<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet type="text/xsl" media="screen" href="/~d/styles/rss2full.xsl"?><?xml-stylesheet type="text/css" media="screen" href="http://feeds.feedburner.com/~d/styles/itemcontent.css"?><rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" version="2.0">

<channel>
	<title>টিউটোরিয়ালবিডি » ব্লগিং</title>
	
	<link>http://tutorialbd.com/bn</link>
	<description>First Bangla Tutorial Online Platform | বাংলা টিউটোরিয়াল ভান্ডার</description>
	<lastBuildDate>Sat, 25 Feb 2012 18:35:20 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3</generator>
		<atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="self" type="application/rss+xml" href="http://feeds.feedburner.com/tutorialbd/blogging" /><feedburner:info xmlns:feedburner="http://rssnamespace.org/feedburner/ext/1.0" uri="tutorialbd/blogging" /><atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="hub" href="http://pubsubhubbub.appspot.com/" /><item>
		<title>ReSpelt -– ইংরেজি বানান পরীক্ষক!</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=7032</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=7032#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 25 Feb 2012 18:35:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম শাওন</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফটোশপ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজি]]></category>
		<category><![CDATA[টিউটরিয়াল]]></category>
		<category><![CDATA[বানান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=7032</guid>
		<description><![CDATA[আমারা সচারচর যারা ইংরেজি ব্লগ লিখি বা ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করি তাদের ইংরেজি জানা এবং শিক্ষাটা কতটা জরুরী তা একমাত্র যারা করেন বা করছেন তারাই বুঝতে পারেন। কারন হিসেবে দেখা যায়, আপনি যদি ইংরেজিতে ব্লগ লিখেন তাহলে বানানের শুদ্ধতা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর একজন ওয়েব মাস্টার হলে আপনার কন্টেন্টকে ইংরেজি করতে আপনার অবশ্যই ভাল দক্ষতা লাগবে ইংরেজিতে। অনলাইনে আপনি যে কাজই করেন না কেন আপনাকে ইংরেজি অনেক বেশি ভাল মানের না হলেই অন্তত একটি বিষয়কে ইংরেজিতে গুছিয়ে লিখতে জানতে হবে কোন ধরনের ভুলে ছাড়াই। কিন্তু আমাদের কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও তা শেখার আগ্রহ সম্পন্ন মানুষ খুঁজে পাওয়া অনেক দায়। আর এই কারনেই আমরা অনেক কাজেই ভুল করে চলছি অনবরত, সেটা ইংরেজি ব্লগ লিখা বলেন আর ইংরেজি নিয়ে অন্য যেকোন ব্যাপারই হোক না কেনো। যাহোক, যাদের ইংরেজি জানার আগ্রহ আছে বা মোটামুটি ধারনা নিয়ে কাজ করছেন কিন্তু ইংরেজি বানানের প্রতি এখনো ভাল ধারনা আনতে পারছেন না তাদের জন্য একটি অনলাইন ইংরেজি বানান পরীক্ষক টুল শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশা করি নতুনদের অনেক কাজে আসবে। তো চলুন শুরু করা যাক&#8230; ১. ReSpelt এর ওয়েব সাইটে চলে যান। ২. Paste the document below, enter the URL or RSS feed to check spelling &#8211; এর নিছে আপনার লিখা ইংরেজি টেক্সট পেস্ট করুন বা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আমারা সচারচর যারা ইংরেজি ব্লগ লিখি বা ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করি তাদের ইংরেজি জানা এবং শিক্ষাটা কতটা জরুরী তা একমাত্র যারা করেন বা করছেন তারাই বুঝতে পারেন। কারন হিসেবে দেখা যায়, আপনি যদি ইংরেজিতে ব্লগ লিখেন তাহলে বানানের শুদ্ধতা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর একজন ওয়েব মাস্টার হলে আপনার কন্টেন্টকে ইংরেজি করতে আপনার অবশ্যই ভাল দক্ষতা লাগবে ইংরেজিতে। অনলাইনে আপনি যে কাজই করেন না কেন আপনাকে ইংরেজি অনেক বেশি ভাল মানের না হলেই অন্তত একটি বিষয়কে ইংরেজিতে গুছিয়ে লিখতে জানতে হবে কোন ধরনের ভুলে ছাড়াই।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/logo.jpg"><img class="alignright  wp-image-1074" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/logo.jpg" alt="" width="320" height="98" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আমাদের কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও তা শেখার আগ্রহ সম্পন্ন মানুষ খুঁজে পাওয়া অনেক দায়। আর এই কারনেই আমরা অনেক কাজেই ভুল করে চলছি অনবরত, সেটা ইংরেজি ব্লগ লিখা বলেন আর ইংরেজি নিয়ে অন্য যেকোন ব্যাপারই হোক না কেনো। যাহোক, যাদের ইংরেজি জানার আগ্রহ আছে বা মোটামুটি ধারনা নিয়ে কাজ করছেন কিন্তু ইংরেজি বানানের প্রতি এখনো ভাল ধারনা আনতে পারছেন না তাদের জন্য একটি অনলাইন ইংরেজি বানান পরীক্ষক টুল শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশা করি নতুনদের অনেক কাজে আসবে। তো চলুন শুরু করা যাক&#8230;<br />
১. <a href="http://respelt.com/" target="_blank">ReSpelt এর ওয়েব সাইটে</a> চলে যান।<br />
২. Paste the document below, enter the URL or RSS feed to check spelling &#8211; এর নিছে আপনার লিখা ইংরেজি টেক্সট পেস্ট করুন বা আপনার ওয়েব সাইট থেকে সরাসরি চেক করতে চাইলে সেটার লিঙ্ক বা আরএসএস লিঙ্ক পেস্ট করুন। প্রথমে সরাসরি লিঙ্ক থেকে চেক করব তাই আমার সাইটের লিঙ্কটি পেস্ট করলাম এবং <strong>Check Spelling</strong> এ ক্লিক করলাম নিচের মত করে&#8230;</p>
<p><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/12.jpg"><img class="size-full wp-image-1075 aligncenter" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/12.jpg" alt="" width="409" height="322" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">৩. কিছুক্ষনের মধ্যে পাশেই দেখা যাবে আমার লিখায় কোথায় এবং কয়টি ভুল খুঁজে পেয়েছে। যদি ভুল না থাকে তবে নিচের মত দেখাবে&#8230;</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/22.jpg"><img class="alignright size-full wp-image-1076" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/22.jpg" alt="" width="593" height="206" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">এবার সবাররি টেক্সট দিয়ে চেক করবো&#8230;</p>
<p style="text-align: justify;">৪. একইভাবে Paste the document below, enter the URL or RSS feed to check spelling &#8211; এর নিচে আমার লিখা ইংরেজি টেক্সট পেস্ট করলাম তারপর এবং <strong>Check Spelling</strong> এ ক্লিক করলাম নিচের মত করে&#8230;</p>
<p><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/32.jpg"><img class="size-full wp-image-1077 aligncenter" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/32.jpg" alt="" width="423" height="336" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">৫. কিছুক্ষনের মধ্যে পাশেই দেখা যাবে আমার লিখায় কোথায় এবং কয়টি ভুল খুঁজে পেয়েছে। যদি ভুল না থাকে তবে নিচের মত দেখাবে&#8230;</p>
<p><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/42.jpg"><img class="size-full wp-image-1078 aligncenter" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/42.jpg" alt="" width="593" height="316" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">এই ফ্রী টুলস থেকে এর চেয়ে বেশি সুবিধা পেতে চাইলে আপনাকে নিবন্ধিত হতে হবে। তারপর সেখানে আপনার ইচ্ছা মত কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। তাহলে আজ থেকেই শুরু করে দিন ইংরেজি নিয়ে আপনার কার্যক্রম, পারবেন তো?</p>
<p style="text-align: justify;">পোস্টের এখানেই সমাপ্তি!</p>
<p style="text-align: justify;">সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। <img src='http://tutorialbd.com/bn/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':-)' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=7032</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইন্টারনেট থেকে আয়ের ইচ্ছা</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6759</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6759#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Jan 2012 14:22:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ziarumon</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6759</guid>
		<description><![CDATA[ইন্টারনেট থেকে আয়ের ইচ্ছা প্রায় সকল ব্রাউজারের মধ্যেই বিদ্যমান আছে। তবে আপনি তুলনামূলক কম পরিশ্রম করে ভাল উপার্জন করা সম্ভব যদি আপনি একজন প্রফেশনাল মানের ওয়েব বা ব্লগ পাবলিশার হতে পারেন। কেননা, অনলাইনে যতগুলো মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় অনলাইন এ্যাডভারটাইজিং তাদের মধ্যে অন্যতম। আর একজন প্রফেশনাল মানের পাবলিশার হতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয় জেনে-বুঝে কাজ করতে হবে। আর এ আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে গুগল এ্যাডসেন্সকে। এখন পর্যন্ত যতগুলো এ্যাডসেন্স কোম্পানি গড়ে উঠেছে, সকল দিক বিবেচনা করলে গুগল এ্যাডসেন্স এর অবস্থান সবার শীর্ষে। এখানে যেমনি কোন অসৎ আচারন সহ্য করা হয় না, তেমনি আপনার উপার্জিত অর্থ পরিশোধের বেলায়ও তারা থাকে বেশ সোচ্চার। অর্থাৎ, অর্থ উপার্জনের পরে অর্থ হাতে পাওয়ার ব্যাপারে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রডাক্ট বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করার জন্য সবার আগে অগ্রাধিকার দেয় গুগলকে। কেননা তাদের আছে সুবিশাল নেটওয়ার্ক এবং সার্চ ইন্জিনের দিক থেকে বিবেচনা করলে গুগল অপ্রতিদ্বন্দী। এ্যাড কতবার দেখানো হবে, কোন ধরনের সাইটে দেখান হবে ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে গুগলে এ্যাড দেয়ার জন্য প্রথমে একটি প্রডাক্ট কোম্পানি গুগলকে পে করে থাকে। এক্ষেত্রে একই কী ওয়ার্ডের ওপর বিভিন্ন কোম্পানি কম-বেশি রেটে এ্যাড প্রদান করে থাকে। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এ্যাড পাবলিশিং এর ক্ষেত্রে এ্যাডের কোয়ালিটিকে অব্শ্যই বিবেচনা করতে হবে। কেননা, [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেট থেকে আয়ের ইচ্ছা প্রায় সকল ব্রাউজারের মধ্যেই বিদ্যমান আছে। তবে আপনি তুলনামূলক কম পরিশ্রম করে ভাল উপার্জন করা সম্ভব যদি আপনি একজন প্রফেশনাল মানের ওয়েব বা ব্লগ পাবলিশার হতে পারেন। কেননা, অনলাইনে যতগুলো মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় অনলাইন এ্যাডভারটাইজিং তাদের মধ্যে অন্যতম। আর একজন প্রফেশনাল মানের পাবলিশার হতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয় জেনে-বুঝে কাজ করতে হবে। আর এ আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে গুগল এ্যাডসেন্সকে। এখন পর্যন্ত যতগুলো এ্যাডসেন্স কোম্পানি গড়ে উঠেছে, সকল দিক বিবেচনা করলে গুগল এ্যাডসেন্স এর অবস্থান সবার শীর্ষে। এখানে যেমনি কোন অসৎ আচারন সহ্য করা হয় না, তেমনি আপনার উপার্জিত অর্থ পরিশোধের বেলায়ও তারা থাকে বেশ সোচ্চার। অর্থাৎ, অর্থ উপার্জনের পরে অর্থ হাতে পাওয়ার ব্যাপারে কোন প্রকার সন্দেহ নেই।</p>
<p>বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রডাক্ট বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করার জন্য সবার আগে অগ্রাধিকার দেয় গুগলকে। কেননা তাদের আছে সুবিশাল নেটওয়ার্ক এবং সার্চ ইন্জিনের দিক থেকে বিবেচনা করলে গুগল অপ্রতিদ্বন্দী। এ্যাড কতবার দেখানো হবে, কোন ধরনের সাইটে দেখান হবে ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে গুগলে এ্যাড দেয়ার জন্য প্রথমে একটি প্রডাক্ট কোম্পানি গুগলকে পে করে থাকে। এক্ষেত্রে একই কী ওয়ার্ডের ওপর বিভিন্ন কোম্পানি কম-বেশি রেটে এ্যাড প্রদান করে থাকে। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এ্যাড পাবলিশিং এর ক্ষেত্রে এ্যাডের কোয়ালিটিকে অব্শ্যই বিবেচনা করতে হবে। কেননা, এ্যাডসেন্স থেকে আপনার অতিরিক্ত আয়ের প্রত্যাশা থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই আসুন এবার জেনে নেই এডসেন্স থেকে আয়ের কিছু কৌশল বা বিবেচ্য বিষয়সমূহ:</p>
<p>১. গুগল কিভাবে একটি সাইটে এ্যাড দিয়ে থাকে সে বিষয় সম্পর্কে নূন্যতম একটি ধারনা থাকা একজন ওয়েব পাবলিশারের জন্য খুবই জরুরি। গুগল সবসময় আপনার প্রত্যেকটি আর্টিকেলের কীওয়ার্ডকে বিবেচনা করে থাকে। তাই বেশি উপার্জনের ইচ্ছা থাকলে অবশ্যই আপনাকে মূল্যবান কীওয়ার্ড বেছে নিতে হবে। আর এটি আপনি রিসার্চ করতে পারেন গুগল কীওয়ার্ড টুল এর মাধ্যমে। ধরুন, আপনি যদি একটি গাড়ির মডেল নিয়ে আর্টিকেল পোষ্ট করেন তবে অবশ্যই আপনি একটি গাড়ি কোম্পানির এ্যাড পেতে পারেন। এটিই হচ্ছে কীওয়ার্ড রিলেটেড এ্যাড প্রদর্শন সিষ্টেম।</p>
<p>২. একজন ভাল ব্লগার তার ব্লগে লিখবেন এটা স্বাভাবিক, কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা হল অধিক উপার্জনের জন্য যেকোন কন্টেন্ট না লিখে বিষয়ভিত্তিক কন্টেন্ট লিখতে হবে। সাধারনত প্রডাক্ট এবং সার্ভিস নিয়ে লেখালিখি করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। কেননা এ ধরনের বিজ্ঞাপনের আউটলুক যেমনি সুন্দর তেমনি এর টাইটেল থাকে অনেক বেশি আকর্ষনীয়।</p>
<p>৪. সত্যি কথা বলতে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয়ের পূর্ব শর্ত হল সাইটে প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে আর ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য আপনারকে অবশ্যই পেজকে অপটিমাইজ করতে হবে। যার ফলে দিনে দিনে আপনার টপিকসগুলো গুগলের সার্চে চলে আসতে থাকবে।</p>
<p>৫. উপরের বিষয়গুলোর পাশাপাশি দেশ ভেদেও এ্যাড থেকে আয়ের রেট কম-বেশি হয়ে থাকে। ধরুন একটি এ্যাডে যদি কোন বাংলাদেশী ভিজিটর ক্লিক করে থাকে তবে আপনি যতটুকু আয় করবেন তার চেয়ে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন এই একটি ক্লিক যদি ইউরোপ কিংবা আমেরিকা থেকে করে। বিষয়টি বেশ স্বাভাবিক যে আমাদের দেশের টাকার মূল্য আর ধনী দেশগুলোর টাকার মূল্য সমান নয়। পাশাপাশি অনলাইন থেকে প্রডাক্ট কেনা-কাটা করার প্রচলন ধনী দেশগুলোতে বেশ সমাদৃত, যা আমাদের দেশে নাই বললেই চলে। অর্থাৎ এ্যাড কোম্পানির প্রত্যাশা পূরন হয়ে থাকে যখন এ্যাডের মাধ্যমে তাদের বিক্রির পরিমান বাড়ে। <a title="Free vector download - psd tutorial, vector art" href="http://www.thegraphicsmedia.com/">এখানে ক্লিক করুন</a><a href="http://tutorialbd.com/bn/?attachment_id=6762" rel="attachment wp-att-6762"><img class="aligncenter size-medium wp-image-6762" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2012/01/adsense-300x246.jpg" alt="" width="300" height="246" /></a></p>
<p>৬. একজন ব্লগার নিয়মিত লেখালেখি করে যে পরিমান উপার্জন করে তার চেয়ে অনেক বেশি উপার্জন সম্ভব যদি আপনি প্রডাক্ট কিংবা সার্ভিস এর উপরে অল্প কিছু টপিকস লিখে সেগুলোকে যদি গুগলের সার্চে নিয়ে আসা যায়। এ জন্য আপনাকে অল্প পরিমান টপিকস লিখে সেগুলো সার্চে নিয়ে আসতে বেশি বেশি এসইও এর কাজ করতে হবে। আর্টিকেল লেখার সুবিধার জন্য অবশ্যই আপনি লেখার পূর্বে বিভিন্ন সাইটের প্রডাক্ট রিভিউ পড়ে নিতে পারেন।</p>
<p>পুরো প্রক্রিয়াটি পুরোনোদের কাছে পরিচিত হলেও নতুনদের জন্য অনেক বেশি উপকারে আসবে বলে প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি এ্যাডসেন্স পাওয়ার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো না করে একটি ভাল মানের সাইট তৈরির দিকে নজর দেয়াটাই নতুন একজন ব্লগারের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ন। গুগল এ্যাডসেন্স থেকে বেশি পরিমানে এবং দীর্ঘ মেয়াদি আয় পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে উপরের বিষয়গুলোর প্রতি যত্নবান হতে হবে। সামনে আবারো হাজির হব নতুন কোন টপিকস নিয়ে সে পর্যন্ত ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এ প্রত্যাশায় বিদায় নিচ্ছি&#8230;&#8230;..</p>
<p>আমার একটি নিজের সাইট যেটিতে গুগল এ্যাড দেয়া আছে <a title="Free vector download - psd tutorial, vector art" href="http://www.thegraphicsmedia.com/">এখানে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6759</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শিখতে শিখতে শেখানো…</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6652</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6652#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Jan 2012 11:20:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[প্রশিক্ষণ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>
		<category><![CDATA[শেখানো]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6652</guid>
		<description><![CDATA[ইন্টারে পড়ার সময়ই আমার এক স্যার বলল আমি এসএসসির একজন শিক্ষার্থীর গনিত শেখাতে পারবো কিনা। আমি সেই সময় থেকেই শিখানো শিখি। শিখানোর সময়ও আমাকে অনেক শিখতে হলো। ইন্টারের বন্ধুদের একটা অংশ মিলে একটি দল তৈরী করি যারা নিজেদের পড়ালোগুলো নিজেদের শিখাবে। আমাদের মধ্যে যে গ্রামারে ভাল সে অন্যদের গ্রামার শিখাতো। পদার্থ বিজ্ঞানে যে ভাল সে পদার্থ বিজ্ঞান শিখাতো। এভাবে শিখাতে গিয়ে আমাদের উভয়েরই বেশ ভাল শিখানো হতো। &#160; ওয়েবে যারা লিখেন এবং শিখান তারাও যে অনেক জানে তা কিন্তু নয়। কিন্তু তারা নিজেদের অভিজ্ঞতাকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেস্টা করেন। বাংলা টেক ব্লগে এই বিষয়টি আমাকে অনেক অনুপ্রানিত করে আর তাই অনেক নিয়মিতই লিখে যাচ্ছি। অনেক ব্লগারই তাদের নিজেদের কাজকে, শিখা জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আর তাদের কি লাভ হচ্ছে না? যারা নিয়মিত লিখে যান তাদের গতিও থেমে নেই । অনলাইনে শিখাতে গিয়ে বিশেষ করে ব্লগারদের  বেশ কিছু জিনিস শেখাও হয়- ১. নিয়মিত আপনি লিখে গেলে দেখতে অনেক সময়ই নতুন বিষয় খুজে বেড়াবেন যা লেখা যায়। লেখার উপকরণ খুজতে গিয়ে অনেক সময় নতুন কোন বিষয় শিখা হয়ে যাবে। ২. আবার সাধারন শেখা আর শিখানোর জন্য শেখা ভিন্ন জিনিস। আপনি যদি কাজটি করতে চান তখন হয়তো কাজটা সম্পন্ন করাই আপনার লক্ষ্য হবে। কিন্তু কাজটি অন্য কাউকে শিখাতে গেলে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একটু বেশিই জ্ঞান [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারে পড়ার সময়ই আমার এক স্যার বলল আমি এসএসসির একজন শিক্ষার্থীর গনিত শেখাতে পারবো কিনা। আমি সেই সময় থেকেই শিখানো শিখি। শিখানোর সময়ও আমাকে অনেক শিখতে হলো। ইন্টারের বন্ধুদের একটা অংশ মিলে একটি দল তৈরী করি যারা নিজেদের পড়ালোগুলো নিজেদের শিখাবে। আমাদের মধ্যে যে গ্রামারে ভাল সে অন্যদের গ্রামার শিখাতো। পদার্থ বিজ্ঞানে যে ভাল সে পদার্থ বিজ্ঞান শিখাতো। এভাবে শিখাতে গিয়ে আমাদের উভয়েরই বেশ ভাল শিখানো হতো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ওয়েবে যারা লিখেন এবং শিখান তারাও যে অনেক জানে তা কিন্তু নয়। কিন্তু তারা নিজেদের অভিজ্ঞতাকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেস্টা করেন। বাংলা টেক ব্লগে এই বিষয়টি আমাকে অনেক অনুপ্রানিত করে আর তাই অনেক নিয়মিতই লিখে যাচ্ছি। অনেক ব্লগারই তাদের নিজেদের কাজকে, শিখা জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আর তাদের কি লাভ হচ্ছে না? যারা নিয়মিত লিখে যান তাদের গতিও থেমে নেই ।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2012/01/bubba-rings-teach.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-6685" title="bubba-rings-teach" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2012/01/bubba-rings-teach.jpg" alt="" width="537" height="537" /></a></p>
<p>অনলাইনে শিখাতে গিয়ে বিশেষ করে ব্লগারদের  বেশ কিছু জিনিস শেখাও হয়-</p>
<p>১. নিয়মিত আপনি লিখে গেলে দেখতে অনেক সময়ই নতুন বিষয় খুজে বেড়াবেন যা লেখা যায়। লেখার উপকরণ খুজতে গিয়ে অনেক সময় নতুন কোন বিষয় শিখা হয়ে যাবে।</p>
<p>২. আবার সাধারন শেখা আর শিখানোর জন্য শেখা ভিন্ন জিনিস। আপনি যদি কাজটি করতে চান তখন হয়তো কাজটা সম্পন্ন করাই আপনার লক্ষ্য হবে। কিন্তু কাজটি অন্য কাউকে শিখাতে গেলে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একটু বেশিই জ্ঞান থাকতে হবে। আর তাই নিজের অজান্তেই আপনি গভীর মনোযোগ সহকারে শিখবেন। কারন আপনি আগেই জানেন যে বিষয়টি শিখাতে হবে।</p>
<p>৩. ধরা যাক, আপনি একটি বিষয়ে লিখলেন। লেখার পর মতামত অংশে বেশ কিছু প্রশ্ন আসতে পারে যা আপনি আগে চিন্তাও করেন নাই বা যা জানেনও না। এক্ষেত্রে আরেকটি নতুন বিষয় শেখার মানসিকতা তৈরী হবে।</p>
<p>এভাবে আমরা অন্যর জন্য কাজ করে নিজের উন্নতি সাধন করতে পারি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6652</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লেখার গতিবিধি কোথায়, কোন দিকে?</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6550</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6550#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 18 Dec 2011 15:21:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6550</guid>
		<description><![CDATA[আপনার লেখাকে কি কেউ নিয়ন্ত্রণ করে? আপনি নিজে কি কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন? হয়তো বা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করা দরকার অথবা নিজেই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন। কারো কথার ধরন যেমন আপনার কথার ধরনকে পাল্টে দিতে পারে আবার কারো লেখার প্রভাবও অন্যের লেখায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তবে ইদানিং কালে আমি আমার নিজের লেখায় বেশ কিছু প্রভাব লক্ষ্য করেছি। প্রথম দিকে টিউটোরিয়ালবিডি ব্লগটিকে চালু করার সময় মূলতঃ স্ক্রিনশট দিয়ে দিয়ে কাজের ধারা বর্ণনা করার দরকার পরে আর সেটাই করে গিয়েছি। নিজের চিন্তার কোন জায়গা সেখানে দেই নি। নিজের কথাগুলোকে ঢেকে রেখেই লিখে গিয়েছিলাম। কিছু দিন ব্লগ লেখা আর সামান্য ফ্রন্ট ইন্ড ডিজাইনে নিজের উপর আস্থা আসার পর একটু চিন্তাশীল লেখা লেখার ক্ষমতা অর্জন করি। সেই সময়ের লেখাগুলোকেই আমার ভাল লেখা মনে হয়েছে। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ব্লগটিকে এগিয়ে নিতে আমাকে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে কাজ করে যেতে হয়। সেখানে মানুষের আগ্রহের বেপারটি আমার কাছে প্রাধান্য পায় এবং সাম্প্রতিক বিষয়গুলোর উপরে অনেকটা অনুবাদের মতো করে খবরগুলো লিখতে থাকি। অবশ্য সেখানেও আমার পছন্দের বিষয়ই প্রাধান্য পায়। টিউটোহোস্ট চালুর পর সেখানে আমার ক্লাইন্টদের জন্য বাংলায় ওয়েব হোস্টিং টিউটোরিয়ালের প্রয়োজন দেখা দেয়। আমি তাদের জন্যও কিছু লিখি। বাংলা ব্লগে এসে আরেকটা বিষয় আমার লেখাকে নিয়ন্ত্রণ করে- তা হলো যা আমি জানতাম না এবং বাংলা ব্লগে একসময় খুজে বেড়াতাম। বলতে দিঁধা নাই [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আপনার লেখাকে কি কেউ নিয়ন্ত্রণ করে? আপনি নিজে কি কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন? হয়তো বা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করা দরকার অথবা নিজেই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন। কারো কথার ধরন যেমন আপনার কথার ধরনকে পাল্টে দিতে পারে আবার কারো লেখার প্রভাবও অন্যের লেখায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তবে ইদানিং কালে আমি আমার নিজের লেখায় বেশ কিছু প্রভাব লক্ষ্য করেছি।</p>
<p><a href="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/12/woman-writing-in-a-journal.jpg"><img class="size-medium wp-image-6554 aligncenter" title="woman-writing-in-a-journal" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/12/woman-writing-in-a-journal-300x203.jpg" alt="" width="300" height="203" /></a></p>
<p>প্রথম দিকে<a href="http://tutorialbd.com/bn/"> টিউটোরিয়ালবিডি</a> ব্লগটিকে চালু করার সময় মূলতঃ স্ক্রিনশট দিয়ে দিয়ে কাজের ধারা বর্ণনা করার দরকার পরে আর সেটাই করে গিয়েছি। নিজের চিন্তার কোন জায়গা সেখানে দেই নি। নিজের কথাগুলোকে ঢেকে রেখেই লিখে গিয়েছিলাম।</p>
<p>কিছু দিন ব্লগ লেখা আর সামান্য ফ্রন্ট ইন্ড ডিজাইনে নিজের উপর আস্থা আসার পর একটু চিন্তাশীল লেখা লেখার ক্ষমতা অর্জন করি। সেই সময়ের লেখাগুলোকেই আমার ভাল লেখা মনে হয়েছে।</p>
<p><a href="http://www.bigganprojukti.com/">বিজ্ঞান প্রযুক্তি </a>ব্লগটিকে এগিয়ে নিতে আমাকে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে কাজ করে যেতে হয়। সেখানে মানুষের আগ্রহের বেপারটি আমার কাছে প্রাধান্য পায় এবং সাম্প্রতিক বিষয়গুলোর উপরে অনেকটা অনুবাদের মতো করে খবরগুলো লিখতে থাকি। অবশ্য সেখানেও আমার পছন্দের বিষয়ই প্রাধান্য পায়।</p>
<p><a href="http://www.tutohost.com/bangla">টিউটোহোস্ট</a> চালুর পর সেখানে আমার ক্লাইন্টদের জন্য বাংলায় ওয়েব হোস্টিং টিউটোরিয়ালের প্রয়োজন দেখা দেয়। আমি তাদের জন্যও কিছু লিখি।</p>
<p>বাংলা ব্লগে এসে আরেকটা বিষয় আমার লেখাকে নিয়ন্ত্রণ করে- তা হলো যা আমি জানতাম না এবং বাংলা ব্লগে একসময় খুজে বেড়াতাম। বলতে দিঁধা নাই আমি সি-প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফী, সি-প্যানেল এ বাংলা ব্লগে কোন লেখা খুজে না পেয়ে এই বিষয়ে প্রথম আমিই লেখা শুরু করি। আর আমি অনেক সময়ই লেখা থেকে দূরে চলে যাই, কিন্তু লেখা লেখি বন্ধ করে দেব এই ভাবনা কখনো মনের মধ্যে রাখি নি।</p>
<p>ইংরেজী প্রোফেশনাল ব্লগের বেপারটা একটু আলাদা। অনেকে আরো কয়েকটা কারনে লেখায় পরিবর্তন নিয়ে আসে। যেমন-</p>
<h2>১. লেখার পরিমান বৃদ্ধি</h2>
<p>লেখার সাথে এখন টাকার সরাসরি সম্পর্ক হয়ে গেছে।  নিয়মিত না লিখলে ব্লগের ভিজিরটও নিয়মিতভাবে কমতে থাকে। আর এ জন্যই লেখার প্রয়োজনেই লেখা হয়।</p>
<h2>২. মার্কেটিং এর জন্য</h2>
<p>অনেক প্রতিষ্ঠানের এখন ব্লগ রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগের প্রয়োজনও অবশ্য আছে। আর সেই প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে লেখা হয়ে থাকে। অনেক সময় সেই ব্লগে প্রতিষ্ঠানের খবর বা পণ্যের রিভিউও থাকে।</p>
<h2>৩. সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব</h2>
<p>যেহেতু লেখা ও সেই লেখার ট্রাফিকের উপরে আয়ের বেপারটা নির্ভর করে তাই সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষধা মেটানোর জন্য অনেকে কনটেন্টের শিরোনাম, কীওয়ার্ড ইত্যাদি টারগেট করে কনটেন্ট তৈরী করে থাকে।</p>
<h2>৪. সামাজিক নেটওয়ার্ক</h2>
<p>ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান এখন একেবারেই অবহেলা করার জিনিস নয়। সামাজিক নেটওয়ার্কে হিট পরার মতো পোস্টও অনেকে বাদ দিতে চায় না। অনেকে বিতর্কিত ও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিতর্কিত বিষয়ে লিখে মজা পায়। কারন এগুলোই অনেক সময়ই সামাজিক নেটওয়ার্কর সময়খেকো পোস্ট হয়।</p>
<p>অবশ্য অনেকেই তাদের নিজের অবস্থানের আর চিন্তাশীলতার বিকাশের ধারা আনুযায়ী লিখতে পারেন। আর তাদেরকেই নিয়মিত অনেক বছর ধরে লিখে যেতে দেখেছি। তার মধ্যে একজন হলো<a href="http://zenhabits.net/archives/"> লিউ বাবাতুয়া</a>।</p>
<p>নিজের সৃজনশীলতা অভিজ্ঞতাকে নিয়মিত লিখে গেলে সেটা অনেক বড় মার্কেটিং এর চেয়েও বড় হয়ে ওঠে।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6550</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নতুন একটি ওয়েব প্রোজেক্ট শুরুর ক্ষেত্রে…</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6543</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6543#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 16 Dec 2011 17:38:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবসাইট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোজেক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6543</guid>
		<description><![CDATA[লেখালেখি করার কারনে অনেকের সাথেই পরিচয় হয়েছে, টিউটোহোস্টের কারনেও আরেক ধরনের পরিচিতি হয়েছে আমার। আর একারনেরই অনেক কথার মাঝে নতুন একটি ওয়েব প্রোজেক্টের কথা স্বভাবতঃই চলে আসে এবং অনেকেই এ পর্যন্ত তাদের চিন্তা চেতনার অংশিদার করেছেন। অনেক সময় অনেক ওয়েবসাইটের জন্ম দেখলাম, উত্থান ও শেষ হয়ে যাওয়াও দেখলাম। মূলতঃ একটি ওয়েবসাইট সেটা ব্লগ হোক বা একটি ই-কমার্স অথবা যা-ই  হোক শুরু করার সময় একটু রোমঞ্চিত থাকেন। আর অনেক চিন্তাই প্রকাশ করার সময় পরিবর্তণ হয়ে যায়। এ দেশে যারা নতুন ব্লগসাইট বানিয়েছেন তাদের অনেকেই আয়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন। আর কিছু দিন পর পথটা একটু কঠিন মনে হয়েই পিছ পা। আয়ের সাথে ব্লগিং এর বেশ বৈচিত্রময় একটা সম্পর্ক আছে। আর এই বৈচিত্রতা অনুভব না করে বেশ কিছু ধারণা নিয়ে ব্লগ শুরু করলে তা পথমধ্যে মারা যাবে এটা নিশ্চিত। নতুন বাংলা ব্লগ শুরু করার সময় অনেকেরই কিছু ভুল ধারণা- ১. আমি একটি  ব্লগ শুরু করবো আর হৈ হৈ করে লোক জন এখানে লিখতে আসবে। আমি কাজ না করলেও জমজমাট চলবে ব্লগ। ২. ব্লগের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে স্পন্সর এসে আমাদের দড়জা নক করে দিয় যাবে বিজ্ঞাপণ। ৩. একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে খুব বেশি টাকা এবং সময়েরও দরকার পরে না এবং সেই হিসেবে লাভের অংকটা বেশ ভাল। ৪. ওয়েবসাইটটি পরিচালনার জন্য কোন লোক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/12/master.websites.jpg"><img class="alignright size-full wp-image-6544" title="master.websites" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/12/master.websites.jpg" alt="" width="299" height="229" /></a>লেখালেখি করার কারনে অনেকের সাথেই পরিচয় হয়েছে, টিউটোহোস্টের কারনেও আরেক ধরনের পরিচিতি হয়েছে আমার। আর একারনেরই অনেক কথার মাঝে নতুন একটি ওয়েব প্রোজেক্টের কথা স্বভাবতঃই চলে আসে এবং অনেকেই এ পর্যন্ত তাদের চিন্তা চেতনার অংশিদার করেছেন। অনেক সময় অনেক ওয়েবসাইটের জন্ম দেখলাম, উত্থান ও শেষ হয়ে যাওয়াও দেখলাম।</p>
<p>মূলতঃ একটি ওয়েবসাইট সেটা ব্লগ হোক বা একটি ই-কমার্স অথবা যা-ই  হোক শুরু করার সময় একটু রোমঞ্চিত থাকেন। আর অনেক চিন্তাই প্রকাশ করার সময় পরিবর্তণ হয়ে যায়। এ দেশে যারা নতুন ব্লগসাইট বানিয়েছেন তাদের অনেকেই আয়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন। আর কিছু দিন পর পথটা একটু কঠিন মনে হয়েই পিছ পা। আয়ের সাথে ব্লগিং এর বেশ বৈচিত্রময় একটা সম্পর্ক আছে। আর এই বৈচিত্রতা অনুভব না করে বেশ কিছু ধারণা নিয়ে ব্লগ শুরু করলে তা পথমধ্যে মারা যাবে এটা নিশ্চিত।</p>
<p>নতুন বাংলা ব্লগ শুরু করার সময় অনেকেরই কিছু ভুল ধারণা-</p>
<ul>
<li>১. আমি একটি  ব্লগ শুরু করবো আর হৈ হৈ করে লোক জন এখানে লিখতে আসবে। আমি কাজ না করলেও জমজমাট চলবে ব্লগ।</li>
<li>২. ব্লগের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে স্পন্সর এসে আমাদের দড়জা নক করে দিয় যাবে বিজ্ঞাপণ।</li>
<li>৩. একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে খুব বেশি টাকা এবং সময়েরও দরকার পরে না এবং সেই হিসেবে লাভের অংকটা বেশ ভাল।</li>
<li>৪. ওয়েবসাইটটি পরিচালনার জন্য কোন লোক নিয়োগের দরকার পরবে না, নিজেরাই চালানো যাবে।</li>
</ul>
<p>পরিচিত তিনজন নিয়মিতভাবে তিনটি ই-কমার্স সাইট চালাচ্ছিলেন। নিজেরা ইবে বা আমাজানের মতো কিছু একটা হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিল। নিজেরা কিছু দিন অন্যর পন্য আপডেট দিয়ে একসময় ক্লান্ত হয়ে সাইট আপডেটহীন হয়ে পড়ছে।</p>
<p>আসলে আজ অনেক ব্লগই জনপ্রিয়তার উপরের স্তরে আছে তারাও কি একই ভাবনা ভেবেছে? আসলে তা নয়। আবার এর চেয়ে কম আশা করেও অনেকে সফল হয়েছেন। অনেক ব্লই কোন টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে জন্ম নেয় নি অথচ তারা একটি বিশাল অবস্থানে চলে গেছেন। প্রকৃত ব্যপার হলো এটা যে, ওয়েব প্রোজেক্টগুলো বেশ কিছু ভিত্তির উপরে দাড়িয়ে থাকে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- INNOVATIVE IDEA. অন্য দশজনের মতো প্রোজেক্ট করতে চান? পথ সহজ হবে না, আপনাকে তাদের উপরে যেতে হলে এমন কিছু করতে হবে যা তারা করেন নি। আর মানে সেই একই কথা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বিশ্বের কোন ওয়েব প্রোজেক্টই টাকার উপরে দাড়িয়ে তৈরী হয় নি। দাড়িয়ে যাওয়ার পরে অবস্থানটি শক্ত করার জন্য টাকার দরকার হয়েছে। আর তাই কেউ যদি ভেবে নেন যে কিছু টাকা খরচ করে একটি ওয়েবসাইট বানালেই আয়ের একটি পথ তৈরী হবে &#8211; তাহলে সেটা ভুল।</p>
<p>আপনার চিন্তাকে বাস্তবায়ন করতে গেলে কখনো পরিবর্তন পরিবর্ধন করে নিতে হতে পারে। আর লক্ষ্যে পৌছানো পর্যন্ত কাজ করে যেতে হবে&#8230;।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6543</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অনলাইনে প্রশিক্ষণের পদ্ধতিকে সহজিকরণ</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6418</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6418#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 14 Oct 2011 20:20:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6418</guid>
		<description><![CDATA[﻿﻿অনেকেই বাংলা &#8211; ইরেজী ব্লগ পরে, ওয়েবে বুঝে না জুঝে ঘোরাফেরা করে। নতুনরা মূলতঃ ওয়েবে বিনোদন খুজে বেড়ায়। প্রফেশনালরা যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তবে এখন সময়টা একটু অন্যরকম। বাংলাদেশের ছেলেরা পড়ালেখা করে কর্মসংস্থানের নিশ্চিত ব্যবস্থা হবে না-এটা জেনে গেছে। আর তাদের মধ্যে যারা শুনেছে অনলাইনে আয় করা যায় তাও আবার ঘরে বসে তারা কিন্তু আয়ের জন্য উঠে পরে লাগে। অথচ মূল পথটাই খুজে পেতে অনেক সময় লেগে যায়। সব জায়গায়ই আয়ের উৎস হলো প্রশিক্ষণ। আর এই প্রশিক্ষণ না নিয়ে দিন রাত ফ্রিলান্সিং এর প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে। আমি নিজে এখনো নিজেকে অনলাইনে আয়ের জন্য উপযুক্ত বলে এখনো মনে করতে পারি না। তবে নিজে নিজে শেখার ক্ষমতা অর্জন করেছি। অধিকাংশ লোকই অনলাইনে নিজের প্রয়োজনীয় বিষয়টি খুজে বের করে শিখার ধারায় নিয়ে আসতে পারে না। আমি তাই অনেক আগেই অনলাইন প্রশিক্ষণের বাঁধাসমুহ নিয়ে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলাম। শেখানে আমি চারটি বিষয়ের কথা উচ্চারণ করেছিলাম যার কারনে অনলাইনে প্রশিক্ষণ নিতে সমস্যা হয়। আর এই বাধা সমুহকে দূর করে এগিয়ে যেতে পারলেই সহজে নিজেকে গড়ে তোলা যাবে। ১. কোন জিনিসটা শিখা দরকার সেটা সম্পর্কে অজ্ঞতা ২. ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক কিছু শিখাই বাদ পরে যায় ৩. নিজের ইচ্ছায় টপিক পছন্দ করা এবং তা থেকে সহজে বিদায় নেওয়া। ৪. সহজে সমাধান [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: left;">﻿﻿অনেকেই বাংলা &#8211; ইরেজী ব্লগ পরে, ওয়েবে বুঝে না জুঝে ঘোরাফেরা করে। নতুনরা মূলতঃ ওয়েবে বিনোদন খুজে বেড়ায়। প্রফেশনালরা যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তবে এখন সময়টা একটু অন্যরকম। বাংলাদেশের ছেলেরা পড়ালেখা করে কর্মসংস্থানের নিশ্চিত ব্যবস্থা হবে না-এটা জেনে গেছে। আর তাদের মধ্যে যারা শুনেছে অনলাইনে আয় করা যায় তাও আবার ঘরে বসে তারা কিন্তু আয়ের জন্য উঠে পরে লাগে। অথচ মূল পথটাই খুজে পেতে অনেক সময় লেগে যায়। সব জায়গায়ই আয়ের উৎস হলো প্রশিক্ষণ। আর এই প্রশিক্ষণ না নিয়ে দিন রাত ফ্রিলান্সিং এর প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে।</p>
<p style="text-align: center;">
<img class="aligncenter" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/10/online-learn1.jpg" alt="অনলাইনে প্রশিক্ষণের পদ্ধতিকে সহজিকরণ" /></p>
<p>আমি নিজে এখনো নিজেকে অনলাইনে আয়ের জন্য উপযুক্ত বলে এখনো মনে করতে পারি না। তবে নিজে নিজে শেখার ক্ষমতা অর্জন করেছি। অধিকাংশ লোকই অনলাইনে নিজের প্রয়োজনীয় বিষয়টি খুজে বের করে শিখার ধারায় নিয়ে আসতে পারে না। আমি তাই অনেক আগেই<a href="http://tutorialbd.com/bn/?p=5980"> অনলাইন প্রশিক্ষণের বাঁধাসমুহ</a> নিয়ে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলাম। শেখানে আমি চারটি বিষয়ের কথা উচ্চারণ করেছিলাম যার কারনে অনলাইনে প্রশিক্ষণ নিতে সমস্যা হয়। আর এই বাধা সমুহকে দূর করে এগিয়ে যেতে পারলেই সহজে নিজেকে গড়ে তোলা যাবে।</p>
<ul>
<li>১. কোন জিনিসটা শিখা দরকার সেটা সম্পর্কে অজ্ঞতা</li>
<li>২. ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক কিছু শিখাই বাদ পরে যায়</li>
<li>৩. নিজের ইচ্ছায় টপিক পছন্দ করা এবং তা থেকে সহজে বিদায় নেওয়া।</li>
<li>৪. সহজে সমাধান না পাওয়া বা অনুসন্ধান করে তথ্য উদ্ধারের অযোগ্যতা</li>
</ul>
<p>আমি সহজ কয়েকটি পদ্ধতির কথা বলবো যার মাধ্যমে নতুনরা তাদের প্রয়োজনীয় বিষয় শিখে নিতে পারে।</p>
<h2>উপযুক্ততা যাচাইঃ</h2>
<p>প্রতিটি মানুষের ইচ্ছা আকাংখা ও  সৃজনশীলতা  অন্যের চেয়ে ভিন্ন। কারো কাছে অনেক হৈচৈ ভাল লাগে আবার কারো কাছে নিরব পরিবেশ প্রিয়। আপনি চাইলে অনেক কিছু করতে পারবেন, নিজেকেউ পরিবর্তণ করে নিতে পারবেন। তবে নিজের ভেতরের সব কিছুকে পরিবর্তণ করে চলা কখনোই সম্ভব না। আর আপনি কোন বিষয়টি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন সেটা আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। আপনি কি আর্টিকেল লিখতে পারেন? ভাল ইংরেজী আর্টিকেল লিখতে পারলে অবশ্যই এডসেন্সে ভাল একটি আয় করতে পারবেন। ধরা যাক আপনি সেটা পারবেন না। আপনার ভেতরে যদি সৃজনশিলতা থাকে কাল্পনিক শক্তি যদি প্রখর হয় তাহলে হয়তো গ্রাফিক্সে ভাল করতে পারেন। আর সেটা কি ঠিক মতো পারছেন কিনা সেটা আপনিই বলতে পারবেন- অন্য কেউ নয়।</p>
<p>অনলাইনে সুর্নিদিষ্ট কাজ থাকে সব ধরনের কাজ অনলাইনে পাওয়া যায় না। আর সব কাজেই ভাল যোগাযোগে দক্ষ লোকের দরকার হয়। তাই ইংরেজী শিক্ষা আবশ্যক, কারন আপনাকে বিদেশীদের সাথে আলাপ করে কাজ নিতে হবে।</p>
<h2>প্রশ্ন না করে প্রথমে অনুসন্ধান করাঃ</h2>
<p>এখন ওয়েব অনেক বেশি সম্পদশালী। একটি তথ্যের জন্য অনুসন্ধান চালালে হাজার হাজার লিংক চলে আসে। আপনি কাজ শিখার বা কাজ করার সময় কোন একটি সমস্যায় পড়েছেন। আপনাকে বুঝে নিতে হবে সমস্যাটির ধরন।</p>
<p>এই সমস্যায় কি অন্য কেই পড়েছিল, নাকি আমার একারই এই সমস্যা? আপনি যে জিনিসটি শিখছেন তা নিশ্চই আপনিই প্রথম শিখেন নি। অনেকেই এই কাজ শিখে এবং করে এসেছে। আর তাই অনেকেই এই সমস্যায় পড়েছ, এবং প্রশ্ন করেছে তারা সমাধানও পেয়েছে। আর তাই প্রথমে প্রশ্ন না করে ওয়েবে অনুসন্ধান করুন এবং সমাধানের জন্য প্রশ্নের উত্তর খোজতে থাকেন। অনুসন্ধান করলে দুইটি উপকার হতে পারে।</p>
<p>১. প্রশ্নের উত্তর খোজতে গিয়ে একই ধরনের ভিন্ন কোন টপিক পেতে পারেন যাতে করে একই ধরনের অন্য বিষয়টি শিখতে পারবেন।</p>
<p>২. সঠিক উত্তরটি পাওয়া এবং এর সাথে সাথে অনেকে বিকল্প পদ্ধতি পাওয়া।</p>
<h2>ধারাবাহিকভাবে পড়াঃ</h2>
<p>ব্লগে ধারাবাহিক পোষ্ট পাওয়া সহজ নয়। অনেক শিক্ষামূলক সাইটে অবশ্য ধারাবাহিক পোষ্ট পাওয়া যায়। যেমন-<a href="http://w3schools.com/">w3schools.com</a> আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট এটি, কারন নতুনদের জন্য ধারাবাহিকভাবে সহজে লেখা আছে। আর তাই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। একদিন বেশি সময় থাকলেও অনেক কিছু শিখতে যাবেন না। বরং অল্প অল্প করে অনেক দিন ধরে শিখুন আর যতটুকু শিখবেন ততটুকু কাজে পরিনত করার চেষ্টা করুন।</p>
<h2>কাজের চেয়ে পড়া লেখায় বেশি সময় বিনিয়োগ করাঃ</h2>
<p>কিছু কাজ শিখে অনেকেই হয়তো হাতে বেশ কিছু কাজ পেয়ে যেতে পারেন আর তাই নিয়ে পরে না থেকে নতুন নতুন কাজ শেখার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিৎ। অবশ্য কাজ করতে করতেও অনেক কিছুই শেখা সম্ভব। নিজেকে একটি গন্ডি থেকে বের করে আনার জন্য অবশ্যই নিরলস জ্ঞান সাধনা করতে হয়।</p>
<p>অনলাইনে প্রশিক্ষণের পদ্ধতিটি রপ্ত করে নিয়মিত নতুন বিষয় শিখলে  ভাল কিছু পাওয়া সম্ভব বলে মনে করি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6418</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জানা ও জানানোর আগ্রহ ও তার ধরন</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6383</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6383#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 19 Sep 2011 02:35:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[জানা]]></category>
		<category><![CDATA[জানানোর]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6383</guid>
		<description><![CDATA[নতুন কোন ঘটনা জানার আগ্রহ এবং কোন বিষয়কে জানানোর আগ্রহ একটি সহজাত প্রবৃত্তি। আপনার ব্যক্তিগত কোন বিষয়ে সাফল্য বা ব্যর্থতা বন্ধুদের জানানোর যেমন আগ্রহ তৈরী হয় ঠিক তেমনি বন্ধুরাও আপনার খোজ খবর জানতে চান। বিষয়টি এখন শুধু এতটুকুতেই সিমাবদ্ধ নয়। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই জানা ও জানানোর অবস্থানের উপরে চলছে বিশাল বানিজ্য আর এই্ বানিজ্যের একটা আংশ সংবাদ মাধ্যম। নতুন মাধ্যম হিসেবে আছে সামাজিক নেটওয়ার্ক ও ব্লগিং। সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় জনগুরুত্বপূর্ণ বা আলোচিত কোন বিষয়। আবার তেমনি অনেক কিছুই আলোচনার বাইরেও থেকে যায়। সামাজিক নেটওয়ার্কও  (যেমন-ফেসবুক, টুইটার) এক ধরনের সংবাদ মাধ্যম বলা যায়। পরিচিতদের খবরাখবর প্রকাশিত হয় এখানে। এখানে সবাই তাদের খবরাখবরের সাথে ছবি, ভিডিওও প্রকাশ করছে, তার উপরে আলোচনার হিড়িক বইছে। বিষয়টির আরেকটু গভীরে গিয়ে বেশ কিছু দেখে নেই। জানার আগ্রহ আপনি কি কি বিষয়ে জানতে বেশি আগ্রহী? আপনি কি পত্রিকার সব খবরই পড়েন? সামাজিক নেটওয়ার্কের সব স্ট্যাটাসকে কি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন? কোন ই-মেইল গুলোর গুরুত্ব আপনার কাছে বেশি? বেশ কিছু বিষয়ে মানুষের জানার আগ্রহটা একটু বেশি। স্থানঃ আফ্রিকায় জঙ্গলের কোন এক জায়গায় &#8220;বাঘের আক্রমনে পাঁচ জন মারা গেছে&#8221; এই খবরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে &#8220;আপনার এলাকায় কোন সরক দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছে&#8221; এই খবরটা। আপনার কোন বন্ধু বা আত্নীয় যদি কোন একটি দেশে বসবাস করে এবং সেই দেশে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন কোন ঘটনা জানার আগ্রহ এবং কোন বিষয়কে জানানোর আগ্রহ একটি সহজাত প্রবৃত্তি। আপনার ব্যক্তিগত কোন বিষয়ে সাফল্য বা ব্যর্থতা বন্ধুদের জানানোর যেমন আগ্রহ তৈরী হয় ঠিক তেমনি বন্ধুরাও আপনার খোজ খবর জানতে চান। বিষয়টি এখন শুধু এতটুকুতেই সিমাবদ্ধ নয়। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই জানা ও জানানোর অবস্থানের উপরে চলছে বিশাল বানিজ্য আর এই্ বানিজ্যের একটা আংশ সংবাদ মাধ্যম। নতুন মাধ্যম হিসেবে আছে সামাজিক নেটওয়ার্ক ও ব্লগিং।</p>
<p>সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় জনগুরুত্বপূর্ণ বা আলোচিত কোন বিষয়। আবার তেমনি অনেক কিছুই আলোচনার বাইরেও থেকে যায়। সামাজিক নেটওয়ার্কও  (যেমন-ফেসবুক, টুইটার) এক ধরনের সংবাদ মাধ্যম বলা যায়। পরিচিতদের খবরাখবর প্রকাশিত হয় এখানে। এখানে সবাই তাদের খবরাখবরের সাথে ছবি, ভিডিওও প্রকাশ করছে, তার উপরে আলোচনার হিড়িক বইছে। বিষয়টির আরেকটু গভীরে গিয়ে বেশ কিছু দেখে নেই।</p>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/09/cartoon.gif" alt="জানা ও জানানোর আগ্রহ ও তার ধরন" /></p>
<h2><strong>জানার আগ্রহ</strong></h2>
<p>আপনি কি কি বিষয়ে জানতে বেশি আগ্রহী? আপনি কি পত্রিকার সব খবরই পড়েন? সামাজিক নেটওয়ার্কের সব স্ট্যাটাসকে কি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন? কোন ই-মেইল গুলোর গুরুত্ব আপনার কাছে বেশি? বেশ কিছু বিষয়ে মানুষের জানার আগ্রহটা একটু বেশি।</p>
<p><strong>স্থানঃ</strong></p>
<p>আফ্রিকায় জঙ্গলের কোন এক জায়গায় &#8220;বাঘের আক্রমনে পাঁচ জন মারা গেছে&#8221; এই খবরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে &#8220;আপনার এলাকায় কোন সরক দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছে&#8221; এই খবরটা। আপনার কোন বন্ধু বা আত্নীয় যদি কোন একটি দেশে বসবাস করে এবং সেই দেশে প্রকৃতিক দুর্যোগ হলে আপনি বেশি চিন্তিত হয়ে পরবেন। স্থানের গুরুত্ব অনেক আগে থেকেই সাংবাদিকরা জানে। বর্তমান সময়ে সামাজিক নেটওয়ার্কসহ অনলাইন মিডিয়া গুলোও ভৌগোলিক সীমারেখা ও ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ইন্টারফেস রাখছে।</p>
<p><strong>সময়ঃ</strong></p>
<p>সাম্প্রতিক এবং অদূর ভবিষ্যতের প্রতি মানুষের ঝোক অনেক বেশি। টেক দুনিয়াতেও  ভবিষ্যত গোপন অনেক তথ্যই কোটি টাকার বেশি দামী।</p>
<p><strong>সুনির্দিষ্ট পছন্দের বিষয়ঃ</strong></p>
<p>কোন বিষয়ে পারদর্শী বা পছন্দের বিষয়ে সবার ঝোক একটু বেশিই থাকে। এটা একটা সহজাত প্রবৃত্তি, এক এক জন এক একটি বিষয়ে আগ্রহী হয়। কেউ সাহিত্যে কেউ বা বিজ্ঞান বিষয়ে জানতে আগ্রহী হয়। শিশুদের পছন্দের বিষয়ের সাথে বড়দের পছন্দের অমিল থাকে অনেক। একটি ব্লগ তৈরী করলে সব ধরনের পাঠক যে সেটা পছন্দ করবে না তা মেনে নিতেই হবে।</p>
<p><strong>প্রিয় ব্যক্তিত্ব, আদর্শ ও ধর্মঃ</strong></p>
<p>কোন কোন আদর্শ মানুষকে পথ চলতে সহায়তা করে, ধর্মীয় বিশ্বাস বা কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠির নিয়ম, সংস্কৃতিও মানুষের পড়ার বিষয়কে আন্যের থেকে আলাদা করে দেয়।</p>
<h2>জানানোর আগ্রহ</h2>
<p>যে সব বিষয় আপনাকে আকর্ষণ করে আপনি কি সেই বিষয়গুলো অন্যের সাথে শেয়ার করেন? অনেকেই শেয়ার করেন আবার অনেকেই শেয়ার করেন না।</p>
<p>সামাজিক নেটওয়ার্ক, ই-মেইল বা অন্যন্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে সব বিষয় একে আন্যের সাথে শেয়ার করে তা কি শ্রোতা/পাঠকেরর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়? আপনি যদি ব্লগার হন তাহলে বিষয়টি অবশ্যই ভাবনার আছে বা আপনি নিজেও ভেবেছেন নিজের অজান্তে। আপনি ভেবেছেন যে এটি কি সবাই পড়বে বা জিনিসটি কি উপকারী কিছু হবে কিনা।</p>
<p>সামাজিক বা রাষ্ট্রিয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর উপরে ধারাবাহিক একটা আগ্রহ কাজ করে। সৃষ্টি বা ধ্বংশ যা ব্যপক জনগোষ্ঠির উপরে প্রভাব ফেলে তা আলোচিত বিষয় হিসেবে দেখা যায়। শুধু তাই নয় কোন একটি চলচিত্র বা কোন পুরষ্কারের কথাও ব্যাপক আলোচিত হয়। ব্যক্তিগত জীবনে প্রত্যেকে তার কাছের ও পছন্দের বিষয়ে আলোচনা করতে চায়। প্রযুক্তিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিষয় ও সমস্যা নিয়ে একে অন্যের সাথে আলোচনা করে যা প্রযুক্তি ব্লগেও কিছুটা দেখা যায়।</p>
<p>এসব কথা অনেকেরই জানা, তার পরেও এই বিষয়টি নতুনভাবে বলার কারন হলো- ব্লগিং এ যারা প্রফেশনালভাবে প্রবেশ করতে চায়, যারা  তাদের লেখুনিকে টাকায় পরিনত করতে চায় তাদের অবশ্যই এই বিষয়গুলোতে মন দিতে হয়। নিজের আগ্রহ এবং পাঠকের আগ্রহ দুটি বিষয় মিলিয়ে ফেলতে পারলে এবং সেটা সঠিকভাবে পাঠকের কাছে নিয়মিত পৌছাতে পারলে ব্লগকে স্বার্থক করা সময় সাপেক্ষ হবে না বলে মনে করি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6383</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ওয়েব কনটেন্ট তৈরীতে এলি-গ্রের উপদেশমালা (পর্ব-১)</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6142</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6142#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Jun 2011 12:56:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[কনটেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[লেখালেখি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6142</guid>
		<description><![CDATA[বেশ আগে থেকেই টিউটোরিয়ালবিডিতে ব্লগিং বিভাগটি চালু আছে । সেখানে লেখালেখির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তবে ব্লগিং ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরী করার দরকার হতে পারে। বাংলাদেশে ওয়েবে বাংলা লেখকদের বেশিভাগই ব্লগ লেখা দিয়ে শুরু হওয়ায় ব্লগ ছাড়া কনটেন্টের ধারাকে আলাদা করতে পারেন না অনেকেই। বিভিন্ন প্রয়োজনে আপনারওয়েবে বিভিন্ন ধারার কনটেন্ট দরকার হতে পারে। আর এর রয়েছে বেশ কিছু পদ্ধতি। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে যেহেতু কনটেন্টের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে তাই অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবের জন্যও কনটেন্ট তৈরীর দরকার হতে পারে। আমি নিজে ব্যক্তিগত ব্লগ লিখে বাংলা ব্লগে প্রবেশ করি। পরবর্তিতে টিউটোরিয়ালবিডির জন্য যখন লিখতে শুরু করি তখন বিষয়টা ভিন্ন। ব্যক্তিগত ব্লগে নিজেকে নিয়ে অনেক কথা বলা যায়। আর সেইভাবেই কথা বলা শুরু। প্রফেশনাল কাজে কোথাও কি কি কথা বলা যাবে বা যাবে না সেই বিষয়গুলো তখনো শেখা হয় নি। একটি ওয়েব কনটেন্টের ভাষাটি সেই ওয়েবসাইটের ধরন অনুসারে হতে হবে। একটি প্রফেশনাল সার্ভিস সাইটের জন্য আপনি যদি নিজের কথা মিশিয়ে বলতে থাকেন তাহলে তা বেমানান লাগবে। আবার আমি এখানে যেভাবে অতিরিক্ত কথা গুলো বলছি সেটা সব জায়গায় বলাও ঠিক না। কিছুদিন আগে ওয়েবের ভবিষ্যত নিয়ে স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনের একটি আটির্কেলে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতের ওয়েবে তারাই নেতৃত্ব দিবে যারা ভাল কনটেন্ট তৈরী করতে পারবে। আর সেই কনটেন্ট তৈরীর নির্দেশনামূলক আলোচনা করেছেন এলি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বেশ আগে থেকেই টিউটোরিয়ালবিডিতে<a href="http://tutorialbd.com/bn/?cat=617" target="_blank"> ব্লগিং বিভাগটি</a> চালু আছে । সেখানে লেখালেখির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তবে ব্লগিং ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরী করার দরকার হতে পারে। বাংলাদেশে ওয়েবে বাংলা লেখকদের বেশিভাগই ব্লগ লেখা দিয়ে শুরু হওয়ায় ব্লগ ছাড়া কনটেন্টের ধারাকে আলাদা করতে পারেন না অনেকেই। বিভিন্ন প্রয়োজনে আপনারওয়েবে বিভিন্ন ধারার কনটেন্ট দরকার হতে পারে। আর এর রয়েছে বেশ কিছু পদ্ধতি। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে যেহেতু কনটেন্টের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে তাই অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবের জন্যও কনটেন্ট তৈরীর দরকার হতে পারে।</p>
<p>আমি নিজে ব্যক্তিগত ব্লগ লিখে বাংলা ব্লগে প্রবেশ করি। পরবর্তিতে <a href="http://tutorialbd.com/" target="_blank">টিউটোরিয়ালবিডির</a> জন্য যখন লিখতে শুরু করি তখন বিষয়টা ভিন্ন। ব্যক্তিগত ব্লগে নিজেকে নিয়ে অনেক কথা বলা যায়। আর সেইভাবেই কথা বলা শুরু। প্রফেশনাল কাজে কোথাও কি কি কথা বলা যাবে বা যাবে না সেই বিষয়গুলো তখনো শেখা হয় নি। একটি ওয়েব কনটেন্টের ভাষাটি সেই ওয়েবসাইটের ধরন অনুসারে হতে হবে। একটি প্রফেশনাল সার্ভিস সাইটের জন্য আপনি যদি নিজের কথা মিশিয়ে বলতে থাকেন তাহলে তা বেমানান লাগবে। আবার আমি এখানে যেভাবে অতিরিক্ত কথা গুলো বলছি সেটা সব জায়গায়  বলাও ঠিক না।</p>
<p>কিছুদিন আগে ওয়েবের ভবিষ্যত নিয়ে স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনের একটি আটির্কেলে বলা হয়েছিল,</p>
<blockquote><p>ভবিষ্যতের ওয়েবে তারাই নেতৃত্ব দিবে যারা ভাল কনটেন্ট তৈরী করতে পারবে।</p></blockquote>
<p>আর সেই <a href="http://www.smashingmagazine.com/2011/06/03/content-strategy-optimizing-your-efforts-for-success/" target="_blank">কনটেন্ট তৈরীর নির্দেশনামূলক আলোচনা করেছেন এলি গ্রে</a>। আমি তার ও আমার নিজের বক্তব্যকে এলোমেলোভাবে এখানে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো।</p>
<p>মূলতঃ কোন কনটেন্ট তৈরীর আগে আপনাকে বেশ কিছু জিনিস ভেবে নিতে হবে। এটা যদি সাধারন ব্যক্তিগত ব্লগ হয় তাহলে অনেক কিছুই ভাবার দরকার নাও হতে পারে। তবে বেশ কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।</p>
<ul>
<li> ১. কনটেন্টটি কি কাজে ব্যবহৃত হবে</li>
<li> ২. কারা এর পাঠক</li>
<li> ৩. মূল বিষয়টি কি?</li>
</ul>
<p>অনেক সময় পাঠক মূল কথাটি বুঝতে পারেন না। আবার অনেক সময় মূলবিষয় থেকে দূরে সরে যায় মূল লেখাটি। তাই এ বেষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো</p>
<h2>১.  কনটেন্টটি কি কাজে ব্যবহৃত হবে</h2>
<p>প্রো ব্লগারের একটি লেখায় পরেছিলাম-&#8221;আপনার লেখাটি হবে একটি আইসক্রিমের মতো। পাঠক পড়া শুরু করলে শেষ করে ছাড়বে। মুখে দিলে সহজে পেটে চলে যাবে।&#8221; তার মানে এটি এমন কঠোর কিছু হবে না যা কঠিন কিছু অতি সহজ সুন্দর ও মানানসই আকারে প্রকাশ করতে হবে। ওয়েবের কনটেন্ট বিভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয়। একটি ই-কমাসের্র সাইটে প্রবেশ করলেই পণ্যটির ছবি, নাম ও মূল্য তালিকা চোখে ভেসে ওঠে যা ব্লগে দেখা যায় না। আবার পত্রিকার ওয়েবে বিভিন্ন ধরনের সংবাদের একটি অংশ প্রধান পাতায় দেখতে পাবেন। সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটের দিকে তাকিয়ে  দেখুন। বিষয়টি একেবারেই আলাদা। তারা মূলতঃ কানেকশন ও সময় সাপেক্ষে জিনিসটির প্রাধান্য সৃষ্টি করে। <a href="http://www.facebook.com/tutorialbd" target="_blank">ফেসবুকে</a> কোন একটি ইভেন্ট চলার সময় সব আমন্ত্রিত অতিথির প্রধান পাতায় সেটি ভেসে ওঠে। এটা একটি প্রয়োজনীয় ও লক্ষ্যনীয় দিক। আর সেইভাবে কনটেন্ট তৈরী ও প্রকাশ করতে হয়। এখানে রয়েছে- বেশ কিছু জটিলতম বিষয়ের মিলন মেলা। <a href="http://www.richardingram.co.uk/downloads/content_strategy_app_2038.png">ওয়েব কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজির এই ডায়াগ্রামটি </a>দেখুন। বেশ কিছু জিনিস নিয়েই আপনাকে গবেষণা করতে হতে পারে।</p>
<p style="text-align: center;">
<img class="aligncenter" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/06/content_strategy_app_2038.png" alt="" width="582" height="480" /></p>
<h2>২. মূল বিষয়ঃ</h2>
<p>মূলবিষয়টিকে ছাড়িয়ে গিয়ে ভিন্ন বক্তব্যকে এগিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। কনটেন্টে অবশ্য মূল বিষয়ের প্রভাব থাকবে। ছবি বা ভিডিও বলুন আর ওয়েব ডিজাইনের  নেভিগেশন  বা মেনু সব জায়গায় মৌলিক বিষয়টিকে এগিয়ে নিতে হবে। যদি কনটেন্টটি কোন খবর হয়ে থাকে তাহলে প্রথমেই ভনিতা না করে মূল খবরটি প্রকাশ করতে হবে। তার পর এটি নিয়ে মজার আলাপ শুরু করে দিতে দোষ নাই।</p>
<p>আবার বড় কোন বিষয়ে গভীর আলোচনার বিষয়টিকে ভাগ করা গেলে আগেই পয়েন্ট আকারে বলে দিবেন কি বলতে চাইতেছেন। এতে করে পাঠকের দুইটি সুবিধা হবে- ১. পাঠক প্রস্তুত হবে বিষয়টি পড়ার জন্য । সে যদি বিষয়টি পছন্দ না করেন তাহলে বিদায় নিয়ে চলে যাবেন- এটা তার অধিকার। ২. পাঠক কোন কোন অংশ জানতে চাইলে খুজে সেই অংশটি পড়ে নেবে। কোন কিছু বিক্রি করতে চাইলে ছবি ও দামটা গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও কনটেন্টের ক্ষেত্রে ইউজারের ইন্টারনেট স্পিডের কথা ভেবে শুরু করতে পারেন।</p>
<h2>৩. পাঠক/শ্রোতার চাহিদা</h2>
<p>পাঠক আপনার কাছে কিছু চায়। ধারাবাহিকবাবে লেখা লেখি কররে বিষয়টা সহজে বুঝতে পারতেন। আবার আপনার কনটেন্টও কিছু কিছু চাহিদা সৃষ্টি কতে পারে। আপনি কি সেই চাহিদার প্রতি দৃষ্টি দিচ্ছেন?</p>
<p>ওয়েবে ফিডব্যাক আংশটি বা কমেন্ট সেকশনের ব্যবহারে অনেকটা চাহিদা পূরণে সুবিধা হয়। আবার একই রকম কনটেন্ট ও লিংকের মাধ্যমেও কাজটি হতে পারে।</p>
<blockquote><p>পরবর্তিতে আরো আলোচনা করা হবে। সাথে থাকুন। ভাল থাকুন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6142</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার সমস্যা</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5998</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5998#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 24 Apr 2011 12:37:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5998</guid>
		<description><![CDATA[একটা বয়সে ছেলে মেয়েরা দ্রুত বাড়তে থাকে। কন্ঠস্বরে পরিবর্তনের ছোয়া আসে। চলাফেরায় শিশু ও যৌবনের সম্মিলিত ছোয়া তাদেরকে পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। পোষাকগুলো হঠাৎ করেই শরীরের সাথে মানায় না। &#8220;তের-চৌদ্দ বছর বয়সের মতো বালাই আর নাই&#8221;। ঠিক তেমনি হঠাৎ করে কোন ব্যক্তি বা ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে ওঠলেও বিপত্তি দেখা দেয়। জনপ্রিয়তার সাথে সাথে সেই অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পারাটা সহজ বেপার না।  এমনটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়। বেশ কয়েকটা ব্লগের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা গেছে এবং তার দ্রুত সমাধান যে চরম কঠিন বেপার। দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া বেশ কিছু বাংলা ও ইংরেজী ব্লগে কাছে থেকে বেশ কিছু সমস্যায় ভূগতে দেখেছি।তার কয়েকটি বর্ণনা করছি। আমার এক বন্ধু একটি ইংরেজী ওয়েবসাইট পরিচালনা করতো। সাইটটি শেয়ার হোষ্টিং এ ছিল এবং এটিতে  গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে টাকা কামাই করা হতো। পাঁচ মাস পরে একটা সপ্তাহ গেল ভিন্ন রকমের। সাইটে গড়ে ১০০+ জন অনলাইনে থাকতো। শেষ ৭ দিন আলেক্সা র‌্যাঙ্ক ১৫০০০ হয়ে গেল। একদিনে যেখানে ২/৩ ডলার আয় হতো সেখানে হুট করেই একদিন ৪০ ডরার আয় হলো। সাইটের এডসেন্স বন্ধ হয়ে গেল। কয়েকদিন পরেই সারভারে ব্যাপক চাপ পরলো। সিপিইউ এর ব্যবহার ক্রমেই বেড়ে গিয়ে একাউন্ট বন্ধ করে দিল, মেডিয়া টেম্পল। জনপ্রিয় ব্লগগুলোকে পরিচালনা করতে হয় টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়ে। ছোট ব্লগ চালাতে গেলে ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাটফর্মে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>একটা বয়সে ছেলে মেয়েরা দ্রুত বাড়তে থাকে। কন্ঠস্বরে পরিবর্তনের ছোয়া আসে। চলাফেরায় শিশু ও যৌবনের সম্মিলিত ছোয়া তাদেরকে পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। পোষাকগুলো হঠাৎ করেই শরীরের সাথে মানায় না। &#8220;তের-চৌদ্দ বছর বয়সের মতো বালাই আর নাই&#8221;। ঠিক তেমনি হঠাৎ করে কোন ব্যক্তি বা ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে ওঠলেও বিপত্তি দেখা দেয়। জনপ্রিয়তার সাথে সাথে সেই অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পারাটা সহজ বেপার না।  এমনটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়। বেশ কয়েকটা ব্লগের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা গেছে এবং তার দ্রুত সমাধান যে চরম কঠিন বেপার।<br />
<img src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/04/speed1.jpg" alt="দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার সমস্যা" /></p>
<p>দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া বেশ কিছু বাংলা ও ইংরেজী ব্লগে কাছে থেকে বেশ কিছু সমস্যায় ভূগতে দেখেছি।তার কয়েকটি বর্ণনা করছি।</p>
<p>আমার এক বন্ধু একটি ইংরেজী ওয়েবসাইট পরিচালনা করতো। সাইটটি শেয়ার হোষ্টিং এ ছিল এবং এটিতে  গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে টাকা কামাই করা হতো। পাঁচ মাস পরে একটা সপ্তাহ গেল ভিন্ন রকমের। সাইটে গড়ে ১০০+ জন অনলাইনে থাকতো।</p>
<p>শেষ ৭ দিন আলেক্সা র‌্যাঙ্ক ১৫০০০ হয়ে গেল। একদিনে যেখানে ২/৩ ডলার আয় হতো সেখানে হুট করেই একদিন ৪০ ডরার আয় হলো। সাইটের এডসেন্স বন্ধ হয়ে গেল। কয়েকদিন পরেই সারভারে ব্যাপক চাপ পরলো। সিপিইউ এর ব্যবহার ক্রমেই বেড়ে গিয়ে একাউন্ট বন্ধ করে দিল, মেডিয়া টেম্পল।</p>
<p>জনপ্রিয় ব্লগগুলোকে পরিচালনা করতে হয় টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়ে। ছোট ব্লগ চালাতে গেলে ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাটফর্মে খুব সহজেই চালানো যায়। সাইটের ট্রাফিক হুট করে বেড়ে গেলে নতুন সারভারে তথ্যগুলো পরিবর্তন করে নেওয়াও সহজ কাজ না। সেই সাথে এই কম গতির ইন্টারনেটের দেশে নিয়মিত সাইটের ব্যাকআপ নেওয়াটাও কষ্টকর।</p>
<p>বাংলা ব্লগগুলোর অনেকেই টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো দূর করতে বেশ কিছু ঝামেলায় পরে গেছে। অনেকে কোন সারভার নিবে তা সিদ্ধান্তও নিতে পারছে না। কারন আগামী ছয়মাস পরে সাইট কোথায় গিয়ে দাড়াবে সেটা সিদ্ধান্তও নিতে পারছে না। সবচেয়ে বড় কথা সাইটের গতির সাথে নিজের ট্যাকনিক্যাল ক্ষমতা দ্রুত ও আয় না বাড়লে সেটার সমাধানও কঠিন হয়ে পরে।</p>
<p>বেশ কিছু দিন আগে একজন জানালো, তার হোষ্টিং একাউন্ট বাতিল করে দিয়েছে, ব্যাকআপ নেওয়া তো দূরের কথা সি-প্যানেলেই ঢুকতে দিচ্ছে না। প্রতিবারই আমি তাদের হোষ্টিং প্রদানকারী সংস্থার সাথে আলাপ করতে বলি এবং সে তা না করে আমার সাথে আলাপ শুরু করে। এভাবে বেশ কিছু কম বাজেটের ওয়েবের তথ্য হারিয়ে যেতে দেখেছি।</p>
<p>একটি ওয়েবসাইটকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন কাজ। তবে এগিয়ে গেলে সেটার গতি নিয়ন্ত্রণ করা আরও বেশি কঠিন হয়ে ওঠে। আর তাই সাইটের গতিবিধিকে সবসময় নজরের মধ্য রাখতে হয়। পরিকল্পনা শক্তিশালী থাকতে হয়। অন্যের বর্তমান সমস্যা দেখে নিজের দূরদর্শি চিন্তা করতে হয়। ট্যাকনিক্যাল সমস্যা নিজে সমাধান করতে না পারলে টেকি লোক দিয়ে করিয়ে নেওয়া উচিৎ। এবং সব সময় সাইট থেকে একটা আয় বের করে আনার চেষ্টা ক</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5998</wfw:commentRss>
		<slash:comments>9</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অনলাইনে  প্রশিক্ষনের বাধা সমুহ</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5980</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5980#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 07 Apr 2011 03:27:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগিং]]></category>
		<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রশিক্ষন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5980</guid>
		<description><![CDATA[টিউটোরিয়ালবিডি সহ বাংলাদেশের বেশ কিছু ব্লগ থেকে প্রশিক্ষন নিচ্ছেন অনেকেই। তবে এখান থেকে শিক্ষা বিকাশের পথে বেশ কিছু বাধা আছে, সেই বাধা অতিক্রম না করতে পারলে অবশ্য সঠিকভাবে শেখা যায় না। বিদ্যালয়, বই বা বিজ্ঞানাগারের জিনিসের মধ্যে শিক্ষা লাভ আর ওয়েবের কনটেন্ট থেকে শিক্ষা গ্রহণের মধ্যে বেশ কিছু সুবিধা অসুবিধা ও বাধা রয়েছে.. তাই আলোচনা করবো। ১. কোন জিনিসটা শিখা দরকার সেটা সম্পর্কে অজ্ঞতা ব্লগে একই সাথে উইনডোজের ট্রিক্স উবুন্তুর টিউটোরিয়াল এলোমেলোভাবে প্রকাশিত হয়। এমনও একজনকে দেখেছি যিনি উইনডোজের কন্ট্রোল প্যানেল কি সেটা জানেন না অথচ একটি সাইটে টিউটোরিয়াল দেখে দেখে সিস্টেম রজিস্ট্রির পরিবর্তন করছেন এবং ভাবছেন এটাই প্রাথমিক বিষয়। একই সাথে অনেকগুলো বিষয়ে প্রতিদিন টিউটোরিয়াল আর ব্লগ পড়েই মনে করে অনেক কিছুই শেখা হলো। একটি টিউটোরিয়াল হারিয়ে গেল&#8230; তার পরের পর্ব হয়তো প্রকাশ হলো দশ দিন পরে। এত দিন বসে না থেকে অন্য একটি বিষয়ে হাত দিলো। একসময় আগের বিষয়টিকে হারিয়ে ফেললো। এভাবে কিছুই শেখা হলো না। সে কখনো নিজেকে জিজ্ঞাসা করারও সময় পায় নি যে তার কি শিখা উচিৎ। কিভাবে এগিয়ে যাবে.. ২. ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক কিছু শিখাই বাদ পরে যায় অনেক ব্লগে মানুষের সমস্যাজনক বিষয়টিকে বুঝিয়ে দেয়.. সমাধানের টিউটোরিয়াল দেওয়া হয়-অনেকটা অগোছালোভাবে। অনলাইনে নতুন একজন যখন একটি বিষয় প্রথম থেকে শুরু করতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>টিউটোরিয়ালবিডি সহ বাংলাদেশের বেশ কিছু ব্লগ থেকে প্রশিক্ষন নিচ্ছেন অনেকেই। তবে এখান থেকে শিক্ষা বিকাশের পথে বেশ কিছু বাধা আছে, সেই বাধা অতিক্রম না করতে পারলে অবশ্য সঠিকভাবে শেখা যায় না। বিদ্যালয়, বই বা বিজ্ঞানাগারের জিনিসের মধ্যে শিক্ষা লাভ আর  ওয়েবের কনটেন্ট থেকে শিক্ষা গ্রহণের মধ্যে বেশ কিছু সুবিধা অসুবিধা ও বাধা রয়েছে.. তাই আলোচনা করবো।<br />
<img class="alignright" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/04/booksandmouse.jpg" alt="অনলাইনে  প্রশিক্ষনের বাধা সমুহ" /></p>
<h2>১. কোন জিনিসটা শিখা দরকার সেটা সম্পর্কে অজ্ঞতা</h2>
<p>ব্লগে একই সাথে উইনডোজের ট্রিক্স উবুন্তুর টিউটোরিয়াল এলোমেলোভাবে প্রকাশিত হয়। এমনও একজনকে দেখেছি যিনি উইনডোজের কন্ট্রোল প্যানেল কি সেটা জানেন না অথচ একটি সাইটে টিউটোরিয়াল দেখে দেখে সিস্টেম রজিস্ট্রির পরিবর্তন করছেন এবং ভাবছেন এটাই প্রাথমিক বিষয়। একই সাথে অনেকগুলো বিষয়ে প্রতিদিন টিউটোরিয়াল আর ব্লগ পড়েই মনে করে অনেক কিছুই শেখা হলো। একটি টিউটোরিয়াল হারিয়ে গেল&#8230; তার পরের পর্ব হয়তো প্রকাশ হলো দশ দিন পরে। এত দিন বসে না থেকে অন্য একটি বিষয়ে হাত দিলো। একসময় আগের বিষয়টিকে হারিয়ে ফেললো। এভাবে কিছুই শেখা হলো না।</p>
<p>সে কখনো নিজেকে জিজ্ঞাসা করারও সময় পায় নি যে তার কি শিখা উচিৎ। কিভাবে এগিয়ে যাবে..</p>
<h2>২. ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক কিছু শিখাই বাদ পরে যায়</h2>
<p>অনেক ব্লগে মানুষের সমস্যাজনক বিষয়টিকে বুঝিয়ে দেয়.. সমাধানের টিউটোরিয়াল দেওয়া হয়-অনেকটা অগোছালোভাবে। অনলাইনে নতুন একজন যখন একটি বিষয় প্রথম থেকে শুরু করতে চায় এবং প্রতিটি স্তরে পদচারনা করতে চায় তখন সেটার জন্য ধারাবাহিক ব্লগ/টিউটোরিয়াল ( যেখানে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিষয়গুলো ধারাবাহিক ভাবে পাওয়া যাবে তা ) পাওয়া ক্ষ্ট কর হয়ে পরে।<br />
বেশ কয়েকজন আমাকে ফোন করে বলেছেন,</p>
<ul>
<li> আমি ওয়েব ডিজাইন শিখতে চাই তাই আমাকে প্রথমে কি শিখতে হবে?</li>
<li> একজন চ্যাটিং এ বলেছে কিভাবে ওয়েবসাইট বানাবো তা বলে দেন।</li>
<li> একজন বলেছে বিডিজবসের মতো একটি ওয়েবসাইট বানানোর পদ্ধতি নিয়ে একটি টিউটোরিয়াল লেখেন।</li>
<li> কয়েকজন বলেছে আমি ফ্রিল্যান্সার হতে চাই। আমি জিজ্ঞাস করলাম কি কি জানেন? সে বলল কম্পিউটারের তেমন কিছু জানি না।</li>
</ul>
<p>এমন অনেকেই অদ্ভুত সব সমস্যা নিয়ে হাজির হন। প্রকৃত অর্থ এই যে, নতুনরা ওয়েবে নিজের অবস্থান সম্পর্কে বোঝার আগেই লাখ লাখ টাকা আয়ের উপরে ব্লগ পড়েন। HTML শিখার আগেই PHP&#8217;র টিউটোরিয়াল পড়তে থাকেন।</p>
<h2>৩. নিজের ইচ্ছায় টপিক পছন্দ করা এবং তা থেকে সহজে বিদায় নেওয়া।</h2>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন একটি বিষয়ে ভর্তি হলে সেই বিষয়টি খারাপ লাগলেও অনেকে সেই বিষয়েই তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যায়। একবার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে আবার চেষ্টা করে। অনলাইনে কোন একটি বিষয়ে পারদশির্ হওয়ার চেষ্টা করলেন, পরে দেখলেন সেই বিষয়টি ভাল লাগছে না। ব্যাস, সেই মুহুর্তে সেই বিষয়েটি সম্পর্কে একটি কর্কশ ধারনা নিয়ে অন্য একটি সহজ বিষয় খুজতে অথবা অনলাইনে মুভি দেখতে বসে গেলেন।</p>
<p>অনলাইনে প্রশিক্ষনের বেপারে কেউ সিরিয়াস না। কারন বেশিভাগ ক্ষেত্রেই কোন টাকা দিতে হয় না। আর এখানে শাসন করারও কেউ নাই। এই বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছায় ক্লাস করা যায়। আর তাই অনেকেই শিখতে পারে না -অনেক কিছু। নিজেকে যারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং নিজেকে পরিচালনা করতে পারে তারাই ইন্টারনেটে অনেক কিছু শিখে নিচ্ছে।</p>
<h2>৪. সহজে সমাধান না পাওয়া বা অনুসন্ধান করে তথ্য উদ্ধারের অযোগ্যতা</h2>
<p>কমেন্টের মাধ্যমে সহজে কোন কোন বিষযের সমাধান পেলেও সাথে সাথে অনেকসময়ই সমাধান পাওয়া যায় না। ব্লগ থেকে প্রশিক্ষনের বেপারে অবহেলার কারনে অনেকে লেখকের সাথে সুসম্পর্কও গড়ে তোলতে পারেন না। আবার জনপ্রিয় ব্লগ লেখকরাও পাঠকদের সময় দিতে পারেন না। সব মিলিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তরই জানা  হয় না।</p>
<p>অবশ্য এই সবগুলো দূরত্বই পাঠককে নিজে থেকেই দূর করে শিখে নিতে হয়। সে বেপারে আমি কিছু দিন পরে একটি পোষ্ট লিখবো। এ পর্যন্ত সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।</p>
<h3>আরও পড়ুনঃ</h3>
<p><a title="Permanent Link to ভাল পাঠক হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন" rel="bookmark" href="http://tutorialbd.com/bn/?p=5880">ভাল পাঠক হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন.</a></p>
<p><a rel="bookmark" href="http://tutorialbd.com/bn/?p=4659">আপনার ব্লগিং ওস্তাদ কে?</a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5980</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

