<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="no"?><rss xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" version="2.0">

<channel>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="https://donetbd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml"/>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<description>সব খবর সবার আগে</description>
	<lastBuildDate>Tue, 13 Oct 2026 23:35:02 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://donetbd.com/wp-content/uploads/2023/01/Untitled-1.png</url>
	<title>ডোনেট বাংলাদেশ</title>
	<link>https://donetbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<itunes:explicit>no</itunes:explicit><itunes:subtitle>সব খবর সবার আগে</itunes:subtitle><itunes:category text="News &amp; Politics"/><item>
		<title>মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান, ১৯৯ বাংলাদেশিসহ আটক ৬৩০</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%a7/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:35:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%a7/</guid>

					<description><![CDATA[মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের কুলিমের পাদাং মেহায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ৬৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯৯ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া ৩৯৬ জন চীনা নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটক করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নির্মাণাধীন ওই স্থাপনায় ‘অপস মেগা’ নামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঙ্গলবার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের কুলিমের পাদাং মেহায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ৬৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।</p>
<p>আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯৯ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া ৩৯৬ জন চীনা নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটক করা হয়েছে।</p>
<p>সোমবার বেলা ১১টার দিকে নির্মাণাধীন ওই স্থাপনায় ‘অপস মেগা’ নামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p>
<p>মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ কেদাহ রাজ্য শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিবাসন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার তথ্য এবং গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে অভিবাসন বিভাগের বিভিন্ন শাখার মোট ১৫৯ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আইন প্রয়োগ শাখা, গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখা, বিশেষ কৌশলগত দল এবং কেদাহ, পারলিস, পেরাক, কুয়ালালামপুর ও নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের কর্মকর্তারা ছিলেন।</p>
<p>অভিযান চলাকালে মোট ৬৯৭ জন বিদেশি ও মালয়েশীয় নাগরিকের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সি ৬৩০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬২২ জন পুরুষ ও আটজন নারী।</p>
<p>জাতীয়তাভিত্তিক হিসাবে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চীনের ৩৯৬ জন (৩৯১ পুরুষ ও পাঁচ নারী); বাংলাদেশের ১৯৯ জন (১৯৮ পুরুষ ও একজন নারী); পাকিস্তানের ১০ জন পুরুষ; মিয়ানমারের সাতজন পুরুষ; ভারতের পাঁচজন পুরুষ; ঘানার চারজন পুরুষ; নাইজেরিয়ার তিনজন পুরুষ; কেনিয়ার দুজন পুরুষ; ইন্দোনেশিয়ার দুজন নারী; নিউজিল্যান্ডের একজন পুরুষ এবং সেনেগালের একজন পুরুষ রয়েছেন।</p>
<p>আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইনের আওতায় বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সাক্ষীদের সহায়তা নিতে ছয়টি সমনও জারি করা হয়েছে।</p>
<p>অভিযান চলাকালে কয়েকজন আটক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের কেউ কেউ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে লুকিয়ে পড়েন, এমনকি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদেও উঠে যান। এ সময় একদল আটক ব্যক্তির উসকানিমূলক আচরণে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্মকর্তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হয়।</p>
<p>মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ নিয়োগকর্তা, প্রধান ঠিকাদার ও উপঠিকাদারদের সতর্ক করে বলেছে, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের বৈধ ভ্রমণ নথি এবং অনুমোদিত পাশ বা ওয়ার্ক পারমিট থাকা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অভিবাসন বিভাগের নির্ধারিত সব শর্ত মেনে চলতে হবে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশটির অভিবাসন আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:33:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় তিনি চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়েন। এরপর হাসপাতালে তিনি ভর্তি হন। এর আগে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় তিনি চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়েন। এরপর হাসপাতালে তিনি ভর্তি হন। এর আগে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। উপাচার্য ভবনের নিচতলায় জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘একজন সম্মানিত শিক্ষক আমাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন, চিকিৎসার জন্য বলেছেন। তাকে আমরা নিয়ে যেতে এসেছি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।’ এ সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব বলেন, ‘এখানে চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন। আমরা জানতে চাই-আপনারা কখন আমাদের নিরাপত্তার জন্য থাকবেন? আপনারা কি শুধু সেই ভিসিকে বের করে নিয়ে যেতে এসেছেন, যিনি বহিষ্কৃত সন্ত্রাসীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। এ ক্যাম্পাস থেকে তিনি যেতে পারবেন একটা শর্তে, তা হলো-তিনি আর কখনো এ ক্যাম্পাসে আসবেন না।’</p>
<p>শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জন উপাচার্য ভবনে প্রবেশ করেন। এরপর কড়া পুলিশি পাহারায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম এবং তার সঙ্গে আটকে পড়া ছাত্রদল নেতাদের বের করে আনা হয়। সবাইকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।</p>
<p>এ সময় গণমাধ্যমকে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘উপাচার্য এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী ছিলেন। শিক্ষার্থীরাও বুঝেছেন, তারা ম্যাচিউরড। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে উপাচার্যের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এজন্য এখানে আমরা এসেছি। শিক্ষার্থীরাও আলোচনার পর পরিস্থিতি বুঝেছেন। কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই আমরা তাকে (উপাচার্য) নিয়ে গেলাম। আমরা আগে চিকিৎসা দিই, সুস্থ হোক। পরেরটা পরে সরকারকে আমরা জানাব।’</p>
<p>এর আগে সোমবার সকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যকে ক্যাম্পাস ছাড়তে সময় বেঁধে দেন। এরপর কার্যালয়ের গেটে তালা লাগিয়ে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় উপাচার্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপাচার্য জানান, ‘কাল রাত ২টায় পুলিশের মাধ্যমে খাবার এসেছিল, সেটাই আমরা খেয়েছিলাম। এখানে আমার প্রচণ্ড মাথাব্যথা হচ্ছে। রাতে ঘুমাইনি। এরকম অনেকেরই অনেক সমস্যা হচ্ছে।’ এদিকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপাচার্য অসুস্থ হয়ে পড়লে চুয়েটের চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসক দলকে ভবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। উপাচার্যের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন চুয়েটের চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসক ডা. মো. সাহাবউদ্দিন এবং রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. টিবলু কান্তি দে। জানা যায়, শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে ঢাকায় অবস্থানরত চুয়েটের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন। এছাড়া চুয়েটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা বিবৃতি দিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাগরে বসানো লাইটিং সিস্টেমে হানা</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:33:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/</guid>

					<description><![CDATA[আগামী মাসেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে চালু হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। উদ্বোধনের প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন। আন্তর্জাতিক বেসামরকি বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট হতে যাচ্ছে ২৬ অক্টোবর। ভাবমূর্তির জন্য এই ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রানওয়ের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার ভেতরে-বাইরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সমুদ্রের লোনাপানি পর্যন্ত সম্প্রসারিত রানওয়েতে বসানো কোটি টাকা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী মাসেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে চালু হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। উদ্বোধনের প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন। আন্তর্জাতিক বেসামরকি বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট হতে যাচ্ছে ২৬ অক্টোবর। ভাবমূর্তির জন্য এই ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রানওয়ের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার ভেতরে-বাইরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সমুদ্রের লোনাপানি পর্যন্ত সম্প্রসারিত রানওয়েতে বসানো কোটি টাকা মূল্যের ‘ক্যাটাগরি-২ প্রিসিশন অ্যাপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম’র বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। এর আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে উদ্বোধনের আগের মাসে এবং অডিটের ২ সপ্তাহ আগে চুরির ঘটনা নিয়ে বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়া ছাড়াও কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) বৈঠকেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
<p>এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম  বলেন, কেপিআই এলাকায় এ ধরনের যন্ত্রাংশ বা তার চুরির ঘটনা চরম নিরাপত্তাঘাটতির বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে আইকাওর অডিট যখন দোরগোড়ায়, তখন এ ঘটনা দেশের এভিয়েশন খাতের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলতে পারে। সমুদ্রবক্ষের এই স্পর্শকাতর নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নেই। দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং অডিটে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। জানতে চাইলে, বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল  বলেন, এনসিএএসসির সভায় এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের সমুদ্রবক্ষে স্থাপিত লাইটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের স্পর্শকাতর স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।</p>
<p>জানা গেছে, ৭ অক্টোবর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে এনসিএএসসির ১৪তম সভায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের সমুদ্রে স্থাপিত লাইটিং সিস্টেমের বৈদ্যুতিক তার ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বারবার চুরির বিষয়টি আলোচনায় উঠে। সভায় জানানো হয়, বিমানবন্দরের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালকের কাছ থেকে প্রায়ই এ ধরনের চুরির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রানওয়ের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই লাইটিং সিস্টেমের মূল্যবান বৈদ্যুতিক তার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের নথিতেও কক্সবাজার বিমানবন্দরের লাইটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে।</p>
<p>জানা গেছে, বিমানবন্দরের রানওয়ে সমুদ্রের দিকে সম্প্রসারণের ফলে উড়োজাহাজ চলাচলের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার গুরুত্বও বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে কম দৃশ্যমানতা, কুয়াশা কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় উড়োজাহাজের নিরাপদ অবতরণে অ্যাপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ব্যবস্থার বৈদ্যুতিক সংযোগ বা সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম চুরি কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হলে উড়োজাহাজের অবতরণে পরিচালনাগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে স্পর্শকাতর এই অবকাঠামোয় বারবার চুরির ঘটনা বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের সুরক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে বেবিচকের সুপারিশের ভিত্তিতে পর্যটন মন্ত্রণালয় যোগাযোগ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। চিঠিতে নৌপুলিশের মাধ্যমে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।</p>
<p>বেবিচকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, সমুদ্রে বিস্তৃত এলাকায় স্থাপিত লাইটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা স্থলভাগের কোনো স্থাপনা পাহারা দেওয়ার কাজটি সহজ নয়। সেখানে সমুদ্রপথে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা, নজরদারি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় টহল পরিচালনার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হয়। তবে এসব চ্যালেঞ্জ আগে থেকেই বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পালটে গেছে বিদ্যুতের হিসাব</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:32:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/</guid>

					<description><![CDATA[দেশে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা। অপরিকল্পিতভাবে বেড়ে যাওয়া এসব রিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন দিনের চেয়ে মধ্যরাতেই চাহিদা বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এ রিকশাগুলোই মধ্যরাতে গিলে খাচ্ছে (চার্জে) ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এতে বাধ্য হয়ে সরকারকে উচ্চমূল্যের তেলের বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে হচ্ছে। অন্যদিকে গ্যাস সংকট ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা। অপরিকল্পিতভাবে বেড়ে যাওয়া এসব রিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন দিনের চেয়ে মধ্যরাতেই চাহিদা বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এ রিকশাগুলোই মধ্যরাতে গিলে খাচ্ছে (চার্জে) ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এতে বাধ্য হয়ে সরকারকে উচ্চমূল্যের তেলের বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে হচ্ছে।</p>
<p>অন্যদিকে গ্যাস সংকট ও এলপিজির উচ্চমূল্যের কারণে বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক চুলার ব্যবহারও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। দেশে বর্তমানে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহৃত হচ্ছে। এ কারণে দিনে নতুন করে আরও প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে, যা বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।</p>
<p>বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শনিবার বলেন, বৈদ্যুতিক চুলা নয়, সরকারের মূল চিন্তার বিষয় ব্যাটারিচালিত রিকশা। কাগজে-কলমে ‘পিক’ ও ‘অফ-পিক’ শব্দ থাকলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। মধ্যরাতে এখন দিনের চেয়ে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকছে। তিনি বলেন, দেশে কত ব্যাটারিচালিত রিকশা আছে, এর হিসাব কারও কাছে নেই। তবে মধ্যরাতে বিদ্যুতের চাহিদা দেড় থেকে ২ হাজার মেগাওয়াট কম থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা থাকছে না।</p>
<p>পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রাত ১টায় (অফ-পিক) বিদ্যুতের চাহিদা দিনের সর্বোচ্চ চাহিদাকে (পিক) ছাড়িয়ে যাচ্ছে। মধ্যরাতে বিদ্যুতের চাহিদা না কমায় বাধ্য হয়ে সরকারকে উচ্চমূল্যের জ্বালানি তেলের (প্রতি ইউনিট ২৫ টাকার বেশি) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু রাখতে হচ্ছে। পিডিবি, ডেসকো ও ডিপিডিসির হিসাব অনুযায়ী, মধ্যরাতে কেবল ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দিতে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়।</p>
<p>দেশে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা কত : দেশে ঠিক কত ব্যাটারিচালিত রিকশা আছে, তার সুনির্দিষ্ট কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহণ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান গত সপ্তাহে  জানান, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে; যার অন্তত ২০ থেকে ২৫ লাখ শুধু ঢাকায়ই চলাচল করে। তিনি বলেন, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। তাই এখন ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানোকে অনেকে পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছেন।</p>
<p>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সেবাস্তিয়ান গ্রোহের গবেষণায়ও দেশে প্রায় ৬০ লাখ রিকশা থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে। সম্প্রতি এক সেমিনারে তিনি বলেন, দৈনিক ৩/৪ হাজার নতুন রিকশা রাস্তায় নামছে। দেশীয় ব্যাটারি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স ব্যাটারিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইমরান করিমের মতে, বর্তমানে বাজারে ৫০ লাখের বেশি রিকশা চালু আছে এবং প্রতি মাসে অন্তত ৫ লাখ নতুন ব্যাটারি বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p>২৭ সেপ্টেম্বর উত্তরখানে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত রিকশা ছাড়া সেখানে তেমন কোনো যানবাহন নেই। এ এলাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার একটি গ্যারেজ হোসনে আরা এন্টারপ্রাইজ। এর মালিক মোহাম্মদ দাউদ  জানান, শুধু উত্তরখানে বৈধ গ্যারেজ আছে ১৪৭টির বেশি। এর বাইরে অবৈধ কত গ্যারেজ আছে, তার কোনো হিসাব নেই।</p>
<p>রাজধানীর কাওরান বাজারের রিকশার পাইকারি বিক্রেতা আল আমিন ট্রেডার্সের মালিক মোহাম্মদ লিয়াকত শুক্রবার  বলেন, এক বছর আগেও তিনি দৈনিক ১০/১৫টি রিকশা বিক্রি করতেন। তার মতো ঢাকায় হাজারের মতো দোকান আছে। এখন দৈনিক একটির বেশি বিক্রি হয় না।</p>
<p>বৈদ্যুতিক চুলার কারণে বাড়তি চাপ : গ্যাস-সংকট ও এলপিজির উচ্চমূল্যের কারণে বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক চুলার (ইনডাকশন ও ইনফ্রারেড) ব্যবহার অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। দেশীয় কোম্পানিগুলোর তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p>ওয়ালটনের হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিভাগের ম্যানেজার মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান শনিবার বলেন, ২০২৪ সালের আগে মাসে গড়ে ১০ হাজার চুলা বিক্রি হলেও গত আগস্টে তা ৪ লাখে গিয়ে ঠেকেছিল। একটি দেশীয় বৈদ্যুতিক চুলা কোম্পানির হিসাবে, বৈদুতিক চুলা ব্যবহার করলে দিনে ২ থেকে ৩ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হতে পারে।</p>
<p>পিডিবির সদস্য জহুরুল ইসলামের মতে, এসব চুলার কারণে দিনে নতুন করে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হয়েছে, যা কয়েক বছর আগে ছিল না।</p>
<p>লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে আশার আলো : সংকটের মধ্যেও নতুন সম্ভাবনা দেখছে সবুজ জ্বালানি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘সোলশেয়ার’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (বিজনেস) ইসা আবরার আহমেদ জানান, বর্তমানে দেশের ৯৫ শতাংশ রিকশায় ‘লিড-অ্যাসিড’ ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পরিবর্তে আধুনিক ‘লিথিয়াম-আয়ন’ ব্যাটারি ব্যবহার করা গেলে প্রতিদিন ১৩ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।</p>
<p>সোলশেয়ারের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পে দেখা গেছে, সারা দিন রিকশা চালানোর পরও লিথিয়াম ব্যাটারিতে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ মজুত থাকে। এই চার্জ দিয়ে রাত ১২টার আগে উলটো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়। রাজধানীর উত্তরখানের হোসনে আরা এন্টারপ্রাইজ নামের গ্যারেজ ইতোমধ্যে ‘নেট মিটারিং’ সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের ব্যাটারি থেকে ১ হাজার ৭২ ইউনিট বিদ্যুৎ ডেসকোর লাইনে যুক্ত করে সফলতার প্রমাণ দিয়েছে।</p>
<p>গ্যারেজের মালিক মোহাম্মদ দাউদ  বলেন, লিড অ্যাসিডের ব্যাটারিতে দিনে ১৩০-১৩৫ টাকার আর লিথিয়াম ব্যাটারিতে ৮০-৮৫ টাকার চার্জ লাগে। লিথিয়াম ব্যাটারি তিন বছর চলে। লিড ব্যাটারি এক বছরের কম চলে। হোসনে আরা এন্টারপ্রাইজে পরীক্ষামূলকভাবে ১৮ কিলোওয়াটের একটি সোলার প্যানেলও বসানো হয়। ওই প্যানেল দিয়ে দিনে তিনটি রিকশার লিথিয়াম ব্যাটারির চার্জ দেওয়া যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বিদ্যুৎ খাতের এই চ্যালেঞ্জকে বড় সম্ভাবনায় রূপ দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>সোলশেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেবাস্তিয়ান গ্রোহের  বলেছেন, আমাদের দেশের ৬০ লাখ ইলেকট্রিক রিকশাকে আমরা চাইলেই একটি স্মার্ট, লিথিয়ামচালিত ‘ভার্চুয়াল পাওয়ার প্ল্যান্টে’ বদলে ফেলতে পারি এমন সব ব্যাটারি দিয়ে, যা গ্রিডের সঙ্গেও কানেক্ট করা যাবে, আবার দেশেই রিসাইকেল করা যাবে। এই কাজটি যদি আমরা বড় পরিসরে করতে পারি, তাহলে বছরে আমাদের প্রায় ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বাঁচবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রবৃদ্ধি আরও কমবে বাড়বে মূল্যস্ফীতি</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:31:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%ac/</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে দুঃসংবাদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। একই সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই পূর্বাভাস সত্যি হলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আরও দুর্বল হবে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যসহ বাড়বে মানুষের সামগ্রিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে দুঃসংবাদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। একই সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই পূর্বাভাস সত্যি হলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আরও দুর্বল হবে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যসহ বাড়বে মানুষের সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়। এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বেড়ে যাবে। অপর দিকে প্রবৃদ্ধির গতি কম থাকলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এই পূর্বাভাস নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ পরিস্থিতির উন্নয়নে দাতাদের সহায়তা চায় বাংলাদেশ।</p>
<p>মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফের সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা উপলক্ষ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির এ চিত্র উঠে আসে। এদিন আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বৈশ্বিক অর্থনীতি নানা ধাক্কা সামলে টিকে থাকলেও সব দেশ সমানভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারছে না। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলো বেশি চাপে রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে মেটাতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বাড়ে। এতে ডলারের চাহিদা, বিদ্যুৎ ও পরিবহণ ব্যয় এবং উৎপাদন খরচের ওপর চাপ তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে পণ্য ও সেবায়। যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।</p>
<p>প্রতিবেদন প্রকাশের পর অনুষ্ঠানস্থলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অর্থমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য কোনো সংস্থার পূর্বাভাসকে বিতর্কিত করতে চায় না সরকার। সংস্থাগুলো নিজ নিজ হিসাব ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পূর্বাভাস দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক দেখে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা যাবে। তিনি বলেন, আইএমএফ তাদের মতো করে হিসাব দিয়েছে। আমরা আমাদের কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে যে সহযোগিতা দরকার, সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এটাই মূল কথা।</p>
<p>চলতি বছরের এপ্রিলে আইএমএফ পূর্বাভাসে বলেছিল, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তিন মাস পর জুলাইয়ে তা কমিয়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশের কথা বলেছিল। এবার তা আরও কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশের কথা বলছে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের পূর্বাভাসও কমেছে। বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) পূর্বাভাস দিয়েছে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির। তুলনামূলকভাবে আইএমএফের পূর্বাভাস সবচেয়ে কম। এতে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কর্মসূচি এগিয়ে নিতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আইএমএফের নির্বাহী পরিচালক উরজিত প্যাটেল এবং বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনা বিয়ার্দের সঙ্গে বৈঠক করেন। বার্ষিক সভায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।</p>
<p>বিশ্ব অর্থনীতিতেও অনিশ্চয়তা : আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিকূলতার মধ্যেও বিশ্ব অর্থনীতি সহনশীলতা বজায় রেখেছে। তবে সেই সক্ষমতা ধরে রাখার ব্যয় বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়লে উৎপাদন ব্যয়, পরিবহণ খরচ এবং মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেদনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সম্ভাব্য ইতিবাচক উপাদান হিসেবে দেখা হয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও তীব্র হলে এবং এআই খাতে বিনিয়োগ নিয়ে অতিরিক্ত প্রত্যাশার সংশোধন ঘটলে অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি অর্থব্যবস্থার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে আইএমএফ।</p>
<p>বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ : বাংলাদেশের জন্য এখন বড় হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানো। প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতি উঁচুতে থাকার পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিলে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার আরও কঠিন হতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য নিয়েও উদ্বেগের ইঙ্গিত রয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের চলতি হিসাবের ভারসাম্য ছিল জিডিপির প্রায় শূন্য শতাংশ। ২০২৬ সালে তা ঘাটতিতে পড়ে জিডিপির শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে। ২০২৭ সালে ঘাটতি বেড়ে ২ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়ানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সরকার কীভাবে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেবে, সে বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। সংস্থাটির মতে, সবার জন্য ব্যাপক ভর্তুকি দেওয়ার পরিবর্তে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সাময়িক ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়া বেশি কার্যকর। প্রতিবেদনে বলা হয়, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেলে বাজারদর কৃত্রিমভাবে কমিয়ে রাখার ব্যবস্থা নিতে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তার তুলনায় তিন থেকে ২২ গুণ পর্যন্ত বেশি সরকারি অর্থ ব্যয় হতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ পরামর্শের গুরুত্ব রয়েছে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি নির্ধারণের সময়ও প্রতিটি দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সরকারের নীতির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত : বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের নীতির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মসূচি ও নীতির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক পুরোপুরি একমত। এ বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত।</p>
<p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্যে ছিল। আগের সময়ের বিভিন্ন দায়দায়িত্বের বোঝা বহন করতে হচ্ছে সরকারকে। এর সঙ্গে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও রয়েছে। এসব বিষয় বিশ্বব্যাংক অনুধাবন করছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার যেসব নীতি গ্রহণ করেছে, সেগুলোর সঙ্গে সংস্থাটি একমত। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী। আমরা যে নীতি গ্রহণ করেছি তার সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত। এ বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত খবরের প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থনৈতিক নীতি, কর্মসূচি ও মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের অবস্থানের সামঞ্জস্য রয়েছে। কীভাবে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের কাঠামো নিয়েও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফাঁকা শাহজালালের বহির্গমন টার্মিনাল</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:29:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae/</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একের পর এক ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মঙ্গলবার সাধারণত যাত্রী ও স্বজনদের ভিড়ে মুখর থাকা টার্মিনালে দেখা গেছে একেবারে ভিন্ন চিত্র। যাত্রীদের আনাগোনা কম থাকায় অনেকটা ফাঁকা ছিল বহির্গমন এলাকা। এদিকে সৌদির বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একের পর এক ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মঙ্গলবার সাধারণত যাত্রী ও স্বজনদের ভিড়ে মুখর থাকা টার্মিনালে দেখা গেছে একেবারে ভিন্ন চিত্র। যাত্রীদের আনাগোনা কম থাকায় অনেকটা ফাঁকা ছিল বহির্গমন এলাকা। এদিকে সৌদির বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম সীমিত থাকায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ৮২টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এতে দুশ্চিন্তাসহ ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৩ হাজার ৭১ জন যাত্রী।</p>
<p>মঙ্গলবার সরেজমিন বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, অন্যদিনের তুলনায় যাত্রী উপস্থিতি অনেক কম। ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় বিমানবন্দরে এসে অনেকে ফিরেও গেছেন। রোববার ও সোমবারও অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে যান। শ্রীলংকাগামী হাবিবুর রহমান বলেন, এর আগে তিনি ভারত, মালয়েশিয়া ও নেপাল ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু বিমানবন্দরের এমন দৃশ্য কখনো দেখেননি। তিনি বলেন, ‘আগে যাত্রী ও স্বজনদের ভিড় ঠেলে লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু আজ বিমানবন্দর প্রায় ফাঁকা। সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রী উপস্থিতি কমে গেছে।’ কাতারগামী সোহেল মাহমুদ বলেন, বিমানবন্দরে চিরচেনা দৃশ্য আজ নেই। সাধারণত পুরো টার্মিনাল যাত্রীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু মঙ্গলবার সেই চিত্র দেখা যায়নি।</p>
<p>বিমানবন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়। বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় ঢাকা থেকে সৌদিগামী সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি সৌদি আরব হয়ে পরিচালিত ট্রানজিট ফ্লাইটেও এর প্রভাব পড়ে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ঢাকা থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সরাসরি ও ট্রানজিট রুট মিলিয়ে মোট ৮২টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৩২টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৫০টি। এতে দুশ্চিন্তার পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৩ হাজার ৭১ জন যাত্রী। স্থগিত হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে। এ ছাড়া ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, সালামএয়ারের চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ট্রানজিট ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।</p>
<p>এদিকে যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সও ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদগামী সব ফ্লাইট বাতিল করেছে।</p>
<p>ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের যাত্রা পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের পাশাপাশি সৌদি আরবের বিমানবন্দর ব্যবহার করে অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করা যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। পরিস্থিতির কারণে বিমানবন্দরে যাত্রী উপস্থিতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি ফ্লাইটের সর্বশেষ তথ্য জানতে এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের প্রবণতাও বেড়েছে।</p>
<p>সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ও সৌদি হয়ে ট্রানজিট ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্সগুলোকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব বা সময়সূচি পরিবর্তনের তথ্য দ্রুত যাত্রীদের জানানো এবং ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। সোমবার রাতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোকে চিঠি দিয়ে এসব নির্দেশনা দেন।</p>
<p>নির্দেশনা অনুযায়ী, ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল বা সময়সূচিতে পরিবর্তন হলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের এসএমএস, ফোনকল, ই-মেইল, ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জানাতে হবে। একই সঙ্গে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা, পরিবর্তিত যাত্রার সময়, পুনরায় টিকিট বুকিং, অর্থ ফেরত এবং অন্যান্য প্রযোজ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। ফ্লাইটের বিষয়টি নিশ্চিত না হয়ে যাত্রীদের বিমানবন্দরে না আসার পরামর্শ দিতেও বলা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা অভিবাসনসংক্রান্ত সহায়তার প্রয়োজন হলে এয়ারলাইন্সগুলোকে সৌদি কর্তৃপক্ষ, ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। ফ্লাইটের পরিবর্তন সম্পর্কে অবগত না থাকায় যেসব যাত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন, তাদেরও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বসার ব্যবস্থা, পানীয় জল, নাশতা, খাবারসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা দিতে হবে। বিশেষ করে প্রবীণ, শিশু, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রীদের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্নের বিষয়ে দ্রুত সমন্বয় নিশ্চিত করতে প্রতিটি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে একজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা দ্রুত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা বিভাগকে জানাতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। যাত্রীদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাজ করেনি সতর্কবার্তা সৌদিতে নতুন হামলা</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8c/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8c/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:28:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8c/</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গত শনিবার সংঘটিত সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহতম হামলার আগে সতর্কতাসংকেত কাজ করেনি। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটেছিল-তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। ওই হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হন। আহত হয়েছিলেন তিন শতাধিক। এ অবস্থায় রিয়াদে বিমানবন্দরে চতুর্থ দফা হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। পাশাপাশি দেশটিতে হুথির সঙ্গে তীব্র লড়াই চালিয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গত শনিবার সংঘটিত সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহতম হামলার আগে সতর্কতাসংকেত কাজ করেনি। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটেছিল-তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। ওই হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হন। আহত হয়েছিলেন তিন শতাধিক। এ অবস্থায় রিয়াদে বিমানবন্দরে চতুর্থ দফা হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। পাশাপাশি দেশটিতে হুথির সঙ্গে তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী। মঙ্গলবার তারা রাজধানী সানার একাংশ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরার নির্দেশনা দিয়েছে।</p>
<p>সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রিয়াদ বিমানবন্দরে চার দফা হামলার আগে জনসাধারণের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি। সতর্কবার্তা বন্ধ রাখার পেছনে কী কারণ ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের মানুষের কাছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাভাবিক পরিস্থিতির ভাবমূর্তি ধরে রাখার চেষ্টা এর একটি কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারঘনিষ্ঠ সৌদি বিশ্লেষক আলি শিহাবি বলেন, আগাম সতর্কবার্তা থাকুক বা না থাকুক, সৌদি আরবের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা করা কঠিন। দেশটির আয়তন অনেক বড়। তিনি বলেন, সৌদি আরবে রক্ষা করার মতো স্থাপনার সংখ্যা অনেক। রয়েছে বিমানবন্দর, তেলের পাইপলাইন ও জ্বালানি স্থাপনা। একই সময়ে সব স্থানে পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার মতো ব্যবস্থা নেই। সব লক্ষ্যবস্তু রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিও নেই।</p>
<p>টানা তৃতীয় দিনেও অব্যাহত হামলা</p>
<p>টানা তৃতীয় দিনেও সৌদিতে অব্যাহত ছিল হুথিদের হামলা। রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট। সোমবার রাতে রিয়াদের বাসিন্দারা কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এরপর মঙ্গলবার পালটা হামলা চালিয়েছে সৌদি। হুথিদের আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের একটি ব্রেকিং নিউজে বলা হয়েছে-সানার পশ্চিমে আল সাবাহর একটি তেল কোম্পানি সৌদির হামলার শিকার হয়েছে। এর আগে হুথিরা জানিয়েছিল, রিয়াদে তাদের লক্ষ্য ছিল কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, ইয়েমেন সীমান্তের কাছে খামিস মুশাইতের একটি সামরিক বিমানঘাঁটির দিকেও ড্রোন পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, হুথিরা রিয়াদের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খামিস মুশাইতের দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। তার দাবি, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।</p>
<p>সপ্তাহজুড়ে বন্ধ রিয়াদ বিমানবন্দর</p>
<p>ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখার সময় বাড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকবে। হামলার কারণে বিভিন্ন বিমান সংস্থা ফ্লাইট বাতিল করেছে। এতে সৌদি আরবের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলো কয়েক বছরের মধ্যে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচলে অন্যতম বড় বিপর্যয় তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতের পাশাপাশি উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে আগে থেকেই চাপে রয়েছে বিমান পরিবহণ খাত। নতুন হামলা পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক বিমান চলাচলকে লক্ষ্যবস্তু করা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিমান চলাচলের তথ্য পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার উড়োজাহাজগুলো রিয়াদের আকাশ এড়িয়ে চলছিল। তবে সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলের প্রধান বিমান পরিবহণকেন্দ জেদ্দায় উড়োজাহাজ অবতরণ করছিল। দেশটির আকাশসীমার ওপর দিয়েও কিছু উড়োজাহাজ চলাচল করেছে। বিমান চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের সব বিমানবন্দর মিলিয়ে ফ্লাইট বাতিলের হার দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ।</p>
<p>হামলা আতঙ্কে ‘বারবার প্রাসাদ বদলান সৌদি যুবরাজ’</p>
<p>ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলায় সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত প্রাসাদে প্রাসাদে অবস্থান করছেন দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এসব প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাঁচতে বিশেষ বাংকারও রয়েছে। সোমবার দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৪১ বছর বয়সি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ‘এমবিএস’ নামেও পরিচিত। গত মঙ্গলবার জাতীয় রক্তদান কর্মসূচির অংশ হিসাবে রক্ত দেওয়ার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তার চলাফেরার বিষয়ে অবগত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজকে নিজস্ব নিরাপত্তা দলের পাহারায় এক সুরক্ষিত প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে নেওয়া হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিদ্যুৎ উৎপাদনে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি রূপপুরে</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a7%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:28:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a7%82/</guid>

					<description><![CDATA[রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (এনপিপি) ১ ও ২ নম্বর ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এপিসিএস) স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া চলতি মাসেই পারমাণবিক বিক্রিয়া (ক্রিটিক্যালিটি) শুরুর অনুমোদন পাওয়া এবং প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত ইউরেনিয়াম রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি আরও দৃশ্যমান হলো। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (এনপিপি) ১ ও ২ নম্বর ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এপিসিএস) স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া চলতি মাসেই পারমাণবিক বিক্রিয়া (ক্রিটিক্যালিটি) শুরুর অনুমোদন পাওয়া এবং প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত ইউরেনিয়াম রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি আরও দৃশ্যমান হলো।</p>
<p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটে এপিসিএস স্থাপনের পর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রূপপুরই রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রোসাটমের প্রথম প্রকল্প—যেখানে আধুনিক ‘অপারেটর ইনফরমেশন সাপোর্ট সিস্টেম’ (ওআইএসএস) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
<p>রোসাটম সূত্রে জানা গেছে, রোসাটম অটোমেটেড কন্ট্রোল সিস্টেমস (রাসু) সরবরাহকৃত এই ব্যবস্থাগুলোতে ৪৩টি সিস্টেমের আওতায় প্রায় ২০ হাজার সরঞ্জাম রয়েছে। এগুলো চুল্লির স্থিতিশীলতাসহ ৭ হাজারেরও বেশি প্রক্রিয়াগত প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ করবে, যা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপদ ও দক্ষ পরিচালনায় সহায়তা করবে।</p>
<p>প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ওআইএসএস। বিদ্যুৎ ইউনিটের একটি ‘ডিজিটাল টুইন’ ব্যবহার করে রাসু এই সিস্টেমটি তৈরি করেছে। এটি ইতোমধ্যে ১ নম্বর ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং চালুকরণ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। একই ধরনের একটি সিস্টেম ২ নম্বর ইউনিটেও স্থাপন করা হবে।</p>
<p>ওআইএসএস ৩৬০টি প্রক্রিয়াগত সিস্টেম থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন বিচ্যুতি শনাক্ত করে এবং ৮০টিরও বেশি নির্দেশনার ভিত্তিতে অপারেটরদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করে। এসব নির্দেশনার মধ্যে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পদ্ধতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জটিল পরিচালনাগত তথ্য সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে সিস্টেমটি অপারেটরদের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং কার্যকরভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।</p>
<p>রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র শুধু রাশিয়ান ফেডারেশন ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার সবচেয়ে বড় প্রকল্পই নয়, বরং আধুনিক স্বয়ংক্রিয়করণ ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের একটি অগ্রগামী প্রকল্প। বিদেশে নির্মিত রোসাটমের কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই প্রথম অপারেটর ইনফরমেশন সাপোর্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এই সিস্টেমের মাধ্যমে পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার সময় কমবে, পরিচালন ব্যয় হ্রাস পাবে এবং কন্ট্রোল রুমের কর্মীরা একটি নির্ভরযোগ্য সহায়ক ব্যবস্থা পাবেন।</p>
<p>রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটিতে তৃতীয় প্রজন্মের প্লাস (জেনারেশন ৩+) প্রযুক্তির দুটি ভিভিইআর-১২০০ (VVER-1200) পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে।</p>
<p>এর আগে গত ৮ অক্টোবর দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক বিক্রিয়া (ক্রিটিক্যালিটি) শুরুর অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের একদম দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ।</p>
<p>প্রকল্প সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কঠোর গাইডলাইন মেনে রাশিয়ার সহযোগিতায় পরিচালিত এই প্রকল্পের ‘বি-ওয়ান’ ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ টেস্টের জটিলতা কেটে যাওয়ার পর শুরু হতে যাচ্ছে ‘বি-টু’ (B-2) ধাপ। এই ‘বি-টু’ ধাপে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হবে। চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে শুরু হলে চুল্লিতে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।</p>
<p>পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ শেষে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছলে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হবে।</p>
<p>এরই ধারাবাহিকতায় কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ইউরেনিয়াম প্রকল্পে পৌঁছানো হয়।</p>
<p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আন্তর্জাতিক নিয়ম ও গাইডলাইন অনুসরণ করে এই পারমাণবিক জ্বালানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিশেষ শেডে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সাধারণত একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর এক থেকে দেড় বছর পর কিছু ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি পরিবর্তন করতে হয়। প্রথম ইউনিটের সেই বাড়তি জ্বালানিই এখন প্রকল্প এলাকায় আনা হয়েছে।</p>
<p>রোসাটম জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট ৯টি চালানে ২০০টিরও বেশি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি আনা হচ্ছে, যার সবটির সরবরাহ সম্পন্ন হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই। এর আগে ২০২৩ সালে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের যে জ্বালানি আনা হয়েছিল, তা চলতি বছরের মে মাসে পারমাণবিক চুল্লিতে বসানো হয়েছে।</p>
<p>প্রকল্প সূত্রের দাবি, সেফটি ভালভে ১৬ মেগাপ্যাসকেল (এমপিএ) উচ্চ-চাপ পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হওয়ার পরবর্তী ধাপে ১৮ এমপিএ চাপে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে। এটি সফল হওয়ার পর ফিশন রিঅ্যাকশন শুরু করা হবে। এই প্রক্রিয়া শেষে পাওয়ার স্টার্টআপে যেতে পুরো অক্টোবর মাস লেগে যাবে। আর পাওয়ার স্টার্টআপের পরেই গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।</p>
<p>সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন এবং স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনের মধ্য দিয়ে স্বপ্নের রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের সম্ভাবনা আরও স্পষ্ট ও বাস্তব রূপ নিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:26:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/</guid>

					<description><![CDATA[শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী সোমবার (১৯ অক্টোবর) সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অষ্টমী পূজা উপলক্ষে নেওয়া সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির সভাপতি এনামুল হক খানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শারদীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী সোমবার (১৯ অক্টোবর) সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অষ্টমী পূজা উপলক্ষে নেওয়া সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।</p>
<p>সংগঠনটির সভাপতি এনামুল হক খানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অষ্টমী পূজার দিন দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। </p>
<p>এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ১৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সবার আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে ঢাকাসহ দেশজুড়ে স্মরণানুষ্ঠান</title>
		<link>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator/>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:26:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/</guid>

					<description><![CDATA[মরমি সাধক লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া, ঢাকা ও দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর কুষ্টিয়ায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ১৭ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘লালন স্মরণানুষ্ঠান’। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মরমি সাধক লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া, ঢাকা ও দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর কুষ্টিয়ায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ১৭ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘লালন স্মরণানুষ্ঠান’।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লালন সাঁইয়ের গান, দর্শন ও মানবতাবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ আয়োজন করা হচ্ছে। জাত-ধর্মের বিভাজন অতিক্রম করে মানুষের পরিচয় ও মানবসত্তার অনুসন্ধানে লালনের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক। </p>
<p>১৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেবেন শিল্পী ও গবেষক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মোহা. হারুন-অর-রশীদ।</p>
<p>সাংস্কৃতিক পর্বে পরিবেশনায় অংশ নেবেন দেশের প্রথিতযশা লালনশিল্পী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী এবং বাংলাদেশ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর শিল্পীরা।</p>
<p>এ ছাড়া একই দিন বিভাগীয় ও অন্যান্য জেলায় লালন সাঁইয়ের জীবন ও দর্শনভিত্তিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, স্মরণানুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://donetbd.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>