো।&lt;br /&gt; সাগরে নামার উদ্দেশে যাওয়া বলে আমরা মোবাইল, ক্যামেরা কিছুই নেইনি। অনেক  খোঁজাখুজি করেও আমাদের ছবি তোলার মতো ক্যামেরাওয়ালা পাওয়া গেল না। বেলা  ১টায় আমরা হোটেলে ফিরে এলাম। আগের কথা মতো গাড়ির চালক মেডি তার গাড়ি নিয়ে  হোটেলে অপেক্ষা করছিল। আমরা হোটেলে লাঞ্চ সেরে ২টার দিকে আবারও বেরিয়ে  পড়লাম। আমাদের প্রথম গন্তব্য কুটা থেকে ২০ কি. মি. উত্তর পশ্চিমে তানাহ্ লট  (Tanah Lot) নামের মন্দির।&lt;br /&gt; বালিতে পর্যটকদের দেখার যে সমস্ত স্থাপনা আছে তার বড় অংশ জুড়ে আছে  বিভিন্ন মন্দির। যেহেতু মন্দিরের ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ কম তাই শুধু এই  একটি মন্দিরকেই আমাদের তালিকায় রেখেছিলাম। এটি দেখতে যাওয়ার কারণ হচ্ছে এর  অবস্থান। মন্দিরটি সাগরতীরে একটি বড় পাথর খণ্ডের ওপর অবস্থিত এবং জোয়ারের  সময় মন্দিরটিকে একটি ছোট দ্বীপের মতোই দেখায়। তিনজনের জন্য ৯০ হাজার রুপিয়া  দিয়ে টিকিট কেটে আমরা মন্দির এলাকায় প্রবেশ করলাম। মূল মন্দিরের ভেতরে  ঢোকার অনুমতি না থাকলেও মন্দিরের স্তম্ভে¢র অর্থাৎ পাথর খণ্ডের একটি উচ্চতা  পর্যন্ত ওঠা যায়। তবে পবিত্র পানি দিয়ে হাত, মুখ ধুয়ে কিছু রুপিয়া দান  করার পরই সেটা সম্ভব।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/720140124054539.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;পবিত্র পানি দিয়ে হাত ধোয়ার পর মন্দিরের সেবকরা আমাদের কানে ফুল ও কপালে  কয়েকটি চাল লাগিয়ে ওপরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। আমরা কিছু ছবি তুলে তানাহ্  লট থেকে বিদায় নিলাম। আমাদের পরবর্তী গন্তব্য তানাহ লট থেকে ৪০ কি. মি.  দক্ষিণের উলুওয়াটু (uluwatu)। এটি বালির সর্ব দক্ষিণের একটি এলাকা। আমাদের  উদ্দেশ্য বিখ্যাত উলুওয়াটু সানসেট পয়েন্ট থেকে সূর্যাস্ত দেখা।&lt;br /&gt; আমরা ৩ জন ৬০ হাজার রুপিয়া দিয়ে টিকিট কেটে উলুওয়াটু সানসেট পয়েন্ট  এলাকায় প্রবেশ করলাম। এ এলাকায় বানরের উপদ্রব খুব বেশি। আমরা যখন ছবি তোলায়  ব্যস্ত, তখন এক দুষ্টু বানর আমাদের সঙ্গী রবিনের সানগ্লাস কেড়ে নেওয়ার  চেষ্টা করলো। রবিন তার গালে একটু ব্যথাও পেল। আমরা সূর্যাস্ত দেখার জন্য  যেখানে এসে দাঁড়ালাম, সেটা সাগরের পাশেই অনেক উঁচু একটি পাহাড়। নিচে সাগরের  পানি এসে পাথরে আছড়ে পড়ছে। ওপর থেকে&amp;nbsp; নিচে তাকালে রীতিমতো ভয় লাগে। সাগর,  পাহাড়, সবুজ বননী এবং সূর্যাস্ত সব মিলিয়ে অবর্ণনীয় এক সৌন্দর্যের সৃষ্টি  হয়েছে।&lt;br /&gt; উলুওয়াটুর এই জায়গাটি বালি সংস্কৃতির অন্যতম ঐতিহ্যবাহী নাচ কেকাক  (kecak) পরিবেশনার জন্য বিখ্যাত। সূর্যাস্তের পর পরই কেকাক এবং আগুন নাচ  শুরু হয়। আমরা&amp;nbsp; ২ লাখ ১০ হাজার রুপিয়া দিয়ে তিনটি টিকিট কেটে বালির এই  ভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক নাচ উপভোগ করতে বসে গেলাম। এটি মুক্তমঞ্চে পরিবেশিত  হয় এবং দর্শক গ্যালারিতে পর্যটকদের এতো ভিড় যে সূচ ধারণের জায়গা নেই।  কেকাক’র বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ পরিবেশনায় কোনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা  হয় না।&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/820140124054544.jpg" width="400" /&gt;&lt;br /&gt; এ সময় ৬০ জনের মতো বালিনিজ পুরুষ তাদের মুখ দিয়ে একই তালে আওয়াজ করতে  থাকে। আর মঞ্চে মূলত সংলাপহীন সংক্ষিপ্ত রামায়ণ মঞ্চস্থ হয়। কেকাকের  শুরুটায় একঘেয়েমি থাকলেও আস্তে আস্তে প্রাণ ফিরে এলো । আমরা সবাই বেশ উপভোগ  করলাম।&lt;br /&gt; রাত ৮টার দিকে আমরা উলুওয়াটু থেকে জিমবারানের (Jimbaran) উদ্দেশ্যে  রওয়ানা দিলাম। আমাদের এবারের উদ্দেশ্য রসনা বিলাস। সি-ফুড না খেয়ে বালি  ত্যাগ করলে ভ্রমণটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যে। উলুওয়াটু থেকে কুটা আসার পথেই  জিমবারান এলাকার অবস্থান এবং কুটা থেকে এর দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। সাগরতীরে  সি ফুড রেস্টুরেন্টের জন্য জিমবারান বিখ্যাত। এখানে খোলা আকাশের নিচে  খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।&lt;br /&gt; সাগরের গর্জন ও লাইভ মিউজিক শুনতে শুনতে সি-ফুড খাওয়ার মজা নেওয়ার জন্য  অবশ্য চড়া মূল্য দিতে হয়। ১০/১২ আইটেমের সি-ফুড খেয়ে আমাদের প্রায় ১৪ লাখ  রুপিয়া বিল দিতে&amp;nbsp; হলো।&lt;br /&gt; বালিতে আমাদের শেষ রাত। তাই কিছু কেনাকাটার উদ্দেশ্যে রাত প্রায় ১১টার  দিকে কৃষ্ণা (Krishna) নামে একটি সুপার শপে প্রবেশ করলাম। আমাদের ড্রাইভার  মেডি আগেই জানিয়েছিল যে, এই সুপার সপ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। এক দরের দোকান&amp;nbsp;  হওয়ায় অতিরিক্ত মূল্য দেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে। আমরা কিছু গিফট আইটেম কিনে  রাত প্রায় ১২টায় হোটেলে ফিরে গেলাম।&lt;br /&gt; বালিতে আমাদের শেষ দিনের পরিকল্পনায় কোনো ঘোরাঘুরির কর্মকাণ্ড রাখা  হয়নি। সকালটা হোটেলেই কাটালাম। হোটেলের রিসিপশনে চেকআউট আনুষ্ঠানিকতা শেষ  করে আমরা সাড়ে ১০টার দিকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশে রওয়ানা দিলাম। বোর্ডিং পাস  নিতে গিয়ে বালিতে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশিকে দেখলাম।&lt;br /&gt; বালিতে বাংলাদেশ থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। এমনকি  কাজ করতে আসা কোনো বাংলাদেশিও আমরা দেখতে পাইনি। বাংলাদেশি পরিবারটিও  আমাদের অন্য বাংলাদেশি না দেখার একই তথ্য দিল।&lt;br /&gt; &lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="" height="220" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2014January/920140124054549.jpg" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;যাই হোক, এয়ারপোর্ট আনুষ্ঠানিকতার শেষ মুহূর্তে এসে জানতে পারলাম যে,  প্রত্যেক পর্যটককে ভ্রমণ শেষে ১ লাখ ৫০ হাজার রুপিয়া ট্যাক্স দিতে হয়।  ভ্রমণ পরিকল্পনাকারী হিসেবে এই তথ্যটি আমার জানা উচিত ছিল। কিন্তু তথ্যটি  আমার চোখ এড়িয়ে যাওয়ায় শেষ মুহূর্তে একটা উটকো ঝামেলায় পড়লাম।&lt;br /&gt; সেসময় আমাদের সঙ্গে রুপিয়া নেই বললেই চলে। কাস্টমস কর্মকর্তা জানালেন,  ডলারেরও পরিশোধ করা যাবে। কিন্তু ভদ্রলোক ডলারের যে পরিমাণ বললেন, তাতে  প্রায় ২০ শতাংশ বেশি প্রদান করতে হবে। আমরা তাতে রাজি না হয়ে ডলার চেঞ্জের  জন্য দিলাম ছুট। অবশেষে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার রুপিয়া ট্যাক্স প্রদান করে  আমাদের ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।&lt;br /&gt; দুপুর সাড়ে ১২টায় আমাদের বিমান চলতে শুরু করল। সাগরকে দু’ভাগ করা রানওয়ে  ধরে বোয়িং-৭৩৭ বিমানটির গতি বাড়তে থাকল। আমি মনে মনে বললাম ‘বিদায় বালি’।  বালির অনন্যসুন্দর মুহূর্তগুলোর জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানালাম।&lt;br /&gt; আমাদের বিমান আকাশে উড়ল। মেঘের নিচে আড়াল হওয়া বালিকে পেছনে ফেলে আমরা উড়ে চললাম কুয়ালালামপুরের দিকে।&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;তথ্যসূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;  &lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/--byNFM81UYI/UuctbkFyG-I/AAAAAAAAAfc/843wkiRcpPE/s72-c/bbgbg20140124185522.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>নাসার বাংলাদেশী বিজ্ঞানী আতিক উজ জামান</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_94.html</link><category>সোনার বাংলাদেশ</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 27 Jan 2014 19:51:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-6040963685370750382</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখেছিলেন  আতিক উজ জামান। নানা পথ ঘুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন গবেষণার তীর্থভূমি আমেরিকায়।  একসময় তিনি সারা দুনিয়ার বিজ্ঞানীদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান নাসার সঙ্গে  যুক্ত হন। বাংলাদেশের এই কৃতী সন্তানের মুখোমুখি হয়েছেন জায়েন আসনাম।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-NsVskFs6rqQ/UucpNfZ33hI/AAAAAAAAAek/m_lw3fYfLUo/s1600/Nasa-640.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-NsVskFs6rqQ/UucpNfZ33hI/AAAAAAAAAek/m_lw3fYfLUo/s1600/Nasa-640.jpg" height="240" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span id="more-5926"&gt;&lt;/span&gt; &lt;strong&gt;জায়েন আসনাম : বাংলাদেশের ছেলে নাসার সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক হলো, গোড়া থেকে শুনতে চাই?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আতিক উজ জামান :&lt;/strong&gt; আমি পড়াশোনা করেছি বুয়েটে,  ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। পাস করেছি ১৯৮২-তে, তারপর আমি বুয়েটের  লেকচারার ছিলাম ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে, এ সময় কমনওয়েলথ  স্কলারশিপে পড়াশোনা করতে যাই (মাস্টার্স আর পিএইচডি) ইউনিভার্সিটি অব  ম্যানচেস্টারে, ইংল্যান্ডে। ওখান থেকে মাস্টার্স, পিএইচডি করে দেশে ফিরে  এসে আবার বুয়েটে যোগ দেই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে। ছয় মাস বুয়েটে  পড়াই, তারপর শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে চলে যাই সৌদি আরবের কিং ফাহাদ  ইউনিভার্সিটিতে, ওখান থেকে ইমিগ্রেশন নিয়ে চলে যাই অস্ট্রেলিয়ায়, ওখানে  গিয়ে চাকরি পেয়ে গেলাম মনাশ ইউনিভার্সিটিতে, মেলবোর্নে। ওটাকে বলা যায়, ‘টপ  এইট’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। ওখানে পড়াতে পড়াতেই আমি কিছু কিছু কাজ শুরু  করি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কিং নিয়ে। মুশকিল হয়, অস্ট্রেলিয়া এমন একটা দেশ  যেখানে খুব বেশি রিসার্চ করার সুযোগ নেই, বেশিরভাগ বড় রিসার্চগুলো হয় মূলত  ইউরোপ আর আমেরিকায়। তখনই আসলে ঠিক করি, রিয়েল কাজ করতে হলে যা সোসাইটির  কাজে লাগবে, আমাকে আমেরিকা-ইউরোপের দিকে যেতে হবে, ন্যাচারালি, এসব কারণেই  আমি আমেরিকাতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।&lt;br /&gt; প্রথমে চাকরি নিলাম ইউনিভার্সিটি অব ডেটন, ওহাইয়োতে। ইলেকট্রিক  ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। ওখানে থেকেই আমার সঙ্গে নাসার যোগাযোগ তৈরি হয়।  ক্লিভল্যান্ডের নাসার একটা সেন্টার আছে, যার নাম গ্লেন রিসার্চ সেন্টার ,  ওই সেন্টারে নাসা কমিউনিকেশনের কাজটা করে, অর্থাৎ আমি যে ধরনের  নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করি, এরকম আরও অনেক সেন্টার আছে নাসার, যেখানে নাসার  স্পেস কার নিয়ে গবেষণা হয়, অমার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্লেন সেন্টারের দূরত্ব  ছিল তিন-চার ঘণ্টা, আমার পক্ষে বড় সুবিধা ছিল আমি চাইলেই গাড়ি ড্রাইভ করে  হাজির হয়ে যেতে পারতাম ওদের ওখানে এবং সরাসরি কথা বলতে পারতাম ওদের সঙ্গে।  খোঁজখবর করতাম ‘কী ধরনের কাজকর্ম তোমরা করছো, আমি কীভাবে তোমাদের হেল্প  করতে পারি এসব আরকি।’ দ্যাটস হাউ আই স্টারটেড।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : পুরো ব্যাপারটার শুরু আপনার নিজের উদ্যোগে?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; হ্যাঁ, নিজের উদ্যোগেই। গ্র্যান্ড রিসার্চ সবই  নিজের উদ্যোগে করতে হয়। ওরা তো শুধু ফান্ডিং করবে, যখন দেখবে আপনি ওদের  একটা প্রবলেম সলভ করতে পারছেন এবং আপনার ওই ব্যাকগ্রাউন্ডটা আছে। তখন আরও  ফান্ডিং দেবে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : এর সঙ্গে আপনার ইউনিভার্সিটির কোনো সম্পর্ক ছিল না?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; ইউনিভার্সিটি তো ইনভলভ হবেই, কিন্তু শুরুর  উদ্যোগটা আপনাকেই নিতে হবে। এসব উদ্যোগ সব সময় নিজেকেই নিতে হয়, হ্যাঁ  ইউনিভার্সিটি আপনাকে হেল্প করবে সব ব্যাপারে, কিন্তু বুদ্ধিটা আপনার  নিজেকেই বের করতে হবে। আপনি আইডিয়া দিলে তাহলে ওরা দেখবে, ‘হ্যাঁ ওর নতুন  একটা আইডিয়া আছে এবং ওর ব্যাকগ্রাউন্ড আছে করার মতো,’ তখন বিশ্ববিদ্যালয়  আপনাকে হয়তো বলবে ঠিক আছে একটা প্রপোজাল লেখ। আপনি একটা প্রপোজাল লিখলেন,  তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওটা চলে যাবে ফান্ডিং  যারা করবে তাদের কাছে। কাজগুলো এ ভাবেই হয়, ধরুন আপনি একটা অ্যাড জোগার  করবেন পত্রিকার জন্য, আপনি নিজে আগে কথা বলে পরে অফিসকে ইনভলভ করবেন। তো  এভাবেই আমরা কাজ শুরু করি। তারপরে একটা প্রজেক্ট করার পরে ওরা যখন দেখে যে  রেজাল্ট ভালো আসছে, তখন আরও কনফিডেন্স গ্রো করে ‘এ পারবে করতে’ তখন আপনাকে  আরও প্রজেক্ট দেয়।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : শুরুতে নাসার কোন প্রজেক্টের সঙ্গে ছিলেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;ইন্টারনেটে মহাশূণ্য যানের সঙ্গে কিভাবে কমুনিকেট  করা যায়, খুব ইম্পরটেন্ট কাজ। সহজভাবে বলি, আপনি যখন স্কাইপে কথা বলেন, তখন  কথা স্পষ্ট হতে হবে অর্থাৎ কথা বলার সময় ডিলেটা কম হতে হবে, ডিলে বেশি হলে  তো হবে না, আপনি একটা বললেন অনেকক্ষণ লাগল অন্যপ্রান্তে যেতে। আপনি হ্যাঁ  হুঁ করছেন, কথা ভেঙে যাচ্ছে, কাজেই এই ডিলেটা খুব ইম্পরটেন্ট, এর সঙ্গে  আরেকটা ব্যাপার হলো যে ব্যান্ডউইথ, ব্যান্ডউইথ হলো ডিলে না কিন্তু কথা ভেঙে  যাচ্ছে। আরেকটা হলো যে, আপনার ডাটাটা লস হয়ে যায় কিনা, ওই লস হয়ে গেলে কথা  থেকে যায়, এই তিনটি জিনিস ইম্পরটেন্ট, এই তিনটিকে বলে কোয়ালিটি অব সার্ভিস  আপনি যদি কারও সঙ্গে কথা বলেন, ডিলে কম হতে হবে, আর এনাফ ব্যান্ডউইথ থাকতে  হবে মানে ক্যাপাসিটি থাকতে হবে; আর আপনার কথাবার্তা যেন ড্রপ হয়ে না যায়,  লস না হয়। সব মিলেই কোয়ালিটি অব সার্ভিস। তো আমাদের প্রথম কাজ শুরু হয়,  ইন্টারনেটে যদি কানেক্ট করতে হয় স্পেসে, তাহলে এই কোয়ালিটি অব সার্ভিসটা  কেমন করে নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রথমে এই ব্যাপারটা নিয়েই কাজ শুরু করি।  তো ওই প্রজেক্ট শেষ হওয়ার পর এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটা প্রজেক্ট এসে যায়।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : তাহলে ইন্টারনেটে স্পেসে যোগাযোগ সম্ভব হলে কোয়ালিটি অব সার্ভিসটা নিশ্চিত করার কাজে আপনারা সফল হলেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; হ্যাঁ আমাদের পার্টটায় আমরা সাকসেসফুল, তবে এটা  আসলে একটা অনেক বড় প্রজেক্ট। স্পেসে ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করবে এটা বিভিন্ন  পর্যায়ে ভাগ করে করে নাসা কাজ করছে। আমরা কোয়ালিটি অব সার্ভিসের মতো ছোট  একটা পার্ট করেছি।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আলীম : মানে আপনি আপনার পার্টে সফল ছিলেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; হ্যাঁ, সফল ছিলাম। পরে ওরা টেস্টিং করে,  ইমপ্লিমেন্টিশন করার চেষ্টা করে, ওটা আদৌ ইমপ্লিমেন্ট করবে কিনা দেখে; এসব  অনেক কিছু আছে, বিজনেস সাইডও আছে, আদৌ করা দরকার কিনা এটা। ওই প্রজেক্টটা  হলো, তার পরের প্রজেক্টে আমরা শুরু করলাম।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : দ্বিতীয় প্রজেক্টও ওই ইন্টারনেট কমুনিকেশন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;হ্যাঁ। প্রথম প্রজেক্টে আমরা ছিলাম চারজন। সবাই  আমেরিকান। সেকেন্ড পার্টে আমরা যেটা করি একজেক্টলি এর কন্টিনিশন না, এক এর  রিলেটেড বলা যায়। এটা ছিল উড়োজাহাজের কমিনিউকেশন, ককপিটের সঙ্গে যে এন্টেনা  থাকে, সেটা কমিউনিকেট করে বাইরে থেকে আসা ডাটা ডাউনলোডের মাধ্যমে, এটা  কমিনিউকেট করে স্যাটেলাইটের সঙ্গে । এই কমিনিউকেশন হয় কোয়ার্সেল ফাইবার  দিয়ে। কোয়ার্সেল ফাইবার আপনারা চেনেন, টিভির ডিস সংযোগ দেওয়া হয় যে তার  দিয়ে। ওটাই কোয়ার্সেল কেবল। এখন আপনি যদি অনেকগুলো এন্টেনা বসান টিভিতে,  আরও নতুন নতুন এন্টেনা বা সেন্সর বসান। আজকাল তো খুব সেন্সর বসাচ্ছে  চারিদিকে। তাহলে কিন্তু অনেক তার টানতে হবে। এই কোয়ার্সেল ফাইবারগুলো খুব  মোটা মোটা হয়।&lt;br /&gt; প্লেনে কী হয়? বেশি তার হলে প্লেনের ওজন বেড়ে যায়। প্লেনের জন্য এটা  একটা প্রবলেম, আরেকটা বিষয় আছে কেবলগুলো যদি সব একসঙ্গে করে দেন তাহলে আবার  একটার সঙ্গে আরেকটার সিগনাল ইন্টারফেয়ার করবে, সিগনাল ইন্টারফেয়ার করলে  সিগনাল লস হয়ে যাবে, ইনফরমেশন নষ্ট হবে। আর প্লেনের ভেতরে সিগনাল লস হওয়া  মানে ডেনজারাস সমস্যা, বিশাল বিপদ হয়ে যাবে, জেনারেলি ইনফরমেশন লস হলে খুব  একটা সমস্যা নেই কিন্তু প্লেনে তো বিপদ ঘটতে পারে। কিন্তু যোগাযোগের শক্তি  বাড়াতে হলে কোয়ার্সেল ফাইবার একটা বাধা। তাই নাসা চিন্তা করেছে যে ওই  কোয়ার্সেল কেবল ফেলে দিয়ে একে কীভাবে অপটিক্যাল ফাইবার করা যায়।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : প্লেনের ঠিক কোথায় এই কেবলগুলো থাকে?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; বিভিন্ন জায়গায় যেমন ডানার ওপর থাকে, ছাদের ওপর  থাকে, বিভিন্ন জায়গায় থাকে। বেশি ইনফরমেশন কোয়ারসেল কেবল দিয়ে গেলে ওই বেশি  কেবল বসাতে হবে বিমানের ভেতর। তাতে ওজন বেড়ে যাবে বিমানের। এ জন্য চিন্তা  করলাম কোয়ারসেল কেবল ফেলে দিয়ে অপটিকাল ফাইবার বসালে কেমন হয়। কিন্তু  অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারেও অনেক প্রবলেম আছে। যেমন ধরেন অপটিক্যাল  ফাইবারের যন্ত্রপাতিগুলো খুব এক্সপেনসিভ, তারপর অপটিকাল ফাইবারের দুটি  সিগনাল যদি একসঙ্গে জোড়া লাগাতে চান তাহলে খুব কঠিন, কারণ তাতে লাইট আসবে  সো অপটিকাল ফাইবারের জোড়া লাগানো কঠিন, লাইটকে সøাইস করতে হয়, অনেকরকম  যন্ত্রপাতি লাগে। তো এটাই আমাদের রিসার্চ ছিল, কোয়ারসেল কেবল বাদ দিয়ে  ফাইবার কেবল ব্যবহার করা যায় কিনা, আর যদি বসানো যায় তাহলে কীভাবে বসানো  যায়? আর্কিটেকচারটা কী হবে? প্ল্যানিংটা কী হবে সেটা নিয়ে আমরা রিসার্চ করি  পরের প্রজেক্টে, মানে সেকেন্ড প্রজেক্টে, তো ওইটাতে আমরা অনেকদূর এগিয়ে  ছিলাম। একটা ব্যাপার, রিসার্চের সঙ্গে ওরা কিন্তু আরেকটা ব্যাপার দেখে যে  রিসার্চ করার পর ইমপ্লিমেন্ট করবে কিনা, অনেক সময় রিসার্চের পর পরই সঙ্গে  সঙ্গে ইমপ্লিমেন্ট হয় না। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ব্যাপারও যুক্ত থাকে।  রিসার্চের পর তারা এটাও খতিয়ে দেখে যে ওটা আদৌ বাস্তবায়ন করা সম্ভব কিনা।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : প্লেনে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের গবেষণায়ও সফল হয়েছেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; হ্যাঁ, সাকসেসফুল, ইমপ্লিমেন্টেশন এখনও শুরু হয়নি।  শুরু হবে কিনা তা নাসা ম্যানেজমেন্টের ডিসিশন, এখন ওই প্রজেক্টট ওরা বন্ধ  করে দিয়েছে। মূল প্রজেক্টটা ছিল এয়ারক্রাফটের সেফটি কীভাবে বাড়ানো যায়, তার  একটা পার্ট ছিল এটা, এখন ওই প্রজেক্টে মার্কিন গভমেন্ট আর ফান্ড করছে না।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : এসব রিসার্চের পেটেন্ট কাদের কাছে থাকে?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; আমাদের ইউনিভার্সিটিতে আমরা যেসব রিসার্চ করি তা  ওপেন হতে হবে। এটা পেটেন্ট করা যায় কিন্তু আমরা করি না। কারণ আমরা চাই সবাই  এই উদ্ভাবনের কথা জানুক, ব্যবহার করুক। আমরা এডুকেশনের সঙ্গে যুক্ত, আমরা  চাই শেখাতে। আমরা লুকাতে চাই না। আর আমাদের ইউনিভার্সিটিও নন প্রফিট।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : তারমানে আপনি চাইলেও পেটেন্ট করতে পারতেন না?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; না। শুধু আমরা না। নাসাও চায় সবাই জানুক, কারণ  নাসা চলে ট্যাক্সের পয়সায়। এখন আমরা যদি না জানাই তাহলে ট্যাক্সপেয়ারা কেন  টাকা দেবে। ওদের জানাতে হবে ওদের টাকায় কী কী রিসার্চ হচ্ছে। হ্যাঁ, যখন  ওরা ইমপ্লিমেন্ট করবে তখন জানাবে না কাউকে। সেটা হলো সিকিউরিটির জন্য।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : থার্ড প্রজেক্ট?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; থার্ড প্রজেক্ট ছিল ইন্টারনেট যদি স্পেসশীপের  সঙ্গে কানেক্ট করি, তাহলে সেটা কীভাবে কানেক্ট করবো? মহকাশে  স্যাটেলাইটগুলোতে সব সময় মুভ করছে। এই মুভমেন্টে থাকলে স্যাটেলাইট  কানেক্টিভিটি কীভাবে অটুট রাখা যাবে। এটা বিরাট একটা চ্যালেঞ্জ। কারণ  স্যাটেলাইট কমিনিউকেট করে নিচের গ্রাউন্ড স্টেশনের সঙ্গে। যখন মুভ করে তখন  কন্টাক্ট থাকে না। তখন যা হয় নিচে ডাটাগুলো স্টোর হতে শুরু করে। তারপর  ঘুরতে ঘুরতে যখন আবার সংযোগ স্থাপন হয় আবার ডাটা স্টোর হতে শুরু করে। এই  স্টোরিংয়ের কাজে প্রচুর টাইম লেগে যায়। এখন এমন যদি হয়, ডাটা যদি হয় রিয়েল  টাইম, মানে সঙ্গে সঙ্গে জানাল। তাহলে বিরাট ব্যাপার হয়। এটা করার জন্য কী  করতে হবে সব গ্রাউন্ড স্টেশন কাছাকাছি রাখতে হবে। কিন্তু এটা তো প্রায়  অসম্ভব। এবং খুব এক্সপেনসিভও। তো ডাটা সরবরাহ কিভাবে কন্টিনিউ রাখা যায়  সেটা নিয়েই আমরা অনেক বছর কাজ করছি। প্রায় ছয়-সাত বছর। আমরা এ সময়ে কিছু  কিছু টেকনিক বের করেছি, কন্টিনিউয়াসলি যাতে কানেক্টিভিটি রাখা যায়। সেসবের  কিছু কিছু আর্কিটেকচার করে আমরা নাসাকে দেখিয়েছি। আরও প্রপোজ করেছি। ওদের  যখন প্রপোজ করা হয়, ওরা তখন বলে টেস্ট করে দেখাও, সম্ভব কিনা, একে বলে  প্রোটোটাইপিং। এগুলো আমরা অনেক করেছি। আমরা সাকসেস। কিন্তু এটা এখনকার  টেকনোলজিতে পারা যাবে না। কারণ এখনকার স্যাটেলাইটগুলো একদিকে মুখ করে থাকে।  মুভ করে না।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : মানে অবস্থান সরলেও …&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; হ্যাঁ, এখনকার স্যাটেলাইট যেহেতু মুভ করে না। আমরা  যেভাবে বলেছি, তা করতে হলে স্যাটেলাইট চেঞ্জ করতে হবে। এটা আমরা ল্যাবে  টেস্ট করে দেখিয়েছি। অপারেশন স্যাটেলাইট যেগুলো আছে আকাশে, তার উপরেও টেস্ট  করেছি।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : এই টিমে ক’জন ছিলেন আপনারা?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;এই টিম বিরাট ছিল, একেক সময় একেকজন, অলমোস্ট ১৫ জনের মতো।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : এই প্রজেক্ট শেষ?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; অফিসিয়ালি শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা বাকি কাজটা  করে যাচ্ছি। নেক্সট প্রজেক্টটা পাওয়ার জন্য। তবে ওটা নিয়ে আমি এখনও শিওর  না, ওরা কোন দিকে ফান্ড করার চেষ্টা করবে এটা ডিপেন্ড করে ওদের  ইন্টাররেস্টের ওপর। এটা ডিপেন্ড করে ফেডারেল গভর্নমেন্টের পলিসির উপরে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : সব দেশ তো অস্ত্র গবেষণায় বেশি আগ্রহী।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; ঠিক বলেছেন, যেমন ওদের টাকার শর্ট পড়ল তো তখন ওরা এসে বলবে স্পেস এক্সপ্লোর ইমার্জেন্সি না, আগে দেশ ঠিক করতে হবে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : বুশের সময় যেমন স্টার ওয়ার…&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; এক্সাক্টলি টাকার টান পড়লে কোন সবার আগে বাদ দেয়  রিসার্চ। কারণ রিসার্চ তো ২০/২৫ বছর পরে লাগে, তো ওইটা আপাতত স্থগিত রাখা  হোক এ রকম আর কী। নাসার অনেক প্রোগ্রাম যেমন এখন অনেক স্থগিত হয়ে গেছে,  আমেরিকার ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের কারণে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : গবেষণা থেকে সবে আসি। আপনার পড়ানোর বিষয় তো কম্পিউটার সাইন্স ?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;হ্যাঁ। ২০০১ থেকে, ১৩ বছর বছর ধরে পড়াচ্ছি ।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : রিসার্চের টাইমটা কীভাবে বের করেন ?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; আমাদের যে ওয়ার্কিং টাইম তার ৪৫ ভাগ টাইম ইউজ করি  টিচিং আর ৫০ ভাগ টাইম উইজ করি রিসার্চের জন্য। এটা ইউনিভার্সিটির কাছে  অ্যাপ্রুভ করা আছে আমাদের।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : রিসার্চ কি বাধ্যতামূলক?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;রিসার্চ করা বাধ্যতামূলক।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : সপ্তাহে ক’দিন ক্লাস নিতে হয়?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; সপ্তাহে ২/৩ দিন ক্লাস নেই।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : রিসার্চের বাইরে পড়ানো কতটা এনজয় করেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;পড়ানোটা আমার প্যাশন, ইনফ্যাক্ট বুয়েট থেকে পাস  করার পর সব সময়ই আমি টিচিংয়ে ছিলাম। তবে আমি বেশি এনজয় করি যখন দেখি আমার  রিসার্চ আপ্লাই হয়েছে। অর্থাৎ থিওরিটিক্যাল রিসার্চটা এপ্লাইড দেখতে চাই আর  কী।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : আপনি দেশে এবং বিদেশে, দু’জায়গাতেই পড়িয়েছেন, এই দুই জায়গায় আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;বুয়েটের স্টুডেন্টরা খুবই ব্রাইট। কারণ সারা দেশ  থেকে সিলেক্ট করে নেয়া হয় ওদের। ওরা সব সাকসেসফুল স্টুডেন্ট। বাইরের  ইউনিভার্সিটিতে অত স্ট্রিক্ট না। এ জন্য দেখা যায়, একইসঙ্গে খুব ভালো  ব্রাইট ছেলে আছে আবার কম, মিডিয়াম, অ্যাভারেজ ছেলেও আছে, কারণ ওখানে শুরু  মেরিট দেখে সিলেক্ট করা হয় না, ডাইভারসিটিও থাকতে হয় নির্বাচনে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : আপনার ইউনিভার্সিটির ছাত্র আর আমাদের বুয়েটের, কে ভালো?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; বুয়েটের। বুয়েটের সব ছাত্র, একদম ফিল্টারড। একটা দেশের একদম বেস্টকে আমরা নিচ্ছি ।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : দেশ নিয়ে ভাবেন বা বলেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;আমি তো বাংলাদেশে বড় হয়েছি তো এটা তো আমার প্রাণের  টান, ওখানে স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আছে, বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের ওখানে আমি  অ্যাডভাইজার। আমরা কালচারাল বিভিন্ন অনুষ্ঠান করি, বিভিন্ন বাংলাদেশী  স্পিকারদের ইনভাইট করি যেমন বাংলাদেশের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আতাউল করিম,  ওনাকে ইনভাইট করেছিলাম। ইনফ্যান্ট আমরা ক্লোজ ফ্রেন্ডও। আমি যখন ডেটন  ওহাইয়োতে উনিও তখন ওখানে চাকরি করতেন।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আলীম : আপনার দেশের বাড়ি কোথায়?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; নরসিংদী। আমি প্রতি বছর দেশে আসি এ বছর তিনবার এসেছি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;br /&gt;আলীম : আপনার ফ্যামিলির কথা বলেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; আমার ওয়াইফ আছে, আমার মেয়ে চাকরি করে আমেরিকাতে,  ছেলে ইউনিভার্সিটিতে ফার্স্ট ইয়ারে, আমার মেয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে  পাস করেছে জর্জিয়াটেক থেকে, আটলান্টাতে এখন কাজ করে একটা কোম্পানিতে,  ডেক্সটন বলে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, আমার ওয়াইফও পাস করেছে বুয়েট থেকে।  আমার ছেলেও কম্পিউটার সাইন্সে পড়াশোনা করছে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে। আমরা  চারজনই ইঞ্জিনিয়ার।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : আপনার মেয়ের জন্ম হয়েছে সৌদি আরবে, ছেলের জন্ম হয়েছে অস্ট্রেলিয়াতে, ওরা বাংলাদেশের সঙ্গে কতটা পরিচিত?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; আমরা বাসায় সব সময় বাংলা বলি। বাসায় সব সময় বাঙালি  খাবার-দাবার খাই। ওরা বাংলা লিখতে পারে না, পড়তে পারে একটু একটু বড় হেড  লাইন…। কিন্তু বাংলায় কথা বলে ওরা সবাই। মানে আমরা পুরোই বাঙালি বলতে  পারেন। বাংলাদেশ ওদের খুব পছন্দ। ওরা খুব ইন্টারেস্টিং মনে করে, এনজয় করে  দুয়েকটা জিনিস ছাড়া: ট্রাফিক আর মশার কামড় এগুলো ওরা সহ্য করতে পারে না লাল  হয়ে যায়। এছাড়া খাবার-দাবার তারপর এখানে কাজের লোক আছে লাইফ কমফোরটেবল,  দাদা-দাদি আছে খুব আদর করে। এসব খুব পছন্দ করে, ওখানে তো এসব পায় না।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : ভবিষ্যতের কি প্ল্যান?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; যেহেতু আমার ছেলেমেয়েরা ও দেশে বড় হচ্ছে ওখানেই  চাকরি করবে, ওখানেই থাকবে আমার হয়তো এখানে আসাটা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। যেখানে  ছেলেমেয়ে থাকে ন্যাচারালি আমিও সেখানেই থাকব। এখনও এ রকমই প্ল্যান।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : বাংলাদেশের জন্য কিছু করতে চান?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; বাংলাদেশের জন্য কিছু করতে পারলে তো খুব ভালো। সে  রকম কোন প্রজেক্টে থাকতে পারলে…। সেরকম হয়তো অনেক সুযোগও আছে। কিন্তু আমি  সেভাবে ইনভলভ না। তবে আমার রেগুলার বুয়েটের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। বুয়েট থেকে  অনেক ছেলেমেয়ে যায় পিএইচডি করতে। তখন ওদের হেল্প করি। বুয়েটে গেলে সেমিনার  দেই। রিক্রুটমেন্ট দেই বুয়েট থেকে। বাংলাদেশ থেকে দুটি কনফারেন্স হয় বড় বড়,  একটা আতাউল করিম সাহেব করেন। ওটাতে আমি কি-স্পিকার থাকি সব সময়, কয়েক বছর  ধরে। এ বছরও দিলাম খুলনা ইউনিভার্সিটিতে। কনফারেন্স ক্যানসেল হয়ে গেল  হরতালের জন্য। তারপর আরেকটা কনফারেন্স হয় ঊওঈঞ বলে, ওটাও ক্যানসেল হয়ে  গেছে।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপনার কী মতামত?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;আমার মনে হয় বাংলাদেশের যে গ্রোথ তা কমে যাচ্ছে।  বাংলাদেশ ইজ গ্রোইং ভেরি ফাস্ট। যেমন আমি দেশের বাইরে আছি অলমোস্ট ৩০ বছর  থেকে। যদি কম্পেয়ার করি। ব্যাংকিং সেক্টর অনেক ভালো হয়েছে। সার্ভিস ভালো  হয়েছে। এডুকেশন সেক্টর ভালো হয়েছে। আগে তো প্রাইভেট ভার্সিটি ছিল না।  টেলিকম, আগে তো শুধু ল্যান্ডলাইন ছিল, গভর্নমেন্টের। এখন তো কত ক্যারিয়ার।  ইন্টারনেটে কত সুবিধা হয়েছে। একমাত্র খারাপ যেটা হয়েছে ট্রাফিক জ্যাম।  দেশের যে প্রগ্রেসটা চলছিল গার্মেন্ট সেক্টরে সবই পিছিয়ে যাবে এসব চলতে  থাকলে। এটা একটা বড় সমস্যা। এ সমস্যা না থাকলে বাংলাদেশের খুবই ব্রাইট  ফিউচার। ইনফ্যাক্ট অনেক ছেলেমেয়ে আমেরিকায় পড়াশোনা করে দেশে চলে আসছে কারণ  দেশের ফিউচার অনেক ভালো। ২৫ বছর আগেও এটাও ছিল না। আমি এদের এনকারেজ করি,  তুমি যদি দেশে গিয়ে কমফোরটেবল ফিল কর তোমার অপারচুনিটি অনেক বেশি।  বাংলাদেশে যেভাবে গ্রো করছে তাতে ইড হ্যাভ নাইস ফিউচার।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : আপনার শৈশব সম্পর্কে বলুন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;আমি তো পড়াশোনা করেছি সেন্ট যোশেফ হাইস্কুলে  মোহাম্মদপুর। আমরা থাকতাম তখন শেরেবালা নগরে। আমার আব্বা জাজ। আমরা যখন  ঢাকা ছিলাম আমার আব্বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বিলিতে অ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি  ছিলেন। তারপর সেন্ট যোশেফে ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়ার পর ধানমন্ডি গভমেন্ট  বয়েজ হাইস্কুলে, ছয় মাস নাইনে, তারপর আব্বা বদলি হয়ে যান ময়মনসিংহ। তারপর  মেট্রিক পাস করি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে। তারপর বাবা বদলি হয়ে যান  সিলেটে। তারপর আমি ইন্টারমিডিয়েট পাস করি সিলেট গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে।  সিলেট বোর্ডে চতুর্থ ছিলাম। মেট্রিকেও চতুর্থ ছিলাম, কুমিল্লা বোর্ডে।  তারপর আব্বা বরিশালে বদলি হয়ে যান। আমি তখন বুয়েটে ভর্তি হই। বুয়েটে পাস  করে বুয়েটে জয়েন করি। ছেলেবেলায় খুব টেবিল টেনিস খেলতাম। তারপর  ক্রিকেট-ফুটবল খেলতাম।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : বাংলাদেশের ক্রিকেট ফলো করেন?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক : &lt;/strong&gt;অবশ্যই, রাতে জেগে খেলা দেখি। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের নিয়ে সারা রাত জেগে, প্রজেক্টর লাগিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখি আমার বাসায়।&lt;br /&gt; &lt;strong&gt;আসনাম : শিক্ষকতার কোনো একটা ইন্টারেস্টিং অভিজ্ঞতা দিয়ে সাক্ষাৎকারটা শেষ করি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আতিক :&lt;/strong&gt; টিচিংয়ের ক্ষেত্রে একবার হয়েছে কি এটা  অস্ট্রেলিয়াতে থাকতে, ক্লাস নিতে গিয়ে খেয়াল করলাম, এক ছেলে পেপার পড়ছে এর  মানে সে বোঝাতে চাইছে যে আমার ক্লাসে সে ইন্টারেস্টেড না, কিন্তু এটা আমি  যদি এলাও করি তাহলে পুরো ক্লাস এফেক্টেড হবে। আবার ওকে ক্লাস থেকে বেরিয়ে  যেতেও বলতে পারছি না কারণ সে তো কাউকে ডিস্টার্ব করছে না, ইউনিভার্সিটি  রুলসেও পড়ে না। ছেলেটা পেপার পড়ছে আর একা একা হাসছে, তো আমি ওকে বললাম তুমি  তো ক্লাসের চেয়েও ইন্টারেস্টিং কিছু পড়ছ বলে মনে হচ্ছে, আমাদেরও শোনাও না  কী পড়ছ। আমাদের সঙ্গেও শেয়ার করো, তখন ও সমানে না না করছে, তো আমি আবার ওকে  ইনসিস্ট করলাম তো পড়ে শোনালো ও। আমি আবার লেকচার দেয়া শুরু করলাম। তখন ও  পেপার পড়া বন্ধ করে দিল। হি গট দি মেসেজ একচুয়ালি।&lt;br /&gt; &lt;em&gt;আলোকিত বাংলাদেশ, জায়েন আসনাম-এর সৌজন্যে। &lt;/em&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-NsVskFs6rqQ/UucpNfZ33hI/AAAAAAAAAek/m_lw3fYfLUo/s72-c/Nasa-640.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বিশ্বের সবচেয়ে বর্ণিল শহর</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_20.html</link><category>সাইট রিভিউ</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 23:13:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-613333971099114345</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবীর পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে সৌন্দর্য্। এর কোনটি মনুষ্য  সৃষ্ট, কোনটি প্রাকৃতিক। কখনো অপরূপ এই সৌন্দর্য ধর‍া পড়ে ঠিক আমাদের  বাড়ির আঙ্গিনায়ম আবার কখনো দূর দূরান্তে; এক দেশ থেকে অন্য দেশে। এমনই কিছু  ইট-পাথর ও কংক্রিটের রঙিন শহরের খবর বাংলানিউজের পাঠকের জন্য তুলে ধরা  হলো:&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ব্রুনো, ভেনিস, ইতালি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;strong&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-Tm7DxuzYxgs/Ut4djUQRc6I/AAAAAAAAAeU/ibMz_YcA4nw/s1600/0120131113033152.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/-Tm7DxuzYxgs/Ut4djUQRc6I/AAAAAAAAAeU/ibMz_YcA4nw/s1600/0120131113033152.jpg" height="267" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ইতালির এই দ্বীপ শহরটি মূলত কারুকার্যের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু শহরের  রঙিন বাড়িগুলো নিয়ে রহস্য ও রূপকথার শেষ নেই। রঙ-বেরঙের আলপনার বাড়ি, গা  ঘেষে চলে গেছে নদী। সেই নদীর পানিতে প্রতিফলিত হয়েছে বাহারি রঙ। যেন পানির  নিচটা রঙ করা। গোধূলি বেলায় এর সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায়। চোখে না দেখলে মনে  হবে কোন শিল্পী হয়ত রঙ তুলির আঁচড়ে পুরো শহরটি এঁকে রেখেছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;চেফচুকান, মরক্কো:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="02" height="298" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0220131113033202.jpg" title="02" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;নিজ  দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে ইহুদি শরণার্থীরা ১৯৩০ সালের দিকে মরক্কোর এই পাহাড়  ঘেরা শহরে আশ্রয় নেয়। তখন তারাই ছবিতে শহরটিকে সবুজ রঙে চিত্রায়িত করেন।  শরাণার্থীদের সেই পেইন্ট বজায় রেখে এখন শহরটি সেজেছে নীল রঙ ও সাদার  মিশেলে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আর্কোস ডে লা ফ্রন্টেরা, স্পেন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="03" height="300" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0320131113033228.jpg" title="03" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;দূর  থেকে এই অঞ্চলের বাড়িঘরগুলো দেখলে মনে হতে পারে পাহাড়ের উপর হয়ত তুষার  পড়েছে। কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যাবে প্রায় সব বাড়ির দেয়াল সাদা রঙে আঁকা।  যেন দূরের আকাশের সাদায় মিশে গেছে বাড়িগুলোর রঙ।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;যোদপুর, ভারত&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="04" height="267" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0420131113033236.jpg" title="04" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;এবার  বেশি দূরে নয়, আমাদের প্রতিবেশী ভারতের যোধপুর শহরে ভবনগুলোর দিকে তাকিয়ে  দেখুন। বিশাল এক এলাকার বাড়িঘরগুলো নীল রঙে ঢাকা। এজন্য এটিকে ভারতের নীল  শহর (ব্লু&amp;nbsp; সিটি) বলা হয়। বর্তমান ভারতে যে এখনো বর্ণপ্রথা রয়েছে তারই  প্রতীক বহন করে এই বাড়িগুলো।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;সেন্ট জনস, নিউ ফাউন্ডল্যান্ড, কানাডা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="05" height="266" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0520131113033246.jpg" title="05" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;প্রায়ই একই নকশায় তৈরি করা এই বাড়িগুলো দেখতে হলে যেতে হবে কানাডার নিউফাউন্ড ল্যান্ডে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;জুজকার, স্পেন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="06" height="265" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0620131113033254.jpg" title="06" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;দক্ষিণ  স্পেনের এই ছোট্ট শহরটি ২০১১ সালের ‘স্মার্ফস’ চলচ্চিত্র তৈরির জন্য নীল  রঙ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এর রঙের প্রভাব পড়ে পর্যটনে। মাত্র কয়েক  বছরের মধ্যে একলাফে পর্যটক তিনশ’ থেকে আশি হাজারে উঠে যায়। তাই বাসিন্দাদের  অনুরোধের মুখে আর শহরটিকে আর পুরোনো চেহারায় ফিরিয়ে নেননি নগরবিদরা।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;লংইয়ারবাইন, নরওয়ে&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="07" height="350" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0720131113033302.jpg" title="07" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;নরওয়ের  মেরু অঞ্চলের এই শহরটি বেশ কৌতূহলময়। এখানে এতো ঠাণ্ডা পড়ে যে লাশও নরম  হয়না। তাই বলা হয়ে থাকে, এখানে মারা যাওয়া নিষেধ। যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যায়  তাহলে তাকে নরওয়ের অন্য শহরে ফেলে রাখা হয়। আর কেউ যদি মারাই যায় তাহলে  তাকে কেউই কবর দেয়না। বলা হয়ে থাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে, শহরটির বাসিন্দারা  কাষ্ঠনির্মিত এই রঙিন বাড়িগুলোতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ব্রাইটন বিচ, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="082" height="265" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0820131113033314.jpg" title="082" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;মেলবোর্নের  সমুদ্রের পাশে এই এলাকাটি বিখ্যাত রঙিন গোসল করার বাক্স রয়েছে। এখানে এমন ১  হাজার আটশ ৬০টি বাক্স রয়েছে। সমুদ্রে সৈকতের চেয়ে এই রঙিন বাক্সগুলোই  পর্যটকদের নজরে পড়ে বেশি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;মেন্টন, ফ্রান্স&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="092" height="215" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/0920131113033326.jpg" title="092" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;ফেঞ্চ রিভেরিয়া নামে পরিচিত ভূমধ্যসাগরীয় এই শহরটির রঙ দেখে আর কি বা বলার থাকতে পারে!&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;রোকলো, পোলান্ড&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="10" height="247" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1020131113033336.jpg" title="10" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;নরওয়ের  এই এলাকাটির নাম ‍হয়তো আপনার কাছে অপরিচিত লাগছে। গথিক স্থাপত্যে শৈলিতে  তৈরি এটি পোলান্ডের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। তাছাড়া এটি পুরো ইউরোপের অন্যতম বড়  মার্কেটও বটে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;গামলা স্টান, স্টকহোম, সুইডেন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="112" height="266" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1120131113033351.jpg" title="112" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;স্টকহোমের পুরোনো এই শহরটি পর্যটকদের কাছে খুবই প্রিয়।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;বু-কাপ, কেপটাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="122" height="267" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1220131113033402.jpg" title="122" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;কেপ টাউনের উপশহর এটি। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে যেসব দাস ছাড়া পায় তারা একসময় এখানে বাস করা শুরু করে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ভালপারাইজো, চিলি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="1320" height="265" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1320131113033413.jpg" title="1320" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;চিলির এই বন্দরনগরীর সবখানেই রঙের ছোয়া&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;নাইহাভন, কোপেনহেগেন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="142" height="258" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1420131113033422.jpg" title="142" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;সতের ও আঠার শতকের হ্রদের কোলঘেষে গড়ে ওঠা এই বাড়িগুলো অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;সিনেক টেরে, ইতালি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="52" height="265" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1520131113033431.jpg" title="52" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;ছবিটি দেখে মনে হতে পারে কোন এটি কোন ওয়ালপেপার, আসলে এটি ইতালির রিও ম্যাগিওরে শহর এটি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;img alt="162" height="268" src="http://www.banglanews24.com/images/PhotoGallery/2013August/1620131113033444.jpg" title="162" width="400" /&gt;&lt;/div&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিকোর শহর এটি।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-Tm7DxuzYxgs/Ut4djUQRc6I/AAAAAAAAAeU/ibMz_YcA4nw/s72-c/0120131113033152.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>তিরিশের আগেই করে ফেলুন ৩০টি কাজ</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_56.html</link><category>স্বাস্থ্যবটিকা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 23:06:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-3189348607676282621</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;আপনি কি তিরিশে পা দিয়েছেন? জীবনের বিশেষ একটি পর্যায়ে পৌঁছে যাবেন যখন  আপনি ৩০ বছরে পদার্পণ করবেন। জীবনের মোটামুটি মাঝামাঝি এই বিন্দুতে এসে  বিগত সময়ের অনেক কিছুতেই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আসবে। তিরিশে পা দেওয়ার আগে  ৩০টি কাজের তালিকা দিয়েছেন অভিজ্ঞজনরা। একটু দেখে নিন, ত্রিশের আগে এই ৩০টি  কাজ করেছেন কী না?&lt;br /&gt;১. সবচেয়ে উপভোগ্য বলে মনে হয় এমন স্থানে ভ্রমণ:  ভ্রমণের নেশা কার না থাকে। ঘরকুনো মানুষও তার পছন্দের কোনো স্থানে যেতে  পিছপা হয় না। যে স্থানটি আপনার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য বলে মনে হয়, ত্রিশের  আগে সেখানে ঘুরতে যান। এ স্থানটি হতে পারে দেশের ভেতরে বা বাইরে।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-E_1Q-BmWeg4/Ut4cSCeSCsI/AAAAAAAAAeI/oyhUoOf93IE/s1600/images.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/-E_1Q-BmWeg4/Ut4cSCeSCsI/AAAAAAAAAeI/oyhUoOf93IE/s1600/images.jpg" height="248" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;২.  স্বপ্নের পেশায় কিছুদিন হলেও কাজ করুন: ধরুন, এখন শুধুমাত্র উপার্জনের জন্য  কাজ করছেন। কিন্তু আপনি মনেপ্রাণে অন্য একটি পেশা বেছে নিতে চেয়েছিলেন,  হয়তো সম্ভব হয়নি। তাতে কি, হতাশ না হয়ে ত্রিশের আগেই ওই পেশায় চলে যাওয়ার  চেষ্টা করুন।&lt;span id="more-5788"&gt;&lt;/span&gt; এর জন্য লেখাপড়া বা সময়ক্ষেপণের  প্রয়োজন হলেও এগিয়ে যান। দেখবেন, অতি দ্রুত আপনি ওই পেশার জন্য দক্ষ হয়ে  উঠবেন এবং এক সময় তা পেয়েও যাবেন।&lt;br /&gt;৩. স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন  করুন: দরিদ্র শিশুকে বাঁচাতে অর্থ যোগানের কাজ বা রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ  নিয়ে রক্ত সংগ্রহ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের মতো  স্বেচ্ছাসেবক কর্মকাণ্ডে যোগ দিন। ত্রিশের আগে এসব কাজের অভিজ্ঞতা আপনাকে  ভবিষ্যতে দিক নির্দেশনা দিতে পারে।&lt;br /&gt;৪. দেশের সব স্থান ঘুরে দেখুন: ৩০  বছরের আগেই নিজ দেশের সব জায়গা ঘুরে দেখার চেষ্টা করুন। পাহাড়ের চূড়া,  সমুদ্রের গর্জন আর অরণ্যের নিবিড়তায় হারিয়ে যান। এতে আপনার অভিজ্ঞতা যেমন  বাড়বে, তেমনি প্রকৃতির প্রতি জন্মাবে ভালবাসা।&lt;br /&gt;৫. একাকী ঘুরে বেড়ান:  ত্রিশ বছরের আগে একাকী ঘুরে বেড়ান আপন মনে। কারণ এর পর সংসার জীবন শুরু হবে  অথবা মনে আসবে পরিবর্তন। তখন একা ঘোরার মজাটা আর পাবেন না।&lt;br /&gt;৬.  ত্রিশের আগে নিজের পাসপোর্ট করুন: দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট করার  মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সেরে ফেলুন। এটি পরিচয়পত্রের কাজ করবে। আবার দেশের  বাইরে ঘুরতে যেতেও লাগবে।&lt;br /&gt;৭. প্রেম করুন: এ বয়েসের আগে প্রেমের  অনুভূতিই থাকে ভিন্ন। ভালোলাগা, ভালোবাসাকে সজ্ঞায়িত করতে পারবেন নিজেই।  সম্পর্কের এই পর্যায়টি নিয়ে নিজস্ব বোধ তৈরি হবে। নতুন প্রেমের শিহরণ ও  ভালোবাসার দুর্দমনীয় চাওয়া-পাওয়ার সাথে পরিচিত হওয়ার সময় ত্রিশের আগে।&lt;br /&gt;৮.  ভবিষ্যতের জন্য বড় কিছু করুন: আপনার সাধ ও সামর্থ্যের বাইরে না গিয়ে  যতোটুকু সম্ভব হয়, ত্রিশের আগেই করে ফেলুন। হতে পারে ব্যাংকে একটি ফিক্সড  ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলা বা কাজে লাগবে এমন কিছু কিনে রেখে দেওয়া ইত্যাদি।  ত্রিশের পর হঠাৎ করেই এটি আপনার উপকারে লাগবে।&lt;br /&gt;৯. বিবাহিত হলে সন্তান  নিন: যদি বিয়ে করে থাকেন তবে ত্রিশের আগেই সন্তান নিয়ে নিন। মূলত সংসার  পাততে বয়স কোনো শর্ত হিসেবে বিবেচ্য নয়। তবে এতোদিন পর্যন্ত না নিয়ে থাকলে  অবশ্যই ত্রিশের আগেই নিয়ে নিন। আবার পরিবার বড় করতে চাইলে ত্রিশের ২-৩ বছর  বাদে আরেকটি সন্তান নিতে পারেন।&lt;br /&gt;১০. দেশ-জাতির সবচেয়ে বড় আনন্দে  সামিল হোন: প্রতিটি দেশের এবং জাতির সমাজ-সংস্কৃতির সাথে নানা  আচার-অনুষ্ঠান ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকে। বড় কোনো জাতীয় উৎসবে শামিল হোন  ত্রিশে পৌঁছানোর আগে। এর পরেও ইচ্ছেমতো দিনটি উপভোগ করুন। তবে ত্রিশের আগে  অবশ্যই বঞ্চিত হবেন না।&lt;br /&gt;১১. নিজের বংশ পরিচয় জানুন: না জেনে থাকলে  নিজের বংশ পরিচয় জেনে নিন ৩০ এর আগে। আপনার পূর্ব পুরুষরা কোথা থেকে  এসেছেন, তাদের পরিচয় কী ছিল ইত্যাদি জানা প্রয়োজন নিজের পরিচয় জানার জন্য।  তাহলে নিজেকে নিয়ে নতুন কোনো উপলব্ধি আসতে পারে আপনার।&lt;br /&gt;১২. নিজ  দায়িত্বে নিজেই শিখুন: ৩০ এ পা দেওয়ার আগে নিজের ক্লাস নিজেই করুন। হোক  সেটা হবি বা স্রেফ আনন্দ পাওয়ার জন্য। নতুন ভাষা শিক্ষার বিষয়ে হোক বা অন্য  দেশের রান্না নিয়ে হোক বা অন্য যেকোনো কিছু হতে পারে, একা বা বন্ধুদের  নিয়ে যেভাবে ভালো লাগে শিখে ফেলুন।&lt;br /&gt;১৩. একটি বই লেখার চেষ্টা করুন:  লেখার অভ্যাস থাকলে তো কথাই নেই, ত্রিশের আগে অন্তত একটি বই লেখার চেষ্টা  করুন। আর লেখায় উৎসাহী না হলেও ক্ষতি নেই, জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা বা  স্মৃতিগুলো ধরে রাখতে একটি বই লিখে ফেলুন। এটা আপনার আত্মার খোরাক হবে।&lt;br /&gt;১৪.  লম্বা পথ পাড়ি দিন: ঘোরাফেরার নানা রকম স্টাইল রয়েছে। লং ড্রাইভে যাওয়া  বলতে যা বোঝায়, তার চেয়েও লম্বা পথে ধরে ঘুরে আসুন। যেকোনো স্থানে থামুন,  আশপাশে নতুন কিছু বের করার চেষ্টা করুন। পরিচিত পথে দীর্ঘ সফরে অনুসন্ধিৎসু  মন কাজে লাগান ত্রিশের আগেই।&lt;br /&gt;১৫. হাল আমলের ফ্যাশন করুন: ত্রিশে এসে  পোশাক বা চুল বা অন্য ক্ষেত্রে ফ্যাশনের রুচি বদলায়। তাই ত্রিশের আগেই  চলতি ফ্যাশনের সাথে হালনাগাদ থাকুন। এটি আপনাকে ফ্যাশন সচেতন হতে শেখাবে।&lt;br /&gt;১৬.  নতুনদের সাথে সাক্ষাৎ করুন: আপনি যা করতে পছন্দ করেন, সে কাজের সাথে জড়িত  অন্যান্যদের সাথে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করুন ত্রিশের আগেই। এতে আপনার  সংশ্লিষ্ট কাজের প্রতি দক্ষতা এবং স্পৃহা বৃদ্ধি পাবে।&lt;br /&gt;১৭.  সুস্থ্য-সবল থাকুন: সাধারণত ২০ বছর পর্যন্ত মানুষ বেখেয়াল হয়ে চলে। নিজের  জীবনের প্রতি সচেতন থাকে না সে। কিন্তু ত্রিশের আগেই সুস্থ্য-সবল জীবন  কাটানো উচিত। ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়ম  মতো দিনযাপন ইত্যাদির অভ্যাস পরে নিয়ন্ত্রিত জীবন উপহার দেবে আপনাকে।&lt;br /&gt;১৮.  শখের দামী কিছু কিনুন: কিভাবে পয়সা খরচ করেন তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  শখের কিছু দামী জিনিস কিনুন। ত্রিশের আগে শখ পূরণের কাজটি সারতে পারেন। তবে  এর মানে এই নয় যে, ত্রিশের পর সৌখিনতা করা যাবে না।&lt;br /&gt;১৯. বই পড়ে  জ্ঞানার্জন করুন: জীবনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং বাস্তবিক শিক্ষা দেয় এমন বই  পড়ুন যতো পারুন। এতে করে জীবন সম্পর্কে আপনি যেমন বৈষয়িক হয়ে উঠবেন, তেমনি  অনুজকেও কিছু বাস্তবিক শিক্ষা দিতে পারবেন। আর ত্রিশের আগেই এ কাজটি সেরে  ফেলা উচিত।&lt;br /&gt;২০. ক্লাসিক সিনেমা দেখুন: অ্যাকশন বা থ্রিলার সিনেমার  ভক্ত সবাই। তবে ক্লাসিক ছবিগুলোও দেখা প্রয়োজন। বিনোদনে ভিন্ন মাত্রা যোগ  হবে। সিনেমা জীবনের কথাই বলে। ত্রিশের আগে বেশ কিছু ভাল মানের ক্লাসিক  সিনেমা দেখুন।&lt;br /&gt;২১. কনসার্ট দেখতে যান: বিশাল মাঠে বা স্টেডিয়ামে  প্রিয় ব্যান্ডের কনসার্টে উন্মাদনা আপনার স্মৃতি হয়ে থাকবে। ত্রিশের আগেই এ  মজা উপভোগ করুন। এর পর মজাটা আগের মতো উপভোগ্য নাও হতে পারে।&lt;br /&gt;২২.  পারিবারিক ঐতিহ্য গড়ে তুলুন: খুব বিশাল আয়োজনের কথা বলা হচ্ছে না। নিয়মিত  সাধারণ একটি আয়োজন পরিবারের ঐতিহ্য হয়ে উঠতে পারে। যেমন- প্রতি মাসে একবার  সবাই একসাথে বাইরে ভাল একটা রেস্টুরেন্টে ডিনার করবেন। অথবা প্রতি তিন মাস  পর পর দূরে কোথাও ঘুরতে যাবেন। আর এভাবে ত্রিশের আগেই পারিবারিক ঐতিহ্য  সৃষ্টির চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;২৩. বড় কোনো অপরাধ ক্ষমা করে দিন: জীবনে নানা  সম্পর্কের মানুষের সাথে কতো ঘটনা ঘটে। আপনাকে চরমভাবে কষ্ট দিয়েছে বা বড়  ধরনের প্রতারণা করেছে বা ক্ষতি করেছে- এমন ক্ষমার অযোগ্য অপরাধীদের ত্রিশের  আগে অন্তত একজনকে ক্ষমা করে দিন। এতে মনের ভার কমে যায় এবং মানসিক তৃপ্তি  আসে।&lt;br /&gt;২৪. পছন্দের অনুষ্ঠান লাইভ দেখতে যান: টিভিতে দর্শকদের  অংশগ্রহণে কতো অনুষ্ঠানই তো হয়। একেক জন একেকটি অনুষ্ঠানের ব্যাপক ভক্ত।  এমন একটি অনুষ্ঠানে ত্রিশের আগে একবার হলেও যান। পছন্দের অনুষ্ঠানটি লাইভ  দেখা আপনাকে ভিন্ন স্বাদ এনে দিবে।&lt;br /&gt;২৫. বাড়িতে সব বন্ধুদের নিয়ে  পার্টির আয়োজন করুন: ত্রিশের আগেই সব বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে একটা দিন  হই-হুল্লোড়ে কাটিয়ে দিন। পরে এ সুযোগ নাও আসতে পারে। নিজেই গোটা আয়োজনের  ব্যবস্থাপক হবেন। আর মনে রাখবেন, পার্টি শেষে অবশ্যই বাসার সবকিছু আগের  মতোই গুছিয়ে রাখবেন।&lt;br /&gt;২৬. যেকোনো একটি শিল্পে হাত পাকান: শিল্প আপনার  মনে একধরনের শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে দেবে। ছবি আঁকা, হস্তশিল্প বা  কারুশিল্প; যেকোনো একটিতে পারদর্শী হতে ত্রিশের আগেই কিছু সময় ব্যয় করুন।  এতে আপনার একাকী সময় কাটবে এবং চমৎকার শিল্প সৃষ্টি হওয়া বিচিত্র কিছু নয়।&lt;br /&gt;২৭.  বিশাল আয়োজনে শরীক হোন: সমাজ-সংস্কৃতির বিশাল কোনো আয়োজনে একাত্ম হোন।  ত্রিশের আগে অন্তত একবার। হতে পারে কোন ধর্মীয় আয়োজন বা বছরের একটি দিনে বড়  পরিসরে কিছু উদযাপন। দেশ বা বিদেশের এমন আয়োজনে অংশ নিয়ে একাত্মতা প্রকাশ  করুন।&lt;br /&gt;২৮. উত্তেজনাপূর্ণ কিছু করুন: একেক মানুষের কাছে একেকটি কাজ  উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে। মোটরবাইকে চড়ে দীর্ঘ ভ্রমণ বা রোলার কোস্টারে উঠে  উত্তেজনার চরমে চলে যান। আর ত্রিশের আগেই অন্তত একবার হলেও করবেন।  উত্তেজনায় নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে নিজের নতুন চেহারা দেখতে পাবেন।&lt;br /&gt;২৯.  টিকে থাকার লড়াইয়ে সামিল হোন: ভয়ঙ্কর কিছু নয়, সাধারণ উপায়েও এ অভিজ্ঞতা  অর্জন করা যায়। আর ত্রিশ না হতেই তা করে ফেলুন। বড়শি আর টোপ নিয়ে মাছ ধরতে  চলে যান। মাছ ধরে রান্না করে খাওয়া- গোটা কাজের অভিজ্ঞতা নেওয়ার চেষ্টা  করুন। ফাঁদ পেতে পাখি ধরা বা শিকারে যাওয়া আপনাকে জীবন সম্পর্কে দারুণ  শিক্ষা দিবে।&lt;br /&gt;৩০. ভিন্ন খাবারের স্বাদ নিন: সাধারণ খাদ্য তালিকার  বাইরের কিছু স্বাদ উপভোগ করুন ত্রিশের আগে। ধর্মীয় দৃষ্টকোণ থেকে নিষিদ্ধ  কোনো কিছুর কথা বলা হচ্ছে না। তবে ভিন্ন দেশের ভিন্ন সংস্কৃতির বৈচিত্রময়  খাবারের স্বাদ যতো পারুন ত্রিশের আগেই উপভোগ করুন।&lt;br /&gt;মূলত ৩০টি কাজের  এই তালিকার অনেক কিছুতে আপনার আগ্রহ নাও থাকতে পারে বা পুরোপুরি অপছন্দেরও  হতে পারে। তবে সাদামাটাভাবে ভিন্ন ধাঁচের অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণ এখানে ঘটানো  হয়েছে। সহজে করতে পারবেন এবং একইসাথে জীবনের অনেক কিছুই এখানে খুঁজে পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;(মূল লেখক: পার্থ বসাক, সামু ব্লগ) &lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://1.bp.blogspot.com/-E_1Q-BmWeg4/Ut4cSCeSCsI/AAAAAAAAAeI/oyhUoOf93IE/s72-c/images.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বলিউডের সেরা ১০ শিশুতোষ ছবি</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_29.html</link><category>হিন্দী ও ইংরাজী সিনেমা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 23:02:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-8272095770926082376</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;অ্যাকশন, সাসপেন্স, রোমান্স কিংবা হরর; প্রজন্মের পর প্রজন্মকে সবধরণের  ছবি দিয়েই বিনোদিত করার চেষ্টা করেছে বলিউড। সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ  অংশ শিশুদেরও বলিউড অবজ্ঞা করেনি। বলিউডে নির্মিত সেরা দশটি শিশুতোষ ছবির  তালিকা দেখুন।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-lXCkSBFdGJ8/Ut4bXipL3-I/AAAAAAAAAeA/VdNhIsgdeLc/s1600/image_56333_0.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-lXCkSBFdGJ8/Ut4bXipL3-I/AAAAAAAAAeA/VdNhIsgdeLc/s1600/image_56333_0.jpg" height="300" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span id="more-5809"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;মিস্টার ইন্ডিয়া (১৯৮৭)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;ছবিটির  কাহিনী অনেক মজার। ভয়ঙ্কর ভিলেন, দুষ্টু শিশু এবং অদৃশ্য একজন মানুষ- কী  নেই ছবিটিতে। সবমিলিয়ে তাই ছবিটিকে সবচেয়ে জনপ্রিয় শিশুতোষ ছবি হিসেবে  আখ্যায়িত করা হয়। ছবিটিতে অভিনয় করেন অনিল কাপুর, শ্রীদেবী, অনেকগুলো  দুষ্টু প্রকৃতির শিশু যারা খারাপ লোকটির (ওম পুরি) ওপর&amp;nbsp; চড়াও হয়।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;তারে জামিন পার (২০০৭)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এক  বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু ও তার বেড়ে ওঠার হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক গল্প নিয়ে গড়ে  ওঠেছে ছবির কাহিনী। স্নেহমাখা নিজ বাড়ি থেকে শিশুটির বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি  হওয়া এবং সেখানকার আর্ট শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে তার অক্ষমতা কাটিয়ে ওঠতে  শেখা-এক কথায় অসাধারণ। এটা কোনো দুঃখভরা গল্প নয়, তবে এতে এমন কিছু উপাদান  আছে যাতে দর্শক একইসঙ্গে কাঁদবে এবং হাসবে। শিশু অভিনেতা দার্শিল সাফারির  উঁচু মাপের অভিনয়ের জন্য তাকে বলিউডের সবসময়ের প্রিয় শিশুদের একজন করে  রাখবে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;চাচি ফোরটোয়েন্টি (১৯৯৭)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;কমেডি ঘরাণার এই  ছবিতে মধ্যবয়সী এক নারীর চরিত্রে অভিনয় করেন কমল হাসান। যে তার পরিবারের  সঙ্গে থাকতে চায়। হলিউডের ‘মিসেস ডাউটফায়ার’ ছবি অবলম্বনে ‘চাচি  ফোরটোয়েন্টি’ নির্মাণ করা হয়। বাবার সঙ্গে সন্তানদের যে স্নেহময় সম্পর্ক,  তা এ ছবিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কমল হাসানের আকর্ষণীয় অভিনয় ছবিটিকে অনেক  চমৎকার ও সুন্দর করে তুলেছে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আঞ্জেলি (১৯৯০)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;মানসিকভাবে  আঘাতপ্রাপ্ত দুই বছর বয়সী এক মেয়ের কাহিনী ছবিটি নির্মাণ করেন মনিরত্মম।  জন্মের পর থেকেই মায়ের কাছ থেকে সেই দুর্ভাগা মেয়েটিকে আলাদা করে রাখা হয়।  শিশুরা যেমন করে জীবনযাপন করে, তাদের দুষ্টুমি, অভিযাত্রা, মজার সব কাহিনী  ছবিতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;কোই মিল গায়া (২০০৩)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;হলিউডের  সুপারহিট ছবি ‘ই.টি.’ অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়। ‘ড্যাশিং’ হৃত্বিক  রোশন ছবিটিতে অভিনয় করেন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর চরিত্রে। তার শিশুসুলভ আচরণ ও  বাইরের জগতের প্রাণী ‘জাদু’র সঙ্গে তার সম্পর্ক মনোযোগ কেড়েছে সবার।  সত্যিকারের মজার একটি ছবি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ভূতনাথ (২০০৮)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;যখন  কোনো ছবির জন্য অমিতাভ বচ্চন ও শাহরুখ খানের মতো দুইজন সুপারস্টার জুটি  বাঁধেন তখন সেটা যে মজার কিছু হতে যাচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ভূতের  সঙ্গে এক ছোট্ট বালকের কাহিনী নিয়ে গড়ে ওঠেছে ‘ভূতনাথ’ ছবিটির কাহিনী।  ভূতটি ভয় দেখিয়ে তার বাংলো থেকে একটি পরিবারকে তাড়াতে চায়। এটি হাসিখুশি,  স্পর্শকাতর ও মিষ্টি একটি ছবি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;মাই ফ্রেন্ড গনেশা (২০০৭)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;একাকী  এক বালকের কাহিনী নিয়ে ‘মাই ফ্রেন্ড গনেশা’ ছবিটি নির্মিত হয়েছে। পরে  একাকী বালকটির বন্ধু হয় লর্ড গনেশা। শিশুদের মধ্যে ছবিটি অনেক জনপ্রিয়।  লর্ড গনেশা শুধু শিশুদের জনপ্রিয় দেবতাই নয় তাদের রোল মডেলও। ছবিটিতে তাই  তুলে ধরা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;মাকড়ি (২০০২)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এটা এমন একটা ছবি  যেখানে এক ডাইনি আপনাকে এমন উপায়ে অনেক বেশি ভয় পাইয়ে দেবে- যা আপনি  চিন্তাও করতে পারবেন না। এটা অনেক মজার একটি ছবি।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;হনুমান (২০০৫)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;অ্যানিম্যাশন  নির্ভর এই ছবিতে হনুমানের জন্ম, বেড়ে ওঠা, দেবতা রামের জন্য তার ত্যাগ  তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখানো হয়, শিশু বয়সে হনুমান ছিল খুবই দুষ্ট  প্রকৃতির। সে তার নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে পুরোহিতদের বিরক্ত করত।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;স্ট্যানলে কা ডাব্বা (২০১১)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এই  ছবিতে দেখে যে কেউ নিজের স্কুলের দিনগুলিতে ফিরে যাবেন। শেষ বেঞ্চে বসে  বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করা, টিফিন শেয়ার করা, নিষ্ঠুর শিক্ষকদের শাস্তি দিতে  একতা বদ্ধ হওয়া; সবই আছে ছবিটিতে। অভিনেতাদের চমৎকার, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া  অভিনয় এবং সাধারণ বর্ণনা ছবিটিকে সবসময়ের সেরা জনপ্রিয় শিশুতোষ ছবি হিসেবে  পরিচিতি দিয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-lXCkSBFdGJ8/Ut4bXipL3-I/AAAAAAAAAeA/VdNhIsgdeLc/s72-c/image_56333_0.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ো ধরা !</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_80.html</link><category>পড়াশোনা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 22:56:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-723498928561381699</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;এখনকার সিসিটিভি আর ডিএনএ শনাক্তের যুগে চুরি কিংবা ডাকাতি করে সফল  হওয়াটা মোটামুটি অসম্ভব । কেননা হলিউডি মুভির রঙ- চঙ্গে আর চোখ ধাঁধানো সব  অ্যাকশানে সবাই মোটামুটি চোখ বুজেই রেখেছেন এই ভেবে যে এটা ছবিতেই সম্ভব।  কিন্তু বাস্তবের জগতে সিনেমাকে হার মানানো চোরও আছেন, যারা প্রতিরক্ষা  কিংবা প্রযুক্তিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার!!  এমন কিছু চুরির গল্পই শোনাবো আজ…&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;১। ফ্রেঞ্চ ‘ভ্যাকুয়াম গ্যাং’ &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-I2zy0XobhXA/Ut4aI6f2n0I/AAAAAAAAAd0/gPnMnH3ImB8/s1600/index.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-I2zy0XobhXA/Ut4aI6f2n0I/AAAAAAAAAd0/gPnMnH3ImB8/s1600/index.jpg" height="274" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;সবচেয়ে  চমকপ্রদ লেগেছে এদের আইডিয়াটা। ২০০৬ সালের দিকের কাহিনী, অপরিচিত এই দলটা  সাধারণ ড্রিল আর মডিফাইড ভ্যাকুয়াম ছাড়া আর তেমন কিছুই ব্যবহার করেনি।  Monoprix নামের ফ্রান্সের একটি সুপারমার্কেটের ক্যাশ জমা রাখার সিস্টেমের  একটা দুর্বলতা খুঁজে পায় এরা । সেখানে ক্যাশের খামগুলো সেকশন টিউব দিয়ে  সেফটি বক্সে যেতো, আর তাই তারা সেই পথের মাঝেই একটা শক্তিশালী ভ্যাকুয়াম  টিউব বসালো যা খামগুলোকে টেনে আনবে!!&lt;br /&gt;এই সিস্টেমটা পুরোই ইউনিক ছিল  কেননা সাধারণত বেশিরভাগ সময়ই সবাই প্লাজমা কাটার কিংবা থার্মাল লেন্স  ব্যবহার করত, যা দিয়ে পরবর্তীতে ধরা পড়বার একটা চান্স থাকতো। কিন্তু  এক্ষেত্রে কোন সুত্র ছাড়াই তারা ১৫ রাত ধরে সর্বমোট ৮,০০,০০০ ডলার চুরি  করতে সক্ষম হয়েছিল !!!&lt;span id="more-5847"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;২। বেকার স্ট্রিট বারগ্লারি &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এটা  ১৯৭১ সালে, লন্ডনে বেকার স্ট্রিট ব্যাংকে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় চুরির ঘটনা ।  এখানের ভল্ট থেকে প্রায় ৩ মিলিয়ন ক্যাশ এবং মূল্যবান দলিল চুরি হয়।  এক্ষেত্রে এই দলটা ব্যবহার করে বিভিন্ন মেটাল কাটিং টুলসের কম্বিনেশন যেমন  থার্মাল লেন্স আর বিস্ফোরকের, আর এজন্য তারা ব্যাংকের পাশের একটি দোকানের  ভিতর থেকে এই কার্যক্রমটা চালায়, এ সময় স্থানীয় একটা রেডিও ট্রান্সমিশনে  সমস্যা হওয়ার কারণে তারা পুলিশকে জানায়, সেই ডাকাতি চালানোর সময়ও তারা  ব্যাংকে তল্লাশি চালায় কিন্তু মূল ভল্টের গেটে কোন চিহ্ন না পাওয়ায় তারা  ফেরত যায়!! এই বিখ্যাত চুরি সম্পর্কে আর কিছু না বলি কেননা এই প্রেক্ষাপটেই  বানানো হয়েছে ২০০৮ সালে জ্যাসন স্টাথাম অভিনীত &lt;a href="http://http//www.imdb.com/title/tt0200465/"&gt;“The Bank Job” &lt;/a&gt;মুভিটি, যদিও বলা হয় সেখানে ছবির জন্য কিছু কল্পকাহিনী যুক্ত করা হয়েছে… দেখাই যাক, ‘যা কিছু রটে তার তো কিছু হলেও ঘটে। ’&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৩। প্যারিস মর্ডান আর্ট মিউজিয়াম বারগ্লার &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;২০১০  সালের মে মাসের দিকের ঘটনা। একজন চোর একাই প্রায় ১০০ মিলিয়নের কাছাকাছি  মুল্যের ছবি চুরি করে প্যারিস আর্ট মিউজিয়াম থেকে, যার মধ্যে পিকাসো কিংবা  ম্যাতিসে এর মতো শিল্পীদের মাস্টারপিসও ছিল!! অবিশ্বাস্য হলে সত্য যে,  অ্যালার্ম বেলগুলো বাজেনি এবং সেই চোর মহাদয় কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই জানালা  ভেঙ্গে ফ্রেম থেকে খুলে ছবিগুলো নিয়ে যায়। এমনকি সেই সময় সিকিউরিটির  লোকেরাও ছিল কিন্তু তারা কোন শব্দও শুনতে পায় নি কিংবা ভাঙ্গা জানালা চোখেও  পড়েনি। ভাবা হচ্ছিল এই চুরিতে ক্ষতি হবে প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন এর মতো কিন্তু  খুব তাড়াতাড়ি তা ১০০ তে নেমে আসে। পুলিশ সন্দেহ করছিল যে, এটা কারো  ব্যক্তিগত সংগ্রহের জন্য করা কারণ এমন ঘটনা আশে-পাশের শহরেও হয়েছিল, ২০১১  এর পরও কাউকে ধরতে পারা যায় নি, তখন পুলিশ ধরেই নিয়েছে, এই ছবিগুলো আর সেই  চোরের অধিনস্ত নেই। কিন্তু এই চুরির ঘটনাই প্রমাণ করে তাদের দুর্বলতম  নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে।&lt;br /&gt;ঠিক এরকমই আরেকটা ঘটনা হয়েছিল ১৯৯০ এ,  বোস্টনে, সেখানে ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি। প্রায় ৫০০,০০০,০০০ ডলার মূল্যের  আর্টপিস চুরি হয়েছিল তখন !!!&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৪। স্কুল অফ তুরিন &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বের  বিখ্যাত পাঁচটি ডাকাতির কথা যদি আসে তো তার মধ্যে এটি একটি। স্কুল অফ  তুরিনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিরা ডাকাতি হয়, ২০০৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী  শুক্রবার, আনুমানিক স্থানীয় সকাল ৭টার সময়। লিওনার্দো নোটারবার্তলো, যে  গ্যাং এর প্রধান ছিল, সে আগেরদিন রাতেই ভল্টের ভিতরে ঢুঁকে যেতে পেরেছিল  অটোমেটিক দরজা বন্ধ হবার আগেই। ব্যস, কেল্লা খতম, স্পার্টাদের মতো ঢুকে  পড়বে ভিতরে, বন্ধ করে দেয়া হয় মোশন ডিটেক্টরকে সিলিকনের স্প্রে দিয়ে আর  সাধারণ টেইপ দিয়ে লাইট ডিটেক্টরকে!!&lt;br /&gt;এবার কাজ শুরু হয় ভল্ট খোলার।  ভল্টে ডুয়েল লক সিস্টেম থাকে – একটা কম্বিনেশন এবং আরেকটা সাধারণ তালা।  তালার চাবিটার কপি ছিল কিন্তু কম্বিনেশনটা কিছুটা ঝামেলার ছিল, কেননা  সেখানে কতগুলো ম্যাগনেট থাকায় তা অ্যালার্ম হিসেবে কাজ করত, সে ক্ষেত্রে  তারা সেটাকে আলাদা করে ফেলে সিস্টেম থেকে। তারপর সোজা ভল্টের ভেতর এবং  পৃথিবী বিখ্যাত চৌর্যবৃত্তি চলতে থাকে!! তারা ১৬০ টি বক্স থেকে শুধু  ডায়মন্ডই নেয় নি, সেগুলো নিয়মমাফিক ভাবে বিক্রির কাগজ পত্রও উদ্ধার করে  নেয়!!&lt;br /&gt;এর বহুদিন পরে সেই গ্যাং এর প্রধান লিওনার্দো নোটারবার্তলো কে  পুলিশ ধরতে পারে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে যা পাওয়া গিয়েছিলো সেই ঘটনাস্থলে  তারই অর্ধেক খাওয়া স্যান্ডউইচ থেকে!! পরবর্তীতে তার ১০ বছরের সাজা হলে বাকি  আর কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় নি!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;৫। উইকিলিকস &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এদের  ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটা মনে আসে, “তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর  বটে। ” যদিও কোন চুরির লিস্টে এনাদের নাম আসবে না, কিন্তু আমার কাছে অন্তত  সত্য ঘটনা কিংবা তথ্য জানানোর ক্ষেত্রে তাদের সেই পন্থাই অবলম্বন করতে  হচ্ছে বিধায় আমার লিস্টে তাদের রাখলাম। নতুন করে বলবার কিছু নেই, “we open  governments” এই স্লোগান নিয়ে চলা উইকিলিকসের যাত্রা ২০০৬ সালে। তাদের &lt;a href="http://http//wikileaks.org/"&gt;ওয়েবসাইটে&lt;/a&gt; ঢুকলেই চোখে পড়বে বিশাল এক বালুঘড়ি, যেটা অল্প অল্প করে ভরে দিচ্ছে নিচের  অসমাপ্ত পৃথিবীকে। আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধের ভিতরকার তথ্যচিত্র প্রকাশ  করে প্রথম বোমা ফাটায় এরা। তারপর প্রায় ৭৭৯টা ফাইল তারা প্রকাশ করে  গুয়ান্তানামো বে কারাগারকে নিয়ে। এরই মধ্যে জনপ্রিয়তার কারণে এর চিত্রায়নও  হয়ে গেছে, বেনেডিক্ট কাম্বারবাচ অভিনীত &lt;a href="http://http//www.imdb.com/title/tt1837703/%20the%20fifth%20state"&gt;‘দ্যা ফিফথ স্টেট’&lt;/a&gt; ।&lt;br /&gt;স্বাভাবিকভাবেই  প্রশ্ন জাগতে পারে, হঠাৎ এই ধরনের বিষয়ে লেখার কারণ কি!! তেমন  গুরুত্বপূর্ণ না হলেও ফেলনাও নয়… নিজের ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা দিয়েই শেষ  দিচ্ছি&lt;br /&gt;“তখন আমি বেশ ছোট, স্কুলে সবে ভর্তি হইয়াছি। কেউ যদি আমায় জিজ্ঞেস করত,’বড় হয়ে কি হবে?’ আমি বুক ফুলায়ে বলতাম, ‘আমি বড় হয়ে চোর হব।’&lt;br /&gt;কেন  যে এত কিছু ছাড়িয়া ‘চোর’ হতে চাইতাম তাহার রহস্য আজো আমি উদ্ঘাটন করিতে  পারি নাই, কিন্তু এই কথা শুনিয়া সবার মাঝে যখন হাসির রোল পড়িয়া যাইত, তখন  এটা বলা ছাড়িয়া দিলাম। ভাবা শুরু করিলাম, কি হওয়া যায় বড় হইয়া??&lt;br /&gt;মামা  একদিন বিশাল এক লেকচার দিয়া গেলেন বাসায় ‘কি হওয়া যেতে পারে বড় হয়ে’ এই  লইয়া । তো, আমি তখন ‘কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’ হইব বলিয়া চিৎকার করিতে  লাগিলাম।&lt;br /&gt;ব্যস,ভাগ্যের কাঁটা ঘোরা শুরু হইল। সৌ/দুর্ভাগ্যক্রমে এই  “গণনাযন্ত্রের” উপরই পড়াশুনা করিতে হইতেছে। basically, সেই “চোর” হইবার  প্রচেষ্টা কিন্তু ছাড়িতে পারি নাই। ভবিষ্যতে কত্ত বড়, কিংবা কি ধরনের চোর  হইব তা বলতে পারি না, তবে এখন আপাতত ‘পড়া চোর’ হইয়া আছি তা বলিতে পারি!!! ”&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;বিঃ দ্রঃ ইহা কোন উৎসাহমূলক পোস্ট নহে… “ Don’t try this at another home. ”&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-I2zy0XobhXA/Ut4aI6f2n0I/AAAAAAAAAd0/gPnMnH3ImB8/s72-c/index.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>সেই মুজতবা আলী সমানে চলিতেছে</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_67.html</link><category>জীবনী ও মণিষীদের কথা</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 22:52:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-1894195264950580708</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;গল্পের রাজা সৈয়দ মুজতবা আলীকে নিয়ে কথায় গল্পের পর গল্প আসবেই। কিছু  করার নেই। তবে রসুন, শুরুয়াতের আগে কয়েকটা অন্য সত্যও কবুল করে নিই।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-BmD7eW4gZi0/Ut4ZJjthoqI/AAAAAAAAAds/xddB6M_wrko/s1600/syed-mujtoba-ali.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-BmD7eW4gZi0/Ut4ZJjthoqI/AAAAAAAAAds/xddB6M_wrko/s1600/syed-mujtoba-ali.jpg" height="309" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;পঞ্চাশের  দশকের শেষে আর ষাটের দশকের গোড়ায় যখন ফি হপ্তা গালে হাত দিয়ে অপেক্ষায়  থাকি ‘দেশ’ পত্রিকায় আলী সাহেবের ‘পঞ্চতন্ত্র’ কলামটির জন্য, হঠাৎ করে  একদিন দো-দমা বোমের কাজ করল লেখকের ‘দেশে বিদেশে’ বইটা।&lt;span id="more-5859"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;তার  আগে জেনে গিয়েছি মণিমাণিক্য জড়ো করে ভদ্রলোকের তাক লাগানো ঢঙের ব্যাপার  স্যাপার। কিন্তু তার পরেও, বাপ্ রে, এ কী কথাসাহিত্য! যে গোয়েন্দা কাহিনির  মতো রুদ্ধশ্বাসে পাতার পর পাতা উল্টে পড়েই চলেছি; কী? না একটা ভ্রমণকথা!  তাও কোথায়? না পাহাড় ঘেরা আফগানিস্তানে।&lt;br /&gt;ভর কৈশোরে দেশটা সম্পর্কে  প্রায় কিসুই জানি না। অথচ এক মুহূর্তের জন্য আলী সাহেবের পিছু ছাড়া নেই।  মানুষের পোশাক-আশাক, জমি-জায়গা, আচার-ব্যবহার দেখছি, ভাষা শিখছি, আর না  বললেই নয় মুহুর্মুহু গল্প শুনছি।&lt;br /&gt;গল্পে আসি। তবে গল্প হলেও সত্যি।  সেই কস্মিনকালের গপ্পো রবিঠাকুর দিব্য বিরাজমান শান্তিনিকেতনে পাঠান  মুল্লুকে যা দেখলেন মুজতবা আলী, তা যেন গত কালকের কাগজে পড়া বৃত্তান্ত।  ‘উবুড় হয়ে শুয়ে থাকতে না জানলে’ নাকি ও দেশে জান বাঁচানো মুশকিল। লেখক  ওঁর বন্ধু আহমদ আলীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলেই বা দোষ  কী?”&lt;br /&gt;আহমদ আলী বললেন, “উঁহু, চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলে দেখতে পাবেন  খুদাতালার আসমান সে বড় খুবসুরত। কিন্তু মানুষের বদমায়েশির ওপর নজর রাখবেন  কী করে? আফ্রিদির নিশান সাক্ষাৎ যমদূতের ফরমান। মকমল ডিক্রি, কিস্তি  বরখেলাফের কথাই ওঠে না। উবুড় হয়ে থাকতে না জানলে কখন যে কোন আফ্রিদির  নজরে পড়ে যাবেন, বলা যায় না। জান বাঁচাবার এই হল পয়লা নম্বরের তালিম।”&lt;br /&gt;তা এই উবুড় হওয়ার দরকারটা হল কেন আহমদ আলীর?&lt;br /&gt;আজকের  পাঠক জানতে চাইতেই পারেন। তা হলে আহমদ আলীর জবানেই শুনুন। বলছেন, “মশহুর  নাচনেওয়ালি জানকী বাঈ কয়েক দিন ধরে গুম। যদি কোনও পাত্তা মেলে। আমি তো  আপন মনে হেঁটে যাচ্ছি। আমার প্রায় পঞ্চাশ গজ সামনে জনা আষ্টেক গোরা সেপাই  কাঁধ মিলিয়ে রাত্তিরের টহলে… হঠাৎ একসঙ্গে এক লহমায় অনেকগুলো রাইফেলের  কড়াক-পিঙ্। আমিও তড়াক করে লম্বা হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়লুম। তার পর  গড়িয়ে গড়িয়ে পাশের নর্দমায়।”&lt;br /&gt;মুজতবা আলী অচিরে টের পেয়েছিলেন  প্রেমের ব্যাপারে পাঠান নীরব কর্মী। লিখছেন, “আমরা বাঙালি। দুপুররাত্রে  পাড়ার লোককে না জাগিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমালাপ করতে পারিনে।” আহমদ আলী  বললেন, “পেশাওয়ারের বাজারে কিন্তু কোনও গানেওয়ালি নাচনেওয়ালি ছ’মাসের  বেশি টিকতে পারে না। কোনও ছোকরা পাঠান প্রেমে পড়বেই। তার পর বিয়ে করে আপন  গাঁয়ে নিয়ে সংসার পাতে।”&lt;br /&gt;সেই কৈশোরে ‘দেশে বিদেশে’-র একটা ছবি মন থেকে সরেনি। কাবুলে মুজতবা আলীর দেখা বাদশাহ বাবুরের কবর।&lt;br /&gt;হিন্দুস্তানে  সাম্রাজ্য গেড়ে বাবুর শাহ দিল্লি ছেড়ে জন্মভূমি ফরগনাকে না বেছে কেন যে  কাবুলে কবর নিলেন, এই প্রশ্ন প্রায়ই মনের মধ্যে ঘোরাফেরা করত। অবাক কিছু  কম ছিলেন না আলী সাহেবও। কিন্তু বাদশাহের সমাধিপাশে দাঁড়িয়ে জবাব পেয়ে  গেলেন। সেই কথাগুলো শুনুন…&lt;br /&gt;“খোলা আকাশের নীচে কয়েক ফালি পাথর দিয়ে  বানানো অত্যন্ত সাদাসিধে কবর। মোগল সরকারের নগণ্যতম মুহুরীর কবরও  হিন্দুস্তানে এর চেয়ে বেশি জৌলুস ধরে।”&lt;br /&gt;আলী সাহেবের আফশোস বাবুর তাঁর অপূর্ব আত্মজীবনীটি জগতাই তুর্কিতে লিখেছিলেন বলে বইটি মূলে পড়া সোজা হয়নি।&lt;br /&gt;লিখছেন,  “ইংরেজি ‘সার্ভে’ কথাটা গুজরাতিতে অনুবাদ করা হয় ‘সিংহাবলোকন’ দিয়ে।  ‘বাবুর’ শব্দের অর্থ সিংহ। আমার মনে হল এই উঁচু পাহাড়ের উপর বাবুরের গোর  দেওয়া সার্থক হয়েছে। এখান থেকে সমস্ত কাবুল উপত্যকা, পূর্বে ভারতমুখী  গিরিশ্রেণি, উত্তরে ফরগনা যাওয়ার পথে হিন্দুকুশ সব কিছু ডাইনে বাঁয়ে ঘাড়  ঘুরিয়ে সিংহাবলোকনে দেখেছেন বাবুর…বাবুর মৃত্যুর পরও কি সিংহাবলোকন করতে  চেয়েছিলেন? জীবন-মরণের মাঝখানে দাঁড়িয়ে, তাই কি বাবুর কাবুলের গিরিশিখরে  দেহাস্থি রক্ষা করার শেষ আদেশ দিয়েছিলেন?”&lt;br /&gt;এই সব নিয়ে একগুচ্ছ  প্রশ্ন যখন জমেছে আলী সাহেবকে শুধোবার জন্য, তখন দৈবাৎ এক গ্রীষ্ম দুপুরে  ভদ্রলোকের সঙ্গে আলাপ হয়ে গেল সাহিত্যিক মনোজ বসুর বাড়িতে।&lt;br /&gt;মনোজবাবুর  পুত্র ময়ূখ আর আমি সদ্য উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন  ছেড়ে কলকাতায় ফিরেছি। আলী সাহেব ওঁদের বাড়িতে অতিথি। আর আমি গিয়েছি  মধ্যাহ্নভোজের নেমন্তন্নয়। আলী সাহেব বললেন, “কলেজে দর্শন পড়বে তো? কারণ  ওইটা ছাড়া লেখাপড়া করার কোনও মানে হয় না।”&lt;br /&gt;আলী সাহেব দর্শনের  প্রসঙ্গ তোলায় একটা অন্য ছবি মনে ভাসতে শুরু করল। ছবিটা আলী সাহেবের  আনন্দবাজারের সাম্প্রতিক উপন্যাস থেকে উঠে আসছিল। নাম ‘দু হারা’। সেখানে  আলী সাহেব এক জার্মান অধ্যাপিকার বাড়িতে অতিথি। তিনি দর্শন পড়ান এবং  ভারতীয় দর্শন বিষয়ে গভীর পাণ্ডিত্য ধরেন। বিবাহ করেননি।&lt;br /&gt;নৈশাহারের পরে ভদ্রমহিলার সঙ্গে কথায় কথায় আলী সাহেব জানতে পারলেন ছাত্রাবস্থায় এক ভারতীয় সহপাঠীর প্রেমে পড়েন তিনি।&lt;br /&gt;ছেলেটি  দর্শনের থিসিস তৈরিতে শুধু ষোলোআনা সাহায্যই করেননি। ডিসার্টেশনটা  পারতপক্ষে লিখেই দেন। কিন্তু ডক্টরেট করেই সে মারাঠি ছেলে দেশে ফিরে  পরিবারের পছন্দের মেয়ে বিয়ে করে। আর সেই থেকে ভদ্রমহিলা একাই আছেন।  ভারতীয় দর্শনকে বুকে আগলে।&lt;br /&gt;জার্মানি থেকে আসার সময় লেখক সেই  ভারতীয় ছাত্রটির বোম্বাইয়ের ঠিকানা চেয়ে এনেছিলেন। উদ্দেশ্য হয়তো  মহিলার জীবনকথা শুনিয়ে মূর্খটিকে কিঞ্চিৎ ভর্ৎসনা করা। যদিও ইতিমধ্যে বহু  বছর কেটে গেছে।&lt;br /&gt;বোম্বাইতে সেই ছাত্রের সঙ্গে দেখা হতে আরেক সঙ্কটে  পড়লেন লেখক। সেই ছাত্র এখন প্রৌঢ়। তাঁর যুবাপুত্রের কঠিন অসুখ নিয়ে  হিমশিম খাচ্ছেন। বিদেশে ছাড়া ওর চিকিৎসা হবার না। ঘটনাটি লেখক জার্মান  মহিলাকে জানাতে তিনি পত্রপাঠ জানালেন ছেলেটিকে জার্মান পাঠিয়ে দিতে। তিনি  ওকে নিজের পুত্রজ্ঞানে চিকিৎসা করিয়ে সারিয়ে তুলবেন।&lt;br /&gt;নিজের অতীত  ব্যবহারে চরম মর্মাহত ও লজ্জিত অধ্যাপক জার্মান মহিলার সঙ্গে তাঁর সেকালের  সব প্রেমপত্র বান্ডিল করে একটি বাক্সে ছেলের হাতে তুলে দিলেন। বললেন,  বাক্সে যা আছে তা যেন মহিলার হাতে ন্যস্ত করে সে। আর মহিলাকে মায়ের মতো  মনে করে নেয়।&lt;br /&gt;ছেলেটি জাহাজে চড়ল বোম্বাইয়ে। যাবার কথা ইতালির  ব্রিন্দিসি বন্দরে (নাকি ত্রিয়েস্ত?)। মহিলা জার্মান থেকে রেলে করে এসে  অপেক্ষায় থাকবেন বন্দরে। সেখান থেকে সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন ওকে।&lt;br /&gt;সমুদ্রে  ভাসতে ভাসতে এক সময় ছেলেটির কৌতূহল হল বাক্সের কাগজগুলো একটু পড়ে দেখার।  আর পড়তে পড়তে ব্যথায়, বেদনায় ও লজ্জায় ওর ভেতরটা খানখান হয়ে গেল। এই  দেবীকে কী ভাবে মুখ দেখাবে ও?&lt;br /&gt;ও মাঝসমুদ্রে জাহাজ থেকে ঝাঁপ দিল  জলে। মুজতবা আলী বড় করুণ একটি বাক্যে উপন্যাসের উপসংহার টেনেছেন হতভাগ্য  জানতেও পারল না স্বয়ং মা মেরী ওর অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ইতালির বন্দরে।&lt;br /&gt;আলী  সাহেব আমাকে বললেন, ‘তুমি যদি সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়তে চাও তো আমি ফাদার  দ্যতিয়েনকে একটা চিরকুট লিখে দিতে পারি।’ কিন্তু এ সব কিছুতেই মন নেই তখন।  শুধু মাথায় ঘুরছে ‘পঞ্চতন্ত্র’র তিনটি রচনা যা পড়ে পড়ে প্রায় মুখস্থ  হয়ে গিয়েছিল। ‘দর্শনাতীত’, ‘মরহূম উস্তাদ ফৈয়াজ খান’ এবং ‘আধুনিক  কবিতা’।&lt;br /&gt;দর্শন, সঙ্গীত ও সাহিত্যে ওঁর ওই সাবলীল ভ্রমণ ওঁর  দেশভ্রমণের থেকে কম কিছু জাদুকরী নয়। তার সঙ্গে জুড়েছিল ওঁর উর্দু,  হিন্দি, ফার্সি, ফরাসি, জার্মান, আরবি, ইংরেজি, পশতু, সংস্কৃত জ্ঞান।&lt;br /&gt;আলী  সাহেবের বাংলা প্রীতি নিয়ে আস্ত একখানা বই-ই লেখা যায়। সিলহেটের মানুষ  তিনি স্নাতক হয়েছিলেন কবিগুরুর বিশ্বভারতী থেকে। বস্তুত বিশ্বভারতীর প্রথম  স্নাতক দলের এক জন তিনি (১৯২৬)। হুমবোল্ট স্কলারশিপ পাওয়া আলী সাহেবের  গবেষণার থিসিস ছিল তুলনামূলক ধর্মীয় তত্ত্ব।&lt;br /&gt;বহু পরে, ১৯৫৬ সনে,  তিনি ফিরে এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে জার্মান ভাষা ও ইসলামীয় সংস্কৃতি নিয়ে  অধ্যাপনা করতে। আসার একটা গূঢ় কারণ কবির স্মৃতিধন্য সংসারে ফেরা এবং  বাঙালি আড্ডায় জমা। উপাচার্য হিসেবে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ  বসুকে।&lt;br /&gt;ভারত ভাগের পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষার পরিস্থিতি  নিয়ে ওঁর একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ওখানকার বগুড়ায় কলেজ প্রিন্সিপালের  চাকরি নিয়ে চলে যান ১৯৪৮-এ। তার আগে সিলহেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য  সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি  তুলেছিলেন। তবে বাগুড়ায় থাকাকালীন বাংলা ভাষার হয়ে যে প্রবন্ধটি লিখলেন  কলকাতার ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকায়, তাতেই ওঁর চাকরিটা গেল। আলী সাহেব ফিরে এলেন  ভারতে। শুরু হল ‘দেশে বিদেশে’ দিয়ে (১৯৪৮) তাঁর সাহিত্যযাত্রা। যা অনেকেই  মনে করেন এক অবিশ্বাস্য যাত্রা।&lt;br /&gt;আলী সাহেব আক্ষরিক অর্থে বাচস্পতি।  শুধু লিখেই কামাল করেননি, মুখের ভাষায় দিব্যি মাত করে গেছেন যেখানে বলুন  সেখানে। কী শান্তিনিকেতনের চায়ের আড্ডায়, কী কলকাতার পার্কসার্কাসে  কবাব-পরোটার দাওয়াতে। উর্দু ফার্সি, হিন্দি, ইংরেজি, জার্মান, ফরাসির  আনাগোনায় ওঁর মুখের বুলিও হয়ে উঠত লেখার মতো।&lt;br /&gt;চাইলেই যেখান-সেখান  থেকে উদ্ধৃতি দিতে পারতেন রবীন্দ্রনাথের। মীর, গালিব ছিল কণ্ঠস্থ। খুব  প্রিয় ছিল হাফিজ-সাদি। প্রিয় শহর কায়রো এবং প্যারিস। প্রিয় কলকাতা  ছেড়ে যে গেলেন তার পিছনে একটু চোখের জলের ছোঁয়া আছে। তবে বড় কারণ  স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। ১৯৭২-এ আলী সাহেব তাঁর স্বদেশে ফেরেন এবং ১৯৭৪-এর  ১১ ফেব্রুয়ারি বেহেস্তে পাড়ি জমান।&lt;br /&gt;ওঁর এক লক্ষ অমর অ্যানেকডোটের  একটি দিয়ে শেষ করছি। “সিন্ধু নদের বালুচরে বসে দুপুর রোদে আটজন পাঠান  ঘামছে। উট ভাড়া দিয়ে তারা ছিয়ানব্বই টাকা পেয়েছে, কিন্তু কিছুতেই  সমানেসমান ভাগ বাঁটোয়ারা করতে পারছে না। কখনও কারও হিস্যায় কম পড়ে যায়,  কখনও কিছু উপরি থেকে যায়। ক্রমাগত নতুন করে ভাগ হচ্ছে, হিসেব মিলছে না,  ঘাম ঝরছে আর মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে গলাও চড়ছে।&lt;br /&gt;“এমন সময় তারা দেখতে  পেল, অন্য পার দিয়ে এক বেনে তার পুঁটুলি হাতে করে যাচ্ছে। পাঠানরা  চেঁচিয়ে বেনেকে ডাকল এপারে এসে ওদের হিসেব ফৈসালা করে দিতে। বেনে হাত-পা  নেড়ে বোঝাল অত মেহন্নত তার সইবে না, আর কত টাকা ক’জন লোক তাই জানতে চাইল।  জানানো হল চার কুড়ি দশ ও তার উপরে ছয় টাকা আর হিস্যেদার আটজন।&lt;br /&gt;“বেনে বলল, ‘বারো টাকা করে নাও।’ পাঠানরা চেঁচিয়ে বলল, তুই একটু সবুর কর, আমরা দেখে নিচ্ছি বখরা ঠিক মেলে কি না।’&lt;br /&gt;মিলে  গেল সবাই অবাক। তখন তাদের সর্দার চোখ পাকিয়ে বলল, ‘এতক্ষণ ধরে আমরা  চেষ্টা করলুম, হিসেব মিলল না, এখন মিলল কী করে? ব্যাটা নিশ্চয়ই কিছু টাকা  সরিয়ে নিয়ে হিসেব মিলিয়ে দিয়েছে। ওপার থেকে ও যখন হিসেব মেলাতে পারে  তখন নিশ্চয়ই কিছু টাকা সরাতেও পারে। পাকড়ো শালাকো!” ওঁর গল্পের মতোই আলী  সাহেবের গোটা জীবনটাই ‘অ্যানেকডোট’-এ ‘অ্যানেকডোট’-এ পরিকীর্ণ। উনি নিজের  জীবনের কথা বললেও তা গল্পের মতো শোনাত। এক হাজার এক আরব্য রজনী-র মতো। জীবন  আর গল্প এমন এক গোধূলি বেলায় দাঁড়িয়ে যে বোঝার উপায় নেই কোথায় জীবন  শেষ করে গল্পের শুরু, কিংবা গল্প শেষ হয়ে জীবনের।&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://2.bp.blogspot.com/-BmD7eW4gZi0/Ut4ZJjthoqI/AAAAAAAAAds/xddB6M_wrko/s72-c/syed-mujtoba-ali.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item><item><title>বিটিভি: যা কিছু প্রথম</title><link>http://nabinbangla.blogspot.com/2014/01/blog-post_17.html</link><category>সোনার বাংলাদেশ</category><author>noreply@blogger.com (Anonymous)</author><pubDate>Mon, 20 Jan 2014 22:49:00 -0800</pubDate><guid isPermaLink="false">tag:blogger.com,1999:blog-4511370336869821268.post-3656143444974614329</guid><description>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর এ দেশে টেলিভিশনের যাত্রা শুরু। সেই থেকে একে  একে প্রচারিত হয়েছে নাটকসহ নানা অনুষ্ঠান। টেলিভিশনে প্রথম প্রচারিত নাটকের  নাম কি, কবে প্রথম সঙ্গীতানুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়েছিল-ইত্যাদি নানা প্রশ্ন  ঘুরেফিরেই আসে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম অনুষ্ঠান ঘোষক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এদেশে  টেলিভিশন যাত্রা শুরু করার পর দর্শকরা প্রথম যে ঘোষককে দেখেন তার নাম মোডি  কোহেন। তিনিই ছিলেন উদ্বোধনী দিনের অনুষ্ঠান ঘোষণায়। প্রথম দিনের মতো এখনও  বিটিভি অনুষ্ঠান ঘোষণা চলছে। এ ধারা অনুসরণ করছে বেসরকারি টিভি চ্যানেল  এটিএন বাংলা আর চ্যানেল আই।&lt;span id="more-5869"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-KRf7MUTl--s/Ut4YT-LkbgI/AAAAAAAAAdk/IXa3fqSbd9s/s1600/image_61068_0.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/-KRf7MUTl--s/Ut4YT-LkbgI/AAAAAAAAAdk/IXa3fqSbd9s/s1600/image_61068_0.jpg" height="280" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;প্রথম গানের অনুষ্ঠান&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;১৯৬৪  সালের ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ডিআইটি ভবনের বাইরে বিরাট সামিয়ানায় এ দেশের  টেলিভিশনের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান। তারপরই স্টুডিও  থেকে প্রচার হয় প্রথম গানের অনুষ্ঠান। আর ওই অনুষ্ঠানের শিল্পী ছিলেন  ফেরদৌসী রহমান। প্রথমে শিল্পী গান আবু হেনা মোস্তফা কামালের লেখা ও  আনোয়ারউদ্দিন খানের সুর করা ‘ওই যে আকাশ নীল হলো আজ/ সে শুধু তোমার প্রেমে/  ওই যে বাতাস বাঁশি হলো আজ/ সে শুধু আমার প্রেমে’ গানটি। এ সময় শিল্পীর  পরনে ছিল সোনালি পাড়, সবুজ শাড়ি। গায়ে লাল চাদর আর কপালে টিপ। তারপর  ফেরদৌসী রহমান গেয়েছিলেন একটি ভাওয়াইয়া গান।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম সংবাদ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;এদেশে  টেলিভিশন যেদিন যাত্রা শুরু করে সেদিন থেকেই সংবাদ প্রচার শুরু হয়। বাংলায়  প্রথম সংবাদ পাঠ করেন হুমায়ূন চৌধুরী। তিনি ছিলেন মূলত রেডিওর ঘোষক।  টেলিভিশনের ঘোষক হিসেবে তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল। এরপর অনেকটা জোর করেই তাকে  খবর পড়তে বসিয়ে দেয়া হয়েছিল। হুমায়ূন চৌধুরী পরে টেলিভিশন সংবাদে নিয়মিত  হয়ে ওঠেন। ১৯৮৪ সালে এশিয়াভিশনের সমন্বয়কারী হিসেবে যোগ দেবার আগে তিনি  বিটিভি সংবাদ বিভাগেই কাজ করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;প্রথম দিনের&amp;nbsp; ইংরেজি খবর পড়েছিলেন আলম রশিদ।&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;প্রথম সঙ্গীত শিক্ষার আসর&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;ওই  বছরের ২৭ ডিসেম্বর প্রচারিত হয় প্রথম সঙ্গীত শিক্ষার আসর। অনুষ্ঠানটি  সঞ্চালনায় ছিলেন ফেরদৌসী রহমান। প্রথম দিন শিল্পী শিখিয়েছিলেন একটি  নজরুলগীতি। শিরোনাম ছিল- ‘বউ কথা কউ/ বউ কথা কও’।এরপরেও ফেরদৌসী রহমান  বিটিভির সঙ্গীত শিক্ষার অনুষ্ঠান ‘এসো গান শিখি, নিয়মিত সঞ্চালনা করে  আসছেন।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম নাটক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;ডিআইটি ভবনে থাকতেই স্বল্প  কারিগরী সুবিধা নিয়ে প্রচারিত হয়েছিল প্রথম নাটক ‘একতলা দোতলা’। শহীদ মুনীর  চৌধুরী লিখেছিলেন এই নাটকটি। প্রযোজনা করেছিলেন মনিরুল আলম। সে সময় সরাসরি  প্রচারিত এ নাটকটিতে সে সময়ের জনপ্রিয় শিল্পীরা অভিনয় করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;শিল্প  ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রথম অনুষ্ঠান ১৯৬৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রচারিত হয়  টেলিভিশনের প্রথম শিল্প ও সংস্কৃতিভিত্তিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা  করেছিলেন হুমায়ূন চৌধুরী। সরাসরি প্রচারিত এ অনুষ্ঠানে সেদিন আবহমান বাংলার  প্রকৃতির ছবি এঁকেছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;বিজ্ঞাপনভিত্তিক অনুষ্ঠান ঘরোয়া&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;টেলিভিশন  যখন যাত্রা শুরু করেছিল তখন এদেশে বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ হতো না। বিভিন্ন  পণ্যের প্রচারের জন্য পথ খোঁজা শুরু হয়। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রচার  শুরু হয় বিজ্ঞাপনভিত্তিক ঘরোয়া নামের একটি অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে নাটিকার  মাধ্যমে পণ্যসামগ্রীর নাম বলা হতো। অনুষ্ঠানটি সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা  পায়। এতে নিয়মিতভাবে অভিনয় করতেন নায়করাজ রাজ্জাক, আনোয়ারা আহমেদ, লালু,  মুসা আহমেদ, শিমুল বিল্লাহ প্রমুখ।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;দেশ স্বাধীন হবার পর প্রথম টেলপ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;১৯৭১  সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হবার পর মুক্তিযোদ্ধা ক্র্যাক প্লাটুন  টেলিভিশনের দায়িত্ব নেয়। ক্র্যাক প্লাটুনে ছিলেন সাবেক বিচিত্রা সংম্পাদক  শাহদত চৌধুরীসহ আরও অনেকে। পরদিন ১৭ ডিসেম্বর টিভি পর্দায় বাংলাদেশ টেলিভশন  নামে একটি টেলপ ভেসে ওঠে। এই টেলপটি লিখেছিলেন আব্দুল মান্নান যিনি পরে  বিটিভির পরিচালক ডিজাইন হিসেবে কাজ করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;বিটিভির  প্রথম ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের নাম ‘সপ্তবর্ণা’। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের  গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় এ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটির প্রচার শুরু হয় ১৯৭৫ সালে। এ  অনুষ্ঠানটির জন্য ১৯৭৭ সালে জাতীয় পুরস্কার পান আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।&lt;br /&gt;‘সপ্তবর্ণা’  প্রচার শুরুর পরপরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর মাধ্যামেই বিটিভিতে  ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের জন্য একটি জায়গা তৈরি হয়। এরপর প্রচারসূচিতে যুক্ত হয়  ফজলে লোহানীর ‘যদি কিছু মনে না করেন’ আর হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’র মতো আরও  কিছু অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;‘সপ্তবর্ণা’ দেশের অনেককেই তারকাখ্যাতি দিয়েছে।  এরমধ্যে ফিরোজ সাঁই, ফকির আলমগীর, পিলু মমতাজ ও ফেরদৌস ওয়াহিদের নাম  বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;ইলেকট্রনিক রিপোর্টিং-এর পথিকৃত&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;আজ  দেশে বিটিভিসহ অনেক চ্যানেলেই নানা রিপোর্ট প্রচার হচ্ছে। দেশে এই  রিপোর্টিং ধারার পথিকৃত প্রয়াত ফজলে লোহানী। তিনি তার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন  অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’-এর জন্য বেশ কিছু আলোচিত বিষয়ের ওপর  প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল নিপা নামের এক অসহায়  কিশোরীর ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা আর ওই সার্জারি  সরাসরি সম্প্রচার করে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;কৃষিভিত্তিক প্রথম অনুষ্ঠান&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;বিটিভিতে  কৃষিভিত্তিক প্রথম অনুষ্ঠানের নাম ‘আমার দেশ’। আশি দশকে এ অনুষ্ঠানটির  প্রচার শুরু হয়। এটি প্রযোজনায় ছিলেন আলীমুজ্জামান দুলু। এ অনুষ্ঠানের পর  ১৯৮৬ সালে শুরু হয় ‘মাটি ও মানুষ’ এর সম্প্রচার। অনুষ্ঠানটি এখনও চলছে।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম ঈদের নাটক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;বিটিভিতে  প্রথমবারের মতো ঈদের নাটক হিসেবে প্রচারিত হয় আমজাদ হোসেনের লেখা ‘এই যে  দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া’। এটি আমজাদ হোসেনের লেখা ‘জব্বার আলী’ সিরিজের প্রথম  নাটক। নাটকটিতে অভিনয় করেছিলেন আমজাদ হোসেন, সুবর্ণা মুস্তফা, জাহানারা  আহমেদ, ফরিদ আলী, টেলি সামাদ প্রমুখ।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম প্যাকেজ নাটক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;বহিরাগত  নির্মাতাদের নির্মিত নাটক ও অনুষ্ঠান প্রচারের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর  বিটিভিতে প্রথম যে নাটকটি প্রচার হয় সেটি ছিল কাজী আনোয়ার হোসেনসৃষ্ট  জনপ্রিয় চরিত্র মাসুদ রানা কেন্দ্রিক। নাটকটির নাম ছিল ‘প্রাচীর পেরিয়ে’।  এটি রচান ও পরিচালনা করেছিলেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী। অভিনয়ে ছিলেন নোবেল  ও বিপাশা হায়াত।&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;প্রথম প্যাকেজ ম্যাগাজিন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;প্রথম  প্যাকেজ ম্যাগাজিন হিসেবে বিটিভি প্রচার করে হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’।  ‘যদি কিছু মনে না করেন’ বন্ধ হয়ে যাবার পর বিটিভিতে হানিফ সংকেতের গ্রন্থনা  ও উপস্থাপনায় প্রচার শুরু হয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। বিটিভি  বহিরাগত নির্মাতাদের নাটক ও অনুষ্ঠান প্রচারের সিদ্ধান্ত নেবার পর হানিফ  সংকেত ‘ইত্যাদি’ প্যাকেজের আওতায় নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। নব্বই দশক থেকে  এটি প্যাকেজের আওতায় নিয়মিতভাবে প্রচার হচ্ছে।&lt;/div&gt;</description><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" height="72" url="http://4.bp.blogspot.com/-KRf7MUTl--s/Ut4YT-LkbgI/AAAAAAAAAdk/IXa3fqSbd9s/s72-c/image_61068_0.jpg" width="72"/><thr:total xmlns:thr="http://purl.org/syndication/thread/1.0">0</thr:total></item></channel></rss>