<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet type="text/xsl" media="screen" href="/~d/styles/rss2full.xsl"?><?xml-stylesheet type="text/css" media="screen" href="http://feeds.feedburner.com/~d/styles/itemcontent.css"?><rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" version="2.0">

<channel>
	<title>টিউটোরিয়ালবিডি » ফ্রিল্যান্স</title>
	
	<link>http://tutorialbd.com/bn</link>
	<description>First Bangla Tutorial Online Platform | বাংলা টিউটোরিয়াল ভান্ডার</description>
	<lastBuildDate>Sat, 25 Feb 2012 06:08:43 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3</generator>
		<atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="self" type="application/rss+xml" href="http://feeds.feedburner.com/tutorialbd/free" /><feedburner:info xmlns:feedburner="http://rssnamespace.org/feedburner/ext/1.0" uri="tutorialbd/free" /><atom10:link xmlns:atom10="http://www.w3.org/2005/Atom" rel="hub" href="http://pubsubhubbub.appspot.com/" /><item>
		<title>যারা সফল হতে চান তারা এভাবে ট্রাই করুন (ফ্রীল্যান্সার,ডেভেলপার,রিসেলার)</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6953</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6953#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Feb 2012 19:05:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Cx Rana</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ডেভেলপার]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রীল্যান্সার]]></category>
		<category><![CDATA[রিসেলার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6953</guid>
		<description><![CDATA[আমার ছ’জন কর্মচারী আছে,আমি যা কিছু জানি সব তারাই আমাকে শিথিয়েছে তাদের নাম (কি,কে,কেন,কখন,কেমন করে আর কোথায়)অ্যারিস্টটল ১। ফ্রীল্যান্সিং করে সফলতা লাভ এবং হতাশা ত্যাগের উপায় :- বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী যুবকরাই ফ্রীল্যান্সিং এর সাথে জড়িত,কেউ নিজেকে সফল বলে দাবি করে আবার কেউ বলে আমাকে দিয়ে এসব হবে না। এই যে এখানেই ২টি কথা লুকিয়ে আছে ”সফলতা,হতাশা” আসলেই কি আপনি কাজ করতে গিয়ে ব্যার্থ হয়েছেন ?নাকী সঠিক কাজটি করতে পারেন নি বলে নিজেকেই নিজে অযোগ্য মনে করছেন। আজকে আমি আপনাদের যা শেখাবো তা হলো সফল হতে যা করতে হয় ক) প্রথমেই ঠিক করুন আপনি কোন কাজটি ভালো পারেন,এবং কোন কাজটি করলে আপনি ভালো মতো মানিয়ে নিতে পারবেন, বহুল জনপ্রিয় কিছু ফ্রীল্যান্সিং জব (ডাটা এন্ট্রি,সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন,ভার্চুয়াল এসিসট্যান্ট,মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপিং,ওয়েব সাইট ডিজাইন,সার্ভার ট্রাবলশূটিং রিপেয়ারিং,গ্রাফিক্স,ডাটাবেস বিশেষজ্ঞ) এখানেই আছে আপনি যে কাজটি করতে চান বা বর্তমানে করথেছেন খ)কিভাবে কাজটি পাবেন,বর্তমানে অনেক ফ্রীল্যান্সিং জব পোষ্ট এবং বিটিং সাইট রয়েছে এর মধ্যে জনপ্রিয় যেমন,99designs,allfreelancework,getacoder,freelancers,odesk,freelance ইত্যাদি। এইসব সাইটে আপনার আইড়ি করা থাকলেই আপনি কাজের বিট করতে পারবেন, অথবা বাংলাদেশের ভিতরেই অনেক লোকাল কাজ পাওয়া যায় তাও আপনি নিত পারেন। আর কাজটি যেভাবে আপনার করে নিবেন সবার মত বিট করার পর বায়ার কে একটি ভালো ইমেইল পাঠান(কোথায় আপনি আছেন আর আপনি কি সেবা দিতে পারেন) যদি লোকাল কাজ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমার ছ’জন কর্মচারী আছে,আমি যা কিছু জানি সব তারাই আমাকে শিথিয়েছে<br />
তাদের নাম (কি,কে,কেন,কখন,কেমন করে আর কোথায়)অ্যারিস্টটল</p>
<p><strong>১। ফ্রীল্যান্সিং করে সফলতা লাভ এবং হতাশা ত্যাগের উপায় :-</strong></p>
<p><img src="http://gradmoneymatters.com/wp-content/uploads/2011/04/money_making_ideas_freelancing_issues-300x199.jpg" alt="" width="300" height="199" /><br />
বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী যুবকরাই ফ্রীল্যান্সিং এর সাথে জড়িত,কেউ নিজেকে সফল বলে দাবি করে আবার কেউ বলে আমাকে দিয়ে এসব হবে না।<br />
এই যে এখানেই ২টি কথা লুকিয়ে আছে ”সফলতা,হতাশা”<br />
আসলেই কি আপনি কাজ করতে গিয়ে ব্যার্থ হয়েছেন ?নাকী সঠিক কাজটি করতে পারেন নি বলে নিজেকেই নিজে অযোগ্য মনে করছেন।<br />
আজকে আমি আপনাদের যা শেখাবো তা হলো সফল হতে যা করতে হয়<br />
ক) প্রথমেই ঠিক করুন আপনি কোন কাজটি ভালো পারেন,এবং কোন কাজটি করলে আপনি ভালো মতো মানিয়ে নিতে পারবেন,<br />
বহুল জনপ্রিয় কিছু ফ্রীল্যান্সিং জব<br />
(ডাটা এন্ট্রি,সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন,ভার্চুয়াল এসিসট্যান্ট,মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপিং,ওয়েব সাইট ডিজাইন,সার্ভার ট্রাবলশূটিং রিপেয়ারিং,গ্রাফিক্স,ডাটাবেস বিশেষজ্ঞ)<br />
এখানেই আছে আপনি যে কাজটি করতে চান বা বর্তমানে করথেছেন<br />
খ)কিভাবে কাজটি পাবেন,বর্তমানে অনেক ফ্রীল্যান্সিং জব পোষ্ট এবং বিটিং সাইট রয়েছে এর মধ্যে জনপ্রিয়<br />
যেমন,99designs,allfreelancework,getacoder,freelancers,odesk,freelance ইত্যাদি।<br />
এইসব সাইটে আপনার আইড়ি করা থাকলেই আপনি কাজের বিট করতে পারবেন,<br />
অথবা বাংলাদেশের ভিতরেই অনেক লোকাল কাজ পাওয়া যায় তাও আপনি নিত পারেন।<br />
আর কাজটি যেভাবে আপনার করে নিবেন</p>
<p><img src="http://www.sharpastoast.com/wp-content/uploads/2010/02/Freelance_worker.jpg" alt="" width="300" height="300" /></p>
<p>সবার মত বিট করার পর বায়ার কে একটি ভালো ইমেইল পাঠান(কোথায় আপনি আছেন আর আপনি কি সেবা দিতে পারেন)<br />
যদি লোকাল কাজ হয় তবে মুঠোফোনে পরিচয় করে নিতে পারেন আর সরাসরি হলে তো আরো ভালো<br />
&gt;আপনার প্রতি যারা সন্তুষ্ট তাদের রেফারেন্স দিন<br />
&gt;প্রথমে সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে ফ্রি পরামর্শ দিতে হবে<br />
&gt;খুব ভালো আচরন করুন<br />
&gt;&gt;যদি পুরোনো কোন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ হয় তবে তাকে আপনার দেয়া নতুন সার্ভিস সম্পর্কে বলুন<br />
&gt;&gt;যখন কোন ক্লায়েন্ট কে ইমেইল করবেন,তখন একটি email signature ইউজ করতে পারেন,যেখানে বিদায়ী কিছু সম্মোদন থাকবে।<br />
&gt;&gt;ক্লায়েন্ট থেকে একটি ভিডিও অথবা মুদ্রণ ডেমো নিতে পারেন যাতে কাজ করতে সুবিদা হয়।<br />
&gt;&gt;সবার আগে কাজ পেলে সময় জেনে নিন,কত দিনে আপনি কাজটি করার সময় পাচ্ছেন।<br />
গ) কাজটি আপনি পেয়েছেন এখন কিভাবে করবেন<br />
প্রথমেই একটি চার্ট তৈরী করুন আর লিখুন ক্লায়েন্ট কি কি সুবিদা চাইছেন,</p>
<p><img src="http://a2.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/405504_380502161966086_100000189162058_1755952_2016665554_n.jpg" alt="" /></p>
<p>সময় লিখে রাখুন,কিভাবে পেমেন্ট নিবেন তাও এখানে লিখুন<br />
&gt;কাজটি ঠিক সময়ে শেষ করেছেন,এবং সাবমিট করেছেন,৫০% পেমেন্ট আগেই পেয়েছেন,এখন ক্লায়েন্ট কাজ বুঝে পেয়ে<br />
বাকি পেমেন্ট দেওয়ার কথা<br />
এই সময়ে এসে যে সকল জটিলতা দেখা দিবে তা হলো<br />
&gt;যদি আপনি একটি ওয়েব সাইটের কাজ করে থাকেন তবে এখন ক্লায়েন্ট আপনাকে বলবে সাইটের ফুটার এর রং পরিবর্তন করে দিন,এপ্লিকেশন হলে বলবে<br />
ফন্ট টি একটু সুন্দর করে দিন,অমুক কাজটি কিভাবে করবো একটি টিউটোরিয়াল দিন<br />
ক্লায়েন্ট চাইবে আপনাকে দিয়ে ওই টাকার মধ্যে আরো কিছু কাজ করাতে,আর আপনার মন চাইবে মূল কাজ শেষ এখন টাকা দেন।<br />
এক সময় একটু কথাকাটাকাটি করেই আপনার টাকা পেয়ে যাবেন।<br />
বাকি পেমেন্ট নিতে গিয়ে যে সকল ভুল আপনি করতে পারেন:-<br />
&gt; ক্লায়েন্ট কে গালাগাল<br />
&gt; হুমকি<br />
&gt; যোগাযোগ ঠিক মতো না করা বা ক্লায়েন্ট থেকে সরে থাকা<br />
&gt; আপিন হয়ত সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট সমূহের প্রোফাইল হতে ক্লায়েন্টকে ব্লক করবেন<br />
&gt; ক্লায়েন্ট ফোন করলে তা ইগনর করবেন<br />
উপরের ভুলের কারনে আপনি যা হারাবেন:-<br />
&gt; ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে আগামিতে আর কোন কাজ করাবে না<br />
&gt; ক্লায়েন্ট থেকে আগামিতে আর কোন রেফারেন্স পাবেন না<br />
&gt; আপনার নামে সে মার্কেটে দুর্নাম করবে<br />
&gt; আপনার রেফুটেশন শূণ্যতে নেমে আসবে<br />
<img src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/ranapatwary/111219/12-05_business_lunch.jpg" alt="" width="500" height="330" /><br />
ভালো ব্যাবহার করেই ক্লায়েন্ট কে ধরে রাখবেন এভাবে:-<br />
&gt; স্যার/ভাই/ডিয়ার<br />
আমি এখন গুরুত্বপূর্ন একটি কাজ করতেছি,আমি ফ্রি হয়ে আপনাকে pm দিবো।(চ্যাটে)<br />
&gt; কল কেটে দিন এবং মেসেজ দিন আমি পরে আপনাকে ব্যাক কল দিবো(ফোন কলের ক্ষেত্রে)<br />
&gt; মেইলের রিপ্লে দিন এভাবে”আমি ঠিক সময়ে আপনার কাজটি শেষ করেছি এবং অন্য কাজ হাতে নিয়েছি, এখন আপনার কাজটির কোন সমস্যা থাকলে আমি তা ফ্রি হয়েই দেখবো”<br />
অথবা অটো মেইল রেসপন্ড করে রাখুন এতে ক্লায়েন্ট বিরক্ত হবে না।</p>
<p>-: ওয়েব ডেভেলপার :-<br />
পোর্টফোলিও….</p>
<p><img src="http://a7.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/422256_380504571965845_100000189162058_1755960_188578010_n.jpg" alt="" width="300" height="296" /><br />
১।  কি কি কাজ আপনি পারেন তার একটা তালিকা তৈরী করুন<br />
২।  আপনি অন্য সবার চেয়ে কোন ফিচারটি ভালো বাবে উপস্থাপন করতে পারেন তাও লিখুন<br />
৩। সর্বশেষ আপনি যে কাজটি শেষ করেছেন তার সারসংক্ষেপ লিখুন<br />
৪। টেষ্টিমোনিয়াল দিন<br />
৫। এ বছর আপনি কোন কোন ওপেনসোর্স স্ক্রিপ্ট দিয়ে কাজ করেছেন তাও লিখুন<br />
লোকাল কাজ পেলে কিভাবে ক্লায়েন্ট কে হাত করবেন ?</p>
<p>১।  ক্লায়েন্ট কে বলুন আমি আমার নিজের মনে করেই কাজ করবো আর আপনার সাথে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত<br />
২। আমি বাংলাদেশের সেরা ডিজাইনার/ডেভেলপার এটা কোন সময় বলবেন না<br />
৩। অপর কোন ডিজাইনার/ডিজাইন কোম্পানির নামে বদনাম করবেন না<br />
৪।  ক্লায়েন্ট কে প্রথমেই বলুন “আপনার সাইটের/ব্লগের জন্য আপনি কি কি সুবিদা চাইছেন,ক্লায়েন্ট আপনাকে বলার সাথে সাথে আপনার নিজের সাথে মিলিয়ে নিন কি কি সুবিদা আপনি এর মদ্যে দিতে পারবেন”<br />
৫। ক্লায়েন্ট কে একটি কথা ভালো করে বলুন যে সে কি সাইট ডাইনামিক চায় নাকী স্টাটিক চায়,কেননা কাজ সাবমিট এর পর সে চাইবে সাইটে হয়ত লগিন করে নিজেই কিছু আপডেট করতে,<br />
যদি আগেই ওই ভাবে সব কথা না বলে রাখেন পরে ঝামেলা করতে পারে।<br />
৬। স্টাটিক হতে ডাইনামিক সাইটের রেট বেশি(ডিজাইন খরচ)তাই ডাইনামিক বানালে যে সকল অতিরিক্ত সুবিদা দেয়া যাবে ওটাই বার বার বলুন ,মোট কথা হলো আপনি তাকে ডাইনামিট সাইট করে দিতে চাইবেন<br />
এতে আপনার লাভ হবে এবং ক্লায়েন্ট খুশি হবে।<br />
৭। সাইটের ডিজাইন রেটের সাথে মনে মনে ১/২ হাজার টাকা বাড়িয়ে বলুন(ডিজাইন রেটের বাইরে) আর ক্লায়েন্ট কে বলুন আমি SEO ফ্রি করে দিবো আপনার জন্য<br />
ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে যাবে,কিন্তু আপনি তো ফ্রি করছেন না ,কেননা আপনি আরো ২ হাজার টাকা বাড়তি নিচ্ছেন,এটাই টেকনিক।<br />
কিভাবে পেমেন্ট নিবেন ?</p>
<p>সবসময় ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে চেষ্টা করুন,কেননা এতে আপনার কোন চার্জ কাটবে না আর কাটলেও তা কিছুই না<br />
SA পরিবহন,কোরিয়ার/ পোষ্ট অফিসে<br />
এইভাবে পেমেন্ট নিবেন না,কারন আপনাকে প্রতি হাজারে ১০/১৫ টাকা দিতে হচ্ছে আর জরুরি পাঠালে আপনার ৩০০ টাকা বা আরো বেশি লাগবে<br />
যদি আপনার ক্লায়েন্ট SA পরিবহনে জরুরি ভাবে আপনার জন্য ১০ হাজার টাকা পাঠায় তবে চার্জ আসবে ২৫০/৩০০ টাকা<br />
কিন্তু সে যদি চালাকি করে due করে দে মানে রিবিভার চার্জ দিবে বলে তবে এই ৩০০ টাকা আপনার কাধে উঠবে।<br />
আর যাদের ব্যাংক একাউন্ট নেই তারা সুবিদামতই পেমেন্ট নিন।<br />
<img src="http://a8.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/405504_380502165299419_100000189162058_1755953_1154096833_n.jpg" alt="" width="480" height="300" /><br />
কাজ শেষ কিন্তু ক্লায়েন্ট বলছে কিছু টাকা কম নিতে বা কম দিবে:-</p>
<p>যা ভুল:—- ওই আমি তোর সাইট হ্যাক কইরা দিমু<br />
তোর সাইটে ভাইরাস আগেই ডুকাই রাখছিলাম<br />
আমি যানতাম এমন কিছু হবে তাইতো আমার পার্সোনাল কোড দিয়ে রেখেছি<br />
সাইটের এডমিন দিমু না<br />
সি প্যানেল তো আমার কাছে<br />
এগুলো বলে নিজের স্টাটাস নামাবেন না আর এসব হলো ছোট বাচ্ছার মত কথা<br />
আর এতে কোন সমাধান হবেই না বরং আপনার ক্যারিয়ার যাবে<br />
যা ঠিক:—–<br />
স্যার/ভাইয়া আসলে আমাকে আপনার সাইটের জন্য বা কাজের জন্য প্রচুর সময় দিতে হয়েছে<br />
আমি অন্তত (…) দিন ঘুমাতে পারি নাই<br />
আমি আপনার সাথে সাইটের কাজ করার আগেই যা বলার বলেছি এর চেয়ে কম দিলে আমার কষ্টের সঠিক মূল্য পাবো না<br />
ক্লায়েন্টকে বুঝাতে হবে যে আপনি ওই টাকা টাই চাইছেন যা পেলে আপনার পোষাবে।</p>
<p>সম্পর্ক ঠিক রাখবেন এভাবে:-<br />
নতুন নতুন অফারগুলো পুরানো ক্লায়েন্ট কে আগে জানান<br />
মাঝে মাঝে আপনি যে সব সাইটের কাজ করেছেন তা দেখুন আর কোন কিছু বলার থাকলে তা ক্লায়েন্টকে বলুন<br />
ক্লান্টকে নতুন কোন ফ্রি পরামর্শ দিতে পারেন।<br />
<img src="http://a7.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/401475_380500721966230_100000189162058_1755943_140342354_n.jpg" alt="" width="300" height="199" /><br />
কিভাবে জটিল ক্লায়েন্ট পাবো ?<br />
আপনি যাদের চিনেন তাদের নাম মনে করুন<br />
বর্তমান ক্লায়েন্ট থেকে জেনে নিন তার পরিচিত কেউ এই জাতীয় কোন কাজের সাথে জড়িত কিনা<br />
সঠিক স্থানে বিজ্ঞাপন দিন<br />
সুন্দর ইমেইল মার্কেটিং<br />
দেশের নামকরা ডিজাইন কোম্পানির সাথে হাত মিলিয়ে নিন<br />
<img src="http://2.bp.blogspot.com/-DSgG8-BZOBQ/Tx9heuB5ylI/AAAAAAAAA6Y/1EORJjqjfI8/s1600/Friendship.jpg" alt="" width="450" height="450" /></p>
<p>এক্সট্রা ট্রিকস:-</p>
<p>আপনারা ক্লায়েন্টের জ্ঞান খাটো করে দেখবেন না<br />
প্রকৃত উদাহরণ দিন<br />
কথা বলার এক্সপ্রেশন সহজ রাখুন<br />
ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করতে উত্সাহিত করুন</p>
<p>একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রস্তাবনা লিখন:-<br />
আপনার প্রস্তাবনা ডিজাইন:</p>
<p>“আমি  বা আমরা জানতে পেরেছি আপনি একটি ওয়েব সাইট বানাতে চাইছেন,আমি আপনার জন্য আপনার চাহিদা অনুযায়ী ওয়েবসাইটি বানাতে চাই।<br />
আপনি যেই রকম সুবিদা চাইবেন সেই রকম খরচ পড়বে এবং এক্সট্রা কোন চার্জ নেই।<br />
আপনার সাথে যদি এটাই আমাদের প্রথম কাজ হয়ে থাকে তবে আমি আপনাকে SEO টা ফ্রি করে দিতে চাই।<br />
এবং পরবর্তীতে যে কোন সমস্যা নিয়ে আপনি আমার সেবা পাবেন “</p>
<p>এবার নিচে আপনার কোম্পানির বা আপনার পরিচয় দিন এভাবে</p>
<p>এবিসি উইজেট ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রস্তাবনা<br />
সূত্র:………..<br />
লোকেশন:….<br />
যোগাযোগ মাধ্যম:….<br />
পরিশেষে একটি সাইন দিন।</p>
<p>* নতুন আইডিয়া পেতে পারেন:</p>
<p><a href="http://www.youthedesigner.com/2011/02/23/40-cool-website-design-ideas-you-should-check/">ইউডিজিাইনার</a></p>
<p>আমার মতে ৫টি আইডিয়া দিলাম:</p>
<p><img src="http://a5.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/422256_380504595299176_100000189162058_1755963_1527942752_n.jpg" alt="" width="400" height="247" /><br />
আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স এবং প্রদর্শণ করে ব্যবহার করুন<br />
<a href="http://eu.wrangler.com/bluebell/#/collection">দেখুন</a><br />
<a href="http://www.jimcarrey.com/">দেখুন</a><br />
আগ বাড়িয়ে কোন সুবিদা দিতে যাবেন না<br />
<a href="http://www.youtube.com/watch?v=NugRZGDbPFU&amp;feature=player_embedded">Youtube</a><br />
বিনামূল্যে কিছু পরামর্শ দিবেন<br />
নিজের একটি পোষ্টার তৈরী বরুন আর সেটি ইমেইলের সাথে সবসময় এটাচ করে দিবেন।<br />
আপনি কিছু T-শার্ট সঙ্গে আপনার নতুন ডিজাইন(লোগো) মুদ্রিত তরে আপনার বন্ধু এবং আপনার ক্লায়েন্টকে দিতে পারেন।</p>
<p><img src="http://a4.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc7/405504_380502158632753_2145949887_n.jpg" alt="" width="500" height="445" /><br />
নিজের সাথে সবসময় একটি কলম এবং একটি ছোট নোট রাখতে পারেন যাতে নতুন আইডিয়া মাথায় এলে নোট করে রাখতে পারেন।</p>
<p><img src="http://a1.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/401475_380500718632897_100000189162058_1755942_1846061297_n.jpg" alt="" width="365" height="275" /><br />
ছুটির দিনে আপনি আপনার লোগোর সঙ্গে কিছু নান্দনিক গ্রিটিংস কার্ড এবং মুদ্রণ আপনার ক্লায়েন্ট, বন্ধুদের প্রেরণ করতে পারেন</p>
<p><img src="http://a6.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/405504_380502155299420_100000189162058_1755950_1602285477_n.jpg" alt="" width="370" height="270" /><br />
নিজের একটি ব্যক্তিগত ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে নিন</p>
<p><img src="http://a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/401475_380500711966231_100000189162058_1755941_1038129521_n.jpg" alt="" width="300" height="174" /><br />
মাঝে মাঝে সন্ধায় বা বিকেলে ক্যাফেতে গিয়ে কপি খেতে পারেন আর নতুন কারো সাথে পরিচিত হতেও পারেন যদি সেখানে আপনার কোন বিজ্ঞাপন লাগানো থাকে।</p>
<p><img src="http://a5.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/401475_380500708632898_100000189162058_1755940_1913229202_n.jpg" alt="" /></p>
<p>স্থানীয় পত্রিকার কারো সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন<br />
আপনার করা ডিজাইন(সাইটের ডিজাইনের) সঙ্গে সৃষ্টিশীল এবং/অথবা মজার বুকমার্ক মুদ্রণ এবং প্রাসঙ্গিক বই বই সঞ্চয় কফি শপ এবং চা দোকান রাখুন ।<br />
আউটডোর ব্যানার তৈরি করুন,এবং আপনার শহর কেন্দ্রে রাখুন</p>
<p><img src="http://a1.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/422256_380504578632511_100000189162058_1755961_714836439_n.jpg" alt="" width="400" height="261" /><br />
আপনার স্থানীয় থিয়েটার, অথবা বিনোদন প্রতিষ্ঠান এবং যোগাযোগ তাদের শো এক জন্য একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ফ্রি অফার করুন</p>
<p>-: হোষ্টিং বিজনেস :-</p>
<p><img src="http://a5.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/405504_380502178632751_100000189162058_1755954_754657998_n.jpg" alt="" width="318" height="324" /><br />
প্রাথমিক কথা :&gt;&gt;<br />
ব্যবসায়িক পরিকল্পনা<br />
বাজেট<br />
জনবল(কত জন মিলে সার্ভিস দিবেন)<br />
একটি রিসেলার একাউন্ট অথবা একটি ডেডিকেটেড সার্ভার কিনুন<br />
আপনার ওয়েব হোস্টিং ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিন<br />
ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখুন</p>
<p>সর্বশেষ যা বলতে চাই ,<br />
আপনি একটি ওয়েব হোস্টিং ব্যবসা শুরু করছেন:<br />
<img src="http://ucitareviews.com/wp-content/uploads/2011/08/easy-web-hosting.jpg" alt="" /></p>
<p>ক) একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা – এই কাজটা আপনার প্রথম প্রয়োজন<br />
খ) একটি সার্ভার (অথবা একটি রিসেলার একাউন্ট)<br />
গ) একটি কন্ট্রোল প্যানেল – উভয়ের জন্য আপনি এবং গ্রাহকের<br />
গ) অ্যাকাউন্ট (অথবা আপনার কোনো তৃতীয় পক্ষ ক্রেডিট কার্ড প্রসেসর ব্যবহার করতে পারেন)<br />
ঙ) SSL সার্টিফিকেট<br />
চ) একটি ডোমেইন নেইম এবং একটি ওয়েবসাইট<br />
ছ) একটি বিজ্ঞাপন বাজেট<br />
এবার হোষ্টিং বা ডোমেইন কেনাবেচা :…&gt;</p>
<p><img src="http://www.nuwebdesign.net/wp-content/uploads/2010/10/webhosting-289x300.jpg" alt="" width="289" height="300" /></p>
<p>যে সকল প্রতারনা করবেন না বা প্রলোভন দেখাবেন না অথবা গ্রাহক কে ভুল বুঝাবেন না:<br />
১০০% আপটাইম সার্ভার<br />
আমরাই সবার সেরা<br />
আনলিমিটেড স্পেস<br />
আমাদের সার্ভারের সাইট হ্যাক হয় না<br />
[ কোন কম্পিউটারের হার্ডডিক্স কি আনলিমিটেড হতে পারে ? তাহলে স্পেস কেমনে আনলিমিটেড হবে ]<br />
[ সার্ভার এর ক্যাশিং ক্লিয়ার করতে মাঝে মাঝে সাইট ডাউন হতেই পারে ]<br />
[ নিজের টা তুলে দরুন আর কে কেমন তা বলার প্রয়োজন নেই ]</p>
<p>গ্রাহক আপনার প্যাকেজ কিনার পর যে সকল অভিযোগ আসতে পারে :-</p>
<p>সাইট লোড হতে সময় বেশি লাগে কেন</p>
<p><img src="http://wabbieworks.com/wp-content/uploads/2008/12/stopwatch.jpg" alt="" /></p>
<p>একটু পর পর সার্ভার ডাউন হচ্ছে<br />
ইরর দেখাচ্ছে<br />
ব্যান্ডওয়াইথড খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে কেন<br />
ftp কাজ করছে না,পারমিশন ইরর<br />
ব্যাক আপ নিতে পারছি না কেন<br />
[আপনি আগে থেকেই এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর তৈরী করে রাখতে পারেন,আপনি টিউটোরিয়াল/faq বানিয়ে রাখুন,তাহলে ইনষ্টান্ট সমাধান করে দিতে পারবেন।]</p>
<p><img src="http://www.indepmo-fumc.org/wp-content/uploads/2011/08/web-faq.jpg" alt="" width="449" height="297" /></p>
<p>কিভাবে গ্রাহকের মন জয় করবেন ?<br />
১। ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট দিতে পারেন<br />
২।মোবাইলে  গ্রাহকের সাথে কথা বলুন<br />
৩।সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একটি পেইজ রাখতে পারেন যেখানে গ্রাহক আপনাকে সবকিছু জানাতে পারে।<br />
৪।সাপোর্ট দিতে একটি ইমেইল একাউন্ট রাখুন<br />
৫।সম্ভব হলে চ্যাটিং ব্যবস্থা করুন<br />
৬।টিকিট ব্যাবস্থা রাখুন<br />
৭।একজন সাপোর্ট ম্যানেজার রাখুন<br />
[যদি পারেন তবে সাপোর্ট ম্যানেজার হিসেবে কোন মেয়েকে দায়িত্ব দিন,তাহলে গ্রাহক খুব সুন্দর আচরন করতে বাধ্য হবে<br />
এবং সমস্যার সমাধান সহজ হবে,এ ছাড়াও আরে কিছু সুবিদা পাবেন আপনি ]</p>
<p><img src="http://www.hostingwithmyrtle.com/images/p_137.jpg" alt="" width="310" height="372" /><br />
গ্রাহকের সাথে কি করলে সম্পর্ক নষ্ট হয় আর মার্কেটে আপনার মান খারাপ হয় ?</p>
<p>১।গ্রাহক এর সাথে যোগাযোগ না রাখার চেষ্টা করা<br />
২।গ্রাহক খুব প্রয়োজনে ফোন করলে আপনি বার বার রিং বাজলেও না রিসিভ করা<br />
৩।গ্রাহকের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলা<br />
৪।হুমকি দেয়া<br />
৫।বিশ্রি ভাবে গালাগাল করা<br />
৬।গ্রাহকের কথা শেষ হবার আগেই উল্টো তাকে প্রশ্ন করা<br />
[গ্রাহক নিজেই সার্ভার/হোষ্টিং নিয়েছে এখন সে তার সার্ভারে চলে যেতে চায় আর আপনার সাহায্যে চাইছে,মেন সে তার ফুল ব্যাকআপ চায়,তার সঠিক আইপি চায়(ফাইল ট্রান্সফার করার কাজে)<br />
,যদি ডোমেইন ও আপনি দিয়ে থাকেন তবে সে ডোমেইন কন্ট্রোল চাইবে।<br />
দয়া করে আপিন গ্রাহকের পাওনা দিয়ে দিন, অনেকে মেজাজ ঘরম করে গ্রাহকের ব্যাকআপ দেয় না,ফোন ধরে না,ইমেইল রিপ্লে দে না এবং সর্বশেষ কন্ট্রোল দিতে চায় না,আবার গ্রাহকের ফাইল ডিলেট করে দে<br />
যদি এসব করেন তবে যায়গা মত ধরা খাবেন.ইজ্জত তো যাবে সাথে বিজনেস যাবে হাতাহাতিও হতে পারে]</p>
<p>হোষ্টিং প্রোভাইডার যে সকল কাবিলাতি করে নিজের গুনগতমান খারাপ করে:-</p>
<p>১। গ্রাহক যে প্যাকেজ কিনেছে তা গ্রাহক কে না জানিয়ে কয়দিন পর চেন্জ করে দেয়া<br />
২।গ্রাহক কে না বলে সার্ভার চেন্জ করা<br />
৩।নিজের ইচ্ছে মতো ব্যান্ডওয়াইথড কমানো বা বাড়ানো<br />
৪।বিনা প্রয়োজনে(অনুমতি ছাড়া) গ্রাহকের সি প্যানেলে প্রবেশ<br />
৫।১ম বছরের পর রিনিউ করার সময়ে অতিরিক্ত খরচ দাবি করা</p>
<p>সবাই যা করে আপিন তার থেকে আলাদা কিছু করুন :-<br />
১। মাঝে মাঝে গ্রাহক কে মেইল করুন(মাল্টি ইউজার মেইল)<br />
২।গ্রাহককে ফোন করে তার সাইটের অবস্থার কথা জেনে নিন,মানে সার্ভার এর কোন সমস্যা দেখা যাচ্ছে কিনা<br />
৩।গ্রাহককে ছোটখাট সাইটের জন্য হোষ্টিং উপহার দিন যাতে গ্রাহক আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়<br />
৪।অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য হোষ্টিং স্পন্সর করুন<br />
৫।১টি পরিপূর্ণ ইউজার গাইড তৈরী করুন</p>
<p>** সাফল্যের জন্য প্রয়োজন চারটা জি<br />
গ্রেস,গ্রম্সান,গ্লিট ও গুর্টস(দয়া,সাধারন বুব্ধি,চরিত্রের দৃঢতা এবং সহন শক্তি)</p>
<p><img src="http://www.cyberaxis.com.sg/wp-content/uploads/2011/02/success-business.png" alt="" width="538" height="192" /></p>
<h3>এটি আমার ব্লগিং লাইফের ৫০০ তম পোষ্ট</h3>
<p>এই পোষ্টের প্রতিটি কথা আমার নিজের আইডিয়া থেকেই লেখা,কোথাও থেকে নিয়ে লেখা নয়,তাই আমার অনেক কথা আপনার সাথে না মিলতে পারে এবং আপনার সাথে না মিললেও আরেকজনের সাথে মিলবে এটাই<br />
স্বাভাবিক।তাই আমি অগ্রিম সরি বলে দিচ্ছি।<br />
টপিক্স: আনোয়ার হোসেন রানা (Cx Rana)<br />
ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ,শেষ বর্ষ<br />
ছবি সংগ্রহ:গুগল<br />
ধন্যবাদ: মাহবুব টিউটো(ভার্চুয়াল বড় ভাই)<br />
লাকি এফএম(বন্ধু,আমি রেগে গেলে ও আমাকে ঠান্ডা করে)<br />
Bub Rupam(ঘনিষ্ঠ বন্ধু,সব সময় অনুপ্রেরণা দেয়)<br />
জামিল হোসাইন সেজান(ওয়ার্ডপ্রেস গ্রুপ বাংলাদেশ)<br />
মেহেদী হাসান আরিফ(টেকটিউন্স,সবাই এই ব্লগে লিখতে পারে বলে)<br />
টেকমাষ্টার ব্লগ<br />
সামহোয়্যার ইন<br />
বিডি রঙ<br />
টিউনার পেইজ</p>
<p>যারা কাজ করতে গিয়ে হতাশায় ভুগতেছেন তাদের জন্য আমি আছি,বাস্তব বিশ্বের জীবিত কিছু বাস্তব শিক্ষা প্রয়োজন ?<br />
স্বাগতম ফ্রেশনোলজিতে-অ্যাডমিশন খোলা,আসুন এবার স্মার্ট বনে যাই ।</p>
<p><a href="http://www.facebook.com/University2Freshology">ইউনিভার্সিটি অব ফ্রেশনোলজি</a></p>
<p><a href="https://www.facebook.com/bdweblab">ফেইসবুকে আমি</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>লেখাটি আগে  <a href="http://www.techtunes.com.bd/reports/tune-id/111219/">টেকটিউন্স</a>  এ প্রকাশিত হয়</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6953</wfw:commentRss>
		<slash:comments>5</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডাউনলোড করুন একটি পরিপূর্ণ “ফ্রীলান্সার” টিউটোরিয়াল ই-বুক!</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6935</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6935#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 06 Feb 2012 05:07:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম শাওন</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ইবুক]]></category>
		<category><![CDATA[ডাউনলোড]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রীল্যান্স]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6935</guid>
		<description><![CDATA[বলা বাহুল্য, ফ্রীলান্সিং করার শুরুর দিকে যতটা কাঠখড় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং এখনও দিতে হচ্ছে, তা এখনকার বেশির ভাগ নতুন ছেলে/মেয়ে, যারা এই লাইনে আসছে প্রতিনিয়তই তাদের এমন ধৈর্য্য ধরে কাজ শিখে নিজেকে এগিয়ে যাবার মানুষিকতা নেই। তাই অল্প কিছুদিনের মধ্যেই যেকোন কাজে অজ্ঞতা বশতঃ তাদের থেকে আয় করার আসল ইচ্ছাটাই দূরে চলে যায়। ফলে অনেকেই কম জেনে বা একে বারেই না জেনে এই লাইনে কাজ করতে এসে সফল হতে না পেরে তাদের মূল্যবান প্রতিটি মূহুর্তকে বিলিয়ে দিচ্ছে। একটি কথা যারা আসলেই অনলাইনে আয় করছেন তাদের প্রতিটি মানুষের সফলতার পিছনে অনেক সময়, শ্রম এবং অধ্যাবসায় এবং চরম শিখার মানুষিকতাই তাদেরকে সাফল্যের দাঁড়প্রান্তে পৌছাতে সহায়তা করেছে। তাই এখনও যারা শিখার মানুষিকতা ছাড়া ইন্টারনেটে আয় করার স্বপ্নে বিভোর তারা এমন অর্থহীন স্বপ্নগুলোকে দূর করুন এবং সময় ব্যয় করে পুঙ্খানুপুঙ্খ কাজ শিখতে শুরু করুন। অনেকেই আছে কাজ জানেন কিন্তু কিভাবে ফ্রীলান্সিং সাইটগুলোতে কাজের জন্য আবেদন করবেন তা জানেন না বা আপনার আশে পাশের এমন কেউই নেই যাদের থেকে আপনি সাহায্য সহায়তা নিবেন। আবার এমনও আছেন হাজার হাজার টাকা খরচ করেও শিখতে পারে নাই আসলেই কিভাবে এই সাইটগুলোতে কাজ করতে হয়। না পারার কারন হিসেবে বলবো আপনি প্রোফেশনালী কাজগুলো দেখায় নেবার মত এমন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে পান নাই যারা আপনাকে হাতে কলমে এই কাজ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বলা বাহুল্য, ফ্রীলান্সিং করার শুরুর দিকে যতটা কাঠখড় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং এখনও দিতে হচ্ছে, তা এখনকার বেশির ভাগ নতুন ছেলে/মেয়ে, যারা এই লাইনে আসছে প্রতিনিয়তই তাদের এমন ধৈর্য্য ধরে কাজ শিখে নিজেকে এগিয়ে যাবার মানুষিকতা নেই। তাই অল্প কিছুদিনের মধ্যেই যেকোন কাজে অজ্ঞতা বশতঃ তাদের থেকে আয় করার আসল ইচ্ছাটাই দূরে চলে যায়। ফলে অনেকেই কম জেনে বা একে বারেই না জেনে এই লাইনে কাজ করতে এসে সফল হতে না পেরে তাদের মূল্যবান প্রতিটি মূহুর্তকে বিলিয়ে দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি কথা যারা আসলেই অনলাইনে আয় করছেন তাদের প্রতিটি মানুষের সফলতার পিছনে অনেক সময়, শ্রম এবং অধ্যাবসায় এবং চরম শিখার মানুষিকতাই তাদেরকে সাফল্যের দাঁড়প্রান্তে পৌছাতে সহায়তা করেছে। তাই এখনও যারা শিখার মানুষিকতা ছাড়া ইন্টারনেটে আয় করার স্বপ্নে বিভোর তারা এমন অর্থহীন স্বপ্নগুলোকে দূর করুন এবং সময় ব্যয় করে পুঙ্খানুপুঙ্খ কাজ শিখতে শুরু করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকেই আছে কাজ জানেন কিন্তু কিভাবে ফ্রীলান্সিং সাইটগুলোতে কাজের জন্য আবেদন করবেন তা জানেন না বা আপনার আশে পাশের এমন কেউই নেই যাদের থেকে আপনি সাহায্য সহায়তা নিবেন। আবার এমনও আছেন হাজার হাজার টাকা খরচ করেও শিখতে পারে নাই আসলেই কিভাবে এই সাইটগুলোতে কাজ করতে হয়। না পারার কারন হিসেবে বলবো আপনি প্রোফেশনালী কাজগুলো দেখায় নেবার মত এমন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে পান নাই যারা আপনাকে হাতে কলমে এই কাজ গুলো শিখায় দিবে। তাই নিজের পিছনের সময়গুলোর কথা চিন্তা করে এবং অন্যরা যেন সহজেই কাজে নামতে পারে এই প্রয়াস নিয়ে সবার জন্য মাতৃভাষায় চিত্রভিক্তিক পূর্ণাঙ্গ ফ্রীলান্সিং গাইড “<strong>ফ্রীলান্সার</strong>” টিউটোরিয়াল প্রকাশ করছি।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/freelancer-copy-com_logo_color_on_white.png"><img class="aligncenter size-full wp-image-942" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/freelancer-copy-com_logo_color_on_white.png" alt="" width="593" height="124" /></a></p>
<p style="text-align: justify;">নিজে কাজ করে বাস্তবিকতার আলোকে লিখা এই পিডিএফ বইটি পড়ে এবং শিখে যদি একজন-ও সফলতা অর্জন করতে পারে, তবেই আমার লিখার স্বার্থকতা।</p>
<h2 style="text-align: center;">পিডিএফ বইটির টিউটোরিয়াল সূচীপত্রঃ</h2>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ১</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে ব্যবহারকারী নিবন্ধন এবং প্রোফাইল সাজাবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ২</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে ফ্রীলান্সারে প্রোজেক্ট বিড করবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৩</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ ফ্রীলান্সার এর সবগুলো মেন্যু পরিচিতি।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৪</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে প্রোজেক্ট জয়লাভ করতে পারবেন</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৫</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে মানিবুকার্স দিয়ে টাকা উত্তোলন পদ্ধতি।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৬</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে মানিবুকার্স থেকে ফ্রীলান্সার একাউন্টে ডলার ডিপোজিট/জমা করবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৭</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে ফ্রীলান্সারে বায়ার হবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৮</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভবে প্রোভাইডার/ওয়ার্কারকে মাইলস্টোন পেমেন্ট দিবেন এবং তা কাজ শেষে রিলিজ করবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ৯</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে বায়ার এবং প্রোভাইডার/ওয়ার্কারকে ফিডব্যাক/রিভিউ দিবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ১০</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ যেভাবে নিচের কাজের মূল্য এবং চাহিদা ঠিক রেখে বায়ারের কাজ করবেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস “ফ্রীল্যান্সার” &#8211; টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ১১</h3>
<p style="text-align: center;">বিষয়বস্তুঃ নতুন ফ্রীলান্সারদের সচারচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন (সজিপ্র) এবং তার উত্তর।</p>
<p style="text-align: justify;">বইটির সকল সর্বস্বত্ত্ব <a href="http://www.bigganprojukti.com/post-id/tag/%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A6%AE" target="_blank">বিজ্ঞানপ্রযুক্তি ব্লগের</a>। ২০১১-তে যখন লিখতে শুরু করি তখন আর এখনের ফ্রীলান্সার সাইটের ইন্টারফেসগত কিছু পরিবর্তণ এসেছে। তাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো মিল নাও থাকতে পারে। তারপরেও চেষ্ঠা করেছি নতুন ফিচারগুলোকে সংযুক্ত কর বার। সাথে বানানগত যেকোন ভুল থাকলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে বাধিত করবেন। বইটি নিয়ে সামনে আরো কাজ করবার ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু তা পাঠকগণের চাহিদা এবং আগ্রহের উপরে নির্ভর করবে পরবতীর্তে ই-বুকটি আপডেট হবে কিনা।<br />
বিশেষ দ্রষ্ঠব্যঃ বইটি সবা্র জন্য উম্মুক্ত এবং বিনামূল্যে বিতরনের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে। কেউ নিজের স্বার্থান্বষে পিডিএফ বইটি কারও নিকট হস্তান্তর করতে বিনিময়ে অর্থ বা অন্য কিছু দাবি কবার মত নোংরামি করবেন না।</p>
<p style="text-align: center;"><strong>বইটি ডাউনলোড করুন নিচে থেকে সম্পূর্ণ ফ্রি-তে! এবং ছড়িয়ে দিন আপনার বন্ধুদের মাঝে। <img src='http://tutorialbd.com/bn/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':-)' class='wp-smiley' /> </strong></p>
<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.mediafire.com/?fs1am10jz3fucql" target="_blank"><img class="aligncenter size-full wp-image-940" src="http://aishaon.files.wordpress.com/2012/02/down.jpg" alt="" width="279" height="71" /></a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6935</wfw:commentRss>
		<slash:comments>9</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কম বাজেটে প্রোজেক্ট শুরু করার সমস্যা সমুহ</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=6411</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=6411#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 06 Oct 2011 10:44:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[টাকা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোজেক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বাজেটে]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=6411</guid>
		<description><![CDATA[নতুন ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলপারদের হাতে কম পরিমানে কাজ থাকে এবং কাজ শিখার উদ্যেশ্যেই হোক বা পোর্টফলিওতে নতুন প্রজেক্টের নাম তোলার জন্যই হোক না কেন- কম খরচে একটি প্রোজেক্ট হাতে নেওয়ার চেষ্টা করে। অপরিপক্কদের মূল হাতিয়ার এটি। কিন্তু দিন দিন কাজটির বাজার মূল্য যাচাই না করে কম দামে নিয়ে বিপাকেও পরেছে অনেকে। শেষ পর্যন্ত কাজটি ফেরতও দিতে হয়েছে। প্রথমতঃ সঠিক মূল্যে বা  অতিরিক্ত মূল্য কাজের  অর্ডারটি নিলে সেই কাজটি সঠিকভাবে করে দেওয়া যাবে এটা নিশ্চিত। তখন বেশ কিছু বিকল্প পথও তৈরী হয়ে যায়। যেমন- ১. প্রোজেক্টে বেশি সময় দেওয়াঃ এক সাথে অনেকগুলো প্রোজেক্টের কাজ চলতে থাকলে কম বাজেটের কাজটি সয়ংক্রিয়ভাবেই অবহেলিত হয়। আপনার নিত্য দিনের ব্যক্তিগত কাজের ভীরেও প্রোজেক্টটি মূল্য নাও পেতে পারে। একই সাথে বেশিদামের প্রোজেক্টে বেশি সময় দেওয়া হয়ে যাবে। তাছাড়া কাজটি কম দামে নেওয়ার কারনে ঘন্টার হিসাব করলেও বিষয়টিকে অবজ্ঞার প্রবণতা চলে আসবে। ২. আউটসোর্সিং করানোঃ হয়তো আপনি মনে করেছিলেন কাজটি আপনি নিজেই বা নিজের টিমের লোকদের দিয়ে করাতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেল হাতে এত কাজ যে বেশ কিছু কাজ হাত থেকে ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় আপনি যদি কোন কম দামী কাজ নিয়ে থাকেন তাহলে সেটা আউটসোর্সিং করাতে আপনার বারটা বাজবে। কাজটি হয় কোন অপরিপক্ক লোকের হাতে দিতে হবে না হয় আউটসোর্সিং করানোর জন্য লোক খুজে পাওয়া [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলপারদের হাতে কম পরিমানে কাজ থাকে এবং কাজ শিখার উদ্যেশ্যেই হোক বা পোর্টফলিওতে নতুন প্রজেক্টের নাম তোলার জন্যই হোক না কেন- কম খরচে একটি প্রোজেক্ট হাতে নেওয়ার চেষ্টা করে। অপরিপক্কদের মূল হাতিয়ার এটি। কিন্তু দিন দিন কাজটির বাজার মূল্য যাচাই না করে কম দামে নিয়ে বিপাকেও পরেছে অনেকে। শেষ পর্যন্ত কাজটি ফেরতও দিতে হয়েছে।</p>
<p style="text-align: center;">
<img class="aligncenter" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/10/right_price.jpg" alt="কম বাজেটে প্রোজেক্ট শুরু করার সমস্যা সমুহ" /></p>
<p>প্রথমতঃ সঠিক মূল্যে বা  অতিরিক্ত মূল্য কাজের  অর্ডারটি নিলে সেই কাজটি সঠিকভাবে করে দেওয়া যাবে এটা নিশ্চিত। তখন বেশ কিছু বিকল্প পথও তৈরী হয়ে যায়। যেমন-</p>
<h2>১. প্রোজেক্টে বেশি সময় দেওয়াঃ</h2>
<p>এক সাথে অনেকগুলো প্রোজেক্টের কাজ চলতে থাকলে কম বাজেটের কাজটি সয়ংক্রিয়ভাবেই অবহেলিত হয়। আপনার নিত্য দিনের ব্যক্তিগত কাজের ভীরেও প্রোজেক্টটি মূল্য নাও পেতে পারে। একই সাথে বেশিদামের প্রোজেক্টে বেশি সময় দেওয়া হয়ে যাবে। তাছাড়া কাজটি কম দামে নেওয়ার কারনে ঘন্টার হিসাব করলেও বিষয়টিকে অবজ্ঞার প্রবণতা চলে আসবে।</p>
<h2>২. আউটসোর্সিং করানোঃ</h2>
<p>হয়তো আপনি মনে করেছিলেন কাজটি আপনি নিজেই বা নিজের টিমের লোকদের দিয়ে করাতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেল হাতে এত কাজ যে বেশ কিছু কাজ হাত থেকে ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় আপনি যদি কোন কম দামী কাজ নিয়ে থাকেন তাহলে সেটা আউটসোর্সিং করাতে আপনার বারটা বাজবে। কাজটি হয় কোন অপরিপক্ক লোকের হাতে দিতে হবে না হয় আউটসোর্সিং করানোর জন্য লোক খুজে পাওয়া যাবে না। যদি প্রোজেক্টটি ভাল দামে নেওয়া হয় তাহলে অবশ্যই আপনি কাজটি প্রোফেশনাল কাউকে দিয়ে করিয়েও বেশ কিছু টাকা পকেটে রাখতে পারবেন।</p>
<h2>৩. টেষ্টিং ও মডিফিকেশনঃ</h2>
<p>কোন একটি ওয়েব ডিজাইন বা সফটওয়্যারের কাজ করলেন। এখন সেটির প্রকাশ করার আগে ক্লাইন্ট আপনাকে বেশ কিছু জিনিস পরিবর্তন পরিবর্ধণ করতে বলতে পারে। যেহেতু টানাটানির বাজেটে করা কাজ। আপনি নিশ্চই এই সার্ভিস দিতে পারবেন না। আর যদি কাজটি করে বেশ ভাল মুনাফা হয়ে থাকে তখন সেই মুনাফা থেকে কিছু খরচ হলেও সমস্যা মনে হবে না বলে সফটওয়্যারের মডিফিকেশন করে দিতে পারবেন।</p>
<h2>৪. ভাল সাপোর্ট দেওয়াঃ</h2>
<p>বর্তমান সময়ে সাপোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার তৈরী সফটওয়্যার ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীদের বেশ কিছু সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাদেরকে ডকুমেন্টারী বা মৌখিকভাবে ট্রেনিং বা বুঝানোর দরকার হতে পারে। আর সেটি একেবারেই বিনামূল্য দেওয়ার নিয়ম। এমনও হতে পারে, আপনার তৈরীকৃত সফটওয়্যারের ব্যবহার প্রনালীও দেখিয়ে দিতে হতে পারে এবং তাদের অফিস ভ্রমণও করতে হতে পারে।</p>
<p>তার মানে কম বাজেটে কাজটি শুরু করার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোর মধ্যে পরে যেতে পারেন। তবে কাজটি যদি কম বাজেটে নিয়েই ফেলেন চেষ্টা করবেন ভালভাবে কাজটি করে দিতে। এমনও হতে পারে একটি প্রোজেক্ট আপনাকে আরো দশটি প্রোজেক্টের কাজ এনে দিতে পারে।</p>
<p>মূলতঃ প্রোজেক্টটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না নিয়ে কাজ শুরু করলে টাকা পয়সার হিসাবটা অমিল হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কাজটি শুরু করার সময় যদি বুঝতে পারেন কম টাকায় কাজটি নেওয়া হয়ে গেছে। সাথে সাথে ক্লাইন্টের সাথে আলাপ করে  কাজটি বাদ দিয়ে দেওয়ার বা নতুন করে দাম নির্ধারণ করে নিতে পারেন। কখনোই সময় নষ্ট করা যাবে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=6411</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ফ্রিল্যান্স লেখক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? জেনে নিন কিভাবে এগিয়ে যেতে হবে…</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5883</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5883#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 10 Mar 2011 03:41:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ডিজে আরিফ</dc:creator>
				<category><![CDATA[Featured Articles.]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স রাইটার]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্সিং]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5883</guid>
		<description><![CDATA[আসসালামুয়ালাইকুম, “ফ্রিল্যান্সিং”  ইদানিং কালের ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য একটা হট টপিক, বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর জন্য। গত কিছুদিন যাবৎ ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক বিভিন্ন জরিপে আমাদের দেশ – এর বেশ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষের জন্যে এটি সৌভাগ্য যে আমরা এখন দেশে বসেই অন্য দেশের কাজ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় টাকা আয় করতে পারছি, যদিও সবাই এ বিষয়ে সফল না। সফল না হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ গুলোর মধ্যে ইংরেজী কম জানা, ধৈর্য না থাকা, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাওয়ার চিন্তা(!!), নিজের ক্ষমতার বাইরের কাজ করতে চাওয়া (যে কাজ পারবে না সেই কাজ করতে যাওয়া), কোন বিষয়ে শক্ত ভিতি নেই তবুও সে কাজ করতে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। তবে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তাটা কেমন যেন বোকা টাইপের চিন্তাভাবনা, বাহিরের দেশের মানুষরা(উন্নত) অন্য দেশের মানুষকে(তুলনামূলক কম উন্নত) দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাদের ব্যয় কমানোর জন্য। তারা কারো জন্য টাকার বস্তা নিয়ে বসে নেই, এক কাজে একাধিক মানুষ আবেদন করবে সেটাই স্বাভাবিক, আর এর মধ্যে আপনাকে ভেঙ্গে না পড়ে নিজের সেরাটুকু দিয়ে যান, সব কাজ যে আপনি পাবেন এমটি ভেবে বসবেন না। ভালো ভালো ফ্রিল্যান্সাররাও অনেক গুলো কাজে আবেদন করে খুব অল্প সংখ্যকই কাজ পায়। আপনি প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টে আবেদন করুন, ভালো কাজ পারলে এবং যে কাজ দিয়েছে তাকে বিভিন্ন  স্যাম্পল দেখিয়ে এবং ভালো ব্যবহার করে যদি আকৃষ্ট [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আসসালামুয়ালাইকুম,</p>
<p>“ফ্রিল্যান্সিং”  ইদানিং কালের ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য একটা হট টপিক, বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর জন্য। গত কিছুদিন যাবৎ ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক বিভিন্ন জরিপে আমাদের দেশ – এর বেশ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষের জন্যে এটি সৌভাগ্য যে আমরা এখন দেশে বসেই অন্য দেশের কাজ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় টাকা আয় করতে পারছি, যদিও সবাই এ বিষয়ে সফল না। সফল না হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ গুলোর মধ্যে ইংরেজী কম জানা, ধৈর্য না থাকা, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাওয়ার চিন্তা(!!), নিজের ক্ষমতার বাইরের কাজ করতে চাওয়া (যে কাজ পারবে না সেই কাজ করতে যাওয়া), কোন বিষয়ে শক্ত ভিতি নেই তবুও সে কাজ করতে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম।</p>
<p>তবে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তাটা কেমন যেন বোকা টাইপের চিন্তাভাবনা, বাহিরের দেশের মানুষরা(উন্নত) অন্য দেশের মানুষকে(তুলনামূলক কম উন্নত) দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাদের ব্যয় কমানোর জন্য। তারা কারো জন্য টাকার বস্তা নিয়ে বসে নেই, এক কাজে একাধিক মানুষ আবেদন করবে সেটাই স্বাভাবিক, আর এর মধ্যে আপনাকে ভেঙ্গে না পড়ে নিজের সেরাটুকু দিয়ে যান, সব কাজ যে আপনি পাবেন এমটি ভেবে বসবেন না। ভালো ভালো ফ্রিল্যান্সাররাও অনেক গুলো কাজে আবেদন করে খুব অল্প সংখ্যকই কাজ পায়। আপনি প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টে আবেদন করুন, ভালো কাজ পারলে এবং যে কাজ দিয়েছে তাকে বিভিন্ন  স্যাম্পল দেখিয়ে এবং ভালো ব্যবহার করে যদি আকৃষ্ট করতে পারেন তবেই আপনি কাজ পাবেন, তাছাড়া পাবেন না। মাসে মাত্র ৪-৫টা ভালো মানের কাজ করতে পারলেই কিন্তু আর কাজ করার প্রয়োজন হয় না।</p>
<p>বেশি বকবক করে ফেলছি বোধহয়… তো আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো সেটি হলো আপনি যদি ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে আপনাকে যা যা করতে হবে—</p>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/dj-arif-rocks/54200/Freelance-Writer.jpg" alt="Freelance Writer ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? জেনে নিন কিভাবে এগিয়ে যেতে হবে... | Techtunes" width="520" height="347" /></p>
<p>১.ফ্রিল্যান্স রাইটারদের কাজ হলো শুধু আরটিকেল রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, আরটিকেল রিরাইট, বই লেখা ইত্যাদি, তারা অন্য কাজও করতে পারে, তবে যারা প্রফেশনাল তারা একটি বিভাগেই কাজ করে। ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে হলে সবার আগে আপনাকে ইংরেজীতে দক্ষ হতে হবে, ইংরেজীতে ভালো দক্ষতা না থাকলে ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে পারবেন না।</p>
<p>২.ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরুর আগেই নিজেকে ঝালিয়ে নিতে হবে, প্রথমে নিজে নিজেই টপিক বের করে লেখা শুরু করুন, প্রথমে সহজ বিষয়ে লিখুন, পরবর্তীতে নিজেকে কঠিন কঠিন বিষয়ে লেখার জন্য চ্যালেঞ্জ করুন, এতে আপনার দক্ষতা ও আত্নবিশ্বাস বাড়বে।</p>
<p>৩.লেখার সময় গ্রামারের প্রতি বিশেষ নজর দিবেন, নিজের পক্ষে অনেক সময় নিজের ভুল ধরা সম্ভব নাও হতে পারে,তাই বিভিন্ন গ্রামার চেকার টুল আছে, সেগুলো দিয়ে গ্রামার চেক করাতে পারেন।</p>
<p>৪.প্রতিদিন কম করে হলেও ১০টি শব্দ শিখবেন ডিকশনারি থেকে, এতে আপনার শব্দের ভান্ডার বাড়বে।</p>
<p>৫.ভালো মানের লেখকদের বই এবং ভালো ব্লগারদের বই নিয়মিত পড়ুন, এতে বিভিন্ন বিষইয়ে জ্ঞান বাড়বে।</p>
<p>৬.আপনি যদি সাইড প্রোফেশন হিসেবে ফ্রিল্যান্স রাইটিং কে নিতে চান তবে বড় প্রজেক্টে (৫০০ আরটিকেল বা তারও বেশি) কাজ করবেন না। এতে যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারার ঝুকি থাকে, সাধারণত ছোটখাট প্রজেক্ট যেমন ৫-১০০ আরটিকেলের কাজ করবেন, আপনি কতদিনে শেষ করতে পারবেন তা নিজে প্ল্যান করে নিয়ে তারপর আবেদন করবেন।</p>
<p>৭.প্রফেশনাল আরটিকেল রাইটার যারা তারা সাধারণত বড় প্রজেক্ট গ্রুপে করেন, মানে কয়েকজন মিলে করেন এতে বেশ সুবিধা পাওয়া যায়।</p>
<p>৮.কখনোই এমনটি ভাববেন না যে আপনি কপে পেস্ট করে আরটিকেল জমা দিবেন আর তারা এর জন্য আপনাকে টাকা দিবে। যদি কপি পেস্ট আরটিকেলেরি তাদের প্রয়োজন হত তবে তারা নিজেরাই কপি করে নিত, আপনাকে টাকা দিয়ে কপি পেস্ট নিশ্চই করাবেনা তারা <img src='http://tutorialbd.com/bn/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=';)' class='wp-smiley' /> </p>
<p>৯.আরটিকেল যদি ইউনিকিউ চায়, তবে কখনোই কোন ধরনের সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটরের সাহায্যে রিরাইট করে সেটাকে ইউনিকিউ বানাবেন না, কারণ এতে লেখা ইউনিকিউ তো দূরে থাক, লেখার আগা মাথা কিছুই থাকে না, সেরকম লেখা গ্রহণযোগ্য না, কারণ এতে লেখার ভাশাগত ত্রুটি, শাব্দিক ত্রুটি সহ নানা ভুল থাকবে। সুতরাং যারা এ জাতীয় মনোভাব পোষণ করেন যে আরটিকেল রিরাইট করে দিবেন তারা মনোভাব সংশোধন করুন।</p>
<p>১০.আরটিকেল রিরাইট করার কোন প্রজেক্ট পেলে সেটা ম্যানুয়ালি করবেন, কোন সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটর ব্যবহার করবেন না, যদি করেন তাহলে টাকা হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা ০.০০%। আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।</p>
<p>১১. সবসময় কোন নির্দিষ্ট ধরণের লেখার কাজ করার চেষ্টা করবেন, অনেকেই ভাবেন যে সব লেখা একই রকম, কিন্তু তা ভুল। অনেকে তাদের নিজস্ব ব্লগের জন্য লেখা চায়, অনেকে প্রিন্ট ম্যাগাজিনে দেয়ার জন্য লেখা চায়, অনেকে বই লেখার জন্য লেখা চায়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই লেখার মান, কোয়ালিটি এবং স্ট্যাইল ভিন্ন ভিন্ন, তাদের যে যেভাবে যার জন্য লেখা চায় সেভাবেই লিখতে হবে।</p>
<p>১২. আবেদনের পূর্বে যে বিষয়ের আরটিকেল রাইটিং এর আবেদন করেছে তার একটা ভালো মানের ইউনিকিউ স্যাম্পল দিয়ে দিন, কখনোই ভুলে করে হলেও স্যাম্পল দেখার জন্য কোন ওয়েবসাইটে যাওয়ার আবেদন করবেন না, এমনটি করলে, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, তবে আপনার যদি কোন পোর্টফলিও ওয়েবসাইট থাকে (যা কিনা সকল প্রফেশনাল আরটিকেল রাইটারেরই রয়েছে) তবে সেটাতে যাওয়ার জন্য বলতে পারেন, নিজের পোর্টফলিও ছাড়া অন্য কোন কিছুর লিঙ্ক দিবেন না।</p>
<p>১৩. নিজেকে কখনোই তুচ্ছ মনে করবেন না, আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যত ভালো মানের লেখকই হন না কেন নিজেকে সবসময় তাদের সমকক্ষ মনে করবেন।</p>
<p>কারণ তারাও এক সময় আপনার মতই ছিল, ধীরে ধীরে তারা উন্নতি করেছেন।</p>
<p>১৪. নিজেকে লেখার মাঝে উদার করে দিবেন, ভালো মানের লেখা পেলে একি বায়ারের কাজ থেকে পরবর্তীতে আরো কাজ পেতে পারেন।</p>
<p>১৫. কোন কাজ পেলে সেটাকে নিয়ে অবহেলা করবেন না, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আপনার কাজ শেষ করে  সেটাকে প্রুফরিড করুন অথবা গ্রামার চেকার এবং স্পেল চেকার দিয়ে লেখার ভুল সংশোধন করুন।</p>
<p>১৬. অনেক সময় কঠিক বিষয়ে লেখতে হতে পারে, তখন আপনার উচিত সে বিষয়ে কিছুটা পড়ালেখা করে নেয়া, এতে লেখতে সুবিধা হবে, যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলে কখনোই ভালো লিখতে পারবেন না। তাই যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ের বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ ভিজিট করুন এবং পড়ুন, এতে আপনার ধারণা ক্লিয়ার হবে।</p>
<p>১৭. কখনোই লেখার মাঝে নিজের মতামত তুলে ধরবেন না। যেমন ধরুন আপনি এমন প্রজেক্ট পেয়েছেন যেঁটাতে বলা হল মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে লিখতে, কিন্তু আপনি মাইকেল জ্যাকসনকে পছন্দ করেন না <img src='http://tutorialbd.com/bn/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=';)' class='wp-smiley' />  , আর  সে কারণে যদি আপনি আপনার লেখার নিজের মতামত তুলে ধরেন যে আমি তাকে পছন্দ করি না, সে এই করসে, সেই করসে, তাহলে কিন্তু আপনার প্রজেক্ট গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই লেখার সময় পক্ষ্যপাতিত্ব করবেন না।</p>
<p>১৮. ছোটখাট প্রজেক্ট হলে যেমনঃ 2০০-5০০ শব্দের লেখা হলে, এবং কোন জরুরী বিষয়ে লেখা হলে আগে খাতায় খসড়া করে নিয়ে পড়ে টাইপ করবেন।</p>
<p>উপরের টিপসগুলো মনে রেখে এবং মেনে চললে আশা করি আপনি একজন ভালো মানের ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে পারবেন। আর লিখতে পারছি না, আজ এমনি বাসায় গণিত করতে করতে হাতের অবস্থা খারাপ, তাই আর বিস্তারিত কিছু লিখছি না।</p>
<h3><span style="color: #ff0000;">কারো কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে বা আপনার লেখা সম্পর্কে ভালো লাগা-মন্দ লাগা বা আমার লেখা সম্পর্কে কারো কোন উপদেশ বা কোন বিষয়ে লেখা করার অনুরোধ থাকলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।</span></h3>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5883</wfw:commentRss>
		<slash:comments>11</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের চিন্তা করছেন ?</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5663</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5663#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 17 Jan 2011 18:03:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[কর্মক্ষেত্র]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5663</guid>
		<description><![CDATA[আমি অনেককেই দেখেছি তারা তাদের কর্ম ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট না । অনেকে কর্ম ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও বেতন ও অন্যন্য সুবিধা নিয়ে অসন্তুষ্ট। কর্ম ক্ষেত্র পরিবর্তনের উপর অনেকের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যেতে নানান ধরনের বাধার সম্মুক্ষিন হয়। আবার নতুন কর্ম ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার ভয়ও অনেকেকে পরিবর্থনের সুযোগ দেয় না। কর্ম ক্ষেত্র পরবির্তনের জন্য বেশ কিছু বিষয় ভেবে নিতে হয়। এগিয়ে যাওয়ার পথ ও ভাবনাঃ এগিয়ে যাওয়ার জন্য অবশ্যই নিজের গুরুত্ব দিতে হবে। এমন অনেক বিষয় আছে আপনি সেই বিষয়ে আগ্রহি না, এমন বিষয় বিষয় আছে যেখানে আপনার ভাল কারর সম্ভাবনা নাই। নতুন চাকরীর সন্ধানে নামলে অবশ্যই সেই সব বিষয়গুলো ভেবে এগিয়ে যাবেনঃ ১. আপনি কি পছন্দ করেন? কান ধরনের কাজ আপনার পছন্দ? আর নিজেকে কোন কাজে বেশ মানানসই বলে মনে করেন? ২. কোন কোন বিষয়ে আপনি দক্ষ? কোন কাজে অন্যের চেয়ে আপনি দক্ষ? অভিজ্ঞতা বা অন্যান্য দিক থেকে আপনাকে কোন কোন কাজে কেউ লুজার বলতে পারবে না? ৩. কি কি বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে? কি হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলতে চান? কতটা পরিশ্রম বা ত্যাগ স্বীকার করতে পারবেন নতুন বিষয়টি শিখতে? এই সব ভেবে ও নিজের অবস্থান জেনে নতুন তোন চাকরীর দিকে হাত বাড়াতে পারেন। নিজের পরীক্ষা নেওয়া ধরা যাক আপনি ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভাবছেন। ধরা যাক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমি অনেককেই দেখেছি তারা তাদের কর্ম ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট না ।  অনেকে কর্ম ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও বেতন ও অন্যন্য সুবিধা নিয়ে অসন্তুষ্ট। কর্ম ক্ষেত্র পরিবর্তনের উপর অনেকের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যেতে নানান ধরনের বাধার সম্মুক্ষিন হয়। আবার নতুন কর্ম ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার ভয়ও অনেকেকে পরিবর্থনের সুযোগ দেয় না। কর্ম ক্ষেত্র পরবির্তনের জন্য বেশ কিছু বিষয় ভেবে নিতে হয়।</p>
<p><img class="alignright" src="http://tutorialbd.com/bn/wp-content/uploads/2011/01/Workplace-Flexibility-1.jpg" alt="কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের চিন্তা করছেন ?" width="443" height="586" /></p>
<h2>এগিয়ে যাওয়ার পথ ও ভাবনাঃ</h2>
<p>এগিয়ে যাওয়ার জন্য অবশ্যই নিজের গুরুত্ব দিতে হবে। এমন অনেক বিষয় আছে আপনি সেই বিষয়ে আগ্রহি না, এমন বিষয় বিষয় আছে যেখানে আপনার ভাল কারর সম্ভাবনা নাই। নতুন চাকরীর সন্ধানে নামলে অবশ্যই সেই সব বিষয়গুলো ভেবে এগিয়ে যাবেনঃ<br />
১. আপনি কি পছন্দ করেন? কান ধরনের কাজ আপনার পছন্দ? আর নিজেকে কোন কাজে বেশ মানানসই বলে মনে করেন?<br />
২. কোন কোন বিষয়ে আপনি দক্ষ? কোন কাজে অন্যের চেয়ে আপনি দক্ষ? অভিজ্ঞতা বা অন্যান্য দিক থেকে আপনাকে কোন কোন কাজে কেউ লুজার বলতে পারবে না?<br />
৩. কি কি বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে? কি হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলতে চান? কতটা পরিশ্রম বা ত্যাগ স্বীকার করতে পারবেন নতুন বিষয়টি শিখতে?</p>
<p>এই সব ভেবে ও নিজের অবস্থান জেনে নতুন তোন চাকরীর দিকে হাত বাড়াতে পারেন।</p>
<h2>নিজের পরীক্ষা নেওয়া</h2>
<p>ধরা যাক আপনি ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভাবছেন। ধরা যাক আপনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে চাকরীর আবেদন করেছেন। এখন নিজে নিজে কিছু প্রোজেক্টে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। ৪/৫ টা প্রোজেক্ট বানিয়ে সেখানে এগিয়ে কাজ করে নিজের অবস্থান সহজেই বুঝতে পারবেন। হাতে কলমে কাজ করলে চাকরীর ইন্টারভিউতে কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন? সেখানে কি কি প্রশ্ন ও উত্তরের সম্মুক্ষিন হতে হবে এ বেপারে আগে থেকেই বুঝে নিতে সুবিধা হবে।<br />
নিজের দক্ষতার অবস্থান জানা<br />
বড় পরিবেশে কাজ করতে গেলে বেশ কিছু বিষয়ে দক্ষতা নিজের ভেতরে নিয়ে আসতে হয়। এখন আপনি নিজের বেপারে দেখে নিনঃ</p>
<ul>
<li> ক. পরিচালনার যোগ্যতা</li>
<li> খ. নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা</li>
<li> গ. লেখা-লেখির ও কথা বলার দক্ষতা</li>
<li> ঘ. রিসার্চ করার দক্ষতা</li>
<li> ঙ. পরিকল্পনা করার ক্ষমতা</li>
<li> চ. দূরদর্শীতা</li>
<li> ছ. কম্পিউটার দক্ষতা</li>
<li> জ. বিদেশি/ ইংরেজী ভাষার দক্ষতা</li>
</ul>
<h2>অন্যান্যরা কিভাবে এগিয়ে গিয়েছে?</h2>
<p>আপনার পরিচিত অনেকেই হয়তো ভাল কোন কাজের সাথে যুক্ত আছে। তারা কিভাবে এগিয়ে গিয়েছে সেটা দেখে নিন। এবং তাদের থেকেও জেনে নিতে পারেন কিভাবে তারা ভাল ক্যারিয়ারের দিকে গিয়েছে।</p>
<ul>
<li> অন্যরা কিভাবে তাদের চাকরীতে আছেন?</li>
<li> সেই চাকরীতে কি তারা সন্তুষ্ট?</li>
<li> তাদের পরিবার ও চাকরীতে তাদের ও আপনার জীবনযাবনের পরিবর্তন কেমন?</li>
<li> এই পথে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় তাদের এগিয়ে নিয়েছে?</li>
</ul>
<h2>অন্যের কাছ থেকে সাজেশন নিনঃ</h2>
<p>বর্তমান কাজকে অনেক সময় বোরিং মনে হতে পারে। আবার নতুন চাকরীটা যে সুখের হবে তাও বলা যায় না। তাই নতুন কোন চাকরী কনফার্ম হলে এই বেপারে আণ্যের মতামত নিতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা নিজের আগ্রহের বাইরের বিষয়ে কাজ না করাই ভাল। অনেক ক্ষেত্রে কর্ম পরিবশও একটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হতে পারে। তাই অবশ্যই নতুন কর্ম পরিবেশে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনকের সাথে মত বিনিময় করে নিতে পারেন।</p>
<h2>উপসংহারঃ</h2>
<p>একটি ভাল চাকরী পাওয়া আজকাল একটি স্বপ্ন। একটি ভাল কাজে জিরত থাকলে পরিবার ও সামাজের জন্য গর্ব। আর তাই নিজের যোগ্যতা ও সততাকে সবসময় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ। আশা করা যায় আপনিও ভাল একটি কাজের সন্ধান পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5663</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ফ্রিল্যান্সারদের অফিসিয়াল ও প্রশাসনিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকা চাই</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5564</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5564#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 23 Dec 2010 09:07:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্সার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5564</guid>
		<description><![CDATA[বড় কোন কর্ম পরিবেশে কাজ করলে বেশ কিছু নিয়ম নীতি আর কর্ম পরিবেশের সাথে সম্পর্ক হয়। কাজের ধারা ও নিয়ম নীতি সম্পর্কে বেশ কিছু বিষয় জানা যায়। যারা পড়ালেখা শেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে প্রথমেই ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর মনোযোগ দিচ্ছেন তাদের তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানের সাথে সাথে কর্ম পরিবেশ ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও বড় কোন সিদ্ধান্ত নিতে অবশ্যই এডমিনিস্ট্রেটিভ বেশ কিছু বিষয়ে জেনে নেওয়া ভাল। ১. অফিসিয়াল ব্যবস্থাপনা নতুন ফ্রিল্যান্সার যারা প্রথম থেকেই বাসা থেকে কাজের শুরু করেছেন এবং বড় কোন পরিবেশে কাজ করে আসেন নি তাদের ক্ষেত্রে অফিস ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা থাকতেই পারে। একজন লোক সব কিছুতে ভাল হতে পারে না। তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে আপনার ভাল জ্ঞান থাকলেও অফিসের নিয়ম ও বিবিধ বিষয়ে একটি নিয়ম তৈরী করে নিতে পারেন। যেমন কখন থেকে কখন কাজ করবেন। ছুটি ও অন্যান্য বিষয়। ২. ব্যবসা সম্পর্কে জানা ব্যবসা পরিচালনার বেপারে দক্ষতার অর্জনের জন্য অন্যে কিভাবে কাজ করে এবং সমস্যায় পড়লে কি কি করে সেটা জেনে নিতে পারেন। পরিচিত কোন ব্যক্তিকে আদর্শ হিসেবে ধরে তার কাছ থেকে তার ব্যবসায়ীক পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন। ৩. এডমিন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা শিখা আপনার সাথে আরও কয়েকজন কাজ করলে তাদের পরিচালনার জন্যও প্রশাসনিক বিষয় জানতে হবে। বেতনভূক্ত কোন লোক নিয়োগ করলে তার সাথে কি ধরনের [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বড় কোন কর্ম পরিবেশে কাজ করলে বেশ কিছু নিয়ম নীতি আর কর্ম পরিবেশের সাথে সম্পর্ক হয়। কাজের ধারা ও নিয়ম নীতি সম্পর্কে বেশ কিছু বিষয় জানা যায়। যারা পড়ালেখা শেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে প্রথমেই ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের জন্য ফ্রিল্যান্সিং<span id="more-5564"></span> এর মনোযোগ দিচ্ছেন তাদের তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানের সাথে সাথে কর্ম পরিবেশ ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও বড় কোন সিদ্ধান্ত নিতে অবশ্যই এডমিনিস্ট্রেটিভ বেশ কিছু বিষয়ে জেনে নেওয়া ভাল।</p>
<blockquote><p><a href="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/12/office-2.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-6811" title="office-2" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/12/office-2.jpg" alt="office-2" width="421" height="272" /></a></p></blockquote>
<h2>১. অফিসিয়াল ব্যবস্থাপনা</h2>
<p>নতুন ফ্রিল্যান্সার যারা প্রথম থেকেই বাসা থেকে কাজের শুরু করেছেন এবং বড় কোন পরিবেশে কাজ করে আসেন নি তাদের ক্ষেত্রে অফিস ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা থাকতেই পারে। একজন লোক সব কিছুতে ভাল হতে পারে না। তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে আপনার ভাল জ্ঞান থাকলেও অফিসের নিয়ম ও বিবিধ বিষয়ে একটি নিয়ম তৈরী করে নিতে পারেন। যেমন কখন থেকে কখন কাজ করবেন। ছুটি ও অন্যান্য বিষয়।</p>
<h2>২. ব্যবসা সম্পর্কে জানা</h2>
<p>ব্যবসা পরিচালনার বেপারে দক্ষতার অর্জনের জন্য অন্যে কিভাবে কাজ করে এবং সমস্যায় পড়লে কি কি করে সেটা জেনে নিতে পারেন। পরিচিত কোন ব্যক্তিকে আদর্শ হিসেবে ধরে তার কাছ থেকে তার ব্যবসায়ীক পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।</p>
<h2>৩. এডমিন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা শিখা</h2>
<p><a href="http://www.bigganprojukti.com/post-id/2039" target="_blank">আপনার সাথে আরও কয়েকজন  কাজ করলে</a> তাদের পরিচালনার জন্যও প্রশাসনিক বিষয় জানতে হবে। বেতনভূক্ত কোন লোক নিয়োগ করলে তার সাথে কি ধরনের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট মেইনটেইন করতে হবে সে সম্পর্কেও জেনে নিতে পারেন। আপনাকে তাদের সাথে প্রফেশনাল আচরন বজায় রাখতে হবে। বেশ কিছু সুবিধার বেপারে আগেই জানিয়ে দিতে হয় যেমন-অফিস সময়, ছুটি ইত্যাদি। আবার বেশ কিছু লজিস্টিক সাপোর্টও দিতে হয় যেমন- কাজের পরিবেশ, যাতায়াত ভাড়া, মোবাইল খরচ ইত্যাদি। অনেক সময় বেশ কিছু অপশনাল সুবিধা- যেমন- লাঞ্চ, টিফিন ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা করতে হতে পারে। আর তাই বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত না হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং কাজ করাতে সমস্যা সৃষ্টি হবে।</p>
<h2>৪. অন্যের অফিস ভ্রমন</h2>
<p>এ জন্য অন্যের অফিস ভ্রমন করে দেখতে পারেন। আজ কাল অফিসগুলো অনেক বেশি উন্নত এবং সুযোগ সুবিধায় ভরা। কয়েকটা অফিসে ভ্রমন করলে<a href="http://www.bigganprojukti.com/post-id/3301" target="_blank"> অফিস সেটআপের বেপারে</a> একটা ধারনা চলে আসবে। নিজের বাসায় বসে কাজ করলেও কাজের পরিবেশটিকে আলাদা করে নিতে হবে- একেবারে অফিসিয়াল নিয়মে নিয়ে আসতে পারলে ভাল। অনেক ক্লাইন্টই প্রফেশনালিজমের বেপারটাকে গুরুত্ব দেয়।</p>
<p>নিজে একই সাথে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী এবং  বাসায় বসে কিছু কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে এই কথাগুলো বললাম। এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু করতে হতে পারে, তবে প্রাথমিকদের জন্য এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। সবাই ভাল থাকুন, সাথে থাকুন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5564</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কে বেশি জানে? আপনি নাকি আপনার ক্লায়েন্ট</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5485</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5485#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 12 Dec 2010 03:44:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ক্লায়েন্ট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5485</guid>
		<description><![CDATA[একটি নতুন ব্যবসা আরাম্ভ করারা সাথে সাথে বেশ কিছু উপদেশ পাওয়া যায় &#8211; &#8220;বাজারে কোন কোন জিনিসের চাহিদা আছে? কাস্টমার কি কি জিনিস চাচ্ছে? আপনার পন্যের বা সেবার কোন ধরনের পরিবর্তন করা দরকার তা জেনে নিন আপনার ক্রেতা থেকে।&#8221; অনেক সময় ফ্রিল্যান্সের কাজে সময়ও একই রকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কোন কোন বিষয়ে আপনার ও আপনার ক্লাইন্টের মতামতের মিল নাও পাওয়া যেতে পারে। তখন প্রশ্ন ওঠে কে বেশি জানে এবং কোন কাজটা ভাল হবে? কেউ কেউ নিজস্ব চিন্তা ধারা দিয়ে পৃথিবীতে আনে পরিবর্তন। আবার কেউ কেউ অন্যের চাহিদানুযায়ী পণ্য ও সেবা দিয়ে থাকে। এপল নিজস্ব চিন্তায় বিশ্বাসী একটি প্রতিষ্ঠান। তারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত নতুনত্ব সৃষ্টি করতে বিশ্বাসী। বাজারে যে সব পণ্য নেই তা দিয়ে তাদের নতুন পন্য উদ্ভাবনী শক্তির প্রশংসা করতে হবে। আই প্যাডের মতো নতুন পন্য যা আগে কখনো ছিল না এনে বিশ্ব বাজারে এক নতুনত্ব সৃষ্টি করেছে। মূলতঃ মানুষের কাজ গুলো হাতের আঙ্গুরের দ্বারা সহজে করাতে চায় তারা। তারের এত বেশি কানেক্টিভিটি, কীবোর্ড, মাউসের বাড়তি ঝামেলা থেকে মানুষকে বাঁচাতে আপ্রান চেষ্টা করা হয়েছে এ পন্যটিতে। একটু চিন্তা করে দেখুন তো&#8230; কোন কাষ্টমার কি আইপড তৈরী করার জন্য এপলকে বলেছিল? &#8211; বলে নাই। তবে মানুষ যে সরাসরি হাত দিয়ে সব কাজ করতে চায়, তারের ঝামেলা পছন্দ করে না, সাদা কাগজে কলম [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>একটি নতুন ব্যবসা আরাম্ভ করারা সাথে সাথে বেশ কিছু উপদেশ পাওয়া যায় &#8211; &#8220;বাজারে কোন কোন জিনিসের চাহিদা আছে? কাস্টমার কি কি জিনিস চাচ্ছে? আপনার পন্যের বা সেবার  কোন ধরনের পরিবর্তন করা দরকার তা জেনে নিন আপনার ক্রেতা থেকে।&#8221; অনেক সময় ফ্রিল্যান্সের কাজে সময়ও একই রকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কোন কোন বিষয়ে আপনার ও আপনার ক্লাইন্টের মতামতের মিল নাও পাওয়া যেতে পারে। তখন প্রশ্ন ওঠে কে বেশি জানে এবং কোন কাজটা ভাল হবে?</p>
<p>কেউ কেউ নিজস্ব চিন্তা ধারা দিয়ে পৃথিবীতে আনে পরিবর্তন। আবার কেউ কেউ অন্যের চাহিদানুযায়ী পণ্য ও সেবা দিয়ে থাকে।</p>
<p>এপল নিজস্ব চিন্তায় বিশ্বাসী একটি প্রতিষ্ঠান। তারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত নতুনত্ব সৃষ্টি করতে বিশ্বাসী। বাজারে যে সব পণ্য নেই তা দিয়ে তাদের নতুন পন্য উদ্ভাবনী শক্তির প্রশংসা করতে হবে।<br />
আই প্যাডের মতো নতুন পন্য যা আগে কখনো ছিল না এনে বিশ্ব বাজারে এক নতুনত্ব সৃষ্টি করেছে। মূলতঃ মানুষের কাজ গুলো হাতের আঙ্গুরের দ্বারা সহজে করাতে চায় তারা। তারের এত বেশি কানেক্টিভিটি, কীবোর্ড, মাউসের বাড়তি ঝামেলা থেকে মানুষকে বাঁচাতে আপ্রান চেষ্টা করা হয়েছে এ পন্যটিতে।</p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-5421" title="2010-11-12_145422" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/11/2010-11-12_145422.jpg" alt="2010-11-12_145422" width="556" height="340" /></p>
<p>একটু চিন্তা করে দেখুন তো&#8230; কোন কাষ্টমার কি আইপড তৈরী করার জন্য এপলকে বলেছিল? &#8211; বলে নাই। তবে মানুষ যে সরাসরি হাত দিয়ে সব কাজ করতে চায়, তারের ঝামেলা পছন্দ করে না, সাদা কাগজে কলম দিয়ে লেখা অভ্যস্ত সেই মানুষের কাছে আইপ্যাড কেন জনপ্রিয় হবে না?</p>
<p>চাহিদাগুলো সবাই কিন্তু বলতেও পারে না, কিন্তু বুঝতে হয়। কেউ যখন বলে যে, তার আরও দ্রুতগামী যানবাহন প্রয়োজন তখন শুধু যানবাহনটিকে দ্রুতগামী করলেই চলবে না। সেটি দ্রুতগতিতে চলার জন্য উপযুক্ত রাস্তাও দরকার।<br />
মানুষের চাহিদার জন্য কয় জনই ভাল হাতলওয়ারা ব্যাগ বা নিচের মতো পাত্রের প্রয়োজনীয়তার কথা দোকানদারকে বলেছিল?  কিন্তু মানুষের প্রয়োজনের কথাটা বুঝতে হবে।</p>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://media.smashingmagazine.com/cdn_smash/wp-content/uploads/2010/10/disposable-cup-holder.jpg" alt="কে বেশি জানে? আপনি নাকি আপনার ক্লাইন্ট" /></p>
<p>বেশ কিছু দিন আগেই বলেছিলাম যে, <a href="http://www.bigganprojukti.com/post-id/1946">ক্রিয়েটিভিটি ও মার্কেটিং দুইটি জিনিস ভিন্ন মেরুর</a>। এমন যদি হয় যে আপনার ক্রিয়েটিভ কাজগুলোই মার্কেটিং এর জন্য সমস্যাজনক হয় তাহলে কিভাবে নেবেন বেপারটিকে?</p>
<p>পরবর্তিতে হয়তো এসব নিয়ে আরো কথা বলা যাবে আপাততঃ নিজেকে একটু সৃষ্টিশীল কাজে নিয়োজিত করে নেই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5485</wfw:commentRss>
		<slash:comments>11</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রোজেক্টের চেয়ে বেশি টাকা দাম হাঁকাবেন কেন এবং কখন?</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5471</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5471#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 09 Dec 2010 16:57:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5471</guid>
		<description><![CDATA[অনেক দিন পরে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে লিখতে বসতে পেরেছি। ইদানিং আগের কয়েকজন লোকাল ক্লাইন্টদের নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি যাদের প্রজেক্টের কাজ অনেক আগেই শেষ করে দিয়েছি। আজ সেই আভিজ্ঞতার আলোকেই কথাগুলো বলা, সবার জন্য প্রযোজ্য হয় কিনা জানি না। কোন একটি প্রোজেক্টের কাজে হাত দিলে প্রথমতঃ টাকার প্রশ্নটি আসে। প্রোজেক্টিতে কত টাকা নিবেন সেটা মূলতঃ সবাই প্রোজেক্টটির ব্যাবচ্ছেদের মাধ্যমে নির্ণয় করে জানিয়ে দেয়। কিন্তু প্রজেক্টের ব্যবহারিক দিক, রিডিজাইন করতে হবে কি না, কত দিন প্রোজেক্টি চলবে, ক্লাইন্টের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি অনেক অনেক বেপার নির্ভর করতে পারে। অভিজ্ঞতাঃ পাঁচ/&#8217;ছ মাস আগে পরিচিত একজনের সাইটের একটা সাদামাটা ডিজাইন করে দিলাম। মূলতঃ ১৭৬ ডলারের একটা ওয়ার্ডপ্রেস থিম কিনে কাষ্টমাইজ করে দিয়েছিলাম। সাইট ডিজাইনের সময় তার সাথে প্রতিদিন প্রায় ১০/১২ মিনিট ফোনে কথা বলতে হতো , রিকয়ারমেন্টগুলো মূলতঃ নিয়মিত পরিবর্তন হতো। পরিচিত বিধায় তার সাইটের বেপারে প্রতি সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা আলাপ করা হয়। কথা বলার মূল বিষয় সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন , ডিজাইন ও স্পিড। ইদানিং একটা বেপার আমায় ভাবিয়ে তুললো- তা হলো তার সাইটের জন্য যতটুকু কাজ করেছি এবং যত টাকা নিয়েছি তার চেয়ে আনেক বেশি সময় ও চিন্তা খরচ হয়ে গেছে তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগে। সাইট ডিজাইনের সময় এত কিছু ভেবে কাজ করি নি, এখন সার্ভিস দেওয়ার বেপারটা একটা বিরক্তকর বেপার হয়ে দাড়িয়েছে। [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অনেক দিন পরে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে লিখতে বসতে পেরেছি। ইদানিং আগের কয়েকজন লোকাল ক্লাইন্টদের নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি যাদের প্রজেক্টের কাজ অনেক আগেই শেষ করে দিয়েছি। আজ সেই আভিজ্ঞতার আলোকেই কথাগুলো বলা, সবার জন্য প্রযোজ্য হয় কিনা জানি না।   কোন একটি প্রোজেক্টের কাজে হাত দিলে প্রথমতঃ টাকার প্রশ্নটি আসে। প্রোজেক্টিতে কত টাকা নিবেন সেটা মূলতঃ সবাই প্রোজেক্টটির ব্যাবচ্ছেদের মাধ্যমে নির্ণয় করে জানিয়ে দেয়। কিন্তু প্রজেক্টের ব্যবহারিক দিক, রিডিজাইন করতে হবে কি না, কত দিন প্রোজেক্টি চলবে, ক্লাইন্টের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি অনেক অনেক বেপার নির্ভর করতে পারে।</p>
<h2><img class="aligncenter size-full wp-image-4419" title="2010-10-12_183319" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/10/2010-10-12_183319.jpg" alt="2010-10-12_183319" width="499" height="323" /><br />
অভিজ্ঞতাঃ</h2>
<p>পাঁচ/&#8217;ছ মাস আগে পরিচিত একজনের সাইটের একটা সাদামাটা ডিজাইন করে দিলাম। মূলতঃ ১৭৬ ডলারের একটা ওয়ার্ডপ্রেস থিম কিনে কাষ্টমাইজ করে দিয়েছিলাম। সাইট ডিজাইনের সময় তার সাথে প্রতিদিন প্রায় ১০/১২ মিনিট ফোনে কথা বলতে হতো , রিকয়ারমেন্টগুলো মূলতঃ নিয়মিত পরিবর্তন হতো। পরিচিত বিধায় তার সাইটের বেপারে প্রতি সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা আলাপ করা হয়। কথা বলার মূল বিষয় সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন , ডিজাইন ও স্পিড। ইদানিং একটা বেপার আমায় ভাবিয়ে তুললো- তা হলো তার সাইটের জন্য যতটুকু কাজ করেছি এবং যত টাকা নিয়েছি তার চেয়ে আনেক বেশি সময় ও চিন্তা খরচ হয়ে গেছে তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগে। সাইট ডিজাইনের সময় এত কিছু ভেবে কাজ করি নি, এখন সার্ভিস দেওয়ার বেপারটা একটা বিরক্তকর বেপার হয়ে দাড়িয়েছে।</p>
<h2>কি কি কারনে বেশি চার্জ করা যেতে পারে?</h2>
<h3>১. সার্ভিসঃ</h3>
<p>এ বেপারে কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম যে, সাইট ডিজাইনের আগেই সার্ভিসের বেপারটা পরিষ্কার করে নিতে হবে। অনেকে মাসিক চার্জ করে, বড় কোন প্রোজেক্টের কাজ করলে ব্যাকআপ সহ বেশ কিছু কাজ করে দিতে হতে পারে সে জন্য মাসিক চার্জ নির্ধারন করে নিতে পারেন। বড় কয়েকটি প্রজেক্টে মাসিক চার্জ করতে পারলে নিজের ফ্রিল্যান্স কাজের ঝুকি অনেকটাই কমে যেতে পারে।</p>
<h3>২. রি-ডিজাইনঃ</h3>
<p>অনেকেই সাইটের রিডিজাইনে নতুন করে চার্জ দিতে বা কম চার্জ দিতে চেষ্টা করে। তাই এ বেপারটি আলোচনা করে নিতে পারেন বা সাইট ডিজাইনের ও টাকা পয়সার হিসেবের সময় বিষয়টি আলাপ করে নিতে পারেন।</p>
<h3>৩. সার্ভার, ব্যাক আপ ও অন্যান্য বাড়তি কাজঃ</h3>
<p>অনেক ক্লাইন্ট হোষ্টিং, ব্যাকআপ, কনটেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ইত্যাদি বেপারগুলো নিয়ে মোটেও কাজ করতে নারাজ বা অপারগ। তাদের ক্ষেত্রে ডিজাইন ও বাড়তি কাজ দুইটা মিলিয়ে টাকার হিসেবটা করা উচিৎ।  একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, কাজের ক্ষেত্রে সব সময় প্রোফেশনাল ভাব নিয়ে চলতে হবে। নিজের অবমূল্যায়ণ না করে, আবেগে না পড়ে, সময় ভাগ করে কাজ করা উচিৎ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5471</wfw:commentRss>
		<slash:comments>27</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্র্যান্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=5448</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=5448#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 05 Dec 2010 19:11:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ব্র্যান্ড]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=5448</guid>
		<description><![CDATA[কিছু দিন আগে আমার এক বড় ভাই তার নতুন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বেশ কিছু কম্পিউটার ও আসবাবপত্র কেনার জন্য আমাকে ডাকলো। সব কিছু কেনাকাটা ও ছোট একটি অফিস সেটাআপের পরই বেশ কিছু বেপারে সিদ্ধান্ত নিতে বেশ ঝামেলায় পড়ে গেলাম। তার প্রতিষ্ঠানের একটা নাম, একটা লগো, শ্লোগান ও সার্ভিসসমুহের তালিকা করে দিতে হবে বা সেটা করতে সহায়তা করতে হবে আমাকেই। যদিও অনেক সময় অনেকের লোগো ডিজাইন করে দিয়েছি কিন্তু তার ব্যাবসায়ীক পরিকল্পনা এত বড় যে তার লগোটি বানাতে বা তার এ কাজগুলোকে আমার হাতে করার সাহস পাচ্ছিলাম না। অথচ সে তার ব্র্যান্ডিংটাকে অতটা গুরুত্বপূর্ণও মনে করে নাই এবং সেটাতে বেশি টাকা ইনভেষ্ট করতেও চায় নাই। একটি ব্যাবসার পরিচিতি ও তার প্রবৃদ্ধি ব্র্যান্ডের উপরে অনেক অংশে নির্ভর করে। &#8220;বাটা&#8221; জুতার দোকানে ইদানিং অন্য ব্র্যান্ডের জুতাও দেখা যায় । বাটা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জুতায় তাদের ব্র্যান্ডের সিল লাগিয়ে বিক্রি করে। এই জুতা বিক্রির লাভটা তাদের ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা বা ব্যাবসায়ীক সুনাম থেকে এসেছে। আমি কিছু দিন আগে অটোবি থেকে কিছু আসবাব পত্র কেনার পরিকল্পনা করি। এক লোক বলল, সেখানে গেলেই যে ভাল কাঠের আসবাব পাবেন তা নয় এবং বেশি দামে কিনতে হবে। আমি অটবির স-রুম ঘুরে বেশ কিছু ক্রিয়েটিভ কাজ দেখলাম-যা তারাই প্রথম করেছে। বুঝতে পারলাম, আসবাবপত্রে তাদের এতদূর আসার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>কিছু দিন আগে আমার এক বড় ভাই তার নতুন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বেশ কিছু কম্পিউটার ও আসবাবপত্র কেনার জন্য আমাকে ডাকলো। সব কিছু কেনাকাটা ও ছোট একটি অফিস সেটাআপের পরই বেশ কিছু বেপারে সিদ্ধান্ত নিতে বেশ ঝামেলায় পড়ে গেলাম। তার প্রতিষ্ঠানের একটা নাম, একটা লগো, শ্লোগান ও সার্ভিসসমুহের তালিকা করে দিতে হবে বা সেটা করতে সহায়তা করতে হবে আমাকেই। যদিও অনেক সময় অনেকের লোগো ডিজাইন করে দিয়েছি কিন্তু তার ব্যাবসায়ীক পরিকল্পনা এত বড় যে তার লগোটি বানাতে বা তার এ কাজগুলোকে আমার হাতে করার সাহস পাচ্ছিলাম না। অথচ সে তার ব্র্যান্ডিংটাকে অতটা গুরুত্বপূর্ণও মনে করে নাই এবং সেটাতে বেশি টাকা ইনভেষ্ট করতেও চায় নাই। </p>
<blockquote><p><img class="aligncenter size-full wp-image-5526" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/11/personal-branding.jpg" alt="personal-branding" width="500" height="374" /></p></blockquote>
<p>একটি ব্যাবসার পরিচিতি ও তার প্রবৃদ্ধি ব্র্যান্ডের উপরে অনেক অংশে নির্ভর করে। &#8220;বাটা&#8221; জুতার দোকানে ইদানিং অন্য ব্র্যান্ডের জুতাও দেখা যায় । বাটা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জুতায় তাদের ব্র্যান্ডের সিল লাগিয়ে বিক্রি করে। এই জুতা বিক্রির লাভটা তাদের ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা বা ব্যাবসায়ীক সুনাম থেকে এসেছে।</p>
<p>আমি কিছু দিন আগে অটোবি থেকে কিছু আসবাব পত্র কেনার পরিকল্পনা করি। এক লোক বলল, সেখানে গেলেই যে ভাল কাঠের আসবাব পাবেন তা নয় এবং বেশি দামে কিনতে হবে। আমি অটবির স-রুম ঘুরে বেশ কিছু ক্রিয়েটিভ কাজ দেখলাম-যা তারাই প্রথম করেছে। বুঝতে পারলাম, আসবাবপত্রে তাদের এতদূর আসার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় বেপার। যদিও দামটা  একটু বেশ-ই। তাদের ব্যান্ড ও তাদের নাম অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে।</p>
<p>চট্টগ্রাম এসেও ভাল কোন রেষ্টুরেন্ট পাচ্ছিরাম না। তার পর কয়েকজন থেকে বেশ কিছু রেস্টুরেন্টের নাম বলল। এই নামগুলোর সবার প্রিয় ও পরিচিত নাম। কয়েকটাতে খেয়ে দেখলাম, প্রকৃত পক্ষে তাদের সার্ভিসে একটা ভিন্ন দিক আছে যা সবার কাছ থেকে তাদের আলাদা করেছে। কোনরেস্টুরেন্টের রান্নার মসলা বিদেশ থেকে আনা হয়। কোনটাতে খরচ অনেক কম। আবার কোনটাতে আতিথেয়তাও মুগ্ধ করলো।</p>
<p>এরকম অনেক প্রতিষ্ঠান মালিককেই দেখেছি যারা ব্র্যান্ডিংকে অতটা গুরুত্ব দেয় না, তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে খুব বেশি ইনভেষ্ট করতে চায় না। তাদের ধারনা এটা একটা বাড়তি খরচ, অথচ এটা হতে পারে খরচ বাচানোর উপায়। একটু ভাল সেবা দিয়ে, একটু আধুনিক করে কিছু টাকা বেশি দিতে কৃপণতা করে না কেউ।</p>
<p>অনলাইনে ব্র্যান্ডিং এর জন্য অবশ্য আরও অনেক কিছু করার দরকার হয়। সবগুলো বিষয় মিলিয়ে একটি পোষ্ট দিতে হবে। ভাল থাকুন, সাথে থাকুন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=5448</wfw:commentRss>
		<slash:comments>6</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সফলতা পেতে গ্রুপ ফ্রীল্যান্সিং এর গুরুত্ব</title>
		<link>http://tutorialbd.com/bn/?p=4515</link>
		<comments>http://tutorialbd.com/bn/?p=4515#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Aug 2010 15:31:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাহবুব টিউটো</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফ্রিল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রুপ ফ্রীল্যান্সিং]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রীল্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[সফলতা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://tutorialbd.com/bn/?p=4515</guid>
		<description><![CDATA[অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই নিজে নিজে কাজ করে মজা পায়। অথচ নিজের একটি ফ্রিল্যান্স ব্যবসাকে বড় করতে হলে একা অনেক কাজ করা সম্ভব হয় না। আর তাই অনেকে মিলে কাজটি সমাধান করতে হয়। আমি বেশ কয়েকজনকে দেখেছি যারা শুরুতে ঘরের কোনে বসে বসে ব্লগ লিখতো পরে অনেকে মিলে একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে ফেলেছে। আর এ বেপারে টিউটরিয়ালবিডিতে আছে আমার কিছু কথা। কয়েকদিন আগের আরেকটা পোস্টের কথা উল্লেখ না করলেই নয় তা হলো সৃষ্টিশীলতা বনাম মার্কেটিং: দুই প্রান্তের কাজ যা অনেকের ভাল লেগেছে। Image credit: BuddhaMunx কি কি সুবিধা হতে পারে একসাথে কয়েকজন মিলে কাজ করলে? একাকিত্ব দুর করা আসলে দুই ধরনের কাজের মধ্যে এক সাথে বসে কাজ করার মজাই আলাদা। একা কাজ করলে অনেক সময় নিজের মধ্যে ক্লান্তি দূর করার কিছু পাওয়া যায় না। আর একসাথে কয়েকজন ডেভলপার বসে কাজ করলে আসে অন্যরকম মজা। শেখা এক এক জন ডিজাইনার ও ডেভলপারের রয়েছে এক এক রকমের মেধা । এক সাথে বসে একে অপরের সাথে বসে কোন প্রোজেক্টে হাত দিলে শেখা যায় অনেক কিছুই। কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু ডেভলপারের সাথে আড্ডা দিয়ে কিছু কিছু জিনিস শিখেছি। আমার কাছ থেকেও অনেকে আইডিয়া নেয়। নেটওয়ার্কিং প্রত্যেকেরই থাকে একটা আলাদা নেটওয়ার্ক । দেখা গেল আপনি কোন একটা মিটিং এ গেলেন কিন্তু কিছু লোকের সাথে আপনার আলাপ হলো। আর [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই নিজে নিজে কাজ করে মজা পায়। অথচ নিজের একটি  ফ্রিল্যান্স ব্যবসাকে বড় করতে হলে  একা অনেক কাজ করা সম্ভব হয় না। আর তাই  অনেকে মিলে কাজটি সমাধান করতে হয়। আমি বেশ কয়েকজনকে দেখেছি যারা শুরুতে  ঘরের কোনে বসে বসে ব্লগ লিখতো পরে অনেকে মিলে  একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে ফেলেছে। আর এ বেপারে টিউটরিয়ালবিডিতে আছে <a href="../?p=3805"> আমার কিছু কথা</a>। কয়েকদিন আগের  আরেকটা পোস্টের কথা উল্লেখ না করলেই নয় তা হলো <a href="http://www.bigganprojukti.com/post-id/1946">সৃষ্টিশীলতা বনাম  মার্কেটিং: দুই প্রান্তের কাজ</a> যা অনেকের ভাল লেগেছে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/07/boring.jpg" alt="boring" width="580" height="295" /></p>
</blockquote>
<p><em>Image credit: <a href="http://www.flickr.com/photos/phoenix725/2979792515/">BuddhaMunx</a></em></p>
<h2>কি কি সুবিধা হতে পারে একসাথে  কয়েকজন মিলে কাজ করলে?</h2>
<p><strong>একাকিত্ব দুর করা</strong></p>
<p>আসলে দুই ধরনের কাজের মধ্যে এক সাথে বসে কাজ করার মজাই আলাদা। একা কাজ  করলে অনেক সময় নিজের  মধ্যে ক্লান্তি দূর করার কিছু পাওয়া যায় না। আর  একসাথে কয়েকজন ডেভলপার বসে কাজ করলে আসে অন্যরকম মজা।</p>
<p><strong>শেখা</strong></p>
<p>এক এক জন ডিজাইনার ও ডেভলপারের রয়েছে এক এক রকমের মেধা । এক সাথে বসে  একে অপরের সাথে বসে কোন প্রোজেক্টে হাত দিলে শেখা যায় অনেক কিছুই। কয়েকদিন  ধরে বেশ কিছু ডেভলপারের সাথে আড্ডা দিয়ে কিছু কিছু জিনিস শিখেছি। আমার কাছ  থেকেও অনেকে আইডিয়া নেয়।</p>
<p><strong>নেটওয়ার্কিং</strong></p>
<p>প্রত্যেকেরই থাকে একটা আলাদা নেটওয়ার্ক । দেখা গেল আপনি কোন একটা মিটিং এ  গেলেন কিন্তু কিছু লোকের সাথে আপনার আলাপ হলো। আর কিছু লোকের সাথে আলাপ  হলো না।  যদি আপনার টিমে কয়েকজন থাকে তাহলে কোন উদ্দেশ্যকে সাথে নিয়ে কাজ  করতে গেলে সহজেই নেটওয়ার্কের সাবাইকে জানাতে পারবেন।</p>
<p><strong>বাড়তি কাজের ক্ষেত্রে  সুবিধা<br />
</strong></p>
<p>অনেক সময় নিজের কাজের এক চাপ এত বেড়ে যায় যে,কিছু কিছু অর্ডার ফিরিয়ে  দিতে হয়। আবার অনেক সময় পরিচিত কিছু লোকের কাজ ফিরিয়ে দেয়াও সম্ভব হয় না।  তাই অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারের সাথে যোগাযোগ থাকলে তাকে দিয়েও করানো যেতে  পারে। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা কাজ সংগ্রহ করে শুধু বিতরণ করে এবং অন্যকে  দিয়ে করিয়ে টাকা কামাই করে। আপনি চাইলে সেরকম কিছুও করতে পারেন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/07/openforbusiness.jpg" alt="openforbusiness" width="580" height="295" /></p>
</blockquote>
<p><em>Image credit: <a href="http://www.flickr.com/photos/cannonball_jane/371245184/">saaam</a></em></p>
<p><strong>সার্ভিস বাড়ানো</strong></p>
<p>ব্যবসার উন্নয়নের জন্য অবশ্যই অনেকে মিলে কাজ করলে সুবিধা। ধরুন কোন  একটি কাজের রিকয়্যারমেন্ট এনালাইসিসের জন্য আপনাকে বাইরে যেতে হলো। এমন সময়  আপনার কাছে অন্য কোন নতুন ক্লাইন্ট আসতে চাইছে-কিন্তু আপনি সময় দিতে  পারছেন না। এমনও হতে পারে আপনার যখন সময় হবে তখন সে আসতে পারবে না। তাই একা  কাজ না করে কয়েকজনের একটা টিম কাজ করার মজাই আলাদা।</p>
<p><strong>আরও কিছু করা</strong></p>
<p>ধরুন আপনা ওয়েব ডিজাইনিং করেন-এ বেপারে আপনার রয়েছে অভিজ্ঞতা। কিন্তু  মোবাইল এপ্লিকেশন সহ আরও কিছু কাজ আপনি নিতে পারেন অথচ এ বেপারে আপনার  জ্ঞান শূণ্য। তাই নিজের কাজের পরিধি বৃদ্ধি করতেও গ্রুপ ফ্রীল্যান্সিং  প্রয়োজন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" src="http://www.bigganprojukti.com/wp-content/uploads/2010/07/moreclients.jpg" alt="moreclients" width="580" height="295" /></p>
</blockquote>
<p><em>Image credit: <a href="http://www.flickr.com/photos/nicmcphee/2378913548/">Unhindered by   Talent</a></em></p>
<h2>কিভাবে যোগাযোগ করবেন?</h2>
<ul>
<li>কোন একটি কাজ বা তার অংশ অন্যকে দিয়ে করাতে চাইলে অর্ডারটি কনফার্ম  হওয়ার পরে ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে পোস্ট করতে পারেন।</li>
<li>ফ্রিল্যান্স ফোরাম ও ব্লগে নিয়মিত আংশগ্রহণ করলেও একটা নেটওয়ার্কে  যুক্ত হতে পারেন।</li>
<li>বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারের ই-মেইল সংগ্রহ করে মেইলেও যোগাযোগ করতে পারেন।</li>
</ul>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://tutorialbd.com/bn/?feed=rss2&amp;p=4515</wfw:commentRss>
		<slash:comments>12</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

