<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Sun, 24 May 2026 04:03:18 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>জুমঘর</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/edkb8o4ef8</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/edkb8o4ef8#comments</comments><guid isPermaLink="false">a4a61c6c-10a7-4fdc-8be5-781df2c58da2</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>কবিতা-অন্য আলো,শিল্প ও সাহিত্য,কবিতা,সাহিত্য</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/s630bf6e/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.40-PM-1.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ : এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/s630bf6e/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.40-PM-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>poem</category><content:encoded><![CDATA[ <p>লুকাতে লুকাতে আমি আলোর কথা ভাবি<br>দূরে পাহাড়–চূড়ায়<br>একাকী দাঁড়ানো এক জুমঘর<br>কেউ নেই তাতে, কিছু নেই<br>ইগল ডানার ছায়া<br>থেমে থেমে চলে যায় তীর্যক রেখায় সুর তোলে<br>তাকে থামাতে চাই<br>দেখাতে চাই মানুষের মগ্ন মিলনের ঝাঁক।<br><br>তুমি কোথা থেকে আসো? কোথায় চলে যাও?<br>এ প্রশ্নের মীমাংসা না রেখেই<br>শিকারি ইগল সুতীব্র করে তার নিষিদ্ধ নখর<br>ক্ষতাক্ত করে চোখ, ঠোঁট আর বুকের দুপাশ<br>আর তখন অন্ধকারের বিপরীতে আমার খোয়ানো দুচোখ<br>আলোর উষ্ণতা খোঁজে!<br>দেখে, ধূসর জমিনে দূরে দাঁড়ানো এক জুমঘর<br>হাতের তালুতে কাঁপে।<br><br>কৃষ্ণপক্ষ রাত আরও ঘন, আরও নিবিড় হলে<br>মিলনের শেষ শীৎকার<br>ধীরে পাহাড় গড়িয়ে নামে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পূর্ণ বৃত্তিসহ যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করছেন মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজের সাব্বির</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/r1urqn5nrl</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/r1urqn5nrl#comments</comments><guid isPermaLink="false">2133518e-db11-4322-bcaa-1f17cf9ea861</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফুয়াদ পাবলো</atom:name><atom:uri>/api/author/1625857</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বৃত্তি,পিএইচডি,স্বপ্ন নিয়ে,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="1280" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/rll1girb/Sabbir-Ahmed.jpg.jpeg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ অবার্ন ইউনিভার্সিটিতে রসায়নে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি করছেন এই তরুণ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/rll1girb/Sabbir-Ahmed.jpg.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে ভালো সিজিপিএ না-ও আসতে পারে নানা কারণে। তাই বলে কি ভিনদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে যাবে? কারও কারও অভিজ্ঞতা কিন্তু বলছে, এই বাধাও অতিক্রম করার উপায় আছে।</p><p>শৈশবে নামের আগে ‘ডক্টর’ বসানোর স্বপ্ন ছিল সাব্বির আহমেদের। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর যখন কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা হলো না, স্বপ্নটা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছিল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি হন তিনি। স্নাতকে পান সিজিপিএ–৩.৩৬। রেজাল্ট মন্দ নয়। কিন্তু এই রেজাল্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ বৃত্তিসহ পিএইচডি করা কঠিন। সেটাই করে দেখিয়েছেন সাব্বির। আলাবামা অঙ্গরাজ্যের অবার্ন ইউনিভার্সিটিতে রসায়নে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি করছেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/rwcaffxomb">কানে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের লুক যে পোশাকের কারণে আলোচিত হলো</a></aside><p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষে সাব্বির বুঝতে পেরেছিলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে প্রমাণ করতে হলে গবেষণার বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই ভর্তি হন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট)। মাস্টার্সের জন্য কুয়েটে ভর্তি হওয়া ছিল জীবনের বড় টার্নিং পয়েন্ট, এখানেই তাঁর গবেষণার হাতেখড়ি। সাব্বির বলেন, ‘গবেষণায় আমরা পাটকাঠি থেকে হাইড্রোজেল তৈরি করেছি, যা ড্রাগ ডেলিভারি ও পানিদূষণ রোধে ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া পাটকাঠি থেকে তৈরি বায়োডিগ্রেডেবল ফিল্ম প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করবে। যখন আমার প্রথম রিসার্চ পেপার ছাপা হয়, সেদিন সারা রাত এটা নিয়েই ভেবেছি। মনে হয়েছে, স্বপ্ন পূরণের দিকেই হাঁটছি।’</p><p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ৪০০ প্রেজেন্টারের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করা ছিল সাব্বিরের আত্মবিশ্বাসের বড় জ্বালানি। এরপর চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন, একাধিক কনফারেন্সে অংশ নিয়েছেন। এ অভিজ্ঞতাই মূলত তাঁকে ফুল ফান্ড স্কলারশিপ পেতে সাহায্য করেছে। কোনো পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে নয়, নিজ উদ্যোগে সব কাগজ তৈরি করে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করেছেন সাব্বির। একের পর এক প্রত্যাখ্যান এলেও থেমে যাননি। বলছিলেন, ‘গণনা করলে হয়তো দেখা যাবে, তিন শতাধিক অধ্যাপককে ই–মেইল করেছি। একদিন খুব ক্লান্ত হয়ে বলছিলাম, আল্লাহ, অনেক কষ্ট হচ্ছে, আর পারছি না। কিন্তু অবার্নের অফার লেটার পাওয়ার পর সেই কষ্টের কথা ভুলে গিয়েছি। খুশিতে মা আর আমি—দুজনই কেঁদে ফেলেছি।’</p><p>সাব্বির হোসেন মনে করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তাঁর পরামর্শ, ‘কোথায় পড়ছি, সেটা আমার স্বপ্ন পূরণে বাধা হতে পারে না। লক্ষ্য ঠিক করো, পরিশ্রম করো, সফলতা আসবেই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/nqw2h8lqlo">ঈদে ১০টি গরু কাটার কাজ নেবেন আমজাদ, কত টাকায় কাটবেন একেকটি?</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সুইয়ের ফোঁড়ে নান্দনিক নকশায় ফুটে উঠছে প্রতিটি টুপি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/s42e051d47</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/s42e051d47#comments</comments><guid isPermaLink="false">22554505-6e7a-4fd7-8982-1e9c8e837b8c</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রহিদুল মিয়া	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410427</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রংপুরের পীরগাছা উপজেলার চরকান্দিনা, হরিচরণ, সাতঘড়ি, ডারারপাড় গ্রাম ঘুরে দেখা গেল এমন দৃশ্য। পরিবারের ছোট–বড় সবাই মিলে তৈরি করছেন বাহারি সব টুপি।]]></description><media:keywords>রংপুর,তারাগঞ্জ,রংপুর বিভাগ,পীরগাছা,ঈদ,উদ্যোগ,দারিদ্র্য</media:keywords><media:content height="1040" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ruhniv35/1111111111111.jpg" width="1596"><media:title type="html"><![CDATA[ টুপিতে নকশা তোলার কাজে ব্যস্ত নারীরা। সম্প্রতি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার চর কান্দিনা গ্রামে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ruhniv35/1111111111111.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাস্তার ধারে, বাড়ির সামনে ও বাড়ির উঠানে নারীদের বেশ জটলা। তাঁদের সবার হাতে সুই-সুতা আর রংবেরঙের কাপড়। গল্প করতে করতে সুই দিয়ে কাপড়ে চলছে হাতের কাজ। যেকোনো বাড়ির ভেতরে ঢুকলে দেখা যাবে, আরেক কাণ্ড। কেউ রান্না করছেন, সঙ্গে চলছে টুপিতে নকশা তোলা। উঠানে গল্প করতে করতে চলছে হাতের কাজ। সুইয়ের ফোঁড়ে নান্দনিক নকশায় ফুটে উঠছে প্রতিটি টুপি। বিশেষ কায়দায় সেলাই ও ভাঁজ করে ওই কাপড় দিয়ে বানানো হচ্ছে টুপি।</p><p>রংপুরের পীরগাছা উপজেলার চরকান্দিনা, হরিচরণ, সাতঘড়ি, ডারারপাড় গ্রাম ঘুরে দেখা গেল এমন দৃশ্য। পরিবারের ছোট–বড় সবাই মিলে তৈরি করছেন বাহারি সব টুপি। তাঁদের হাতে টুপি হয়ে উঠছে একটা শিল্প। ওই সব গ্রামের প্রায় এক হাজার নারী টুপিতে নকশার কাজ করে দারিদ্র্যকে জয় করেছেন। তাঁদের নকশা করা টুপি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। দেশে আসছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।</p><p>হরিচরণ গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, গ্রামটির কয়েকজন মানুষ চট্টগ্রাম থেকে ফিরে বাড়ির নারীদের হাতে তুলে দেন সঙ্গে আনা নানা উপহার। এ সময় কিছু টুপিও উপহার দেওয়া হয় তাঁদের। বলা হলো, ‘দেখো তো পারো কি না এমন করে টুপি বানাতে।’ ওই নারীরা তখন নকশার কাজ জানতেন না, নকশা করার টুপি বানাবে কী করে? তাই বলে উৎসাহের কমতি ছিল না কারও। নকশার কাজ জানে এমন কারও খোঁজ করতে লাগলেন তাঁরা। জানা গেল, পাশের পেটভাতাগ্রামের সাবিনা বেগম নকশার কাজ জানেন। তাঁর কাছে গিয়ে ধরনা দিলেন তাঁরা। হরিচরণ গ্রামে এসে কয়েকজন নারীকে টুপিতে নকশা তোলার কাজ শেখালেন সাবিনা। সেই থেকে হরিচরণসহ আশপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে টুপি তৈরির কাজ। এখন গ্রামের নারীরা টুপিতে নকশার কাজ করে মাসে ৮-৯ হাজার টাকা আয় করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/2yjo40y7/bgyjgtvs.jpg" /><figcaption>এভাবে দল বেঁধে টুপিতে নকশা তোলার কাজ করছেন নারীরা। রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সাতঘড়িয়া গ্রামে</figcaption></figure><p>হরিচরণ গ্রামের সাহিনা বেওয়ার জমি ছিল না। ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে তিন সদস্যের সংসার চালাতেন তিনি। এখন তাঁর বাড়িতে হাঁস-মুরগি–গাভি আছে। ৩০ শতক জমি বন্ধক নিয়েছেন। টুপিতে নকশার কাজ করে তিনি মাসে ৯ হাজার টাকা আয় করছেন।</p><p>ওই গ্রামের স্বামীহারা সুলতানা খাতুনও টুপিতে নকশার কাজ করে সংসারের সচ্ছলতা এনেছেন। খেতে পারছেন তিন বেলা। তাঁর এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। আরেক মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। দুটি গাভি ও চারটি ছাগল আছে। ওই গ্রামের রশিদা বেগমের স্বামী এরশাদুল হক চার বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় কর্মক্ষমতা হারান। নকশার কাজ করে রশিদা এখন সংসার চালান। একইভাবে নানকর গ্রামের সিদ্দিকা বেগম মুরাদপুর গ্রামের মঞ্জিলা খাতুন, সোলেমা খাতুন, আশরাফি খাতুন টুপিতে নকশার কাজ করে সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন। সন্তানদের লেখাপড়া করানোসহ খেতে দিতে পারছেন তিন বেলা।</p><p>সাতঘড়ি গ্রামের দশম শ্রেণির ছাত্রী ময়না খাতুন বলে, পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে সে টুপিতে নকশা করে, এতে সাত–আট হাজার টাকা উপার্জন হয়। নিজের আয়ে পাড়াশোনার খরচ চালাচ্ছে এবং বাবার সংসারে সহায়তা করছে সে।</p><p>ডারারপার গ্রামের মিম খাতুন বলেন, ‘এলা মোক বাসাবাড়ির কাজেরে খোঁজত বাইরোত যাবার নাগে না। প্রত্যেক দিন মোর টুপি সেলাই করি তিন শ টাকা কামাই হয়ছে। টুপি মোক নতুন জীবন দিছে।’</p><p>চরকান্দিনা গ্রামের জহরা আক্তার বলেন, ভিটামাটি ছাড়া কিছুই ছিল না। এখন টিনের ঘর ও নিজের ৩৮ শতাংশ জমি আছে। গাছগাছালিঘেরা বাড়িতে হাঁস-মুরগি, ছাগল ও গাভি পালন করছেন। টুপিতে নকশার কাজ করে মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করছেন। সন্তানেরা বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। সংসারের সবাই এখন জহরার মতামতকে গুরুত্ব দেন।<br>ওই গ্রামের আরজিনা বেগম রান্নাঘরের কাজের ফাঁকে ফাঁকে টুপির কাজ করছেন। তিনি বললেন, সংসারের অন্য কাজের সঙ্গেই এ কাজ করা যায়। সংসারের সব কাজ সেরেও শুধু টুপিতে নকশার কাজ করে মাসে আট হাজার টাকা আয় হয়।</p><p>টুপিতে নকশা তোলার কারিগর সাতঘড়ি পাড়া গ্রামের রাহেনা খাতুন বলেন, সাদা কাপড়কে কেটে টুপি তৈরির উপযুক্ত করা হয়। কাটিং কারিগর প্রতি টুপিতে ১০ টাকা মজুরি পান। কাটার পর এর মধ্যে নকশা করতে হয়। এরপর মেশিনে সেলাই করা হয়। প্রতিটি টুপি সেলাইয়ের জন্য শ্রমিকেরা পান ৬০ টাকা। হাসুর কাজের জন্য দেওয়া হয় ৩০ টাকা। নারীরা সুই-সুতা দিয়ে নকশা করার জন্য টুপিপ্রতি পারিশ্রমিক পান ৪৫০-৫৫০ টাকা। নকশা করার সুই-সুতা সরবরাহ করেন ব্যবসায়ীরা।</p><p>ওই গ্রামের আরেক কারিগর লাকি বেগম বলেন, টুপির দুটি অংশ থাকে। নকশা তোলার পর তা মহাজনের কাছে পাঠানো হয়। সাধারণত টুপির ওপর ও নিচের দুটি অংশে বিভিন্ন রঙের রেশমি সুতা দিয়ে প্রচুর কারুকাজ করা হয়। কাজ শেষ হলে গ্রামের নারীদের মজুরি পরিশোধ করে টুপিগুলো নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। নতুন কাজের জন্য দিয়ে যান কাপড় ও সুই-সুতা। নকশাভেদে এসব টুপি হয় দুই রকম। হাফ দানা ও ফুল দানা। একটি হাফ দানা টুপির নকশার মজুরি ৫৫০ টাকা, আর ফুল দানার মজুরি ৪৫০ টাকা।</p><p>ঢাকার টুপি ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইটাকুমারী ইউনিয়নের চার গ্রামের নারীদের নকশা করা টুপি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠাই। কাপড়ভেদে সেখানে প্রতিটি টুপি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।’</p><p>ইটাকুমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ইসমাইল হোসেন বলেন, আগে এ গ্রামের নারীরা শ্বশুরবাড়িতে নানা নির্যাতনের শিকার হতেন। এখন রোজগার করায় শ্বশুরবাড়ির সবার ভালোবাসা পাচ্ছেন। টুপিতে নকশার কাজ করে এসব গ্রামের নারীরা বাড়তি আয় করছেন।</p><p>পীরগাছা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এনামুল হক আজ শনিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সব গ্রামের নারীরা টুপিতে নকশার কাজ করে তাঁদের ভাগ্যের বদল করেছেন। আমি তাঁদের নকশার কাজ সচক্ষে দেখেছি।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>কিআ কার্নিভ্যাল শুরু, সারা দিন থাকছে নানা আয়োজন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/p20j77qn3m</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/p20j77qn3m#comments</comments><guid isPermaLink="false">cf78477c-5748-459c-94b0-e4f475b045e3</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:55:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:55:51.327Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজধানীর গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডের আলোকি কনভেনশন সেন্টারে কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬ অনুষ্ঠান শুরু হয়।  দিনব্যাপী এ জমজমাট আয়োজন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।]]></description><media:keywords>কিআ ১২,কিশোর আলো,ঢাকা</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/j9aj7jwb/kishore-alo-1.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘কিআ কার্নিভ্যাল’। আজ রোববার গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডের আলোকি কনভেনশন সেন্টারে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/j9aj7jwb/kishore-alo-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কিশোর আলোর সবচেয়ে বড় আনন্দের আয়োজন ‘সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’ শুরু হয়েছে। কিশোর আলোর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রোববার দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করা হয় কিআ কার্নিভ্যাল।</p><p>সকাল নয়টায় রাজধানীর গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডের আলোকি কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।  দিনব্যাপী এ জমজমাট আয়োজন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।</p><p>নিবন্ধন সম্পন্ন করা প্রথম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে একজন অভিভাবক (বাবা অথবা মা) উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এবারের আয়োজনে অংশ নিয়েছে ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ও সমসংখ্যক অভিভাবকেরা।</p><p>এবারের কিআ কার্নিভ্যাল সাজানো হয়েছে তারকা, গুণীজন আর কিশোর আলোর পাঠকদের নিয়ে। আয়োজনে থাকছে আলোকচিত্র, লেখালেখি, ভাষা, ক্যারিয়ার, এআই, কার্টুনসহ নানা বিষয়ে কর্মশালা।</p><p>পাঠকদের সঙ্গে কার্নিভ্যালের আনন্দ উদ্যাপন করতে উপস্থিত থাকবেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। কার্টুন ও কমিকস নিয়ে গল্প করবেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব। ভাষা ও সাহিত্যের আড্ডায় থাকছেন অধ্যাপক তারিক মনজুর। আলোকচিত্র নিয়ে কথা বলবেন নাসির আলী মামুন। শিশুদের অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। অনুষ্ঠানে জাদু পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় জাদুশিল্পী রাজীব বসাক।</p><p>এ ছাড়া আয়োজনে থাকছেন বিনোদনজগতের জনপ্রিয় তারকারা। পাঠকদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। থাকবেন অভিনেতা আফরান নিশো, ফারহান আহমেদ জোভান ও তৌসিফ মাহবুব।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/dd67uveh/kishore-alo-2.jpeg" /><figcaption>জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘কিআ কার্নিভ্যাল’। আজ রোববার গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডের আলোকি কনভেনশন সেন্টারে</figcaption></figure><p>কিআ কার্নিভ্যালের জমকালো গানের আয়োজনে উপস্থিত থাকবে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাভয়েড রাফা। আরও থাকবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও তাঁর গানের দল। গান গাইবেন জনপ্রিয় গায়ক আহমেদ হাসান সানি।</p><p>কার্নিভ্যাল প্রাঙ্গণে প্রবেশের সময় প্রবেশপত্র যাচাই করে করা হয় এবং অংশগ্রহণকারীর হাতে বিশেষ সিল দেওয়া হয়, যা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও বাইরে বের হওয়ার সময় দেখাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একজন অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ তিনবার উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে।</p><p>সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যালে সহযোগিতা করছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। গোল্ড পার্টনার মাইটি চিপস। ভেন্যু পার্টনার আলোকি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কানে সেরা হলো সহমর্মিতার গল্প</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/xrlxrxz7wv</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/xrlxrxz7wv#comments</comments><guid isPermaLink="false">1e233628-fe63-4f0e-b267-445872819045</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:45:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম জিতল রোমানিয়ান পরিচালক ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউর নতুন সিনেমা ‘ফিওড’।]]></description><media:keywords>কান চলচ্চিত্র উৎসব,চলচ্চিত্র পরিচালক,অভিনয় শিল্পী</media:keywords><media:content height="4532" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/f7nomnvn/751689-01-02.jpg" width="6798"><media:title type="html"><![CDATA[ স্বর্ণপাম হাতে ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ। এএফপি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/f7nomnvn/751689-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্ব চলচ্চিত্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম জিতল রোমানিয়ান পরিচালক ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউর নতুন সিনেমা ‘ফিওড’। বামপন্থী উদারনৈতিক সমাজের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও ভন্ডামিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো এই চলচ্চিত্রটি উৎসবজুড়ে ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে উৎসবের সমাপনী দিনে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।</p><p>ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ কান উৎসবের পুরোনো পরিচিত নাম। ২০০৭ সালে তাঁর সিনেমা ‘৪ মান্থস, ৩ উইকস অ্যান্ড ২ ডে’ জিতে নেয় স্বর্ণপাম। পরে ‘বিয়ন্ড দ্য হিলস’-এর জন্য পান সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার ও ‘গ্র্যাজুয়েশন’ তাঁকে এনে দেয় সেরা পরিচালকের স্বীকৃতি। এবার দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণপাম জিতলেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/9w2a62sy/751666_01_02.jpg" /><figcaption>মঞ্চে পুরস্কার একসঙ্গে পুরস্কার পাওয়া পরিচালক ও শিল্পীরা। এএফপি </figcaption></figure><p><strong>স্ক্যান্ডিনেভিয়ার সহনশীলতার আড়ালের গল্প<br></strong>‘ফিওড’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এক রোমানিয়ান পরিবারকে ঘিরে। কঠোর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে তারা নরওয়ের এক ছোট্ট গ্রামে নতুন জীবন শুরু করতে যায়। শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে স্থানীয় সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে।</p><p>একপর্যায়ে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে পরিবারটির বিরুদ্ধে। এরপরই তাদের সন্তানদের রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও পুরো পরিস্থিতি পরিবারটিকে এক দুঃস্বপ্নের মধ্যে ঠেলে দেয়। প্রদর্শনীর সময় দর্শকদের অনেককে বিস্ময়, ক্ষোভ ও আবেগে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। বিশেষ করে সন্তানদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করার দৃশ্যগুলো হলে তীব্র আবেগ তৈরি করে। ছবিতে অভিনয় করেছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান ও রেনাতে রেইনসভে।</p><p>পুরস্কার গ্রহণের সময় মুঙ্গিউ বলেন, ‘এটি সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও সহমর্মিতার গল্প। আমরা সবাই এসব মূল্যবোধকে ভালোবাসি। কিন্তু এগুলো বাস্তবে আরও বেশি প্রয়োগ করা প্রয়োজন।’</p><p>বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত ১৪৬ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। কারণ, এটি নরওয়েজিয়ান সমাজের প্রগতিশীল ভাবমূর্তিকে প্রশ্ন করে এবং একই সঙ্গে রক্ষণশীল ধর্মীয় চরিত্রগুলোর প্রতিও সহানুভূতিশীল অবস্থান নেয়, যা সাধারণত ইউরোপীয় শৈল্পিক ঘরানার সিনেমায় খুব কম দেখা যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/58kuwgf4/751647_01_02.jpg" /><figcaption>স্বর্ণপাম জয়ের পর পরিচালক ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউকে জড়িয়ে ধরেন ছবির অভিনেত্রী রেনাতে রেইনসভে। এএফপি </figcaption></figure><p><strong>গ্রাঁ প্রি পেল রাশিয়ার ‘মিনোটর’<br></strong>উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি জিতেছে রুশ নির্মাতা আন্দ্রেই জভিয়াগিনতসেভের ‘মিনোটর’। রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের পটভূমিতে নির্মিত এই পারিবারিক নাটকে দেখানো হয়েছে এক নির্মম ব্যবসায়ীর জীবন। জভিয়াগিনতসেভ দীর্ঘদিন ধরেই ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়াকে কেন্দ্র করে নির্মিত অন্ধকার বাস্তবধর্মী ছবির জন্য পরিচিত।</p><p>বর্তমানে ফ্রান্সে নির্বাসিত জীবন যাপন করা এই নির্মাতা পুরস্কার গ্রহণের সময় ইউক্রেন যুদ্ধের ‘রক্তপাত’ বন্ধ করার আহ্বান জানান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/si19a75l/751662_01_02.jpg" /><figcaption>উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি জিতেছে রুশ নির্মাতা আন্দ্রেই জভিয়াগিনতসেভের ‘মিনোটর’। এএফপি</figcaption></figure><p><strong>অভিনয়ে যৌথ পুরস্কার<br></strong>রিউসুকে হামাগুচির বৃদ্ধাশ্রমভিত্তিক আবেগঘন সিনেমা ‘অল অব আ সাডেন’ সিনেমায় অভিনয় করে যৌথভাবে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন তাও ওকামোতো ও ভার্জিনি এফিরা। এবার সেরা অভিনেতাও হয়েছেন দুজন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত লুকাস দন্তের ‘কাওয়ার্ড’-এ অভিনয় করে পুরস্কার জিতেছেন মাক্কিয়া ও ভ্যালোঁতাঁ কাম্পানি।</p><p><strong>আরও পুরস্কার<br></strong>এ ছাড়া এবার সেরা জুরি পুরস্কার পেয়েছে ভ্যালেস্কা গ্রিসবাখের ‘দ্য ড্রিমড অ্যাডভেঞ্চার’। ‘দ্য ব্ল্যাক বল’ সিনেমার জন্য যৌথভাবে সেরা পরিচালক হয়েছেন হাভিয়ের আমব্রোসি ও হাভিয়ের কালভো। স্পেনের কবি ও নাট্যকার ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকাকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।<br>ইরানে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাসিত নির্মাতা ও অভিনেত্রী পেগাহ আহাঙ্গারানির তথ্যচিত্র ‘রিহার্সালস ফর আ রেভোল্যুশন’ জিতেছে সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার।</p><p>রুয়ান্ডার নির্মাতা মেরি-ক্লেমেন্টিন দুসাবেজাম্বো তাঁর গণহত্যা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘বেন’ ইমানার জন্য জিতেছেন ক্যামেরা দ’অর, অর্থাৎ সেরা প্রথম চলচ্চিত্রের পুরস্কার। পুরস্কারটি তিনি উৎসর্গ করেছেন নিজের দেশের নারীদের।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/7dmiizoa8h">কানে নেপালের ইতিহাস, প্রথমবার অংশ নিয়েই বাজিমাত</a></aside><p><strong>উৎসবজুড়ে এআই, নারী প্রতিনিধিত্ব ও হলিউড অনুপস্থিতি<br></strong>বিশ্বের সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্র উৎসব হিসেবে পরিচিত কান শুধু স্বাধীন সিনেমার মঞ্চ নয়; এটি ফ্যাশন ও তারকাদেরও বড় প্রদর্শনী। এবারের ৭৯তম আসরে জন ট্রাভোল্টা, কেট ব্ল্যানচেট, ভিন ডিজেলের মতো তারকারা উপস্থিত থাকলেও হলিউডের বড় স্টুডিওগুলো প্রায় অনুপস্থিত ছিল। ইউনিভার্সাল, ডিজনি কিংবা ওয়ার্নারের মতো কোনো বড় স্টুডিও এবার কান বা বার্লিন উৎসবে বড় বাজেটের সিনেমা আনেনি। এতে ইউরোপীয় উৎসবগুলো থেকে হলিউডের দূরত্ব নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।<br>উৎসবজুড়ে আলোচিত আরেকটি বিষয় ছিল চলচ্চিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং নারী পরিচালকদের কম উপস্থিতি। মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে এবার ২২টি ছবির মধ্যে মাত্র পাঁচটি পরিচালনা করেছেন নারী নির্মাতারা।</p><p>‘থেলমা অ্যান্ড লুইস’ অভিনেত্রী জিনা ডেভিস পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বলেন, ‘১৯৯১ সালে আমরা ভেবেছিলাম, সেই ছবিটি নারীদের জন্য এক নতুন যুগের সূচনা করবে। কিন্তু এত বছর পরও বলতে হচ্ছে, পরিবর্তন খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে।’<br>গত ১২ মে শুরু হয় এবারের কান উৎসব। মূল প্রতিযোগিতা বিভাগের প্রধান জুরি ছিলেন প্রখ্যাত কোরীয় নির্মাতা পাক চান-উক।</p><p><sup>এএফপি ও ভ্যারাইটি অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>র‍্যাব বিলুপ্তি প্রশ্নে দ্বিধা থাকতে পারে না</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/yrg5ul17z9</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/yrg5ul17z9#comments</comments><guid isPermaLink="false">a323eac1-5a34-4705-b9ae-06ad35355b05</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:33:49 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:33:49.930Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সম্পাদকীয়</atom:name><atom:uri>/api/author/1428031</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এরপরও র‍্যাব বিলুপ্তি কিংবা কমপক্ষে বাহিনীটির বর্তমান কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারের দ্বিধার কোনো কারণ থাকতে পারে বলে আমরা মনে করি না। ]]></description><media:keywords>র‍্যাব</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1029114c-37fd-4c36-a816-595983984828/editorial_5.png" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ সম্পাদকীয় ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1029114c-37fd-4c36-a816-595983984828/editorial_5.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পাদকীয়</category><content:encoded><![CDATA[ <p>র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে পদ্ধতিগত ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি যেভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে, তাতে করে নাম ও পোশাক পাল্টিয়ে বাহিনীটির অতীত কলঙ্ক মুছে ফেলা সম্ভব নয়। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, ভিন্নমত দমনসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে যখন জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দল ও সংগঠনের দিক থেকে র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জোরালোভাবে এসেছে, সে সময়ে বাহিনীটির কিছু পোশাকি পরিবর্তনের কথা ভাবা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমরা মনে করি, এটা বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p><p>গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ র‍্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় নতুন আইনের অধীন একটি এলিট ফোর্স হিসেবে এটি (র‍্যাব) থাকবে বলে ঘোষণা দেন, তা একই সঙ্গে বিস্ময়কর ও উদ্বেগজনক। এর এক দিন পর প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানও বলেছেন, র‍্যাব সেভাবে থাকছে না, বাহিনীটির নামও সম্ভবত পাল্টে যাচ্ছে।</p><p>২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বৈশ্বিক পরিসরে যে উদ্বেগ, তার বড় অংশ ছিল র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাবকে ঘিরে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালে র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। আইনিভাবে দায়মুক্তি ভোগ করা এই বাহিনী জঙ্গিবাদ, মাদক, সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষতার পরিচয় দিলেও শুরু থেকেই বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল।</p><p>আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আমলে র‍্যাবকে আরও প্রকটভাবে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। গুমসহ রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী দমনের কাজে বাহিনীর সদস্যরা জড়িয়ে পড়েছিলেন। গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ আমলে মোট গুমের ঘটনার ২৪ শতাংশের সঙ্গে র‍্যাব জড়িত ছিল। সারা দেশে আয়নাঘর নামে পরিচিত যে ৪০টি গোপন বন্দিশালার সন্ধান পাওয়া যায়, তার ২২-২৩টি ছিল র‍্যাবের। এ ছাড়া পুলিশের বিশেষ শাখার নথি থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই সাত বছরে দেশে যে ১ হাজার ২৯৩টি ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার ২৯৩টির সঙ্গে যুক্ত ছিল র‍্যাব। এ ছাড়া বাহিনীটির সদস্যরা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে নাগরিক হত্যাসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, এর বড় দৃষ্টান্ত নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা।</p><p>২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মানবাধিকার–বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের তথ্যানুসন্ধান দল যে প্রতিবেদন দেয়, সেখানে র‍্যাবের বলপ্রয়োগ ও গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ উঠে আসে। তারা সুস্পষ্টভাবে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছিল। এ বছরের শুরুতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত গুম কমিশন র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বাদ দিয়ে কেবল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে একটি নতুন এলিট বাহিনী গঠন করে র‍্যাব প্রতিস্থাপনের কথা বলেছিল। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিল।</p><p>এরপরও র‍্যাব বিলুপ্তি কিংবা কমপক্ষে বাহিনীটির বর্তমান কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারের দ্বিধার কোনো কারণ থাকতে পারে বলে আমরা মনে করি না। কেননা, বাহিনীটির সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে গুরুতর অভিযোগ, তার জন্য বৈশ্বিক পরিসরে ও নাগরিকদের কাছে সরকারকে বড় প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে। র‍্যাব প্রশ্নে গুমসংক্রান্ত কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারকে অবশ্যই সাহসী হতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের পুরোনো সংস্কৃতি</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/2vkjknmvrx</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/2vkjknmvrx#comments</comments><guid isPermaLink="false">7ef1b9e9-bcfe-47c4-a5fc-49519805192e</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:31:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:31:12.693Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সম্পাদকীয়</atom:name><atom:uri>/api/author/1428031</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নগর-পরিকল্পনাবিদদের মতে, প্রায় সব হাট রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থাকা ব্যক্তিদের দখলে যাওয়া ভালো ইঙ্গিত দেয় না। ]]></description><media:keywords>কোরবানির পশু,সংস্কৃতি,গবাদি পশু,ইজারা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1d63e6da-a8a2-4b30-a01c-0443c6229cd7/editorial_3.png" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ সম্পাদকীয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1d63e6da-a8a2-4b30-a01c-0443c6229cd7/editorial_3.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পাদকীয়</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সরকার এলেও পশুর হাটের ইজারা ও নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে সেই পুরোনো ‘দখলদারি’ ও ‘দলীয়করণের’ সংস্কৃতিই আমরা দেখতে পাচ্ছি। রাজধানীর ২১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা তালিকার দিকে তাকালে দেখা যায়, দুটি ছাড়া সব হাট পেয়েছেন সরকারি দল বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠজনেরা। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতাচর্চা ও আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টিই স্পষ্ট হয়।</p><p><em>প্রথম আলো</em>র প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ঢাকা উত্তরের ১১টি হাটের সব কটি এবং দক্ষিণের ১০টির মধ্যে ৮টিই পেয়েছেন বিএনপির নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠজনেরা। বাকি দুটির একটি জামায়াত এবং অন্যটি এনসিপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাতে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে দলীয় পরিচয় ইজারা পাওয়ার প্রধান মাপকাঠি ছিল, এবারও প্রায় সব হাট ঘুরেফিরে রাজনৈতিক পরিচয়েই বণ্টিত হয়েছে। যখন যে দল ক্ষমতার ছায়ার কাছাকাছি থাকে, পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে যাওয়া—এই নিয়ন্ত্রণমূলক চর্চার কি অবসান হবে না?</p><p>যদিও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ইজারা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে সমঝোতার মাধ্যমে দর ঠিক করা হয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বাইরে অন্য কেউ প্রতিযোগিতায় না আসতে পারে। কোথাও সরকারি দরের চেয়ে মাত্র ১০ হাজার টাকা বেশি মূল্যে ইজারা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা প্রতিযোগিতামূলক বাজারের ধারণাকে উপহাস করার শামিল। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর যদি কেবল ‘ব্যক্তির’ পরিবর্তন হয়, কিন্তু ‘প্রক্রিয়ার’ আমূল সংস্কার না ঘটে, তবে তাকে প্রকৃত পরিবর্তন বলা যায় না।</p><p>নগর-পরিকল্পনাবিদদের মতে, প্রায় সব হাট রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থাকা ব্যক্তিদের দখলে যাওয়া ভালো ইঙ্গিত দেয় না। পশুর হাট কেবল একটি মৌসুমি ব্যবসা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জনভোগান্তি ও নগর-ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। প্রতিবছরই ইজারাদারেরা নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়ক ও আবাসিক এলাকায় পশুর হাট বসান, যা তীব্র যানজট ও পশুর বর্জ্য ছড়ানোর অন্যতম কারণ। ইজারাদার যখন রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাধর হন, তখন সিটি করপোরেশন বা পুলিশের পক্ষে তাঁদের শর্ত মানতে বাধ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে।</p><p>আমরা মনে করি, পশুর হাটের এই রাজনৈতিক সিন্ডিকেট ভাঙা জরুরি। ইজারাপ্রক্রিয়াকে প্রকৃত অর্থেই দলমত-নির্বিশেষে সব পেশাদার ব্যবসায়ীর জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে আবাসিক এলাকা ও মূল সড়কে হাট বসানোর যে প্রবণতা, তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আমরা আশা করি, সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের তোয়াক্কা না করে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং শর্ত ভঙ্গকারী ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মৃত্যু, টীকাহীন </title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/33e7xqrwdh</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/33e7xqrwdh#comments</comments><guid isPermaLink="false">54b68487-b120-4c23-9c53-4ef8be999bf4</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিল্প ও সাহিত্য,কবিতা-অন্য আলো,কবিতা,সাহিত্য</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/jt4nsasy/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.41-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ : এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/jt4nsasy/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.41-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>poem</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সিঁধকাটা ভোরে কেউ এসে খুলে দিয়ে গেছে আমাদের নামহীন সদর দরজা। অনায়াস বিশ্বাসে আমাদের শিশুরা হয়ে গেছে ঘরের বাহির। ভেজা মাটিতে পায়ের ছাপ স্পষ্ট হওয়ার আগেই মুছে দিল তোমাদের নিরঙ্কুশ জলের স্লোগান। কাগজে পেনসিলের দাগ দেওয়ার আগেই উদ্যত তোমাদের সফেদ রাবার। অসমাপ্ত আর্তনাদের ঝুলবারান্দায় ঝুলে থাকে সারি সারি নবজাত সন্তানের লাশ।<br><br>তোমাদের জন্ম অবর্ণনীয়, মৃত্যু অকিঞ্চিৎকর, নিশ্বাস অস্বীকৃত। তোমাদের কোথাও কোনো অস্তিত্ব নেই—কবিতায়, প্রবন্ধে, মার্জিনে, কিংবা টীকায়। এমন গাঢ় অন্ধকারে কীটেরাও সংকটে আছে!<br><br>এই বিমর্ষ প্রত্যুষে হে আমার মুগ্ধ ডাহুক, হে আমার নিবিড় সাম্পান, হে আমার সুধাময় সুহাসিনী ধরলার ঢেউ, হে আমার চপল নকশিকাঁথা, তোমরা কি জানো, গল্পকার লেখে গল্প কার? কার গল্প লেখে গল্পকার? কার গল্প লেখে গল্প কার?</p>]]></content:encoded></item><item><title>দেশি গরু-মহিষে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী আদমপুর বাজার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r9ieh55my2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r9ieh55my2#comments</comments><guid isPermaLink="false">c5175f74-4793-42e3-8cba-a329893b92fb</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ঝড়বৃষ্টির পর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আদমপুর হাটে জমে ওঠে কোরবানির পশুর বাজার, যেখানে স্থানীয়ভাবে পালন করা গরু-মহিষই ছিল মূল আকর্ষণ।]]></description><media:keywords>সিলেট বিভাগ,মৌলভীবাজার,কোরবানির হাট,কোরবানির পশু,কমলগঞ্জ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/saafyl4q/moulavibazardh053720260523adompur-gorur-hat-2moulvibazar.jpg" width="2000"><media:title type="html"><![CDATA[ বিক্রির জন্য খুঁটিতে বাঁধা হয়েছে গরু–মহিষ। শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুরে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/saafyl4q/moulavibazardh053720260523adompur-gorur-hat-2moulvibazar.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কিছুক্ষণ আগেও ছিল ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টি আর মেঘের বুককাঁপানো গর্জন। কিন্তু দুপুর গড়াতে গড়াতে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে মানুষের চলাচলও। একটি–দুটি করে গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে গ্রামের কাঁচা-পাকা পথ ধরে বাইরে আসছিলেন তাঁরা। কারও হাতে দু–চারটা মোরগ, আছে রাজহাঁসও। কারও কাঁধে ও মাথায় শাকসবজির আঁটি। তাঁদের সবার গন্তব্য হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী আদমপুর বাজার।</p><p>মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পুরোনো বাজারটি গরু-মহিষের জন্য পরিচিত। এ বাজারের অন্যতম দিক হচ্ছে—বাজারে আসা অধিকাংশ গরু-মহিষগুলোই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত। স্থানীয় কৃষক ও গৃহস্থরা ঘরোয়াভাবে এসব গবাদিপশু লালনপালন করেন। প্রাকৃতিক খাদ্যেই বেড়ে ওঠে পশুগুলো।</p><p>শুক্রবার দুপুরের পর কমলগঞ্জ সদরের উপজেলা চৌমোহনা থেকে আদমপুর বাজারের দিকে রওনা দিয়েই টের পাওয়া যায়, সামনে গরুর হাট। কিছুক্ষণ পরপর গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে লোকজন সেখানে যাচ্ছেন। গরুবোঝাই একটি-দুটি পিকআপ ভ্যানও ছুটছে। বাজারের কাছে আসতেই ভিড় আরও বেড়ে যায়। কারণ, গতকালের হাট ছিল কোরবানির ঈদ সামনে রেখে।</p><p>কোরবানির আগে আগে হাটটির পরিসর বাড়ে। কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তসহ পাশের শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া থেকেও অনেক মানুষ এখানে আসেন। হাট থেকে দূরে যাঁদের বাড়ি, তাঁরা পিকআপ ভ্যানে করে কোরবানির পশু নিয়ে আসেন। বাজারের মুখেই গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছিল পশুগুলো। দেখতে দেখতে বাজারের খালি স্থান ভরে যায় গরু-মহিষে। এগুলোর দড়ি বাঁধার স্থান নিয়ে চলছে কাড়াকাড়ি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/5uwtds4i/moulavibazar_dh0537_20260523_adompur_goru_3_moulvibazar.jpg" /><figcaption>ঘুরে ঘুরে গরু দেখছিলেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা</figcaption></figure><p>ক্রেতা এসেই যাতে পশুটি দেখতে পারেন, এমন স্থানের দখল চাইছেন অনেক বিক্রেতা। এ নিয়ে বিক্রেতাদের মধ্যে মৃদু উত্তেজনাও তৈরি হয়—আবার সবাই মিলে তা মিটিয়েও ফেলেন। হাটের ইজারাদারের পক্ষ থেকে বারবার মাইকে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে, ‘সবাই মিলেমিশে গরু–মহিষ রাখার ব্যবস্থা করেন।’</p><p>আদমপুর বাজারে বড় আকারের গরু খুব একটা চোখে পড়েনি। মাঝারি ও ছোট আকারের গরুই এখানে বেশি। কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর এলাকার হায়দর মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, এখানে যে গরু-মহিষ দেখা যাচ্ছে, এর অধিকাংশই ঘরোয়াভাবে পালিত দেশি জাতের। খামারে বেশি গরু নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এর লাগি দেখুইন (দেখুন) গরু বেশি শক্তিশালী (তাজা) নায়। কিন্তু এই গরু-মইষর (মহিষের) মাংস খাইতে খুবই স্বাদের।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/01d7kwcr/moulavibazar_dh0537_20260523_adompur_mohish_ekta_2_moulvibazar.jpg" /><figcaption>হাটের দিকে মহিষ নিয়ে যাচ্ছেন এক বিক্রেতা</figcaption></figure><p>আদমপুর ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামের ফয়জুর রহমান জানিয়েছেন, স্থানীয় মানুষ ঈদ মাথায় রেখে একটি-দুটি গরু-মহিষ পালন করেন। সপ্তাহের সোমবারেও সাপ্তাহিক আরেকটি হাট বসে। তবে এটি শুক্রবারের হাটের মতো নয়। এই হাটবারে সকালবেলা সবজি-আনাজ বিক্রি হয় পাইকারিভাবে। দুপুরের পর থেকে শুরু হয় অন্য খুচরা পণ্যের কেনাবেচা।</p><p>গতকাল শুক্রবারের হাটটি ঈদের আগের বাজার হওয়াতে গরু-মহিষের দিকেই অধিকাংশের নজর ছিল। অনেকেই ঘুরে ঘুরে দরদাম করছেন। তবে অন্য পণ্যও কম ওঠেনি। আদমপুরসহ আশপাশের ইউনিয়নের প্রায় গ্রামেই নানা সবজি উৎপাদিত হয়। টাটকা সবজি কিনতে অনেক দূর থেকেও আদমপুর বাজারে আসেন ক্রেতারা। গরমমসলাও সাজিয়ে বসেছেন অনেকে। পান-সুপারি, শুকনা খাবার, বেতের তৈরি জিনিসও আছে। একপাশে মাছ নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। দা, চাকু শানানোর কাজে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারের ঘরেও।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/4kt96ejh/moulavibazar_dh0537_20260523_adompur_gorom_moshla_2_moulvibazar.jpg" /><figcaption>গরমমসলাও সাজিয়ে বসেছেন অনেকে</figcaption></figure><p>সময় যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়। আকাশে তখন জমাট বেঁধেছে কালো মেঘ। মনে হচ্ছিল, যেকোনো মুহূর্তে ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি। তবে বৃষ্টি আসছি আসছি করেও একসময় উড়ে যায় মেঘ। ফোঁটায়–ফোঁটায় বৃষ্টি ঝরেছে—এটুকুই। ততক্ষণে বাজারটি গরু-মহিষ ও ছাগলে সম্পূর্ণ ভরে উঠেছে। তবে তখনো জমেনি বিক্রি। ক্রেতারা ঘুরছেন, পছন্দের কোরবানির পশুটি খুঁজছেন। নিজের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থ্য নিয়ে বোঝাপড়া করছেন। হাটটিও ক্রেতার পছন্দকে তুলে ধরতে প্রস্তুত হয়ে আছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা মামলার অভিযোগপত্র আজ দাখিল হতে পারে: তদন্ত কর্মকর্তা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/m4oixf7gdg</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/m4oixf7gdg#comments</comments><guid isPermaLink="false">65c5ccc3-0299-42d8-88bc-f2986ffc63a5</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:22:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:22:46.220Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বাসস </atom:name><atom:uri>/api/author/1427836</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এসআই অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া গতকাল শনিবার বাসসকে বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। রোববার (আজ) অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।’]]></description><media:keywords>মিরপুর,খুন,মামলা,শিশু ধর্ষণ</media:keywords><media:content height="428" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-04/um2myqkc/BangladeshPoliceInsigniaPatch.jpg" width="642"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশ পুলিশ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-04/um2myqkc/BangladeshPoliceInsigniaPatch.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ রোববার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।</p><p>এসআই অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া গতকাল শনিবার বাসসকে বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। রোববার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/wl579q73ap">পল্লবীতে পাশের ফ্ল্যাটে খুন হয় শিশুটি, সন্দেহভাজনকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার</a></aside><p>অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া গতকাল আরও বলেন, তিনি অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছেন। তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন পরীক্ষা করছেন।</p><p>এ মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ১৯ মে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০ মে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।</p><p>মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/ycyylmk7ev">পল্লবীর সেই শিশু হত্যার দ্রুত বিচারে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/zx5g8qlhxn">পল্লবীতে নৃশংসভাবে শিশু হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানার দায় স্বীকার</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/7zhfl4uei7</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/7zhfl4uei7#comments</comments><guid isPermaLink="false">605fc923-6a92-42d3-9679-036ed25a0e78</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:13:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:13:47.604Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বন্ধ কলকারখানা চালুসহ অর্থনীতি চাঙা করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।]]></description><media:keywords>সকালের খবর,ব্যাংক,ক্রিকেট,জোহরান মামদানি</media:keywords><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শুভ সকাল। আজ ২৪ মে, রোববার। গতকাল শনিবার প্রথম আলোর অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।</p><h3>ঢাকার রাস্তায় এআই জাদু, বসবে সব সিগন্যালে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/d31v694a/ai_1.JPG" /><figcaption>রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে চালকেরা এখন জেব্রাক্রসিংয়ের আগেই থামছেন। রাজধানীর  কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা এলাকায়</figcaption></figure><p>ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করা গাড়ির নম্বর শনাক্ত করতে এআইভিত্তিক ‘পিটিজেড ক্যামেরা’ ব্যবহার করছে পুলিশ। এটি ‘প্যান-টিল্ট-জুম’ প্রযুক্তির উন্নত নিরাপত্তা ক্যামেরা। জনসমাগমে পর্যবেক্ষণের জন্য এ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। এটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে ঘুরে ভিডিও ও ছবি ধারণ করতে পারে। চলন্ত বস্তু বা ব্যক্তিকে অনুসরণ করতে পারে। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/xo4kjuodkz">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p><h3>‘হে শিশু, আমাদের ক্ষমা করো’</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-08/qbjx9z12/SKDMeasles09.jpg" /><figcaption>হামের উপসর্গে মৃত সন্তানের কপালে মাথা রেখে মায়ের কান্না, পাশে বিহ্বল বাবা</figcaption></figure><p>হাম। যে রোগটি বাংলাদেশ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল, সেই রোগই এখন শিশুদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একের পর এক ছোট ছোট মুখ, যাদের অনেকেই এখনো ঠিকমতো ‘মা’ ডাকতে শেখেনি, পৃথিবীর রং ভালো করে দেখতেও পারেনি—তাদের জীবন থেমে যাচ্ছে জ্বর, কাশি, লালচে দাগ আর শ্বাসকষ্টের মধ্যে। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/3n1qn259ah">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p><h3>বন্ধ কারখানা চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/icj83v7i/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-16.23.28.jpeg" /><figcaption> আজ দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বক্তব্য রাখছেন</figcaption></figure><p>সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, এই তহবিলের ঋণে সরকার ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি হিসেবে দেবে। আর গ্রাহকেরা ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা দেবে ব্যাংকগুলো। আর ১৯ হাজার কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন তহবিল। <a href="https://www.prothomalo.com/business/bank/f7iwa377un">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p><h3>নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির সঙ্গে জায়েদ খান, ঘটনা কী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/7k48ccn9/753a2f0a_2227_4423_83f7_51fd952f693b.jpg" /><figcaption>নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে জায়েদ খান</figcaption></figure><p>ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান শুক্রবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি করেন। পোস্টারে দেখা যায়, তাঁর কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন জোহরান মামদানি। পোস্টটি শেয়ার করে জায়েদ লিখেছিলেন, ‘আসলে কি হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার!’ <a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/olw0ptli42">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p><h3>তিন দলের প্লে-অফ নিশ্চিত, একটি জায়গা নিয়ে কাড়াকাড়ি—কী চলছে আইপিএলে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/jwsn83de/415090.webp" /><figcaption>সূর্যবংশীর রাজস্থান এখনো প্লে-অফের টিকিট পাওয়ার দৌড়ে আছে</figcaption></figure><p>দুই মাসব্যাপী আইপিএল এখন শেষের দিকে। এই টুর্নামেন্টে ম্যাচ ৭৪টি। এর মধ্যে শেষ হয়েছে ৬৭টি। নিশ্চিত হয়ে গেছে তিনটি দলের প্লে-অফ। বাকি আছে একটি। এই লড়াইয়ে আছে বেশ কয়েকটি দল। সব মিলিয়ে কী চলছে আইপিএলে? <a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/7t432gqflw">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p>]]></content:encoded></item><item><title>হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির সময় ট্রাম্প ছিলেন ভেতরেই</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/wlzl4dmbc4</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/wlzl4dmbc4#comments</comments><guid isPermaLink="false">ed9f620b-bea3-4c15-9d8c-d47ed1ea32ca</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:07:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:07:42.896Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিবিসি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427840</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এক সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গুলি ছুড়লে পাল্টা গুলি চালান প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।]]></description><media:keywords>হোয়াইট হাউস,নিহত,ডোনাল্ড ট্রাম্প,গুলি</media:keywords><media:content height="513" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/4fzxk7hj/0c7b3391-d906-4a01-b879-b0d1c80b7c2d.jfif" width="770"><media:title type="html"><![CDATA[ হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলির ঘটনার পর সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, ২৩ মে ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/4fzxk7hj/0c7b3391-d906-4a01-b879-b0d1c80b7c2d.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি আবাস ও কার্যালয় হোয়াইট হাউসের সামনে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গুলি ছুড়লে পাল্টা গুলি চালান প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিহত হন। গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আহত হন এক পথচারী।</p><p>সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের বাইরে যখন এমন গুলির ঘটনা ঘটে, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেতরেই ছিলেন।</p><p>আল-জাজিরা বলছে, ঘটনার পর ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে জানান, প্রেসিডেন্ট অক্ষত আছেন। নিরাপদে আছেন। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/kp6eed2iru">হোয়াইট হাউসের কাছে আবার গুলি, বন্দুকধারী নিহত</a></aside><p>ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টার পরপর। সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসসংলগ্ন সেভেনটিন্থ স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি ব্যাগ থেকে একটি অস্ত্র বের করে গুলি চালাতে শুরু করেন।</p><p>এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। এ ঘটনায় ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনি মারা যান।</p><p>ওই সময় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর সর্বশেষ অবস্থা কেমন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর পরিচয়ও জানা যায়নি। তবে সিএনএন বলছে, ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা গুরুতর।</p><p>সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো কর্মকর্তা আহত হননি। গুলির ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করলেও তাঁর সুরক্ষা কিংবা কার্যক্রমে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/e7af74w1/d56151d9-9a1f-4499-9927-9a252b0cdd54.jfif" /><figcaption>হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলির ঘটনার পর পুলিশের সতর্ক অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, ২৩ মে ২০২৬</figcaption></figure><p>সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি সিক্রেট সার্ভিস। বলা হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর বাইরে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে, তা প্রকাশ করা হবে।</p><p>এ ঘটনার জেরে হোয়াইট হাউসে সাময়িকভাবে ‘লকডাউন’ জারি করা হয়। সেখানে কাউকে ঢুকতে এবং সেখান থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। যদিও পরে ‘লকডাউন’ তুলে নেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউসের আশপাশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।</p><p>গুলির ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসের লনে অবস্থান করা সাংবাদিকদের দ্রুত প্রেস ব্রিফিং কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এবিসি নিউজের প্রধান হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সেলিনা ওয়াং। ভিডিওটিতে গুলি চলার মুহূর্তটিও দেখা যায়। এ সময় সেলিনা মাথা নিচু করে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছিলেন।</p><p>ওই পোস্টে সেলিনা লিখেছেন, ‘আমি হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য আইফোনে ভিডিও করছিলাম। ঠিক তখনই আমরা গুলির শব্দ শুনতে পাই। মনে হচ্ছিল, একসঙ্গে অনেক গুলি ছোড়া হচ্ছে। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা আমাদের দৌড়ে প্রেস ব্রিফিং রুমে যেতে বলেন। আমরা এখন সেখানেই আছি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/vkqbvtku/prothomalo-Trump.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>এর আগে ৪ মে হোয়াইট হাউসের কাছে সশস্ত্র একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গোলাগুলি হয়। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গুলিতে তিনি আহত ও পরে আটক হন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/3ap68t6zmm">হোয়াইট হাউসের কাছে ‘সশস্ত্র সন্দেহভাজন’ ব্যক্তি, গোলাগুলিতে আহত</a></aside><p>এরও আগে গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটনের একটি অভিজাত হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় গুলির ঘটনা ঘটে। ওই আয়োজনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ বর্তমান প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।</p><p>ওই ঘটনায় ট্রাম্প দম্পতিকে দ্রুত হোটেলটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গোলাগুলির ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন কোল টমাস অ্যালেন ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/hza5nlz8p2">হোটেলে গুলির ঘটনায় ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>দেশের ফুটবল লিগে আবারও গোলে এগিয়ে বিদেশিরাই</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/9tuoyghbgn</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/9tuoyghbgn#comments</comments><guid isPermaLink="false">731358fd-3087-4679-a25f-48044f0ad612</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:04:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:04:27.349Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিদেশিদের আধিপত্যের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ ৮ মাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পর অবশেষে কাল শেষ হয়েছে ১০ দলের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। ]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ ফুটবল লিগ</media:keywords><media:content height="1366" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/w7j0gt7n/6999395379844910974513402698518300957782094n.jpg" width="2048"><media:title type="html"><![CDATA[ এবারের বাংলাদেশ ফুটব লিগে সর্বোচ্চ গোল ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দরিয়েলতন গোমেজের]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/w7j0gt7n/6999395379844910974513402698518300957782094n.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বরাবরের মতোই এবারের বাংলাদেশ লিগেও গোলদাতার তালিকায় বিদেশিরাই এগিয়ে। গতকাল শেষ হওয়া লিগে কিংসের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দরিয়েলতন গোমেজ সর্বোচ্চ ১৯ গোল করেছেন। ১৩ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ফর্টিসের গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড ওমর বাবু এবং ১১ গোল নিয়ে তৃতীয় আবাহনীর মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে। </p><p>গোলদাতার তালিকার চারে ৭টি করে গোল করে চারজন বিদেশি আছেন যৌথভাবে। স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬ গোল কিংসের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও আবাহনীর শেখ মোরছালিনের। আল আমিন ও রাকিব হোসেনেরও তিনটি করে গোল।</p><p>বিদেশিদের আধিপত্যের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ ৮ মাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পর অবশেষে কাল শেষ হয়েছে ১০ দলের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। এক রাউন্ড হাতে রেখে আগেই শিরোপা জিতেছে বসুন্ধরা কিংস। গতকাল শেষ দিনে আরামবাগকে ৪–০ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হয়েছে আবাহনী।</p><p>বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষে লিগে বরাবরই বিদেশি গোলদাতাদের দাপট দেখা যায়। সর্বশেষ মৌসুমে যেমন সর্বোচ্চ ২১ গোল ছিল স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের, ঘানার এই ফরোয়ার্ড রহমতগঞ্জের হয়ে খেলেছিলেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ গোল ছিল সুলেমান দিয়াবাতের, মালির এই খেলোয়াড় ছিলেন মোহামেডানে।</p><p>২০২৩–২৪ মৌসুমে শীর্ষ তিন গোলদাতাই ছিলেন বিদেশি—কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট (১৯), দিয়াবাতে (১৭) ও দরিয়েলতন (১৪)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/upowf9b3oz">পারল না ফর্টিস, আরামবাগকে উড়িয়ে এবারও রানার্সআপ আবাহনী</a></aside><p>জাতীয় দলের ম্যাচের জন্য বারবার লম্বা বিরতি আর মাঝে জাতীয় নির্বাচনের কারণে এবারের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ বেশির ভাগ সময়ই ছিল স্তব্ধ। শেষ পর্যন্ত লিগ শেষ হলেও ঢাকার বাইরের চার ভেন্যুতে ভালো মাঠ না পাওয়া অতৃপ্তি রয়ে গেছে খেলোয়াড়দের মনে। এর মাঝেই পরশু জাতীয় দলের নতুন কোচ টমাস ডুলি ঢাকায় এসেছেন। দু–এক দিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের প্রস্তুতি।</p><p>এ দিকে লিগ শেষ হলেও এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের টিকিট নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি। চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস বা রানার্সআপ আবাহনী লিমিটেড—দু্ই দলের ওপরই ফিফার খেলোয়াড় নিবন্ধনের নিষেধাজ্ঞা আছে। ফলে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ে উত্তীর্ণ হওয়া ফর্টিস এফসি ও পুলিশ এফসিকে এবার এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যেতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/70zg1cdpag">তাহলে কি ডুলি ‘এক ম্যাচের কোচ’</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ হতে পারে সাত মহাসড়কের ৯৪ জায়গায় </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/7zohdf7a7t</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/7zohdf7a7t#comments</comments><guid isPermaLink="false">706e33e4-a110-43be-939b-81a20a8a3ebf</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:02:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:02:40.803Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দেশের মূল সাত মহাসড়কের ওপর পড়েছে। এ সড়কগুলো প্রায় সব বিভাগ–জেলাকে যুক্ত করেছে।]]></description><media:keywords>দুর্ঘটনা,দুর্ভোগ,ঈদযাত্রা,বৃষ্টিপাত</media:keywords><media:content height="3060" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-06/f58pyyng/10.-DaudkandijamRoad.jpg" width="4080"><media:title type="html"><![CDATA[ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-06/f58pyyng/10.-DaudkandijamRoad.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঈদ উদ্‌যাপনে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। তবে এখনো মূল চাপ বাকি আছে। রেল ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঘরমুখী মানুষের মূল ভিড় হবে </p><p>আগামী সোম থেকে বুধবার—এই তিন দিন। একদিকে ঢাকা থেকে মানুষ ছুটবে বাড়ির পথে আর ঢাকার পথে আসতে থাকবে কোরবানির পশু।</p><p>এবার দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোর অবস্থা মোটামুটি ভালো বলা যায়। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-উত্তরবঙ্গের পথে জটের আশঙ্কা আছে। ইতিমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেসব স্থানে যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>এর মধ্যে বড় সেতুর বেশ কিছু টোল প্লাজা, মোড় এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাজার এলাকা রয়েছে। ফলে শেষ তিন দিনের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হবে কি না, তা ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। </p><blockquote>আগামী সোম থেকে বুধবার—এই তিন দিন। একদিকে ঢাকা থেকে মানুষ ছুটবে বাড়ির পথে আর ঢাকার পথে আসতে থাকবে কোরবানির পশু।</blockquote><p>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখিয়েছেন যে ঈদের আগের তিন-চার দিনে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়েন। বিশেষ করে ঈদুল আজহায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়েন, অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৩৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। কিন্তু বাস, ট্রেন, লঞ্চ, মোটরসাইকেলসহ সব মিলিয়ে ২২ লাখ মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে। অন্যদের চাহিদা মেটাতে চলাচলের অনুপযোগী যানবাহন নেমে যায়।</p><p>এবার পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি সাত দিন। ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি থাকবে। গত কয়েকটি ঈদে লম্বা ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এতে কিছুটা সফলতাও পাওয়া গেছে। তবে শেষ দু-তিন দিনের চাপ রয়েই গেছে।</p><blockquote>হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেসব স্থানে যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</blockquote><h3>তিন মহাসড়ক নিয়ে উদ্বেগ বেশি

</h3><p>প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে হাইওয়ে পুলিশ। হাইওয়ে পুলিশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গাজীপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে এবার যানজটপ্রবণ হিসেবে ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থান দেশের মূল সাতটি মহাসড়কের ওপর পড়েছে। এই সাত মহাসড়ক দেশের প্রায় সব বিভাগ ও জেলাকে সংযুক্ত করেছে।</p><p>৫ মে সচিবালয়ে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা হয়। সেখানে ৯৪টি যানজটপ্রবণ স্থানের বিস্তারিত তুলে ধরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্য দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।</p><p>হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।</p><p>ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে উত্তরের পথে যাতায়াতের মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রা উড়ালসড়কের পশ্চিম প্রান্ত খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই পথে চার লেনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু কিছু পাতাল ও উড়ালসড়কের কাজ এখনো কিছুটা বাকি আছে। এসব স্থানে যানজটের আশঙ্কা করছে হাইওয়ে পুলিশ।</p><p>এ ছাড়া ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের মধ্যে প্রচুর পোশাক কারখানা রয়েছে। অনেক কারখানার পাশে মহাসড়কের বিভাজক কেটে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেগুলোতেও যানজটের শঙ্কা করা হচ্ছে। মহাসড়কের পাশের বাসস্ট্যান্ড এবং বাজারগুলোকেও নজরে রাখার কথা বলা হয়েছে।</p><blockquote>হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।</blockquote><p>ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে আশুগঞ্জ গোলচত্বর ও বিশ্বরোড মোড় গত দুই ঈদে যাত্রীদের ভুগিয়েছে। এবারও এই দুটি স্থানে খানাখন্দ রয়েছে। আছে অব্যবস্থাপনাও। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর শিল্প এলাকার অনেক স্থানে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় প্রায়ই যানজট হয়। এবার ঈদেও সেতুর টোল প্লাজা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লার মাধাইয়া, চান্দিনা ও নিমসার বাজারগুলো মহাসড়কের পাশেই। এই এলাকাতেও যানজট হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঢাকা-বরিশাল পথে মহাসড়কের অবস্থা ভালোই। তবে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।</p><h3>ঢাকা থেকে বের হওয়া নিয়ে ভয়

</h3><p>ঢাকা থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে বড় তিনটি পথ হলো গাবতলী-সাভার, উত্তরা-আবদুল্লাহপুর ও মেয়র হানিফ উড়ালসড়ক। ঈদুল আজহায় এই তিন পথেই কোনো না কোনো বাধা রয়েছে। মেয়র হানিফ উড়ালসড়কের টোল প্লাজা হয়ে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-মাওয়া—এই তিন পথের যানবাহন চলাচল করে। গত কয়েকটি ঈদে এ উড়ালসড়কের টোল পরিশোধ করতে গিয়ে দীর্ঘ জট হয়েছে। এবারও সেই শঙ্কা কাজ করছে।</p><p>উত্তরা হয়ে ময়মনসিংহ ও উত্তরবঙ্গের পথে যান চলাচল করে। বিমানবন্দর-গাজীপুরের মধ্যে বিআরটি প্রকল্পের কারণে এই পথে দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। এ ছাড়া ঢাকা-আশুলিয়া উড়ালসড়ক নির্মাণকাজের জন্যও ভোগান্তি হচ্ছে এখনই। তুলনামূলকভাবে গাবতলী হয়ে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াতের পথ অনেকটাই মসৃণ। কিন্তু গাবতলী পশুর হাট, সাভারের হেমায়েতপুরে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে জট বাড়তে পারে।</p><blockquote>হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।</blockquote><p>গত শুক্রবার ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর থেকে চন্দ্রা মহাসড়কের বেশ কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, সাভারের পাকিজা পয়েন্ট, থানা স্ট্যান্ড, সাভার বাজার, নবীনগর এবং নবীনগর থেকে চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল, পল্লী বিদ্যুৎ ও বলিভদ্র এলাকায় বেপরোয়াভাবে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলছে। সাভার, নবীনগর, রেডিও কলোনি ও বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীপরিবহন বাসগুলোকে মহাসড়কের নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচলের লেনে আড়াআড়ি করে পেছনের বাসকে আটকে দিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাতে দেখা যায়। বাসস্ট্যান্ডের নির্দিষ্ট স্থান ছাড়াও এলোমেলোভাবে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাতে দেখা যায়।</p><p>রংপুর থেকে ঢাকাগামী আসাদ পরিবহনের চালক শামীম বলেন, এখন সড়কে সমস্যা তেমন নেই। ঈদের আগে সমস্যা হবে। সড়কে পুলিশ ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করলে সমস্যা কম হবে বলে মনে করেন তিনি।</p><p>ঢাকা জেলা (উত্তর) ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) রুহুল আমিন সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আগামীকাল (রোববার) সকাল আটটা থেকে নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত আরও ৬৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন।</p><p>ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড মোড় গোল চত্বরকেন্দ্রিক যানজট নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলমান উন্নয়নকাজের জন্য গোলচত্বর এলাকা একদিকে সংকীর্ণ আর মহাসড়কের সিএনজিচালিত অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ড, অন্যদিকে খানাখন্দের কারণে এ অবস্থা চলছে। মহাসড়কের ৩৪ কিলোমিটার অংশে ঈদ উপলক্ষে যানবাহনের চাপ বেড়ে যানজট হচ্ছে।</p><p>গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হাইওয়ে পুলিশের সিলেট অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রেজাউল করীমকে বিশ্ব রোড মোড় গোলচত্বরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তিনি মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছেন। তবে মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য অবৈধ যানবাহনকে অনিয়ন্ত্রিত থাকতে দেখা গেছে।</p><h3>উদ্যোগ আছে, এরপরও শঙ্কা

</h3><p>অবশ্য সরকার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিতে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।</p><p>সম্প্রতি বিজিবি বলেছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদের সাত দিন আগে থেকে শুরু করে ঈদ–পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে তাঁরা সহায়তা করবেন।</p><p>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে তাঁদের তদারকি দল কাজ করছে।</p><aside><cite>বুয়েট পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহনবিশেষজ্ঞ মো. হাদীউজ্জামান </cite>চার লেনের চওড়া সড়ক হয়েছে। তবে সক্ষমতা বাড়েনি। আছে অব্যবস্থাপনাও। ঈদে সরকারের সংস্থাগুলো গায়ে-গতরে খেটে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। তবে কোনো দুর্ঘটনা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো সমস্যা হলে সেই চেষ্টা কাজে দেয় না। ফলে ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।</aside><p>সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর এবং সেতু বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ১২টি সেতুতে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করেছে। টোল প্লাজায় যন্ত্র থাকবে, সেখানে কার্ড স্পর্শ করে দ্রুত পারাপার হওয়া যাবে।</p><p>সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিবহন ব্যবসায় যুক্ত সূত্রগুলো বলছে, ঈদের আগে বৃষ্টি হলে জট বেড়ে যেতে পারে। কারণ, অনেক মহাসড়কে উন্নয়নকাজ শেষ হয়নি। আর বৃষ্টিতে যানবাহনের গতি কমে যায়। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, ঈদে চলাচলের অনুপযোগী বাস নামে। ঈদুল আজহায় এর সঙ্গে চলাচল অনুপযোগী ট্রাকও নামে। এসব ট্রাক ফিরতি পথে আবার যাত্রী নিয়ে যায়। এসব বিষয়ে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি হলে যানজটের ঝুঁকি বাড়বে।</p><p>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহনবিশেষজ্ঞ মো. হাদীউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, চার লেনের চওড়া সড়ক হয়েছে। তবে সক্ষমতা বাড়েনি। আছে অব্যবস্থাপনাও। ঈদে সরকারের সংস্থাগুলো গায়ে-গতরে খেটে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। তবে কোনো দুর্ঘটনা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো সমস্যা হলে সেই চেষ্টা কাজে দেয় না। ফলে ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।</p><p>[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার, ঢাকা ও প্রতিনিধি, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া]</p>]]></content:encoded></item><item><title>ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেলে ক্ষতিপূরণ মাত্র ১০ হাজার, তা–ও পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/u2xdxsiynn</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/u2xdxsiynn#comments</comments><guid isPermaLink="false">2d775d53-d9cb-4622-b203-846417f545b5</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সুজন ঘোষ</atom:name><atom:uri>/api/author/1408966</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশে এখনো ক্ষতিপূরণ ১০ হাজার টাকা থেকে গেলেও পাশের দেশ ভারত তা পরিবর্তন করেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তা সংশোধন করে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়।]]></description><media:keywords>বিশেষ প্রতিবেদন,চট্টগ্রাম,রেলওয়ে,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="300" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/47l3iztp/Rail.jpg" width="554"><media:title type="html"><![CDATA[ ব্রিটিশ শাসনামলে আসাম–বেঙ্গল রেলওয়ের একটি ট্রেন। ১৩৫ বছর আগে ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ হাজার টাকা। স্বাধীন বাংলাদেশে সেই টাকার অংকের পরিবর্তন হয়নি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/47l3iztp/Rail.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রেল দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে ক্ষতিপূরণ মাত্র ১০ হাজার টাকা। ক্ষতিপূরণের এ হার নির্ধারণ করা হয়েছিল রেলওয়ে আইনে, যা প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৩৫ বছর আগে, ১৮৯০ সালে। ব্রিটিশ আমল শেষ হয়েছে, পাকিস্তান আমল পার হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়ে ৫৫ বছর চলছে। কিন্তু ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের অঙ্কের পরিবর্তন হয়নি। ২০১০ সালের ক্ষতিপূরণের অঙ্ক বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ক্ষতিপূরণের টাকা মাত্র ১০ হাজার হলেও তা পেতেও অপেক্ষা করতে হয় মাসের পর মাস।</p><p>২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাতে গাজীপুরের ভাওয়াল রেলস্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস। এতে নিহত হন ট্রেনযাত্রী আসলাম হোসেন (৩৫)। আহত হন আরও ১০ যাত্রী। তাঁরা সবাই ঢাকায় যাচ্ছিলেন।</p><p> সবজি বিক্রেতা স্বামীকে হারিয়ে অকূলপাথারে পড়েন ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের বাসিন্দা গৃহিণী ফাতেমা খাতুন। দুর্ঘটনার পরপর সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আর্থিক অনুদান ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল। রেলওয়ের কাছেও আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ঘটনার ২৮ মাস পার হয়ে গেলেও ক্ষতিপূরণ কিংবা অনুদান—কোনো কিছুই মেলেনি। জীবিকার তাগিদে এখন স্থানীয় একটি ক্লিনিকে আয়ার চাকরি নিয়েছেন তিনি। সামান্য আয়ে দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে চলছে তাঁর কষ্টের সংসার।</p><p>রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের আশা করেন ফাতেমা খাতুন। কিন্তু রেলওয়ে আইন অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আবার এই টাকা পেতেও নানা জটিলতা রয়েছে। প্রথমত নিহত বা আহতকে অবশ্যই ট্রেনের যাত্রী হতে হবে। ট্রেনের যাত্রী না হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।</p><p>মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ মাত্র ১০ হাজার টাকা—এই তথ্য জানা নেই ক্লিনিকের আয়ার চাকরি করা ফাতেমা খাতুন। তাঁর আশা, রেলওয়ে অন্তত এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে।</p><blockquote>রেলওয়ে আইন অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আবার এই টাকা পেতেও নানা জটিলতা রয়েছে। প্রথমত নিহত বা আহতকে অবশ্যই ট্রেনের যাত্রী হতে হবে। ট্রেনের যাত্রী না হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।</blockquote><p>রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের এ হার নির্ধারণ করা হয়েছিল রেলওয়ে আইনে, যা প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৩৫ বছর আগে, ১৮৯০ সালে। ব্রিটিশ আমল শেষ হয়েছে, পাকিস্তান আমল পার হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়ে ৫৫ বছর চলছে। কিন্তু ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের অঙ্কের পরিবর্তন হয়নি। ২০১০ সালের ক্ষতিপূরণের অঙ্ক বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি।</p><h3>নামমাত্র ক্ষতিপূরণ, শত বছরেও পাল্টেনি আইন</h3><p>ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত যাত্রীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আইন করা হয়েছিল ১৮৯০ সালে। ওই আইন অনুযায়ী, ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা এবং আহতদের বেলায় শ্রেণিভেদে চার থেকে ছয় হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে এই আইন আর পরিবর্তন করা হয়নি।</p><p>রেলওয়ের আইনে বলা হয়েছে, রেলওয়ের পরিচালনাগত কোনো ভুলে দুর্ঘটনা হলেই কেবল শুধু যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। প্রকৃতিগত কোনো কারণে কিংবা অন্য কোনো কারণে দুর্ঘটনা হলে এবং যাত্রী মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। রেলক্রসিংয়ে কেউ কাটা পড়লে সে ক্ষেত্রে লাশ সৎকারের জন্য ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা দেওয়ার বিধান আছে।</p><blockquote>রেলওয়ের এক কর্মকর্তার মতে, ডলার হিসাব করলে এখন এই ক্ষতিপূরণ পাঁচ লাখ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো ব্রিটিশ আমলের সে রেলওয়ে আইন সংশোধন করা হয়নি। তাই আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ এখনো ১০ হাজার টাকা রয়ে গেছে। তবে নির্বাহী আদেশে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।</blockquote><p>বাংলাদেশে এখনো ক্ষতিপূরণ ১০ হাজার টাকা থেকে গেলেও পাশের দেশ ভারত তা পরিবর্তন করেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তা সংশোধন করে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়। ট্রেন দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী দেড় লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পায় নিহতের পরিবার। আর গুরুতর আঘাতের জন্য দেওয়া হয় ৫০ হাজার থেকে আড়াই লাখ রুপি। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে কখনো কখনো নির্ধারিত অঙ্কের চেয়েও বেশি ক্ষতিপূরণ দেয় ভারত সরকার।</p><p>রেলওয়ের দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ সময়োপযোগী করার জন্য ২০১০ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের (রেলওয়ে তখন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল) তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার ইফতেখার হায়দারকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছিল।</p><p>এই কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বর্তমান প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (সিসিএম) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, কমিটি প্রায় দুই বছর কাজ করার পর ২০১২ সালে মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ আড়াই লাখ টাকা করার বিষয়ে মত দিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে কমিটির প্রধান অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলি হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত তা আর অনুমোদন হয়নি। এখনো আগের আইনটি রয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক পরিবর্তন করা দরকার।</p><p>রেলওয়ের এই কর্মকর্তার মতে, ডলার হিসাব করলে এখন এই ক্ষতিপূরণ পাঁচ লাখ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো ব্রিটিশ আমলের সে রেলওয়ে আইন সংশোধন করা হয়নি। তাই আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ এখনো ১০ হাজার টাকা রয়ে গেছে। তবে নির্বাহী আদেশে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।</p><h3>ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় ‘অসহায়’ পরিবার</h3><p>ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত আসলামের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন রেলওয়ের কাছে আবেদন করেন ২০২৪ সালের জুনে। কিন্তু এখনো ক্ষতিপূরণ পাননি তিনি। এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী এক লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। ওই সময়ের স্থানীয় সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজকে তাঁদের দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তো তাঁরা কেউ নেই। ক্ষতিপূরণও পাননি।</p><p>ক্ষতিপূরণের জন্য রেলওয়ের কাছে আবেদন করেছেন জানিয়ে ফাতেমা খাতুন বলেন, ‘ক্ষতিপূরণ কবে পাব, তা জানতে দু-তিনবার ঢাকা ও চট্টগ্রামে রেলের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু বারবার যাওয়ার সামর্থ্য নেই। ওখানে গেলে ছেলে-মেয়ে না খেয়ে থাকবে। তারপরও টাকা পাব বলে আশা আছে।’</p><p>এ দুর্ঘটনায় দেড় মাস আগে ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীবাহী এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছিলেন। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নিহতদের সবার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল রেলওয়ে। মূলত তৎকালীন রেলমন্ত্রীর আশ্বাসে দ্রুত ক্ষতিপূরণের টাকা দেয় রেল।</p><p>গত বছর পবিত্র ঈদুল আজহার দুদিন আগে ৫ জুন রাতে চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর পূর্ব প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা চারটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, দুটি মোটরসাইকেল ও একটি আইসক্রিমবাহী ভ্যানকে ধাক্কা দিয়ে চুরমার করে দেয় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস। এতে অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তুষার (২৯) এবং দুই বছরের শিশু মেহেরিমা নূরের মৃত্যু হয়। শিশু মেহেরিমা মা-বাবার সঙ্গে তৌহিদুল ইসলামের অটোরিকশার যাত্রী ছিল।</p><p>মেয়ের নিথর দেহ নিয়ে বাবা সাজ্জাদুন নূরের আহাজারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এই দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ দুর্ঘটনায় সাজ্জাদুন নূরের স্ত্রী জুবাইরা ইসরাও আহত হয়েছেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি বোয়ালখালীতে যাচ্ছিলেন সাজ্জাদুন। রেলওয়ে এ দুর্ঘটনার জন্য ট্রেনচালকদের দায়ী করেছিল। ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত দুই পরিবারের কেউ রেলওয়ের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণ পায়নি।</p><p>ছেলের মৃত্যুর পর পরিবার নিয়ে অসহায় অবস্থায় থাকার কথা জানিয়েছেন তৌহিদুল ইসলামের পিতা আবুল মনসুর। বর্তমানে বোয়ালখালীতে গ্রামের বাড়িতে একটি দোকান চালান তিনি। প্রথম আলোকে বলেন, ছেলের আয়ে সংসার চলত। এক দুর্ঘটনায় ছেলে গেল, নতুন অটোরিকশাও গেল। ছেলের এমন মৃত্যুতে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দুজনই অসুস্থ হয়ে গেছেন। দোকান থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। চিকিৎসা করাতে পারেন না ঠিকমতো।</p><p>রেলওয়ের কাছে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করলেও তা মেলেনি বলে জানান শিশু মেহেরিমার বাবা সাজ্জাদুন নূর। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এই চাকরিজীবী বলেন, ‘আমার মেয়ে তো চলে গেছে। রেলওয়ের ক্ষতিপূরণ দিয়ে আর কী করব?’ তিনি বলেন, রেলওয়ের ক্ষতিপূরণ পেতে অনেক দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। চাকরি করে তা করা সম্ভব হয় না।</p><h3>মন্ত্রীর ‘আশ্বাসে’ মেলে লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ</h3><p>আইন অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা হলেও ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারগুলোর কেউ কেউ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পায়। এই অর্থসহায়তা তখন পাওয়া যায়, যখন বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে কিংবা সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কেউ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেন।</p><p>যেমন এবার ঈদুল ফিতরের রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত বাসযাত্রীদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রেলওয়ে। দুর্ঘটনার মাত্র দুই মাসের মধ্যে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে নিহতদের পরিবার। গত শুক্রবার রেল, সড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা দেন।</p><p>কিন্তু ২০২২ সালের ২৯ জুলাই মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া রেলস্টেশনের কাছে রেলক্রসিংয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ পরিবার এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। ২০২২ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১৩ আরোহী নিহত হয়েছিলেন। নিহত এই ১৩ জনেরই বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার খন্দকিয়া গ্রামে। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কেউ ক্ষতিপূরণ পায়নি।</p><p>নিহত ব্যক্তিদের একজন ছিলেন কলেজছাত্র ওয়াহিদুল আলম। তাঁর বাবা মো. জানে আলম প্রথম আলোকে বলেন, ছেলে পড়াশোনা শেষ করে পরিবারের হাল ধরবে. এই আশা ছিল। কিন্তু তার আগেই দুর্ঘটনা সব শেষ করে দিয়েছে। এত বড় দুর্ঘটনার পরেও তাঁদের কেউ রেলওয়ের কাছ থেকে কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। রেলের কেউ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। ক্ষতিপূরণের আবেদনও করতে বলেননি। উল্টো তৎকালীন রেলমন্ত্রী দুর্ঘটনার জন্য মাইক্রোবাসচালককে দায়ী করেছিলেন।</p><p>রেলের একজন কর্মকর্তা বলেন, কুমিল্লার ট্রেন দুর্ঘটনায় রেল প্রতিমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তাই রেলওয়ে সে টাকা দেবে। যদি মিরসরাই, কালুরঘাটের দুর্ঘটনায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ছুটে এসে আশ্বাস দিতেন, তাহলে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ঠিকই ক্ষতিপূরণ পেত। কিন্তু এখন তাঁরা ট্রেনের যাত্রী না হওয়ায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা কম।’</p><p>তবে রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গাজীপুরের ট্রেন দুর্ঘটনাসহ অন্যান্য দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে কি না, তার খোঁজ নেবেন। কালুরঘাটের দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে রেলওয়ে নিজেদের তহবিল থেকে না হলেও অন্যভাবে অর্থসহায়তার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। আর মিরসরাইয়ের ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার আবেদন করেছে কি না জানা নেই।</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘আমরা আর এমন মৃত্যু দেখতে চাই না’</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/crl6w3sicz</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/crl6w3sicz#comments</comments><guid isPermaLink="false">5fc04071-195f-4828-a27b-11d21922d021</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘শিশু ও নারীর নিরাপত্তা চাই, ধর্ষক–নিপীড়কের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’ স্লোগানে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে ২২ মে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।]]></description><media:keywords>গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী,মানববন্ধন,বন্ধুসভা,সারাদেশ</media:keywords><media:content height="1130" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/a267dk1r/6ba9ffb2-4399-42c0-b9f5-52a02e14fb7f.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে ‘শিশু ও নারীর নিরাপত্তা চাই, ধর্ষক–নিপীড়কের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’ স্লোগানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/a267dk1r/6ba9ffb2-4399-42c0-b9f5-52a02e14fb7f.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘রামিসা আমাদের সন্তান। আজ আমার সন্তান, কাল আপনার সন্তান। এভাবে আর কত রামিসা শেষ হবে? আমরা আর কারও এমন নৃশংস মৃত্যু দেখতে চাই না।’</p><p>২২ মে সকালে রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুর খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন বক্তারা।</p><p>‘শিশু ও নারীর নিরাপত্তা চাই, ধর্ষক–নিপীড়কের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’ স্লোগানে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে ২২ মে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সদস্য ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষক, স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারীর পাশাপাশি সমাজসচেতন নাগরিকেরা অংশগ্রহণ করেন। প্রখর রোদ আর গরম উপেক্ষা করে শতাধিক মানুষ কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/7i24hijp/1608234b_b5cb_459b_bdbe_2c348b1092a1.jpg" /><figcaption>রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে ‘শিশু ও নারীর নিরাপত্তা চাই, ধর্ষক–নিপীড়কের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’ স্লোগানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি।</figcaption></figure><p>গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক শফিক মন্ডলের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, ‘রামিসার বাবা কতটা অসহায় হলে তিনি বলতে পারেন, “আমি বিচার চাই না। কারণ, বিচার পাব না”। রামিসার বাবার এমন কথায় আমরা সবাই মর্মাহত। আমরা আর কত এমন পৈশাচিক, নৃশংস মৃত্যু দেখব। এমন নৃশংস ঘটনা মাদকসেবী ছাড়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়। মাদকের ভয়াবহতা কোন পর্যায়ে গেছে দেশের মানুষ বুঝতে পারছে। এভাবে কোনো দেশ চলতে পারে না। শক্ত হাতে মাদক দমন করতে না পারলে এমন ভয়াবহতা চলতে থাকবে। তারই ধারাবাহিকতায় এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে।’</p><p>এমন নৃশংসতা ও ভয়াবহতার বিরুদ্ধে কঠোর হতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা আরও বলেন, ‘রামিসার হত্যাকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। অতি দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে দেশবাসীকে দেখিয়ে দিক। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তি প্রয়োগ হলে এমন ভয়াবহতা অনেকটা কমে আসবে বলে আমরা মনে করি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/6zr1hov3/2fd9a8e6_cc97_4d06_a724_50a6bb7f6ae0.jpg" /><figcaption>রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে ‘শিশু ও নারীর নিরাপত্তা চাই, ধর্ষক–নিপীড়কের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’ স্লোগানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি।</figcaption></figure><p>কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন গোয়ালন্দ রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের শেখ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান–নূর ইসলাম, সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মুহিত, রাজবাড়ী বন্ধুসভার সভাপতি সুরাজিত চক্রবর্তী, সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লেখক আব্দুল আউয়াল, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি গোয়ালন্দ উপজেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ বাবর আলী, রাজবাড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি হেলাল মাহমুদ, গোয়ালন্দ বাজার একুশ ইলেকট্রনিকসের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী মকিম মন্ডল, ঢাকা শিশু সংসদের সাবেক সভাপতি আয়নাল শেখ, গোয়ালন্দ প্রতিবাদ মঞ্চের সদস্য ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী নাজমুল ইসলাম, গোয়ালন্দ ব্লাড ডোনার ক্লাবের সদস্য ফাহিম হাসান, শিক্ষার্থীদের পক্ষে এলিজা মিম ও প্রথম আলো রাজবাড়ী প্রতিনিধি এম রাশেদুল হক। গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সভাপতি জাকির হোসেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভা শেষ করেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সব মা-ই কি কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/reader/b2mm6pyhjz</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/reader/b2mm6pyhjz#comments</comments><guid isPermaLink="false">123beb16-e75d-4260-859f-4a1213718741</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নাগরিক সংবাদে প্রকাশিত রোজিনা রাখীর লেখায় মাতৃদিবসের ইতিহাস ও বাণিজ্যিকীকরণের সমালোচনা করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>পরিবার,ভালোবাসা,কৃতজ্ঞতা,মা</media:keywords><media:content height="992" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/vl0andth/WhatsApp-Image-2026-05-03-at-15.01.07.jpeg" width="1586"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/vl0andth/WhatsApp-Image-2026-05-03-at-15.01.07.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পাঠক-নাগরিক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবসকে স্বীকৃত একটি ছুটির দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তাঁর প্রচারাভিযান শুরু হয় ১৯০৫ সালে। যে বছর আনা জার্ভিসের মা, অ্যান রিভস জার্ভিস মারা যান। অ্যান জার্ভিস ছিলেন একজন শান্তিকর্মী, যিনি মার্কিন গৃহযুদ্ধে উভয় পক্ষের আহত সৈন্যদের সেবা করতেন এবং জনস্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের জন্য মা দিবস ওয়ার্ক ক্লাব তৈরি করেন।</p><p>তিনি এবং আরেক শান্তিকর্মী ও নারী ভোটাধিকার আন্দোলনের কর্মী জুলিয়া ওয়ার্ড হোয়ি ‘শান্তির জন্য মা দিবস’ পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই দিবসে মায়েরা প্রার্থনা করবেন, যেন তাঁদের স্বামী ও সন্তানেরা আর যুদ্ধে প্রাণ না হারান।</p><p>১৮৭০ সালে জুলিয়া ওয়ার্ড হোয়ি তাঁর ‘মা দিবস’ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বিশ্বের সব দেশের মায়েদের একত্র হওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা আন্তর্জাতিক বিরোধের সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধান এবং বৃহত্তর মানবিক শান্তির স্বার্থ রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে পারেন।</p><p>আনা জার্ভিস এটাকে সম্মান জানাতে এবং সব মায়ের সম্মান জানানোর জন্য একটি দিন নির্ধারণ করতে চেয়েছিলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে, মা হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি পৃথিবীতে অন্য যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে আপনার জন্য বেশি কিছু করেছেন।</p><p>জার্ভিস মা দিবসকে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে শুরু করেছিলেন এবং এই দিবস প্রতিষ্ঠায় তিনি সফলও হন। তবে ১৯২০-এর দশকের শুরুতে হলমার্ক কার্ডসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মা দিবসের কার্ড বিক্রি শুরু করলে তিনি এর বাণিজ্যিকীকরণে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ হন।</p><blockquote>লেখক বলেন, দামি উপহারের চেয়ে মায়ের সঙ্গে সময় কাটানো, গল্প শোনা ও তাঁর অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণ করাই প্রকৃত কৃতজ্ঞতা।</blockquote><p>জার্ভিস বিশ্বাস করতেন, এসব প্রতিষ্ঠান মা দিবসের মূল ভাবনাকে বিকৃত করছে এবং এর অপব্যবহার করছে। তাঁর মতে, এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তরিক আবেগ ও ভালোবাসা প্রকাশ করা, কোনোভাবেই বাণিজ্যিক লাভ অর্জন নয়। একপর্যায়ে তিনি এই দিবসটি বর্জনের উদ্যোগ নেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেন।</p><p>জার্ভিস মা দিবসকে একটি ধর্মীয় ও আবেগনির্ভর উদ্‌যাপন হিসেবে শুরু করেছিলেন এবং এই দিবস প্রতিষ্ঠায় তিনি সফলও হন। কিন্তু ১৯২০-এর দশকের শুরুতে যখন হলমার্ক কার্ডসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মা দিবসের কার্ড বিক্রি শুরু করে, তখন তিনি এর বাণিজ্যিকীকরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।</p><p>জার্ভিস যুক্তি দিয়েছিলেন যে উপহার এবং তৈরি কার্ড কেনার পরিবর্তে, মানুষের উচিত তাদের মায়েদের প্রতি ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে তাদের প্রশংসা এবং সম্মান করা। (উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া)</p><p>আমরা অনেকেই হয়তো জানি না মা দিবসের নেপথ্যের গল্প। মাকে উইশ করছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিচ্ছি, মাকে নিয়ে ভালো ভালো কথা লিখছি আর দিন শেষে দেখছি কটা লাইক এবং শেয়ার পড়ল।</p><p>আসলে যুগটাই তো এখন দেখানোর। যে যা করছি, তাই দেখাচ্ছি। একটা বাজারীকরণ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে আমাদের মধ্যে। আমরা যতটা না করছি, তার চেয়ে বেশি দেখাচ্ছি।</p><p>একবার ভেবে দেখুন, প্রকৃতির খুব কাছে গিয়ে তার সান্নিধ্য পাওয়ার যে আনন্দ, সেই আনন্দ কি প্রকৃতির ছবি তুলে লোকেদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ায় পাওয়া যায়? নদীর বুকে শান্ত নিরবধি এক শীতল বাতাস বয়ে চলা সুর তার মগ্ধতা অনুভবে যে প্রশান্তি, তা কি নদীর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলাতে আছে?</p><p>তেমনি মাকে বছরে একদিন একটা গিফট দিয়ে তা ফলাও করে লোককে জানানোর চেয়ে মায়ের একলা শূন্য ঘরে রোজ কিছুটা সময় দিন, সেই কাটানো সময়ের এবং গল্পের যে দাম তার মূল্য বাজারের কোনো প্যণের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। মাকে অবশ্যই গিফট দেব কিন্তু একটা বিশেষ দিনকে পুঁজি করে যারা ব্যবসা করছে, তাদের আমরা কেন আরও বেশি পুঁজিবাদী হতে এবং মায়ের প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতিকে ছোট হতে সাহায্য করব?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/d04aik0p/লেখক.jpg" /></figure><p>বাজারে গিয়ে দেখুন ছোট্ট একটা কেক এক হাজার টাকায় পাওয়া যাবে কি না, সন্দেহ। কিন্তু এক হাজার টাকা দিয়ে কেক কিংবা ৫০০ টাকা দিয়ে একটা ফুলের বুকে কেনার সামর্থ্য কজন সাধারণ মানুষের আছে, বলুন তো? যেখানে ঝিঙা–পটোলের কেজি শতকের ঘরে। তার চেয়ে ভালো মায়ের জন্য কিছু পান–সুপারি আর এক মাসের ডায়াবেটিস ও ব্লাড সুগারের ওষুধ কেনা। অনেকেরই এতে আপত্তি থাকতে পারে কারণ এ সমাজে টাকাওয়ালা মানুষ কিন্তু নিতান্তই কম নয়।</p><p>মায়ের সঙ্গে চলুন গল্প করি, মাকে জানি। বুঝতে চেষ্টা করি, মা তাঁর ফেলে আসা জীবনে সন্তানদের মানুষ করতে গিয়ে কী কী শখ মেটাতে পারেননি। চেষ্টা করি মায়ের সেই চাওয়া পূরণ করতে নিজের সামর্থ্যের অনুযায়ী।</p><p>আমরা সাধারণত মনে করি, গ্রামের নিরক্ষর বা কম শিক্ষিত ছেলেমেয়েরাই বোধ হয় মা–বাবার সঙ্গে অশোভন আচরণ করে বা তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে চায় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা যারা উচ্চশিক্ষিত তারাও মা–বাবাকে অবহেলা ও অসম্মান করে থাকি।</p><p>আবার এমন অনেক মা–বাবাও আছেন, যারা সন্তানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো আচরণ প্রকাশ করতে চান না।</p><p>এ শহরে অনেক মা আছেন যাঁরা ছেলে এবং ছেলের বউয়ের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে পারেননি বলে মেয়ের বাড়ি এসে থাকেন। অথচ দেখুন, একদিন এই মা কিন্তু তাঁর সব ভালো লাগা, শ্রম–ভালোবাসা দিয়ে বাড়িটা সাজিয়েছিলেন। অথচ শেষ বয়সটা কাটছে নিজের প্রিয় আঙিনা ছেড়ে শহরের চারদেয়ালে বন্দী হয়ে।</p><p>সেদিন একটা অনলাইন নিউজে পড়লাম, ওপার বাংলার গায়ক এবং অভিনেতা অঞ্জন দত্ত বলেছেন, তিনি তাঁর ছেলের কাছে কিছু আশা করেন না, মানে ছেলে ভবিষ্যতে দেখবে এই ভরসায় তিনি ছেলেকে মানুষ করেননি। বেশ, খুব সুন্দর চিন্তা। কিন্তু আমাদের সমাজে কজন মানুষ অঞ্জন দত্তের মতো মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী বলুন তো? আমাদের দেশের অধিকাংশ বাবা–মা নিজের শেষ সম্বলটুকু খুইয়ে ফেলেন সন্তানকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করবেন বলে। হয়তো সেই বাবা–মাও চান না জীবনের শেষ সময়ে এসে ছেলের কাঁধে বোঝা হতে কিন্তু বাবা–মা কখনো বোঝা নয় এটুকু বাস্তব জ্ঞান থাকলে বাবা–মায়ের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কখনো নষ্ট হয় না।</p><p>তবে এটাও সত্যি, বাবা–মা মানেই যে তাদের কোনো ভুল নেই, তা কিন্তু নয়। কখনো কখনো মা–বাবারাও ভুল করেন। অনেক সময় তাঁরা অবুঝের মতো সন্তানদের ওপর নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেন, সেটা যে সব সময় সঠিক, তা কিন্তু নয়।</p><p>আমি একবার আগারগাঁওয়ের প্রবীণ হিতৈষী সংঘে গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে। সেখানে অনেকেই কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। কারণ, তাঁদের ভেতরে জমে ছিল একধরনের নীরব অভিমান। তাই নিজেদের জীবন বা কষ্টের কথা বাইরের মানুষের কাছে বলতে চাইতেন না। এমনকি অনেকেই তাঁদের ছেলেমেয়ের নামও বলতে চাইতেন না—শুধু এই ভেবে, যেন সমাজের চোখে সন্তানেরা ছোট হয়ে না যায়।</p><p>এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি।</p><p>আসলে মায়েদের গল্প বলতে গেলে বাবাদের কথা এসেই পড়ে। হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ থাকলেও একজনও খারাপ বাবা নেই। আমি তাঁর কথার সঙ্গে একমত নই। অসংখ্য খারাপ বাবা আমাদের চারপাশে আছে। কেউ নিজের সন্তানকে শারীরিক মানসিকভাবে নির্যাতন করছেন, কেউ সন্তানকে ফেলে আরেকটা বিয়ে করে দেশান্তরি হচ্ছেন। তাহলে তারা কী করে ভালো বাবা হন!</p><p>এই সমাজে যেমন খারাপ বাবা আছেন, তেমনি খারাপ মা–ও আছেন—যাঁদের গল্প আমরা অনেক সময় জানি না, কিংবা জানলেও বলতে চাই না। আমার এক বন্ধুর মা, তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই মেয়েকে রেখে অন্য একজনকে বিয়ে করেছিলেন। মেয়েদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তারা কোথায় থাকবে—সেসব নিয়ে তিনি একবারও ভাবেননি। অবশ্যই একজন শিক্ষিত নারীর নিজের জীবন কীভাবে চালাবেন, কাকে বিয়ে করবেন বা কার সঙ্গে থাকবেন—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত যদি সন্তানদের সঙ্গে বোঝাপড়া ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে নেওয়া হয়, তাহলে তা সবার জন্যই স্বস্তিকর ও মঙ্গলজনক হয়। কেবল নিজের সুখের কথা ভেবে সন্তানদের অসহায় অবস্থায় ফেলে চলে যাওয়াকে আদর্শ মাতৃত্ব বলা যায় কি না, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। আর এমন উদাহরণ আমাদের সমাজে কম নেই।</p><p>আজকাল আরও ভয়ংকর কিছু ঘটনাও চোখে পড়ে। কোথাও কোথাও দেখা যায়, মা নিজের সন্তানকে ফেলে অন্য কারও সঙ্গে চলে যাচ্ছেন। যে শিশুটি মায়ের আঁচলের গন্ধ ছাড়া ঘুমাতে পারে না, মায়ের মুখে গল্প না শুনে খেতে চায় না, সেই শিশুকেই হঠাৎ একদিন নিঃস্ব করে রেখে চলে যাওয়া—নিশ্চয়ই গভীর মানবিক সংকটের পরিচয়। আরও মর্মান্তিক হলো, কিছু ঘটনায় নিজের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত সুখের জন্য সন্তানের ক্ষতি করার ঘটনাও সামনে আসে। এমন আচরণ শুধু দায়িত্বহীনতাই নয়, মানবিকতারও চরম বিপর্যয়। তবে সব মা বা সব নারীকে এক কাতারে ফেলা ঠিক নয়। যেমন সমাজে দায়িত্বহীন বাবা আছেন, তেমনি দায়িত্বহীন মা–ও আছেন। আবার অসংখ্য মা আছেন, যারা নিজের সবকিছু ত্যাগ করেও সন্তানের জন্য লড়ে যান। তাই ব্যক্তিমানুষের ভুল বা অপরাধকে পুরো মাতৃত্বের পরিচয় হিসেবে দেখার পরিবর্তে সেটিকে একজন মানুষের ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত।</p><p>পৃথিবীতে ভালো মায়ের সংখ্যাই বেশি, খারাপ মায়ের সংখ্যা খুবই কম। অভাব–অনটনের কারণে কোনো মা সন্তানকে ফেলে চলে গেছেন—এমন ঘটনা শুনেছেন? স্বামী বেকার, মাতাল বা দায়িত্বহীন হলে অনেক স্ত্রী সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন—এমন উদাহরণ সমাজে অসংখ্য আছে। কিন্তু নিজের সন্তানদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের অন্ধকারে ফেলে দিয়ে শুধু ব্যক্তিগত স্বস্তির জন্য চলে যাওয়া—এমন ঘটনা মানুষকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।</p><p>কারণ, সাধারণভাবে একজন মা সন্তানের জন্য নিজের কষ্ট, অভাব, অপমান—সবকিছু সহ্য করেও পাশে থাকেন। তাই যখন কোনো মা নিজের দায়িত্ব ভুলে সন্তানকে অসহায় অবস্থায় ফেলে অন্য জীবনে চলে যান, তখন তা শুধু পারিবারিক ভাঙন নয়, একধরনের মানবিক ব্যর্থতাও হয়ে ওঠে।</p><p>সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে তাদের মানুষ করতে মায়েরা অন্যের বাড়ি ঝিয়ের কাজ করছে, হ্যাঁ করছে তবু অসহায় সন্তানকে কারও কাছে বোঝার মতো চাপিয়ে দিয়ে পালাচ্ছে না। যে মা শিশুসন্তানকে ফেলে পালাতে পারেন তিনি মানুষও খুন করতে পারেন।</p><p>সেই ফেলে যাওয়া সন্তান যখন বড় হবে একদিন জানবে—মা তাদের অনিরাপদ অবহেলায় অন্যের জিম্মিতে রেখে পালিয়ে গিয়েছিল কি অনুভূতি হবে তাদের পুরো মা জাতি সম্পর্কে? স্কুল–কলেজ থেকে শুরু করে সামাজিক যেকোনো জায়গায় মানুষের তিক্ত কথার বানে ভেসে যাবে খড়কুটোর মতো। ভালো মানুষ হতে গেলে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, ভালো একটা পারিবারিক পরিবেশও লাগে বৈকি।</p><p>অন্যের বাড়িতে অবহেলা অনাদরে বেড়ে ওঠা একজন শিশু বড় হয়ে ভালো মানুষ হবে, সুনাগরিক হবে—এটা প্রত্যাশা করা ভুল। তার মধ্যে রাগ, জেদ, ক্রোধ, অভিমান না পাওয়ার ক্ষোভ সব থেকে যাবে আর এসব নেতিবাচক দিক কখনো কাউকে ভালো মানুষ বানাতে পারে বলে মনে হয় না। এই শিশু বড় হয়ে কি ক্ষমা করতে শিখবে সেই মাকে? থাকবে কোনো সম্মান অথবা কৃতজ্ঞতাবোধ ওমন মায়ের প্রতি?</p><p>একবার ভেবে দেখুন যারা অন্যের বাড়িতে অনাদরে–অবহেলায় বড় হয় খেয়ে না খেয়ে তাদের সত্যিকারের মানুষ হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?</p><p>আমি সেসব মাকে শুধু এটুকুই বলতে চাই—জীবন যদি কঠিনও হয়, অনিশ্চিতও হয়, তবু সন্তানকে পৃথিবীতে এনে তার দায়িত্ব নিতে না পারলে এমন সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। কারণ, একটি শিশুর কাছে তার মা শুধু একজন মানুষ নন, তার নিরাপত্তা, আশ্রয় আর পৃথিবীর প্রথম ভালোবাসা।</p><p>তাহলে কি আনা জার্ভিসের সেই বিশ্বাস ভুল ছিল? তিনি বলেছিলেন, ‘মা হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি পৃথিবীতে অন্য যে কারও চেয়ে আপনার জন্য বেশি কিছু করেছেন।’</p><p>হয়তো কিছু ব্যতিক্রম আছে, কিছু বেদনাদায়ক গল্পও আছে। তবু পৃথিবীর অসংখ্য মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসাই আমাদের এই বিশ্বাসকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে।</p><p>এই বিশ্বাস চির–অম্লান থাক আমাদের হৃদয়ে...</p><p>* লেখক: রোজিনা রাখী, ফিচার লেখক</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote>]]></content:encoded></item><item><title>বাংলাদেশের বইয়ের অজানা ইতিহাস</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/books/axe8ulo2xo</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/books/axe8ulo2xo#comments</comments><guid isPermaLink="false">d4fefdb3-eb2b-4505-9e5d-fe35cf291cc4</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কামাল আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1258530</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অন্য আলো,বইপত্র-অন্য আলো,বই,বই আলোচনা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/3haa52f5/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.41-PM-1.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বদিউদ্দিন নাজিরের ‘বাংলাদেশে গ্রন্থ উন্নয়ন’  বইয়ের প্রচ্ছদ অবলম্বনে গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/3haa52f5/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.40.41-PM-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>books</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বই নিয়ে যে কত কিছু জানার আছে, তা সবার কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরার কাজটি সম্ভবত বাংলাদেশে এভাবে আগে কেউ করেননি। বইয়ের সঙ্গে যেসব পক্ষ জড়িত—লেখক, প্রকাশক, বিক্রেতা, গ্রন্থাগারিক, ভোক্তা ও পাঠক, বইপাঠ আন্দোলনের সংগঠক ও সংগঠন, বইয়ের প্রদর্শনী বা বইমেলা, সরকার ও বেসরকারি নীতিনির্ধারক—সবার ভূমিকার বিবরণ ও বিশ্লেষণ আছে এতে। এমন তিনটি ধারাবাহিক বইয়ের সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় বইটি প্রকাশ পেয়েছে। বইবিষয়ক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিচারে বইটির লেখক গ্রন্থবিশারদ বদিউদ্দিন নাজির তাঁর যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। আগের দুটির মতোই তাঁর তৃতীয় বই <em>বাংলাদেশে গ্রন্থ উন্নয়ন</em> প্রকাশ করেছে কথাপ্রকাশ।</p><p>বদিউদ্দিন নাজিরের প্রথম বই <em>বই লেখায় লেখকের প্রস্তুতি</em>, যা লেখালেখিতে আগ্রহীদের থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত লেখকদের কাছেও দারুণ সমাদৃত হয়েছে। লেখকের লেখার কৌশল বা ভঙ্গি, ভাষার ব্যবহার ও অজানা তথ্যসম্ভার—এগুলোই হয়তো পাঠককে আকৃষ্ট করে থাকবে।</p><p>বদিউদ্দিন নাজিরের দ্বিতীয় বই <em>বাংলাদেশে গ্রন্থ প্রকাশনা</em> আমাদের দেশের প্রকাশনা খাতের একটি অনন্য দলিল। অনেকেই এই খাতকে শিল্প হিসেবে বর্ণনা করলেও বইটি পড়লেই বোঝা যাবে এত বছরেও কেন এটি শিল্প হয়ে উঠতে পারেনি। লেখক আমাদের ভূখণ্ডে বাংলা ভাষায় বই ছাপানোর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ পর্বগুলোর ওপর আলোকপাত করে ঢাকায় কবে, কীভাবে এর সূচনা হয়েছে—তা বলেছেন গল্পের মতো করে। এই বইয়ে ব্রিটিশ আমলের পূর্ব বাংলা, পরে পূর্ব পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বই প্রকাশের ইতিহাসের খুঁটিনাটি উদ্ধৃত হয়েছে প্রকাশনা শিল্পের দুর্বলতা, সংকটের উৎস, প্রকৃতির ব্যাপ্তি ও গভীরতা বোঝাতে। বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতের চার পথিকৃৎ হাজী মহিউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ মোসলেম খান, চিত্তরঞ্জন সাহা ও মহিউদ্দিন আহমদের উদ্যোগ ও সাফল্য–ব্যর্থতার অনেক অজানা কথা আছে বইটিতে।</p><p>বইবিষয়ক ধারাবাহিক বই তিনটি যেমন একেবারে নিখাদ গবেষণা গ্রন্থ নয়, তেমনি স্মৃতিচারণাও নয়। বরং এ দুইয়ের চমৎকার মিশ্রণ। গবেষণার তথ্যভান্ডারের সহায়তায় এটি এতটাই সমৃদ্ধ যে এর কোনো তথ্যই শুধু স্মৃতিনির্ভর নয়, যাতে বিস্মৃতি ও বিকৃতির ঝুঁকি থাকে। আবার বর্ণনার ধারা এমনই যে জীবনীগ্রন্থের স্মৃতিবর্ণনার মতো তা সুখপাঠ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/2mup1tl4/WhatsApp_Image_2026_05_20_at_2_59_05_PM.jpeg" /><figcaption>বদিউদ্দিন নাজিরের ‘বাংলাদেশে গ্রন্থ উন্নয়ন’  বইয়ের প্রচ্ছদ</figcaption></figure><p>সদ্য প্রকাশিত <em>বাংলাদেশে গ্রন্থ উন্নয়ন</em> বইটিতে এমন অনেক কাহিনিই আছে, যা না পড়লে সরকারের নানা সিদ্ধান্তের নেপথ্যের অনেক চমকপ্রদ তথ্য অজানাই থেকে যাবে। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র সেগুনবাগিচায় মৎস্য ভবনের জায়গায় না হয়ে গুলিস্তানে কেন হলো? এই প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারি জমি পেতে বহু বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা প্রয়াত রাজনীতিক তাহেরউদ্দিন ঠাকুরের ভূমিকা কতটা ছিল? বাংলা একাডেমির ওপর আমলাদের যে গভীর নিয়ন্ত্রণ ছিল এবং তাঁদের মধ্যে দাপুটে দু-একজন যে জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রকে একাডেমিতে আত্তীকৃত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন, তা-ও আমাদের জানার কথা নয়। সেটা ঠেকাতে আটরশির পীরের সহায়তার দরকার পড়েছিল কেন? শেষ পর্যন্ত সামরিক শাসক এরশাদের ‘কনক প্রদীপ জ্বালো’ কবিতা কীভাবে জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় কাজে এসেছিল, তারও প্রত্যক্ষ বিবরণ মেলে বইটিতে। জাতীয় গ্রন্থনীতি তৈরি কিংবা লাইব্রেরিকেন্দ্রিক পাঠাভ্যাস চর্চার আন্দোলন গড়ে তোলার মতো বিষয়গুলোয় সরকার, নীতিপ্রণেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রকাশনা শিল্পের বিশিষ্টজনদের নানা রকম ইতি ও নেতিবাচক ভূমিকার প্রত্যক্ষদর্শী অথবা একজন অংশগ্রহণকারীর ভাষ্য মিলবে এই বইয়ে।</p><p>এখন প্রতিবছর একুশের বইমেলা যে আবেগের প্রতীক হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার জন্ম দিচ্ছে, সেই বইমেলার শুরু ও রূপান্তরের ধারাবাহিক চিত্রও বইটিতে পাওয়া যায়। বইমেলায় দলবদ্ধ দঙ্গলবাজির হুমকি নিয়ে এখন যে ধরনের আলোচনা শোনা যায়, তা যে স্বাধীনতার প্রথম দিকেও ছিল, তা–ও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। আমেরিকাবিরোধী রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্টলে হামলা, কিংবা বইমেলায় কবিতাপাঠের আসরে কোন কবির আমন্ত্রণ পাওয়া বা না পাওয়ায় কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেসবের কিছু নজির আছে বইটিতে।</p><p>উপজেলা স্তরে গণগ্রন্থাগারগুলো নিয়ে সরকারের প্রকল্প পরিত্যক্ত হওয়ায় লেখকের হতাশার কথাও এতে আছে। মানুষকে বইমুখী করা এবং একই সঙ্গে দেশের প্রকাশনাশিল্পকে উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয়তার একটা তাগিদ বদিউদ্দিন নাজিরের বইয়ে অনুভূত হয়। নতুন সরকার বইয়ের প্রসারের জন্য কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে বলে যখন ইঙ্গিত মিলছে, তখন নীতিনির্ধারকদের এসব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।</p><p>...</p><p><strong>বাংলাদেশে গ্রন্থ উন্নয়ন<br>বদিউদ্দিন নাজির</strong><br>প্রকাশক: কথাপ্রকাশ<br>প্রকাশ: এপ্রিল ২০২৬<br>প্রচ্ছদ: হাশেম খান<br>পৃষ্ঠা: ২৫৬; মূল্য: ৬০০ টাকা</p>]]></content:encoded></item><item><title>কানাডায় পড়তে গেলে প্রথম ৭ দিনে যা যা করবেন</title><link>https://www.prothomalo.com/education/higher-education/mlu9faof4h</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/higher-education/mlu9faof4h#comments</comments><guid isPermaLink="false">39d25d39-dd5b-4119-ba9a-55012291d29a</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:59:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:59:06.608Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সহজে কীভাবে মানিয়ে নিতে পারেন, তার একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ইকোনমিক টাইমস।]]></description><media:keywords>কানাডা,শিক্ষার্থী,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="229" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/04/30/24a8a637a83128870bf4d35a79207fa2-5eab099cb75e7.jpg" width="340"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/04/30/24a8a637a83128870bf4d35a79207fa2-5eab099cb75e7.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>উচ্চশিক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নতুন দেশ মানেই নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ। এর মধ্যে জীবন শুরু করা একই সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং। তাই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দেশে মানিয়ে নিতে প্রথম সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সহজে কীভাবে মানিয়ে নিতে পারেন, তার একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ইকোনমিক টাইমস। শিক্ষাব্যবস্থা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে এ সময়ের ছোট ছোট প্রস্তুতিই ভবিষ্যতের পড়াশোনা ও জীবনকে সহজ করে তুলতে পারে।</p><p> <strong>১. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট গুছিয়ে নিরাপদে রাখা</strong></p><p> কানাডায় পৌঁছানোর পর প্রথম কাজগুলোর একটি হলো, সব গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ঠিকভাবে গুছিয়ে রাখা। এর মধ্যে থাকে পাসপোর্ট, স্টাডি পারমিট, ভিসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কাগজপত্র ও ভ্রমণসংক্রান্ত ডকুমেন্ট।</p><p> এগুলো শুধু গুছিয়ে রাখাই নয়, বরং ফটোকপি ও ডিজিটাল ব্যাকআপ রাখা জরুরি, যাতে হারিয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সমস্যা না হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/9y7o5uwhi1">এইচএসসি পাসে বিনা মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, ভাতা দিনে ২০০ টাকা</a></aside><p><strong>২. কানাডিয়ান ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা</strong></p><p>দৈনন্দিন খরচ পরিচালনার জন্য স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ব্যাংক শিক্ষার্থীদের জন্য কম বা শূন্য ফিতে বিশেষ অ্যাকাউন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে।</p><p>সাধারণত পাসপোর্ট, স্টাডি পারমিট ও এনরোলমেন্ট প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। কানাডার ব্যাংকিং ব্যবস্থা—ডেবিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং ও ট্রান্সফার—শুরুতেই বুঝে নিলে আর্থিক ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।</p><p><strong>৩. থাকার জায়গায় স্থিত হওয়া</strong></p><p>নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে আবাসন খুব বড় ভূমিকা রাখে। ক্যাম্পাস ডরমিটরি, হোমস্টে বা ভাড়া বাসা—যেখানেই থাকুক না কেন, প্রথম সপ্তাহেই সেটেল হওয়া জরুরি।</p><p>এর পাশাপাশি আশপাশের এলাকা যেমন গ্রোসারি স্টোর, ফার্মেসি, বাসস্টপ ও প্রয়োজনীয় সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা নেওয়া দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-05/lpno4srm/33____Picture_3.jpg" /><figcaption>কানাডায় আবেদন করতে ডকুমেন্টগুলো যথাযথ হতে হবে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/9hqi10ypbz">জাপান উচ্চশিক্ষার গন্তব্য, যে যে ধাপ অনুসরণ করতে হবে</a></aside><p><strong>৪. স্থানীয় মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হওয়া</strong></p><p>প্রথম সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগ তৈরি করা মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া, সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া ও স্টুডেন্ট গ্রুপে যুক্ত হওয়া উপকারী।</p><p>কানাডার সংস্কৃতি সাধারণত ভদ্র ও সহযোগিতামূলক। তাই প্রশ্ন করতে বা সাহায্য চাইতে দ্বিধা না করাই ভালো।</p><p><strong>৫. মোবাইল ও ইন্টারনেট সেটআপ করা</strong></p><p>যোগাযোগ, ব্যাংকিং, ম্যাপ ও জরুরি সেবার জন্য স্থানীয় সিম কার্ড নেওয়া জরুরি। বিভিন্ন মোবাইল প্ল্যান তুলনা করে উপযুক্তটি নির্বাচন করা উচিত।</p><p>ইন্টারনেট সংযোগও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে অনলাইন ক্লাস ও অ্যাসাইনমেন্টের জন্য। অফ-ক্যাম্পাসে থাকলে ভাড়ার মধ্যে ইন্টারনেট অন্তর্ভুক্ত আছে কি না, তা যাচাই করা দরকার।</p><p><strong>৬. স্বাস্থ্যবিমা সম্পর্কে জানা</strong></p><p>কানাডায় চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেশি, তাই স্বাস্থ্যবিমা থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রদেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সরকারি বা বেসরকারি বিমা থাকতে পারে।</p><p>কোন চিকিৎসা সুবিধা কাভার করে তা শুরুতেই জেনে নেওয়া এবং নিকটবর্তী হাসপাতাল ও ক্লিনিক চিহ্নিত করে রাখা নিরাপদ।</p><p><strong>৭. ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা ও রুটিন তৈরি</strong></p><p>ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই ক্যাম্পাস সম্পর্কে ধারণা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। লাইব্রেরি, ক্লাসরুম, ক্যাফেটেরিয়া ও স্টুডেন্ট সার্ভিস সেন্টার খুঁজে দেখা ভালো।</p><p>এ ছাড়া স্টুডেন্ট আইডি কার্ড সংগ্রহ, স্টাডি ম্যাটেরিয়াল কেনা এবং একটি সাপ্তাহিক রুটিন তৈরি করলে পড়াশোনা ও জীবন আরও সুসংগঠিত হয়।</p><p>বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম সপ্তাহে নেওয়া এই ছোট ছোট প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমায় এবং নতুন পরিবেশে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কানাডায় শিক্ষাজীবন শুরু করা আরও সহজ ও সফল হতে পারে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আজ সারাদিন কিআ কার্নিভ্যাল</title><link>https://www.kishoralo.com/other/m42b58b7q1</link><comments>https://www.kishoralo.com/other/m42b58b7q1#comments</comments><guid isPermaLink="false">6c71816e-477b-4918-a6ef-3d58ca795a2f</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:47:02 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:47:02.852Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কিআ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1433867</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোর আলোর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন ‘সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’।]]></description><media:keywords>আরও কিআ,কিআ ১২,কার্নিভ্যাল</media:keywords><media:content height="2268" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/3424qa79/8609.jpg" width="4032"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/3424qa79/8609.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>other</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গত অক্টোবর মাসে কিশোর আলো প্রতিষ্ঠার ১২ বছর পার করেছে। আজ রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোর আলোর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন ‘সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। নিবন্ধকৃত ব্যক্তিরাই শুধু অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে পারবে।</p><p>কার্নিভ্যালে কিশোর আলোর পাঠকেরা বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেবে। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, কিশোর আলোর পাঠকদের সঙ্গে কার্নিভ্যালে থাকবেন তারকা ও গুণীজনেরা। থাকছে আলোকচিত্র, লেখালেখি, ভাষা, ক্যারিয়ার, এআই, কার্টুনসহ নানা বিষয়ে কর্মশালা। পাঠকদের সঙ্গে কার্নিভ্যালের আনন্দ উদ্‌যাপন করতে উপস্থিত থাকবেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। কার্টুন ও কমিকস নিয়ে গল্প করবেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব। ভাষা ও সাহিত্যের আড্ডায় থাকছেন অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর। আলোকচিত্র নিয়ে কথা বলতে আসবেন নাসির আলী মামুন। থাকবেন কার্টুনিস্ট মেহেদী হক, লেখক শিবব্রত বর্মন, তানজিনা হোসেন এবং রোমেন রায়হান। পাঠকদের অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। অনুষ্ঠানে জাদু পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় জাদুশিল্পী রাজিব বসাক।&nbsp;</p><p>এ ছাড়া কার্নিভ্যালে উপস্থিত থাকবেন বিনোদন জগতের জনপ্রিয় তারকারা। পাঠকদের সামনে উপস্থিত হবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। থাকবেন অভিনেতা আফরান নিশো, ফারহান আহমেদ জোভান ও তৌসিফ মাহবুব।</p><p>কিআ কার্নিভ্যালের জমকালো গানের আয়োজনে উপস্থিত থাকবে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাভয়েড রাফা। আরও থাকবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও তাঁর গানের দল। গান গাইবেন জনপ্রিয় গায়ক আহমেদ হাসান সানি।</p><p>সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যালে সহযোগিতা করছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। কার্নিভ্যালের গোল্ড পার্টনার মাইটি চিপ্স। ভেন্যু পার্টনার আলোকি।</p> <aside><a href="https://www.kishoralo.com/other/c0xdnurzw2">আগামীকাল কিআ কার্নিভ্যাল</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঈদের আগে অনলাইনে কেনাকাটায় ঠকতে না চাইলে কী করবেন</title><link>https://www.prothomalo.com/business/personal-finance/52hyxlhxg5</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/personal-finance/52hyxlhxg5#comments</comments><guid isPermaLink="false">e95528ea-1983-4e2a-99c9-04004ef4d869</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অনলাইন কেনাকাটা সহজ, কিন্তু সচেতন না হলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কেনার আগে যাচাই করুন, বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিন।]]></description><media:keywords>অনলাইন,কেনাকাটা,ঈদ</media:keywords><media:content height="666" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-10/2c109141-f1cd-4a81-906b-4564a656533a/d182f39b_414310_P_5_mr.jpg" width="1050"><media:title type="html"><![CDATA[ অনলাইন কেনাকাটা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-10/2c109141-f1cd-4a81-906b-4564a656533a/d182f39b_414310_P_5_mr.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আপনার টাকা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নগরজীবনে অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে। যানজট আর চাকরির ব্যস্ততার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা ফেসবুকভিত্তিক পেজ থেকে অনেকে ঘরে বসেই কেনাকাটা করেন। ঈদের আগে এ ধরনের অনলাইনে কেনাকাটা বেড়ে যায়।</p><p>এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শুধু জামাকাপড় নয়, এমনকি চাল, ডাল, তেল-নুনের মতো দৈনন্দিন বাজারসদাইও করছেন। অনলাইন কিনলে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান তা গ্রাহকের বাসায় পৌঁছে দেয়।</p><p>বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কারণে কেনার আগে পণ্য যাচাই-বাছাই করার সুযোগ থাকে না। তবে অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে কিছুটা সাবধান হতে হয়।</p><p>অনলাইন কেনাকাটা সহজ, কিন্তু সচেতন না হলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কেনার আগে যাচাই করুন, বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিন।</p><p>এবার দেখা যাক, অনলাইন কেনাকাটার আগে কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে:</p><p><strong>১. অপরিচিত পেজে অগ্রিম টাকা পাঠাবেন না</strong></p><p>শুধু ফেসবুক পেজ দেখে বিশ্বাস করবেন না। ওয়েবসাইট, গ্রাহক রিভিউ, ফোন নম্বর ও ঠিকানা মিলিয়ে নিন। প্রয়োজনে পরিচিত কেউ এই পেজ থেকে পণ্য কিনছেন কি না, তা জেনে মতামত নিন। তাই বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটা করাই নিরাপদ।</p><p><strong>২. অস্বাভাবিক কম দামে সন্দেহ করুন</strong></p><p>বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দামে ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রির অফার এলে সতর্ক থাকুন। অনেক সময় এগুলো প্রতারণার ফাঁদ হয়। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।</p><p><strong>৩. রিভিউ ও কমেন্ট পড়ুন</strong></p><p>অতীতের গ্রাহকদের রিভিউ দেখুন। আগের ক্রেতারা কী বলেছেন, তা দেখুন। শুধু ভালো রিভিউ নয়, অভিযোগও খেয়াল করুন।</p><p><strong>৪. ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা থাকলে সেটি বেছে নিন</strong></p><p>পণ্য হাতে পাওয়ার আগে পুরো টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ। তাই ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ থাকলে তা নিন।</p><p><strong>৫. পণ্যের ছবি ও বর্ণনা ভালোভাবে পড়ুন</strong></p><p>কাপড়ের সাইজ, রং, ফেব্রিক, রিটার্ন নীতি—সব আগে বুঝে নিন। শুধু ছবির ওপর ভরসা করবেন না।</p><p><strong>৬. ডেলিভারির সময় নিশ্চিত করুন</strong></p><p>ঈদের আগে চাপ বাড়ে। তাই কত দিনে পণ্য পৌঁছাবে, তা আগেই জেনে নিন। ঈদের আগে পণ্য পৌছাবে কি না, তা নিশ্চিত করবেন।</p><p><strong>৭. ভুয়া ওয়েবসাইট থেকে সতর্ক থাকুন</strong></p><p>ওয়েবসাইটের নাম, বানান ও লিংক ভালোভাবে দেখুন। অনেক প্রতারক পরিচিত ব্র্যান্ডের মতো দেখতে ভুয়া সাইট বানায়।</p><p><strong>৮. ব্যক্তিগত তথ্য অযথা দেবেন না</strong></p><p>ওটিপি, ব্যাংক কার্ডের পিন বা মোবাইল ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড কাউকে বলবেন না। কারণ, এসব অনেক সময় প্রতারণার ফাঁদ হতে পারে।</p><p><strong>৯. অর্ডারের স্ক্রিনশট ও রসিদ রেখে দিন</strong></p><p>পরে সমস্যা হলে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে। তাই অর্ডারের স্ক্রিনশট ও রসিদ সংরক্ষণ করুন।</p><p><strong>১০. শুধু ইনবক্সভিত্তিক কেনাকাটায় সতর্ক থাকুন</strong></p><p>যেসব পেজে দাম প্রকাশ করা হয় না, শুধু ইনবক্সে যোগাযোগ করতে বলে, সেগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা দরকার।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইউপি চেয়ারম্যানের খামারে হাজার কেজির দুই ‘ডায়মন্ড’, বিক্রির জন্য নেবেন ঢাকায়</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/x3qgjna0wu</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/x3qgjna0wu#comments</comments><guid isPermaLink="false">8f7c45e8-e8f2-4415-907f-313fbf34b90b</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কোরবানির ঈদ সামনে রেখে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি খামারের দুটি বিশাল আকৃতির গরু ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।]]></description><media:keywords>কোরবানির হাট,কোরবানির পশু,নড়িয়া,শরীয়তপুর,ঢাকা বিভাগ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/g8lert8t/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.43.09-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ এক হাজার কেজি ওজনের গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ (বাঁয়ে) ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/g8lert8t/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-4.43.09-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কোরবানির ঈদ সামনে রেখে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি খামারের দুটি বিশাল আকৃতির গরু ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এক হাজার কেজি ওজনের গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। গরু দুটির একেকটির দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। তবে স্থানীয় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় সেগুলো রাজধানীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খামারমালিক।</p><p>গরু দুটির মালিক নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ সরদার। তাঁর খামারে বর্তমানে ১১টি গরু, ২১টি মহিষ ও ১০টি খাসি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামের দুটি গরু।</p><p>আবদুল আজিজ জানান, সাড়ে পাঁচ বছর আগে ছয় মাস বয়সী দুটি গরু খামারে আনা হয়। একটি সাদা ও অন্যটি কালো হওয়ায় এদের নাম রাখা হয় ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। বর্তমানে প্রতিটি গরুর ওজন প্রায় এক হাজার কেজি।</p><p>আবদুল আজিজ বলেন, খামারে অনেক ক্রেতা গরু দেখতে আসছেন। তবে কেউ ১২ লাখ টাকা দাম দিতে রাজি হচ্ছেন না। স্থানীয়ভাবে সর্বোচ্চ সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলা হয়েছে। তাই গরু দুটি ঢাকায় নিয়ে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘ঢাকায় অনেক শৌখিন ক্রেতা আছেন, যাঁরা বড় ও ভালো কোরবানির পশু কিনতে আগ্রহী। আশা করছি সেখানে ভালো দাম পাওয়া যাবে।’</p><p>খামারে গরুর পাশাপাশি বিভিন্ন আকৃতির মহিষও আছে। এক বছর আগে ভোলা থেকে মহিষগুলো আনা হয়েছে। এসব মহিষের দাম দুই লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে।</p><p>জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরে এবার কোরবানির জন্য ১১ হাজার ২৮৪টি খামারে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৪টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাটবাজারের পাশাপাশি খামার থেকেও পশু বিক্রি হচ্ছে।</p><p>শরীয়তপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় অন্তত ২০ হাজার বেশি পশু প্রস্তুত আছে। বড় আকৃতির পশুর দাম নিয়ে শুরুতে দর-কষাকষি থাকলেও ঈদের কাছাকাছি সময়ে এসব পশুর ভালো দাম পাওয়া যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার খামারিদের প্রস্তুত করা সব পশুই বিক্রি হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সরকারি ব্যাংকে ৯০৩ সিনিয়র অফিসার পদে চাকরি, জেনে নিন সব তথ্য</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/lzd8jozizn</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/lzd8jozizn#comments</comments><guid isPermaLink="false">6a644653-6f16-4622-ac91-70178724152d</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:19:58 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:19:58.940Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিআইআইএসএস-এ নবম গ্রেডের গবেষণা কর্মকর্তা পদে ৫টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>ব্যাংকে চাকরি,ব্যাংক,ক্যারিয়ার,সরকারি চাকরি,সাপ্তাহিক চাকরির খবর,জেলার চাকরি</media:keywords><media:content height="896" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-19/wwcs1cqs/149.jpg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ ছবি: প্রথম আলো/এআই জেনারেটেড]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-19/wwcs1cqs/149.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ এসেছে। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির (বিএসসি) তত্ত্বাবধানে ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সমন্বিতভাবে ‘সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)’ পদে মোট ৯০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের এই স্থায়ী পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২১ জুন পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ পাবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/83gsu2n3xh">আইনি জটিলতায় দ্বিমুখী জট: প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি দুই-ই আটকে</a></aside><h3>ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের বিবরণ—

</h3><p>সমন্বিত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট ১১টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকে ৯০৩ জন জনবল নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পদের সংখ্যা—</p><ul><li><p> রূপালী ব্যাংক পিএলসি: ৪৭১টি</p></li><li><p> অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি: ২৪০টি</p></li><li><p> বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ৮০টি</p></li><li><p>কর্মসংস্থান ব্যাংক: ৩৯টি</p></li><li><p>রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক: ৩২টি</p></li><li><p> বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন: ২০টি</p></li><li><p> ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ: ১১টি</p></li><li><p> বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি: ০৫টি</p></li><li><p> বেসিক ব্যাংক পিএলসি: ০২টি</p></li><li><p> আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক: ০২টি</p></li><li><p> প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: ০১টি</p></li></ul><p><strong>বেতন স্কেল</strong></p><p>জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী, এই পদের মূল বেতন স্কেল ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা। এর পাশাপাশি নিয়মানুযায়ী অন্যান্য প্রদেয় সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা প্রদান করা হবে।</p><p><strong>আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা</strong></p><ul><li><p>প্রার্থীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারী হতে হবে।</p></li><li><p>মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহের মধ্যে অন্তত ২টিতে ‘প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি’ (অথবা সমমানের জিপিএ/সিজিপিএ) থাকতে হবে।</p></li><li><p>শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়েই ‘তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি’ গ্রহণযোগ্য হবে না।</p></li><li><p>ও-লেভেল ও এ-লেভেল পাস করা এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সমমান সার্টিফিকেট মৌখিক পরীক্ষার সময় জমা দিতে হবে।</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/9hqi10ypbz">জাপান উচ্চশিক্ষার গন্তব্য, যে যে ধাপ অনুসরণ করতে হবে</a></aside><p><strong>বয়সসীমা</strong></p><p>১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।</p><p><strong>বাছাই পদ্ধতি</strong></p><p>প্রার্থীদের তিনটি ধাপে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রথমে প্রাথমিক নির্বাচনী (MCQ), এরপর লিখিত পরীক্ষা এবং সবশেষে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত করা হবে। অনলাইনে আবেদনের সময় কোনো কাগজপত্র পাঠাতে হবে না, তবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার দিন সব সনদের মূল কপি প্রদর্শন ও সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করতে হবে।</p><h3>আবেদন ও ফি প্রদানের নিয়ম—

</h3><ul><li><p>আবেদন মাধ্যম: আগ্রহী প্রার্থীদের শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত অফিশিয়াল <a href="https://erecruitment.bb.org.bd/" rel="nofollow">ওয়েবসাইটের</a>  মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে।</p></li><li><p> আবেদন ফি: আবেদন ফি বাবদ অফেরতযোগ্য ২০০ টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘রকেট’-এর বিল পে অপশন ব্যবহার করে জমা দিতে হবে। অনগ্রসর নাগরিক গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা। তাঁরা প্রথমে ২০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করার পর অবশিষ্ট টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।</p></li><li><p>পছন্দক্রম: অনলাইন আবেদনেই প্রার্থীকে সব কটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করতে হবে। চূড়ান্ত মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে প্রার্থীকে নির্দিষ্ট ব্যাংকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।</p></li><li><p> ট্র্যাকিং পেজ সংগ্রহ: ফি প্রদানের পর অবশ্যই ‘Payment Verify’ সম্পন্ন করে ট্র্যাকিং পেজটি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে।</p></li></ul><p>অনলাইনে আবেদনের শেষ সময়: ২১ জুন ২০২৬, রাত ১১:৫৯ মিনিট।</p><p>আবেদন ফি প্রদান ও পেমেন্ট ভেরিফাইয়ের শেষ সময়: ২৩ জুন ২০২৬, রাত ১১:৫৯ মিনিট।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/pelxaeaj0e">বন অধিদপ্তরে ফরেস্টার পদে বড় নিয়োগ, পদ ৩৮২</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কিআ উৎসব আজ </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/prrjcaycl9</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/prrjcaycl9#comments</comments><guid isPermaLink="false">0c7c4840-65fe-4348-a57b-5e1cd46c4202</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:43.011Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ রোববার রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন ‘কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই উৎসব।]]></description><media:keywords>কিশোর,কিশোর আলো,উৎসব,কিআ ১২</media:keywords><media:content height="801" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/5hg55a4d/Screenshot-2026-05-24-075431.png" width="1201"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/5hg55a4d/Screenshot-2026-05-24-075431.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কিশোরদের জনপ্রিয় মাসিক ম্যাগাজিন কিশোর আলো। গত অক্টোবরে মাসিক সাময়িকীটি প্রতিষ্ঠার ১২ বছর পার করেছে। </p><p>আজ রোববার রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন ‘কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’। </p><p>সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। নিবন্ধন করা ব্যক্তিরাই শুধু অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে পারবেন।</p><p>কার্নিভ্যালে কিশোর আলোর পাঠকেরা বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেবেন। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পাঠকদের সঙ্গে উৎসবে থাকবেন তারকা ও গুণীজনেরা। থাকছে আলোকচিত্র, লেখালেখি, ভাষা, ক্যারিয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কার্টুনসহ নানা বিষয়ে কর্মশালা।</p><p>সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যালে সহযোগিতা করছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। কার্নিভ্যালের গোল্ড পার্টনার মাইটি চিপস। ভেন্যু পার্টনার আলোকি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শ্বেতশুভ্র টাক্সিডোতে বসলেডি ঐশ্বরিয়ার পাওয়ারফুল কান লুক (ছবি ও ভিডিও)</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/qm242m3t5w</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/qm242m3t5w#comments</comments><guid isPermaLink="false">9daaf2da-dd10-4f7b-8de9-51c882fdff03</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কান চলচ্চিত্র উৎসব যেন নতুন প্রাণ পেয়েছে শেষে এসে। এবার ঐশ্বরিয়াকে দেখা গেল শ্বেতশুভ্র টাক্সিডোর পাওয়ারফুল লুকে।]]></description><media:keywords>কান এর রেড কার্পেটে,ঐশ্বরিয়া রাই</media:keywords><media:content height="1919" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/hqpvp18t/filmfare17795605993903558829289460605906393263.webp" width="1440"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/hqpvp18t/filmfare17795605993903558829289460605906393263.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল কানের রানির জন্য। বলিউডের বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের আগমন ঘটল কান চলচ্চিত্র উৎসবের একদম শেষে। আর এসেই একের পর এক লুকে চমক দিচ্ছেন তিনি। এখানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে চাইনিজ ডিজাইনার চেনেই চ্যানের শ্বেতশুভ্র টাক্সিডোতে। ম্যাক্সিমালিস্ট এই পাওয়ারফুল বসলেডি লুকের আদ্যোপান্ত দেখে নিই চলুন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/69z65evo/aish55.jpg" /><figcaption>সাদা টাক্সিডোই পরতে চেয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া, বললেন ডিজাইনার। সাদা তাঁর কাছে এক পাওয়ারফুল রং</figcaption></figure><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/DYsN1xOht4e/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/DYsN1xOht4e/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/DYsN1xOht4e/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by Esquire India (@esquireindia)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/wt9iqjn6/bollywoodfeels1779560660390355892777003886967578059560h.jpg" /><figcaption>জ্যাকেটে ফিটেড ওয়েস্ট আর ওভারসাইজড শোলডারলাইন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/7uz6mv8r/filmfare17795605993903558837183152840906393263.webp" /><figcaption>ম্যাক্সিমালিস্ট লুকের হাইলাইট ঐশ্বরিয়ার ফেদার বোয়া। এটি সাস্টেনেবল পালক দিয়েই তৈরি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/x89aglf7/bollywoodfeels1779560660390355888695100385167578059560.webp" /><figcaption>নিচে ভার্টিকাল লেস ডিটেইলিং। প্যান্টে পরিমিত ফ্ল্যেয়ার আর ম্যাচিং এমবেলিশমেন্ট</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/ez65hcci/bollywoodfeels1779560660390355890515430318767578059560d.jpg" /><figcaption>ইনারে পারফেক্ট নেকলাইনের সঙ্গে জ্যাকেটে আছে ডবল ফোল্ড লেপেল।  </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/h46q5pg1/bollywoodfeels1779560660390355887887298996067578059560.webp" /><figcaption>মাসকারা আর কাজলের সঙ্গে ন্যুড রেইজিন লিপ্স। আঙুলে আছে হীরার আংটি। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-24/o61ajaxb/bollywoodfeels1779560660390355891280488838067578059560.webp" /><figcaption>চুলে ওয়েভি হেয়ারস্টাইল। আর ঐশ্বরিয়ার চোখ তো সবার আগেই নজর কাড়ে। </figcaption></figure><p><strong>সূত্র</strong>: ভোগ</p><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item><item><title>শাকিবের সঙ্গে রোমান্টিক ছবি দিয়ে সাবিলার মন্তব্য, ‘আগুন শুধুই মীরার’</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/7n8lyvjhuo</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/7n8lyvjhuo#comments</comments><guid isPermaLink="false">27fafe53-ae81-46e7-9849-eddb65ba7b40</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ফেসবুকে শেয়ার করা বিভিন্ন ছবি, স্মৃতি ও ঘটনার মাধ্যমে তারকারা ভক্তদের কাছে হয়ে ওঠেন আরও কাছের, আরও বাস্তব।]]></description><media:keywords>বিদ্যা সিনহা মীম,জোভান,সাবিলা নূর,শাকিল খান,আরিফিন শুভ</media:keywords><category>বিনোদন</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>বিনোদনজগতের তারকারা শুধু অভিনয় বা কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন। তাঁদের ব্যক্তিজীবন, দৈনন্দিন মুহূর্ত ও নানা অভিজ্ঞতাও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিভিন্ন ছবি, স্মৃতি ও ঘটনার মাধ্যমে তারকারা ভক্তদের কাছে হয়ে ওঠেন আরও কাছের, আরও বাস্তব। তারকাদের সেসব ঘটনাই দেখুন ফেসবুকের পাতা থেকে।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/tv0syjzw/703811941_1542122417275556_8371054328266943639_n.jpg" /><figcaption>শুরু হয়েছে ঈদের সিনেমা ‘রকস্টার’–এর কাউন্টডাউন। আর মাত্র পাঁচ দিন রয়েছে সিনেমাটির মুক্তির। সেই খবর জানিয়ে সিনেমাটির নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে রোমান্টিক ছবি পোস্ট করে সাবিলা লিখেছেন, ‘যত ফুলই থাকুক, দিন শেষে আগুন শুধুই মীরার।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/25d7ve6d/703613633_1569193054566281_2126808442295960676_n.jpg" /><figcaption>ঈদে মুক্তি পাচ্ছে রোমান্টিক সিনেমা ‘মালিক’। সিনেমার গান প্রকাশ পাবে। সেই গানের শুটিংয়ের কিছু ছবি ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে মিম লিখেছেন, ‘আমাদের সিনেমা “মালিক”–এর রোমান্টিক গান প্রকাশ পেয়েছে। সেই গানের কিছু ছবি।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/y7xvs4or/698928947_27377760198488107_390879291206917860_n.jpg" /><figcaption>গরমে ডাব হাতে ছবিটি পোস্ট করে ফারহান আহমেদ জোভান লিখেছেন, ‘নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে পারলেই ছেলেদের জীবনের ৫০% আর মেয়েদের জীবনের ৯৯% সমস্যা অটো সলভ হয়ে যেত। যেহেতু অনেক গরম পড়েছে, একটা ডাব খেয়ে শুরু করতে পারেন।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/u6odtrpo/705423985_10242049365466608_9135700384556724408_n.jpg" /><figcaption>এক দশকের বেশি সময় পর নির্মাণে ফিরছেন পরিচালক ওয়াহিদ আনাম। নাটকের পোস্টার ভাগাভাগি করে তিনি লিখেছেন, ‘এই ঈদে ভালোবাসার এক নতুন আখ্যান নিয়ে আসছে “তাজমহল”।’ ইয়ামিন আর সৃজার এই মিষ্টি প্রেমের গল্প উপভোগ করতে আজই প্রস্তুত হয়ে যান। প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে ঈদের দিন ওয়েব ফিল্মটি দেখুন।’ এটি বঙ্গতে প্রচার হবে।</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/4gpz6qui6d">৩২ দিন লেবু মুখের মধ্যে রাখতে হয়েছে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/kbd8atls/705420175_3452908398197523_1575457157890789439_n.jpg" /><figcaption>শুটিংয়ের ফাঁকে রয়্যাল অ্যানফিল্ড বাইকের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী লিখেছেন, ‘নরম হাসি, সাহসী আত্মা—আর তার সঙ্গে একটু রয়্যাল অ্যানফিল্ডের দাপট।’ </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>সিজিপিএ–২.৭১, অফার পেয়েছেন ১২ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/iznpch579d</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/iznpch579d#comments</comments><guid isPermaLink="false">29c472d5-95e1-4381-8c52-0f5d32d924b9</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফুয়াদ পাবলো</atom:name><atom:uri>/api/author/1625857</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>স্বপ্ন নিয়ে,গবেষণা,বিদেশি শিক্ষার্থী,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="1414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/458yltgr/Arif-Hasnat.jpg.jpeg" width="1263"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন আরিফ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/458yltgr/Arif-Hasnat.jpg.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে ভালো সিজিপিএ না-ও আসতে পারে নানা কারণে। তাই বলে কি ভিনদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে যাবে? কারও কারও অভিজ্ঞতা কিন্তু বলছে, এই বাধাও অতিক্রম করার উপায় আছে।</p><p>সরকারি চাকরি নিয়ে দেশেই থিতু হতে চেয়েছিলেন আরিফ হাসনাত। কিন্তু জীবন তাঁকে ঠেলে দিয়েছে এক অসম লড়াইয়ের ময়দানে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) পুরকৌশলে পড়ার সময় যখন তাঁর সিজিপিএ কমতে শুরু করে, আশপাশে চেনা মুখগুলোও বদলে যেতে থাকে। একসময় ২.৭১ সিজিপিএ নিয়ে ব্যাচেলর শেষ করেন আরিফ। আজ তিনিই যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক।</p><p>একসময় ‘মেধাবী ছাত্র’ হিসেবেই যাঁর পরিচিতি ছিল, তাঁর জন্য এমন রেজাল্ট মেনে নেওয়া কঠিন। গবেষণায় ডুবে গিয়ে তাই কষ্ট ভোলার চেষ্টা করেন আরিফ, ‘বুঝতে পারছিলাম, রিসার্চ পেপার যেহেতু ব্লাইন্ড পিয়ার রিভিউর মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়, তাই এটা এমন একটা জায়গা, যেখানে পরিচয় বা সিজিপিএ নয়; বরং কাজই মানুষকে প্রমাণ করে। তখন মনে হয়েছিল, রিসার্চই হয়তো একমাত্র উপায়, যার মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে পারব।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/p6stt7rmpd">কোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসবেন সৈয়দপুরের এই কসাইরা</a></aside><p>লড়াইটা আদতে দ্বিতীয় বর্ষ থেকে শুরু হয়েছিল। বড় ভাইয়েরা যখন থিসিসের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, আরিফ তখন ফজরের আজানের পরপরই সাইকেল নিয়ে রাজশাহীর মোড়ে মোড়ে ঘুরতেন পানির নমুনা সংগ্রহের জন্য। ল্যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ, অনলাইন থেকে গবেষণার পদ্ধতি শেখা—সবই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো গাইডলাইন ছাড়াই করেছেন তিনি। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যখন আবেদন করা শুরু করেন, তখন সবচেয়ে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাঁর পুরোনো সিজিপিএ। অনেক অধ্যাপক তাঁর প্রোফাইল পছন্দ করলেও একাডেমিক রেজাল্টের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু আরিফ জানতেন, এমন কিছু করতে হবে, যা রেজাল্টের চেয়েও শক্তিশালী। টানা পরিশ্রম আর কৌশলী প্রস্তুতির পর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পূর্ণাঙ্গ তহবিলসহ (ফুল ফান্ডেড) অফার পান তিনি। আরিফ বলেন, ‘প্রত্যেক অধ্যাপকের ব্যাকগ্রাউন্ড খুব ভালোভাবে ঘাঁটতাম। যখন একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফান্ডিং অফার আসতে থাকে, তখন মনে হলো, এত বছরের পরিশ্রম বৃথা যায়নি।’</p><p>ভিসা পাওয়ার ঠিক পরপরই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা মাকে হারান আরিফ। এই শোক তাঁকে ভেঙে দিলেও লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি। ‘ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা আমি পেয়েছি, তা হলো, জীবনে হোঁচট খেলে দ্রুত উঠে দাঁড়াতে হয়। একবার শুধু পেছনে তাকিয়ে বুঝতে হয়, কেন পড়ে গেলাম। তারপর আবার সামনে হাঁটা শুরু করতে হয়। মানুষ কী বলল, কে হাসাহাসি করল—এসব আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই সেগুলোর দিকে না তাকিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর ওপর ফোকাস করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,’ বলেন তিনি।</p><p>‘কম সিজিপিএ’র ফাঁদে অবশ্য আর পড়তে চান না আরিফ। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি সেমিস্টারে সিজিপিএ–৪ ধরে রেখেছেন এই তরুণ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/rwcaffxomb">কানে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের লুক যে পোশাকের কারণে আলোচিত হলো</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ম্যারাডোনা এবং ‘বাকি ১০ জনের’ বিশ্ব জয়</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/wwi42lvbhv</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/wwi42lvbhv#comments</comments><guid isPermaLink="false">353b0d33-2e4e-4d0d-99ac-6d0cef2f1c1b</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কামরুল হাসান</atom:name><atom:uri>/api/author/1258740</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬,ফিরে দেখা–খেলা,বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬,ফিরে দেখা বিশ্বকাপ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/vn9n6sce/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-18.09.35.jpeg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/vn9n6sce/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-18.09.35.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওর সেই ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপ নামে যে মহাযাত্রার শুরু হয়েছিল, তা আজ শতবর্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। এই যাত্রার কোথাও পেলে-গারিঞ্চার সাম্বার ছন্দ, কোথাও ম্যারাডোনার ঈশ্বরপ্রদত্ত জাদুকরি ছোঁয়া, আবার কোথাও জিনেদিন জিদান কিংবা লিওনেল মেসির অমরত্বের পথে হেঁটে যাওয়া—সব মিলিয়েই তো এই ফুটবল-পুরাণ। ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।</p><p>ফুটবল ১১ জনের যৌথ সাধনার মঞ্চ কিন্তু ১৯৮৬ সালের জুন মাসে মেক্সিকোর তপ্ত দুপুরগুলোয় সেই ব্যাকরণ ভেঙে দিয়েছিলেন এক ঐশ্বরিক জাদুকর। একটা দলীয় খেলায় একজন মানুষ কীভাবে পুরো টুর্নামেন্টকে নিজের পায়ে নাচাতে পারেন, ‘জাদুকর’ দেখিয়েছিলেন সেটাই। ডিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা তাঁর নাম। মেক্সিকো বিশ্বকাপের ম্যারাডোনা শোর দ্বিতীয় সংস্করণ ফুটবলে আজও তৈরি হয়নি, হয়তো কোনো দিন হবেও না। কার্লোস বিলার্দোর সেই আর্জেন্টিনা দল ইতিহাসেই জায়গা করে নিয়েছে ‘ম্যারাডোনা এবং বাকি ১০ জন’ হিসেবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/v06urc9pbn">ফকল্যান্ডের ছায়া, রসি-রেনেসাঁ এবং ইতালির ‘প্রত্যাবর্তন’</a></aside><p>পেলের পাশে গারিঞ্চা, ভাভা, জেয়ারজিনহো, তোস্তাও কিংবা আমারিলদোর মতো সহযোদ্ধারা ছিলেন, যাঁরা প্রত্যেকেই কিংবদন্তি। এমনকি ১৯৬২ বিশ্বকাপে ‘রাজা’ পেলে প্রথম দুই ম্যাচ খেলে ছিটকে যাওয়ার পরও ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু ম্যারাডোনা? তিনি একাধারে দলের অধিনায়ক, সবচেয়ে বড় শক্তি এবং দলের প্রধান গোলদাতাও। প্রতিপক্ষের রক্ষণ যখনই নিরেট দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে, ম্যারাডোনা তখনই বল পায়ে একা কেড়ে নিয়েছেন প্রতিপক্ষের ঘুম, একক জাদুতে বল পাঠিয়েছেন জালে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যা করেছিলেন, বেলজিয়ামের বিপক্ষেও তার পুনরাবৃত্তি করেছেন। ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষেও প্রায় একই কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছিলেন, যদি না চারজন ডিফেন্ডার মিলে ফাউল করে তাঁকে আটকে দিতেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/u7onszgg/Maradonashiltonmanodios.jpg" /><figcaption>ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার সেই ‘ঈশ্বরের হাতে’র গোল। </figcaption></figure><p>সেই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর প্রথম গোলটি ‘লা মানো দে দিওস’ বা ‘ঈশ্বরের হাত’ নামে কুখ্যাত হয়ে আছে। সমালোচকেরা হয়তো সেই বিতর্কিত গোলটি নিয়েই আজীবন চেঁচামেচি করবেন, কিন্তু তার ঠিক কয়েক মিনিট পরেই ছিয়াশির জাদুকর যেভাবে ইংলিশ ডিফেন্ডারদের খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’টি করলেন, তা ফুটবল রূপকথারই অংশ হয়ে গেছে। ম্যারাডোনাই ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতা সেই আর্জেন্টিনা দলের মগজ, হৃৎপিণ্ড এবং কখনো কখনো ‘হাত’!</p><p>মেক্সিকোর ধুলো ওড়া রোদে বল পায়ে তাঁর সেই জাদুকরি নৃত্য আজও ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য হয়ে বেঁচে আছে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/1nkcmfru/Maradonavsengland.jpg" /><figcaption>‘শতাব্দীর সেরা গোল’টি করার পর ম্যারাডোনা।</figcaption></figure><h3>বিদায় কলম্বিয়া, স্বাগত মেক্সিকো</h3><p>১৯৮২ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফা মোটামুটি নিশ্চিত ছিল, পরের আসর বসবে কলম্বিয়ায়। কিন্তু ১৯৮২ সালের ২৬ অক্টোবরে সব ওলটপালট হয়ে গেল। কলম্বিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বেলিসারিও বেটানকুর ঘোষণা দিলেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্বকাপ আয়োজন করা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব। আট বছর আগে যখন কলম্বিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন বিশ্বকাপ ছিল ১৬ দলের। কিন্তু তা বেড়ে ২৪ দল হওয়ায় অন্তত ১০টি বড় স্টেডিয়ামের প্রয়োজন ছিল, যা কলম্বিয়ার ছিল না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/3nhx5oa1vi">ম্যারাডোনার কান্না এবং আর্জেন্টিনার প্রথম মুকুট</a></aside><p>এই সুযোগে উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় ফুটবল কনফেডারেশনের (কনকাকাফ) সভাপতি হোয়াকিন সোরিয়া তেরাজাস মেক্সিকোর নাম প্রস্তাব করেন। লড়াইয়ে ছিল যুক্তরাষ্ট্র আর কানাডাও। তবে ফিফা সভাপতি জোয়াও হ্যাভেলাঞ্জের সঙ্গে মেক্সিকান ব্যবসায়ী গিয়ের্মো কানেন্দোর বন্ধুত্ব সমীকরণ সহজ করে দেয়। কানেন্দো ছিলেন ফিফার সহসভাপতি এবং মেক্সিকোর বিখ্যাত ‘টেলিভিসা নেটওয়ার্ক’-এর পরিচালক। ফলে ১৯৮৩ সালের ১৯ মে ইতিহাস গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায় মেক্সিকো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/uuxnjc11/12.jpg" /><figcaption>মেক্সিকোর বিখ্যাত আজতেক স্টেডিয়ামে, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে।</figcaption></figure><p>টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র আট মাস আগে ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বরে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো মেক্সিকো। সরকারি হিসাবে ১০ হাজার এবং বেসরকারি হিসাবে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় মেক্সিকো সিটি। কিন্তু প্রকৃতির এই রুদ্ররূপও ফুটবলের জোয়ার থামাতে পারেনি। অলৌকিকভাবে বিশ্বকাপের জন্য নির্ধারিত ১২টি স্টেডিয়ামই একদম অক্ষত রয়ে গিয়েছিল।</p> <h3>আবারও বদলে গেল নিয়ম</h3><p>এবার টুর্নামেন্টের ফরম্যাটেও বদল আনা হলো। ২৪টি দলকে ৬টি গ্রুপে ভাগ করা হয়। নকআউট পর্বে যাওয়ার নিয়ম করা হলো প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল, সঙ্গে তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা চারটি দলেরও। এই অদ্ভুত নিয়মের কল্যাণে বুলগেরিয়া বা উরুগুয়ের মতো দল একটি ম্যাচ না জিতে, স্রেফ দুটি ড্র নিয়েই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গিয়েছিল!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/dwrh100m/14.jpg" /><figcaption>১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফরাসি কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি।</figcaption></figure><h3>তীব্র গরমে ধ্রুপদি সব ম্যাচ</h3><p> ইউরোপীয় টেলিভিশনের দর্শকদের সুবিধার্থে খেলাগুলো আয়োজন করা হতো দুপুরের কড়া রোদে। দমবন্ধ করা গরমের মাঝেই দর্শকেরা দেখল কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল-ফ্রান্সের রোমাঞ্চকর ১-১ ড্র ও টাইব্রেকারে ব্রাজিলের হার, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে বেলজিয়ামের ৪-৩ গোল জয়, কিংবা স্পেনের ডেনমার্ককে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার মতো ধ্রুপদি সব ম্যাচ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/7opujbtpnp">ডাচদের টোটাল ফুটবল এবং জার্মান-যন্ত্রের জয়</a></aside><h3>ফোনের পাশে চার ফুটবলার</h3><p> কানাডার তীব্র শীতের কারণে সেখানে ১১ জনের ফুটবল তেমন জনপ্রিয় ছিল না। সবাই খেলত ইনডোর ৫-এ-সাইড ফুটবল। কানাডার বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ৮ জনই ছিলেন ইনডোর ফুটবলের খেলোয়াড়। বাকিরা খেলতেন আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড বা বেলজিয়ামের লিগে। সব মিলিয়ে ওয়েটার্স ২২ জনের কোটাও পূরণ করতে পারেননি, দল গড়েছিলেন ১৮ জনের। বাকি ৪টি নাম তালিকায় রাখা হয়েছিল ঠিকই, তবে তাঁদের বলা হয়েছিল—বাড়িতে ফোনের পাশে বসে থাকতে। কোনো জরুরি অবস্থা হলে যেন ডেকে নেওয়া যায়। অবশ্য তার আর প্রয়োজন পড়েনি। ফ্রান্স, হাঙ্গেরি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে সব ম্যাচ হেরে কোনো গোল না করেই বিদায় নেয় কানাডা।</p><h3>বিজ্ঞাপনের স্ক্রিপ্ট আর রূঢ় বাস্তবতা</h3><p> বিশ্বকাপের ঠিক আগে কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থা কোকা-কোলা মেক্সিকো বিশ্বকাপ নিয়ে এক দুর্দান্ত বিজ্ঞাপন বানায়। সেখানে মেক্সিকোর পোস্টার বয় হুগো সানচেজকে দেখা যায় পেনাল্টি থেকে গোল করতে এবং সেই আনন্দে মেক্সিকোর সাধারণ মানুষ মেতে ওঠে। দেখতে বেশ সুন্দর ছিল বিজ্ঞাপনটি। কিন্তু বাস্তব তো আর স্ক্রিপ্ট মেনে চলে না!</p><p> ৭ জুনের ম্যাচে মেক্সিকো ও প্যারাগুয়ে ১-১ গোলে সমতায়। ম্যাচের বাকি মাত্র দুই মিনিট। প্যারাগুয়ের ডি-বক্সের লাইনে ডিফেন্ডার ভ্লাদিমিরো শেন্টিনা ও মেক্সিকোর হুগো সানচেজের ধাক্কাধাক্কি হলো। ইংলিশ রেফারি জর্জ কোর্টনি পেনাল্টির বাঁশি বাজালেন, যা ছিল ভীষণ বিতর্কিত। সানচেজ বল বসালেন পেনাল্টি স্পটে। হুবহু কোকা-কোলার সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য! কিন্তু এবার ফল হলো উল্টো। সানচেজের শট ডান হাত দিয়ে চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দিলেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক রবার্তো ফার্নান্দেজ। বিজ্ঞাপন আর বাস্তবের দূরত্ব ঘুচল না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-11/6591378f-7a56-4adc-8362-49bb2e730f7b/image.jpg" /><figcaption>আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপে </figcaption></figure><h3>স্কটিশদের ব্যতিক্রমী ‘উৎসব’</h3><p>উরুগুয়ের সঙ্গে ড্র করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মন খারাপ খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। স্টেডিয়াম থেকে সোজা নেজাহুয়ালকোয়োতলের এক হোটেলে ফিরে তাঁরা হুইস্কি আর বিয়ারের স্রোতে নিজেদের দুঃখ ভাসিয়ে দেন। নেশা যখন চড়ল, তখন দলগতভাবে এক নগ্ন ‘ভিক্টরি ল্যাপ’ বা বিজয় উৎসবের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা! সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্কটিশ ফুটবলাররা ঘুরে বেড়ান হোটেলের ভেতরে।</p><h3>বিলার্দোর কুসংস্কার</h3><p>আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ কার্লোস বিলার্দো ছিলেন কুসংস্কারের এক জীবন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া। তাঁর অদ্ভুত সব নিয়মের মধ্যে ছিল: (১) প্রতি ম্যাচের আগে পেরিছুর শপিং মলে গিয়ে কফি খাওয়া এবং গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদোকে সেই বিল মেটানো। (২) ম্যাচের আগের দিন দুপুরে ম্যারাডোনার বাবার হাতের বারবিকিউ খাওয়া। (৩) প্রতি ম্যাচের আগে হেয়ার স্টাইলিস্ট হাভিয়ের লেইভাকে দিয়ে চুল কাটানো। ফাইনালের আগে বিলার্দোর মাথায় কোনো চুলই ছিল না, তবু লেইভাকে ‘কিছু একটা’ কাটার অভিনয় করতে হয়েছিল! (৪) বাসে যাওয়ার সময় হুডখোলা জিপে কেবল তবিয়াস ও হেসুস নামের দুই পুলিশ অফিসারের এসকর্ট নেওয়া। (৫) স্টেডিয়ামে ঢোকার মুহূর্তে বাসের ক্যাসেট প্লেয়ারে সার্জিও দেনিসের গান ‘জিগান্তে, চিকিতো’ চালোনো। বিলার্দো বাস ড্রাইভারকে গতি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বলতেন যেন গানটির শেষ লাইনের সঙ্গে বাসের চাকা থামে!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/oypz2ush/বিশ্বকাপ-ট্রফি-উঁচিয়ে-ধরেছেন-ডিয়েগো-ম্যারাডোনা" /><figcaption>বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা</figcaption></figure><p>মজার ব্যাপার, ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনা যখন ৩-২ গোলে জিতে বিশ্ব জয় করল, ড্রেসিংরুমে যখন আনন্দের বন্যা, কার্লোস বিলার্দো তখন কোনায় বসে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। জার্মানির দুটো গোলই আর্জেন্টিনা খেয়েছিল কর্নার থেকে, হেডারে। বিলার্দোর কড়া ট্যাকটিশিয়ান মন এই ভুল মেনে নিতে পারছিল না। বিশ্ব জয়ের রাতেও তিনি ছিলেন বিষণ্ন! </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/03mgkxa9w7">ওয়েম্বলির সেই ‘বিতর্কিত’ গোল এবং ফুটবলের ঘরে ফেরা </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ময়মনসিংহে বিদেশি জাতের আঙুর চাষ, এক বাগানেই আছে ২০ প্রজাতি</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/y5p3crvyyz</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/y5p3crvyyz#comments</comments><guid isPermaLink="false">dc3f176c-c21b-4ad4-8a0d-b033df3558c3</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে আঙুরের চারা উৎপাদনের কৌশল শিখেছেন। এখন বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ শুরু করছেন ময়মনসিংহের ভালুকার মোকছেদুল ইসলাম]]></description><media:keywords>আঙুর ফল,চাষাবাদ,ময়মনসিংহ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/nv2rpibh/VID20260505103910.mp4.00001108.Still001.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/nv2rpibh/VID20260505103910.mp4.00001108.Still001.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে আঙুরের চারা উৎপাদনের কৌশল শিখেছেন। এখন বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ শুরু করছেন ময়মনসিংহের ভালুকার মোকছেদুল ইসলাম। তাঁর বাগানে এখন ঝুলছে ২০ জাতের আঙুর। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/HDpsAVyOPuU"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ভ্লাদিমির পুতিনকে যেভাবে পরাজিত করা সম্ভব</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/55b0hus0yi</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/55b0hus0yi#comments</comments><guid isPermaLink="false">343b648f-f047-4ea8-a4f9-29d8a698125a</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইউরোপসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যা করতে পারে, তা হলো তাঁর বহির্মুখী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গড়ে তোলা। এমন কৌশলের আটটি উপাদানের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা এখানে দেওয়া হলো।]]></description><media:keywords>রাশিয়া,ভ্লাদিমির পুতিন,লেখকের কলাম,অনুবাদ</media:keywords><media:content height="844" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08/8b4153bf-bca0-4088-8cd5-6466c9a935d4/putin.jpg" width="1266"><media:title type="html"><![CDATA[ ভ্লাদিমির পুতিন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08/8b4153bf-bca0-4088-8cd5-6466c9a935d4/putin.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কোনো স্বৈরশাসকই চিরস্থায়ী নন। একদিন ভ্লাদিমির পুতিনও ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে রাশিয়ার অর্থনীতির দুর্বলতা, সমাজে অসন্তোষ এবং তাঁর শাসনব্যবস্থার ভেতরে আস্থাহীনতা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু তাই বলে পুতিনের পতন খুব কাছাকাছি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বোকামি হবে। মৃত্যু অথবা রাশিয়াই কেবল পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, আর সেটা কখন বা কীভাবে ঘটবে, তা কেউ জানে না। </p><p>ইউরোপসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যা করতে পারে, তা হলো তাঁর বহির্মুখী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গড়ে তোলা। এমন কৌশলের আটটি উপাদানের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা এখানে দেওয়া হলো।</p><p> প্রথমত, লক্ষ্য হতে হবে একেবারে পরিষ্কার। পুতিনের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করা, যতটা সম্ভব রুশ সাম্রাজ্য পুনর্গঠন করা, ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করা, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল করা এবং পূর্ব ইউরোপের ওপর রাশিয়ার প্রভাবক্ষেত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তাঁকে পরাজিত করার অর্থ হলো এসব লক্ষ্য অর্জনে বাধা দেওয়া।</p><p>দ্বিতীয়ত, ইউক্রেনের পাশে অটল থাকতে হবে। আগামী ১১ জুন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হবে। অনেক বড় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের টিকে থাকার সাফল্য বিস্ময়কর। সামনের সারিতে ড্রোননির্ভর হত্যাযজ্ঞের কারণে যুদ্ধের ভাগ্য সম্ভবত সরাসরি ফ্রন্টলাইনে নির্ধারিত হবে না; বরং উভয় পক্ষই একে অন্যের অভ্যন্তরভাগে হামলা চালিয়ে জ্বালানি অবকাঠামো, অর্থনীতি ও মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে।</p><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাহার করায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা কঠিন হয়ে উঠেছে, তবে তা অচল হয়ে যায়নি। হাঙ্গেরিতে ভিক্তর অরবানের পতনের ফলে ইউরোপের ৯০ বিলিয়ন ইউরোর অর্থনৈতিক সহায়তা আটকে থাকার অবসান হয়েছে, যা ইউক্রেনের বাজেটকে ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে। সামনে নানা সম্ভাব্য গতিপথ থাকলেও সবচেয়ে সম্ভাব্য দৃশ্যপট হলো—এই যুদ্ধ আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলবে।</p><blockquote>আমি জীবনের বহু বছর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতি পশ্চিমা নীতিগুলো নিয়ে গবেষণা করেছি। সেখানে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছিল: স্নায়ুযুদ্ধে পশ্চিমের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল কেবল বৈদেশিক নীতি নয়, বরং নিজেদের সমাজকে নিরাপদ, শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলা এবং তারপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা।</blockquote><p>তবে যুদ্ধ শেষ হলেও সবকিছু শেষ হয়ে যাবে না। ১৯৪৫ সালের বিজয় দিবসের মতো এখানে গুলি থামার মুহূর্তেই কে জিতল তা বোঝা যাবে না। ‘শান্তি’ আসবে সম্ভবত যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে, যা বর্তমান ফ্রন্টলাইন ধরে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত-স্থবিরতায় রূপ নেবে। আর সেটিই ইউক্রেনের জন্য নতুন বিপদের সূচনা হতে পারে। দেশের ভেতরে বহু বছরের যুদ্ধ থেকে সঞ্চিত সামাজিক বিভাজন ও মানসিক আঘাত গভীর বিভাজনমূলক রাজনীতির বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।</p><p>বাইরে থেকে ইউরোপের মনোযোগ দ্রুত অন্যদিকে সরে যেতে পারে, যেমনটি ১৯৯৫ সালের ডেটন শান্তি চুক্তির পর বসনিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এমন একটি ভবিষ্যৎ কল্পনা করা যায়, যেখানে রাশিয়ার দখলের বাইরে থাকা ইউক্রেনের চার-পঞ্চমাংশ জনশূন্য, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জর্জরিত ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হয়। সেটাই হবে পুতিনের ‘প্ল্যান বি’র বিজয়, অর্থাৎ ইউক্রেনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তাকে ধ্বংস করা। কেবল তখনই বলা যাবে পুতিন সেখানে পরাজিত হয়েছেন, যখন ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি তুলনামূলক সমৃদ্ধ, নিরাপদ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক সদস্যরাষ্ট্রে পরিণত হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/oucwlsxu5t">ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনে লাভ হবে পুতিনের</a></aside><p>তৃতীয়ত, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের বেছে নেওয়া যুদ্ধের এক অদ্ভুত ফল হলো রাশিয়ার তেল ও গ্যাস থেকে আয় বৃদ্ধি পাওয়া এবং সেগুলোর ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়া। অথচ পুতিনকে পরাজিত করতে হলে এর উল্টোটা ঘটতে হবে। নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার পাশাপাশি ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার হামলাকে সমর্থন দিতে হবে, যাতে তারা রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপকে রাশিয়ার তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা গোপন নৌবহরের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক তেল রপ্তানি বাল্টিক সাগর দিয়ে যায়, যার বড় অংশই ইতিমধ্যে নিষিদ্ধঘোষিত ট্যাংকারে পরিবাহিত হয়।</p><p>চতুর্থত, ভবিষ্যৎ রুশ হামলা ঠেকাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর ইউরোপীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা থেকে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ইউরোপ যেন নিজেই আত্মরক্ষায় সক্ষম হয়, সে বিষয়ে যথার্থই অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূখণ্ডে রাশিয়ার হামলার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সম্ভবত এই রূপান্তরের শুরুর দিকেই, বিশেষ করে ২০২৭-২৮ সালে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/7eohrtplgm">ইউক্রেনে চীনা ড্রোন ধ্বংসের পরেই কেন পুতিনের সঙ্গে সি চিনের বৈঠক?</a></aside><p>পুতিন একজন তাড়াহুড়ো করা বৃদ্ধ নেতা, যিনি রাশিয়ার ‘গৌরব’ পুনরুদ্ধারে আচ্ছন্ন এবং দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসকদের মতো বাস্তবতা থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। যুদ্ধক্লান্ত হলেও তাঁর হাতে রয়েছে অভিজ্ঞ বিশাল সেনাবাহিনী ও যুদ্ধমুখী অর্থনীতি। অন্যদিকে ইউরোপ মাত্র আবার অস্ত্রসজ্জা শুরু করেছে, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এমন একজন, যিনি পূর্ব ইউরোপের কোনো সদস্যরাষ্ট্র আক্রান্ত হলে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন কি না, তা নিয়েই সন্দেহ রয়েছে।</p><p>তবে পুতিন জানেন, ট্রাম্প ২০২৯ সালের ২০ জানুয়ারির পর হোয়াইট হাউসে থাকবেন না। তাই ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ প্রমাণ করার এটাই সম্ভবত তাঁর সেরা এবং শেষ সুযোগ। এর জন্য বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসনের প্রয়োজন হবে না; এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া, কোনো বাল্টিক দ্বীপ বা পূর্ব সীমান্তের অন্য কোথাও কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করাই যথেষ্ট হতে পারে।</p><p>এ ধরনের হামলার সম্ভাবনা কম হলেও ঝুঁকি এতটাই বড় যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ওপর ভরসা করা যেত, তাহলে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর বর্তমান অবস্থানই যথেষ্ট হতো। কিন্তু যেহেতু তা সম্ভব নয়, তাই দ্রুত বিকল্প কৌশল গড়ে তুলতে হবে। ন্যাটোর অধীন থাকা ইউরোপীয় বাহিনী বিশেষত জার্মান বাহিনী ও ব্রিটিশ-নর্ডিক-বাল্টিক-ডাচ যৌথ অভিযাত্রী বাহিনীর মতো আঞ্চলিক কাঠামোগুলোকে এমন সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই রাশিয়াকে নির্ভরযোগ্যভাবে নিরুৎসাহিত করতে পারে। কাজটি অত্যন্ত কঠিন, কিন্তু এখন তা অপরিহার্য।</p><p>পঞ্চমত, কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে থাকলে চলবে না। ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের একটি সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইউরোপের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ব্যাপক ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপটে শুধু আত্মরক্ষা নয়, বরং রুশ কর্মকাণ্ড ব্যাহত করা এবং সীমিত ও সতর্ক উপায়ে পাল্টা আক্রমণাত্মক কৌশলও নিতে হবে।</p><p>ষষ্ঠত, রাশিয়ার সব অংশের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ইউরোপের পক্ষ থেকে পুতিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য একজন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি নিয়োগের কথা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পুতিন যদি শুনতেও চান, তাঁকে আসলে কী বলা হবে? হ্যাঁ, ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রাখা উচিত, এমনকি গোপন চ্যানেলও। কিন্তু পুতিন আসলে যে ভাষা বোঝেন, তা হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছাসম্পন্ন সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির ভাষা।</p><p>তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো রাশিয়ার আরও তিনটি গোষ্ঠীর সঙ্গে কথা বলা: দেশের ভেতরে থাকা ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও আমলাতান্ত্রিক অভিজাত শ্রেণি এবং বৃহত্তর রুশ, যাঁরা এখন মূলত দেশের বাইরে বাস করছেন এবং পুতিনের পরাজয় সবচেয়ে বেশি কামনা করেন। বার্তা ভিন্ন হলেও মূল সুর হবে একটাই, ‘রাশিয়ার সঙ্গে অন্য রকম সম্পর্ক সম্ভব।’ স্বল্প মেয়াদে এর খুব বেশি প্রভাব না–ও পড়তে পারে, কিন্তু পরিবর্তনের মুহূর্ত এলে তা ফল দিতে পারে।</p><p>সপ্তমত, নিজেদের জাতীয়তাবাদীদের মোকাবিলা করতে হবে। ব্রাসেলসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে রাশিয়ার স্বার্থে ভেটো দেওয়ার ক্ষেত্রে হাঙ্গেরির অরবানের তাৎক্ষণিক বিকল্প এখন পুতিনের নেই। স্লোভাকিয়ার রবার্ট ফিকো তাঁর সমতুল্য নন। কিন্তু ইউরোপের অন্যত্র উদারবিরোধী, জনতাবাদী ও জাতীয়তাবাদী দলগুলো এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০২৭ সালে যদি জর্দান বারদেলা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হন কিংবা ২০২৯ সালে অলটারনেটিভ ফর ডয়েচল্যান্ড (এএফডি) জার্মান পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় দলে পরিণত হয়, তাহলে ইউরোপকে নিজের বিরুদ্ধে বিভক্ত করার নতুন সুযোগ পাবে পুতিন।</p><p>সবশেষে শুধু কিছু করার তাড়নায় নয়, স্থির থেকেও শক্তিশালী হতে হবে। আমি জীবনের বহু বছর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতি পশ্চিমা নীতিগুলো নিয়ে গবেষণা করেছি। সেখানে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছিল: স্নায়ুযুদ্ধে পশ্চিমের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল কেবল বৈদেশিক নীতি নয়, বরং নিজেদের সমাজকে নিরাপদ, শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলা এবং তারপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা। </p><p>এখনো একই কথা প্রযোজ্য। রাশিয়ায় বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন কালই আসতে পারে, আবার আরও ১০ বছরও লাগতে পারে। বৈচিত্র্যময় উদার গণতন্ত্রগুলোর জন্য সবচেয়ে কঠিন, অথচ সবচেয়ে জরুরি চ্যালেঞ্জ হলো কৌশলগত ধৈর্য। সেটি অর্জন করতে পারলে সময় শেষ পর্যন্ত আমাদের পক্ষেই থাকবে।</p><ul><li><p><strong>টিমোথি গার্টন অ্যাশ</strong> একজন ইতিহাসবিদ, রাজনৈতিক লেখক ও গার্ডিয়ান পত্রিকার কলামিস্ট।</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>‘যখন শুরু করি, তখন অনেকে আমাকে পাগলও বলেছে’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/lcd8002e1m</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/lcd8002e1m#comments</comments><guid isPermaLink="false">cf32b5c3-e086-422e-8c7e-46a99a6b4eec</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শফিকুল ইসলাম	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410386</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কয়েক বছর আগে ভারতে বেড়াতে যান শিবলী সাদিক। সেখানে একটি বাগান দেখে তাক লেগে যায়। বাংলাদেশে আসার সময় একটি আনারের চারা নিয়ে আসেন।]]></description><media:keywords>চারঘাট,রাজশাহী,রাজশাহী বিভাগ,কৃষি,উদ্যোক্তা,ফল</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-22/jyc26dpx/RajshahiDH109220260522IMG-20260522-WA0034.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজশাহীতে বাণিজ্যিকভাবে আনার চাষ করছেন চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছি গ্রামের শিবলী সাদিক। গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে আনার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-22/jyc26dpx/RajshahiDH109220260522IMG-20260522-WA0034.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের হলিদাগাছি গ্রামের একটি বাগানে ঢুকতেই চোখে পড়ে সারি সারি আনারগাছ। সবুজ পাতার আড়ালে গাছে গাছে ঝুলছে লালচে আভাযুক্ত বড় বড় আনার। নান্দনিক ও লোভনীয় এ ফলবাগানের কারিগর মো. শিবলী সাদিক (শুভ)। এই বাগান দিয়ে কয়েক বছরে তিনি বাজিমাত করেছেন।<br></p><p>একসময় শিবলী কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি মেরামতের কাজ করতেন। প্রযুক্তির জগৎ ছেড়ে এখন তাঁর দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে আনারবাগানে। শিবলীর এককথা, এটা তাঁর স্বপ্নের বাগান।</p><h3>যেভাবে শুরু</h3><p>কয়েক বছর আগে ভারতে বেড়াতে যান শিবলী সাদিক। সেখানে একটি বাগান দেখে তাক লেগে যায়। বাংলাদেশে আসার সময় একটি ডালিমের চারা নিয়ে আসেন। সেই গাছ এনে বাড়িতে লাগান। দেখলেন, ভারতে যে রকম ফলন দেখেছিলেন, সে রকমই ফলন হয়েছে তাঁর লাগানো গাছে।</p><p>শিবলী সাদিক বলেন, ‘ভারত থেকে “সুপার ভাগওয়া” জাতের আনারগাছে প্রথম ফলনেই আশাতীত সাড়া পাই। একটা গাছে এত ভালো ফলন দেখে মাথায় এল, এটা যদি বাণিজ্যিকভাবে করি, তাহলে লাভবান হতে পারি।’</p><p>২০২৩ সালের আগস্টে শুরু হয় শিবলী সাদিকের আনারবাগানের বাণিজ্যিক যাত্রা। বর্তমানে প্রায় দুই বিঘা জমিতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০০টি আনারগাছ রয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি পূর্ণবয়স্ক গাছ।</p><h3>দাম কেমন পাচ্ছেন</h3><p>বাজারে আনারের কেজি ৬০০ টাকার বেশি। শিবলী সাদিকের বাজারে গিয়ে আনার বিক্রি করতে হচ্ছে না। তাঁর বাগানেই ব্যবসায়ীরা গিয়ে ভিড় করেন। বাগান থেকে তিনি ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি করেন। বাগানের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে একটি গাছ দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে একটা গাছে প্রায় ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু পূর্ণবয়স্ক একেকটা গাছ থেকে এবার ৫ থেকে ৭ হাজার টাকার আনার বিক্রি হবে বলে আশা করছি।’</p><p>বর্তমানে প্রতি কেজি আনার বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০০ টাকায়। সে হিসাবে তিন থেকে চারটি আনারে এক কেজি হয়। ফলে একটি আনারের দাম দাঁড়ায় ১২৫ থেকে ১৬৭ টাকা পর্যন্ত। শিবলী সাদিকের শুরুটা সহজ ছিল না। রাজশাহীর মাটিতে আনার হবে না, এমন কথা বলতেন অনেকে। শিবলী বলেন, ‘যখন শুরু করি, তখন অনেকে আমাকে পাগলও বলেছে। তখন খারাপ লাগত। এখন সেই কথাগুলো মনে হলে হাসি পায়। এখন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসে, বাগান দেখে, আনার খায়।’<br>শিবলীর মতে, বাংলাদেশের মাটিতে আনার চাষ আগে থেকেই সম্ভব ছিল। তবে উপযুক্ত জাতের অভাব ও নার্সারি পর্যায়ের সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে এগোতে পারেননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-22/1xk63k7x/RajshahiDH109220260522IMG-20260522-WA0046.jpg" /><figcaption>নিজের বাগানে শিবলী সাদিক</figcaption></figure><h3>নিজের আগের পেশার প্রযুক্তি বাগানে</h3><p>এই বাগানের আরেকটি বিশেষ দিক হলো প্রযুক্তির ব্যবহার। নিজের ইলেকট্রনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে পুরো বাগানে সিসিটিভি নজরদারিব্যবস্থা বসিয়েছেন তিনি। এতে বাগান নিয়ে তাঁর আর চিন্তা করতে হয় না। শ্রমিক খরচও কমিয়ে এনেছেন। শিবলী বলেন, ‘বছরে প্রায় সাত হাজার টাকা খরচে পুরো বাগান মনিটর করছি। যদি মানুষ রাখতে চাইতাম, তাহলে বছরে এক লাখের বেশি খরচ হতো।’</p><p><strong>চারা বিক্রি থেকে আসে আয়ের বড় অংশ</strong></p><p>শিবলীর বেশির ভাগ গাছের ডালে কলম দিয়েছেন। সেগুলো নিয়ে টবে রোপণ করছেন। বাগানে ফলের চেয়ে চারা বিক্রিও কোনো অংশে কম হচ্ছে না। এখন শুধু ফল নয়, আনারের চারার প্রতিও মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। অনেকেই বাড়ির আঙিনায় পরীক্ষামূলকভাবে গাছ লাগাতে চান। চারা বিক্রি করছেন ৩৫০ টাকা করে। সেগুলোতেও কয়েক মাস পরই ফলন আসছে। চারা নিতে আসা মানুষদের শিবলী পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আগে পাঁচ-দশটা গাছ নিয়ে স্টাডি করেন। ভালো ফল পেলে পরে বাণিজ্যিকভাবে করবেন।’</p><h3>সরেজমিনে একদিন</h3><p>সম্প্রতি সরেজমিনে চারঘাটের হলিদাগাছি গ্রামে যাওয়া হয়। আনারের বাগানের খোঁজ করতেই স্থানীয় বাসিন্দারা সহজেই পথ দেখিয়ে দেন। গ্রামের ভেতরের রাস্তার পাশেই চোখে পড়ে ঝুলন্ত একটি সাইনবোর্ড। সেটির নির্দেশনা ধরে এগোতেই পৌঁছে যাই বাগানে।</p><p>মূল বাগানে ঢোকার আগেই দেখা যায়, টবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিক্রির জন্য আনারের চারা। এরপর ভেতরে পা রাখতেই যেন অন্য এক দৃশ্য। একই গাছে কোথাও পরিপক্ব আনার ঝুলছে, কোথাও আবার আরও এক মাস পর ফল পাকার অপেক্ষা। কোনো ডালে ফুটেছে নতুন ফুল। বেশির ভাগ গাছের ডালে পাটের বস্তার অংশ দিয়ে কলম বাঁধা হয়েছে। বাগানজুড়ে একসঙ্গে ফল, ফুল ও নতুন চারা তৈরির ব্যস্ততা চোখে পড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-22/kqhvg753/RajshahiDH109220260522IMG-20260522-WA0045.jpg" /><figcaption>প্রতিটি আনার গাছে ফল ধরেছে থোকায় থোকায় </figcaption></figure><p>আনারবাগান দেখতে এসেছেন চারঘাট উপজেলার সারদা এলাকার মোসা. সাবিনা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন। এর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে এমন আনার হবে, আগে ভাবিনি। দেখে আমারও ইচ্ছা হচ্ছে ছোট পরিসরে শুরু করি।’<br>শিবলী বাগানে ঘুরতে আসা সবাইকে আনার কেটে খাওয়ান। ঘুরতে আসা কয়েকজন বললেন, ‘স্বাদ বাজারের আনারের মতোই।’</p><p>বাগান থেকে ফিরে আসার সময় আরও একটি দল বাগানে ঢুকল। তাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন শিবলী। এর আগে শিবলী বললেন, ‘দেখবেন, হয়তো ১০ বছর পর বাংলাদেশে আনার আমদানি লাগবে না। বরং আমরা আনার রপ্তানি করব।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>আমি জেলখাটা পাবলিক: পরীমনি</title><link>https://www.prothomalo.com/fun/th2d8ted24</link><comments>https://www.prothomalo.com/fun/th2d8ted24#comments</comments><guid isPermaLink="false">e00a9031-c013-41c6-a77a-ddc890f15752</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:50:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:50:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মনজুর কাদের</atom:name><atom:uri>/api/author/1226728</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যদি সেই পরিচালকের কাজটার পরিকল্পনা শুনে মনে হয় যে জাস্ট ভাত রান্না করেই মাইলফলক কিছু একটা হবে, নিঃসন্দেহে করব।]]></description><media:keywords>রসালাপ,পরীমনি,রস‍+আলো সংখ্যা ২</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/9frc3wkh/%E0%A7%AA.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/9frc3wkh/%E0%A7%AA.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রস+আলো</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>রস‍+আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি জানালেন, তাঁর জীবনের সবটাই তো গুজব! (হাসি) সবচেয়ে অদ্ভুত গুজব হচ্ছে, তাঁর স্বামীর তালিকায় তাঁর কস্টিউম ডিজাইনারের নাম পাঁচ নম্বরে! সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনজুর কাদের</blockquote><p><strong>প্রশ্ন: আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি ড্রামা কোথায়—সিনেমায়, ফেসবুকে, নাকি বাসার ডাইনিং টেবিলে?</strong></p><p><strong>পরীমনি:</strong> (হাসি)। আমার মনে হয় ফেসবুকেই। ফেসবুকে আমাকে নানাভাবে দেখা যায়, যেটা আমি না। মাঝেমধ্যে আমি চিন্তায় পড়ে যাই, এই ড্রামা আমি আবার কখন করলাম! সেদিন দেখলাম, কে যেন আমাকে বোরকা গিফট করেছে। ৬২টা বোরকা কেন, ৬০টা কেন হলো না, ৬৫টা কেন হলো না! এই ধরনের জিনিসপত্র ঘটে। আমার খুব মজা লাগে।</p><p><strong>প্রশ্ন: যদি একদিন সকালে উঠে দেখেন আপনি আর পরীমনি নন, সাধারণ একজন অফিসকর্মী—প্রথমে কী করবেন?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>কী যে করব! সত্যি বলতে আমি পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করব। আরে আমি তো ভুলেই গেছি, আমি জেলখাটা পাবলিক! জেলখাটা পাবলিক সবই করতে পারে। তাদের জীবন আর কোনো কিছুতেই আটকায় না। তারা সবই পারে।</p><p><strong>প্রশ্ন: আপনার ফোনের স্ক্রিনটাইম রিপোর্ট দেখে কি ফোনও কখনো বলে, ‘আপু, একটু বিশ্রাম নিন?’</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>না, আমি মাঝেমধ্যে খুঁজি, ফোনটা কই গেল (হাসি)। আমার যতটুকু কাজ, আপডেট দেওয়ার দরকার থাকলে তা দিয়েই আমি হারিয়ে যাই। মানুষের তো একটু ইচ্ছে করে, রিলস-টিলস দেখার। কিন্তু আমার বাচ্চারাই হচ্ছে চলন্ত রিলস। তারা আমাকে এমনভাবে ব্যস্ত করে রাখে, ফোন ধরারই সময় পাই না। ফোনই তখন উল্টো বলে, ফেলে রাখছে কেন আমারে... (হাসি)!</p><p><strong>প্রশ্ন: পরিচালক যদি বলেন, ‘এই সিনেমায় কোনো গ্ল্যামার নেই, শুধু ভাত রান্না করতে হবে’—রাজি হবেন?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>যদি সেই পরিচালকের কাজটার পরিকল্পনা শুনে মনে হয় যে জাস্ট ভাত রান্না করেই মাইলফলক কিছু একটা হবে, নিঃসন্দেহে করব।</p><p><strong>প্রশ্ন: প্রেম, সিনেমা আর বিরিয়ানি—এই তিনটার মধ্যে কোনটা ছাড়া সবচেয়ে কম দিন বাঁচতে পারবেন?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>তিনটা তো তিন জগতের জিনিস (হাসি)। বিরিয়ানি ছাড়াও জীবন চলবে, কিন্তু প্রেম ছাড়া কি জীবন চলে? সে হিসেবে প্রেম আর সিনেমা ছাড়া বেঁচে থাকতে পারব না।</p><p><strong>প্রশ্ন: আপনার জীবনের ওপর যদি কার্টুন বানানো হয়, নাম কী হতে পারে?</strong></p><p><strong>পরীমনি: : </strong>পরীমনি থেকে ‘পরীমন’, যেমনটা ডোরেমন!&nbsp;</p><p><strong>প্রশ্ন: আপনার ছেলে বড় হয়ে যদি বলে, ‘মা, আমি নায়ক না, ইউটিউবার হব’—রিঅ্যাকশন কী হবে?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>ইউটিউবারের ভবিষ্যৎ সুন্দর হলে অবশ্যই সেটা হবে। তবে সন্তানকে বলব, যা-ই হও না কেন, সেটা অবশ্যই যেন তোমার জীবনে মাইলফলক কিছু হয়। তোমার জীবনের পাশাপাশি যাতে আরও দশটা জীবন সুন্দর হয়। ইউটিউবার কেন, তুমি কৃষক হলেও মায়ের কোনো আপত্তি নেই।</p><p><strong>প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশের মানুষ খবরের চেয়ে ‘পরীমনি আপডেট’ বেশি ফলো করে?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>মাঝেমধ্যেই মনে হয় (হাসি)। কী যে তারা খোঁজে, কী যে দেখতে চায়, সেটাই বুঝি না। দেখা গেল আমি অনেক সুন্দর করে শাড়ি পরে কাজের একটা আপডেট দিলাম, ওইটা না দেখে তারা আমার ঠ্যাং দেখানো ছবি নিয়ে মেতে ওঠে! কী যে একটা ব্যাপার!</p><p><strong>প্রশ্ন: জীবনে অদ্ভুত কোন গুজবটা শুনে আপনি নিজেই হেসে ফেলেছেন?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>আমার জীবনের সবটাই তো গুজব! (হাসি) সবচেয়ে অদ্ভুত গুজব হচ্ছে, আমার স্বামীর তালিকায় আমার কস্টিউম ডিজাইনারের নাম পাঁচ নম্বরে!</p><p><strong>প্রশ্ন: যদি এক দিনের জন্য দেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী বানানো হয়, প্রথম সিদ্ধান্ত কী নেবেন—সবাইকে বছরে অন্তত একবার সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতে বাধ্য করবেন?</strong></p><p><strong>পরীমনি: </strong>সিনেমা তো বাধ্য করে কাউকে দেখানো যায় না। ভালোবেসে মনের টানে মানুষ সিনেমা দেখে। আমি চলচ্চিত্রে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ বানাতে চাই, যেখানে সবাই আসবে, শুধুই সিনেমা নিয়ে কথা বলবে, নিজেরা নির্মল আড্ডা দেবে, কেউ ঘৃণা ছড়াবে না। সিনেমার মানুষেরা পর্দায় ভালোবাসা ছড়ায়, তারাও সবাই যেন ভালোবাসার মধ্যে থাকে—এমন একটা পরিবেশ গড়ে তুলব।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বঙ্গভান্ডারে বিবিধ কার্ড</title><link>https://www.prothomalo.com/fun/ieypl8jmb7</link><comments>https://www.prothomalo.com/fun/ieypl8jmb7#comments</comments><guid isPermaLink="false">497555f8-acc3-44e4-94fd-0c6557242590</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:35:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:35:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। এক বন্ধুকে এনে তার কার্ড দিয়ে সিএনজির ভাড়া মিটিয়েছি। তারপর বাসায় গিয়ে হাতের কাছে যা কার্ড পেয়েছি সব একটা কাগজের ঠোঙায় ভরলাম।]]></description><media:keywords>রস+আলো,বিবিধ রস,রস‍+আলো সংখ্যা ২</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ax6kiwg7/%E0%A7%AC.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ax6kiwg7/%E0%A7%AC.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রস+আলো</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভেড়াওয়ালা মামা প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি সব সময় মুখ দিয়েই খাবার খান?’</p><p>কী বলতে চাইল বুঝলাম না, তা–ও উত্তর দিলাম, ‘হ্যাঁ!’</p><p>‘অন্য কোনো দিক দিয়ে তো খান না?’</p><p>‘না!’</p><p>‘তাইলে ছাগল কার্ড দিয়ে কীভাবে ভেড়া কিনতে চান?’</p><p>আজকাল শরীরে হাড়ের চেয়ে কার্ড বেশি। ফলে প্রায়শই চাল কিনতে তাল কার্ড, সাবান কিনতে লাবাং কার্ড, ডাব কিনতে গাব কার্ড নিয়ে বের হয়ে যাই। লজ্জায়–অপমানে তখন নিজেকেই মনে হয় বঙ্গভান্ডারের বিবিধ কার্ডের একটি। যদিও বাজারে কার্ড গুছিয়ে রাখার জন্য নানা রকম ব্যাগ পাওয়া যায়। সেই ব্যাগ কিনতে লাগে আবার ব্যাগ কার্ড। সেই কার্ডের জন্য অ্যাপ্লাই করেছি, সবার দোয়ায় বছর দু-তিনেকের মধ্যে পেয়ে যাব ইনশাআল্লাহ। তবে সরকার বলেছে, পরেরবার ক্ষমতায় এলে মানুষের কষ্ট লাঘবে তারা আরেকটি কার্ড নিয়ে আসবে অল কার্ড নামে। সব কার্ডের ডেটা এ কার্ডেই থাকবে। তখন আর অভাগা বাঙালির এসব উটকো ঝামেলা থাকবে না।</p><p>আপাতত নিজের দুঃখ লাঘবের জন্য বাসার দিকে রওনা দিলাম ভেড়া কার্ডের জন্য। কিন্তু সিএনজি থেকে নেমে আরেক বিপত্তি, সিএনজি কার্ডে টাকা নাই। রিকশা, লেগুনা ও বাস কার্ড মিলিয়ে আছে ৯৮ টাকা। অন্য কার্ড থেকে টাকা ট্রান্সফারের সুবিধা আছে, তবে সে জন্য হেল্পলাইনে ফোন দিতে হবে। ফোন দিয়ে আমার চাওয়াটা বললাম। তাদের একজন বলল, ‘আপনি শুধু যানবাহন টু যানবাহন কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।’</p><p>‘তাহলে করে দেন।’</p><p>‘কিন্তু আপনার টাকা আছে শুধু ট্রলার কার্ডে।’</p><p>‘তাহলে সেটা থেকে সিএনজি কার্ডে ট্রান্সফার দেন।’</p><p>‘কিন্তু ট্রলার তো চলে নদীতে, সিএনজি চলে রাস্তায়।’</p><p>‘সমস্যা কী? দুেটাই তো চলে।’</p><p>‘এ ছাড়াও পার্থক্য আছে।’</p><p>‘কী পার্থক্য?’</p><p>‘একটার শব্দ হয় ঠ্যারঠ্যারঠ্যার আরেকটা ভোওওওও!’</p><p>মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। এক বন্ধুকে এনে তার কার্ড দিয়ে সিএনজির ভাড়া মিটিয়েছি। তারপর বাসায় গিয়ে হাতের কাছে যা কার্ড পেয়েছি সব একটা কাগজের ঠোঙায় ভরলাম। কোন সময় কোন কার্ড প্রয়োজন হয়, বিপদ–আপদের তো আর কার্ড নাই, কখন আসে…</p><p>পথে পুলিশ সদস্য থামিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘ঠোঙায় কী?’</p><p>‘কার্ড!’</p><p>‘সত্যিই কার্ড, নাকি অন্য কিছু? দেখি!’</p><p>তিনি সবকটি কার্ড দেখে আমাকে নতুন তথ্য জানালেন, ‘আপনি জানেন কার্ড রাষ্ট্রীয় সম্পদ?’</p><p>‘জানি না আবার! সারাক্ষণ টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়, সবার আগে ভালো থাকি, নিজের কার্ড যত্নে রাখি।’ (শেষের লাইনটুকু একটু জিঙ্গেলের মতো গেয়ে শোনালাম পুলিশকে)</p><p>পুলিশের রাগ খানিক বেড়েছে, ‘আপনি তো রাষ্ট্রীয় সম্পদের অবমাননা করছেন, অযত্ন–অবহেলা করছেন। জানেন আপনাকে আমরা গ্রেপ্তার করতে পারি?’</p><p>‘সাথে কি আমার কার্ডগুলোকেও গ্রেপ্তার করবেন? এক সেলে থাকব তো আমরা? তাহলে সমস্যা নেই, ওরা আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না স্যার।’ বলেই কার্ডগুলোর গায়ে হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমাদের না আমি কত আদর করি! পুলিশ আংকেলকে বলো। তোমাদের কে মাথার কাছে রেখে ঘুম পাড়ায়? কে আদর করে সাথে নিয়ে ঘোরে? এই ফুল কার্ড, সেদিন যে তুমি নর্দমায় পড়ছ, কে তোমায় তুলে সুগন্ধি সাবান দিয়ে গোসল করিয়েছে? বলো সব পুলিশ আংকেলকে!’</p><p>পুলিশ কেন যেন খেপে গেলেন, ‘এই মিয়া! ফাজলামো করেন?’</p><p>আমি বললাম, ‘না। আমার ফাজলামো কার্ড নাই। ওটা শুধু সরকারি লোকজনের জন্য।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৪ মে ২০২৬)</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/z97hjo6nqq</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/z97hjo6nqq#comments</comments><guid isPermaLink="false">fc90a913-7cad-4569-8cf0-8b49aa2c1c78</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের শেষ দিন আজ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় একযোগে শুরু হবে ১০টি ম্যাচ।
]]></description><media:keywords>আজকের খেলা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/3dwvyf1u/WhatsApp-Image-2025-09-07-at-18.49.36c164e40f.jpg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/3dwvyf1u/WhatsApp-Image-2025-09-07-at-18.49.36c164e40f.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের শেষ দিন আজ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় একযোগে শুরু হবে ১০টি ম্যাচ।</p><h3>আইপিএল</h3><p><strong>মুম্বাই-রাজস্থান<br></strong>বিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২ &nbsp;</p><p><strong>কলকাতা-দিল্লি<br></strong>রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২</p><h3>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ</h3><p><strong>ম্যান সিটি-অ্যাস্টন ভিলা<br></strong>রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১</p><p><strong>লিভারপুল-ব্রেন্টফোর্ড<br></strong>রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২</p><p><strong>প্যালেস-আর্সেনাল<br></strong>রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস ৩</p><h3>লা লিগা</h3><p><strong>ভিয়ারিয়াল-আতলেতিকো<br></strong>রাত ১টা, বিগিন অ্যাপ </p>]]></content:encoded></item><item><title>হিটওয়েভে বাড়ছে স্ট্রোকের আশঙ্কা, যেসব লক্ষণ একদম অবহেলা করবেন না</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/well-being/xu2gxjz293</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/well-being/xu2gxjz293#comments</comments><guid isPermaLink="false">9de87a9c-0cf6-494d-8b4c-bd111fb9625d</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জাহিদুল হক</atom:name><atom:uri>/api/author/1562821</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অতিরিক্ত গরম শুধু শরীরকে ক্লান্ত করে না, মস্তিষ্কের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বাড়তে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।]]></description><media:keywords>স্বাস্থ্য,গরম,দাবদাহ</media:keywords><media:content height="1344" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/8q238uo7/Generated-Image-May-23-2026-738PM.png" width="768"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/8q238uo7/Generated-Image-May-23-2026-738PM.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কুশল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গরম এখন আর শুধু অস্বস্তির কারণ নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি হয়ে উঠছে। বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অতিরিক্ত গরম শুধু শরীরকে ক্লান্ত করে না, মস্তিষ্কের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বাড়তে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।</p><p> বিশেষ করে যারা দীর্ঘসময় বাইরে কাজ করেন, পর্যাপ্ত পানি পান করেন না বা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগে ভুগছেন। তাদের জন্য গরমের এই সময়টি হতে পারে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।</p><h3>গরমে কেন বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/che125yb/Generated-Image-May-23-2026-734PM.png" /></figure><p>অতিরিক্ত গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে দ্রুত পানি হারায়। কিন্তু সেই ঘাটতি পূরণ না হলে শরীরে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এতে রক্ত ঘন হয়ে যেতে শুরু করে এবং সহজে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি তৈরি হয়।</p><p> এই জমাট রক্ত যদি মস্তিষ্কে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহে বাধা দেয়, তাহলে হতে পারে ইস্কেমিক স্ট্রোক। যা সবচেয়ে সাধারণ ধরনের স্ট্রোক হিসেবে পরিচিত।</p><p> গরমের সময় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হৃদযন্ত্রকেও বেশি কাজ করতে হয়। ফলে রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং রক্তচাপ ওঠানামা করতে পারে। বয়স্ক ব্যক্তি বা দীর্ঘদিনের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।</p><h3>যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/c6h4hsyt/Generated-Image-May-23-2026-737PM-3.png" /></figure><p>গরমে দুর্বল লাগা বা মাথা ঘোরা অনেকেই সাধারণ ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু কিছু উপসর্গ স্ট্রোকের প্রাথমিক সংকেতও হতে পারে। যেমন–</p><p> * শরীরের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া</p><p> * কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্টভাবে কথা বলতে না পারা</p><p> * তীব্র মাথাব্যথা</p><p> * চোখে ঝাপসা দেখা</p><p> * হঠাৎ ভারসাম্য হারানো</p><p> * বিভ্রান্তি বা অতিরিক্ত মাথা ঘোরা</p><p> এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।</p><h3>কারা বেশি ঝুঁকিতে?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/c33ylufz/Generated-Image-May-23-2026-737PM-2.png" /></figure><p>বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় কিছু মানুষ তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। যেমন–</p><p> * বয়স্ক ব্যক্তি</p><p> * উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষ</p><p> * রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক বা রোদে কাজ করা মানুষ</p><p> * যারা কম পানি পান করেন</p><p> * আগে স্ট্রোক বা হৃদরোগ হয়েছে এমন ব্যক্তি</p> <h3>গরমে মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে কী করবেন?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/8wfsw6ez/Generated-Image-May-23-2026-737PM-1.png" /></figure><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমে সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিয়মিত পানি পান করা। তৃষ্ণা লাগার অপেক্ষা না করে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করা উচিত। পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ওরস্যালাইনের মতো পানীয় শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।</p><p>চা, কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় বেশি খেলে শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে যেতে পারে। তাই এগুলো সীমিত রাখাই ভালো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/mct3naal/Generated-Image-May-23-2026-734PM-3.png" /></figure><p>দুপুরের তীব্র রোদে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে বের হলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক, ছাতা বা ক্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।</p><p>যারা নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ওষুধ খান, তাদের গরমের সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ কিছু ওষুধ শরীরের পানির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>অতিরিক্ত গরমকে শুধু মৌসুমি অস্বস্তি ভেবে অবহেলা না করে এখন থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ সময়মতো সতর্কতা ও পর্যাপ্ত পানি পানই অনেক বড় ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।</p><p><strong>সূত্র:</strong> হেলথলাইন</p><p><strong>ছবি:</strong> এআই</p>]]></content:encoded></item><item><title>বাসা ও অফিসে অনিয়ন্ত্রিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের ভয়াবহ ঝুঁকি</title><link>https://www.bigganchinta.com/chemistry/xtab62mg9j</link><comments>https://www.bigganchinta.com/chemistry/xtab62mg9j#comments</comments><guid isPermaLink="false">3f181f50-d80b-44a3-839b-6d00c4021044</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>রসায়ন বিজ্ঞানচিন্তা,জানা অজানা বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="1254" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/1uam99ke/1.png" width="1254"><media:title type="html"><![CDATA[ লিথিয়াম আয়নের ভারসাম্য নষ্ট হলেই বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/1uam99ke/1.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রসায়ন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আমাদের দৈনন্দিন জীবন যতটা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল, ততটাই বিপদের আশঙ্কা আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায়। লিথিয়াম-আয়ন &nbsp;ব্যাটারি আমাদের জীবনে শক্তি সঞ্চয়ব্যবস্থার এক অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের হাতের স্মার্টওয়াচ ও ফোন থেকে শুরু করে বিশাল বৈদ্যুতিক গাড়ির বহরসহ সবই এখন এই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।</p><p>কিন্তু সমস্যাটা শুরু হয় যখন আমরা ছোট ছোট ডিভাইসের ব্যাটারি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে উৎসাহিত হয়ে কোনো গাইডলাইন ছাড়াই বড় বড় ইনভার্টার বা আইপিএস-ইউপিএসের ব্যাটারি তৈরি করতে যাই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যথাযথ প্রকৌশল জ্ঞান, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং সার্কিট থিওরির সঠিক প্রয়োগ ছাড়াই তৈরি করা হয় এই ব্যাটারি প্যাকগুলো। আসলে এসব ব্যাটারি প্যাক উচ্চ-শক্তির রাসায়নিক ভান্ডার, যা ভুলভাবে অ্যাসেম্বল করা হলে কিংবা সঠিকভাবে ব্যবহার না জানলে স্থির বিদ্যুৎপ্রবাহের বদলে বিধ্বংসী বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। অনেক টেকনিশিয়ান পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়াই নিম্নমানের ব্যাটারি সেল ব্যবহার করে ব্যাটারি প্যাক বা পূর্ণাঙ্গ ব্যাটারি বানিয়ে অফিস-বাসাবাড়িতে ব্যবহার করছেন। কোনো নির্দিষ্ট সার্টিফিকেট বা মান যাচাই ছাড়া তৈরি এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিগুলো সময়ের সঙ্গে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠবে, তা আগে থেকে অনুমান করা প্রায় অসম্ভব।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/og6o3i2l2r">ব্যাটারি কীভাবে কাজ করে</a></aside><blockquote>অনেক টেকনিশিয়ান পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়াই নিম্নমানের ব্যাটারি সেল ব্যবহার করে ব্যাটারি প্যাক বা পূর্ণাঙ্গ ব্যাটারি বানিয়ে অফিস-বাসাবাড়িতে ব্যবহার করছেন।</blockquote><h2><strong>দুর্ঘটনার ময়নাতদন্ত: থার্মাল রানঅ্যাওয়ে</strong></h2><p>একটি সাধারণ পাওয়ার ইনভার্টার বা আইপিএস অনেক সময় হঠাৎ করে বোমার মতো বিস্ফোরিত হয়। কেন হয়, তা বুঝতে হলে আমাদের এই লিথিয়াম সেলের ভেতরের রসায়ন এবং এটি বিকল হওয়ার প্রক্রিয়াটি বুঝতে হবে। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ভেতরে মূলত অ্যানোড, ক্যাথোড, একটি সেপারেটর এবং অত্যন্ত উদ্বায়ী ও দাহ্য ঘন-তরল ইলেকট্রোলাইট থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় লিথিয়াম আয়নগুলো অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে সুশৃঙ্খলভাবে যাতায়াত করে। কিন্তু যখনই এই শৃঙ্খলায় কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তখনই ভয়াবহ ত্রুটি কিংবা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়।</p><p>লিথিয়াম ব্যাটারির জন্য খুবই দুঃশ্চিন্তার কারণ হলো থার্মাল রানঅ্যাওয়ে। এটি মূলত ব্যাটারির ভেতরে একটি অনিয়ন্ত্রিত তাপ বৃদ্ধির চেইন রিঅ্যাকশন, যা একবার শুরু হলে থামানো কঠিন। এটি বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে। এর মধ্যে তিনটি প্রধান কারণে ঘটে—ব্যাটারিতে আঘাত লাগা, বাইরের অতিরিক্ত তাপ এবং ওভারচার্জ। আমরা সাধারণত যেসব সোলারভিত্তিক কিংবা রেগুলার ইনভার্টারগুলো ব্যবহার করি, তাদের মধ্যে বেশির ভাগই ইদানীং লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করছে। যদি একটি সেল তার নির্ধারিত ভোল্টেজের চেয়ে বেশি চার্জ হয়ে যায়, তবে এর ক্যাথোড কাঠামো ভেঙে গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে। এই মুক্ত অক্সিজেন এবং ব্যাটারির ভেতরের দাহ্য তরল মিশ্রণে সামান্য একটি স্পার্ক লাগলেই আগুন ধরে যায়। যখন একটি সেলের ভেতরের তাপমাত্রা ১৫০°C থেকে ২০০°C ছাড়িয়ে যায়, তখন এর ভেতরে ভয়াবহ তাপ-বর্জনকারী রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হয়। এই বিক্রিয়া যত তাপ উৎপন্ন করে, তাপমাত্রা তত বাড়তে থাকে এবং চাপ এত বেশি হয়ে যায় যে সিল করা সেলটি আর তা সইতে পারে না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/vt38leqe48">অ্যাপ বন্ধ করে রাখলে কি ব্যাটারি বাঁচে</a></aside><blockquote>লিথিয়াম ব্যাটারির জন্য খুবই দুঃশ্চিন্তার কারণ হলো থার্মাল রানঅ্যাওয়ে। এটি মূলত ব্যাটারির ভেতরে একটি অনিয়ন্ত্রিত তাপ বৃদ্ধির চেইন রিঅ্যাকশন, যা একবার শুরু হলে থামানো কঠিন।</blockquote><h2><strong>ক্যাসকেড ইফেক্ট বা ডোমিনো প্রভাব</strong></h2><p>ইউপিএস ব্যাটারি প্যাকগুলোতে সেলগুলো খুব ঠাসাঠাসি করে রাখা থাকে। ফলে যখন একটি সেল থার্মাল রানঅ্যাওয়েতে আক্রান্ত হয়, তার প্রচণ্ড তাপ মুহূর্তেই পাশের সেলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে একটি সেল থেকে পুরো ব্যাটারি প্যাকে আগুন ধরে যায় এবং এটি একটি ভয়াবহ আগুনের গোলায় রূপ নেয়।</p><h2><strong>স্বল্পজ্ঞানে নিজের তৈরি অনিয়ন্ত্রিত সেটআপের লুকানো বিপদ</strong></h2><p>সস্তায় পাওয়ার ব্যাকআপ পাওয়ার জন্য অনেকেই এখন ইউটিউব দেখে বা স্থানীয় দোকান থেকে সস্তা পার্টস কিনে নিজেরা ব্যাটারি প্যাক তৈরি করছেন। এই অনিয়ন্ত্রিত সেটআপগুলোতে গুণগত মান যাচাই করার কোনো ব্যবস্থা থাকে না এবং প্রায়ই এতে অত্যন্ত জরুরি নিরাপত্তাফিচারগুলো বাদ দেওয়া হয়।</p><p>একটি লিথিয়াম-আয়ন প্যাকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তার বিএমএস বা ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এই বিএমএসকে ব্যাটারি প্যাকের মগজের সঙ্গে তুলনা করা হয়। এর কাজ হলো প্রতিটি সেলের ভোল্টেজ, কারেন্ট এবং তাপমাত্রা প্রতি মুহূর্তে পর্যবেক্ষণ করা। যদি কোনো কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যায় বা ভোল্টেজ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে, তবে বিএমএস সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ কেটে দিয়ে ব্যাটারিকে রক্ষা করে। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত সেটআপে খরচ কমাতে গিয়ে অনেক সময় বিএমএস লাগানো হয় না অথবা অত্যন্ত নিম্নমানের বোর্ড ব্যবহার করা হয়। ফলে ব্যাটারি যখন মহাবিপদের দিকে এগোয়, তখন সেটি থামানোর কোনো স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/xnarpx95su">ব্যাটারি ফ্রিজে রাখলে কি বেশি দিন চার্জ থাকে</a></aside><blockquote>একটি লিথিয়াম-আয়ন প্যাকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তার বিএমএস বা ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এই বিএমএসকে ব্যাটারি প্যাকের মগজের সঙ্গে তুলনা করা হয়।</blockquote><p>ব্যাটারি প্যাকের প্রতিটি সেল ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে পারফরম্যান্সের কিছুটা ক্ষয় হয়। একটি ভালো মানের সিস্টেমে সব সেলের ভোল্টেজ সমান রাখার ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত সিস্টেমে কোনো সেল বেশি চার্জ হয়, আবার কোনোটি একদমই হয় না কিংবা কম হয়। দীর্ঘ সময় এভাবে চলতে থাকলে ব্যাটারির ভেতরে অতিক্ষুদ্র কপারের ডেনড্রাইট, মানে তড়িৎ-বিশ্লেষ্য ধাতব কণা তৈরি হয়, যা সেপারেটর ফুটো করে দিয়ে সরাসরি ইন্টারনাল শর্ট-সার্কিট ঘটায়।</p><p>একটি শক্তিশালী ব্যাটারি প্যাক তৈরি করতে স্পট-ওয়েল্ডিং এবং উন্নত মানের নিকেল স্ট্রিপের প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমাদের দেশে অনেকেই সাধারণ সোল্ডারিং আয়রন দিয়ে ব্যাটারির মাথায় সোল্ডারিং লিড গলাতে যান। সোল্ডারিং আয়রনের এই তীব্র তাপ সরাসরি ব্যাটারির ভেতরের রাসায়নিক কাঠামো এবং সিল নষ্ট করে দেয়, যা ভবিষ্যতে যেকোনো সময় লিকেজ বা আগুনের কারণ হতে পারে। আবার, স্পট-ওয়েল্ডিং ব্যবহার সঠিকভাবে না করার জন্যও ব্যাটারি সেলের ক্ষতি হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/pfkh11mlqp">বিশ্বের প্রথম রিচার্জেবল ইউরেনিয়াম ব্যাটারি উদ্ভাবন করল জাপান</a></aside><blockquote>একটি ভালো মানের সিস্টেমে সব সেলের ভোল্টেজ সমান রাখার ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত সিস্টেমে কোনো সেল বেশি চার্জ হয়, আবার কোনোটি একদমই হয় না কিংবা কম হয়।</blockquote><h2><strong>কেন এটি বোমার মতো বিস্ফোরিত হয়</strong></h2><p>অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি সেটআপকে একটি বোমার সঙ্গে তুলনা করা কোনোভাবেই অতিরিক্ত বলা হবে না। আমাদের দেশে অনেকেই ব্যাটারিসহ পাওয়ার ইনভার্টার তৈরি করেন এবং অনেকেই নিম্নমানের পাওয়ার স্টেশন আমদানি করছেন। একটি বদ্ধ চেম্বারে ব্যাটারিসহ ইনভার্টার রাখার কারণে পুরো সিস্টেম অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করায় চেম্বারের ভেতরে থার্মাল রানঅ্যাওয়ে শুরু হয়। তখন এর ফলাফল হয় ভয়ংকর। ব্যাটারির ভেতরের কেমিক্যাল ভেঙে গিয়ে হাইড্রোজেন, কার্বন মনোক্সাইড এবং মিথেনের মতো প্রচুর দাহ্য গ্যাস তৈরি করে।</p><p>গ্যাস বাড়তে বাড়তে ব্যাটারির ভেতরের চাপ যখন সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন কেসিংটি ফেটে যায় এবং এই গ্যাসগুলো প্রচণ্ড বেগে বাইরে বেরিয়ে আসে। যদি সেই গ্যাস কোনো আগুনের ফুলকির সংস্পর্শে আসে, তবে এটি মুহূর্তের মধ্যে কয়েক ফুট লম্বা টর্চ বা জেটের মতো আগুনের শিখা তৈরি করে। এই আগুন ঘরের আসবাবপত্র বা দেয়ালে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে সেখান থেকে বাঁচার সময়টুকুও পাওয়া যায় না। যখন অনিয়ন্ত্রিত সেল একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়, সেই শক্তির প্রভাবে ইনভার্টারের বডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়, আগুন ছড়িয়ে পড়ে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/m73ykxkjih">ফোনের ব্যাটারি চার্জিংয়ে খরচ কত</a></aside><blockquote>গ্যাস বাড়তে বাড়তে ব্যাটারির ভেতরের চাপ যখন সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন কেসিংটি ফেটে যায় এবং এই গ্যাসগুলো প্রচণ্ড বেগে বাইরে বেরিয়ে আসে।</blockquote><h2><strong>স্বাস্থ্যঝুঁকি: পোড়া ক্ষত এবং বিষাক্ত ধোঁয়া</strong></h2><p>ব্যাটারি বিস্ফোরণে কেবল অগ্নিকাণ্ডই ঘটে না, এটি মানুষের শরীরের ওপরও ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। ব্যাটারি ফেটে গেলে এর ভেতরের তড়িৎ-বিশ্লেষ্য তরল শরীরের চামড়ায় পড়লে মারাত্মক কেমিক্যাল বার্ন বা ক্ষত তৈরি হয়। পুড়ে যাওয়া ব্যাটারি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় হাইড্রোজেন ফ্লোরাইড গ্যাস থাকে। এই গ্যাস ফুসফুসে প্রবেশ করলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে এবং এটি রক্তে মিশে গিয়ে শরীরের ভেতরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।</p><h2><strong>নিরাপদ সেটআপের জন্য নির্দেশিকা</strong></h2><p>লিথিয়াম-আয়ন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হলে আমাদের অবশ্যই প্রকৌশলগত নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। কখনোই সস্তা বা সেকেন্ডহ্যান্ড ব্যাটারি দিয়ে ইনভার্টার বানাবেন না। সব সময় CE বা UL সার্টিফায়েড ব্যাটারি ব্যবহার করুন। নিশ্চিত করুন যে আপনার সিস্টেমে একটি উচ্চ মানের বিএমএস আছে, যা তাপমাত্রা এবং ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। সস্তা সার্কিট বোর্ডের ওপর ভরসা করবেন না। সব সময় ঠান্ডা এবং বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ব্যাটারি রাখুন। গরম ঘর বা আবদ্ধ স্থানের ভেতর ইনভার্টার রাখা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যদি দেখেন ব্যাটারি প্যাকটি ফুলে গেছে বা অতিরিক্ত গরম হচ্ছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে সেটি ব্যবহার বন্ধ করে দিন। ব্যাটারির সঙ্গে লাগানো দুটি তারের যেকোনো একটি তার খুলে ফেলুন। ফুলে যাওয়া মানেই এর ভেতরে গ্যাস জমছে, যা বিস্ফোরণের পূর্বলক্ষণ। এ ছাড়া ব্যাটারি কেসিং অতিরিক্ত গরমে বেঁকেও যেতে পারে, যা আরও ভয়াবহ ব্যাপার।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/ckmmzflfgn">মোবাইলের ব্যাটারি ফুলে ওঠে কেন, কতটা বিপজ্জনক</a></aside><blockquote>পুড়ে যাওয়া ব্যাটারি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় হাইড্রোজেন ফ্লোরাইড গ্যাস থাকে। এই গ্যাস ফুসফুসে প্রবেশ করলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে এবং এটি রক্তে মিশে গিয়ে শরীরের ভেতরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।</blockquote><h2><strong>শেষ কথা</strong></h2><p>লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর নিরাপত্তার বিষয়গুলো অবমূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। একটি অনিয়ন্ত্রিত এবং সস্তা ব্যাটারি সেটআপ আপনার ঘর বা অফিসের মাঝখানে একটি জীবন্ত বোমা বসিয়ে রাখার সমান। প্রযুক্তির সুবিধা নিতে গিয়ে নিজের এবং পরিবারের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলবেন না। সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ প্রকৌশল পদ্ধতি মেনে চলাই এসব প্রযুক্তি নিরাপদে ব্যবহারের একমাত্র উপায়।</p><h4>লেখক: চিফ ইনস্ট্রাক্টর, বিটিটিআই</h4><h4>সূত্র: ব্রিটিশ সেফটি কাউন্সিল, এনএফপিএ এবং ইউএস ফায়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/vl3ln54m9a">স্মার্টফোনে পারমাণবিক ব্যাটারি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>নজরুল সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/em3o25t6jm</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/em3o25t6jm#comments</comments><guid isPermaLink="false">55454d34-a5d9-4f82-89d7-03d60463d4d6</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428416</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি।]]></description><media:keywords>কাজী নজরুল ইসলাম,শিল্পকলা</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/297hw86i/WhatsApp_Image_2026_05_23_at_8_08_55_PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় নাট্যশালায় নজরুলজয়ন্তীতে ছিল সমবেত পরিবেশনা। ছবি: শিল্পকলা একাডেমির সৌজন্যে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/297hw86i/WhatsApp_Image_2026_05_23_at_8_08_55_PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিনোদন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিভাজন নয়, সম্প্রীতি ও সাম্যের বাংলাদেশই ছিল নজরুলের স্বপ্ন—জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন অভিমত তুলে ধরেন। তাঁদের মতে, মানবতা, ধর্মীয় সহনশীলতা ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের যে চেতনা নজরুল তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে ধারণ করেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে নজরুলের গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও তাঁর সাহিত্যভিত্তিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উঠে আসে নজরুলের বিদ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও সম্প্রীতির বহুমাত্রিক প্রকাশ।</p> <p>গত শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘শৈশব-কৈশোরে নজরুলের কবিতা দ্বারা মনোজগতের গাঁথুনি তৈরি হয়নি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। যাঁরা কৈশোরে নজরুল পড়েন, তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং আত্মত্যাগের চেতনা তৈরি হয়।’<br></p><p>জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ও সংগ্রামে নজরুলের চেতনা মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই ও আত্মত্যাগের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত। তিনি বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান, নজরুলের চেতনাকে ব্যক্তিগত চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় ও সমষ্টিগত চেতনায় রূপ দিতে। একই সঙ্গে আলোচকদের পক্ষ থেকে নজরুলজয়ন্তীকে ‘জাতীয় সম্প্রীতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাবকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, নজরুলের সমগ্র জীবন ও সৃষ্টিকর্মেই সম্প্রীতির চেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।</p> <p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক ফজল আনসারী, কবি ও লেখক হাসান হাফিজ, নজরুল গবেষক খালেকুজ্জামান এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ। বক্তারা নজরুলের বহুমাত্রিক প্রতিভা, বিশেষ করে ফারসি ও আরবি সাহিত্য থেকে তাঁর অনুবাদকর্মের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, শোষণ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে যত দিন, তত দিন নজরুল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন। একই সঙ্গে কবির হারিয়ে যাওয়া গান, পাণ্ডুলিপি ও অন্যান্য সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/l97db9m1/WhatsApp-Image-2026-05-22-at-8.54.10-PM.jpeg" /><figcaption>জাতীয় নাট্যশালায় নজরুলজয়ন্তীতে ছিল সমবেত পরিবেশনা</figcaption></figure><p>তিন দিনের এ আয়োজনে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টি। উদ্বোধনী দিনে ৫০ জন নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে সমবেত নৃত্য সৃষ্টি সুখের উল্লাসে পরিবেশিত হয়। নজরুলের দেশাত্মবোধক গান, কবিতা ও তাঁর নাটক অবলম্বনে নির্মিত নৃত্যনাট্যও পরিবেশিত হয় অনুষ্ঠানে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ajn3mpzn/WhatsApp_Image_2026_05_23_at_8_40_36_PM.jpeg" /><figcaption>নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন সুজিত মোস্তফা</figcaption></figure><p>শনিবার দ্বিতীয় দিনের আয়োজনেও ছিল কবির গান, কবিতা ও নৃত্যনাট্যের পরিবেশনা। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এ পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। মুখ্য আলোচক ছিলেন নজরুল ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান।</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/mtp1iv7pj9">নাচের ছন্দে উৎসবমুখর শিল্পকলা একাডেমি</a></aside><p>সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও সৃজনীর শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন দাও শৌর্য, দাও ধৈর্য ও দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু। এরপর সাজু আহমেদের পরিচালনায় কত্থক নৃত্য সম্প্রদায় পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘চোখ গেলো চোখ-গেলো’। একক সংগীত পরিবেশন করেন শহীদ কবির পলাশ ও অগ্নিতা শিকদার মুগ্ধ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও পরিবেশন করেন সমবেত সংগীত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/ytbd8mha/WhatsApp-Image-2026-05-23-at-8.40.36-PM-1.jpeg" /><figcaption>সংগীত পরিবেশন করেন নাশিদ কামাল</figcaption></figure><p>আইরিন পারভিনের পরিচালনায় ‘তুমি কি দখিনা পবন’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নাচঘর। পরে নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন সুজিত মোস্তফা, সেলিনা রহমান, পুষ্পিতা বণিক ও প্রিয়াংকা গোপ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন নজরুলসংগীত। ‘তোমার বিনা-তারের গীতি’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে আরাধনা। কবির বিদ্রোহী কবিতা আবৃত্তি করেন ইকবাল আহমেদ। এ ছাড়া সংগীত পরিবেশন করেন মৃদুলা সমদ্দার ও নাশিদ কামাল। ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ কবিতা আবৃত্তি করেন ফারহানা তৃণা। সবশেষে দীপা খন্দকারের পরিচালনায় দীব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘এসো হে সজল শ্যাম’।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/g8x5b9jk/WhatsApp_Image_2026_05_23_at_8_40_37_PM.jpeg" /><figcaption>সমবেত পরিবেশনা</figcaption></figure><p>আজ সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর। এদিনও নজরুলের সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সব জেলা শিল্পকলা একাডেমিতেও জাতীয় কবিকে স্মরণ করে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দ্রুত নতুন জিনিস শেখার ৫টি দারুণ উপায়</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/uv22hairy7</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/uv22hairy7#comments</comments><guid isPermaLink="false">d583389c-a7c8-4160-8a34-1a65a0de46e3</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আসহাবিল ইয়ামিন</atom:name><atom:uri>/api/author/1914971</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চারপাশের পৃথিবীটা প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে। এই বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সহজে সামনে এগিয়ে যাওয়ার উপায় হলো নিয়মিত নতুন নতুন জিনিস শেখা। নানা গবেষণায় এমন ৫টি দারুণ উপায় পাওয়া গেছে]]></description><media:keywords>মাথায় কত প্রশ্ন আসে কিআ,আরও কিআ,জানা অজানা কিআ</media:keywords><media:content height="816" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-20/kaokx812/actualconsultAwarmrealisticdigitalillustrationofathough6ad11623-0bc0-4a4d-83ba-c30b628910de.png" width="1456"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-20/kaokx812/actualconsultAwarmrealisticdigitalillustrationofathough6ad11623-0bc0-4a4d-83ba-c30b628910de.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নতুন জিনিস দ্রুত শিখে ফেলা একটা দারুণ ক্ষমতা। যে কাউকে পড়াশোনা, খেলাধুলা কিংবা ভবিষ্যতের কর্মজীবনে এটি এগিয়ে রাখে। নতুন কিছু শেখার অভ্যাস মানুষকে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তা–ই নয়, এর মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে সহজে বন্ধুত্ব করার নানা উপায় খুঁজে পাওয়া যায়। চারপাশের পৃথিবীটা প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে। এই বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সহজে সামনে এগিয়ে যাওয়ার উপায় হলো নিয়মিত নতুন নতুন জিনিস শেখা। নানা গবেষণায় এমন ৫টি দারুণ উপায় পাওয়া গেছে, যা যেকোনো নতুন বিষয় খুব দ্রুত শিখতে ও তা দীর্ঘদিন মনে রাখতে সাহায্য করে। চলো তাহলে জেনে নেওয়া যাক দারুণ সেই উপায়গুলো।</p><p><strong>১. অন্যকে শেখাও</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা করা হয়। সেখানে দেখা গেছে, তুমি যা পড়ছ তা অন্য কাউকে বুঝিয়ে বলার কথা মনে মনে কল্পনা করলে শেখার গতি অনেক বেড়ে যায়। শুধু পরীক্ষায় পাস করার জন্য মুখস্থ করার চেয়ে এই পদ্ধতিটি অনেক বেশি কার্যকর। এটি মস্তিষ্ককে নতুন তথ্য সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।</p><p>তাই কোনো কঠিন বিষয় শিখতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে এই ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করতে পারো। কোনো নতুন ভাষা বা গণিতের সূত্র তোমার চেয়ে কম জানা বন্ধুদের শেখানোর চেষ্টা করো। কাউকে শেখাতে গেলে নিজের মাথায় পড়াটা একদম পরিষ্কার হয়ে যায়। এই সহজ কৌশলটি নিজের শেখার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করবে।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/catrghvx82">কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক যেভাবে দুই শ রাজ পেঙ্গুইন সংরক্ষণ করলেন</a></aside><p><strong>২. পড়ার মধ্যে বিরতি</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব লুইজিয়ানার গবেষকদের মতে, নতুন কোনো বিষয় পড়ার জন্য একটানা ৩০ থেকে ৫০ মিনিট সময় নেওয়া উচিত। এর চেয়ে কম সময়ে পড়া ঠিকমতো মাথায় ঢোকে না। আবার ৫০ মিনিটের বেশি একটানা পড়লে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই প্রতিবার পড়ার পর ৫ থেকে ১০ মিনিটের একটি ছোট বিরতি নেওয়া জরুরি। মানসিক ক্লান্তি বা মাথা গরম থাকা অবস্থায় নতুন কিছু শেখা প্রায় অসম্ভব। তাই পড়াশোনার মধ্যে নিজের মাথার বিশ্রাম দিতে হবে।</p> <p><strong>৩. নোট লিখতে হবে হাতে</strong></p><p>ল্যাপটপ বা মোবাইলে টাইপ করে নোট নেওয়া দ্রুত হতে পারে। তবে কলম ও কাগজ ব্যবহার করে হাতে লিখলে যেকোনো বিষয় আরও ভালোভাবে শেখা ও বোঝা যায়। প্রিন্সটন এবং ইউসিএলএর গবেষকেরা দেখেছেন, যেসব শিক্ষার্থী হাতে লিখে নোট নেয়, তারা পড়া অনেক বেশি মনোযোগ দিয়ে শোনে।</p><p>ফলে তারা মূল বিষয়গুলো সহজে মনে রাখতে পারে। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পাম মুলার জানান, ল্যাপটপে নোট নেওয়ার একটি খারাপ দিক আছে। শিক্ষার্থীরা সাধারণত শিক্ষকের বক্তৃতার অর্থ না বুঝে প্রতিটি শব্দ হুবহু টাইপ করার চেষ্টা করে। নিজের ভাষায় গুছিয়ে না লেখার এই অভ্যাসটি পড়াশোনার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/b2okcscrs2">মস্তিষ্ক কীভাবে বোঝে কোনটা সুগন্ধ, কোনটা দুর্গন্ধ</a></aside><p><strong>৪. পড়ার মাধ্যে ঘুমাতে ভয় পাবে না</strong></p><p>নতুন কোনো পড়া বা তথ্য মনে রাখার জন্য আমাদের মস্তিষ্কের একটু বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, পড়াশোনার মাঝের সময়টাতে একটু ঘুমিয়ে নিলে পড়া খুব দ্রুত মাথায় ঢোকে। ফ্রান্সে এটা নিয়ে একটি পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানে দুটি দলকে ১৬টি নতুন বিদেশি শব্দ শেখানো হয়। প্রথম দলটি একই দিনে সকালে ও সন্ধ্যায় পড়াশোনা করে। আর দ্বিতীয় দলটি সন্ধ্যায় পড়ার পর রাতে ভালোমতো ঘুমিয়ে নেয় এবং পরদিন সকালে আবার পড়তে বসে। পরে দেখা গেল, যারা রাতে ঘুমিয়েছিল তারা ১৬টি শব্দের মধ্যে ১০টিই মনে রাখতে পেরেছে। কিন্তু যারা ঘুমায়নি, তারা গড়ে মাত্র ৭ থেকে ৮টি শব্দ মনে করতে পেরেছে। এই পরীক্ষা থেকে বোঝা যায়, পড়ার মাঝে ঘুমিয়ে নিলে পড়া যেমন দ্রুত মুখস্থ হয়, তেমনি তা সহজে ভুলেও যাবে না।</p><p><strong>৫. পড়ার পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য আনতে হবে</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলেন, নতুন কোনো কাজ বা পড়া শেখার সময় প্রতিবার একই নিয়মে চর্চা না করে পদ্ধতি একটু বদলে নেওয়া ভালো। তাঁদের একটি পরীক্ষায় কিছু ছাত্রকে কম্পিউটারের একটি কাজ শেখানো হয়েছিল। দ্বিতীয়বার অনুশীলনের সময় যারা একটু ভিন্ন বা নতুন টেকনিক ব্যবহার করেছিল। তারা পুরোনো নিয়ম ধরে রাখা ছাত্রদের চেয়ে দ্বিগুণ ভালো ফল করে। গবেষকদের মতে, একটানা একই নিয়মে মুখস্থ করার চেয়ে প্রতিবার পড়ার বা অনুশীলনের পদ্ধতিতে ছোট ছোট পরিবর্তন আনলে মস্তিষ্ক অনেক বেশি সচল থাকে।</p><h5>সূত্র: রিডস্টাডি</h5><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/whva8amhrp">মানুষের আঙুলের ছাপ কি কখনো বদলায়</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে অগ্রগতির কথা জানাল সব পক্ষ</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/uyumxp3ocr</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/uyumxp3ocr#comments</comments><guid isPermaLink="false">573144a0-2723-4558-a2b7-c3f39a5a8990</guid><pubDate>Sun, 24 May 2026 00:32:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-24T00:32:06.345Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘তবে এমন কিছু বিষয় এখনো রয়ে গেছে, যা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা করা প্রয়োজন। আগামী তিন বা চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’]]></description><media:keywords>ডোনাল্ড ট্রাম্প,পাকিস্তান,শান্তিচুক্তি,ইরান,মধ্যপ্রাচ্য,যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/1a6ymhwj/Islamabad-talks.jpg" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ১০ এপ্রিল ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/1a6ymhwj/Islamabad-talks.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান গতকাল শনিবার এ কথা জানিয়েছে।</p><p>ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আলোচনার প্রসঙ্গ নিয়ে গতকালই উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের নেতাদের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ হওয়ার কথা।</p><p>তেহরান জানিয়েছে, তারা এখন একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে। আর আলোচনায় ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ অগ্রগতির কথা জানিয়েছে পাকিস্তান।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রাজধানী তেহরানে গতকাল তাদের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মুহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আসিম মুনিরকে গালিবাফ বলেন, যুদ্ধ শেষ করার আলোচনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সৎ নয়। ইরান কখনো তার জাতীয় অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না।</p><p>আসিম মুনির ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানায়, ২৪ ঘণ্টার আলোচনায় একটি চূড়ান্ত সমঝোতার পথে ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ অগ্রগতি হয়েছে। ইরানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গতকাল আসিম মুনির গতকাল পাকিস্তানে ফিরেছেন।</p><p>ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ভারত সফরে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গতকাল নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু অগ্রগতি হয়েছে। এমনকি আমি যখন এখন আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি, তখনো কিছু কাজ চলছে। আজ (গতকাল) পরবর্তী সময়ে, আগামীকাল অথবা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমাদের কিছু বলার থাকতে পারে, এমন একটি সম্ভাবনা রয়েছে।’</p><p>আল–জাজিরা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল রাতে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গ নিয়ে ফোনে আলোচনা করার কথা। তবে গতকাল রাত সাড়ে ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ট্রাম্পের ফোনালাপের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><p>এই সপ্তাহে বিরোধ কমার বিষয়ে একটি প্রবণতা দেখা গেছে জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘তবে এমন কিছু বিষয় এখনো রয়ে গেছে, যা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা করা প্রয়োজন। আগামী তিন বা চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’</p><p>ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর তিন মাস পূর্ণ হতে চলেছে। যুদ্ধের ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে বিশ্বজুড়ে জ্বালানিবাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।</p><p>যুদ্ধের ৪০ দিনের মাথায় গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরপর ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন ও তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার সরাসরি বৈঠক হয়। তবে তাতে কোনো সমঝোতা হয়নি। এর পর থেকে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান।</p><p>বর্তমানে মূলত ইরানের প্রস্তাবিত ১৪-দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনা চলছে। ইরান এই ১৪ দফাকে আলোচনার প্রধান কাঠামো হিসেবে ধরে এগোচ্ছে। উভয় পক্ষ এ প্রস্তাব নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>হোয়াইট হাউসের কাছে আবার গুলি, বন্দুকধারী নিহত</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/kp6eed2iru</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/kp6eed2iru#comments</comments><guid isPermaLink="false">abf2a857-5678-4d13-bead-88953e8e031c</guid><pubDate>Sat, 23 May 2026 23:43:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-23T23:43:42.396Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সিএনএন</atom:name><atom:uri>/api/author/1524889</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান সিএনএনের সংবাদদাতারা। এরপরই সেখানে লকডাউন জারি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা।]]></description><media:keywords>ডোনাল্ড ট্রাম্প,হোয়াইট হাউস,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="5076" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/v6bip1y0/white-house.jpg" width="7614"><media:title type="html"><![CDATA[ হোয়াইট হাউসের কাছে আইজেনহাওয়ার এক্সিকিউটিভ অফিস বিল্ডিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন একজন অস্ত্রধারী সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে, ২৩ মে ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/v6bip1y0/white-house.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার  সন্ধ্যায় এক বন্দুকধারী গুলি ছুড়েছেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে বন্দুকধারীর গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় বন্দুকধারী ওই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের বরাতে সিক্রেট সার্ভিসের দেওয়া এক বিবৃতি অনুসারে এএফপি এ খবর জানিয়েছে। </p><p>গুলির সময় একজন পথচারীও আহত হন। তবে তাঁর অবস্থা কেমন, তা জানা যায়নি। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/3ap68t6zmm">হোয়াইট হাউসের কাছে ‘সশস্ত্র সন্দেহভাজন’ ব্যক্তি, গোলাগুলিতে আহত</a></aside><p>হোয়াইট হাউসের কাছে নিরাপত্তাচৌকিতে ওই বন্দুকধারী গুলি ছোড়েন। বিবৃতিতে বলা হয়, সিক্রেট সার্ভিসের পুলিশ কর্মকর্তারা পাল্টা গুলি ছোড়েন। বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।</p><p>সিএনএনের খবরে জানানো হয়, পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ ও সেভেন্টিনথ স্ট্রিট নর্থওয়েস্টের মোড়ের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, এক ব্যক্তি গুলি ছুড়ছেন—এমন খবর পায় সিক্রেট সার্ভিস। এরপর তাদের  কর্মকর্তারা সেখানে গেলে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।</p><p>হোয়াইট হাউসের কাছে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান সিএনএনের সাংবাদিকেরা। এরপরই সেখানে লকডাউন জারি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা।</p><p> এ ঘটনায় তদন্ত করার কথা জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস। ঘটনার সময় নর্থ লন এলাকায় থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সরিয়ে নেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ‘গুলি চলছে, নিচু হোন’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। তাঁরা হোয়াইট হাউসের ভেতরের সাংবাদিকদের যে যাঁর জায়গায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেন।</p><p>ঘটনার পরপরই রাইফেল হাতে সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা নর্থ লন এলাকায় অবস্থান নেন। তাঁরা হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুম আটকে দেন। পরে ইস্টার্ন টাইম (ইটি) সন্ধ্যা পৌনে সাতটার পরপরই লকডাউন তুলে নেয় কর্তৃপক্ষ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/5w2i7jid3p">ভোজের মঞ্চে ট্রাম্প–মেলানিয়া, হঠাৎ শোনা গেল ‘৭–৮টি গুলির শব্দ’</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/3vfw7a3n/white-house-2.jpg" /><figcaption>হোয়াইট হাউসের কাছে পুলিশের গাড়ি দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে, ২৩ মে ২০২৬</figcaption></figure><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন হোয়াইট হাউসের বাসভবনেই অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে হোয়াইট হাউস, ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ডিসি ফায়ার অ্যান্ড ইএমএস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল। সেখানে তিনি বলেন, ‘হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণের কাছে গুলি চলার পর আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আছেন। তাঁরা সিক্রেট সার্ভিসকে সহায়তা করছেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা সাধারণ মানুষকে হালনাগাদ তথ্য জানাতে থাকব।’</p><p>এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এবিসি নিউজের প্রধান হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সেলিনা ওয়াং। ভিডিওটিতে গুলি চলার মুহূর্তটি দেখা যায়। এ সময় তিনি মাথা নিচু করে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছিলেন।</p><p>ওই পোস্টে সেলিনা লিখেছেন, ‘আমি হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য আইফোনে ভিডিও করছিলাম। ঠিক তখনই আমরা গুলির শব্দ শুনতে পাই। মনে হচ্ছিল, একসঙ্গে অনেক গুলি ছোড়া হচ্ছে। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা আমাদের দৌড়ে প্রেস ব্রিফিং রুমে যেতে বলেন। আমরা এখন সেখানেই আছি।’</p><p>এর আগে ৪ মে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হোয়াইট হাউসের কাছে সশস্ত্র এক ‘সন্দেহজনক’ ব্যক্তির সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গোলাগুলি হয়।</p><p>ওই ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গুলিতে তিনি আহত হন।</p><p>গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে&nbsp;হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় এর আগে গুলির ঘটনা ঘটে।  এক মাস পার না হতেই নতুন করে এই ঘটনা ঘটল। আগের ওই ঘটনার সময়ও গুলি চললে সাংবাদিক ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাথা নিচু করে আত্মরক্ষা করেছিলেন।</p><p>আগের ওই গোলাগুলির ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন কোল টমাস অ্যালেন। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, তিনি হাতে শটগান নিয়ে দৌড়ে একটি নিরাপত্তাচৌকি পার হন। এ সময় পেছন থেকে ধাওয়া করা সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের সঙ্গে তাঁর গুলি বিনিময় হয়। ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে তিনি অবশ্য নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কানে ঐশ্বরিয়া, লালগালিচায় আরও যাঁদের দেখা গেল</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/2rhkzmiusc</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/2rhkzmiusc#comments</comments><guid isPermaLink="false">5318a365-aea8-4778-851c-fed8923ba285</guid><pubDate>Sat, 23 May 2026 05:15:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-23T05:15:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কান চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়ার রাই বচ্চনের সম্পর্ক পুরোনো। বহু বছর ধরেই মর্যাদাপূর্ণ এই চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন তিনি।]]></description><media:keywords>কান চলচ্চিত্র উৎসব,অভিনয় শিল্পী,ঐশ্বরিয়া রাই</media:keywords><media:content height="1444" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/oso8ja0p/741205-01-02.jpg" width="2166"><media:title type="html"><![CDATA[ কানে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এএফপি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/oso8ja0p/741205-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্ব চলচ্চিত্র</category><category>entertainment</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কান চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়ার রাই বচ্চনের সম্পর্ক পুরোনো। বহু বছর ধরেই মর্যাদাপূর্ণ এই চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন তিনি। ব্যতিক্রম ছিল না এবারও। ইন্ডিয়া টুডে, এএফপি অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত-</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/llq7j2wa/741652-01-02.jpg" /><figcaption>গতকাল রাতে কানের লালগালিচায় হাজির হন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/e5o9e3wl/741203-01-02.jpg" /><figcaption>লালগালিচায় ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে হলিউড অভিনেত্রী ইভা লঙ্গোরিয়া। দুই তারকার বন্ধুত্ব নতুন নয়, তবে এবার কানে সেটা যেন ভিন্নমাত্রা পেল। এএফপি </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/8m97c4lv3k">পেনেলোপে আর ডেমির চমক, আরও যা হলো কানে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/b9ic8x3d/741203_01_02.jpg" /><figcaption> ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফটোসেশনের জন্য এগিয়ে আসছেন ইভা লঙ্গোরিয়া। তাঁর পোশাকের লম্বা ট্রেইল সামলে হাঁটার সময় দূর থেকে ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকিয়ে মজা করে বলেন, ‘এই যে আবার বেস্ট ফ্রেন্ড...আমি এখানে...আমরা এসে গেছি।’ ইভা এরপর মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা ঐশ্বরিয়ার কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর দুজনকে প্রাণখোলা হাসি আর গল্পে মেতে উঠতে দেখা যায়। তাঁদের এই সহজ ও উষ্ণ মুহূর্তই ভক্তদের মন জয় করেছে। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/b051frf0/741194_01_02.jpg" /><figcaption>লালগালিচায় ইভা লঙ্গোরিয়া। এএফপি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/4je1nywc/740873_01_02.jpg" /><figcaption>কানে হাজির ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চি। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/stzf9uls/742149_01_02.jpg" /><figcaption>লালগালিচায় ফরাসি অভিনেত্রী হাফসিয়া হারজি। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-23/zun1gyjf/742779_01_02.jpg" /><figcaption>লালগালিচায় ফরাসি অভিনেত্রী, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার অ্যাগনেস জাওই। এএফপি </figcaption></figure>]]></content:encoded></item></channel></rss>