<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="no"?><rss xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" version="2.0">

<channel>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="https://donetbd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml"/>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<description>সব খবর সবার আগে</description>
	<lastBuildDate>Wed, 22 Jul 2026 23:05:09 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>

<image>
	<url>https://donetbd.com/wp-content/uploads/2023/01/Untitled-1.png</url>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<itunes:explicit>no</itunes:explicit><itunes:subtitle>সব খবর সবার আগে</itunes:subtitle><itunes:category text="News &amp; Politics"/><item>
		<title>জামায়াতের সদস্যদের লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার নির্দেশ: মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকানোই কি উদ্দেশ্য, নাকি নতুন কোনো কূটকৌশল?</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 23:05:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110297</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন ও নির্বাহী বৈঠকে নেওয়া এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নিষেধাজ্ঞা ও চিঠি গত ২২ জুন ২০২৬-এ ওই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১২ জুলাই দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন ও নির্বাহী বৈঠকে নেওয়া এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে।</p>
<h3>জামায়াতে ইসলামীর নিষেধাজ্ঞা ও চিঠি</h3>
<p>গত ২২ জুন ২০২৬-এ ওই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১২ জুলাই দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জেলা ও মহানগরী আমিরদের কাছে পাঠানো হয়। সংযুক্ত ওই চিঠি ইতিমধ্যে দলীয় অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://donetbd.com/wp-content/uploads/2026/07/2026-07-23_050343.jpg" alt="" width="465" height="624" class="alignnone size-full wp-image-110298" srcset="https://donetbd.com/wp-content/uploads/2026/07/2026-07-23_050343.jpg 465w, https://donetbd.com/wp-content/uploads/2026/07/2026-07-23_050343-224x300.jpg 224w" sizes="(max-width: 465px) 100vw, 465px" /></p>
<p>চিঠিতে জামায়াতে ইসলামীর রোকনদের মধ্যে নারী সদস্যদের বয়েজ স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় এবং পুরুষ সদস্যদের গার্লস স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় শিক্ষকতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে যেসব নারী সদস্য ছেলেদের স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় এবং যেসব পুরুষ সদস্য মেয়েদের স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় কর্মরত আছেন, তাদের সদস্যপদ মুলতবি করা হবে। শুধু সহশিক্ষা বা কো-এডুকেশন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের জন্য এই নির্দেশনা কার্যকর হবে না।</p>
<p>সিদ্ধান্তটির বাস্তব প্রতিফলনও ইতিমধ্যে দেখা গেছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারকে গার্লস কলেজে শিক্ষকতা করার কারণে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের ফেসবুক পেজে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো রোকন পুরুষ দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।</p>
<h3>মাদ্রাসায় ধর্ষণের ঘটনা ও এর প্রেক্ষাপট</h3>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ঘটনায় মহিলা মাদ্রাসায় নিয়োজিত শিক্ষক ও অধ্যক্ষ কর্তৃক মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিশু মেয়ে, বালিকা ও কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। যেসব এলাকায় এসব মাদ্রাসা অবস্থিত, সেখানকার এলাকাবাসীর হাতেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কন্যাশিশু ও বালিকা ধর্ষণের বিষয়টি ধরা পড়ে। উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত ধর্ষককে প্রচণ্ড পিটুনি দেয়, গ্রামবাসী সামাজিক ভাবে নিগৃহীত করে এবং কিছু এলাকায় ভাঙচুর করে মহিলা মাদ্রাসা উচ্ছেদ করে দেয়। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।</p>
<p>কিছুদিন আগে ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাপড়ুয়া কন্যাশিশু মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক জোরপূর্বক ধর্ষিত ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এ ছাড়া সোনাগাজীর মাদ্রাসায় ধর্ষিত এক কিশোরীর মুখ বন্ধ করতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও ছাত্রদের সহায়তায় আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনা আজও বাংলাদেশের মানুষের মনে দাগ কেটে আছে।</p>
<p>এই সব ঘটনার পাশাপাশি মহিলা মাদ্রাসায় ক্রমবর্ধমান কন্যাশিশু, বালিকা ও কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় জনমনে বাড়তে থাকা ক্ষোভ থেকেই “সৎ লোকের শাসন” খ্যাত জামায়াত তাদের পুরুষ সদস্যদের রক্ষা করতে এই লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।</p>
<p>সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী সমাজসেবক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা মনে করছেন, মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষক-অধ্যক্ষ কর্তৃক কোমলমতি কন্যাশিশু, বালিকা ও কিশোরী ধর্ষণের ঘটনাগুলো ক্রমেই বেশি প্রকাশ্যে আসার কারণেই জামায়াতে ইসলামী সদস্যদের শিক্ষকতা বিষয়ে এই বাধ্যবাধকতা জারি করেছে।</p>
<h3>সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক</h3>
<p>নারী-শিশুর অধিকারের দাবিতে সোচ্চার অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট কিশোয়ার লোচান জামায়াতের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বলেন,</p>
<blockquote><p>“এটা খুবই হাস্যকর। জামায়াতের নারী সদস্যরা তো কোনো ব্যভিচার বা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন, তাহলে তাদের ওপর কেন এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিল জামায়াত?”</p></blockquote>
<p>জামায়াতে ইসলামীর এহেন সিদ্ধান্তের কারন ব্যখা করে তিনি বলেন,</p>
<blockquote><p>“এর কারণ একটাই— কেউ যেন বুঝতে না পারে যে মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকাতেই জামায়াতে ইসলামী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই সেটা আড়াল করতে নারী-পুরুষ উভয় সদস্যের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিষয়টিকে লিঙ্গবৈষম্যহীন একটা আবরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”</p></blockquote>
<p>&nbsp;</p>
<p>ড. নওরিন বলেন, জামায়াত আসলে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে। মেয়েদের স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় শিশু/বালিকা/কিশোরী ধর্ষনের দায়ে অভিযুক্ত পুরুষ সদস্যদের উপর থেকে দেশবাসীর সন্দেহ ও প্রশ্ন দূর করতে পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি জামায়াতের নারী সদস্যদের ওপরও ছেলেদের স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় শিক্ষকতার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তবে শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নারী ও পুরুষ সদস্যরা এ ধরনের অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়াকে ‘অমানবিক’ আচরণ বলে মনে করছেন। দেশজুড়ে হাজারো জামায়াত নেতা-কর্মী বর্তমানে গার্লস স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন। অন্যদিকে অনেক নারী নেত্রী-কর্মী রয়েছেন যারা বয়েজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছেন। শুধু দলীয় আদর্শ ধারণ ও নির্দেশনা মেনে চলার জন্য যদি নিজেদের চাকরি ও জীবিকার পথ পরিবর্তন করতেই হয়, তাহলে তা সম্পূর্ণ অন্যায় ও অযৌক্তিক হবে বলে তারা মনে করছেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ইতিমধ্যে যেসব পুরুষ সদস্য (রোকন) গার্লস স্কুল, গার্লস কলেজ বা মহিলা মাদ্রাসায় কর্মরত, তাদের সদস্যপদ (রুকনিয়াত) মুলতবি ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অনেক জেলা শহরে নেতা-কর্মীদের ‘চাকরি ছাড়ুন, নয়তো দল ছাড়ুন’—এই দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখে ফেলা হচ্ছে। একই অবস্থা নারী সদস্যদেরও; যারা বয়েজ স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় কর্মরত, তারাও একই সংকটে পড়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।</p>
<h2></h2>
<h3>রাজনৈতিক বিশ্লেষণ</h3>
<p>রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা অবশ্য জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় রাজনীতির কূটকৌশল হিসেবে দেখছেন। অনেকের ধারণা, জামায়াতে ইসলামী আগে নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়ে পরে বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর শিক্ষকতার ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক চাপ প্রয়োগ করবে। নিজ দলীয় সদস্যদের চাকরি পরিবর্তনের সুযোগ দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ভবিষ্যতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুলতে পারে বলে তাদের ধারণা।</p>
<p>অর্থাৎ, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী বয়েজ স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক এবং গার্লস স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় নারী শিক্ষক নিয়োগের দাবি তোলার একটি প্রেক্ষাপট তৈরি করছে এই দলীয় নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে।</p>
<p>তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ছেলেদের মাদ্রাসাগুলোতেই পুরুষ শিক্ষক কর্তৃক সবচেয়ে বেশি ছেলে শিশু, বালক ও কিশোর বলাৎকারের শিকার হয়। প্রতি ১০টি মাদ্রাসার মধ্যে অন্তত ৯টিতে পুরুষ শিক্ষকই ধর্ষণ ও বলাৎকারের জন্য দায়ী বলে জানা যায়। জামায়াতের পুরুষ সদস্যরা যদি সেই ছেলেদের স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থাকেন, তাহলে তা পুত্র শিশু, বালক, কিশোর বলৎকারের সংখ্যা অনেকাংশে বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ থেকে বেলুচিস্তান – অভাব শুধু একজন মুজিবরের</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 23:01:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110294</guid>

					<description><![CDATA[পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গভীর অভিযোগ পোষণ করে আসছে। এই অভিযোগগুলো মূলত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রান্তিকীকরণের একটি সুসংহত কাঠামোয় আবদ্ধ। মজার বিষয় হলো, এই অভিযোগগুলোর প্রকৃতি বর্তমান বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা-পূর্ব অভিজ্ঞতার সাথে প্রায় অভিন্ন প্রতিধ্বনি তোলে। উভয় অঞ্চলই একটি কাঠামোগত ধাঁচের শিকার, যেখানে সম্পদ-সমৃদ্ধ বা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গভীর অভিযোগ পোষণ করে আসছে। এই অভিযোগগুলো মূলত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রান্তিকীকরণের একটি সুসংহত কাঠামোয় আবদ্ধ। মজার বিষয় হলো, এই অভিযোগগুলোর প্রকৃতি বর্তমান বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান)<br />
১৯৭১ সালের স্বাধীনতা-পূর্ব অভিজ্ঞতার সাথে প্রায় অভিন্ন প্রতিধ্বনি তোলে। উভয় অঞ্চলই একটি কাঠামোগত ধাঁচের শিকার, যেখানে সম্পদ-সমৃদ্ধ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলকে জাতীয় সম্পদে অবদানের বিপরীতে বৈষম্যমূলক আচরণ, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দমনের মুখোমুখি হতে হয়েছে।<br />
এই প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক উপাত্ত, সময় ধারাবাহিকতা এবং একটি বিস্তারিত তুলনামূলক সারণীর মাধ্যমে বেলুচিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি ও পূর্ব পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বাস্তবতার মিলগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে।<br />
আসুন কিছু ডাটা নিয়ে দেখি।<br />
অর্থনৈতিক শোষণ<br />
বেলুচিস্তান পাকিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল, কিন্তু দেশটির দরিদ্রতম প্রদেশও বটে।<br />
প্রাকৃতিক গ্যাস: প্রদেশটি পাকিস্তানের মোট প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ১৮-২০% সরবরাহ করে (প্রধানত সুই গ্যাসক্ষেত্র থেকে), তবুও বেলুচিস্তান নিজেই গ্যাস সংকটে ভোগে।</p>
<p>অস্বচ্ছল রয়্যালটি: ২০২২ অর্থবছরে, বেলুচিস্তান গ্যাস রয়্যালটি বাবদ পেয়েছে মাত্র ২২ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি, যেখানে উত্তোলিত গ্যাসের হেডওয়েল মূল্য ছিল আনুমানিক ১৮০ বিলিয়ন রুপিরও বেশি। বরাদ্দকৃত রয়্যালটির হার (হেডওয়েল মূল্যের ১২.৫%) অপর্যাপ্ত বলে বিবেচিত হয় এবং অনেক সময় তা প্রদানেও বিলম্ব করা হয়। সময়ের সাথে রয়্যালটির পরিমাণ বাড়লেও (২০০৯ অর্থবছরের ৬.৩ বিলিয়ন থেকে ২০২২ অর্থবছরে ২২ বিলিয়ন), তা উত্তোলিত সম্পদের তুলনায় নগণ্য।<br />
মাথাপিছু আয়ের ব্যবধান: বেলুচিস্তানের মাথাপিছু আয় জাতীয় গড়ের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে কম এবং ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ২০১০-১১ সালে এটি ছিল জাতীয় গড়ের ৫৯.৭%, যা ২০১৭-১৮ সালে কমে দাঁড়ায় ৫৫.৮% (৯১৭ ডলার বনাম জাতীয় ১,৬৪১ ডলার)। এটি প্রমাণ করে যে বৈষম্য সময়ের সাথে বাড়ছে।<br />
উন্নয়ন ব্যয় ও মানব উন্নয়ন সূচক</p>
<p>প্রদেশটির বহুমাত্রিক দারিদ্র্য জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি এবং তা প্রায় স্থবির হয়ে আছে।<br />
বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (MPI):<br />
২০০৪/০৫ সালে বেলুচিস্তানের এমপিআই ছিল ৭১.২%, যা ২০১৪/১৫ সালে কমে ৫৩.২% এবং ২০১৯-২০ সালে সামান্য কমে ৫৩.১%-এ দাঁড়ায়। একই সময়ে জাতীয় গড় ছিল ৩৮.৩% (২০১৯-২০)। অর্থাৎ, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বেলুচিস্তান জাতীয় গড় থেকে প্রায় ১৫ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে, যা উন্নয়নের দীর্ঘসূত্রতার ইঙ্গিত দেয়।<br />
ফেডারেল উন্নয়ন বাজেট (PSDP):<br />
বেলুচিস্তানের জন্য বরাদ্দ ফেডারেল বাজেটের অংশ ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। ২০১০ অর্থবছরে যা ছিল প্রায় ১০%, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬.৮% (৬৫ বিলিয়ন রুপি)-তে। মোতায়েনের হারও কম—২০২১-২২ সালে বরাদ্দের মাত্র ৪৮% ব্যবহার করা হয়েছে।<br />
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য:<br />
২০১৯-২০ সালে প্রদেশটির সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.৫% (জাতীয় গড় ৬২.৩%), যেখানে নারীদের সাক্ষরতার হার মাত্র ৪২%। একই বছরে শিশুমৃত্যুর হার (প্রতি ১,০০০ জীবিত জন্মে) ছিল ৭০, যা পাকিস্তানের সর্বোচ্চ।<br />
বেলুচিস্তান এবং বাংলাদেশ মিল-অমিল:<br />
সংযুক্তিগুলো থেকে পাওয়া প্রতিটি অভিযোগই ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) অভিজ্ঞতার প্রায় অবিকল প্রতিফলন। বেলুচিস্তান যেমন গ্যাস সরবরাহ করে, পূর্ব পাকিস্তান তেমনি পাট রপ্তানি করে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ যোগান দিত। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই উপার্জিত অর্থ কেন্দ্রে চলে যেত, অঞ্চলটির ভাগ্যে জুটত দারিদ্র্য ও অবহেলা। একইভাবে, জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা হরণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে বেলুচিস্তানের সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রতিধ্বনি।<br />
বেলুচিস্তানের বর্তমান সঙ্কট কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি পাকিস্তানের কেন্দ্রীকরণ ও শোষণমূলক রাষ্ট্রকাঠামোরই একটি পুনরাবৃত্তি, যা একসময় পাকিস্তানের পতন ডেকে এনেছিল। সময় ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে যে, বেলুচিস্তানে আপেক্ষিক বঞ্চনা ও বৈষম্য সময়ের সাথে কমেনি, বরং বেড়েছে।<br />
পাকিস্তান ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ।<br />
বেলুচিস্তানও স্বাধীন হবে।<br />
অভাব শুধু একজন মুজিবরের।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন, একে একে সারাদেশে পুড়ছে ‘জুলাই স্তম্ভ’</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a3%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a3%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 23:00:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110291</guid>

					<description><![CDATA[নারায়ণগঞ্জ নগরীর হাজীগঞ্জে অবস্থিত দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে আনুমানিক ভোর ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য সম্প্রতি স্মৃতিস্তম্ভটির চারপাশ কাপড়ে মোড়ানো হয়েছিল। দুর্বৃত্তরা দূর থেকে আগুনের দলা ছুড়ে মারলে সেই কাপড়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নারায়ণগঞ্জ নগরীর হাজীগঞ্জে অবস্থিত দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে আনুমানিক ভোর ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।</p>
<p>ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য সম্প্রতি স্মৃতিস্তম্ভটির চারপাশ কাপড়ে মোড়ানো হয়েছিল। দুর্বৃত্তরা দূর থেকে আগুনের দলা ছুড়ে মারলে সেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। তবে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিলেও তাদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তদন্ত শেষে জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।</p>
<p>দেশের প্রথম এই জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদ। সংগঠনটি এই ঘটনাকে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতির প্রতি অবমাননা হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে।</p>
<p>৩৬শে জুলাইয়ের বর্ষপূর্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে সারাদেশে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তোলা হয়।</p>
<p>১৪ই জুলাই, ২০২৫ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সিনিয়র সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ড. মো: মোখলেস উর রহমান, সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় মোঃ নজরুল ইসলাম, বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>
<p>উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে নেত্রকোনা ও নোয়াখালীতেও একই ধরনের ঘটনায় দুর্বৃত্তরা স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বিতর্কিত রাজনৈতিক স্লোগান দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। ধারাবাহিক এই ঘটনাগুলো দেশজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনাটি নিয়েও পুলিশ প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a3%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুফতি তাহেরী: কট খাওয়ার আগে রোমান্টিক, কট খেলে কয় বউ, আবার বট বাহিনীও আছে</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:58:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110288</guid>

					<description><![CDATA[কিশোরীকে স্ত্রী সাজিয়ে গুপ্তস্থানে সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘মেলামেশার’ একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন আলোচিত বক্তা মুফতি গিয়াসউদ্দিন আত তাহেরী। তিনি বলেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে সাতক্ষীরায় কী চলতাছে? মেয়ের বয়স ১৪, মেয়ের বাপের বয়স [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কিশোরীকে স্ত্রী সাজিয়ে গুপ্তস্থানে সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘মেলামেশার’ একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন আলোচিত বক্তা মুফতি গিয়াসউদ্দিন আত তাহেরী।</p>
<p>তিনি বলেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে সাতক্ষীরায় কী চলতাছে? মেয়ের বয়স ১৪, মেয়ের বাপের বয়স ৩৬ আর ওনার বয়স হলো ৭৪, না কত? কী হিসাব-নিকাশ। ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ। এগুলো বিকৃত মানসিকতা।</p>
<p>গতকাল ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর একটি ওয়াজ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>মাওলানা তাহেরী বলেন, এসব ঘটনা এআই বলে চালিয়ে দেওয়া বিকৃত যৌনাচার। আবার ধরা খাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে বলে চালিয়ে দেওয়া পাক্কা মিথ্যাচার। প্রশাসনকে বলব, সঠিক তদন্ত করেন। এই মিথ্যাবাদীদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে, এই মোনাফেকদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে। এদের মুখে ইসলাম আছে; কিন্তু অন্তরে ইসলাম নাই। এদের বট বহিনী আছে, হারামকে হালাল বলতে তারা বট বাহিনী লাগিয়ে দেয়।</p>
<p>তিনি বলেন, এই লোকটা দেখলাম নির্বাচনের সময় সাদা পর্দা লাগাইছে। একপাশে মেয়েরা আর একপাশে উনি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পর্দার কাছে যায় আর বলে —আপনারা ভালো করে চলবেন, পর্দা করবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জামায়াত এমপি নজরুলের কুশপুত্তলিকা দাহ ও থুথু নিক্ষেপ</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:57:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110285</guid>

					<description><![CDATA[সাতক্ষীরা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক কিশোরীর ঘনিষ্ঠ ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাগেরহাটের মোংলায় বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠন। এ সময় তারা গাজী নজরুল ইসলামের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন, থুথু নিক্ষেপ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করে। আজ ২২শে জুলাই, বুধবার দুপুর ১২টায় মোংলা পৌরসভার সামনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সাতক্ষীরা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক কিশোরীর ঘনিষ্ঠ ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাগেরহাটের মোংলায় বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠন। এ সময় তারা গাজী নজরুল ইসলামের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন, থুথু নিক্ষেপ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করে।</p>
<p>আজ ২২শে জুলাই, বুধবার দুপুর ১২টায় মোংলা পৌরসভার সামনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নারী ও পুরুষ নেতাকর্মীরা অংশ নেন। ‘সচেতন নাগরিক সমাজের’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।</p>
<p>প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন মোংলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নূর জনি এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আবুল কাশেমসহ স্থানীয় নেতারা।</p>
<p>মোংলা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল যে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিলেন সেটা বাংলার মানুষ দেখেছে। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুসলমান হিসেবে আমাদের ব্যক্তিত্বে লেগেছে। আমরা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।</p>
<p>এ সময় অপর বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী যেভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, তারা আজও সেই জঘন্য মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। ধর্মের নাম ব্যবহার করে তারা এখনো নারীদের ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>বক্তারা এসময় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান।</p>
<p>প্রতিবাদ সভা শেষে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ঘৃণাস্বরূপ জামায়াত নেতার কুশপুত্তলিকা দাহ এবং তাতে থুথু নিক্ষেপ করে ঘটনার প্রতিবাদ জানান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেনীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:55:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110282</guid>

					<description><![CDATA[ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর শহরে উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এ সময় আওয়ামী লীগের একটি পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। আজ ২২শে জুলাই, বুধবার দুপুরে পৌর শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তাজেল হোসেন হাওলাদার, পৌরসভার কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মোজাম্মেল হক বুলিসহ প্রশাসনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌর শহরে উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এ সময় আওয়ামী লীগের একটি পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।</p>
<p>আজ ২২শে জুলাই, বুধবার দুপুরে পৌর শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তাজেল হোসেন হাওলাদার, পৌরসভার কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মোজাম্মেল হক বুলিসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সরেজমিনে দেখা যায়, ছাগলনাইয়া বাজারের দুই পাশের সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন অস্থায়ী ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব অবৈধ দখলের কারণে প্রায়ই বাজার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ে। অনেককে বাধ্য হয়ে সড়ক ছেড়ে ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে হয়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।</p>
<p>জায়গা ইজারা নিয়ে গড়ে তোলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এসময় স্থানীয়দের অনেকেই জায়গাটি ‘ইজারা নেওয়া’ বলে আপত্তি তুললেও কোনো কথা কানে তোলেননি ওমর ফারুক। উল্টো তিনি ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছেন বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।</p>
<p>উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর ফারুক বলেন, ফুটপাত, সড়ক ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ দোকান ও স্থাপনা অপসারণে পৌর প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে। জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা, যানজট কমানো এবং শহরের সৌন্দর্য রক্ষার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না।</p>
<p>ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বলেন, ২০১০ সালে ওই জায়গা ইজারা নিয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৬ বছর এই কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে গায়ের জোরে উপজেলা প্রশাসনকে দিয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জাতিসংঘের প্রতিবেদন: বাংলাদেশে স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষের</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:54:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110279</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে প্রায় দুজন মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই। ২০২৫ সালে দেশের প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ এ সংকটে ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের পর বাংলাদেশে এ হার সবচেয়ে বেশি। গতকাল জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথভাবে প্রকাশ করা ‘দ্য স্টেট অব ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে প্রায় দুজন মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই। ২০২৫ সালে দেশের প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ এ সংকটে ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের পর বাংলাদেশে এ হার সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>গতকাল জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথভাবে প্রকাশ করা ‘দ্য স্টেট অব ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p>প্রতিবেদনটি সম্মিলিতভাবে তৈরি করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।</p>
<p>এতে দেখা গেছে, গত বছর পাকিস্তানে ৬৩ শতাংশ মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য ছিল না, যেখানে বাংলাদেশে এই হার ৩৮.৬ শতাংশ।</p>
<p>এ প্রতিবেদনে ‘হেলদি ডায়েট বাস্কেট’ বা স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা বলতে এমন খাবারকে বোঝানো হয়েছে, যা প্রতিদিন মাথাপিছু ২ হাজার ৩৩০ কিলোক্যালরি শক্তি সরবরাহ করে। এর মধ্যে শর্করা, প্রাণিজ আমিষ, শুঁটি জাতীয় উদ্ভিদ, বাদাম ও বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, তেল-চর্বি—এই ছয়টি খাদ্যগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্বজুড়ে ২০২৫ সালে প্রায় ২.৬৯ বিলিয়ন বা ৩২.৭ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার জোগাড় করতে পারেননি। এ সংকটের হার আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি (৬৬.৬ শতাংশ)। এরপরই এশিয়া (২৮.৯ শতাংশ) এবং ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের (২৫.৭ শতাংশ) অবস্থান।</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন বলেন, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা এখনো সাধ্যের বাইরে।</p>
<p>তার মতে, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, মাংস ও ফলের উচ্চমূল্যের কারণে মানুষ এগুলো সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করছে।</p>
<p>বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে স্থানীয় বাজারে দ্রুত দাম বাড়ে, কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে স্থানীয় বাজারে তা খুব ধীরগতিতে কমে। ফলে ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা বাড়লেও স্বাস্থ্যকর খাবার এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থেকে যাচ্ছে।</p>
<p>প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে একজন মানুষের প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর খাবার জোগাড়ের গড় খরচ ২০১৭ সালের ৩.০৯ ডলার পিপিপি (ক্রয়ক্ষমতার সমতা) থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৪.৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>এখানে ‘পিপিপি’ বা ক্রয়ক্ষমতার সমতা বলতে বোঝায়—যুক্তরাষ্ট্রে ৪.৫৯ ডলারে যে পরিমাণ পণ্য কেনা সম্ভব, বাংলাদেশে ঠিক সেই একই পরিমাণ পণ্য কিনতে প্রয়োজনীয় সমপরিমাণ স্থানীয় মুদ্রা বা টাকার হিসাব।</p>
<p>এ খরচের বড় অংশ ব্যয় হয় প্রাণিজ আমিষ, ফলমূল এবং শাকসবজি কিনতে। সেখানে শর্করাজাতীয় খাবারগুলোর পেছনে খরচ তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম।</p>
<p>দক্ষিণ এশিয়ায় স্বাস্থ্যকর খাবারের খরচের দিক থেকে ভুটান (৬.১৭ ডলার) এবং শ্রীলঙ্কার (৫.২১ ডলার) পর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।</p>
<p>অন্যদিকে পাকিস্তানে স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্যহীন মানুষের হার সবচেয়ে বেশি হলেও সেখানে এর খরচ এ অঞ্চলে সবচেয়ে কম (৩.৯৪ ডলার)।</p>
<p>স্বাস্থ্যকর খাবারের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে এটি কেনার সামর্থ্য আগের চেয়ে বেড়েছে। ২০১৭ সালে যেখানে ৬২.৮ শতাংশ বা ১০ কোটি ১৮ লাখ মানুষের পুষ্টিকর খাবার কেনার সামর্থ্য ছিল না, ২০২৫ সালে তা কমে ৩৮.৬ শতাংশ বা ৬ কোটি ৭৮ লাখে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে মানুষের খাদ্য ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ আয় খাবারের দামের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে।</p>
<p>বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যকর খাবারের গড় খরচ বেড়েছে। ২০১৭ সালে যেখানে এই খরচ ছিল ২.৯৪ ডলার এবং ২০২১ সালে ৩.৪৪ ডলার, তা ২০২৫ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৪.২৮ ডলারে। বিশেষ করে লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে এই খরচ ৪.৯১ ডলারে পৌঁছেছে।</p>
<p>তবে একই সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবার কিনতে না পারা মানুষের সংখ্যা ২.৯৭ বিলিয়ন (৩৭.৪%) থেকে কিছুটা কমে ২.৬৯ বিলিয়নে (৩২.৭%) নেমে এসেছে।</p>
<p>পুষ্টিকর খাবারকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে এ প্রতিবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পরিস্থিতি অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ বাড়ানো এবং খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ প্রক্রিয়ার খরচ কমিয়ে আনা।</p>
<p>এছাড়া পরিবহন ব্যবস্থা, সংরক্ষণাগার, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারসংক্রান্ত তথ্যব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাদ্যের অপচয় রোধ করার ওপরও প্রতিবেদনে জোর দেওয়া হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a7%a7%e0%a7%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%86%e0%a6%87/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a7%a7%e0%a7%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%86%e0%a6%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:53:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110276</guid>

					<description><![CDATA[গত ১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি-এইডস সংক্রমণের হার বেড়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। শুধু ২০২৪ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানেই এই ভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি করাচির এক হাসপাতালে শিশুদের দেহে ভাইরাসটি শনাক্তের ঘটনা নতুন করে দেশটির স্বাস্থ্যসেবার চরম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত ১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি-এইডস সংক্রমণের হার বেড়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। শুধু ২০২৪ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানেই এই ভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি করাচির এক হাসপাতালে শিশুদের দেহে ভাইরাসটি শনাক্তের ঘটনা নতুন করে দেশটির স্বাস্থ্যসেবার চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র সামনে এনেছে।</p>
<p>এইচআইভি সংক্রমণের নতুন কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের করাচির কুলসুম বাই বালিকা হাসপাতাল। গত সপ্তাহে এই হাসপাতালে অন্তত ১৩০ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশই শিশু।</p>
<p>চলতি ২০২৬ সালে কেবল সিন্ধু প্রদেশেই ৩২৯ শিশুর দেহে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p>ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার ত্রুটিই এই সংক্রমণের প্রধান কারণ।</p>
<p>বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, সরকারি হিসাবে যা দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা তার চেয়ে অন্তত চার গুণ বেশি।</p>
<p>সিন্ধু হেলথকেয়ার কমিশন বলছে, হাসপাতালগুলোতে সিরিঞ্জ ব্যবহারে অসতর্কতা এবং ব্যবহারের পর তা নষ্ট না করে পুনরায় ব্যবহারের কারণেই ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
<p>শুধু ২০২৪ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।</p>
<p>পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে লারকানা, জ্যাকবাবাদ, শিকারপুর ও তৌনসাসহ সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন বহু ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে আগামী দিনগুলোতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যখাত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a7%a7%e0%a7%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a6%86%e0%a6%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এনবিআরের মাঠপর্যায়ের তদারকি নিয়ে উদ্বেগ: ‘হয়রানি-দুর্নীতি বাড়ার শঙ্কা, সমাধান ডিজিটাল করব্যবস্থা’</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:52:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110273</guid>

					<description><![CDATA[কর ফাঁকি শনাক্তের নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে পরিদর্শন চালিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ডিজিটাল তথ্য জব্দের ক্ষমতা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এই উদ্যোগে রাজস্ব আদায়ের চেয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের দাবি, কর প্রশাসনকে আরও ক্ষমতাবান করার বদলে পুরো করব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কর ফাঁকি শনাক্তের নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে পরিদর্শন চালিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ডিজিটাল তথ্য জব্দের ক্ষমতা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।</p>
<p>তবে এই উদ্যোগে রাজস্ব আদায়ের চেয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের দাবি, কর প্রশাসনকে আরও ক্ষমতাবান করার বদলে পুরো করব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করা হলে কর ফাঁকি কমবে, একই সঙ্গে ঘুষ ও অনিয়মের সুযোগও সীমিত হবে।</p>
<p>এনবিআরের ঘোষণার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) বলেছে, আইন প্রয়োগের নামে কর-অনুগত (কমপ্লায়েন্ট) ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-অনুগত হতে পারেনি, তাদেরও প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দিয়ে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>গত ১৯শে জুলাই জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, উৎসে কর (টিডিএস) যথাযথভাবে আদায় হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতে কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কর্মকর্তারা হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদসহ আর্থিক কার্যক্রম-সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা ও তলব করতে পারবেন।</p>
<p>পাশাপাশি কম্পিউটার, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড কিংবা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্যও পরীক্ষা করা যাবে। প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভেঙে তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতাও থাকবে।</p>
<p>উৎসে কর কর্তনের তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করে নিজস্ব হেফাজতে রাখা এবং প্রয়োজনীয় নথি বা তথ্যের অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন কর্মকর্তারা।</p>
<p>পরিদর্শনে বাধা দিলে আয়কর আইনের ১৪৭(২) ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।</p>
<p>চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্য থেকেই এনবিআর এ উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টো ফল হতে পারে।</p>
<p>তিনি বলেন, “কর্মকর্তারা যদি কম্পিউটার বা হিসাবের খাতা জব্দ করেন, তাহলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। এতে ব্যবসা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে ঘুষ ও দুর্নীতির সুযোগও বাড়তে পারে।”</p>
<p>রাজস্ব আদায় বাড়াতে করব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন এবং এনবিআরের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামের একজন শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক বলেন, “আইন মেনে চলা প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের অভিযানে হয়রানির শিকার হতে পারে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ যত বাড়বে, ঘুষের ঝুঁকিও তত বাড়বে।”</p>
<p>এনবিআরের ঘোষণার পরদিন দেওয়া বিবৃতিতে ডিসিসিআই বলেছে, আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কর-অনুগত প্রতিষ্ঠানগুলো যেন অযথা হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-অনুগত নয়, তাদেরও প্রয়োজনীয় সময় দিয়ে নিয়মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।</p>
<p>ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কোনো ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। আয়কর আইনে আগে থেকেই যেসব ক্ষমতা রয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে শুধু সেগুলো স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, “অতীতে অনেক ক্ষেত্রে পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তারা অসহযোগিতার মুখে পড়েছেন। এবার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অনেক বড়। আয়করের সবচেয়ে বড় অংশ আসে উৎসে কর থেকে। সেখানে যেন কোনো ফাঁকি না থাকে, সে জন্য মাঠপর্যায়ের তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।”</p>
<p>চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের আদায়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি। এই উচ্চ লক্ষ্য পূরণে অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আহরণ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।</p>
<p>এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন কার্যক্রম অনেকটাই কমে যায়। কয়েকটি ঘটনায় অভিযানে গিয়ে কর্মকর্তারা হামলারও শিকার হন।</p>
<p>নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর মাঠপর্যায়ের নজরদারি ও তদারকি বাড়ানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সাম্প্রতিক এই ঘোষণা তারই অংশ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন বন্দোবস্তের এই লজ্জা রাখি কোথায়?— জামায়াত-এনসিপিকে ধুয়ে দিলেন রাশেদ</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:51:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/?p=110270</guid>

					<description><![CDATA[গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ ও রেগুলার ফোন নম্বরে একযোগে এই সাইবার হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই। এ ঘটনার পেছনে সরাসরি জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ও কড়া সমালোচনা করেছেন এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ ও রেগুলার ফোন নম্বরে একযোগে এই সাইবার হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই।</p>
<p>এ ঘটনার পেছনে সরাসরি জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ও কড়া সমালোচনা করেছেন এই তরুণ রাজনৈতিক নেতা।</p>
<p>আজ ২২শে জুলাই, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টা এবং একই দিন সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পৃথক দুটি পোস্টে সাইবার হামলার অভিজ্ঞতা এবং জামায়াত-এনসিপির রাজনৈতিক নীতি-নৈতিকতা নিয়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।</p>
<p>ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, “আমার WhatsApp ও রেগুলার নাম্বারে একযোগে সাইবার অ্যাটাক শুরু করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। দল থেকে একজন এমপিকে হারিয়ে তারা বেপরোয়া আচরণ করতে শুরু করেছে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করি। একটা দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা এমন নৈতিকতা বিবর্জিত হয় কিভাবে?”</p>
<p>অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি জামায়াতের মধ্যকার কিছু বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও তাদের এক সংসদ সদস্যের (এমপি) পদ হারানো বা বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে কথা বলার পর থেকেই রাশেদ খানের ওপর এই অনলাইন আগ্রাসন শুরু হয়।</p>
<p>এর আগে একই দিন সকালে দেওয়া আরেকটি দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খান বর্তমান রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, জামায়াত এবং নতুন গঠিত দল এনসিপির তীব্র সমালোচনা করেন।</p>
<p>তিনি লেখেন, রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা একযোগে তাকে ঘায়েল করতে উঠেপড়ে লেগেছিল। তারা ভেবেছিল বিষোদগার করে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া যাবে, কিন্তু পরিস্থিতি এখন উল্টে গেছে।</p>
<p>জামায়াত ও তরুণদের দল এনসিপির আঁতাত নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান লেখেন, এনসিপির মতো তরুণ দলের নেতারা জামায়াতের বিতর্কিত এমপির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। বিতর্কিত এমপিকে দল থেকে না সরালে জামায়াতের জনসম্মুখে মুখ দেখানো কঠিন হবে। তবে এমপি পদ হারানোর ভয়ে জামায়াত “লোকদেখানো শোকজ নোটিশ” দিয়ে ‘আইওয়াশ’ করার চেষ্টা করতে পারে।</p>
<p>তড়িঘড়ি করে বড় হতে গিয়ে জামায়াত এখন চরমভাবে আদর্শচ্যুত। ফলে একের পর এক এক্সক্লুসিভ বিতর্ক তৈরি হচ্ছে এবং দলটির সামনে এখন কেবলই “লস আর লোকসান”।</p>
<p>বক্তব্যের শেষ দিকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রাশেদ খান লেখেন, “ওরা ১১ জন মিলে বিএনপিকে ওয়াশ আউট করতে এসে এখন তো সব দেউলিয়া হয়ে মাঠ ছাড়ছে!”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>