<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="no"?><rss xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" version="2.0">

<channel>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="https://donetbd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml"/>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<description>সব খবর সবার আগে</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 10:54:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://donetbd.com/wp-content/uploads/2023/01/Untitled-1.png</url>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<itunes:explicit>no</itunes:explicit><itunes:subtitle>সব খবর সবার আগে</itunes:subtitle><itunes:category text="News &amp; Politics"/><item>
		<title>রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d-2/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:54:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108488</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীতে ভ্যাপসা গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর আড়াইটার পর রাজধানীর উত্তরা, কুড়িল, বারিধার, গুলশান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়। এদিন দুপুর থেকে রাজধানী বিভিন্ন এলাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হতে শুরু করে। কিছু সময়ের মধ্যেই আকাশে গুমোট পরিবেশ এবং ঝড় শুরু হয়। এর পর আশীর্বাদ হয়ে বৃষ্টি নামে। এদিকে পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে ভ্যাপসা গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর আড়াইটার পর রাজধানীর উত্তরা, কুড়িল, বারিধার, গুলশান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়। </p>
<p>এদিন দুপুর থেকে রাজধানী বিভিন্ন এলাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হতে শুরু করে। কিছু সময়ের মধ্যেই আকাশে গুমোট পরিবেশ এবং ঝড় শুরু হয়। এর পর আশীর্বাদ হয়ে বৃষ্টি নামে।</p>
<p>এদিকে পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগেই বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বিস্তার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃদ্ধি পাওয়ায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়ছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এটি দেশের বাকি অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>সারাদেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>এদিকে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-3/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-3/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:53:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108485</guid>

					<description><![CDATA[আবাসন খাতে বিনিয়োগকৃত কালো টাকা প্রদর্শনে সুযোগ দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে এ জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের মতো ‘বিশেষ কর’ সুবিধা দেওয়া হয়নি। নিয়মিত হারে কর দিয়ে অতীতে বিনিয়োগকৃত অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা যাবে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা প্রদর্শনের সুযোগ দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। নানা সমালোচনার মুখে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আবাসন খাতে বিনিয়োগকৃত কালো টাকা প্রদর্শনে সুযোগ দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে এ জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের মতো ‘বিশেষ কর’ সুবিধা দেওয়া হয়নি। নিয়মিত হারে কর দিয়ে অতীতে বিনিয়োগকৃত অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা যাবে।</p>
<p>২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা প্রদর্শনের সুযোগ দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। নানা সমালোচনার মুখে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেটি ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় এসে অন্তর্বর্তী সরকার এই সুযোগ বাতিল করে দেয়।</p>
<p>ক্ষমতায় গ্রহণের পর বিএনপি সরকার প্রথম বাজেটে কালো টাকা প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে। এ জন্য আয়কর আইনে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি জমি, বিল্ডিং, অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সময় দলিলে প্রকৃতমূল্য গোপন করলে তা রিটার্নে প্রদর্শন করতে পারবে। এ জন্য তাকে ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃতমূল্য ও দলিলমূল্যের পার্থক্যের ওপর নির্ধারিত হারে কর দিতে হবে। ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য যা ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে যদি কোনো বিক্রেতা জমি, বিল্ডিং, অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সময় দলিলে প্রকৃতমূল্য গোপন করে থাকেন, তাহলে বিক্রেতাকে সম্পত্তির প্রকৃতমূল্য ও দলিলমূল্যের পার্থক্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূলধনী কর দিতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। স্বপ্রণোদিত ঘোষণা পূর্বে আয়কর আইন অনুযায়ী ক্রেতা বা বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রদেয় করের ২০ শতাংশ জরিমানা হিসেবে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে। </p>
<p>উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি ৩ বছর আগে ঢাকায় ২ কোটি টাকা দিয়ে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। কিন্তু দলিলমূল্য তিনি ৫০ লাখ টাকা ক্রয় দেখিয়েছেন। বাকি দেড় কোটি টাকার তথ্য গোপন করেছেন। প্রচলতি আইন অনুযায়ী, এটি অপ্রদর্শিত অর্থই কালো টাকা। এই ব্যক্তি দেড় কোটি টাকা রিটার্নে প্রদর্শন করতে চাইলে তাকে ৩০ শতাংশ হারে ৪৫ লাখ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে। আর আয়কর দপ্তর যদি ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য উদঘাটন করে এবং করদাতা রিটার্নে এর ঘোষণা দিতে চায়, তবে তাকে আরও ৯ লাখ টাকা জরিমানা হিসেবে কর পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>অন্যদিকে প্রতিষ্ঠান বা বিক্রেতাকে ক্ষেত্রে দেড় কোটি টাকার ১৫ শতাংশ হারে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূলধনী কর দিতে হবে। আর আয়কর দপ্তর যদি ফ্ল্যাটের প্রকৃত বিক্রয়মূল্য উদঘাটন করে এবং তখন বিক্রেতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রিটার্নে এটি ঘোষণা দিতে চায়, তবে তাকে আরও সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>এই পদ্ধতিতে অতীতে বিনিয়োগকৃত কালো টাকা প্রদর্শন করা হলে বাংলাদেশের প্রচলিত অন্য কোনো আইনে বিনিয়োগ বা ক্রয় বা অর্থ প্রাপ্তির উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন বা কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। তবে স্বপ্রণোদিত ঘোষণার আগে বাংলাদেশের কোনো আদালত ঘোষণাকারীকে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তি আইনের এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-3/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%86%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%86%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:51:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108482</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন। ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।</p>
<p>ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়।</p>
<p>এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।</p>
<p>গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। </p>
<p>কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির একাধিক দিক উঠে আসে।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না; পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং এসি ব্যবস্থাও অপ্রতুল ও অনিয়মিতভাবে পরিচালিত হতো। </p>
<p>তদন্তে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং গুরুতর অবস্থার পরও সময়মতো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়নি।</p>
<p>তদন্ত প্রতিবেদনে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা জন্মের পর সুস্থ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বলা হয়, প্রসব-পরবর্তী জটিলতার জন্য বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তবে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। </p>
<p>একই সঙ্গে হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%86%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:51:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108479</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে, সারা দেশে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিংমল খোলা থাকবে। সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে আমাদের জানিয়েছেন- আজ থেকে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে, সারা দেশে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিংমল খোলা থাকবে। </p>
<p>সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে আমাদের জানিয়েছেন- আজ থেকে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।</p>
<p>এ সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে ঈদের পর আবারও সন্ধ্যা ৭টায় দোকান-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শপিংমল যথারীতি বন্ধ রাখা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:49:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108476</guid>

					<description><![CDATA[জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা থাকছে আগামী বাজেটে। সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দিতে ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড় দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা খরচ কমাতে ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা, হার্টের রিং ও চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স আমদানিতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিমাসের ওষুধ খরচা সাশ্রয় হবে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা থাকছে আগামী বাজেটে। সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দিতে ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড় দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা খরচ কমাতে ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা, হার্টের রিং ও চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স আমদানিতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিমাসের ওষুধ খরচা সাশ্রয় হবে।</p>
<p>সূত্র জানায়, প্রতিবছর বাজেটে রাজস্ব আদায় বাড়াতে পণ্য ও সেবার করহার বাড়ানো হয়। এবারই তার ব্যতিক্রম। নতুন সরকার চাইছে করহার না বাড়িয়ে করজাল বাড়াতে। একই সঙ্গে জনগণকে স্বস্তি দিয়ে কর আদায় করতে। তাই ব্যাপক হারে ভ্যাট-ট্যাক্সে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, যা বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করবেন।</p>
<p>খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিকাজে ব্যবহৃত জিংক সালফেট, ম্যাগনেশিয়াম সালফেটসহ পাঁচটি সারের ব্যবসা পর্যায়ে ভ্যাট সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এ কারণে সারের দাম কমতে পারে। কীটনাশক-বালাইনাশকের শুল্ককর প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যে করছাড় দেওয়া হচ্ছে। যেমন-ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ থেকে হ্রাস করে দশমিক ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। এর ফলে বিগত বছরগুলোতে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল, তা থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে।</p>
<p>দেশে স্বাস্থ্যসেবা খরচ অনেক বেশি-এ বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পেরে প্রস্তাবিত বাজেটে ওষুধ আমদানির উপকরণ, হার্টের রিং, কিডনি ডায়ালাইসিসের উপকরণ আমদানিতে শুল্ককর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এতে চিকিৎসার পেছনে জনগণের খরচ কমবে। হার্টের রিং এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স সরবরাহের ক্ষেত্রে জোগানদার পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রতিটি হার্টের রিং বা স্টেন্টের মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। চোখের প্রতিটি ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের মূল্য প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার্য ব্লাড টিউব সেট আমদানিতে আগাম কর প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর ফলে কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে। ক্যানসারের ওষুধ তৈরির নয়টি উপকরণ আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এছাড়া অন্য ওষুধ তৈরির নতুন ৬৮টি মৌলিক কাঁচামাল আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এতে বাজারে ওইসব ওষুধের দাম কমবে।</p>
<p>সাধারণ মানুষের সংসার খরচ কমাতে বাজেটে আমদানি করা শিশুখাদ্য প্রস্তুত সামগ্রীর আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হচ্ছে। এতে দেশের বাজারে শিশুখাদ্যের দাম কমবে। রান্নার প্রধান উপকরণ মসলার ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এতে এলাচ, দারুচিনিসহ সব ধরনের মসলার দাম কমতে পারে। সিমকার্ড ও ই-সিমকার্ড সেবার বিপরীতে ৩০০ টাকা সুনির্দিষ্ট কর ছিল। এর পরিবর্তে বাজেটে সিমকার্ডের দামের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। এতে সিমের দাম কমতে পারে। স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় ২২টি উপকরণের অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে এক শতাংশ করা হচ্ছে। এতে দেশে তৈরি মোবাইলের দাম কমতে পারে। স্বর্ণালংকার বিক্রিতে ৫ শতাংশ ভ্যাট ছিল, যা স্বর্ণালংকারের বিক্রীত মূল্যের ওপর আদায় করা হতো। বাজেটে ৫ শতাংশের পরিবর্তে ভরিপ্রতি আড়াই হাজার টাকা সুনির্দিষ্ট কর বসানো হয়েছে। এতে স্বর্ণালংকারের দাম কমবে।</p>
<p>দেশে উৎপাদিত ফ্রিজ-রেফ্রিজারেটর উৎপাদনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। এটি কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হচ্ছে। এতে বাজারে দেশি ফ্রিজের দাম কমতে পারে। কম্পিউটার প্রিন্টার আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ছিল। ভ্যাট প্রত্যাহার এবং অগ্রিম আয়কর ২ শতাংশ নির্ধারণ করায় বাজারে প্রিন্টারের দাম কমতে পারে। ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হচ্ছে। এতে বাজারে মনিটরের দাম কমতে পারে। মোবাইল বা কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি কার্ড আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার করায় আগামীতে এ পণ্যটির দাম কমতে পারে।</p>
<p>পরিবেশ সুরক্ষার দিকেও নজর থাকছে আগামী বাজেটে। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে করছাড় দেওয়া হচ্ছে। সোলার প্যানেল ও ব্যাটারি উৎপাদনে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতির গাড়ি (ইভি) আমদানিতে বর্তমানে ৯৩ শতাংশ শুল্ককর রয়েছে। এটি কমিয়ে ২৫ হাজার ডলার মূল্যের গাড়ির জন্য ৬৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার ডলার মূল্য পর্যন্ত গাড়ির শুল্ককর ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করা হচ্ছে। এতে বাজারে ইলেকট্রিক গাড়ির দাম কমতে পারে। এছাড়া ১৮০০ সিসি প্লাগ ইন হাইব্রিড গাড়ির শুল্ক ৯৩.১৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭৩.৪৩ শতাংশ এবং ২০০০ সিসির গাড়ির করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯৬.১০ শতাংশ করা হচ্ছে। এতে প্লাগ ইন হাইব্রিড গাড়ির দাম কমতে পারে। পক্ষান্তরে বাড়ানো হচ্ছে তেলে চালিত গাড়ির শুল্ক।</p>
<p>এছাড়া বাজেটে শুল্কহার কমানোতে দাম কমতে পারে-কফি, হার্টের রিং; কিডনি ডায়ালাইসিস খরচ; দেশের উৎপাদিত ত্বক ফর্সাকারী প্রসাধনী সামগ্রী; সানস্ক্রিন বা স্যানট্যাগ সামগ্রী; হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধনী সামগ্রী; পাউডার; লিপস্টিক; আইলাইনার; ইলেকট্রিক চার্জার; গার্মেন্টের ঝুট; ইলেকট্রিক কুকার; ইন্ডাকশন কুকার; ইনফ্রারেড কুকার; ওয়াটার পিউরিফায়ার; ওয়াটার হিটার/গিজার, পিয়ানো, ফ্লোট গ্লাস।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:49:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108473</guid>

					<description><![CDATA[চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে জিডিপির আকার, মাথাপিছু আয় এবং সেবা ও কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিতে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হার কমেছে। অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর এই বিপরীতমুখী প্রবণতা সামষ্টিক অর্থনীতির ভেতরের কাঠামোগত পরিবর্তন ও সীমাবদ্ধতার একটি জটিল চিত্র তুলে ধরছে। বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে জিডিপির আকার, মাথাপিছু আয় এবং সেবা ও কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিতে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হার কমেছে। অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর এই বিপরীতমুখী প্রবণতা সামষ্টিক অর্থনীতির ভেতরের কাঠামোগত পরিবর্তন ও সীমাবদ্ধতার একটি জটিল চিত্র তুলে ধরছে।</p>
<p>বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত জিডিপির সাময়িক হিসাবে এ তথ্য উঠে আসে।</p>
<p>সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধিতে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে চলতি মূল্যে জিডিপির আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা ডলারে ৫০১ বিলিয়নের সমান। আগের অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা বা ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার। এক বছরে জিডিপির আকারে উল্লেখযোগ্য এই বৃদ্ধি অর্থনীতির পরিধি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p>খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি খাত প্রবৃদ্ধির একটি স্থিতিশীল উৎস হিসাবে কাজ করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের ২ দশমিক ৪২ শতাংশের তুলনায় শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। খাদ্যশস্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এবং কৃষিভিত্তিক কার্যক্রমের বিস্তার এই খাতকে ইতিবাচক রেখেছে। অন্যদিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের ৩ দশমিক ৭১ শতাংশের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ পয়েন্ট কম। শিল্প খাতের এই মন্থরতাকে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহের সীমাবদ্ধতা, আমদানিনির্ভর কাঁচামালের সংকট এবং বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরগতির প্রতিফলন হিসাবে দেখা হচ্ছে। শিল্প খাতের এই ধীরগতি সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।</p>
<p>সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য, পরিবহণ, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ খাতের কার্যক্রমে ধীরে গতি আসার ফলে এই খাতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়লেও বিনিয়োগের হার কমেছে। জিডিপির সঙ্গে মোট বিনিয়োগের অনুপাত কমে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে বিনিয়োগ অনুপাত কমেছে শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ পয়েন্ট। বিনিয়োগের এই নিম্নগতি ভবিষ্যৎ উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে সঞ্চয়ের হারেও পতন দেখা গেছে। দেশজ সঞ্চয় কমে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা আগের বছরের তুলনায় কম। জাতীয় সঞ্চয়ও কমে ২৬ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে। সঞ্চয়ের এই নিম্নমুখী প্রবণতা বিনিয়োগের জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদের প্রাপ্যতা কমিয়ে দিতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সক্ষমতাকে সীমিত করে। অন্যদিকে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা বা ৩ হাজার ২০ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা বা ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩৪ হাজার ৩৬২ টাকা। তবে মূল্যস্ফীতির প্রভাব বিবেচনায় প্রকৃত আয় কতটা বেড়েছে, সেটি পৃথকভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।</p>
<p>সামগ্রিকভাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতির আকার এবং মাথাপিছু আয়ে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হার কমে যাওয়ার প্রবণতা অর্থনীতির ভেতরের কাঠামোগত চাপ ও সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লাইফস্টাইল টিপস: এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:46:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108470</guid>

					<description><![CDATA[এপ্রিল থেকে জুন — বাংলাদেশে এই সময়টা শুধু গরম নয়, রীতিমতো দাবদাহের মৌসুম। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে যায়, আর তার সঙ্গে বাড়তি আর্দ্রতায় শরীর অসহ্য অস্বস্তিতে পড়ে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই কঠিন সময়টাও পার করা সম্ভব সুস্থভাবে। পানি ও পানীয়: ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখুন গরমে সবচেয়ে বড় বিপদ ডিহাইড্রেশন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এপ্রিল থেকে জুন — বাংলাদেশে এই সময়টা শুধু গরম নয়, রীতিমতো দাবদাহের মৌসুম। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে যায়, আর তার সঙ্গে বাড়তি আর্দ্রতায় শরীর অসহ্য অস্বস্তিতে পড়ে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই কঠিন সময়টাও পার করা সম্ভব সুস্থভাবে।</p>
<p>পানি ও পানীয়: ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখুন<br />
গরমে সবচেয়ে বড় বিপদ ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। ঘামের মাধ্যমে শরীর দ্রুত পানি ও লবণ হারায়, তাই প্রতিদিন কমপক্ষে তিন থেকে চার লিটার পানি পান করুন — শুধু পিপাসা লাগলে নয়, নিয়মিত বিরতিতে। ডাবের পানি, লেবু-পানি, তরমুজের রস ও খাবার স্যালাইন এই মৌসুমে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য ঠিক রাখে। বেশি ঘামলে সাধারণ পানির পাশাপাশি খাবার স্যালাইন বা ওআরএস পান করুন।</p>
<p>অন্যদিকে চা, কফি ও কোলাজাতীয় পানীয় মূত্রবর্ধক হওয়ায় পানিশূন্যতা আরও বাড়িয়ে দেয়। সীমিত পরিমাণে পান করুন। হঠাৎ অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করা থেকেও বিরত থাকুন, বিশেষত বাইরে থেকে ঘেমে ফেরার পর।</p>
<p>পোশাক ও বাইরে চলাফেরা<br />
পোশাকের সঠিক পছন্দ গরমে বিশাল পার্থক্য তৈরি করে। সুতির হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন। সাদা, হালকা নীল বা হলুদ রঙ তাপ কম শোষণ করে এবং শরীরকে তুলনামূলক ঠান্ডা রাখে। গাঢ় রঙের কাপড় সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করে, তাই দিনের বেলা এড়িয়ে চলুন।</p>
<p>বাইরে বের হলে ছাতা বা চওড়া কিনারার টুপি ব্যবহার করুন। মাথা ও ঘাড় সরাসরি রোদ থেকে বাঁচানো জরুরি। এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মানের সানস্ক্রিন বের হওয়ার বিশ মিনিট আগে ত্বকে লাগান। সকাল দশটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সবচেয়ে তীব্র রোদ থাকে — এই সময় জরুরি প্রয়োজন না হলে বাইরে না থাকাই ভালো।</p>
<p>খাওয়াদাওয়া: হালকা ও তাজা রাখুন<br />
গরমে ভারী বা তৈলাক্ত খাবার শরীরে বাড়তি তাপ উৎপন্ন করে এবং হজমে সমস্যা দেখা দেয়। এই মৌসুমে মাছ, সবজি ও ডালের হালকা রান্না আদর্শ। বিরিয়ানি বা ভারী মাংসের রান্না দুপুরের পরিবর্তে রাতে রাখুন।</p>
<p>তরমুজ, শসা, আনারস, আম, লিচু — এই মৌসুমি ফলগুলোতে প্রচুর পানি ও খনিজ লবণ আছে যা শরীরকে সতেজ রাখে। একসঙ্গে বেশি না খেয়ে বারবার অল্প অল্প করে খাওয়ার অভ্যাস করুন।</p>
<p>রাস্তার কাটা ফল বা খোলা খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয় এবং ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাসি খাবার কোনো অবস্থাতেই খাবেন না।</p>
<p>ঘামের অস্বস্তি দূর করতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন</p>
<p>ঘামের অস্বস্তি দূর করুন<br />
প্রচুর ঘামলে শুধু ভেজা অনুভূতিই নয়, র&#x200d;্যাশ, চুলকানি ও দুর্গন্ধের সমস্যাও হয়। দিনে অন্তত দুইবার — সকালে ও বিকেলে — স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। গলা, বগল ও উরুর ভাঁজে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করুন, এটি ঘাম শুষে নেয় এবং র&#x200d;্যাশ প্রতিরোধ করে।</p>
<p>ঘেমে যাওয়া পোশাক বেশিক্ষণ পরে থাকবেন না — ভেজা পোশাকে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়ে। দিনের বেলা পর্দা টেনে ঘর ঠান্ডা রাখুন। রাতে জানালা খুলুন। ফ্যান না থাকলে ভেজা কাপড় ঝুলিয়েও ঘর কিছুটা ঠান্ডা করা যায়।</p>
<p>হিটস্ট্রোক: লক্ষণ চিনুন, দেরি করবেন না<br />
মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, হঠাৎ ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি হওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ। এটি একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা। রোগীকে দ্রুত ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় নিন, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন, পানি পান করান এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।</p>
<p>বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও যারা রোদে দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।</p>
<p>ঘুম ও বিশ্রাম<br />
গরমে ঘুমের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করুন — এটি শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা আসলে কমিয়ে দেয় এবং ঘুম আসতে সাহায্য করে। হালকা সুতির চাদর ব্যবহার করুন এবং বালিশের কভার ঘন ঘন বদলান।</p>
<p>মাথার কাছে একটি বাটিতে বরফ-পানি রাখলে ফ্যানের বাতাসে সেটি ঠান্ডা হাওয়া ছড়ায় — এটি একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকর কৌশল।</p>
<p>শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন<br />
শিশুদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনো পূর্ণ বিকশিত নয়, আর বয়স্কদের সেই সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসে। এই দুই বয়সের মানুষদের নিয়মিত পানি পান করান, দুপুরের রোদে বাইরে নিয়ে যাবেন না এবং সামান্য উপসর্গ দেখলেও দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>
<p>গরম কষ্টের হলেও সচেতনতা আর কিছু সহজ অভ্যাসে এই মৌসুম পার করা সম্ভব সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে।</p>
<p>ঘামের গন্ধ ও ঘামাচি থেকে মুক্ত থাকবেন যেভাবে<br />
গরমের দিনে অনেকেই ঘাম, ঘামের গন্ধ ও ঘামাচির সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে কিছু ঘরোয়া নিয়ম মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।</p>
<p>কেন হয় ঘামাচি?<br />
আমাদের শরীরের লোমকূপের মাধ্যমে ঘাম বের হয়ে শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং দূষিত পদার্থ দূর করে। কিন্তু যখন ঘাম ঠিকমতো বের হতে পারে না, তখন লোমকূপের ভেতরে জমে গিয়ে ঘামাচি সৃষ্টি হয়।</p>
<p>অনেকে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করে ঘামের সমস্যা কমানোর চেষ্টা করেন। এতে সাময়িকভাবে ঘাম কমলেও দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের সমস্যা বাড়ে। কারণ পাউডার ঘামের গ্রন্থিগুলো বন্ধ করে দেয়, ফলে ঘাম আটকে গিয়ে লোমকূপের ভেতর জমে ঘামাচিতে রূপ নেয়।</p>
<p>ঘামাচি ও ঘামের গন্ধ থেকে মুক্তির উপায়<br />
নিয়মিত গোসল করা: যত রাতেই বাড়ি ফিরুন না কেন, নিয়মিত গোসল করা জরুরি। শরীরে ঘাম জমতে দিলে ঘামাচি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।</p>
<p>ঘাম মুছে রাখা: বাইরে থাকলে ঘাম শরীরে বসতে দেওয়া উচিত নয়। খুব বেশি ঘাম হলে ভেজা তোয়ালে বা গামছা দিয়ে বারবার মুখ, গলা, হাত-পা মুছে নেওয়া ভালো। তাই সঙ্গে একটি সুতির তোয়ালে বা কাপড় রাখা জরুরি।</p>
<p>রোদ এড়িয়ে চলা: বেশিক্ষণ রোদে ঘোরাঘুরি করলে ত্বক অতিরিক্ত ঘামতে শুরু করে, ফলে ঘামাচির সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোদ এড়িয়ে চলা ভালো।</p>
<p>সুতির পোশাক পরা: চিকিৎসকরা গরমের দিনে হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরার পরামর্শ দেন। কারণ সুতির কাপড় সহজেই বাতাস চলাচল করতে দেয় এবং ঘাম শোষণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখে।</p>
<p>সুগন্ধি ও পাউডার পরিহার করা: অনেকে গরমে সুগন্ধি বা ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা ঘর্মগ্রন্থির মুখ বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।</p>
<p>এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে গরমেও ঘাম ও ঘামাচির সমস্যাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বই থাকায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ৩ শতাধিক বই জব্দ করল জেলা প্রশাসন</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:45:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108467</guid>

					<description><![CDATA[রাজশাহীতে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে মুক্তিযুদ্ধ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের ইতিহাস সংক্রান্ত প্রায় তিন শতাধিক বই জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল ১০ই জুন, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসনের দুই নির্বাহী হাকিম পাঠাগারটির বাসে তল্লাশি চালিয়ে বইগুলো জব্দ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজশাহীতে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে মুক্তিযুদ্ধ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের ইতিহাস সংক্রান্ত প্রায় তিন শতাধিক বই জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন।</p>
<p>গতকাল ১০ই জুন, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসনের দুই নির্বাহী হাকিম পাঠাগারটির বাসে তল্লাশি চালিয়ে বইগুলো জব্দ করেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থানরত ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের বাসে “আওয়ামী লীগ” নেতাদের নিয়ে লেখা বই রয়েছে অভিযোগ তুলে মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাসটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসে তল্লাশি চালানো হয়।</p>
<p>রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমদাদুল হক লিমন বলেন, “পাঠাগারে বই পড়তে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাসের ভেতরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকে নিয়ে লেখা বই দেখতে পান। পরে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বাসটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।“</p>
<p>মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন বলেন, “আওয়ামী লীগের পতনের পরও এসব বই পাওয়া উদ্বেগজনক। একটি গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। আমরা বইগুলো জব্দ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।”</p>
<p>অন্যদিকে, ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “রাজশাহীতে বই সংরক্ষণের আলাদা কোনো স্থান না থাকায় বইগুলো বাসের মধ্যেই রাখা হয়েছিল। তবে এসব বই কাউকে পড়তে দেওয়া হতো না।”</p>
<p>তবে এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কয়েকজন সাধারণ পাঠকরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।</p>
<p>অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, কে কোন বই পড়বে, কোন বই পড়বে না কিংবা পড়তে দেওয়া হবে না- এটা রাষ্ট্র ঠিক করে দেবে না। এগুলো তো জঙ্গিবাদ বিষয়ক বই নয়। আওয়ামী লীগের যে নেতারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন , তাঁরা তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখেছেন, রণাঙ্গনের স্মৃতি লিখেছেন, এসব বইকে কি আওয়ামী লীগের বই বলা যাবে?</p>
<p>মুক্তিযুদ্ধ, জাতির জনক, স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে রচিত বই জব্দের মত গর্হিত কাজটি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির ইন্ধনে করা হয়েছে বলে আমি মনে করি, বলেন এই শিক্ষক।</p>
<p>এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।</p>
<p>তল্লাশির সময় মহানগর ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির এবং রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিকুজ্জামান প্রীতম উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:44:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108464</guid>

					<description><![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘অন্তরীণ সরকার’ আখ্যা দিয়ে সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম অভিযোগ করেছেন, আদর্শিক বিরোধিতার কারণে সরকারের ভেতরে তাকে কোণঠাসা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ থাকলেও তার বিরুদ্ধে ব্যক্তি আক্রমণ থামছে না। আজ ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘অন্তরীণ সরকার’ আখ্যা দিয়ে সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম অভিযোগ করেছেন, আদর্শিক বিরোধিতার কারণে সরকারের ভেতরে তাকে কোণঠাসা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ থাকলেও তার বিরুদ্ধে ব্যক্তি আক্রমণ থামছে না।</p>
<p>আজ ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>‘সব দোষ মাহফুজ আলমের ইতিবৃত্ত’ শিরোনামের ওই স্ট্যাটাসে নিজের বিরুদ্ধে চলমান সমালোচনা, রাজনৈতিক আক্রমণ এবং সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। একই সঙ্গে জামায়াত-শিবির বা জাশি সম্পর্কে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেন।</p>
<p>মাহফুজ আলম লেখেন, ‘আমি আজ পর্যন্ত জুলাইয়ের পক্ষের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছি? না। কিন্তু, ব্যক্তি মাহফুজের বিরুদ্ধে হওয়া বিষোদগারের ৮০-৯০%ই জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লোকদের বিশেষ করে জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানদের করা। লীগ আক্রমণের টাইম আর স্পেসই খুঁজে পাচ্ছে না।’</p>
<p>তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিজের দায়িত্বকাল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, ‘আর, তথ্য মন্ত্রণালয়ে ৯ মাসের জন্য আমি দোষী হলে আগে-পরের ৯ মাসের উপদেষ্টারা কেন দায়মুক্ত? তারা যদি সদিচ্ছাবান হন, তাইলে মাহফুজ আলম গাদ্দার কেন?’</p>
<p>জামায়াতের আদর্শের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, জাশির ‘৭১ বিষয়ক রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা অপরাধ হলে একই প্রশ্ন তোলা লিবারেল-বাম-সেকুলারদের ক্ষেত্রেও একই মাপকাঠি প্রযোজ্য হওয়া উচিত।</p>
<p>তিনি লেখেন, ‘কিন্তু, জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি কি শুধুই জামায়াত? ‘৭১ কে অস্বীকারের/অবনমনের জাশির রাজনীতি নিয়ে যদি জামায়াতকে প্রশ্ন করা অপরাধ হয়, সে অপরাধে জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লিবারেল-বাম-সেকুলারদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও দায়ী হতে বাধ্য। কিন্তু, সেরকম কিছু কি হয়েছে?’</p>
<p>জামায়াতের আদর্শিক বিরোধিতাকে ‘বিভাজনের কারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি নাকচ করে তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আদর্শিক বিরোধিতার সূত্রে যদি আমি বিভাজনের জন্য দায়ী হই, তাহলে এ বিভাজন এবং জুলাইকে জাশির একচ্ছত্র বয়ানের খপ্পর থেকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য আমি বিন্দুমাত্র বিচলিত না। কিন্তু, আমি কখনই শাহবাগের ফ্যাসিবাদী জাশি-বিদ্বেষী চিন্তাকে এন্ডোর্স করি নাই।’</p>
<p>টানা ব্যক্তি আক্রমণের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করার বদলে একজন ব্যক্তিকে টানা প্রায় দুই বছর জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানপন্থিদের ব্যক্তি আক্রমণ কি ইঙ্গিত দেয়?’</p>
<p>গত এক বছরে জাশি, এনসিপি বা উগ্র ডানপন্থিদের বিষয়ে তেমন কোনো বক্তব্য না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সরকারের ভেতরে তাকে জাশি বিরোধিতার কারণে কোণঠাসা করা হয়েছে এবং বাধ্য হয়ে তিনি চুপ থেকেছেন।</p>
<p>স্ট্যাটাসের শেষ অংশে প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ‘শিবিরের বট এবং অ্যাক্টিভিস্টরা বারবার আমার ফাঁসির দাবি তুলছেন। মৃত্যুকামনা করছেন। একবার প্রতীকী জবাইও করেছেন। হত্যাযোগ্য করার লেভেল অনেক আগেই পার করেছেন। এনসিপি-উগ্র ডানেরাও এরকমই বাসনা রাখে বলেও প্রতীয়মান হচ্ছে।’</p>
<p>নিজেকে ‘জুলাই ধ্বংসের হোতা’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়াসকে হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, ‘জুলাই এক ব্যক্তির খেলনা না যে, একজন ধ্বংস করে ফেলবে! আপনারা আসলে নিজেরাই এসব বক্তব্য দিয়ে জুলাইকে খেলো/হাস্যকর বানিয়ে ফেলছেন।’</p>
<p>স্ট্যাটাস শেষ করেন ব্যক্তি আক্রমণ ও বিদ্বেষের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে।</p>
<p>তিনি লেখেন, ‘জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানের ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক, এ কামনা করি। গালিবাজি আর ব্যক্তি আক্রমণ বাদ দিয়ে পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করে যেন আমরা একটা বেটার বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেদিকে চলেন মনযোগ দিই।’</p>
<p>উল্লেখ্য, মাহফুজ আলম বর্তমানে কোনো সরকারি দায়িত্বে নেই, সংসদ সদস্যও নন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবেও সক্রিয় নন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%85/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%85/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 10:44:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=108461</guid>

					<description><![CDATA[হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র (বৈছা) আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্যসচিব ও সাবেক সমন্বয়ক এবং পোড়ানো-পুলিশ হত্যায় দম্ভ ভরে স্বীকারোক্তি দেওয়া মাহাদী হাসানকে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের ভেতরে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হচ্ছে। আজ ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মাহাদী হাসানকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র (বৈছা) আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্যসচিব ও সাবেক সমন্বয়ক এবং পোড়ানো-পুলিশ হত্যায় দম্ভ ভরে স্বীকারোক্তি দেওয়া মাহাদী হাসানকে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের ভেতরে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>এই হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হচ্ছে।</p>
<p>আজ ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মাহাদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ডিসি অফিসের ভেতরে ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়েছেন তিনি।</p>
<p>এর আগের দিন গতকাল হামলার আশঙ্কায় নিজেই ফেসবুক লাইভে আসেন মাহাদী হাসান। লাইভে তাকে আতঙ্কে কাঁপতে দেখা যায়। প্রাণ বাঁচাতে আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে রিকশায় হবিগঞ্জ সদর থানার দিকে ছুটতে থাকেন তিনি।</p>
<p>লাইভের শেষ দিকে থানা কমপাউন্ডে ঢুকে পুলিশের কাছে সাহায্যের আর্তি জানান।</p>
<p>লাইভে মাহাদী বলেন, ‘ছাত্রদল আমার ওপর অ্যাটাক করতে আসতেছে। আমার কি পারসোনাল কোনো মতামত দেওয়ার অধিকার নাই? ছাত্রদলের লোকজন আমার পেছনে ধাওয়া দিচ্ছে। আমার কি পারসোনাল অধিকার নাই?’</p>
<p>থানায় আশ্রয় নেওয়ার পর লাইভে তিনি জানান, ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে ডিসি অফিসে যাওয়ার কথা ছিল তার। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা আগেই সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছিলেন এবং পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছিল।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আসার সময় রিকশায় ছিলাম। তখন পেছন থেকে আমাকে হামলা করার জন্য ধাওয়া দেওয়া হয়।’</p>
<p>হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করার কারণে মাহাদী হাসানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরোধ রয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। তবে ভিডিওতে ছাত্রদলের কাউকে সরাসরি শনাক্ত করা যায়নি এবং মাহাদী নিজেও কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে পারেননি বলে জানান তিনি।</p>
<p>ওসি আরও বলেন, ‘সমন্বয়ক মাহাদী আমাদের কাছে একটি মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। তিনি বর্তমানে থানায় অবস্থান করছেন।’</p>
<p>উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে থানায় বসে পুলিশ কর্মকর্তা হত্যায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা সদম্ভে ঘোষণা করে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন মাহাদী হাসান।</p>
<p>২রা জানুয়ারি এক যুবককে ছাড়াতে হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে ওসির কক্ষে ঢুকে তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই আন্দোলনকারীরা সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। আপনি প্রশাসনের লোক হয়ে আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছেন। হবিগঞ্জে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন হয়েছিল, বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।’</p>
<p>২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট বানিয়াচং থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্যকে অবরুদ্ধ করার পর গভীর রাতে তাদের উদ্ধারকালে এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে ছিনিয়ে নিয়ে থানা চত্বরেই পিটিয়ে হত্যা করা হয়।</p>
<p>পরদিন তার মরদেহ থানার সামনে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।</p>
<p>মাহাদীর ওই বক্তব্যে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরদিন ৩রা জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সমর্থকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ৪ঠা জানুয়ারি আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দেন। সেই ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় এবার নিজের নিরাপত্তার জন্য সেই পুলিশের কাছেই আশ্রয় নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মাহাদী হাসান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%85/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>