<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet type="text/xsl" media="screen" href="/~d/styles/rss2full.xsl"?><?xml-stylesheet type="text/css" media="screen" href="http://feeds.feedburner.com/~d/styles/itemcontent.css"?><rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" xmlns:creativeCommons="http://backend.userland.com/creativeCommonsRssModule" xmlns:feedburner="http://rssnamespace.org/feedburner/ext/1.0" version="2.0">

<channel>
	<title>টিউটোরিয়ালবিডি</title>
	
	<link>http://tutorialbd.com/blog</link>
	<description>First Bangla Tutorial Online Platform | বাংলা টিউটোরিয়াল ভান্ডার</description>
	<lastBuildDate>Sun, 16 Jun 2013 11:49:38 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.5.1</generator>
		<atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="self" type="application/rss+xml" href="http://feeds.feedburner.com/tutorialbd" /><feedburner:info uri="tutorialbd" /><atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="hub" href="http://pubsubhubbub.appspot.com/" /><creativeCommons:license>http://creativecommons.org/licenses/by/2.0/</creativeCommons:license><image><link>http://creativecommons.org/licenses/by/2.0/</link><url>http://creativecommons.org/images/public/somerights20.gif</url><title>Some Rights Reserved</title></image><feedburner:emailServiceId>tutorialbd</feedburner:emailServiceId><feedburner:feedburnerHostname>http://feedburner.google.com</feedburner:feedburnerHostname><item>
		<title>গল্পে গল্পে প্রোগ্রাম পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন – প্রোগ্রামিং এই সি লার্নিং কনটেস্ট (৩)</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/eZJN8BY9jAA/16070</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16070#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 16 Jun 2013 11:48:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অসীম কুমার</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রগ্রামিং সি]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম কুমার]]></category>
		<category><![CDATA[কনটেস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোগ্রামিং এই সি]]></category>
		<category><![CDATA[লার্নিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16070</guid>
		<description><![CDATA[প্রোগ্রাম পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের আলোচনার শুরুতে আসেন আমরা একটু গল্প করা যাক। মনে করুন আপনি আপনার এলাকার একজন সম্মানিত ব্যাক্তি। আপনাকে এলাকার লোকজন এসে প্রস্তাব করল যে এলাকার সবাইকে নিয়ে একটা আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য। আপনিও রাজি হয়ে গেলেন। এখন আপনি চিন্তা করছেন কিভাবে সবাইকে আনন্দ দেয়া যায়? সংগীত অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ না নাটক কোনটি আয়োজন করলে সবাই বেশি খুশি হবে? শেষ পর্যন্ত আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন, এলাকাতে একটা পুতুল নাচের অনুষ্ঠান আয়োজন করলে শিশু থেকে শুরু করে সবাই আনন্দ পাবে। এখন আপনি আপনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ একটা কাগজে নোট করলেন যেমন কিভাবে স্টেজ সাজাতে হবে, পুতুল নাচের দলকে খবর দিতে হবে, অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাতে হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি। এর পর কাজের ক্রমানুসারে সাজিয়ে একটা নকশা তৈরি করলেন কিভাবে সব কাজ সম্পাদিত হবে এবং কোথায় হবে। তারপর আপনার সহযোগীকে দায়িক্ত দিলেন আপনার নকশা অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য। আপনার সহযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করল। এর পর পরিকল্পনা মাফিক কাজ হয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল। দেখা গেল সে বেশ কিছু ভুল করেছে, যেমন পুতুল নাচের জন্য স্টেজ তৈরি করা হয়েছে কিন্তু স্টেজের লাইট গুলো কাজ করছে না, সাউন্ড সিস্টেম ঠিকমত কাজ করছে না। আপনার সহযোগী আবার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভুলগুলো সংসোধন [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রাম পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের আলোচনার শুরুতে আসেন আমরা একটু গল্প করা যাক।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/programmingc.png"><img class="alignright size-full wp-image-16071" alt="programmingc" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/programmingc.png" width="214" height="254" /></a>মনে করুন আপনি আপনার এলাকার একজন সম্মানিত ব্যাক্তি। আপনাকে এলাকার লোকজন এসে প্রস্তাব করল যে এলাকার সবাইকে নিয়ে একটা আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য। আপনিও রাজি হয়ে গেলেন। এখন আপনি চিন্তা করছেন কিভাবে সবাইকে আনন্দ দেয়া যায়? সংগীত অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ না নাটক কোনটি আয়োজন করলে সবাই বেশি খুশি হবে? শেষ পর্যন্ত আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন, এলাকাতে একটা পুতুল নাচের অনুষ্ঠান আয়োজন করলে শিশু থেকে শুরু করে সবাই আনন্দ পাবে। এখন আপনি আপনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ একটা কাগজে নোট করলেন যেমন কিভাবে স্টেজ সাজাতে হবে, পুতুল নাচের দলকে খবর দিতে হবে, অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাতে হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি। এর পর কাজের ক্রমানুসারে সাজিয়ে একটা নকশা তৈরি করলেন কিভাবে সব কাজ সম্পাদিত হবে এবং কোথায় হবে। তারপর আপনার সহযোগীকে দায়িক্ত দিলেন আপনার নকশা অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য। আপনার সহযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করল। এর পর পরিকল্পনা মাফিক কাজ হয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল। দেখা গেল সে বেশ কিছু ভুল করেছে, যেমন পুতুল নাচের জন্য স্টেজ তৈরি করা হয়েছে কিন্তু স্টেজের লাইট গুলো কাজ করছে না, সাউন্ড সিস্টেম ঠিকমত কাজ করছে না। আপনার সহযোগী আবার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভুলগুলো সংসোধন করলেন। সবশেষে পুতুল নাচের ১ম দিনের অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হল। অনুষ্ঠানটির বিবরণ উপস্থাপন করে একটা ডকুমেন্ট তৈরি করা হল। যেখানে অনুষ্ঠানটি আয়োজন থেকে শুরু করে অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বিবরণ,উপকারিতা ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করা হল যাতে করে পরবর্তীতে আরো সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজন করা যায়। সবাই অনুষ্ঠানটি দেখে বেশ আনন্দ পেল। কেউ কেউ আবার কিছু ট্রুটি সম্পর্কে বলল। আয়োজোক কমিটি দোষ-ট্রুটি বিশ্লেষণ করে পরবর্তীদিনের অনুষ্ঠানে কিছু পরিবর্তন আনলেন।এভাবে প্রায় সপ্তাহব্যাপী অনন্দ অনুষ্ঠান চলল এবং শেষের দিনের অনুষ্ঠান সবাই প্রানভরে উপভোগ করলেন। মোটামটি দোষট্রুটি মুক্ত একটা সমাপ্তি অনুষ্ঠান করতে পেরে আয়োযোক হিসেবে আপনি আপনার এলাকার লোকজনের কাছ থেকে বেশ প্রশংসা অর্জন করলেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ff6600;">প্রোগ্রাম পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের ধাপ সমূহ</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">আপনি প্রোগ্রামিং সি ব্যবহার করে একটা সুনির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রাম রচনা করবেন। এজন্য আপনাকে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আর পদক্ষেপ সমূহ হচ্ছে,</p>
<ul>
<li>সমস্যা চিহ্নিত করণ</li>
<li>সমস্যা বিশ্লেষণ</li>
<li>সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নিপিবদ্ধকরণ বা এলগরিদম</li>
<li>পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ সমূহ কিছু প্রতীক ব্যবহার করে নকশা তৈরি করা বা ফ্লোচার্ট তৈরি করণ</li>
<li>প্রোগ্রাম কোডিং</li>
<li>প্রোগ্রাম কম্পাইলিং</li>
<li>প্রোগ্রাম ডিবাগিং</li>
<li>প্রোগ্রাম রান</li>
<li>ডকুমেন্টেশন তৈরি</li>
<li>প্রোগ্রাম মেইনটেইনেন্স</li>
</ul>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff6600;"><b>আলোচনা পর্যালোচনা</b></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>সমস্যা চিহ্নিত করণ</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">আপনাকে এলাকার লোকজন এসে প্রস্তাব করল যে এলাকার সবাইকে নিয়ে একটা আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য। এক্ষেত্রে আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার ব্যপারটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ধরা যাক আপনাকে সকল ছাত্রের সকল বিষয়ের নাম্বার হিসেব করে পরীক্ষার ফলাফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রদর্শন করার জন্য একটা প্রোগ্রাম তৈরির জন্য বলা হল। এটা একটা সমস্যা।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>সমস্যা বিশ্লেষণ </b></span></p>
<p style="text-align: justify;">আপনি রাজি হয়ে চিন্তা করলেন কিভাবে সবাইকে আনন্দ দেয়া যায়? সংগীত অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ না নাটক কোনটি আয়োজন করলে সবাই বেশি খুশি হবে? শেষ পর্যন্ত আপনি পুতুল নাচের অনুষ্ঠান আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। এটা হচ্ছে সমস্যা বিশ্লেষণ।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনি পরীক্ষার ফলাফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রদর্শন করার জন্য প্রোগ্রামটি তৈরি করবেন, এখন এর জন্য কি ধরণের গানিতিক সমস্যা প্রগ্রাম ব্যবহার করে সমাধান করতে হবে, প্রোগ্রামের ইনপুট আউটপুট কেমন হবে, কি ধরণের ডাটা ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি হচ্ছে সমস্যা বিশ্লেষণ। এছাড়া একটা সমস্যা সমাধানের একাধিক পথ থাকতে পারে এর মধ্যে থেকে একটি সর্বোত্তম পদ্ধতি নির্ণয় করাটা সমস্যা বিশ্লেষণের একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনে করুন আপনাকে পরীক্ষার</p>
<p style="text-align: justify;"><b><span style="color: #993366;">সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নিপিবদ্ধকরণ বা এলগরিদম</span> </b></p>
<p style="text-align: justify;">আপনি আপনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ একটা কাগজে নোট করলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামিং সি বা যে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কোন সমস্যা সমাধানের এই পদক্ষেপকে এলগরিদম বলে। এটা সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এলগরিদম তৈরির কিছু নিয়ম আছে, যেমন<a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/3.flow_.png"><img class="alignright size-full wp-image-16073" alt="3.flow" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/3.flow_.png" width="185" height="447" /></a></p>
<ul>
<li>সমস্যা সমাধানের উপায়টি ভালভাবে অনুধাবন করতে হবে।</li>
<li>পরিকল্পনা গুলোকে কতগুলো পর্যায়ক্রমিক পদক্ষেপে সাজাতে হবে।</li>
<li>পর্যায়ক্রমিক ধাপ গুলোকে সংক্ষিপ্ত এবং সহজবোধ্য হতে হবে।</li>
<li>প্রতিটা ধাপকে পরস্পরের সম্পর্ক অনুসায়ে সাজাতে হবে।</li>
<li>প্রতিটা পদক্ষেপ যুক্তি নির্ভর হতে হবে।</li>
</ul>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ সমূহ কিছু প্রতীক ব্যবহার করে নকশা তৈরি করা বা ফ্লোচার্ট তৈরি করণ</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">কাজের ক্রমানুসারে সাজিয়ে একটা নকশা তৈরি করলেন কিভাবে সব কাজ সম্পাদিত হবে এবং কোথায় হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামিং সি বা যে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কোন সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা তথা এলগরিদমকে প্রতীক বা কিছু জ্যামিতিক কাঠামো দ্বারা উপস্থাপনার পদ্ধতিকে ফ্লোচার্ট বলে। ফ্লোচার্ট তৈরিতে বেশ কিছু জ্যামিতিক সিম্বল ব্যবহার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>প্রোগ্রাম কোডিং</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">আপনার সহযোগীকে দায়িক্ত দিলেন আপনার নকশা অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনার সহযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করল। প্রোগ্রামিং সি বা যে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কোন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এলগরিদম এবং ফ্লোচার্ট তৈরির পর একজন কোডার প্রয়োজনীয় এডিটর ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কোডিং করেন। এক্ষেত্রে যিনি এলগরিদম এবং ফ্লোচার্ট তৈরি করেন তিনি কোডিং নাও করতে পারেন, অন্যকেউ যিনি কোন একটা নির্দিষ্ট ল্যাঙ্গুয়েজে অভিজ্ঞ তিনি কোডিং করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>প্রোগ্রাম কম্পাইলিং</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রাম কম্পাইলিং বিষয়টা বাস্তব উদাহরণের সাথে মেলানো কঠিন। প্রোগ্রামিং সি ব্যবহার করে যখন প্রোগ্রাম লেখা হয়, তখন একজন কোডার ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন । কিন্তু আমাদের কম্পিউটার খুবই বেকা এবং ব্রেনও খুব দূর্বল শুধুমাত্র 0 এবং 1 ছাড়া কিছু বোঝে না আর এই দুইটা জিনিস ছাড়া কিছু মনেও রাখতে পারেনা। তাই এই বোকা কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বা প্রোগ্রামিং সির ভাষা বোঝানোর জন্য ইংরেজিতে প্রোগ্রামিং সি এর নিয়ম অনুসরণ করে লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোড তথা 0 এবং 1 দ্বারা গঠিত প্রগ্রামে রূপান্তর করা হয়, একেই বলা হয় কম্পাইলিং। আমাদের কম্পিউটার বোকা এবং দূর্বল ব্রেনের হলেও প্রচন্ড প্রভুভক্ত, তাই আমরা ইচ্ছা মত কম্পিউটারকে ব্যবহার করতে পারি, আমরা যত জটিল কাজই করি না কেন ও সারা জীবন 0 আর 1 নিয়েই আছে, বুঝতেই পারে না যে ওকে ব্যবহার করে সভ্যতা এবং সমাজ কত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>প্রোগ্রাম ডিবাগিং</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">পরিকল্পনা মাফিক কাজ হয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল। একে প্রোগ্রামের ভাষায় বলা হয় ডিবাগিং । অর্থাৎ প্রোগ্রামিং সি ব্যবহার করে লেখা প্রোগ্রামে কোন ভুল ট্রুটি আছে কিনা এবং সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কিনা তা খুজে বের করাই হচ্ছে ডিবাগিং। ডিবাগিং এর মাধ্যমে যে সকল ভুল ট্রুটি ধরা পরে তা ঠিক করে আবার কম্পাইল করে দেখা হয়। যখন কোন ভুলট্রুটি থাকে না তখন প্রোগ্রামটি রান করার উপযোগি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>প্রোগ্রাম রান</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">আপনার সহযোগী আবার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভুলগুলো সংসোধন করলেন। সবশেষে পুতুল নাচের ১ম দিনের অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হল।</p>
<p style="text-align: justify;">যখন কোন ভুলট্রুটি থাকে না তখন প্রোগ্রামটি সঠিকভাবে কম্পাইল করা সম্পন্ন হয় তখন প্রোগ্রামটি রান হয়। এ সময় মূলত আমরা প্রোগ্রামের .exe এক্সটেনশন যুক্ত প্রোগ্রামকে রান করি। যে ফাইলটা ব্যবহারকারীকে সরাসরি প্রদান করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><b><span style="color: #993366;">ডকুমেন্টেশন তৈরি</span> </b></p>
<p style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানটির বিবরণ উপস্থাপন করে একটা ডকুমেন্ট তৈরি করা হল। যেখানে অনুষ্ঠানটি আয়োজন থেকে শুরু করে অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বিবরণ,উপকারিতা ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করা হল যাতে করে পরবর্তীতে আরো সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজন করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামিং সি বা অন্য যে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম রচনা করা হোক না কেন । প্রোগ্রামটি কি উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে, কি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, ব্যবহার প্রণালী ইত্যাদির সমন্বয়ে একটা ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়। যাতে করে পরবর্তী আপডেটেড ভার্সন তৈরি করতে সুবিধা হয় এবং ব্যবহারকারীরাও সুবিধা পায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993366;"><b>প্রোগ্রাম মেইনটেইনেন্স</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">সবাই অনুষ্ঠানটি দেখে বেশ আনন্দ পেল। কেউ কেউ আবার কিছু ট্রুটি সম্পর্কে বলল। আয়োজোক কমিটি দোষ-ট্রুটি বিশ্লেষণ করে পরবর্তীদিনের অনুষ্ঠানে কিছু পরিবর্তন আনলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামে দুই ধরণের ভুল হতে পারে একটা হচ্ছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুগুয়েজের ব্যাকরণগত ট্রুটি যা ডিবাগিং এর মাধ্যমে সমাধান করা যায়, আর অন্যটি হচ্ছে ফাংশনাল ট্রুটি বা ব্যবহারিক ট্রুটি যা ডিবাগিং করে ধরা পরে না। যেমন সমস্যা বিশ্লেষণের সময় অনেক বিষয় বিবেচিত না হতে পারে যা পরবর্তীতে ব্যবহারের সময় ধরা পরে, এছাড়া ব্যবহারকারীরা যখন প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে তারা ব্যবহার করে তাতে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা যুক্ত করার প্রস্তাব করতে পারেন এগুলো বিচার বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আপডেটেড ভার্সন তৈরি করাই হচ্ছে মেইনটেইনেন্স।</p>
<p style="text-align: justify;">………………………………………………………………………………..</p>
<p style="text-align: justify;">জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/eZJN8BY9jAA" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16070/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16070</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের থাম্বনেইলের উপর মাউস রাখুন আর উল্টো দিকে ক্যাপশন দেখান</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/4-F8uztp1ik/16049</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16049#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 15 Jun 2013 19:07:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অসীম কুমার</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েব ডিজাইন]]></category>
		<category><![CDATA[সিএসএস (CSS)]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম কুমার]]></category>
		<category><![CDATA[টিউটরিয়াল]]></category>
		<category><![CDATA[সি এস এস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16049</guid>
		<description><![CDATA[অনেক দিন পর ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে লেখতে বসলাম। আসেন একটু মজাদার ক্রিয়েটিভ কিছু তৈরি করার চেষ্টা করি। ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের হোমপেজে সাধারণত পর্যায়ক্রমিকভাবে নতুন পোস্ট সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে দেখানো হয়। প্রায় সকলেই এই পোস্টগুলোর সাথে পোস্ট থাম্বনেইল প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন।পোস্ট থাম্বনেইল ইমেজের সাথে আপনি চাইলেই কিছু টেক্সট ক্যাপশনের মাধ্যমে প্রদর্শন করতে পারেন। আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে যদি পোস্ট থাম্বনেইল উমেজ দেখানোর কোন অপশন না থাকে এবং আপনার যদি মোটামটি এইচ টি এম এল এবং সি এস এস এর ধারণা থাকে তাহলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিমের functions.php ফাইলটা ওপেন করে নিচের কোডটুকু যুক্ত করে থাম্বনেইল উমেজ যুক্ত করার ব্যবস্থা করুন । তহলে আপনি ওয়ার্ডপ্র্রেস পোস্ট তৈরি করার সময় থাম্বনেইল উমেজ যুক্ত করার অপশন পাবেন। /*Add thumbnail images*/ if ( function_exists( &#8216;add_theme_support&#8217; ) ) { add_theme_support( &#8216;post-thumbnails&#8217; ); set_post_thumbnail_size( 600, 300, true ); // default Post Thumbnail dimensions (cropped) // additional image sizes // delete the next line if you do not need additional image sizes add_image_size( &#8216;category-thumb&#8217;, 300, 9999 ); //300 pixels wide (and unlimited height) } এখন আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের হোমপেজে পোস্ট সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে দেখানোর পাশাপাশি থাম্বনেইল উমেজটি দেখানোর জন্য index.php তে &#60;?php the_post_thumbnail();?&#62; যুক্ত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় css স্ট্যাইল যুক্ত করতে হবে। যা হোক আমাদের আজকের মূল বিষয় এটা না [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অনেক দিন পর ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে লেখতে বসলাম। আসেন একটু মজাদার ক্রিয়েটিভ কিছু তৈরি করার চেষ্টা করি। ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের হোমপেজে সাধারণত পর্যায়ক্রমিকভাবে নতুন পোস্ট সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে দেখানো হয়। প্রায় সকলেই এই পোস্টগুলোর সাথে পোস্ট থাম্বনেইল প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন।পোস্ট থাম্বনেইল ইমেজের সাথে আপনি চাইলেই কিছু টেক্সট ক্যাপশনের মাধ্যমে প্রদর্শন করতে পারেন।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/img.gif"><img src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/img.gif" alt="img" width="528" height="204" class="aligncenter size-full wp-image-16066" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে যদি পোস্ট থাম্বনেইল উমেজ দেখানোর কোন অপশন না থাকে এবং আপনার যদি মোটামটি এইচ টি এম এল এবং সি এস এস এর ধারণা থাকে তাহলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিমের functions.php ফাইলটা ওপেন করে নিচের কোডটুকু যুক্ত করে থাম্বনেইল উমেজ যুক্ত করার ব্যবস্থা করুন । তহলে আপনি ওয়ার্ডপ্র্রেস পোস্ট তৈরি করার সময় থাম্বনেইল উমেজ যুক্ত করার অপশন পাবেন।</p>
<div style="text-align: justify; background: #e8fbc0; border: 1px solid #c0fa45; margin: 25px; padding: 15px;">
<p>	/*Add thumbnail images*/</p>
<p>	if ( function_exists( &#8216;add_theme_support&#8217; ) ) {<br />
add_theme_support( &#8216;post-thumbnails&#8217; );<br />
set_post_thumbnail_size( 600, 300, true ); // default Post Thumbnail dimensions (cropped)</p>
<p>// additional image sizes<br />
// delete the next line if you do not need additional image sizes<br />
add_image_size( &#8216;category-thumb&#8217;, 300, 9999 ); //300 pixels wide (and unlimited height)<br />
}</p>
</div>
<p style="text-align: justify;">
<p>এখন আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের হোমপেজে পোস্ট সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে দেখানোর পাশাপাশি থাম্বনেইল উমেজটি দেখানোর জন্য index.php তে<strong style="color:red;"> &lt;?php the_post_thumbnail();?&gt; </strong>যুক্ত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় css স্ট্যাইল যুক্ত করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify; background: #fcdef0; border: 1px solid #feb3e0; margin: 25px; padding: 15px;">যা হোক আমাদের আজকের মূল বিষয় এটা না আর একটু এডভান্সড। অনেকেই এ বিষয়টা জানেন। তবে এটুকু ধারণা থাকা দরকার আজকের প্রজেক্টের জন্য, তাই সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করলাম। এ প্রজেক্টটি চেষ্টা করার জন্য আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভলপমেন্ট সম্পর্কিত ধারণা থাকা আবশ্যক।</p>
<p style="text-align: justify;">আজকে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের ইমেজ থাম্বনেইলের মাউস হোবারে ফ্লিপ ইফেক্ট যুক্ত করে ইমেজের উল্টোদিকে ক্যাপশন দেখাব। একবার দেখে নেয়া যাক আমরা কি করতে চাচ্ছি।</p>
<p><iframe style="margin-right: 20px; margin-bottom: 20px; border: 1px solid #cc0099;" src=" http://tutorialbd.com/Ashim/project_base_post/1.source/flip-example/flip.html" width="550" height="250"></iframe></center></p>
<p style="text-align: justify;">
<p style="text-align: justify;">উপরের উদাহরণটিতে আপনি যখন গোলাপের ছবিটির উপর মাউস রাখবেন তখন গোলাপের ছবিটি উল্টে যাবে এবং এর পেছনে ছবিটির ক্যাপশন হিসেবে<strong style="color:red;"> Wow! Beautiful flower </strong>লেখাটি দেখাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনাকে উপরের উদাহরণ প্রজেক্টের অনুরূপ তৈরি করতে হলে ওয়ার্ডপ্রেস থিমের index.php ওপেন করে যেখানে <strong style="color:red;">&lt;?php the_post_thumbnail();?&gt; </strong>ব্যবহার করে থাম্বনেইল ইমেজ যেখানে যুক্ত করা আছে, ঐ স্থানে <strong style="color:red;">&lt;?php the_post_thumbnail();?&gt;  </strong>মুছে দিয়ে নিচের কোডটুকু যুক্ত করুন। কিছু css এবং html এডিট করা লাগতে পারে, আপনার অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করুন।</p>
<div style="text-align: justify; background: #fcdef0; border: 1px solid #feb3e0; margin: 25px; padding: 15px;">
&lt;div class=&quot;thumb_area image_thumb&quot;&gt; <br />
&lt;div class=&quot;thumb_wrap&quot;&gt;<br />
&lt;div class=&quot;flip_content&quot;&gt;<br />
&lt;div class=&quot;image_front&quot;&gt;<br />
&lt;?php the_post_thumbnail();?&gt;<br />
&lt;/div&gt;<br />
&lt;div class=&quot;flip_back&quot;&gt;<br />
&lt;h3&gt;&lt;?php echo get_post(get_post_thumbnail_id())-&gt;post_excerpt; ?&gt;&lt;/h3&gt; <br />
&lt;/div&gt; <br />
&lt;/div&gt;<br />
&lt;/div&gt;<br />
&lt;/div&gt;
</div>
<p style="text-align: justify;">এখন আপনার থিমের style.css ফাইলের একেবারে শেষে নিচের কোডটুকু যুক্ত করুন।</p>
<div style="text-align: justify; background: #e8fbc0; border: 1px solid #c0fa45; margin: 25px; padding: 15px;">
<p>/*========Flip thumbnail=======*/<br />
  .thumb_area {<br />
  border:5px solid #333333;<br />
  border-radius: 15px;<br />
  width: 160px;<br />
  height: 150px;<br />
  margin: 5px auto; <br />
  position: relative; <br />
  cursor: default;<br />
  }<br />
  .thumb_wrap{ <br />
  position: absolute;<br />
  width: 160px;<br />
  height: 150px;<br />
  -webkit-perspective: 800px;<br />
  -moz-perspective: 800px;<br />
  -o-perspective: 800px;<br />
  -ms-perspective: 800px;<br />
  perspective: 800px;</p>
<p> -webkit-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -moz-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -o-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -ms-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  }</p>
<p>.flip_content{<br />
  display:block;<br />
  position: absolute;<br />
  width: 160px;<br />
  height: 150px;<br />
  border-radius: 50%;</p>
<p> -webkit-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -moz-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -o-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  -ms-transition: all 0.4s ease-in-out;<br />
  transition: all 0.4s ease-in-out;</p>
<p>  -webkit-transform-style: preserve-3d;<br />
  -moz-transform-style: preserve-3d;<br />
  -o-transform-style: preserve-3d;<br />
  -ms-transform-style: preserve-3d;<br />
  transform-style: preserve-3d;</p>
<p>}</p>
<p>.flip_content &gt; div {<br />
  border-radius: 15px;<br />
  display: block;<br />
  position: absolute;<br />
  width: 100%;<br />
  height: 100%; <br />
  background-position: center center;<br />
  -webkit-backface-visibility: hidden;<br />
  -moz-backface-visibility: hidden;<br />
  -o-backface-visibility: hidden;<br />
  -ms-backface-visibility: hidden;<br />
  backface-visibility: hidden;<br />
  }</p>
<p>.flip_content .flip_back {<br />
  -webkit-transform: rotate3d(0,1,0,180deg);<br />
  -moz-transform: rotate3d(0,1,0,180deg);<br />
  -o-transform: rotate3d(0,1,0,180deg);<br />
  -ms-transform: rotate3d(0,1,0,180deg);<br />
  transform: rotate3d(0,1,0,180deg); <br />
  background: #000;<br />
  }</p>
<p>.image_thumb img{ <br />
  margin-left:5px;<br />
  }
</p>
<p>.flip_content h3 {<br />
  color: #f00;<br />
  text-transform: uppercase;<br />
  text-align: center;<br />
  letter-spacing: 2px;<br />
  font-size: 14px;<br />
  margin: 0 7px;<br />
  padding: 40px 0 0 0;<br />
  height: 90px;<br />
  font-family: &#8216;Open Sans&#8217;, Arial, sans-serif;<br />
  text-shadow: <br />
  0 0 1px #fff, <br />
  0 1px 2px rgba(0,0,0,0.3);<br />
  }</p>
<p>.thumb_area:hover .flip_content {<br />
  -webkit-transform: rotate3d(0,1,0,-180deg);<br />
  -moz-transform: rotate3d(0,1,0,-180deg);<br />
  -o-transform: rotate3d(0,1,0,-180deg);<br />
  -ms-transform: rotate3d(0,1,0,-180deg);<br />
  transform: rotate3d(0,1,0,-180deg);<br />
  }</p>
</div>
<p style="text-align: justify;">এই ইফেক্টটি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে কাজ করবে না । তাই থিমের header.php তে &lt;head&gt;&lt;/head&gt; এর মধ্যে নিচের কোডটুকু যুক্ত করুন</p>
<div style="text-align: justify; background: #fcdef0; border: 1px solid #feb3e0; margin: 25px; padding: 15px;">
&lt;!&#8211;[if lte IE 8]&gt;&lt;style&gt;<br />
.flip_content .flip_back {display: none;}<br />
&lt;/style&gt;&lt;![endif]&#8211;&gt;</p>
</div>
<p style="text-align: justify;">তাহলে প্র্রজেক্টটি সম্পন্ন হবে। যখন কোন ইমেজ থাম্বনেইল ইমেজ হিসেবে যুক্ত করবেন, তখন অবশ্যই ক্যাপশন যুক্ত করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://tutorialbd.com/Ashim/project_base_post/1.source.zip">এখান থেকে সোর্স কোড সংগ্রহ করে নিতে পারেন।</a> কোড যুক্ত করতে সুবিধা হবে। আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি এই এ প্রজেক্টটি চেষ্টা করার জন্য আপনার এইচ টি এম এল, সি এস এস এবং ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভলপমেন্ট সম্পর্কিত ধারণা থাকা আবশ্যক।</p>
<p style="text-align: justify;">………………………………………………………………………………..</p>
<p style="text-align: justify;">জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/4-F8uztp1ik" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16049/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16049</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন-প্রোগ্রামিং এই সি লার্নিং কনটেস্ট(২)</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/EoMb7Lli1Rw/16038</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16038#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 06 Jun 2013 19:27:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অসীম কুমার</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রগ্রামিং সি]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম কুমার]]></category>
		<category><![CDATA[কনটেস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোগ্রামিং এই সি]]></category>
		<category><![CDATA[লার্নিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16038</guid>
		<description><![CDATA[প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর উদ্বোধনী পর্বে আমরা CodeBlocks ইন্সটল করার পদ্ধতি এবং CodeBlocks ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি দেখেছি। আজ আমরা প্রোগ্রামিং ইন সি তে লেখা প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন সম্পর্কে জানব। প্রোগ্রামিং ইন সি তে লেখা প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন ডকুমেন্টেশন সেকশন লিংক সেকশন ডেফিনেশন সেকশন গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশন মেইন ফাংশন সাব ফাংশন ডকুমেন্টেশন সেকশন এই অংশে প্রোগ্রাম সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। যেমন প্রোগ্রামটি কি কাজের উদ্দেশ্য্ লেখা হয়েছে, কোডারের নাম, প্রোগ্রাম তৈরির তারিখ ইত্যাদি কমেন্টের উপস্থাপন করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এটি প্রোগ্রামের কার্যকারিতায় কোন ভূমিকা রাখে না, যেহেতু ডকুমেন্টেশন সেকশন কমেন্টের উপস্থাপন করা হয় তাই কম্পাইলার এই অংশ কম্পাইল করে না। কিন্তু ডকুমেন্টেশন সেকশন প্রোগ্রাম আপডেট, পরিবর্তন এবং পরিবর্ধনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ /************************************ * * Purpose: Basic C program * Author:  Ashim kumar pall * Creation date:    05-June-2013 * *******************************/ লিংক সেকশন এই অংশে বিভিন্ন ধরণের প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্ট সমূহের মাধ্যমে সি প্রোগ্রামের লাইব্রেরী ফাংশন সমূহ বা বিল্ট ইন ফাংশন সমূহ ব্যবহারের জন্য লিংক করা হয়। যেমন printf() ফাংশনটি ব্যবহারের জন্য #include &#60;stdio.h&#62; প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্টটি যুক্ত করতে হয়। প্রতিটি প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্ট শুরু হয় # সিম্বল দিয়ে। stdio.h কে স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট আউটপুট হেডার ফাইল বলে। ডেফিনেশন সেকশন অনেক সময় প্রোগ্রামের মধ্যে আমাদের কনস্ট্যান্ট সংখ্যা ব্যবহারের প্রয়োজন [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/pinC.png"><img class="alignright size-full wp-image-15994" alt="pinC" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/pinC.png" width="267" height="292" /></a>প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর উদ্বোধনী পর্বে আমরা CodeBlocks ইন্সটল করার পদ্ধতি এবং CodeBlocks ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি দেখেছি। আজ আমরা প্রোগ্রামিং ইন সি তে লেখা প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন সম্পর্কে জানব।</p>
<p><span style="color: #993300;"><strong>প্রোগ্রামিং ইন সি তে লেখা প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন</strong></span></p>
<ul>
<li>ডকুমেন্টেশন সেকশন</li>
<li>লিংক সেকশন</li>
<li>ডেফিনেশন সেকশন</li>
<li>গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশন</li>
<li>মেইন ফাংশন</li>
<li>সাব ফাংশন</li>
</ul>
<p style="text-align: center;"><strong><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/11.png"><img class="aligncenter" alt="11" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/11.png" width="209" height="307" /></a></strong></p>
<p><span style="color: #003366;"><b>ডকুমেন্টেশন সেকশন</b></span></p>
<p>এই অংশে প্রোগ্রাম সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। যেমন প্রোগ্রামটি কি কাজের উদ্দেশ্য্ লেখা হয়েছে, কোডারের নাম, প্রোগ্রাম তৈরির তারিখ ইত্যাদি কমেন্টের উপস্থাপন করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এটি প্রোগ্রামের কার্যকারিতায় কোন ভূমিকা রাখে না, যেহেতু ডকুমেন্টেশন সেকশন কমেন্টের উপস্থাপন করা হয় তাই কম্পাইলার এই অংশ কম্পাইল করে না। কিন্তু ডকুমেন্টেশন সেকশন প্রোগ্রাম আপডেট, পরিবর্তন এবং পরিবর্ধনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।</p>
<p><span style="color: #ff0000;">উদাহরণ</span></p>
<p>/************************************</p>
<p>*</p>
<p>* Purpose: Basic C program</p>
<p>* Author:  Ashim kumar pall</p>
<p>* Creation date:    05-June-2013</p>
<p>*</p>
<p>*******************************/</p>
<p><span style="color: #000080;"><b><span style="color: #003366;">লিংক সেকশন</span> </b></span></p>
<p>এই অংশে বিভিন্ন ধরণের প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্ট সমূহের মাধ্যমে সি প্রোগ্রামের লাইব্রেরী ফাংশন সমূহ বা বিল্ট ইন ফাংশন সমূহ ব্যবহারের জন্য লিংক করা হয়। যেমন printf() ফাংশনটি ব্যবহারের জন্য #include &lt;stdio.h&gt; প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্টটি যুক্ত করতে হয়। প্রতিটি প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্ট শুরু হয় # সিম্বল দিয়ে। stdio.h কে স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট আউটপুট হেডার ফাইল বলে।</p>
<p><span style="color: #003366;"><b>ডেফিনেশন সেকশন</b></span></p>
<p>অনেক সময় প্রোগ্রামের মধ্যে আমাদের কনস্ট্যান্ট সংখ্যা ব্যবহারের প্রয়োজন পরে, এক্ষেত্রে ডেফিনেশন সেকশনে প্রি প্রোসেসর স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে কনস্ট্যান্ট সংখ্যা সমূহ নির্ধারণ করা হয়। <span style="color: #ff0000;">যেমন</span> #define PI 3.1416  ।</p>
<p><span style="color: #003366;"><b>গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশন</b></span></p>
<p>গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশনে বিভিন্ন ধরণের গ্লোবাল ভেরিয়েবল সমূহ ডিক্লেয়ার করা হয়, যে সকল ভেরিয়েবলের প্রভাব সকল ফাংশনের মধ্যেই কার্যকর থাকবে।</p>
<p><span style="color: #ff0000;">যেমন</span></p>
<p>#include &lt;stdio.h&gt;</p>
<p>int a,b,c,result;</p>
<p>a=10;</p>
<p>b=20;</p>
<p>c=5;</p>
<p>int main()</p>
<p>{</p>
<p>result=a+b+c;</p>
<p>printf(&#8220;%d&#8221;,result);</p>
<p>return 0;</p>
<p>}</p>
<p>উপরের প্রোগ্রামটিতে a,b,c,result গ্লোবাল ভেরিয়েবল।</p>
<p><b> </b></p>
<p><span style="color: #003366;"><b>মেইন ফাংশন</b></span></p>
<p>প্রতিটা সি প্রোগ্রামেই একটা মেইন ফাংশন থাকে, যার মধ্যে অন্যান্য স্টেটমেন্ট সমূহ লেখা হয়, অন্যান্য ফাংশন সমূহ কল করা হয়।<span style="color: #ff0000;">যেমন</span></p>
<p>int main()</p>
<p>{</p>
<p>result=a+b+c;</p>
<p>printf(&#8220;%d&#8221;,result);</p>
<p>return 0;</p>
<p>}</p>
<p>এখানে int main দেয়া হয়েছে কারণ, মেইন ফাংশনটি ইন্টিজার টাইপ ডাটা রিটার্ন করে। কখনো কখনো void main(){}ও ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে কোন ভ্যালু রিটার্ন করবে না।</p>
<p><span style="color: #003366;"><b>সাব ফাংশন</b></span></p>
<p>মেইন ফাংশন ছাড়াও প্রোগ্রামে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য অন্যান্য ফাংশন সমূহ তৈরি করা হয় যা সাধারণত মেইন ফাংশনের বাইরে লেখা হয় এবং প্রয়োজনে মেইন ফাংশনের মধ্যে কল করা হয়।</p>
<p>………………………………………………………………………………..</p>
<p>জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল ।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/EoMb7Lli1Rw" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16038/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16038</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>হ্যাসওয়েলঃ ফোর্থ জেনারেশন ইন্টেল প্রসেসর</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/UgUgFABfPjQ/16029</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16029#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 06 Jun 2013 08:02:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>স্বাধীন সাজ্জাদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[কম্পিউটার হার্ডওয়্যার]]></category>
		<category><![CDATA[খবর]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি পণ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টেল]]></category>
		<category><![CDATA[কম্পিউটার হার্ডওয়্যার]]></category>
		<category><![CDATA[চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসর]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসেসর]]></category>
		<category><![CDATA[হ্যাসওয়েল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16029</guid>
		<description><![CDATA[গত ২ জুন ইন্টেল তাদের চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসর রিলিজ করেছে। চতুর্থ প্রজন্মের এই প্রসেসর কোডনেম হ্যাসওয়েল নামেই পরিচিত। তৃতীয় প্রজন্মের প্রসেসরসমূহের কিছু বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসরে। আগের প্রজন্মের আইভি ব্রিজ প্রসেসর সমূহের কিছু বৈশিষ্ট্য এই প্রসেসর এ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ২২ ন্যানোমিটারের প্রসেসর নির্মানশৈলী। এর পাশাপাশি ১৪ ধাপ সম্পন্ন পাইপালাইন, মেইনস্ট্রীম কোয়াড কোর এবং ত্রিমাত্রিক ট্রাই গেট ট্রানজিস্টর এইসকল বৈশিষ্ট পূর্ববর্তী প্রসেসরের ন্যায় অপরিবর্তিত আছে। এগুলো ছাড়াও হ্যাসওয়েল আইভি ব্রীজের মতই দুই চ্যানেল বিশিষ্ট ডিডিআর ৩ সমর্থন করে এবং এতে আছে ৬৪ কিলোবাইট এর এল১ ক্যাশ ও ২৫৬ কিলোবাইট এল২ ক্যাশ। এসকল অপরিবর্তিত বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি চতুর্থ প্রজন্মের এই প্রসেসরে থাকছে কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর নতুন ইন্সট্রাকশান সেট। এর ইন্সট্রাকশান সেট হচ্ছে অ্যাডভান্সড ভেক্টর এক্সটেনশান ২ যা Haswell New Instruction নামেও পারিচিত। হ্যাসওয়েল এর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে নতুন ধরনের সকেট এলজিএ ১১৫০। তৃতীয় প্রজন্মের আইভি ব্রীজ প্রসেসরে ব্যবহৃত হয় এলজিএ ১১৫৫ সকেট যা দ্বিতীয় প্রজন্মের স্যান্ডি ব্রীজ প্রসেসরের পরে পরিবর্তন হয়নি। মাল্টি থ্রেডেড সফটওয়্যার এর গতি বৃদ্ধির জন্য হ্যাসওয়েল প্রসেসরে রয়েছে Transactional Synchronization Extensions। অন্যতম আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের এই হ্যাসওয়েল প্রসেসরে রয়েছে ইন্টেল এর নতুন দুইটি বিল্ট ইন গ্রাফিক্স যার আর্কিটেকচারও হচ্ছে হ্যাসওয়েল। এই [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>গত ২ জুন ইন্টেল তাদের চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসর রিলিজ করেছে। চতুর্থ প্রজন্মের এই প্রসেসর কোডনেম হ্যাসওয়েল নামেই পরিচিত। তৃতীয় প্রজন্মের প্রসেসরসমূহের কিছু বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসরে।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/intel-hd-5000-haswell-ultrabook.jpg"><img class="aligncenter size-large wp-image-16030" alt="intel-hd-5000-haswell-ultrabook" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/intel-hd-5000-haswell-ultrabook-870x870.jpg" width="600" height="600" /></a></p>
<p>আগের প্রজন্মের আইভি ব্রিজ প্রসেসর সমূহের কিছু বৈশিষ্ট্য এই প্রসেসর এ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ২২ ন্যানোমিটারের প্রসেসর নির্মানশৈলী। এর পাশাপাশি ১৪ ধাপ সম্পন্ন পাইপালাইন, মেইনস্ট্রীম কোয়াড কোর এবং ত্রিমাত্রিক ট্রাই গেট ট্রানজিস্টর এইসকল বৈশিষ্ট পূর্ববর্তী প্রসেসরের ন্যায় অপরিবর্তিত আছে। এগুলো ছাড়াও হ্যাসওয়েল আইভি ব্রীজের মতই দুই চ্যানেল বিশিষ্ট ডিডিআর ৩ সমর্থন করে এবং এতে আছে ৬৪ কিলোবাইট এর এল১ ক্যাশ ও ২৫৬ কিলোবাইট এল২ ক্যাশ।</p>
<p>এসকল অপরিবর্তিত বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি চতুর্থ প্রজন্মের এই প্রসেসরে থাকছে কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর নতুন ইন্সট্রাকশান সেট। এর ইন্সট্রাকশান সেট হচ্ছে অ্যাডভান্সড ভেক্টর এক্সটেনশান ২ যা Haswell New Instruction নামেও পারিচিত। হ্যাসওয়েল এর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে নতুন ধরনের সকেট এলজিএ ১১৫০। তৃতীয় প্রজন্মের আইভি ব্রীজ প্রসেসরে ব্যবহৃত হয় এলজিএ ১১৫৫ সকেট যা দ্বিতীয় প্রজন্মের স্যান্ডি ব্রীজ প্রসেসরের পরে পরিবর্তন হয়নি। মাল্টি থ্রেডেড সফটওয়্যার এর গতি বৃদ্ধির জন্য হ্যাসওয়েল প্রসেসরে রয়েছে Transactional Synchronization Extensions। অন্যতম আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের এই হ্যাসওয়েল প্রসেসরে রয়েছে ইন্টেল এর নতুন দুইটি বিল্ট ইন গ্রাফিক্স যার আর্কিটেকচারও হচ্ছে হ্যাসওয়েল। এই দুটি হচ্ছে ইন্টেল এইচডি ৪৬০০ যা প্রায় এটিআই রেডিয়ন এইচডি ২৯০০ প্রো কিংবা এনভিডিয়া কোয়াড্রো এফএক্স ৪৬০০ এবং ইন্টেল এইচডি ৫২০০ যা প্রায় এনভিডিয়া জিফোর্স জিটি ৫৪০ অথবা এটিআই রেডিয়ন এইচডি ৬৬৮০ এর সমতুল্য। উন্নতমানের বিল্ট ইন এই গ্রাফিক্স দুটিতে রয়েছে ডিরেক্টএক্স ১১.১ এর সমর্থন। এছাড়াও গ্রাফিক্স দুইটি ওপেন জিএল ৪.০ সমর্থিত।</p>
<p>ফোর্থ জেনারেশন হ্যাসওয়েল প্রসেসর ডিডিআর ৪ সমর্থন করে। এই সকল বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি হ্যাসওয়েল প্রসেসর এর অন্যতম আরেকটি সুবিধা হচ্ছে এই প্রসেসর যথেষ্ট বিদুৎ সাশ্রয়ী।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/haswell_graphics_01.png"><img class="aligncenter size-large wp-image-16031" alt="haswell" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/haswell_graphics_01-870x516.png" width="600" height="355" /></a></p>
<p>ইন্টেল ফোর্থ জেনারেশন ডেস্কটপ প্রসেসর সমূহঃ</p>
<p># Intel Core i7 4770K</p>
<p># Intel Core i7 4770</p>
<p># Intel Core i7 4770S</p>
<p># Intel Core i7 4770R</p>
<p># Intel Core i7 4770T</p>
<p># Intel Core i7 4765T</p>
<p># Intel Core i5 4670K</p>
<p># Intel Core i5 4670</p>
<p># Intel Core i5 4670S</p>
<p># Intel Core i5 4670R</p>
<p># Intel Core i5 4670T</p>
<p># Intel Core i5 4570</p>
<p># Intel Core i5 4570S</p>
<p># Intel Core i5 4570R</p>
<p># Intel Core i5 4570T</p>
<p># Intel Core i5 4430</p>
<p># Intel Core i5 4430S</p>
<p>ইন্টেল ফোর্থ জেনারেশন ল্যাপটপ প্রসেসর সমূহঃ</p>
<p># Intel Core i7 4930MX</p>
<p># Intel Core i7 4950HQ</p>
<p># Intel Core i7 4900MQ</p>
<p># Intel Core i7 4850HQ</p>
<p># Intel Core i7 4800MQ</p>
<p># Intel Core i7 4750HQ</p>
<p># Intel Core i7 4702MQ</p>
<p># Intel Core i7 4702HQ</p>
<p># Intel Core i7 4700MQ</p>
<p># Intel Core i7 4700HQ</p>
<p># Intel Core i7 4650U</p>
<p># Intel Core i7 4558U</p>
<p># Intel Core i7 4550U</p>
<p># Intel Core i7 4500U</p>
<p># Intel Core i5 4350U</p>
<p># Intel Core i5 4288U</p>
<p># Intel Core i5 4258U</p>
<p># Intel Core i5 4250U</p>
<p># Intel Core i5 4200U</p>
<p># Intel Core i5 4200Y</p>
<p># Intel Core i3 4158U</p>
<p># Intel Core i3 4100U</p>
<p># Intel Core i3 4010U</p>
<p># Intel Core i3 4010Y</p>
<p>ইন্টেল ফোর্থ জেনারেশন সার্ভার প্রসেসরঃ</p>
<p># Intel Xeon E3 1285v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1285Lv3</p>
<p># Intel Xeon E3 1280v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1275v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1270v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1265Lv3</p>
<p># Intel Xeon E3 1245v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1240v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1230v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1230v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1239Lv3</p>
<p># Intel Xeon E3 1225v3</p>
<p># Intel Xeon E3 1220v3</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/UgUgFABfPjQ" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16029/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16029</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>আট মাস পর আবার ফিরে এল ইউটিউব!!!</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/r5j0FuSq6ZA/16025</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16025#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 06 Jun 2013 05:23:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সিহাব সুমন</dc:creator>
				<category><![CDATA[খবর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16025</guid>
		<description><![CDATA[সবাইকে অনেক অনেক সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আশাকরি সকলে মহান আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি। আমরা সবাই জানি যে, ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। মহানবী হযরত মুহম্মদ (স:) কে নিয়ে তৈরী মার্কিন ফিল্ম না সরানোর জন্য গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাংলাদেশ ইউটিউব বন্ধ করে দেয়।এই কারণে বাংলাদেশের ভিজিটর রা ইউটিউব গত ৮ মাস ব্যবহার করতে পারেনি। গত কাল বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ সরকার ইউটিউবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে আবার সকল ভিজিটরদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির কর্মকর্তা জাকির হোসাইন খান। এতে করে বাংলাদেশের সকল সাধারণ ব্যবহারকারী আবার ইউটিউবের স্বাদ পাবে।]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>সবাইকে অনেক অনেক সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আশাকরি সকলে মহান আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি। আমরা সবাই জানি যে, ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। মহানবী হযরত মুহম্মদ (স:) কে নিয়ে তৈরী মার্কিন ফিল্ম না সরানোর জন্য গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাংলাদেশ ইউটিউব বন্ধ করে দেয়।এই কারণে বাংলাদেশের ভিজিটর রা ইউটিউব গত ৮ মাস ব্যবহার করতে পারেনি। গত কাল বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ সরকার ইউটিউবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে আবার সকল ভিজিটরদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির কর্মকর্তা জাকির হোসাইন খান। এতে করে বাংলাদেশের সকল সাধারণ ব্যবহারকারী আবার ইউটিউবের স্বাদ পাবে।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/r5j0FuSq6ZA" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16025/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16025</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>যা থাকতে পারে গুগল নেক্সাস ৫ এ</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/N4pu-u76xnc/16017</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16017#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 04 Jun 2013 05:39:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>স্বাধীন সাজ্জাদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[খবর]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি পণ্য]]></category>
		<category><![CDATA[এন্ড্রয়েড]]></category>
		<category><![CDATA[গুগল নেক্সাস]]></category>
		<category><![CDATA[নেক্সাস ৫]]></category>
		<category><![CDATA[স্মার্টফোন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16017</guid>
		<description><![CDATA[২০১২ সালের শেষের দিকে বের হওয়া গুগল নেক্সাস ৪ এর পর গুগল তাদের নেক্সাস সিরিজের পরবর্তী স্মার্টফোন বের করতে যাচ্ছে। নেক্সাস সিরিজের এই স্মার্টফোনটি হবে নেক্সাস ৫। নেক্সাস সিরিজের আগের স্মার্টফোন নেক্সাস ওয়ান, নেক্সাস এস, গ্যালাক্সি নেক্সাস, নেক্সাস ৪ বের হয়েছে যথাক্রমে জানুয়ারী ২০১০, ডিসেম্বর ২০১০, নভেম্বর ২০১১ এবং নভেম্বর ২০১২ এ। তাই ধারনা করা যায় আগের সব স্মার্টফোনের মত নেক্সাস ৫ ও এবছরের শেষদিকে অর্থাৎ নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বরে রিলিজ পেতে পারে। যদিও এই বিষয়ে গুগল কোন তথ্য দেয়নি। গুগল নেক্সাস ৫ এর স্পেসিফিকেশন কি হবে এ ব্যাপারেও গুগল কোন তথ্য দেয়নি। তবে পরবর্তী নেক্সাস স্মার্টফোন যে এলজি তৈরী করবে এটি অনেকটা নিশ্চিত। গুগল নেক্সাস ৫ এর স্পেসিফিকেশন এর বিষয়ে অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে অনেক ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যদিও কিছু বিষয়ে প্রায় বেশিরভাগ গুজবই এক। যেমন নেক্সাস ৫ এর ডিসপ্লে সাইজ যে পাঁচ ইঞ্চি কিংবা এর থেকে সামান্য কিছুটা বেশি হবে হবে তা ধরে নেয়া যায়। পাশাপাশি নেক্সাস ৫ এ থাকবে ফুল এইচডি স্ক্রীন অর্থাৎ 1080p. পিক্সেল ডেনসিটিও হবে নেক্সাস ৪ এর থেকে বেশি। প্রসেসর হিসেবে দেখা যেতে পারে ২.৩ গিগাহার্টজ গতির Qualcomm Snapdragon 800 quad-core প্রসেসর। এর সাথে থাকতে পারে ৩ গিগাবাইট র‍্যাম। নেক্সাস ৫ এ Nikon এর তৈরী ক্যামেরা ব্যবহৃত হতে পারে। ১৬, ৩২ এবং ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>২০১২ সালের শেষের দিকে বের হওয়া গুগল নেক্সাস ৪ এর পর গুগল তাদের নেক্সাস সিরিজের পরবর্তী স্মার্টফোন বের করতে যাচ্ছে। নেক্সাস সিরিজের এই স্মার্টফোনটি হবে নেক্সাস ৫।</p>
<p>নেক্সাস সিরিজের আগের স্মার্টফোন নেক্সাস ওয়ান, নেক্সাস এস, গ্যালাক্সি নেক্সাস, নেক্সাস ৪ বের হয়েছে যথাক্রমে জানুয়ারী ২০১০, ডিসেম্বর ২০১০, নভেম্বর ২০১১ এবং নভেম্বর ২০১২ এ। তাই ধারনা করা যায় আগের সব স্মার্টফোনের মত নেক্সাস ৫ ও এবছরের শেষদিকে অর্থাৎ নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বরে রিলিজ পেতে পারে। যদিও এই বিষয়ে গুগল কোন তথ্য দেয়নি।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/LG_Google_Nexus_5.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-16018" alt="Google Nexus 5" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/LG_Google_Nexus_5.jpg" width="730" height="411" /></a></p>
<p>গুগল নেক্সাস ৫ এর স্পেসিফিকেশন কি হবে এ ব্যাপারেও গুগল কোন তথ্য দেয়নি। তবে পরবর্তী নেক্সাস স্মার্টফোন যে এলজি তৈরী করবে এটি অনেকটা নিশ্চিত।</p>
<p>গুগল নেক্সাস ৫ এর স্পেসিফিকেশন এর বিষয়ে অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে অনেক ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যদিও কিছু বিষয়ে প্রায় বেশিরভাগ গুজবই এক। যেমন নেক্সাস ৫ এর ডিসপ্লে সাইজ যে পাঁচ ইঞ্চি কিংবা এর থেকে সামান্য কিছুটা বেশি হবে হবে তা ধরে নেয়া যায়। পাশাপাশি নেক্সাস ৫ এ থাকবে ফুল এইচডি স্ক্রীন অর্থাৎ 1080p. পিক্সেল ডেনসিটিও হবে নেক্সাস ৪ এর থেকে বেশি। প্রসেসর হিসেবে দেখা যেতে পারে ২.৩ গিগাহার্টজ গতির Qualcomm Snapdragon 800 quad-core প্রসেসর। এর সাথে থাকতে পারে ৩ গিগাবাইট র‍্যাম। নেক্সাস ৫ এ Nikon এর তৈরী ক্যামেরা ব্যবহৃত হতে পারে।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/Nexus.jpg"><img class="aligncenter size-large wp-image-16019" alt="Nexus" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/06/Nexus-870x580.jpg" width="600" height="400" /></a></p>
<p>১৬, ৩২ এবং ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ সমৃদ্ধ নেক্সাস ৫ বাজারে ছাড়া হতে পারে বলে গুজব রয়েছে। গুগল নেক্সাস ৫ এন্ড্রয়েড ৫ কি লাইম নিয়ে বাজারে আসবে।</p>
<p>তবে এসব গুজবের পাশাপাশি আরেকটি সূত্র থেকে গুজব উঠেছে নেক্সাসের পরবর্তী স্মার্টফোন খুব বেশি উচ্চমানের হার্ডওয়্যার নিয়ে বাজারে আসবে না। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী গুগল নেক্সাস ৫ এ থাকবে ৪.৫ ইঞ্চি সমৃদ্ধ আইপিএস ডিসপ্লে যা হবে শুধু এইচডি অর্থাৎ 720p. প্রসেসর হিসেবে থাকবে ১.৫ গিগাহার্টজ গতির Qualcomm 600 quad-core প্রসেসর। তবে স্বাভাবিকভাবেই গুগল এসকল গুজবকে প্রত্যাখান করেছে।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/N4pu-u76xnc" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16017/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16017</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>উদ্বোধনী পর্ব-প্রোগ্রামিং এই সি লার্নিং কনটেস্ট(১)</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/VI830yjrSfc/16001</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/16001#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 24 May 2013 20:22:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অসীম কুমার</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রগ্রামিং সি]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম কুমার]]></category>
		<category><![CDATA[কনটেস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোগ্রামিং এই সি]]></category>
		<category><![CDATA[লার্নিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=16001</guid>
		<description><![CDATA[প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর উদ্বোধনী পর্বে আমি অসীম কুমার আপনাদেরকে স্বাগতম জানাচ্ছি। গত পর্বকে আমরা প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে আমরা বিবেচনা করতে পারি, যেখানে আমরা প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্টের পদক্ষেপ সমূহ এবং প্রোগ্রামিং ইন সি শেখার এর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার হিসেবে CodeBlocks সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জেনেছি। আজকে আমরা সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে একটি প্রোগ্রাম লেখার মাধ্যমে প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর শুভ উদ্বোধন করব। তাহলে আসেন শুভকাজে আর কালবিলম্ব না করে কাজটা শুরু করা যাক। CodeBlocks ইন্সটলেশন CodeBlocks ইন্সটল পদ্ধতি অন্যান্য সাধারণ সফটওয়ার সমূহের মতই। এবং ওপেন সোর্স হওয়াতে লাইসেন্স নিয়ে চিন্তা করারও কোন কারণ নেই। আমার বিশ্বাস সবাই খুব সহজেই CodeBlocks ইন্সটল করতে পারবেন। আমি আপনাদের সুবিধার্থে CodeBlocks সফটওয়্যারটি সংগ্রহ করার লিংটি আরো একবার দিয়ে দিলাম। আর সমস্যা হলে মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি আপনারা যদি সঠিকভাবে CodeBlocks ইন্সটল করে থাকেন তাহলে নিচের ছবির মত একটা সুন্দরওয়ার্কস্পেস পাবেন। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে আমরা সি দিয়ে যে সকল প্রোগ্রাম রচনা করব তার জন্য আমাদের কম্পিউটারের কোন একটি ড্রাইভে নির্দিষ্ট একটা ফোল্ডার তৈরি করা। আমরা এ জন্য D ড্রাইভের মধ্যে c_program নামে একটা ফোল্ডার তৈরি করে নেই। অন্য কোন ড্রাইভেও করা যেতে পারে। c ড্রাইভে করলে যখন অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন করা হবে তখন অবশ্যই c_program ফাইলটি অন্যকোন ড্রাইফে [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর উদ্বোধনী পর্বে আমি অসীম কুমার আপনাদেরকে স্বাগতম জানাচ্ছি। গত পর্বকে আমরা প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে আমরা বিবেচনা করতে পারি, যেখানে আমরা প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্টের পদক্ষেপ সমূহ এবং প্রোগ্রামিং ইন সি শেখার এর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার হিসেবে CodeBlocks সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জেনেছি। আজকে আমরা সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে একটি প্রোগ্রাম লেখার মাধ্যমে প্রোগ্রামিং ইন সি লার্নিং কনটেস্ট এর শুভ উদ্বোধন করব। তাহলে আসেন শুভকাজে আর কালবিলম্ব না করে কাজটা শুরু করা যাক।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993300;"><b>CodeBlocks ইন্সটলেশন</b></span></p>
<p style="text-align: justify;">CodeBlocks ইন্সটল পদ্ধতি অন্যান্য সাধারণ সফটওয়ার সমূহের মতই। এবং ওপেন সোর্স হওয়াতে লাইসেন্স নিয়ে চিন্তা করারও কোন কারণ নেই। আমার বিশ্বাস সবাই খুব সহজেই CodeBlocks ইন্সটল করতে পারবেন। আমি আপনাদের সুবিধার্থে <a href="http://www.codeblocks.org/downloads/26">CodeBlocks সফটওয়্যারটি সংগ্রহ</a> করার লিংটি আরো একবার দিয়ে দিলাম। আর সমস্যা হলে মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993300;"><strong>প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">আপনারা যদি সঠিকভাবে CodeBlocks ইন্সটল করে থাকেন তাহলে নিচের ছবির মত একটা সুন্দরওয়ার্কস্পেস পাবেন।</p>
<p style="text-align: center;"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/1.png"><img class="wp-image-16002 aligncenter" alt="1" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/1.png" width="588" height="456" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">এখন আমাদের কাজ হচ্ছে আমরা সি দিয়ে যে সকল প্রোগ্রাম রচনা করব তার জন্য আমাদের কম্পিউটারের কোন একটি ড্রাইভে নির্দিষ্ট একটা ফোল্ডার তৈরি করা। আমরা এ জন্য D ড্রাইভের মধ্যে c_program নামে একটা ফোল্ডার তৈরি করে নেই। অন্য কোন ড্রাইভেও করা যেতে পারে। c ড্রাইভে করলে যখন অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন করা হবে তখন অবশ্যই c_program ফাইলটি অন্যকোন ড্রাইফে সরিয়ে নিতে হবে না হলে সকল প্রোগ্রাম নষ্ট হয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন CodeBlocks প্রোগ্রাম লেখার সহজ পদ্ধতি হচ্ছে</p>
<p style="text-align: justify;">File মেনু থেকে New এবং এখান থেকে Empty file এ ক্লিক করা, তাহলে একটা কোড এডিটর আসবে।</p>
<p style="text-align: center;"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/2.png"><img class=" wp-image-16003 aligncenter" alt="2" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/2.png" width="500" height="355" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">এখন ফাইলটিকে save করতে হবে। এজন্য File মেনু থেকে Save file as… এ ক্লিক করতে হবে, তাহলে নিচের ছবির মত একটা উইন্ডো আসবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে File name ফিল্ডে first.c এর অনুরূপ কোন একটা নাম দিতে হবে।অবশ্যই এক্সটেনশন .c দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন কোড এডিটরে নিচের কোডটুকু লেখতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify; background: #e8fbc0; border: 1px solid #c0fa45; margin: 25px; padding: 15px;">#include &lt;stdio.h&gt;<br />
int main()<br />
{<br />
printf(&#8220;Welcome to opening ceremony of programming in C learning contest!&#8221;);<br />
return 0;<br />
}</p>
<p style="text-align: justify;">এর পর Build মেনু থেকে Build এ ক্লিক করে প্রোগ্রাম বিল্ড করার পর Build মেনু থেকে Run এ ক্লিক করলে নিচের স্ক্রিনের মত Welcome to opening ceremony of programming in C learning contest!&#8221;); লেখাটি প্রদর্শিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/3.png"><img class="aligncenter size-full wp-image-16004" alt="3" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/3.png" width="573" height="179" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">………………………………………………………………………………..</p>
<p style="text-align: justify;">জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল ।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/VI830yjrSfc" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/16001/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/16001</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>প্রোগ্রামিং এই সি লার্নিং কনটেস্ট</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/qUL3ZWAM6XE/15993</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/15993#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 11:11:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অসীম কুমার</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রগ্রামিং সি]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম কুমার]]></category>
		<category><![CDATA[কনটেস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোগ্রামিং এই সি]]></category>
		<category><![CDATA[লার্নিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=15993</guid>
		<description><![CDATA[“প্রোগ্রামিং সি” সবার কাছেই খুব পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সি এমন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা শিখলে অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন জাভা, সি প্লাস প্লাস, ভিজুয়্যাল বেসিক, ওয়েব ডেভলপমেন্টে ব্যবহৃত পি এইচ পি এইচ পি, জাভাস্ক্রিপ্ট, এ এস পি ইত্যাদি সহজে এবং অল্প সময়ে শেখা যায়। তাই সবাই নতুনদেরকে প্রোগ্রামিং সি শেখার জন্য উৎসাহিত করে থাকেন। সত্যিকার অর্থেই সি না শিখে একজন অদর্শ প্রোগ্রামার হয়ে উঠা অসম্ভব। আপনি যদি একজন ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে কোন বিভাগের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, ইমবেডেড সিস্টেম ডেভলপমেন্ট, মাইক্রোকন্ট্রোলার টেকনোলজি ইত্যাদিতে আগ্রহ থাকে তাহলে প্রোগ্রামিং সি শেখাটা আপনার জন্য অপরিহার্য। অন্য একটা কারণে আমার কাছে প্রোগ্রামিং সি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং এজন্য আমি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। হয়তবা আপনাদের অনেকের সাথেই মিলে যেতে পারে। আমারমত অনেকেরই নিজের কম্পিউটার কেনাটা বেশ চ্যালেঞ্জের ব্যাপার ছিল। অনেক আগে থেকেই কম্পিউটার কেনার জন্য আবদার করতাম। কিন্তু সে আবদারটা বাস্তাবায়ন করাটা আমার পরিবারের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল। অবশেষে ২০০৮ এ ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজিতে পড়ার সময় আমার চহিদাটি পূর্ণতা পায় । কারণ ঐ সময় প্রোগ্রামিং সি বিষয়টি আমার সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত ছিল এবং বাবা মা আমার কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তা বিষয়টি অনুভব করে। যা হোক প্রোগ্রামিং সি ঐ সময় থেকে এখনো পর্যন্ত পরিপূর্ণভাবে শিখতে পারিনি, কিন্তু শেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/pinC.png"><img class="alignright size-full wp-image-15994" alt="pinC" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/pinC.png" width="267" height="292" /></a>“প্রোগ্রামিং সি” সবার কাছেই খুব পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সি এমন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা শিখলে অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন জাভা, সি প্লাস প্লাস, ভিজুয়্যাল বেসিক, ওয়েব ডেভলপমেন্টে ব্যবহৃত পি এইচ পি এইচ পি, জাভাস্ক্রিপ্ট, এ এস পি ইত্যাদি সহজে এবং অল্প সময়ে শেখা যায়। তাই সবাই নতুনদেরকে প্রোগ্রামিং সি শেখার জন্য উৎসাহিত করে থাকেন। সত্যিকার অর্থেই সি না শিখে একজন অদর্শ প্রোগ্রামার হয়ে উঠা অসম্ভব। আপনি যদি একজন ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে কোন বিভাগের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, ইমবেডেড সিস্টেম ডেভলপমেন্ট, মাইক্রোকন্ট্রোলার টেকনোলজি ইত্যাদিতে আগ্রহ থাকে তাহলে প্রোগ্রামিং সি শেখাটা আপনার জন্য অপরিহার্য।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য একটা কারণে আমার কাছে প্রোগ্রামিং সি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং এজন্য আমি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। হয়তবা আপনাদের অনেকের সাথেই মিলে যেতে পারে। আমারমত অনেকেরই নিজের কম্পিউটার কেনাটা বেশ চ্যালেঞ্জের ব্যাপার ছিল। অনেক আগে থেকেই কম্পিউটার কেনার জন্য আবদার করতাম। কিন্তু সে আবদারটা বাস্তাবায়ন করাটা আমার পরিবারের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল। অবশেষে ২০০৮ এ ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজিতে পড়ার সময় আমার চহিদাটি পূর্ণতা পায় । কারণ ঐ সময় প্রোগ্রামিং সি বিষয়টি আমার সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত ছিল এবং বাবা মা আমার কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তা বিষয়টি অনুভব করে। যা হোক প্রোগ্রামিং সি ঐ সময় থেকে এখনো পর্যন্ত পরিপূর্ণভাবে শিখতে পারিনি, কিন্তু শেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি অনেক। ২০০১৩ তে এসে আবার বিষয়টিকে সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত হিসেবে পেয়ে খুশি হয়েছি। কারণ এবার পরীক্ষায় মার্ক তোলার পাশাপাশি বিস্তারিতভাবে শেখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশগ্রহনের প্রবল আগ্রহ যুক্ত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify; background: #fcdef0; border: 1px solid #feb3e0; margin: 25px; padding: 15px;">কেন বিষয় একা একা লুকিয়ে শেখার চেয়ে সবাই মিনে হৈ চৈ করে শেখাটাকে বেশি পছন্দ করি । ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল, মন্তব্য এবং বিভিন্ন ধরণের ACM সমস্যা সমূহ সমাধান করার পদ্ধতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে আসুন আমরা আমাদের প্রোগ্রামিং এর দক্ষতা বৃদ্ধি করি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #993300;">শেখার জন্য আমাদের পদক্ষেপ সমূহ</span></strong></p>
<ul style="text-align: justify;">
<li> সি প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন বিষয়ের উপর ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল।</li>
<li> প্রতিটি তাত্বিক বিষয় বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি উদাহরণ সোর্স কোড সরবরাহ।</li>
<li> প্রাসঙ্গিক যে কোন ধরণের সমস্যা সমাধানে মন্তব্য প্রদানের মাধ্যমে একে অপরকে সাহায্য করা এবং গঠন মূলক আলোচনা।</li>
<li>বিভিন্ন ধরণের ACM সমস্যা সমূহ বিশ্লেষণ, এলগরিদম তৈরি, গানিতিক এবং লজিক্যাল সমস্যা নিয়ে আলোচনা এবং সমাধানের চেষ্টা করা।</li>
<li>প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশগ্রহনের পদ্ধতি, পরামর্শ এবং প্রস্তুতি বিষয়ে আলোচনা।</li>
</ul>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #993300;">প্রাথমিক পদক্ষেপ</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">প্রোগ্রামিং সি তে প্রোগ্রাম রচনা এবং তৈরিকৃত প্রোগ্রাম কম্পাইল এবং কোড রান করার জন্য আমাদেরকে উপযুক্ত কোন একটি সফটওয়্যার নির্ধারণ করতে হবে। কারণ আমরা জানি যে কম্পিউটারের ভাষা হচ্ছে 01 অর্থাৎ বাইনারি একে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।তাই বিভিন্ন হাই লেভেল ও মিড লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রাম কে কম্পিউটারের ভাষা তথা মেশিনল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করার জন্য যে বিশেষ ধরণের সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পাইলার। বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের কম্পাইলার পাওয়া যায়। যেমন Turbo C, visual C, Dev C, CodeBlocks ইত্যাদি। আমার কাছে CodeBlocks টি বেশ ভাল হনে হয়। আপনারা <a href="http://www.codeblocks.org/downloads/26">এখান থেকে CodeBlocks সফটওয়্যারটি সংগ্রহ</a> করে নিতে পারেন। ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল সমহে CodeBlocks সফটওয়্যারটি অনুসরণ করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">………………………………………………………………………………..</p>
<p style="text-align: justify;">জ্ঞন বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আলোকিত একটা সুন্দর সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করছি। সকলের জন্য শুভকামনা রইল ।</p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/qUL3ZWAM6XE" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/15993/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/15993</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>টরেন্ট কি, কেন, কিভাবে ?</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/EfeBMdJbKts/15977</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/15977#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 14 May 2013 06:56:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shubhobd</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[ডাউনলোড]]></category>
		<category><![CDATA[ডেস্কটপ এপ্লিকেশন]]></category>
		<category><![CDATA[সচেতনতা]]></category>
		<category><![CDATA[টরেন্ট সাইট]]></category>
		<category><![CDATA[টিউটরিয়াল]]></category>
		<category><![CDATA[টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[সেরা টরেন্ট সাইট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=15977</guid>
		<description><![CDATA[টরেন্ট ২০০১ সালে পাইথন প্রোগ্রামার ব্রাম কোহেন বিট টরেন্ট এর ধারণার উদ্ভাবন করেন।২০০৪ এর দিকে এটা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ২০০৯ এর এক জরিপে এ দেখা যায় তখনকার Facebook ও Youtube এর মোট ব্যবাহারকারীর সংখ্যার যোগফল হল  টরেন্ট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। টরেন্ট কি, কেন, কিভাবে ? টরেন্ট একটি ডাটা শেয়ারিং সিস্টেম । আমরা নেট থেকে যে বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড করি তা বিভিন্ন প্রোটকলের মাধ্যমে ডাউনলোড হয়। টরেন্ট ও একটি প্রোটকলের মাধ্যমে ডাউনলোড হয়। প্রোটকল কে রাস্তা বলা যেতে পারে। যে রাস্তা দিয়ে ডাটা ডাউনলোড হয় ।বিভিন্ন প্রোটকল আছে যা বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা হয়।টরেন্ট একটি  ফাইল শেয়ারিং প্রোটকল। আমরা সাধারণত যে সব ফাইল ডাউনলোড করি তা কোন না কোন সার্ভারে আপলোড করা থাকে, আর আমরা সেখান থেকে তা ডাউনলোড করি। কিন্তু টরেন্ট একটু ভিন্ন, টরেন্ট ফাইল গুলো কোন নিদিষ্ট সার্ভারে জমা থাকে না সহজ কথায় কেউ টরেন্ট এর ফাইল গুলো ডাউনলোড দিলে তা আপনার পিসি তে জমা হয়। তা আবার আরেক জন আপনার পিসি থেকে ডাউনলোড করে ।এভাবেই টরেন্ট এর নেটওর্য়াক গড়ে ওঠে। এধরণের নেট ওয়ার্ককে বলে P2P File sharing Network। টরেন্ট কাজ করার জন্য পুরো ফাইলটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নেয় যাতে করে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে ডাউনলোড দেওয়া যায়। টরেন্ট কিভাবে কাজ করে? যেমটি আগেই বলা হয়েছে। টরেন্ট [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>টরেন্ট</strong></span></h1>
<p>২০০১ সালে পাইথন প্রোগ্রামার ব্রাম কোহেন বিট টরেন্ট এর ধারণার উদ্ভাবন করেন।২০০৪ এর দিকে এটা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ২০০৯ এর এক জরিপে এ দেখা যায় তখনকার Facebook ও Youtube এর মোট ব্যবাহারকারীর সংখ্যার যোগফল হল  টরেন্ট ব্যবহারকারীর সংখ্যা।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>টরেন্ট কি, কেন, কিভাবে ?</strong></span></h1>
<p>টরেন্ট একটি ডাটা শেয়ারিং সিস্টেম । আমরা নেট থেকে যে বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড করি তা বিভিন্ন প্রোটকলের মাধ্যমে ডাউনলোড হয়। টরেন্ট ও একটি প্রোটকলের মাধ্যমে ডাউনলোড হয়। প্রোটকল কে রাস্তা বলা যেতে পারে। যে রাস্তা দিয়ে ডাটা ডাউনলোড হয় ।বিভিন্ন প্রোটকল আছে যা বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা হয়।টরেন্ট একটি  ফাইল শেয়ারিং প্রোটকল। আমরা সাধারণত যে সব ফাইল ডাউনলোড করি তা কোন না কোন সার্ভারে আপলোড করা থাকে, আর আমরা সেখান থেকে তা ডাউনলোড করি। কিন্তু টরেন্ট একটু ভিন্ন, টরেন্ট ফাইল গুলো কোন নিদিষ্ট সার্ভারে জমা থাকে না সহজ কথায় কেউ টরেন্ট এর ফাইল গুলো ডাউনলোড দিলে তা আপনার পিসি তে জমা হয়। তা আবার আরেক জন আপনার পিসি থেকে ডাউনলোড করে ।এভাবেই টরেন্ট এর নেটওর্য়াক গড়ে ওঠে। এধরণের নেট ওয়ার্ককে বলে P2P File sharing Network। টরেন্ট কাজ করার জন্য পুরো ফাইলটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নেয় যাতে করে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে ডাউনলোড দেওয়া যায়।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>টরেন্ট কিভাবে কাজ করে?</strong></span></h1>
<p>যেমটি আগেই বলা হয়েছে। টরেন্ট এর নিজস্ব কোন সার্ভার নেই তাই টরেন্ট এর ফাইল গুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে অনেক গুলো পিসি তে জমা থাকে। প্রথমে একজন কিছু ফাইল বা ডাটা নিয়ে একটি টরেন্ট ফাইল বানায়। এই টরেন্ট ফাইলে থাকে ওই ডাটা গুলোর তথ্য যে কি কি, কোন ডাটা এবং সেটা তার কম্পিউটারের কোন লোকেশন থেকে নেয়া হবে। সেটা তৈরী করার পর একটি টরেন্ট ডাউনলোডার সাইট এ সাবমিট করা হয় আর সেখান থেকে শুধু টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করতে হয়। এবং টরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ডাটা গুলো ডাউনলোড শুরু হয়।</p>
<p>সাধারণ ডাউনলোড ও টরেন্ট এর মাঝে পার্থক্যটা একটু লক্ষ্য করি।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/dlpic.png"><img class="alignnone size-full wp-image-15979" alt="dlpic" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/dlpic.png" width="545" height="251" /></a></p>
<p>ঠিক এভাবেই প্রত্যেকের পিসি তে অল্প অল্প করে ডাটা নিয়ে সম্পূর্ণ ডাটা টি পরিপূর্ণ হয়।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/debarghya-mukherjee-how-torrent-system-works.gif"><img class="alignnone size-full wp-image-15978" alt="debarghya mukherjee how torrent system works" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/debarghya-mukherjee-how-torrent-system-works.gif" width="400" height="400" /></a></p>
<p>যখন আপনি টরেন্ট ডাউনলোড দেন, ঠিক একই সময় সেটা  আপলোড ও হয় যা অন্য আরেকজন ডাউনলোড দেয়।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>কেন টরেন্ট ব্যাবহার করব?</strong></span></h1>
<p>আমার সার্ভার থেকে যখন অনেক লোক এক সাথে ডাউনলোড দিবে তখন সার্ভার পুরো জ্যাম হয় যায়। মনে করেন কেউ একজন একটা বিশেষ ভিডিও তৈরী করেছে যা শুধু তার কাছেই আছে এবং সে সেটা সে একটি সার্ভারে রাখল কিন্তু সেটা এতো জনপ্রিয় হয়ে গেল আর একসাথে কোটি  কোটি মানুষ ডাউনলোড দেয়া শুরু করল এক সময় দেখা যাবে সার্ভার পুরো জ্যাম। কিন্তু টরেন্ট এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন যত মানুষ ডাউনলোড দিবে এর স্পিড ততো বাড়তে থাকে। তাই P2P ফাইল শেয়ারিং সিস্টেম অনেক কার্যকর। টরেন্ট ডাউনলোড এর অনেক সুবিধা আছে যার মাঝে সবচেয়ে বড় সুবিধা আনলিমিটেড রিসার্ম ডাউনলোড মানে থেমে থেমে ডাউনলোড করতে পারবেন।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>টরেন্ট এর কিছু জিনিস যা জানা দরকার :</strong></span></h1>
<p>P2P = Peer 2 Peer</p>
<p>Seeds = যে আপলোড করে।</p>
<p>Peer = যে ডাউনলোড ও আপলোড করে।</p>
<p>Clint =যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটি রাখা হয়।</p>
<p>Tracker = যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটি রাখা হয় ট্রাকার বা মাধ্যম।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>টরেন্ট এ কি কি পাওয়া যায়?</strong></span></h1>
<p>টরেন্ট এ কি পাওয়া যায় না ? টরেন্ট এ প্রায় সকল জিনিস ই পাওয়া যায়।</p>
<p>গান, মুভি, ই-বুক, ছবি, গেমস, সফটওয়্যার ইত্যাদি ইত্যাদি।</p>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>কোথায় পাব ?</strong></span></h1>
<p>কিছু টরেন্ট ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল এসব জায়গায় আপনি প্রচুর পরিমাণে ডাটা পাবেন।  গান, মুভি, ই-বুক, ছবি, গেমস, প্রায় সবই।</p>
<ol>
<li><a href="http://thepiratebay.sx/browse" target="_blank">thepiratebay</a></li>
<li><a href="http://kat.ph/" target="_blank">Kat</a></li>
<li><a href="http://www.seedpeer.me/" target="_blank">Speedpeer</a></li>
<li><a href="http://www.limetorrents.com/" target="_blank">limetorrents</a></li>
<li><a href="http://isohunt.com/" target="_blank">isohunt</a></li>
<li><a href="http://www.torrentreactor.net/" target="_blank">torrentreactor</a></li>
<li><a href="http://h33t.com/" target="_blank">h33t</a></li>
<li><a href="http://torrentz.eu/" target="_blank">torrentz</a></li>
<li><a href="http://extratorrent.com/" target="_blank">extratorrent </a></li>
<li><a href="http://torrentcrazy.com/" target="_blank">torrentcrazy</a></li>
</ol>
<h1><span style="text-decoration: underline"><strong>কিভাবে টরেন্ট ডাউনলোড করব?</strong></span></h1>
<p>টরেন্ট ডাউনলোড করার জন্য সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে হয় । কিছু সফটওয়্যারের নাম ও ডাউনলোড লিংক দেয়া হল।</p>
<ol>
<li><a href="http://www.bittorrent.com/downloads/complete?os=win" target="_blank">Bit torrent</a></li>
<li><a href="http://tixati.com/download/index.html" target="_blank">Tixati</a></li>
<li><a href="http://www.utorrent.com/utorrent-plus/index/frmnvh" target="_blank">uTorrent</a></li>
<li><a href="http://www.vuze.com/download.php" target="_blank">Vuze</a></li>
<li><a href="http://www.bitcomet.com/doc/download.php" target="_blank">Bitcomet</a></li>
</ol>
<p>পরবর্তিতে দেখানো হবে কিভাবে  টরেন্ট বানিয়ে তা আপলোড করে ডাটা শেয়ার করতে হয়। আর কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানান। ধন্যবাদ।</p>
<p>প্রথমে আমার <a href="http://blog.shubho.info/?p=32">নিজস্ব ব্লগে</a> প্রকাশিত। <a href="http://blog.shubho.info/?p=32">লিংক:</a><a href="http://blog.shubho.info/?p=32">http://blog.shubho.info/?p=32</a></p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/EfeBMdJbKts" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/15977/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/15977</feedburner:origLink></item>
		<item>
		<title>২৮ বছরের আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখাবে গুগল টাইমলেপ্স !</title>
		<link>http://feedproxy.google.com/~r/tutorialbd/~3/_8Nalb09rQc/15967</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/blog/p/15967#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 12 May 2013 05:46:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>নিলুফার ইয়াসমিন</dc:creator>
				<category><![CDATA[খবর]]></category>
		<category><![CDATA[গুগল]]></category>
		<category><![CDATA[গুগল টাইমলেপ্স]]></category>
		<category><![CDATA[নিলুফার ইয়াসমিন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/blog/?p=15967</guid>
		<description><![CDATA[সম্প্রতি গুগল অত্যন্ত চমৎকার এবং দর্শনযোগ্য একটি  পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। যেখানে দেখা যাবে গত দুই দশকে আমাদের গ্রহ কেমন পরিবর্তন হল এবং সম্প্রতি কি অবস্থানে আছে, এই গুগল টিম যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগলিক জরীপ ( US Geological Survey) নাসা (NASA), টাইম (TIME)  এবং তারা ২ মিলিয়নের বেশি উপগ্রহের ছবি সংগ্রহ করে যা ছিল ১৯৮৪ থেকে ২০১৩ এর মধ্যে ধারণ করা। কারনেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি টিম  CREATE ল্যাবে কাজ করেন। এই ছবিগুলোকে HTML5 এনিমেশনে পরিণত করেন যেখানে দেখা যাবে নির্দিষ্ট জায়গাটি বছরের পর বছরে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা এই HTML5  এনিমেশন এ দেখতে পাবে কিভাবে ব্রাজিলের আমাজন এর অরণ্য নিধণ হয়,কিভাবে লাস ভেগাসের নেভাডার উত্থান হয়, ইরানের লেক উরমিয়া (Lake Urmia) কিভাবে শুকিয়ে গেছে। আরো অনেক কিছু দেখতে পাবেন। কোন কিছু দেখতে চাইলে তার নির্দিষ্ট নাম ‘timelapse’ এ লিখে দিলে সেটি তা দেখাবে। দেখুন timelapse]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>সম্প্রতি গুগল অত্যন্ত চমৎকার এবং দর্শনযোগ্য একটি  পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-3.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-15969" alt="Google-Timelapse-3" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-3.jpg" width="625" height="418" /></a></p>
<p>যেখানে দেখা যাবে গত দুই দশকে আমাদের গ্রহ কেমন পরিবর্তন হল এবং সম্প্রতি কি অবস্থানে আছে, এই গুগল টিম যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগলিক জরীপ ( US Geological Survey) নাসা (NASA), টাইম (TIME)  এবং তারা ২ মিলিয়নের বেশি উপগ্রহের ছবি সংগ্রহ করে যা ছিল ১৯৮৪ থেকে ২০১৩ এর মধ্যে ধারণ করা। কারনেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি টিম  <a href="http://www.cmucreatelab.org/">CREATE </a>ল্যাবে কাজ করেন।</p>
<div id="attachment_15970" class="wp-caption alignnone" style="width: 635px"><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-2.jpg"><img class="size-full wp-image-15970" alt="লাস ভেগাস- টাইমলেপ্স" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-2.jpg" width="625" height="418" /></a><p class="wp-caption-text">লাস ভেগাস- টাইমলেপ্স</p></div>
<p>এই ছবিগুলোকে HTML5 এনিমেশনে পরিণত করেন যেখানে দেখা যাবে নির্দিষ্ট জায়গাটি বছরের পর বছরে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা এই HTML5  এনিমেশন এ দেখতে পাবে কিভাবে ব্রাজিলের আমাজন এর অরণ্য নিধণ হয়,কিভাবে লাস ভেগাসের নেভাডার উত্থান হয়, ইরানের লেক উরমিয়া (Lake Urmia) কিভাবে শুকিয়ে গেছে। আরো অনেক কিছু দেখতে পাবেন। কোন কিছু দেখতে চাইলে তার নির্দিষ্ট নাম ‘timelapse’ এ লিখে দিলে সেটি তা দেখাবে।</p>
<p>দেখুন <a href="http://earthengine.google.org/#intro/LasVegas">timelapse</a></p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-1.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-15971" alt="Google-Timelapse-1" src="http://tutorialbd.com/blog/wp-content/uploads/2013/05/Google-Timelapse-1.jpg" width="625" height="340" /></a></p>
<img src="http://feeds.feedburner.com/~r/tutorialbd/~4/_8Nalb09rQc" height="1" width="1"/>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/blog/p/15967/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		<feedburner:origLink>http://tutorialbd.com/blog/p/15967</feedburner:origLink></item>
	</channel>
</rss><!-- Dynamic page generated in 0.434 seconds. --><!-- Cached page generated by WP-Super-Cache on 2013-06-16 18:07:53 -->
