<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>টার্গেট বাংলা</title>
	<atom:link href="https://targetsscbangla.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://targetsscbangla.com</link>
	<description>বাংলা সাহিত্য, ব্যাকরণ, টিউটোরিয়াল ও মক টেষ্ট</description>
	<lastBuildDate>Wed, 04 Mar 2026 03:59:50 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2016/07/cropped-apple-icon-152x152-1-32x32.png</url>
	<title>টার্গেট বাংলা</title>
	<link>https://targetsscbangla.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অলংকার &#124; অর্থালংকার কী কী ? &#124; বিস্তারিত তথ্য</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%b0</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%b0#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 03:59:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পাঁচমিশালী]]></category>
		<category><![CDATA[অলংকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4836</guid>

					<description><![CDATA[<p>অলংকারের প্রথম পর্বের আলোচনায় আমরা অলংকার কী এবং শব্দালংকার সম্পর্কে নানা খুঁটিনাটি তথ্য জেনেছি। আমাদের আজকের আলোচনায় অর্থালংকার বিষয়ে জেনে নেব। এই পর্বে আমরা বিভিন্ন শ্রেণির অর্থালংকার যেমন উপমা, রূপক, উৎপ্রেক্ষা সহ সমস্ত অলংকার সম্পর্কে আমাদের ধারণা স্বচ্ছ করে নেব। আলোচনাটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া আশা করি। অর্থালংকার ও তার শ্রেণি এই অলংকার কাব্যের অর্থের উপর [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%b0">অলংকার | অর্থালংকার কী কী ? | বিস্তারিত তথ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>অলংকারের প্রথম পর্বের আলোচনায় আমরা অলংকার কী এবং <a href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be">শব্দালংকার</a> সম্পর্কে নানা খুঁটিনাটি তথ্য জেনেছি। আমাদের আজকের আলোচনায় অর্থালংকার বিষয়ে জেনে নেব। এই পর্বে আমরা বিভিন্ন শ্রেণির <strong>অর্থালংকার</strong> যেমন উপমা, রূপক, উৎপ্রেক্ষা সহ সমস্ত অলংকার সম্পর্কে আমাদের ধারণা স্বচ্ছ করে নেব। আলোচনাটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া আশা করি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">অর্থালংকার ও তার শ্রেণি</h2>



<p>এই অলংকার কাব্যের অর্থের উপর নির্ভরশীল। শব্দালঙ্কার যেখানে কাব্যের আঙ্গিকগত সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে অর্থালংকার সেখানে কাব্যের অন্তর্নিহিত সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এখন আমরা প্রতিটি অর্থালংকার সম্পর্কে জেনে নেব।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>উপমা</strong> অলংকার</h2>



<p>উপমা একটি সাদৃশ্যমূলক অর্থালঙ্কার। &#8216;উপমা&#8217; শব্দের অর্থ হল তুলনা। সাধারণ ধর্মবাচক দুটি বিজাতীয় বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হলে উপমা অলঙ্কার হয়। উপমার চারটি অঙ্গ থাকে &#8211;</p>



<p><strong>ক. উপমেয় &#8211;</strong> যাকে তুলনা করা হচ্ছে<br><strong>খ. উপমান &#8211;</strong> যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে<br><strong>গ. সাধারণ ধর্ম &#8211;</strong> উপমেয় ও উপমানের মধ্যে বর্তমান বৈশিষ্ট্য বা ধর্ম<br><strong>ঘ. তুলনাবাচক শব্দ &#8211;</strong> উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করার জন্য সম, মতো, সদৃশ, ন্যায় ইত্যাদি শব্দের প্রয়োগ। <em>তবে কোনো কোনো উপমায় এই চারটি অঙ্গের কোনো একটি বা তার বেশি লুপ্ত থাকতেও পারে। কিছু ক্ষেত্রে একটি উপমেয়ের একাধিক উপমানও থাকে।</em></p>



<p>একটি উদাহরণের সাহায্যে উপমা অলঙ্কারের চারটি অঙ্গ দেখানো হল &#8211; <strong>পদ্মের কলিকা</strong> (উপমান) <strong>সম</strong> (তুলনাবাচক শব্দ) <strong>ক্ষুদ্র</strong> (সাধারণ ধর্ম) <strong>তব সৃষ্টিখানি</strong> (উপমেয়)</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>ক্ষণেক শুধু অবশকায় থমকি রবে ছবির প্রায়।</li>



<li>এতক্ষণ ছায়াপ্রায়<br>ফিরিতেছিল সে মোর কাছে কাছে ঘেঁষে</li>



<li>রাজ্য তব স্বপ্নসম গেছে ছুটে।</li>



<li>ননীর মত শয্যা কোমল পাতা</li>



<li>কণ্টক গাড়ি কমলসম পদতল<br>মঞ্জীর চীর হি ঝাঁপি।</li>



<li>নীরবিলা শশীমুখী</li>



<li>মেহগনির মঞ্চ জুড়ি<br>পঞ্চ হাজার গ্রন্থ<br>সোনার জলে দাগ পড়ে না,<br>খোলে না কেউ পাতা<br>আস্বাদিত মধু যেমন<br>যুথী অনাঘ্রাতা।</li>



<li>মায়ের মুখের হাসির মতো কমলকলি।</li>



<li>মৃত্যুর গর্জন শুনেছে সে সঙ্গীতের মতো।</li>



<li>কালো জল ঢালিতে সই কালা পড়ে মনে।<br>নিরবধি দেখি কালা শয়নে স্বপনে।।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>রূপক</strong> অলংকার</h2>



<p>এটিও একটি সাদৃশ্যমূলক অলংকার। উপমেয়ের সঙ্গে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক অলংকার হয়। <em>মনে রাখুন, এই অলংকারে উপমানের মূল্য অধিক।</em></p>



<p>যেমন &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>শিশুফুলগুলি</strong> তোমারে ঘেরিয়া ফুটে</p>



<p>এই উদাহরণে শিশুর সঙ্গে ফুলের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। &#8216;শিশুফুলগুলি&#8217; তাই রূপক অলঙ্কার হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>শোকের ঝড় বহিল সভাতে।</li>



<li>মরণের ফুল বড় হয়ে ফোটে<br>জীবনের উদ্যানে</li>



<li>হাথক দরপণ মাথক ফুল<br>নয়নক অঞ্জন মুখক তাম্বুল।</li>



<li>থির বিজুরী নবীনা গোরী পেখনু ঘাটের কূলে।</li>



<li>এমন মানব জমিন রইল পতিত<br>আবাদ করলে ফলত সোনা।</li>



<li>জীবন উদ্যানে তোর যৌবন কুসুমভাতি কত দিন রবে ?</li>



<li>রূপের পাথারে আঁখি ডুবে সে রহিল।</li>



<li>বীর্যসিংহ &#8216;পরে চড়ি জগদ্ধাত্রী দয়া।</li>



<li>প্রেমের নিগড় গড়ি পরিলি চরণ সাধে।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>সন্দেহ</strong> অলংকার</h2>



<p>সাদৃশ্যমূলক অলঙ্কারের একটি। যখন উপমেয় ও উপমানের মধ্যে সংশয় থাকে তখন তাকে সন্দেহ অলঙ্কার বলে।</p>



<p>যেমন &#8211;&nbsp;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>সোনার হাতে সোনার কাঁকন কে কার অলঙ্কার ?</em></p>



<p>এই উদাহরণে উপমেয় হল &#8216;সোনার হাত&#8217; এবং উপমান &#8216;সোনার কাঁকন&#8217;। কিন্তু এই দুইয়ের মধ্যে কে কার শোভা বর্ধন করছে তা নিয়েই কবির সংশয়। তাই এক্ষেত্রে সন্দেহ অলঙ্কার হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>দুই ধারে এ কি প্রাসাদের সারি, অথবা তরুর মূল।</li>



<li>হিমাচলের শিখর ও কি শুভ্র প্রভাস্বর ?</li>



<li>মুক্তাফলের লাবণ্য কি আমেজ দিল মুক্ত নীলাম্বরে ?</li>



<li>কৃষ্ণমেঘের অশ্রুধারার আর্দ্র প্রেমাঞ্জন<br>ক&#8217;রল কি আজ সৃষ্টি রাধার কলঙ্কভঞ্জন ?</li>



<li>বিষ্ণুর বৈষ্ণবী কিংবা ভবের ভবানী।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>নিশ্চয়</strong> অলংকার</h2>



<p>উপমানকে অস্বীকার করে যখন উপমেয়কে প্রতিষ্ঠিত করা হয় তখন নিশ্চয় অলঙ্কার হয়।</p>



<p>যেমন &#8211; </p>



<p class="has-text-align-center">কাঁপিছে এ পুরী<br>রক্ষোবীরপদভরে,&#8212;নহে ভূকম্পনে।</p>



<p>এই উদাহরণে উপমেয় &#8216;রক্ষোবীরপদভর&#8217; আর উপমান &#8216;ভূকম্পন&#8217;। নহে শব্দ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে উপমানকে অস্বীকার করে উপমেয়কে প্রতিষ্ঠা দেওয়া হয়েছে। তাই এটি নিশ্চয় অলঙ্কার হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>কণ্ঠে গরল নহ, মৃগমদসার।</li>



<li>নাহি জটা ইহ, বেণীবিভঙ্গ।</li>



<li>এ শুধু চোখের জল, এ নহে ভর্ৎসনা।</li>



<li>এ নহে মুখর বনমর্ম্মরগুঞ্জিত<br>এ যে অজাগর-গরজে সাগর ফুলিছে।</li>



<li>অসীম নীরদ নয়,<br>ওই গিরি হিমালয়।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>উৎপ্রেক্ষা</strong> অলংকার</h2>



<p>প্রবল সাদৃশ্যের কারণে যদি উপমানকে বাস্তব বলে মনে করা হয় তবে তাকে উৎপ্রেক্ষা অলঙ্কার বলে। <em>মনে রাখুন, এই অলঙ্কারে সংশয়সূচক শব্দ যেন, বুঝি, প্রায় ইত্যাদির প্রয়োগ ঘটে। তাছাড়া, সন্দেহ অলঙ্কারে সংশয় থাকে উপমেয় ও উপমান উভয় ক্ষেত্রেই। কিন্তু উৎপ্রেক্ষা অলঙ্কারে সংশয় কেবল উপমানে।</em></p>



<p>যেমন &#8211;&nbsp;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>বসিলা যুবতী<br>পদতলে, আহা মরি, সুবর্ণ দেউটি<br>তুলসীর মূলে যেন জ্বলিল।</em></p>



<p>এই উদাহরণে &#8216;সুবর্ণ দেউটি&#8217; বাস্তব বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। &#8216;যেন&#8217; শব্দের প্রয়োগে সংশয় সৃষ্টি করেছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>সীতাহারা আমি যেন মণিহারা ফণী।</li>



<li>পড়ুক দুফোঁটা অশ্রু জগতের &#8216;পরে<br>যেন দুটি বাল্মীকির শ্লোক!</li>



<li>ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়<br>পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।</li>



<li>চোখে পড়ে গেল দুটি আঁখি উৎসুক<br>করুণ ক্লান্ত স্নিগ্ধ অচঞ্চল&#8212;<br>নীরব পূজার যেন দুটি উৎপল।</li>



<li>লুটায় মেখলাখানি ত্যজি কটিদেশ<br>মৌন অপমানে।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>ভ্রান্তিমান</strong></h2>



<p>অতি সাদৃশ্যবশতঃ উপমেয়কে উপমান বলে ভুল করা হলে এবং তা যদি কবিকল্পনায় অসাধারণত্ব লাভ করে কাব্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তবে তাকে ভ্রান্তিমান অলঙ্কার বলে।</p>



<p>যেমন &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>আঁখিতারা দুটি বিরলে বসিয়া<br>সৃজন করেছে বিধি।<br>নীলপদ্ম ভাবি লুবধ ভ্রমরা<br>ছুটিতেছে নিরবধি।।</em></p>



<p>এই উদাহরণে উপমেয় &#8216;আঁখিতারা&#8217; কে উপমান &#8216;নীলপদ্ম&#8217; ভেবে ভুল করা হয়েছে। এই ভ্রান্তির কারণেই অলঙ্কারটি ভ্রান্তিমান হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>চিরদিন পিপাসিত করিয়া প্রয়াস<br>চন্দ্রকলাভ্রমে রাহু করিলা কি গ্রাস ?</li>



<li>রাই রাই করি সঘনে জপয়ে হরি তুয়াভাবে তরু দেই কোর।</li>



<li>তোমার মুখে গুনগুনিয়ে ভ্রমর এলো<br>কমল বলে ভুল করে যে স্পর্শ ছড়ালো।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>অপহ্নুতি</strong></h2>



<p>উপমেয়কে অস্বীকার করে যদি উপমানকে প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে তাকে অপহ্নুতি অলঙ্কার বলে। <em>মনে রাখুন, অপহ্নুতি অলঙ্কারে নয়, নহ, না, ছলে জাতীয় শব্দের ব্যবহার হয়।</em></p>



<p>যেমন &#8211;&nbsp;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>চোখে চোখে কথা নয় গো বন্ধু<br>আগুনে আগুনে কথা।</em></p>



<p>এই উদাহরণে উপমেয় &#8216;চোখ&#8217;কে অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠা দেওয়া হয়েছে উপমান &#8216;আগুন&#8217;কে। ফলে এটি অপহ্নুতি অলঙ্কার হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>পুষ্প ও নয়, রঙীন রাগে ঝংকৃত স্বপন।</li>



<li>ও কি ও&#8212;ঝিল্লী ? না, না, ঝুমুর ঝুমুর ঘুঙুর বাজে।</li>



<li>হাসি যে রঙীন ধূলা, অশ্রু নয়, অভ্র সে কঠিন।</li>



<li>নারী নহ, কাব্য তুমি, তোমা পরে কবির প্রসাদ।</li>



<li>ষড়ঋতুছলে ষড়রিপু খেলে<br>কাম হতে মাৎসর্য।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>সমাসোক্তি</strong></h2>



<p>অচেতন বস্তুর উপর চেতনের গুণ আরোপিত হলে সমাসোক্তি অলঙ্কার হয়।</p>



<p>যেমন &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>শুনিতেছি আজো আমি প্রাতে উঠিয়াই<br>আয় আয় কাঁদিতেছে তেমনি সানাই।</em></p>



<p>এই উদাহরণে অচেতন বস্তু &#8216;সানাই&#8217; -এর উপর চেতনের গুণ কান্না আরোপিত হয়েছে। এর ফলে চরণটি কাব্য সৌন্দর্য লাভ করেছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>বসুন্ধরা, দিবসের কর্ম্ম-অবসানে,<br>দিনান্তের বেড়াটি ধরিয়া, আছে চাহি<br>দিগন্তের পানে।</li>



<li>ঠকা ঠাঁই ঠাঁই কাঁদিছে নেহাই, আগুন ঢুলিছে ঘুমে</li>



<li>ত্বরিত পদে চলেছে গেহে,<br>সিক্ত বাস লিপ্ত দেহে<br>যৌবন-লাবণ্য যেন লইতে চাহে কেড়ে।</li>



<li>দেখ গো হোথায় হাপর হাঁফায় হাতুরি মাগিছে ছুটি</li>



<li>সন্তানের শব দেখে দেশ কাঁদছে।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>অতিশয়োক্তি</strong></h2>



<p>আলঙ্কারিকেরা বলেন, উপমার চরম পরিণতি অতিশয়োক্তিতে। উপমেয় ও উপমানের সাদৃশ্য যখন প্রবল নিকট হয় এবং উপমান উপমেয়কে গ্রাস করে নিজেই উপমেয় রূপে প্রকট হয় তখন অতিশয়োক্তি অলঙ্কার হয়।</p>



<p class="has-text-align-left">যেমন &#8211;&nbsp;</p>



<p class="has-text-align-center">হায় শূর্পনখা,<br>কি কুক্ষণে দেখেছিলি তুইরে অভাগী<br>কাল পঞ্চবটীবনে, কালকূটে ভরা<br>এ ভুজগে।</p>



<p>এখানে উপমেয় রঘুকুলপতি রামচন্দ্র। কিন্তু উপমান &#8216;ভুজগ&#8217; সেই উপমেয়কে গ্রাস করে নিজেই উপমেয় রূপে প্রতীয়মান হয়েছে। উপমেয়ের উল্লেখ এখানে তাই নেই।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>যমুনার সুবাসিত জলে<br>ডুবি থাকে কালফণী দুরন্ত দংশক !</li>



<li>বক্ষের নিচোলবাস যায় গড়াগড়ি,<br>ত্যজিয়া যুগলস্বর্গ কঠিন পাষাণে।</li>



<li>সাগরে যে অগ্নি থাকে কল্পনা সে নয়,<br>চক্ষে দেখে অবিশ্বাসীর হয়েছে প্রত্যয়।</li>



<li>আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ<br>চুনি উঠল রাঙা হয়ে।</li>



<li>আধঘুমে চাহি দেখিনু চমকি, ঝুলিছে সর্ব্বনাশী</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>ব্যতিরেক</strong></h2>



<p>যখন উপমেয়কে উপমানের তুলনায় উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তখন ব্যতিরেক অলঙ্কার হয়।</p>



<p>যেমন &#8211;&nbsp;</p>



<p class="has-text-align-center"><em>কণ্ঠস্বরে বজ্র লজ্জাহত</em></p>



<p>এই উদাহরণে উপমেয় &#8216;কণ্ঠস্বর&#8217; আর উপমান &#8216;বজ্র&#8217;। এখানে উপমেয়কে উপমানের তুলনায় নিকৃষ্ট করে তোলা হয়েছে।</p>



<p>এরকম &#8211;</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>কলকল্লোলে লাজ দিল আজ<br>নারীকণ্ঠের কাকলি।</li>



<li>এলো ওরা<br>নখ যাদের তীক্ষ্ণ তোমার নেকড়ের চেয়ে।</li>



<li>এ পুরীর পথ মাঝে যত আছে শিলা,<br>কঠিন শ্যামার মতো কেহ নাহি আর।</li>



<li>দেখেছে সে বাহু এক মৃণাল-নিন্দিত।</li>



<li>কে বলে শারদশশী সে মুখের তুলা ?<br>পদনখে পড়ে আছে তার কতগুলা।</li>
</ol>



<p>এরপর আমরা জেনে নেব বিরোধমূলক অলংকার সম্পর্কে, আলোচনার পরবর্তী পর্বে।</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p class="has-text-align-center">আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a></p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p><em>বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস ও ব্যাকরণের তথ্য এখন হাতের মুঠোয়। ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল অ্যাপ।</em></p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-vivid-purple-background-color has-background wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Download mBook</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:283px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%b0">অলংকার | অর্থালংকার কী কী ? | বিস্তারিত তথ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%b0/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গিরিশচন্দ্র ঘোষ (নাট্যাচার্য) &#124; জীবন ও নাটকের তথ্য</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b7</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b7#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 02:34:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নাটক ও থিয়েটার]]></category>
		<category><![CDATA[গিরিশচন্দ্র]]></category>
		<category><![CDATA[নাটক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4831</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলা নাট্যসাহিত্যের ধারায় সবিশেষ উল্লেখযোগ্য নাট্যাচার্য গিরিশচন্দ্র ঘোষ। এই আলোচনায় নাট্যকারের সংক্ষিপ্ত জীবন কথা ও তাঁর রচিত নাটকের সঠিক তথ্য পরিবেশিত হয়েছে। সঙ্গে আছে গুরুত্বপূর্ণ নাটকের বিষয়বস্তু। নাট্যকারের উপনাম, ছদ্মনাম ও সম্পাদিত পত্রিকার তথ্যও পাবেন পাঠক পাঠিকা। সম্পূর্ণ জানতে পুরোটা পড়ুন। গিরিশচন্দ্র ঘোষ &#8211; জীবন কথা জন্ম – ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৪ খ্রিস্টাব্দ, বাগবাজার, কলকাতাপিতা ও [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b7">গিরিশচন্দ্র ঘোষ (নাট্যাচার্য) | জীবন ও নাটকের তথ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলা নাট্যসাহিত্যের ধারায় সবিশেষ উল্লেখযোগ্য নাট্যাচার্য গিরিশচন্দ্র ঘোষ। এই আলোচনায় নাট্যকারের সংক্ষিপ্ত জীবন কথা ও তাঁর রচিত নাটকের সঠিক তথ্য পরিবেশিত হয়েছে। সঙ্গে আছে গুরুত্বপূর্ণ নাটকের বিষয়বস্তু। নাট্যকারের উপনাম, ছদ্মনাম ও সম্পাদিত পত্রিকার তথ্যও পাবেন পাঠক পাঠিকা। সম্পূর্ণ জানতে পুরোটা পড়ুন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">গিরিশচন্দ্র ঘোষ &#8211; জীবন কথা</h2>



<p>জন্ম – ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৪ খ্রিস্টাব্দ, বাগবাজার, কলকাতা<br>পিতা ও মাতা – নীলকমল ঘোষ, রাইমণি দেবী<br>দাম্পত্যসঙ্গী – প্রমোদিনী দেবী (শ্যামপুকুর নিবাসী নবীনচন্দ্র সরকারের কন্যা), সুরতকুমারী দেবী (উত্তর কলকাতার সিমলা অঞ্চলের বিহারীলাল মিত্রের কন্যা)<br>সন্তান – সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ (দানী বাবু)<br>নাট্যজগতে প্রবেশ – <a href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8">মাইকেল মধুসূদন দত্ত</a> রচিত &#8216;শর্মিষ্ঠা&#8217; নাটকে গীত রচনার মধ্য দিয়ে<br>মৃত্যু – ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার</p>



<p><strong>উপনাম –</strong> বাংলার গ্যারিক (&#8216;সাধারণী&#8217; পত্রিকায় উদ্ধৃত), নাট্যাচার্য, ভক্ত ভৈরব</p>



<p><strong>ছদ্মনাম –</strong> মুকুটাচরণ মিত্র, রামতারণ সান্যাল</p>



<p><strong>সম্পাদনা –</strong> &#8216;সৌরভ&#8217; পত্রিকা (১৩০২ বঙ্গাব্দ)</p>



<h2 class="wp-block-heading">গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাটক</h2>



<p>আগমনী (১৮৭৭), অকালবোধন (১৮৭৭), দোললীলা (১৮৭৮), মায়াতরু (১৮৮১), মোহিনী প্রতিমা (১৮৮১), আনন্দ রহো (১৮৮১), রাবণবধ (১৮৮১), সীতার বনবাস (১৮৮২), অভিমন্যুবধ (১৮৮১), লক্ষ্মণ-বর্জ্জন (১৮৮২), সীতার বিবাহ (১৮৮২), রামের বনবাস (১৮৮২), সীতাহরণ (১৮৮২), ভোটমঙ্গল (১৮৮২), মলিনমালা (১৮৮২), পাণ্ডবের অজ্ঞাতবাস (১৮৮৩), ব্রজবিহার (১৮৮৩), বৃষকেতু (১৮৮৪), হীরার ফুল (১৮৮৪), চৈতন্যলীলা (১৮৮৬), নল-দময়ন্তী (১৮৮৭), বুদ্ধদেবচরিত (১৮৮৭), বেল্লিক-বাজার (১৮৮৭), বিল্বমঙ্গল ঠাকুর (১৮৮৮), রূপসনাতন (১৮৮৮), পূর্ণচন্দ্র (১৮৮৮), বিষাদ (১৮৮৯), দক্ষযজ্ঞ (১৮৮৯), প্রফুল্ল (১৮৮৯), হারানিধি (১৮৯০), কমলে কামিনী (১৮৯১), মলিনা-বিকাশ (১৮৯১), মহাপূজা (১৮৯১), ধ্রুব-চরিত্র (১৮৯২), নিমাই সন্ন্যাস (১৮৯২), প্রভাসযজ্ঞ (১৮৯২), চণ্ড (১৮৯৩), শ্রীবৎসচিন্তা (১৮৯৩), মুকুলমুঞ্জরা (১৮৯৩), আবু হোসেন (১৮৯৩), আলাদিন (১৮৯৪), সপ্তমীতে বিসর্জন (১৮৯৪), জনা (১৮৯৪)</p>



<p>বড়দিনের বকশিস (১৮৯৪), স্বপ্নের ফুল (১৮৯৪), সভ্যতার পাণ্ডা (১৮৯৪), করমেতি বাঈ (১৮৯৫), ফণীর মণি (১৮৯৬), পাঁচ কনে (১৮৯৬), কালাপাহাড় (১৮৯৬), নসীরাম (১৮৯৬), হীরক জুবিলী (১৮৯৭), পারস্য প্রসূন (১৮৯৭), মায়াবসান (১৮৯৮), দেলদার (১৮৯৯), পাণ্ডব-গৌরব (১৯০০), মণিহরণ (১৯০০), নন্দদুলাল (১৯০০), অশ্রুধারা (১৯০১), মনের মতন (১৯০১), অভিশাপ (১৯০১), শান্তি (১৯০২), ভ্রান্তি (১৯০২), আয়না (১৯০৩), সৎনাম (১৯০৪), হরগৌরী (১৯০৫), বলিদান (১৯০৫), সিরাজদ্দৌলা (১৯০৬), বাসর (১৯০৬), মীর কাসিম (১৯০৬), য্যায়সা-কা-ত্যায়সা (১৯০৭), ছত্রপতি শিবাজী (১৯০৭), শাস্তি কি শান্তি (১৯০৮), শঙ্করাচার্য্য (১৯১০), অশোক (১৯১১), তপোবল (১৯১১)</p>



<p><strong>অসমাপ্ত নাটক –</strong> গৃহলক্ষ্মী (১৯১২), রাণা প্রতাপ</p>



<h2 class="wp-block-heading">জনা নাটকের বিষয়বস্তু</h2>



<p>গিরিশচন্দ্র ঘোষের পৌরাণিক নাটকের মধ্যে &#8216;জনা&#8217; শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। নাটকের মুখ্য উদ্দেশ্য ভক্তিরস সৃষ্টি করা হলেও এই নাটকে আছে দ্বন্দ্ব, বাস্তব আবেগ ও প্রবৃত্তির ঘাত-প্রতিঘাত। জনা ও প্রবীরকে কেন্দ্র করে চরিত্রের দ্বন্দ্ব, বাস্তবতা যেমন সৃষ্টি হয়েছে তেমনি নীলধ্বজ, বিদূষক চরিত্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ভক্তিরস। প্রবীরের বীরত্ব, দ্বেশাত্মবোধ, মাতৃভক্তি লৌকিক রসে অভিষিক্ত। অন্যদিকে আবার জনার পুত্রপ্রেম, স্বদেশানুরাগ, নীলধ্বজের বিরোধিতা, পুত্রহত্যার প্রতিহিংসা একান্তই বাস্তব-রসে জারিত।</p>



<p>নাটকে জনা চরিত্রের ট্র্যাজিক পরিমাণের সূচনা হয়েছে প্রবীরের পাণ্ডবদের যজ্ঞাশ্ব ধরার মধ্য দিয়ে। অর্জুন বিখ্যাত বীর। যজ্ঞাশ্ব ধরে তার সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়া প্রবীরের পক্ষে সম্ভব নয়। বস্তুত শ্রীকৃষ্ণ ভারতে ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চান, আর সেই কর্মে প্রবীর হত্যা আবশ্যক হয়ে পড়ে। এই প্রবীরের নিহত হওয়ার পরেই জনা চরিত্রের প্রতিশোধস্পৃহা দেখা যায়। এই সময় জনা একেবারে নিঃসঙ্গ। শেষ পর্যন্ত পুত্রের মৃত্যুর মর্মজ্বালা বুকে নিয়ে সে গঙ্গায় আত্মবিসর্জন করে।</p>



<p>নাটকের মূল আকর্ষণীয় চরিত্র অবশ্যই জনা। ড. অজিতকুমার ঘোষ লিখেছেন, &#8216;জনা চরিত্রটি প্রতিকূল অবস্থার সহিত অবিচ্ছিন্ন সংগ্রাম, সুতীব্র অন্তর্দ্বন্দ্ব, সুগভীর বেদনা ও অতৃপ্ত প্রতিহিংসার মধ্য দিয়া একটি শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজিক চরিত্রে পরিণত হইয়াছে।&#8217; চরিত্রটির মধ্যে আমরা যেমন স্নেহশীলা জননীর রূপ দেখি তেমনি পাই তার বীরাঙ্গনা মূর্তি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">প্রফুল্ল নাটকের আলোচনা</h2>



<p>গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত সামাজিক নাটকগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ &#8216;প্রফুল্ল&#8217;। নাটকে তৎকালীন কলকাতার নাগরিক জীবনের ছবি ও মধ্যবিত্ত সমাজের ভাঙন প্রাধান্য পেয়েছে। কলকাতার এক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি যোগেশ। তার একান্নবর্তী পরিবার। নিজ প্রতিভা ও বুদ্ধি দিয়ে সে প্রভুত সম্পত্তির মালিক হয়। যে ব্যাঙ্কে যোগেশ তার সমস্ত অর্থ গচ্ছিত রেখেছিল তা আচমকাই বন্ধ হলে যোগেশ উন্মাদপ্রায় হয়ে পড়ে। দিন-রাত মদ্যপান পেয়ে বসে তাকে। এদিকে পেশায় উকিল, যোগেশের মেজো ভাই রমেশ সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে করে নেয়। ফলে যোগেশের বিপর্যয় চরমে ওঠে। পরিণামে নিদারুণ হাহাকার শোনা যায় তার কণ্ঠে – &#8216;আমার সাজানো বাগান শুকিয়ে গেল।&#8217;</p>



<p>নাটকের প্রধান বিষয়বস্তু যোগেশের বিপর্যয়ের কাহিনি হলেও নাটকের নামকরণ হয়েছে রমেশের স্ত্রী প্রফুল্লের নামে। আসলে স্বামীকে কুকর্মের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে স্বামীর হাতেই প্রফুল্লর মৃত্যু হয়েছে। তার করুণ পরিণাম গোটা সংসারকে করেছে বিপর্যস্ত।</p>



<h2 class="wp-block-heading">সিরাজদ্দৌলা নাটক</h2>



<p>নাট্যাচার্য গিরিশচন্দ্রের ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে শ্রেষ্ঠ &#8216;সিরাজদ্দৌলা&#8217;। তাঁর এই নাটক রচনাকালে বাংলা নাট্যসাহিত্যের স্বর্ণযুগ চলছে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের নাটক বাঙালি-চিত্তকে অনুরণিত করে তুলছে। গিরিশচন্দ্রও তাঁর আপন প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চললেন তাঁর ঐতিহাসিক নাটক রচনার মধ্য দিয়ে।</p>



<p>নাটকের নায়ক অবশ্যই সিরাজদ্দৌলা। নাটকের সূত্রপাত সিরাজের সিংহাসন প্রাপ্তির সময় থেকে আর সমাপ্তি হয়েছে তার শোচনীয় পরিণাম ও মীরজাফরের মসনদ লাভের ঘটনা দিয়ে। এই নাটকে সিরাজদ্দৌলা প্রজাপ্রেমিক নবাব, একজন যথার্থ পিতা ও যথার্থ স্বামী হিসেবে চিত্রিত হয়েছে। কিন্তু চরিত্রটির মূল ত্রুটি হল মীরজাফরকে ষড়যন্ত্রকারী জেনেও তার শাস্তিবিধান করতে না পারা। আর এই ত্রুটির কারণেই তার উপর নেমে আসে ট্র্যাজেডির পরিণাম। দেশমাতৃকাকে ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। সিরাজের শোক সমস্ত জাতির শোকে পরিণত হয়েছে। নাটকে বীররস ছাপিয়ে উঠেছে করুণ রস।</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p><strong>আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a></strong></p>



<hr class="wp-block-separator has-text-color has-vivid-red-color has-alpha-channel-opacity has-vivid-red-background-color has-background is-style-wide"/>



<p><em>বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস ও ব্যাকরণের তথ্য এখন হাতের মুঠোয়। ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল অ্যাপ।</em></p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-vivid-purple-background-color has-background wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Download mBook</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:283px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b7">গিরিশচন্দ্র ঘোষ (নাট্যাচার্য) | জীবন ও নাটকের তথ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b7/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু &#124; সধবার একাদশী &#124; লীলাবতী</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a3</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a3#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 06:34:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নাটক ও থিয়েটার]]></category>
		<category><![CDATA[দীনবন্ধু মিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[নাটক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4827</guid>

					<description><![CDATA[<p>নাট্যসাহিত্যের আলোচনায় আমরা দেখে নেব দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু। আমরা নাটকটির কাহিনি, চরিত্র ও ভাষা বিষয়ে ধারণা নেব। পাশাপাশি নাট্যকারের সধবার একাদশী ও লীলাবতী নাটকের বিষয়েও জেনে নেব। নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু পঞ্চাঙ্কের &#8216;নীলদর্পণ&#8217; দীনবন্ধু মিত্রের সর্বাধিক জনশ্রুত নাটক। ১২৬৭ বঙ্গাব্দে ঢাকা থেকে নাটকটি প্রকাশিত হয়। আখ্যাপত্রে লেখা ছিল &#8216;নীলদর্পনং নাটকং নীলকর-বিষধর-দংশন কাতর-প্রজানিকর ক্ষেমংকরেন [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a3">নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু | সধবার একাদশী | লীলাবতী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>নাট্যসাহিত্যের আলোচনায় আমরা দেখে নেব দীনবন্ধু মিত্র রচিত <strong>নীলদর্পণ</strong> নাটকের বিষয়বস্তু। আমরা নাটকটির কাহিনি, চরিত্র ও ভাষা বিষয়ে ধারণা নেব। পাশাপাশি নাট্যকারের <strong>সধবার একাদশী</strong> ও <strong>লীলাবতী</strong> নাটকের বিষয়েও জেনে নেব।</p>



<h2 class="wp-block-heading">নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু</h2>



<p>পঞ্চাঙ্কের &#8216;নীলদর্পণ&#8217; দীনবন্ধু মিত্রের সর্বাধিক জনশ্রুত নাটক। ১২৬৭ বঙ্গাব্দে ঢাকা থেকে নাটকটি প্রকাশিত হয়। আখ্যাপত্রে লেখা ছিল &#8216;নীলদর্পনং নাটকং নীলকর-বিষধর-দংশন কাতর-প্রজানিকর ক্ষেমংকরেন কেনচিৎ পথিকেনাভি প্রণীতং&#8217;। গ্রন্থের &#8216;ভূমিকা&#8217; অংশে কস্যচিৎ পথিকস্য নামে লেখা হয়েছে &#8216;নীলকরনিকরে নীল-দর্পণ অর্পণ করিলাম।&#8217;</p>



<p><strong>অনুবাদ &#8211;</strong> নাটকটি কলকাতা থেকে &#8216;Nil Durpun or the Indigo Planting Mirror&#8217; নামে A Native দ্বারা ইংরেজিতে অনূদিত হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading">কাহিনি</h3>



<p>এই নাটকে নীলকর সাহেবদের অত্যাচারে একটি পরিবারের চরম বিপর্যয়ের কথা বাস্তবসম্মতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। স্বরপুরের সম্পন্ন গৃহস্থ গোলোক বসু যার দুই পুত্র – নবীনমাধব ও বিন্দুমাধব। এদেরই অনুগত অবস্থা সম্পন্ন চাষি সাধুচরণ। নীল চাষ নিয়ে সাহেবদের সঙ্গে গোলোক বসুর বিবাদ। অত্যাচারিত রায়তদের পক্ষাবলম্বন করে নবীনমাধব। ফলে নীলকর সাহেবদের সঙ্গে বিরোধ বাড়তে থাকে। নীলকর সাহেবরা ষড়যন্ত্র করে গোলোক বসুকে কারারুদ্ধ করে। অপমানে গোলোক কয়েদখানায় আত্মহত্যা করে।</p>



<p>পুকুরপাড়ে নীলচাষ বন্ধ করতে গিয়ে নবীনমাধবের সঙ্গে সাহেবদের বিবাদ হয় এবং লাঠির আঘাতে সে অচৈতন্য হয়, পরে তার মৃত্যু হয়। এর আগে সাধুচরণের গর্ভিণী কন্যা ক্ষেত্রমণিকে লাঠিয়ালেরা রোগ সাহেবের কুঠিতে নিয়ে যায়। রোগ সাহেব ক্ষেত্রমণির ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে তার হাত মুখ নখ দিয়ে পালটা আক্রমণ করে। ক্রুদ্ধ রোগ সাহেব ক্ষেত্রমণির পেটে ঘুসি মারে। এক চাষি তোরাপকে সঙ্গে নিয়ে নবীনমাধব ক্ষেত্রমণিকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। কিন্তু বাড়িতে আসার পর ক্ষেত্রমণি প্রাণত্যাগ করে। ওদিকে নবীনের মা মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading">নাটকের সমালোচনা</h3>



<p>দীনবন্ধু মিত্র এই নাটকে উচ্চ শ্রেণির চরিত্রের মুখে সাধুভাষার সংলাপ ব্যবহার করলেও নিম্নশ্রেণির চরিত্রগুলির মুখে দিয়েছেন গ্রাম্য কথ্য ভাষা। মূলত নদীয়া, যশোহর ও খুলনা অঞ্চলের কৃষক সমাজের ভাষাই ব্যবহার করা হয়েছে। নাটকে গ্রাম্যতার সঙ্গে মিশেছে কৌতুক রস। কেউ কেউ ভাষার শুচিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্র বলেছেন শুচিতার দিকে অধিক নজর দিলে &#8216;আমরা ছেঁড়া তোরাপ, কাটা আদুরী, ভাঙা নিমচাঁদ পাইতাম।&#8217; নাটকে অনেক মৃত্যুর ঘটনা আছে। নাটকটি আদ্যপান্ত দুঃখজনক ঘটনায় পূর্ণ। <a href="https://targetsscbangla.com/mohitlal-majumdar">মোহিতলাল মজুমদার</a> নাটকটিকে মেলোড্রামা বলে উল্লেখ করেছেন।</p>



<p>&#8216;নীলদর্পণ&#8217; উদ্দেশ্যমূলক নাটক। সমকালীন নীলকর সাহেবদের নীলচাষীদের প্রতি অত্যাচারের বর্ণনাই এই নাটকের উদ্দেশ্য এবং নাট্যকার তাতে সফল এ কথা বলাই বাহুল্য। হেরিয়েট স্টো রচিত &#8216;আঙ্কল টমস্‌ কেবিন&#8217; যেমন দাসত্ব প্রথার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল তেমনি দীনবন্ধুর &#8216;নীলদর্পণ&#8217; নীলকর সাহেবদের অত্যাচার থেকে মুক্তির দিশা দেখিয়েছিল। <a href="https://targetsscbangla.com/bankim-chandra-chatterjee-2">বঙ্কিমচন্দ্র</a> তাই বলেছেন, &#8216;নীলদর্পণ বাঙলার Uncle Tom&#8217;s Cabin&#8217;।</p>



<h2 class="wp-block-heading">সধবার একাদশী</h2>



<p>দীনবন্ধু মিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রহসন &#8216;সধবার একাদশী&#8217;। নব্যশিক্ষায় শিক্ষিত তৎকালীন যুবসমাজের পানাসক্তি, বিপথগামীতা এই প্রহসনে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>



<p>কলকাতার ধনী ব্যক্তি জীবনচন্দ্র দত্তের বখাটে পুত্র অটল। সেই-ই &#8216;সধবার একাদশী&#8217;র নায়ক। অটলের জীবন-যাপন উচ্ছৃঙ্খল ধরনের। মদ্যপান ও গণিকা-সঙ্গ তার প্রাত্যহিক জীবনের অঙ্গ। তার স্ত্রী কুমুদিনী সুন্দরী হলেও তাকে অবহেলা করে কাঞ্চন নাম্নী এক গণিকাকে অটল রক্ষিতা হিসেবে রাখে। সোনার গহনা, মাসিক তিনশ টাকা মাসোহারা হিসেবে তাকে দেওয়া হয়। কিন্তু একসময় কাঞ্চন অটলকে ছেড়ে গোকুলচন্দ্রের অনুগামিনী হলে মদ্যপ অটল গোকুলের স্ত্রীকে অপহরণ করে বাগানে নিয়ে যেতে চায়। এই ঘটনার পরে পিতৃব্য রামধনবাবুর হাতে অটল ও তার সঙ্গী নিমচাঁদ দত্ত প্রহৃত হয়। অটল তার পিতার কাছেও ভর্ৎসিত হয়। কিন্তু অটলের মা স্নেহান্ধ বশে পুত্রের কোনো দোষ দেখতে পান না। অটলকে তার বোনেরা ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখে। কিন্তু এ সব কিছুই অটলের চরিত্রে পরিবর্তন আনতে পারে না।</p>



<p>অটলের সঙ্গী নিমে দত্ত মাতাল হলেও শিক্ষিত। অধিক পানাসক্তির কারণে সে নিজেকে নিজের অধঃপতন থেকে বাঁচাতে পারেনি। নিমে দত্ত জানে তার মা-বাবা তাকে প্রাণ দিয়ে মানুষ করেছেন। মদকে সে ছাড়তে চাইলেও মদ তাকে ছাড়ে না। তার স্ত্রীও স্বামীর প্রতি বিরক্ত। সে আড়ালে চোখের জল ফেলে। নিমচাঁদ জানে মদ্যপান তাকে পথভ্রষ্ট করেছে যেখান থেকে ফিরে আসার কোনো উপায় নেই। নিমচাঁদ মাতাল ঠিকই কিন্তু তার চরিত্রদোষ নেই।</p>



<p>এই প্রহসনে নিমচাঁদের চরিত্রই পাঠক, দর্শকের মন আকৃষ্ট করে। তার চরিত্রে আছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। আপন দুর্দশা সম্পর্কে সে সচেতন কিন্তু সেই দুর্দশা থেকে রেহাই পাওয়ারও কোনো পথ নেই। এই প্রহসনের নায়ক অটল হলেও প্রাধান্য পেয়েছে নিমে বা নিমচাঁদ দত্ত। প্রতিটি চরিত্রের সংলাপ জীবন্ত।</p>



<h2 class="wp-block-heading">লীলাবতী</h2>



<p>দীনবন্ধু মিত্রের লেখা সর্বাধিক পরিচিত পারিবারিক নাটক। এই নাটকে কৌলীন্য প্রথা ও পোষ্যপুত্র গ্রহণের বিরোধিতা করেছেন নাট্যকার। নাটকটির প্রথম অভিনয় হয় ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে মার্চ চুঁচুড়ার মল্লিকবাড়িতে। এই অভিনয় হয়েছিল বঙ্কিমচন্দ্র ও অক্ষয়চন্দ্র সরকারের উদ্যোগে। পরে ঐ বছরেই ১১মে বাগবাজারে নাটকটির পুনরায় অভিনয় হয়।</p>



<p>কলকাতার সম্পন্ন গৃহস্থ হরবিলাস। তার পুত্রের নাম অরবিন্দ এবং দুই কন্যার নাম লীলাবতী ও তারা। হরবিলাসের রক্ষিতার গর্ভজাত কন্যা চাঁপা। পত্নী-বিয়োগের পর হরবিলাস স্বাভাবিক জীবন কাটাচ্ছিলেন। অরবিন্দ একদিন চাঁপাকে নিজের পত্নী মনে করে ভুলবশত স্পর্শ করে। এরপর সে অনুতাপে গৃহত্যাগ করে চলে যায়। বারো বছর তার কোনো সন্ধান মেলে না। ফলে হরবিলাস ললিতমোহন নামে এক অজ্ঞাত পরিচয় বালককে তার পোষ্যপুত্র করলেন। সিদ্ধান্ত নিলেন, লীলাবতীকে মহাকুলীন নদেরচাঁদের হাতে সমর্পণ করবেন। নদেরচাঁদের স্বভাব ভালো ছিল না – অশিক্ষিত ও নেশাখোর। তার অত্যাচারেই প্রথমা বালিকা স্ত্রীর মৃত্যু হয়। অনেক ঘটনার জট পেরিয়ে নাটকের শেষাংশে নদেরচাঁদের কারাবাস হয়। অরবিন্দ ফিরে আসে এবং স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হয়। লীলাবতীর সঙ্গে ললিতমোহনের বিবাহের মধ্য দিয়ে নাটকের সমাপ্তি ঘটে।</p>



<p>নাটকের নায়ক ললিতমোহন এবং নায়িকা লীলাবতী। উভয়ের মিলন ঘটেছে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে। নাটকের নামকরণ করা হয়েছে লীলাবতী চরিত্রকে স্মরণে রেখে। কিন্তু ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছেন &#8216;কাহিনী ও চরিত্র বিচার করে এ নাটকের নাম &#8216;লীলাবতী&#8217; রাখা উচিত হয়নি।&#8217;</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p><strong>আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a></strong></p>



<hr class="wp-block-separator has-text-color has-vivid-purple-color has-alpha-channel-opacity has-vivid-purple-background-color has-background is-style-wide"/>



<p class="has-text-align-center"><em>বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস ও ব্যাকরণের তথ্য এখন হাতের মুঠোয়। ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল অ্যাপ।</em></p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-vivid-purple-background-color has-background wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Download mBook</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:283px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a3">নীলদর্পণ নাটকের বিষয়বস্তু | সধবার একাদশী | লীলাবতী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a3/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রামনারায়ণ তর্করত্ন &#124; কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 27 Feb 2026 02:51:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নাটক ও থিয়েটার]]></category>
		<category><![CDATA[অন্যান্য সাহিত্যিক]]></category>
		<category><![CDATA[নাটক]]></category>
		<category><![CDATA[নাট্যকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4821</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নাট্যকার রামনারায়ণ তর্করত্ন ও তাঁর কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক সহ অন্যান্য তথ্য। আমরা নাট্যকারের ব্যক্তি পরিচয় ও তাঁর রচিত নানা গ্রন্থের তথ্য তুলে ধরেছি যা অন্যত্র দুর্লভ। আশা করি, এই তথ্যগুলি পাঠক পাঠিকা ও পরীক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক রামনারায়ণ তর্করত্নের ব্যক্তি পরিচয়। রামনারায়ণ তর্করত্ন জন্ম – ২৬ ডিসেম্বর, [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8">রামনারায়ণ তর্করত্ন | কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নাট্যকার রামনারায়ণ তর্করত্ন ও তাঁর কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক সহ অন্যান্য তথ্য। আমরা নাট্যকারের ব্যক্তি পরিচয় ও তাঁর রচিত নানা গ্রন্থের তথ্য তুলে ধরেছি যা অন্যত্র দুর্লভ। আশা করি, এই তথ্যগুলি পাঠক পাঠিকা ও পরীক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক রামনারায়ণ তর্করত্নের ব্যক্তি পরিচয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">রামনারায়ণ তর্করত্ন</h2>



<p><strong>জন্ম –</strong> ২৬ ডিসেম্বর, ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে চব্বিশ পরগণার হরিনাভি গ্রামে<br><strong>পিতা –</strong> রামধন শিরোমণি<br><strong>ভ্রাতা –</strong> প্রাণকৃষ্ণ <a href="https://targetsscbangla.com/biography-vidyasagar" target="_blank" rel="noreferrer noopener">বিদ্যাসাগর</a> (ছোটোবেলায় রামনারায়ণ পিতামাতাকে হারানোর পর ভ্রাতার কাছেই লালিত-পালিত হয়েছেন)<br><strong>কৌলিক পদবি –</strong> ভট্টাচার্য<br><strong>শিক্ষা –</strong> গভঃ সংস্কৃত কলেজ<br><strong>কর্মজীবন –</strong> সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক (১৮৫৫ – ১৮৮২)<br><strong>উপাধি –</strong> কবিকেশরী, কাব্যোপাধ্যায়<br><strong>উপনাম –</strong> নাটুকে রামনারায়ণ<br><strong>মৃত্যু –</strong> ১৯ জানুয়ারি ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (৭ই মাঘ, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)</p>



<h2 class="wp-block-heading">গ্রন্থাবলী</h2>



<p><strong>মৌলিক নাটক &#8211;</strong> কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক (১৮৫৪), নবনাটক (১৮৬৬), রুক্মিণীহরণ নাটক (১৮৭১), স্বপ্নধন নাটক (১৮৭৩), ধর্ম্ম-বিজয় নাটক (১৮৭৫), কংসবধ নাটক (১৮৭৫), সুনীতিসন্তাপ নাটক (১২৭৫ বঙ্গাব্দ, অপ্রকাশিত)</p>



<p><strong>অনুবাদ নাটক &#8211;</strong> বেণীসংহার নাটক (১৮৫৬), রত্নাবলী নাটক (১৮৫৮), অভিজ্ঞানশকুন্তল নাটক (১৮৬০), মালতীমাধব নাটক (১৮৬৭),</p>



<p><strong>প্রহসন –</strong> যেমন কর্ম তেমনি ফল (১৮৬৫), উভয় সঙ্কট (১৮৬৯), চক্ষুদান (১৮৬৯)</p>



<p><strong>গদ্যগ্রন্থ &#8211;</strong> পতিব্রতোপাখ্যান (১৮৫৩)</p>



<p><strong>সংস্কৃত গ্রন্থ –</strong> মহাবিদ্যাধন (১৮৭০), আর্যাশতকম্‌ (১৮৭২), দক্ষযজ্ঞম্‌ (১৮৮১, ১৮৮২)</p>



<h2 class="wp-block-heading">পারিতোষিক প্রাপ্তি</h2>



<p>১. &#8216;কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক&#8217; লেখার জন্য রংপুরের জমিদার কালীচন্দ্র রায়ের কাছ থেকে পঞ্চাশ টাকা পারিতোষিক পান।<br>২. &#8216;রত্নাবলী&#8217; নাটকের জন্য কান্দির রাজা প্রতাপসিংহ বাহাদুর লেখককে দু&#8217;শো টাকা পারিতোষিক দেন।<br>৩. &#8216;নবনাটক&#8217; লেখার জন্য জোড়াসাঁকোর গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখককে দু&#8217;শো টাকা পারিতোষিক দেন।<br>৪. &#8216;মালতীমাধব নাটক&#8217; লেখার জন্য পাথুরিয়াঘাটার রাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর লেখককে একশ টাকা পারিতোষিক দেন।<br>৫. &#8216;সুনীতিসন্তাপ নাটক&#8217; লেখার জন্য কাঁসারিটোলার কালীকৃষ্ণ প্রামাণিক লেখককে দু&#8217;শো টাকা পারিতোষিক দেন।<br>৬. &#8216;রুক্মিণীহরণ নাটক&#8217; লেখার জন্য পাথুরিয়াঘাটার রাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর লেখককে পঞ্চাশ টাকা পারিতোষিক দেন। <br>৭. &#8216;পতিব্রতোপাখ্যান&#8217; লেখার জন্য রংপুরের জমিদার কালীচন্দ্র রায়ের কাছ থেকে পঞ্চাশ টাকা পারিতোষিক পান।</p>



<p>এবার আমরা নাট্যকারের দুটি নাটক সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেব। প্রথমটি কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক ও দ্বিতীয়টি নব নাটক। এর পাশাপাশি আমরা নাট্যকার ও তাঁর নাটকের কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্যও দেখে নেব।</p>



<h2 class="wp-block-heading">কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক</h2>



<p>নাট্যকারের প্রথম এবং সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় নাটক। উদ্দেশ্যমূলক এই নাটকটিকে প্রথম বাংলা সামাজিক নাটক বলা যেতে পারে। নাটকে কৌলীন্য প্রথার দোষ হাস্যরসাত্মক ভাবে তুলে ধরেছেন নাট্যকার। কুলীনকুলসর্ব্বস্ব অর্থাৎ কুলীনের কুলই যে সর্বস্ব তাই নাটকের মূল ভাব। নাটকে দেখানো হয়েছে কুলীন বিবাহিতা নারীর করুণ দুঃখের চিত্র। তাদের স্বামী থেকেও নেই, সধবা হয়েও তাদের বিধবার মতো জীবন কাটাতে হয়।</p>



<p>ছয়টি অঙ্কে সজ্জিত এই নাটকের সংলাপ রচিত হয়েছে গদ্য ও পদ্য যোগে। নাটকে ঘটনাকালের ব্যপ্তি দুই দিন। অধর্মরুচি, বিবাহবণিক, অভব্যচন্দ্র ইত্যাদি নামের চরিত্রের দেখা মেলে এই নাটকে যা বিচিত্র ও কৌতুকপূর্ণ। নাটকে আছে সমাজচেতনা ও কৌতুকরস। নাটকটির প্রথম অভিনয় হয় ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় জয়রাম বসাকের বাড়িতে। কলকাতার বাইরে চুঁচুড়াতে নরোত্তম পালের বাড়িতে নাটকটির অভিনয় হয়েছিল ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">নবনাটক</h2>



<p>বহুবিবাহের বিষাক্ত পরিণাম দেখানোর উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল &#8216;নবনাটক&#8217;। গ্রাম্য জমিদার গবেশচন্দ্রের সাবিত্রী নামে এক পত্নী থাকা সত্ত্বেও অন্য আর একটি বিয়ে করেন। এই বিবাহের পাত্রীটি ছিল ষোলো বছরের চন্দ্রলেখা। গবেশচন্দ্র চন্দ্রলেখার প্রতি অধিক অনুরাগে অতি শীঘ্রই তার আজ্ঞাবহ হয়ে পড়ল। ক্রমে বাড়তে লাগল চন্দ্রলেখার ঔদ্ধত্য, অত্যাচারিত হতে থাকল সাবিত্রী। মায়ের উপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সাবিত্রী-পুত্র সুবোধ বাড়ি ছেড়ে চলে গেল। অত্যাচারিতা সাবিত্রী আত্মহত্যা করল। জোড়াসাঁকোয় গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে এই নাটকের বহুবার অভিনয় হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য</h2>



<p>১. &#8216;নবনাটক&#8217; বহুবিবাহ সহ নানা সামাজিক কু-প্রথা বিষয়ক নাটক।<br>২. নাট্যকারের জীবদ্দশায় &#8216;কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক&#8217; কলকাতার নতুনবাজার ও চুঁচুড়ায় অভিনীত হয়েছিল।<br>৩. জোড়াসাঁকোয় কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়িতে অভিনীত হয় বেণীসংহার নাটকটি।<br>৪. নাট্যকারের জীবদ্দশায় &#8216;রত্নাবলী নাটক&#8217; অভিনীত হয় বেলগাছিয়ায়।<br>৫. অভিজ্ঞানশকুন্তল নাটকের অভিনয় হয়েছিল কলকাতার ক্ষেত্রমোহন ঘোষের বাড়িতে।<br>৬. রুক্মিণীহরণ নাটকের প্রথম অভিনয় হয় পাথুরিয়াঘাটার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের বাড়িতে, ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই জানুয়ারি।</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p>আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a></p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p class="has-text-align-center">বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস ও ব্যাকরণের তথ্য এখন হাতের মুঠোয়। ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল অ্যাপ।</p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-vivid-purple-background-color has-background wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Download mBook</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:283px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8">রামনারায়ণ তর্করত্ন | কুলীনকুলসর্ব্বস্ব নাটক</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সমার্থক শব্দ &#124; প্রচুর উদাহরণ</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 08:26:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শব্দার্থতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[শব্দ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4807</guid>

					<description><![CDATA[<p>কোনো একটি শব্দের সম (একই) অর্থবোধক অন্য শব্দগুলিকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। এই শব্দগুলির প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। নদী শব্দের সমার্থক শব্দ কী কী ? গাছ শব্দের সমার্থক শব্দ ? বনের সমার্থক শব্দ ? পৃথিবী বা সূর্য শব্দের কতগুলি সমার্থক শব্দ পাওয়া যায় ? এরকম প্রচুর শব্দের উদাহরণ পাবেন এই পোস্টে। কোনো শব্দের সমার্থক শব্দ এখানে খুঁজে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6">সমার্থক শব্দ | প্রচুর উদাহরণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কোনো একটি শব্দের সম (একই) অর্থবোধক অন্য শব্দগুলিকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। এই শব্দগুলির প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। নদী শব্দের সমার্থক শব্দ কী কী ? গাছ শব্দের সমার্থক শব্দ ? বনের সমার্থক শব্দ ? পৃথিবী বা সূর্য শব্দের কতগুলি সমার্থক শব্দ পাওয়া যায় ? এরকম প্রচুর শব্দের উদাহরণ পাবেন এই পোস্টে। কোনো শব্দের সমার্থক শব্দ এখানে খুঁজে না পেলে কমেন্টে জানান। আমরা তা যুক্ত করে দেব।</p>



<h2 class="wp-block-heading">সমার্থক শব্দ দেখুন</h2>



<p><strong>অলঙ্কার &#8211;</strong> আভরণ, ভূষণ, গহনা, গয়না, ভূষা, কঞ্চুল</p>



<p><strong>আকাশ &#8211;</strong> গগন, আশমান, অম্বর, খ, অভ্র, ক্রন্দসী, শূন্য, অন্তরীক্ষ, দ্যো</p>



<p><strong>আবরণ &#8211;</strong> বৃতি, আচ্ছাদন, আবৃতি, ছদন, পোষ</p>



<p><strong>ঈর্ষা &#8211;</strong> হিংসা, দ্বেষ, বিদ্বেষ, অসূয়া, অন্তর্দাহ, রিষ</p>



<p><strong>ঈশ্বর &#8211;</strong> ভগবান, বিধাতা, জগদীশ, স্বয়ম্ভূ, ভূমা, দেব, দেবতা</p>



<p><strong>উঠোন &#8211;</strong> আঙিনা, অঙ্গন, আঙন, প্রাঙ্গণ, উঠান, চৌহদ্দি</p>



<p><strong>কন্যা &#8211;</strong> তনয়া, দুহিতা, নন্দিনী, কন্যকা, আত্মজা, মেয়ে</p>



<p><strong>কান &#8211;</strong> কর্ণ, শ্রবণ, শ্রোত্র, শব্দগ্রহ, শ্রবণেন্দ্রিয়</p>



<p><strong>কাপড় &#8211;</strong> বস্ত্র, বসন, পরিধেয়, আচ্ছাদন</p>



<p><strong>কুকুর &#8211;</strong> সারমেয়, কুত্তা, শ্ব, শুনক</p>



<p><strong>কূল &#8211;</strong> তট, বেলা, সৈকত, পাড়, কচ্ছ, কিনারা</p>



<p><strong>গলা &#8211;</strong> কণ্ঠ, কণ্ঠদেশ, গ্রীবা, কল্লা, ককটিকা, গলদেশ</p>



<p><strong>গাছ &#8211; </strong>বৃক্ষ, পাদপ, তরু, দ্রুম, বিটপী, অটবী, উদ্ভিদ, স্কন্ধী</p>



<p><strong>গোরু &#8211;</strong> গাভী, গাই, দুগ্ধল, ধেনু</p>



<p><strong>গৃহ &#8211;</strong> বাড়ি, বাটি, ঘর, আলয়, নিকেত, ভবন, নিকেতন</p>



<p><strong>গ্রন্থাগার &#8211;</strong> পাঠগৃহ, গ্রন্থালয়, পুস্তকালয়, পাঠাগার, পাঠালয়</p>



<p><strong>ঘোড়া &#8211;</strong> অশ্ব, ঘোটক, তুরঙ্গম, তুরগ, হ্রেষী, বড়বা</p>



<p><strong>চাঁদ &#8211;</strong> ইন্দু, বিন্দু, শশী, চন্দ্র, শশাঙ্ক, চন্দ্রমা, নিশাকর, নিশানাথ, রজনীশ, পক্ষধর</p>



<p><strong>চুল &#8211;</strong> অলক, কেশ, কুন্তল, চিকুর, কচ, শিরোরূহ</p>



<p><strong>চোখ &#8211;</strong> চক্ষু, অক্ষি, নেত্র, নয়ন, আঁখি, অক্ষি, লোচন</p>



<p><strong>ছাগল &#8211;</strong> অজ, ছাগ, পর্ণাদ, বুক্ক, ছগলক</p>



<p><strong>ছাত্র &#8211;</strong> শিক্ষার্থী, বিদ্যার্থী, জ্ঞানার্থী, অধ্যায়ী, পাঠার্থী</p>



<p><strong>জল &#8211;</strong> সলিল, নীর, অপ, উদক, পানি, বারি</p>



<p><strong>জিভ &#8211;</strong> রসনা, জিহ্বা, রসনেন্দ্রিয়, নুন্নুড়ি</p>



<p><strong>জ্যোৎস্না &#8211;</strong> চন্দ্রালোক, চন্দ্রকর, চন্দ্রিমা, চন্দ্রপ্রভা, কৌমুদী</p>



<p><strong>তরঙ্গ &#8211;</strong> ঊর্মি, ঢেউ, কল্লোল, লহরী, বীচি, মহোর্মি</p>



<p><strong>দরজা &#8211;</strong> দুয়ার, দুয়োর, দোর, ফটক, প্রবেশপথ</p>



<p><strong>দিন &#8211;</strong> অহ, অহ্ন, দিবস, বার</p>



<p><strong>দাঁত &#8211;</strong> দন্ত, দন্তক, রদ, দশন, দ্রংষ্ট</p>



<p><strong>নক্ষত্র &#8211;</strong> তারা, তারকা, ঋক্ষ, জ্যোতিষ্ক, ভ</p>



<p><strong>নদী &#8211;</strong> তটিনী, স্রোতস্বিনী, সরিৎ, বাহিনী, শৈবলিনী, নদ, কুলবতী</p>



<p><strong>নারী &#8211;</strong> অঙ্গনা, স্ত্রী, রমণী, মহিলা, ললনা, বামা, মানবী, বালা</p>



<p><strong>নৌকা &#8211;</strong> নৌ, তরী, তরণী, কিস্তি, তরসান</p>



<p><strong>পণ্ডিত &#8211;</strong> বিজ্ঞ, জ্ঞানবান, প্রাজ্ঞ, সম্বুদ্ধ, প্রবুদ্ধ, জ্ঞানশালী, জ্ঞানী</p>



<p><strong>পতাকা &#8211;</strong> ধ্বজ, কেতন, নিশান, কেতু</p>



<p><strong>পত্নী &#8211;</strong> স্ত্রী, জায়া, দয়িয়া, দার, ভার্যা</p>



<p><strong>পথ &#8211;</strong> রাস্তা, সরণী, সড়ক, মার্গ, প্রচর, রাহা, বীথি</p>



<p><strong>পা &#8211;</strong> পদ, চরণ, অধমাঙ্গ, কদম</p>



<p><strong>পাখি &#8211;</strong> পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গ, খেচর, বিহঙ্গম, খগ</p>



<p><strong>পাথর &#8211;</strong> পাষাণ, প্রস্তর, উপল, শিলা, অশ্ম</p>



<p><strong>পাহাড় &#8211;</strong> গিরি, পর্বত, নগ, অদ্রি, শৈল, অচল, অগ</p>



<p><strong>পুত্র &#8211;</strong> নন্দন, তনয়, ছেলে, দুলাল, আত্মজ, সূত</p>



<p><strong>পৃথিবী &#8211;</strong> ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুমতী, বসুধা, বিশ্ব, জগৎ, ভূ, ভুবন, মহী, নিখিল</p>



<p><strong>প্রহরী &#8211;</strong> রক্ষী, পাহারাদার, চৌকিদার, নজরদার, আরক্ষী, দ্বারী</p>



<p><strong>ফুল &#8211;</strong> কুসুম, পুষ্প, পুষ্পক, প্রসূন</p>



<p><strong>বই &#8211;</strong> পুস্তক, কেতাব, গ্রন্থ, কিতাব</p>



<p><strong>বন্ধু &#8211;</strong> সখা, মিতা, মিত্র, সুহৃদ</p>



<p><strong>বরফ &#8211;</strong> তুষার, হিম, হিমানী, নীহার, তুহিন, করক</p>



<p><strong>বসন্তকাল &#8211;</strong> ঋতুরাজ, ঋতুপতি, মধুমাস, কামসখ</p>



<p><strong>বাগান &#8211;</strong> উদ্যান, বাগ, মালঞ্চ, বাগিচা, কুঞ্জ, কানন</p>



<p><strong>বাঘ &#8211;</strong> ব্যাঘ্র, শার্দুল, কর্বর, শের, নরখাদক</p>



<p><strong>বাতাস &#8211;</strong> পবন, সমীর, অনিল, মরুৎ, বায়, বাত, সমীরণ, হাওয়া</p>



<p><strong>বাবা &#8211;</strong> পিতা, জনক, পিতৃ, জন্মদাতা, আব্বা</p>



<p><strong>বারান্দা &#8211;</strong> অলিন্দ, চাতাল, দাওয়া, চবুতরা</p>



<p><strong>বিদ্যালয় &#8211;</strong> শিক্ষালয়, বিদ্যানিকেতন, বিদ্যাপীঠ, পাঠভবন, পাঠশালা, শিক্ষায়তন</p>



<p><strong>বিদ্যুৎ &#8211;</strong> বিজলী, তড়িৎ, সৌদামিনী, ক্ষণপ্রভা, চপলা, চিকূর, দামিনী</p>



<p><strong>বিদ্বান &#8211;</strong> বিদ্যাবান, কৃতবিদ্য, অধ্যাপিত, সবিদ্য, জ্ঞানী, প্রবুদ্ধ</p>



<p><strong>বিপদ &#8211;</strong> সঙ্কট, বিপাক, আপদ, বিপত্তি, ফের</p>



<p><strong>বিষ &#8211;</strong> গরল, কালকূট, হলাহল, গদ</p>



<p><strong>বুদ্ধি &#8211;</strong> মেধা, ধী, মতি, বুদ্ধিমত্তা, ধীশক্তি</p>



<p><strong>বোন &#8211;</strong> ভগিনী, ভগ্নী, সহোদরা, স্বসা</p>



<p><strong>ভয় &#8211;</strong> ভীতি, ত্রাস, শঙ্কা, আতঙ্ক, তরাস</p>



<p><strong>ভাই &#8211;</strong> ভ্রাতা, সহোদর, সগর্ভ, সোদর, ভ্রাতৃ</p>



<p><strong>ভোমরা &#8211;</strong> ভ্রমর, অলি, চঞ্চরী, দ্বিরেফ, ভৃঙ্গ, বল্লা</p>



<p><strong>মন &#8211;</strong> চিত্ত, হৃদয়, অন্তর, হিয়া, মানস, মর্ম</p>



<p><strong>মন্দির &#8211;</strong> দেবালয়, দেউল, দেবগৃহ, ধর্মালয়</p>



<p><strong>মা &#8211;</strong> জননী, মাতা, মাতৃকা, গর্ভধারিণী, জন্মদাত্রী, আম্মা</p>



<p><strong>মাছ &#8211;</strong> মৎস, মীন, শল্কী, কণ্টকী</p>



<p><strong>মাঝি &#8211; </strong>দাঁড়ী, মাল্লা, ক্ষেপনিক, কাণ্ডারী, হালী, বুহিতাল</p>



<p><strong>মাটি &#8211;</strong> মৃত্তিকা, মৃৎ, ক্ষেত্র, পাংশু, ভূমি</p>



<p><strong>মাথা &#8211;</strong> মস্তক, শির, মুণ্ড, কল্লা, বরাঙ্গ</p>



<p><strong>মানুষ &#8211; </strong>নর, মানব, মনুজ, মনুষ্য, দ্বিপদ, নৃ</p>



<p><strong>মেঘ &#8211;</strong> নীরদ, জলদ, ঘন, জীমূত, অম্বুদ, বারিদ, পয়োধর</p>



<p><strong>মৌমাছি &#8211;</strong> মধুপ, মধুকর, মধুমক্ষিকা, মধুলিহ, মধুপায়ী</p>



<p><strong>যুদ্ধ &#8211;</strong> আহব, রণ, সমর, সংগ্রাম, সমীক</p>



<p><strong>রক্ত &#8211;</strong> অশ্র, শোণিত, লোহিত, রুধির, লোহু, রস্য</p>



<p><strong>রং &#8211;</strong> বর্ণ, আভা, কয়রা, রাগ</p>



<p><strong>রাখাল &#8211;</strong> গোপাল, গোপালক, গোচারক, গোচারী</p>



<p><strong>রাজা &#8211;</strong> নরেশ, ভূপতি, নৃপতি, নরপতি, নৃপাল, নরাধিপ</p>



<p><strong>রাত &#8211;</strong> রাত্রি, নিশি, নিশা, নিশীথ, রজনী, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ত্রিযামা</p>



<p><strong>শিক্ষক &#8211;</strong> শিক্ষাগুরু, শিক্ষাদাতা, শিক্ষয়িতা, গুরু, আচার্য</p>



<p><strong>শ্রমিক &#8211;</strong> মজুর, মজদুর, শ্রমজীবি, জনমজুর, কামলা, ব্রাত, নড়ি</p>



<p><strong>সকাল &#8211;</strong> প্রভাত, প্রাতঃ, প্রাতঃকাল, ঊষা, ঊষসী, প্রত্যুষ</p>



<p><strong>সন্ধ্যা &#8211;</strong> দিনান্ত, সাঁঝ, প্রদোষ, সায়াহ্ন, সায়ংকাল</p>



<p><strong>সমুদ্র &#8211;</strong> সিন্ধু, সাগর, দরিয়া, অর্ণব, পারাবার, জলধি, বারিধি, প্রচেত, রত্নাকর, অম্বুধি</p>



<p><strong>সাদা &#8211;</strong> শ্বেত, শুভ্র, ধবল, সিত, সফেদ</p>



<p><strong>সাধু &#8211;</strong> সাধক, সন্ন্যাসী, যোগী, বৈরাগী, তাপস</p>



<p><strong>সাপ &#8211;</strong> সর্প, অহি, ভূজঙ্গ, ফণী, আশীবিষ, উরগ, ভূজগ</p>



<p><strong>সূর্য &#8211;</strong> রবি, ভাস্কর, ভানু, আদিত্য, সবিতা, অর্ক, মিহির, দিননাথ, দিনমণি, দিনকর, অংশুমান, ঋচীক, দিনেশ</p>



<p><strong>সৈনিক &#8211;</strong> সেনা, সিপাহি, সৈন্য, সেপাই, যোদ্ধা</p>



<p><strong>সোনা &#8211;</strong> স্বর্ণ, কাঞ্চন, হেম, হিরণ, কনক</p>



<p><strong>হাত &#8211;</strong> হস্ত, বাহু, ভূজ, পাণি, হস্তক</p>



<p><strong>হাতি &#8211;</strong> হস্তী, গজ, মাতঙ্গ, করী, বারণ, দন্তী</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<h2 class="wp-block-heading">বিপরীত শব্দের <a href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6">তালিকা</a> দেখুন</h2>



<p>এরকম আরও বহু বিষয় এক জায়গায় পেতে ইনস্টল করে নিন আমাদের মোবাইল অ্যাপ &#8211; বাংলা ব্যাকরণ সমগ্র। নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।</p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-background wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=nil.smarttech.byakaran" style="background-color:#b0820d" target="_blank" rel="noreferrer noopener">বাংলা ব্যাকরণ সমগ্র</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:283px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div>


<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6">সমার্থক শব্দ | প্রচুর উদাহরণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মনসামঙ্গল কাহিনি &#124; মনসামঙ্গল কাব্য</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 03:24:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মনসামঙ্গল কাব্য]]></category>
		<category><![CDATA[মঙ্গলকাব্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4799</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারায় মনসামঙ্গল (Manasha mangal) কাব্য একটি অন্যতম অধ্যায়। দেবী মনসার স্বরূপ এবং মর্ত্যে তাঁর পূজা প্রচার তথা দেবীর মহিমা কীর্তনই এই কাব্যের মুখ্য বিষয়। কিন্তু সাহিত্য হিসেবেও আছে এর বিশেষ মূল্য। মনসামঙ্গল কাহিনি আলোচনা থেকে জেনে নিন এই কাব্যের মূল কাহিনিটি। মনসামঙ্গল কাহিনি চাঁদ সদাগর একান্তভাবে শিব ভক্ত। একদিন তিনি স্বর্গের [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8">মনসামঙ্গল কাহিনি | মনসামঙ্গল কাব্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারায় <strong>মনসামঙ্গল </strong>(Manasha mangal) কাব্য একটি অন্যতম অধ্যায়। দেবী মনসার স্বরূপ এবং মর্ত্যে তাঁর পূজা প্রচার তথা দেবীর মহিমা কীর্তনই এই কাব্যের মুখ্য বিষয়। কিন্তু সাহিত্য হিসেবেও আছে এর বিশেষ মূল্য। <strong>মনসামঙ্গল কাহিনি</strong> আলোচনা থেকে জেনে নিন এই কাব্যের মূল কাহিনিটি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মনসামঙ্গল কাহিনি</h2>



<p>চাঁদ সদাগর একান্তভাবে শিব ভক্ত। একদিন তিনি স্বর্গের অরণ্যে শিব পুজোর জন্য ফুল তুলছিলেন। ক্রমে তিনি অরণ্যের গভীরে প্রবেশ করেন। সেখানে মনসাদেবী বিভিন্ন নাগের আবরণে সজ্জিতা হয়ে ছিলেন। কিন্তু চাঁদের আগমনে সমস্ত নাগ ভয় পেয়ে পালিয়ে গেল। ফলে মনসা নিরাবরণা হয়ে পড়েন। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চাঁদকে অভিশাপ দিলেন মর্ত্যে মানুষ রূপে জন্ম নেওয়ার। চাঁদ মনসাকে বললেন, বিনা অপরাধে তুমি আমাকে অভিশাপ দিলে, স্মরণে রেখ মর্ত্যে আমি তোমার পুজো না করলে মর্ত্যলোকে তোমার পুজো প্রচারিত হবে না। মনসার অভিশাপের ফলে মর্ত্যে বিজয় সাধুর পুত্ররূপে চাঁদের জন্ম হয়।</p>



<p>চাঁদের স্ত্রী সনকা মনসার ভক্ত এবং তিনি গোপনে মনসার পুজো করেন। একদিন ক্রুদ্ধ চাঁদ মনসার ঘট ভেঙে দিলেন। শিবভক্ত চাঁদ সদাগর মনসার পুজো কোনোভাবেই মেনে নিতে রাজি হন না। প্রতিশোধ নিতে মনসার রোষে চাঁদের চম্পক নগরে সাপের উপদ্রব শুরু হয়। একে একে চাঁদের ছয় সন্তান মারা যায়। বাণিজ্যের নৌকা ডুবে গেলে চাঁদ সব হারিয়ে সর্বশান্ত হন। তবুও মনসার পূজাতে রাজি হন না তিনি ।</p>



<p><strong>মনসামঙ্গল কাহিনি &#8211; বেহুলা লখিন্দর কথা</strong></p>



<p>অন্যদিকে চাঁদের স্ত্রী সনকা মনসার বরে পুত্রলাভ করেন। কনিষ্ঠ এই পুত্রের নাম লখিন্দর। কিন্তু মনসার শর্ত ছিল, যদি চাঁদ সদাগর মনসার পূজা না দেয় তবে লখিন্দর বাসর ঘরে সাপের কামড়ে মারা যাবে। এসব জেনেও চাঁদ লখিন্দরের সাথে উজানিনগরের সায়বেনের কন্যা বেহুলার বিয়ে ঠিক করেন। চাঁদ সদাগর সতর্কতা হিসেবে বেহুলা-লখিন্দরের বাসর ঘর এমনভাবে তৈরি করেন যা সাপের পক্ষে ছিদ্র করা সম্ভব নয়।</p>



<p>কিন্তু সকল সাবধানতা স্বত্ত্বেও মনসার উদ্দেশ্য সাধন আটকানো যায়নি। বাসর রাতে সর্প দংশনে লখিন্দরের মৃত্যু হয়।</p>



<p>তার জীবন ফিরিয়ে আনতে বেহুলা লখিন্দরের মৃতদেহ গাঙুরের জলে ভেলায় ভাসিয়ে নিয়ে চলে। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ধরে যাত্রা করে গ্রামের পর গ্রাম পাড়ি দিয়ে তাদের ভেলা এসে পৌঁছায় এক ঘাটে। ঘাটটির নাম নেতা ধোপানির ঘাট। সেই ঘাটে প্রতিদিন স্বর্গের ধোপানি কাপড় ধোয়। বেহুলা সেখানে এক অবাক করা কাণ্ড দেখল।</p>



<p>ধোপানি কাপড় ধুতে এসেছে। সঙ্গে একটি ছোটো শিশু। শিশুটি খুব দুরন্ত ও সারাক্ষণ দুষ্টুমি করে চলেছে। ধোপানি এক সময় শিশুটিকে একটি আঘাতে মেরে ফেলল। পরে কাপড় কাচা হয়ে গেলে সে শিশুটিকে বাঁচিয়ে নিয়ে চলে গেলো। বেহুলা বুঝতে পারল, এই ধোপানি মৃত মানুষ বাঁচাতে জানে। পরদিন বেহুলা গিয়ে তার পায়ে পড়ল এবং তার স্বামীকে বাঁচিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করল।</p>



<p>ওই ধোপানির নাম নেতা। সে বলল,&nbsp;&#8220;একে আমি বাঁচানো আমার কম্ম নয়, একে মনসা মেরেছে। তুমি স্বর্গে যাও, দেবতাদের সামনে উপস্থিত হও। দেবতাদের তুমি যদি তোমার নাচ দেখিয়ে মুগ্ধ করতে পারো, তাহলে তারা তোমার স্বামীকে বাঁচিয়ে দেবে।&#8221;</p>



<p>বেহুলার মনে আশার আলো জ্বলে উঠল। সে স্বর্গে গেল। দেবতারা ব&#8217;সে আছেন। তাদের সামনে বেহুলার নৃত্য পরিবেশন শুরু হল। তার নাচে চঞ্চল হয়ে উঠল চারদিক। বেহুলার অসাধারণ নৃত্যে মুগ্ধ হল দেবতারা। তারা বেহুলাকে বর প্রার্থনা করতে বলল। বেহুলা তার স্বামীর প্রাণ ভিক্ষা করল। দেবাদিদেব মহাদেব সম্মত হলেন এবং মনসাকে লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।</p>



<p>মনসা জানাল,&nbsp;সে লখিন্দরকে ফিরিয়ে দিতে পারে একটি শর্তে &#8211; যদি চাঁদ সদাগর তার পুজো করে।&nbsp;বেহুলা তাতে রাজি হল, এবং বলল, তাহলে তোমাকে ফিরিয়ে দিতে হবে আমার শ্বশুরের সমস্ত কিছু। ফিরিয়ে দিতে হবে তাঁর মৃত পুত্রদের, তাঁর সমস্ত বাণিজ্যতরী। রাজি হলো মনসা।</p>



<p>মনসা সব ফিরিয়ে দিল, বেঁচে উঠলো লখিন্দর, ভেসে উঠল চাঁদের চোদ্দ ডিঙা। চাঁদ পাগলের মতো ছুটে এলেন বেহুলার কাছে। কিন্তু তিনি যখন শুনলেন যে তাকে মনসার পুজো করতে হবে, তখন তিনি কিছুতেই সম্মত হলেন না। বেহুলা গিয়ে কেঁদে পড়ল চাঁদের পায়ে। বেহুলা বলল,&nbsp;&#8216;তুমি শুধু বাঁ হাতে একটি ফুল দাও, তাতেই মনসা খুশি হবে।&#8217;</p>



<p>চাঁদ বেহুলার অশ্রুর কাছে হার মানলেন। চাঁদ বললেন,&nbsp;&#8216;আমি অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে বাঁ হাতে ফুল দেব।&#8217; তাতেই রাজি মনসা। চাঁদ সদাগর মুখ ফিরিয়ে বাঁ হাতে একটি ফুল যেন অবহেলায় ছুঁড়ে দিলেন। মনসা এতেই খুশি হল। তারপর থেকে পৃথিবীতে মনসার পুজো প্রচারিত হল।</p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color has-link-color wp-elements-a49df1d5c60f77611371e2ff5e5f9400"><em>মনসামঙ্গল কাহিনি, মনসামঙ্গল কাব্য, মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনী</em></p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<h2 class="wp-block-heading">Related Topic</h2>



<figure class="wp-block-table"><table class="has-fixed-layout"><tbody><tr><td><em><a href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af">মনসামঙ্গল কাব্যের কবি</a></em></td></tr><tr><td><em><a href="https://targetsscbangla.com/chandimangal-kahini">চণ্ডীমঙ্গল কাহিনি</a></em></td></tr><tr><td><a href="https://targetsscbangla.com/dharmamangal-story">ধর্মমঙ্গল কাহিনি</a></td></tr><tr><td><a href="https://targetsscbangla.com/shibayan">শিবমঙ্গল কাহিনি</a></td></tr></tbody></table></figure>



<p><em> </em></p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link has-black-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background has-link-color wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener"><strong>Download App</strong></a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="width:274px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div>


<p class="has-text-align-center"><em>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, সাহিত্যের রূপরীতি ও ব্যাকরণ</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8">মনসামঙ্গল কাহিনি | মনসামঙ্গল কাব্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মনসামঙ্গল কাব্য &#124; শ্রেষ্ঠ কবি কে ? &#124; কবিদের পরিচয়</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 03:34:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মনসামঙ্গল কাব্য]]></category>
		<category><![CDATA[মঙ্গলকাব্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4794</guid>

					<description><![CDATA[<p>মনসামঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের ধারায় এক অনন্য সৃষ্টি ধারা। আমাদের এই আলোচনায় মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান প্রধান কবিদের নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবেশিত হয়েছে। তথ্যগুলি বাংলা সাহিত্যের রসিক পাঠক পাঠিকা তথা ছাত্রছাত্রীদের উপকারে লাগবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। পাঠ শেষে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান কমেন্ট বক্সে। বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি হিসেবে বিজয়গুপ্তের নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। কবি বর্তমান বাংলাদেশের বরিশালের [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af">মনসামঙ্গল কাব্য | শ্রেষ্ঠ কবি কে ? | কবিদের পরিচয়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>মনসামঙ্গল কাব্য</strong> বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের ধারায় এক অনন্য সৃষ্টি ধারা। আমাদের এই আলোচনায় মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান প্রধান কবিদের নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবেশিত হয়েছে। তথ্যগুলি বাংলা সাহিত্যের রসিক পাঠক পাঠিকা তথা ছাত্রছাত্রীদের উপকারে লাগবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। পাঠ শেষে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান কমেন্ট বক্সে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বিজয়গুপ্ত</h2>



<p>মনসামঙ্গলের কবি হিসেবে বিজয়গুপ্তের নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। কবি বর্তমান বাংলাদেশের বরিশালের গৈলা ফুল্লশ্রী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নিজেকে &#8216;সনাতন তনয় রুক্মিণী গর্ভজাত&#8217; বলে পরিচয় দিয়েছেন। কবি মনসার ভক্ত ছিলেন বলে প্রচারিত।</p>



<p>বিজয়গুপ্তের কাব্যটির নাম &#8216;পদ্মাপুরাণ&#8217;। এই কাব্যে একটি শ্লোকটি পাওয়া যায়, তা হল &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center">&#8216;ঋতু শূন্য বেদ শশী পরিমিত শক।<br>সুলতান হুসেন শাহ নৃপতি তিলক।।&#8217;</p>



<p>কারো কারো মতে শ্লোকের প্রথমাংশটিতে লিপিগত ত্রুটি ঘটেছে। যাইহোক বিজয়গুপ্তের কাব্য রচনাকাল ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দ স্থির হয়েছে। কাব্যটি ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (মতান্তরে ১৩৩৭ বঙ্গাব্দে) প্যারীমোহন দাশগুপ্ত বরিশাল থেকে প্রকাশ করেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">নারায়ণদেব</h2>



<p>নারায়ণদেব মনসামঙ্গল কাব্যধারার সুপরিচিত কবি। তাঁর কাব্য সর্বাধিক প্রচারিত হয়েছিল। কাব্যের প্রথম খণ্ডে প্রদত্ত কবির আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে &#8216;দেব&#8217; উপাধিক কায়স্থ কবির পূর্বপুরুষের নিবাস ছিল রাঢ়দেশ। পরে তাঁরা ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার বোরগ্রামে বসবাস শুরু করেন। কেউ কেউ কবিকে ময়মনসিংহের অধিবাসী বলতে চেয়েছেন, আবার কেউ শ্রীহট্টের। কেউ আবার কবিকে অসমবাসী বলে দাবি করেছেন। কবির পিতার নাম নরসিংহ, মাতা রুক্মিণী দেবী। কবির <strong>উপাধি &#8211;</strong> সুকবিবল্লভ।</p>



<p><strong>কাব্য পরিচয় &#8211;</strong> নারায়ণদেবের কাব্যের নাম &#8216;পদ্মাপুরাণ&#8217;। তিন খণ্ডে বিভক্ত &#8216;পদ্মাপুরাণে&#8217;র প্রথম খণ্ডে কবির আত্মপরিচয় পাওয়া যায়। দ্বিতীয় খণ্ডে আছে পৌরাণিক আখ্যান এবং তৃতীয় খণ্ডে চাঁদ সদাগরের কাহিনি। আসামের অন্তর্গত ব্রহ্মপুত্র ও সুর্মা উপত্যকা অঞ্চলে কবির কাব্য &#8216;সুকনান্নি&#8217; বা &#8216;হুকনান্নি&#8217; নামে পরিচিত। ১২৮৪ বঙ্গাব্দে শ্রীহট্ট থেকে ভৈরবচন্দ্র শর্মার সম্পাদনায় নারায়ণদেবের পদ্মাপুরাণ সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়।</p>



<p>নারায়ণদেবের কাব্যে আছে কালিকাপুরাণ, শিবপুরাণ, কুমারসম্ভব কাব্যের প্রভাব। কবি বেহুলা চরিত্রটিকে সুচিত্রিত করেছেন। হাস্য ও করুণ রসের সৃষ্টিতে কবির দক্ষতা ধরা পড়েছে। কবি কাব্যের সমাপ্তি করেছেন চাঁদ সদাগরকে দিয়ে মুখ না ফিরিয়ে বাম হাতে মনসার পুজো করার মধ্য দিয়ে। নারায়ণদেবকেই অনেকে মনসামঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি বলে থাকেন। আশুতোষ ভট্টাচার্য লিখেছেন, &#8220;নারায়ণদেবের রচনায় স্বভাব-স্ফূর্ত সরস কবিত্বের যেমন পরিচয় পাওয়া যায়, তেমনই তাহাতে পাণ্ডিত্যের পরিচয়ও দুর্লভ নহে।&#8221;</p>



<h2 class="wp-block-heading">দ্বিজ বংশীদাস</h2>



<p>দ্বিজ বংশীদাস বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার পাতুয়ারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। &#8216;মহিলা কৃত্তিবাস&#8217; হিসেবে পরিচিত কবি চন্দ্রাবতী ছিলেন তাঁর কন্যা। চন্দ্রাবতী তাঁর রামায়ণ অনুবাদে পিতার পরিচয় দিয়ে লিখেছেন ফুলেশ্বরী নদীর তীরে যাদবানন্দ ও অঞ্জনার ঘরে ভট্টাচার্য বংশে দ্বিজ বংশীদাসের আবির্ভাব হয়। </p>



<p>দুঃখের সংসার দূর করার জন্য কবি স্বরচিত ভাসান গান গেয়ে শোনাতেন নানা স্থানে। শোনা যায় একবার তিনি দস্যু কেনারামের কবলে পড়েন। কবি তাকে বেহুলার দুঃখের কাহিনি শোনান এবং দস্যুর হাত থেকে রেহাই পান। </p>



<p>কবি বংশীদাসের কাব্যের নাম &#8216;পদ্মাপুরাণ&#8217;। তাঁর কাব্যে কাব্যরচনাকাল-জ্ঞাপক একটি শ্লোক আছে। শ্লোকটি হল &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center">&#8216;জলধির বামেত ভুবন মাঝে দ্বার।<br>শকে রচে দ্বিজ বংশী পুরাণ পদ্মার।।&#8217;</p>



<p>এই দুই ছত্র থেকে বলা যায় কবি বংশীদাস ১৪৯৭ শকে বা ১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর কাব্য &#8216;পদ্মাপুরাণ&#8217; রচনা করেন। কবির কাব্য আকারে বৃহৎ। কাব্যটি তন্ত্র প্রভাবিত। কাব্যের বেহুলা চরিত্র কিছুটা বাস্তবসম্মত।</p>



<h2 class="wp-block-heading">কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ</h2>



<p>মনসামঙ্গল কাব্যধারায় রাঢ়ের কবি হিসেবে জনপ্রিয় হলেন কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ। কেতকাদাস পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার কাঁথড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবিরা দুই ভাই ছিলেন। অন্য ভাইয়ের নাম অভিরাম। পিতার নাম শঙ্কর। তিনি বারা খাঁর কর্মচারী ছিলেন। যুদ্ধে বারা খাঁ মারা গেলে অশান্তির হাত থেকে নিস্তার পেতে তিনি দুই পুত্রকে নিয়ে পালিয়ে যান। সেই দুঃসময়ে তাদের আশ্রয়দাতা ছিলেন জগন্নাথপুরের লম্বোদর তেলি। পরে রাজা বিষ্ণুদাসের ভ্রাতা ভারমল্ল তাঁদের আশ্রয় দেন এবং তিনটি গ্রাম দান হিসেবে পান। </p>



<p>কেতকাদাসের কাব্য সপ্তদশ শতকের মাঝামাঝি রচিত হয় বলে অনুমান। কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ তাঁর কাব্যে বেহুলার যাত্রাপথের বর্ণনায় যে ২২টি গ্রামের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে ১৪টির নাম এখনও দামোদর নদের উভয়তীরে বর্তমান। কবির উল্লেখিত বর্ধমান, মণ্ডলগ্রাম, বৈদ্যপুর, গোবিন্দপুর, হাসনহাটি প্রভৃতি স্থান মনসা পুজোর জন্য আজও বিখ্যাত।</p>



<p>সমস্ত মনসামঙ্গল কাব্যের মধ্যে কেতকাদাসের কাব্যই প্রথম মুদ্রিত হয়। কাব্যে আছে কবির পাণ্ডিত্যের পরিচয়। বেহুলা চরিত্রের দুঃখ বর্ণনায় কবি সার্থক করুণ রসের সৃষ্টি করেছেন। তাঁর সৃষ্ট চাঁদ সদাগরের চরিত্রে আছে দৃঢ়তা। রচনারীতির কিছু স্থানে আছে মুকুন্দ চক্রবর্তীর প্রভাব।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বিপ্রদাস পিপলাই</h2>



<p>বিপ্রদাস পিপলাই  চব্বিশ পরগণার বাদুড়্যা বটগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবির পিতার নাম মুকুন্দ পণ্ডিত। কবিরা চার ভাই। তাঁর কাব্যে কাব্যরচনাকাল-জ্ঞাপক যে শ্লোকটি পাওয়া যায় তা হল &#8211;</p>



<p class="has-text-align-center">সিন্ধু ইন্দু বেদ মহী শক পরিমাণ<br>নৃপতি হুসেন শা গৌড়ের সুলতান।।&#8217;</p>



<p>উক্ত বিবরণ থেকে বোঝা যায়, ১৪১৭ শকে বা ১৪৯৫ খ্রিস্টাব্দে বিপ্রদাস তাঁর কাব্য রচনা করেন। তাঁর কাব্য রচনাকালে গৌড়ের সিংহাসনে বিরাজমান ছিলেন সুলতান হুসেন শাহ। কবি সাতটি পালায় তাঁর গীত সম্পূর্ণ করতে চেয়েছিলেন। ড. সুকুমার সেনের সম্পাদনায় &#8216;বিপ্রদাসের মনসাবিজয়&#8217; প্রকাশিত হয়।</p>



<p>কবির কাব্যে চাঁদের বাণিজ্য-যাত্রা সম্পর্কে কিছু প্রাচীন স্থানের নাম উল্লেখ আছে। যেমন &#8211; হুগলী, ভাটপাড়া, ভদ্রেশ্বর, ইছাপুর, কোন্নগর, কামারহাটি, চিৎপুর, রিষড়া ইত্যাদি। মনসা চরিত্র সৃষ্টিতে কবি &#8216;করুণা ও স্নেহ-মমতা সঞ্চার&#8217; করতে সক্ষম হয়েছেন। বিপ্রদাসের &#8216;মনসাবিজয়&#8217; কাব্যে &#8216;মনসামঙ্গল&#8217; ও &#8216;মনসাচরিত&#8217; নাম দুটিও ব্যবহার করেছেন।</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p>আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a></p>



<p>২০/০২/২০২৬</p>



<p><a href="https://targetsscbangla.com/mangalkabya-a-brief-discussion">মঙ্গলকাব্যের গঠন</a> সম্পর্কে পড়ুন।<br>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সামগ্রিক তথ্য পেতে ইনস্টল করুন আমাদের মোবাইল অ্যাপ <a href="https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kodular.nrc_teacher.eBook" target="_blank" rel="noreferrer noopener">mBook</a>, গুগল প্লে-স্টোর থেকে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="aspect-ratio:2.584094939298868;width:230px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af">মনসামঙ্গল কাব্য | শ্রেষ্ঠ কবি কে ? | কবিদের পরিচয়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%af/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মলুয়া ও মহুয়া পালার কাহিনি &#124; ময়মনসিংহ গীতিকা</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 02:36:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গীতিকা সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4790</guid>

					<description><![CDATA[<p>ময়মনসিংহ গীতিকার জনপ্রিয় দুটি পালা হল মলুয়া ও মহুয়া। আমরা এই পোস্টে মলুয়া পালার কাহিনি ও মহুয়া পালার কাহিনি দুটি যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত অথচ নিটোল আকারে উপস্থাপন করেছি। অনুরোধ, পাঠক পাঠিকা প্রতিক্রিয়া দেবেন। আসুন, পালা দুটির কাহিনি জেনে নেওয়া যাক। মহুয়া পালার কাহিনি ময়মনসিংহ গীতিকার মহুয়া পালার কাহিনিতে দেখি গারো পাহাড়ে ডাকাতি করে জীবিকা নির্বাহ করে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8">মলুয়া ও মহুয়া পালার কাহিনি | ময়মনসিংহ গীতিকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ময়মনসিংহ <a href="https://targetsscbangla.com/gitika-sahitya-review">গীতিকা</a>র জনপ্রিয় দুটি পালা হল মলুয়া ও মহুয়া। আমরা এই পোস্টে <strong>মলুয়া <strong>পালার কাহিনি</strong></strong> <strong>ও মহুয়া পালার কাহিনি</strong> দুটি যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত অথচ নিটোল আকারে উপস্থাপন করেছি। অনুরোধ, পাঠক পাঠিকা প্রতিক্রিয়া দেবেন। আসুন, পালা দুটির কাহিনি জেনে নেওয়া যাক।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মহুয়া পালার কাহিনি</h2>



<p>ময়মনসিংহ গীতিকার মহুয়া পালার কাহিনিতে দেখি গারো পাহাড়ে ডাকাতি করে জীবিকা নির্বাহ করে হুমর‍্যা বেদে। সে তার দলবল নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে ধনু নদীর তীরে কাঞ্চনপুর গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। ঐ গ্রামের এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের শিশুকন্যাকে হুমর‍্যা চুরি করে নিয়ে যায়। তার না রাখে মহুয়া। মহুয়াকে সে নিজের কন্যার মতোই লালন পালন করে। ধীরে ধীরে সেই কন্যার বয়স হয় ষোল বছর।</p>



<p>এই সময় মহুয়া অপূর্ব সুন্দরী। তাকে সঙ্গে নিয়ে হুমর‍্যার দল নানা স্থানে তামাশা প্রদর্শন করতে শুরু করে। এইভাবেই একদিন তারা উপস্থিত হয় বামনকান্দা গ্রামে। এখানে &#8216;মহুয়া সুন্দরী&#8217;র খেলা দেখে মুগ্ধ হয় ব্রাহ্মণ-যুবক নদেরচাঁদ। এরপর জলের ঘাটে নদেরচাঁদ ও মহুয়ার পারস্পরিক সাক্ষাতে পূর্বরাগের সঞ্চার হয়। উভয়ের কথোপকথনের মাঝে নদেরচাঁদ জানায় &#8211;</p>



<p><em>&#8216;তোমার মতো নারী পাইলে করি আমি বিয়া।&#8217;</em></p>



<p>মহুয়াও চন্দ্র-সূর্যকে সাক্ষী রেখে &#8216;নদ্যার ঠাকুর&#8217; নদেরচাঁদকে &#8216;প্রাণের সোয়ামী&#8217; মেনে নিয়েছে। এদিকে হুমর‍্যা বেদে সব জানতে পেরে সেই গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। মহুয়া চোখের জলে বিদায় নিল। নদেরচাঁদও মহুয়ার বিরহে দেশান্তরী হল। পথে কোনো পথিক দেখলে নদেরচাঁদ জিজ্ঞাসা করে &#8211;</p>



<p><em>&#8216;মেঘের সমান কেশ তার তারার সমান আঁখি।<br>এই দেশে নি উইড়া আইছে আমার তোতাপাখী।।&#8217;</em></p>



<p>এইভাবে নানা দেশ ভ্রমণ করে অবশেষে সে কংসাই নদীর ধারে মহুয়ার সন্ধান পেল। উভয়ের সাক্ষাৎ যেন &#8211; &#8216;সাপে যেমন পাইল মণি পিয়াসী পাইল জল।&#8217;</p>



<p>কিন্তু উভয়ের পুনর্মিলন মানতে পারল না হুমর‍্যা বেদে। সে একদিন মহুয়ার হাতে ছুরি দিয়ে নদেরচাঁদকে হত্যা করার আদেশ দিল। কিন্তু মহুয়া তা না করে নদেরচাঁদকে সঙ্গে নিয়ে দূর দেশে পালিয়ে গেল। তারা এসে হাজির হল এক পার্বত্য নদীর সামনে। কিন্তু এখানেও ঘটল বিপত্তি। মহুয়ার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে হস্তগত করতে চাইল এক অসাধু সন্ন্যাসী। মহুয়া কৌশলে সেই বিপত্তি থেকে নিজেকে ও নদেরচাঁদকে বাঁচাল।</p>



<p>সেখান থেকে তারা এক অরণ্যপথে পালিয়ে গেল। এখানে তারা সুখে বাস করছিল। কিন্তু হুমর‍্যা বেদের দল সেখানেও হাজির হয়। সে পুনরায় মহুয়াকে &#8216;বিষলক্ষের ছুরি&#8217; দিয়ে নদেরচাঁদকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। মহুয়া অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত হয়। শেষ পর্যন্ত মহুয়া ঐ ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে প্রাণত্যাগ করে। কন্যার এই পরিণতিতে হুমর‍্যাও ক্রোধে নদেরচাঁদকে হত্যা করে। তারপর দুটি মৃতদেহই কবর দেওয়া হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মলুয়া পালার কাহিনি</h2>



<p>কাহিনির শুরুতে &#8216;জলপ্লাবন ও দুর্ভিক্ষে&#8217;র কথা আছে। বলা হয়েছে বারো মাসের কাহিনি। কাহিনির নায়ক চাঁদবিনোদ কুড়া শিকারে বেরিয়ে আড়ালিয়া নামক একটি গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। একটি পুকুর পাড়ে কদমতলায় শুয়ে চাঁদবিনোদের দুপুর কাটে। ক্রমে দুপুর পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়ে আসে। চাঁদবিনোদ ঘুমে আচ্ছন্ন। এমন সময় পুকুরে আসে সুন্দরী মলুয়া। নিদ্রিত চাঁদবিনোদকে দেখে তার মনে প্রেমের সঞ্চার হয়। মলুয়া কলসি নিয়ে জল ভরতে থাকে।</p>



<p>কিন্তু                            </p>



<p><em>&#8216;জল ভরণের শব্দে বিনোদ জাগিয়া উঠিল।&#8217;<br>সুন্দরী মলুয়াকে দেখে চাঁদবিনোদের মনে হল &#8211;<br>&#8216;জাগিয়া দেখ্যাছি কিবা নিশির স্বপন&#8217;।</em></p>



<p>এই পর্যায়ে উভয়ের মনেই পূর্বরাগের সঞ্চার হয়েছে। এরপর চাঁদবিনোদ তার মনোবাসনা দিদির কাছে জানায়। তার দিদির কাছ থেকে সব কথা শোনে চাঁদের মা। তার মা তখন মলুয়ার সঙ্গে চাঁদের বিবাহের জন্য ঘটক পাঠায়। কিন্তু চাঁদের দরিদ্র সংসারে মলুয়ার পিতা সেই বিবাহে সম্মতি দিলেন না। এরপর চাঁদবিনোদ কুড়া শিকারে যায় ও প্রচুর অর্থোপার্জন করে এবং মলুয়াকে বিয়ে করে।</p>



<p>কিন্তু এই কাহিনির মধ্যে আছে এক খল চরিত্র &#8211;কাজী। কাজী ষড়যন্ত্র করে চাঁদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। চাঁদের সংসারে শুরু হয় অভাব-অনটন। সে অর্থোপার্জনের জন্য ভিনদেশে পাড়ি দিল কাউকে কিছু না জানিয়েই। মলুয়ার মা মলুয়াকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। এদিকে বিদেশ থেকে ফিরে এল বিনোদ। তাদের সুখের সংসার আবার শুরু হল।</p>



<p>কিন্তু কাজীর চক্রান্তে চাঁদবিনোদের ওপর পুনরায় পরওয়ানা জারী হল। মলুয়া সব কথা জানিয়ে তার ভাইদের খবর দিল। তারা বিনোদকে উদ্ধার করল। কিন্তু কাজীর লোক মলুয়াকে হরণ করে নিয়ে গেল। তার রূপে মুগ্ধ হয়ে কাজীর দেওয়ান মলুয়াকে বিয়ে করতে চাইল। মলুয়া কৌশল অবলম্বন করে তিনমাস সময় চেয়ে নিল। এরপর পুনরায় কৌশল করে মলুয়া কাজীর প্রাণদণ্ডের হুকুম করিয়ে নিল। তারপর মলুয়ার ইচ্ছায় দেওয়ান কোড়া শিকারে বের হল। মলুয়া খবর দিল তার ভাইদের। ভাইয়েরা মলুয়াকে উদ্ধার করল এবং স্বামীগৃহে মলুয়া ফিরে এল।</p>



<p>কিন্তু মুসলমান সঙ্গদোষের কারণে মলুয়াকে তার সমাজ মেনে নিল না। চাঁদবিনোদ বাধ্য হল মলুয়াকে ত্যাগ করতে। সে পুনর্বিবাহ করল। এইভাবে চলার পর একদিন বনোদকে সাপে কামড়ায়। মলুয়া তাকে নিয়ে ওঝার বাড়ি যায় এবং বিনোদ প্রাণ ফিরে পায়। এই ঘটনার পরেও চাঁদবিনোদ মলুয়াকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। তখন মলুয়ার নিজের জীবনে বীতস্পৃহ হয়ে পড়ল। সে জলে ডুবে মরবার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হল &#8211;</p>



<p><em>&#8216;ডুবুক ডুবুক ডুবুক নাও আর বা কত দূর।<br>ডুইব্যা দেখি কতদূরে আছে পাতালপুর।।&#8217;</em></p>



<p>মলুয়া এইভাবেই নিজের জীবন দিয়েছে।</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p>আলোচক &#8211; <a href="https://myexamcare.in/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%a7%e0%a6%af%e0%a6%af%e0%a6%bc/" target="_blank" rel="noopener">নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</a><br>১৯/০২/২০২৬</p>



<p>মলুয়া পালার কাহিনি, মহুয়া পালার কাহিনি, ময়মনসিংহ গীতিকা সম্পর্কে আপনার কমেন্ট করুন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8">মলুয়া ও মহুয়া পালার কাহিনি | ময়মনসিংহ গীতিকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b9%e0%a6%a8/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিপরীত শব্দ তালিকা &#124; বাংলা ব্যাকরণ</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 11:13:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শব্দার্থতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[বিপরীত শব্দ]]></category>
		<category><![CDATA[শব্দ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4440</guid>

					<description><![CDATA[<p>ভাষার বৈচিত্র্য ও গভীরতা বাড়াতে বিপরীত শব্দ -এর গুরুত্ব অপরিসীম। এগুলি এমন একজোড়া শব্দ যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, যেমন &#8216;সহজ&#8217; ও &#8216;জটিল&#8217; কিংবা &#8216;ভালো&#8217; ও &#8216;মন্দ&#8217;। বাংলা ব্যাকরণ বাংলা শব্দভাণ্ডারে এমন শব্দের সংখ্যা কম নয়। বিপরীত শব্দ (Antonym) দিয়ে দুটি বিপরীত ধারণা, গুণ বা অবস্থাকে বোঝানো হয় এবং ভাষার [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6">বিপরীত শব্দ তালিকা | বাংলা ব্যাকরণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ভাষার বৈচিত্র্য ও গভীরতা বাড়াতে <strong>বিপরীত শব্দ</strong> -এর গুরুত্ব অপরিসীম। এগুলি এমন একজোড়া শব্দ যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, যেমন &#8216;সহজ&#8217; ও &#8216;জটিল&#8217; কিংবা &#8216;ভালো&#8217; ও &#8216;মন্দ&#8217;। বাংলা ব্যাকরণ বাংলা <a href="https://targetsscbangla.com/shabda-vandar">শব্দভাণ্ডারে</a> এমন শব্দের সংখ্যা কম নয়। বিপরীত শব্দ (Antonym) দিয়ে দুটি বিপরীত ধারণা, গুণ বা অবস্থাকে বোঝানো হয় এবং ভাষার প্রকাশ স্পষ্ট ও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। আমাদের এই উপস্থাপনায় আপনি নির্বাচিত বহু বিপরীতার্থক শব্দ পাবেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বিপরীত শব্দ &#8211; তালিকা ১</h2>



<figure class="wp-block-table"><table><thead><tr><th>শব্দ</th><th>বিপরীত শব্দ</th></tr></thead><tbody><tr><td>অংশ</td><td>সমগ্র</td></tr><tr><td>অকথ্য</td><td>কথ্য</td></tr><tr><td>অকপট</td><td>কপট</td></tr><tr><td>অকম্পিত</td><td>কম্পিত</td></tr><tr><td>অকারণ</td><td>কারণ</td></tr><tr><td>অকুণ্ঠ</td><td>কুণ্ঠ</td></tr><tr><td>অকৃতদার</td><td>কৃতদার</td></tr><tr><td>অক্ষম</td><td>সক্ষম</td></tr><tr><td>অখ্যাত</td><td>সুখ্যাত</td></tr><tr><td>অগোচর</td><td>গোচর</td></tr><tr><td>অজ্ঞ</td><td>বিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ</td></tr><tr><td>অণু</td><td>বৃহৎ</td></tr><tr><td>অতিষ্ট</td><td>তিষ্ট</td></tr><tr><td>অধঃ</td><td>ঊর্ধ্ব</td></tr><tr><td>অধমর্ণ</td><td>উত্তমর্ণ</td></tr><tr><td>অধুনা</td><td>পুরাকাল</td></tr><tr><td>অনাবিল</td><td>আবিল</td></tr><tr><td>অনিমেষ</td><td>নিমেষ</td></tr><tr><td>অনীহা</td><td>ঈহা</td></tr><tr><td>অন্তরঙ্গ</td><td>বহিরঙ্গ</td></tr><tr><td>অন্যমনস্ক</td><td>একমনা</td></tr><tr><td>অপচয়</td><td>সঞ্চয়</td></tr><tr><td>অবতারণা</td><td>ইতি</td></tr><tr><td>অবনমিত</td><td>উন্নীত</td></tr><tr><td>অভিমানী</td><td>নিরভিমান</td></tr><tr><td>অযাচিত</td><td>যাচিত</td></tr><tr><td>অশন</td><td>অনশন</td></tr><tr><td>অসীম</td><td>সসীম</td></tr><tr><td>অস্ফূট</td><td>ফুটন্ত</td></tr><tr><td>অহ্ন</td><td>রাত্রি</td></tr><tr><td>আঁটি</td><td>শাঁস</td></tr><tr><td>আকার</td><td>নিরাকার</td></tr><tr><td>আগম</td><td>লোপ</td></tr><tr><td>আগু</td><td>পিছু </td></tr><tr><td>আদৃত</td><td>অনাদৃত</td></tr><tr><td>আধুনিক</td><td>পৌরাণিক</td></tr><tr><td>আপত্তি</td><td>সম্মতি</td></tr><tr><td>আবশ্যিক</td><td>ঐচ্ছিক</td></tr><tr><td>আবাহন</td><td>বিসর্জন</td></tr><tr><td>আভ্যন্তরীণ</td><td>বাহ্যিক</td></tr><tr><td>আর্দ্র</td><td>শুষ্ক</td></tr><tr><td>আলোক</td><td>তিমির</td></tr><tr><td>আশু</td><td>বিলম্ব</td></tr><tr><td>আস্তিক</td><td>নাস্তিক</td></tr><tr><td>আহূত</td><td>অনাহূত</td></tr><tr><td>ইতস্তত</td><td>বিন্যস্ত</td></tr><tr><td>ইষ্ট</td><td>অনিষ্ট</td></tr><tr><td>ঈদৃশ</td><td>তাদৃশ</td></tr><tr><td>ঈহা</td><td>অনীহা</td></tr><tr><td>উচ্ছেদ</td><td>পত্তন</td></tr><tr><td>উত্তম</td><td>অধম</td></tr><tr><td>উৎরাই</td><td>চড়াই</td></tr><tr><td>উত্থান</td><td>পতন</td></tr><tr><td>উদীচ্য</td><td>দাক্ষিণাত্য</td></tr><tr><td>উন্মুখ</td><td>বিমুখ</td></tr><tr><td>উপচিকীর্ষা</td><td>অপচিকীর্ষা</td></tr><tr><td>উপশম</td><td>অপশম</td></tr><tr><td>ঊষর</td><td>উর্বর</td></tr><tr><td>ঋণ</td><td>সঞ্চয়</td></tr><tr><td>একত্র</td><td>পৃথক</td></tr><tr><td>একান্ন</td><td>পৃথগন্ন</td></tr><tr><td>ঐকতান</td><td>একতান</td></tr><tr><td>ঐতিহ্য</td><td>ঐতিহ্যহীন</td></tr><tr><td>ঐহিক</td><td>পারত্রিক</td></tr><tr><td>ওস্তাদ</td><td>শাগরেদ</td></tr><tr><td>ঔজ্জ্বল্য</td><td>ম্লানিমা</td></tr><tr><td>ঔদার্য</td><td>কার্পণ্য</td></tr><tr><td>ঔদ্ধত্য</td><td>বিনয়</td></tr></tbody></table></figure>



<p class="has-ast-global-color-0-color has-text-color has-link-color wp-elements-a51768d03e6ba5e96cd87fd18459738d">বিশেষ কোনো শব্দ পাচ্ছেন না ? তাহলে ইনস্টল করুন আমাদের বিপরীত শব্দ অভিধান অ্যাপ। আমরা এই অ্যাপে প্রায় ১৫০০ বিপরীত শব্দ তুলে ধরেছি। নিত্য নতুন আপডেটের মাধ্যমে যুক্ত করা হচ্ছে আরও নতুন শব্দ। তাই আজই আপনার মোবাইলে ইনস্টল করুন অ্যাপটি।</p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=nil.bipa79mec.com" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Install App</a></div>
</div>



<h2 class="wp-block-heading">বিপরীত শব্দের তালিকা &#8211; ২</h2>



<figure class="wp-block-table"><table><thead><tr><th>শব্দ</th><th>বিপরীত শব্দ</th></tr></thead><tbody><tr><td>কণ্টক</td><td>অকণ্টক</td></tr><tr><td>কনিষ্ঠ</td><td>জ্যেষ্ঠ</td></tr><tr><td>কর</td><td>নিষ্কর</td></tr><tr><td>করদ</td><td>স্বাধীন</td></tr><tr><td>কর্কশ</td><td>সরস</td></tr><tr><td>কলুষ</td><td>অকলুষ</td></tr><tr><td>কাট্য</td><td>অকাট্য</td></tr><tr><td>কাপুরুষ</td><td>বীরপুরুষ</td></tr><tr><td>কালকূট</td><td>অমৃত</td></tr><tr><td>কুৎসা</td><td>প্রশংসা</td></tr><tr><td>কুলবধূ</td><td>বারবধূ</td></tr><tr><td>কুলীন</td><td>অন্ত্যজ</td></tr><tr><td>কৃশ</td><td>স্থূল</td></tr><tr><td>কৃষক</td><td>ভূস্বামী</td></tr><tr><td>ক্রয়</td><td>বিক্রয়</td></tr><tr><td>ক্ষয়িষ্ণু</td><td>বর্ধিষ্ণু</td></tr><tr><td>ক্ষীণ</td><td>পীন</td></tr><tr><td>খরা</td><td>বর্ষা</td></tr><tr><td>খাতক</td><td>মহাজন</td></tr><tr><td>খারিজ</td><td>গ্রহণ</td></tr><tr><td>খুঁত</td><td>নিখুঁত</td></tr><tr><td>খেচর</td><td>ভূচর</td></tr><tr><td>গঞ্জনা</td><td>প্রশংসা</td></tr><tr><td>গণ্য</td><td>নগণ্য</td></tr><tr><td>গতি</td><td>স্থিতি</td></tr><tr><td>গম্ভীর</td><td>চপল</td></tr><tr><td>গরিষ্ঠ</td><td>লঘিষ্ঠ</td></tr><tr><td>গর্ভবতী</td><td>বন্ধ্যা</td></tr><tr><td>গার্হস্থ্য</td><td>সন্ন্যাস</td></tr><tr><td>গোলাম</td><td>বাদশা</td></tr><tr><td>গৌরাঙ্গ</td><td>কৃষ্ণাঙ্গ</td></tr><tr><td>ঘন</td><td>পাতলা</td></tr><tr><td>ঘাতক</td><td>পালক</td></tr><tr><td>ঘোলা</td><td>স্বচ্ছ</td></tr><tr><td>চক্ষুষ্মান</td><td>অন্ধ</td></tr><tr><td>চণ্ডাল</td><td>ব্রাহ্মণ</td></tr><tr><td>চমৎকার</td><td>কুৎসিত</td></tr><tr><td>চাকর</td><td>মালিক</td></tr><tr><td>চাহিদা</td><td>যোগান</td></tr><tr><td>চিরন্তন</td><td>ক্ষণিক</td></tr><tr><td>চৈতন্য</td><td>অচৈতন্য</td></tr><tr><td>ছদ্ম</td><td>প্রকৃত</td></tr><tr><td>ছাঁটাই</td><td>নিয়োগ</td></tr><tr><td>ছিদ্র</td><td>নিশ্ছিদ্র</td></tr><tr><td>জনক</td><td>জননী</td></tr><tr><td>জবাব</td><td>সওয়াল</td></tr><tr><td>জমিদার</td><td>রায়ত</td></tr><tr><td>জল</td><td>স্থল</td></tr><tr><td>জীবাত্মা</td><td>পরমাত্মা</td></tr><tr><td>জ্ঞানী</td><td>মূর্খ</td></tr><tr><td>ঝঞ্ঝাট</td><td>নির্ঝঞ্ঝাট</td></tr><tr><td>ঝাঁঝ</td><td>ঝাঁঝহীন</td></tr><tr><td>টোল</td><td>নিটোল</td></tr><tr><td>ঠুনকো</td><td>মজবুত</td></tr><tr><td>ডানপিঠে</td><td>শান্ত</td></tr><tr><td>ঢালু</td><td>খাড়া</td></tr><tr><td>ঢের</td><td>সামান্য</td></tr><tr><td>তদানীন্তন</td><td>ইদানীন্তন</td></tr><tr><td>তন্ময়</td><td>মন্ময়</td></tr><tr><td>তস্কর</td><td>সাধু</td></tr><tr><td>তামসিক</td><td>রাজসিক</td></tr><tr><td>তিরষ্কার</td><td>পুরস্কার</td></tr><tr><td>তীর্যক</td><td>সরল</td></tr><tr><td>তুষ্ট</td><td>রুষ্ট</td></tr><tr><td>তৃণভোজী</td><td>মাংসাশী</td></tr><tr><td>ত্বদীয়</td><td>মদীয়</td></tr><tr><td>ত্বরা</td><td>বিলম্ব</td></tr><tr><td>ত্যাজ্য</td><td>গ্রাহ্য</td></tr><tr><td>ত্বরিত</td><td>শ্লথ</td></tr><tr><td>থই</td><td>অথৈ</td></tr><tr><td>দণ্ড</td><td>পুরস্কার</td></tr><tr><td>দশা</td><td>দুর্দশা</td></tr><tr><td>দামী</td><td>সুলভ</td></tr><tr><td>দার</td><td>স্বামী</td></tr><tr><td>দিবা</td><td>নিশা</td></tr><tr><td>দীর্ঘ</td><td>হ্রস্ব</td></tr><tr><td>দুঃশাসন</td><td>সুশাসন</td></tr><tr><td>দুরাত্মা</td><td>মহাত্মা</td></tr><tr><td>দুর্লভ</td><td>সুলভ</td></tr><tr><td>দুশ্চরিত্র</td><td>সচ্চরিত্র</td></tr><tr><td>দূরত্ব</td><td>নৈকট্য</td></tr><tr><td>দৈর্ঘ্য</td><td>প্রস্থ</td></tr><tr><td>দ্বিজ</td><td>চণ্ডাল</td></tr><tr><td>ধর্মাত্মা</td><td>পাপাত্মা</td></tr><tr><td>ধাত্রী</td><td>ধাতা</td></tr><tr><td>ধৃষ্ট</td><td>নম্র</td></tr><tr><td>ধ্বনি</td><td>প্রতিধ্বনি</td></tr><tr><td>নঞর্থক</td><td>সদর্থক</td></tr><tr><td>নবীন</td><td>প্রবীণ</td></tr><tr><td>নিঃশব্দ</td><td>সশব্দ</td></tr><tr><td>নিকৃষ্ট</td><td>উৎকৃষ্ট</td></tr><tr><td>নিরাপদ</td><td>আপদ</td></tr><tr><td>নির্মল</td><td>মল</td></tr><tr><td>নির্লোম</td><td>লোমশ</td></tr><tr><td>নৈঃশব্দ</td><td>সশব্দ</td></tr><tr><td>ন্যূন</td><td>অন্যূন</td></tr><tr><td>পথ্য</td><td>অপথ্য</td></tr><tr><td>পদ্য</td><td>গদ্য</td></tr><tr><td>পরমাত্মা</td><td>জীবাত্মা</td></tr><tr><td>পরিব্রাজক</td><td>গৃহস্থ</td></tr><tr><td>পারত্রিক</td><td>ঐহিক</td></tr><tr><td>পুরাকাল</td><td>অধুনা</td></tr><tr><td>পূর্বাহ্ন</td><td>পরাহ্ন</td></tr><tr><td>প্রকৃষ্ট</td><td>নিকৃষ্ট</td></tr><tr><td>প্রফুল্ল</td><td>বিষণ্ণ</td></tr><tr><td>প্রশংসা</td><td>নিন্দা</td></tr><tr><td>প্রাচ্য</td><td>প্রতীচ্য</td></tr></tbody></table></figure>



<hr class="wp-block-separator has-text-color has-ast-global-color-0-color has-alpha-channel-opacity has-ast-global-color-0-background-color has-background is-style-wide"/>



<p class="has-black-color has-text-color has-link-color wp-elements-38df20fb29235681bec1fdb89b55df01">বিশেষ কোনো শব্দ পাচ্ছেন না ? তাহলে ইনস্টল করুন আমাদের <strong>বিপরীত শব্দ অভিধান অ্যাপ</strong>। আমরা এই অ্যাপে প্রায় ১৫০০ বিপরীত শব্দ তুলে ধরেছি। নিত্য নতুন আপডেটের মাধ্যমে যুক্ত করা হচ্ছে আরও নতুন শব্দ। তাই আজই আপনার মোবাইলে ইনস্টল করুন অ্যাপটি।</p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=nil.bipa79mec.com" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Install App</a></div>
</div>



<h2 class="wp-block-heading">বিপরীত শব্দ &#8211; তালিকা ৩</h2>



<figure class="wp-block-table"><table><thead><tr><th>শব্দ</th><th>বিপরীত শব্দ</th></tr></thead><tbody><tr><td>ফল</td><td>নিষ্ফল</td></tr><tr><td>ফাঁক</td><td>ভরাট</td></tr><tr><td>ফিকে</td><td>গাঢ়</td></tr><tr><td>বক্র</td><td>সরল</td></tr><tr><td>বন্ধন</td><td>মুক্তি</td></tr><tr><td>বন্য</td><td>পোষ্য</td></tr><tr><td>বরখাস্ত</td><td>বহাল</td></tr><tr><td>বর্ধিষ্ণু</td><td>ক্ষয়িষ্ণু</td></tr><tr><td>বহিঃ</td><td>অন্তঃ</td></tr><tr><td>বহুল</td><td>বিরল</td></tr><tr><td>বিকল্প</td><td>অবিকল্প</td></tr><tr><td>বিধর্ম</td><td>স্বধর্ম</td></tr><tr><td>বিপন্ন</td><td>নিরাপদ</td></tr><tr><td>বিরাগী</td><td>অনুরাগী</td></tr><tr><td>বিশ্লেষণ</td><td>সংশ্লেষণ</td></tr><tr><td>বৃদ্ধি</td><td>ক্ষয়</td></tr><tr><td>বৈচিত্র্য</td><td>গতানুগতিক</td></tr><tr><td>ব্যর্থ</td><td>চরিতার্থ</td></tr><tr><td>ব্যষ্টি</td><td>সমষ্টি</td></tr><tr><td>ভব্য</td><td>অভব্য</td></tr><tr><td>ভর্ৎসনা</td><td>প্রশংসা</td></tr><tr><td>ভিন্নার্থক</td><td>সমার্থক</td></tr><tr><td>ভুঁই</td><td>বিভুঁই</td></tr><tr><td>ভূচর</td><td>খেচর</td></tr><tr><td>ভ্রান্ত</td><td>অভ্রান্ত</td></tr><tr><td>মদীয়</td><td>ত্বদীয়</td></tr><tr><td>মন্থর</td><td>ক্ষিপ্র</td></tr><tr><td>মরমি</td><td>নিষ্ঠুর</td></tr><tr><td>মাতৃক</td><td>পৈতৃক</td></tr><tr><td>মূর্ত</td><td>বিমূর্ত</td></tr><tr><td>মৃণ্ময়</td><td>চিণ্ময়</td></tr><tr><td>মৈত্রী</td><td>শত্রুতা</td></tr><tr><td>মৌন</td><td>মুখর</td></tr><tr><td>যশ</td><td>অপযশ</td></tr><tr><td>যাবৎ</td><td>তাবৎ</td></tr><tr><td>যুগল</td><td>একক</td></tr><tr><td>যোজক</td><td>বিয়োজক</td></tr><tr><td>রজত</td><td>স্বর্ণ</td></tr><tr><td>রাজতন্ত্র</td><td>গণতন্ত্র</td></tr><tr><td>রায়ত</td><td>জমিদার</td></tr><tr><td>রুদ্র</td><td>শান্ত</td></tr><tr><td>রোদ</td><td>ছায়া</td></tr><tr><td>লব</td><td>হর</td></tr><tr><td>লিপ্ত</td><td>নির্লিপ্ত</td></tr><tr><td>লেশ </td><td>যথেষ্ট</td></tr><tr><td>শর্বরী</td><td>দিবস</td></tr><tr><td>শিখর</td><td>নিম্নদেশ</td></tr><tr><td>শিষ্ট</td><td>দুষ্ট</td></tr><tr><td>শুভ্র</td><td>কৃষ্ণ</td></tr><tr><td>শৈত্য</td><td>তাপ</td></tr><tr><td>শ্লীল</td><td>অশ্লীল</td></tr><tr><td>সংস্কৃতি</td><td>অপসংস্কৃতি</td></tr><tr><td>সঙ্কোচন</td><td>প্রসারণ</td></tr><tr><td>সজ্জন</td><td>দুর্জন</td></tr><tr><td>সদর</td><td>অন্দর</td></tr><tr><td>সন্নিধান</td><td>ব্যবধান</td></tr><tr><td>সমক্ষে</td><td>পরোক্ষে</td></tr><tr><td>সমাপিকা</td><td>অসমাপিকা</td></tr><tr><td>সান্ন</td><td>নিরন্ন</td></tr><tr><td>সৌখিন</td><td>পেশাদার</td></tr><tr><td>স্থাবর</td><td>জঙ্গম</td></tr><tr><td>হলকা</td><td>মলয়</td></tr><tr><td>হেঁট</td><td>উন্নত</td></tr><tr><td>হেয়</td><td>প্রিয়</td></tr><tr><td>হ্রাস</td><td>বৃদ্ধি</td></tr></tbody></table></figure>



<hr class="wp-block-separator has-text-color has-vivid-red-color has-alpha-channel-opacity has-vivid-red-background-color has-background is-style-wide"/>



<h5 class="wp-block-heading">তথ্যদানে &#8211; নীলরতন চট্টোপাধ্যায়</h5>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<p class="has-black-color has-text-color has-link-color wp-elements-8ee837cafe9168e34881bf69bb2f9603">আরও কিছু জানতে চান ? তাহলে ইনস্টল করুন আমাদের <strong>বাংলা ব্যাকরণ সমগ্র অ্যাপ</strong>। আমরা এই অ্যাপে প্রায় ২০,০০০ নানা শ্রেণির শব্দ তুলে ধরেছি। অ্যাপটি বাস্তবিক একটি বৃহৎ অভিধান। তাই আজই আপনার মোবাইলে ইনস্টল করুন অ্যাপটি।</p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link wp-element-button" href="https://play.google.com/store/apps/details?id=nil.smarttech.byakaran" target="_blank" rel="noopener">Install App</a></div>
</div>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" width="646" height="250" src="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png" alt="Target Bangla Android App" class="wp-image-1082" style="aspect-ratio:2.5842765371673293;width:222px;height:auto" srcset="https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app.png 646w, https://targetsscbangla.com/wp-content/uploads/2018/03/target_bangla_android_app-300x116.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>
</div><p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6">বিপরীত শব্দ তালিকা | বাংলা ব্যাকরণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a6%a6/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলার প্রবাদ &#8211; লোকসাহিত্য</title>
		<link>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a6</link>
					<comments>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a6#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[টার্গেট বাংলা]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 06:09:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পাঁচমিশালী]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[লোকসাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://targetsscbangla.com/?p=4416</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রবাদ লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাতেই প্রবাদের প্রচলন আছে। কিন্তু বাংলার প্রবাদ যেন সর্বক্ষেত্রে অনন্য। আমাদের আজকের আলোচনায় বাংলার প্রবাদের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও নানা উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি এই আলোচনাটি পাঠক পাঠিকার ভালো লাগবে। আলোচনাটি পড়ে আপনার মতামত জানানোর অনুরোধ করি। বাংলার প্রবাদ &#8211; প্রবাদ কী ? &#8216;প্রবাদ&#8217; শব্দের ব্যুৎপত্তি হল [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a6">বাংলার প্রবাদ &#8211; লোকসাহিত্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাদ লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাতেই প্রবাদের প্রচলন আছে। কিন্তু <strong>বাংলার প্রবাদ</strong> যেন সর্বক্ষেত্রে অনন্য। আমাদের আজকের আলোচনায় বাংলার প্রবাদের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও নানা উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি এই আলোচনাটি পাঠক পাঠিকার ভালো লাগবে। আলোচনাটি পড়ে আপনার মতামত জানানোর অনুরোধ করি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বাংলার প্রবাদ &#8211; প্রবাদ কী ?</h2>



<p>&#8216;প্রবাদ&#8217; শব্দের ব্যুৎপত্তি হল প্র &#8211; বদ + অ (ঘঞ্‌) অর্থাৎ পরম্পরায় প্রাপ্ত কোনো বাক্য, লোককথা বা জনশ্রুতি।&#8217; যে সকল উক্তি লোক পরম্পরায় জনশ্রুতি হিসেবে চলে আসছে, তাই হল প্রবাদ। এগুলি আসলে আমাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার একটি সংক্ষিপ্ত রসজ্ঞ প্রকাশ। ইংরেজিতে বলা যায় &#8211; &#8216;A proverb is a saying, usually short, that expresses a general truth about life.&#8217; অথবা &#8216;A Proverb is a short sentence, based on long experience.&#8217; প্রবাদ একদিকে যেমন প্রাচীন, অন্যদিকে তেমনই আধুনিক।</p>



<p>সাধারণত মানুষের বহুদর্শিতা বা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই প্রবাদের উদ্ভব হয়। এর প্রধান বিষয় মূলত মানব জীবন। একটি জাতির সত্যতা, রসবোধ, ঐতিহ্যগত দিক এবং মূল্যবোধ দীর্ঘদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত হয়ে <a href="https://targetsscbangla.com/bengali-idioms">প্রবাদ</a> রূপে সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা পায়। একটি জাতির সংস্কৃতির দর্পণ এই প্রবাদ। স্থানীয় পরিবেশ, সংস্কার, চিন্তাভাবনা, রুচিবোধ, ধর্মবিশ্বাস থেকে লোকাচার, জীবিকা ইত্যাদি সমস্ত কিছুই প্রকাশ পায় প্রবাদের মধ্য দিয়ে। তাই তো বাংলায় এত বহুল ও বিচিত্র প্রবাদের ব্যবহার দেখা যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বাংলার প্রবাদ &#8211; উদ্ভব</h2>



<p>কীভাবে উদ্ভব হল প্রবাদের ? প্রবাদ মানুষের মস্তিষ্ক থেকে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে সৃষ্ট। প্রবাদের দুটি অর্থ &#8211; একটি আক্ষরিক, অন্যটি ব্যঞ্জনা। ব্যঞ্জনাতেই তার সৌন্দর্য্য। প্রবাদের শিকড় আমাদের ঐতিহ্যে আর লোকের মুখে মুখেই এর প্রচার ও প্রসার। এক সংক্ষিপ্ত, সরল অথচ সরস অভিজ্ঞতায় পূর্ণ এই প্রবাদ। এগুলি একটি জাতি বা সমাজের দীর্ঘ ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা-জাত রস ও লৌকিক অভিজ্ঞতার ফসল। জাতি বা জনগোষ্ঠীর অমূল্য সম্পদ। সহজ বোধগম্যতায়, সরল প্রকাশে এবং অর্থবহ বক্তব্যের কারণেই দেশে দেশে প্রবাদ এত জনপ্রিয়।</p>



<p>ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য বলেছেন, &#8216;প্রবাদে রূপক <a href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%85%e0%a6%b2%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be">অলঙ্কারের</a> ব্যাপক প্রয়োগ হয়।&#8217; তবে রূপক ছাড়াও অন্যান্য অলঙ্কারেরও প্রয়োগ আছে। যেমন অনুপ্রাস। যেমন &#8211; কাজের নামে নেই কাজী / অকাজ পেলে তাতেই রাজী। এখানে &#8216;জ&#8217; এর অনুপ্রাস ঘটেছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বৈশিষ্ট্য</h2>



<p>১. প্রবাদ লোক সাধারণের উক্তি।</p>



<p>২. একটি জাতির দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি, প্রকাশিত হয়।</p>



<p>৩. আকারে সংক্ষিপ্ত বাক্য বা কিছু শব্দগুচ্ছের সমন্বয়</p>



<p>৪. প্রবাদ জাতির ঐতিহ্যকেন্দ্রিক</p>



<p>৫. রূপক, উপমা, অতিশয়োক্তি, বক্রোক্তি ও বিরোধাভাস অলংকারের ব্যবহার হয়।</p>



<p>৬. অবান্তর শব্দ বা বাক্য ব্যবহৃত হয় না।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মূল্য</h2>



<p>প্রাজ্ঞদের মুখে মুখে তৈরি অভিজ্ঞতালব্ধ এই প্রবাদ যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তা সহজ সরল বোধগম্য ভাষায় বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, দুঃখ-বেদনা, আশা-নিরাশার প্রকাশক। এগুলি মানব জীবনের সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যেরও প্রয়োজনীয় ও জনপ্রিয় উপাদান। দৈনন্দিন জীবনধারায় এর রসাবেদন কালজয়ী।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বাংলার প্রবাদ &#8211; উদাহরণ</h2>



<p>১. অগাধ জলের মাছ</p>



<p>২. কুম্ভকর্ণের নিদ্রা</p>



<p>৩. গোকুলের ষাঁড়</p>



<p>৪. অগস্ত্য যাত্রা</p>



<p>৫. জড়ভরত</p>



<p>৬. হরিহর আত্মা</p>



<p>৭. একলা মায়ের ঝি / গরব করব না তো কী</p>



<p>৮. এক বিয়ের মাগ নাড়ে চাড়ে / দোজবরের মাগ পুড়িয়ে মারে।</p>



<p>৯. কাজীর কাছে হিঁদুর পরব।</p>



<p>১০. দশদিন চোরের, একদিন সাউধের</p>



<p>১১. চকচক করলেই সোনা হয় না</p>



<p>১২. বিনা মেঘে বজ্রপাত</p>



<p>১৩. তিলকে তাল করা</p>



<p>১৪. যেমন বুনো ওল তেমনি বাঘা তেঁতুল </p>



<p>১৫. যার প্রতি যার মজে মন / কিবা হাড়ি কিবা ডোম</p>



<p>১৬. ধর্মের কল বাতাসে নড়ে</p>



<p>১৭. জন জামাই ভাগনা / তিন নয় আপনা</p>



<p>১৮. আপণা মাঁসে হরিণা বৈরী (চর্যাপদ)</p>



<p>১৯. ললাট লিখন খণ্ডন ন জাএ (<a href="https://targetsscbangla.com/srikrishna-kirtan">শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য</a>)</p>



<p>২০. দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো</p>



<p>২১. আদা শুকালেও ঝাল যায় না </p>



<p>২২. উড়ে, নেড়ে, গলায় দড়ে / কথা কইবে এ তিন ছেড়ে</p>



<p>২৩. ওড়গাঁয়ের ডাঙা</p>



<p>২৪. কিনতে ছাগল বেচতে পাগল</p>



<p>২৫. গুরু ঘাঁটায়ে বিদ্যা পায় / মূর্খ ঘাঁটায়ে মার খায়</p>



<p>২৬. ধরি মাছ না ছুঁই পানি</p>



<p>২৭. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট</p>



<p>২৮. বামুন গেল ঘর / লাঙল তুলে ধর</p>



<p>২৯. লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন</p>



<p>৩০. ব্যাঙের সর্দি</p>



<hr class="wp-block-separator has-alpha-channel-opacity is-style-wide"/>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-container-core-buttons-is-layout-16018d1d wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button is-style-outline is-style-outline--1"><a class="wp-block-button__link wp-element-button" href="https://www.youtube.com/@prayas-by-nil" target="_blank" rel="noopener">Watch More</a></div>
</div>



<p>বাংলার প্রবাদ শীর্ষক আলোচনাটি কেমন লাগল তা কমেণ্টে লিখুন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ক্যাটেগরি অনুসারে বহু বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেগুলি পড়ে দেখার অনুরোধ জানাই। আমরা চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিক সাহিত্য তথা ব্যাকরণ, নির্মিতি, সাহিত্যের রূপরীতি নানা বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছি। </p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a6">বাংলার প্রবাদ &#8211; লোকসাহিত্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://targetsscbangla.com">টার্গেট বাংলা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://targetsscbangla.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a6/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
